• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Crime

কলকাতা

পুজোর আগে বড় সুখবর! প্যারাটিচার থেকে শিক্ষাবন্ধু, একসঙ্গে বহু কর্মীর বেতন বাড়াল রাজ্য

নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক স্তরের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্যারাটিচার, শিক্ষাবন্ধু, বিশেষ শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকে ও এমএসকে-র সহায়ক কর্মী-সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি বন সহায়ক এবং ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।প্যারাটিচারদের বেতন প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক, দুই স্তরেই ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এত দিন প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচাররা মাসে ১১ হাজার ৯৪১ টাকা করে বেতন পেতেন। এবার তা বেড়ে হবে ১৬ হাজার ৯৪১ টাকা। উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচারদের বেতন ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার ৫২৩ টাকা। এই বেতন বৃদ্ধি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক স্তরের ২০ হাজার ৩৪৩ জন এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ২১ হাজার ৮৪৯ জন প্যারাটিচার উপকৃত হবেন। অর্থাৎ দুই স্তর মিলিয়ে বহু প্যারাটিচারের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।শিক্ষাবন্ধুদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২৮০ জন শিক্ষাবন্ধু উপকৃত হবেন। বিশেষ শিক্ষাকর্মীদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতন কার্যকর হবে।শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, বন দফতরের কর্মীদের জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কথা। বন সহায়কদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এই বৃদ্ধি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়াও ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকের সহায়ক এবং এমএসকের সহায়ক কর্মীদের বেতনও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্তরে কাজ করা কর্মীদের একাংশের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। এই বর্ধিত ভাতা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের বদলি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পারস্পরিক বদলির জন্য বিধিবদ্ধ কাঠামো তৈরি করতে নতুন বিল আনা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিলটি বিধানসভায় পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।ফলে একদিকে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণা, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের বদলির জন্য নতুন আইনি কাঠামোদুই ক্ষেত্রেই এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

অজানা ফোন কল থেকে সাবধান! ১ কোটি টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার পান্ডা

পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নামে পরিচয় দিয়ে ডিজিটাল অ্যারেস্টের নাম করে প্রতারণা। গ্রেপ্তার এক। গ্রেপ্তার করলে বিধানগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ পুলিশ সূত্রে খবর সল্টলেক ডিএল ব্লকের বাসিন্দা শম্ভুনাথ চৌধুরী একটি ফোন কল আসে। সেখানে তাকে বলা হয় আপনাকে ডিজিটাল অ্যারেস্ট করা হচ্ছে। আপনি ঘর বন্ধ থাকবেন। কোন আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলা যাবে না। এবং ধাপে ধাপে চারদিন ধরে প্রায় এক কোটি টাকারও বেশি টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক। তিনি প্রতারিত হয়েছেন বলে বুঝতে পেরে সেপ্টেম্বর ২০২৪ এ বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত নেমে নির্মল বিজয় নামে রাজস্থানের বাসিন্দার নাম উঠে আসে। দীর্ঘদিন ধরে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে গতকাল নাগেরবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ।

জুন ২৮, ২০২৫
কলকাতা

ট্যাংরার তিন মহিলা কি পরিকল্পিত খুনের শিকার? কেন এমন কাণ্ড?

আত্মহত্যা না খুন? ট্যাংরার বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের পর এটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন। মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সন্দেহ ক্রমশ বাড়ছিল ৷ খুনের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সেই সন্দেহ আরও ঘণীভূত হয়। এদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর দেখা গেল সেই সন্দেহই কার্যত সত্যি হল৷ খুনই করা হয়েছে ট্যাংরার রোমি দে, সুদেষ্ণা দে ও এক নাবালিকাকে ৷বুধবার ট্যাংরা থানা এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে তিন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ৷ সেই তিনজন রোমি-সুদেষ্ণা ও এক নাবালিকার দেহের ময়নাতদন্ত হয় বৃহস্পতিবার ৷ সেখানে ওই নাবালিকার শরীরে বিষ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান (জয়েন্ট সিপি-ক্রাইম) রূপেশ কুমার ৷ তিনি বলেন, ওই নাবালিকার শরীরে বিষ মিলেছে ।কলকাতা পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী রোমির দুই হাতের কবজির শিরা কাটা ছিল ৷ তাঁর গলা বাঁদিক থেকে ডানদিকে কাটা হয় ৷ রোমির হাতের শিরা যখন কাটা হয়, তখন তিনি বেঁচেছিলেন ৷ সুদেষ্ণাকেও একইভাবে হত্যা করা হয় ৷ অন্যদিকে নিহত নাবালিকার বুক, দুই পা, ঠোঁট-সহ বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। মাথাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে৷ পাকস্থলিতেও রক্তক্ষরণের প্রমাণ মিলেছে ৷ এছাড়া পাকস্থলিতে সামান্য পরিমাণে আংশিকভাবে হজম হওয়া খাবার, হলুদ ও সাদা দানাজাতীয় পদার্থ মিলেছে। যার গন্ধ অনেকটা ওষুধের মতো ৷ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ফরেনসিক তদন্তেও একাধিক তথ্য উঠে এসেছে ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বাড়ি থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার হয়েছে ৷ বেসিনে রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে ৷ ফলে তদন্তকারীদের ধারনা, অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয় ৷ তার পর রক্তমাখা জামাকাপড় বাড়িতে রেখে সাফসুতরো হয়ে বেরিয়ে যান৷এক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন হল, খুন কে করল? আপাতত এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ ৷ সন্দেহের তির প্রাথমিকভাবে দুই ভাই প্রণয় দে ও প্রসূন দের ওপর৷ কারণ, আত্মহত্যার যে তত্ত্ব বুধবার পুলিশকে দিয়েছিলেন এই দুই ভাই, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর অনেকটাই ভুল বলেই তদন্তকারীরা মনে করছে৷বৃহস্পতিবার ওই পরিবারের গাড়ির চালক কৈলাস দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ৷ তার পরই তদন্তকারীদের ধারণা, পুরো ঘটনাই পূর্ব পরিকল্পিত৷ কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দাদের কৈলাস কী জানিয়েছেন? পুলিশ সূত্রে খবর, কৈলাস সোমবার শেষবার ডিউটিতে এসেছিলেন ৷ সকালে বাচ্চাদের স্কুলে ছেড়ে আসেন। পরে সন্ধ্যায় টিউশনে ছেড়ে আসতে যান তিনি। পরে তিনি বাড়ি চলে আসেন।মঙ্গলবার তাঁকে আসতে বারণ করা হয়, পুলিশকে জানিয়েছে কৈলাস৷ কৈলাস সাড়ে ১৫হাজার টাকা বেতন পেতেন ৷ সেই টাকা পেতেও এতদিন কোনও সমস্যা হয়নি ৷ এছাড়া দে পরিবারের কারখানার কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে আর্থিক অনটনের বিষয়ে কোনও তথ্য মেলেনি ৷ ফলে ঋণের যে বিষয়টি বুধবার সামনে এসেছিল, সেটাও সঠিক নয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা ৷এর আগে ট্যাংরায় এই তিনজনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করল পুলিশ। মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিনভর পাওনাদাররা ডাকাডাকি করলেও কেউ দরজা খোলেনি বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীর? এখানেই বড় প্রশ্ন, তাহলে মহিলাদের মৃত্যু কি আরও আগেই হয়েছে? রহস্য ক্রমশ বাড়ছে।কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছিলেন, সুইসাইড নোট কিছু আমরা পাইনি। আসলে কারণ কী, কেন মারা গেছে, সেটা পোস্টমর্টেম থেকে বোঝা যাবে। ভিসেরার কেমিক্যাল পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ। ৩জন মহিলা মারা গেলেন! তিনজন পুরুষ এখনও বেঁচে! এটাও বড় রহস্য।মৃত গৃহবধূ সুদেষ্ণা দে-র বাবার দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ট্যাংরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তার ভিত্তিতেই অজ্ঞাতপরিচয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ব্য়বসায়ে ক্ষতির ফলেই এমন ঘটনা, সেই প্রশ্নও উঠছে। নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে? খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
কলকাতা

খাস কলকাতায় ভয়াবহ কাণ্ড, ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু

সাতসকালেই খাস কলকাতায়, ভয়ঙ্কর ঘটনা, তুমুল চাঞ্চল্য। ট্যাংরায় একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। পথ দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে মিলল এই তিন মহিলার মৃতদেহের খোঁজ। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন ভোরে একটি গাড়ি রুবি হাসপাতালের মোড় থেকে অভিষিক্তার মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি ইএম বাইপাসের উপর কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের পিলারে ধাক্কা মারে। ঘটনার তদন্তে নেমে ট্যাংরার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন মহিলার নিথর দেহ। আদৌ দুর্ঘটনা না আত্মহত্যার চেষ্টা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িতে কোনও ঘটনা ঘটিয়ে তাঁরা গাড়িতে বাইরে বেরিয়ে ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে।পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদের হাতের শিরাকাটা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটে ঘর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিন জনের মধ্যে একজনের স্বামী দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনজনই আত্মঘাতী হয়েছেন। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করা হচ্ছে। তদন্ত নিয়ে মুখে না খুললেও পুলিশের দৃঢ়় ধারনা ওই পরিবারের নিজেদের মধ্যে বড় কোনও সমস্যা আছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
রাজ্য

সাইবার প্রতারকদের ফাঁদ রাজ্যে, ১৫ দিনে ৪৬ জন গ্রেফতার

জামতাড়ার সাইবার প্রতারকদল এখন ছড়িয়ে পড়ছে ঝাড়খণ্ডের বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে। চলে এসেছে বাংলাতেও। সম্প্রতি জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলি থেকে থেকে ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার জানিয়েছেন, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল, বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানের কিছু এলাকা থেকে সম্প্রতি প্রতারণার বিভিন্ন অভিযোগ আসছিল। ব্যাপক হারে ফিসিং। ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের অভিযোগ আসছিল। পশ্চিমের জেলাগুলি থেকে গত এক মাসে প্রায় ২৫০টি সাইবার অভিযোগ জমা পড়ে। ঘন ঘন এত অভিযোগ আসতে থাকায় পদক্ষেপ করে পুলিশ। প্রতারকদের খোঁজে শুরু হয় সাইবার শক্তি অভিযান। ১০টি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দল গঠন করা হয়। ওই এলাকায় ১ মাস ধরে ঘাঁটি করে বসেছিল। বীরভূমের খয়রাশোল থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তখন জানা যায়, এরা জামতাড়া গ্যাংকের সঙ্গে যুক্ত। গত ১৫ দিন তদন্ত করে ৪৬ জন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করেছি। এরা ছোট ছোট গ্যাঙ হয় কাজ করতো।সুপ্রতিম সরকার জানান, এদের প্রত্যেকেরই যোগ রয়েছে জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৮৪টি মোবাইল, ৮৪টি সিমকার্ড, দুটি ল্যাপটপ, একশোর বেশি ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০-এর বেশি ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ড। অভিযান এখনও চলবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫
কলকাতা

নিউটাউনে বীভৎস কাণ্ড, উদ্ধার তরুণীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ

তরুণীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নিউটাউনে। লোহার ব্রিজের কাছে একটি জঙ্গলের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় তরুণীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ। ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাঁকে এখানেই খুন করা হয়েছে কিনা বা অন্য জায়গায় খুন করে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে, তা থকিয়ে করে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়রা ওই তরুণীকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিউটাউন থানার পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য় পাঠিয়েছে পুলিশ। ওই এলাকার আশপাশ নির্জন, শুনশান। পাশে খাল বয়ে যাচ্ছে, রয়েছে ঝোপঝাড়। সেখানকার সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পরিবারের তরফে দেহ সনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর রাত ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় ওই নাবালিকা। একটি চিঠি লিখে যায়। তারপরই পরিবারের লোকজন খোঁজ শুরু করে। জানায় নিউটাউন থানায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নগর দায়রা আদালত ভবন চত্বরে বিচারকের নিরাপত্তারক্ষীর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য

কলকাতার নগর দায়রা আদালতের গ্রাউন্ড ফ্লোরে এক বিচারকের দেহরক্ষীর মৃত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার সকাল ৭ টা নাগাদ আদালত ভবনের নিচের তলায় চেয়ারে বসা অবস্থায় গোপাল নাথের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এদিকে এই ঘটনার পরেই হেয়র স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্তে পৌঁছোয়। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ ঘটনার তদন্ত করছে। তাঁর দেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি নাইন এমএম পিস্তল। সেটি তাঁরই সার্ভিস রিভলবার বলে জানা গিয়েছে। সেই পিস্তলে একটি গুলি কম রয়েছে বলে খবর। তার কপালে গুলির আঘাতের চিহ্ণ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছেন পুলিশ। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানানো যাবে না বলেই তাঁরা জানিয়েছেন। দেহরক্ষীর বাড়ি মালদা। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ব্যক্তিগত কোনও সমস্যায় জড়িয়ে ছিলেন কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৫
রাজ্য

বাসন্তীর পর মগরাহাট থেকে উদ্ধার অস্ত্রের ভান্ডার, গ্রেফতার দাগী দুষ্কৃতী

দেশি পিস্তল, বন্দুক, কার্তুজ উদ্ধার করেছে মগরাহাট থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অন্তর্গত মগরাহাট থানায় গোপন সূত্র মারফত খবর আসে এক ব্যক্তির কাছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। মগরাহাটা থানার একটি দল মগরাহাটের রঙ্গন বেড়িয়া গ্রামে গিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করে। ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি ওয়ান শাটার দেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি পাইপ গান সহ ৪১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। কোথা থেকে এত অস্ত্র সেখানে এল, কী কারণে এক জায়গায় এত অস্ত্র, পুরো বিষয়ট তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, দাগী দুষ্কৃতী আবদুল্লা লস্কর তথা বাবলুকে ট্রাক কর হচ্ছিল। আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাই অবদুল্লার বাড়িতে অস্ত্র মজুত আছে। ওসি ও তাঁর টিম এই অস্ত্র সীজ করেছে। আলিপুর জেলে ৬ বছর জেলবন্দি ছিল আবদুল্লা। বিস্তারিত তদন্ত চলছে। অস্ত্রের কারবার বলেই পুলিশ মনে করছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৫
রাজ্য

বিধাননগর গোয়েন্দা অফিসারের নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার একাদশ শ্রেণির ছাত্র

বিধাননগর গোয়েন্দা বিভাগের এসিপি সম্পীতি চক্রবর্তীর নাম করে ফেসবুকে ভুয়ো একাউন্ট খুলে একাধিক ব্যক্তিকে মেসেঞ্জারে এসএমএস পাঠিয়ে টাকা চেয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ছাত্রকে হাওড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৯ নভেম্বর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। তাতে বলা হয়, গোয়েন্দা শাখার উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে তাঁর ছবি ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তির থেকে মেসেঞ্জারে টাকা চাওয়া হচ্ছে। এরপরই বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তদন্তে নামে তার পরবর্তী ক্ষেত্রে হাওড়া এলাকা থেকে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। হাবড়ার বাসিন্দা এই ছাত্রকে আজ আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজ্য

অন্ডালে উদ্ধার কাড়ি কাড়ি টাকা, ধৃত দুষ্কৃতীর দল, তদন্তে পুলিশ

উদ্ধার হলো কুড়ি লক্ষ টাকা সহ ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হওয়া হাতুড়ি লোহা সহ একাধিক সামগ্রী। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়। অন্ডালের কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরের রাস্তায় একটি চার চাকার গাড়ি দাঁড়িয়েছিল রবিবার রাতে। পুলিশের সন্দেহ, দুষ্কৃতীরা গাড়ি নিয়ে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে আছে। তারপরেই গাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালানো হয়। উদ্ধার হয় নগদ কুড়ি লক্ষ টাকা। বাজেয়াপ্ত করা হয় চারটি মোবাইল ফোন সহ বেশ কিছু চুরি করার সামগ্রী। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত দুষ্কৃতীরা হল বীরভূমের নলহাটি থানার সাগর যাদব, অন্ডাল থানার কাজোরা কোলিয়ারি এলাকার রাকেশ কুমার নুনিয়া, প্রিন্স বিশ্বকর্মা ও অবিনাশ কুমার নুনিয়া। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ পুলিশি হেফাজতে ধৃতদের দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তিন দিনের পুলিশে হেফাজতের নির্দেশ দেয়। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি অন্ডাল পিন্টু সাহা বলেন,ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরের সামনে একটি বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে জড়ো হয়েছিল দুষ্কৃতীরা। অন্ডাল থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গাড়ি থেকে কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। চুরির কাজে ব্যবহৃত বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এত টাকা কোথা থেকে এল ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালানো হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর বদলে কেজি কেজি গাঁজা! চালাকিতে কাজ এল না, পুলিশের জালে ৫

আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর বদলে গাঁজা! বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে টাস্ক ফোর্স গাঁদা উদ্ধারের পাশাপাশি এই ঘটনায় গ্রেফতার করেছে ৫ জনকে। গতকাল গভীর রাতে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে লুকিয়ে উত্তর বঙ্গ থেকে কলকাতায় ঢুকছিল বিপুল পরিমাণ মাদক গাঁজা। খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গাতে বমাল পাঁচ পাচারকারীকে গ্রেফতার করে বেঙ্গল এসটিএফ টিম। আটক পাচারে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্স গাড়ি ও একটি মারুতি সুজুকি সুইফ্ট। উদ্ধার হয়েছে একশো পাঁচ কিলো গাঁজা।গত রাতে একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের একটি দল NH-12 (আগে NH34 নামে পরিচিত) মুর্শিদাবাদ থেকে কৃষ্ণনগর বাউন্ড একটি জায়গার কাছে অভিযান চালায়। বেলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত গ্রীন পার্ক রিসোর্টের কাছে এবং পাঁচজন মাদক পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরা হল নিষিদ্ধ গাঁজা সমেত। এই অভিযানের সময় দুটি আইসিইউ লেখা একটি অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি মারুতি সুজুকি সুইফট গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এসটিএফ গ্রেফতার করছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরের বাসিন্দা খায়রুল মোল্লা, আজগর আলী মন্ডল, শ্যামল ডলুই ও চম্পাহাটির প্রদীপ পাশী, ও অজয় সরোজকে। দুটো গাড়িতে উভয় গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ১০৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ৩০ টাকা। জানা গিয়েছে, ধৃতরা কোনও সন্দেহ এড়াতে এবং বাধ্যতামূলক ট্র্যাফিক চেক এড়াতে একটি অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরে লুকিয়ে কোচবিহার থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে আসছিল। এই নিয়ে বেলডাঙ্গা থানায় N.D.P.S-এর অধীনে একটি পুলিশ মামলা শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতার পর সল্টলেকেও চরম অমানবিকতার নজির, মোবাইল চোরের দাগ লাগিয়েই পিটিয়ে খুন

কলকাতার বৌবাজারের পর সল্টলেক। একটা গণপিটুনি গতকাল রাতে, আরেকটা আজ ভোরে। ১২ ঘন্টার মধ্যে দুই সভ্যনগর কলকাতা ও সল্টলেকে দুজনকে পিটিয়ে খুন করা হল। দুটি ক্ষেত্রেই মোবাইল চুরির সন্দেহে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। দ্বিতীয় গণপিটুনি হয়েছে সল্টলেক ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা এলাকার পোলেনাইটে। মৃতের নাম প্রসেন মন্ডল (২২)।পুলিশ সূত্রে খবর, আজ শনিবার ভোর বেলায় করুণাময়ীর কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে থানায় খবর যায় এক ব্যক্তি একটি যুবককে নিয়ে এসেছে মৃত অবস্থায়। এবং যে নিয়ে এসেছে তাকে আটকে রেখেছে। এর পর পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, আজ ভোর বেলায় মোবাইল চুরির অভিযোগে তাকে ওই অভিযুক্ত, তার ছেলে ও এক বন্ধু মারধর করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি দুজনের খোঁজ পায় তাদেরকেও আটক করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশ এর বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।ধৃতরা হল তপন সরকার, হরসিত সরকার ও শ্রীদাম মন্ডল।

জুন ২৯, ২০২৪
কলকাতা

কোরপান শাহের অমানবিকতার স্মৃতি ফিরল কলকাতায়, গণপিটুনিতে খুন, অভিযোগ ছাত্রাবাসের আবাসিকদের বিরুদ্ধে

১৬ নভেম্বর ২০১৪। ২৮ জুন ২০২৪। প্রায় ১০ বছরের ব্য়বধানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ১০ বছর আগে চোর সন্দেহে কোরপান শাহকে এনআরএসের হবু চিকিৎসকরা পিটিয়ে মেরে দিয়েছিল। হাওড়ার এই যুবক ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন। শুক্রবার রাতে ফের কলকাতায় বৌবাজারে মোবাইল চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠলো হস্টেলের আবাসিকদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফৎতার করেছে কলকাতা পুলিশ। ছাত্রদের মানবিকতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। পড়ুয়ারাই যদি এমন অসহিষ্ণু হয় তাহলে সমাজে সর্বনাশ হওয়ার কোনও বাকি থাকে, এই মতবাছেলেধরা গুজব নিয়ে তোলপাড় চলছে বেশ কিছু দিন ধরেই। তার জেরে একাধিক গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে মূলত কলকাতা লাগায়ো উত্তর ২৪ পরগণায়। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে পূর্ব বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেও ঘটেছে। তবে কোনও ক্ষেত্রেই যাঁরা আক্রমণের শিকার হয়েছেন তাঁরা কেউই দোষী তো নয়ই একেবারে সাধারণ মানুষ বা ভবঘুরে-ভারসাম্যহীন। এবার খাস কলকাতায় ঘটে গেল মানবিকতার চরম বিপর্যয়। চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বউবাজার এলাকার একটি ছাত্রাবাসের আবাসিকদরে বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, পুলিশ এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ, খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা বিভিন্ন কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান পড়ুয়া। হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি ব্যাট, একটি লাঠি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার কাজ করছে পুলিশ। সিসি ট্যাম্পারিংয়েরও অভিযোগ উঠেছওই যুবক মোবাইল চুরি করেছে বলে সন্দেহ করে বউবাজারে ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্ররা। অভিযোগ, ব্যাট, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হয় ওই যুবককে। তাতে মৃত্যু হয়েছে তার। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম ইরশাদ আলম, বয়স ৪৭। তিনি চাঁদনিচক এলাকায় একটি টিভি সারাইয়ের দোকানে কাজ করতেন। জানা গিয়েছে, ওই হোস্টেলের এক আবাসিক ছাত্রের একটি মোবাইল ফোন খোয়া যায়। শুক্রবার সকালে হস্টেলের পাশেই একটি দোকানের মালিক ছাত্রদের জানান, এক ব্যক্তি ওই চত্ত্বরে ঘোরাফেরা করছেন। ছাত্রাবাসের পাশেই রয়েছেন একটি নামি মিষ্টির দোকান। সেখান থেকে টেনে হিঁচড়ে ছাত্ররা ওই যুবককে হস্টেলে তুলে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেই অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছায় বউ বাজার থানার পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে আসে মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর আহত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসকরা ওই যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কোরপান শাহ প্রাণ দিয়েই বোঝাতে পারেনি শহর কলকাতা কতটা অমানবিক। ছাত্র সমাজ কতটা অমানসিকতার নজির গড়তে পারে। বউবাজারের ছাত্রাবাসের আবাসিকরা প্রমাণ করল ছাত্র সমাজ শুধু সমাজ গড়ে না, অন্ধকার সমাজ গড়তেও সাহায্য় করে। এই গণপিটুনির ঘটনায় ধিক্কার জানাচ্ছে সমাজের সমস্ত মহল।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

কিভাবে ছড়িয়েছে ছেলেধরা গুজব? গ্রেফতার "মাস্টারমাইন্ড", দাবি বারাসাত জেলা পুলিশের

বারাসাতে কাজীপাড়ায় নিখোঁজ বাচ্চার দেহ উদ্ধারের পর ওই বালকের জ্যাঠা আঞ্জীব নবিকে গ্রেফতার করে বারাসাত থানার পুলিশ। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ সুপার ঘোষণা করে এই আঞ্জীব নবী প্রধান ও একমাত্র অভিযুক্ত। যখনই পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে তখনই পুলিশি তদন্তের অভিমুখ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন রকম ভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনও ছেলেধরা, কখনও কিডনি পাচার নানারকম গুজব নবীর মস্তিষ্কপ্রসূত বলে দাবি বারাসাতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার। পুলিশের দাবি, একই সঙ্গে সে যেহেতু মসজিদে নামাজ পড়াতো সেই নামাজ পড়ানোর পর প্রত্যেককে জানিয়েছে বাইরের লোক দেখলেই মারধর করতে হবে। তাতেই মানুষজন বাইরের লোককে দেখলেই উত্তপ্ত হয়ে মারধর করতে শুরু করে দিয়েছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যা ছটা কুড়িতে ওই নিহত বাচ্চা বাড়িতে আসে। কিন্তু তারপর তাকে বাড়ির বাইরে বেরোতে কেউ দেখেনি। ওই এক মুহূর্তের ফাঁকে বাচ্চাকে ডেকে নিয়ে অন্ধকার বাড়ির পেছনে প্রথমে চড় এবং তারপর গলা টিপে খুন করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দেয়। পুলিশ বারবার ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলেও ওই বাড়ি ঝোপঝাড়ে ভরা থাকার কারণে ওই ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে তল্লাশি করেনি বলে দাবি পুলিশের সেই কারণেই নজরে আসেনি প্রথমে। বাচ্চার বাবা গোলাম নবী সেইদিন সাড়ে সাতটায় বাড়িতে আসে। তারপর বাচ্চাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয় আটটার পরে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৬টা৪৫ থেকে ৭টা৩০ এর মধ্যে ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী আঞ্জীব নবী ওই সময় ওই এলাকাতে ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আঞ্জীব স্বীকার করেছে ভুল করে কাজ করে ফেলেছে। পরবর্তীতে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন এই সমস্ত ঘটনা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। আঞ্জীব নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অনুমান পারিবারিক সম্পত্তির বিবদের কারণেই ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে । আঞ্জীব নবি মূলত মসজিদে আজান দেয়। তাঁর ছোট্ট একটি ব্যাগের দোকান আছে। যা থেকে তাঁর সামান্য রোজগার হয়। কাজীপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার পর পুকুরপাড়ের একটি তালগাছ আছে তার। যার ফল বিক্রি করে তার একটা বার্ষিক রোজগার হয়। হঠাৎই একদিন আঞ্জীব নবী দেখতে পায় তার ভাই গোলাম নবী সে গাছে লোক তুলে তাল পারছে। তাই নিয়ে তাঁদের মধ্য়ে বিবাদ শুরু। আর সেই বিবাদে ফারদিন আঞ্জীব নবীকে মারতে গেছিল যা আঞ্জীব নবীর এই প্রতিহিংসা ছিল।নিহত বাচ্চার বাবারা মোট সাত ভাই বোন। সকলে খোঁজাখুঁজি করলে ওই আঞ্জীব নবি খোঁজাখুঁজি না করার কারণে পুলিশের সন্দেহ দানা বাঁধে। যেহেতু রোজ আযান দিয়েছে নন্দগরে শ্বশুর বাড়িতে চলে যেত তাই তার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে পুলিশ দেখে তার গতিবিধি। বারবার মিথ্যা কথা বলা পুলিশকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব ছড়ানো শেষ পর্যন্ত এই কারণগুলোই আঞ্জীব নবীর ধরা পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশ যখন এক প্রকার দিশেহারা তখন ঘুরে তদন্ত শুরু করতে গিয়ে আঞ্জীবকে অভিযুক্ত ভেবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখে সব মিলে যাচ্ছে। তবে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের যে খানিকটা গাফিলতি ছিল, তা কার্যত মানছেন পুলিশ সুপার।ছেলেধরা গুজবে বারাসাতে দুটি, অশোকনগর, খড়দহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দ্বেগঙ্গায় ছেলেধরা গুজবে মারধর না করা হলেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি যে কটা ঘটনা ঘটেছে তার কোনওটার সঙ্গে ছেলেধরার কোনও সম্পর্ক নেই। সোশাল মিডিয়ায় ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়েছে। চাকদার এক মহিলা ও বারাসাতের কাজী পাড়ার ভাড়া থাকা দুই মহিলা ছেলেধরা বলে গুজব ছড়িয়েছিল আঞ্জীব নবী। এরা শিশুদের অপহরণ করে দেহের অঙ্গ বিক্রি করে দেয় বলেই সে দাবি করেছিল।

জুন ২৩, ২০২৪
দেশ

পুরীতে হোটেল বুকিংয়ের নামে ফেক ওয়েবসাইট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতারণা

সাইবার প্রতারণার শিকার খোদ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুরী বেড়াতে যাওয়ার জন্যে অনলাইনে হোটেল বুক করে প্রতারণার শিকার বিচারপতি সোমশুভ্র ঘোষাল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজস্থান ও আরামবাগ থেকে মূল অভিযুক্ত সহ দুজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২২-এর ৮ অক্টোবর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোমশুভ্র ঘোষাল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে পুরীতে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে অনলাইন মাধ্যমে একটি ৫ তারা হোটেল বুকিং করার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে সেই হোটেলের বুকিং প্রসিডিউরের জন্যে একজন ফোন করে। সেখানে তাঁকে হোটেলে বুকিং করার জন্যে টাকা জমা করতে বলা হয় এবং একটি একাউন্ট ডিটেলস দেওয়া হয়। তিনি সেই একাউন্টে ৯২ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন। তবে কিছুদিন পরে ওই হোটেলে খোঁজ নিলে জানতে পারেন তাঁর নামে ওই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, ওই হোটেলের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে এই প্রতারণা চক্র চালানো হচ্ছিল। এরপরই টাকা কোন অ্য়াকাউন্টে জমা পড়েছে সেই সূত্র ধরে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রেম চাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরামবাগ থেকে আরও এক প্রতারক স্বর্ণদীপ রায়কে গ্রেফতার করা হয়।

জুন ১০, ২০২৪
রাজ্য

এক ফোনে উধাও ২৬ লক্ষ টাকা, রানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার

বেসরকারি ব্যাংকের KYC আপডেট করার নাম করে ২৬ লক্ষ টাকা প্রতারণায় গ্রেফতার এক। রানীগঞ্জ থেকে অন্যতম মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেক সেক্টর ১ এর বাসিন্দা সুপর্ণা সাহা বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে, একটি অচেনা নম্বর থেকে তার কাছে ফোন আসে। সেখানে তাঁকে তাঁর বন্ধন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের KYC আপডেট করার জন্যে বলা হয়। তিনি রাজি হলে তাকে একটি লিংক পাঠানো হয়। সেখানে সব ডিটেলস দেওয়ার পর তার অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচটি অ্যাকাউন্টে ২৬ লক্ষ ২হাজার টাকা ট্রান্সফার হয়ে যায়।ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, এই ৫টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট অভিষেক কুমার রাম নামের এক ব্যক্তির। সূত্র মারফত খবর পেয়ে রানীগঞ্জ এলাকায় হানা দিয়ে অভিযুক্ত অভিষেক কুমার রামকে গতকাল গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। আজ অভিযুক্তকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই চক্রের মূল পান্ডার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডা গ্রেপ্তার।

বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ থাকে নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করলো উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডাকে। ১৮ ফেব্রুয়ারি বিধান নগর সাইবার থানায় উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী একটি চক্র সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করছে। অভিযোগে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওই চক্রটি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে ওই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তারা দিতে পারবেন অর্থের বিনিময়ে।এই অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তারা দুটি ব্যাংক একাউন্টকে আইডেন্টিফাই করে। যার মধ্যে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে। সেই অ্যাকাউন্টটি ছিল নদীয়ার বাসিন্দা প্রীতি শর্মার নামে। এরপরই বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ যোগাযোগ করে প্রীতি শর্মার সাথে। তিনি পুলিশকে জানায়, তার এটিএম কার্ডটি তার বন্ধু রুপম সাধুখা তার কাছ থেকে জোর করে নিয়ে গেছে। তিনি পুলিশকে আরও জানায় যে তিনিও ব্যাংকের থেকে পাঠানো এসএমএস মারফত জানতে পারেন, তার ব্যাংক একাউন্টে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন হয়েছে যেগুলো সে করেনি।এরপরই বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করে রুপম সাধুখাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, আদালতে পেশ করে ধৃত রূপমকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও খোঁজ পেতে চায় পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪
কলকাতা

বৃদ্ধের সঙ্গে দেড় লক্ষ টাকার প্রতারণা, লিঙ্ক মিলছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়ন থেকে

সেনা কর্মীর পরিচয় দিয়ে সল্টলেক ডিএল ব্লকের বৃদ্ধকে প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার উজ্জয়ন মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা অভিষেক মাকওয়ানা। গ্রেফতার করেছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, চলতি বছর জানুয়ারি মাসে নিজের বাড়ি ভাড়া দেওয়ার জন্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেন সল্টলেক ডি এল ব্লকের বাসিন্দা সুশীল কুমার। বিজ্ঞাপন দেখে তার কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে সেই ফোনে এক ব্যক্তি নিজেকে সেনা কর্মী পরিচয় দেয়। এবং সে বাড়ি ভাড়া নিতে ইচ্ছুক বলেও জানান। তিনি জানান, তার ট্রান্সফারের কারণে সে সল্টলেকে বাড়ি ভাড়া খুঁজছে। এরপরেই তাদের কথোপকথন হতে থাকাকালীন সমস্ত নথিপত্র পাঠাতে বলে। এর পরে অনলাইন ট্রানজেকশনের জন্য তার কিউআর কোড পাঠাতে বলে। এরপরেই ঘটে বৃদ্ধর সঙ্গে প্রতারণা। মুহূর্তের মধ্যেই দেড় লক্ষ টাকা তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যায়। তিনি প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে প্রথমে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ এ বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় প্রতারণার অভিযোগ করেন।এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্য খতিয়ে দেখে উজ্জয়ন মধ্যপ্রদেশে হানা দেয় সাইবার ক্রাইম থানার তদন্তকারী অফিসাররা। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিষেক মাকওয়ানাকে। চার দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। আজ অভিযুক্তকে বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে এবং পুলিশ খতিয়ে দেখবে এই ঘটনার চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত রয়েছে। এর পাশাপাশি অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয়ার আবেদন জানাবে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

নভেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

বাগুইআটির বৃদ্ধের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও, জামতারা গ্যাংয়ের পান্ডা গ্রেফতার কুলটি থেকে

ফের সাইবার প্রতারণায় জামতারা গ্যাং। ব্যাংকের তথ্য হাতিয়ে বৃদ্ধার থেকে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণার অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রেফতার কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থার এক কর্মী। জানা গিয়েছে, বর্ধমান থেকে গ্রেফতার জামতারা গ্যাংয়ের এক পান্ডা।পুলিশ সূত্রে খবর, বাগুইআটি এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী আনন্দ শঙ্কর দাস বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে গত মার্চ মাসে তাঁর কাছে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোন করে এক ব্যক্তি একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপরেই তাঁর অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি করানোর নাম করে তাঁর কাছ থেকে ওটিপি দিতে বলে। তিনি সেই ওটিপি দিলে কিছুক্ষণ পরে তাঁর কাছে এসএমএস আছে যে তার একাউন্ট থেকে ছয় লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ঘটনার তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ। পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে হানা দিয়ে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত রঞ্জন মাঝিকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর এই অভিযুক্ত পেশায় কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থা BCCL এর কর্মী। তবে সে জামতারা গ্যাংয়ের হয়ে কাজ করে বলে অভিযোগ। আজ, বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে বিধাননগর আদালতে তোলা হচ্ছে। পুলিশ অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাই ক্রাইম থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে এল, তবে এখনও খুনিরা অধরা

ঘটনা ঘটে গিয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ হতে চলল। এখনও গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের খুনীদের গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। তবে এবার রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে চলে এসেছে। এর আগে গরুপাচার চক্রে অভিযুক্ত লতিফের মোবাইল ফোনে কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যদিও লতিফ এখনও ফেরার। তাঁকে তলব করেই চলেছে ইডি। সিসি টিভি ফুটেজের দেখা যাচ্ছে সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়ি দাড়িয়ে আছে। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ি থাকে নামে। একেবারে সাধারণ ভাবে সাদা গাড়ির সামনে আসে। তারপর একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে সাদা গাড়িতে বসে থাকা কাউকে এক নাগারে গুলি করতে থাকে। পরে জানা যায় সাদা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাজুকে মৃত বলে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন। বর্ধমান শহর থেকে অনতি দূরে আমড়ায় জাতীয় সড়কের দুধারে ল্যাংচার দোকানের সামনের এই ঘটনা ঘটেছে ১ এপ্রিল। তারপর ৯ দিন কেটে গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খুনিদের গাড়ি ঝাড়খন্ডের দিক থেকে এসেছে সেই সিসি টিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। ঝাড়খন্ডে পুলিশ খুনিদের ধরতে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনও একজনও দুষ্কৃতী ধরা পড়ার খবর মেলেনি।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal