• ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Civilization

সম্পাদকীয়

করোনা: বাঙালি নিজ সংস্কৃতি-সভ্যতা নিজেই ধ্বংস করবে!

মানুষের বুদ্ধি কি লোপ পেয়েছে? করোনা আবহে এই প্রশ্নটি বোধহয় সব থেকে যুক্তিসঙ্গত। নাকি মানুষ চায় নিজ সভ্যতা নিজের হাতে ধ্বংস করে দিতে। জীবন বিপন্ন করে দেওয়ার পন নিয়েছে সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তার সঙ্গে সরকারি উদাসীনতা ও নানান সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশুকরোনাপূর্তির দুবছর সম্পূর্ণ আমাদের দেশে। লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন নানা শব্দ এখন যেন বাংলা শব্দে রূপান্তর হয়েছে। অতিমারি এখন একেবারে চেপে বসেছে বাংলায়। এখন আর লাফিয়ে বা লিফ্টে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে না, একেবারে রকেট লঞ্চারের মাথায় বসে ছুটছে করোনা। তবুও কিন্তু হুঁশ ফেরেনি মানুষের। যা হওয়ার হবে গোছের মনোভাব। সরকার নানা ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, আবার যে করোনা বিধি ঘোষণা করেছে তার তোয়াক্কা করছে না সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতেও প্রশাসনের অনীহা দেখা যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ করোনার থাবা এবার সিবিআই-ইডি অফিসেওগঙ্গাসাগর মেলায় কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। বিরোধী দল বিজেপি বলছে, রাজ্য সরকার আমাদের কথা শোনে না। এমন কথা বলে নিজেদের দায় এড়ানো যায় কীনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে আজ, বৃহস্পতিবার শুনানি রয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে। যদিও নানা মেলা-উৎসব বন্ধ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনা উদ্বেগে স্থগিত কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবট্রেন, বাস, অটো, বাজারহাটে মাস্ক ছাড়া বহু মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেপরোয়া মনোভাব রয়েছে একটা বড় অংশের। এক্ষেত্রে পুলিশ-প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ করা উচিত। যে মাস্ক পড়ছে না সে যদি শুধু নিজের ক্ষতি করতো তাহলে এক বিষয়, কিন্তু পুরো সমাজের ওপর প্রভাব পড়তে বাধ্য। প্রথমত, তাঁর করোনায় বাড়াবাড়ি হলে হাসপাতালে একটা বেড ধরে রাখবে। সরকারি কোষাগার থেকে তাঁর চিকিৎসা খাতে মোটা অর্থ অপচয় হবে। আরও বহু লোকের মধ্যে রোগটাকে ছড়িয়ে দেবে। আবার এখন তো সরকারি ক্ষতিপূরণেও অর্থ ব্যয় হবে। একটা বেপরোয়া মানুষ সমাজের একাধিক ক্ষতির জন্য দায়ী হচ্ছে। তবু কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে না? এই প্রশ্নই ঘুরছে সর্বত্র। বৃহত্তর সমাজ তথা মানব সভ্য়তা টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করতেই হবে।আরও পড়ুনঃ ১২ সেকেন্ডের গোল, ভেঙে গেল ৪৫ বছরের পুরনো রেকর্ড, তবু সবুজমেরুনকে জেতাতে ব্যর্থ উইলিয়ামসনির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যত কথা কম বলা যায় ততই মঙ্গল। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কীভাবে বাংলার সর্বনাশ করেছে তা রাজ্যবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের পর তৃতীয় ঢেউয়ে কলকাতার বেসামাল অবস্থাও দেখা যাচ্ছে। ভোট রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী কোনও দলই করোনা বিধির তোয়াক্কা করে না, তা আর বলারও প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য। মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ১৪হাজার ছাড়িয়েছে। ১০ দিন আগে সেই সংখ্যা ছিল ৪৩৯। ভাবুন একবার রকেট বেগে কীভাবে ছড়াচ্ছে কোভিড ১৯। সাধারণ মানুষের একটা অংশের এখনও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সরকারকেও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা নাহলে রুটি, রুজি, সমাজ, সংস্কৃতি, সভ্যতা কীভাবে ধ্বংস হবে তা বাঙালি নিজের চোখেই প্রত্যক্ষ করবে। কাউকে দায়ী করে কোনও ফায়দা নেই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
নিবন্ধ

Afghanistan: আদিমতার উল্লাস-মধ্যযুগীয় বর্বরতা-অস্ত্রের ঝনঝনানি, চুপ! সভ্যতা মুখে কুলুপ এঁটেছে

আফগানিস্থানে তালিবানদের আধিপত্য কায়েম হয়েছে আবার। ফের আদিমতার পদচিহ্নের সূত্রপাত। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্থানে যে তালিবানি শাসন কায়েম ছিল তা পুনরায় ফিরে এলো। এই দেশের বেশির ভাগ অংশই এখন তালিবানিদের দখলে। শরিয়ত আইন স্থাপন এবং ইসলামিক রাষ্ট্র সামরিক শক্তির আশ্রয়ে গঠন করাই তালিবানদের লক্ষ্য। হঠাৎ করে আবার কেন তালিবানি শাসন বিস্তার? এই প্রশ্নের সম্মুখীন গোটা বিশ্ব, এই উত্থানের পেছনে কাদের মদত রয়েছে - এই প্রশ্ন জাগছে মানুষের মনে। মধ্যযুগীয় বর্বরতা, গণতন্ত্রের হত্যা, সামরিক বাহিনীর কড়া নজরদারি, যেখানে সেখানে মানুষের ন্যুনতম আধিকারে হস্তক্ষেপ, স্বাধীনতা খর্ব করাই হচ্ছে তালিবানদের প্রধান উদ্দেশ্য। কুড়ি বছর পর ফের আফগানিস্থানে তালিবানি শাসন কায়েম আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটাচ্ছে - দাবী বিশেষজ্ঞদের।আরও পড়ুনঃ ফাঁকা পড়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কী খুঁজছে তালিবান?বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, আফগানিস্থানের সাধারণ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে, মহিলারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন, স্কুল কলেজ সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো সব বন্ধ। যদিও তালিবানদের মুখপাত্র ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আফগানিস্থানে সমস্ত অফিসের কার্যকলাপ স্বাভাবিক নিয়মে শুরু করার কথা। এছাড়াও তিনি আরও জানান, নারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রয়েছে এবং নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে তাঁদের কোনও বিরোধ নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। আফগানিস্থান থেকে মহিলারা সোশাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন, তাঁরা নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণ ভাবে ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন। সরকারি টেলিভিশনের মহিলা অ্যাঙ্করকে ছাটাই করেছে কাবুল দখল করেই। হাত পিছমোড়া করে বেঁধে এক মহিলার কপালে গুলি করা হচ্ছে, সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।এরপরও কি তালিবানদের ওপরে কোনও ভরসা করা যায়? নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফা তিনিও উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন নারী এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ তালিবানি আতঙ্কের মাঝেই কেঁপে উঠল আফগানিস্তানমার্কিন সামরিক বাহিনী আফগানদের মাটি ছাড়ার পরই তালিবান শক্তি আফগানিস্থান দখল করেছে। এই ঘটনায় হতবাক বিশেষজ্ঞরা। এখানেই বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমেও প্রশ্ন উঠেছে সে দেশের প্রশাসনের কাছে কি আগাম খবর ছিল? একদল আমেরিকান সরকারি কর্মী এমন আভাসের কথাও নাকি জানিয়েছিলেন সে দেশের প্রশাসনকে। আমেরিকান সৈন্য আফগানিস্তানের মাটি ছাড়তেই তালিবানরা প্রবল শক্তিতে দখল নিতে শুরু করে। অস্ত্রের ঝনঝনানি শব্দ যে অনেক দিন বিশ্ববাসী শোনেনি। অস্ত্র ব্যবসাও তলানিতে। অর্থাৎ যুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধের দামামা শুরু!আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফঅন্যদিকে, পাকিস্তান, চীন এবং মধ্য প্রাচ্য-এর দেশগুলো তালিবানদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এমনটাই দেখা গিয়েছে। কমিউনিস্টরাও সমর্থন করছে ধর্মান্ধদের! রাজনীতির স্বার্থে সবই সম্ভব। তানিবানদের আফগানিস্থানে প্রথম সরকার গঠনের পরবর্তী ঘটনার ইতিহাস সারা বিশ্ব আজও ভুলতে পারেনি। সেই স্মৃতির আতঙ্ক ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে তালিবানরা। একবিংশ শতাব্দীতেও গণতন্ত্র বাদ দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনায় বন্দুকের নল যদি ক্ষমতার উৎস হয় তা ভয়াবহ হতে বাধ্য। ফের হত্যালীলা, অত্যাচার শুরু করে দিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের অফিসগুলোতে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালিয়েছে তারা। এই সভ্যতার যুগে মানুষ উড়োজাহাজের চাকায় ও ছাদে চেপে বসেছে। মাঝ আকাশ থেকে ছিটকে পড়ে মৃত্যু- আতঙ্কের ভয়াবহতা এতেই স্পষ্ট। আফগান নারীরা সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতে এয়ারপোর্টে আমেরিকান সৈন্যদের হাতে তুলে দিয়েছে। এভাবেই এগোচ্ছে বিশ্বের সভ্যতা! রাস্ট্রসংঘ, উন্নয়নশীল দেশগুলো টিভির পর্দায় বর্বরতা দেখছে। কী কারণে রাষ্ট্রপুঞ্জ গঠন করা হয় তা-ও এখন প্রশ্নের মুখে। তালিবানদের বর্বরতা কোনও দেশের অভ্যন্তরীন বিষয় বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় কি? এদেশের বিদ্বজনেরাও কিম্তু চোখে ঠুলি লাগিয়েছেন। তাঁদের মুখেও কিম্তু লিউকেপ্লাস্টার লাগিয়ে নিয়েছেন। কানে গুঁজেছেন তুলো। এসব বিষয় নিয়ে আলেচনা নৈব নব চ।আরও পড়ুনঃ তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতারজানা যাচ্ছে, আফগানিস্তানের পঞ্জশিরে এখনও তালিবানরা প্রবেশ করতে পারেনি। নর্দার্ন অ্যালায়েন্স প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। দেখা যাচ্ছে আফগান মহিলারাও হাতে অস্ত্র তুলে নিচ্ছে। এবার দখলদারির শুরুতে প্রতিরোধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগের তালিবান জমানায় একাধিক শিল্প-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধ্বংস করেছে তালিবান গোষ্ঠী। এবারও যে কী করবে তা শীঘ্রই প্রত্যক্ষ করা যাবে।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমাবন্দরে প্রাণ বাঁচানোর লড়াইয়ে ম্লান একরত্তির অকাতর কান্নাএকবিংশ শতাব্দীতে এসেও মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হচ্ছে মানুষ - কেনও? সেই প্রশ্নই ঘুরে-ফিরে আসে। বিশ্বায়ন তথা আধুনিকতার যুগে এই বর্বরতার ছবি পুনরায় ঘটবে। অন্যদিকে বাকি বিশ্বের মানুষ তামাসা দেখবে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।ডঃ অপর্ণা দেবনাথ

আগস্ট ২০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

ভিসা জট কাটছে অবশেষে, ভারত সফরের পথ খুলতেই স্বস্তি দুই দেশের মানুষের

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক। অন্তর্বর্তী পর্বের অবসান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। এই পরিবর্তনের পরই ভ্রমণ ভিসা-সহ বিভিন্ন ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক হতে চলেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহল। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ থাকায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন এবং মূলত চিকিৎসা ভিসা ও সীমিত প্রবেশের ভিসাই দেওয়া হচ্ছিল।সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানান, ভ্রমণ ভিসা-সহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের অগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে বড় অসুবিধা তৈরি হয়। এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার ইঙ্গিত মিলছে।তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং দুই দেশের মানুষই এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর কথায়, ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক নৈকট্য, বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথাও উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ করার দিকেই দুই দেশ এগোতে চায়।প্রসঙ্গত, ছাত্র আন্দোলনের জেরে দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। পরে মুহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। সেই সময় আঞ্চলিক কূটনীতিতে নানা টানাপোড়েন দেখা দেয় এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হয়। দীর্ঘ প্রায় সতেরো মাসের অস্থিরতার পর নতুন স্থায়ী সরকার গঠনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে বাংলাদেশে গম রপ্তানির উপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভারত, যা ইতিবাচক কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে আগের উষ্ণ অবস্থায় ফিরতে পারে এবং ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়া সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক, স্কুলের পাতে বাড়ছে ডিমে ভরা মধ্যাহ্নভোজ

স্কুলের মধ্যাহ্নভোজে বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে শিক্ষা মহল থেকে অভিভাবক সমাজসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে আলোচনা। এতদিন মাথাপিছু অল্প বরাদ্দের কারণে বহু স্কুলে সপ্তাহে একদিন গোটা ডিম দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ত। এবার ভোটের আগে রাজ্য সরকার বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা করায় পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই পড়ুয়াদের পাতে ডিম দেওয়া সম্ভব হবে, আর ডিম না মিললে মরসুমি ফল দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।এর আগে প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু প্রায় ছয় টাকা আটাত্তর পয়সা বরাদ্দ ছিল। চাল আলাদা করে দেওয়া হলেও ওই সামান্য অর্থে সবজি, ডাল, মশলা এবং রান্নার জ্বালানি জোগাড় করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হত স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ফলে অনেক স্কুলে সপ্তাহে এক বা দুদিন ডিম দেওয়া যেত, আবার ডিমের দাম বাড়লে কোথাও আধখানা ডিম দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দিতে হত। দীর্ঘদিন ধরেই বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।অবশেষে বাড়তি প্রায় আটাত্তর কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত অর্থে মাসে অন্তত বারো দিন পড়ুয়াদের ডিম বা মরসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। তবে সাধারণ পড়ুয়া ও অভিভাবকদের বড় অংশ বলছেন, কারণ যাই হোক, এতে শিশুদের পুষ্টি ও খাবারের মান বাড়বে, যা অত্যন্ত জরুরি।বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মরসুমি ফল নিয়মিত দেওয়া কতটা সম্ভব তা নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও শিক্ষকদের মতে, বাড়তি বরাদ্দে অন্তত সপ্তাহে আরও কয়েকদিন ডিম দেওয়া সম্ভব হবে। বহু পরিবারেই শিশুদের পুষ্টির বড় অংশ নির্ভর করে স্কুলের খাবারের উপর, তাই এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি মিলেছে বলে মত অভিভাবকদের। অনেকেই হাসিমুখে বলছেন, যদি এমন সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের খাবারের মান বাড়ে, তবে ভোট এলেও আপত্তি নেই। এতে নিরামিষ পাতে অন্তত কিছুটা আমিষ ও পুষ্টির যোগান বাড়বে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

ভোটের আগে টাকা বিলি নিয়ে কড়া প্রশ্ন, শীর্ষ আদালতের মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়

ভোটের আগে নগদ সহায়তা ও বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্প ঘোষণা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার এই ধরনের প্রকল্পকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলি-র বেঞ্চ জানতে চায়, ভোটের আগে কেন বিভিন্ন রাজ্য সরকার হঠাৎ করে নগদ অর্থ বা সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প চালু করে। আদালতের মতে, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে এবং এতে তোষণের রাজনীতির ইঙ্গিতও রয়েছে।এদিন তামিলনাড়ু-এর একটি মামলার শুনানির সময় এই প্রশ্ন ওঠে। বিদ্যুৎ সংশোধনী নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তামিলনাড়ু পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড মামলা দায়ের করেছিল। সেই শুনানির মধ্যেই বিনামূল্যে পরিষেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়ার রাজনীতি নিয়ে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, ভোটের আগে হঠাৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘোষণা করা হলে তা মানুষের কর্মপ্রবণতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত আরও জানায়, কে বিল দিতে সক্ষম আর কে নয়, সেই বিভাজন তৈরি করা সহজ নয় এবং এই সংস্কৃতি নিয়ে আদালত উদ্বিগ্ন।এই মন্তব্য এমন সময় সামনে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গ-এ সম্প্রতি যুব সহায়তা প্রকল্পে বেকারদের নগদ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, মধ্য প্রদেশ ও ছত্তিসগঢ়-সহ একাধিক রাজ্যেই ভোটের আগে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রকল্প সামনে এসেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র মনে করেন, আদালতের পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, দেশের সম্পদ সঠিকভাবে বণ্টন হলে মানুষের আর্থিক কষ্ট অনেকটাই কমতে পারত। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা সবসময় সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তা মানুষের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থান ও আয়ের স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

পালানোর ছক ভেস্তে গেল শেষ মুহূর্তে, ইউরোপে যাওয়ার আগেই গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ছাত্রনেতা

দুই হাজার চব্বিশ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ-এর পরিস্থিতি। সেই অশান্ত সময়ে এক হিন্দু পুলিশ কর্মী সন্তোষ চৌধুরি-কে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে এক ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। অবশেষে তাঁকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি নামে ওই ছাত্রনেতা বাংলাদেশের পুলিশের খাতায় ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং ভারতে আত্মগোপন করে ছিলেন। দিল্লি থেকে ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরেই তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও ঠিক কবে তিনি গ্রেপ্তার হন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।জানা যায়, হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন সন্তোষ চৌধুরি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট থানার মধ্যেই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং পরে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাঁর দগ্ধ দেহ একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়, যা ঘিরে দেশ-বিদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।তদন্তে সন্তোষের খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মেহেদির নাম সামনে আসে। এমনকি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছিলেন বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারিকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় নতুন করে বিচারপ্রক্রিয়া এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সরকার, ভারত ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই সক্রিয় চিনের দূত

দীর্ঘ সতেরো মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে বাংলাদেশ-এ নতুন স্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করে নরেন্দ্র মোদী-র আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন বলে সূত্রের খবর। চিঠিতে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।এই ঘটনার পরই ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছেন। জানা গিয়েছে, তিনি পৃথক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের আবেদন জানান। দ্রুত এই বৈঠক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রককে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধও করেছেন তিনি।অন্যদিকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার বর্মা-ও নতুন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় চান। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানের পর ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রী-সহ দূতাবাসের অন্যান্য আধিকারিকরা। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। হাসিনা পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং তা আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তান-এর উদ্বেগ বাড়ছে বলেও কূটনৈতিক মহলের ধারণা। নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চিনা রাষ্ট্রদূতের চিঠিকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি চিন আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিল, কিন্তু শপথ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস তেরোটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারত-সহ একাধিক দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সেই অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লি ও ঢাকার নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে এআই মহাসম্মেলন, মোদীর সতর্কবার্তা—ডিপফেক থামাতে চাই ‘অথেনটিসিটি লেবেল’

তীব্র কৌতূহল ও আন্তর্জাতিক নজরের মধ্যেই রাজধানী দিল্লির ভারত মণ্ডপমে শুরু হল বিশ্বজুড়ে আলোচিত এআই সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এই সামিটের মূল পর্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ, প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বিল গেটস, গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই এবং ওপেনএআই প্রতিষ্ঠাতা স্যাম অল্টম্যান সহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। দিল্লির ভারত মণ্ডপম প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সম্মেলনকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বৈঠক বলে দাবি আয়োজকদের।ছয় দিনের এই সম্মেলন সোমবার শুরু হলেও বৃহস্পতিবার থেকে মূল আলোচনা ও নীতিগত পর্ব শুরু হয়েছে। সর্বজনের কল্যাণ ও সুখকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন এর আগে ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ফ্রান্স-এ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আয়োজকদের মতে, পাঁচশোর বেশি বৈশ্বিক এআই বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতার অংশগ্রহণে এটি নতুন রেকর্ড গড়তে পারে এবং প্রযুক্তি নীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।উদ্বোধনী ভাষণে ভারত-এর অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এআই নিয়ে বিশ্বে ভয় ও সম্ভাবনাএই দুই ধরনের মনোভাব দেখা যাচ্ছে। তবে ভারত এই প্রযুক্তিতে বিশাল সুযোগ দেখছে এবং দেশের তরুণ প্রজন্ম দক্ষতা দিয়ে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে। সম্মেলনে তিনটি ভারতীয় সংস্থা নিজেদের তৈরি এআই মডেল ও নতুন পণ্যও প্রকাশ করেছে।প্রধানমন্ত্রী ডিপফেক ও বিকৃত তথ্যের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল কনটেন্টে খাবারের প্যাকেটের মতো সত্যতা যাচাইয়ের লেবেল থাকা দরকার। এতে সাধারণ মানুষ সহজেই আসল ও নকল আলাদা করতে পারবেন। তিনি জলছাপ প্রযুক্তি ও স্পষ্ট উৎস মানদণ্ড তৈরির ওপর জোর দেন এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এআইকে শিশু-বান্ধব করার আহ্বান জানান।ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান মানবকেন্দ্রিক হবে বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, দক্ষতাই হবে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। অনেক দেশ এআইকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে গোপনে উন্নয়ন করলেও ভারতের লক্ষ্য জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া, যাতে কোটি কোটি তরুণের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, এআই শুরু হওয়ার সময় এত কর্মসংস্থান তৈরি হবে তা কেউ কল্পনাও করেনি, আর এর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে মানুষের দায়িত্বশীল ব্যবহারের উপর। মানুষ ও বুদ্ধিমান প্রযুক্তির যৌথ কাজ আগামী দিনের নতুন অর্থনীতি গড়ে তুলবে বলেও মত তাঁর।প্রধানমন্ত্রী এআই মানব দর্শনের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে নৈতিকতা, দায়িত্বশীল শাসন, জাতীয় নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং বৈধ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষ যেন শুধু ডেটা সরবরাহকারী হয়ে না পড়ে, বরং প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকেই রাখতে হবে। জিপিএস পথ দেখালেও কোন পথে চলতে হবে সেই সিদ্ধান্ত মানুষেরএই উদাহরণ টেনে তিনি প্রযুক্তির সচেতন ব্যবহারের বার্তা দেন।বিশ্বজুড়ে এআই নিয়ে প্রতিযোগিতা ও উদ্বেগের মধ্যেই দিল্লির এই সম্মেলন ভারতের ভবিষ্যৎ কৌশল ও বৈশ্বিক সহযোগিতার দিশা স্পষ্ট করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নীতি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal