• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Devi

খেলার দুনিয়া

আন্তর্জাতিক হাঁটা প্রতিযোগিতায় বড় কীর্তি বাংলার গৃহবধূর, সংসার সামলে এমন সাফল্যে প্রশংসার ঝড়

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেলেন মালদার গৃহবধূ। সংসার সামলে সুপ্রিয়া দাসের এমন কীর্তিতে রীতিমতো প্রশংসার ঝড় বইছে মালদায়। এমনকি সুপ্রিয়াদেবীর আন্তর্জাতিক স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাফল্যের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন মালদা জেলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা। এর আগেও হেঁটে একাধিক পদক জিতেছেন মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস। এবার বিশ্বসেরার খেতাব। দুই কিলোমিটার হেঁটে বিশ্বসেরা হলেন সুপ্রিয়াদেবী। তবে শুধুমাত্র হেঁটে নয়, পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতাতেও একাধিক পদক জমিতেছেন সুপ্রিয়া দেবী। বাংলাদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেন মালদার সুপ্রিয়া দাস। তাঁর স্বামী রাজু দাস পেশায় পুলিশ কর্মী। ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলায় বিশেষ আগ্রহ ছিল সুপ্রিয়া দাসের। কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর আর তেমন খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সংসার সামলে প্রায় ১৪ বছর পর ২০২৩ সালে আবার শুরু করেন অনুশীলন। গত এক বছরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় একাধিক সাফল্য এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক পদক জিতেছেন তিনি।গত ২৭ ও ২৮ জুন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ভ্যাটেনারি অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্যের সুবাদে সেখানে সুযোগ পান। দুই কিলোমিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক পেয়ে বাংলার নাম উজ্জ্বল করেছেন মালদার এই গৃহবধূ। পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতায় আরও চারটি পদক পেয়েছেন। দুটি দ্বিতীয় ও দুটিতে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। গত এক বছরে একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। সংসারের সমস্ত কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় পান মালদা শহরের পুলিশ লাইন মাঠ অথবা বৃন্দাবন ময়দানে অনুশীলন করেন সুপ্রিয়া দাস। নিজ প্রচেষ্টায় নিয়মিত অনুশীলন করেই প্রাপ্তবয়স্কদের এই অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় নেমে সাফল্য অর্জন করছেন তিনি। তাঁর সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে জেলার ক্রীড়া প্রেমী মানুষেরা।

জুলাই ১৮, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রীদেবী সর্ব্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট উত্তোলন মধ্যে দিয়ে রাঢ়বঙ্গে পুজো শুরু

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রীদেবী সর্ব্বমঙ্গলা মন্দিরের ঘট উত্তোলন মাধ্যমেই মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। দুবছর কোভিড বিধির সরকারী নির্দেশিকা মেনেই পুজোর আয়োজন করতে হয়ছিল। এবছর সেরকম কোনও করোনা বিধি নেই। সোমবার কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী থেকে ঘট উত্তোলন করে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিস্থাপন করা হয়। মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্ব্বমঙ্গলার ঘট আনার প্রাচীন প্রথা রয়েছে। কথিত আছে বর্ধমানের বাহিরসর্ব্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায় সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোল নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি।সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের মহারাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে গিয়ে সর্বমঙ্গলার পুজো শুরু করেন।দেবী সর্ব্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট স্থাপনঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ, ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মন্দিরটি নির্মাণ করেন। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্ব্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারো মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যা দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপোর সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে, বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন। সেই বোর্ডের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তার পর থেকে এখনো পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে আসছে।মায়ের মন্দির থেকে ঢাক, ক্লাব ব্যান্ড ও ব্যান্ড সহযোগে ঘোড়ার গাড়ি করে বিসি রোড হয়ে রাজবাড়ি সামনে দিয়ে শোভাযাত্রা পৌঁছায় কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাটে। সেখানে দেবী সর্ব্বমঙ্গলার ঘট উত্তোলনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক ও ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি প্রিয়াঙ্কা সিংলা, স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস, ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ, প্রাক্তন সম্পাদক বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ডঃ শ্যামলেন্দু চট্টোপাধ্যায়, পৌরসভার চেয়ারম্যান সহ সকল কাউন্সিলার। অগনিত ভক্ত সমাগমে ঘট ভরা সম্পন্ন হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দাদাগিরির মঞ্চে শ্রীদেবীর কন্যা, পা মেলালেন দাদার সঙ্গে

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো দাদাগিরি। বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনা অনুষ্ঠানটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। দাদাগিরি-র মঞ্চে তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই বাংলার মহারাজের সামনে নিজের সেরাটা দেওয়ার সুযোগ পান।সম্প্রতি জি বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে দাদাগিরি-র আগামী পর্বের নতুন প্রোমো শেয়ার করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে দাদাগিরির মঞ্চে হাজির হবেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। দাদাগিরির এই বিশেষ পর্বে সবুজ শাড়ি পরে শ্রীদেবী কন্যা। দাদার সঙ্গে জাহ্নবীকে তার প্রথম ছবি ধড়ক এর গানে পা মেলাতে দেখা যাবে।প্রমোতে দেখা যাচ্ছে, সৌরভ গাঙ্গুলি মনে করিয়ে দিচ্ছেন এই মঞ্চে একসময় এসেছিলেন জাহ্নবীর বাবা তথা প্রযোজক বনি কাপুর। তার প্রয়াত মা তথা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবীও একসময় এই মঞ্চে এসেছিলেন। এবার মেয়ে এসে পুরো চক্রটা পরিপূর্ণ করলেন। জাহ্নবী কাপুর কি একটুও বাংলা বলতে পারেন? উত্তরে শ্রীদেবীর কন্যা জানিয়েছেন দাদার, আমি শুধুমাত্র একটা লাইন বলতে পারি, তা হলো তাড়াতাড়ি করো। সঙ্গে সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলি হাসি হাসি মুখে বলে ওঠেন, এই লাইনটাই সবাই বলতে পারে।

মে ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিনার্ভা থিয়েটারে 'দেবীগর্জন' গর্জে উঠল

বিজন ভট্টাচার্যর কাছে নাটক শুধু একটা পারফরম্যান্স ছিল না। শিল্প বলতে তাঁর কাছে ছিল সমাজ বদলের হাতিয়ার। থিয়েটারকে বুঝতেন গণের নাটক। যা কেবল সাধারণ মানুষের ভাল-মন্দ-দ্বিধা-দ্বন্দ্বের কথা বলবে না। নাটকের মধ্য দিয়ে মানুষও হয়ে উঠবেন সেই গল্পের এক একজন অংশ। দেবীগর্জন- বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি অন্যতম নাটক। বীরভূমের সাঁওতাল কৃষকদের আন্দোলন অর্থাৎ দেবীগর্জন নাটক, উৎসর্গ করা হয়েছে কৃষক আন্দোলনের শহীদদের উদ্দেশ্যে, উনিশ বিশ শতক জুড়ে নীল- তেভাগা সহ সমস্ত কৃষক যারা আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন। এছাড়া দেবীগর্জন নাটকে দুটি প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে হয়। বিজন ভট্টাচার্য জানান যে আদিবাসী সাঁওতালরা তাদের আরাধ্য হিসাবে কালী কে আরাধনা করেন, সেই মাতৃ শক্তির আবির্ভাবের কথা খেয়াল রেখেই নাটকে দেবীগর্জন নাম এবং প্রসঙ্গ এসেছে। কৃষক আন্দোলন নাটকে প্রেক্ষাপট হলেও দুটি প্রসঙ্গ নাটকে প্রধান- ধর্মগোলা ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। নির্যাতিত নিপীড়িত সাঁওতাল আদিবাসী কৃষকদের জোতদারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চিত্র প্রকাশ পেয়েছে এই দেবীগর্জন নাটকের মধ্য দিয়ে। জমিদার প্রথার বিলোপ হলেও মধ্যস্বত্বভোগী প্রভঞ্জন সামন্ততান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পঞ্চায়েতি প্রথাকে পিছনে রেখে কৃষকদের জমি নিজের দখলে করে নেন। এদিকে কৃষি ঋণ ও সুদ জোগাতে হত দরিদ্র আদিবাসী কৃষকরা সর্বস্বান্ত হয়। অবশেষে এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় তারা, নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। তিন অঙ্কের এগারোটি গর্ভাঙ্কে দেবীগর্জন হয়ে উঠেছে স্বার্থক গণনাট্য। এখানে আমি রাজা আমারই নীতি ইটাই রাজনীতি প্রভঞ্জনের এই কথায় যেমন সমকালীন জোতদারের মুখোশ খুলে যায়, ধর্মগোলার মজুত ধানের বিতরণের দাবিতে চাষিদের সঙ্গে জোতদারের বিরোধ বাধে, তখন মংলার চেতনায় প্রশ্ন জাগে- কে রাজা, কার রাইজ্য ? এটাই গণনাট্যের মূল। নাটকের শেষে মংলার নেতৃত্বে জোটবদ্ধ ভুঁই চাষির দল পঞ্চায়েতি শাসন চালুর দাবি জানায়। সেই দাবির গর্জনই আসলে দেবীগর্জন। কলকাতার মিনার্ভা থিয়েটারে নাট্যিক কোলকাতার এই দেবীগর্জন নাটকটি মঞ্চস্থ হল। নাটকটিতে সকলের পারফরম্যান্স দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। প্রতাপ কুমার মণ্ডল নাট্যিক কোলকাতা দলের কর্ণধার ও নির্দেশক। তিনি জানিয়েছেন, বিজন ভট্টাচার্য মহশয়ের নাট্য চিন্তা ভাবনা ও দর্শন এর জায়গা থেকে আমরা গত ছয় মাস ধরে এই নাটকের মহড়া দিচ্ছি, চেষ্টা করছি লেখকের মূল ভাবনা কে তুলে ধরার; প্রথম অভিনয়ের মঞ্চায়নের ভুলভ্রান্তি সব শুধরে আমরা শিঘ্রই মঞ্চে ফিরছি; এবং দেবীগর্জন নাটক বাংলা থিয়েটারে যে যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে, সেটা আমাদের বিশ্বাস। এই নাটকে সৃজিতা বান্টি ভদ্র নাটকের মূল কেন্দ্রে রত্না চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বাংলা থিয়েটারের প্রথম সারির অভিনেত্রী একজন সৃজিতা। তাঁর প্রথম নির্দেশনা দেবীগর্জন নাটকটি, তিনি যে মুন্সিয়ানার সঙ্গে অত্যন্ত নিপুণ ভাবে এই নাটকের নির্দেশনা দিয়েছেন, তা যথেষ্ট প্রশংসার দাবী রাখে। এই নাটকে সৃজিতাঁর অভিনয় সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে।এই নাটকে তিনি যুব সাউতাল মংলা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজল শম্ভু। শম্পা দে এই নাটকে গীরি চরিত্রে যথেষ্ট প্রভাবশালী অভিনয় দেখিয়েছেন। শঙ্খ বরণ দাস ত্রিভুবনের চরিত্রে তিনি অসম্ভব দক্ষতার সঙ্গে চরিত্রের রূপ দিয়েছেন। সন্তু সাধু খাঁ নাটকের মূল নেগেটিভ চরিত্র প্রভঞ্জন যার জন্যই এই দেবীগর্জন, তিনি সকল সহশিল্পীদের সঙ্গে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন।

মে ০৮, ২০২২
দেশ

Vaishno Devi Stampede: বছরের প্রথম দিনেই দুর্ঘটনা! বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু কমপক্ষে ১২ জনের

নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর। কাটরার বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১২ জনের। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত একাধিক। আহতদের স্থানীয় নারায়ণী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মন্দির চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। শোক ব্যক্ত করেছেন রাহুল গান্ধিও। প্রধানমন্ত্রী টুইটে শোকপ্রকাশ করে তিনি লিখেছেন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই বিষয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফট্যানেন্ট গভর্নরের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পরে প্রধানমন্ত্রী ও জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ সিনহা মৃতদের পরিবারকে ১২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।Extremely saddened by the loss of lives due to a stampede at Mata Vaishno Devi Bhawan. Condolences to the bereaved families. May the injured recover soon. Spoke to JK LG Shri @manojsinha_ Ji, Ministers Shri @DrJitendraSingh Ji, @nityanandraibjp Ji and took stock of the situation. Narendra Modi (@narendramodi) January 1, 2022জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিং সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, বৈষ্ণোদেবী মন্দির চত্বরে পদপৃষ্ট হয়ে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৩ জন আহত। প্রাথমিক তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি, রাত ২টো ৪৫ নাগাদ ওই ঘটনা ঘটে। দর্শনার্থীদের দুই দলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর পরই পরস্পরের দিকে তাঁরা তেড়ে যান। যার ফলে পদপৃষ্ট হওয়ার এই ঘটনা।জম্মু-কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে এমনিতেই প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি অতিরিক্ত ভিড় হয়। কাটরা থেকে হেঁটে পাহাড়ি পথে প্রায় ১৪-১৫ কিলোমিটার যেতে হয় বৈষ্ণোদেবীর দর্শন পাওয়ার জন্য। অনেকেই ওই পথ ঘোড়ার চড়ে যান। পাহাড়ি পথের প্রায় পুরোটাই রাস্তা করা হয়েছে। খাদের দিকে রেলিং এবং জাল দিয়ে ঘেরা। তবে মন্দিরের ভেতরে পথ সঙ্কীর্ণ। সেখানে সাধারণ সময়েই ভিড় থাকে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, মন্দিরের ভিতরে বৈষ্ণোদেবীর মূর্তি যেখানে রয়েছে, সেই সঙ্কীর্ণ পথেই ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। সেখানেই পদপৃষ্ট হওয়ার ওই ঘটনা।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Kojagori: নিশীথে বরদা লক্ষ্মীঃ জাগরত্তীতিভাষিণী

আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। শরৎ পূর্ণিমার দিনে বাংলার ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজো করা হয়। দুর্গাপুজার কয়েকদিন বাদেই আশ্বিন মাসের শেষের পূর্ণিমাতে যে লক্ষ্মী পুজো পালিত হয়, তাকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বলা হয়। এই পুজা কোজাগরী নামে প্রচলিত হলেও অনেকেই এই কোজাগরী / কোজাগর কথার অর্থ জানেন না।কোজাগরী মানে কি?শরৎ-কালের পূর্ণিমার রাত্রিই সাধারণ ভাবে বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল রাত্রি বলে ধরা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী এই রাত্রে ধনসম্পদ, প্রাচুর্য, সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির দেবী মা-লক্ষ্মী স্বর্গের বিষ্ণুলোক হতে ধরাধামে আসেন এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কে জেগে আছ? এই প্রশ্ন করেন। নিশীথে বরদা লক্ষ্মীঃ জাগরত্তীতিভাষিণী।তস্মৈ বিত্তং প্রযচ্ছামি অক্ষৈঃ ক্রীড়াং করোতি যঃ।।নিশীথে বরদাত্রী লক্ষ্মীদেবী কে জেগে আছ বলে সম্ভাষণ করেন। যে সেই রাতে লক্ষ্মীব্রত করে জেগে থাকে দেবী তার কাছ থেকে সাড়া পান এবং তার গৃহে প্রবেশ করে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করেন। আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথি এবং ঐ তিথিতে অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপূজাকে যথাক্রমে কোজাগরী পূর্ণিমা এবং কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা বলে অভিহিত করা হয়। কথিত আছে লক্ষ্মী দেবী ধরায় এলে, প্যাঁচা আনন্দিত মনে সারারাত কোলাহল করে বেড়ায় দেবীর সাথে। ভোরের আলো দেখে প্যাঁচা গাছের কোটরে ঢুকে পড়লে কাঠঠোকরা ওই কোঠর থেকে বেরিয়ে যায়। কাঠঠোকরাকে দেখে দেবী ভাবলেন ইনিই তাঁর বাহন। খুশি মনে মুকুট দিলেন কাঠঠোকরার মাথায়। জন্ম হলো এক চাকমা প্রবাদের- প্যাঁচায় কুড়কুড়ায়,খোড়ইল্যা সোনার তুক পায়।বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, কোজাগরী শব্দটির উৎপত্তি কো জাগতী থেকে। এর আক্ষরিক অর্থ কে জেগে আছো? আরও কথিত আছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনে ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে মর্ত্যে অবতরণ করেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলকে আশীর্বাদ দেন। কিন্তু যার বাড়ির দরজা বন্ধ থাকে, তাঁর বাড়িতে লক্ষ্মী প্রবেশ করেন না ও সেখান থেকে ফিরে চলে যান। তাই লক্ষ্মী পুজোর রাতে জেগে থাকার রীতি প্রচলিত আছে। সারারাত জেগে লক্ষ্মী আরাধনাই এই পুজোর বিশেষত্ব। আবার প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, শরৎ পূর্ণিমার রাতে যে জেগে অক্ষক্রীড়া অর্থাৎ পাশা খেলেন, লক্ষ্মী তাঁকে ধনসম্পদ দান করেন। আবার দক্ষিণবঙ্গের অনেক জায়গায় কিছু মানুষ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন অন্যের বাগান থেকে ফল বা শস্য চুরি করে থাকে। তাঁদের ধারণা, এর ফলে লক্ষ্মী তাঁদের আশীর্বাদ দেবেন।নানান রূপে লক্ষ্মী:লক্ষ্মীর মূর্তি পুজো ছাড়াও আরও নানান ভাবে লক্ষ্মীকে কল্পনা করে এদিন তাঁকে পুজো করা হয়। যেমন- আড়ি লক্ষ্মী। এ ক্ষেত্রে ধান ভর্তি ঝুড়ির ওপর কাঠের লম্বা দুটি সিঁদূর কৌটো লালচেলিতে মুড়ে মা লক্ষ্মীর রূপ দেওয়া হয়। আবার কলার পেটোর তৈরি নৌকা বানিয়ে লক্ষ্মী আরাধনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই প্রথাকে কে সপ্ততরী বলা হয়ে থাকে। বাণিজ্যিক নৌকার প্রতীক হল এই সপ্ততরী। অনেকেই পুজোর সময় এই সপ্ততরীতে টাকা, শস্য, হরিতকি, কড়ি, হলুদ রেখে মা লক্ষ্মীর উদ্দশ্যে নিবেদন করা হয়।আবার প্রকারভেদে সরায় (মাটির পাত্র) পটচিত্রের সাহায্যেও লক্ষ্মীপুজো করা হয়ে থাকে। যেমন-ঢাকাই সরা, ফরিদপুরি সরা, সুরেশ্বরী সরা ও শান্তিপুরি সরা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় লক্ষ্মীসরা আঁকা হয়। অঞ্চল ভেদে এই সরায় তিন, পাঁচ, সাতটি পুতুল আঁকা হয়। এতে থাকে লক্ষ্মী, জয়া ও বিজয়া-সহ লক্ষ্মী, রাধাকৃষ্ণ, সপরিবার দুর্গা ইত্যাদি। সুরেশ্বরী সরায় মহিষাসুরমর্দিনী আঁকা থাকেন আর এই সরার নীচের দিকে থাকেন সবাহন লক্ষ্মী। আবার কলার বের ও লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পোড়া মাটির ঘটকেও অনেকে দেবী লক্ষ্মী রূপে কল্পনা করে পুজো করে থাকেন। এই ঘটে চাল বা জল ভরে সেটিকে লক্ষ্মী মনে করে পুজো করা হয়ে থাকে।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

Jhankalai: কেউটে প্রজাতির জ্যান্ত ’ঝাঁকলাই’ সাপকে দেবীজ্ঞানে পুজোয় মাতল বর্ধমানের সাত গ্রামের বাসিন্দা

কারও কাছে তিনি পরিচিত ঝাঁকলাই নামে। আবার কেউ তাকে বলেন ঝঙ্কেশ্বরী। এমন নানা নামে যার পরিচিতি তিনি আসলে আর কোউ নন, তিনি বিষধর কেউটে প্রজাতির সাপ। বংশ পরম্পরায় প্রতি বছর আষাঢ়ের শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে তাঁকেই দেবীজ্ঞানে পুজো করে আসছেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও মঙ্গলকোটের সাতটি গ্রামের বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরমহা ধুমধাম করে রবিবার ঝাঁকলাইয়েরপুজো হল ভাতারের বড়পোশলা, শিকোত্তর, মুকুন্দপুর এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, পলসোনা, মুশারু এবং নিগন গ্রামে। পূর্বে সাত গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের অবাধ বিচরণ থাকলেও বর্তমানে ভাতারের বড়পোশলা এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, মুশারু ও পলসোনা গ্রামে ঝাঁকলাই সাপ দেখা দেয়।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিএই চার গ্রামে জ্যান্ত ঝাঁকলাই সাপকেই এদিন দেবীজ্ঞানে পুজো করা হল। এলাকার বাসিন্দাদের বিশ্বাস ঝাঁকলাই বিষধর হলেও সে কাউকে কামড়ায় না। কোনও কারণে কাউকে ছোবল দিলে দেবীর মন্দিরের মাটি তার শরীরে লেপে দিলেই তিনি বিষমুক্ত হয়ে যান। এই বিশ্বাস নিয়েই আজও ঝাঁকলাই সাপকে সঙ্গে নিয়েই ঘর করেন চার গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের বাসিন্দারা জানান, তাঁদের গ্রামে রান্নাঘর থেকে শোওয়ার ঘর এবং গ্রামের মন্দির সর্বত্রই দেখা যাবে বিষধর কেউটে প্রজাতির ঝাঁকলাই সাপের অবাধ বিচরণ।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিগ্রামগুলিতে এই ঝাঁকলাই সাপ নিয়ে অনেক লোককথা প্রচলিত আছে। এলাকার বাসিন্দাদের বিশ্বাস ঝাঁকলাই আসলে কালনাগিনী। লক্ষ্মীন্দরকে লোহার বাসরঘরে দংশন করার পর পালানোর সময় বেহুলা তাকে লক্ষ্য করে কাজললতা ছুড়ে মারে। কাজললতার আঘাতে কালনাগিনীর লেজ কেটে যায়। এখানে ঝাঁকলাইয়ের লেজওকাটা।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেপলসোনার বাসিন্দা তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন, পলসোনা গ্রামে একটা ডাঙা আছে। সেই ডাঙার নাম খুনগোর। বেহুলার শাপে কালিয়াদহের কলনাগিনী মর্তে এসে খুনগোর ডাঙায় বসবার করতে শুরু করে। গ্রামের বাসিন্দা মুরারীমোহন চক্রবর্তীকে স্বপ্নাদেশে কালনাগিনী তার পুজো করার কথা জানায়। সেই থেকেই পলসোনা গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের পুজো হয়ে আসছে। তাপস বাবু আরও বলেন, ঝাঁকলাইয়ের গায়ের রং কালচে বাদামি। যেসব গ্রামে ঝাঁকলাই সাপ দেখা যায় সেইসব গ্রামে সচরাচর অন্য কোনও বিষধর সাপ দেখা যায় না। ঝাঁকলাই রাতে বের হয় না।এমনকি এই সাপ এলাকা ছেড়েও বের হয় না।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনঝাঁকলাই নিয়ে গ্রামের মানুষজনের ধর্মীয় বিশ্বাস যাই থাক বিজ্ঞান মঞ্চ বিষয়টিকে অন্য ভাবে দেখতেই আগ্রহী। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চের বর্ধমান জেলা কার্যকরী সভাপতি চন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সাপ এমনিতেই ঠাণ্ডা রক্তের প্রাণী।কোনও কারণ ছাড়া সাপ কামড়ায় না। তাছাড়া ধর্মীয় রীতিনীতির কারণে এখানকার মানুষেরা সাপকে বিরক্ত করেন না। তার কারণে উভয়ের মধ্যে সহাবস্থান তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের সহাবস্থানের ফলে ওইসব গ্রামগুলিতে সাপের কামড়ের ঘটনা খুবই কম। তবে এই সাপের বিষ আছে। কামড়ালে হাসপাতালে যেতে হবে ।

জুলাই ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal