• ৯ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death,

রাজ্য

কাশ্মীর ভ্রমণ অসম্পূর্ণ, কফিনবন্দি দেহ ফিরছে বর্ধমানের দুই পর্যটকের

কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হল পূর্ব বর্ধমান জেলার দুই পর্যটকের। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে কাশ্মীরের গান্ডেরবাল জেলার কঙ্গন থানার গণ্ডুতে শ্রীনগর-লে এক্সপ্রেসওয়ের উপরে। দুর্ঘটনায় পর্যটকবাহী বাসে থাকা আরও প্রায় ২৫ জন পর্যটক জখম হয়েছেন। মৃতরা হলেন পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের তোড়কোনা গ্রামের মালতি কুণ্ডু (৫৫) ও গলসির ইরকোনা গ্রামের স্মৃতিকা হাজরা (৫২)। কাশ্মীরের গান্ডেরবাল জেলার পুলিশ সুপার নিখিল বরকর সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলে দুজন মারা গিয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য শ্রীনগরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা গিয়েছেন। খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৩ মার্চ খণ্ডঘোষের তোড়কোনা থেকে একটি টুরিস্ট বাস ছাড়ে। ওই বাসে চড়ে বর্ধমান শহর, খণ্ডঘোষ, গলসি, বাঁকুড়ার ইন্দাস, শাসপুর থানা এলাকার ৬৪ জন পর্যটক উত্তরভারত ও কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। অমৃতসর, হরিদ্বার, বেনারস হয়ে ৪ এপ্রিল পর্যটকদের বর্ধমানে ফেরার কথা ছিল। খণ্ডঘোষ থেকে রওনা হওয়ার পর বুদ্ধগয়া, এলাহবাদ, আগ্রা, বৃন্দাবন, কুরুক্ষেত্র হয়ে পর্যটকবাহী বাসটি মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরে পৌঁছায়। বুধবার শ্রীনগরে প্রকৃতিক দৃশ্য ঘুরে দেখার পর ফের বৃহস্পতিবারও পর্যটকরা দুটি ছোট বাসে চড়ে প্রাকৃতিক দৃশ্য ঘুরে দেখার জন্য রওনা হন। ওই সময়েই একটি পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল দত্ত জানিয়েছেন। শ্যামল বাবু বলেন, শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনার খবর তোড়কোনা গ্রামে পৌছায়। এরপর খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই বাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে গিয়ে বেশ কয়েকফুট নিচে থাকা অন্য রাস্তায় আছড়ে পড়ে। তার জরেই বয়স্ক দুই পর্যটক প্রাণ খোয়ান বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।তোড়কোনা থেকে ছাড়া পর্যটকবাহী বাসের গাইড, ছিলেন তোড়কোনা গ্রামেরই বাসিন্দা অসীম চক্রবর্তী ওরফে খোকন। তিনি দাবি করেছেন, পর্যটকরা শ্রীনগর থেকে সেখানকার স্থানীয় বাসে চড়ে সাইডসিন দেখতে বেরিয়েছিলেন। ওই বাসটি বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার কবলে পড়লে দুজন মারা যান। ওই থাকা বাকি পর্যটকরা জখম হয় তাঁদের সবাইকে ওইদিন সন্ধের মধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। জখমদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি মৃতদেহ নিয়ে বর্ধমানে ফিরে আসার ব্যাপারেও কাশ্মীরের পর্যটন বিভাগ সর্বতভাবে সাহায্য করছে। খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ জানান, ময়নাতদন্তের পর দ্রুত যাতে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনা যায় তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার বিকেলে শ্রীনগরে মৃতদেহগুলির ময়নাতদন্ত হয়েছে। শনিবার সকালে বিমানে দেহগুলি কলকাতায় আনা হবে বলে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকাহত টলি তারকারা

প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। গত দু-তিন দিন ধরে পেটের সমস্যা ভুগছিলেন তিনি। বুধবার রিয়েলিটি শো-তে তিনি অংশও নিয়েছিলেন। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত ১টায় বাড়িতে মারা যান তিনি। অভিনেতার অকালপ্রয়াণে অভিনেত্রী তৃণা জানিয়েছেন, পর্দায় যেরকম অভিষেক দা আমার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করছেন। সেরকম বাস্তবেও আমার বাবা মতোই ছিল অভিষেক দা। গত দুই দিন আগে শ্যুটিংয়ে এসে অসুস্থ হয়ে পরেছিল। তারপর বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে ফোন করে আমি খুব বকাবকি করেছিলাম। কারণ অভিষেক দা নিজের স্বাস্থ্যের একদম খেয়াল রাখত না। তাই প্রচুর বকলাম। এরপর এত তাড়াতাড়ি যে অভিষেক দা আমাদের সকলকে ছেড়ে চলে যাবে আমি ভাবতেই পারিনি। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন, মিঠুদা এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।কত কিছু মনে পড়ছে।কত ছবি, কত কথা। কেন হাসপাতালে গেলেনা? অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানারজি অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ভালো থেকো মিঠুদা।বিদিপ্তা চক্রবর্তী লিখেছেন, বলার কোনও ভাষা নেই। তোমার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো মনে থাকবে আমাদের। শান্তিতে থেকো মিঠুদা। খড়কুটো ধারাবাহিকের অভিনেত্রী সোনাল মিশ্র ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, লাইফমিঠু দা। অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলি লিখেছেন, শান্তিতে ঘুমিও মিঠু দা। তোমার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। অনেক স্মৃতি, অনেক শিক্ষা। মানতে পারছিনা গো। ভালো থেকো যেখানেই থেকো। অভিনেত্রী মালবিকা সেন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমি ভাবতেই পারছি না। এটা কি হল? কেন হল? স্টার জলসার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা হয়েছে, স্টার জলসার পক্ষ থেকে প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।

মার্চ ২৪, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু এক স্কুল পড়ুয়ার

বাড়ির টুলু পাম্প চালাতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষর্থীর। মৃতর নাম শেখ হাসান(১৬)। সোমবার বেলায় ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের কুরুঞ্জী গ্রামে। ছাত্রের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামের কুরুঞ্জী গ্রাম নিবাসী ছাত্র শেখ হাসান স্থানীয় কয়রাপুর বিদ্যাসগর বিদ্যাপিঠের ছাত্র।সে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে ।তাঁর বাবা শেখ আসগর পেশায় দিনমজুর। তিনি এদিন বাড়িতে শৌচাগার তৈরির কাজ করাচ্ছিলেন।গ্রামবাসী সামসুরা মল্লিক বলেন ,সৌচাগার তৈরির জন্য জলের প্রয়োজন হবে বলে বাড়ির পাশে একটি পুকুর থেকে জল তোলার জন্য লাগানো হয়েছিল টুলুপাম্প।আর সেই পাম্প চালাতে গিয়ে শেখ হাসান বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে পুকরের জলে গিয়ে উল্টে পড়ে। তারপরেই তাকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নি। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা হাসানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

খেলতে খেলতেই মৃত্যু, লালহলুদ জার্সি আর গায়ে তোলা হল না দেবজ্যোতির

ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন কলকাতা ময়দানে খেলার। সে সুযোগ এসে যাওয়ার পর স্বপ্নের পরিধি আরও বেড়ে যায়। লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। স্বপ্ন পূরণের শেষ ধাপে পৌঁছেও আর লালহলুদ জার্সি গায়ে তোলা হল না উদীয়মান ফুটবলার দেবজ্যোতি ঘোষের। মাঠে খেলতে খেলতেই অকালে প্রাণ হারালেন ২৫ বছর বয়সী এই তরুণ ফুটবলার। এই মরশুমে কলকাতা ফুটবল লিগে রেলওয়ে এফসির জার্সি গায়ে চমক দেখিয়েছিলেন দেবজ্যোতি। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে কলকাতা লিগের ফাইনালে তুলেছিলেন। কিন্তু দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। তা সত্ত্বেও তাঁর খেলা মনে ধরেছিল মহমেডান থেকে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। সামনের মরশুমের জন্য লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করানোর ব্যাপারে মনস্থির করেছিলেন। দেবজ্যোতির সঙ্গে কথাবার্তাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু আর লালহলুদ জার্সি গায়ে তোলা হল না দেবজ্যোতির। নদীয়ার কৃষ্ণনগরের চৌরাস্তায় বাড়ি দেবজ্যোতির। পরিবারের একমাত্র সন্তান। ফুটবল খেলে যে টাকা রোজগার করতেন, তাতেই সংসার চলত। শনিবার ধুবুলিয়ায় বেলপুকুর পোলতা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল প্রতিযোগিতায় স্বরূপগঞ্জ সেবক সমিতি ও কৃষ্ণনগর সেন্ট্রাল ক্লাবের মধ্যে সেমিফাইনাল ম্যাচ চলছিল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে বিপক্ষ গোলকিপারের একটা শট দেবজ্যোতির বুকে লাগে। মাঠেই পড়ে যান তিনি। বমি করতে থাকেন। মাঠে নাকি কোনও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না। একটা গাড়িতে করে তাঁকে ধুবুলিয়া গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় কৃষ্ণনগর শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। শক্তিনগর হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুতে ফুটবলমহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ১৯, ২০২২
রাজ্য

বিয়ে বাড়ির আরোহী বাহী চারচাকা গাড়িতে লরির ধাক্কা -মৃত ২ জখম ৩

বেপরোয়া ভাবে চলা লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল চারচাকা গাড়ির দুই আরোহীর। জখম হয়েছে আরও তিন জন। সোমবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার তক্তিপুরে মেমারি মালডাঙা সড়ক পথে।পুলিশ জানিয়েছে ,মৃতরা হল প্রকাশ বাগ (৩০) ও তার ভাই তাপস বাগ (২৬)। জখম রূপচাঁদ মান্ডি ,শিবু টুডু ও দীপঙ্কর কুন্ডুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মৃত ও জখমরা সকলেই মেমারির কালিবেলে এলাকার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘাতক লরির খোঁজ শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চারচাকা গাড়ির পাঁচ আরোহী রবিবার জামালপুর থানার পাঁচড়ার ভেরিলি গ্রামে বিয়েবাড়ি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে এদিন সকালে তাঁরা চারচাকা গাড়িতে চড়ে মেমারির কালিবেলে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন।পথে তক্তিপুর এলাকায় মেমারি গামি দ্রুত গতীর একটি লরি চারচাকা গাড়িটিতে সজোরে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়।এই দুর্ঘটনায় চারচাকা গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারচাকা গাড়ির চালক প্রকাশ বাগের। বাকি আরোহী তাপস বাগ, রূপচাঁদ মান্ডি শিবু টুডু ও দীপঙ্কর কুন্ডুকে উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রকাশ বাগের ভাই তাপস কে মৃত ঘোষণা করেন।জখদের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়ার্ন, মত সৌরাশিস লাহিড়ীর

মাত্র ৫২ বছর বয়স। এই বয়সেই মারা যাবেন ক্রিকেটের কিংবদন্তী! না, শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব স্তম্ভিত, শোকাহত। শোকাহত বললে কম বলা হয়। রীতিমতো বাক্যহারা হয়ে পড়েছেন সকলে।শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মানতে পারছেন না বাংলার প্রাক্তন স্পিনার তথা বর্তমান বাংলা সিনিয়র দলের সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী। কটক থেকে ফোনে সৌরাশিস জনতার কথার প্রতিনিধিকে বলেন, ওয়ার্নের মৃত্যুর খবর শুনে আমার হাতপা থরথর করে কাঁপছিল। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। এত কম বয়সে চলে যাবেন, ভাবতেই পারছি না। সত্যিই অবিশ্বাস্য। গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়ে গেল।শেন ওয়ার্নের সঙ্গে কখনও সামনা সামনি মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়নি সৌরাশিস লাহিড়ীর। তবে ওয়ার্নের বোলিং দেখে বড় হয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন স্পিনার। একসময় ওয়ার্নের স্পিনে মোহিত হয়ে থাকতেন বলে জানান সৌরাশিস। তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের কাছে স্বপ্নের নায়ক। ওর বোলিংয়ে মোহিত ছিলাম। কখনও সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু ওয়ার্নকে দেখেই বড় হয়েছি। আমি তো ওকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্পিনার হিসেবে মনে করি। শুধু দুর্দান্ত বোলারই ছিলেন না, বর্ণময় চরিত্রও ছিলেন। ওয়ার্নের হাত থেকে এমন কিছু বল বেরিয়েছে, ক্রিকেট যতদিন থাকবে, সেই বলগুলোর কথাও ততদিন থেকে যাবে।সৌরাশিস আরও মনে করেন, স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পার্ট হতে পারে, সেটা শেন ওয়ার্নই দেখিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন। স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের দুর্দান্ত পার্ট হতে পারে, তাঁর মতো অন্য কেউ তুলে ধরতে পারেননি। বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা স্পিনার হিসেবে আমি ওয়ার্নকেই বেছে নেব। অধিনায়ক হওয়ার মতো সমস্ত গুনও ওয়ার্নের মধ্যে ছিল বলে মনে করেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সব গুনই ছিল ওয়ার্নের মধ্যে। কিন্তু স্টিভ ওয়া ও রিকি পন্টিংয়ের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকায় দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ হয়নি।ওয়ার্নের ক্রিকেট ধারাভাষ্যেও মুগ্ধ সৌরাশিস। তিনি বলেন, এত সুন্দর বিশ্লেষণ করতে খুব কম ধারাভাষ্যকারকেই দেখেছি। এককথায় অসাধারণ। আর বৈচিত্রময় চরিত্রর দিক দিয়ে ইমরান খান, ইয়ান বথামদের পাশেই শেন ওয়ার্নকে রাখব। সত্যি কথা বলতে কী, ওর মৃত্যু ক্রিকেট বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু স্পিনের যাদুকরের, বাহান্নতেই থেমে গেলো জীবন

থেমে গেলো স্পিনের যাদুকরের হাত, তাঁর আঙ্গুলের ছোঁয়া পেয়ে আর লাল বলটা বনবন করে ঘুড়বে না সবুজ গালিচায়। মাত্র ৫২ বছর বয়সে থেমে গেলো মহান ক্রিকেট শিল্পী-র জীবন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা স্পিনার মৃত্যুর সময় তাইল্যান্ডে তাঁর নিজ বাসভবনে ছিলেন।শ্যেন ওয়ার্নের সংস্থা শনিবার বিবৃতি দিয়ে এই মর্মান্তিক খবর জানায়। তারা এই বিবৃতিতে জানায়, শ্যেন তাইল্যান্ডে প্রয়াত হয়েছেন এবং তাঁর নিজস্ব বাংলোতে এই মহান ক্রিকেটারকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম চেষ্টা স্বত্তেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তাঁর পরিবার এই সময়ে গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।Sad to hear the news that Rod Marsh has passed. He was a legend of our great game an inspiration to so many young boys girls. Rod cared deeply about cricket gave so much-especially to Australia England players. Sending lots lots of love to Ros the family. RIP mate❤️ Shane Warne (@ShaneWarne) March 4, 2022শনিবার ভারতীয় সময় ৭:২৩ মিনিটে, মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাক্তন ক্রিকেটার রডনি মার্শের প্রয়াণে টুইট করেছিলেন শ্যেন। রডনি মার্শ বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। সেই শোকবার্তায় শ্যেন ওয়ার্ন লিখেছিলেন, রড মার্শ প্রয়াত হওয়ার খবর শুনে খুবই খারাপ লাগছে। উনি ক্রিকেটেরএক কিংবদন্তি ছিলেন। বহু উদীয়মান ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা ছিলেন। রড ক্রিকেট ভালোবাসতেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। ওঁর পরিবারকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাই।১৩ সেপ্টেম্বর ১৬৬৯ আপার ফার্নট্রি গলি, ভিক্টোরিয়াতে শ্যেন ওয়ার্ন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪৫টি টেস্টে ৭০৮টি উইকেট সংগ্রহ করেন। শ্রীলঙ্কার মুথাইয়া মুরলিধরনের (৮০০) পর তিনি দ্বিতীয় সর্ব্বচ্চ উইকেট সংগ্রাহক।বর্তমানে শ্যেন তাঁর তাইল্যান্ডের নিজের বাংলোতে বসবাস করছিলেন। নিজের বাসস্থানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ভারতে আইপিএল-এর প্রথম সংস্করনে বিজয়ী দল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন শেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
রাজ্য

"তীর বেঁধা পাখী আর গাইবে না গান", প্রয়াত বাংলার নাইটিঙ্গেল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

তীর বেঁধা পাখী আর গাইবে না গান, ভুলে গেছে জীবনের হাসি কলতান। গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়-র সুরেলা গলা আর কোনওদিন বলে উঠবে না, গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু......। করোনার কারল গ্রাস কেড়ে নিলো আরও এক প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে। লতা মঙ্গেশকরের শোক কাটতে না কাটতেই আরেক ধাক্কা দেশবাসীর কাছে।১৯৩০-র ৪ অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা স্বর্ণ যুগের শেষ অবিসংবদিত প্লেব্যাক ও আধুনিক গানের শিল্পী ঘুম ঘুম চাঁদ, ঝিকিমিকি তারা গাইতে গাইতে ৯০ বছর বয়সে চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আধুনিক ও সিনেমার গানের সাথে সাথে সমান পারদর্শী ছিলেন ভরতীয় মার্গসঙ্গীতে। তিনি পণ্ডিত সন্তোষ কুমার বসু, অধ্যাপক এ টি ক্যানন এবং অধ্যাপক চিন্ময় লাহিড়ীর নিকট ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন। এছাড়াও প্রবাদপ্রতীম সঙ্গীত গুরু উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান-র কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা নেন। উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান-র অবর্তমানে তাঁর সুযোগ্য পুত্র উস্তাদ মুনাওয়ার আলী খান-র কাছেও তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষালাভ করেছিলেন।১৯৭০ রে জয় জয়ন্তী এবং নিশি পদ্ম চলচ্চিত্রে তার গানের জন্য তিনি সেরা নেপথ্য গায়িকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১১ তে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।যদিও তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সু-প্রশিক্ষিত, তবুও তাঁর বেশিরভাগ সাফল্য বাংলা আধুনিক গানে। ১৯৫০ এ তারানা সিনেমায় একটি গান দিয়ে তাঁর মুম্বাইতে হিন্দি গান গাওয়ার যাত্রা শুরু করেন। তিনি ১৭টি হিন্দি সিনেমায় গান গেয়েছিলেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ১৯৫২ তে তিনি কলকাতায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ১৯৬৬ তে কবি শ্যামল গুপ্তের সাথে তাঁর বিবাহ হয়। বাংলা গানের এক অমর কথা শিল্পী শ্যামল গুপ্ত সন্ধ্যার বহু কালজয়ী গানের কথা লিখেছেন।২৬ জানুয়ারি বুধবার প্রজাতন্ত্র দিবসের সন্ধ্যাবেলা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বাংলার স্বর্ণযুগের শেষ সঙ্গীতশিল্পী। তার ঠিক পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গ্রিন করিডোর করে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। সেইসময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ মেডিকেল বুলেটিন-এ জানায় শিল্পীর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পরেছে। তাঁর মাত্র কয়েকদিন আগেই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই নিয়ে নানামহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। মেডিক্যাল বোর্ড জানায় আগেরদিন রাতে শৌচাগারে পড়ে গিয়ে চোট পান তিনি। তার সঙ্গে শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও। তাঁর দুটি ফুসফুসেই ভয়ানক সংক্রমণ দেখা দেয়। এর পর বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সোমবার রাতে তার অস্ত্রোপচার হয়েছিল, ফুসফুসের সংক্রমণও অনেক নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল।সন্ধ্যা - হেমন্ত বাংলা সিনেমার সঙ্গীতের এক অবিস্মরনীয় জুটি। তাঁদের গলায় উত্তম-সুচিত্রা সিনেমায় একের পর এক অমর গান মানুষের মুখে মুখে আজও ঘুরে বেড়ায়। সেইসময় সুচিত্রা সেনের কণ্ঠের সাথে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ছাড়া কারুর গানই সেভাবে শোনা যেতো না। হেমন্ত মুখার্জির সুরে তিনি বহু গান গেয়েছেন, এছাড়াও রবিন চট্টোপাধ্যায় ও নচিকেতা ঘোষের সঙ্গেও তিনি অনেক কাজ করেন।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন, যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গে আগত লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুদের জন্য তিনি ভারতীয় বাঙালি শিল্পীদের সঙ্গে গণ আন্দোলনে যোগ দেন এবং তাদের সাহায্যের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন। কারাগারে বন্দী নতুন বাংলাদেশের কারিগর বাংলাদেশের মুক্তিসুর্য শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির উপলক্ষে তার গাওয়া বঙ্গবন্ধু তুমি ফিরে এলে গানটি বাংলাদেশে দারুন জনপ্রিয়। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, প্রথম একুশে ফেব্রুয়ারির উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকায় পল্টন ময়দানের একটি উন্মুক্ত কনসার্টে অনুষ্ঠান করা তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রথম বিদেশি শিল্পী।১৯৭১ সালে জয় জয়ন্তী এবং নিশিপদ্ম ছবিতে যে দুটি গান গেয়ে শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, তার একটি হল ওরে সকল সোনা মলিন হল আপরটি আমাদের ছুটি ছুটি গাইতেই গাইতেই যেন তিনি সত্যিই চির ছুটিতে চলে গেলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

বিষক্রিয়ায় মর্মান্তিক পরিণতি একই পরিবারের দুই শিশুর, হাসপাতালে ভর্তি ওই আরও চার

অজানা বিষক্রিয়ার ফলে মৃত্যু হল একই পরিবারের দুই শিশু সন্তানের। মৃতরা হল শুভঙ্কর ঘোষ (১২) ও রাহুল ঘোষ(৯)। তারা সম্পর্কে দুই ভাই। অসু্স্থ হয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন পরিবারের আরও চার সদস্য। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে শহর বর্ধমানের রথতলা এলাকায়। ঘটনা নিয়ে এলাকায় জনমানসে ব্যাপক চাঞ্চল্যও চড়িয়ে পড়েছে। প্রকৃত কি কারণে দুই শিশুর মৃত্যু হল তার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহর বর্ধমানের রথতলা এলাকায় বাড়ি মৃত শিশুদের পরিবারের। খাবারে বিষক্রিয়ার অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে মৃত দুই শিশুর বাবা রবি ঘোষ, দিদি শর্মিলা ঘোষ, ঠাকুরমা সন্ধ্যা ঘোষ ও পিসি শমিষ্ঠা ঘোষ। রবি ঘোষ বর্ধমান সিএমওএইচ অফিসের গাড়ির চালক। এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়েই বাবা রবি ঘোষ বলেন, মঙ্গলবার রাতে তাঁদের বাড়িতে মাংস রান্না হয়। মাংস খাওয়ার পর থেকেই একে একে তাঁদের পরিবার সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার সবার চিকিৎসা হলেও বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পরিবারের সবার অসুস্থতা বাড়ে। তাই সবাই এদিন সকালে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই পরিবারের দুই শিশু সন্তান শুভঙ্কর ও রাহুলের মৃত্যু হয়। মৃত শিশুদের দিদিমা আভা চন্দ্র বলেন, বাড়িতে ইঁদুরের উপদ্রব বাড়ায় ইঁদুর মারার বিষ দেওয়া হয়েছিল। আভাদেবীর অনুমান ইঁদুর মারার ওই বিষ কোনভাবে বাড়িতে রান্না হওয়া খাবারে মিশে যাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে গেল। তার জেরে অকালে প্রাণ গেল তাঁর দুই নাতির। মৃতদের প্রতিবশী সৌরভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থ হয়ে পড়া ঘোষ পরবারের সদস্যদের তাঁরাই এদিন সকালে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু ওই পরিবারের দুই শিশু সন্তান মারা যাবে এটা তাঁরা কেউ কল্পনাও করতে পারেন নি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার তপস ঘোষ জানিয়েছেন, অজানা বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কি থেকে বিষক্রিয়া তা জানার জন্য এদিনই দুই শিশুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসলেই কি থেকে বিষক্রিয়া তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার

রেলগেটের কাছে চলন্ত ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। শনিবার দুপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া-বর্ধমান মেইন শাখায় পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দেবীপুর স্টেশন সংলগ্ন রেল গেটে। দুর্ঘটনার জেরে মহিলার দেহ কার্যত ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তা নিয়ে দেবীপুর রেলগেট পারপারকারী মানুষজনের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রেল পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়।মহিলার নাম পরিচয় এখনও উদ্ধার হয়নি।মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি রেল পুলিশ মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জানিয়েছেন, বর্ধমান হাওড়া ডাউন লাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে মহিলা। তাঁর দেহ এতটাই ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় যে দেবীপুরের বাসিন্দাদের কেউ তাকে চিনতে পারেনি।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে অগ্নিকাণ্ডে কোভিড রোগীর মৃত্যুর কারণ অক্সিজেন সিলিন্ডার না মশা মারার ধূপ? তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে আগুন ধরে যাওয়ায় পুড়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত এক প্রৌঢ়ার। মৃতার নাম সন্ধ্যা মণ্ডল (৭২)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুরিয়া গ্রামে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপালে। হাসপাতাল কর্মীরাই প্রথম আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। পরে খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছায়। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখেন দমকলের আধিকারিকরা। ওয়ার্ডে থাকা অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে আগুন লেগেছে নাকি মসা মারার ধূপ থেকে বেডে আগুন ধরে গিয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনা নিয়ে হাসপাতালের তরফে একটি এফআইআর করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মৃতদেহটি এদিনই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। ভিসেরা সংগ্রহে রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্ধমান হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে এক রোগীনির মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বেলা বাড়তেই রাজ্য জুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। ঘটনা নিয়ে সোচ্চার হয় রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা ও বিধায়করা। তড়িঘড়ি রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের তিন সদস্যের কমিটি হাসপাতালে আগুন লাগার ঘটনার তদন্ত করবে। জানা গিয়েছে, ওই কমিটিতে রয়েছেন স্পেশাল সেক্রেটারি অনিরুদ্ধ নিয়োগী, আরজিকর হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সোমনাথ দাস ও নার্সিং মেম্বার মণিকা গায়েন। পাশাপাশি বর্ধমান হাসপাতালের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের সমস্ত সরকারী হাসপাতালে ফায়ার অডিটের নির্দেশও দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট উপসর্গ থাকায় পরিবারের লোকজন গত বুধবার প্রৌঢ়া সন্ধ্যা মণ্ডলকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোভিড ওয়ার্ড অর্থাৎ রাধারানী ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানেই তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এলে পরদিন সন্ধ্যাদেবীকে হাসপাতালের কোভিড জেনারেল বেডে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর অক্সিজেন চলছিল। রাতে ওয়ার্ডের বাইরে শুয়েছিলেন রোগীর পরিজনরা। শনিবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ সেখানেই ঘটে বিপত্তি। ওয়ার্ডের ৬ নং ব্লকের ৮০ নম্বর বেডে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। সেই বেডে থাকা সন্ধ্যাদেবী আগুনে পুড়ে দগ্ধ হন। তাতেই মৃত্যু হয় তাঁর।রাধারানী ওয়ার্ডের বাইরে রাতে শুয়ে থাকা রোগী পরিজনদের একজন হলেন মেমারির নিশিরাগড় নিবসী বাসি হেমব্রম। তিনি জানান, রাধারানী ওয়ার্ডের উল্টোদিকের বপডে তিনি শুয়েছিলেন। হঠাৎ শুনতে পান ওয়ার্ডের ভিতর থেকে আগুন আগুন বলে এক মহিলা চিৎকার করছেন। তেমনটা শুনেই দ্রুত তিনি ছুটে ওয়ার্ডে ভিতর যান। গিয়ে দেখেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতরের একটি বেডে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। তা দেখে ওয়ার্ডে থাকা বাকি রোগীরা ছুটে বেড়িয়ে আসছে। রোগীদের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা ওয়ার্ডে পৌছে আগুন নেভায়। তারই মধ্যে আগুনে পুড়ে দগ্ধ হন প্রৌঢ়া রোগী। পরে তিনি মারা যান । অপর এক রোগীর পরিজন সুমিত্রা মাঝি জানান, আগুন দেখে অনেক কোভিড রোগী ভয়ে বাইরে চলে আসে। ঘটনার প্রায় আধঘণ্টা পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন হাসপাতালে আসে। তার আগেই হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মীরা আগুন নিভিয়ে ফেললেও প্রৌঢ়া কোভিড রোগী মারা যান। আগুন সম্পূর্ণ নিভে যাওয়ার পর দমকলের আধিকারিকরা ওয়ার্ডে আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা শুরু করেন। দমকলের এক আধিকারিক দীপক সেন জানান, ওয়ার্ডে একটি বেড ছাড়া অন্য কোন বেডে আগুন লাগেনি। মশার ধূপ থেকেই ওই বেডে আগুন লেগেছে বলে তাদের প্রাথমিক অনুমান। ঘটনার পরেই দ্রুত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌছান প্রিন্সিপ্যাল প্রবীর সেনগুপ্ত, সুপার তাপস ঘোষ সহ অন্যা চিকিৎসকরা। বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্ত্তীও একই সময়ে হাসপাতালে পৌছান। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন। পরে প্রিন্সিপ্যাল প্রবীর সেনগুপ্ত জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তের জন্য ফরেন্সিক দলকে বলা হয়েছে। এছাড়াও একটি পাঁচ সদ্যসের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা করবে। সুপার তাপস ঘোষ জানান, অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে আশঙ্কা করাহচ্ছে। মৃতদেহের পাশে গ্যাস লাইটার, দেশালাই পাওয়া গিয়েছে। কোন কারণে ওই রোগীনি আগুন ব্যবহার করেছিলেন কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।হাসপাতালে উপস্থিত থাকা মৃতার মেয়ে রানু মণ্ডল এদিন বলেন, মায়ের ব্যাগে থালা ও জলের বোতল ছিল। লাইটার, দেশালাই ছিল না। তাঁরাও ওইসব মাকে দেননি। বাড়ি থেকে শুক্রবারই মসারি এনে দিয়ে ছিলেন। তাই মাসা মারার ধূপ জ্বালানোর কোন প্রয়োজনই থাকেনি।বর্ধমান হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এদিন রাজনৈতিক মহলেও তোলপাড় ফেলে দেয়। এদিন দুপুরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিজেপির সাত সদস্যদের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘরুই, বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা, বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা সহ বর্ধমান জেলার বিজেপি নেতৃত্ব। বিধানসভার বিরোধি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই এই পরিদর্শন বলে জানান বিজেপি নেতারা। এই প্রতিনিধি দল কোভিড ওয়ার্ড পরিদর্শন করতে গেলেও দুর্ঘটনাস্থল সিল থাকার জন্য যেতে পারেননি। পরে তাঁরা হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে দেখা করে বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার কথা জানান। হাসপাতাল চত্ত্বরে দাঁড়িয়েই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে বিজেপির প্রতিনিধিরা। মৃতার পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দেওয়ার দাবিও তোলেন বিজেপি নেতৃত্ব। বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সম্পাদক অভিজিৎ নন্দী অভিযোগ করেন, সাংসদ কোটার দেড় কোটি টাকা খরচ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপাত্র তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার হাল কতটা তলানিতে ঠেকেছে তার রিপোর্ট সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। যা জানার পর লজ্জায় উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের মাথা হেট হয় গেলেও বিজেপি নেতাদের হয়নি। ওদের লজ্জা-শরম নেই বলে বর্ধমান হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে শুরু করে দিয়েছে ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে আগুনে ঝলসে গেল কোভিড রোগী, কারণ অনুসন্ধানে তড়িঘড়ি তদন্ত কমিট গঠন

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল এক রোগীর। শনিবার ভোররাতে ওই ওয়ার্ডে আগুন লাগে। সেই আগুনে ঝলসে যায় একজন কোভিড রোগী। মৃতের নাম সন্ধ্যা মণ্ডল(৬০)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুড়িয়া গ্রামে। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ হাসপাতালের রাধারাণী ওয়ার্ডে আগুন লাগে। বর্তমানে রাধারাণী ওয়ার্ডকে কোভিড রুগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে ৬ নম্বর ব্লকে ভর্তি ছিলেন কোভিড রোগী সন্ধ্যা মণ্ডল। কোভিড ওয়ার্ডের অন্য রোগীর আত্মীয়রা দাবী, আগুন লাগার সময় হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী ও অন্য কর্মীরা ঘুমিয়ে ছিল। যদিও নিরাপত্তার গাফিলতির কথা অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। খবর পেয়ে হাসপাতালে যায় দমকলের একটি ইঞ্জিন। ততক্ষণে হাসপাতালের কর্মীরাই আগুন নিভিয়ে ফেলে। জানা গিয়েছে, এক কোভিড রোগীর আত্মীয় প্রথম আগুন দেখতে পান। তারপর তিনি অন্যদের জানান।এদিকে বর্ধমান হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ হয়ে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ প্রবীর সেনগুপ্ত জানান, ফরেন্সিক দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ওয়াসিম কাপুর চলে যাওয়ায় আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেলঃ অশোক রায়

বিশিষ্ট চিত্রকর ওয়াসিম কাপুরের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ শিল্পী-মহল। বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও সনামধন্য চিত্রশিল্পী অশোক রায় ওয়াসিম কাপুরের খুব কাছের মানুষ ছিলেন। ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে তাঁকে চিনতেন। শিল্পীর মৃত্যুতে স্মৃতিচারণা আরেক শিল্পীর।জনতার কথাঃ ওয়াসিম কাপুর কে খুব কাছ থেকে আপনি দেখেছেন। উনি চলে গেলেন। কি বলবেন।অশোক রায়ঃ ওয়াসিম দা আমার অনেক সিনিয়র। প্রায় ৫ বছরের সিনিয়র। ওয়াসিম দার বাড়িতে আমি বহুবার গিয়েছি। ওনার ওরিজিনাল বাড়ি লখনৌ-তে। ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজ থেকে পাশ করে বেরোন। আর্ট ওয়ার্ল্ডে ওনার অনেক অবদান। উনি সাধারণত রিয়েলিস্টিক কাজ করেন। প্রচুর পোট্রেট করেছেন পলিটিক্যাল পার্সোনালিটিদের ওপর। জ্যোতি বসুর উনার একটা পেইন্টিং খুব বিখ্যাত। সেই পোট্রেট পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় রাখা আছে।উনি এবং উনার স্ত্রী দুজনেই খুব ভালো মানুষ। উনি এমন সময় মারা গেলেন যে উনার স্ত্রী শিলা দি রয়েছেন দুবাইতে। কয়েকদিন আগেই তিনি দুবাইতে গেছেন। জনতার কথাঃ উনার শারীরিক অবস্থা কি সাম্প্রতিককালে বেশ খারাপ ছিল?অশোক রায়ঃ বছর চার-পাঁচ ধরেই উনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। উনার পায়ের একটা সমস্যা বারবার ভোগাচ্ছিল। কোনও প্রোগ্রামে যেতে পারতেন না। অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে যেতেন। বাংলায় যে কজন ভালো শিল্পী আছেন আসতে আসতে সবাই চলে যাচ্ছেন। জনতার কথাঃ আপনার সঙ্গে উনার সম্পর্ক কেমন ছিল?অশোক রায়ঃ ব্যক্তিগতভাবে যেহেতু উনার বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল এবং উনার সঙ্গে একটা সুন্দর রিলেশন ছিল। দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। জনতার কথাঃ ওয়াসিম কাপুরের চলে যাওয়াটা বাংলার শিল্পীদের জন্য কতটা যন্ত্রণার?অশোক রায়ঃ ভীষণই যন্ত্রণার। উনি মানুষ হিসাবে খুব ভালো ছিলেন। শিল্পীর দুটো জিনিস হয়। একজন খুব ভালো শিল্পের সৃষ্টি করেন। যেটা তিনি করতেন। তার বাইরে তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন। প্রত্যেকের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন। যে কারণে আমরা সবাই খুব শকড উনার খবর পেয়ে। অনেকেই ফোন এসেছে তাঁর চলে যাওয়ার পর। ওয়াসিম কাপুর চলে যাওয়ায় আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত চিত্রশিল্পী ওয়াসিম কাপুর

প্রয়াত চিত্রশিল্পী ওয়াসিম কাপুর। সোমবার সকাল ১১.৪৫ নাগাদ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে নিজের বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই বর্ষীয়ান চিত্রশিল্পী শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। ১৯৫১ লখনউয়ে জন্ম হলেও কলকাতাই ছিল শিল্পীর কর্মভূমি। নিজের ছবির মাধ্যমে মানুষের গভীর আবেগের কথা ফুটিয়ে তুলতেন ওয়াসিম কাপুর। কয়েক বছর আগে অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে আঁকা একটি ছবি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। ওয়াসিম কাপুরের মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পীমহলে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কিংবদন্তি শিল্পী হয়েও তিনি ছিলেন নিষ্পাপ শিশুর মত

চব্বিশ ঘণ্টা পেরোয়নি নাটকের জগতের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব শম্ভু-তৃপ্তি মিত্র কন্যা শাঁওলি মিত্রকে হারিয়েছি। তার মধ্যেই আবার এক ইন্দ্রপতন! প্রয়াত সেতার শিল্পী পণ্ডিত রবিশঙ্করের লয়ের পুতুল পণ্ডিত বিরজু মহারাজ-র মৃত্যু আমাদের নাড়িয়ে দিল। রবিবার রাতে নিজের বাসভবনে দৌহিত্রের সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে হৃদ্ররোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। একাধারে নৃত্য, তবলা এবং কণ্ঠসঙ্গীতে সমান পারদর্শী ছিলেন বিরজু। শোনা যায় তিনি খুব ভালো ছবিও আঁকতেন।দেশে ও বিদেশে বিরজু মহারাজের অনেক ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন বলিউড তারকা মাধুরী দীক্ষিত। বিরজু মহারাজের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিভাবে নাচে দক্ষ হন সেটাও জানিয়েছিলেন মাধুরী। অভিনেত্রী ও নৃত্য শিল্পী মাধুরী দীক্ষিত সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, কিংবদন্তি শিল্পী হয়েও তিনি ছিলেন নিষ্পাপ শিশুর মত। তিনি আমার গুরু হলেও আমার পরম বন্ধুও ছিলেন। তিনি হাসতে হাসতে মজার-ছলে আমায় নাচ এবং অভিনয়ের অনেক জটিল বিষয় শিখিয়েছিলেন। তিনি তাঁর অসংখ্য ভক্তকুল এবং শিষ্যদের রেখে গেছেন, তাঁর শিক্ষা আমরা বহন করে সবাই মিলে এগিয়ে নিয়ে যাব। নাচের সাথে সাথে আপনি নমনীয়তা, কমনীয়তা এবং করুণা সহ জীবনে চলার পাথে অনেক কিছু শিখিয়েছেন তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ মহারাজজি।তাঁর মৃত্যুর পর জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক বিবেক রঞ্জন অগ্নিহোত্রী টুইট করে লিখেছেন, আমার মনে হয় ঘুংরুর আওয়াজ আর আগের মতো হবে না। ওম শান্তি বিরজু মহারাজ জি। শিল্পীর মৃত্যু হয় না। অভিনেতা রণদীপ হুডা টুইটারে দ্য আর্টিস্ট লিখে হ্যাশট্যাগে বিরজু মহারাজের নাম লিখে প্রণাম জানিয়েছেন। বলিউড অভিনেত্রী কাজল লিখেছেন,পন্ডিত বিরজু মহারাজ একজন লেজেন্ড ছিলেন এবং তাঁকে দেখে আশ্চর্য হয়ে যেতে হয়। পৃথিবী আজ তার অমূল্য কিছু হারালো। শান্তিতে ঘুমান। তাঁর পরিবারের কাছে গভীর সমবেদনা রইল।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

'বঙ্গবালা' শাঁওলি-র প্রয়াণে বাংলার নাট্য জগৎ আনাথ

সকলের অগোচরে না ফেরার জগতে চলে গেলেন বিশিষ্ট নাট্যকার অভিনেত্রী শাঁওলি মিত্র। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। রবিবার নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মঞ্চ কাঁপানো অভিনেত্রী। বাবার শম্ভু মিত্রের পথ অনুসরণ করে ফুলের ভারে নয় একেবারে অনারম্বরে লোকচক্ষুর আড়ালে কিরীটি শ্মশানে সম্পন্ন হল শেষকৃত্য। সেখানে হাজির ছিলেন নাট্যকার অর্পিতা ঘোষ।নাথবতী অনাথবৎ খ্যাত শাঁওলি-র বাবা শম্ভু মিত্রের মতো মৃত্যুর পরে তার ইচ্ছার কথা লিখে গিয়েছেন। লিখেছিলেন তাঁর শেষকৃত্যের পরই যেন সকলকে জানানে হয়। সেই ইচ্ছাকে সম্পূর্ণ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। শম্ভু মিত্র ও তৃপ্তি মিত্রের কন্যার কয়েক বছর ধরেই বাড়িতে চিকিৎসা চলছিল।ঋত্বিক ঘটকের কালজয়ী ছায়াছবি যুক্তি তক্কো আর গপ্পো তে বঙ্গবালার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল শাঁওলি মিত্র-কে। তিনি একাধিক কালজয়ী নাটকে সুনামের সাথে অভিনয় করেছেন, তাঁর অভিনীত অন্যতম কয়েকটি নাটক ডাকঘর, পুতুলখেলা, একটি রাজনৈতিক হত্যা, বিতত বীতংস ...... আরও অনেক। নাট্যজগতে তাঁর অসামান্য অভিনয়ের অবদানের জন্য তিনি ২০০৯-এ ভারত সরকারের সর্বোচ্চ সন্মান পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হন। তিনি ২০১১-তে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধ্বশত জন্মবর্ষ উদযাপন কমিটির চেয়ারপার্সন মত গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।শাঁওলি মিত্রের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ২০১১রাজ্যে পালাবদলের সময় তিনি পথে নেমে তৎকালীন শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। অনন্য অভিনয়ের জন্য ২০০৩-এ সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১২-তে তাঁকে বঙ্গবিভূষণ ও ২০১৪ সালে দীনবন্ধু পুরস্কার প্রদান করে। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অকাদেমির দায়িত্বে ছিলেন । শাঁওলীর প্রয়াণে বাকরুব্ধ বাংলার নাট্যজগৎ।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ৬ দিনের শিশুর মৃত্যু

এবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক শিশুর। জলপাইগুড়ির ওদলাবাড়ি গ্রামীণ হাসপাত সূত্রে খবর, শিশুটির বয়স মাত্র ৬ দিন। জানা গিয়েছে, রবিবার ওদলাবাড়ি হাসপাতালে মারা যায় শিশুটি। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে করোনা পজিটিভ ছিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির ওদলাবাড়ি গ্রামীন হাসপাতালে ১১ জানুয়ারি জন্ম হয়েছিল শিশুটির। তারপর ১৩ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে পরিবারের লোকেরা তুড়িবাড়ির বাড়িতে চলে যায়। রবিবার শিশুটিকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ফের ওদলাবাড়ি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যায়। জানা গিয়েছে, চিকিৎসা শুরু হতেই মারা যায় ৬ দিনের শিশুটি। পরে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেষ্টে শিশুটির কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ে। একইসঙ্গে শিশুটির মাও করোনায় আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে।শিশুটির করোনায় আক্রান্তের খবর স্বীকার করে নিয়েছে জলপাইগুড়ির সিএমওএইচ দফতর। এই ঘটনায় চিকিৎসকরা রীতিমতো চিন্তিত। এর আগে রাজ্যে এমন ঘটনা সামনে আসেনি। করোনার তৃতীয় ঢেউতে শিশুরা আক্রান্ত হবেন এমন আশঙ্কা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। কিন্তু শিশুরা আক্রান্ত হলেও সর্দি-জ্বরের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ রয়েছে। কিন্তু ওদলাবাড়ির এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে ভাবনা শুরু করেছেন চিকিৎসকরা।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

সারা শরীরে কেরোসিন তেল ঢেলে জ্বলন্ত উনানে ঝাঁপ! মৃত্যু আদিবাসী যুবকের

গোটা শরীরে কেরোসিন তেল ঢেলে জ্বলন্ত উনানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক আদিবাসী যুবক। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার শিলাকোট গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সুকুল মুর্মু(৩০)। মানসিক অবসাদে থাকার কারণেই যুবক এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিবার সদস্যরা। পুলিশ যদিও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যুবকের এমন মৃত্যুর ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত এলাকাবাসী।আরও পড়ুনঃ উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় জনমজুর শিলাকোট গ্রামের বাসিন্দা সুকুল মুর্মুর বাড়িতে তাঁর স্ত্রী, দুই নাবালক ছেলে ও বাবা মা রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, সুকুল বেশ কয়েকদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল। আগে কয়েকবার পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে সে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের তৎপরতার তাঁর প্রাণ বাঁচে। কিন্তু সোমবার রাতে তাঁর স্ত্রী সরস্বতী মুর্মু যখন উনানে রান্না করছিলেন তখন সুকুল গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আচমকা উনুনে ঝাঁপ দিয়ে দেয়। তাঁর গোটা শরীর দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যান সরস্বতী মুর্মু। সরস্বতীর চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সুকুলের শরীরের আগুন নিভিয়ে ফেলে। স্থানীয়রাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান হাসপাতালে সুকুলের মৃত্যু হয় ।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sports Lover Rawat: ক্রীড়াপ্রেমী বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ক্রীড়ামহল

তামিলনাডুর কন্নুরে বুধবার হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সেনা সর্বাধিনায়ক বিপিন রাওয়াত। তাঁর স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াতসহ আরও ১১ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে ওই কপ্টার দুর্ঘটনায়। বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী ও সেনাদের মৃত্যুতে গোটা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে ক্রীড়াক্ষেত্রের সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও তিনি দারুণ ক্রীড়াপ্রেমী ছিলেন। সময় পেলেই চলে যেতেন ক্রিকেট মাঠে। ২ বছর আগে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও হাজির ছিলেন মোহনবাগান ও গোকুলাম এফসির মধ্যে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে। স্বভাবতই এইরকম ক্রীড়াপ্রেমী সেনা সর্বাধিনায়কের মৃত্যুতে শোকস্তদ্ধ ক্রীড়ামহল। বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ সামাজিক মাধ্যমে শোকজ্ঞাপন করেছেন।Deeply saddened by the untimely demise of CDS Bipin Rawat ji and other officials in a tragic helicopter crash. My deepest condolences to the friends family members. 🙏 Virat Kohli (@imVkohli) December 8, 2021ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি টুইটারে শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, মর্মান্তিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সিডিএস বিপিন রাওয়াতজী সহ অন্য কর্তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে দুঃখিত। পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের আমার গভীর সমবেদনা জানায়।pic.twitter.com/NLwN0OxacY Sachin Tendulkar (@sachin_rt) December 8, 2021শোকজ্ঞাপন করে দেশের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক শচীন তেন্ডুলকার লিখেছেন, জেনারেল বিপিন রাওয়াতের গরিমা ও দেশের জন্য অবদান প্রতীয়মান থেকে যাবে। দেশের কাছে এবং আমাদের সেনাবাহিনীর কাছে বড় বেদনার দিন। জেনারেল রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী এবং দুর্ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, প্রত্যেকের আত্মার শান্তি কামনা করি। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে থাকা গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিংয়ের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন শচীন।Extremely tragic news about the helicopter crash near Conoor. RIP #BipinRawat sir 🙏 pic.twitter.com/UHc2x3j0SB Saikhom Mirabai Chanu (@mirabai_chanu) December 8, 2021টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ভারোত্তলকে রুপোজয়ী মীরাবাই চানু থেকে শুরু করে সাইনা নেহাল, পিটি উষা, মহম্মদ সামি, প্রাক্তন ক্রিকেটার যুবরাজ সিং, ভেঙ্কটেশ প্রসাদ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, বীরেন্দ্র শেহবাগ প্রত্যেকেই টুইট করে শোকজ্ঞাপন করেছেন। যুবরাজ টুইটারে লিখেছেন, সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত ও ১১ জন সেনাকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। ওদের পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমাবেদনা রইল। বীরেন্দ্র শেহবাগ লিখেছেন, সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত ও ১১ জন সেনাকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে খুব আঘাত পেয়েছি। দেশের জন্য জেনারেল রাওয়াত যা করেছেন, সেই কৃতিত্বকে কুর্ণিশ জানাই। ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের পক্ষ থেকেও শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে।Very sad to hear about the news RIP #bipinrawat sir 🙏 Saina Nehwal (@NSaina) December 8, 2021Deeply anguished by the sudden demise of Gen. Bipin Rawat, CDS, Mrs. Rawat, and the 11 others on board the chopper. My prayers for the departed souls, and deepest condolences to the families. Om Shanti. 🙏 P.T. USHA (@PTUshaOfficial) December 8, 2021

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Youth Death: ঘরের সামনেই উদ্ধার রক্তাক্ত যুবকের দেহ

মঙ্গলবার সকালে বাঁশদ্রোণীর সোনালি পার্ক এলাকায় বাড়ির সামনে ওই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর ভাই সকালে তাঁর দেহ দেখতে পান। তাঁর চিৎকারেই ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। শরীরে রক্তের দাগ দেখে, তাঁরা বুঝতে পান, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। সোনালি পার্ক এলাকার ঘটনা। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালি পার্ক এলাকায়। মৃতের নাম মুকেশ সাউ (৪৩)। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। তবে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির ডান হাতে একটি ছুরি ছিল। গলায় গভীর ক্ষত ছিল। ছুরি দিয়েই গলায় কোপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ওই ছুরি দিয়েই গলায় আঘাত করা হয়েছে। ছুরিতেও রক্তের দাগ রয়েছে।তবে ওই ব্যক্তি নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেছেন, নাকি তাঁকে কেউ খুন করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গলায় দিয়ে চাপ চাপ রক্ত বের হচ্ছিল। ভোর রাতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অনুমান পুলিশের। মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশ কর্তারা। মৃতের সঙ্গে কারোর কোনও বিবাদ ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই ব্যক্তি এলাকায় কোনও দুষ্কর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত মৃতের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে, মুকেশ সম্পর্কে নানা তথ্য পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal