• ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজ্য

এলাকায় মদের দোকান, রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের

এলাকায় মদের দোকান খোলার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন শতাধিক গ্রামবাসীরা। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বামনগোলা থানার মদনামতি গ্রাম পঞ্চায়েতের নালাগোলা এলাকায়। পুলিশি হস্তক্ষেপে তখন কামত পরিস্থিতি শান্ত হলে, পরবর্তীতে বিক্ষোভকারী মহিলারা বিকেলে মালদায় এসে জেলাশাসকের দপ্তরে গণ স্বাক্ষর সম্বলিত আরও একটি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।বিক্ষোভকারী মহিলাদের অভিযোগ, নালাগোলা সংলগ্ন উত্তর নয়াপাড়া এলাকায় একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশেই মদের দোকান খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই দোকানের পাশেই রয়েছে একটি পুকুর। যেখানে গ্রামের মহিলারা স্নান করেন এবং বাড়ির নানান কাজে ব্যবহার করেন। আর সেখানে যদি মদের দোকান চালু হয়, তাহলে মদ্যপদের অত্যাচার ক্রমাগত বাড়বে। সন্ধ্যার পর হয়তো মদপ্যদের অত্যাচারের বাড়ির বাইরে বেড়ানো যাবে না । এলাকার পরিবেশ খারাপ হবে। এইসব বিষয় নিয়েই এদিন রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল । পরে জেলাশাসকের দপ্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে। জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া জানিয়েছেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আফগারি দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে ১৬, ২০২৫
রাজ্য

বিশ বাওঁ জলে '১০০ দিনের' ভবিষ্যৎ, অথৈ জলে সুবিধাভোগী জনগণ

পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পের অর্থ বণ্টন ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে এক মামলায় একাধিক বিচারপতির বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। ইতিমধ্যে এই মামলার শুনানি থেকে একাধিক বিচারপতি বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে, যা মামলার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ বিলম্বিত করছে। এই কারণে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই মামলার শুনানি থেকে একাধিক বিচারপতি বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে, যা মামলার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ বিলম্বিত করছে। এই কারণে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলাটি ছিল বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি মিতা দাস-র ডিভিশন বেঞ্চে। মঙ্গলবার সেই মামলাটি ছেড়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে এই মামলাটি ছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। তিনি ইতিমধ্যে তার হাতে থাকা সমস্ত জনস্বার্থ সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যহতি নেন। সেই সময়েই এই ১০০ দিনের কাজের মামলাও ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার পরে যেখানে মামলা গিয়েছিল, সেই ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি মিতা দাস-র ডিভিশন বেঞ্চেও ছেড়ে দিল মামলাটি।উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে (MGNREGA) ভুয়ো জব কার্ড, মৃত ব্যক্তির নামে জব কার্ড এবং অসত্য তথ্য দিয়ে জব কার্ড তৈরি করে কেন্দ্রের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা স্রকারি মদতপুষ্ট কিছু আসাধু মানুষজন। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করে, যারা তদন্ত করে জানায় যে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মালদহ এবং দার্জিলিং জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে এবং মোট ২ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রের গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে এবং আগামী ১৫ মে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে। এই রিপোর্টে রাজ্যের বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে অর্থ বিতরণের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে। এই মামলার অগ্রগতি এবং পরবর্তী শুনানির ফলাফলের উপর নির্ভর করবে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ।

মে ১৩, ২০২৫
বিদেশ

এ এক অনবদ্য শ্রদ্ধার্ঘ! জাকির হোসেনের সমাধিস্থলে উত্তরসূরি হিন্দোল

২০২৪-র ডিসেম্বরের ১৫তে ৭৩ বছর বয়সে প্রবাদ প্রতিম তবলিয়া ওস্তাদ জাকির হুসেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে পরলোক গমন করেন। তাঁর দেহ আমেরিকার ৩০১, টেনেসি ভ্যালি রোড, মিল ভ্যালি তে ফার্নউড কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। অসংখ্য গুণগ্রাহী ছাড়াও পৃথিবীর সমস্ত স্তরের সঙ্গীত শিল্পীরা শোকসন্তপ্ত হয়ে পরেন। ওস্তাদ জাকির হুসেন ১৯৫১ র ৯ই মার্চ ভারতের বোম্বেতে (বর্তমান মুম্বই) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন প্রবাদ প্রতিম তবলা বাদক ওস্তাদ আল্লা রাখা। মাত্র তিন বছর বয়স থেকে জাকির হোসেন তাঁর পিতার কাছে তবলা বাজানোর তালিম নেওয়া শুরু করেন।ভারতবর্ষ থেকে কয়েক হাজার যোজন দূরে এই মহামানবের সমাধিস্থল দর্শনের সৌভাগ্য খুব কম জনেরই হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৮ মে প্রথিতযশা তবলিয়া পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার তাঁর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধার্ঘ জ্ঞ্যাপন করতে যান। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন তাতে দেখা যাচ্ছে হিন্দোল মজুমদার জাকির হোসেনের সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে তবলার বোল উচ্চাড়ন করে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ দিচ্ছেন। এই অভুতপূর্ব দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগ প্রবন হয়ে পরেন। প্রসঙ্গত, জাকির হোসেনের পিতা ওস্তাদ আল্লা রাখা এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছিলেন, জাকিরের জন্মের পর তাঁদের প্রথা মত পিতার সন্তানের কানে আজানের বানি শোনানোর পরিবর্তে আল্লা রাখা জাকিরের কানে তিনতালের বোল শুনিয়েছিলেন। হিন্দোলের এই শ্রদ্ধার্ঘ অনেককেই সেই নাস্টালজিয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো।তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আজ আমি ওস্তাদ জাকির হোসেন জির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছি, কখনও ভাবিনি কিংবদন্তিকে এইভাবে দেখব, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না যে সঙ্গীতের জগৎ তাকে ছাড়া থাকবে - তাঁর আত্মা চির শান্তিতে বাস করুক-ওম শান্তি। হিন্দোল মজুমদার কে জাকিরজির সমাধিস্থলে নিয়ে আসার জন্য প্রতিভাবান সরোদ বাদক সৌরদীপ ভট্টাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার জনতার কথাকে জানান, জাকির জি আমাদের মতো তবলিয়াদের কাছে একজন পথিকৃৎ বা মশিয়াহ। তাঁকে এবং পন্ডিত স্বপন চৌধুরী জি মত তবলিয়া কে সামনে রেখেই আমাদের বেড়ে ওঠা। তিনি জানান জাকির জি ছিলেন আমার খলিফা। আমার গুরু প্রয়াত পন্ডিত শঙ্খ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ওস্তাদ আল্লা রাখার শিষ্য। তিনি আরও জানান তবলা কে যে উচ্চতায় জাকির জি নিয়ে গেছেন সেটা অনুধাবন করার মত সময় এখনো আসেনি। হিন্দোল মজুমদার আরও জানান, জাকির জি ও পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী কে দেখেই তাঁদের সমসাময়িক তবলা শিল্পীরা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারে আমেরিকা ও ইউরোপে এসে নারা বাঁধেন। সেই পরম্পরা আজও চলছে। আমরা তাঁদের দেখানো পথই অনুসরন করে চলেছি।তিনি জানান, জাকির জি বছরের বেশীরভাগ সময়ই পরিবারের সাথে আমেরিকাতে কাটাতেন, ২-৪ মাস ভারতে এসে বিভিন্ন কনসার্টে অংশগ্রহণ করতেন। আরও জানান, জাকির জির সাথে বহুবার সাক্ষাত হয়েছে। তাঁর মত গুরু, অগ্রজ, উদারমনা মানুষ বিরল। হিন্দোল মজুমদার বলেন, জাকির জির রসিকতা বোধ ও ছিলো অসাধরণ। তিনি আরও জানান জানান, জাকির জির মৃত্যুর কয়েক মাস আগেই আমার গুরু পন্ডিত শঙ্খ চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হন। পরপর দুটি ধাক্কা সামলানো খুব-ই কঠিন ছিলো আমার কাছে। অনেকদিন ধরেই জাকির জির সামাধি স্থল দর্শন করার ইচ্ছা ছিল, সেই সুযোগ পেলাম। তাঁকে তবলার বোল ছাড়া কি দিয়েই বা শ্রদ্ধা জানাতে পারি? তাই সমাধিস্থলের পাশে দাঁড়িয়ে ওনার পিতা ওস্তাদ আল্লা রাখা জির কম্পোজিসন করা রুপক তালের ওপর একটি বোল পাঠ করি।পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার জাকির হোসেনের সামাধিস্থল ঘুরে এসে কিছুটা ব্যথিত-ও। তিনি জনতার কথা কে জানান, তাঁর মত মানুষের সমাধি এতটা মলিন, এটা মেনে নেওয়া খুব কষ্টকর। তিনি জানান, আমার স্থির বিশ্বাস তাঁর অগণিত গুনাগ্রাহী এই দৃশ্য দেখে ভীষণভাবে মর্মাহত হবেন। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস এই সমাধি তাঁর জন্মস্থান ভারতে হলে সেটাই আজ একটা দর্শনীয় স্থানে পরিণত হত। তবে তিনি জানিয়েছেন জাকির জির পরিবারের সাথে কথা বলে জাকির প্রেমী মানুষজনকে নিয়ে কিছু একটা ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন। অন্তত একটা সাইনেজ ও যেন লাগানো যায়, যাতে কেউ শ্রদ্ধা জানাতে এসে জায়গাটাকে সঠিকভাবে সনাক্ত করতে পারেন।

মে ০৯, ২০২৫
রাজ্য

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রুপায়ন পাল, জয়জয়কার পূর্ব বর্ধমানের

ভারতীয় সেনাারা অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে গুড়িয়ে দিয়েছে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি। মঙ্গলবার ভোররাতের ওই ঘটনায় বেজায় খশি এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম স্থান পাওয়া বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের ছাত্র রুপায়ন পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭ (৯৯.৪ শতাংশ)। বুধবার ফল প্রকাশের পর কৃতী ছাত্র রুপায়ন সাংবাদিকদের বলে, ভারতীয় সেনারা যে প্রত্যাঘাত করেছে সেটা যথেষ্টই প্রশংসনীয়। প্রত্যেক ভারতীয় জন্য এটা গর্বের। উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার আরও ছয় কৃতী ছাত্র ছাত্রী।রুপায়ন পালেদের আদি বাড়ি ভাতারের খেড়ুর গ্রামে। তবে এখন তাঁরা থাকেন বর্ধমান শহরের সুভাষপল্লী কালীতলায়। রূপায়ণের বাবা রবীন্দ্রনাথ পাল জামালপুর থানার জৌগ্রাম হাই স্কুলের শিক্ষক। মা জয়শ্রী পাল ভাতারের ভাটাকুল স্বর্ণময়ী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।রুপায়ন জানিয়েছে, মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় আমি পঞ্চম স্থানে ছিলাম।উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা ভাল হলেও মেধা তালিকার একেবারে প্রথম স্থানে আমি থাকব, এতটা আমি আশা করিনি।রুপায়ন জানিয়েছে, তাঁর এই সাফল্যের পিছনে সবথেকে বড় অবদান রয়েছে তাঁর বাবা ও মায়ের।পাঠ্য পুস্তক পড়ার পাশাপাশি গল্পের বই পড়ার প্রতিও যথেষ্ট ঝোকঁ রয়েছে রুপায়নের। তাঁর প্রিয় লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রিয় চরিত্র ব্যোমকেশ। উচ্চ মাধ্যমিকে ভাল ফল করার জন্য দৈনিক ১২-১৩ ঘন্টা পড়াশুনা করেছে রুপায়ন। কৃতী এই ছাত্র ডাক্তার হতে চায়। তার জন্য সে জয়েন্ট পরীক্ষাও দিয়েছে বলে জানিয়েছে। ডাক্তার হতে চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যাও করেছে রুপায়ন।তবে শুধু রুপায়ন পালই নয়, মাধ্যমিকের মতই উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার একাধীক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা জায়গা করে নিয়েছে। মেধা তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে জেলার কাটোয়া কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশনের ছাত্র ঋদ্ধিত পাল এবং ভাতার এম পি হাইস্কুলের ছাত্র কুন্তল চৌধুরী। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩ (৯৮.৬ শতাংশ)। এছাড়াও ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে কাটোয়া ডি ডি সি গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী দেবদত্তা মাঝি ও মেমারির ভি এম ইনস্টিটিউশন (শাখা ১) এর ছাত্র জয়দীপ পাল। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর-৪৯২ (৯৮.৪ শতাংশ)। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় দেবদত্তা ৭০০ নম্বরে মাধ্যম ৬৯৭ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছিল।ইতিমধ্যেই এবছর জয়েন্ট এন্ট্রান্সের (JEE মেন) প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনেও ১০০-য় ১০০ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে কাটোয়ার দেবদত্তা মাঝি। এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকার সপ্তম স্থানে এবং দশম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে দুই কৃতী ছাত্র শুভম পাল ও অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়। সপ্তম স্থানাধিকারী শুভমের প্রাপ্ত নম্বর - ৪৯১ (৯৮.২ শতাংশ)। আর দশম স্থান থাকা অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৮ (৯৭.৬ শতাংশ)।

মে ০৭, ২০২৫
রাজ্য

এবার সামশেরগঞ্জে বোমা ফেটে জখম দুই নাবালক

ফের খবরের শিরোনামে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ। মঙ্গলবার বিকেলে সামসেরগঞ্জ থানার চকসাপুরে বোমা ফেটে জখম হয় দুই বালক। জখম দুজনের হল রবিজুল শেখ (১১) এবং রাকিব শেখ(১১)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুইজনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের অন্য ছেলেদের সঙ্গে ওই দুইজন চকসাপুরের মাঠে খেলা করছিল। খেলার সময় বল মাঠের পাশে ঝোঁপে চলে যায়। ওই দুইজন বল আনতে গেলে ঝোঁপের মধ্যে রাখা বোমা ফেটে যায়। বোমা ফাটার শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং দেখেন দুইজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সামসেরগঞ্জ থানার জনৈক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৫
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মেনে মুর্শিদাবাদে শুভেন্দু, দিলেন নিরাপত্তার আশ্বাস

শর্তসাক্ষেপে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি মিলতেই শনিবার মুর্শিদাবাদে সফরে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন প্রথমে তিনি ধূলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে নামেন। সেখানে দলীয় নেতা ও কর্মীরা তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানান। তারপরে তিনি স্থানীয় নেতৃত্বকে নিয়ে সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনের জেরে হিংসার ঘটনায় জাফরাবাদে বাবা হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাসকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। বিরোধী দলনেতা আজ দাস বাড়িতে যান। সেখান মৃত হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রী এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা করেন। তিনি দুই পরিবারের সদস্যদের হাতে ১০ লক্ষ ১ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, হিংসার ঘটনার পর থেকে জাফরাবাদে ভয়ঙ্কর অবস্থা। গ্রামবাসীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই এলাকায় বিএসএফ ক্যাম্প ও এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে। তিনি এই বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দাস পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর ১০ লক্ষ টাকা প্রত্যাখ্যান করেছে কিন্ত আমার ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেছে। কাজেই দাস পরিবারের কাছে মুখ্যমন্ত্রী ব্রাত্য, আমাকে গ্রহণ করেছেন। জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে দিঘির পাড়ে যান। সেখান থেকে বেতবোনায় পৌঁছন। সেখানে কিছুক্ষণ থেকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিংসা বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। গ্রামবাসীরা তাঁকে নিরাপত্তার দাবি জানায়। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
রাজ্য

শেষমেষ পুলিশের জালে মালদার তৃণমূল নেতা খুনের মাস্টামাইন্ড

প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত। শেষমেশ পুলিশের জালে মালদার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।বৃহস্পতিবার কৃষ্ণ রজক ওরফে রোহানকে বিহারের কাটিহার থেকে গ্রেফতার করে মালদা পুলিশ। বিহারের পুলিশ ও গোয়েন্দা অফিসারদের সহযোগিতা নিয়েই বাবলা সরকার খুনের মূল চক্রীকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার মালদা নিয়ে আসা হয়। এদিন ধৃতকে মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় আরও এক অভিযুক্ত বাবলু যাদবকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কৃষ্ণ এবং বাবলুর বিরুদ্ধে বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ২ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল মালদা জেলা পুলিশ।এদিকে বাবলা সরকার খুনের মাস্টারমাইন্ড কৃষ্ণ রজক গ্রেফতার হতেই ফের নতুন করে বড়মাথার তথ্য উঠে আসতে শুরু করেছে। নিহত বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকার বলেন, পুলিশ ভালো কাজ করেছে। ধৃত কৃষ্ণ রজক গ্রেফতার হওয়ার পর এতদিন যারা আড়ালে অথবা অন্তরালে রয়ে গিয়েছে, তাদের নাম হয়তো উঠে আসতে পারে। মালদার একজন জনপ্রিয় নেতাকে তার এলাকায় ঢুকে দিনের আলোতেই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন করছে দুষ্কৃতীরা। এত বড় সাহস হয় কি করে? অবশ্যই এর পিছনে বড় কারও প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি বাবলা সরকার নিজের এলাকা মহানন্দাপল্লিতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন। একটি মোটর বাইকের করে আসা চারজন দুষ্কৃতী তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারের গাড়ি ধাওয়া করেই মহানন্দাপল্লীতে এসে তাঁকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। এই ঘটনার পর ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং একদা সিপিএমের নেতা স্বপন শর্মা, বিহারের তিন পেশাদার খুনিসহ মোট আটজন গ্রেফতার হয়েছিল। কৃষ্ণ রজক গ্রেফতারের পর সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো মোট ৯ জন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত কৃষ্ণ রজকের বাড়ি ২২ নম্বর ওয়ার্ডের রেল কলোনি এলাকায়। পেশায় গোয়ালা কৃষ্ণ রজক মানুষের বাড়ি বাড়ি গরুর দুধ সরবরাহ করত। একটা সময় গরুর দুধ সরবরাহের কাজ বন্ধ করে জমি জায়গার ব্যবসায় নেমে পড়েছিল অভিযুক্ত কৃষ্ণ রজক। কোনও কারণবশত বাবলা সরকারের সঙ্গে অভিযুক্তের জমি জায়গার টাকা পয়সা হিসাব নিয়ে গোলমাল হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা পুলিশের। পাশাপাশি গরুর দুধ বাড়ি বাড়ি সরবরাহ করার ক্ষেত্রেও পরিচয় হয়েছিল ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মার সঙ্গে কৃষ্ণ রজকের। বাবলা সরকার খুনের ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে এই কৃষ্ণ রজকের সঙ্গে ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মার ফোনে একাধিকবার কথা হয়েছে। তাদের বাড়িতেও যাতায়াত ছিল, সিসিটিভি ফুটেছে সেই তথ্য উঠে এসেছে। কিন্তু তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় যে ৫০ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছিল, মূলত সেই টাকা এই কৃষ্ণ রজক এবং আরেক অভিযুক্ত বাবলু যাদবের হাত দিয়েই সরবরাহ করা হয়। এত মোটা অংকের টাকা কোথায় পেয়েছিল তারা। সেটি নিয়েও এখন উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে জেলা পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, বাবলা সরকার খুনের ঘটনার পর কৃষ্ণ রজক এবং বাবলু যাদবের গ্রেফতারের জন্য দুই লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। কৃষ্ণ রজক গ্রেফতার হলেও এখনপ গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে বাবলু যাদব। মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, বিহারের কাটিহার থেকে বাবলা সরকার খুনের মূল অভিযুক্ত কৃষ্ণ রজককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাবলু যাদবের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

"ভারত সেরা" ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, ঘোষণা ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানের

মহিলা ফুটবলে ভারত সেরা ইস্টবেঙ্গল। সেই উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কি বলেছেন এদিনের অনুষ্ঠানে:-ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে আমার অন্তরের আত্মিক সম্পর্ক। এই ক্লাব একাধিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১০০ বছর অতিক্রম করে বাংলার ফুটবলকে যে সম্মানের জায়গায় প্রদর্শিত করেছেন তার জন্য আমি গর্বিত। সদ্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মহিলা ফুটবল টিম ভারতসেরা IWL জয়ী হয়েছে, আমি তাদের প্রতি বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলাম। ইস্টবেঙ্গল মহিলা টিমের এই সফল্যে বাংলা আজ গর্বিত। তাদের খেলার সার্বিক বিকাশের জন্য আজকের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে ৫০ লক্ষ টাকা তুলে দিলাম। এছাড়াও রবীন্দ্রসদনের এই মঞ্চে প্রকাশ করলাম পরিচালক গৌতম ঘোষের তৈরি শতবর্ষে ইস্টবেঙ্গল নামে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাসের একটি তথ্যচিত্র।আমি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার খেলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন একাডেমি গঠন করার কাজ শুরু করেছিলাম। বাংলায় প্রায় ৮টি একাডেমি তৈরি করেছি। ফুটবল খেলায় বাংলাকে সম্মানের উচ্চস্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ক্লাবকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছি। পূর্বে খেলার জন্য বরাদ্দ ছিল ১২৬ কোটি টাকা, বর্তমানে ৬ গুণ বেড়ে হয়েছে ৮৪০ কোটি টাকা। আমরা ৪৪টি যুব আবাস, ৩৪টি স্টেডিয়াম, ৭৯৫টি মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম, ৪ হাজারের বেশি মাল্টি জিম গড়ে তুলেছি। ৪০০-র বেশি খেলার মাঠের উন্নয়ন করা হয়েছে। সুইমিং পুল গড়ে তোলা হয়েছে ৬টি। রাজ্যের যুব আবাসগুলিতে ৪,৮০০ বেশি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলাশ্রী প্রকল্পের আওতায় বাংলার ৩৪ হাজার ক্লাবকে আমরা ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। এছাড়াও ৩৪টি ক্রীড়া সংস্থাকে বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা করে প্রদান করি। আমি সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী ২১ জন খেলোয়াড়কে পুলিশের চাকরির মানপত্র তুলে দিয়েছি। ভালোবাসা, ভালোলাগার খেলাকে যাতে আরও সুন্দর ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এবং আগামীতে নিজেদের পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে প্রস্তুত করে, তার জন্য আমাদের সরকার সবসময় বাংলার যুবক-যুবতীর পাশে আছে। আগামী দিনে বাংলার যুব সমাজ ক্রীড়াতে ভারত তথা বিশ্বের কাছে বাংলার নাম আরও উজ্জ্বল করবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
রাজ্য

বাড়ি ফিরলেন মুর্শিদাবাদের বেতবোনা গ্রামের ঘরছাড়ারা

নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে সামসেরগঞ্জের বেতবোনা এলাকা থেকে মালদার পারলালপুর গ্রামে চলে গিয়েছিলেন প্রায় ৮৫ টি পরিবার। আজ রবিবার ওপার থেকে সবকটি পরিবার পুনরায় নিজের বাড়ি ফিরে আসেন তারা। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার আনন্দ রায়ের নেতৃত্বে এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, সামসেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে তাদের নৌকা ঘাটে নিয়ে আসা হয়। ধুলিয়ান কাঞ্চনতলা গঙ্গা ঘাট থেকে নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। রবিবার সন্ধ্যার চিত্র। এই মুহূর্তে পারলালপুরের আশ্রয় ক্যাম্পে আর কোনো পরিবার নেই।

এপ্রিল ২০, ২০২৫
রাজ্য

শনিবার মুর্শিদাবাদে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস শনিবার মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ থানার জাফরাবাদে মৃত বাবা-ছেলে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসের বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ওইদিন ঠিক কি হয়েছিল সেই বিষয়ে জানতে চান। এদিকে রাজ্যপালকে সামনে পেয়ে দাস পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি তাদের কথা মন দিয়ে শোনেন এবং বোঝার চেষ্টা করেন। রাজ্যপাল তাদের সান্ত্বনা দেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। দাস বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল জাফরাবাদের আরও ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ঘুরে দেখেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বাস দেন। প্রায় ৪০ মিনিট তিনি জাফরাবাদ গ্রামে ছিলেন। এরপরেই তিনি জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে যান। এদিকে শনিবার রাজ্যপাল সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদ আসছেন এই খবর পেতেই সকাল থেকে বেতবোনা গ্রামের বাসিন্দারা রাস্তায় জমায়েত হয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু রাজ্যপাল জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে বেতবোনায় না দাঁড়িয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এই ঘটনায় বেতবোনার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাজ্যপালের কনভয়ের নিরাপত্তা রক্ষীদের গাড়ি আটকে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে রাজ্যপাল বেতবোনায় ফিরে আসেন এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর বহরমপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। রাজ্যপাল বলেন, সামসেরগঞ্জে যা ঘটে গেছে সেটা যেকোন সভ্য সমাজের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক। কিছু দুর্বৃত্ত এটা ঘটিয়েছে। বহু পরিবার ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা আতঙ্কের মধ্যে ছিল। তবে রাজ্য পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এই মুহুর্তে তাদের প্রধান তিনটি দাবি হল- ন্যায়বিচার, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বিএসএফ ক্যাম্প। একজন রাজ্যপাল হিসেবে রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয় করে ওখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও শান্তি ফিরিয়ে আনা আমার দায়িত্ব। বিকেলে বহরমপুর কোর্ট স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্যপাল।এদিকে এদিন সকালে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান সহ ছয় সদস্যের দল বেতবোনা, জাফরাবাদে যায়। মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান বিজয়া কিশোর রোহতকার বলেন, ওই এলাকার পীড়িতদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সমস্ত ঘটনা তুলে ধরেছেন। সত্যি কয়েকদিন তাদের ভয়ঙ্কর ও বিভীষিকাময় অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর রায় এবং মালদার কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান সামসেরগঞ্জে দাস পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। প্রথমে দাস পরিবারের সদস্যরা কংগ্রেস নেতাদের বাড়িতে ঢুকতে না দিলেও পরে তারা বাড়িতে ঢোকেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সামসেরগঞ্জ ও সূতির ঘটনার পিছনে তৃণমূল ও বিজেপির হাত রয়েছে বলে দাবি করেন। মৃত হরগোবিন্দ দাসের জামাই বিশ্বজিৎ দাস হিংসার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের পাশাপাশি গ্রামে বিএসএফ ক্যাম্পের দাবি জানিয়েছেন।

এপ্রিল ২০, ২০২৫
রাজ্য

সামসেরগঞ্জে বাবা ছেলে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই

র্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে বাবা ও ছেলে খুনে গ্রেফতার দুই। এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন বীরভূম ও সুতি এলাকা থেকে কালু নাদাব ও দিলবার নাদাব নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওয়াকাফ বিক্ষোভের মাঝেই ১২ এপ্রিল কুপিয়ে খুন করা হয় হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাস নামে দুই পিতা ও পুত্রকে। জানা গিয়েছে ধৃতদের বাংলাদেশ পালানোর পরিকল্পনা ছিল। এখন পর্যন্ত ২২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১০৯৩ টি সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ফেক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। সমগ্র পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্য পুলিশ বিএসএফ সিআরপিএফ টহলদারি করেছে। আর নতুন করে কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৫
রাজ্য

প্রাণ বাঁচানোর তাগিদ, মুর্শিদাবাদ থেকে গঙ্গা পার হয়ে মালদার বৈষ্ণবনগর

নৌকায় নদী পার হয়ে প্রাণে রক্ষা পেলেন কয়কশো মানুষ। মুর্শিদাবাদের অশান্তির পরিবেশ থেকে জীবন বাঁচাতে গঙ্গা পার হয়ে অসংখ্য আতঙ্কিত মানুষ আশ্রয় নিল মালদার বৈষ্ণবনগর থানার পারলালপুর এলাকায়। রবিবার সকাল হতেই ধুলিয়ান গঙ্গার ঘাট থেকে নৌকা করে শতাধিক মানুষেরা প্রাণ বাঁচাতে মালদায় এসে আশ্রয় নেয়। মালদার পারলালপুর হাইস্কুলে নির্যাতিত মানুষদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে প্রশাসন। এদিন চোখে মুখে একরাশ আতঙ্ক নিয়ে ধুলিয়ানের বাসিন্দা পারুল মন্ডল, নমিতা মন্ডলেরা বলেন, দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি সব লুট করে নিচ্ছে। বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাড়ির জলের ট্যাংকিতেও বিষ মিশিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে রীতিমতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা করে মালদায় এসে জীবন বাঁচিয়েছি। কয়েকদিন ধরে ধুলিয়ান সহ আশেপাশের এলাকায় দুষ্কৃতীদের তান্ডবে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বাড়িতে চাল নেই, রান্নার গ্যাস শেষ হয়ে গিয়েছে। কোনও কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একদল দুষ্কৃতী প্রকাশ্যে তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। মূলত মহিলারা নিজেদের জীবন বাঁচাতেই নৌকায় নদী পার করেই মালদায় চলে আসছেন। এদিন আমাদের মতোন অসংখ্য মানুষ ধুলিয়ান থেকে নৌকা করে মালদার পারলালপুর হাইস্কুলে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। ঘরবাড়ি সব পড়ে আছে। বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র লুট করেছে দুষ্কৃতীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনরকম সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এখন সবাই জীবন বাঁচাতেই এদিক সেদিক ছুটছে। এদিন ধুলিয়ানের বেদবনা এলাকার বাসিন্দা অনন্ত সন্ন্যাসী বলেন, আমার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গবাদি পশু লুট করেছে দুষ্কৃতীরা। হঠাৎ করে কেন এরকম অরাজকতা তৈরি হলো কিছুই বুঝতে পারছি না। দিনদুপুরে হাতে অস্ত্র নিয়ে তান্ডব চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। মূলত মহিলাদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। গত তিনদিন ধরে বাড়ির বাইরে বের হতে পারি নি। দিনমজুরি করে সংসার চালায়। হাতে কাজ নেই। বউ, ছেলে , মেয়ে নাতিনাতনি সবাই রয়েছে । কাজ না করলে সংসার চালবে কি করে? কিন্তু এই অশান্তির পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে বের হতে পারছি না। তার মধ্যে ওরা দল বেঁধে শনিবার রাতে বাড়িতে ঢুকে সমস্ত কিছু লুট করে নিয়েছে। অল্পের জন্য আমরা পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছি। শনিবার রাতের এমন ঘটনার পর এদিন সকালে কোনরকমে নৌকা করে গঙ্গা নদীর ঘাট পার হয়ে মালদার পারলালপুর হাইস্কুলে আশ্রয় নিয়েছি। জানি না কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ঘরবাড়ি সবই চলে গেল। পার পারলালপুর এলাকার বাসিন্দা শ্রীমন্ত বিশ্বাস জানিয়েছেন, সকাল থেকেই অসংখ্য মানুষ ধুলিয়ানের গঙ্গার ঘাট হয়ে নৌকা করে মালদার পারলালপুরে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। কেউ স্কুলে উঠেছেন । আবার কেউ নিজেদের আত্মীয়র বাড়িতে ছুটে গিয়েছেন। এইসব মানুষদের আপাতত খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটা আন্দোলনের নামে এরকম অরাজকতা চলছে । অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনরকম কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। মালদা সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং জানিয়েছেন, ধুলিয়ান থেকে নৌকা করে এখনো পর্যন্ত ১৭০ জন মানুষ পারলালপুর হাইস্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন। মুর্শিদাবাদের কয়েকটি এলাকায় বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যই এমন ঘটনা ঘটেছে। এসব মানুষদের প্রশাসনিক ভাবে খাওয়ার সহ ত্রাণ বিলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট স্কুল ক্যাম্পে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৫
রাজ্য

ওয়াকফ নিয়ে প্রতিবাদে উত্তেজনা, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

অশান্ত মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সেনা নামানোর আবেদন জানান তিনি। শুভেন্দুর সেই আবেদনে মান্যতা দিল দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি আদালত এদিন বলেন, মুর্শিদাবাদে শান্তি-সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনাই এখন প্রথম অগ্রাধিকার। বিএসএফকে ডাকা হলেও কাজ করতে দেয়নি জেলাশাসক এমনই অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আইনজীবীর। এরপরই কোন কোন জেলা স্পর্শকাতর জানতে চান বিচারপতি। রাজ্যের তরফে এদিনের সওয়াল-জবাবে জানানো হয়েছে গোটা ঘটনায় ১৩৮ জন গ্রেফতার, এডিজি পদমর্যাদার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে অবস্থান জানতে চান হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। গ্রন্থাগার মন্ত্রী বলেছেন অশান্তি ছড়িয়ে দেবে হবে, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। এপ্রসঙ্গে গতকাল আমতলা থানার উল্লেখ। সরকারের তরফে যে বক্তব্য পেশ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর আইনজীবীর। সওয়াল জবাব শেষে বিরোধী দলনেতার আবেদনকে মান্যতা দিয়ে অশান্ত মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। শান্তি ফেরাতে পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, এমনটাই জানানো হয়েছে আদালতের তরফে।

এপ্রিল ১২, ২০২৫
রাজ্য

ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ, বাবা-ছেলে সহ মৃত ৩

কাল সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের সুতির সাজুর মোদের আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশের গুলি এবং সেইগুলিতে গুরুতর জখম অবস্থায় চুতির কাশেম নগরের ইজাজ আহমেদ ২১ বছরের যুবক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে তাকে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কা জনক অবস্থা থাকা সত্বেও মেডিকেল বোর্ড গঠন করার পরে আজ তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে গতকাল সন্ধ্যায় ধুলিয়ানে ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক হামলা এবং লুটপাট চালায় ধুলিয়ানের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে। গোটা রাত রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর তার বাড়ি থেকে পিতা এবং পুত্রের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহাকুমার হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শামসেরগঞ্জ এর জাফরাবাদ এর বাসিন্দা পিতা হরগোবিন্দ দাস (৭৪)এবং পুত্র চন্দন দাস (৪০)। তাদের বাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। Ui বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, বাড়তি ঢুকে হামলা চালিয়ে খুন করা হয়েছে দুজনকে।

এপ্রিল ১২, ২০২৫
রাজ্য

ওয়াকফ আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ, জঙ্গিপুরের পর এবার রণক্ষেত্র সূতি

ওয়াকফ সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় লাগাতার বিক্ষোভ অবরোধ চলছে। এদিন জুম্মার নামাজের পর ওয়াকফ সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা সুতি থানার সাজুর মোড় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর বিক্ষোভ আন্দোলন করতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পাল্টা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট বৃষ্টি শুরু করে আন্দোলনকারীরা। ফলে জাতীয় সড়ক রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। ঘটনায় জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং লাঠি চার্জ করে। সূত্রের খবর, আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিসের গাড়ি, বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। জাতীয় সড়কে দাউ দাউ করে পুলিসের গাড়ি জ্বলতে থাকে। আন্দোলনকারীদের ছোড়া পাথর, ইটের ঘায়ে বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হয়। অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিস বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। আন্দোলনকারী ও পুলিসের সংঘর্ষে জাতীয় সড়কে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এদিকে ওয়াকফ আইন বিরোধীরা সামসেরগঞ্জের ধূলিয়ানে একাধিক দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় বলে জানা গিয়েছে। পূর্বরেল সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ ধূলিয়ানে গঙ্গা স্টেশনে ঢোকার মুখে রেললাইনে জমায়েত হন। ফলে কামাক্ষ্যা-পুরি এক্সপ্রেস সহ বেশ কয়েকটি এক্সপ্রেস কয়েক ঘন্টা আটকে থাকে। পরে কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয় এবং কয়েকটি যাত্রাপথ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিএসএফ নামানো হয়েছে। পুরো এলাকা বিএসএফ দখল নিয়েছে। এই মুহুর্তে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

অবশেষে মোথাবাড়িতে হাজির শুভেন্দু, আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে কথা

অবশেষে মোথাবাড়ি এলেন শুভেন্দু। হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শুক্রবার মালদার মোথাবাড়ি গেলেন বিধাসনসভার বিজেপি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, গত ২৮শে মার্চ মালদার মোথাবাড়িতে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। এই গন্ডগোলে বেশকিছু দোকানপাট, বাড়ি ঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। তাই আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে এবং কথা বলতেন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন। তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে মালদার মোথাবাড়িতে যান বিধানসভার বিজেপি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজকেই মালদাহে জেলা শাসকের অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

মালদা বালি চুরি আটকাতে প্রশাসন তৎপর, মূল পাচারকারী অধরা

বেআইনিভাবে মহানন্দা নদীর চর থেকে বালি চুরির অভিযোগে অভিযান চালালো জেলা প্রশাসন । বৃহস্পতিবার সকালে ইংরেজবাজার থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে মালদার সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং সহ প্রশাসনের কর্তারা এই অভিযানের সামিল হয়। অভিযানের সময় কয়েকটি বালি বোঝায় ট্রাক্টর আটক করেছে পুলিশ। যদিও বেআইনিভাবে এই বালি পাচারের ঘটনায় শীস মহম্মদ এক কারবারি কে ধরতে পারে নি পুলিশ । অভিযানের আগাম খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাই বলে অভিযোগ।এদিন সকালে ইংরেজবাজার ব্লকের যদুপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর এলাকার মহানন্দা নদীর ঘাটে বেআইনি বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়পুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যে চলছিল বালি লুটের কারবার। দিনভর নদীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল জেসিবি আর ট্রাক্টর। সবমিলিয়ে দৈনিক বিপুল টাকার কারবার চলার অভিযোগ ওঠে। যদুপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর এলাকায় স্থানীয়ভাবে মহানন্দার ঘাটটি মেলা ঘাট নামে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে নদীবক্ষ থেকে জেসিবি দিয়ে তোলা হচ্ছে বালি। এরপর ট্রাক্টরে বোঝাই করে নিয়ে গিয়ে জমা করা হচ্ছে খানিক দূরে প্রায় নির্জন এলাকায়। এখানে বিপুল পরিমাণ বালির মজুত ভান্ডার দেখে সহজেই বোঝা সম্ভব কি বিপুল পরিমাণ বালি লুট হচ্ছে নদী থেকে। উচ্চমানের না হলেও এই ধুস বালির চাহিদা প্রচুর। নতুন বাড়ি তৈরির সময় ভিত থেকে রাস্তা নির্মাণ বহু ক্ষেত্রেই এই বালির ব্যবহার হয়। যা প্রতি টলি পিছু সাতশো থেকে এক হাজার টাকা হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এদিন মালদার সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্তর থেকে রায়পুর এলাকার মহানন্দা নদীর চরের বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছিল । সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন সকালে ইংরেজবাজার থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা উঠে এসেছে। এই নদীর চরে বেআইনিভাবে বালিশ পাচারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার শীস মহম্মদ নামে একজন ব্যক্তির জড়িত রয়েছে বলেও জানতে পেরেছি। যদিও তাকে খোঁজ করে পাওয়া যায় নি । এদিন কয়েকটি বালি বোঝায় ট্রাক্টর আটক করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক দেবাহুতি ইন্দ্র জানিয়েছেন, রাজস্ব ফাঁকি দিয়েই বেআইনিভাবে নদীর চরের বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন প্রশাসনিক ভাবে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জরিমানার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

অতীতের ঘটনা ভেবে সাবধান রেল, সুরক্ষায় নজর জঙ্গিপুর স্টেশনে

এবার রেল তার সুরক্ষা বাড়ালো জঙ্গিপুর রোড রেল স্টেশনে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৪০ জন নিউ জলপাইগুড়ি ডিভিশনের RPSF স্পেশাল ফোর্সের জওয়ানদের মোতায়েন করলো জঙ্গিপুর স্টেশনে। মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ওয়াকফ সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ধুন্দুমার কান্ড ঘটে। জঙ্গিপুর মহকুমার রঘুনাথগঞ্জের ওমরপুর মোড় এলাকায়। রীতিমত আন্দোলনকারীরা দুটি পুলিশ গাড়ি সহ একাধিক গাড়ির আগুন লাগিয়ে দেয়। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয় পুলিশ উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে টি আর গ্যাস, লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলা জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরবর্তী ক্ষেত্রে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারপর থেকেই জঙ্গিপুর মহকুমা জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা এবং ১৪৪ ধারার বিএনএস আইন প্রয়োগ করে ১৬৩ ধারা লাগু করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধে ছটা পর্যন্ত এই ইন্টারনেট পরিষেবা এই এলাকাগুলো জুড়ে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন। তার মধ্যেই রেলওয়ের জলপাইগুড়ি ডিভিশনের পক্ষ থেকে স্টেশন চত্বরে সুরক্ষা ব্যবস্থা বাড়ালো রেল বিভাগ। উল্লেখ্য গত পাঁচ বছর (2019, DECEMBER)আগে গোটা দেশ জুড়ে CAA NRC-র প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি ট্রেনে অগ্নিসংযোগ করেছিল। এবং মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকটি রেলওয়ে স্টেশনে রেললাইন উপড়ে ফেলা হয়েছিল। যার ফলে সেই মেরামতি করতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রায় দুই থেকে তিন মাসের বেশি সময় লেগেছিল। পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছিল যাত্রী সাধারণকে। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর রোড রেলওয়ে স্টেশন সহ আরও দুটি রেলওয়ে স্টেশনে ১২০ জন আরপিএফএসএফ স্পেশাল জামান মোতায়ন করল রেলওয়ে দপ্তর।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

মালদা চাকরি হারাদের আন্দোলনে উত্তপ্ত

মালদা: মালদায় চাকরি হারাদের ডিআই অফিস ঘেরাও ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। ডি আই অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ চাকরি হারাদের। আর তাতে বাধা দিতেই পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি চাকরি হারাদের। ঘটনা ঘিরে আজ সকাল থেকেই চরম উত্তেজনা মালদাহের অতুলচন্দ্র মার্কেট এলাকায় অবস্থিত ডি আই অফিস চত্বরে। ইংরেজবাজার শহরের অতুল মার্কেট সংলগ্ন জেলা শিক্ষা দপ্তরে ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মসূচি ডাক দেয় যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মী মঞ্চ।এদিন শতাধিক চাকরিহারা তরুন, তরুনীরা মিছিল করে জেলা শিক্ষা দপ্তরের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতেই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে বলে অভিযোগ । আর তারপরেই শিক্ষা দপ্তরের ভেতরে ঢুকেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন চাকরিহারা প্রার্থীরা। সেই সময় পুলিশের সাথে ঘস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। রীতিমতো চরম উত্তেজনা পরিস্থিতি তৈরি হয় জেলা শিক্ষা দপ্তর চত্বরে। রাজ্য সরকার ও শিক্ষা দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও এদিন প্রতিবাদে সোচ্চার হোন চাকরিহারা প্রার্থীরা। পাশাপাশি পুলিশি বাঁধার মুখে প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা শিক্ষা দপ্তরের সামনেই অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন প্রতিবাদীরা।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজ্য

অনগ্রসর শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঠমুখী করার অভিনব প্রচেষ্টা পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের

ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রদান করে স্কুল ছাত্রদের মাঠমুখী করার মহান উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের। ৭ই এপ্রিল ২০২৫ সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-২ ব্লকের সাহেব ডাঙ্গা, খান্ডারী ডাঙ্গায় পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুল এবং হোস্টেল ছাত্রদের বই ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক ও জেলা সমাহর্তা আয়েশা রানী এ (আইএএস), উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রতীক সিং (আইএএস), সদর উত্তর মহুকুমাশাসক তির্থঙ্কর বিশ্বাস, আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল।এই মহান উদ্যোগটি মূলত পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে সংগঠিত হয়। জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ও জেলাশাসক আয়েশা রানী এ-র তত্ত্বাবধানে অনগ্রসর শ্রেণীর উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প সংগঠিত হয়। এটিও অনগ্রসর অনগ্রসর শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও মাঠমুখী করার এক আভিনব প্রচেষ্টা। তিনি আরও জানান এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবাসিক স্কুল এবং হোস্টেলের ছাত্রদের ক্যারাম বোর্ড, ফুটবল, ভলিবল, বাস্কেট বল, ক্রিকেট সরঞ্জাম, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট-র মত আউটডোর গেমের সরঞ্জামের সাথে-সাথে লুডো, দাবা সহ বাচ্চাদের খেলার সামগ্রীও প্রদান করা হয়। তিনি তাঁর স্বাগত ভাষণে এই মহান উদ্যোগের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও আবাসিক স্কুল এবং হোস্টেলের ছাত্রদের বিভিন্ন রেফারেন্স ও গল্পের বই বিতরণ করে তাদের শিক্ষার প্রসারেও উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশিষ্টজনেদের মতে ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেট যেভাবে বিশ্বকে মুঠবন্দি করতে শেখায়, সাথে সাথে পরিবেশ পরিজন দের থেকেও তাদেরকে অনেক দূরে ঠেলে দিচ্ছে, বাচ্চারা ক্রমশ গৃহ বন্দী হয়ে পড়ছে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসনীয়। অনগ্রসর অনগ্রসর শ্রেণীর অনেকেই অর্থের অভাবে ক্রীডা সরঞ্জাম ক্রয় করতে আপারগ, তাই তারা সেভাবে মাঠমুখী হয় না। সেক্ষেত্রে এই শুভ উদ্যোগের জন্য বাংলার অনেক ছাত্র ছাত্রী নতুন উন্নত ক্রীড়া সরঞ্জাম পেয়ে পূর্ণ উদ্যমে সবুজ মাঠ মাতাবে এই আশা করায় যায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 85
  • 86
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়া ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কীর্তি আজাদকে কড়া জবাব গম্ভীরের

ভারতের টি-কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্বকাপ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন উনিশশো তিরাশি সালের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁর সেই মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই বিতর্কে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উইকেটরক্ষক ঈশান কিষানও।ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই। ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহও। এই ঘটনাকে ঘিরেই প্রশ্ন তোলেন কীর্তি আজাদ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ ট্রফি দেশের সব ধর্মের মানুষের গর্ব। সেই ট্রফি কেন শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে দলের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ও মহম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশ্বকাপ জয়ের পর ঈশান কিষান পাটনা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকরা কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্ত হয়ে ঈশান বলেন, তাঁরা এত পরিশ্রম করে বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং সেই সাফল্য নিয়েই কথা হওয়া উচিত। পরে যখন তাঁকে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানান যে দেশের জন্য এই জয় অত্যন্ত আনন্দের এবং স্মরণীয়।অন্যদিকে কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের প্রশ্নের কোনও গুরুত্ব নেই। ভারতের বিশ্বকাপ জয় বড় ঘটনা এবং সেটাই উদযাপন করা উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করলে দলের পনেরো জন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমকে ছোট করা হয়।এই বিতর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও। তিনি বলেন, একটি দল চাইলে ট্রফি মন্দিরে, মসজিদে বা গির্জায় যেখানেই খুশি নিয়ে যেতে পারে। যদি কেউ নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়। তাঁর মতে, দেশের বড় জয়কে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসের পথ এক। তাই কারও বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

কোমায় পড়ে থাকা যুবকের জীবনের শেষ অধ্যায়, আদালতের অনুমতিতে সরানো হবে লাইফ সাপোর্ট

বারো বছরেরও বেশি সময় ধরে কোমায় থাকা এক যুবকের জীবনরক্ষাকারী কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই যুবকের শরীরে চলা কৃত্রিম জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে।জানা গিয়েছে, হরিশ রানা নামে ওই যুবক দুই হাজার তেরো সালে একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে তাঁকে উপশমমূলক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হবে। সেখানে পরিকল্পনা মেনে ধাপে ধাপে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা তুলে নেওয়া হবে, যাতে তাঁর মর্যাদা বজায় থাকে।এর আগে আদালত ওই যুবকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ কমিটি তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আদালতও এই রিপোর্টকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে।নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায় এমন পরিস্থিতি, যখন রোগীর শরীর বাঁচিয়ে রাখতে যে কৃত্রিম চিকিৎসা বা যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ভেন্টিলেটর বা খাবার দেওয়ার নল। এতে রোগী স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। সক্রিয় ইউথেনেশিয়ার মতো এখানে কোনও প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হয় না, বরং চিকিৎসা বন্ধ করা হয় যখন সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।ভারতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে সুপ্রিম কোর্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই হাজার এগারো সালে অরুণা শানবাগ মামলায় প্রথমবার আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে অনুমতি দেয়। অরুণা শানবাগ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ছিলেন। উনিশশো তেহাত্তর সালে এক নৃশংস আক্রমণের পর তিনি দীর্ঘ সময় কোমায় ছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বন্ধের আবেদন খারিজ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি পথ খুলে দেয়।এরপর ২০১৮ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও সংবিধানের জীবনের অধিকারের অংশ। সেই রায়ে জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের ইচ্ছা আগেই লিখে রাখার ব্যবস্থাও স্বীকৃতি পায়।পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত এই নিয়ম আরও সহজ করে দেয় যাতে পরিবারগুলির জন্য প্রক্রিয়াটি বাস্তবসম্মত হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি বোর্ডকে জানাতে হয় যে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপর আরেকটি চিকিৎসক বোর্ডও সেই মত নিশ্চিত করে। রোগী যদি নিজের মত জানাতে না পারেন, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয় এই প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।হরিশ রানার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal