• ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dies

খেলার দুনিয়া

১৫ হাজারের মাইলফলক ছুঁয়েও নিস্পৃহ বিরাট! শতরানের পর জানালেন জীবনের মন্ত্র, প্রশংসায় শুভমন

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে প্রথম এক দিনের ম্যাচে ব্যাট হাতে ফের একবার নিজের চেনা ছন্দে বিরাট কোহলি। দুর্দান্ত শতরান করে দলকে জেতানোর পাশাপাশি ম্যাচের পর তাঁর কথাতেও ধরা পড়ল এক পরিণত ক্রিকেটারের গভীর উপলব্ধি। ব্যক্তিগত রেকর্ড, সাফল্য কিংবা মাইলফলক নয়কোহলির কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলকে সাহায্য করা, প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা এবং মাঠে নিজের সেরাটা দেওয়া।ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে শতরানের সুবাদে এক দিনের ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের গণ্ডি পার করেছেন বিরাট। আরও একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হল, এই মাইলফলকে পৌঁছতে তিনি সচিন তেন্ডুলকরের তুলনায় ৭২টি ম্যাচ কম নিয়েছেন। তবে এত বড় কীর্তিও যেন বিশেষ ভাবে ছুঁতে পারেনি তাঁকে। বরং সাফল্যের পিছনে নিজের মানসিকতা এবং দীর্ঘ দিনের পরিশ্রমকেই বড় করে দেখছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।যেখান থেকে এসেছি, সেটাই মনে রাখা দরকারম্যাচের পর নিজের বর্তমান মানসিকতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কোহলি বুঝিয়ে দিয়েছেন, জীবনের এই পর্যায়ে এসে রেকর্ডের চেয়ে কৃতজ্ঞতাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।তাঁর বক্তব্যের মূল সুরখ্যাতি, জনপ্রিয়তা কিংবা রেকর্ডের মধ্যে ডুবে গেলে নিজের শিকড়কে ভুলে যাওয়া সহজ। তাই বারবার ফিরে তাকাতে চান সেই দিনগুলির দিকে, যখন ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্নটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।কোহলির মতে, দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে বিরাট সৌভাগ্যের। এত মানুষের সামনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এবং দলের সাফল্যে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছেনএই উপলব্ধিই তাঁকে এখনও অনুপ্রাণিত করে। তাই তাঁর কাছে সাফল্যের পরেও মাথা নিচু রেখে পরিশ্রম করা এবং চারপাশের মানুষকে হাসি দেওয়াটাই জীবনের বড় শিক্ষা।ফিটনেস ও মানসিক সতেজতাই ধারাবাহিকতার চাবিকাঠিএক দিনের ক্রিকেটে গত ১১টি ম্যাচে চারটি শতরান এবং পাঁচটি অর্ধশতরানকোহলির ধারাবাহিকতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু এতটা ধারাবাহিক থাকার রহস্য কী?কোহলির উত্তরেও রয়েছে তাঁর পরিচিত বাস্তববাদী মানসিকতা। তাঁর কাছে ক্রিকেট শুধু ব্যাটিং অনুশীলনের বিষয় নয়। খেলাটাকে বোঝা, শরীরকে ফিট রাখা এবং সবচেয়ে বেশি করে মানসিক ভাবে সতেজ থাকাএই তিনটিকেই তিনি গুরুত্ব দেন।তিন ফরম্যাটে খেলার সময়ও খুব বেশি অনুশীলন না করে নিজের মানসিক সতেজতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোহলি। এখন যেহেতু তিনি মূলত এক দিনের ক্রিকেটেই খেলছেন, তাই প্রতিটি ম্যাচে নিজের খেলার ধরনকে আরও পরিণত করার চেষ্টা করছেন।মাঠে নামার আগে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করা এবং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করাই তাঁর লক্ষ্য। তাঁর কাছে ক্রিকেটে স্বাধীন ভাবে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলা জরুরি, তবে সেই স্বাধীনতা যেন কখনও বেপরোয়া হয়ে না যায়সেটাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।চোখ বিশ্বকাপে, প্রস্তুতি চলছে প্রতিদিনআগামী বিশ্বকাপের পরিকল্পনা যে তাঁর মাথায় রয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন কোহলি। বয়স বা অভিজ্ঞতা নয়, নিজের শরীর ও ক্রিকেটীয় দক্ষতাকে যতটা সম্ভব প্রস্তুত রাখাই এখন তাঁর লক্ষ্য।শেষ ১৫ ওভারে দ্রুত রান নেওয়া, মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়নো, বৃত্তের মধ্যে ফিল্ডিং করাপ্রতিটি বিষয়েই নিজেকে প্রস্তুত রাখতে চান তিনি।কোহলির বক্তব্যে তাই ভবিষ্যতের লক্ষ্য যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে বর্তমানকে উপভোগ করার বার্তাও। তাঁর কাছে প্রতিটি ম্যাচই একটি সুযোগ। চাপকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সেটাকেই পারফরম্যান্সে পরিণত করতে চান তিনি।অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর দায়িত্বও পরিষ্কারদলের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় শট খেলে উইকেট ছুড়ে দেওয়া যাবে না। দলকে জেতানোর জন্য নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।১৫ হাজার রানতবু রেকর্ড নিয়ে ভাবিত ননএক দিনের ক্রিকেটে ১৫ হাজার রান নিঃসন্দেহে বিরাট কোহলির কেরিয়ারের আরও একটি বড় অধ্যায়। কিন্তু কোহলির কাছে সংখ্যাটি যেন শুধুই একটি পরিসংখ্যান।তিনি জানিয়েছেন, মাইলফলকের কথা মাথায় রেখে কখনও ক্রিকেট খেলেন না। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে দলকে কী ভাবে সাহায্য করা যায়, সেটাই তাঁর কাছে আসল বিষয়। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ব্যক্তিগত সাফল্য এলে সেটিকে তিনি অতিরিক্ত প্রাপ্তি হিসেবেই দেখেন।এত বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকার সুযোগ পাওয়ার জন্যও কৃতজ্ঞ তিনি। তাঁর মতে, অনেকেই এই জায়গায় পৌঁছতে চান, কিন্তু খুব কম মানুষই সেখানে পৌঁছতে পারেন। তাই সাফল্যের সঙ্গে মাটির কাছাকাছি থাকাটাও অত্যন্ত জরুরি।তরুণদের জন্য বিরাটের বার্তামাঠে ঢুকলে ক্রিকেটই সবতরুণ ক্রিকেটারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন কোহলি। তাঁর মতে, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর যেন একজন ক্রিকেটারের মনে অন্তত এই তৃপ্তি থাকেসে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে এবং দলের জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়েছে।বিশেষ করে মাঠের বাইরের আলোচনা, সমালোচনা কিংবা নানা ধরনের কথাবার্তাকে গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মাঠে ঢোকার পর ক্রিকেটকেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় করে তুলতে হবে।দলের প্রয়োজনে নিজের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বা স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভুলে যাওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে বলেও মনে করেন কোহলি। তাঁর বক্তব্যের সারকথা, ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের আগে দলের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে পারলেই একজন ক্রিকেটার সত্যিকারের অর্থে দলকে সাহায্য করতে পারবেন।শুভমনকে নিয়ে কোহলির প্রশংসাম্যাচে শুভমন গিলের সঙ্গে তাঁর শতরানের জুটিও ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ম্যাচের পর তরুণ অধিনায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন কোহলি।তাঁর মতে, শুভমনের মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয় গুণ রয়েছে। ম্যাচকে বিভিন্ন দিক থেকে দেখার ক্ষমতা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতাও রয়েছে তাঁর।শুধু নেতৃত্ব নয়, ব্যাটার হিসেবেও শুভমনকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বলে উল্লেখ করেছেন কোহলি। তাঁর সঙ্গে ব্যাটিং করার সময় বড় জুটি গড়া সহজ হয় বলেও মনে করেন তিনি।এক দিকে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক, অন্য দিকে শতরান দিয়ে দলের জয়সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ম্যাচটি কোহলির জন্য ছিল বিশেষ। তবে তাঁর কথায় সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি ধরা পড়েছে, তা হল রেকর্ডের চেয়েও বড় তাঁর কাছে দায়িত্ব, দল এবং ক্রিকেটের প্রতি কৃতজ্ঞতা।বিরাটের ব্যাটে এখনও রান আছে, লক্ষ্যও আছে। আর সেই লক্ষ্যের কেন্দ্রে ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে অনেক বেশি করে রয়েছেভারতের হয়ে মাঠে নেমে প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগানো।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৬ ছক্কা'র সোবার্স থামলেন ৮৯'এ , চলে গেলেন সীমানার বাইরে, ক্রিকেট বিশ্ব হারাল সর্বকালের শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডারকে

জনতার কথা ডেস্ক: ক্রিকেট ইতিহাসের এক স্বর্ণালী অধ্যায়ের অবসান। চিরবিদায় নিলেন স্যার গারফিল্ড (গ্যারি) সোবার্স। ৮৯ বছর বয়সে শুক্রবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাঁর মৃত্যু শুধু ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের নয়, গোটা ক্রিকেট বিশ্বের এক অপূরণীয় ক্ষতি। এমন এক প্রতিভার বিদায়, যাঁর মতো আর কেউ ছিলেন না, আর হয়তো কোনও দিন হবেনও না।ক্রিকেটে যখন অলরাউন্ডার শব্দটি উচ্চারিত হয়, তখনও স্যার গারফিল্ড সোবার্সের নাম এক আলাদা মর্যাদায় উচ্চারিত হয়। কারণ তিনি শুধু ব্যাট ও বলে সমান দক্ষ ছিলেন না, তিনি ছিলেন ক্রিকেট নামক শিল্পের এক সম্পূর্ণ রূপ। দ্রুতগতির পেস, বাঁ-হাতি স্পিন, অর্থোডক্স স্পিন, রিস্ট স্পিনসবই ছিল তাঁর হাতের মুঠোয়। ব্যাট হাতে যেমন ছিলেন বিধ্বংসী, তেমনই স্লিপ বা শর্ট-লেগে ছিলেন দুর্দান্ত ফিল্ডার। ক্রিকেট মাঠে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল এক একটি শিল্পকর্ম।মাত্র ১৬ বছর বয়সে, ১৯৫৩ সালে বার্বাডোজের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক। প্রতিভার এমন বিস্ফোরণ ঘটেছিল যে, এক বছরের মধ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলে ডাক পান। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৩৬৫ রানের ইনিংস খেলেই তিনি বিশ্ব ক্রিকেটকে জানিয়ে দিয়েছিলেনএক নতুন সম্রাটের আবির্ভাব হয়েছে। সেই ইনিংস দীর্ঘ ৩৬ বছর টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর হিসেবে অমলিন ছিল, যতদিন না ব্রায়ান লারা সেই রেকর্ড ভাঙেন।তবে সংখ্যার বাইরেও সোবার্সের কীর্তি কিংবদন্তির মর্যাদা পেয়েছে। ১৯৬৮ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যালকম ন্যাশের এক ওভারে টানা ছয়টি ছক্কা হাঁকিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন তিনি। বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এই অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করে তিনি ক্রিকেটকে উপহার দিয়েছিলেন এক চিরকালীন কিংবদন্তি মুহূর্ত।পরিসংখ্যানও তাঁর মহত্ত্বের সাক্ষী। ৯৩টি টেস্টে ৮,০৩২ রান, গড় ৫৭.৭৮, সঙ্গে ২৩৫টি উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৮৩ ম্যাচে ২৮ হাজারেরও বেশি রান এবং এক হাজারের বেশি উইকেটযে পরিসংখ্যান আজও বিস্ময় জাগায়। তিনবার Wisden Leading Cricketer of the Year সম্মান পাওয়া সোবার্সকে কিংবদন্তি স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান নিজেই বলেছিলেন,আমার দেখা অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার।১৯৭৪ সালে মাত্র ৩৮ বছর বয়সে অবসর নেন সোবার্স। অনেকেরই বিশ্বাস, তাঁর মতো প্রতিভাবান ক্রিকেটার আরও বহু বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে সমৃদ্ধ করতে পারতেন। উইসডেন তখন লিখেছিল, অবিরাম দায়িত্ব, শারীরিক ক্লান্তি এবং হাঁটুর চোট তাঁর ক্রিকেট-জীবনের ইতি টেনে দেয়। যেন নিজের অসাধারণ প্রতিভার ভারই শেষ পর্যন্ত তাঁকে ক্লান্ত করে দিয়েছিল।স্যার গারফিল্ড সোবার্সের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ক্রিকেট মহলে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,শতকের অন্যতম সেরা ক্রিকেটারের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ব্যাট ও বলে তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।ভারতের আর এক প্রাক্তন কিংবদন্তি ক্রিকেটার, যিনি সোবার্সের সমসাময়িক ছিলেন, সামাজিক মাধ্যম X-এ আবেগঘন বার্তায় লিখেছেনRest in peace, Sir Garry. There will never, ever be another like you.তিনি আরও লেখেন, স্যার গ্যারি শুধু একজন ক্রিকেটার ছিলেন না, তিনি ছিলেন ক্রিকেটার কাকে বলে তার চূড়ান্ত মানদণ্ড। আজকের দিনে অলরাউন্ডার বলতে যেখানে দুটি দক্ষতার ভারসাম্য বোঝানো হয়, সেখানে সোবার্স ছিলেন পাঁচটি ভিন্ন দক্ষতার অধিকারী। ব্যাটিং, ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং, বাঁ-হাতি স্পিন, রিস্ট স্পিন এবং অসাধারণ ফিল্ডিংসব মিলিয়ে তিনি ছিলেন একাই একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট দল।তিনি স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামলেই সোবার্সকে চোখের আড়াল করা যেত না। তিনি প্রতিপক্ষের কাছ থেকেও সমান শ্রদ্ধা আদায় করে নিয়েছিলেন। ৩৬৫ রানের ইনিংস কিংবা এক ওভারে ছয় ছক্কাসবই ক্রিকেটের লোককথার অংশ হয়ে রয়েছে। অথচ মাঠের বাইরে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, বিনয়ী এবং ক্রিকেটের ঐতিহ্যের প্রতি গভীরভাবে নিবেদিত একজন মানুষ।শেষে তিনি লেখেনআজ ক্রিকেট তার সবচেয়ে উজ্জ্বল রত্নটিকে হারাল। গ্যালারির কোলাহল যেন কিছুটা স্তব্ধ হয়ে গেল। এই খেলা আজ আরও একটু দরিদ্র হয়ে গেল। আমার গভীর সমবেদনা তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং বিশ্বের প্রতিটি ক্রিকেটপ্রেমীর প্রতি।আসলে স্যার গারফিল্ড সোবার্সের জীবন শুধুমাত্র পরিসংখ্যানের নয়, ক্রিকেটকে ভালোবাসার এক অনন্য দর্শন। তিনি শিখিয়েছেন, প্রতিভা তখনই পূর্ণতা পায় যখন তার সঙ্গে যুক্ত হয় সৌন্দর্য, বিনয় এবং খেলাটির প্রতি নিখাদ ভালোবাসা।আজ তিনি নেই। কিন্তু ক্রিকেট মাঠে যখনই কোনও অলরাউন্ডারের তুলনা হবে, যখনই কোনও ব্যাটসম্যান এক ওভারে ছয় ছক্কার স্বপ্ন দেখবেন, কিংবা কোনও ক্রিকেটপ্রেমী নিখুঁত ক্রিকেটারের সংজ্ঞা খুঁজবেনতখনই ফিরে আসবে একটি নাম।স্যার গারফিল্ড সোবার্স।ক্রিকেটের রাজা হয়তো বিদায় নিয়েছেন, কিন্তু কিংবদন্তিদের মৃত্যু হয় না। তাঁরা বেঁচে থাকেন ইতিহাসের পাতায়, স্মৃতির গভীরে এবং কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর হৃদয়ে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় ঘোষণা! এবার পাত্রে ডিজেল কেনায় মিলল বড় ছাড়, কারা পাবেন এই সুবিধা?

পাত্রে করে ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে বড় স্বস্তির খবর দিল রাজ্য সরকার। এতদিন যে বিধিনিষেধের কারণে সাধারণ মানুষ এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বহু সংস্থা সমস্যায় পড়ছিল, এবার সেই নিয়মে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্য, খাদ্য সরবরাহ, জনপরিষেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং চা বাগানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির জন্য এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ডিজেল বিক্রিতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। পাত্রে করে ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয় এবং প্রতিদিন কতটা জ্বালানি দেওয়া যাবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল অযথা মজুত রোখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।এবার সেই নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, জরুরি পরিষেবা এবং রাজ্যের অর্থনীতি যাতে কোনও সমস্যার মুখে না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, আগের বিধিনিষেধের কারণে কৃষক, হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা পরিচালনাকারী সংস্থাকে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল।সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কৃষি, খাদ্য সরবরাহ, জনপরিষেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং চা বাগানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলি এখন থেকে সহজেই পাত্র বা ব্যারেলে ডিজেল কিনে নিয়ে যেতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিদিন ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে যে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটিও শিথিল করা হয়েছে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই ছাড় পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থাকে পেট্রল পাম্পে শুধুমাত্র প্রাথমিক পরিচয়পত্র দেখালেই হবে। এর ফলে জরুরি পরিষেবার কাজে আর জ্বালানির অভাবের কারণে কোনও বাধা তৈরি হবে না বলেই আশা করা হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তার মাঝেই ধাক্কা, রাতারাতি বাড়ল পেট্রল-ডিজ়েলের দাম! কোন শহরে কত নতুন দর

দেশবাসীকে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি খরচ কমানো এবং শক্তি সংরক্ষণের উপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বার্তার রেশ কাটতে না কাটতেই সাধারণ মানুষের জন্য এল বড় ধাক্কা। শুক্রবার থেকেই সারা দেশে পেট্রল ও ডিজ়েলের দাম লিটারপিছু ৩ টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন দামে জ্বালানি কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ পড়বে আমজনতার পকেটে।তেল বিপণন সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি এবং কর কাঠামোর পরিবর্তনের জেরেই এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শহরভেদে পেট্রল ও ডিজ়েলের খরচ আরও বেড়ে গেল।রাজধানী দিল্লিতে এতদিন এক লিটার পেট্রলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৭৭ পয়সা। নতুন দাম হয়েছে ৯৭ টাকা ৭৭ পয়সা। একইভাবে ডিজ়েলের দাম ৮৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৬৭ পয়সা প্রতি লিটারে।অন্যদিকে কলকাতায় পেট্রলের নতুন দাম হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৪ পয়সা প্রতি লিটার। ডিজ়েলের দামও বেড়েছে সমান হারে। মহানগর মুম্বইয়ে পেট্রলের দাম পৌঁছেছে ১০৬ টাকা ৬৮ পয়সায়। চেন্নাইয়ে এক লিটার পেট্রলের জন্য এখন খরচ করতে হবে ১০৩ টাকা ৬৭ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিবহণ খরচে। ফলে আগামী দিনে বাজারে খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিষেবার দামও বাড়তে পারে। সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ, যাঁদের প্রতিদিনের যাতায়াতের বড় ভরসা পেট্রল-ডিজ়েলচালিত যানবাহন।নতুন এই মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশ কেন্দ্রের সমালোচনায় সরব হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান যখন দেওয়া হচ্ছে, তখনই কেন মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত? এখন নজর, আগামী দিনে সরকার এ বিষয়ে কোনও স্বস্তির ঘোষণা করে কি না।

মে ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবার শেষকৃত্য সেরে দলে যোগ দিলেন রিঙ্কু সিং! ইডেনে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে নজর দেশবাসীর

দুপুর ঠিক দেড়টার সময় চেন্নাই বিমানবন্দরে এসে থামল ভারতীয় দলের বাস। একে একে নেমে এলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া, জশপ্রীত বুমরাহ-রা। ক্রিকেটারদের মুখে স্পষ্ট স্বস্তির ছাপ। আহমেদাবাদে হারের পর যে চাপ তৈরি হয়েছিল, জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতে তার অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে দল। এখন নজর ইডেনের ম্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ভারতের কাছে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলেই আর রান রেটের অঙ্ক নয়, সরাসরি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে দল।জিম্বাবোয়ে ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যাটারদের ফর্মে ফেরা। সঞ্জু স্যামসন ওপেন করে গুরুত্বপূর্ণ রান করেন। এরপর মাঝের সারির প্রায় সবাই অবদান রাখেন। লোয়ার অর্ডারে নেমে তিলক বর্মা ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়েই কলকাতায় পৌঁছেছে ভারতীয় দল।তবে খুশির মাঝেও রয়েছে শোকের ছায়া। শুক্রবার পিতৃবিয়োগ হয়েছে রিঙ্কু সিং-এর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তাঁর বাবা। জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে বাবাকে দেখতে গিয়েছিলেন রিঙ্কু। খবর পেয়েই তিনি চেন্নাই থেকে রওনা দেন। কিন্তু দলের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে শনিবারই ফের দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন তিনি। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, রিঙ্কু দলের সঙ্গেই থাকবেন। অতীতে শচীন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলি-ও পিতৃবিয়োগের পর দলের হয়ে খেলে দায়িত্ববোধের নজির গড়েছিলেন। সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল আবার।ম্যাচের আগে ছোট্ট একটি টিম মিটিং হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে হবে। বিপক্ষকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে হবে। কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলেও ব্যাটিংয়ের ধরণ বদলানো যাবে না। তিলকও বলেছেন, আগের ম্যাচগুলোতে তিনি একটু দেখে খেলছিলেন। কিন্তু এখন ঠিক হয়েছে, প্রথম বল মারার মতো হলে আক্রমণ করতেই হবে।কোচ গৌতম গম্ভীর ইডেনের পিচ খুব ভালো করেই চেনেন। দীর্ঘদিন কলকাতার হয়ে খেলেছেন, পরে দায়িত্বেও ছিলেন। সাধারণত ইডেন রানের পিচ হিসেবেই পরিচিত। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটিং আটকাতে ভারত যদি তুলনামূলক ধীর উইকেটে খেলতে চায়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে বড় শট খেলেই সাফল্য পেয়েছেন।তবে জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতলেও বোলিং নিয়ে কিছু চিন্তা রয়েই গিয়েছে। আগের ম্যাচে বুমরাহ উইকেট পাননি। বরুণ চক্রবর্তী-কেও শেষ দুই ম্যাচে খুব ধারালো দেখায়নি। ভারতীয় স্পিন আক্রমণে তিনি বড় ভরসা। জানা গিয়েছে, তাঁকে নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হয়েছে দলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের আগে ইডেনের ম্যাচে টানটান উত্তেজনা থাকছেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, এইমসে সনিয়া, প্রিয়াঙ্কা, আসছেন রাহুল

প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে দিল্লির ভর্তি করা হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। আজ রাতেই দিল্লির এমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এইমসে পৌঁছান সনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।পঞ্জাবের গাহতে জন্মগ্রহণ করেন মনমোহন সিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্ণরও ছিলেন। অর্থনীতিতে পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন মনমোহন সিং। দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার সঙ্গে বিচরণ করছেন। মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই দিল্লির AIIMS-এ পৌঁছোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কর্ণাটক থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জন খাড়গেরা। মনমোহন সিংয়ের মেয়ে এবং স্ত্রীও এইমস-এ রয়েছেন। অন্যদিকে, কর্ণাটকের বেলাগাভিতে চলমান CWC সভা মাঝপথে বাতিল করেছে কংগ্রেস। শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অগ্রগণ্য তিনি। তাঁর অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে তাঁকে রাজনীতিতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়। নরসিমা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। মনমোহন সিং ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁকে অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার বলে অভিহিত করলেও প্রধানমন্ত্রী থেকে তাবড় বিজেপি নেতৃত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। সজ্জন, ভদ্র, সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই দেশের জনতা মনে রাখবেন মনমোহন সিংকে।তিনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি লোকসভা নির্বাচনে না জিতে রাজ্যসভা সদস্য হয়ে দুবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এরপরেও তিনি রাজ্যসভার মাধ্যমে কংগ্রেসের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তাঁর সরকারের অনরাত্মা ছিলেন সনিয়া গান্ধী।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

হোটেল থেকে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বর্ধমানে

প্রেমিক প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বর্ধমানের তিনকোনিয়া এলাকার একটি হোটেল থেকে। রবিবার বিকেলে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আত্মঘাতী যুগলের নাম মহাদেব মাঝি(২০) ও প্রিয়াঙ্কা মিত্র। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়া জেলায়। তবে বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা মিত্র বর্ধমান শহরের ইছলাবাদ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া থাকতো বলে জানা গেছে।হোটেল কর্মী তাপস কান্তি মণ্ডল বলেন, শনিবার বিকেলে মহাদেব মাঝি হোটেলের চার তলায় একটি রুম ভাড়া নেন। রবিবার সকাল ১০ টার সময় একটি মেয়েকে সঙ্গে হোটেলের রুমে ঢোকেন। হোটেল কর্মীরা জিজ্ঞাসা করলে মহাদেব মাঝি জানায় এটি তার বোন হয়। এখুনি চেক আপ করবো।কিন্তু তারপর দীর্ঘক্ষণ হোটেলের রুম না খোলায় হোটেল কর্মীদের সন্দেহ হয়। তারা ডাকাডাকি করলেও ভিতর থেকে কোন সাড়া পায় নি। তখন বর্ধমান থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।হোটেল কর্মীরা জানান, দুজনকে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে। দুজনের গলায় মালা ছিল। রুম থেকে একটি সিঁদুরের কৌটা পাওয়া যায়। তাদের অনুমান রবিবারই হোটেলের রুমে তারা মালা বদল করে বিয়ে করে। রুম থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। ডিএসপি ট্রাফিক রাকেশ চৌধুরী বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়ায়। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে হোটলের ভূমিকা নিয়েও। কেন এতক্ষণ পর থানায় খবর দেওয়া হয় হোটেল থেকে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিস

বাড়ির পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার কে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদার চাঁচলের কলিগ্রাম এলাকায়। খবর পেয়ে গতকাল রাতে দেহ দুটি উদ্ধার করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। কেন এই আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্ধে সবাই। এনিয়ে এখনও থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও রহস্যের কিনারা করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।মৃত দম্পতির নাম যোগেন রক্ষিত (৫২) ও সোনামনি রক্ষিত (৪৩)। যোগেনবাবু জমি কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। তাঁরা নিঃসন্তান। কলিগ্রামে পৈতৃক পুরোনো বাড়িতে বসবাস করতেন এই দম্পতি। গতকাল রাতে ওই বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে তাঁদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তাঁরা যোগেনবাবুদের আত্মীয়দের খবর দেন। খবর দেওয়া হয় চাঁচল থানাতেও। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি ওই বাড়িতেই থাকতেন। প্রতিবেশীদের সাথে তেমন যোগাযোগ রাখতেন না তারা।যোগেনবাবুর ভাইপো ছোটন রক্ষিত জানান, কাকু-কাকিমা একাই থাকতেন। তাঁদের ছেলেমেয়ে নেই। নিঃসঙ্গ ছিলেন। কারও সঙ্গে সেভাবে মেলামেশাও করতেন না। কাকু জমির ব্যবসা করতেন। কাকিমা বাড়িতেই থাকতেন। রাতে তাঁদের প্রতিবেশীরা আমাদের এই খবর দেন। এসে দেখি, কাকু-কাকিমা দুজনেই গলাই দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছেন। ব্যবসার জন্য বাজারে কোনও ঋণ ছিল কিনা জানা নেই। কাকু-কাকিমার মধ্যে কোনওদিন অশান্তির খবরও শোনা যায়নি। কেন এমন হল, বুঝতে পারছি না।স্থানীয় বাসিন্দা সৌমেন রায়চৌধুরী বলছেন, শুনলাম, এক বয়স্ক দম্পতি নিজের বাড়িতেই আত্মঘাতী হয়েছেন। লোকজনের মুখে শুনেছি, তাঁদের অনেক দেনা হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটাতে তালা মারা থাকত। তাঁদের দেখাও যেত না। তাঁরা কারও সঙ্গে মিশতেনও না। এখন শুনছি, বাড়িতে তালা মারা থাকলেও তাঁরা এখানেই থাকতেন। এর বাইরে আমাদের আর কিছু জানা নেই।চাঁচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে গতকাল রাতেই দেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিশের তরফে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। আজ দুটি মৃতদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
দেশ

আজ মধ্যরাত থেকে কমছে ডিজেল, পেট্রোল ও গ্যাসের দাম, শুল্ক কমাল কেন্দ্র

ভর্তুকি যুক্ত উজ্জ্বলা গ্যাসের প্রতি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে আরও ভর্তুকির ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন টুইট করে জানালেন এই কথা। সে সমস্ত গ্রাহক উজ্জ্বলা গ্যাস ব্যবহার করেন তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন বছরে ১২টি সিলিন্ডারের জন্য।অর্থমন্ত্রী আরও জানান নতুন দাম আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে। পেট্রল ও ডিজেলের দামও কমবে বলে তিনি জানান। তিনি জানান পেট্রলের লিটার প্রতি ৮ টাকা ও ডিজেলের লিটার প্রতি ৬ টাকা শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরফলে প্রতি লিটারে পেট্রলের দাম কমবে সাড়ে ৯ টাকা এবং প্রতি লিটার ডিজেলের দাম কমবে ৭ টাকা। পাশাপাশি উজ্জ্বলা গ্যাস সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে বছরের ১২টি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে। এর ফলে ৯ কোটি গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।6/12 @PMOIndia has specifically asked all arms of the government to work with sensitivity and give relief to the common man.Keeping in line with @PMOIndia @narendramodi s commitment to help the poor common man, TODAY, we are announcing more steps to help our people. Nirmala Sitharaman (@nsitharaman) May 21, 2022সীতারামন টুইটে আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় এক্সাইস ডিউটি এই মুল্য হ্রাসের কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলস্বরূপ সারা বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা কোষাগার থেকে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টুইট করে সারা দেশের সমস্ত রাজ্যকে একই ভাবে শুল্ক কমানোর আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টুইটে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার প্রতি ২০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষনায় জন্য কেন্দ্রীয় কোষাগার থেকে বছরে আরও ৬১০০ কোটি টাকা খরচ হবে।কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাজ্য সরকারগুলি কতটা এগিয়ে আসে সেই দিকেই তাকিয়ে সাধরণ জনসাধারন। যেভাবে সারা দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে, অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের মতে এই সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও রাশ টানবে। তাঁরা কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

মে ২১, ২০২২
দেশ

রেকর্ড দাম পেট্রল-ডিজেলের, ১৬ দিনে ১৪ বার মূল্য বৃদ্ধি

বেড়েই চলেছে পেট্রল-ডিডেলের দাম। রেকর্ড সংখ্যক ১৬ দিনে ১৪ বার বাড়ল জ্বালানী তেলের দাম। ইতিমধ্যে রাজ্যের ৬ জেলায় ডিজেলের দাম সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। পেট্রলের দাম পার করছে ১১৫ টাকা। উত্তরপ্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন চলাকালীন দাম বাড়েনি পেট্রল-ডিজেলের। নির্বাচন মিটতেই লাগামছাড়া দাম বেড়ে চলেছে পেট্রপণ্যের। দোহাই দেওয়া চলছে আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধের জন্য তেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। কলকাতায় পেট্রলের দাম বাড়ছে ৮৪ পয়সা। এবার কলকাতায় এক লিটার পেট্রল কিনতে গুনতে হবে ১১৫টাকা ১২ পয়সা। এদিকে কলকাতায় ডিজেলের দাম বাড়ছে ৮১পযসা। কলকাতায় এক লিটার ডিজেল কিনতে ৯৯টাকা ৮৩পয়সা লাগবে। এদিকে শুধু পেট্রপণ্যের দাম বাড়েনি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে নিয়মিত। ভোজ্য তেল থেকে বিভিন্ন খাদ্যশস্যের ক্রয় করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।পেট্রপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করছে বিরোধী দলগুলো। পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, রাজ্য সরকার শুল্ক কমালে এরাজ্যে দাম কমবে পেট্রল-ডিজেলের। পাশাপাশি অন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে বলেই এই মূল্যবৃ্দ্ধি, বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব। যুক্তি, পাল্টা যুক্তি যাই দেওয়া হোক না কেন পেট্রপণ্যসহ নানান নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। অধিকাংশ দেশবাসীর এখন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর পরিস্থিতি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ভোট এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেয় রাজনৈতিক দলগুলো। ভোট পেরনোর পর সব ভোকাট্টা। জীবনযুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় আমআদমিকে।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিল পাকিস্তান!‌

সোমবার মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব যতটা না ছিল, তার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্ব ছিল ভারতের কাছে। মিতালি রাজরা প্রবলভাবেই এদিন পাকিস্তানের জয় চেয়েছিলেন। না পাকিস্তানের জন্য নয়, নিজেদের স্বার্থে। বিসমা মারুফরা হতাশ করেননি মিতালি রাজদের। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিল পাকিস্তান। ১৩ বছর পর বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে প্রথম জয় পেল পাকিস্তান। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট ইতিমধ্যেই জোগাড় করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেমিফাইনালে ওঠা অনেকটাই নিশ্চিত। ৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৮। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়াই ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের। ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে ৩ নম্বরে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। সোমবার পাকিস্তানের কাছে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছে। প্রথম জয় তুলে নিয়ে পাকিস্তানও নিজেদের ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রেখেছে। ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডও দারুণভাবেই সেমিফাইনালের লড়াইয়ে রয়েছে। লড়াইয়ে রয়েছে নিউজিল্যান্ডও। ৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৪। পাকিস্তানের মতো ক্ষীণ আশা রয়েছে বাংলাদেশেরও (৪ ম্যাচে ২ পয়েন্ট)। মঙ্গলবার ভারতকে হারালে তারাও সেমিফাইনালের লড়াইয়ে দারুণভাবে ঢুকে পড়বে। তবে সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চমক দিয়েছে পাকিস্তান। বৃষ্টির জন্য অনেক দেরিতে খেলা শুরু হয়। ম্যাচ কমিয়ে নিয়ে আসা হয় ২০ ওভারে। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে তোলে ৮৯। নাইদা দার ১০ রানে ৪ উইকেট নেন। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ২ উইকেটে ৯০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় ভারতের অনেকটাই সুবিধা হল। যদি ক্যারিবিয়ানরা জিতত, তাহলে সেমিফাইনালের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যেত। এখন সেমিফাইনালের জন্য ভারতের সঙ্গে তাদেরও লড়তে হবে। মঙ্গলাবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতলে ভারতও দারুণভাবেই সেমিফাইনালের লড়াইয়ে থাকবে। তবে লিগের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিততে হবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে টিম ম্যানেজমেন্টকে ভাবাচ্ছে দলের ধারাবাহিকতার অভাব। আগের দুটি ম্যাচে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারতে হয়েছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আশাবাদী মিতালি রাজরা।

মার্চ ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বরেকর্ড ঝুলনের, ক্যারিবিয়ানদের ১৫৫ রানে গুঁড়িয়ে মহিলা বিশ্বকাপে শীর্ষে ভারত

আগের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ভারতের। মহিলাদের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৫৫ রানে গুড়িয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গেলেন মিতালি রাজরা। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর। এদিন আনিসা মহম্মদের উইকেট তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হয়ে গেলেন ঝুলন গোস্বামী। টপকে গেলেন অস্ট্রেলিয়ার লিন ফুলস্টনকে। আগের দুটি ম্যাচে টপ অর্ডার ব্যাটিং নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালী রাজ। এদিন তাঁকে চিন্তামুক্ত করলেন স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে এদিন ভাল শুরু করেছিল ভারত। ওপেনিং জুটিতে ৬.৩ ওভারে ওঠে ৪৯ রান। যস্তিকা ভাটিয়া ৬টি চারের সাহায্যে ২১ বলে করেন ৩১। মিতালি রাজ ১১ বলে ৫ রান করে আউট হন। ২১ বলে ১৫ রান করেন দীপ্তি শর্মা। ১৩.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৮। সেখান থেকে ৪২.৩ ওভার পর্যন্ত ভারতের ইনিংসকে টেনে নিয়ে যায় স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর জুটি।ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর দারুণ আধিপত্য দেখান স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর। ৬৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ম করেন স্মৃতি। হরমনপ্রীতের হাফ সেঞ্চুরি আসে ৬১ বলে। ১০৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মান্ধানা, ৯টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে। হরমনপ্রীতের সেঞ্চুরি আসে ১০০ বলে, ৮টি চার ও ২দুটি ছয়ের সাহায্যে। ১৩টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ১১৯ বলে ১২৩ রান করে আউট হন স্মৃতি মান্ধানা। ১০টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে হরমনপ্রীত করেন ১০৭ বলে ১০৯। রিচা ঘোষ ৫, পূজা বস্ত্রকার ১০ ও ঝুলন গোস্বামী ২ রানে আউট হন। স্নেহ রানা ২ ও মেঘনা সিং ১ রানে অপরাজিত থাকেন। ৫০ ওভারে ভারত তোলে ৩১৭/৮। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আনিসা মহম্মদ ৫৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট দখল করেন। জয়ের জন্য ৩১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুম শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১২ ওভারে তোলে ১০০। ঝুলন গোস্বামী, মেঘনা সিং, দীপ্তি শর্মারা প্রমম দিকে ডিয়ান্ড্রা ডটিন ও হেইলি ম্যাথুজের সামনে সুবিধা করতে পারেননি। স্নেহ রানা বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তিনি তুলে নেন ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ডটিনকে। ৪৬ বলে ৬২ রান করে মেঘনা সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডটিন। এরপরই ধস নামে ক্যারিবিয়ান ইনিংসে। ৪০.৩ ওভারে ১৬২ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হেইলি ম্যাথিউজ ৪৩ রান করেন। সাতজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাতে পারেননি। স্নেহ রানা ২২ রানে ৩ উইকেট নেন। মেঘনা সিং ২৭ রানে ২ উইকেট পান। ঝুলন গোস্বামী, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও পূজা বস্ত্রকার একটি করে উইকেট নেন। এদিন আনিসা মহম্মদকে আউট করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর রেকর্ড গড়লেন ঝুলন গোস্বামী। তাঁর উইকেট সংখ্যা ৪০। টপকে গেলেন লিন ফুলস্টনকে। তাঁর উইকেট সংক্যা ৩৯।

মার্চ ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইডেনে সেই চেনা ছবি, ভারতের কাছে আবার হোয়াইট ওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দীর্ঘদিন পর আবার ইডেনের গ্যালরিতে দর্শক। বিরাট কোহলি না থাকলেও রোহিত শর্মা, শ্রেয়স আয়ারদের টানে মাঠে এসেছিলেন ক্রিকেটপ্রমীরা। দুজনই মন জয় করতে ব্যর্থ। ইডেনের হৃদয় জয় করে নিলেন প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা সূর্যকুমার যাদব। তাঁর দুরন্ত ৩১ বলে ৬৫ রানের সৌজন্যে ১৮৪/৫ তোলে ভারত। সূর্যকুমারের তৈরি ভিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টি২০ ম্যাচে ১৭ রানে জয় ভারতের। একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও হোয়াইট ওয়াশ ক্যারিবিয়ানরা।সিরিজ আগে জিতে যাওয়ায় ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে এদিন ভারত যে পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটবে, এটা জানাই ছিল। প্রথম একাদশে চারচারটি পরিবর্তন করে তৃতীয় টি২০ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ভারত। বিরাট কোহলির জায়গায় শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থের জায়গায় ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ভুবনেশ্বর কুমার ও যুজবেন্দ্র চাহালকে। এই দুজনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে আবেশ খান ও শার্দূল ঠাকুর।CHAMPIONS 🎉#TeamIndia pic.twitter.com/9CRlRacaff BCCI (@BCCI) February 20, 2022টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে এদিন নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারে ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৪)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ওয়ে ৫৩। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ শ্রেয়স। ১৬ বলে ২৫ রান করে হেডেন ওয়ালশের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভরেই ফিরে যান ঈশান। ৩১ বলে তিনি করেন ৩৪। চার নম্বরে নেমে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও (৭) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৯৩ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ে ভারতের।WWW 🇮🇳🏆 pic.twitter.com/opFYridB7m Shreyas Iyer (@ShreyasIyer15) February 20, 2022রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ইডেনের বাইশ গজে রাজত্ব করে গেলেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ৩১ বলে তিনি করেন ৬৫। মারেন ৭টি ৬। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন সূর্যকুমার। ২০ ওভারে ভারত তোলে ১৮৪/৫। ভেঙ্কটেশ আয়ার ১৯ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৮৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ওভারেই দীপক চাহার তুলে নেন কাইল মেয়ার্সকে (৬)। সাই হোপও (৮) সুযোগ পেয়ে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রভম্যান পাওয়েল ও নিকোলাস পুরান দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান। পাওয়েল (২৫) ফিরতেই ধস ক্যারিবিয়ান ইনিংসে। পরপর ফিরে যান কিয়েরন পোলার্ড (৫), জেসন হোল্ডার (২), রস্টন চেজ (১২)। একা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান। তাঁকে সঙ্গ দেন রোমারিও শেফার্ড। ৪৭ বলে ৬১ রান করে আউট হন পুরান। শেফার্ড ২১ বলে করেন ২৯। ২০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১৬৭/৯। হর্ষল প্যাটেল ২২ রানে ৩ উইকেট নেন। দীপক চাহার, ভেঙ্কটেশ আয়ার ও শার্দূল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতকে আবার দুহাত ভরে দিল ইডেন, টি২০ সিরিজ জয় ভারতের

রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। অধিনায়ক হিসেবে ইডেনেই প্রথম টি২০ সিরিজ জিতেছিলেন রোহিত। টানা দ্বিতীয় সিরিজ জয়। একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াসের পর টি২০ সিরিজেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইডেনে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৮ রানে হারিয়ে টি২০ সিরিজও জিতে নিল ভারত। আগের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভুগতে হয়েছিল ক্যারিবিয়ানদের। দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে পরে ব্যাট করেও জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে এদিন ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ঈশান কিশান (২)। এরপর জুটি বেঁধে ভারতকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ও সহঅধিনায়ক। জুটিতে ওঠে ৪৯ রান। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বলে ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (১৯)। সূর্যকুমার যাদব (৮) দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। নিজস্ব মেজাজে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন বিরাট কোহলি। ৪১ বলে ৫২ রান করে রস্টন চেজের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর ভারতে ১৮৬/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। রস্টন চেজ ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৮৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। তবে ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারে আউট হন কাইল মেয়ার্স (৯)। তাঁকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ব্রেন্ডন কিং ৩০ বলে ২২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও রভম্যান পাওয়েল। জুটিতে ওঠে ১০০। এই জুটিই ক্যারিবিয়ানদের জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ভুবনেশ্বর কুমার এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন নিকোলাস পুরানকে (৬২)। রভম্যান পাওয়েল লড়াই করেও দলকে জেতাতে পারেননি। ৩৬ বলে ৬৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৮/৩ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার, যুজবেন্দ্র চাহাল ও রবি বিষ্ণোই ১টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়ের, ইডেনে জয় দিয়ে শুরু ভারতের

একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর টি২০ সিরিজেও দারুণভাবে শুরু করল ভারত। ইডেনে প্রথম ম্যাচেই ক্যারিবিয়ানদের হারাল ৬ উইকেটে। দুর্দান্ত বোলিং করে ইডেনে স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়েই। আরও একটা বরপুত্র পেল ক্রিকেটের নন্দন কানন।শিশিরের কথা মাথায় রেখে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা। পঞ্চম বলে ব্রেন্ডন কিংকে (৪) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও খুব বেশি চাপে পড়েনি ক্যারিবিয়ানরা। পরিস্থিতি সামাল দেন কাইল মেয়ার্স ও নিকোলাস পুরান। মেয়ার্সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৪ বলে ৩১ করেন মেয়ার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডল অর্ডারে ধস নামান রবি বিষ্ণোই। দেশের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়লেন দেশের এই প্রতিশ্রুতিবান লেগ স্পিনার। তাঁর ও যুজবেন্দ্র চাহালের দাপটে মিডল ওভারে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। রান তোলার গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যায়।লং অফ বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই বড় ভুল করে ফেলেছিলেন রবি বিষ্ণোই। যুজবেন্দ্র চাহালের বলে নিকোলাস পুরানের ক্যাচ ধরে বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করে ফেলেন। শুরুতে জীবন পেয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান পুরান। তবে ম্যাচের একাদশ ওভারে প্রায়াশ্চিত্য করেন রবি বিষ্ণোই। দ্বিতীয় বলে তাঁর স্পিনের ফাঁদে পড়ে এলবিডব্লু হন রস্টন চেজ (৪)। পঞ্চম বলে তুলে নেন রভম্যান পাওয়েলকে (২)। বিষ্ণোইয়ের এই জোড়া ধাক্কা সামলাতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান তোলার গতিও কমে যায়। এরপরই আকিল হোসেনকে (১০) তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। শেষপর্যন্ত ৪৩ বলে ৬১ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুরান। দলকে ১৫৭/৭ রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ১৯ বলে ২৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। রবি বিষ্ণোই ১৭ রানে ২ উইকেট নেন। ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ইডেন তাঁকে কখনও খালি হাতে ফেরায়নি। এদিনও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে। তাঁর দাপটেই ৫ ওভারে ৫৭ রানে পৌঁছে যায় ভারত। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে আউট রোহিত। ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ১৯ বলে ৪০ রান। ওপেনিং জুটিতে ঈশান কিশানের সঙ্গে তোলেন ৬৪। রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ভারতকে টানছিলেন ঈশান ও কোহলি। ৪২ বলে ৩৫ রান করে সেই রস্টন চেজের বলেই দ্বাদশ ওভারে আউট হন ঈশান। পরের ওভারেই কোহলিকে (১৩ বলে ১৭) তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন ফাবিয়ান অ্যালেন। চার নম্বরে নেমে ঋষভ পন্থও (৮) ব্যর্থ। তিনি শেলডন কটরেলের শিকার। ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮.৫ ওভারে ১৬২/৪ রান তুলে জিতে নেয় ভারত। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ১৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভেঙ্কটেশ আয়ার।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌ইডেনে অন্য খেলা হবে’, কেন একথা বললেন কিয়েরন পোলার্ড?‌ ‌

ক্রিকেট খেলিয়ে বিশ্বের সেরা দেশগুলিকে যদি ধারাবাহিকতার নিরিখে বিচার করা হয়, সবথেকে পিছিয়ে থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একসময় গোটা ক্রিকেট বিশ্ব ক্যারিবিয়ানদের আতঙ্গে ভুগত। সেই দিন আর নেই। এখন আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলিও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং ভারতের মতো দেশও যে হারাবে, এতে আবার নতুনত্ব কোথায়। একদিনের সিরিজে রোহিত শর্মা ব্রিগেডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। এবার টি২০ সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। ভারত যতই একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করুক টি২০ ক্রিকেটে অন্য খেলা হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজ শুরু হওয়ার আগের দিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তেমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড।ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে মাঠে নামার আগে পোলার্ড বলেন, একদিনের সিরিজে কী হয়েছে সেটা মাথায় রাখছি না। নতুন সিরিজ শুরু হচ্ছে। এই ফর্ম্যাটে আমরা ভাল খেলি। টি২০ সিরিজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগাতে পারলে সিরিজ জিততে সমস্যা হবে না। আমাদের দলের ধারাবাহিকতার অভাব আছে, সেকথা মানছি। কিন্তু এই ফর্ম্যাটে সব দলকেই আমাদের সমীহ করতে হবে। কথাটা ভুল বলেননি ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। টি২০ অভিজ্ঞতার নিরিখে তাঁর দল সত্যিই শক্তিশালী। সাই হোপ, নিকোলাস পুরান, জেসন হোল্ডাররা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন টি২০ লিগে খেলে বেড়ান। আর আইপিএল খেলার সুবাদে এখানকার পরিবেশ, ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাতের তালুর মতোই চেনেন। তাই টি২০ সিরিজের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী গোটা ক্যারিবিয়ান শিবির।ইডেনের বাইশ গজ নিয়ে খুশি ক্যারিবিয়ানরা। বুধবার অনুশীলনের আগে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে উইকেট পরীক্ষা করেন পোলার্ড। ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, উইকেটে বল ভাল ক্যারি করবে। বাউন্স আছে। দারুণ উইকেট। তবে রাতের দিকে শিশিরের জন্য বোলারদের সমস্যায় পড়তে হবে। পোলার্ডের কথাতেই ইঙ্গিত, টস জিতলে আগে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেবেন না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৭৫ লক্ষ বেস প্রাইস থেকে ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ!‌ নিলামে চমক দেখানো শেফার্ড কে?‌

রোমারিও শেফার্ডকে চেনেন? নামটা শুনে হয়তো ঘাবড়ে যাচ্ছেন। কে এই রোমারিও শেফার্ড। হঠাৎ করে এই ক্রিকেটারের নাম কেন উঠে আসছে। আসলে আইপিএলের নিলামে চমক দেখিয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান জোরে বোলার। ব্যাটের হাতটাও খারাপ নয়। ইতিমধ্যেই সফল অলরাউন্ডারের তকমা সেঁটে গেছে শেফার্ডের গায়ে। এবারের আইপিএলের মেগা নিলামে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ক্রিকেটার। ৭৫ লক্ষ টাকা বেস প্রাইস ছিল রোমারিও শেফার্ডের। নিলামে এই অলরাউন্ডারের নাম উঠতেই লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস প্রথম দর হাঁকায়। এরপরই লড়াইয়ে নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লক্ষ্ণৌ ও মুম্বইয়ের মধ্যে যখন তীব্র লড়াই চলছিল, তখন যোগ দেয় চেন্নাই সুপার কিংস। পরে লড়াইয়ে সামিল হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসও। এরপর লড়াই জমে ওঠে। পাঁচ দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নেয়। টি২০ ক্রিকেট লিগে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের আলাদা গুরুত্ব আছে। আসলে তাঁরা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি২০ লিগ খেলে বেড়ান। তাই আইপিএলের নিলামে অন্য দেশের ক্রিকেটারদের তুলনায় ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা বেশিই দর পান। শিমরণ হেটমায়ের, ওডিয়েন স্মিথ, জেসন হোল্ডার, নিকোলাস পুরানরা এবারের নিলামে দারুণ দর পেয়েছেন। যেমন জেসন হোল্ডারকে ৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনেছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। নিকোলাস পুরান ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ দর পেয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছ থেকে। বেশি দর পাওয়ার তালিকায় নতুন সংযোজন রোমারিও শেফার্ড। জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি শেফার্ড। ১০টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। আর টি২০ খেলেছেন ১৪টি। ১৪ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ১২টি। রান করেছেন ১১৭। আর টি২০ লিগে খেলেছেন ৪৪ টি ম্যাচ। ৫৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি রান করেছেন ৩১৫। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭২। গতবছর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে চোখ ধাঁধানো পারফরমেন্স করেছেন শেফার্ড। ৯ ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন ১৮ উইকেট। রান করেছিলেন ১০৯। সেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। এইরকম ক্রিকেটারকে যে কোনও দলই দলে নিতে চাইবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড কোহলির

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াট ওয়াশের পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ৯৬ রানে জিতে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম একদিনের সিরিজেই দারুণ কৃতিত্ব রোহিতের। আর রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড বিরাট কোহলির। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই বিরাট কোহলির। ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিলেন কোহলির ব্যাটের দিকে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যদি সেঞ্চুরি আসে। সেঞ্চুরি তো দুরের কথা, লজ্জার রেকর্ডের সামিল হতে হতে হল প্রাক্তন অধিনায়ককে। প্রথম ম্যাচে ৮ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আউট হয়েছিলেন ১৮ রানে। আর তৃতীয় একদিনের ম্যাচে নামের পাশে শূন্য। এই নিয়ে দেশের মাঠে ৮ বার শূন্য রানে আউট হলেন কোহলি। স্পর্শ করলেন হরভজন সিং ও সুরেশ রায়নার রেকর্ড। এই দুজনও ৮ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে চারটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে ভারত। লোকেশ রাহুল, দীপক হুডা, শার্দূল ঠাকুর, যুজবেন্দ্র চাহালের জায়গায় শিখর ধাওয়ান, শ্রেয়স আয়ার, দীপক চাহাল ও কুলদীপ যাদব। টস জিতে এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় ভারত। ১৫ বলে ১৩ রান করে আউট হন রোহিত। ২ বল পরেই আউট হন কোহলি। দুজনকেই তুলে নেন আলজেরি জোসেফ। শিখর ধাওয়ানও (১০) ব্যর্থ। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শ্রেয়স আয়ার ও ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপ চাপ থেকে উদ্ধার করে ভারতকে। ৫৪ বলে ৫৬ রান করে আউট হন ঋষভ। সূর্যকুমারও (৬) ব্যর্থ। ১১১ বলে ৮০ রান করে আউট হন শ্রেয়স। ওয়াশিংটন সুন্দর (৩৩) ও দীপক চাহার (৩৮) ভারতকে ২৬৫ রানে পৌঁছে দেয়। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে এদিনও বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ভারতীয় বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, দীপক চাহার, মহম্মদ সিরাজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সামনে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। একসময় ৮২ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান (৩৪)। লোয়ার অর্ডারে আলজেরি জোসেফ (২৯) ও ওডিয়েন স্মিথ (৩৬) রুখে দাঁড়ালেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩৭.১ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ২৭ রানে, মহম্মদ সিরাজ ২৯ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। দীপক চাহার ও কুলদীপ যাদব নেন ২টি করে উইকেট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত

দেশের ১০০০তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিতে নেমে দলকে জিতিয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও জয়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ পকেটে। একদিনের ক্রিকেটের নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ সত্যিই স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৪৪ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশের গ্লানি অন্তত কিছুটা কাটল।ম্যাচ শুরুর আগেই এদিন ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। তাঁর জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিতে নামেন নিকোলাস পুরান। শিশির সমস্যার কথা মাথায় রেখে এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান তিনি। ভারতের ওপেনিংয়ে চমক। লোকেশ রাহুল প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋষভ পন্থ। ৪ নম্বরে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন ঋষভকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল পাওয়ার প্লের সুবিধা নেওয়ার জন্য। কিন্তু টপ অর্ডারেও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ। ৩৪ বলে মাত্র ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর আগেই ফিরে যান অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে রোহিতকে (৫) তুলে নেন কেমার রোচ।That Winning Feeling! 👏 👏@prasidh43 picks his fourth wicket as #TeamIndia complete a 4⃣4⃣-run win over West Indies in the 2nd ODI. 👍 👍 #INDvWI @PaytmScorecard ▶️ https://t.co/yqSjTw302p pic.twitter.com/R9KCvpMImH BCCI (@BCCI) February 9, 2022বিরাট কোহলি এদিনও বড় রান করতে ব্যর্থ। ৩০ বলে ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে উইকেটের পেছনে সাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। দলকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন ৪ নম্বরে নামা লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার যাদব। জুটিতে ওঠে ৯১। ৪৮ বলে ৪৯ রান করে রান আউট হন লোকেশ রাহুল। ৮৩ বলে ৬৪ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁকে ফেরান ফাবিয়ান অ্যালেন। ওয়াশিংটন সুন্দর (২৪), ও দীপক হুডার (২৯) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ২৩৭/৯ রানে পৌঁছয় ভারত।জয়ের জন্য ২৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ ওভারে তুলে ফেলে ৩০। এরপরই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধাক্কা দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তুলে নেন ব্রেন্ডন কিংকে (১৮)। এক ওভার পরেই ফেরান ড্যারেন ব্রাভোকে (১)। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ক্যারিবিয়ানদের। একসময় ১১৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায়। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে বেসামাল হয়ে পড়েন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। কিছুটা লড়াই করেন সামরাহ ব্রুকস (৪৪), আকিল হোসেন (৩৪) ও ওডিয়েন স্মিথ (২৪)। শেষ পর্যন্ত ৪৬ ওভারে ১৯৩ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ৯ ওভার বোলিং করে ৩টি মেডেনসহ ১২ রানে ৪ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৪১ রানে ২ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওপেনিংয়ে ঋষভ!‌ চমক ভারতের, কী বললেন গাভাসকার?‌

ব্যক্তিগত কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে খেলেননি লোকেশ রাহুল। তাঁর পরিবর্তে রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করেছিলেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঈশানের পরিবর্তে দলে দলে লোকেশ। তবে তিনি প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঋষভ পন্থ। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজিতে চমকে গিয়েছিলেন সবাই।কেন ঋষভ পন্থকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল? আসলে ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আগে লোয়ার মিডল অর্ডারে পাঠানো হত ঋষভকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ৪ নম্বরে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও ৪ নম্বরে পাঠানো হয়েছিল। ব্যর্থ হয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে একেবারে ওপেনিংয়ে। টপ অর্ডারে তুলে নিয়ে এসে ঋষভকে বার্তা দেওয়া হল, তাঁর কাছ থেকে দল আরও বেশি রান আশা করে।ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজি প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, শুধুমাত্র পরীক্ষানিরীক্ষার জন্যই টিম ম্যানেজমেন্ট এই পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পরিকল্পনা যদি কার্যকরী হয়, তাহলে পরের বছর বিশ্বকাপে ঋষভকে ওপেনিংয়ে দেখা দেখা যেতে পারে। কেন ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে, তার ব্যাখাও দিয়েছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, প্রথম ১০ ওভারে ভারতের রান তোলার গতি আগের থেকে অনেক মন্থর হয়ে গেছে। ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য প্রথম ১০ ওভারে ৬০ থেকে ৭০ রান তোলা। তাই ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে।ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে অন্য একটা বার্তাও দিতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। গাভাসকার বলেল, ক্রিজে নেমেই উল্টোপাল্টা ব্যাট চালিয়ে ঋষভের দ্রুত আউট হয়ে চলে আসার প্রবণতা রয়েছে। টপ অর্ডারে পাঠিয়ে ওর ওপর আরও দায়িত্ব চাপানো হল। ঋষভকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, দল ওর কাছ থেকে আরও বেশি রান আশা করে। ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো নিয়ে আবার প্রশ্নও তুলেছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, ঋষভকে যদি ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়, তাহলে ফিনিশারের দায়িত্ব পালন করবে কে?

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিরাটির পর দত্তপুকুরে রাতভর তাণ্ডব! একে একে পাঁচ সিপিএম অফিসে ভাঙচুর-আগুন, উঠল বিজেপির নাম

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটিতে সিপিএমের সভা ঘিরে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাতের দিকে দত্তপুকুরে একের পর এক সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বামেদের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি অফিসে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি দলের। দত্তপুকুরের দুনম্বর রেলগেট, গঙ্গাপুর মোড় এবং দত্তপুকুর স্টেশনের কাছে-সহ একাধিক এলাকায় এই হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি কার্যালয়ে কাগজপত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।এই হামলার পিছনে সরাসরি বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার বারাসত এক নম্বর বিডিও দফতরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির পরেই পার্টি অফিসগুলিতে হামলার ঘটনা ঘটায় দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে সিপিএমের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফলে দত্তপুকুরের ঘটনা নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে সিপিএমের একটি পথসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ভাঙা এবং ব্যানার নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বামেদের দাবি, সভায় হামলার পাশাপাশি তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল।বিরাটির ঘটনার ক্ষেত্রেও সিপিএম বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। দলের বক্তব্য, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভামঞ্চে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের আটকাতে কার্যকর পদক্ষেপ করেনি। সুজন চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের দাবি, সভায় স্থানীয়রা কিছু স্লোগানের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং উল্টে তাঁদের দলের মহিলা কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।একই রাতে হাবড়াতেও বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ ওঠে। হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বিরাটি, হাবড়া এবং দত্তপুকুরের পরপর ঘটনাকে ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসএফআই নেতা আকাশ করকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ-সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন। তবে সিপিএম যে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার মূল অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগের সঙ্গে ওই গ্রেফতারের যোগসূত্র বা হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিলের কাছে ৪-০ হার, তবু যুবভারতীতে লড়াইয়ের গল্প লিখল ভারত

যুবভারতীতে ফলাফলটা ভারতের পক্ষে নয়। স্কোরবোর্ডে ৪-০। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শনিবার যে লড়াই উপহার দিল ভারত, তা নিছক চার গোলের হারের গল্প নয়। গুরপ্রীত সিংহ সান্ধুর দুটি বড় ভুলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত। তবে রায়ান উইলিয়ামস, মনবীর সিংহ, অভিষেক সিংহদের লড়াকু ফুটবল প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের মন জিতে নিল।ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাই প্রশ্নব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ভারত কত গোল হজম করবে? মাঠে সেই আশঙ্কার ছাপ অবশ্য শুরুতে খুব একটা দেখা যায়নি। বরং প্রথমার্ধের একটা বড় সময় ভারত রক্ষণ সামলে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসেছে। ব্রাজিলের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে বেশ কিছুটা সময় আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় রক্ষণ।কিন্তু বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের মূল্য যে কতটা চড়া হতে পারে, যুবভারতী তারই সাক্ষী থাকল।গুরপ্রীতের দুই ভুলেই পিছিয়ে পড়ল ভারতশুরুতেই ভিনিসিয়াসের শট আটকে গুরপ্রীতকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল। গ্যালারি থেকেও এসেছিল প্রশংসার আওয়াজ। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।২৮ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে এস্তেভাওর নেওয়া শট ছিল গুরপ্রীতের নাগালের মধ্যেই। বলের গতি বেশি থাকলেও সেটি সামলানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল ভারতীয় গোলরক্ষকের। কিন্তু তাঁর হাতের নীচ দিয়ে বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিরতির ঠিক আগে ফের বিপর্যয়। ৪২ মিনিটে এস্তেভাওর তৈরি করা সুযোগ থেকে পেদ্রোর শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীতের ডান হাতের গ্লাভসে বল লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল। অথচ প্রথমার্ধে ভারত যে ভাবে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তাতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।এরপর আরও একটি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ভিনিসিয়াসের শট গুরপ্রীতের গায়ে লেগে গোলের দিকে যাচ্ছিল। পিছন থেকে দানিলো ছুটে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রক্ষণ কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলে নেয়।ব্রাজিলের তারকাদের আটকে রাখল ভারতব্রাজিল যে ভারতকে হালকা ভাবে নেয়নি, প্রথম একাদশেই তার প্রমাণ ছিল। ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোসদের সঙ্গে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলাররাও ছিলেন দলে।তবু ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের আক্রমণকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়নি। ভিনিসিয়াস বাঁ দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও তাঁকে বেশির ভাগ সময় নজরে রেখেছিলেন অভিষেক সিংহ। ব্রাজিলীয় তারকা কয়েক বার ড্রিবল করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক পিছনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।শুধু রক্ষণ নয়, সুযোগ পেলেই ভারতীয় ফুটবলাররা পাল্টা আক্রমণে উঠেছেন। রায়ান উইলিয়ামস ও মনবীর সিংহের গতির উপর ভর করে ব্রাজিলের বক্সে ঢোকার চেষ্টাও হয়েছে একাধিক বার।বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলদ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠে আসেন গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ়, স্যামুয়েল লিনোর মতো ফুটবলাররা। পরিবর্তিত দল নিয়েও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি।৫৮ মিনিটে বিজয়ের পা থেকে বল কেড়ে নেয় ব্রাজিল। দূর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। ভারত তখন ৩-০ পিছিয়ে।তবে এই সময়েও ভারত লড়াই থেকে সরে যায়নি। ৬৪ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তাঁর শট আটকে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক মাউরো।এর কিছুক্ষণ পর রায়ান ও মনবীরের দারুণ বোঝাপড়ায় ফের সুযোগ তৈরি হয়। রায়ান বল বাড়ান মনবীরকে। পরে মনবীরের ক্রস ফের রায়ানের দিকে। চলতি বলে শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।সেই মুহূর্তে যুবভারতীর গ্যালারিতে হয়তো অনেকেরই মনে হয়েছিলএকটি গোল অন্তত প্রাপ্য ভারতের।শেষ মুহূর্তেও গোলের ধাক্কাম্যাচের বাকি সময়ে দুদলই আক্রমণে উঠেছে। ভারত চেষ্টা করেছে ব্যবধান কমানোর, ব্রাজিল খুঁজেছে আরও গোল। শেষ পর্যন্ত সংযুক্তি সময়ের একেবারে শেষ দিকে চতুর্থ গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল।লিনোর শট প্রভসুখন গিলের শরীরের নীচ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।চার গোলের ব্যবধান নিঃসন্দেহে বড়। কিন্তু ম্যাচের পুরো ছবিটা শুধু স্কোরলাইন দিয়ে বোঝা যাবে না। ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যক্তিগত ভুল এবং আক্রমণে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অভাব।তার বিপরীতে ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশ্বমানের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ভারত ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকেনি। রায়ান, মনবীর, অভিষেক, বিজয়রা বারবার প্রতিপক্ষের অর্ধে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে অভিষেকের ভিনিসিয়াসকে সামলানোর চেষ্টা এবং রায়ানের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নজর কেড়েছে।সামনে আরও কঠিন পরীক্ষাব্রাজিলের বিরুদ্ধে ০-৪ হার দিয়ে ভারতের এই পর্ব শেষ হচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামী ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।যুবভারতীর রাত ভারতের জন্য ফলের দিক থেকে হতাশার হলেও, লড়াইয়ের মানসিকতা পরের ম্যাচের আগে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাতেই পারে। চার গোলের ব্যবধানের আড়ালে তাই থেকে গেল অন্য এক ছবিবিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফুটবলারদের হার না মানা লড়াই।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের চেয়ার এবার কাকলির হাতে! দোলার জায়গায় বিজেপি, সংসদে রদবদল ঘিরে তুমুল চর্চা

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হাতছাড়া হয়েছে। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীকে।শনিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরই এই রদবদলের কথা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের স্থায়ী কমিটির নতুন চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য পুনর্গঠিত কমিটিগুলির মধ্যে রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।এই বদলকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন করা হয়।এ বার সেই বিদ্রোহী শিবিরেরই অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদের জায়গায় রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির এই রদবদলকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে দোলা সেনের জায়গায় এসেছেন বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদী। অর্থাৎ একই রদবদলে তৃণমূল দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হারাল। একটি পদ গেল বিজেপির হাতে, অন্যটি গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রীর হাতে।তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ সাংসদপদ এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তৃণমূলের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। লোকসভার সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তাঁদের সাংসদপদ বাতিল হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।ফলে এক দিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তৃণমূলের দুই চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হওয়া, অন্য দিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়া এবং একই সময়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকাসব মিলিয়ে সংসদে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এস্তেভাঁও-পেদ্রো-লিনোর গোলের ঝড়, তবু ভারতকে নিয়ে কেন আলোচনা? ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যুবভারতীর ম্যাচে চমক

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে স্বপ্নের ম্যাচ। ফল অবশ্য ভারতের পক্ষে গেল না। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারাল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এস্তেভাঁও, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলোত্তির দল। তবে স্কোরলাইন যতই একপেশে হোক, ভারতের ফুটবলাররা বেশ কিছু সময়ে ব্রাজিলকে চাপে ফেলেছেন এবং একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন।বিশ্ব ক্রমতালিকায় ব্রাজিল পঞ্চম এবং ভারত ১৩৮ নম্বরে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট। ভারতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার বিরল সুযোগ। শেষ পর্যন্ত হার এলেও ম্যাচের শুরুতে ভারত যথেষ্ট লড়াই করেছে। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় ২৮ মিনিটে। এস্তেভাঁওয়ের বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৪২ মিনিটে পেদ্রো ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই।দ্বিতীয়ার্ধে ভারত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা স্যামুয়েল লিনো ৫৮ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় ৪-০ করেন তিনি। ফলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হলেও ভারতের লড়াইয়ের কয়েকটি মুহূর্ত আলাদা করে নজর কেড়েছে।ভারতের আক্রমণেও সুযোগ এসেছিল। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামস গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ভারত আক্রমণে উঠেছে এবং শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি।রক্ষণেও আনোয়ার আলি ও আকাশ মিশ্রকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায়। ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকলেও ভারত শুরুতে তাঁদের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুও একাধিক বার ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকান।এই ম্যাচে ভারতীয় গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলেরও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলাটাই তাঁর কাছে বড় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। ভারতের কোচ খালিদ জামিলের কৌশল নিয়েও ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা ছিল। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের পর ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ভাবে খেলবে, ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন।ভারত শেষ পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি এবং চার গোল হজম করেছে। কিন্তু দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ম্যাচটিকে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।ফল ভারতের পক্ষে নয়, সেটাই সত্যি। কিন্তু যুবভারতীর সেই সন্ধ্যায় ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে ভারতের ফুটবলাররা যে লড়াইয়ের কিছু ছবি রেখে গেলেন, সেটাই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। ০-৪-এর স্কোরলাইন তাই ম্যাচটির পুরো গল্প বলে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ককপিটে হামলার পর যাত্রীরাই ধরলেন সহ-পাইলটকে! তারপর তাঁকে ছেড়ে দিতে কেন চাপ এসেছিল?

মাঝ আকাশে ককপিটে হামলা। তার পর যাত্রীদের তৎপরতায় আটক হলেন অভিযুক্ত সহ-পাইলট। তাঁকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে দাবি যাত্রীদের। কিন্তু সেই সময় বিমানের অন্য কর্মীদের কয়েক জন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অন্য কর্মীরা কোনও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে।ঘটনাটি ঘটে বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, ওমানের নাগরিক সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ককপিটের জরুরি কুঠার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অভিযুক্ত সহ-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।হামলার পর বিমানটি আচমকা নীচে নামতে শুরু করে। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর গুরুতর আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তখন কয়েক জন যাত্রী ভিতরে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এই তৎপরতার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে অন্য দুই পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার দাবি করেছেন, কয়েক জন যাত্রী মিলে হামামকে আটকেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, হেডফোনের তার এবং টেপ ব্যবহার করে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর পর বিমানের অন্য কয়েক জন কর্মী এসে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেন তাঁকে মুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন ওই যাত্রীরা।এই দাবিই এখন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে শুধু যাত্রীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানের অন্য কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, এমন তথ্য এখনও নেই। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই কর্মীরা কেন অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে যাত্রীরা দাবি করছেন, তা তদন্তের বিষয়।এদিকে হামাম আল-হামামির অতীত নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগে ওমানের বিমান সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং তাঁকে উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবির সবটাই এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্ত সহ-পাইলটের অতীত এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।ফ্লাইদুবাই বিমানের এই ঘটনায় দ্রুত যাত্রীদের হস্তক্ষেপ এবং পরে অন্য পাইলটদের বিমান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনাই বড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কর্মীদের চাপ দেওয়ার যে দাবি যাত্রীরা করেছেন, সেটি তদন্তে কতটা সত্যি, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? পুজোর পর কীসের প্রস্তুতি

দিল্লি, মুম্বইয়ের পর এবার কি কলকাতার রাস্তাতেও নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির দিনক্ষণ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি।এর আগে নিট পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেই কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি বলে দাবি। এবার এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কলকাতায় নতুন করে কর্মসূচি করার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর।সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব। কোথায় এবং কবে সভা করা হবে, তা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গেও আলাদাভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে অভিজিৎ দীপকেরা এই বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন বলে সূত্রের দাবি।এর মধ্যেই আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দিল্লির পর কলকাতাতেও একই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাহায্যের খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে সিপিএম। সংগঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, স্যান্ডো গেঞ্জির আবার বুকপকেট। ওদের দলে কতজন আছে যে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে নিট আন্দোলন থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচিতে এসএফআই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। কলকাতায় কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বও কথা বলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আদৌ কোনও সভা হয় কি না, হলে তাতে কারা যোগ দেন এবং এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কী কর্মসূচি নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বারবার ধসে বন্ধ শিলিগুড়ি-সিকিমের পথ! এবার বদলে যাবে দশ নম্বর জাতীয় সড়ক, তৈরি হবে সুড়ঙ্গ-উঁচু সেতু

বর্ষা এলেই ধস, কখনও মাটি বসে যাওয়া, আবার কখনও যানজটে থমকে যায় পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ দশ নম্বর জাতীয় সড়কের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু হল। রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার রাস্তার আমূল উন্নয়নের জন্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার প্রকল্পের দরপত্র ডেকেছে জাতীয় সড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে রাস্তা চওড়া করার পাশাপাশি একাধিক সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধসপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দশ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো থেকে রানিপুল অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫.৮৭ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রাস্তার একাধিক অংশ বর্ষায় ধস এবং মাটি বসে যাওয়ার সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন প্রকল্পে বর্তমান রাস্তা দুই লেনে উন্নীত করা হবে। রাস্তার দুপাশে পাকা অংশও রাখা হবে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এবং মাটি বসে যাওয়ার এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এই প্রকল্পে একাধিক সুড়ঙ্গ এবং উঁচু সেতুপথ তৈরির পরিকল্পনা। পাহাড়ের যে অংশগুলিতে রাস্তা বারবার ধসের কবলে পড়ে বা মাটি বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নতুন পরিকাঠামোর মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হবে। ফলে প্রকল্পটি শুধু রাস্তা চওড়া করার কাজ নয়, বরং গোটা রংপো-রানিপুল পথের পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা।এই প্রকল্পের জন্য দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ৬ নভেম্বর থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে। ১৭ নভেম্বর দরপত্র খোলার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রয় ও নির্মাণ পদ্ধতিতে করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি নথিতে কাজের সময়সীমা ৪৭৪৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা দীর্ঘদিন ধরেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রাস্তা শুধু সিকিম বা কালিম্পংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, পর্যটন, পণ্য পরিবহণ এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।বর্ষায় দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামলে সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী থেকে পণ্যবাহী গাড়িসবাইকে তার প্রভাব সামলাতে হয়। সেই কারণে নতুন প্রকল্পে রাস্তার নিরাপত্তা এবং সারা বছর যোগাযোগ সচল রাখার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সরকারি দরপত্রের নথিতে প্রকল্পটির আনুমানিক মূল্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪০ হাজার ১৮৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দরপত্রের কাজের বিবরণে দুই লেনের রাস্তা, পাকা পাশের অংশ, সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধস ও মাটি বসে যাওয়ার প্রবণ এলাকার চিকিৎসার কথা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত দশ নম্বর জাতীয় সড়কের চেহারা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ধসের ঝুঁকি কমানো, যান চলাচল আরও মসৃণ করা এবং সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ আরও নির্ভরযোগ্য করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal