• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

COW

রাজ্য

আমূল পরিবর্তন 'আমুল' দুধের দামে, বাড়াল দুধের দাম, মধ্যবিত্তের কপালে নতুন চাপ

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির চাপে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস, ঠিক তখনই নতুন করে ধাক্কা দিল আমুল (Amul)। সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে দুধের নতুন দাম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিটার পিছু ২ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যা মধ্যবিত্তের মাসিক খরচে বাড়তি চাপ ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।সংস্থার দাবি, গত এক বছরে গবাদি পশুর খাদ্য, দুধের প্যাকেজিং সামগ্রী এবং জ্বালানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেই সঙ্গে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে দুধ উৎপাদক কৃষকদের দেওয়া সংগ্রহমূল্যও ৩.৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল বলেই জানিয়েছে তারা।কোন দুধের দাম কত বাড়ল?* আমুল গোল্ড (৫০০ মিলি): ৩৪ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা* আমুল তাজা (৫০০ মিলি): ২৮ টাকা থেকে বেড়ে ২৯ টাকা* আমুল বাফেলো মিল্ক (৫০০ মিলি): ৩৭ টাকা থেকে বেড়ে ৩৯ টাকা* আমুল গরুর দুধ (৫০০ মিলি): ২৯ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা* আমুল শক্তি দুধ (৫০০ মিলি): ৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৩২ টাকা* টি-স্পেশাল দুধ (১ লিটার): ৬৩ টাকা থেকে বেড়ে ৬৬ টাকা* বিশেষ করে এক লিটারের টি-স্পেশাল প্যাকেটের দামে ৩ টাকা বৃদ্ধি নজর কেড়েছে।সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রতি লিটার দুধে অতিরিক্ত ৮০ পয়সা সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছবে। এর ফলে দুধ উৎপাদকরা ন্যায্য দাম পাবেন এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত হবেন বলে মনে করছে সংস্থা।বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে সরবরাহ ব্যবস্থায় যে চাপ তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই মূল্যবৃদ্ধির পিছনে কাজ করেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। ফলে দুধের এই নতুন দাম মধ্যবিত্তের অস্বস্তি আরও বাড়াবে বলেই আশঙ্কা।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

আইসিকে কদর্য ভাষা অনুব্রতর, FIR, শেষমেশ ক্ষমা প্রার্থনা

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে যায়। সেই অডিওর শোনা যাচ্ছে, বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। দুদিন আগে এই অডিও ক্লিপটি যে কোনও কারণেই ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরেই জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার বোলপুর রানা মুখোপাধ্যায় বৈঠক ডেকে আইসি লিটন হালদারকেও ডেকে পাঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর এসডিপিও রিকি আগরওয়াল সহ চার পুলিশ কর্তা। উল্লেখ্য, গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগরিক কমিটির ডাকে বোলপুর থানায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। অভিযোগ, আইসি লিটন হালদার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তোলাবাজি অর্থ দাবি করেন। অনুব্রত মণ্ডলকেও, এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের তরফে কোন বক্তব্য জনসমক্ষে আসেনি। অনুব্রতর কদর্য বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই তীব্র নিন্দা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। এমনকি বিজেপির রাজ্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব শাসকদলকে আক্রমণ করার হাতিয়ার পেয়ে যায়। একইসঙ্গে তৃণমূল দল থেকে নিজস্ব হ্যান্ডেলে অনুব্রত মণ্ডলের ঘটনার নিন্দা করা হয়। বলা হয় যে, অনুব্রত মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করছে। এবং এই মন্তব্যকে ও সমর্থন করছে না। পাশাপাশি, দল তাকে নির্দেশ দেয় যে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে দল শোকজ নোটিশ জারি করবে। ইতিমধ্যে, পুলিশের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি এসে পৌঁছায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। অন্যদিকে, বোলপুর থানায় বিএনএস এর ৭৫, ১৩২, ২২৪ ও ৩৫১ ধারায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি, অডিও ক্লিপটি কিভাবে ভাইরাল হল তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান, বীরভূমের পুলিশ সুপার আমানদীপ সিং। অবমাননাকর মন্তব্যের তদন্ত শুক্রবার বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল একটি ভিডিও বার্তায় সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, যে নানুরের শিঙ্গিতে তার এক দলীয় কর্মীর পা ভেঙে গুড়ো করে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে তিনি আইসিকে দেখার অনুরোধ করেন। অনুব্রত বলেন, যে নুরুল নামে সেই দলীয় কর্মী গুরুতর অবস্থায় আহত হন। তারপর সেখান থেকে তাকে ফোন করা হয়। রাত্রি দশটায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ফোনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আইসিকে বলেন যে, ওই আহত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করুন। একইভাবে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ও আইসিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি তাকে একটি খারাপ কথা বলেন। যেটা তিনি আর বলতে চাইছেন না। তার পক্ষে (অনুব্রতর) এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ক্ষমা চাইছেন।

মে ৩০, ২০২৫
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

রুজিরাকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, আগামী সপ্তাহে তলব অভিষেককে

সাড়ে চার ঘন্টা পর সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে। কয়লা পাচার মামলায় ইডি তলব করেছিল অভিষেক-জায়াকে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি প্রবেশ করেন সিজিওতে। দিল্লি থেকে আসা ইডি অফিসাররা রুজিরাকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে রুজিরাকে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেক্ষেত্রে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশেই রুজিরাকে কলকাতার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছিল ইডিকে।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। ও (রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভালো মেয়ে, নিরাপরাধ মেয়ে, সৎ মেয়ে, প্রাপ্ত বয়স্কা। শুধু বলব ইডি বাঘ নাকি? ইডি দেশের জনগণের সেবার জন্য, বিজেপির সেবা করার জন্য নয়।এরপরই এদিন বিকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। আগামী মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের।আজ, বৃহস্পতিবারই ইডির নোটিস, মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি । কুন্তলের চিঠি ছাড়াও একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চায় ইডি। গত ২০ মে কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।সমন পাওয়ার পর অভিষেক জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পর ইডি তলব করলে তিনি যাবেন। এখন ১০-১২ ঘন্টা সময় নষ্ট করতে পারবেন না।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরু পাচার তদন্তে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডলের হিসেবরক্ষক

গরু পাচার মামলায় এবার ইডি গ্রেফতার করল অনুব্রত মন্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাংলা থেকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মণীশ কোঠারিকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা। এদিকে, বুধবার দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডলের কন্য সুকন্যাকেও তলব করেছে ইডি।এর আগে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তের স্বার্থে সায়গালকে আগেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার ইডির জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, কোঠারির কাছ থেকে নয়া তথ্য় মিলেছে। গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তে নামে-বেনামে অনুব্রত, তাঁর কন্যা, দেহরক্ষী সকলেরই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এসব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন তাঁর হিসেবরক্ষক।বীরভূমে একাধিক চালকলের সন্ধান মিলেছে। মিলেছে মেডিক্যাল কলেজের তথ্য়। যেসব জায়গায় কোটি কোটি টাকা লগ্নি করেছে অনুব্রত মন্ডল। সেই টাকা কোথা থেকে পেলেন তিনি? সেই খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে কেষ্টর নামে-বেনামে থাকা অ্যাকাউন্টে কোটি-কোটি টাকার লেনদেনের তথ্যও পেয়েছে ইডি।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

বিরল আকৃতির গরুর জন্মানোই চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে

বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম ঘিরে চাঞ্চল্য ছাড়লো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের খুরুল গ্রামে। ভাতারের খুড়ুল গ্রামের বাসিন্দা খোকন ঘোষ পেশায় গো-পালক। তাঁর গৃহপালিত গাভী একটি বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম নেয়। দুটি মাথা ও ছটি পা বিশিষ্ট বাছুরের জন্ম ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর ছড়াতেই খোকন বাবুর বাড়িতে এলাকার মানুষের ঢল নামে। যদিও বাছুরটি জন্মের কিছুক্ষণ পরই মারা যায়।গাভীর মালিক খোকন ঘোষ বলেন, সকাল থেকেই গাভিটি যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। স্থানীয় পশু চিকিৎসক এবং আমরা দুভাই মিলে বাছুরটিকে ভূমিষ্ঠ করার চেষ্টা করি। ঘন্টাখানেক চেষ্টার পর বাছুরটি ভূমিষ্ঠ হয়। যার দুটি মাথা ও ছটি পা। জন্মের ঘন্টাখানেকের মধ্যে বাছুরটি মারা যায়। স্বভাবতই মন খারাপ গোপালক খোকন ঘোষের।গ্রামবাসীরা জানান, বছর ত্রিশ পঁয়ত্রিশ আগে এই গ্রামে বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম হয়েছিল। এটা নিয়ে দ্বিতীয়বার বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম হল ভাতারের খুড়ুলগ্রামে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়খণ্ড থেকে রামপুরহাট হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ

ফের গরু আটক রামপুরহাট ফের গরু আটক। এবার ঝাড়খণ্ড থেকে বীরভূমের রামপুরহাট থানা হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ। সেই সঙ্গে জাহাঙ্গীর শেখ নামে এক গরু ব্যবসায়ী সহ আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি মুর্শিদাবাদের নগর এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ঝাড়খণ্ডের শিকারিপাড়া থানার সারাসডাঙ্গা এলাকায় পশু হাট ছিল। সেখান থেকে জাহাঙ্গীর শেখ গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছিল মুর্শিদাবাদে। তিনজন লোক ভাড়া করে গরু গুলি হাঁটিয়ে ঝাড়খণ্ডের দুমকা-বীরভূমের রামপুরহাটের রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। রামপুরহাট থানার পুলিশ গরু গুলি আটক করে। কারণ ব্যবসায়ী গরু কেনা বেচার কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। যদিও ধৃত ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা সারাসডাঙা পশু হাট থেকে গরু গুলি কিনে নিয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাচ্ছিল। তবে তাদের কাছে কোন বৈধ কাগজ ছিল না।প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হতেই তৎপর হয়ে ওঠে বীরভূম জেলা পুলিশ। বৈধ কাগজ ছাড়া গরু পাচার বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই রামপুরহাট থানার পুলিশ ১৩৭ টি গরু আটক করল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরিস্থিতি অনুধাবন করেই কী নিজাম প্যালেসে ছুটেছেন অনুব্রত মন্ডল?

তলবের পর তলব। পাল্টা একের পর এক আইনজীবীর চিঠি। তবে এবার কী এমন হল যে নিজেই যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হলেন অনুব্রত? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার আগেই হাজির হয়ে যান বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তাহলে কী এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের পরিস্থিতি দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। সূত্রের খবর, সিবিআই দফতরে প্রবেশ করতেই তাঁকে রেস্ট রুমে বসানো হয়। প্রশ্নমালা তৈরি করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগে বেশ কয়েকজনকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মন্ডলকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। কিন্তু তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যান। তারপর কলকাতার চিনারপার্কের ফ্লাটে ফিরেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নানা শর্ত আরোপ করতে থাকেন এই তৃণমূল নেতা। সিবিআই ক্রমাগত ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে থাকে। এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের হাতে এই রাজ্যের একাধিক ঘটনার তদন্তভার রয়েছে। এদিকে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর আগে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সিবিআই হাজিরা এড়াতে পেরেছেন। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ সেই সুযোগ দেয়নি। বুধবার রাজ্যের এই প্রবীণ মন্ত্রীকে সাড়ে তিন ঘন্টা সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, পরিস্থিতি বিচার করে আর দেরি করেননি অনুব্রত মন্ডল। তবে ভবিষ্যতে এর কারণ উপলব্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

উডবার্ন না নিজাম প্যালেস', অনুব্রতর গন্তব্য নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে

মঙ্গলে ঊষা বুধে পা......। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে বুধবার গরুপাচার-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তলব করেছে। সুত্রের খবর, মঙ্গলবার বারবেলায় সেই উদ্দেশ্যেই তিনি বোলপুরের বাসভবন থেকে কলকাতার উদ্দশ্যে রওনা দেন। অনুব্রত কলকাতায় পৌঁছতেই কৌতূহলী মানুষজনের একটাই প্রশ্ন। তাহলে কি অবশেষে সিবিআইয়ের ডাকে সারা দিতেই কলকাতায়? না চিকিৎসার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ন! তাঁর ঘনিষ্ঠমহলের ধারণা, বুধবার নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআই তদন্তকারীদের সামনে তিনি হাজিরা দেবেন।অনুব্রত সন্ধ্যা ছটার সামান্য পরে চিনার পার্কের একটি আবাসনে আসেন। তাঁর বুধবার সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দেওয়ার কথা। কলকাতায় অনুব্রত মন্ডলের উপস্থিতি ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। চিনার পার্কের সেই আবাসনের বাইরে সাংবাদমাধ্যমের যঠেষ্ট ভিড় ছিল। তিনি এখনও পর্যন্ত কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। একটা বড় অংশের মতে, অনুব্রত চিকিৎসার কারণেই কলকাতায় এসেছেন। এর আগে তিনি শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে গেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন অনুব্রত দলের কাজে কলকাতায় এসেছেন। এটি গরুপাচার মামলায় তাঁর চতুর্থ সমন। উডবার্ন না নিজাম প্যালেস বুধবারে মিডিয়ার অভিমুখ কোন দিকে থাকে তাঁর দিকেই তাকিয়ে বাংলার কৌতূহলী জনতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

নিজাম প্যালেসে ফের তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে ফের তলব। ১৪ মার্চ নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মণ্ডলকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ১১টায় তাঁকে হাজিরা থাকতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে চতুর্থবার তাঁকে তলব করা হয়েছে। শেষবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সেবার তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এর আগেও তিন বার তিনি কখনও নির্বাচনী ব্যস্ততা, কখনও আবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন।গোরুপাচার মামলায় ১৪ ফেব্রুয়ারি সিবিআই তলব করেছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিনও হাজিরা এড়িয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২৫ ফেব্রুয়ারি ফের তাঁকে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডলের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি আইনজীবীরা জানান। এদিন হাজিরা এড়িয়ে যান কেষ্ট।২৫ ফেব্রুয়ারি অবশ্য অনুব্রত মণ্ডলের তরফে আইনজীবী আদালতের দ্বারস্থ হন। অনুব্রতর তরফ থেকে জানানো হয়, তিনি হাজিরা এড়াতে চান না। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, গোরু পাচার মামলায় তদন্তে সহযোগিতা করতে রাজি তিনি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কিন্তু কলকাতায় সিবিআই দপ্তরে গিয়ে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, শারীরিক অসুস্থতার জন্য। বোলপুরে বাড়ির কাছাকাছি কিংবা কাছাকাছি কোথাও ডাকা হোক তাঁকে। এই মর্মে আইনজীবী মারফৎ চিঠিও পাঠিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

মার্চ ০৭, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনামুল হক

গোরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হল এনামুল হককে। ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন গোরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামুল। শনিবারই দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে তোলা হবে তাঁকে। সূত্রের খবর, এদিন এনামুলকে নিজেদের হেপাজতে চাইতে পারে ইডি। এর আগে ২০২০ সালে সিবিআই এনামুলকে গ্রেপ্তার করেছিল।ইতিমধ্যেই এনামুল হকের কলকাতার বেশ কয়েকটি ঠিকানা এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। সিবিআইয়ের দাবি ছিল, এনামুল শুধু গোরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত এমনই নয়। চালকল, আবাসন ও নির্মাণ শিল্প, পাথর খাদান, বালির কারবার-সহ একাধিক বেআইনি কারবারেও এনামুল যুক্ত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০০ কোটির বেশি টাকা পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও তাঁর নামে-বেনামে বহু সম্পত্তিরও খোঁজ মেলে। বাংলা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এনামুলকে। এখান থেকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে আদালতে তোলা হবে শনিবারই।এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই তাঁকে হেপাজতে নিয়েছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের হাতে একটি ডায়েরি উঠে এসেছে। সেটি এনামুলের কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই ডায়েরি অনুযায়ী গোরু পাচারকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কে বা কারা এই টাকা পেয়েছেন, কোথা থেকে সেই টাকা এল, এর পিছনে আরও বড় কোনও মাথা রয়েছে কি না সমস্ত কিছু জানতেই এনামুলকে হেপাজতে নিয়ে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান বলেই দাবি সূত্রের।সম্প্রতি এই এনামুল হকের সূত্র ধরেই তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সিবিআই নিজাম প্যালেসে তাঁকে জেরা করেন। সূত্রের খবর, এনামুলের কাছ থেকে দেব নগদ টাকা এবং দামী ঘড়ি উপহার নিয়েছেন। যদিও দেব এই বিষয়টি ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেন। একইসঙ্গে দেবের দাবি ছিল, তিনি এনামুল হককে চেনেনই না। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গোরু পাচারের টাকার একটা অংশ চলচ্চিত্র জগতেও লগ্নি হয়েছে। দেবকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পিন্টু মণ্ডল নামে টলিউডের এক প্রযোজককেও তলব করে সিবিআই।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

এনামুলকে চিনি না, ৫ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে বললেন দেব

গোরুপাচার-কাণ্ডে অন্যতম সাক্ষী হিসাবে অভিনেতা ও সাংসদ দেবকে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নিজাম প্যালেসের দপ্তরে মঙ্গলবার তাঁকে হাজির হতে বলা হয়। সেই মতো সকালেই তিনি হাজির হন। জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে এসে দেব বলেন, এনামুল হককে চিনি না। কোনও টাকা লেনদেন হয়নি।সূত্রের খবর, পাঁচ ঘণ্টা ধরে দুদফায় অভিনেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। নোটিস পেয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সিবিআই অফিসে পৌঁছে যান দেব ওরফে দীপক অধিকারী। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রায় ৪টে নাগাদ তিনি নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। সে সময় কিছুটা বিধ্বস্ত লাগে তাঁকে। বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এনামুল হককে চেনেন না। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁর বয়ান খতিয়ে দেখেছ।গোরুপাচার-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের বেশ কয়েক জন কর্তা ও নিচুতলার কিছু ইনস্পেক্টরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই ও ইডি। রাজ্যের এক মন্ত্রী এবং আইনজীবীকেও তলব করা হয়েছে। নিজাম কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে দেব জানান, কিছুই হয়নি। আমাকে স্টেটমেন্ট দিতে বলল। আমি সেই স্টেটমেন্ট দিলাম। ব্যাস, এইটুকুই। এরপর সাংবাদিকদের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি এনামূল হককে চিনতেন? জবাবে তারকা অভিনেতা বলেন, না আমি কাউকে চিনতাম না, সেটাই আমি বললাম। তিনি কোনও উপহার নিয়েছিলেন কিনা , সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাও অস্বীকার করেন ঘাটালের তারকা সাংসদ। তিনি বলেন, আমি বেশি কিছু বলতে পারব না। তবে আমি একটাই কথা বলব, আমার স্টেটমেন্ট নিয়েছে। আমি যতরকমভাবে পারব সহযোগিতা করব। আমার মনে হয়, আমাকে আর ডাকা হবে না। এর থেকে বেশি আমি আর কিছু বলতে পারব না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় সাংসদ দেবকে নোটিস সিবিআইয়ের

গোরুপাচার মামলায় তৃণমূল সাংসদ এবং অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। বুধবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে এই মর্মে একটি নোটিস গিয়েছে দেবের কাছে। ওই নোটিসে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা নাগাদ দেবকে নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কলকাতার দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।দেবের সঙ্গে গোরু পাচার কাণ্ডের কী সম্পর্ক তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। সিবিআইয়ের নোটিসেও এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর গোরু পাচারকাণ্ডে যে সমস্ত সাক্ষীদের ইতিমধ্যে জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, তাদের বয়ানেই উঠে এসেছে অভিনেতা ও সাংসদ দেবের নাম। যদিও তৃণমূল সাংসদ দেব এই নোটিস নিয়ে বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি বা ব্যখ্যা দেননি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

Minor's Vaccination: আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। কোউইন পোর্টালে জোরকদমে চলছে রেজিস্ট্রেশন। ভ্যাকসিনেশন হচ্ছে স্কুলে। কলকাতার ১৬টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে ৩৭ কোভ্যাক্সিন সেন্টার থেকেও দেওয়া হবে প্রতিষেধক। তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে যারা স্কুলছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে পুরসভার ৩৯টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটিতে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, যাঁরা স্কুল ছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে হবে। কলকাতা পুরসভার ৩৯ টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটি যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে। সারদা ইন্সস্টিটিউশন ফর গার্লস, গভর্নমেন্ট স্পনসরড মাল্টিপারপাস স্কুল ফর বয়েজ টাকি হাউজ, চেতলা গার্লস হাইস্কুল, সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়, গার্ডেনরিচ নুটবিহারি গার্লস হাইস্কুল-সহ কলকাতার একাধিক স্কুলে টিকাকরণ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সামান্য। বাচ্চাদের অল্প জ্বর আসতে পারে, গলা ব্যথা, গা হাত পা ব্যথা হতে পারে টিকা নেওয়া পর। তবে তাতে ভয় পাওয়া কিচ্ছু নেই বলে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। এগুলি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভয় পেয়ে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন না দেওয়ানো, অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে বলে অভিভাবকদের সচেতন করেছেন চিকিৎসকরা।কো-উইন তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশের সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি ১৫-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকাকরণের জন্য বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদাভাবে ভ্যাকসিন সেন্টার, সেশন সাইট, লাইন ও টিকাকরণ কর্মীদের টিম তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে কোভ্যাক্সিন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
দেশ

Cow Ambulance: দেশে প্রথম, গোরুর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা!

গোরুর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ডেয়ারি উন্নয়ন, পশুপালন ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধরি রবিবার এ কথা জানিয়েছেন। অসুস্থ হওয়া গোরুদের দ্রুত চিকিৎসা করানোর লক্ষ্যেই এই পরিষেবা শুরু হবে যোগীরাজ্যে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, গোরুর জন্য এই ধরনের পরিষেবা দেশে এই প্রথম।অভিনব অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা ডিসেম্বর মাস থেকে পাওয়া যাবে। ২৪ ঘণ্টায় এই পরিষেবা পাবেন গবাদি প্রতিপালকরা। এ জন্য ইতিমধ্যেই ৫১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি আছে বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মী নারায়ণ। তিনি বলেছেন, পরিষেবার জন্য জরুরিুকালীন নম্বর ১১২ তে ফোন করতে হবে। অসুস্থ গোরুদের দ্রুত চিকিৎসার জন্যই এই ব্যবস্থা। ওই নম্বরে ফোন করার আধ ঘণ্টার মধ্যে দুই সহকারী নিয়ে এক পশুচিকিৎসক এসে হাজির হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এই পরিষেবা সংক্রান্ত অভাব-অভিযোগের জন্য লখনউয়ে একটি কলসেন্টার খুলবে যোগীর সরকার।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
দেশ

Cow: বদলে যেতে চলেছে দেশের জাতীয় পশুর নাম? কী বলল এলাহাবাদ আইকোর্ট

ভারতের জাতীয় পশু কী, আট থেকে আশি সকলে উত্তরটা জানেন। সহজেই বলে দিতে পারবেন। এই যদি দেখেন হঠাৎ উত্তরটা পাল্টে গিয়েছে! গোরু হয়ে গিয়েছে ভারতের জাতীয় পশু। গোরক্ষা আইনের পর এবার গোরুকে জাতীয় পশু করার পক্ষে সওয়াল করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি শেখরকুমার যাদব গোহত্যা সংক্রান্ত একটি মামলায় অভিযুক্তের জামিনের আবেদনের শুনানিতে বলেন, গোরু ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই গোরুকেই দেশের জাতীয় পশু করা উচিত।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলবুধবার এমনই সুপারিশ দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। যেখানে বলা হয়েছে, গোরুকে ভারতের জাতীয় পশু ঘোষণা করা উচিত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে গোরু ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া যাঁরা গোরুকে ঈশ্বরের চোখে দেখে তাঁদেরও মৌলিক অধিকার রক্ষিত হবে। এমনকী, যারা গোরুর ক্ষতি করার চেষ্টা করে, সরকারের কাছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনারও সুপারিশ বিচারপতি শেখরকুমার যাদবের বেঞ্চ। এই সুপারিশ শোনানোর সময় বিচারপতি বলেন, বাঁচার অধিকার সবার উপরে। গো-হত্যা কোনও মতেই মৌলিক অধিকার হতে পারে না।ওই মামলার শুনানির পর উত্তরপ্রদেশ গোহত্যা বিরোধী আইনে অভিযুক্ত জাভেদ নামে এক ব্যক্তির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি যাদব। জামিন খারিজের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানান, গোরু সম্পর্কে ভারতীয় সমাজে ভাবাবেগ রয়েছে। অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হলে সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে। ভারতীয় নাগরিকদের মতোই গোরুর মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করতে সংসদ বিল পাশ করিয়ে নতুন আইন প্রণয়নেরও সুপারিশ করেন তিনি। বিচারপতির মন্তব্য, গোরুর ভাল হলে তবেই দেশের ভাল হবে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Cow-Coal Smuggling: আরও বিপাকে বিনয় মিশ্র, হাইকোর্টে খারিজ সব আবেদন

গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। এই আর্জি জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কিংপিন বিনয় মিশ্র। কিন্তু সেই আর্জি আজ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত রবিবার সিবিআই বিনয়ের এই আবেদন খারিজ করে দেয়। আজ সিবিআই-এর সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল আদালত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাত থেকে বহুদূর চলে গিয়েছেন গোরু ও কয়লা পাচারকারীর মাথা বিনয় মিশ্র। আপাতত প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুয়াতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন বিনয়। আরও পড়ুনঃ খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ কর্তাদের মানবতার দিশা দেখালেন ইব্রাহিম ও তারাপদতাঁকে সিবিআই-এর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, ভারতে এসে যথারীতি সময়ে হাজিরা দিতে। শুধুই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে গ্রেপ্তার করা হবে না। তখন বিনয় শর্ত দেন, তিনি ভারতে এখন আসবেন না, যা জিজ্ঞাসা করার যেন ভার্চুয়ালি করা হয় সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন। কিন্তু সিবিআই সেই আর্জি খারিজ করে দেয় ও বিনয়ের আর কোনও দাবি না মানার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মর্মে আদালতের কাছে আর্জি জানালেও তা খারিজ করে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। নিজের মতো করেই তদন্ত করতে পারবে তারা। অর্থাৎ এবার সিবিআই হয়ত বিনয়কে গ্রেপ্তার করতেও পারে। অপরদিকে আজই নিজাম প্যালেসে বিনয়ের বাবা-মায়ের ভুয়ো কোম্পানি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও আসেননি তারা। বেলা ১১ টায় হাজিরার সময় থাকলেও এখনও পাত্তা নেই বিনয়ের বাবার। আইনজীবি মহলের ধারণা বিনয়কে এখনই গ্রেপ্তার করা সিবিআই-এর তরফে অসম্ভব। কারণ সিবিআই ভালোই জানে ভানুয়াতুয়ার সঙ্গে ভারতের পণবন্দির চুক্তি নেই। আর থাকলেও এই করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত অসম্ভব। আবার বিনয়ের কাছে একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে, সিবিআই-এর তোড়জোড়ের খবর পেলেই হয়ত অন্য রাষ্ট্রে পালিয়ে গিয়ে একেবারেই গা ঢাকা দিতে পারে যেটা গোয়েন্দারা কখনই চাইবেন না।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Cadbery: ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থা

ক্যাডবেরিতে রয়েছে গোমাংস! আর এমন গুজব ছড়িয়েই দেশজুড়ে ক্যাডবেরি সংস্থার সব ধরনের চকোলেট না কেনার ডাক দেওয়া হয়েছে। সংস্থার কিছু খাবারে জেলাটিন ব্যবহার করা হয়। সে কথা উল্লেখ করা আছে সংস্থার ওয়েবসাইটে। সে অংশের একটি ছবি ঘুরতে থাকে টুইটারে। তা নিয়েই এই বিতর্ক। আরও পড়ুনঃ বড়সড় সমস্যায় মোশাররফ করিম সহ আরও অনেকেজেলাটিন তৈরি হয় গোমাংস থেকে। এমন জিনিস ভারতীয় হিন্দুরা খাবেন কী না, এমন সব প্রশ্ন তুলে সংস্থার উপরে অনেকেই রাগ উগরে দেন নেটমাধ্যমে। ওয়েবসাইটের সেই অংশের ছবির নীচে জানতে চাওয়া হয় ঘটনাটি সত্যি কিনা। সঙ্গে ট্যাগ করা হয় ক্যাডবেরি ইউকে-কে। এ কথা যদি সত্যি হয়, তবে গোরুর চর্বি থেকে তৈরি কোনও খাবার ভারতের হিন্দুদের খাওয়ানোর জন্য ক্যাডবেরি সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি ওঠে। এক নেটাগরিক লেখেন, আমাদের পূর্ব পুরুষেরা নিজেদের প্রাণ দিয়েছেন, তবু গোরুর মাংস মুখে তোলেননি কখনও। এর নীচেই কয়েকশো নেটাগরিকের বক্তব্য জমতে থাকে। এমন কাণ্ডের পরে ব্রিটেনের এই সংস্থার সব খাবার একেবারের বর্জন করা উচিত বলেই বক্তব্য প্রকাশ করেন তাঁরা।pic.twitter.com/798qgPozsF Cadbury Dairy Milk (@DairyMilkIn) July 18, 2021সংস্থার তরফে এর উত্তরও দেওয়া হয়েছে। ক্যাডবেরি ডেয়ারি মিল্ক বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ভারতে যে সব খাবার বিক্রি করে ওই সংস্থা, তা পুরোপুরি নিরামিষ। ওয়েবসাইটের যে অংশের ছবি টুইটারে ঘুরছে, তা আদৌ ভারতের কোনও সামগ্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাদের তরফে উল্লেখ করা হয়, যে কোনও চকোলেটের মোড়কে সবুজ একটি চিহ্ন থাকে। তা বুঝিয়ে দেয় যে সেই খাবারটি নিরামিষ। ভারতে তেমন চকোলেটই পাঠানো হয় বলে দাবি সংস্থার।

জুলাই ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal