• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Clash

রাজ্য

Galsi: গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম আনিসুর মণ্ডল ওরফে কালো, চণ্ডীচরণ দাস ও শেখ নূর আলম। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার বোলপুর গ্রামে চণ্ডীদাসের বাড়ি। অপর দুই ধৃত গলসির কড়কডাল গ্রামের বাসিন্দা। গলসি থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।আরও পড়ুনঃ বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রীপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁশের তৈরি বসার মাচা ভেঙে দেওয়া নিয়ে বুধবার বিকালে কড়কডাল গ্রামে শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ৪ মহিলা-সহ উভয়পক্ষে ১০ জন জখম হন।জখমদের মধ্যে ৭ জনকে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। আঘাত গুরুতর থাকায় সেখান থেকে কয়েকজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।আরও পড়ুনঃ কেন দ্বিতীয় বিয়ে করলেন না পূজা ভাট!আক্রান্ত শেখ নূর আলম পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকাল ৪টে নাগাদ লাঠি, রড, শাবল প্রভৃতি নিয়ে তাঁর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর বোন, মা, স্ত্রী ও অন্যান্য আত্মীয়দের মারধর করার পাশাপাশি তারা তাঁর বাড়িতে থাকা ২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে পালায়। অপরদিকে সফিকুল মল্লিকের অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে খলসেগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁর আর্তনাদ শুনে ভাই ছুটে আসেন। তাঁকেও মারধর করা হয়। দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে গলসি থানার পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

TMC Clash: তৃণমূল নেতার জমি দখল করল তৃণমূল নেত্রী, প্রকাশ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব

লাল ঝান্ডা পুঁতে দিয়ে এক তৃণমূল নেতার চাষের জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার চকদিঘী পঞ্চায়েতের পাহাড়পুর গ্রামে । ঘটনার বিষয়ে জমির মালিক কাশিনাথ সরকার শুক্রবার ওই তৃণমূল নেত্রী শিখা রায় ও তাঁর ছেলে সুমন্ত রায়ের বিরুদ্ধে জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। কাশিনাথ সরকারের বাড়ি জামালপুরের চকদিঘীর পাহাড়পুর গ্রামে। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হিসাবেই এলাকায় তিনি পরিচিত। পুলিশকে এদিন কাশিনাথবাবু জানিয়েছেন, পাহাড়পুরে জ্যোৎসুবল মৌজায় ৩৩৩ দাগে তাঁর ৬৯ শতক চাষ জমি রয়েছে। ওই সম্পত্তিটি তাঁর বাবা হরিসাধন সরকার ১৯৪৯ সালে রেজিস্ট্রি করে দলিল দ্বারা ক্রয় করেন পাহাড়পুর গ্রাম নিবাসী ফকির বাগদির কাছ থেকে। যে সম্পত্তি তাঁর বাবার নামেই ভূমি দপ্তরে আর-এস ও এল-আর রেকর্ডে নথিমুক্ত রয়েছে।ওই জমিতে দীর্ঘকাল তাঁর বাবা চাষ করে এসেছেন বলে কাশিবাবু দাবি করেন।একই সঙ্গে তিনি জানান, জীবিতাবস্থায় তাঁর বাবা হরিসাধন সরকার ওই ৬৯ শতক চাষ জমি দলিল করে তাঁকে লিখে দিয়ে যান ।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে কাশিনাথবাবু দাবি করেন, প্রায় ৭০-৭১ বছর ধরে তাঁর বাবা ও পরবর্তিতে তিনি ওই জমি চাষ করে আসছেন। কাশিনাথ বাবুর অভিযোগ, নিজেকে পাহাড়পুর এলাকার তৃণমূল নেত্রী বলে দাবি করা ফকির বাগদির বৌমা শিখা রায় তাঁর ছেলে সুমন্ত রায়কে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে অন্য কারওর ট্র্যাক্টর নিয়ে এসে জোরপূর্বক তাঁর জমি চষে দেয়। এরপর প্রথমে তারা তৃণমূল কংগ্রেসের একটি ঝান্ডা ওই জমিতে পুঁতে দেয়। পরে আবার ওই জমিতে বেগুন চারা লাগিয়ে দিয়ে তৃণমূলের ঝান্ডা সরিয়ে শিখাদেবী ও তাঁর ছেলে লাল একটি ঝান্ডা পুঁতে দিয়ে বেআইনিভাবে এদিন তাঁর জমির দখল নিয়েছে বলে কাশিনাথবাবু অভিযোগ করেছেন। ঘটনার বিষয়ে ব্লক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের অফিসেও এদিন তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খাঁনের ইন্ধনেই শিখা রায় ও তাঁর ছেলে বেআইনিভাবে তাঁর জমির দখল নিয়েছে । তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছেও এই বিষয়ে সবিস্তার অভিযোগ জানাবেন বলে এদিন কাশিনাথবাবু জানান। কাশিনাথ সরকারের আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী শিখা রায় বলেন, তাঁর শ্বশুরমশাই ফকির বাগদি পাগল ছিলেন। সেই সুযোগ নিয়ে পূর্বে অনেকে তাঁর শ্বশুর মশাইয়ের জমি নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। একইভাবে তাঁর শাশুড়ির কাছ থেকেও জমি লিখিয়ে নেওয়া হয়েছিল। শিখাদেবী দাবি করেন, তাঁর শ্বশুরমশাই যে পাগল ছিলেন সেই সংক্রান্ত নথি(সার্টিফিকেট) তাঁর কাছে আছে । শিখাদেবীর বক্তব্য, তাঁর শ্বশুর যেহেতু পাগল ছিলেন তাই অন্য কাউকে তাঁর শ্বশুর সাজিয়ে তখনকার দিনে তাঁর জমি বিক্রি করা সংক্রান্ত দলিল করে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। সেই কারণে শ্বশুরের সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্যে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।তবে শিখাদেবী নিজেই এদিন জানান, জ্যোৎসুবল মৌজায় ৩৩৩ দাগে তাঁদের এলাকার তৃণমূল নেতা কাশিনাথ সরকারের যে ৬৯ শতক চাষ জমি রয়েছে, সেই জমি নিয়ে তিনি মামলা করেননি। তবে কাশিনাথ সরকার যেহেতু বারে বারে ১০৭ ধারা ও ১৪৪ ধারার নোটিস পাঠিয়ে তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে হয়রানি করছেন, তাই তার বদলা নিতেই ৩৩৩ দাগের ওই জমি চষে দিয়ে তিনি বেগুনের চারা লাগিয়ে দিয়েছেন । তবে রাতে নয়, শুক্রবার দিনের আলোতেই তিনি এই কাজ করেছেন। আর ওই জমিতে তৃণমূলের কোনও ঝান্ডা নয়, একটা লাল কাপড়ের ঝান্ডা লাগিয়ে দিয়েছেন বলে শিখাদেবী জানিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ সাদা চুল নিমেষে কালো করার প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায় কী কী, জানুন...চকদিঘি পঞ্চায়েতের প্রধান তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা গৌরসুন্দর মণ্ডল বলেন, শিখা রায় যা করছেন ঠিক করছেন না।উনি যেভাবে জোরপূর্বক পাহাড়পুর এলাকার লোকজনের সম্পত্তির দখল নিয়ে নিচ্ছেন সেটা আইন বিরুদ্ধ কাজ হচ্ছে। তা নিয়ে ওই এলাকার মানুষজন ক্ষোভে ফুঁসছেন । শিখাদেবী যেহেতু আদালতে মামলা করেছেন, তাই ওনার আদালতের উপরেই ভরসা রাখা উচিত । শিখা রায়ের এমন কাজকর্মের জন্যে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসন এই বিষয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেব। অন্যদিকে, জামালপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলায় জড়িয়ে কে কি করছে সেটা তাঁর জানার কথা নয়। তিনি ঘটনা বিষয়ে কিছু জানেন না। কোথাও বেআইনি কিছু হয়ে থাকলে প্রশাসন তার ব্যবস্থা নেবে। বিজেপির জামালপুর বিধানসভার আহ্বায়ক জিতেন ডকাল বলেন, শুধু বিজেপির লোকজনই তৃণমূলের সন্তারের শিকার হচ্ছেন না । এখন, সন্ত্রাসের হাত থেকে তৃণমূলের লোকজনও যে ছাড় পাচ্ছেন না, তা চকদিঘির ঘটনা থেকেই পরিষ্কার হয়ে গেল ।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

TMC-Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান, চলল ব্যাপক মারধর-ভাঙচুরও

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ জানিয়ে আসছেন বিরোধীরা। মারধর, ঘর ভাঙচুর, খুনের মতো ঘটনাও ঘটে চলেছে। এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও। ফল ঘোষণার পর থেকেই পূর্ব বর্ধমানের রসিকপুর এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা চলছেই। যা গুরুতর আকার নেয় মঙ্গলবার। জানা গিয়েছে,তৃণমূল করলেও সংঘাতের বিরাম নেই এলাকার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। যার জেরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে এদিন। এলাকার যুব সভাপতি শেখ সাহেব। তাঁর উপর রাগ রয়েছে এলাকারই তৃণমূল জেলা সাধারণ সম্পাদক আবদুর রবের গোষ্ঠী।অভিযোগ, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর হুমকি দেওয়া তো চলছিলই। এদিন বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় রবের গোষ্ঠী। বাড়িতে যাকেই সামনে পেয়েছে, তাকেই বেধড়ক মারধর করা হয়। রেহাই দেওয়া হয়নি বয়স্ক, মহিলাদেরও। যুব সভাপতিকে সামনে না পেয়ে তাঁর আত্মীয়দের মেরে কারুর হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তো কারুর হাত কেটে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তরা হলেন, শেখ সাহেব, মনোয়ারা বিবি( আত্মীয়া), শেখ শুকুর। তাদের দোকানও ভাঙচুর করে টাকাপয়সা লুঠ করে নিয়ে গিয়েছে বলেও অভিযোগ। এরকম অত্যাচারের কথা জানিয়ে পুলিশে বার বার অভিযোগ করা হলেও তার কোনও ফল মেলেনি বলে অভিযোগ। এদিন হামলার পর বর্ধমান পুলিশের আইসির কাছে দিয়ে অভিযোগ জানায় আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেন আইসি। পুলিশের একটি দল গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে আসে। এদিকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস দলের অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা সরাসরি অস্বীকার করে জানান, আমি বাইরে ছিলাম।বিষয়টি ঠিক জানা নেই।এরকমটা হওয়ার কথা নয়।খোঁজ নিয়ে দেখবো।শুধু আক্রান্তের পরিবারই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দল যাই বলুক না কেন, এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তাণ্ডবে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

Group Clash: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত জয়নগর

জমি বিবাদের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জয়নগর। ব্যাপক বোমাবাজি হয় এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে এলাকা।জানা গিয়েছে, জয়নগরের (Jaynagar) মম্মেজগড় এলাকায় একটা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল স্থানীয় দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে। রবিবার সকালে তা চরমে ওঠে। কথাকাটাকাটি থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে ২ গোষ্ঠীর লোকেরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। লাঠি-রড-বাঁশ দিয়ে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা। কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্যাপক বোমাবাজিও হয়। আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে।এরপরই ঘটনার প্রতিবাদে গোচরণ-দোসাহাট রোড অবরোধ করে স্থানীয়রা। গাছের গুড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জয়নগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। দীর্ঘক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২ টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তদন্ত।

জুন ২০, ২০২১
রাজনীতি

Kailash Vijayvargiya: বিজয়বর্গীয়র নামে গো ব্যাক পোস্টার!

বিজেপির (BJP) অন্দরের ফাটল কী ক্রমশই চওড়া হচ্ছে! বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তর মুরলিধর সেন লেনের বাইরে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার। তাতে তাঁকে TMC Setting Master বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। এক, দুটি নয় রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরের বাইরে এই পোস্টারে ছয়লাপ। একইরকম পোস্টার দেখা গেল হেস্টিংসের কার্যালয়ে এবং বিমানবন্দরের কাছেও দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে এসব পোস্টার দেখা গেল। যা থেকে আরও স্পষ্ট, একুশের ভোটে বঙ্গে বিজেপির ভরাডুবির পর থেকে কৈলাস দলের অন্দরেই আরও চক্ষুশূল হয়ে উঠছেন।মুকুল রায়ের সঙ্গে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র (Kailash Vijayvargiya) সুসম্পর্ক গেরুয়া শিবিরের চেনা ছবি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি মুকুল রায় (Mukul Roy)দলবদল করে তৃণমূলে ফেরার পর থেকে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ নিয়ে তো বিজেপির রাজ্য নেতা তথাগত রায় টুইটে কটাক্ষ করে ভোদা বিড়াল নামে ডেকেই ফেলেন। এবার মুকুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কৈলাসকে বিঁধতে ছাড়লেন না অন্যরাও। পোস্টারে মুকুলের সঙ্গে আলিঙ্গনরত অবস্থায় কৈলাসকে দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ বঙ্গে আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ার জন্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কার্যত কেন্দ্রীয় নেতাদেরই দায়ী করছেন। নিশানায় অন্যতম কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, তিনি বেশ কয়েক বছর ধরেই এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। বাংলায় সংগঠনের প্রতিটি খুঁটিনাটি জেনে সেইমতো নীল নকশা ছকে তবেই ভোটযুদ্ধে এগোনো উচিৎ তাঁর। কিন্তু ভোটের ফলাফল বলছে, সেই কাজে তিনি ব্যর্থ। তাই তাঁর অপসারণের দাবিও উঠেছে। এবার বিজেপি রাজ্য দপ্তরের তরফেও সেই ক্ষোভের বহিপ্রকাশ ঘটছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

রাজনৈতিক সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদ, জখম ৫

রাত পোহালেই ভোট। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ। তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে জখম ২ পক্ষের বেশ কয়েকজন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁদের। গত কয়েকদিনে বারবার রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে ডোমকলের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচারে বেরিয়েছিল সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ, সেখানেই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে তাঁরা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। পরবর্তীতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করে। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। গুরুতর জখম হন মোট ৫ জন। অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও চলে মারধর। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। আগামিকাল অর্থাৎ সপ্তম দফায় ওই এলাকায় ভোট, তার আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। নতুন করে যাতে এলাকায় উত্তেজনা না ছড়ায় সেই কারণে মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনী। জানা যাচ্ছে, আহতদের মধ্যে ২ সিপিএম কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ভরতি করা হয়েছে বহরমপুর হাসপাতালে। উল্লেখ্য, ভোটের মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। কোথাও আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল, কোথাও বিজেপি কোথাও আবার সিপিএম। ঝড়ছে রক্ত। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। লাগাতার এহেন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে কমিশনের ভূমিকা।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
রাজ্য

ভোট মিটতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বর্ধমান

ভোটপরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমানের লক্ষ্মীপুর। শনিবার রাতে সংঘর্ষে জড়ায় তৃণমূল-বিজেপি কর্মীরা। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। রাতে পরিস্থিতি শান্ত হলেও রবিবার ভোর থেকে ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীরা।শনিবার অর্থাৎ পঞ্চম দফায় ভোট ছিল বর্ধমান দক্ষিণ আসনে। ভোট শেষ হওয়ার পর রাতে ওই এলাকার তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাতেই অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে থানা ঘেরাও করেন তৃণমূল কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ চলে বিক্ষোভ। গভীর রাতে ওঠে বিক্ষোভ। রবিবার সকালে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাসকেও মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। রীতিমতো তাড়া করা হয় তাঁকে। আক্রান্ত হন একাধিক তৃণমূল কর্মী। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় একটি ক্লাবেও ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিজেপি। একের পর এক বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সংঘর্ষে জড়ায় তৃণমূল-বিজেপি। ভোট পরবর্তী হিংসায় কার্যত জ্বলছে বর্ধমান। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। আতঙ্কে কাঁটা স্থানীয়রা।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় র‍্যাফ

পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগে থানা ঘেরাও তৃণমূলের।শিবপুরে ভোট পরবর্তী সংঘাত তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। বাঁকড়ার পরে এবারে শিবপুরের চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয় ওলাবিবিতলার ভ্যানিশকালি এলাকা। সোমবার রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শিবপুরের অনন্তদেব মুখার্জি লেনে নামে র্যা ফ। অনন্তদেব মুখোপাধ্যায় লেনের ভ্যানিস কালি অগ্রনী সংঘের মাঠের কাছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে মারামারি হয়। সোমবার রাতে এই সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার তৃণমূল চ্যাটার্জিহাট থানা ঘেরাও করে। চ্যাটার্জিহাট থানার ওসির অপসারণের দাবিতে থানা ঘেরাও করে তারা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় বার বার পুলিশকে ফোন করলেও রাতে ঘটনাস্থলে কোনও পুলিশ পাঠানো হয়নি। বিজেপির তরফেও জেলা নেতৃত্ব থানায় গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। তাঁদের অভিযোগ, ভোট শেষ হতেই চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে মারধর করেছে তৃণমূল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবী বিজেপির মহিলা বাহিনী তৃণমূলের মহিলাদের উপর সোমবার রাতে লাঠি ও রড নিয়ে চড়াও হয়। এতে তৃণমূলের দুই মহিলা গুরুতর আহত হন। যদিও বিজেপি এই আক্রমণের কথা অস্বীকার করেছে। বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। গুরুতর আহত তৃণমূলের এক মহিলা কর্মী মুনমুন চক্রবর্তী বলেন, আমি অফিস থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলা আমাকে পিছন থেকে এসে মারধর শুরু করে দিল। মাথায় ইঁট দিয়ে মারলো। তার পর রাস্তায় ফেলে পিঠে লাঠি, টিউবলাইট দিয়ে বেধড়ক মারধর করলো। আক্রমণকারীরা সব বহিরাগত। ওরা প্রত্যেকেই বিজেপির আশ্রিত। এলাকার বাসিন্দারাই আমাকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই মহিলাকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়ে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, বিজেপি আশ্রিত মহিলা দুষ্কৃতীরা লাঠি, টিউবলাইট নিয়ে চ্যাটার্জিহাটের অনন্তদেব মুখার্জি লেনে বাড়ি বাড়ি ঢুকে ৬৫ থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধবৃদ্ধাদের মারধর করেছে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার এলাকায় মদের দোকান রয়েছে। ওই নেতাই প্রচুর কালো টাকা ছড়িয়ে বাইরে থেকে মহিলা দুষ্কৃতী নিয়ে এসে এলাকার বাসিন্দাদের মারধর করেছে। ভোটের পর এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত বলেন, হাওড়ায় শনিবার ভোট মিটতেই সব জায়গায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। সোমবার রাতে চ্যাটার্জিহাটেও একই ঘটনা ঘটেছে। হাওড়া জেলা হাসপাতালে প্রচুর বিজেপি কর্মী আহত হয়ে ভর্তি আছেন। এভাবে তৃণমূল আমাদের কর্মীদের মারতে থাকলে আমরা আর হাত গুটিয়ে বসে থাকবো না। আমরাও এবার পাল্টা মারবো। শনিবার ভোট মেটার পরেই রবিবার রাতে বাঁকড়ায় সংঘাতে জড়ায় তৃণমূল ও বিজেপি। সেই সংঘাতের রেশ মিটতে না মিটতেই সোমবার রাতে চ্যাটার্জিহাটে আবার যুযুধান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় র্যা ফ। হাওড়ায় ঘটা একের পর এক ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
বিদেশ

মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিক্ষোভ বাংলাদেশে, পাক-পন্থীদের তাণ্ডব, নিহত ৪

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময়ই হিংসা ছড়াল বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায়। এর মধ্যে শুক্রবার সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের হাটহাজারি এলাকায়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। শুক্রবারই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের সূচনা হয়। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ১৯৭১-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সহযোগী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় গিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মূলত মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পাকিস্তান-পন্থী জামাত-ই-ইসলামি এবং তার সহযোগী গোষ্ঠীগুলিই এই বিক্ষোভে জড়িত।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী জামাতকে কয়েক বছর আগে হাসিনা সরকার নিষিদ্ধ করলেও নাম বদলে কয়েকটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নামের আড়ালে সক্রিয়তা চালিয়ে যাচ্ছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ওই সংগঠনগুলি পরিচালিত কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাই মূলত হিংসাত্মক বিক্ষোভ চালাচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের ভোটপ্রচারে মোদি-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের অনুপ্রবেশ বিরোধী মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশের জনসমাজের একাংশে অসন্তোষ ছড়িয়েছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জামাত-পন্থীরা কৌশলে ভারতবিরোধী জিগির তোলার চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, রণক্ষেত্র দিনহাটা

ভোট যত এগিয়ে আসছে, জেলায় জেলায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনাও বাড়ছে। বুধবার বিজেপি-র মণ্ডল সভাপতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহার জেলার দিনহাটায়। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে দেহ।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দিনহাটা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় কমিশনের আধিকারিকরা।ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। স্থানীয় বিজেপি ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে। জানা গিয়েছে, ওই বিজেপি কর্মীর নাম অমিত সরকার। বুধবার সকালে দিনহাটার পশু হাসপাতালের বারান্দায় অমিতের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য তথা মুখপাত্র দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেছেন, ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি-র সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও সরব হয়েছেন ঘটনা নিয়ে। বুধবার সকালে এই ঘটনা নিয়ে টুইট করে তৃণমূলের প্রতি আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটার পরিস্থিতি। সেখানকার বিভিন্ন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কোচবিহারের সাংসদ তথা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা থানায় যান। সেখানে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। থানা থেকে ফেরার পথে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে নিশীথের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। সে সময় বাধা দিলে পুলিশের উপরে চড়াও হন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দিকেও পাল্টা ঢিল ছুড়তে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তখন কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। এর পরই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেছেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। যে বিজেপি নেতা বা কর্মী খুনের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তিনি নিশ্চয় দেখে ওই দাবি করছেন। তাহলে পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। এই ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। তাই না জেনে কিছু বলতে চাইছি না। ঘটনা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও করেছেন তিনি। দুপুরে দিনহাটা শহরে মিছিল করে দিনহাটা সদর মহকুমা শাসকের দপ্তরে সামনে অবস্থানে বসলেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এবং দিনহাটা শহরকে অশান্ত করার প্রতিবাদে অবস্থানে বসেছেন তিনি।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজ্য

মঙ্গলকোটে রাজনৈতিক হিংসার বলি এক

ফের রাজনৈতিক হিংসার বলি একজন।পূর্ব বর্ধমান জেলায় খুন হলেন তৃণমূলের এক বুথ সভাপতি। জখম হয়েছেন আরও এক তৃণমূল নেতা। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। মঙ্গলবার দুপুরে মঙ্গলকোট থানার নিগন গ্রামে তৃণমূল নেতা সঞ্জিত ঘোষকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তাঁকে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূলের মোকাবিলা করতে না পেরে এইভাবে হিংসার রাজনীতির আশ্রয় নিচ্ছে। যদিও বিজেপির দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই রয়েছে এই খুনের পিছনে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে মোটরবাইকে করে দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সঞ্জিতবাবু। সঙ্গে ছিলেন মঙ্গলকোটের তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ইব্রাহিম শেখ। নিগন গ্রামে তাঁদের বাইক আটকায় বিজেপির লোকজন। তৃণমূলের নিগন অঞ্চল সভাপতি ধ্রুব ভট্টাচার্য বলেন, সোমবার এলাকায় বিজেপির যুব মোর্চা রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ সভা করেছিলেন। সেখানে তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন।তার জেরেই এদিন আমাদের নেতাদের উপর হামলা করা হয়েছে। বিজেপি মানুষ খুনের রাজনীতি শুরু করেছে।যদিও বিজেপির বর্ধমান পূর্ব সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের দাবি, তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দল। নিগন গ্রামে যা ঘটেছে তা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই ঘটেছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান-আসানসোল

বর্ধমানের ঘোড়দৌড় চটির জেলা বিজেপি কার্যালয়ে পুরনো এবং নতুন কর্মীদের মধ্যে ইটবৃষ্টি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি গাড়িতেও। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সূত্রের খবর, বর্ধমান সদর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীর অপসারণের দাবিতে সরব বিজেপির একটি গোষ্ঠী। তাঁদের অভিযোগ, বর্ধমান সফরে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উদ্বোধন করা দলীয় কার্যালয়ে অনৈতিক কাজ হচ্ছে। সেই অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিজেপির পুরনো কর্মীরা। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। অভিযোগ, নতুন কর্মীরা ওই দলীয় কার্যালয়ের ছাদ থেকে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইট ছুঁড়তে থাকে। ভেঙে যায় পার্টি অফিসের জানলা। দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জিটি রোডে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। রাস্তার উপরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গাড়িগুলো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। দমকল এসে অগ্নিকাণ্ড সামাল দেয়।উল্লেখ্য, বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ তারা পুরনো কর্মী। রক্ত দিয়েছেন। মার খেয়েছেন। কিন্তু যাদের সাথে লড়াই করে এসেছেন তাদের দলে নেওয়া হচ্ছে। তাদের কথা শোনা হচ্ছে না। দলে স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। তারা বারবার সাংসদ থেকে দলীয় নেতৃত্ব সবাইকে জানিয়েছেন। কোনও ফল হয়নি। তাদের আরও অভিযোগ, আজ দলের অফিস থেকে অফিসিয়াল গ্রুপের লোকেরা তাদের প্রথম আক্রমণ করে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজেপি ততটা সংগঠিত ছিলনা। কিন্তু লোকসভা ভোট থেকে সংগঠন বাড়তে থাকে। লোকসভায় বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রে জয়ী হয় দল। কয়েকদিন আগেই স্বয়ং জেপি নাড্ডার রোড শোয়ে মানুষের ঢল নামে। তারপর এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলকে অবাক করেছে।বিজেপি এই ঘটনার দায় চাপিয়েছ তৃণমূল ও পিকের টিমের উপর। দলের জেলা সহসভাপতি প্রবাল রায়ের অভিযোগ, কোনও বিজেপি কর্মী বা সমর্থক এদিনের ঘটনায় জড়িত না। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সবাই দেখেছে কারা তান্ডব চালিয়েছে। বিজেপির পুরনো ও নতুনদের গন্ডগোল। পুলিশ না থাকলে ঝামেলা বাড়ত।অন্যদিকে, বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল হয় আসানসোলও। এদিন, বিজেপি জেলা কার্যালয়ে বারাবনি ও কুলটি মণ্ডলের কর্মীদের বৈঠক ছিল। উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন ও বাবুল সুপ্রিয়। তাঁদের সামনেই ফামেলায় জড়ান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। গেরুয়া শিবিরের একাংশের অভিযোগ, সম্প্রতি বিজেপি জেলা যুব মোর্চার ঘোষিত কমিটিতে বাদ পড়েছেন অনেকেই। যাঁরা বাদ পড়েছেন তাঁরা পুরনো বিজেপি কর্মী। কিন্তু তৃণমূল থেকে আসা কর্মীদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। ফলে নব্য-পুরাতন বিজেপি যুব মোর্চার মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মাইক হাতে নিয়ে বাবুল ও অরবিন্দ মেনন পরিস্থিতি সামাল দেন।শুরু হয় বৈঠক।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজ্য

আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২

বিজেপির আর নয় অন্যায়কর্মসূচিতে গুলি ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি। এই ঘটনায় দুজন পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম স্বপন বাউড়ি ও সাধন রাউত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মিছিল বের করেছিল বিজেপি। বারাবনির জামগ্রাম থেকে কাপিস্টা পর্যন্ত বিজেপির মিছিল যাওয়ার কথা ছিল। তার জন্য সকাল থেকে কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়েছিলেন জামাগ্রামে। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই মিছিলকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা। বোমাবাজিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। মোটরবাইকও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য অন্যদিকে, বারাবনি তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, জামগ্রাম এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে শিবির করেছিলেন দলীয় কর্মীরা। ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংয়ের দাবি, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তারাই ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে বোমা-গুলি চালিয়েছে। আর যেসব গাড়ি পুড়েছে, তা তৃণমূল সমর্থকদেরই। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস বেশ কিছু তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে মোটরবাইকে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ, সেই আগুন নিভিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান, পথ অবরোধ 

রাজ্যজুড়ে চলছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এবার সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাসকদলের দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। এই ঘটনায় দুই গোষ্ঠীরই বেশ কয়েকজন জখম হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের লোকো কলোনীতে। জানা গিয়েছে, বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছে। সেখানেই ক্যাম্পের দখলদারি নিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও মহম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে বিবাদ বেধে যায়। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ তৃণমূল নেতা খোকন দাসের অভিযোগ, এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে তার অনুগামীরা শিবু ঘোষকে মারধর করে। শিবু ঘোষ বৌদি ও স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। ওই সময়ে মহম্মদ সেলিম তার দলবল নিয়ে তাকে আক্রমণ করে। মার খাওয়ার এলাকার একটি বাড়িতে শিবু ঘোষ আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে মারধর করা হয়। তাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে। তিনি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন, যদি বিকেলের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে তারা থানা ঘেরাও করবেন। পুলিশ প্রশাসন ঠিকমত কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম বলেন, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাজির হয়ে শিবু ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন দাদাগিরি করছিল। এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন। এই নিয়ে প্রথমে বাদানুবাদ হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের তাড়া করলে ছুটে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারে। কেউ তাদের মারধর করেনি। আর ওখানে কোনও তৃণমূলের পার্টি অফিস নাই।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীর নাম অভীক মণ্ডল। তাকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবার সিউড়ি জেলা স্কুল মাঠে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভা ছিল। অভিযোগ, সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মী -সমর্থকদের বাধা দেওয়া হয় নানুরের শিমুলিয়া গ্রামে। চলে বোমা, গুলিও। বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। সমস্ত অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ সায়ন্তনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তাদের প্রথমে গ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। শিমুলিয়ায় এদিন পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের লাঠিপেটা করেছেন বিজেপি সমর্থকরা বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আরও পুলিশকর্মী এলাকায় এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়েই শিমুলিয়া চলে আসে নানুর থানার পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অন্যদিকে, একইরকম ঘটনা ঘটে সাঁথিয়ার ভ্রমরকল গ্রামে। বিজেপির অভিযোগে, সেখান থেকেও দলের সমর্থকরা দিলীপ ঘোষের সভায় আসছিলেন। ভ্রমরকলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে রাস্তায় তির ধনুক নিয়ে বসে পড়েছেন বিজেপি সমর্থকরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠায় যাত্রী-পুলিশ সংঘর্ষ , আহত ২

সাতসকালে স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সোনারপুর রেল স্টেশন। রেলযাত্রীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুজন রেলযাত্রী। এরপর রেলযাত্রীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। পাল্টা পুলিশও লাঠিচার্জ করেছে রেলযাত্রীদের উপর। সোনারপুর জিআরপি, রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং সোনারপুর থানার পুলিশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ঘটনার প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল লোকাল বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ। যদিও কিছুক্ষণ পরে স্পেশাল ট্রেন যথারীতি চলতে শুরু করে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকাল ৭ টা নাগাদ শিয়ালদহগামী বারুইপুর লোকালে সোনারপুর স্টেশন থেকে যাত্রীরা উঠতে চাইলে রেল সুরক্ষা বাহিনী তাদের বাধা দেয়। তাতেই উত্তেজনা ছড়ায়। মহিলা রেল যাত্রীরা রেললাইনে বসে অবরোধ শুরু করে। পুরুষ যাত্রীদের সঙ্গে রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং জিআরপির খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে রেলযাত্রীরা। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রেনের কামরা। এরপরেই রেল পুলিশ এবং রেল সুরক্ষা বাহিনী যৌথ লাঠিচার্জ শুরু করে। আহত হন এক বৃদ্ধ এবং এক যুবক। ঘটনায় বৃদ্ধের মাথা ফেটে যায়। যুবকের হাতে চোট লাগে। তাদের দুজনকেই সুভাষগ্রাম হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal