• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DYFI

রাজ্য

কলকাতা 'ল কলেজে ঘটনার প্রতিবাদ সামশেরগঞ্জে, পথে বামেরা

কলকাতার ল কলেজে ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে সামসেরগঞ্জেও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বামেরা। শনিবার বিকেলে DYFI এবং SFI এর নেতৃত্বে সামসেরগঞ্জের কাকুড়িয়ায় রাস্তা অবরোধ ঘিরে ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর কুশ পুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ করে বামেরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও রাস্তা অবরোধে বাধা দেওয়ার সময় থেকেই পুলিশের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি হয় বাম কর্মী সমর্থকদের। তামান্না খাতুনের খুনিদের শাস্তি দেওয়ার পাশাপশি কলকাতার কলেজে ধর্ষণ কাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান বাম কর্মী সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

অডিও ক্লিপ কাণ্ডে আদালতে বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য, সিপিএমের যুবনেতা কলতানের জামিন

অডিও ক্লিপ কাণ্ডে আদালতে বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার সিপিএম যুবনেতা কলতান দাশগুপ্তের জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার দীর্ঘক্ষণ শুনানির পর বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের বেঞ্চ বাম যুবনেতাকে ৫০০ টাকার বন্ডে জামিন দেয়। আদালতের নির্দেশ, আদালতের অনুমতি ছাড়া এই সংক্রান্ত মামলায় কলতানকে গ্রেফতার করা যাবে না। হাইকোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়ে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ। এদিন আদালত পুলিশকে প্রশ্ন করে, ফোনে কথোপকথনের যে রেকর্ডিংয়ের ভিত্তিতে কলতানকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেটি কোথা থেকে পেল পুলিশ। কোথা থেকে এই অডিও রেকর্ডিং এল তা খোঁজ নিয়েছে কি পুলিশ। উত্তরে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, কলতান না বলেননি। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানতে চান, যে পেনড্রাইভ পুলিশের কাছে এসেছে এবং যেখান থেকে এসেছে সেই সোর্সকে কি জেরা করা হয়েছে?বিচারপতি এদিন আরও প্রশ্ন করেন, কলতানকে গ্রেফতার করার আগেই একজন রাজনীতিবিদ (তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ) কী করে অডিও ক্লিপের বিষয়টি সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন। সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে একটানা ধরনা-আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ডাক্তারদের সেই ধরনায় হামলার ছক কষা হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। রাজ্য সরকার ও শাসকদলকে অপদস্থ করতেই বিরোধীরা এই হামলার ছক কষেছিল বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। সাংবাদিক সম্মেলন করে একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল নেতা। কুণালের দাবি ছিল, ফোনের এক পাশে যিনি রয়েছেন তাঁর নামের প্রথম অক্ষর স, ফোনের অন্য পারে থাকা ব্যক্তির নামের প্রথম অক্ষর ক।কুণালের এমন বিস্ফোরক অভিযোগের পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা সঞ্জীব দাস নামে একজনকে। পরদিনই গ্রেফতার সিপিএমের যুবনেতা কলতান দাশগুপ্ত। DYFI-এর মুখপাত্রের সম্পাদক কলতান। কলকাতা জেলা কমিটির সদস্য এই তরুণ নেতা।এদিন আদালতে রাজ্য জানায়, গত ৫ মাসে কলতান এবং সঞ্জীবের মধ্যে ১৭১ বার ফোনে কথা হয়েছে। ৬ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩৪ বার কথা হয়েছে। আদালতে রাজ্যের আইনজীবীর যুক্তি ছিল, এই ঘটনায় কলতান কৃষ্ণ এবং সঞ্জীব অর্জুনের ভূমিকা পালন করেছেন। মাথা ফাটানোর প্রশ্নের উত্তরে না বলেননি কলতান। সাহেব, বাপ্পা এবং দাদুকে খুঁজে বের করে আরও জেরা করা প্রয়োজন।দুপক্ষের শুনানির পর এদিন রায়দান স্থগিত রাখে আদালত। পরে কলতানকে ৫০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেয় হাইকোর্ট। আদালতের অনুমতি ছাড়া এই সংক্রান্ত মামলায় কলতানকে গ্রেফতার করা যাবে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর মেডিক্যালে ভাংচুর নিয়ে এবার তলব মীনাক্ষীসহ সিপিএমের ৭ ছাত্র-যুব নেতা

আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় এবার তলব করা হল ডিওয়াইএফআই নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ সাত জনকে। তলব করল লালবাজারের গুণ্ডা দমন শাখা। যে সাত জনকে তলব করা হয়েছে তাদের আজ ও আগামীকাল হাজিরার জন্য বলা হয়েছে।উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাংচুরের দিন আরজি করের মূল গেটের উল্টোদিকে একটি মঞ্চ পাতা হয়েছিল। ভাংচুরের ঘটনায় সময় সেখানে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মী সমর্থকরা ছিল বলে দাবি লালবাজারের।জানা গিয়েছে, পুলিশ আধিকারিকরা বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মূলত জানতে চাওয়া হতে পারে, যারা তান্ডব চালিয়েছেন তাদের সঙ্গে DYFI-SFI-র কর্মী-সমর্থকরা কোনওভাবে জড়িত কিনা। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হতে পারে যদি হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের কোন যোজসাজশ না থাকে তাহলে কেন হাতে DYFI-র পতাকা নিয়ে তাদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছিল?আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক খুন কাণ্ডে উত্তাল সারা বাংলা। ইতিমধ্যেই মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। গতকাল টানা প্রশ্নবাণের পর আজ সকালে ফের তাঁকে ডেকে পাঠায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। শনিবার সকালে অ্যাপ ক্যাবে চেপে সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে পৌঁছোন সন্দীপ ঘোষ। এখনও চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
রাজ্য

ভাইপোকে নজিরবিহীন কটাক্ষ সেলিমের, ভাষন শুনলেন বিমান, সূর্যকান্তরা

লোকসভা ভোটের আগে রবিবারের ব্রিগেড সমাবেশকে কার্যত অ্যাসিড টেস্টের মতোই ধরেছিল সিপিআইএম। ডিওয়াইএফআইয়ের ডাকে ২০০৮ সালের পর এটাই ছিল প্রথম ব্রিগেড সমাবেশ। ১৫ বছর পর ব্রিগেডে আজ সভা করল ডিওয়াইএফআই। দলের যুবদের ভাষণ মঞ্চের নীচে বসে শুনলেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা।মীনাক্ষীর পর রবিবাসরীয় ব্রিগেডের মঞ্চে বক্তা ছিলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। ডিওয়াইএফআইয়ের প্রাক্তন এই নেতা স্বভাবসিদ্ধ ঢঙেই শুরু থেকেই তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শানাতে থাকেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। নতুন শকুনির কাছে বাংলার কৃষ্টিকে বাজি ধরেছেন মমতা, মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ শানিয়ে ঝাঝালো সুর সেলিমের গলায়। রাজ্য সিপিএমের শীর্ষ নেতার তুমুল কটাক্ষ থেকে বাদ পড়েননি সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ভাইপো নয়, ওটাকে ডেঁপো বলাই ভালো, ভরা মঞ্চে যারপরনাই টিপ্পনি সেলিমের।কী বললেন সেলিম? *১০০ দিনের কাজের টাকা নেই। পঞ্চায়েত ভোটে বললেন দিল্লি থেকে নিয়ে আসব।*কত খেলো, কত নিল বাংলার মানুষকে দেখাতে হবে।*সংসদে মোদী বলেছিলেন গর্ত খোঁড়ার কাজ। ভাতা বন্ধ করার কথা বলেছিলেন।*দিল্লি পারবে না, বাংলাকে বাঁচাতে এককাট্টা হোন।*যাঁরা চুরি করছে, রাজ্যের মানুষ তাঁদের শাস্তি চাইছে। যৌবনকে দেখে বলছে, তোমরা পারবে।*৫৬ নয়, ৩৫৬ নয়, মুষ্টিবদ্ধ হাত আপনারা যদি আকাশের দিকে তুলে ধরেন, মাথা উঁচু করে শপথ নেন, বাংলাকে বাঁচাতে, আমাদের শিল্প, কৃষ্টি, ঘর, মা-বোনদের ইজ্জত, ঐতিহ্য, ইতিহাস রক্ষার জন্য যদি এককাট্টা হন, কোনও দিল্লি পারবে না।*ভাইপো নয়। ভেঁপো। তার চেয়ে ডেঁপো বলাই ভালো। যখন সব বেঞ্চ বলল কিছু হবে না, তখন, তিনি চলে গেলেন দিল্লি। বললেন, দাদা পায়ে পড়ি রে, ভাইপোটাকে বাঁচা।*মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউকে দেখবেন না।*পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও ফোন করেছিলেন। উনি ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলেন।*তৃণমূলকর্মীদের বলছি, ওরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাদের তুলবে। একটার পর একটা আইপিএস-এর অবসরের পরেও পুষছে।*চুরি দেখে রেগে যাচ্ছে রাজ্যের মানুষ। রেশন আইসিডিএস, চাকরির টাকা চুরি করছে। যারা মনে করেছিল নবান্নের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে ৫৬ লাগবে। বামপন্থীরা বলেন ৫৬ নয় জনগণ পারেন এই সিস্টেম বদলাতে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

‘জাতের নামে বজ্জাতি’র বিরুদ্ধে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি মাধ্যমে সুস্থ পৃথিবী গড়তে ফুটবলের মাঠে এসএফআই

আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে খেলা হবে স্লোগান সামনে রেখে রে রে করে মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বস্তবের ফুটবল মাঠে সত্যি সত্যি বল পায়ে খেলতে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল প্রতিপক্ষ সিপিএম-এর ছাত্র যুব সংগঠন। বিশ্বকাপকে ঘিরে উন্মাদনায় মাতলো এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই।সম্প্রীতির ফুটবল খেলা হল বর্ধমানে। ভারত কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব না করলেও বিশ্বকাপ জ্বরে কাঁপছে বাংলা সহ সারা ভারত। কাতারে যখন ধর্মীয় ফতোয়া, ধর্ম,বর্ণ বিশেষে বিভাজন চলছে, ঠিক তখনই বর্ধমানে রাজপথে সম্প্রীতির বর্ণময় মিছিল করলো এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআই।বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল মাঠে হল সম্প্রীতির ফুটবল ম্যাচ। বর্ণময় মিছিলে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন সহ বিভিন্ন দেশের জার্সি ছিল বাম ছাত্র ও যুবদের গায়ে। এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ চৌধুরী জানান আমাদের দেশে ধর্ম নিয়ে বিভাজন চলছে, কাতারে চলছে ফতোয়া, চলছে লিঙ্গ বৈষম্য। আমরা সারা বিশ্বকে এই বার্তা দিতে চাইছি না ধর্ম, না বর্ণ, না লিঙ্গ বৈষম্য, না রাজনীতি। চাই ঐক্য ও সম্প্রীতির বিশ্ব।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই এর অনুমতিহীন সভা ঘিরে চাঞ্চল্য

ভারতের গণতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশনের (ডিওয়াইএফআই) ধর্মতলা অভিযানের ডাকে সারা দিতে ইসলামপুর আলুয়াবাড়ি রোড জংশন স্টেশন থেকে কর্মী সমর্থকরা সোমবার ট্রেনে চেপে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। ডিওয়াইএফআই নেতা গৌতম বর্মন ও সামী খান জানান আনিস খানের ইনসাফ সবাই যোগদানের জন্য তারা যাচ্ছেন। কলকাতার ধর্মতলায় সেখানে উপস্থিত থাকবেন বামফ্রন্টের রাজ্য সভাপতি মঃ সেলিম ও ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি মীনাক্ষী মুখার্জী সহ একাধিক নেতৃত্ব। উলেখ্য ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে এই সভার কোনও অনুমতি কলকাতা পুলিসের তরফের দেওয়া হয়নি। অনুমতিহীন এই সভা ঘিরে আবার কলকাতায় গোলমালের আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজনীতি

অতীতে টেকনোলজি কে দূরে সরানো বামেদের ভরসা 'কিউআর (QR) কোড'

সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বিজেপির মতো বামেরাও শরণাপন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে। মিসড কলের মাধ্যমে বিজেপি তাদের পার্টির সদস্যা সংখ্যা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। আর এবার সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই কিউ আর (QR) কোড মাধ্যমে তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ওই পথেই হাঁটলো। কটাক্ষ করে টিএমসিপি নেতারা বলছেন,বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও তাদের একইরকম হবে,এটাই স্বাভাবিক।২১ শের বিধানসভা ভোটে শূন্য হয়ে গেলেও হাল ছাড়েতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট ও ২৪-র লোকসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে তারা এখন থেকেই মরিয়া হয়ে রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI) ও ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জনমত সংঘটিত করার জন্য এসএফআই তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা পোস্টারও তৈরি করেছে। সেই পোস্টারেই এখন ছয়লাপ পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর সহ গোটা জেলার বাজার, হাট,বাসস্ট্যাণ্ড চত্ত্বর। ওই পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে আবেদন জানিয়ে লেখা রয়েছে, এসএফআই (SFI) এর সদস্য হও। তার ঠিক নিচেই দেওয়া রয়েছে একটি কুইক রেসপন্স কোড । সেই কোডের নিচে আবার লেখা রয়েছে, স্ক্যান কিউ আর (QR) কোড- জয়েন এসএফআই। আর এই পোস্টার ঘিরেই শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক বিরোধী তর্জা।এসএফআইয়ের জেলা কমিটির সদস্য তথা জামালপুর ব্লকের এসএফআই সম্পাদক নীলকমল পাল বলেন, হ্যাঁ-কিউআর (QR) কোড দেওয়া পোস্টারের মাধ্যমে আমরা এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ারই আহ্বান জানিয়েছি। কারণ আমরা পথেও আছি, হেঁটেও আছি নেটেও আছি। আমরাই ছাত্র বিরোধী নয়া শিক্ষা নীতি,ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি সহ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছি। সেই লড়াইয়ের সাথী হওয়ার জন্য সবাইকে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সদস্য বাড়ানোর এই পন্থাকে বিজেপির অনুকরণ বলে মানতে চান নি নীলকমল। উল্টে তিনি দাবি করেন, বিজেপি পার্টিটাই সম্পূর্ণ ভাবে মিস কলের মাধ্যমে চলে। কিন্তু ,সেই পথে বামেরা হাঁটে না।সদস্য সংখ্যা বাড়ানো জন্য এসএফআইয়ের কিউআর কোড ব্যবহারের কৌশলকে বিলম্বিত বোধদয় বলে কটাক্ষ করেছেন, জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বাম আমলে সিপিএম ও তাদের সমস্ত শাখা সংগঠন কম্পিউটার সহ ডিজিটাল মাধ্যমেরই বিরোধীতা করে গেছে। একমাত্র কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। আর এখন সেই বামেরাই নকল করছে বিজেপিকে। মিস কলের মাধ্যমে বিজেপি সদস্য সংগ্রহের পন্থা নিয়েছিল। সেটকেই অনুসরনণ করে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই এখন ডিজিটাল কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রামকৃষ্ণ এও বলেন, এইসব করে বামেরা লাভের লাভ কছু করতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন না।সংগঠনের সদস্য বাড়ানোর এইসব ডিজিটাল পন্থা অবলম্বন নিয়ে বাম ও বিজেপি দুপক্ষকেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) জেলা সভাপতি সেখ সাদ্দাম। তিনি দাবি করেন, বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। দুটো দলই জন বিচ্ছিন্ন। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও এই দুই দলের একইরকম হবে, এটাই স্বাভাবিক। তৃণমূল কংগ্রেস দল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ মানুষের মাঝে থেকে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলে বলেই মিস কল বা কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

'অর্পিতা, মোনালিসা, সুকণ্যারাই রিয়েল কন্যাশ্রী'- মীনাক্ষী

পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাধা দিলে তীব্র প্রতিবাদ হবে। ঝাণ্ডার সঙ্গে ডাণ্ডা নিয়ে যাবে বলে শাষকদলকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখার্জি। সোমবার বর্ধমানে একটি মিছিল হয় ডিওয়াইএফআইয়ের। বর্ধমান স্টেশন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কার্জনগেট চত্বরে শেষ হয়ে জমায়েত হয়। সেখানে সভায় উপস্থিত ছিলেন মীনাক্ষী মুখার্জি। তিনি বলেন, এখন আর কোনও পোস্টারে সততার প্রতিক লেখা নেই। কারণ তৃণমূল নেতারা একে একে জেলে যাচ্ছে দুর্নীতির দায়ে। ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা তৃণমূল নেতাদের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করছেন। তাদের একাউন্টেও বহু টাকার হদিস পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।তিনি বলেন, এখন রাজ্যে চাকরি পেতে মেধা লাগেনা, যোগ্যতা লাগেনা, অর্পিতা লাগে- পার্থ লাগে। অর্পিতা, মোনালিসা, সুকণ্যারাই রিয়েল কন্যাশ্রী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইদ্যুতে এইভাবেই রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন তিনি।সোমবার বিকালে স্বাধীনতা বাঁচাও, কাজের অধিকার দাও এই দাবীতে বর্ধমান ষ্টেশন থেকে মিছিল করে ডিওয়াইএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি। কার্জনগেট পর্যন্ত এই মিছিলের সামনে ছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। স্বপ্ন দেখলাম আর রাজারাণীর মুর্তি এনে কার্জনগেটে বসিয়ে দিলাম, এইভাবে স্বাধীনতা আসেনি। সেই স্বাধীনতা, দেশের গণতন্ত্র, সংবিধানের অধিকার আজ নষ্ট হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামে বিজেপির ভূমিকা নেই। হিন্দু মুসলমান, শিখ, খ্রিষ্টানরা লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছে।মীনাক্ষী বলেন, আমরা অনুব্রত নিয়ে কিছু বলবো না। কারণ, গরু চোর নিয়ে আমরা কেন কিছু বলবো? শুধু এটা বলবো, যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অনুব্রতরা তাঁর মেয়ের ভবিষ্যৎ, চিন্তা ভাবনাকে নষ্ট করেছে। তাঁকে বোঝানো হয়েছে চাকরি পেতে গেলে দিদি ও টাকা লাগে-পার্থ-ও লাগে আর তাঁর বান্ধবী অর্পিতা লাগে। এরাই রিয়েল কন্যাশ্রী। পাশাপাশি, অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে যে স্কুলে চাকরি করত, সেই স্কুলের পরিচালনা সমিতি, প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবি তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, শিক্ষা, রেল, ডাক সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শূন্য পদ রয়েছে। কিন্তু মেধা বঞ্চিত হচ্ছে, এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার মিথ্যে মামলা দিয়ে বামপন্থীদের গ্রেফতার করে রেখেছে। কিন্তু ২১৮ দিন হয়ে গেলেও আনিশ খানের খুনিরা সাজা পায়না। তাই আমরা ২১৮টা সভা করব। চোরদের জেলে ভরার সভা। চোরদের বিরুদ্ধে এক কোটি সই সংগ্রহ করা হবে। কর্মসূচীতে কোনও বাধা মানা হবে না। পাশাপাশি শাসকদলের হয়ে কাজ করা পুলিশদেরও সতর্ক করেন তিনি। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে দূর্নীতি, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের দূরশিক্ষা তুলে দেওয়া। কাজের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিচারের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখার আহ্বান জানান মীনাক্ষী।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

আনিসের মৃত্যুর ছায়া বর্ধমানে, তুহিনার মৃত্যু নিয়ে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতিতে কংগ্রেস ও বামেরা

পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে মরতে হবে তিন বোনকে। পুর ভোটের আচরণবিধি জারি থাকার সময়েই শহর বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ালে আঁকা হয় হুমকি বার্তা দেওয়া এমন এক নজিরবিহীন ছবি। ওই ছবি আঁকানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল প্রার্থী শেখ বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশন বা পুলিশ, কারও তরফেই পুর ভোটের ফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত ওই ছবি মোছানোর কোন উদ্যেগ নেওয়া হয়নি। তাই ওই ছবি এলাকায় দেওয়ালে রয়েই যায়। আর আঁকানো ছবির হুমকি মতোই কাণ্ড ২ মার্চ ঘটে শহর বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকায়। পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই বিকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সেখানকার তৃণমূল সমর্থক পরিবারের কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের(১৭) ঝুলন্ত দেহ। বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি শাসানি দিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত কারার অভিযোগ উঠেছে সদ্য নির্বাচিত ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার শেখ বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। আর তুহিনার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা এখন আমতার ছাত্র নেতা আনিসকে খুনের ঘটনার মতোই তোলপাড় ফেলে দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তুহিনার খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে শুক্রবার বর্ধমানের জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধামান জেলা সভাপতি বিশ্বরুপ হাজরা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই শাসক দলের রাজনৈতিক হিংসা ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ছাত্রী তুহিনা আত্মঘাতী হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি জারি থাকার মধেও তুহিনাদের বাড়ির ঠিক আগের একটি দেওয়ালে ছবি আঁকা হয় তিনটি মেয়ের দেহ ঝুলছে। এই ঘটনা অমানবিক ও আদিম হিংস্রতার চরম প্রকাশ বলে এসএফআই মনে করে। পুলিশের নির্দেশ পাওয়ার পরেও ওই এলাকার তৃণমূল প্রার্থী দেওয়াল লিখন মোছেননি। আমতার ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যু যেমন দুর্ভাগ্যজনক তেমনই দু্ঃখজনক। তাই তুহিনার মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও এসএফআই বৃহত্তর প্রতিবাদ আন্দোলনে নামবে বলে বিশ্বরুপ হাজরা এদিন জানিয়ে দেন। তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়ে এদিন বিকালে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই ও গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যরা বর্ধমান থানার সামনে ধরনায় বসেন। তুহিনার মৃত্যুর ঘটনায় সকল দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করেন এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ হাজরা।এসএফআইয়ের মতোই কংগ্রেস দলের নেতৃত্বও তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি নেপাল মাহাতো এদিন জেলা কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বাবুরবাগে আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে যান। তিনি তুহিনার পরিবারের সদস্যদের মুখে দেওয়ালে হুমকি দেওয়া ছবি আঁকা ও ঘটনার দিনের কথা শুনে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান। কংগ্রেস নেতাদের কাছে তৃণমূল কাউন্সিলার বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তুহিনার পরিবার। এখনও বসির আহমেদ হুমকি দিচ্ছে বলে তারা কংগ্রেস নেতাদের কাছে অভিযোগে জানান। সব শুনে নেপাল বাবু জানান, ভোটের সময়ে ছবি এঁকে হুমকি দিয়ে এই ধরনের দেওয়াল লেখা চরম থেকে চরমতম অপরাধ। এটা একটা নক্কারজনক ঘটনা। নির্বাচন চলাকালীন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকে। নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করেও এই ছবি মুছতে পারেনি। এর দ্বারাই বোঝা যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কতটা। পুলিশ গোটা বিষয়টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে বলেও নেপালবাবু অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে নেপাল মাহাতো জানিয়ে দেন, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে তাঁরা আইনি লড়াই লড়বেন। যদিও বসির আহমেদ এদিন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। প্রয়োজনে সিআইডি দিয়ে ঘটনার তদন্ত হোক। তিনি চান আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসুক।তিন তরুণী গাছে ঝুলছে এমন ছবি পুর ভোটের আচরণবিধি জারি থাকার সময়ে যাঁরা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ালে আঁকালো তাদের বিরুদ্ধে কি নির্বাচন কমিশন আইনগত কোন ব্যবস্থা নিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তথা পুর নির্বাচনী আধিকারিক তীর্থাঙ্কর বিশ্বাস বলেন, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার কাছে কোন অভিযোগও আসেনি। তবে এই প্রসঙ্গে ডি এসপি (সদর) অতনু ঘোষাল বলেন, মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যতা মিললে দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না ।

মার্চ ০৪, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শর্ত পেশ মইদুলের স্ত্রীর, উত্তপ্ত মৌলালি

নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআই নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজনৈতিক দূরত্ব ভুলে এদিন মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্তানহারা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে চাকরি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব মেনে নিলেও চাকরির জন্য শর্ত রাখলেন মৃত ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার স্ত্রী আলেয়া বিবি। সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, দোষীদের শাস্তি চাই।এদিকে, বামকর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মৌলালি। সংঘর্ষে জড়াল পুলিশ ডিওয়াইএফআই-এসএফআই, ছিঁড়ল পুলিশের উর্দি। ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এজেসি বোস রোড। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে পরিস্থিতি। তবে এখনও থমথমে এলাকা। মইনুলের দেহ মৌলালিতে পৌঁছনোর অপেক্ষায় বাম ছাত্র-যুবরা। কোতলপুরের চোরকোলা গ্রামের বাসিন্দা মইদুল ইসলাম মিদ্দা। পেশায় অটো-টোটো চালক। দিনপাত করে অটো, টোটো কিনেছিলেন তিনি। সেই গাড়ি চালিয়েই পরিবার পাঁচ সদস্যের পেট চালাতেন মিদ্দা। পরিবারে রয়েছেন মিদ্দার মা, স্ত্রী আলিয়া বিবি, দুই সন্তান ও এক ভাগ্নি। তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। আপাতত মিদ্দাকে হারিয়ে পথে বসেছে পরিবার। সন্তানহারা মা বলছেন, একমাত্র সন্তানকে হারিয়েছি। কীভাবে পরিবার চলবে জানি না।; স্বামীকে হারিয়ে দিশাহারা আলে্য়া বিবিও। স্বামীর খুনের দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। সঙ্গে জানিয়েছেন, অল্প পয়সার চাকরি দিলে চলবে না। পরিবারের সদস্যদের প্রতিপালন করার মতো চাকরি দিতে হবে। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, মিদ্দা রাজনীতি করতেন। তবে সম্প্রতি বাম রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছিল। তার পরই শুক্রবার নবান্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে আহত বাম ছাত্রনেতার মৃত্যু, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
কলকাতা

নবান্ন অভিযানে আহত বাম ছাত্রনেতার মৃত্যু, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

নবান্ন অভিযানে আহত বাম যুবনেতার মৃত্যু। সোমবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার। ১১ ফেব্রুয়ারি বাম সংগঠনগুলির নবান্ন অভিযান চলাকালীন পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর আহত হয়ছিলেন ওই যুবনেতা। এদিকে বাম কর্মীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই গর্জে উঠেছে বাম ছাত্র-যুবরা। নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মীকে পুলিশ ইচ্ছা করে খুন করেছে বলেই দাবি করেছেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাজ চাইতে গিয়ে আমাদের কমরেডকে খুন করেছে তৃণমূল সরকারের পুলিশ। এই ঘটনার ধিক্কার জানাই। এই হত্যার বিচার চাই। পরবর্তী ক্ষেত্রে আমরা কী ধরনের কর্মসূচি নেব তা নিয়ে শীঘ্রই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হাসপাতাল সূত্রে খবর, পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুলের শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। পেটে ও পিঠে ভয়ংকর আঘাত পান তিনি। ফলে তাঁর কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যু হয় বাঁকুড়ার কোতলপুরের বাসিন্দা মইদুলের। এই ঘটনা তীব্র প্রতিক্রিয়া বাম নেতৃত্বের। মানবাধিকার কমিশনে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মৃত্যু নয়, এটা খুন। সরকার ইতরতার সীমা ছাড়িয়েছে। এই বাচ্চা ছেলেটকে কীভাবে মেরেছে। সরকার ভয় পেয়েছে। তাঁর বুকে, পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করেছে পুলিশ। চিকিৎসক চাপের মুখে সবটা বলতে পারছেন না। সিপিএম নেতা ফুয়াদ হালিমের অভিযোগ, পুলিশ মাথা ও বুক লক্ষ্য করেই লাঠি চালিয়েছে। সিপিআইএমের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অজিত পতি জানিয়েছেন, বাঁকুড়া জেলা পার্টি অফিসে এই বিষয়ে বেলা ১১ টার সময় একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য।এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রাক্তন বাম যুব নেতা জামির মোল্লা বলেন, এই মৃত্যুতে আজ সমস্ত থানায় বিক্ষোভ-অবস্থান থাকবে। এটা এটা মর্মান্তিক বিষয়। কাজ নেই, চাকরি নেই সেই বিচার চাইতে গিয়ে মেরে ফেলা হল। এটা তো প্রশাসন-সরকার খুন করল। বেকার যুবদের কাজ চাওয়ার অভিযোগকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিজেদের দাবি রাখলে যদি পুলিশের হাতে এবার মৃত্যুবরণ করতে হয়, তাহলে এ সরকারের এক মুহুর্ত আর থাকার কোনও অধিকার নেই।উল্লেখ্য, এর আগে নবান্ন অভিযানে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া বাহারপোতা গ্রামের এক বামকর্মী। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েও যুবকের সন্ধান পায়নি পরিবার। এবার এক যুবনেতার মৃত্যুতে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পুলিশ। প্রশাসনের বিরুদ্ধে অত্যধিক বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে সমাজের একটা বড় অংশ। প্রসঙ্গত, চাকরি, শিক্ষা-সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠন। সেখানেই পুলিশ ও বামকর্মীদের মধ্যে তীব্রই সংঘাত শুরু হয়। জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে প্রতিবাদীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। ওই ধুন্ধুমার পরিস্থিতিতে আহত হন বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশকর্মী।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
রাজ্য

কয়েক দফা দাবিতে হাওড়া কর্পোরেশনে স্মারকলিপি প্রদান ডিওয়াইএফআইয়ের

হাওড়ায় পুর পরিষেবার হাল ফেরানো ও শূন্যপদে অবিলম্বে স্থায়ী নিয়োগের দাবি সহ কয়েক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া কর্পোরেশন অভিযান করল বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এদিন শতাধিক ডিওয়াইএফআই কর্মী- সমর্থক জেলা যুব কার্য্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সেখান থেকে মিছিল করে এসে পৌঁছন হাওড়া ময়দান চত্বরে। আরও পড়ুনঃ আমি ভালো আছি , মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত হয়ে জানালেন রেজ্জাক সেখানে পুলিশ মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে ডিওয়াইএফআই কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে পুরসভা ভবনের মূল গেটের সামনে চলে আসেন। সেখানে পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পুরসভার বন্ধ মূল ফটকে উঠে পড়েন কিছু সমর্থক। পরে ডিওয়াইএফআই -এর চার জনের এক প্রতিনিধি দল পুরসভায় এসে ডেপুটেশন জমা দেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal