• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cancel

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বলরাম মল্লিকের দোকানে কী মিলল? পুরসভার অভিযানের পর লাইসেন্স সাসপেন্ড, তালিকায় আরও ৩৯ সংস্থা

পুজোর আগে কলকাতার একাধিক নামী খাবারের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুরসভা। সিমলা বিরিয়ানি, আরসালান থেকে শুরু করে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানমোট ৪০টি রেস্তোরাঁ, হোটেল ও খাবারের সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুরসভার তরফে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। কোথাও পচা খাবার বা মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলার অভিযোগ রয়েছে, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং ব্যবহারের বিষয়টি উঠে এসেছে। একাধিক মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহৃত দুধের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।টলিগঞ্জের বি এল সাহা রোডে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানেও একাধিক নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রতিষেধক টিকাদানের নথি পাওয়া যায়নি।এ ছাড়াও রেফ্রিজারেটরে রাখা তৈরি বা অর্ধেক তৈরি খাবারে তৈরির তারিখের কোনও ট্যাগ পাওয়া যায়নি বলে পুরসভার তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবহৃত ভোজ্যতেল কী ভাবে ফেলা বা নষ্ট করা হয়, সেই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিও মেলেনি বলে দাবি পুরসভার।দোকানে ঢাকনাবিহীন আবর্জনার পাত্র থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। খাবার সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা সঠিক ভাবে মাপা যায়, এমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ছিল না বলেও পুরসভার পরিদর্শনে উল্লেখ করা হয়েছে।খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সময় কর্মীদের মাথায় টুপি বা গায়ে অ্যাপ্রন না থাকার অভিযোগও রয়েছে। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশির ভাগ খাবার খোলা বা ঢাকনাবিহীন অবস্থায় তাক কিংবা রেফ্রিজারেটরে রাখা ছিল।শুধু খাবার সংরক্ষণ নয়, রান্নার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের বাইরে আলুর তরকারি তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি নিচু জায়গা ও জলাভূমির কাছাকাছি বস্তায় আলু রাখার বিষয়টিও পরিদর্শনে ধরা পড়েছে।বলরাম মল্লিকের দোকান ছাড়াও কলকাতার আরও একাধিক মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজোর আগে শহরের খাবারের দোকানগুলিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, মোট ৪০টি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সমস্ত নিয়ম মেনে আবেদন করলে সেই আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। অর্থাৎ নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার রাতের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হল না! ফরাক্কায় রেললাইন মেরামত নিয়ে ফের বড় অনিশ্চয়তা

ফরাক্কার ধসে যাওয়া রেললাইন এখনও পুরোপুরি মেরামত হয়নি। ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।পূর্ব রেলের তরফে আগে জানানো হয়েছিল, শুক্রবার রাতের মধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রেললাইন মেরামতের কাজ শেষ করা হবে। শনিবার সকাল থেকে ফরাক্কার আপ লাইনে ফের স্বাভাবিক ভাবে ট্রেন চলাচলের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শনিবার সকাল পর্যন্ত কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।রেল সূত্রে খবর, মাটি নরম থাকার কারণেই মেরামতের কাজে বেশি সময় লাগছে। ফলে রেল পরিষেবা স্বাভাবিক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রেলকর্মীদের।এরই মধ্যে ফরাক্কা রেললাইন বিপর্যয়ের জেরে শুক্রবার একের পর এক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়। বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রাপথও বদলে দেওয়া হয়েছে। আবার কয়েকটি ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হচ্ছে। শনিবারও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।শনিবার বাতিল করা হয়েছে নাহারলাগুন-সাঁতরাগাছি বিশেষ ট্রেন, গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস, বামনহাটি-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-শিয়ালদহ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস, হলদিবাড়ি-শিয়ালদহ দার্জিলিং মেল, বালুরঘাট-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস, নিউ আলিপুরদুয়ার-শিয়ালদহ পদাতিক এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-কলকাতা এক্সপ্রেস, কাটিহার-হাওড়া এক্সপ্রেস, জোগবনী-কলকাতা এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-হাওড়া কুলিক এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-কলকাতা তেভাগা এক্সপ্রেস, নিউ আলিপুরদুয়ার-শিয়ালদহ তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস, মালদহ টাউন-হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস এবং সহর্ষ-শিয়ালদহ হাটেবাজারে এক্সপ্রেস।এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথও বদল করা হয়েছে। কাটিহার, মানসি, মুঙ্গের ও কিউল হয়ে চালানো হচ্ছে মালদহ টাউন-নিউ দিল্লি এক্সপ্রেস, ভাতিন্ডা-বালুরঘাট ফরাক্কা এক্সপ্রেস এবং উধনা-মালদহ টাউন বিশেষ ট্রেন।নিউ ফরাক্কা, আজিমগঞ্জ, কাটোয়া ও ব্যান্ডেল হয়ে চালানো হচ্ছে নিউ জলপাইগুড়ি-হাওড়া শতাব্দী এক্সপ্রেস, গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস, হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-রাধিকাপুর কুলিক এক্সপ্রেস এবং কলকাতা-হলদিবাড়ি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস।অন্য দিকে, নিউ ফরাক্কা, আজিমগঞ্জ ও নলহাটি হয়ে চালানো হচ্ছে বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, আগরতলা-চারলাপল্লি এক্সপ্রেস, শিয়ালদহ-শিলচর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস, বেঙ্গালুরু-রাধিকাপুর এক্সপ্রেস এবং তাম্বারাম-নিউ তিনসুকিয়া এক্সপ্রেস।রেল পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা। ট্রেনের পরিবর্তে এখন সড়কপথই অনেকের কাছে প্রধান ভরসা। ফলে বাসে যাত্রীর চাপ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বাসের ভাড়াও।পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সরকারের তরফে অতিরিক্ত বাস চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতা-শিলিগুড়ি রুটে অতিরিক্ত ২৩টি বাস নামানো হয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশে ১৮টি বাস চলছে। দুর্গাপুর-বালুরঘাট রুটে আরও দুটি বাস দেওয়া হয়েছে। মালদহ-কলকাতা রুটেও পাঁচটি বিশেষ বাস চালানো হচ্ছে।সন্ধ্যার দিকে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে যাঁরা রওনা হবেন, তাঁদের জন্য কলকাতার এসপ্ল্যানেড বাস টার্মিনাস থেকে শিলিগুড়ির এনজিপি বাস টার্মিনাস পর্যন্ত বিশেষ বাস পরিষেবা চালু করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এই পরিষেবা থাকার কথা।তবে ফরাক্কার ধসে যাওয়া রেললাইন কবে পুরোপুরি মেরামত হবে এবং কবে থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে, এখন সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আপাতত রেল পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যাত্রী দুর্ভোগ আরও কত দিন চলবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

শিয়ালদহে রাতভর ৭ ঘণ্টার ট্রাফিক ব্লক! একাধিক লোকাল বাতিল, বদল ট্রেন পরিষেবায়

শিয়ালদহ স্টেশনে গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাক ও পরিকাঠামোগত কাজের জন্য টানা সাত ঘণ্টার ট্রাফিক ব্লক নিতে চলেছে পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশন। পয়েন্ট কনভার্সন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ ও নবীকরণ কাজের জন্য শনিবার, ২৯ আগস্ট এবং রবিবার, ৩০ আগস্টের মধ্যবর্তী রাতে এই ব্লক নেওয়া হবে। এর জেরে ৩০ আগস্ট, রবিবার সকালে শিয়ালদহ শাখায় একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল এবং একটি ট্রেনকে নির্ধারিত গন্তব্যের আগেই থামিয়ে দেওয়া হবে।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ আগস্ট রাত ১২টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত মোট ৪২০ মিনিটের ট্রাফিক ব্লক কার্যকর থাকবে। এই সময় শিয়ালদহ স্টেশনের DN/Main Line-এর KM 0/19 থেকে KM 0/20 অংশে Point No. 208B/219A-এর সম্পূর্ণ কনভার্সন করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান 52 Kg DSS-কে 60 Kg DSS-এ রূপান্তর করা হবে। ট্র্যাকের ফিটিংস, ক্রসিং এবং গ্লুড জয়েন্টও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।শুধু ট্র্যাক পরিবর্তন নয়, এই বৃহৎ পরিকাঠামোগত কাজের অংশ হিসেবে গ্রাউন্ড ফিটিংস, জাম্পার এবং বন্ডিংয়ের প্রয়োজনীয় ডিসকানেকশন ও রিকানেকশনও করা হবে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শিয়ালদহ স্টেশনের সংশ্লিষ্ট লাইনে ট্রেন চলাচল এবং সিগন্যালিং ব্যবস্থা প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রেলের তরফে জানানো হয়েছে, Track Circuit পরিবর্তনের কাজও ব্লকের সময় করা হবে। একই সঙ্গে Line No. 6 এবং Line No. 11-এর মধ্যে উভয়মুখী সিগন্যালিং মুভমেন্ট এই সময় প্রভাবিত থাকবে। এত বড় মাপের কাজ যাতে যাত্রী পরিষেবায় তুলনামূলক কম প্রভাব ফেলে, সে কারণেই সপ্তাহান্তের গভীর রাত থেকে ভোরের সময়টিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।বাতিল একাধিক লোকালএই পরিকাঠামোগত কাজের কারণে রবিবার, ৩০ আগস্ট বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল থাকবে। রেল কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ীশিয়ালদহহাবড়া: 33651 UP / 33652 DNশিয়ালদহকল্যাণী সীমান্ত: 31313 UP / 31316 DNশিয়ালদহডানকুনি: 32217 UP / 32218 DNশিয়ালদহরানাঘাট: 31615 UP / 31620 DNশিয়ালদহহাবড়া: 33653 UP / 33654 DNএছাড়াও Train No. 53172 DN (লালগোলাশিয়ালদহ)-কে ৩০ আগস্ট দমদম জংশনে (DDJ) শর্ট-টার্মিনেট করা হবে। অর্থাৎ ওই দিন ট্রেনটি শিয়ালদহ পর্যন্ত না গিয়ে দমদম জংশনেই যাত্রা শেষ করবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রেনটির খালি রেক শিয়ালদহ স্টেশনে নিয়ে আসা হবে।যাত্রীদের জন্য বিশেষ বার্তারেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, যাত্রীদের দুর্ভোগ যতটা সম্ভব কমানোর লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে গভীর রাতে এই কাজ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে দ্রুত স্বাভাবিক ট্রেন পরিষেবা ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির কর্মীদের সাইটে মোতায়েন রাখা হবে।শিয়ালদহের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার রাজীব সাক্সেনা জানিয়েছেন, কাজটি নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অপারেটিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, সিগন্যালিং এবং কমার্শিয়াল বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সাময়িক পরিবর্তন সম্পর্কে জানাতে শিয়ালদহ স্টেশনে নিয়মিত ঘোষণা এবং তথ্য প্রদর্শনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।রেলের দাবি, এই পয়েন্ট কনভার্সন ও ট্র্যাক নবীকরণের ফলে শিয়ালদহ স্টেশনের ট্র্যাক পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা এবং দক্ষতা আরও বাড়বে। যদিও কাজের সময়সূচির কারণে রবিবার কিছু ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হবে, তবে দীর্ঘমেয়াদে যাত্রী পরিষেবার মান উন্নত করতেই এই ধরনের পরিকল্পিত ট্রাফিক ব্লক জরুরি বলে জানিয়েছে রেল।তাই ৩০ আগস্ট যাঁদের শিয়ালদহমুখী বা শিয়ালদহ থেকে বিভিন্ন শাখায় যাত্রা করার পরিকল্পনা রয়েছে, তাঁদের যাত্রার আগে ট্রেনের সময়সূচি ও পরিষেবার সর্বশেষ পরিস্থিতি যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে শিয়ালদহ ডিভিশন। সাময়িক এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যাত্রীদের সহযোগিতার আবেদনও জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
কলকাতা

দুবাই-দোহা-আবুধাবি রুট বন্ধ! মাঝআকাশের সংঘাতে নাজেহাল কলকাতার যাত্রীরা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতেই তার সরাসরি প্রভাব পড়ল কলকাতায়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার একের পর এক আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করা হয়েছে। কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিগামী একাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে দুবাইগামী এমিরেটসের একটি উড়ান, দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি উড়ান, আবুধাবিগামী এয়ার আরবিয়ার একটি উড়ান এবং আবুধাবিগামী এতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। মোট চারটি উড়ান বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক সংঘাতের খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু উড়ান বাতিল হওয়ার বিষয়ে আগাম কোনও বার্তা বা তথ্য তাঁদের কাছে পৌঁছয়নি। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার তরফে কোনও স্পষ্ট বার্তা না পেয়ে তাঁরা বিমানবন্দরে পৌঁছে জানতে পারেন পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে বহু যাত্রীকে।শনিবার সকালে তেহরানের উপর পরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইজরায়েল। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেন, ওই অভিযানে আমেরিকারও অংশগ্রহণ ছিল। ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর পরেই ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। ইজরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলিতেও হামলার খবর সামনে আসে। এই সংঘাতের জেরেই পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং তার প্রভাব এসে পড়ে ভারতের বিমান পরিষেবাতেও।পরিস্থিতি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক উত্তেজনার আবহে কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

সপ্তাহান্তে বড় ধাক্কা, হাওড়া ডিভিশনে একসঙ্গে তিরিশ লোকাল বাতিল

সপ্তাহান্তে ফের ট্রেন বাতিলের জেরে ভোগান্তির আশঙ্কা বাড়ল নিত্যযাত্রীদের। পূর্ব রেলের পূর্ব রেল হাওড়া ডিভিশনে একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন বাতিলের ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী একুশ ও বাইশ ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে মোট তিরিশটি লোকাল ট্রেন চলবে না বলে জানানো হয়েছে। ফলে সপ্তাহান্তে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা বহু যাত্রী সমস্যায় পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা।রেলের তরফে জানানো হয়েছে, তারকেশ্বর শাখায় শেওড়াফুলি ও দিয়াড়া স্টেশনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও ট্রাফিক ব্লক নিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। দিয়াড়া স্টেশনেও একই কারণে বিশেষ ব্লক নেওয়া হবে। একুশ ফেব্রুয়ারি রাত এগারোটা কুড়ি থেকে বাইশ ফেব্রুয়ারি সকাল নটা কুড়ি পর্যন্ত এই কাজ চলবে। সেই কারণেই বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।শনিবার বাতিল থাকবে রাত দশটা আঠারো মিনিটের গোঘাট থেকে হাওড়া লোকাল, রাত নটা আটত্রিশ মিনিটের তারকেশ্বর থেকে হাওড়া লোকাল, সন্ধ্যা সাতটা চল্লিশ মিনিটের হাওড়া থেকে গোঘাট লোকাল এবং রাত এগারোটা পাঁচ মিনিটের হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল।রবিবার ভোর থেকে একাধিক ডাউন ট্রেন বাতিল থাকবে। তারকেশ্বর থেকে হাওড়াগামী ভোর তিনটে পঞ্চাশ, ভোর চারটে পঞ্চাশ, ভোর পাঁচটা পঁয়ত্রিশ, ভোর ছটা কুড়ি, সকাল সাতটা, সকাল সাতটা চল্লিশ, সকাল সাতটা পঞ্চান্ন এবং সকাল আটটা পঞ্চাশের লোকাল ট্রেন চলবে না। এছাড়াও আরও কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল।একই দিনে আপ লাইনের ক্ষেত্রেও একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ভোর চারটে পাঁচ, ভোর পাঁচটা ত্রিশ, ভোর পাঁচটা আটচল্লিশ, ভোর ছটা বত্রিশ এবং ভোর ছটা পঁয়তাল্লিশের হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল সহ আরও কয়েকটি ট্রেন বাতিল থাকবে। সপ্তাহান্তে যাত্রীসংখ্যা তুলনামূলক কম থাকলেও অনেকেই বেড়াতে যান বা জরুরি কাজে যাতায়াত করেন, ফলে ভোগান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।এদিকে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ভবিষ্যতেও মাঝেমধ্যে ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল। বাঁশবেড়িয়া-তে রেলওভারব্রিজ নির্মাণের কাজের জন্য বাঁশবেড়িয়া ও ত্রিবেণী স্টেশনের মধ্যে নির্দিষ্ট দিনে প্রায় তিন ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ ও ট্রাফিক ব্লক নেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের উনিশ, কুড়ি, পঁচিশ, ছাব্বিশ, সাতাশ ও আঠাশ তারিখ এই ব্লক কার্যকর থাকবে এবং আগামী মাসগুলিতেও একই ধরনের ব্লক নেওয়া হবে। এর জেরে কয়েকটি ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। যাত্রীদের স্টেশনের ঘোষণায় নজর রাখার অনুরোধ জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিগোর ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের আসল কারণ ফাঁস! যে ভুলে লাখ লাখ যাত্রী বিপদে

একটি সিদ্ধান্ত, আর সেই ভুলেই রাতারাতি ধসে পড়ল ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা। হাজার হাজার যাত্রী নিজেদের ফ্লাইট ধরতে ব্যাগ গুছিয়ে, ট্যাক্সি বুক করে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দেখলেন ফ্লাইট বাতিল। কেউ বৌভাতে যেতে পারেননি, কারোর চাকরি যাওয়ার উপক্রম, আবার কারোর বহু প্রতীক্ষিত ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টও মিস হয়ে গেল। দেশের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইন ইন্ডিগোর এমন বিপর্যয় কেন ঘটল, সেই প্রশ্নে উত্তাল বিমানযাত্রীদের ভিড়।২০২৫ সালের শুরুতেই ডিজিসিএ নতুন ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন রুলস চালু করে। নিয়ম অনুযায়ী পাইলটদের সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা বিশ্রাম, দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ নয়। সপ্তাহে সর্বাধিক ৩৫ ঘণ্টা ডিউটি, মাসে ১২৫ ঘণ্টা, বছরে সর্বোচ্চ ১০০০ ঘণ্টা কাজ করার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এক রোস্টারে মাত্র দুটি নাইট ল্যান্ডিং করার অনুমতি থাকে, যা আগে ছিল ছয়টি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই নিয়ম করা হয়েছিল, কারণ পাইলটের সামান্য ভুলেই বিপদ হতে পারে হাজার মানুষের।কিন্তু এই নিয়মই ইন্ডিগোর জন্য হয়ে উঠল বড় সমস্যার কারণ। দেশে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট চালায় ইন্ডিগো। অন্য এয়ারলাইন্স যেখানে কম বিমানে কাজ চালায়, সেখানে ইন্ডিগোর ওভারনাইট সার্ভিস প্রায় প্রতিদিনই থাকে। নিয়ম বদলের পরে যেখানে নতুন করে পাইলট নিয়োগ করা দরকার ছিল, সেখানে ইন্ডিগো উল্টে হায়ারিং বন্ধ করে দিল, রোস্টার তৈরি পিছিয়ে গেল, এমনকি কিছু কর্মী ছাঁটাইও হল। অন্যদিকে, এয়ার ইন্ডিয়া আগেই ৫০০ পাইলট নিয়োগ করেছিল বলেই কোনো অসুবিধা হয়নি।ফলে ইন্ডিগোর সিস্টেম পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। এয়ারপোর্টে যাত্রীদের ভিড়, বিমানের ভেতরে যাত্রীরা বসে আছেন, কিন্তু পাইলট নেই, ক্রু নেই। রোস্টারের সময় মেলেনি। একটির পর একটি ফ্লাইট দেরি হতে হতে বাতিল হতে শুরু করল। সামান্য দেরি জমা হতে হতে দিনের শেষে ৬০০৭০০ বিমান বাতিল হয়ে গেল। পাইলট দিল্লিতে, কিন্তু প্রয়োজন ছিল কলকাতায়এই বিশৃঙ্খলাতেই ভেঙে গেল ইন্ডিগোর পুরো নেটওয়ার্ক।শেষমেশ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা আটকে পড়লেন দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। খাবার নেই, জল নেই, লাগেজ নেইবাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলেই চরম দুর্ভোগের শিকার হন। দেশে প্রতি ১০ জনে ৬ জন যাত্রী ইন্ডিগোতেই ভ্রমণ করেন, তাই এই বিপর্যয়ের প্রভাবও পড়ল ব্যাপকভাবে।নিয়ম বদলের ব্যাপারে ইন্ডিগোর হাতে যথেষ্ট সময় ছিল। জুলাইয়ে প্রথম ধাপে নিয়ম চালু হয়, নভেম্বর থেকে কার্যকর হয় দ্বিতীয় ধাপ। তার পরও পাইলট বাড়ানো, শিফট বদলানো বা রোস্টার ঠিক করার ক্ষেত্রে ইন্ডিগো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

ইন্ডিগোর যাত্রীদের কান্না-চিৎকার! ৫৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল, বিমানবন্দরে ১৪ ঘণ্টা আটকে কেঁদে ভাসালেন অনেকে

দিনের পর দিন শুধু বাড়ছেই ইন্ডিগোর বিপর্যয়। বৃহস্পতিবারও দেশজুড়ে ৫৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে সংস্থা। লাখ লাখ যাত্রী চরম ভোগান্তির মুখে। কেউ অফিসের জরুরি কাজে যাচ্ছিলেন, কেউ হাসপাতালে, কারও বা বিয়ের অনুষ্ঠান। হঠাৎ ফ্লাইট বাতিলের খবরে সব ভেস্তে গিয়েছে। অনেকে বিমানবন্দরে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা আটকে রয়েছেন। খাবার-জল ছাড়া, লাগেজ ছাড়া, কোনো সঠিক খবর ছাড়া অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কেউ কেউ চাকরি হারানোর ভয়ে কাঁদছেন, কেউ মাটিতে শুয়ে পড়েছেন।মঙ্গলবার থেকেই এই বিশৃঙ্খলা শুরু। নতুন নিয়মে পাইলট ও ক্রু মেম্বারদের বেশি বিশ্রাম দিতে হবে। কিন্তু ইন্ডিগোর কাছে যথেষ্ট সংখ্যক পাইলট-ক্রু নেই। ফলে হঠাৎ করেই উড়ান পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। দেশের বেশিরভাগ বিমানবন্দরে একই ছবি। কাউন্টার ফাঁকা, হেল্পডেস্কে কেউ নেই, শুধু হতাশ যাত্রীদের ভিড়। অনেকে এয়ারলাইন্সের কর্মীদের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করছেন। যাত্রীরা বলছেন, এ যেন মানসিক অত্যাচার।ইন্ডিগো স্বীকার করেছে, নতুন রোস্টার তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সমস্যা থাকবে। আরও দু-তিন দিন প্রতিদিন পাঁচশোর বেশি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে। আপাতত রাতের উড়ান ও নাইট ল্যান্ডিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে সংস্থা, কিন্তু কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
রাজ্য

স্বাধীনতার পর এই প্রথম ১৫ই অগাস্ট ছুটি বাতিল করল রাজ্য সরকার, মিশ্র পতিক্রিয়া জনমানসে

দে স্বাধীনের ৭৫ বছর পর মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসের ছুটি বাতিল করে দিলেন। এই ঘোষণায় তোলপাড় দেশজুড়ে। ২০২২ এর স্বাধীনতা দিবসে আর ছুটি নেই। ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে বিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না। সরকারি-বেসরকারি অফিসও খোলা রাখতে হবে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে রীতিমত নির্দেশিকা জারি করা হল সারা রাজ্যে। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, আগামী ১৫ অগাস্ট সবাইকে অন্যান্য দিনের মতোই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে হাজির হতে হবে। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?২০২২ ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি সেই উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব। এই দিনটি উত্তরপ্রদেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষভাবে পালিত হবে। সরকার বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে অন্যান্য বারের মত এবার স্কুল-কলেজ-অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বা ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা উচিত নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। যোগী আদিত্যনাথ সকল রাজ্যবাসীকে ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।এই প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব ডিএস মিশ্র জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণত প্রতিবার উত্তরপ্রদেশে দীপাবলির সময় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। তবে এবারের লক্ষ্য এই অভিযানকে জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত করা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত সমস্ত জায়গায় বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসকে শুধু সরকারি অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। এই কর্মসুচীর সাথে জনগণকে যুক্ত করতে হবে।উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব আরও বলেছেন যে, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (NGO), এনসিসি (NCC), এনএসও-র (NSO) ক্যাডেটদের পাশাপাশি জনগণেরও স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়া উচিত। সেখানে সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ১৫ অগাস্ট দিনটা যেন একটা নিছক ছুটির দিন না হয়ে থাকে সেই কারনেই এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে, স্বাধীনতা দিবসে স্কুল-কলেজ, সরকারি, বেসরকারি অফিস খোলার পথে হাঁটল যোগী প্রশাসন। যা স্বাধীনতার পর এই প্রথম।

জুলাই ১৭, ২০২২
দেশ

ময়নাগুড়িতে দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বেশ কিছু ট্রেন, জেনে নিন সেই সব ট্রেনের তালিকা

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর ট্রেনের রুট বদল হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাতিল ও রুট বদল ট্রেনের তালিকা।বাতিল করা হয়েছে১. 13147 শিয়ালদহ-বামন হাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। বামন হাট অবধি যাওয়ার কথা থাকলেও এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি অবধি যাবে২. 13148 বামন হাট-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। এই ট্রেন বামন হাটের পরিবর্তে নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে।রুট বদল করা হয়েছে১. 12346 গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙ্গা- রানীনগর- জলপাইগুড়ি হয়ে চলবে।২. 13171 শিয়ালদহ আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন- শামুকতলা হয়ে চলবে।৩. 12507 ত্রিবান্দ্রাম সেন্ট্রাল শিলচর এক্সপ্রেস রানীনগর- জলপাইগুড়ি- মাথাভাঙা- নিউ কোচবিহার হয়ে চলবে।৪. 12505 কামাখ্যা- আনন্দ বিহার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৫. 15632 গুয়াহাটি- বার্মার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৬. 20502 তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৭. 15910 অবদ অসম এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৮. 22450 নয়াদিল্লি- গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ঘুর পথে চলবে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

Municipal Election: পুরভোটের প্রচারে রোড শো, পদযাত্রা নিষিদ্ধ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন

রাজ্যে চার পুরনিগমের নির্বাচনী প্রচারে রোড শো, পদযাত্রা নিষিদ্ধ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সাইকেল ও বাইক মিছিল। করোনার লাগামছাড়া সংক্রমণ বৃদ্ধির আবহে কোনওরকম বড় সভা করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিল কমিশন।কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরভোটের প্রচারে কোনওরকম রোড শো এবং পদযাত্রা করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি। নিষিদ্ধ সাইকেল বা বাইক মিছিল। আগে যদি কোনও রাজনৈতিক দলকে রোড শো, সাইকেল বা বাইক মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকে, তা-ও বাতিল করা হল।আগামী ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, চন্দননগর, শিলিগুড়ি আসানসোলে পুরভোট রয়েছে। এই সময় সংক্রমণ বেলাগাম হতেই রবিবার কোভিড বিধিনিষেধ আরও কড়া করেছে রাজ্য সরকার। এই আবহে পুরভোটের প্রচারে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করল কমিশন। পুরভোটের প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে পারবেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ চার জন থাকতে পারবেন প্রচারে। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রাত ৮টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রচার করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি।নির্দেশিকায় কমিশন জানিয়েছে, প্রচারে কোনও বড় সমাবেশ করা যাবে না। বড় মাঠে রাজনৈতিক দলের সভায় সর্বোচ্চ ৫০০ জন উপস্থিত থাকতে পারে। ওই মাঠে ঢোকা এবং বেরনোর পথ আলাদা রাখতে হবে। যদিও চার দেওয়ালের ভিতর অর্থাৎ কোনও অডিটোরিয়াম বা কনফারেন্স হলে সভা হয়, সেখানে মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ উপস্থিত থাকতে হবে। তবে সেই সংখ্যা কখনওই ২০০-র বেশি হবে না।কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোটের দিন একেবারে শেষ ঘণ্টায় অর্থাৎ বিকেল ৪টে থেকে ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কোভিড আক্রান্তরা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: মুখ্যমন্ত্রীর নেপাল সফরেও ‘না’ বিদেশ মন্ত্রকের!

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেপাল সফরে না কেন্দ্রের। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নেপাল সফরে ছাড়পত্র দেয়নি বিদেশ মন্ত্রক। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নেপালে সফরে থাকার কথা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সূত্রের খবর, কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সফরে রাজি নয় বিদেশ মন্ত্রক।নেপালের শাসকদল নেপালি কংগ্রেসের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্প্রতি সে দেশে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণও করেন। এরপরই নেপাল যাত্রার জন্য অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয় কেন্দ্রের কাছে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ পত্র পাঠান নেপালি কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট তথা বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দুর্বা। নেপালি কংগ্রেসের ন্যাশনাল কনভেনশন রয়েছে ১১ ডিসেম্বর। নেপালে যেতে যেহেতু পাসপোর্ট লাগে না, ভিসাই যথেষ্ট। সে ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় রওনা হতেন। না হলে শনিবার সকালে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নবান্নের কাছে সে সংক্রান্ত জবাব এসেছে। জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে নেপালে যেতে পারবেন না মমতা। কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে করোনার সংক্রমণ। শুক্রবার সকালেই এই সফরে না করা হয়েছে। কারণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বাড়বাড়ন্ত।এর আগে রোম সফরেও অনুমতি দেওয়া হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য ছিল বিদেশ মন্ত্রকের। জানা গিয়েছিল, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি সে সময় নবান্নে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে দেওয়া হয়নি। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিবিধ

Train Cancel: কুয়াশার কারণে বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, দেখে নেওয়া যাক কোন কোন ট্রেন বাতিল করা হয়েছে

কুয়াশার কারণে নতুন বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কিছু ট্রেন চলবে না। শুধু পূর্ব রেল, দক্ষিণ-পূর্ব রেল এবং পশ্চিম রেলেই ৩২ টি ট্রেন বাতিল থাকছে। কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকবে দেখুন তার সম্পূর্ণ তালিকা -পূর্ব রেল১২৩৫৭/১২৩৫৭ কলকাতা-অমৃতসর: ৩০ নভেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি মঙ্গলবার এবং শনিবার বাতিল থাকবে।১২৩৫৮/১২৩৫৮ অমৃতসর-কলকাতা: আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার এবং সোমবার বাতিল থাকবে।১৩৪২৯/০৩৪২৯ মালদহ টাউন-আনন্দ বিহার: আগামী ৩ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার বাতিল থাকবে।১৩৪৩০/০৩৪৩০ আনন্দ বিহার-মালদহ টাউন: আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি শনিবার বাতিল থাকবে।১১১০৬/০১১০৬ ঝাঁসি-কলকাতা: আগামী ৩ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার বাতিল থাকবে।১১১০৫/০১১০৫ কলকাতা-ঝাঁসি: আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি রবিবার বাতিল থাকবে।১৪০০৪/০৪০০৪ নয়াদিল্লি-মালদহ টাউন: আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার এবং রবিবার বাতিল থাকবে।১৪০০৩/০৪০০৩ মালদহ টাউন-নয়াদিল্লি: আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ১ মার্চ পর্যন্ত প্রতি মঙ্গলবার এবং শনিবার বাতিল থাকবে।১২৯৮৮/০২৯৮৮ আজমেঢ়-শিয়ালদহ: আজ (১ ডিসেম্বর) থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১২৯৮৭/০২৯৮৭ শিয়ালদহ-আজমেঢ়: আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ১ মার্চ পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১২৩২৫/০২৩২৫ কলকাতা-নাঙ্গালড্যাম: আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার বাতিল থাকবে।১২৩২৬/০২৩২৬ নাঙ্গালড্যাম-কলকাতা: আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি শনিবার বাতিল থাকবে।দক্ষিণ-পূর্ব রেল:২২৮৫৭ সাঁতরাগাছি-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস: আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল থাকবে।২২৮৫৮ আনন্দ বিহার-সাঁতরাগাছি: আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১২৮৭৩ হাতিয়া-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস: ৩০ নভেম্বর থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১২৮৭৪ আনন্দ বিহার-হাতিয়া এক্সপ্রেস: আজ (১ ডিসেম্বর) থেকে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১৮১০৩ টাটানগর-অমৃতসর এক্সপ্রেস: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১৮১০৪ অমৃতসর-টাটানগর এক্সপ্রেস: ১ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত বাতিল থাকবে।১২৩৫৬ পাটনা-রাঁচি এক্সপ্রেস: ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার বাতিল থাকবে।১২৩৬৬ রাঁচি- পাটনা এক্সপ্রেস: ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার বাতিল থাকবে।পশ্চিম রেল:০৯৪০৭ আমদাবাদ-বারাণসী সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯৪০৮ বারাণসী-আমদাবাদ সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৪৩০৯ উজ্জ্বয়নী-দেরাদুন দ্বি-সাপ্তাহিক : আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৪৩১০ দেরাদুন-উজ্জ্বয়নী দ্বি-সাপ্তাহিক : আজ (১ ডিসেম্বর) থেকে নয়া বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯১১১ ভালসাদ-হরিদ্বার সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯১১২ হরিদ্বার-ভালসাদ সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯০১৭ বান্দ্রা টার্মিনাস-হরিদ্বার সাপ্তাহিক স্পেশাল : আজ (১ ডিসেম্বর) থেকে নয়া বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯০১৮ হরিদ্বার-বান্দ্রা টার্মিনাস সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৫০৬৮ বান্দ্রা টার্মিনাস-গোরখপুর সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ৩ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৫০৬৭ গোরখপুর-বান্দ্রা টার্মিনাস সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯৪০৩ আমদাবাদ-সুলতানপুর সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।০৯৪০৪ সুলতানপুর-আমদাবাদ সাপ্তাহিক স্পেশাল : আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে নয়া বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Weather Emergency: দুর্যোগের আবহে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি বাতিল সরকারি কর্মীদের

রাজ্যে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি নিতে রাজ্য সরকার প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজ্যের যে তিন আসনে উপনির্বাচন রয়েছে, দুর্যোগের কারণে সেখানে ভোট পর্ব যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, তা দেখতে বলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসীমুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী আজ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার জেলাশাসক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করেন।সেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জমা জল বা ছেঁড়া তার থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানি কমাতে সবরকম ব্যবস্থা করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসন বা বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার কাজে গাফিলতি প্রমাণ হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। শহরাঞ্চলে সব বাতিস্তম্ভ ফিডার বক্স গুলির অবস্থা খতিয়ে দেখে সে গুলোকে নিরাপদ করে তোলার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলেও দুর্যোগের সময় ওভারহেড তার ছিড়ে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মুখ্য সচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব। পাশাপাশি ঝড় বৃষ্টির সময় বা জল জমে থাকলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে কি কি সর্তকতা প্রয়োজন তা নিয়ে এইসময় নিরন্তর প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম।যে কোনও সমস্যায় টোল ফ্রি নম্বর ১০৭০ তে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।কলকাতায় পুলিশ, পুরসভা , সিইএসসি, দমকল, পূর্ত দপ্তরের যৌথ ইউনিফায়েড কমান্ড তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একাধিক দল শহরে মোতায়েন থাকবে। ভবানীপুর একবালপুর কালীঘাট-সহ শহরের মোট পাঁচ জায়গায় বাইশটি দল মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিপজ্জনক বাড়িগুলি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকায় ওই সব বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Rome: 'প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না', বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফর বিদেশ মন্ত্রক বাতিল করে দেওয়ার পর এই প্রশ্নই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ বক্তব্য, প্রতিহিংসাবশতই আমাকে আটকানো হল। উল্লেখ্য, কী কারণে এই অনুমতি দেওয়া হয়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এই সফরে যেতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য বিদেশ মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর রোমে বিশ্ব শান্তির উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেসরকারি এক সংগঠনের উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিসূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে নেই। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট। শনিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারসভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তাঁর রোম সফরে অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। মমতা বলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে কেউ আমেরিকা, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভ্যাক্সিনকে মান্যতা দেয়নি। কিন্তু বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন। অথচ অনেকেই নিজের কাজে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন, যেতে দাও। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হল না? তিনি আরও বলেন, ওখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম। মুখে তো এত বড় বড় হিন্দুত্বের কথা বলেন। আর কিন্তু প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হল।ক্ষোভের সুরে মমতা আরও বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে একটা সম্মেলন হচ্ছে। দুমাস আগে তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এত বড় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন এর আগে হয়নি। কিন্তু আজ চিঠি দিয়ে অনুমতি দিতে অস্বীকার করল। বলা হল, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে যাওয়া ঠিক হবে না।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম থাকে। পররাষ্ট্রনীতি বলে একটা বিষয় আছে। অকারণে এখানে রাজনীতি খোঁজা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Tripura TMC: ভয় পেয়েছে! তাই বুধে মেলেনি পদযাত্রার অনুমতি

পাওয়া যায়নি পুলিশি ছাড়পত্র। তাই বাধ্য হয়েই পিছিয়ে দিতে হল ত্রিপুরায় অভিষেকের কর্মসূচি। ১৫ সেপ্টেম্বর আগরতলায় পদযাত্রা করার কথা ছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু পুলিশের অনুমতি না মেলায় একদিন পিছিয়ে দিতে হল অভিষেকের কর্মসূচি। ১৫ তারিখের বদলে ১৬ তারিখ ত্রিপুরায় সভা করবেন অভিষেক। এই ঘটনায় বিজেপিকে বিঁধে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন,ইয়ে ডর হমে অচ্ছা লগা! .@BJP4India is SCARED TO DEATH and @BjpBiplab is using all his might resources to prevent me from entering Tripura.Keep trying but you CANNOT stop me. Your fear of @AITCofficial shows that your days in governance are numbered.Truth be told, YEH DARR HUMEIN ACHHA LAGA! pic.twitter.com/DUgEmwaBr6 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 13, 2021বুধবার দুপুর ২টোয় ত্রিপুরার আগরতলায় পদযাত্রা করার কথা ছিল অভিষেকের। সেই মতো পুলিসের কাছে অনুমতি চায় তৃণমূল। কিন্তু অনুমতি মেলেনি। বলা হয়, ওই দিন প্রস্তাবিত রুটে আর একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। তাই অনুমতি দেওয়া যাবে না। তার পর তৃণমূল নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয়, কর্মসূচি হবে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সেই আবেদনও প্রত্যাখ্যান করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। তাদের ব্যাখ্যা, ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পুজো। ফলে আইনশৃঙ্খলার কারণে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব বেজায় চটে রয়েছে পদযাত্রা বাতিল হওয়া নিয়ে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সরাসরি ত্রিপুরা পুলিশকে আক্রমণ করে টুইট করেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পেয়ে ১৫ সেপ্টেম্বরের ত্রিপুরা পদযাত্রায় নিষেধ করল পুলিশ। চিঠিতে বলল ওই দিন ওই সময়ে ওই একই রুটে অন্য দলের কর্মসূচির অনুমতি আগেই দেওয়া আছে। পদযাত্রায় জনসমুদ্র হবে বুঝেই কোনও দলের নামে জায়গা বুকিং দেখানো হচ্ছে। শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি দেখছেন।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

By-Polls: সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না উপনির্বাচন?

সেপ্টেম্বরে কি উপনির্বাচন হচ্ছে রাজ্যে? প্রশ্ন ঘুরছে। তবে আপাতত সেপ্টেম্বরে যে উপনির্বাচন যে হচ্ছে না, তা কার্যত স্পষ্ট রাজনৈতিকবিদদের কাছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক বাতিলের পর উপনির্বাচন না-হওয়ার সম্ভাবনাই জোরাল হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ফলে দুএকদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে বলে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আচমকা বাতিল হয় বৈঠক। ফলে চলতি মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রইল না বলে মনে করছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে অক্টোবরে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। উল্লেখ্য,দুদিন আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পরে কমিশনকে চিঠি দিয়ে পুজোর আগেই উপনির্বাচনের অনুরোধ করেন তিনি।কমিশন সূত্রের খবর, পুজোর আগে নির্বাচন করাতে হলে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। কারণ বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার ন্যূনতম ২৪ দিন পর ভোটগ্রহণ হয়। সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি হলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ভোট হতে পারে। পুজোর আগে বা পরে উপনির্বাচন করানোর জন্য প্রস্তুত নবান্ন । সূত্রের খবর, পুজোর আগেই ভোট মিটিয়ে ফেলতে চাইছে রাজ্য সরকার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Mamata: মমতার কপ্টার সফর বাতিল

খারাপ আবহাওয়ার জন্য জলমগ্ন খানাকুল সফর বাতিল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কপ্টারে করে খানাকুলে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তবে সড়ক পথে উদয়নারায়ণপুরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রাণ শিবিরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিসি, মাইথন ও পাঞ্চেত বাঁধ থেকে জল ছাড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিষয়টা দেখার আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। আপাতত হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে প্রথমে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। টানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। জলের তোড়ে ভেসে গিয়ে উদয়নারায়ণপুরে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরেই উদ্ধার করা হয় তার দেহ। মেয়েটির পরিবার জানিয়েছে, স্নান করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল মেয়েটি। জলের স্রোতে ভেসে বাড়ি থেকে কিছু দূরে পুকুরে পড়ে। সাঁতার না জানায় তলিয়ে যায়।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর থেকে জেলা, বাতিল একাধিক ট্রেন

নিম্নচাপের জেরে টানা ভারী বৃষ্টির আগাম সতর্কবার্তা ছিলই। সেই মতো বুধবার থেকে শুরু হয়েছিল লাগাতার বর্ষণ। শুক্রবার পর্যন্ত চলবে বলে খবর। বৃহস্পতিবারই শহরের জলচিত্র দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত শহরবাসী এবং ট্র্যাফিক পুলিশ। বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থান করা নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় টানা বৃষ্টির সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেই মতো বুধবার দিনভর হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিরতিহীনভাবে অঝোরে হয়ে চলে বৃষ্টিআরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে চমক অতনুর, পৌঁছে গেলেন প্রিকোয়ার্টারে উত্তর থেকে দক্ষিণের বহু রাস্তায় জমা জলের কারণে গাড়ির গতি একেবারে ছিল না বললেই চলে। কোথাও জলে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকী, বেহাল রাস্তায় দুর্ঘটনায় পড়লেন বাইকচালক। বেশ কিছু এলাকায় জল বাড়িতে ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শহরবাসীর একাংশের। এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল চত্বরে জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়েরা। দীর্ঘ সময় ধরে যানজটে থমকে থাকে গাড়ি। সেই জট ছাড়াতে নাকাল হতে হয় ট্র্যাফিক পুলিশের কর্মীদের। লালবাজার সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন হয় যে, বেলার দিকে পথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। এ দিকে, রাত থেকে একটানা অঝোর বৃষ্টিতে ফের জলমগ্ন হয় শহরের বিস্তীর্ণ অংশ।অথচ, কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বিকেলে দাবি করেছিলেন, তেমন বৃষ্টিই হয়নি। কিছু কিছু নিচু জায়গায় জল জমেছে ঠিকই। তবে তা তাড়াতাড়ি সরেও গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৭ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদদের মতে, ওই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের এই পরিমাণকে ভারী বৃষ্টিই বলা হয়। আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতাহাওড়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই মুষলধারে চলছে বৃষ্টি। প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে হাওড়া কারশেডের বিভিন্ন জায়গায় এবং রেললাইনে জল জমেছে। যে জন্য বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল। কিছু ট্রেনের সময়সূচির পরিবর্তনও করা হয়েছে। চক্র রেলও পুরোপুরি ভাবে বাতিল করা হয়েছে।০২৩০৩ পূর্বা এক্সপ্রেস, ০২৩৫৩ লাল কুয়াঁ এক্সপ্রেস, ০৩০০১ হুল এক্সপ্রেস এবং ০৩০১৫ হাওড়া-ভাগলপুর এক্সপ্রেস শুক্রবারের জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ট্রেনের হাওড়া ছাড়ার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, ০২৩৩১ হিমগিরি এক্সপ্রেসে নির্ধারিত সময়ের থেকে ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট দেরিতে ছাড়বে। ০৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস ছাড়বে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট দেরিতে। ০২৩২৩ হাওড়া-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের থেকে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট পরে ছাড়বে।

জুলাই ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal