• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Covid

রাজ্য

রাজ্যে সামান্য কমলো করোনা সংক্রমণ, বেড়েছে মৃত্যু

রাজ্যে টানা তিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় সামান্য কমেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ২২,৬৪৫। গতকাল এই সংখ্য়া ছিল ২৩,৪৬৭। তবে কিছুতেই ২০ হাজারের গন্ডি কমছে না। এদিন পজিটিভিটি রেটও সামান্য় কমেছে। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩২.১৩, এদিন ৩১,১৫ শতাংশ। তবে এদিন ফের বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৬। রাজ্য়ে মোট করোনায় মৃত্য়ু হয়েছে ২০,০১৩ জনের।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বাংলা তোলপাড়। সংক্রমণের সংখ্য়া সেভাবে কমছে না, পাশাপাশি পজিটিভিটি রেটও প্রায় এক তৃতীয়াংশ। স্বভাবতই চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলায় মানুষের থিকথিকে ভিড়। এরপর পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়ছে চিকিতসক মহল। এদিকে রাজ্যের চার পুরসভার ভোট বন্ধ মামলার সিদ্ধান্তও ঝুলে গিয়েছে। দোকান-পাট, রাস্তায় এখনও বহু মানুষের মুখে মাস্ক নেই। নতুবা থুতনিতে মাস্ক ঝুলছে। মোদ্দা কথা আগামিতে করোনা সংক্রমণের হাল কী দাঁড়াবে এসব ভেবেই আতঙ্ক তাড়া করছে। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৮,৬৮৭ জন। গতকাল সংখ্য়াটা ছিল ৮,১৩৯। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও অল্প বেড়েছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৮৬৭উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৫৩৩হাওড়া ১,২২৩পশ্চিম বর্ধমান ৯৩৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৭হুগলি ১,৩৯৪বীরভূম ৯৮৪নদিয়া ৮১৬মালদা ৬৪৮মুর্শিদাবাদ ৩৯০পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৭৯পূর্ব মেদিনীপুর ২৪৬পুরুলিয়া ২২৬দার্জিলিং ৫৯৬বাঁকুড়া ৩৬৫জলপাইগুড়ি ২১৬উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ২০২ঝাড়গ্রাম ২০১কোচবিহার ১২৪আলিপুরদুয়ার ১১২কালিম্পং ৮০

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের

কোভিড পরীক্ষা নিয়ে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। পাশাপাশি, কখন, কাদের নিভৃতবাস বা হাসপাতালে পাঠানো প্রয়োজন সে বিষয়েও বার্তা রয়েছে ওই নির্দেশিকায়।চলতি সপ্তাহেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর পরামর্শে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কোভিড পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। তারই সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যের এই নির্দেশিকা। এতে জানানো হয়েছে, করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন সকলেরই পরীক্ষা করানো জরুরি।৬০ বছরের বেশি বয়সি এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগে আক্রান্তেরা যদি কোভিড রোগীর সংস্পর্শে এলে তাঁদের উপসর্গ না থাকলেও পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, ক্যানসার, হাইপারটেনশন, ফুসফুস-লিভার-কিডনির সমস্যা, স্থূলত্ব জনিত সমস্যাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিভৃতবাস সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে যাঁরা বাইরে বেরোবেন তাঁদের আর পরীক্ষার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বিপজ্জনক লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে টানা ৭ দিনের বেশি জ্বর, শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড কাশি, ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা বা ধড়ফড় করা আচ্ছন্নভাব বা অস্থিরতার মতো উপসর্গ। এর সঙ্গে সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-র কম, অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ শতাংশের কম শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ২৪-এর বেশির মতো সমস্যা থাকলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।উপসর্গহীন এবং মৃদু উপসর্গ রয়েছে এমন করোনা রোগীদের বাড়িতে নিভৃতবাসে থাকার কথা বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। মৃদু উপসর্গের তালিকায় রয়েছে, শুকনো কাশি, নাক বন্ধ হওয়া, গলা ব্যথা, জ্বর, ডায়ারিয়া, দুর্বলতা, স্বাদ-গন্ধ হারানো। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-র সামান্য বেশি কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ২৪-এর কম হলেও তা পড়বে মৃদু উপসর্গের তালিকায়। কোমর্বিডিটি আছে এমন ব্যক্তিদের বিশেষভাবে বাড়িতে নিভৃতবাস পর্বে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন নির্দেশিকায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

করোনার চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে গঙ্গাসাগরে চলল পুণ্যস্নান

দেশে ক্রমশ উর্ধ্বমুখী করোনার গ্রাফ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষ। বেড়েছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। করোনা রোগীদের চিকিৎসায় দুটি নতুন ওষুধ ব্যবহারের সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এরইমধ্যে শুক্রবার মকর-সংক্রান্তিতে উপলক্ষে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই চলল দেদার পুণ্যস্নান।পুণ্যস্নান করতে গিয়ে কোভিডবিধি কার্যত শিকেয় তুলেছেন পুণ্যার্থীরা। দেশে তথা রাজ্য জুড়ে হু-হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মেলায় প্রবেশের আগে করোনাবিধির যে কড়াকড়ি লক্ষ করা যাচ্ছিল, তা স্নানের সময় দেখা যায়নি। মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ববিধিও। করোনাবিধির তোয়াক্কা না করেই এক সঙ্গে বহু মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ কতটা ঠেকানো যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমুদ্রতীরে তৈরি করা হয়েছে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী ই-স্নানের কাউন্টার। এই কাউন্টার থেকেই পুণ্যার্থীরা পবিত্র গঙ্গা জল নিয়ে বিশ্বাসের সঙ্গে পুণ্যস্নান করেন। গঙ্গাসাগরে বিভিন্ন প্রান্তে রাখা হয়েছে ড্রোনের মাধ্যমে স্নানের ব্যবস্থা। কাল সকাল পর্যন্ত চলবে পুণ্যস্নান।পাশাপাশি শুক্রবার সকাল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে সাগর উপকূলে। তবুও মানুষের উৎসাহে খামতি দেখা যায়নি। কপিল মুনির মন্দির চত্বরেও পুণ্যার্থীদের ভিড় ছিল। এ দিকে করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রোজই মেলায় ঘুরে ঘুরে নজরদারি চালাচ্ছেন হাইকোর্ট-এর নির্দেশে তৈরি হওয়া কমিটির সদস্যরা।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটও

রাজ্যে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। টানা তিন দিন বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২৩ হাজার। বাড়ল পজিটিভিটি রেট, এদিন মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,৪৬৭। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৩২.১৩। গতকাল এই রেট ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২২।পিজিটিভি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় রাখলো বাংলাকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। গতকাল এই হার কিছুটা কমেছিল। এদিন তা বেড়ে যাওয়ায় ফের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১৩৯জন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে অন্য কয়েকটি জেলায়। এদিন পর্যন্ত মোট হোম আইসোলেশনে আছেন ১,২৭,৭৮৯জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫২৫। ২৩৯ জন আছেন সেফ হোমে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৭৬৮উত্তর ২৪ পরগনা ৪,৭২৮হাওড়া ১,২৮৯পশ্চিম বর্ধমান ১,২৬১হুগলি ১,৩৩৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৩৪৯বীরভূম ৮৯৫পূর্ব বর্ধমান ৮৬১নদিয়া ৭০৮মালদা ৫৪৮মুর্শিদাবাদ ৫৭৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৫৯০পুরুলিয়া ২৭২দার্জিলিং ৪৬২বাঁকুড়া ৪৪২জলপাইগুড়ি ২৪৮উত্তর দিনাজপুর ২৩৬পূর্ব মেদিনীপুর ৩০০ঝাড়গ্রাম ১১৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২৬৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ৭৬কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অনেকটাই সুস্থ লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বর্ষীয়ান গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। তাঁকে আইসিইউতে রাখতে হয়েছে। তবে এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ আছেন। এমনটাই জানিয়েছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক। এক সংবাদমাধ্যম সূত্র মারফত জানা গেছে আগামী ১০-১২ দিন আইসিইউতে থাকবেন তিনি। সর্বক্ষণ কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতীশীল। চিকিৎসকরা তাঁর চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না। এদিকে লতা মঙ্গেশকরের বোন আশা ভোঁসলে জানিয়েছেন,তারা ভিতরে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না। আমি একবার ভিতরে ঢুকেছিলাম কিন্তু কম্পাউন্ডের ভিতরে যেতে দেওয়া হয়নি। করোনার জন্য কিছু বাধানিষেধ মেনে চলা হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোভিডমুক্ত রাজ-শুভশ্রী, ছেলেকে কোলে নিয়ে রাজ

৪ জানুয়ারি আচমকাই দ্বিতীয়বারের জন্য করোনায় আক্রান্ত হল পরিচালক ও বিধায়াক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। ৭ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এখন তারা দুজনেই সুস্থ। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন ছেলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। তার মনখারাপ। তবে এবার খুশির খবরটা এল।কোভিডমুক্ত হয়ে বৃহস্পতিবার ছেলেকে কোলে নিতে দেখা রাজ চক্রবর্তী কে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লিখেছেন ,চটকে খেয়ে নেবো। কমেন্টে নেটিজেনরা অনেক ভালোবাসা জানিয়েছে। উল্লেখ্য ২১ জানুয়ারি রাজ চক্রবর্তীর ছবি ধর্মযুদ্ধ মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু সেটা আপাতত বন্ধ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ!

ফের একবার এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০। অর্থাৎ একদিনেই ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে দৈনিক সংক্রমণে। বর্তমানে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৬৩ লাখে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১৭ জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০, অর্থাৎ একদিনেই ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি হয়েছে। বিগত আট মাস বাদে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ দুই লাখের গণ্ডি পার করল। দেশে বেড়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও, গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।গত কয়েক দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা পৌঁছে গিয়েছে ১৩.১১ শতাংশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ১২০টি জেলায় সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮৮ জন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত টলিউড ইন্ডাস্ট্রি প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়

করোনা ছাড় দিলনা টলিউড ইন্ডাস্ট্রি বুম্বা দা অর্থাৎ অভিনেতা প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায় কে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রসেনজিত জানিয়েছেন তিনি কোভিড পজিটিভ। টুইট করে প্রসেনজিৎ লিখেছেন, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমি কোভিড পজিটিভ। চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে আপাতত বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছি। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠব।প্রসেনজিত ছাড়াও স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে গায়ক রুপম ইসলামের। তবে রুপম একা নন, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে দুজনেই কোভিড পজিটিভ।উল্লেখ্য, এর আগে যে টলি তারকারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এবার বুম্বাদার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন তাঁর অগুনিত ভক্তরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেট

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে চলেছে রাজ্য। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২২,১৫৫। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। গতকাল, মঙ্গলবার এই সংখ্যা ছিল ২১,০৯৮। এদিন মোট পরীক্ষা হয়েছে ৭১,৭৯২ জনের। কলকাতায় ফের সংক্রমণ বেড়েছে গতকালের তুলনায় প্রায় পাঁচশো। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্য়া ১৮,১৭,৫৮৫। ক্রমশ বাড়ছিল পজিটিভিট রেট। এদিন কিছুটা কমেছে পজিটিভিটি রেট, ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। পজেটিভিটি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় ফেলেছিল রাজ্যকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। এই হার কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে স্বাস্থ্য দফতরের। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১১৭জন। কলকাতায় এদিনও আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু জেলায় সংক্রমণ বেড়েছে, কোথাও আবার একটু কমেছে। মোদ্দা কথা করোনার তৃতীয় ঢেউ এখনও শঙ্কায় রেখেছে রাজ্যবসীকে। এদিকে বাংলায় একাধিক শহরে আংশিক লকডাউন চলছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতাঃ ৭,০৬০উত্তর ২৪ পরগনাঃ ৪,৩২৬হাওড়াঃ ১,৪৬১পশ্চিম বর্ধমানঃ ১,০১০হুগলিঃ ১,১০৭দক্ষিণঃ ২৪ পরগনা ১,৪৬১বীরভূমঃ ৭০১পূর্ব বর্ধমানঃ ৭৭৮নদিয়াঃ ৬৩৫মালদাঃ ৫১৮মুর্শিদাবাদঃ ৪২১পশ্চিম মেদিনীপুরঃ ৩০৯পুরুলিয়াঃ ২৭৮দার্জিলিংঃ ৫০০বাঁকুড়াঃ ৩৭০জলপাইগুড়িঃ ২৫৫উত্তর দিনাজপুরঃ ১৭৫পূর্ব মেদিনীপুরঃ ২৪১ঝাড়গ্রামঃ ২৯৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪১কোচবিহারঃ ৮৬আলিপুরদুয়ারঃ ৭৮কালিম্পংঃ ৫১

জানুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত রাখতে রাজ্যগুলোকে চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে নাজেহাল হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য।সাম্প্রতিক কোভিড স্ফীতিতে সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুপাত কিছুটা কম। তবে এই পরিসংখ্যান বাড়তে পারে ধরে নিয়ে রাজ্যগুলিকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে বলল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে, কীভাবে করোনা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ২৪ ঘণ্টা আগেই সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।দুই পাতার সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যের কাছে এই আবেদন করা হচ্ছে, যাতে কমপক্ষে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় ধরে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধা থাকে। পাশাপাশি, যথাযথ পরিমাণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের যোগান, পিএসএ প্লান্ট তৈরি, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর-সহ উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা যাতে থাকে সেদিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত তথ্য তুলে দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রয়োজনে তাহলে সমস্ত রাজ্যকেই মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করতে সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।কিছুদিন আগেই পাঁচটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। পাশাপাশি ভোটমুখী রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি কী তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, জেলাস্তরে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Lata Mangeshkar : করোনায় আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, আপাতত স্থিতিশীল

করোনা আক্রান্ত বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে এই কিংবদন্তি গায়িকাকে। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আইসিইউতে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে লতার ভাইঝি রচনা বলেছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে তাঁকে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। আরও জানা গেছে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন কিন্তু পরিবারের কোনও সদস্যকে এই মুহূর্তে তাঁকে দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের ডাক্তার প্রতীক সামদানি জানিয়েছেন লতা মঙ্গেশকরকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তোলার জন্য ডাক্তাররা চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখছে না। এমনিতেই লতা বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দি আছেন। বাইরে খুব বেশি বেরোন না। তবে নেটমাধ্যমে সক্রিয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি অথবা পরিচারিকার থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন তিনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Bengal Corona: রাজ্যে ২৪ ঘন্টায় কিছুটা কমল করেনা আক্রান্তের সংখ্যা

ফের রাজ্যে কিছুটা বাড়ল সংক্রমণের হার। মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১,০৯৮। যদিও রবিবারের তুলনায় কিছুটা কম। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতাতেও করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা রবিবারের তুলনায় কমেছে অনেকটা। একই অবস্থা উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রেও। তবে সোমবারের তুলনায় সংক্রমণ ফের কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। এদিন করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে মোট ৬৫,২১০ জনের।রাজ্যে প্রতিদিনই রকেট গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল, সোমবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,২৮৬। রবিবার ছিল ২৪,২৮৭। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে কেন্দুলিতে জয়দেবের মেলা হবে বলেও ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের বিভিন্ন শহরে স্থানীয় প্রশাসন আংশিক লকডাউন ঘোষণা করছে। স্থানীয় স্তরে দোকানপাট বন্ধ রাখা হচ্ছে। এখনও বহু মানুষ মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে।রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২১,০৯৮কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৫৬৫উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৬হাওড়া ১,৮১৫পশ্চিম বর্ধমান ১,১০৯হুগলি ১,৩০৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৪৩৫বীরভূম ৬৮২পূর্ব বর্ধমান ৬২২নদিয়া ৩৮৫মালদা ৫৪৪মুর্শিদাবাদ ৪৪৫পশ্চিম মেদিনীপুর ৫১৪পুরুলিয়া ২০৯দার্জিলিং ২২৬বাঁকুড়া ২৫৬জলপাইগুড়ি ১৩৪উত্তর দিনাজপুর ১৮১পূর্ব মেদিনীপুর ২১৯ঝাড়গ্রাম ১৫২দক্ষিণ দিনাজপুর ১২৮কোচবিহার ৬৬আলিপুরদুয়ার ৭০কালিম্পং ২০

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Makarsankranti Bath: কেন্দুলিতে পুন্যস্নানও হবে, মেলাও বসবে, ঘোষণা মন্ত্রীর

করোনা আবহে হাইকোর্টের নির্দেশে গঙ্গাসাগর মেলার তোড়জোড় চলছে, এবার তার দোসর হতে চলেছে জয়দেবের মেলা। সারা দেশের সঙ্গে বাংলা করোনা ঝড়ে বেসামাল। রাজ্যে করোনা বিধি চালু হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন নানা স্থানে আংশিক লকডাউন করছে। দোকানপাট, বাজারহাট বন্ধ থাকছে। সেই পরিস্থিতিতে জয়দেবের মেলা ঘোষণা করায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্ঠি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠীরাজ্যের অন্য জেলার মতো বীরভূমেও করোনার কোপে সাধারণের বেহাল দশা। এর আগে ঠিক হয়েছিল জয়দেবের কেন্দুলি মেলায় এবার মকরস্নানের ক্ষেত্রে পুন্যার্থীদের ছাড় দেওয়া হবে। তবে মেলা বসতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এবার মেলা বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। মঙ্গলবার রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা কেন্দুলি মেলার আয়োজনের কথা ঘোষণা করেছেন।আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় ভাঙন উত্তরপ্রদেশ বিজেপিতেমন্ত্রী বলেন, জয়দেবের মেলা যেমন হয়, তেমনই হবে কোভিড বিধি মেনে। পুন্যার্থীদের স্নান ও পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় যাঁরা আসবেন তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। এটা একটা ঐতিহ্যশালী মেলা। ধর্মীয় আবেগকে তো আমরা বন্ধ করতে পারব না। সে জন্যই এই মেলা করতে বাধ্য হয়েছি। নজরদারিও থাকবে। পুন্যার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া আখড়াও হচ্ছে। এটা আউল-বাউলদের মেলা। বাউলরা তো আসবেই। তাঁদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা থাকবে।আরও পড়ুনঃ দুপুর গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু বৃষ্টি! পাঁচ জেলাকে সতর্ক করল আলিপুরবিজেপির বক্তব্য, সবেতেই রাজনীতি হচ্ছে। মেলা হচ্ছে অথচ স্কুল, কলেজ বন্ধ। এদিকে এই ঘোষণার পরই মেলার প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

Covid: গঙ্গাসাগরে স্নান বহাল থাকলেও হরিদ্বারে বন্ধ সংক্রান্তির স্নান

বাংলায় যেখানে করোনার বাড়বাড়ন্তের পরও গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধের কোনও উদ্যোগ নেয়নি রাজ্য সরকার, সেখানে উল্টোপথে হাঁটছে উত্তরাখণ্ড। বঙ্গে যখন রমরমিয়ে গঙ্গাসাগর মেলার তোড়জোড় চলছে তখন, হরিদ্বারে সংক্রান্তির স্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করল উত্তরাখণ্ড সরকার। আগামী ১৪ জানুয়ারি এই সংক্রান্তির স্নান হওয়ার কথা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কথা চিন্তা করেই তাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।এদিকে দেশে কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬৩ জন। সোমবারই এই সংখ্যাটা ছিল, ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন। সেই নিরিখে কিছুটা হলেও সংক্রমণ কমেছে গোটা দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৬ জন। কেরলে ও বঙ্গে যথাক্রমে ৩৫০ ও ২৭ জন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। একদিনে দেশে সংক্রমণের পজিটিভিটি রেট ১০.৬৪ শতাংশ।রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা গ্রাফ। ক্রমশ উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে গঙ্গাসাগরে মেলাকে কেন্দ্র করে কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসক জানালেন ই-স্নানে বুকিং সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত ই-স্নানে বুকিং সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। মূলত, কোভিড পরিস্থিতি প্রতিহত করতেই ই-স্নানে জোর দিয়েছিল প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে খবর, আগে ই-স্নান চালু করা হয়েছিল শুধু বয়স্কদের কথা চিন্তা করেই। তবে, এ বারের কোভিড পরিস্থিতিতে যাতে সংক্রমণ রোধ করা যায়, তাই সকলের জন্যই ই-স্নানে জোর দেওয়া হয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলার সাইটে গেলেই ই-স্নানের জন্য বুকিং করা যাবে। এই ই-স্নানে বুকিং করলে বাড়িতে বসেই গঙ্গাস্নানের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন পুণ্যার্থীরা। এর মাধ্যমে একটি ই-স্নান বক্স পৌঁছবে পুণ্যার্থীর বাড়িতে। বাক্সের মধ্যে থাকবে এক ঘটি জল, প্রসাদ। প্রত্যেক বাক্সপিছু মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৫০ টাকা। এর ফলে বাড়িতে বসেই গঙ্গাস্নানের সুবিধা মিলবে।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Covid Negetive : করোনামুক্ত পরমব্রত থেকে অন্যান্য টলি তারকা

২০২২ এর বছরের শুরুতেই এক এক করে টলিউডের তারকারা কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। পরমব্রত, দেব, রুক্মিণী, শুভশ্রী, রাজ চক্রবর্তী থেকে শুরু করে আরও অনেক তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তবে এবার সবাই করোনায় আক্রান্ত হলেও তার সংক্রমণের মাত্রা খুব কম। ফলে সকলেই খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠছেন।Did my Corona test which came NegativeStill completing my 7 days of Isolation at HomeThanku everyone for ur Love n Prayers 🙏🏻Wear ur Mask 😷Thts the only way we can fight this 🙏🏻Take care 😊 Dev (@idevadhikari) January 9, 2022অভিনেতা ও পরিচালক পরম্ব্রত চট্টোপাধ্যায় টুইট করে জানিয়েছেন তিনি পুরোপুরি সুস্থ। মঙ্গলবার থেকে কাজে যোগ দেবেন। করোনা নেগেটিভ দেব ও। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ না হওয়া পর্যন্ত নিভৃতবাসেই থাকব। সবার ভালবাসা এবং শুভ কামনা পেয়ে আপ্লুত। আজ শ্রীজাত-র নিভৃতবাসের শেষ দিন। কবি নিজ মুখেই জানিয়েছেন, আগের চেয়ে ভাল আছি। তবে দুর্বলতা, কাশি, সর্দি এখনও রয়েছে। বাকি সব আগের চেয়ে ভাল।For 3 times in a row, since yesterday, I have tested negative for #COVID19 2ice on antigen once on RTPCR. I know testing isnt compulsory past the isolation period, but start work tomorrow hence wanted to assure people Ill be meeting. Thank you for you wishes and prayers. parambrata (@paramspeak) January 10, 2022সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী মিথিলার কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। উপসর্গহীন বনি-কৌশানীও। তবে তাদের আইসোলেশন পিরিয়ড এখনও শেষ হয়নি।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Bengal Corona: বাংলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা কোয়ার্টার সেঞ্চুরি ছুঁই ছুঁই, উদ্বেগ চরমে

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি ছুঁই ছুঁই। এক দিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,২৮৭ জন। এই রিপোর্টে উদ্বিগ্ন রাজ্যের চিকিৎসক মহল।রাজ্যে প্রতিদিনই রকেট গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল, শনিবারের রিপোর্টে ছিল প্রায় ১৯ হাজার। ২৪ ঘন্টায় একলাফে তা ২৪ হাজার পার করে দিয়েছে। কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৭১২জন। তারপরেই স্থান উত্তর 24 পরগনার। কলকাতা লাগোয়া এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫,০৫৩। রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। হাওড়া ১,৭৪২, পশ্চিম বর্ধমান ১,০০৭, হুগলি ১,২৭৬, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১০৩৪, বীরভূম ৯০৪, পূ্র্ব বর্ধমান ৬৪৯, নদিয়া ৬০৫।রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উর্দ্ধমুখী হলেও সাধারণ মানুষের একাংশের কোনও হেলদোল নেই। বহু মানুষ এখনও মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকের মাস্ক কিছুতে থুঁতনির ওপর উঠছে না। অধিকাংশ পুরসভা এলাকায় দোকান-পাট বন্ধ-খোলা নিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Iman Chakraborty : করোনায় আক্রান্ত জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা, দরজায় খিল দিলেন গায়িকা

করোনায় আক্রান্ত হলেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন তিনি। তাঁর গানের কথাকে তুলে ধরে ইমন লিখেছেন, আমার দরজায় খিল। কোভিড পজিটিভ হলাম। বুধবার থেকে হাল্কা জ্বরে ভুগছিলেন ইমন। সঙ্গে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথাও ছিল। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য করোনা পরীক্ষা করান তিনি। পরে জ্বর কমে গিয়ে প্রায় সুস্থ হয়ে ওঠেন ইমন। তবে তার পরেও তাঁর করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। করোনা আক্রান্ত ইমনের স্বামী নীলাঞ্জন ঘোষও।বিগত কয়েকদিনে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

MLA Arrested: নির্বাচনী প্রচারে কোভিড বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়ক

করোনা বিধি ভেঙে প্রচার করায় বিজেপি বিধায়ক সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করল চন্দননগর থানার পুলিশ। পরে থানায় জামিনও পেয়ে যায় বিজেপি নেতৃত্ব। চন্দনগরে রবিবাসরীয় পুরনির্বাচনী প্রচারে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গোন্দলপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের আঙুলি হেলনে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অথচ সিপিম ও তৃণমূল করোনা বিধি না মেনে প্রচার করলেও তাদের দেখতেই পাচ্ছে না পুলিশ।চন্দননগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সন্ধ্যা দাসের সমর্থনে রবিবার প্রচারে ছিলেন পড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ, হুগলি জেলা বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি তুষার মজুমদার, জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ। সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। কোভিড বিধি ভঙ্গের দায়ে চন্দননগর থানার পুলিশ গিয়ে বিজেপির প্রচার বন্ধ করে দেয়। কেন শতাধিক লোক নির্বাচনী প্রচারে এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতৃত্বকে চন্দননগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নেতৃত্বে ছিলেন চন্দননগর থানার আইসি সৌমেন পাল। পরে প্রত্যেককে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী সন্ধ্য়া দাসের সমর্থনে প্রচারে ছিলাম। আমরা ৫-৭জন ছিলাম। তারপর কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ভিড় করে। পুলিশ অন্য়ায়ভাবে আমাদের গ্রেফতার করেছে। আমাদের ৬ জনকে থানায় নিয়ে আসে। থানা থেকে জামিন হয়। আমাকে পুলিশ কোভিড প্রোটোকলের কথা বলে। অথচ একসঙ্গে ২০ জন পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তাহলে পুলিশের প্রোটোকল কোথায় ছিল?মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে প্রচার, একে অপরের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। বিধাননগর পুরনিগমের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন করোনা বিধি মেনে চলার ছবি দেখা গিয়েছে। অন্য পুরসভাগুলিতেও ছিল একই চিত্র। বিজেপি বিধায়কের কথায়, পুলিশ বলছে শতাধিক লোক ভিড় করেছিল। কোথায় ছিল ১০০ জন? আমরা ৫-৬ জন ছিলাম। সিপিএমের প্রার্থী ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার করছে। তৃণমূল ৫০ জন নিয়ে প্রচার করছে। পুলিশকে দিয়ে রাজনীতি বেশি দিন চলবে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Mithila : করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী মিথিলা

স্বামী ও পরিচালক সৃজিত মুখার্জি বছরের শুরুতেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। দুদিন আগে মেয়ে আইরার পর করোনায় আক্রান্ত হয়। এবার রাফিয়াত রশিদ মিথিলার কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ল। শুক্রবার এই অভিনেত্রীর করোনা পজিটিভ আসে। শনিবার বিষয়টি জানান মিথিলা নিজেই।রাফিয়াত রশিদ মিথিলা বলেন, কয়েক দিন ধরেই করোনার লক্ষণ দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার নমুনা পরীক্ষা করালে শুক্রবার পজিটিভ রিপোর্ট আসে। মিথিলা আরও জানান, এই মুহূর্তে তাঁর হালকা ঠাণ্ডা ও কাশি ছাড়া তেমন কোনো শারীরিক সমস্যা হচ্ছে না। তবে দ্রুত করোনামুক্ত হওয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।বিগত কয়েকদিন ধরে অনেক টলি তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দেব থেকে মিমি করোনা কাউকে ছেড়ে কথা বলেনি। এবার কোভিড পজিটিভ হলেন সৃজিতের স্ত্রী অভিনেত্রী মিথিলা।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Arijit Singh : করোনায় আক্রান্ত অরিজিত সিং, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটা জানালেন

করোনায় আক্রান্ত গায়ক অরিজিত সিং। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও কোভিড পজিটিভ। জানা গেছে অরিজিত সিং-এর মৃদু উপসর্গ রয়েছে। আপাতত বাড়িতে নিভৃতবাসেই রয়েছেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন গায়ক। তিনি লিখেছেন, আমি এবং আমার স্ত্রী কোভিড পজিটিভ। আমরা একদম ঠিক আছি এবং নিজেদের নিভৃতবাসেই রেখেছি।গত জুন মাসে করোনা আক্রান্তদের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছিলেন অরিজিৎ। তাদের জন্য অনলাইন কনসার্টও করেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অরিজিত সিং এবার নিজেই করোনায় আক্রান্ত হলেন। তাঁর অনুরাগীরা পোস্টে কমেন্ট করে দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।উল্লেখ্য বিগত কয়েকদিন ধরে বলিউড ও টলিউডে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সঙ্গীতের মধ্যে সোনু নিগম ও বিশাল দাদলালির কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার সকলের প্রিয় অরিজিত সিং করোনায় আক্রান্ত হলেন।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal