• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DJ

রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কাটোয়ায় 'দেবতার গ্রাস', মৃত পূণ্যার্থী, পরোক্ষে শব্দ দানবের হাত! অসহায় জনপ্রতিনিধি...

শিবের মাথায় জল ঢালার উদ্দশ্যে বেড়িয়ে কাটোয়ায় মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হল এক পূণ্যার্থীর। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরের ঢোকার কিছুটা আগে বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের তারে ধাতব ত্রিশুল ঠেকে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। ২৫ শে শ্রাবন বর্ধমান শহরের অধিষ্টার্থী দেবতা বাবা বর্ধমানেশ্বরের (শিব) জলাভিষেক শোভাযাত্রায় অংশ নেন লক্ষাধিক মানুষ। সেই জলাভিষেক শোভাযাত্রা উপলক্ষ্যে বেরিয়ে প্রাণ গেল এই তরতাজা পৃণ্যার্থীর। বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর বারোটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়া-পাঁচঘড়া বাইপাস রাস্তায়।বিদ্যুৎস্পৃষ্ট পৃণ্যার্থীকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি স্থানীয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় মানুষজন ও তাঁর সতীর্থরা। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বছর তেইশের এই তরতাজা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত যুবকের নাম সৌরভ পন্ডিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানা যায়, মৃত পূন্যার্থী সৌরভের হাতে একটি ধাতব ত্রিশুল ছিল, উচ্চশ্বব্দ সৃষ্টিকারী ডিজে সাউন্ড সিস্টেমে গানের সাথে নাচতে নাচতে ত্রিশূলটি বিদ্যুতের হাইটেনশন তারের সাথে সংস্পর্ষ হয়ে যায় এবং সাথে সাথে সৌরভ লরি থেকে ছিটকে পড়েন। তিনি পড়ে যাওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়ে যান ওই লরিতে থাকা বাকি পৃণ্যার্থীরা।প্রতি বছর বাংলার শ্রাবণ মাসের ২৫ তারিখে বর্ধমান শহরের প্রাচীন দেবতা বর্ধমানেশ্বরের প্রতিষ্ঠা দিবস মহা সমারোহে পালন করা হয়। ওই দিন বর্ধমান শহরের লক্ষাধিক শিবভক্ত লড়ি, টেম্পো, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাইকে চড়ে কাটোয়া শহর থেকে গঙ্গা জল নেওয়ার জন্য যান। পিতল, আলুমিনিয়াম, মাটির ঘড়ায় জল ভরে তাঁরা পদব্রজে বর্ধমান শহরের উদ্দশ্যে যাত্রা করেন। পৃণ্যার্থীরা কাটোয়া থেকে জল নিয়ে সারারাত ধরে দীর্ঘ ৭০ কিমি রাস্তা পায়ে হেঁটে বর্ধমান শহরে পৌঁছে বর্ধমানেশ্বরের মাথায় জল ঢালেন।এবারেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লক্ষাধিক পৃণ্যার্থী বিভিন্ন গাড়িতে চড়ে কাটোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন জল আনতে। সেই রকমই একটি লরিতে চড়েছিলেন বর্ধমান শহরের মিড্ডেডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা সৌরভ পন্ডিত। বৃহস্পতিবার দুপুরে সৌরভ ও তাঁর লড়ির অন্য পৃণ্যার্থীরা কাটোয়ার মড়িঘাট থেকে গঙ্গাজল ঘটে ভরে বর্ধমান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তাঁরা কাটোয়ার জাজিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়ে হেটে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জনতার কথাকে জানান, লরিতে ডিজে সিস্টেমে তারস্বরে গান বাজছিল। সেই গানের তালে তালে মৃত সৌরভ-ও নাচছিলেন। তার হাতে ছিল একটা স্টিলের (ধাতব) ত্রিশুল। লরিটি জাজিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড ছাড়িয়ে কিছুটা এগিয়ে কাটোয়া পাঁচঘড়া বাইপাসের কাছে পৌঁছাতেই এক বিকট আওয়াজ হয়। সম্বিৎ ফিরে আসতেই যানা যায়, রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের তারের সাথে সৌরভের ত্রিশুলের সংস্পর্শে সৌরভকে গাড়ি থেকে ছিটকে ফেলে দেয়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন সৌরভ। তার মৃত্যুতে শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে গোটা পরিবার।উল্লেখ্য, ঠিক এক বছর আগে, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় ডিজের বিদ্যুতে সর্টসার্কিটে বাবা জল্পেশ মন্দিরে জল দিতে যাওয়া ১০ জন পূন্যার্থীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর, সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই উচ্চগ্রামে শব্দ-দানবের ব্যবহার নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্থান হয়। সেই ঘটনার পর থেকে কোচবিহার জেলা প্রশাসন জল্পেশ মন্দিরে জল ঢালতে আসা পুর্নার্থীদের ডিজে বাজানো নিষিদ্ধ করে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বর্ধমান শহরের সুস্থ, রুচিশীল ও সমাজ সচেতন মানুষ জন এই শব্দদানবের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। শহর সংলগ্ন দেওয়ানদিঘী থেকে রেল ওভারব্রিজের রাস্তার পাশে যাঁদের বাস তাঁদের অনেকেই এই মহাজাগতিক শব্দের আতঙ্কে বাস্তবিক ঘরছাড়া। তাঁদের কেউ কেউ শহরের দূরবর্তী কোনও জায়গায় দুদিনের জন্য ঠাঁই নিয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন তাঁরা কোনও ধর্মাচরণের বিরুদ্ধে নন, কিন্তু ধর্মের নামে যে নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে তাঁর তীব্র প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা প্রশাসনের উদাসীনতা দেখে তাজ্জব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানালেন, যে অঞ্চল দিয়ে পূন্যার্থীরা এই বিকট শব্দ সৃষ্টিকারি শোভাযাত্রা নিয়ে যাবেন, তাঁর থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে জেলার সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা থাকেন। যদিও এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখে চূপ থাকেননি ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আলম (সাহেব)। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে ডিজে সাউন্ড দানবের কাছে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অসহায় বোধ করছি.. চাইলেও কিছু করা যাচ্ছে না এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এক জন প্রতিনিধি যদি কোট আনকোট অসহায় বোধ করেন, তখন সাধরণ মানুষের কি অবস্থা হয়? নুরুলের সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন, এখন দেখার সেই ঝড়ের দাপটে কি আদৌ শব্দ দানবের অপমৃত্যু হবে? ......

আগস্ট ১১, ২০২৩
রাজ্য

ডিজে'র সর্টসার্কিটে নাতির জন্মদিনে মৃত্যু দাদু-ঠাকুমা সহ তিন জনের

যমজ নাতি-নাতনির জন্মদিন ছিলো। এলাহি আয়োজন। ডিজে বাজছিলো চটুল গান। শুরু হয়েছে নাচ। ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের গাফিলতির জন্যে মৃত্যু হলো ৩ জনের। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মৃত্যু হল ঠাকুরদা-ঠাকুমা সহ তিনজনের। রবিবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ইটাহার থানার তিলনা সংলগ্ন মোহনবাড়ি গ্রামে। পরিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে মৃতদের নাম বাবলু মুর্মু (৩৫), যুবরাজ মার্ডি (৫৫) ও হোপময়ি সোরেন (৪২)। যুবরাজ ও হোপময়ি সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। অপরজন আত্মীয় । ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মৃত দম্পতির ছেলে গোপাল মুর্মু (২৭)। রায়গঞ্জ থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।এলাকার বাসিন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গোপাল মুর্মুর যমজ ছেলে-মেয়ে তুষার ও নিবেদিতার জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষ্যে বাড়িতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিজে সাউন্ড সিস্টেম বাজানোর জন্য বাড়ির সামনের বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। সন্ধায় ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টির কারণে তার ছিঁড়ে যায়। যারফলে গোটা বাড়িতে শর্ট-সার্কিট হয়ে যায়। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন চারজন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক বাবলু মুর্মু যুবরাজ মার্ডি ও হোপময়ি সোরেন কে মৃত ঘোষণা করেন। গোপাল মুর্মু চিকিৎসাধীন। ঘটনার জেরে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম।এলাকায় অন্ধকার।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

চ্যাংড়াবান্ধায় শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর

শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১০ পুণ্যার্থীর। গতকাল, রবিবার রাত ১২টা নাগাদ কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা কোচবিহারের শ্রীশ্রী শীতলকুচি থানা এলাকার বাসিন্দা।জানা গিয়েছে, শীতলকুচি থেকে ময়নাগুড়ি জল্পেশ মন্দিরে শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে জল ঢালতে যাচ্ছিলেন পুণ্যার্থীরা। তাঁরা সবাই একটি পিকআপ ভ্যানে রওয়ানা দিয়েছিলেন। পিকআপ ভ্যানে ডিজে সিস্টেম থেকে আচমকাই শর্ট সার্কিট হয়ে যায় বলে প্রশাসন দাবি করেছে। এর ফলেই নাকি দশজন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়।জানা গিয়েছে, পিক আপ ভ্যান ছিল ঠাসা। ডিজে সিস্টেম থেকে শর্ট সার্কিট হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন পিকআপে থাকা ২৭ জন পুণ্যার্থী। তাঁদের চ্যাংড়াবান্ধা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা ১০ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিদের জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গাড়ির চালক পলাতক। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা পৌঁছায়।

আগস্ট ০১, ২০২২
বিদেশ

ইমরানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের আগেই সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি পাক পার্লামেন্ট

পাক আইনসভায় বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে তাঁর সরকারের পতন নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু বিশেষ অধিবেশন মুলতুবি করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সাময়িক স্বস্তি দিলেন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আসাদ কাইজার।প্রসঙ্গত, ইমরান সরকারের ব্যর্থতার জন্যই পাকিস্তানের আর্থিক পরিস্থিতি ক্রমশ বেহাল হচ্ছে এবং মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছুঁয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিরোধীরা। চাপের মুখে ইমরান কখনও বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে আপত্তিজনক মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন, কখনও আলু-পেঁয়াজের দাম ঠিক করতে রাজনীতিতে আসিনি বলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।শুক্রবার বিরোধীদের তরফে অনাস্থা পেশের আগেই সোমবার পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবির ঘোষণা করেন। তার আগে বিধি মেনে অধিবেশনের সূচনায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রফিক তারার-সহ সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্টদের স্মরণ করা হয়। আসাদ জানিয়েছেন, পাক পার্লামেন্টের বিধি অনুযায়ী প্রয়াতদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের পর প্রথম দিনের অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। তিনি সেটাই করেছেন। যদিও বিরোধীরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে। পাক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে শুক্রবার ট্রেজারি বেঞ্চের তুলনায় বিরোধী সদস্যদের উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। ফলে ভোটাভুটি হলে ইমরানের হারার সম্ভাবনা ছিল প্রবল।অনাস্থা প্রস্তাবের পর প্রধানমন্ত্রী পদে টিকে থাকতে গেলে, সংসদের নিম্নকক্ষে মোট ৩৪২ সদস্যের মধ্যে ১৭২ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়া জরুরি। যেহেতু দলের ২০ জন সদস্যই ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছে, তাই ২০২৩ সাল অবধি তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন কি না সন্দেহ।

মার্চ ২৫, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় এখনই সিবিআই অনুসন্ধান নয়। এখনই কারও চাকরিও যাচ্ছে না। শুক্রবার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও একটা দুর্নীতি হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই সিবিআই অনুসন্ধান বা কারও চাকরি যাওয়ার নির্দেশ বহাল রাখছে না আদালত। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।চলতি সপ্তাহে ৩৫০ জন গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আদালতে। ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই নিয়োগ ঘিরে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রুপ ডি নিয়োগের মামলাতেও একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মূলত, ৩৫০ জনের নিয়োগ ভুয়ো বলে মামলা দায়ের হয়। অবিলম্বে তাঁদের বেতন বন্ধ করার কথা বলেন বিচারপতি।সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, মামলার আবেদনপত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। এই মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদকে যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বলেছে আদালত। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আবেদন করেন, মামলাটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য রাখা হোক। এই মুহূর্তে স্থগিতাদেশে তাঁদের কোনও আপত্তিও নেই বলেই জানান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন দুর্নীতি হয়েছে। তবে আপাতত স্থগিতাদেশ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

রাজ্য বিধানসভায় অধিবেশন সমাপ্তির ঘোষণা রাজ্যপালের

রাজ্যপালের সঙ্গে বরাবরই রাজ্য সরকারের সংঘাতের সম্পর্ক। বিভিন্ন সময়েই টুইটে ঝড় তোলেন তিনি। এ বার পুরভোটের দিনেই ফের বিতর্কের শিরোনামে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইট করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংবিধানের ১৭৪ (২)-এর অনুচ্ছেদের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি অধিবেশন সমাপ্ত করা হচ্ছে। রাজ্যপালের ঘোষণা ঘিরে কার্যত বিতর্ক শুরু হয়েছে।কারণ, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে বিধানসভার দুটি অধিবেশন হয়েছে। একটি বাজেট অধিবেশন ও অন্যটি শীতকালীন অধিবেশন। গত ১৭ নভেম্বর ছিল শীতকালীন অধিবেশনের শেষ দিন। সেদিন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি করে দেন। ফলে পরের অধিবেশন ডাকতে গেলে পরিষদীয় দপ্তরের রাজ্যপালের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাহলে সমস্যা কোথায়?WB Guv:In exercise of the powers conferred upon me by sub-clause (a) of clause (2) of article 174 of the Constitution, I, Jagdeep Dhankhar, Governor of the State of West Bengal, hereby prorogue the West Bengal Legislative Assembly with effect from 12 February, 2022. pic.twitter.com/dtdHMivIup Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) February 12, 2022সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, বাজেট অধিবেশন শুরু করতে রাজ্যের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। কেন্দ্রের ক্ষেত্রে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি। বাজেট অধিবেশন শুরুই হয় রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত নিয়ে। শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই পরিষদীয় দপ্তর সেই অধিবশন শেষের সমস্ত নথি পাঠিয়ে দেয় রাজভবনে। রাজ্যপাল তাতে সই করেন। তারপর ফের পরবর্তীতে একই পদ্ধতিতে পারস্পরিক আহ্বান ও অনুমোদনের মাধ্যমে নতুন অধিবেশন শুরু হয়।১২ ফেব্রুয়ারি থেকেই বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অধিবেশন স্থগিত করা হল। প্রাথমিকভাবে, রাজ্যপালের এই টুইট ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, রাজ্যপাল স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অধিবেশন স্থগিত করেছেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে সেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে দেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা দলীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।সাংবাদিক সম্মেলন করে কুণাল ঘোষ জানান, রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অযথা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কারণ মন্ত্রিসভার সুপারিশ মেনেই রাজ্যপাল অধিবেশন স্থগিত করেছেন। রাজ্যপাল কোনও স্বতঃপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত নেননি।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

Omicron-Loksabha: ওমিক্রন নিয়ে আলোচনায় চেয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাব তৃণমূল সাংসদের

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের আতঙ্ক এখন থরহরিকম্প গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রনকে উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। আর এই নয়া স্ট্রেইন নিয়ে লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনেও আলোচনার জন্য নোটিস দিলেন সাংসদরা। এদিন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় কোভিডের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাবের নোটিস দেন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবারই কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ভাইরাস নিয়ে ১৯৩- এ-র অধীনে বিনায়ক রতন বহুরাও রাউত ও রতন লাল কাটারিয়া লোকসভায় নোটিস দিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিক আলোচনাই যার উদ্দেশ্য।এদিকে এদিন সংসদে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনার জন্য মুলতুবি প্রস্তুাব দেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। অর্থাৎ, এদিন আলোচনায় ওমিক্রনে গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। এর জন্য ৫০ সাংসদের সমর্থন লাগবে। সংসদ মান্যতা দিলে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনা হবে।করোনা ঢেউ কিছুটা থামতে আস্তে আস্তে সচল হচ্ছিল বিভিন্ন পরিষেবা। কিন্তু তার মধ্যেই দাঁতনখ নিয়ে আক্রমণ করতে হাজির করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। আর এই প্রেক্ষিতেই একসময় করোনায় সবচেয়ে প্রভাবিত রাজ্য মহারাষ্ট্রে জারি হল বেশ কিছু বিধিনিষেধ। এবার বিমান যাত্রীদের জন্য নয়া গাইডলাইন দিল সরকার। যেখানে শুধু করোনার দুটো টিকা নেওয়াই নয়, করোনার আরটি পিসিআর নেগেটিভ রিপোর্টও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। অন্যদিকে এদিকে ওমিক্রনের আশঙ্কাকে সামনে রেখে সিকিমে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সিকিমে এখন বিদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Farm Law Withdrawn: তুমুল হট্টগোলে ধ্বনিভোটে লোকসভায় পাশ কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল

বিরোধীদের প্রবল হইচইয়ের মধ্যে লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল। কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার দাবিতে শীতকালীন অধিবেশনের শুরুতেই হই-হট্টগোল শুরু করে বিরোধীরা। ওয়েলে নেমে এসে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। তার পর সংসদের দুই কক্ষেই অধিবেশন বেলা ১২টা পর্যন্ত মুলতুবি করে দেন স্পিকার।বেলা ১২টায় অধিবেশনের ফের শুরু হতেই কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল, ২০২১ পেশ করেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। ধ্বনিভোটে তা সঙ্গে সঙ্গেই পাশ হয়ে যায়। বিরোধীরা কৃষি আইনের উপর আলোচনার যে দাবি করেছিল, তা খারিজ করে দিয়েছে সরকার পক্ষ।আজ থেকেই শুরু হল সংসদের শীতকালীন অধিবেশন, চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অধিবেশন শুরুর আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুরোধ করেছিলেন, শান্তিপূর্ণভাবেই যেন অধিবেশনের কাজ হয়। তিনি বলেন, সরকার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। আমরা চাই সংসদে আলোচনা হোক, তবে শান্তিও যেন বজায় থাকে। সরকারের বিরুদ্ধে হোক বা সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত- প্রশ্ন উঠতেই পারে। তবে সংসদের অধ্যক্ষ ও স্পিকারের সম্মান যাতে রক্ষা হয়, তাও মাথায় রাখতে হবে। আমাদের এমন আচরণ বজায় রাখা উচিত, যা পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।তবে এ দিন লোকসভা-র অধিবেশন শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিরোধীদের হইহট্টগোলে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। সংসদের যৌথ অধিবেশনে নতুন সাংসদরা শপথ গ্রহণের পরই লোকসভার অধিবেশন শুরু হয়। এরপরই বিরোধী সাংসদরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে কৃষক ইস্যুতে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সাংসদদের শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ করে তিনি বলেন, আজ অধিবেশনের প্রথম দিন। গোটা দেশই অধিবেশনের দিকে নজর রাখছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজনীতি

PAC-Mukul: পিএসি চেয়ারম্যান পদে মুকুলের নিয়োগের শুনানি মুলতুবি

পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায়ের নিয়োগের বিরুদ্ধে বিজেপি পরিষদীয় দলের দায়ের করা অভিযোগের শুনানি মুলতুবি করে দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন শেষে স্পিকারের ঘরে এই শুনানি হয়। তাতে অংশ নেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় ও আইনজীবী বিল্বদল মুখোপাধ্যায়। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলার পর শুনানি মুলতুবি করে দেন বিমান। পরবর্তী শুনানির দিন ঘোষণা হয়েছে ২১ ডিসেম্বর। বিজেপি পরিষদীয় দল সূত্রে খবর, মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তাঁর (স্পিকার) দায়ের করা মামলাটির কথা উল্লেখ করেই শুনানি মুলতুবি করে দেন। এই শুনানিতে অংশ নেননি মুকুল। এমনকী, তাঁর অনুপস্থিতির কারণও উল্লেখ করেননি বলেই জানিয়েছে বিজেপি পরিষদীয় দল।প্রসঙ্গত, ১১ জুন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল। এরপরেই তাঁকে করা হয় পিএসি-র চেয়ারম্যান। মুকুলের দলবদলের বিরুদ্ধে স্পিকারের কাছে বিধায়ক পদ খারিজ আবেদন করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে তাঁকে পিএসসি-র চেয়ারম্যান করার বিরুদ্ধেও স্পিকারের কাছে আবেদন করে বিজেপি পরিষদীয় দল। তিন মাসেও বিধায়ক পদ খারিজের আবেদনের নিষ্পত্তি না হলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। গত ৭ অক্টোবর এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্পিকারকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সে ক্ষেত্রে মেঘালয়ের কেশম মেঘাচন্দ্র সিং মামলায় সুপ্রিম কোর্ট তিন মাসের মধ্যে বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশের কথা উল্লেখ করেই হাইকোর্টে আবেদন করেছিল বিজেপি। হাইকোর্টের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন স্পিকার। সেই মামলার কথা উল্লেখ করেই তিনি শুনানি মুলতবি করে দেন বলেই দাবি করা হয়েছে। স্পিকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পিএসি-র চেয়ারম্যান পদে থাকতে পারবেন মুকুল।

নভেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Fashion Show : এমডিজে জোড়ি নাম্বার ওয়ানের গ্র্যান্ড ফিনাল

এমডিজে জোড়ি নাম্বার ওয়ানের গ্র্যান্ড ফিনাল হয়ে গেল কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে। যেখানে বিশিষ্ট অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিল অভিনেত্রী রিচা শর্মা, সেলিব্রিটি মোটিভেশনাল স্পিকার ন্যায়না মোর, লোপামুদ্রা মণ্ডল, ডলি জৈন, মডেল অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি সহ আরও অনেকে।এই জোড়ি নাম্বার ওয়ানে জয়ী হন ঋতু জয়সওয়াল ও আকাশ জয়সওয়াল। ক্রাউন জিতে তারা জানালেন,খুবই ভালো লাগছে জিততে পেরে। এত সুন্দর একটা ইনিশিয়েটিভ সত্যিই খুব ভালো। লোপামুদ্রা মণ্ডল বললেন,জোড়ি নাম্বার ওয়ান কনটেস্টের সঙ্গে আমি প্রথম থেকেই যুক্ত। আজ এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। জোড়িরা খুব সুন্দরভাবে পারটিসিপেট করেছে। অভিনেত্রী রিচা শর্মা জানালেন,খুব ভালো লাগছে। আমার নিজের ২২ বছর বিয়ে হয়েছে। আর এখানে এত সুন্দর সুন্দর ম্যারেড কাপেল পারফর্ম করল। দারুণ এক্সপিরিয়েন্স। এরকম ইউনিক জিনিস আগে কেউ দেখেনি। ডলি জৈন জানালেন,সব কাপলই সমানভাবে দারুণ পারফরম্যান্স করে। যেটা আমাকে মুগ্ধ করেছে।আরও পড়ুনঃ টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কমে গিয়েছে? কী বলল আইসিএমআর?জয়ী কাপেলের হাতে আইফোন তুলে দেওয়া হয়। ক্রাউন পড়িয়ে তাদের সম্মানিত করা হয়। প্রত্যেক জোড়িই এই বিশেষ অনুষ্ঠানে নিজেদের অভিনবত্বের ছাপ রাখে। জোড়ি দুই কাপল সব শেষে কিছুক্ষণ নাচের তালে মেতেও ওঠেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Novak Djokovic : আর ১ ম্যাচ জিতলেই ইতিহাসে ঢুকে যাবেন জকোভিচ

ক্যালেন্ডার স্ল্যাম থেকে মাত্র ১ ম্যাচ দুরে নোভাক জকোভিচ। ইউএস ওপেনের ফাইনালে ড্যানিল মেডভেদেভকে হারালেই এক বছরে সবকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার কৃতিত্ব অর্জন করবেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা। সেমিফাইনালে আলেক্সজান্ডার জেরেভকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছেন জকোভিচ। ম্যাচের ফল ৪৬, ৬২, ৬৪, ৪৬, ৬২। এই নিয়ে টানা ২৭ ম্যাচ অপরাজিত জকোভিচ। পাঁচ সেটের লড়াই শেষে ইতিহাসকে ধরার আর এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। একই সঙ্গে কেরিয়ারের ৩১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছে কিংবদন্তি রজার ফে়ডেরারের রেকর্ডও স্পর্শ করলেন জোকার। টুর্নামেন্টের অন্য সেমিফাইনালে কানাডার ফেলিক্স আগুয়ারকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছেন ড্যানিল মেদভেদেভ।শুধু ক্যালেন্ডার স্ল্যাম জেতার দিকেই এগিয়ে যাননি নোভাক জকোভিচ। জীবনের ৩১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছে কিংবদন্তী রজার ফেডেরারকে স্পর্শ করেছেন জকোভিচ। ফাইনালে ওঠার রাস্তা সহজ ছিল না তাঁর সামনে। জকোভিচকে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলে দেন জেরেভ। প্রথম সেট ৪৬ ব্যবধানে হেরে যান জকোভিচ। দ্বিতীয় সেটে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেট জেতেন ৬৪ ব্যবধানে। চতুর্থ সেট ৬৪ ব্যবধানে জিতে ম্যাচ জমিয়ে দেন জেরেভ। কিন্তু পঞ্চম সেটে জেরেভকে কোনও সুযোগই দেননি জকোভিচ। জিতে নেন ৬২ ব্যবধানে। একই সঙ্গে আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে অলিম্পিক হারের বদলাও নিলেন নোভাক জকোভিচ। নবম বারের জন্য ইউএস ওপেন ফাইনালে পৌঁছে তিনি নতুন রেকর্ডের মালিকও হলেন।ফাইনালে পৌঁছে ক্যালেন্ডার স্ল্যামের স্বপ্ন। তিনি বলেন, আর মাত্র একটা ম্যাচ বাকি। নিজেকে নিংড়ে দিতে চাই। ওটাই আমার জীবনের শেষ ম্যাচ ভেবে খেলব। সেমিফাইনালে নিজের খেলায় আমি গর্বিত। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কানাডার ফেলিক্স আগুয়ার-আলিয়াসিমের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন ড্যানিল মেদভেদেভ। সহজেই ম্যাচের ফয়সলা নির্ধারিত হয়। বিশ্বের দুই নম্বর তথা রাশিয়ার টেনিস তারকা প্রথম সেট ৬-৪ ফলাফলে জেতেন। দ্বিতীয় সেটও ৫-৭ ফলাফলে হেরে যান কানাডার তারকা। ম্যাচের তৃতীয় সেট ৬-২ ফলাফলে জিতে ফাইনালে পৌঁছে যান ড্যানিল মেডভেদেভ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

US Open : ক্যালেন্ডার স্ল্যাম জয়ের দিকে আরও একধাপ এগোলেন জকোভিচ

মাস দুয়েক আগে উইম্বলডনের ফাইনালে নোভাক জকোভিচের কাছে হেরে গিয়েছিলেন মাত্তেও বেরেত্তিনি। ইউএস ওপেনে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছিল ইতালির এই টেনিস তারকার কাছে। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বেরেত্তিনি। প্রথম সেট হেরেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন নোভাক জরোভিচ। জিতলেন ৫৭, ৬২, ৬২, ৬৩ ব্যবধানে। একই মরসুমে টানা ২৬টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও গড়লেন বিশ্বের এই এক নম্বর টেনিস তারকা। ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্ল্যামের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন নোভাক জকোভিচ। সেমিফাইনালে জকোভিচ খেলবেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধেপ্রিকোয়ার্টার ফাইনালের মতো কোয়ার্টার ফাইনালের শুরুটাও ভাল হয়নি নোভাক জকোভিচের। প্রথম সেটে একবার জকোভিচের সার্ভিস ভেঙে ৬৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান মাত্তেও বেরেত্তিনি। শেষপর্যন্ত ৭৫ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। তিনবার বেরেত্তিনির সার্ভিস ভেঙে ৬২ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন। তৃতীয় সেটেও বিশ্বের ৬ নম্বর খেলোয়াড়কে দাঁড়াতে দেননি জকোভিচ। ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেটেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বিশ্বের ১ নম্বর এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা। ৬৩ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান জকোভিচ। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে জকোভিচ হারিয়েছিলেন আমেরিকার জেনসন ব্রুকসবিকে। তিনিই ছিলেন আমেরিকার শেষ আশা। ১৮৮০ সালের পর এবছর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে স্থানীয় খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারেননি। প্রথম সেটে জেনসনের কাছে হেরে গিয়েও মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন কেন তিনি বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতে দেননি নোভাক। ৬৩ ফলাফলে জিতেছিলেন সার্বিয়ার টেনিস তারকা। ম্যাচের শেষ দুই সেটেও বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেননি জেনসন। তৃতীয় সেট ৬২ ফলাফলে জেতেন জোকার। একই ফলাফলে চতুর্থ সেটও জেতেন জকোভিচ। সেই সঙ্গে একই মরসুমে টানা ২৫টি ম্যাচ জয়ের অনন্য নজির গড়েছিলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলীয় ওপেন খেতাব জিতেছিলেন নোভাক জকোভিচ। পরপর ফরাসি ওপেন ও উইম্বলডনও চ্যাম্পিয়ন হন জোকার। ইউএস ওপেন জিততে পারলে এক ক্যালেন্ডার বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অনবদ্য নজির গড়বেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। এর আগে যে রেকর্ড রয়েছে কিংবদন্তি রড লেভার ও স্টেফি গ্রাফের ঝুলিতে। সেই তালিকায় জকোভিচ নিজের নাম তুলতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার। অন্যদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের চমক দিয়েই চলেছেন এমা রাদুকানু। সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন ১৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ টেনিস তারকা। অলিম্পিকে সোনাজয়ী সুইৎজারল্যান্ডের বেলিন্দা বেন্সিচকে হারিয়েছেন ৬৩, ৬৪ ব্যবধানে। যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে উঠে এসে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন। সেমিফাইনাল পর্যন্ত একটি সেটও না হারিয়ে নজির গড়েছেন রাদুকানু। এর আগে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ১০০র বাইরে থেকে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব ছিল বিলি জিন কিং ও কিম ক্লিস্টার্সের। তাঁদের নজিরও স্পর্শ করেছেন রাদুকানু।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Djokovic : ‌অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজির

টোকিও অলিম্পিক থেকে একের পর এক নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নামী টেনিস তারকারা। রাফায়েল নাদাল, সেরেনা উইলিয়ামসরা আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন। চোটের জন্য দুদিন আগেই না খেলার কথা ঘোষণা করেছেন রজার ফেডেরার। অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে অলিম্পিক টেনিস। তবে টেনিসের মানরক্ষা করলেন নোভাক জকোভিচ। অলিম্পিকে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জকোভিচ জানিয়েছিলেন তিনি অলিম্পিকে নামতে পারেন। শেষ পর্যন্ত নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দেশের সেরা ক্রীড়াবিদদে সঙ্গে টোকিও অলিম্পিকে পদক জয়ের লড়াইয়ে নামব ভেবেই আমি গর্বিত। টোকিও যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। দেশের হয়ে খেলতে নামাটা আমার কাছে অনুপ্রেরণার। এই বছরে ইতিমধ্যেই তিনতিনটি গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, ইউএস ওপেন জেতারও সম্ভাবনা রয়েছে। অলিম্পিকেও সোনা জিততে পারেন। যদি সোনা জেতেন এবং ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হন, তাহলে একই বছরে অলিম্পিকে সোনা ও ৪টি গ্র্যান্ডস্লাম জেতার নজির গড়বেন।এদিকে, জাপানে করোনার সংক্রমণ আরও তীব্র হয়ে ওঠায় টোকিও অলিম্পিকের নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। অলিম্পিক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইভেন্ট চলার সময় সব প্রতিযোগী, উপস্থাপক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে থাকতে হবে। সবাইকে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলতে হবে। পুরস্কার বিতরণী শেষে একসঙ্গে ছবি তোলার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।এতদিন পোডিয়ামে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পুরস্কার নিয়ে এসেছেন প্রতিযোগীরা। এবার পোডিয়ামে মডিউল লাগানো হবে। এর ফলে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকবে। সকল উপস্থাপককে অলিম্পিক শুরুর আগে বাধ্যতামূলক করোনার টিকা নিতে হবে। প্রতি ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে উপস্থাপক ছাড়াও একজন অলিম্পিক সংস্থার সদস্য এবং একজন আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের প্রতিনিধি থাকবেন।বৃহস্পতিবার আন্তর্জতিক অলিম্পিক সংস্থার প্রেসিডেন্ট থমাস বাখ টোকিওর গভর্নর ইউকে কোইকির সঙ্গে দেখা করেছেন। তার আগে তিনি অলিম্পিক ভিলেজ পরিদর্শন করেন। এবারের অলিম্পিক দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ভিআইপি অতিথি হাজির থাকতে পারেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগী, অফিসিয়াল মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon : বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ফেডেরার, নাদালকে ধরে ফেললেন জকোভিচ

মাত্তেও বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ষষ্ঠবার উইম্বলডন খেতাব জিতলেন নোভাক জোকোভিচ। এই নিয়ে টানা তিন বার। একই সঙ্গে তিনি স্পর্শ করলেন টেনিস ইতিহাসের অন্যতম দুই সেরা খেলোয়াড় রজার ফেডেরার, রাফায়েল নাদালের ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড। মাত্তেও বেরেত্তিনির বিরুদ্ধে জয় অবশ্য সহজে আসেনি জকোভিচের। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার লড়াইয়ে ৬৭ (৪৭), ৬৪, ৬৪, ৬৩ জেতেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।Kiss from a rose 🌹Novaks done this 20 times. But the feeling will remain as sweet as ever. #Wimbledon pic.twitter.com/uHEmY7MOtp Roland-Garros (@rolandgarros) July 11, 2021বিশ্ব টেনিস সার্কিটে শেষ পাঁচ বছরে আধিপত্য দেখিয়ে আসছেন নোভাক জকোভিচ। যদি এদিন বেরেত্তিনির বিরুদ্ধে নাও জিততেন, তবুও ফেডেরার, নাদালের রেকর্ড স্পর্শ করতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হত না। কারণ দুই টেনিস তারকাই খেলোয়াড়ী জীবনের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁছেছেন। আর নোভাক জকোভিচ এই মুহূর্তে ফর্মের চূড়ান্ত শিখরে। এদিন উইম্বলডন ফাইনালের প্রথম সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একটা সময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন জকোভিচ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ায় বেরেত্তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রথম সেট গড়ায় টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭৪) ব্যবধানে সেট জিতে নেন বেরেত্তিনি। প্রথম সেট হারলেও দুরন্ত লড়াই করেন জকোভিচ। The moment @DjokerNole became #Wimbledon champion for the sixth time pic.twitter.com/5xN8ogWYYT Wimbledon (@Wimbledon) July 11, 2021দ্বিতীয় সেটে দারুণ প্রত্যাবর্তন নোভাক জকোভিচ। ৬৪ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেটও একই ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেট জেতার পর মাত্তেও বেরেত্তিনি ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকেন। অভিজ্ঞতা দিয়ে ম্যাচ বার করে নেন জকোভিচ। চতুর্থ সেটে বেরেত্তিনির দুটি সার্ভিস ব্রেক করেন জকোভিচ। ৬৩ ব্যবধানে জিতে খেতাব জিতে নেন।Congrats Novak on your 20th major. Im proud to have the opportunity to play in a special era of tennis champions. Wonderful performance, well done! Roger Federer (@rogerfederer) July 11, 2021২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন জকোভিচ, ২০২১ সালে এসে বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। ৯ বার অস্ট্রেলীয় ওপেন, ২ বার ফরাসি ওপেন এবং ৩ বার ইউএস ওপেন জিতেছেন নোভাক জকোভিচ। নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জিতলে ৫০ বছরের বেশি সময় পর কোনও পুরুষ সিঙ্গলস খেলোয়াড় ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্লাম জিতবেন। রড লেভার ১৯৬৯ সালে এই অনন্য নজির গড়েছিলেন।

জুলাই ১২, ২০২১
কলকাতা

Park Street-Party: করোনার ভয়াবহতা ভুলে শহরে উদ্দাম পার্টি! গ্রেপ্তার ৩৭

করোনার আতঙ্ক ভুলে মাঝ রাত পর্যন্ত উদ্দাম পার্টি। সরকারি বিধিনিষেধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ডিজে বাজিয়ে পার্টি করলেন সমাজের অভিজাত শ্রেণির একদল মানুষ। মার্চ-এপ্রিলের মৃত্যুর ভয়াবহতা নিমেষে ভুলে এই মানুষরা কী করে এমনটা করতে পারলেন, তা নিয়ে আশ্চর্য হয়েছে পুলিশ। ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩৭ জনকে প্রেপ্তার করা হয়েছে। করোনাকালে রাজ্যে এখনও বিধিনিষেধ সম্পূর্ণভাবে শিথিল হয়নি। পার্ক স্ট্রিটের অভিজাত হোটেলে এর মধ্যেই পার্টি করতেই ব্যস্ত ছিলেন একদল অবিবেচক মানুষ। তাও আবার মধ্যরাত পর্যন্ত। ডিজে বাজিয়ে চলে উদ্দাম নাচাগানা। সঙ্গে মদের ফোয়ারা। কে বলবে অতিমারি পরিস্থিতির সঙ্গে লড়ছি আমরা! খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। পার্টির আয়োজকরা পুলিশের সঙ্গেই শুরু করে দেন তর্কাতর্কি। তারপর বাধে ধস্তাধস্তিও। শেষমেশ পুলিশ হোটেল থেকে ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি গাড়ি। এছাড়াও ডিজের বিভিন্ন সামগ্রী। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ সৌমিতা সাহার প্রর্দশনী এনভিসেজিং মাইকেলহোটেলের নাইট ক্লাবে গভীর রাত পর্যন্ত চলছিল পার্টি। খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। তবে তাতে কিন্তু বিন্দুমাত্র পিছপা হননি পার্টির আয়োজকরা। বরং পুলিশের সঙ্গেই শুরু করে দেন তর্কাতর্কি। তারপর বাধে ধস্তাধস্তিও। শেষমেশ পুলিশ হোটেল থেকে ৩৭ জনকে গ্রেফতার করে। সংক্রমণ প্রতিহত করতে রাজ্য সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। লকডাউনে রীতিমতো জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে দিন আনা দিন খাওয়া, নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের। কত মানুষ কাজ হারিয়েছেন। সমস্ত কিছু স্বীকার করে নিয়েও সরকার লকডাউন সম্পূর্ণভাবে তুলে নিতে নারাজ, কেবল সংক্রমণকে প্রতিহত করতেই। রাজ্য সরকার রেস্তোঁরা, হোটেল খোলার নির্দেশ দিয়েছে কর্মসংস্থানের কথা ভেবে। কিন্তু এই সুযোগের যথেচ্ছ অপব্যবহার করছেন সমাজের একাংশের মানুষ বলে মনে করেন পুলিশ কর্তারা। তাই এইসব মানুষকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
কলকাতা

Nandigram Case: নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিত

নন্দীগ্রাম মামলা অন্যত্র সরানো হবে কি না, তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC) শুনানি শেষে আজ রায়দান হল না। বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ থেকে মামলা অন্যত্র সরানোর আর্জি সংক্রান্ত আবেদনের শুনানির কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। এদিনের মতো রায়দান স্থগিত রাখলেন বিচারপতি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা এই মুহূর্তে দুটি মামলার শুনানি চলছে। প্রথমত, মামলাটি অন্য বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তরের। দ্বিতীয়, নন্দীগ্রামের ভোট ফলাফলের পুনর্গণনার। তবে বৃহস্পতিবার প্রথম মামলার শুনানিই হয়েছে। দ্বিতীয় বিষয়টি ধরা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় মামলাকারীকে হাজির থাকতে হয়। তাই বৃহস্পতিবারের শুনানিতে ভার্চুয়ালি এজলাসে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে সওয়াল করেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। সূত্রের খবর, তিনি শুরুতেই বিচারপতির কাছে মামলা স্থানান্তরের আবেদনের পক্ষে কথা বলেন। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একাধিকবার আবেদন করা সত্ত্বেও কেন মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন না বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তাতে বিচারপতি জানান, এই মামলা শুনতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

Post-poll violence: হাইকোর্টের নির্দেশের স্থগিতাদেশের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানাতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। রবিবারই তিনি আবেদন জানাতে পারেন বলে খবর। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HC) আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপরই স্থগিতাদেশ চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২ মে, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপির (BJP) অভিযোগ, ব্যাপক হিংসা চলছে। যার নেপথ্যে রয়েছেন শাসকদলের কর্মীরাই। বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা ভয়ে এলাকাছাড়া হয়ে পড়ছেন। কেউ কেউ ভিনরাজ্যেও পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একটা নির্বাচিত সরকার আসার পর এ ধরনের হিংসা কাম্য নয় বলেও একাধিকবার উষ্মাপ্রকাশ করেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের সমর্থকদের নিরাপত্তার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলাও দায়ের করেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মামলার শুনানিতে ভিনরাজ্যে চলে যাওয়া বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের ফেরানো নিয়ে পদক্ষেপ করতে মানবাধিকার কমিশনের তত্বাবধানে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এই কমিটি বিশেষ কাজই করেনি। এখনও ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো যায়নি। এমনকী এ বিষয়ে রাজ্য সরকারও যথেষ্ট উদসীনতার পরিচয় দিয়েছে। অথচ এই সমস্যা সমাধানে রাজ্যেরই সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা, এমনই উল্লেখ করেছেন বিচারপতিরা।

জুন ২০, ২০২১
রাজনীতি

Nandigram: ভোট পুনর্গননার মমতার আবেদনের শুনানি পিছল

নন্দীগ্রামের (Nandigram) নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলার শুনানি আজ হল না কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC)। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত শুনানি পিছিয়ে দিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। সূত্রের খবর, আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি। তবে আজ মামলাটি গৃহীত হয়েছে।এর মধ্যে এই মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে এখনও আবেদনের প্রতিলিপি পাঠানো হয়নি। সেই কাজও সম্পূর্ণ করতে হবে। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)কাছেও মামলার নোটিস পাঠাতে হবে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়ে দেন, এই সব আইনি প্রক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সন্ধের পর হাইকোর্টে তিনি নিজেই মামলাটি দায়ের করেন। তা বিশেষ মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার দিনের শুরুতেই শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন মামলাটি গ্রহণের পর শুনানি স্থগিত করে দিয়েছেন বিচারপতি।

জুন ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal