• ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Competition

খেলার দুনিয়া

'ছকে' বাঁধা চিন্তার বাইরে গিয়ে 'কিস্তিমাত' বর্ধমানের স্কুলের

বর্তমান প্রজন্মের কাছে ইন্ডোর গেম কথার অর্থ যেখানে PUBG: Battlegrounds, Minecraft, Grand Theft Auto, সমকালীন সেই চাহিদা/ধারনার বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য ভাবনার মানুষ অচিন্ত্য মন্ডলের ঐকান্তিক উদ্যোগে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল আয়োজন করলো দুই দিন ব্যাপী দাবা প্রতিযোগীতার। অক্টোবরের ১ ও ২ তারিখ যথা মঙ্গল ও বুধবার বর্ধমান মডেল স্কুল প্রাঙ্গণে দুই দিন ব্যাপী এই সুবিশাল কর্মকান্ড চলে।১লা অক্টোবর মঙ্গলবার প্রতিযোগিতার প্রথম দিন বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহোদয়া স্কুল কমপ্লেক্স সিবিএসসি (CBSE) অধীনস্থ বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র - ছাত্রীদের জন্য আন্ত স্কুল দাবা আয়োজন করা হয়। দুই জেলার স্কুল ভিত্তিক এই প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করে -বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল, বার্নপুর, পশ্চিম বর্ধমান। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে আয়োজক স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল, বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও যথাক্রমে তৃতীয় স্থান অর্জন করে পূর্ব বর্ধমান জেলারই মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুল, মেমারি।বয়স ভিত্তিক স্কুল দাবায় বিভিন্ন বিভাগে রেজাল্ট হলঃ অনুর্ধ-১১- বর্ধমান মডেল স্কুল (প্রথম), বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৪- ডিএভি মডেল স্কুল দুর্গাপুর (প্রথম) ও বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৭- বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (প্রথম) ও বর্ধমান মডেল স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৯- বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (প্রথম) ও পুর্ব ইন্টারন্যাশানাল স্কুল (দ্বিতীয়)। সহোদয়া স্কুল কমপ্লেক্স সিবিএসসি (CBSE) এর মস্তিস্ক প্রসূত একটি উদ্যোগ, যাহা সংশ্লিষ্ট জেলার সকল সিবিএসসি (CBSE) অনুমোদিত স্কুলগুলির একটি যৌথ মঞ্চ। যেখানে উক্ত জেলার স্কুলের শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে ভাই-বোনের সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজে একটা বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেয়। সেই নিমিত্তে CBSE এর সমস্ত স্কুল সহোদয়া কমপ্লেক্সের ঘরানা অনুযায়ী আন্তঃস্কুল বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। তারই অঙ্গ হিসাবে বর্ধমান মডেল স্কুল এই দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।এছাড়াও বর্ধমান মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষে নানাবিধ খেলার প্রচার ও প্রসারে সারাবছরই নানাবিধ উদ্যোগ নেয়। তাঁরা দাবাপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দাবা খেলায় অনুপ্রাণিত করার উদ্যোগে ২রা অক্টোবর ২০২৪ বুধবার সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের দাবারুদের নিয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ১৭৫ জন পেশাদার দাবা খেলোয়ার অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান লাভ করেন অম্বরীশ শর্মা এবং দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন শঙ্খদীপ মাইতি। বর্ধ্মান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, এতবড় কর্মকান্ড আয়োজন করার পিছনে একটাই উদ্দেশ্য একজন-ও যদি খেলাটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে জীবনের দিশা খুজে পায়! তিনি আরও জানান, নবীন প্রজন্ম কে পথ না দেখিয়ে শুধু দোষারোপ করলে চলবে না। আমাদের সেই পথে চলে লক্ষ্যে পৌছালেই আমাদের কাজের সার্থকতা। আমার আশা এই দাবা টুর্নামেন্ট দেখে অনুপ্রানিত হয়ে একজনও বিশ্বনাথন আনন্দ বা দিব্যেন্দু বড়ুয়া হওয়ার স্বপ্ন দেখবে।এই টুর্নামেন্ট দেখতে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকেরা ভিড় জমান স্কুল প্রাঙ্গণে। সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া সারা দিন ব্যাপী চলা টুর্নামেন্টে টানটান উত্তেজনায় ভরা খেলা চুড়ান্ত রাউন্ড শেষ হতে প্রায় সন্ধ্যা গড়িয়ে যায়। এই প্রতিযোগীতার অন্যতম আকর্ষণ ছিলো কমনওয়েলথ গেমস সহ একাধিক আন্তঃর্জাতীক প্রতিযোগীতায় দাবায় স্বর্ন পদক বিজয়ী স্নেহা হালদার। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়া প্রশাসক ও আইনজীবী পিরদাস মন্ডল। প্রতিযোগীতাটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিডে (FIDE) নিয়মানুসারে খেলা হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

আন্তর্জাতিক হাঁটা প্রতিযোগিতায় বড় কীর্তি বাংলার গৃহবধূর, সংসার সামলে এমন সাফল্যে প্রশংসার ঝড়

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেলেন মালদার গৃহবধূ। সংসার সামলে সুপ্রিয়া দাসের এমন কীর্তিতে রীতিমতো প্রশংসার ঝড় বইছে মালদায়। এমনকি সুপ্রিয়াদেবীর আন্তর্জাতিক স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাফল্যের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন মালদা জেলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা। এর আগেও হেঁটে একাধিক পদক জিতেছেন মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস। এবার বিশ্বসেরার খেতাব। দুই কিলোমিটার হেঁটে বিশ্বসেরা হলেন সুপ্রিয়াদেবী। তবে শুধুমাত্র হেঁটে নয়, পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতাতেও একাধিক পদক জমিতেছেন সুপ্রিয়া দেবী। বাংলাদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেন মালদার সুপ্রিয়া দাস। তাঁর স্বামী রাজু দাস পেশায় পুলিশ কর্মী। ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলায় বিশেষ আগ্রহ ছিল সুপ্রিয়া দাসের। কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর আর তেমন খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সংসার সামলে প্রায় ১৪ বছর পর ২০২৩ সালে আবার শুরু করেন অনুশীলন। গত এক বছরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় একাধিক সাফল্য এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক পদক জিতেছেন তিনি।গত ২৭ ও ২৮ জুন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ভ্যাটেনারি অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্যের সুবাদে সেখানে সুযোগ পান। দুই কিলোমিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক পেয়ে বাংলার নাম উজ্জ্বল করেছেন মালদার এই গৃহবধূ। পাশাপাশি রিলে দৌড় ও দৌড় প্রতিযোগিতায় আরও চারটি পদক পেয়েছেন। দুটি দ্বিতীয় ও দুটিতে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। গত এক বছরে একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছেন তিনি। সংসারের সমস্ত কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় পান মালদা শহরের পুলিশ লাইন মাঠ অথবা বৃন্দাবন ময়দানে অনুশীলন করেন সুপ্রিয়া দাস। নিজ প্রচেষ্টায় নিয়মিত অনুশীলন করেই প্রাপ্তবয়স্কদের এই অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় নেমে সাফল্য অর্জন করছেন তিনি। তাঁর সাফল্যে খুশি পরিবার থেকে জেলার ক্রীড়া প্রেমী মানুষেরা।

জুলাই ১৮, ২০২৪
রাজ্য

চার জেলার ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগীতা শুরু বর্ধমানে

চারটে জেলা নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা এবার পূর্ব বর্ধমানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১১ই নভেম্বর শুক্রবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের দূরশিক্ষা বিভাগের অডিটোরিয়ামে আনিষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন হল। চারটে জেলা নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা শুরু হতে চলেছে পূর্ব বর্ধমানে । প্রতি জেলা থেকে ২টি করে স্কুল ও কলেজ নিয়ে এই প্রতিযোগিতা। অংশগ্রহণ করছে চার জেলা। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও বীরভূম জেলা নিয়ে ১১ ও ১২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা বিভাগ ক্যাম্পাসে আজ থেকে শুরু হলো এই প্রতিযোগিতা।আলাদা আলাদা চারটে বিষয়ের উপর প্রতিযোগতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চারটে জেলা ৩২ টি স্কুল কলেজের ৩২০ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের জন্য পুরস্কার রয়েছে ১লাখ, ৭৫ হাজার ও ৫০ হাজার টাকা। আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, জেলা সভাধিপতি সম্পা ধারা, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, সহকারী জেলাশাসক সানা আখতার। এছাড়াও চার জেলার বিধায়ক রাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান বাংলার যুব সমাজকে সঠিক পথে চালনার করার জন্য খুব-ই দরকারি। তিনি অতীত ও বর্তমান কালের বিশিষ্ঠ সাংসদ দের নাম উল্লেখ করে বলেন, তাঁদের নাম চিরকাল সংসদে বা বিধানসভায় স্মরণ করা হবে। এই ধরনের অনুষ্ঠান থেকেই হয়ত ভবিষ্যতের নামকরা সাংসদ বিধায়ক উঠে আসবে।মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার নিজেকে ৭৭ বছরের যুবক সম্বোধন করে বলেন, শরীরে বয়সটা গৌন মনের বয়সটাকে বাড়তে দিতে নেই। তিনি বলেন, ভারতের প্রথম মক পার্লামেন্ট-র সাক্ষী ছিলেন। সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ যারা করেছিলেন তাঁদের অনেকেই পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিত হয়েছিলেন। তিনি পার্লামেন্টের বিভিন্ন কাজ সবিস্তারে ব্যখ্যা করেন।পূর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই পূর্ব বর্ধমান জেলাকে ভেনূ হিসাবে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন উর্ধতন কতৃপক্ষকে। তিনি বলেন, মোট চারটে জেলা যথা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও হুগলীর মোট ৩২টা স্কুল কলেজ মিলিয়ে এই প্রোগ্রামে ৩২০ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করছে। তিনি আরও বলেন মোট চারটি বিভাগের এই প্রতিযোগিতায় যুব সংসদ, কুইজ, তাৎক্ষনিক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি সকল প্রতিযোগীদের সাফল্য কামনা করে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান। প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও বলেন, বিজয়ী-র পুরস্কার থাকলেও; পুরষ্কারের থেকে গুরুত্বপূর্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করা।

নভেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে অনুষ্ঠিত হবে চার জেলার ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা, জানালেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা

চারটে জেলা নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ডিভিশনাল লেভেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট প্রতিযোগিতা এবার হতে চলেছে পূর্ব বর্ধমানে। এই নিয়েই আজ অংশগ্রহণকারী চার জেলা নিয়ে এক প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব বর্ধমানের বিডিএ হলে। উপস্থিত ছিলেন ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় ভারতী, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা, জেলা শাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ এবং অন্য তিনটি জেলার নোডাল অফিসাররা সহ ডিআই সেকেন্ডারি, ডিআইও।জানা গেছে, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও বীরভূম জেলা নিয়ে 11 ও 12 নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই প্রতিযোগিতা হবে বর্ধমান বিশ্ব বিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা বিভাগ ক্যাম্পাসে। আলাদা আলাদা চারটে বিষয়ের উপর প্রতিযোগতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগীদের থাকা খাওয়া ও নিরাপত্তা নিয়েই আজকের বৈঠক বলে জানান বিজয় ভারতী। তিনি বলেন, চারটে জেলা থেকে চারটি জেলা থেকে 32 টি স্কুল কলেজের 320 জন প্রতিযোগী অংশ নেবে। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের জন্য পুরস্কার রয়েছে 1লাখ, 75 হাজার ও 50 হাজার টাকা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ধমানে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ

শিশু কিশোর আকাদেমি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য সংসস্কৃতি দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী জেলাভিত্তিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ হল ২৭ আগস্ট। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করলেন ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি, রবীন্দ্রগীত, নজরুগীত,রাগপ্রধান গান এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতিযোগিতা চলবে। জেলা তথ্য ও সংসস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বর্ধমান-কাটোয়া ট্রেনে গান গেয়ে ভাইরান হন গায়ক মিলন কুমার, সেই মিলন কুমারকে সরকারি মঞ্চে প্রধান অতিথি করে নিয়ে এসে সম্বর্ধনা দেওয়া খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। মিলন নিজেও সে কথা জানান। তিনি মানুষের প্রতিনিধি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চান বলে জানান ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা'-র আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে ব্যাপক সাড়া

২৮ শে জুন মঙ্গলবার রবীন্দ্রসদনে আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হল। আবৃত্তি নিয়েই আবৃত্তিশিল্পী সংস্থার পথ চলা চুরু ২০১৫ সালে। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিশাল ভাবনা চিন্তার চাষ শুরু হয়েছিল বহু আগে থেকেই আগে। সারা বিশ্ব যখন আতিমারির কবলে আটকে পড়েছিল সেই সময় আবৃত্তিশিল্পী সংস্থা অনলাইনের মাধ্যমে শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। ভারত তথা বিশ্বের বহুপ্রান্তীয় সংস্কৃতিমনস্ক মানুষ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। সংখ্যাটা ছিল ৪১৬৪ জন। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকেও বহু প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন পর্যায়ের শেষে গত ২৮ জুন চূড়ান্ত পর্বে ছিলেন তিনটে বিভাগে মোট ১৯ জন প্রতিযোগী।এদিন চূড়ান্ত পর্বের বিচারকের আসন অলংকৃত করেছিলেন স্বনামধন্য বাচিক শিল্পী প্রণতি ঠাকুর, রত্না মিত্র, সুকুমার ঘোষ। উদ্বোধন করা হয় গাছে জল সিঞ্চন এবং কবিগুরুর বিভিন্ন কথার মালা গাঁথা হয় গাছটিতে। উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার সভাপতি সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, সহ সভাপতি মধুমিতা বসু, কর্ণধার জয়ন্ত ঘোষ এবং বিচারকরা। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই মেন্টরদের সংবর্ধনা দেওয়া হয। এছাড়াও যে সমস্ত প্রতিযোগী সেমিফাইনালে উঠেছিলেন তাঁদেরকেও সংবর্ধিত করা হয়। কবি দিধিতি চক্রবর্তী এবং কবি মনীষা যুগ্ম সম্পাদনায় আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার নিজস্ব পত্রিকা কন্ঠকথার তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগ ছিল ক-খ-গ, ক বিভাগে প্রথম হয় তৃষিত চক্রবর্তী (চিত্তরঞ্জন), দ্বিতীয়- পরিযায়ী চ্যাটার্জী (পুরুলিয়া), তৃতীয় - প্রমীতি পন্ডা ( পাটুলী)। খ বিভাগে প্রথম হয় সৃজা রায় ( পুরুলিয়া), দ্বিতীয় - শ্রীপর্ণা সিং (মুর্শিদাবাদ), এবং তৃতীয় -সোমশ্রী দেব ( হুগলি)। গ বিভাগ প্রথম- রীতি সেন(দক্ষিণ দিনাজপুর), দ্বিতীয়- স্বাগতা মির্জা (মুর্শিদাবাদ), তৃতীয়- সুশ্বেতা চক্রবর্তী ( উত্তর ২৪ পরগণা)। অনুষ্ঠানের শেষে সমস্ত প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।এইদিন সংস্থার নিজস্ব প্রযোজনা ছিল শতাধিক শিল্পীর কন্ঠে হে মোর চিত্ত পূণ্যতীর্থ কবিতাটি। দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন থেকে শুরু করে অফলাইনে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং তার গ্রান্ড ফিনালে - এই ভাবনা বাস্তবায়িত হয়েছে জয়ন্ত ঘোষের তত্বাবধানে।

জুন ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নব রবি কিরণের চূড়ান্ত পর্বের রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রতিযোগিতা

নব রবি কিরণ এবং নব নালন্দা সংগীত শিক্ষায়তনের উদ্যোগে আয়োজিত সারা বাংলা ব্যাপী রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রতিযোগিতা গানের ভিতর দিয়ের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। রবীন্দ্রসঙ্গীতের মুন্সীয়ানা যাচাই এর জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন নব নালন্দার কর্ণধার শ্রী অরিজিৎ মিত্র এবং এই প্রতিযোগিতাটিকে সফল করতে সর্বোতভাবে সহায়তা করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী শীর্ষ রায় এবং দেবাদৃত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও প্রত্যেক প্রতিযোগীকে প্রতিযোগিতার ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার জন্য ছিলেন বহু গুণী শিল্পী তথা সঙ্গীত শিক্ষক।গত ৪ ডিসেম্বর, ২০২১ তে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল নালন্দা ভবনে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা সঙ্গীত জগতের দিকপাল ব্যক্তিত্বরা। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকে অনলাইন ও অফলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করেছিলেন সারা বাংলার বহু প্রতিযোগী। তিনটি বিভাগে উন্মেষ (১০ থেকে ১৪ বছর), বিকাশ (১৫ থেকে ১৮ বছর) এবং ঐশ্বর্য (১৯ বছর ও তার ঊর্ধ্বে) এর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের তিনটি পর্যায়ের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই করা হয়। চূড়ান্ত পর্বের জন্য উন্মেষ বিভাগ থেকে ১৩ জন, বিকাশ বিভাগ থেকে ৭ জন এবং ঐশ্বর্য বিভাগ থেকে ১৫ জন মনোনীত হয়েছিলেন। এই প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপ অর্থাৎ প্রাক প্রাথমিক পর্যায় অনলাইনে হয়েছিল। প্রাথমিক তথা দ্বিতীয় পর্যায় হয়েছিল কলকাতার নালন্দা ভবন এবং শান্তিনিকেতনের নব নালন্দা স্কুল প্রাঙ্গনে৷ প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায়ের পরে চূড়ান্ত পর্বটি অনুষ্ঠিত হল আজ পূর্বাঞ্চল সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (EZCC), কলকাতা প্রাঙ্গনে। প্রতিযোগিতাটি সম্পর্কে প্রতিনিয়ত নব রবি কিরণের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এবং ওয়েবসাইটে জরুরি তথ্য জানানো হয়েছিল।চূড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন দেবাদৃত চট্টোপাধ্যায় এবং শীর্ষ রায়। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন শ্রীতমা বসু, সাম্য কার্ফা এবং মৌনীতা চট্টোপাধ্যায়। বিচারকের আসন অলংকৃত করেছিলেন অলক রায়চৌধুরী, বিপ্লব মন্ডল, প্রমিতা মল্লিক, অপলা বাসু, অগ্নিভ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জয়তী চক্রবর্তী। প্রতিযোগীদের যন্ত্রানুষঙ্গে সহযোগিতা করেছেন সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য্য, সুভাষ পাল, পার্থ মুখার্জী, দেবাশিষ হালদার, অমল সরকার এবং সুব্রত বাবু মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট মানুষ। EZCC এর ডিরেক্টর গৌরী বসু, দেবাশিষ কুমার, প্রমিতা মল্লিক, জয়তী চক্রবর্তী, অলকানন্দা রায়, বিপ্লব মণ্ডল, ইমন চক্রবর্তী, লোপামুদ্রা মিত্র, অগ্নিভ বন্দ্যোপাধ্যায়, অপলা বসু সেন, সিসপিয়া ব্যানার্জি, অদিতি গুপ্ত, রঞ্জিনী মুখোপাধ্যায়, অরিত্র দাশগুপ্ত, ময়ূরী সাহা, অ্যারিনা মুখার্জী, চন্দ্রাবলী রুদ্র দত্ত, শমীক পাল, প্রবুদ্ধ রাহা তাঁদের মধ্যে অন্যতম।প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা পেলেন নব রবি কিরণের ইউটিউব চ্যানেলে একটি করে মিউজিক ভিডিও করার চুক্তি এবং নগদ পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার ১২ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ৮ হাজার টাকা এবং তৃতীয় পুরস্কার ৫ হাজার টাকা। সঙ্গে বিজয়ীরা পেলেন নব নালন্দার রবীন্দ্রস্মরণ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনের সুবর্ণ সুযোগ। এছাড়াও দেওয়া হল নব নালন্দার প্রাণ প্রতিষ্ঠাত্রী ভারতী মিত্রের নামানুসারে ভারতী মিত্র স্মৃতি পুরস্কার। নব নালন্দা শিক্ষায়তন এবং নব রবি কিরণ ইতিমধ্যেই বাংলায় সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। তাঁদের এই উদ্যোগ নবীন প্রতিভাদের সঙ্গীতচর্চার পথে সাফল্য এনে দেবে বলেই আশাবাদী উদ্যোক্তা থেকে অতিথি শিল্পীবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: বাংলার অরুনিতা না পবনদীপ? কে হবেন ১২তম ইন্ডিয়ান আইডল

ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?

আগস্ট ১৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে প্রকাশ্য মঞ্চে কার্যত চ্যালেঞ্জ! নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে সম্মান করেন এবং তাঁর কথা শোনেন। তবে সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেতানিয়াহু।জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মনে করেন তিনি ট্রাম্পের কথামতো চলেন। আবার আমেরিকায় অনেকের ধারণা, ট্রাম্পও তাঁর কথামতো সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই দুই ধারণাই ভুল বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। সব বিষয়ে দুই দেশের মত এক হবে, এমন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে তাঁর সরকার কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয়। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনার উপস্থিতি বজায় থাকবে বলেও জানান তিনি। যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন সেনা সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে তাঁর স্পষ্ট বার্তা।সম্প্রতি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাধিক শর্ত নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই শর্তগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিও ছিল। কিন্তু তারপরও দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কিছুটা কঠোর সুরে ইজরায়েলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইজরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর সমর্থন ছাড়া ইজরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।তবে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইজরায়েল নিজের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ফলে লেবানন ও ইরান ইস্যুতে আগামী দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের অবস্থান কতটা একসুরে থাকবে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

একদিনে দুই বিরোধী শিবিরে বড় ধাক্কা! মমতার পর এবার উদ্ধবের ঘরেও ভাঙন

দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ভাঙনকে ঘিরে। পূর্ব ভারতে তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পশ্চিম ভারতে বড় ধাক্কা খেল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। দলের ছয় সাংসদ একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।গত কয়েকদিন ধরেই উদ্ধব শিবিরে ভাঙনের জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন দলের সাংসদদের বৈঠকে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ অনুপস্থিত থাকেন। পরে জানা যায়, ওই সাংসদরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে শিণ্ডে শিবিরের সঙ্গে একীভূত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।দলবদল করা সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় দিনা পাটিল, সঞ্জয় দেশমুখ, নাগেশ পাটিল, ওমরাজে নিম্বলকর, ভৌসাহেব ওয়াকচৌর এবং সঞ্জয় যাদব। মোট নয়জন সাংসদের মধ্যে ছয়জন একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতাও এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।সোমবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে একনাথ শিণ্ডের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শিবির বদল করেন ওই সাংসদরা। এরপর শিণ্ডে দাবি করেন, তাঁর দলে আরও শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসও এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।এই দলবদলের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাল ঠাকরের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে কার দাবি বেশি শক্তিশালী হবে। একসময় যে দলকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি আবর্তিত হতো, সেই শিব সেনার নিয়ন্ত্রণ এখন কোন শিবিরের হাতে বেশি, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনাটি শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। লোকসভায় এনডিএর শক্তি আরও বৃদ্ধি পেল। বিরোধী জোটের জন্যও এই ভাঙন নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।এদিকে বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চাপ এবং ক্ষমতার সমীকরণের কারণেই এই দলবদল। তবে শিণ্ডে শিবিরের মতে, এটি আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থার ফল।সব মিলিয়ে ছয় সাংসদের দলবদল দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায় যোগ করল। আগামী দিনে এর প্রভাব কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন! প্রাণ বাঁচাতে জানলা ভেঙে ঝাঁপ, মৃত অন্তত ১৪

লখনউয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জ এলাকার ওই কোচিং সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবনের ভিতরে এখনও কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে বহু পড়ুয়া ভবনের একতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সেই সময় হুড়োহুড়িতে অনেকে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, আগুনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া চেষ্টা করছেন ভিতরে আটকে থাকা মানুষজন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। চারপাশের এলাকা খালি করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকা এবং আগুনের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে দমকল কর্মীদের বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং ভবনের ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে সাসপেন্ড! তৃণমূলে বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত, মমতার নামও নেই নতুন কমিটিতে

বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে। নতুন তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও পরিষদীয় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হয়।সোমবার নিউ টাউনের একটি বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়ের নাম সামনে আনা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন।নতুন কমিটি ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে দলের অন্যতম প্রধান মুখ এবং সংগঠনের কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হতো। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে দলের পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সাংগঠনিক পদ না থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।উল্লেখযোগ্যভাবে, মাসখানেক আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়েছে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার ঘোষণার পর সেই সংঘাত আরও নতুন মাত্রা পেল।নতুন কমিটি এবং তার সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার নামই নেই! নতুন তৃণমূলের কমিটি ঘোষণা হতেই বাংলার রাজনীতিতে তোলপাড়

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিদ্রোহী শিবিরের নব তৃণমূল। পালাবদলের পর থেকেই একাংশ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছিলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করল।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, নব তৃণমূলের ঘোষিত কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম নেই। বরং চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। ফলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বিদ্রোহী শিবিরের হাতেই চলে গেল।ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখতারুজ্জামানকে। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম এবং রথীন ঘোষ। চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এত দ্রুত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার অর্থ কি ভবিষ্যতে আলাদা প্রতীকের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবের সঙ্গে বহু বিধায়কের স্বাক্ষর ছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান।এরপর ধীরে ধীরে একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন। রাজনৈতিক সংঘাত আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।সোমবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিদ্রোহী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন কাউন্সিলর এবং একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায়। সেই বৈঠক থেকেই নব তৃণমূলের সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হয়।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে নব তৃণমূল কোন পথে এগোয় এবং তাদের রাজনৈতিক কৌশল কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
রাজ্য

ঘাটালবাসীর কপাল খুলল! বাজেটে বিশাল ঘোষণা, এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার যন্ত্রণা?

ঘাটালবাসীর বহু বছরের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা ঘিরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা ও জলযন্ত্রণায় জর্জরিত এলাকার মানুষ এবার স্থায়ী সমাধানের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।ঘাটাল অঞ্চল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। অতীতে জমিদারি আমলে বন্যার জল আটকাতে বিভিন্ন এলাকায় সার্কিট বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সেই বাঁধগুলির সাহায্যে নিচু এলাকা বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেত এবং কৃষিজমির পরিমাণও বাড়ানো সম্ভব হয়েছিল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে জমিদারি ব্যবস্থা বিলুপ্ত হলেও সেই পুরনো বাঁধগুলি রয়ে যায়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু বাঁধ দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে প্রতি বছর বর্ষার সময় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অন্যদিকে নদীতে জমতে থাকা পলির কারণে জলধারণ ক্ষমতাও ক্রমশ কমেছে। তার ফলেই বন্যার ঝুঁকি বছর বছর বেড়েছে।এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করতেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে এবং জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে।এর আগে তৃণমূল সরকার বারবার অভিযোগ করেছিল যে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার অভাবেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। গত লোকসভা নির্বাচনের সময়ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। ঘাটালের সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, এলাকার মানুষকে বন্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে না পারার দায় তিনি অনুভব করছেন।এরপর রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজও শুরু হয়েছিল। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এই ঘোষণার পর ঘাটালজুড়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বহু মানুষের প্রশ্ন, এতদিনের প্রতীক্ষার পর এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার দুর্ভোগ? প্রকল্পের কাজ কত দ্রুত এগোয় এবং তার বাস্তব ফল কতটা পাওয়া যায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন ঘাটালবাসী।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তরক্ষীদের জন্য বড় উপহার! এবার আর দিতে হবে না এই কর, বাজেটে চমক

বৃত্তিকর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে বিএসএফ জওয়ানদের আর বৃত্তিকর দিতে হবে না বলে বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্যও বড় স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। কর মকুবের ক্ষেত্রে মাসিক আয়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বহু নিম্ন ও স্বল্পবেতনের কর্মী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।সোমবার বিধানসভায় বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেট বক্তৃতায় তিনি একাধিক নতুন প্রকল্প ও সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির কথাও জানানো হয়েছে।তবে বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল বিএসএফ জওয়ানদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের প্রস্তাব। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করেন। দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এতদিন তাঁদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের কোনও বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না।সরকারের দাবি, সীমান্তরক্ষীদের এই অবদানের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই বৃত্তিকর থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে রাজ্যের বহু বিএসএফ জওয়ান সরাসরি আর্থিক সুবিধা পাবেন।একইসঙ্গে স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্য কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সব মিলিয়ে সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জওয়ান এবং সাধারণ কর্মজীবী মানুষের জন্য একাধিক স্বস্তির বার্তা উঠে এসেছে।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

কত টাকা উঠেছিল? আদালতের এক প্রশ্নেই নতুন করে চর্চায় ইন্দ্রনীল-মধুছন্দা

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-কে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগে নতুন মোড় এল আদালতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত।বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই তথ্যও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর বিশেষ প্রিভিউ শো-এর জন্য উচ্চ মূল্যে পাস বিক্রি করা হয়েছিল। মধুছন্দা সেনের সংস্থা এই পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।সোমবার আদালতে শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, এই প্রক্রিয়ায় ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, গত দুই বছর ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই ইউনেস্কোর নাম এবং পরিচিতি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর নিয়ম অনুযায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাদের নাম বা পরিচিতি ব্যবহারের অনুমতি ছিল না বলেও আদালতে দাবি করা হয়।অন্যদিকে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দা সেনের আইনজীবীর বক্তব্য, ইউনেস্কো কখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করেনি। তাঁদের দাবি, প্রিভিউ শো-এর সঙ্গে ইউনেস্কোর নাম যুক্ত থাকলেও পাসে সেই পরিচিতি ব্যবহার করা হয়নি।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, অর্থের বিনিময়ে ডোনার পাস দেওয়া হলে তা বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যেই পড়ে কি না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।তবে আপাতত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী দুই সপ্তাহ কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না বলে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন তদন্ত রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal