• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CM,

রাজনীতি

Mamata Bannerjee: এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতার

শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এদিন সকালেই, কয়লা-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর টিএমসিপি-র মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠেই এই নিয়ে সরাসরি আক্রমণের পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিল্লি আমাদের সঙ্গে না পেরেই কেন্দ্রীয় সংস্থা লেলিয়ে দেয়। কয়লা দুর্নীতি ও অভিষেকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি ইডি-র নোটিস নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেন।টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে এ দিন মমতা বলেন, ক্ষমতায় এসে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে গিয়েছে। যেটুকু কাজ বিরোধী দলে আমাদের ছিল, তার থেকে এখন কাজ বেড়ে গিয়েছে। আমরা কখনও দমে যাইনি। মানুষের কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ। তাই দিল্লি যখন আমাদের সঙ্গে রাজনীতিকে পারে না, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট নিয়েও এ দিন কটাক্ষ করেছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আজকাল লজ্জা লাগে আমার। আমি মানবাধিকার কমিশনকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান জানাই। এই মানবাধিক কমিশনের জন্যই আমি ২১ দিন ধরনা করেছিলাম রাস্তায়।আরও পড়ুনঃ শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যামুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পরবর্তী সময় ফের একবার কয়লা কাণ্ডের কথা উঠে আসে। তিনি বলেন, কয়লা চুরির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? তৃণমূলের দায়িত্বে কয়লা নয়। কয়লা কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বে। মাথায় রেখো, এটা রাজ্যের দপ্তর নয়। তোমার দপ্তর। একটা ছোট্ট নেংটি ইঁদুর বের করেছো না পকেট থেকে, ওই ইঁদুর তোমার পকেট ফাঁকা করে দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালাও। এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি কখনও দেখিনি। আমরা এমন রাজনীতি করি না। তোমার দলের বিরুদ্ধে কতটা পদক্ষেপ করেছ? উত্তরপ্রদেশে হাথরসের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন পাঠিয়েছ?আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার কয়লা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তবে এ রাজ্যে নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সূত্রের খবর, অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠিয়েছে আর্থিক তছরুপ তদন্তকারী এই গোয়েন্দা সংস্থা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। তদন্তের সহযোগিতারা জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তপসিলি জাতি-উপজাতি সম্প্রদায়ের সামগ্রিক উন্নয়নে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। বুধবার নবান্নে নবগঠিত তপসিলি জাতি-উপজাতি কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকে নিজের এই দৃঢ় সংকল্পের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এ রাজ্যে প্রথম তপসিলি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে আলাদা কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার এই শ্রেণির মানুষদের উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ১০ বছরে এই দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ ছয় গুণ বেড়েছে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরমুখ্যমন্ত্রী বলেন, তপসিলি পড়ুয়াদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে।৬ লক্ষ ২০ হাজার পড়ুয়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।৭৩ লক্ষ পড়ুয়াকে প্রি ম্যাট্রিক ও পোস্ট ম্যাট্রিক স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এসসি-এসটি ও দুঃস্থদের জন্য ১০০টি ইংরেজি ভাষার স্কুল করা হচ্ছে। বাবা সাহেব আম্বেদকরের নামে প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে।এক কোটি পড়ুয়াকে সাইকেল বিলি করা হয়েছে। তাদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।তিনি বলেন, রাজ্য সরকার তপসিলি সম্প্রদায়ের জন্য চাকরি ক্ষেত্রে ২২ শতাংশ সংরক্ষণ চালু করেছে। বিভিন্ন শূন্যপদে ১০,২৪১ জন তপসিলিকে নিয়োগ করা হয়েছে।বিগত আর্থিক বছরে ৭৫ হাজার তপসিলি যুবত-যুবতীকে বিভিন্ন স্বনির্ভর প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, রাজ্যে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ১৭ লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশি কাস্ট সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। পরিবারের যে কোন সদস্যের নথি পেশ করে মিলবে কাস্ট সার্টিফিকেট।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তপসিলি সম্প্রদায় মানুষকে সামাজিক সুরক্ষা দিতে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।ইতিমধ্যেই ১৭টি সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়েছে।লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা তপসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষেরা পাবেন।আরও পড়ুনঃ নুসরত হাসপাতালে ভর্তি, তাহলে বৃহস্পতিবারই কি মা হচ্ছেন?আগামী পাঁচ বছরে আদিবাসী-তপসিলি সম্প্রদায়ের জন্য কুড়ি লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।১০.৬৯ লক্ষ তপসিলি মানুষকে সরকারি প্রকল্পে বাড়ি দেওয়া হয়েছে।রাজ্যে তপসিলি বন্ধু প্রকল্পে ৪০ হাজার তপসিলি ব্যক্তি পেনশন পাচ্ছেন। ৬০ বছর বয়স হলে এক হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়া হয়েছে।গত ১০ বছরে ১২লক্ষ জমির পাট্টা বিলি করা হয়েছে। করোনা অতিমারির সঙ্কটকালে তাদের জন্য বিনামূল্যে খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।২৭০ টি মনসা থানের উন্নয়ন করা হয়েছে।জাহের থান, মাঝি থানের উন্নয়নের জন্যও রাজ্য সরকার কাজ করে চলেছে।ব্যাংক সংক্রান্ত সংস্যা সমাধানের জন্য দুয়ারের সরকারের শিবিরে ব্যাংকেরও একটি করে কাউন্টার রাখা হচ্ছে ।দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুনর্গঠনের কথা মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন।বলাগড়ের বিধায়ক তথা দলিত সাহিত্যিক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর নেতৃত্বে কাজ করবে দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি।করোনার প্রকোপ কমলে নভেম্বর-ডিসেম্বর দলিত সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।প্রতি রাজ্যের দলিত সাহিত্যিকদের নিয়ে এই সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে । মুখ্যমন্ত্রীর লেখা বই এবং বহুভাষিক অভিধানের অনুবাদ করবে দলিত সাহিত্য অ্যাকাডেমি।পিছিয়ে পড়া মানুষের সুরক্ষায় প্রশাসনকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন রাজ্যে দলিত সম্প্রদায়ের ওপরে হামলা বাড়তে পারে।এই ধরনের যে কোনও অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তিনি নির্দেশ দেন।মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বড়মাকে শেষ জীবনে দেখভাল করেছে রাজ্য সরকার।আমি নিজে অজস্রবার ঠাকুরবাড়ি গিয়েছি।এখন কেউ কেউ বাইরে থেকে গিয়ে অশান্তি বাধাতে চাইছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
কলকাতা

SSKM: ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?

এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতা

ফের একবার লোকাল ট্রেন নিয়ে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামাঞ্চলে অন্তত ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল চলবে না। বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকের পর একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় বসবাসকারী ৭৫ শতাংশের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এ দিন জানান মুখ্যমন্ত্রী । এ দিন তিনি বলেন,৭৫ শতাংশ শহরাঞ্চলের জনসংখ্যাকে প্রথম কভার করছি। আমরা ৭৫ শতাংশ কভার করেছি কলকাতায়। হাওড়ায় ৮০ শতাংশ কভার করেছি। শহরাঞ্চল, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আগে টিকাকরণ করছি। গ্রামের মানুষ অনেক সচেতন। তাঁরা ফাঁকা আবহাওয়ায় নিঃশ্বাস পায়। মুক্ত হাওয়া ও সবুজ পায়। এরপর গ্রামগুলিকে ধরব।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলাএরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন,গ্রামগুলিকে ৫০ শতাংশ টিকা দিতে পারলে কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে আমরা লোকাল ট্রেন চালু করব। মমতার ব্যাখ্যা, এখনই করতে পারছি না কারণ তৃতীয় ঢেউয়ে বাচ্চারা আক্রান্ত হওয়ার কথা। ধরুন মা-বাবা গাদাগাদি করে ট্রেনে যাতায়াত করে। তাঁরা বাড়ি ফিরে গেল। বাড়িতে বাচ্চারা আছে। বাচ্চাদের স্বার্থে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
কলকাতা

Laxmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে খুঁটিনাটি স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে খুঁটিনাটি জানালেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকের পর তা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে বাড়ির অভিভাবকের নামে থাকলেও পরিবারের সব মহিলারাই অনুদান পাবেন। এর পাশাপাশি ফর্ম তুলতে উপভোক্তাদের তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শও দেন। এমনকী, ভিড় এড়ানোর পরামর্শও দেন।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিললক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহের জন্য যেভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, তা থামাতে মমতার বার্তা,একমাস সময় আছে। তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। দরকার হলে ৩-৪ দিন বাড়িয়ে দেব। বেশি ভিড় করবেন না। সরকারি চাকরি করেন বা পেনশন পান, তাঁরা ছাড়া সবাই পাবেন। যাঁরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করেছেন তাঁরা কার্ড দেখালে ফর্ম পেয়ে যাবেন। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে নাম না থাকলেও লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যসাথীতে নিয়ম করেছি বাড়ির বয়স্ক মহিলার নামে হবে কার্ড। কিন্তু যে বাড়িতে ৩ জন মহিলা আছেন, যাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে অথচ তাঁদের নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। অভিভাবকের নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলেও সেই বাড়ির বউরা বা মেয়েরা পাবেন।আরও পড়ুনঃ তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দলীয় বিধায়কেরউল্লেখ্য, দুয়ারে সরকার শুরু হয়েছে ১৬ অগস্ট। চলবে আরও এক মাস। ২২ হাজারের বেশি ক্যাম্প করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ২ দিন হয়েছে ২ হাজার ৬৫০টা ক্যাম্প। যা শুনে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেন,আমি নিজেই অবাক হচ্ছি। ৩ দিন শেষ হওয়ার আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন পেয়েছি ৪৬ লক্ষ। এটা চলবে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাড়াহুড়ো করার কোনও কারণ নেই। একসঙ্গে ভিড় করবেন না। যাঁরা পাওয়ার যোগ্য তাঁরা সবাই পাবেন।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Jhargram: আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রী

তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম জঙ্গলমহল সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দুপুর ২ টোয় ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়াম বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।তাঁর এই প্রস্তুতি চরম পর্যায়ে। এরপর প্রশাসনিক বৈঠকও করতে পারেন তিনি।২০২১-এর ফল প্রকাশের পর দেখা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খালি হাতে ফেরাননি জঙ্গলমহলবাসী। ঝাড়গ্রাম জেলা ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রীর হওয়ার পর ঝাড়গ্রাম সফরে আজ মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্ব আদিবাসী দিবসে তিনি যোগ দেবেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিমঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালও যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আকাশপথে ঘুরে দেখতে পারেন বন্যা পরিস্থিতি। সোমবার দুপুরে ডুমুরজলা স্টেডিয়াম থেকে রওনা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝাড়গ্রামে রাজ কলেজের মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গত ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি জিতেছিল। ২০২১ নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঝাড়গ্রামে এসে বলেছিলেন, জঙ্গলমহলের জন্য অনেক করেছি। আপনারা আমাদের পাশে থাকুন। উন্নয়ন আরও হবে। তার পাশাপাশি বেশ কিছু প্রকল্পের ঘোষণা করেন কি না, তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে জঙ্গলমহলের মানুষ। আর মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। আজ ঝাড়গ্রামে রাতে থাকার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আগামিকাল, মঙ্গলবার ঘাটাল বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

আগস্ট ০৯, ২০২১
শিক্ষা

SFI: ৫ দফা দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি এসএফআই-এর

স্কুল খোলা-সহ ৫ দফা দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলো এসএফআই। কোভিড পরিস্থিতিতে শিক্ষাক্ষেত্রে অচলাবস্থা কাটাতেই চিঠির মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের তরফে। করোনা মহামারি আছড়ে পড়ার পর গত দেড় বছরে স্কুল-কলেজে গিয়ে পঠনপাঠন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার বদলে শুরু হয়েছে অনলাইন পঠনপাঠন। যার কুপ্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে পড়ুয়াদের ওপর। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসাতেই অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১. অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আংশিকভাবে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খুলে মুখোমুখি পঠনপাঠন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।২. সকল পড়ুয়াকে টিকাকরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে, বিনামূল্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার দিতে হবে। ৩. মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ফলাফলের পর একাদশ শ্রেণি ও কলেজের প্রথম বর্ষে সিট বাড়াতে হবে।৪. স্কুল-কলেজ ও বিশ্বিদ্যালয়ে ভর্তির ফি মকুব করতে হবে।৫. বিশেষ স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করে শিক্ষায় ব্যয়বরাদ্দ বাড়াতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে অচলাবস্থা দূর করতে অবিলম্বে উপরোক্ত বিষয়গুলোর ওপর বিশেষভাবে দৃষ্টিপাত করার আবেদন করা হয়েছে এসএফআই-এর তরফে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Meeting: আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতা

মঙ্গলবারের মতো বুধবারও রাজধানীতে দিনভর কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে মমতার। বুধবার তাঁর সঙ্গে একাধিক ওজনদার নেতার দেখা করার কথা রয়েছে। তৃতীয় দিনের দিল্লি সফরে আজ ১০ জনপথে যেতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, আজ বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ সেখানে সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক করতে যাবেন তিনি। তার আগে দুপুর ১টায় সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে দলীয় সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় সাংসদদের উপস্থিত থাকতে বলেছে তৃণমূল। আর সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা তৃণমূল নেত্রীর।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুএ ছাড়া আজ বিজেপি বিরোধী একাধিক নেতার সঙ্গেও তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে। ফলে আজ দিনভর মমতার গোটা কর্মসূচির উপর নজর থাকবে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Student's Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে রাজ্য সরকারের বহুল প্রচারিত স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা হল । বুধবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ওই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের সুবিধা পাবেন।স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কি ধরনের সুবিধা ও কোন শর্তে ঋণ পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে৷ এর জন্য কোনও জামিন লাগবে না৷ রাজ্য সরকারই ঋণের জামিনদার থাকবে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলবমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পরই এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে৷ এর পর স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, গবেষণার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে৷ এমনকী, বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস -এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যাঁরা, তাঁরাও এই ঋণ নিতে পারবেন৷ তিনি বলেন, রাজ্যে বসবাসকারী যে কোনও ভারতীয় ছাত্রছাত্রী এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ রাজ্য, রাজ্যের বাইরে এমন কি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্যও এই ঋণ কাজে লাগানো যাবে৷সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষার কোর্স ফি, টিউশন ফি, হোস্টেল ফি ইত্যাদি ছাড়াও কম্পিউটার- ল্যাপটপ-এর মত শিক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ পাওয়া যাবে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে অনেকেই উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না।তাদেরকে সুযোগ করে দিতেই আবেদন জানানোর বয়স ৪০ বছর পর্যন্ত করা হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য যাতে আবেদনকারীরা পর্যাপ্ত সময় পান সেদিকে তাকিয়ে ওই সময় সীমা ১৫ বছর পর্যন্ত রাখা হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও আবেদনকারী চাইলে একবারেই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন৷ আবার চাইলে ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে৷মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে অনলাইনে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করা যাবে৷ সাধারণ ব্যাংক ছাড়াও কো অপারেটিভ ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ পাওয়া যাবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাবা মায়েদের আর কোনও চিন্তা থাকবে না, বাচ্চাদের মন খারাপ করে ঘুরে বেড়াতে হবে না৷ ঋণ পাওয়ার জন্য জুতোর শুকতলা খুইয়ে যাবে না৷ ছাত্রছাত্রীদের বলব টাকা পয়সার কথা না ভেবে মন দিয়ে পড়াশোনা করো৷ বাবা মায়েদেরও বলব চিন্তা করবেন না৷ আপনাদের স্বপ্নপূরণ হবেই৷ তবে ভ্যাকসিন কাণ্ডের উদাহরণ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিব-সহ সরকারি আধিকারিক এবং ব্যাংকগুলিকেও সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, এই ক্রেডিট কার্ডের নামে যাতে কোনওরকম প্রতারণা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে৷ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদেরও সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোনও জালিয়াতের খপ্পরে পড়বেন না।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে দিলীপের দাবি, বাংলার মানুষকে ভুগতে হবে এই প্রকল্পের জন্য। তিনি আরও বলেন, ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ড থেকে নজর ঘোরাতেই এমনটা করা হল।

জুন ৩০, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া চিঠি ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের

ফের রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (WB Governor Jagdeep Dhankar)। দিল্লি সফরের আগে সোমবার কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন তিনি। সেই চিঠিতে একদিকে যেমন হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। তেমনই গত ১৭ মে সিবিআই দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহকে গণতন্ত্রে নজিরবিহীন বলে কটাক্ষ করেছেন ধনখড়। সবমিলিয়ে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার সম্মুখ সমরে মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল। তবে ধনখড়ের এই চিঠি নিয়ে পালটা সরব হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বও। সোমবার সকালেই রাজ্যপাল নিজেই জানিয়েছেন তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। তার আগে এদিন বিকেলে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন রাজ্যপাল। টুইটারে সেই চিঠি পোস্টও করেছেন ধনখড়। সঙ্গে লিখেছেন, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নীরবতা ভাঙুক মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামাল দিক তিনি। দুর্গতদের ত্রাণেরও ব্যবস্থা করুন। দ্রুত এ নিয়ে আলোচনায় বসুন মুখ্যমন্ত্রী। এখানেই শেষ নয়, পরের টুইটে ধনখড় লিখেছেন, রাজ্যে চরম রাজনৈতিক হিংসা, মহিলাদের উপর অত্যাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর অত্যাচারের মতো ঘটনা ঘটছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় সবচেয়ে খারাপ সময় এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অশুভ। চিঠিতেও নির্বাচন পরবর্তী নিজের নন্দীগ্রাম, শীতলকুচি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।একইসঙ্গে নারদকাণ্ডে দুই মন্ত্রী-সহ চারজনের গ্রেপ্তারির পর সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে ওইদিন আপনি চারজনের মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। ওই দিন যা যা ঘটেছে তা গণতন্ত্রে নজিরবিহীন ঘটনা। এরপরই তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন রাজ্যপাল।

জুন ১৫, ২০২১
রাজনীতি

মোদির পর্যালোচনা বৈঠকে গরহাজিরা, মমতার সমালোচনা অমিত- ধনখড়-রাজনাথের

রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ না নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংও বিষয়টি নিয়ে মমতার সমালোচনা করেছেন। টুইটারে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর অবমাননার অভিযোগ করেছেন তাঁরা সকলেই।শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে যশ-এর ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট দেন মমতা। কিন্তু পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেননি তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুরের ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত দিঘায় পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে অমিত টুইটারে লেখেন, মুখ্যমন্ত্রীর আজকের আচরণ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে নিম্নস্তরের। ঘূর্ণিঝড় যশ বহু নাগরিকের উপর প্রভাব ফেলেছে। এখন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার সময়। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে দিদি তাঁর অহংবোধকে জনস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। আজকের নিচু স্তরের আচরণ তারই প্রতিফলন।রাজ্যপাল এ প্রসঙ্গে টুইটারে লেখেন, ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর আধিকারিকেরা অংশ নেননি। এটি আসলে সংবিধান এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বয়কট। অবশ্যই এমন পদক্ষেপের ফলে জাতীয় স্বার্থ বা রাজ্যের স্বার্থ রক্ষিত হয়নি। শুভেন্দু টুইটারে লেখেন, আজ ভারতের দীর্ঘলালিত সহযোগিতমূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর একটি কালো দিন। সেই সঙ্গে সরাসরি পর্যালোচনা বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে শুভেন্দু লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী ফের দেখালেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দুর্দশার প্রতি তিনি সংবেদনশীল নন। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী না থাকলেও কলাইকুণ্ডায় প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে হাজির ছিলেন ধনখড় এবং শুভেন্দু। নাড্ডা শুক্রবার বৈঠকে মমতার অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে লেখেন, যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষতিগ্রস্ত বাংলার মানুষের পাশে দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়েছেন, তখন মমতাজির উচিত ছিল, জনগণের কল্যাণে নিজের অহংবোধ বিসর্জন দেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি হল সাংবিধানিক নীতি আর সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার হত্যা। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের টুইট পশ্চিমবঙ্গে আজকের ঘটনা মর্মস্পর্শী। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী কোনও ব্যক্তি নন, প্রতিষ্ঠান। দুজনেই জনসেবা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সংবিধানের আনুগত্যের শপথ নেন।আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে সাহায্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আসার পর তাঁর সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হল তা যন্ত্রণাদায়ক। জনসেবামূলক কাজের জন্য সাংবিধানিক কর্তব্য পালনের উপরে রাজনৈতিক মতভেদকে প্রাধান্য দেওয়ার একটি দুর্ভাগ্যজনক উদাহরণ এটি। যা ভারতবর্ষের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূল ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

মে ২৯, ২০২১
কলকাতা

সারাদিন তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডব, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের টুইট রাজ্যপালের

রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এই ট্যুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। প্রসঙ্গত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রকে সিবিআই গ্রেপ্তার করার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের এই টুইট।রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সোমবার সিবিআই-র রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেপ্তারির পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন। আর সেই টুইটে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। সম্পূর্ণ নৈরাজ্য চলছে। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। এই টুইট তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। তিনি তাঁর টুইটে লিখেছেন, এই অস্থির পরিস্থিতিকে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এর পরের টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, সম্পূর্ণ বেআইনি পরিস্থিতি ও নৈরাজ্য চলছে। পুলিশ ও প্রশাসন নীরব রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে এই টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, আমি আশা করবো প্রশাসন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এই পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সাংবিধানিক বিপর্যয়ের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।এখন সময় হয়েছে মুহূর্তে মুহূর্তে সৃষ্টি হওয়া বিস্ফোরক পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা। এর পর সিবিআই অফিসার সামনে তৃণমূল সমর্থকদের বিক্ষোভের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের দর্শকের ভূমিকা উদ্বেগজনক। রাজ্য প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মে ১৭, ২০২১
কলকাতা

সুকিয়া স্ট্রিটে ছেঁড়া হল মমতা-অভিষেকের ছবি

বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার দিনই কলকাতায় শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে ছেঁড়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া তৃণমূলের একাধিক পোস্টার৷ শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার তৃণমূলের সদস্যপদ ছাড়ার পরেই সুকিয়া স্ট্রিটে শুভেন্দু অধিকারীর ফ্ল্যাটের সামনে তৃণমূলের একাধিক বড় পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছিল৷ নাম না করে সেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপি-তে যোগদানের জন্য কটাক্ষও করা হয়৷ এদিন সকালে সে সমস্ত পোস্টারই ছেঁড়া ছিল। যদিও কে বা কারা এই পোস্টারগুলি ছিঁড়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতকে বিজেপিতে আহ্বান জানিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের এনিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি৷ তবে এই ঘটনায় যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও কিছুটা বাড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় এলে উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের এই ফ্ল্যাটেই ওঠেন৷ তাই তিনি তৃণমূল ছাড়ার পরেই রাজনৈতিক বার্তা দিতেই এই পোস্টারগুলি সেখানে লাগানো হয়েছিল৷ কিন্তু দুদিনের মধ্যেই তা উধাও হয়ে গেল৷ এদিনই মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি-তে যোগদান করার কথা৷ তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত একাধিক সাংসদ, বিধায়ক এবং জনপ্রতিনিধিরাও বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন বলে খবর।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

অগণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী, আইপিএস পোস্টিং নিয়ে তোপ মমতার

নবান্নের আপত্তি অগ্রাহ্য করে ৩ আইপিএস অফিসারকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নতুন পোস্টিং দেওয়ার ঘটনায় কড়া তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এঘটনাকে ক্ষমতার আস্ফালন ও ১৯৫৪ আইপিএস ক্যাডার রুলের অপব্যবহার বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, এই ধরনের আচরণ রাজ্যের বিচারব্যবস্থা উপর আঘাত। এঘটনা পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত অফিসারদের মনোবল ভেঙে দেয়। নির্বাচনে আগে এধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী। এটা অগণতান্ত্রিক। একে কোনওভাবেই মানা যায় না। কিছুতেই রাজ্যের উপর কেন্দ্রের এভাবে অধিকার কায়েমের চেষ্টাকে সফল হতে দেব না। কায়েমি ও অগণতান্ত্রিক শক্তির সামনে পশ্চিমবঙ্গ কিছুতেই মাথা ঝোঁকাবে না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যেন ভুয়ো মামলা না হয়, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের প্রসঙ্গত, নবান্নের আপত্তি অগ্রাহ্য করে আজই ৩ আইপিএস অফিসারকে নতুন পোস্টিং দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজীব মিশ্রাকে পাঠানো হয়েছে আইটিবিপি-তে। অন্যদিকে প্রবীণ ত্রিপাঠিকে এসএসবিতে পাঠানো হয়েছে। আর ভোলানাথ পান্ডেকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে বিপিআরডিতে। ৩ অফিসারকেই ৫ বছরের জন্য নতুন পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, শিরাকোলে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার পরই এই ৩ আইপিএস অফিসারকে ডেপুটেশনে চেয়ে পাঠায় কেন্দ্র। কিন্তু, কেন্দ্রকে চিঠি লিখে তাঁদের ছাড়তে অসম্মতি জানায় রাজ্য। নবান্নের তরফে কেন্দ্রকে জানানো হয় যে রাজ্য সরকার ওই দিনের ঘটনার জোরদার তদন্ত করছে। যদিও নবান্নের সেই আপত্তিকে আমল না দিয়ে আজ নতুন পোস্টিং জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যেন ভুয়ো মামলা না হয়, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের

শুভেন্দুকে যাতে ফাঁসানো না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেদিকে নজর রাখতে বলেছেন। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকে বিঁধে বলেছেন, প্রশাসনিক শুদ্ধিকরণ প্রয়োজন। পরে সেই চিঠির প্রতিলিপি টুইটও করেছেন তিনি। বুধবারই শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো একটি চিঠি টুইটারে পোস্ট করেন জগদীপ ধনকড়। সেই চিঠিতে শুভেন্দু দাবি করেছেন, তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ সরকারি বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী এমতাবস্থায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করতে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তাঁর এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে। তেমন হলে রাজ্যপাল যেন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করেন। চিঠিটি টুইট করে জগদীপ ধনকড় জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু তাঁর হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এরপরই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে আনলেন রাজ্যপাল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে হারতে হয়েছিল দলকে। জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে নাম করে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে অশান্তি করছে বিজেপি। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। নিশীথ প্রামাণিকের নাম না করে এদিন মমতা বলেন, আমরা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম বিজেপি তাঁকে নিয়ে এসেছে। যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ। যে জিতেছে সে এখন গুণ্ডামি করছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন বিজেপি, ভেদাভেদ, ভাগাভাগির রাজনীতি করছে। রাজবংশী- বাঙ্গালিদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও এদিন আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, নাম নিতেও লজ্জা করে। বলছে ডিসেম্বরের পর মারবে। ওদের মুখে খালি ভাংচুর-মারামারির কথা, খাদ্য-বস্ত্রের কথা নেই। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের এদিন ফের বহিরাগত বলেছেন তিনি। বলেছেন, বিজেপি বহিরাগতদের রাজ্যে আনছে। আরএসএস গুণ্ডারা রাজ্যে আসছে। চম্বলের ডাকাত আসছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের আবেদন এদিন কোচবিহারবাসীকে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেছেন, লোকসভা ভোটে আমাদের ভোট দেন নি। তাতে আমার কোনও অভিমান নেই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করুন। কোচবিহার থেকেই শুরু হয় বাংলা। কোচবিহার রক্ষা না পেলে বাংলাও রক্ষা পাবে না।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

মোদী সরকার কোনও সংবিধান মানছে নাঃ মমতা

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে মানুষকে এবার একজোট হওয়া প্রয়োজন। সভা থেকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি নিজে ২৬ দিন ধর্মতলার মঞ্চে অনশন করেছিলাম। জমি রক্ষা করতে গিয়ে সেই সময় আমাদের উপর কি অত্যাচার করেছিল, তা আপনারা জানেন। আমাকে এমনভাবে মারা হয়েছিল, আমার বুকে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। আমার পালস রেট ৪৪ এ নেমে গেছিল। আমাকে লাইফ সেভিংয়ে দেওয়ার জন্য চিকিৎসকরা রেডি হয়েছিলেন। রেলের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, রেলের অনেক কাজ করেছি আমি এখানে, সব কাজ করেছি। বিজেপি কি করেছে? একটাও কাজ করেনি। ঘেউ ঘেউ করে ঘুরে বেড়ায়। কি করেছে বাংলার জন্য। কৃষি আইন নিয়ে তিনি বলেন, আজ এমন আইন করেছে , এখন শীতকাল তাই আলু পাচ্ছেন। শীতকালে উৎপাদন হয়। গরমকালে ক্রাইসিস দেখা যাবে। আমার ক্রাইসিস হলে আমরা হাফ দামে দিতাম। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির সরকার কোনও সংবিধান মানছে না। বিজেপি সরকার যা ইচ্ছে, তাই করছে। আর আইন দেখাচ্ছে। রাজীব গান্ধীর সরকার ৪০০ এমপি নিয়েও এই সাহস দেখাত না। আর ওদের ৩০০ এমপিও না। তবু এসব করে বেড়াচ্ছে। কখনও নোট বাতিল, কখনও এই বিক্রি, ওই বিক্রি। প্রতিদিন সকালে উঠছে আর এসব করে বেড়াচ্ছে। আর এস এস হিন্দু ধর্মের প্রবর্তক, আমি মানি না। মনে করি না। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গাড্ডায় পড়েছেঃ অভিষেক তিনি আরও বলেন, এই নরেন্দ্র মোদির সরকার নিজেরা ভিডিও বানিয়ে মিডিয়াকে দিচ্ছে, আর মিডিয়া সেন্টার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাতে পারছে না। ওদের দোষ না। ওদের মালিকগুলো সব বিক্রি হয়ে গেছে। আপনাদের কাছে তথ্য আছে, আর আমাদের কাছে নেই, এটা ভাববেন না। আমাদের কাছেও তথ্য আছে। শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ আমরা করি না।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মমতা, করলেন দ্রুত আরোগ্য কামনা

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রবল শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে বুধবার দুপুরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভর্তি হন দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। এদিন তাকে দেখতে হাসপাতালে যান সিপিএম নেতা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, সুজন চক্রবর্তী। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল প্রকাশিত হবে তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ড মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তার করোনা পরীক্ষা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। ওনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন। উনি সেরে উঠুন। পরিবারের পাশে আছি। হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে অবস্থার অবনতি হয়েছে বুদ্ধবাবুর। অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন তিনি। বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে তাঁকে রাখা হয়েছিল প্রথমে কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় তাঁকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। তাঁর রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বেড়েছে। ভর্তি হওয়ার সময় ৮৮ থাকলেও পরে তা বেড়ে হয়েছে ১৩১। তাঁর চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে টুইট মমতার

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধীতা করে পথে নেমেছেন কৃষকরা। বিক্ষোভে এই মুহূর্তে উত্তাল দিল্লি। শুক্রবার সিঙ্গুর আন্দোলনের অনশন কর্মসূচির বর্ষপূর্তিতে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে টুইট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইটে লেখেন, ১৪ বছর আগে ২০০৬ সালের ৪ ডিসেম্বর, আমি ২৬ দিনের অনশন কর্মসূচির সূচনা করি। কৃষিজমি জোর করে দখল করা যাবে না, এই দাবিই তুলেছিলাম। আমি শ্রদ্ধা জানাই সেই সমস্ত কৃষকদের যারা কেন্দ্রের আনা কৃষি আইনের বিরোধীতা করছেন। কাউকে কিছু না জানিয়ে কেন্দ্র কৃষি আইন পাশ করেছে বলেও টুইটে আরও একবার অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, কৃষিবিল নিয়ে আলোচনা চেয়ে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলার দুই বিরোধী দল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। এই ইস্যুতে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দেন। আরও পড়ুন ঃ পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে রাজ্যে বাধা পাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া এদিন তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বশক্তি দিয়ে কৃষি আইনের বিরোধীতা করা হবে। পথে নামবে দল। আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে আছে দল। এই আইন কৃষক বিরোধী, অসাংবিধানিক। কৃষকদের স্বার্থে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন হরিয়ানা গেছেন বলেও এদিন কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

সাড়ে ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে ট্যাব দেবে সরকারঃ মমতা

করোনা পরিস্থিতির জেরে অনলাইনে চলছে ক্লাস। কিন্তু যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না। এবার সেই সমস্যার সমাধানে কল্পতরু হয়ে এগিয়ে এল রাজ্য সরকার। অনলাইন ক্লাসের সুবিধার্থে রাজ্যের সাড়ে ৯ লক্ষ দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে বিনামূল্যে ট্যাব দেবে রাজ্য সরকার। সরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা পড়ুয়াদের এই ট্যাব দেবে সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক ছিল। সেখানেই একথা জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তিন শতাংশ ডিএ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ৯ লক্ষ পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে ট্যাব। তাতে কারও বাড়িতে স্মার্টফোন না থাকলেও সে অনায়াসেই করতে পারবে অনলাইন ক্লাস। এছাড়াও রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুলে ট্যাব কিংবা কম্পিউটার দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। যার মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব হবে। অতিমারী পরিস্থিতিতে কমল বেসরকারি ল্যাবে আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এবার থেকে মাত্র ৯৫০ টাকাতেই করা যাবে পরীক্ষা। তার ফলে সাধারণ মধ্যবিত্ত যে যথেষ্ট উপকৃত হবেন, তাতে কোনও দ্বিমত নেই।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal