• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজ্য

পৌষেই কামব্যাক শীতের! কলকাতায় নামতে পারে ১২ ডিগ্রির ঘরে পারদ

স্বাভাবিকের থেকে নীচেই রয়েছে তাপমাত্রা। আগামী দুদিনে পারদ আরও কিছুটা নামতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। কয়েকদিন ধরে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া শীত আবার নতুন করে শক্তি ফিরে পাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সক্রিয় হবে উত্তুরে হাওয়া। আবহবিদদের মতে, এই হিমেল হাওয়াই শীতকে ফের জাঁকিয়ে তুলবে। তাই পৌষ সংক্রান্তির সময় রাজ্য জুড়েই বজায় থাকবে শীতের আমেজ।আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। খুব ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা কম হলেও কিছু এলাকায় বেলা পর্যন্ত কুয়াশা কাটতে দেরি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার কুয়াশার দাপট কিছুটা বাড়বে বলেই পূর্বাভাস।তাপমাত্রার দিক থেকে দেখা যাচ্ছে, দিনের বেলা খুব বেশি পরিবর্তন না হলেও রাতের দিকে পারদ সামান্য নামতে পারে। আবহবিদদের অনুমান, পৌষ সংক্রান্তির দিন তাপমাত্রা আরও খানিকটা কমবে।উত্তরবঙ্গের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তাপমাত্রাও কমবে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় পারদ নেমে যেতে পারে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৮ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।কলকাতাতেও আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রার পরিবর্তন স্পষ্ট হবে। মঙ্গলবার শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পারদ নামতে পারে ১২ ডিগ্রির ঘরে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪৭ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

মালা আগে দিলাম, না হলে চোরেরা দিত! বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিতে গিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ

সোমবার স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে তাঁর বাড়িতে সকাল থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে। ভোরের দিকেই সেখানে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলে সেখানে গিয়ে বিবেকানন্দের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর আগমনকে ঘিরে আগেই এলাকায় পড়ে যায় পোস্টার, যেখানে লেখা ছিল, স্বাগতম যুবরাজ।এই যুবরাজ শব্দটিকেই হাতিয়ার করে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত মজুমদার। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশে মালা দেওয়ার পর তিনি বলেন, যুবরাজ তো আসবেনই, তিনি তো বাংলার রাজপরিবারের অংশ। আমরা তো প্রজা। তাই আমি আগে এসে মালা দিয়ে গেলাম, যাতে অন্তত একজন সৎ মানুষের হাতেই আগে মালা পড়ে। না হলে এই চোরেরা মালা দিলে খুব খারাপ লাগে। কয়লা পাচার, গরু পাচারের সঙ্গে যাঁদের নাম জড়িয়ে, তাঁরা আবার স্বামীজিকে মালা দেবেন, সেটা দেখাও কষ্টকর।সোমবার সকালে সিমলা স্ট্রিটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী শশী পাঁজা। যুবরাজ লেখা পোস্টার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির এই সব মন্তব্য নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্যকে তিনি গুরুত্বহীন এবং ঔদ্ধত্যের প্রকাশ বলেও কটাক্ষ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেই নয়, সিমলা স্ট্রিটে পোস্টার পড়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়েও। বিবেকানন্দের বাড়ির সামনের অংশ জুড়ে তৃণমূলের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত জানানো হয়েছে। আর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি-সহ পোস্টার, যেখানে লেখা রয়েছে, গর্ব করে বল, আমি হিন্দু। এই পোস্টার বিজেপির নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আইটি সেলের পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে বলে পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে।স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সিমলা স্ট্রিটে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি এবং পাল্টা পোস্টার-যুদ্ধ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শ্রদ্ধার আবহে শুরু হয়ে দিনটি শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোরে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
নিবন্ধ

গুরু–শিষ্যের মধুর বন্ধন ও যুবশক্তির আহ্বান, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুবদিবসের প্রাসঙ্গিকতা

ভারতীয় আধ্যাত্মিক ও মননচর্চার ইতিহাসে যে কয়েকটি সম্পর্ক যুগ যুগ ধরে মানবসভ্যতাকে পথ দেখিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ও স্বামী বিবেকানন্দের (তৎকালীন নরেন্দ্রনাথ দত্ত) মধুর গুরুশিষ্য সম্পর্ক। এই সম্পর্ক কেবল আধ্যাত্মিক সাধনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তা মানবকল্যাণ, যুবসমাজের জাগরণ ও জাতিগঠনের এক শক্তিশালী ভিত্তি নির্মাণ করেছিল।সংশয়ী নরেন্দ্র থেকে অগ্নিপুরুষ বিবেকানন্দউনিশ শতকের কলকাতায় পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত, যুক্তিবাদী ও সংশয়ী যুবক নরেন্দ্রনাথ দত্ত ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরে তাঁর আগমন এবং সেখানেই সাক্ষাৎ শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে। নরেন্দ্রনাথের সরাসরি প্রশ্ন আপনি কি ঈশ্বরকে দেখেছেন?এর উত্তরে রামকৃষ্ণদেবের সহজ অথচ দৃঢ় ঘোষণা হ্যাঁ, যেমন তোকে দেখছি, তার থেকেও স্পষ্টভাবেএই একটি কথাই নরেন্দ্রনাথের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ভালোবাসা, শাসন ও বিশ্বাসের অনন্য মেলবন্ধনরামকৃষ্ণদেব নরেন্দ্রনাথের মধ্যে ভবিষ্যতের এক মহান নেতার সম্ভাবনা দেখেছিলেন। কখনও স্নেহে, কখনও কঠোর শাসনে, আবার কখনও নিঃশর্ত বিশ্বাসে তিনি নরেন্দ্রনাথকে গড়ে তুলেছিলেন। নরেন্দ্রনাথও ধীরে ধীরে তাঁর সমস্ত অহং, সংশয় ও ব্যক্তিগত বেদনা গুরুদেবের চরণে সমর্পণ করেন। এই সম্পর্ক ছিল গভীর মানবিকতা ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণযেখানে গুরু শিষ্যকে ঈশ্বরচিন্তায় উদ্বুদ্ধ করেছেন, আবার শিষ্য গুরুর আদর্শকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছেন।রামকৃষ্ণের আদর্শ, বিবেকানন্দের বিশ্বজয়১৮৮৬ সালে রামকৃষ্ণদেবের মহাপ্রয়াণের পর সন্ন্যাস গ্রহণ করে নরেন্দ্রনাথ হলেন স্বামী বিবেকানন্দ। গুরুর বাণীকে পাথেয় করে তিনি ভারতবর্ষের পথে পথে ঘুরে দরিদ্র, নিপীড়িত মানুষের দুঃখ দেখেন এবং উপলব্ধি করেন জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। এই ভাবনাই তাঁকে শিকাগো ধর্মসভায় ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের মুখপাত্র করে তোলে এবং বিশ্বকে নতুন করে ভারতের পরিচয় দেয়।যুবদিবস ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রাসঙ্গিকতাস্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন, ১২ জানুয়ারি, আজ পালিত হয় জাতীয় যুবদিবস হিসেবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তাঁর অদম্য বিশ্বাস আমাকে একশো উদ্যমী যুবক দাও, আমি ভারত গড়ে দেব। যুবসমাজের প্রতি তাঁর আহ্বান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। চরিত্রগঠন, আত্মবিশ্বাস, শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তাএই গুণগুলির মধ্য দিয়েই তিনি যুবকদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের পথে আহ্বান জানিয়েছিলেন।বর্তমান সময়ে যখন হতাশা, মূল্যবোধের অবক্ষয় ও দিশাহীনতা যুবসমাজের একাংশকে গ্রাস করছে, তখন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ নতুন করে পথ দেখায়। তাঁর শিক্ষা বলেনিজেকে বিশ্বাস করো, দেশের জন্য ভাবো, মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করো।রামকৃষ্ণদেব ও স্বামী বিবেকানন্দের সম্পর্ক কেবল একটি গুরুশিষ্যের কাহিনি নয়; এটি এক আদর্শ উত্তরাধিকারের গল্প, যেখানে আধ্যাত্মিক সাধনা সমাজসংস্কারের রূপ নিয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুবদিবস পালন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়যুবশক্তিই জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। সেই শক্তিকে সঠিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে পারলেই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী, মানবিক ও আত্মনির্ভর ভারত।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি মানেই মাতাল? বাঁকুড়ার সভা থেকে বিস্ফোরক মন্তব্য অভিষেকের

শনিবার বাঁকুড়ার একটি সভা থেকে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিষেক দাবি করেন, বিজেপি মূলত মাতাল, মদ্যপ এবং অসভ্য লোকজনের দল। তাঁর এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি শিবিরে ক্ষোভ ছড়ায়।সভা মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, কোনও ভদ্র, শিক্ষিত বা মার্জিত মানুষ বিজেপি করে না। তাঁর দাবি, যারা মদ্যপ, পাতাখোর, গাঁজাখোর, দুনম্বরি বা চোর, তারাই বিজেপিতে রয়েছে। এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল শুরু হয়।এর পাল্টা জবাব দিতে রবিবার ময়নাগুড়িতে সভা করেন বিজেপি সাংসদ ও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। অভিষেকের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, যিনি এই কথা বলছেন, তিনি নিজেই উচ্চশিক্ষিত নন। সুকান্ত দাবি করেন, অভিষেক দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করেই অন্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।সুকান্ত মজুমদার বলেন, বাংলায় বিজেপির মোট ১৩০০টি মণ্ডল রয়েছে এবং তার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ মণ্ডল সভাপতিই গ্র্যাজুয়েট। তিনি আরও জানান, বিজেপিতে বহু শিক্ষিত মানুষ রয়েছেন, যার মধ্যে চিকিৎসক জয়ন্ত রায়ের মতো ব্যক্তিরাও আছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির নেতারা দেশ ও সমাজের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতার প্রমাণ রেখেছেন।এছাড়াও সুকান্ত বলেন, অভিষেক তাঁর এলাকায় এসে অনেক অভিযোগ করেছেন, কিন্তু কখনও তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনও অভিযোগ তুলতে পারেননি। তাঁর মতে, সেটাই বিজেপির শক্তি। সুকান্তের কথায়, যত অভিযোগই করা হোক, বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

কাঁপুনি ধরানো শীতের থাবা! কলকাতা থেকে জেলা—জমাট ঠান্ডায় নাজেহাল বাংলা

নিজস্ব সংবাদদাতা: পৌষ মাসের শেষ লগ্নে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলাসর্বত্রই কনকনে ঠান্ডায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। ভোর ও রাতের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শ্রীনিকেতনে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত এই নিম্নমুখী তাপমাত্রার ধারা বজায় থাকবে।শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা কম। তবে শহরের চেয়ে জেলার অবস্থা আরও কঠিন। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট বেশি। শ্রীনিকেতনের পাশাপাশি বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ পতন অব্যাহত, সেখানে উত্তরবঙ্গে শীতের সঙ্গে জুটেছে ঘন কুয়াশা। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বেলা বাড়লেও কুয়াশা কাটছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রশাসনের তরফে গাড়িচালক ও পর্যটকদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন আবহাওয়ার এই অবস্থার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আরও কয়েকদিন জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করতে পারবেন শীতপ্রেমী বাঙালিরা। যদিও দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকলে রোদ উঠলে ঠান্ডার অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে। তবে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই ফের কনকনে ঠান্ডা ও উত্তুরে হাওয়ার দাপট বাড়বে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী চার-পাঁচ দিন কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

এমন ঠান্ডা কবে দেখেছে বাংলা? শীত কমবে নাকি আরও ভয়ংকর হবে?

এত কনকনে ঠান্ডা সাম্প্রতিক কালে কবে দেখেছে বাংলা, তা মনে করা কঠিন। ঘন কুয়াশা আর দিনের পর দিন রোদ না ওঠায় শীত যেন আরও ধারালো হয়ে উঠেছিল। টানা দুদিন সূর্যের দেখা না মেলায় বাংলার বহু জায়গায় শীতলতম দিনের রেকর্ড তৈরি হয়। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলাগুলিতে একের পর এক নতুন তাপমাত্রার নজির গড়েছে আবহাওয়া। কোথাও কোথাও পারদ নেমে গিয়েছে দুই থেকে চার ডিগ্রির ঘরে।তবে বুধবার সকাল থেকেই পরিস্থিতিতে কিছুটা বদল এসেছে। রোদের দেখা মিলেছে। বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে সূর্য উঠেছে, যদিও সঙ্গে রয়েছে প্রবল হাওয়া। হাওয়া থাকলেও আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, কনকনে শীতের দাপট আপাতত কিছুটা কমেছে। একদিনে কলকাতার তাপমাত্রা এক ডিগ্রিরও বেশি বেড়েছে। আলিপুরে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় এখনও প্রায় ২ ডিগ্রি কম।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকে কলকাতায় আরও ২ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। অর্থাৎ শহরে শীতের দাপট ধীরে ধীরে কমার ইঙ্গিত মিলছে। তবে জেলাগুলির ক্ষেত্রে এখনও স্বস্তির কোনও বার্তা নেই। আলিপুর আগেই জানিয়েছে, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ এবং শীতল দিনের সতর্কতা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদে জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। এই সব জেলায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম থাকতে পারে।এদিন ভোরে শ্রীনিকেতন ও বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা নেমে যায় প্রায় ৭ ডিগ্রির ঘরে। কল্যাণীতে পারদ ছিল সাড়ে ৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। বর্ধমানে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮.৮ ডিগ্রি। পানাগড় ও জলপাইগুড়িতে পারদ ছিল ৯.১ ডিগ্রি। আসানসোলে তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ও মালদহে ৯.৪ ডিগ্রি। উলুবেড়িয়ায় ৯.৫ ডিগ্রি এবং কোচবিহার ও কৃষ্ণনগরে পারদ ছিল ৯.৬ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা উঠেছে ১১ ডিগ্রি এবং আলিপুরে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সব মিলিয়ে শহরে শীতের দাপট কিছুটা কমলেও, জেলাগুলিতে এখনও জাঁকিয়ে ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি কতটা বদলায়, সেদিকেই নজর রাখছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি এবার বিদায় নিতে ভুলে গেল? কলকাতায় ফের ধস নামাল পারদ

শীতের বিদায় এখনও দূরে। ঘুমপ্রিয় মানুষদের যেন আরও কিছুদিন বাড়তি সময় দিল শীত। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। ভোর পেরিয়ে সকাল ছয়টা বাজলেও আলো ঠিকমতো ফুটল না। শীতের আমেজে আঁধার যেন ঘুম ভাঙাতে চায় না। বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না বহু জায়গায়। এই আবহেই কলকাতায় আরও আড়াই ডিগ্রি কমল তাপমাত্রা।সোমবার আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝঞ্ঝা বিদায় নিচ্ছে, ফলে আগামী কয়েক দিনে ঠান্ডা আরও বাড়বে। শহরজুড়ে কাঁপুনি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের দাপট আরও বেশি হবে। সেখানে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতের এই দফা বেশ কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলেই ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের।উল্লেখ্য, বর্ষশেষের ভোরে কলকাতায় পারদ নেমেছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নতুন বছরের শুরুতে অবশ্য তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছিল। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে প্রায় তিন ডিগ্রি বেড়ে রবিবার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ১৪ ডিগ্রিতে। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না। ফের ঠান্ডার গ্রাফ নামতে শুরু করেছে। খুব বড় পরিবর্তন না হলেও আগামী দিনে তাপমাত্রা অন্তত তিন থেকে চার ডিগ্রি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর, কল্যাণী ও শ্রীনিকেতনে পারদ ঘোরাফেরা করেছে ৯ ডিগ্রির আশেপাশে। বাঁকুড়া ও ব্যারাকপুরেও শীতের দাপট স্পষ্ট। বর্ধমান ও আসানসোলে তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি। দমদম ও মালদহে পারদ নেমেছে ১১.২ ডিগ্রিতে। কলকাতার আলিপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

বর্ষবরণের রাতে বিভীষিকা, আগুনে ঝলসে মৃত্যু হিন্দু ব্যবসায়ীর

মাথায় পেট্রোল ঢেলে তাঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর শুরু হয় জীবন-মৃত্যুর লড়াই। টানা তিন দিন সেই লড়াই চললেও শেষ পর্যন্ত হার মানলেন খোকন চন্দ্র দাস। তিনি বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার ডামুড্যা এলাকার বাসিন্দা। বর্ষবরণের রাতে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় খোকনের। তাঁর এক আত্মীয় প্রান্ত দাস জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাঁরা শাহবাগ থানায় যাচ্ছেন। ময়নাতদন্তের কাজ শেষ হলে দেহ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে।হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান বিধান সরকার জানান, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এই সময়ের মধ্যেই খোকন তাঁর উপর হামলা চালানো কয়েক জনের নাম পুলিশকে বলে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।পুলিশি সূত্রে খবর, খোকন দুই অভিযুক্তের নাম বলেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান এবং অন্য জন রাব্বি মোল্লা। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ২৭ ও ২১ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পলাশ সরদার নামে আরও এক জনের নাম উঠে এসেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যায়নি।ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে। খোকন চন্দ্র দাস পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। কেউরভাঙা বাজারে তাঁর একটি ওষুধের দোকান এবং মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ের ব্যবসা ছিল। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে প্রতিদিনের মতো অটো রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় ডামুড্যা-শরিয়তপুর সড়কে কেউরভাঙা বাজারের কাছে তাঁকে অটো থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।অভিযুক্তদের চিনে ফেলায় খোকনের মাথায় পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়রা সেই চিৎকার শুনে ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল তাঁর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মন্দির করে ভুল করছেন মমতা? ভোটের আগে বড় দাবি ফুরফুরার পীরজাদার

সোমবার নিউ টাউনে দুর্গাঙ্গনের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসেই উত্তরবঙ্গে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করা হবে। ভোটের আগে রাজ্যে মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনা ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মুখ খুললেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী। তিনি বলেন, মন্দির বা গির্জা যেমন হবে, তেমনই মসজিদও হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, মন্দির গড়ে মুখ্যমন্ত্রী ভুল পথে হাঁটছেন।দুর্গাঙ্গনের শিলান্যাসের পর ত্বহা সিদ্দিকী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে আশায় একের পর এক মন্দির গড়ছেন, তা পূরণ হবে না। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত দিন যেভাবে কাজ করে এসেছেন, তাতে মন্দির বা মসজিদ তৈরি করার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু এখন তিনি হিন্দু ভোট যেগুলি এদিক-ওদিক হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ফেরাতে চাইছেন বলেই তাঁর এই উদ্যোগ।ত্বহার দাবি, দুর্গাঙ্গন তৈরি হচ্ছে, জগন্নাথ মন্দির তৈরি হয়েছে, কিন্তু কোনও হিন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মন্দির তৈরি করার জন্য বলেননি। অন্য দিকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বারবার মসজিদের দাবি জানিয়েছেন। সেই দাবি কেন পূরণ করা হল না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ত্বহা সিদ্দিকীর মতে, মুখ্যমন্ত্রী ভাবছেন মন্দির তৈরি করে হিন্দু ভোট ফেরানো যাবে, কিন্তু সেই হিসাব ভুল। একই সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে সংখ্যালঘুদের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি।পীরজাদা আরও জানান, হিডকো এলাকায় একটি মসজিদ গড়ার প্রস্তাব তিনি আগেই দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ওই এলাকায় বহু শিক্ষিত মানুষ থাকলেও নামাজ পড়ার জন্য কোনও মসজিদ নেই। তা সত্ত্বেও সেই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি। ত্বহার প্রশ্ন, ওয়াকফের অর্থ দিয়ে কেন মসজিদ তৈরি করা গেল না। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই ১৩টি মন্দির তৈরি হয়েছে, অথচ বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও একটি মসজিদ তৈরি করা হয়নি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
দেশ

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ, বার্তা মোদী থেকে হাসিনা পর্যন্ত

৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে বাংলাদেশ জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ, সর্বত্রই শোকপ্রকাশ করা হচ্ছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি খালেদা জিয়ার পরিবার এবং বাংলাদেশের সমস্ত মানুষের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। সেই সঙ্গে মোদী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের একটি পুরনো ছবি পোস্ট করেন। ২০১৫ সালে ঢাকায় সেই সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য।উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল ভারত। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রতি মুহূর্তে খালেদা জিয়ার সুস্থতার কামনা করছেন এবং ভারত সব ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও। নিজের ফেসবুক বার্তায় তিনি লেখেন, এই জাতি তার অন্যতম অভিভাবককে হারাল। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন ইউনূস।তিনি আরও লেখেন, খালেদা জিয়ার শাসনকালে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও ভাতা প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন তিনি, যা সেই সময়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে ছিল এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।এ দিন শোকবার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌজন্যের বার্তা দেন তিনি। দলের সমাজমাধ্যমে শেখ হাসিনা লেখেন, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতি এবং বিএনপি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি হল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
বিদেশ

শেষ নিঃশ্বাস ঢাকার হাসপাতালে, প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে মঙ্গলবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর থেকে ঢাকার ওই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থা ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছিল। দিন তিনেক আগেও তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। শেষ পর্যন্ত জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে হার মানলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তাঁর মৃত্যুর খবর জানায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে সমাজমাধ্যমে লেখা হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।বড়দিনের দিনই মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরেছিলেন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান। দেশে ফিরে অল্প সময়ের মধ্যেই রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। তখনও চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়েছিল, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল। তবে সেই সময় আশার কথা শোনাতে চেয়েছিলেন তারেক রহমান। শেষ পর্যন্ত সেই আশা আর বাস্তব হল না।বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সময় তাঁর পাশে ছিলেন ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-সহ দল ও পরিবারের একাধিক সদস্য। নির্বাচনের মুখে এই সময় খালেদা জিয়ার মৃত্যু বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে বলেই রাজনৈতিক মহলের মত। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ভিড় জমতে শুরু করে।উল্লেখ্য, ২০২১ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তার পর থেকেই তাঁর শরীর ভেঙে পড়তে শুরু করে। একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে তাঁকে। বিদেশে গিয়ে চিকিৎসাও করাতে হয়েছিল। বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা ও নানা শারীরিক জটিলতা মিলিয়ে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের এই প্রবীণ নেত্রী। গত নভেম্বর মাসে ফের অসুস্থ হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতায় এক ধাক্কায় নামল পারদ! ডিসেম্বরে ফের ‘কোল্ডেস্ট ডে’, কাঁপছে শহর

ডিসেম্বরের শেষে কলকাতা যেন সত্যিই পেল স্যান্টার উপহার। একবার নয়, বারবার কোল্ডেস্ট ডে-র নজির গড়ল শহর। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই অনেকটা নেমে গেল তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মাপকাঠিতে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বড়দিনের দিন থেকেই যার আভাস মিলছিল, এ দিন তা পুরোপুরি টের পেল শহরবাসী। শুধু কলকাতাই নয়, গোটা রাজ্যের নানা জায়গায় বইছে কনকনে উত্তুরে হাওয়া। শীতের দাপটে সকাল-সন্ধে কার্যত জমে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারও সারা দিন জুড়েই থাকবে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা। তবে এখন যে হিমেল উত্তুরে হাওয়া বইছে, তার গতি ধীরে ধীরে কমতে পারে। নতুন বছরের শুরুতেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব বাড়ছে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা। এর জেরে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমলে তাপমাত্রা আরও নামার গতি কিছুটা থামতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।শহর থেকে জেলা, বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্তত ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কুয়াশা কাটার কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যের বিভিন্ন অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ থেকে ৯৯৯ মিটারের মধ্যে। এর ফলে সকালের দিকে রাস্তাঘাটে চলাচলে সমস্যা বাড়তে পারে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।দক্ষিণবঙ্গে যখন শীত জাঁকিয়ে বসেছে, তখন উত্তরবঙ্গেও কড়া ঠান্ডার দাপট স্পষ্ট। গত এক মাস ধরে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৫ ডিগ্রির আশপাশে। কখনও কখনও তা বেড়ে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছলেও শীতের প্রকোপ কমছে না। ওই সব এলাকায় কুয়াশার দাপটও বেড়েছে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৫০ থেকে ১৯৯ মিটারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে শীত আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
বিদেশ

প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান

দীর্ঘ রোগভোগের পর অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বিগত কয়েক দিন ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সঙ্কটজনক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষায় ধরা পড়ে ফুসফুসে সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া। বয়সজনিত জটিলতার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কিডনির কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যাওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছিল। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় শেষপর্যন্ত তাঁকে সিসিইউ-তে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।সোমবারই খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছিল, তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। একাধিক রোগে আক্রান্ত শরীরে একটি চিকিৎসা শুরু করলে অন্য সমস্যার অবনতি হচ্ছিলফলে চিকিৎসকেরা কার্যত কঠিন সমীকরণের মুখে পড়েছিলেন। সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান মাকে দেখতে হাসপাতালে যান। এর আগে তিনি বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে মায়ের আরোগ্যকামনায় প্রার্থনার আবেদন জানিয়েছিলেন।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়া এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হিসাবেই প্রথমে পরিচিত হলেও, স্বামীর মৃত্যুর পর নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচিতি গড়ে তোলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টির হাল ধরে ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে আরও এক দফা, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।নারীশিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁর সরকারের কিছু উদ্যোগ প্রশংসিত হলেও, শাসনামলে দুর্নীতির অভিযোগও উঠে আসে। ২০১৮ সালে একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়। সেই সময় থেকেই একের পর এক শারীরিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন তিনি। চলতি বছরের শুরুতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হলেও, শেষপর্যায়ে ফের বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে বাস্তবায়িত করা যায়নি।একদিকে শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা, অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া, এই দুই নেত্রীর রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে দীর্ঘদিন আবর্তিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতি। খালেদা জিয়ার প্রয়াণে সেই অধ্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের অবসান ঘটল।দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজনেরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

হাড়কাঁপানো হাওয়া, ঘন কুয়াশা আর বরফের আশঙ্কা, বাংলায় শীতের চূড়ান্ত রূপ

বছরের প্রায় শেষ লগ্নে পৌঁছে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে গিয়েছে। উত্তরের দিক থেকে আসা ঝোড়ো ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের দাপট আরও বেড়েছে।সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম। শনিবার ছিল চলতি মরশুমের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন। সেদিন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১২ ডিগ্রির ঘরে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। তবে বছরের শুরুতে ধীরে ধীরে পারদ ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। নতুন বছরে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৪ থেকে ২৫ ডিগ্রির মধ্যে।এই মুহূর্তে কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ থেকে ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে।পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলি যেমন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কলকাতার তুলনায় তিন থেকে চার ডিগ্রি কম তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ওই জেলাগুলিতে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।এদিকে ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কুয়াশার দাপট। আগামী দুদিন দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। বছরের শেষ এবং বছরের শুরুতে কুয়াশা আরও ঘন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দৃশ্যমানতা কমে ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও কঠিন। দার্জিলিঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। সেখানে কুয়াশার প্রভাব অত্যন্ত বেশি। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে ১৯৯ থেকে ৫০ মিটারে নেমে এসেছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শুরুতে দার্জিলিঙ ও কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নতুন বছরের শুরুতে শীতের দাপট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বছরের শেষের দিনে তীব্র শীত, কলকাতা ও পশ্চিম জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নেমে ৮-১২ ডিগ্রি

বছরের শেষের দিনগুলোতে রাজ্যে কড়া শীতের আমেজ বিরাজ করছে। কলকাতার তাপমাত্রা লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। পশ্চিম জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই পরিস্থিতি আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার প্রভাব রয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। বড়দিনের পর থেকেই রাজ্যে শীতের থাবা স্পষ্ট। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭-১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে, উপকূলীয় জেলাগুলিতে ১১-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।২৫ ডিসেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি। এরপর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। আজ শনিবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি, গতকালের দিনের সর্বোচ্চ ছিল ২১.২ ডিগ্রি। মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গজুড়ে ঘন কুয়াশার জন্য আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ ও আগামীকাল রবিবার পার্বত্য এলাকা সহ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটারের নিচে নামতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে দৃশ্যমানতা থাকবে।কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ ও সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৯-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

মন্ত্রীর কন্যার নাম ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও রি-ভেরিফিকেশনের নোটিশ! নতুন করে চাঞ্চল্য

মালদহের মোথাবাড়ির বিধায়ক ও রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বড় মেয়ের নামে এসআইআর-এ রি-ভেরিফিকেশনের জন্য নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী খুবই ক্ষুব্ধ। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নোটিশ সাধারণ মানুষকেও হয়রানির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।মন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর বড় মেয়ে ফিজা বিনতে আলম বর্তমানে আমেরিকায় পড়াশোনা করছেন। ইউএসএ-তে প্রায় দুই বছর ধরে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম থাকার কথা নয়। ২০২৫ সালের তালিকায় নাম রয়েছে। সম্প্রতি এসআইআর শুরুর পর নিয়ম মেনে ফর্ম পূরণ করেছেন ফিজা। বাবার নাম এবং ভোটার কার্ড সংযুক্ত করেছেন তিনি। তারপরও খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁর নাম এসেছে এবং হিয়ারিংয়ের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, এভাবেই বিজেপির প্রভাবেই কমিশন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। আমার মেয়ের নাম-ই শুধু নয়, অনেক সাধারণ ভোটার যথেষ্ট নথি দেওয়ার পরও হিয়ারিংয়ে নোটিশ পাচ্ছেন। এভাবে মানুষকে হয়রানি করে রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কেউ জয়ী হতে পারবে না।এই ঘটনায় জেলা রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জেলা বিজেপি নির্বাচন কমিশনের পাশে দাঁড়ালেও, তৃণমূল কংগ্রেস প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ না করার দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।ফিজা বিনতে আলমের পরিবার সম্পর্কে জানা গেছে, মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের স্বামী মহম্মদ মেহবুব আলম কালিয়াচকের একজন ব্যবসায়ী। তাঁদের দুই মেয়ে রয়েছে, বড় মেয়ে বিদেশে পড়াশোনা করছেন। সাবিনা নিজে মোথাবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক হলেও কালিয়াচকের চাঁদপুরের বাসিন্দা।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

সামশেরগঞ্জে বাবা-ছেলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গত ১২ এপ্রিল, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সামশেরগঞ্জ থানা এলাকার জাফরাবাদ গ্রামের দুই বাসিন্দা হরগোবিন্দ দাস এবং তাঁর ছেলে চন্দন দাসকে উত্তেজিত জনতার একটি দল নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই জোড়া খুনের মামলার তদন্তে গঠিত হয়েছিল একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর ১৩ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জমা পড়েছিল চার্জশিট।আজ রায় বেরিয়েছে মামলার। অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ১৩ জন অভিযুক্তকেই দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি ঘোষণা করেছেন। এখানে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য, গণপিটুনিতে মৃত্যুর ধারায়(যা কয়েক বছর আগে চালু হওয়া নতুন ফৌজদারি বিধিতে ১০৩(২) ধারায় চিহ্নিত হয়েছিল) এটি দেশে দ্বিতীয় conviction.দণ্ডিত ১৩ জনের নাম হলো:১. দিলদার নদাব (২৮), ২. আসমাউল নদাব ওরফে কালু (২৭), ৩. এনজামুল হক ওরফে বাবলু (২৭), ৪. জিয়াউল হক (৪৫), ৫. ফেকারুল সেখ ওরফে মহক (২৫), ৬. আজফারুল সেখ ওরফে বিলাই (২৪), ৭. মনিরুল সেখ ওরফে মনি (৩৯), ৮. একবাল সেখ (২৮), ৯. নুরুল ইসলাম (২৩), ১০. সাবা করিম (২৫), ১১. হযরত সেখ ওরফে হযরত আলী (৩৬), ১২. আকবর আলী ওরফে একবর সেখ (৩০) এবং ১৩. ইউসুফ সেখ (৪৯)।এদের মধ্যে ৫ জনের নাম এফআইআর-এ ছিল। বাকিদের তদন্তে পাওয়া তথ্য এবং তাঁদের ভূমিকার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওড়িশার ঝারসুগুডা, ঝাড়খণ্ডের পাকুড়, বীরভূমের পাইকর, হাওড়া, ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ এবং সুতি-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে এই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তের সময় সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা থেকে প্রাথমিক সূত্র পাওয়া গিয়েছিল। এছাড়া গুগল ম্যাপস লোকেশন ভিজ্যুয়ালাইজেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের মোবাইলের সিডিআর (CDR) ম্যাপে প্লট করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে অপরাধের জায়গায় তাঁদের উপস্থিতি এবং প্রবেশ-প্রস্থানের পথ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করা হয়েছে।অভিযুক্তদের হাঁটার ধরন বা গেইট প্যাটার্ন বিশ্লেষণ (Gait pattern analysis) করা হয়েছিল, যা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া ব্যক্তিদের হাঁটার ধরনের সাথে হুবহু মিলে গেছে। আদালত এই রায়ে ডিএনএ (DNA) প্রমাণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্রে লেগে থাকা রক্তের ডিএনএ-র সাথে মৃত ব্যক্তিদের ডিএনএ মিলে গিয়েছে।এই মামলার সঙ্গে যুক্ত মিঠুন হালদার, ইন্সপেক্টর প্রসূন মিত্র এবং বিভাস চট্টোপাধ্যায়, এই তিন পুলিশ আধিকারিক দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছে বলে অভিনন্দন জানিয়েছে রাজ্য পুলিশ। মাত্র নয় মাসের মধ্যেই দোষীদের শাস্তি সুনিশ্চিত করার জন্য জঙ্গিপুর জেলা পুলিশকেও অভিনন্দন জানিয়েছে উর্দ্ধতন পুলিশ কর্তারা।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাস খু.নের ঘটনায় ১৩ জন দোষী সাব্যস্ত, রায় মঙ্গলবার

সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদ গ্রামে হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাস খু.ন কাণ্ডে ধৃত ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করলো জঙ্গিপুর আদালত। চলতি বছর তাঁদের নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। এই মামলা রায়দান করা হবে মঙ্গলবার। রায়ের দিকে নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের।দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গিপুর আদালতে এই মামলার শুনানি চলে। ফরেনসিক রিপোর্ট, একাধিক সাক্ষী, পুলিশি তদন্ত রিপোর্ট এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন আদালতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য উঠে আসে। যার ফলে মামলা গুরুত্বপূণ মোড় নেয়। চলতি বছরের ১২ ই এপ্রিল সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদ গ্রামে খুন করা হয় হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসকে। সেই সময় হিংত্মাক আন্দোলন চলছিল ওই মুর্শিদাবাদের এই এলাকায়। দীর্ঘ শুনানির পর অবশেষে জঙ্গিপুর আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ১৩ জনকে। এদিন রায় ঘোষণা ও দোষী সাব্যস্ত করার ঘটনায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

ডিসেম্বর ২২, ২০২৫
রাজনীতি

হুমায়ুন কবীরের নতুন দল ‘জেইপি’, মঞ্চ থেকেই একের পর এক হুঁশিয়ারি, ব্রিগেডে জনসভা জানুয়ারিতে

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা খাগারুপাড়া মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করল হুমায়ুন কবীরের নতুন রাজনৈতিক দল জে ইউ পি (JUP)। দল গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই সভাপতি হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর। সভার মঞ্চ থেকেই আগামী বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে একের পর এক বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করেন তিনি।হুমায়ুন কবীর জানান, জেইউপি দলের হয়ে তিনি বেলডাঙা ও রেজিনগর, এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী হবেন এবং ৩০ হাজার ভোটে দুটি আসনেই জয়লাভ করবেন। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জেলার আরও ছয়টি বিধানসভা আসনে দলের প্রার্থী ঘোষণা করেন তিনি।সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, আপনি সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা বাংলার মানুষের মাথায় চাপিয়েছেন। এর জবাব ২০২৬ সালে বাংলার মানুষ দেবে।কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ব্রিগেডে সভা করব। ফিরহাদ হাকিম বেশি বাড়াবাড়ি করলে ব্রিগেড থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিয়ে মেয়র অফিস ঘেরাও করা হবে।সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে হুমায়ুন কবীর বলেন, আজ যারা এখানে এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, জেলায় হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেপুটেশন, জেলার বাইরে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে থানার ইট খুলে নেব।তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করেন, মুর্শিদাবাদ থেকে তৃণমূলকে নিশ্চিহ্ন করে দেব।একই সঙ্গে বিজেপিকেও সতর্ক করে তিনি বলেন, বিধানসভা থেকে মুসলিম বিধায়কদের চ্যাদোলা করে বাইরে ফেলবে, এমন স্বপ্ন দেখবেন না। বিরোধী দলনেতাকেও আক্রমণ করে বলেন, ২০০টি আসনে প্রার্থী দিলে ১০০টি আসন জিতব, তার মধ্যে ২০ জন হিন্দু বিধায়ক থাকবেন।মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে, তাহলে আপনার প্রিয় চ্যানেলে বসুন, আমার মুখোমুখি। সেদিন বাংলার মানুষ দেখবে আপনার মিথ্যাচার।সভা শেষে তিনি আগামী দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন৪ জানুয়ারি: ডোমকল জনকল্যাণ মাঠে জনসভা৫ জানুয়ারি: হরিহরপাড়া এলাকার একটি মাঠে জনসভাএদিনের সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বহু কর্মী-সমর্থক জে ইউ পি দলে যোগদান করেন, যা দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারে হামলার পরও অকুতোভয় কর্তৃপক্ষ, সন্ত্রাসের নিন্দার ঝড় বিশ্বের সর্বত্র

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠল ঢাকায় প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের অফিসে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। দেশের দুটি প্রথম সারির সংবাদপত্রের দফতরে এই হামলার অভিযোগ সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া ছড়িয়েছে সাংবাদিক মহল, নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলির মধ্যে। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে নিন্দার ঝড় বয়েছে অন্যত্র।ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে আসার পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ। পরবর্তীতে হিংসা ছড়িয়ে পরে নানা জায়গায়। নৃশংস ভাবে হিন্দু যুবক খুন থেকে সংস্কৃতি সংগঠনের ওপর হামাল। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের ওপর ক্রমাগত হামলা চলতে থাকে।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকায় অবস্থিত প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের অফিসে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। তারা অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মীদের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। আগুন লাগিয়ে দেয় এই অফিসদুটিতে। যদিও এই ঘটনায় বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতির খবর নেই, তবে আচমকা হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য সংবাদকর্ম ব্যাহত হয়। সংবাদপত্র প্রকাশনা বন্ধ রাখতে হয়। বৃহস্পতিবার রাতে অনলাইন পোর্টালেও আর খবর আপলোড করা যায়নি।হামলার ঘটনার পরপরই বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও সম্পাদকীয় মহল একে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে উল্লেখ করেছে। তাদের বক্তব্য, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি, আর সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখিয়ে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা গভীর উদ্বেগজনক। এই দুই সংবাদপত্র গোষ্ঠীও জানিয়ে দেয় তারা ভয় পায় না। খবর প্রকাশ করতে কোনও পরোয় তারা করবে না। এমনকী দফতরের সামনে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করে।ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসনের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের অফিসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের পক্ষ থেকে পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হুমকি বা হামলার মাধ্যমে সত্য প্রকাশ থামানো যাবে না। তারা দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।আন্তর্জাতিক স্তরেও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের অফিসে হামলার ঘটনা শুধু দুটি সংবাদপত্রের ওপর আঘাত নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ নিয়েই বড় প্রশ্ন তুলে দিল। এখন দেখার, প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতটা দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 80
  • 81
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal