• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

কলকাতা

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অনুপম হাজরা

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন বিজেপির জাতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। সোমবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। কয়েকদিন আগে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে বিপি পোদ্দার হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। তার কোনও কো- মরবিডিটি ছিল না। আরও পড়ুনঃ রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর তিনি দলের এক কর্মীসভায় বলেছিলেন , আমার করোনা হলে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জড়িয়ে ধরব। তার কয়েকদিন বাদে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন : নাড্ডা

বাংলার বিজেপি কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে শিলিগুড়িতে সাংগঠনিক সভা করলেন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনি এদিন বলেন , বাংলাকে ভাঙতে চায় বর্তমান সরকার। আমাদের লক্ষ্য সবকা সাথ সবকা বিকাশ। সবাইকে নিয়ে চলার ক্ষমতা মোদিজিরই আছে। গত ছয় বছরে ভারতে আত্মনির্ভরতা বেড়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবকিছুতেই বলেন হবে না। বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন। গরিব কল্যাণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলা। আরও পড়ুনঃ পুজোয় বাংলা গান বাজানোর আবেদন জানিয়ে চিঠি বাংলাপক্ষের কৃষকনিধি সম্মান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলার কৃষকরা। বাংলায় যা হয়নি , তার একটি তালিকা তৈরি করুন , মোদি সরকার সব করে দেবে। বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর হয়নি। ক্ষমতায় এলে এক মাসের মধ্যে কার্যকর করে দেব। করোনার প্রভাব কমলেই সিএএ কার্যকর হবে। এদিন তিনি শিলিগুড়ির নৌকাঘাটে রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। দুপুরে আনন্দময়ী কালীবাড়িতে পুজো দেন বিজেপি সভাপতি। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায় , কৈলাস বিজয়বর্গীয় , দেবশ্রী চৌধু্রী সহ দলের নেতানেত্রীরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপ কন্টেইনমেন্ট জোন বলে গণ্য হবে। করোনা আবহে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ছোট মণ্ডপ হলে তার ৫ মিটারের মধ্যে এবং বড় মণ্ডপ হলে তার ১০ মিটারের মধ্যে কোনও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। রাজ্যের সব পুজো মণ্ডপকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই রায় দিয়েছেন। নির্দেশ কতটা মানা হল পুজোর পর সেই রিপোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজিকে জমা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের। উল্লেখ্য , এদিন সকালেই মামলার প্রথম পর্যায়ের শুনানির পর্যবেক্ষণে হাই কোর্ট জানিয়েছিল, পুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িত। তাই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার থাকলে সেখানে জড়ো হবেনই উৎসবপ্রেমীরা। এছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এবং প্রচারিত ছবি দেখেই ভিড় কতটা হতে পারে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা করা যাচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফে পুজোয় ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য ৩০ হাজার পুলিশের কথা বলা হয়েছে। তবে তা ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আদালত আরও জানিয়েছিল, সেক্ষেত্রে পুজো মণ্ডপগুলিকে কনটেনমেন্ট জোন করে দেওয়া হোক। এছাড়াও মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। মণ্ডপগুলিতে শুধুমাত্র পুজো উদ্যোক্তাদের ঢোকার বন্দোবস্ত থাক। তবে সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কাছে সংশ্লিষ্ট ক্লাব কর্তৃপক্ষকে তাঁদের সদস্যদের তালিকা জমা দিতে হবে। আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক ! তারা পরিস্কারভাবে বলে দিয়েছেন, মণ্ডপের শেষ প্রান্ত থেকে ফিতে মেপে ওই বলয় তৈরি করতে হবে। কোনও বড় মণ্ডপের বাইরে কোনও গেট তৈরি হলে সেটাকেই মণ্ডপের শেষ প্রান্ত বলে বিবেচনা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতিরা আরও বলেছেন, আদালত যে রায় দিল তা বড় বড় করে লিখে প্রতিটি পুজো মণ্ডপের বাইরে ঝোলাতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্যান্ডেলের মধ্যে ২৫ জনের বেশি পুজো কমিটির লোক ঢুকতে পারবে না। সেই তালিকা রোজ বদল করা যাবে না। এই তালিকাও মণ্ডপের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। দর্শকশূন্য রেখে পুজো পরিচালনার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে পুলিশপ্রশাসনকে। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে পুজো হোক , কিন্তু উৎসব নয়। এই দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রাক্তন কর্মী অজয়কুমার দে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিবকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে সোমবার রাজ্যের তরফে কোনও ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়া হয়নি। এই মামলার অন্যতম আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য রায় ঘোষণার পরে বলেছেন, যে হেতু বহু মানুষ কোথাও একসঙ্গে জড়ো হলে ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, তাই আদালত এই রায় দিয়েছে। কারণ, যত কম সংখ্যক মানুষ পুজো দেখতে বেরোবে ততই সবার জন্য মঙ্গল। সন্দেহ নেই এই রায় ঐতিহাসিক।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

পুজোয় কোভিড বিধি , প্রতি প্যান্ডেলে একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত লালবাজারের

কলকাতার পুজো প্যান্ডেলগুলিতে কোভিড বিধি ঠিকঠাক মানা হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল লালবাজার। প্রতিটি প্যান্ডেলে একজন করে এসআই পদমর্যাদার পুলিশকর্মী এই নোডাল অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন। সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পড়ার মতো বিধি মানা হচ্ছে কিনা সেদিকে কড়া নজর রাখবেন তাঁরা। নোডাল অফিসাররা রিপোর্ট দেবেন সংশ্লিষ্ট ওসিকে। তাঁরা রিপোর্ট দেবেন ডিসিকে। আরও পড়ুনঃ গনেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউয়ে বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , মৃত ২ , আহত ১ করোনা আবহে বাংলায় বারোয়ারি দুর্গাপুজো কিভাবে হবে, শুক্রবারে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির পর রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে আলাদা করে সোমবার রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তারপর আদালত গাইডলাইন ঠিক করে দেবে।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
কলকাতা

দেবদারু ফটকের পুজোয় এবার দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ

এবার বেহালা দেবদারু ফটকের পুজোয় দর্শনার্থীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পর দ্বিতীয় পুজো প্যান্ডেল হিসেবে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল বেহালা দেবদারু ফটক পুজো কমিটি। এ বছর তাদের পুজো ৪৮ তম বর্ষে পা দিয়েছে। ক্লাবের সভাপতি শক্তিপদ মণ্ডল বলছিলেন, বেহালা ক্লাব, আদর্শ পল্লি আর দেবদারু ফটক- এই তিন ক্লাবের হাত ধরেই বেহালায় থিম পুজোর খাতে খড়ি। সেই ৯৮ সাল থেকে দেবদারু ফটকে থিম পুজো আয়োজিত হচ্ছে। এবারও যতটা সম্ভব কম পরিসরে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা মেনে রাস্তার অনেকটা কাছে এগিয়ে আনা হয়েছে মণ্ডপ। যাতে প্যান্ডেলে না ঢুকেও মায়ের দর্শন করে সোজা রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন মানুষ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ক্লাবকে এ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কঠিন ছিল। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পর এই পরিস্থিতিতে এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে। কিন্তু মেন রোডের উপর একটি জায়ান্ট স্ক্রিনে প্যান্ডেল দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুজো যাতে বাড়ি বসেই লাইভ দেখা যায়, সেই চেষ্টাও করছেন উদ্যোক্তারা। এছাড়া পুজো দেখাতে একাধিক অ্যাপের সঙ্গেও হাত মিলিয়েছে দেবদারু ফটক। আর ক্লাবের ফেসবুক পেজ থেকেও দেখে নেওয়া যাবে মণ্ডপ সজ্জা। এবার তাদের থিম শব্দযাপন। একদিকে শহরের ক্যাকোফনি আর অন্যদিকে আচমকা লকডাউনে ফিরে পাওয়া প্রকৃতি ও পাখিদের কলরব- এই দুই শব্দের সহাবস্থান ঘটিয়েছেন শিল্পী শুভদীপ ও সুমি মজুমদার। একচালায় মায়ের মমতাময়ী রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিমাশিল্পী সৌমেন পাল। এসবই দেখতে পাবেন বাঙালি। তবে ভারচুয়ালি। আরও পড়ুনঃ শহরের পুজো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মণ্ডপ পরিদর্শন স্বয়ং নগরপালের প্রসঙ্গত, বুধবারই শহরের ঐতিহ্যবাহী পুজো কমিটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার জানিয়েছিল, অনেক চিন্তাভাবনা, আলাপ-আলোচনার পর দর্শকহীন পুজোই করবে তারা। অর্থাৎ ক্লাব সদস্য ছাড়া আর কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
রাজ্য

পুজোর আগে উত্তরবঙ্গে অমিত শাহের বদলে আসছেন জেপি নাড্ডা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বদলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন বলে জানালেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। একথা বলে তিনি বলেন, আগামী ১৯ অক্টোবর শিলিগুড়িতে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর গাইড ম্যাপের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর পাশাপাশি ওইদিনই আলাদা একটি বৈঠক করবেন গোর্খা ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে। পরের দিন শিলিগুড়ি থেকেই দিল্লি ফিরে যাওয়া কথা রয়েছে তাঁর। দলীয় বৈঠকের পরে শহরের কিছু পুজো মণ্ডপও ঘুরে দেখার কথা রয়েছে তাঁর। অমিত শাহ পুজোর পরে দক্ষিণবঙ্গ সফরে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
দেশ

দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমলেও বিপদ এখনও কাটেনি, মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

করোনা ভাইরাসের বিপদ এখনও পুরোমাত্রায় রয়েছে। যতদিন না ভ্যাকসিন আসছে সকলেই যেন সাবধানে থাকেন। মঙ্গলবার একথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বালাসাহেব বিকে পাতিলের আত্মজীবনী প্রকাশ করার সময় একথা বলেন তিনি। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বইটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ কৃষি বিল নিয়ে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের তবে তিনি দাবি করেছেন, দেশ অবশ্যই এই মারণ রোগের সঙ্গে লড়াইয়ে জয়লাভ করবে। আমি সকলের কাছে আরজি জানাচ্ছি, অসতর্ক না হওয়ার। মাস্ক পরুন ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। মনে রাখবেন, যতদিন না ওষুধ আসছে, ততদিন অসতর্কতা নয়।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
খেলার দুনিয়া

চাপ কাটিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল মহমেডান

মহমেডান: ৪ (উইলিস প্লাজা, রিজাল–২, ফৈয়াজ) আরা এফসি: ১ (সফিউল–আত্মঘাতী) আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনের প্রথম ম্যাচে সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি। এসেছিল কষ্টার্জিত জয়। দ্বিতীয় ম্যাচে ঝলমলে মহমেডান। আরা এফ সি–কে ৪–১ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল সাদাকালো ব্রিগেড। ২টি গোল করেন রিজাল, ১টি করে গোল উইলিস প্লাজা ও শেখ ফৈয়াজের। গড়াপেটার আশঙ্কা নিয়ে ম্যাচের আগে থেকেই দারুণ চাপে ছিল মহমেডান। তাছাড়া আগের ম্যাচের পারফরমেন্সে খুশি ছিলেন না সদস্য–সমর্থকরা। আরা এফ সি–র বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তনই বদলে দেয় মহমেডানকে। এদিন দুর্দান্ত খেলা উপহার দিলেন ফুটবলাররা। এদিন শুরু থেকেই ঝড় তোলে মহমেডান। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ১৩ মিনিটে ছাংতের পাস থেকে প্রথম গোল করেন উইলিস প্লাজা। ২১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অভিষেক রিজাল। চোটের জন্য এদিন খেলতে পারেননি কিংসলে। বাকিরা তঁার অভাব বুঝতে দেননি। ৪৫ মিনিটে হীরা মণ্ডলের পাস থেকে ৩–০ করেন রিজাল। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে বসেন মহমেডানের সফিউল। তার আগে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি প্লাজা। ৮০ মিনিটে ফৈয়াজের শট বারে লাগে। ৮ মিনিট পর তিনিই ৪–১ করেন। গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারত মহমেডান।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

ঝাড়গ্রামের রাজকিরণের কাছে ভগবান শুভেন্দু অধিকারী

রাজকিরণ পাত্র। সাকিন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ১ নং ব্লকের আঠাঙ্গী গ্রাম। রাজকিরণের বাবা অপ্রকৃতিস্থ, মা নেই। অভাবের সংসারের ভার রাজকিরণেরই কাঁধে। সেই যুবকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিয়েছিল এক দুর্ঘটনা। যে অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে রাজকিরণের কাছে এখন ভগবান রাজ্যের মন্ত্রী তথা জঙ্গলমহলের কুটুম শুভেন্দু অধিকারী। গত ২৯ আগস্ট রাজকিরণের মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। রাজকিরণের চোয়াল ভেঙে যায়। গোপীবল্লভপুর হাসপাতাল রেফার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু বড় সার্জারির প্রয়োজন থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। বেশ কিছু দিন ওই অবস্থাতেই বাড়িতে পড়ে থাকেন রাজকিরণ, দিন দিন অবস্থার অবনতিও হচ্ছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর অনুগামীদের কাছ থেকে সেই খবর জানতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। পরের দিনই রাজকিরণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গোপীবল্লভপুর থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আর্থিক সাহায্য পাঠান তিনি। এমনকী ওইদিন থেকে কলকাতায় তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এসএসকেএমে অপারেশন- সমস্ত ব্যবস্থা করেন শুভেন্দুবাবু। নিজে যখন কোভিড আক্রান্ত তখনও নিয়মিত রাজকিরণের চিকিৎসার যাবতীয় খবর নিয়েছেন মন্ত্রী। গত ৫ অক্টোবর সফল অপারেশন হয়েছে রাজকিরণের। ৭ অক্টোবর বাড়িও ফিরেছেন, এখন তিনি ভালোই আছেন। বিপদে এভাবে পাশে পেয়ে শুভেন্দুবাবুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাজকিরণের বন্ধু ও প্রতিবেশীরা। খুশি আমরা দাদার অনুগামীর সদস্যরাও, যাঁরা জেলায় জেলায় এভাবেই শুভেন্দু অধিকারীকে আদর্শ মেনে সমাজসেবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

ডে সেন্টারের উদ্বোধন করলেন  রাজীব বন্দোপাধ্যায়

শুক্রবার ডে সেন্টারের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি বেশ কিছু নানা জাতের পাখি ছাড়া হয় ৷বনমন্ত্রী ছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন পানাগড় ও দুর্গাপুরের বন দফতরের আধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাঁকসার বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য সহ কাঁকসা ব্লকের অধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বনকাটি পঞ্চায়েতের প্রধান পিন্টু বাগদি সহ অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্যরা। প্রসঙ্গত, কাঁকসা ব্লকের বনকাটি শিবপুর এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে ঘন জঙ্গল। সেই জঙ্গলে পর্যটকদের ভ্রমনের জন্য রয়েছে দেউল পার্ক,ইছাই ঘোষের পৌরাণিক শিব মন্দির, শ্যামরূপ মন্দির। এছাড়াও ঘন জঙ্গলে পশু পাখি থেকে শুরু করে ময়ূর দেখার সুযোগ,দেখা পাওয়া যেতে পারে দীর্ঘায়তনের পাইথন। পর্যটকরা ট্রেকিংয়ের পর ডে সেন্টারে বিশ্রাম ও খাওয়াদাওয়া করে সেখানে আদিবাসীদের হাতের তৈরি হস্তশিল্পের সরঞ্জাম কিনতে পারবেন। ডে সেন্টারে থাকছে নানান হস্তশিল্পের স্টল।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
ব্যবসা

 রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাংক

রেপো রেট অপরিবর্তিত থাকছে। শুক্রবার মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়ে দিল রিজার্ভ ব্যাংক। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, আপাতত রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে ৪ শতাংশ। রিভার্স রেপো রেট থাকছে ৩.৫ শতাংশে। তিনি আরও বলেন, করোনার সঙ্গে যুদ্ধে একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ভারতের অর্থনীতি। প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক সংকোচন পিছনে ফেলে আসা হয়েছে। এখন বরং রুপোলী প্রলেপ দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও নজর দেওয়া হয়েছে সংযত অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর দিকে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতি অবস্থা সহজ হবে এবং জিডিপি সংকোচন থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন তিনি। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর আশাপ্রকাশ করেন, চলতি আর্থিক বছরে জিডিপি সংকোচন আশা করা হচ্ছে ৯.৫ শতাংশে থাকবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
দেশ

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একটি মামলায় জামিন লালুপ্রসাদ যাদবের

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলায় জামিন পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব । কিন্তু জামিন পেলেও আপাতত তাঁকে সংশোধনাগারেই থাকতে হবে।শুক্রবার ঝাড়খণ্ড আদালত চাইবাসা কোষাগার মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করে । পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা চলছে । কিন্তু আপাতত সংশোধনাগারেই থাকতে হবে লালুপ্রসাদকে । কারণ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দুমকা কোষাগার মামলা এখনও চলছে । প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই বিহারে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে। অন্যান্যবারের মতো লালুপ্রসাদ যাদব আরেকটি মামলায় জামিন পেয়ে এবারের ভোটে উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

করোনায় প্রয়াত শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়

করোনায় প্রাণ হারালেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়। বয়স হয়েছিল প্রায় ৭৫ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার এক নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর স্ত্রী আগেই প্রয়াত হয়েছেন। কন্যা আমেরিকায় বসবাস করেন। জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে তিনি কোভিডে আক্রান্ত হন।চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি নার্সিংহোমে ভরতি হন।সেখানেই ১০ দিন ধরে লড়াই করার পর এদিন তিনি মারা গেলেন। জানা গিয়েছে, কোভিড প্রোটোকল মেনেই আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর নিজের মতোই শিক্ষাচর্চা করতেন। এ রাজ্যে সাক্ষরতা অভিযানের অগ্রণী ভূমিকা ছিল তাঁর। বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী বিশিষ্ট অধ্যাপক ঘরে ঘরে শিক্ষা পৌঁছে দিতে সরকারি পরিকল্পনায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কলকাতা ও হাওড়া

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ বিজেপির নবান্ন অভিযান শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে মিছিল নবান্নের দিকে আসতে শুরু করে। মিছিলের শুরুতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কলকাতার হেস্টিংস ও সাঁতরাগাছি৷ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ বিজেপির। কাঁদাতে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এছাড়াও মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানের মাধ্যমে রঙিন জল ব্যবহার করা হয়৷ এদিকে এদিন এই মিছিলের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। সাঁতরাগাছিতে মিছিল থেকে পাল্টা পাথরও ছোঁড়া হয়। অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। হেস্টিংসে বহু বিজেপি কর্মী আহত হন৷ হেস্টিংস মোড়ে বসে পড়েন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির নেতানেত্রীরা৷ অপরদিকে হাওড়া ময়দান এলাকায় মিছিল লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে। এখানেও অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। একটি বহুতলের ছাদ থেকে বোমা মারার অভিযোগ উঠছে।প্রসঙ্গত, এদিন সকালে সাঁতরাগাছি থেকে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শুরু হয় বিজেপির নবান্ন অভিযান। বাঁশের ব্যারিকেডের সামনে মিছিল এলে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সামনে থাকেন রাজু। সেই সময় জলকামান থেকে রঙিন জল স্প্রে শুরু করে পুলিশ। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শুরু হয় রক্তবমি।পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের হাসপাতালে।এছাড়াও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতা তাপস ঘোষ। আহত হয়েছেন অরবিন্দ মেনন, সায়ন্তন বসু ও জ্যোতির্ময় মাহাতো। দিলীপ ঘোষে্র নেতৃত্বে একটি মিছিল হাওড়া ব্রিজে উঠতেই বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় লাঠিচার্জ। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, তাঁর উপরও লাঠিচার্জ করা হয়। পড়ে যান তিনি। জখম হন বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। অন্যদিকে পুলিশের কিয়স্ক ভাঙচুর চালানো হয় হাওড়া ময়দানে। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় সেখানেও। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, কলকাতাকে গোটা দেশের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে হেস্টিংস মোড়ে দ্বিতীয় সেতুতে ওঠার মুখেই পুলিশের ব্যারিকেড। হেস্টিংসের মিছিলকে আটকায় পুলিশ। জলকামান থেকে জল ছেটানো হয়। লাঠি উচিয়ে মিছিলকে তাড়া করে পুলিশ। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এদিন তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, দুর্নীতিমুক্ত করতে পুরো রাজ্য সরকারের স্যানিটাইজেশন হোক। রাজ্য সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। বেহালা, ভবানীপুর, ডানকুনিতে বিজেপি কর্মীদের আটকেছে পুলিশ। লাঠিচার্জ করছে। তৃণমূল কার্যকর্তাদের মতো কাজ করছে পুলিশ। তৃণমূল সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র বাঁচাও, বাংলা বাঁচাওয়ের দাবিতে এই আন্দোলন চলবে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
দেশ

জুলাইয়ে মধ্যে টিকা ২৫ কোটিকে

আগামী জুলাইয়ের মধ্যে ২৫ কোটি নাগরিককে করোনার টিকা দেওয়া হবে। রবিবার দুপুর ১টায় সানডে সংবাদ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এদিন একথা জানিয়ে বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ কোটি টিকা সংগ্রহ করা পরিকল্পনা করছে সরকার।ভ্যাক্সিন একবার প্রস্তুত হয়ে গেলেই বেশির ভাগ মানুষের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র। কোন রাজ্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কত টিকা পাবে তার তালিকা তৈরি করতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া হবে করোনা মোকাবিলায় নিযু্ক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের। সেইসঙ্গে বেসরকারি ডাক্তার, আশাকর্মীদেরও প্রথম তালিকায় রাখা হবে। অক্টোবরের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা হবে। দেখা হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার খুঁটিনাটিও। এই কাজের দায়িত্বে রয়েছেন নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পলের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের টিম। বিদেশে তৈরি টিকা ভারতে ব্যবহারের আগে তার এখানে কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা করা হবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
রাজ্য

ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি,আতঙ্ক চাকদহে

নদিয়া: ভর সন্ধেবেলায় জনবহুল এলাকায় চলল গুলি।দুটি দোকানে ভাঙচুরও চালানো হয়। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। হামলাকারী তৃণমূল সমর্থক বলে অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, ওই দুষ্কৃতী কোনওদিনই তাঁদের দলের সমর্থক নয়।অভিযোগ, বুধবার সন্ধেবেলা চাকদহ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের যসরা এলাকায় হামলা চালায় তাপস বিশ্বাস ওরফে হুলু নামে এক সমাজবিরোধী। প্রথমে একটি চায়ের দোকানের সামনে পরপর দুরাউন্ড গুলি চালায়। এরপর ওই দোকানের থেকে কিছুটা দূরে আরও একটি চায়ের দোকানে ঢুকে হামলা চালায়। দোকানের সমস্ত জিনিস ভাঙচুর চালায়। দোকানদার ও উপস্থিত ক্রেতাদের মারধর করে। দোকানদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। আশেপাশের মানুষজন ছুটে এলে হুমকি দিতে দিতে এলাকা ছাড়ে। স্থানীয় দোকানদারদের অভিযোগ, তাপস বিশ্বাস নামে ওই বছর তিরিশের যুবক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দোকানের সামনে এসে হুমকির সুরে বলে, তোরা বিজেপির বড় নেতা হয়ে গিয়েছিস? এরপরই গুলি ছুড়তে শুরু করে। মোট চার রাউন্ড গুলি চালায়। চাকদহ শহর বিজেপির সভাপতি শ্যামল বিশ্বাসের অভিযোগ, হামলাকারী তৃণমূল সমর্থক। ওই দুষ্কৃতী আমাদের দুই কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালায়। চাকদহে থেকে বিজেপি করা যাবে না বলে হুমকি দেয়। বলে বিজেপি করতে গেলে এমনই অবস্থা হবে। আমরাও দলগতভাবে বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছি।যদিও চাকদহ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সাধন বিশ্বাসের দাবি, যে ছেলেটি তাণ্ডব চালিয়েছে সে তৃণমূল কংগ্রেস করে না। তিনি বলেন, এর আগেও ওর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ও এলাকায় দুষ্কৃতী বলেই পরিচিত। বিরোধী রাজনৈতিক দল উল্টো কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। তবে ওই ছেলেটি আমাদের দলের কেউ নয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজনীতি

একুশের ভোটে মা-বোনেদের উপবাস করার ডাক দিলেন কেন শান্তনু?

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষদাঁত ভেঙে একুশের ডাক তৃতীয় মা-মাটি-মানুষ সরকার প্রতিষ্ঠার। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যেমন মহান আল্লাহ্-র প্রতি সম্মান জানিয়ে সকলের মঙ্গল কামনায় এক মাস রোজা রাখেন, তেমনই হিন্দু মা-বোনেরা সন্তানের মঙ্গল কামনায় নানা ব্রত পালন করেন উপবাস করে। সকলের আশা একটাই, মঙ্গল কামনা করা। একুশের ভোট এবার বাংলার মঙ্গল কামনা করা। মমতাময়ী মা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে সকলকে আগলে রেখে ভালো কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করে তা নিশ্চিত করতে হবে। সে কারণে সকাল সকাল ভোট দিয়ে তারপর সকলে তৃপ্তি করে জলখাবার খাবেন, ভোট দেওয়া অবধি সকলে উপোস রাখুন বাংলা তথা জননেত্রীর মঙ্গল কামনায়। মঙ্গলবার ২৯ অক্টোবর হুগলির খানাকুলে এ কথা বলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মজীবনে বেশ কিছু বছর এখানে কাটানো শান্তনুর কাছে খানাকুল এক অন্য আবেগের জায়গা। এখানকার মানুষের কাছেও শান্তনু যেন ঘরের ছেলে। মিছিল হোক বা সভা, হাতের তালুর মতো চেনা খানাকুলে এলেই একটা নস্ট্যালজিয়া কাজ করে। এখানকার মানুষও সেই ভালোবাসার টানে জনসভায় এসে ঠায় বসে সভা শুনলেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। কাউকে সভার জন্য নিয়ে আসা হয়নি। বিশেষভাবে সক্ষম এক ব্যক্তি এসেছিলেন শান্তনুকে ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে। তাঁকে মঞ্চে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন শান্তনু। ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও শান্তনুকে সংবর্ধনা প্রদান করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি হওয়ার জন্য। খানাকুল ১ নম্বর ব্লকের এই প্রতিবাদ সভায় বিজেপি ছেড়ে অনেকেই জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব ও শান্তনুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন। শান্তনু বলেন, মসজিদ দেখলে যেমন বোঝা যায় এখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ থাকেন, মন্দির দেখলে যেমন হিন্দুদের উপস্থিতির কথা আমাদের সহজেই মনে আসে, ঠিক সেভাবেই দাঙ্গা হলে প্রথমেই মনে আসে বিজেপির কথা। কৃষি বিল আইনে রূপায়িত করায় কেন্দ্রকে বিঁধে শান্তনু বলেন, ইংরেজ আমলে নীল চাষিদের মতো অবস্থার কথা মনে করাচ্ছে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। তাঁদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়ে হাত শক্ত করা হচ্ছে পুঁজিপতিদের। কৃষকদের দেখতে হবে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য ৫ টাকায় কিনে মলে মোড়কে রেখে ১০০ টাকায় বিক্রি করা হবে। জিনিসপত্রের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে কেউ জানে না। বিজেপির অপপ্রচার রুখতে পুজোর আগেই কৃষকদের সচেতন করতে শান্তনু বিশেষ উদ্যোগ নিতে চলেছেন।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০
সম্পাদকীয়

অকালির এনডিএ ত্যাগ ও কিছু প্রশ্ন

শিরোমণি অকালি দলের এনডিএ-সঙ্গ ত্যাগের ইঙ্গিত আগেই ছিল। বাকি ছিল সরকারি ঘোষণা। কৃষি বিলের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একমাত্র অকালি মন্ত্রী হরসিমরত কউরের পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে মধুচন্দ্রিমায় যবনিকা পতনের সূচনা হয়েছিল। আর তাতে সিলমোহর দিল অকালির এনডিএ ছাড়ার সিদ্ধান্ত। এর আগেও দেখা গিয়েছিল মোদী মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে এসে বাইরে থেকে সমর্থন করেছিল নীতীশ কুমারের জেডিইউ। কিন্তু এনডিএ-র পুরনো শরিক শিরোমণি অকালি দল কিন্তু সেই পথে হাঁটল না। কিন্তু কেন? প্রথমত পাঞ্জাব হচ্ছে কৃষিপ্রধান রাজ্য। সংসদের দুই কক্ষে পাস হওয়ার পরেও যেভাবে কৃষি সংস্কার বিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে তাতে কৃষকদের সমর্থন তলানিতে এসে ঠেকার অবস্থা হতে পারে। আর কৃষক ভোট যদি কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকে পড়ে সেক্ষেত্রে আগামী দিনে পাঞ্জাব দখল দূর অস্ত হতে পারে শিরোমণি অকালি দলের কাছে। দ্বিতীয়ত, শিরোমণি অকালি দলের প্রাণপুরুষ প্রকাশ সিং বাদল বারবার বলেছিলেন, তাঁর জীবদ্দশায় বিজেপি-অকালি জোট ভাঙবে না। তবুও ছাড়াছাড়ি হলো। এর পিছনে শুধু কৃষি বিল নয়, অন্য কারণ দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আসলে সুখবীর সিং বাদল বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সমান্তরাল আলাদা জমি তৈরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। গেরুয়া শিবিরের এই কাজে অকালি দলের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। জোট থেকে বেরিয়ে আসার ইস্যু খোঁজায় নতুন করে অক্সিজেন দেয় কৃষি সংস্কার বিল। বর্তমানে পাঞ্জাব বিধানসভায় শিরোমণি অকালি দলের বিধায়ক ১৪, বিজেপির ২। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপের দখলে ১৯টি আসন। কৃষি বিলের বিরোধিতা করে জোট ছাড়লে, ভবিষ্যতে আপের সঙ্গে রাজ্যওয়াড়ি জোটের পথ খোলা থাকবে শিরোমণি অকালি দলের। সেটাও জোট ভাঙার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিজেপি যতই অকালির জোট ভাঙাকে গুরুত্ব না দিক, পাঞ্জাবের জমি পাওয়া যে বেশ কষ্টকর তা বুঝতে পারছে গেরুয়া শিবির। অকালি-আপ জোট হলে সেক্ষেত্রে কংগ্রেসও খুব একটা স্বস্তিতে যে থাকবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। শিরোমণি অকালি দলের এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসাকে ইতিমধ্যে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি সোনিয়ার দল। ২০২২ সালে পাঞ্জাব বিধানসভার ভোট। মেরুকরণের রাজনীতি কোন দিকে গড়ায় এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
খেলার দুনিয়া

সমর্থকদের বিক্ষোভে কেন উত্তাল মহমেডান?‌ জানতে পড়ুন

ইনভেস্টর বিতর্ক নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল মহমেডান। শুক্রবার বিতর্ক মেটানোর জন্য কার্যকরী সমিতির সভা ডাকা হয়েছিল। সভা শুরু হওয়ার আগেই ক্লাব তাঁবুর সামনে হাজির হন সমর্থকরা। সমর্থকদের হাতে ছিল পোস্টার, প্লাকার্ড। সমর্থকদের মুখে স্লোগান, ‘‌দুর্নীতি বন্ধ করে ক্লাবকে রক্ষা করো’‌, ‘‌অবিলম্বে ইনভেস্টর চাই’‌। দায়িত্বে থাকা কর্তাদের পদত্যাগও দাবি করেন সমর্থকরা। মহমেডানের ফ্যান ক্লাব ব্ল্যাক প্যান্থার্সের সমর্থকরা ক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়। বিক্ষোভের মধ্যেই কার্যকরী সমিতির বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ঘন্টা দেড়েক বৈঠক চলে। জট অনেকটাই কেটেছে। শনিবার আবার বৈঠকে বসবেন কর্তারা। ভিডিও কনফারেন্সে ইনভেস্টরের প্রতিনিধিদেরও যোগ দেওয়ার কথা। বৈঠক শেষে ক্লাব সচিব ওয়াসিম আক্রাম বলেন, ‘‌জট কাটতে চলেছে। আবার বৈঠকে বসব। আশা করছি সোমবারের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করতে পারব।’ ‌ক্লাবকে বিক্রি করে ইনভেস্টর চান না অধিকাংশ কর্তা। তাঁরা ৫০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করার পক্ষপাতি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
খেলার দুনিয়া

সমর্থকদের বিক্ষোভে কেন উত্তাল মহমেডান?‌ জানতে পড়ুন

ইনভেস্টর বিতর্ক নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল মহমেডান। শুক্রবার বিতর্ক মেটানোর জন্য কার্যকরী সমিতির সভা ডাকা হয়েছিল। সভা শুরু হওয়ার আগেই ক্লাব তাঁবুর সামনে হাজির হন সমর্থকরা। সমর্থকদের হাতে ছিল পোস্টার, প্লাকার্ড। সমর্থকদের মুখে স্লোগান, দুর্নীতি বন্ধ করে ক্লাবকে রক্ষা করো, অবিলম্বে ইনভেস্টর চাই। দায়িত্বে থাকা কর্তাদের পদত্যাগও দাবি করেন সমর্থকরা। মহমেডানের ফ্যান ক্লাব ব্ল্যাক প্যান্থার্সের সমর্থকরা ক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়। বিক্ষোভের মধ্যেই কার্যকরী সমিতির বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ঘন্টা দেড়েক বৈঠক চলে। জট অনেকটাই কেটেছে। শনিবার আবার বৈঠকে বসবেন কর্তারা। ভিডিও কনফারেন্সে ইনভেস্টরের প্রতিনিধিদেরও যোগ দেওয়ার কথা। বৈঠক শেষে ক্লাব সচিব ওয়াসিম আক্রাম বলেন, জট কাটতে চলেছে। আবার বৈঠকে বসব। আশা করছি সোমবারের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করতে পারব। ক্লাবকে বিক্রি করে ইনভেস্টর চান না অধিকাংশ কর্তা। তাঁরা ৫০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করার পক্ষপাতি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 91
  • 92
  • 93
  • 94
  • 95
  • 96
  • 97
  • 98
  • 99
  • 100
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিলেতে ফের ‘দাদাগিরি’! ব্যাট হাতে মাঠে সৌরভ, সঙ্গী ব্রায়ান লারা—বাকিংহাম প্যালেসে বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচ

কলকাতা: ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। ফের ব্যাট হাতে ক্রিকেটের বাইশ গজে দেখা যেতে চলেছে মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক নয়, একটি বিশেষ চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নিতে চলেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। আর সেই ম্যাচের মঞ্চও যে কোনও সাধারণ ক্রিকেট মাঠ নয়লন্ডনের ঐতিহাসিক বাকিংহাম প্যালেস।জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর আগেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের ব্যাট হাতে দেখা যেতে পারে সৌরভকে। এই বিশেষ ম্যাচে তাঁর সঙ্গে মাঠে নামার কথা রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার ব্রায়ান লারারও। ফলে দুই ক্রিকেট কিংবদন্তিকে একই ম্যাচে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনায় ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলে তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ।প্রিন্স অব ওয়েলস প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিনের আমন্ত্রণেই এই বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নিতে লন্ডনে যাচ্ছেন সৌরভ। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ক্রিকেটের মাধ্যমে একটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বার্তা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ম্যাচে খেলার জন্য সৌরভের সম্মতি পাওয়ার পরই প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের কমিউনিকেশন সেক্রেটারি লি থম্পসন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সৌরভের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় অনুষ্ঠানের গুরুত্বও আরও বেড়েছে।তবে ম্যাচটি ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে, সৌরভ ও লারা ছাড়াও আর কোন কোন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারকে মাঠে দেখা যাবে, কিংবা ম্যাচের ফরম্যাটই বা কী হবেএই মুহূর্তে তার কোনওটাই চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়নি। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ক্রিকেটজীবনে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তাঁর একাধিক স্মরণীয় অধ্যায় তৈরি হয়েছে। এবার সেই বিলেতেই ফের ব্যাট হাতে তাঁকে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নস্টালজিয়ায় ভাসছেন তাঁর অনুরাগীরা।আর প্রতিপক্ষ বা সতীর্থদের তালিকায় যদি ব্রায়ান লারার মতো কিংবদন্তির নাম থাকে, তাহলে সেই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যে আরও কয়েক গুণ বাড়বে, তা বলাই যায়। এখন শুধু অপেক্ষা আগামী সপ্তাহের ঘোষণারকবে, কীভাবে এবং কার কার সঙ্গে ফের ক্রিকেটের মঞ্চে দেখা যাবে দাদাকে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
বিদেশ

একদিকে বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে আকাশপথের জট! রূপপুরের ইউরেনিয়াম নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের?

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়েছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার পরে ফের শুরু হয়েছে এই জ্বালানি সরবরাহ। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় পৌঁছনোর কথা। এরপর কড়া নিরাপত্তায় ইউরেনিয়াম পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা ছিল একটি বিশেষ কার্গো বিমানের। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় সেই যাত্রা পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশের এক মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ে বিমানটি আসতে পারেনি। পরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিমান চলাচলের অনুমতি এবং রুট সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।জটিলতা কাটার পরে রাশিয়া বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি পাঠানোর ব্যবস্থা করে। রুশ পরমাণু সংস্থা রসাটম জানিয়েছে, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একাধিক বিশেষ কার্গো বিমানে ধাপে ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছবে।বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট নয়টি চালানে রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছনোর কথা। এর মধ্যে সাতটি চালান দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এবং দুটি চালান প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার হবে। রসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। দুই ইউনিট মিলিয়ে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট। রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি এই প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি ধাপে ধাপে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।পাকিস্তানের আকাশসীমা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিয়ে বাংলাদেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বিমান চলাচল সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। শেষ পর্যন্ত জট কাটিয়ে রাশিয়া থেকে রূপপুরের জন্য জ্বালানি পাঠানো শুরু হওয়ায় প্রকল্পের পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

গান্ধী জয়ন্তীতেই বিরাটিতে তাণ্ডব! বামেদের মঞ্চ ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আক্রান্ত দীপ্সিতা—কাঠগড়ায় বিজেপি

গান্ধী জয়ন্তীর দিন বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বণিক মোড়ে সিপিএমের সভা চলাকালীন মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় ব্যানার ও ফ্লেক্স। এমনকি গান্ধীর ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েক জন বাম কর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। এক কর্মীর চোখেও গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই এই হামলা চালিয়েছে। তাঁদের দাবি, সভা চলাকালীন আচমকা কয়েক জন সেখানে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। মঞ্চ, চেয়ার ও অন্যান্য সামগ্রী ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট ও চেয়ার ছোড়ার অভিযোগও তুলেছে সিপিএম।শুক্রবার বিরাটির বণিক মোড়ে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বামেদের সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অশান্তি শুরু হয়। সভাস্থলে ভাঙচুরের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।সিপিএমের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই ভাঙচুর চললেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাম কর্মীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতিও তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এই ঘটনার পর সরব হন সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধর। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে সভায় গণ্ডগোল করা হয়েছে এবং বাম কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলা কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। এক কর্মীর চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দীপ্সিতা বলেন, মঞ্চ ভেঙে দিলেও ওই জায়গাতেই ফের সভা হবে।তবে সিপিএমের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নন। তাঁর দাবি, সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ফলে বিরাটির এই ঘটনায় হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।গান্ধী জয়ন্তীর দিনে বিরাটির বণিক মোড়ে বামেদের সভা ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন তদন্তের দিকেই নজর। মঞ্চ ভাঙচুর, কর্মীদের আহত হওয়ার অভিযোগ এবং পুলিশের ভূমিকাসব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

"২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি! রিপোর্ট রয়েছে!" নন্দীগ্রাম থেকে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় পায়ে চোট নিয়ে হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ভাঙা পায়ে খেলা হবে স্লোগান। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকেই মমতার সেই চোট নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দুর দাবি, ২০২১ সালের ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচার হয়নি। তাঁর কথায়, সামান্য চোট লেগেছিল। পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে তিনি প্রচার করেছিলেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছে এই দাবির সমর্থনে নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেই নথি প্রকাশ করার চ্যালেঞ্জও দিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরুলিয়া বাজারের সভা থেকেই ২০২১ সালের সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, গাড়ির দরজা একটি লোহার বিমে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসে মমতার পায়ে লাগে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই চোট পেয়েছিলেন মমতা। তবে পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।শুভেন্দু আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের নথিতে মমতার পায়ে ফ্র্যাকচার না থাকার কথা লেখা রয়েছে। সেই নথি তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজন হলে চ্যালেঞ্জের মুখে সেই কাগজ দেখিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।তবে এই বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্যকে তাঁর রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০২১ সালের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে সে সময় নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে এসেছিল। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া রিপোর্টেও ওই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ার কথা উঠে এসেছিল।এ দিনের সভায় নিজের বিধায়ক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছিলেন তিনি। পরে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন।শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরের আসন তিনি ছাড়েননি, কারণ সেখানে মমতা ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন বলে তাঁর দাবি। নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর পরেই দুর্নীতি প্রসঙ্গেও ফের আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সুমিত রায়-সহ কয়েক জনের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম করেননি তিনি। ফলে বড় চোর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই সভা থেকে ২০২১ সালের পায়ের চোট এবং দুর্নীতিদুই পুরনো প্রসঙ্গ সামনে এনে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে তাই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে আটক অতিশী-সৌরভরা, মুম্বইয়ে শাবানা আজমি! জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কী হচ্ছে দেশজুড়ে?

দিল্লি ও মুম্বইদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরে একই দিনে জোরালো বিক্ষোভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ একাধিক সংগঠন। দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে পাঁচশোর বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা জেল ভরো আন্দোলনেও জড়ো হন বহু মানুষ।দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এই কর্মসূচিতে আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী, সৌরভ ভরদ্বাজ এবং সঞ্জয় সিং-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা অংশ নেন। তাঁদেরও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিক্ষোভের আগে নয়াদিল্লি এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। অনুমতি ছাড়া জমায়েত, মিছিল ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ। যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথেও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল।অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে জেল ভরো আন্দোলন হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং তালিকায় পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অভিজিৎ দীপকের দাবি, আন্দোলন থামবে না যতক্ষণ না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে। তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার চ্যালেঞ্জ জানান। পুলিশ অবশ্য শিবাজি পার্কে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে।এই আন্দোলনে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি। পরে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ এবং গায়ক বিশাল দাদলানিকেও মুম্বইয়ের কর্মসূচিতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মুম্বইয়ের আন্দোলন আরও নজর কেড়েছে।দিল্লি ও মুম্বইয়ের এই দুই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এক দিকে দিল্লিতে পুলিশের ধরপাকড়, অন্য দিকে মুম্বইয়ে জেল ভরো আন্দোলনএকই দিনে দুই শহরের এই ছবি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

নাম নিলেন না শুভেন্দু, তবু ‘বড় চোর’ নিয়ে কেন এত জল্পনা? নন্দীগ্রাম থেকে বড় বার্তা

বড় চোরও জেলে যাবে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রচারসভা থেকে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। সুমিত রায়ের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তোলার পরই বড় চোর নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুমিত রায়-সহ সব চোর জেলে গিয়েছে। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, বড় চোর কবে যাবে? তাঁর দাবি, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যের সময় তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নেননি। ফলে কাকে ইঙ্গিত করে তিনি এই কথা বলেছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।নন্দীগ্রামের এই প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, দলটির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই কেন্দ্রেই জয় পাওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে ফের উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।শুভেন্দুর বড় চোর মন্তব্যের পর বিরোধী শিবির থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই ধরনের মন্তব্যকে নির্বাচনী বক্তব্য বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত।অন্য দিকে কুণাল ঘোষও শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মদন মিত্র আবার পাল্টা মন্তব্য করে বলেছেন, শুভেন্দু কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেছেন, তা সামনে আসতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে করা মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ছে।তবে বড় চোর বলতে শুভেন্দু অধিকারী ঠিক কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা তিনি প্রকাশ্যে জানাননি। ফলে নন্দীগ্রামের প্রচারসভা থেকে তাঁর এই মন্তব্য আপাতত জল্পনার বিষয় হয়েই থাকছে। উপনির্বাচনের আগে এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বক্সায় আজ বাঘিনির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! কখন ছাড়া হবে, সামনে এল পুরো আয়োজন

অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুক্রবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হবে বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা তিন বছরের বাঘিনীকে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তাকে বিশেষ এনক্লোজার থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।বাঘিনীকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বক্সায়। জঙ্গলের নির্দিষ্ট এলাকায় তাকে ছাড়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। বক্সায় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। সেখানে জায়ান্ট পর্দায় বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।তবে মুক্তির আগে বাঘিনীকে নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। রেডিয়ো কলার নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে ফের ঘুমপাড়ানি ওষুধ দিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর রেডিয়ো কলার ঠিক করে দেওয়া হয়। বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বাঘিনী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও জানিয়েছেন, শুক্রবার বাঘিনীকে কোনও রকম চাপ দেওয়া হবে না। এনক্লোজারের দরজা খুলে রাখা হবে। নিজের ইচ্ছেমতো সে জঙ্গলে বেরিয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে নতুন পরিবেশের সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাঘিনী।বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে বাঘিনীটিকে বিশেষ ব্যবস্থায় বক্সায় আনা হয়েছে। বাঘের সংখ্যা বাড়ানো এবং বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী আবাস গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাঘিনীটির গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার উপর রেডিয়ো কলারের মাধ্যমে নজর রাখা হবে।বৃহস্পতিবারই বক্সায় পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে বন্যপ্রাণ পর্যটনেরও প্রসার ঘটতে পারে। সুন্দরবনের পাশাপাশি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পেও বাঘকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও-সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে মন্ত্রী ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হবে বড় অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই জায়ান্ট পর্দায় দেখা যাবে বক্সার জঙ্গলে বাঘিনীকে মুক্ত করার মুহূর্ত।বহু বছর পর বক্সার জঙ্গলে বাঘ ফেরানোর এই উদ্যোগকে ঘিরে তাই উত্তরবঙ্গে উৎসাহ তুঙ্গে। বিহার থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বক্সায় পৌঁছনোর পর আজ সেই বাঘিনী প্রথম বার নিজের নতুন জঙ্গলে পা রাখবে। এখন নজর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের দিকেই।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পারভিনের চার বছরের অপেক্ষার অবসান! চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সোনা

তিরন্দাজির পর বক্সিং রিংয়েও ভারতের জয়জয়কার। এশিয়ান গেমসে একের পর এক সোনা আসছে ভারতীয় বক্সারদের হাত ধরে। শুক্রবার সকালে লভলিনা বরগোহাঁই সোনা জেতার পর এ বার সেই তালিকায় যোগ হল পারভিন হুডার নাম। চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মহিলাদের ৬৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন তিনি।পারভিনের এই জয় আরও বিশেষ। একই এশিয়ান গেমসে প্রথম বার ভারতের দুই মহিলা বক্সার সোনা জিতলেন। লভলিনার পর পারভিনও সোনার পদক জেতায় ভারতীয় বক্সিংয়ে তৈরি হল নতুন নজির।তবে পারভিনের এই সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। কয়েক বছর আগে এশিয়ান গেমসেই পদক জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ডোপ পরীক্ষার ফলের কারণে সেই পদক কেড়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর তাঁর কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে। প্যারিস অলিম্পিকেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি তিনি।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে তৈরি করেছেন পারভিন। প্রচারের আড়ালে থেকে কঠোর অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়েও সব কিছু তাঁর পক্ষে যায়নি। কমনওয়েলথ গেমসে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে।তবে সেই সব হতাশা পিছনে ফেলে শুক্রবার বক্সিং রিংয়ে নামেন পারভিন। শুরু থেকেই চিনা প্রতিপক্ষ চেন নিয়েন চিনের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জিতে সোনা নিশ্চিত করেন ভারতীয় বক্সার।পারভিনের এই সোনা তাই শুধু একটি পদক নয়, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কঠিন প্রত্যাবর্তনেরও ফল। যে প্রতিযোগিতায় এক সময় পদক জিতেও তা হারাতে হয়েছিল তাঁকে, সেই মঞ্চেই আবার সোনার পদক গলায় তুলে নিজের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন পারভিন।এশিয়ান গেমসের ত্রয়োদশ দিনে ভারতীয় দলও একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে। লভলিনা এবং পারভিনের সোনার পর বক্সিংয়ে ভারতের দাপট আরও স্পষ্ট হল।

অক্টোবর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal