• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bollywood

বিনোদুনিয়া

রণবীরের কান্না, শাহরুখের জড়িয়ে ধরা! ভাইরাল পুরনো ভিডিওতে আবেগে ভাসছে অনুরাগীরা

ধুরন্ধর এবং ধুরন্ধর ২ ছবির বিপুল সাফল্যের পর এখন বলিউডে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিং। বক্স অফিসে একের পর এক সাফল্যের ফলে তাঁকে নিয়ে চারদিকে আলোচনা চলছে। তবে এই সাফল্যের মাঝেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি পুরনো ভিডিও, যা ঘিরে নতুন করে আবেগে ভাসছেন অনুরাগীরা।এই ভিডিওটি একটি পুরনো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের। তখন রণবীর সিং বলিউডে একেবারেই নতুন। নিজের প্রথম ছবি ব্যান্ড বাজা বারাত-এর জন্য সেরা নবাগত অভিনেতার পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। হাতে পুরস্কার নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগে ভেঙে পড়েন এবং কান্না শুরু করেন।বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নামার সময় তাঁকে কাছে ডাকেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শাহরুখ খান। রণবীরের চোখে জল দেখে তিনি মজা করে বলেন, তুমি কেন কাঁদছ, কাঁদা তো আমাদের উচিত। তুমি ইন্ডাস্ট্রিতে এসে গিয়েছ, এবার আমাদের কী হবে। তাঁর এই কথায় হাসিতে ফেটে পড়ে পুরো হলঘর। সেই সময় দর্শকাসনে থাকা সলমন খানকেও হাসতে দেখা যায়।এরপর শাহরুখ খান রণবীরকে জড়িয়ে ধরেন এবং বলেন, আমাদের একটু ভালোবাসা দাও, আমরা তোমাকে বলতে চাই তুমি কত ভালো একজন অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকা শাহিদ কাপুরও রণবীরকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন। শাহরুখ সবার সামনে রণবীরকে এই সময়ের অন্যতম সেরা অভিনেতা বলেও উল্লেখ করেন।২০১০ সালে অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে ব্যান্ড বাজা বারাত ছবির মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন রণবীর সিং। সেই শুরু থেকে আজকের এই সাফল্যের জায়গায় পৌঁছনোর গল্প এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। ধুরন্ধর ২ ছবির বিপুল সাফল্যের পর পুরনো সেই ভিডিও ফের সামনে আসতেই অনুরাগীরা বলছেন, শাহরুখের সেই কথাই যেন সত্যি হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডের নিরাপত্তা ঘিরে নতুন প্রশ্ন: গভীর রাতে রোহিত শেট্টীর বাড়ির সামনে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল জুহু

শনিবার গভীর রাত। ঘুমের চাদরে ঢাকা মুম্বইয়ের জুহু এলাকা। আচমকাই নিস্তব্ধতা ভেঙে চার রাউন্ড গুলির শব্দ। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। লক্ষ্য বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক রোহিত শেট্টীর বাড়ির সামনের এলাকা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যরাত পেরোনোর কিছু পরেই রোহিত শেট্টীর বাড়ির বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ শোনা যায়। কোনও হতাহতের খবর না মিললেও, ঘটনায় চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুম্বই পুলিশ ও ফরেনসিক দল। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় তদন্ত।এক প্রত্যক্ষদর্শীর মোবাইলে ধরা পড়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশের তৎপরতা টহল গাড়ি, তদন্তকারী অফিসার ও নিরাপত্তা কর্মীদের ব্যস্ততা। যদিও এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় বা হামলার উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়।মুম্বই পুলিশ কমিশনার জানান, রোহিত শেট্টীর বাড়ির সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা, ভীতি প্রদর্শন না কি অন্য কোনও উদ্দেশ্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের সামনে এসেছে বলিউডের নিরাপত্তা প্রশ্ন। কারণ, অতীত খুব দূরের নয়। ২০২৪ সালে বান্দ্রায় সলমন খানের বাড়ির সামনেও একই ধরনের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। সেবার সমাজমাধ্যমে কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্ণোইয়ের গ্যাং হামলার দায় স্বীকার করেছিল।রোহিত শেট্টীর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, আগের ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে পরিচালকের নিরাপত্তাও।একাধিক ধারাবাহিক ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে তারকাদের ঘিরে কি নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে অপরাধচক্র? নাকি এটা নিছক ভীতি প্রদর্শনের কৌশল? উত্তর খুঁজছে পুলিশ। আর আতঙ্কের ছায়ায় আপাতত নিদ্রাহীন বলিউড।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

শেষযাত্রায় এত গোপনীয়তা কেন? ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু ঘিরে নতুন জল্পনা

ভারতীয় সিনেদুনিয়ার কিংবদন্তি, বলিউডের হিম্যান ধর্মেন্দ্রর বিদায়বেলায় চেয়ে বসেছিল দেশের কোটি কোটি অনুরাগীর চোখ। যিনি একাই তিনশোর বেশি ছবিতে কাজ করে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন, যাঁর স্টার পাওয়ার একসময়ে রাজনৈতিক মহলেও সমান গুরুত্ব পেতসেই মহীরুহের শেষযাত্রা যে এত নীরবে সম্পন্ন হবে, তা কল্পনাও করেননি কেউ। আর সেই কারণেই ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর থেকেই উঠছে অসংখ্য প্রশ্ন। কেন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা মিলল না তাঁর? কোথায় সেই গান স্যালুট? কেন অনুরাগীরা তাঁকে শেষবার দেখা পর্যন্ত পেলেন না?সোমবার থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোলএমন মাপের তারকার বিদায় কি এমন নিরবচ্ছিন্ন নীরবতায় ঢেকে রাখা উচিত ছিল? প্রত্যাশিত মতো বিপুল ভিড় পর্যন্ত জমতে দেওয়া হয়নি, আর তাতেই ক্ষোভ ও ব্যথা ছড়িয়েছে তারকাভক্তদের মধ্যে। অনেকেই লিখেছেন, একবার অন্তত দেখতে দিতে পারত পরিবার।বলিউডের অন্দরমহলে ছড়িয়ে পড়েছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। জানা যাচ্ছে, প্রথমে সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, ধর্মেন্দ্রকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়, গান স্যালুট-সহ শেষকৃত্য করা হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নাকি আপত্তি তোলে দেওল পরিবারই। তাঁদের দাবি, সবকিছু মিডিয়ার নজর থেকে দূরে রাখতেই চাইছিলেন তাঁরা। কারণ দিন পনেরো আগে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর ভুয়ো খবর রটতেই নাকি ভীষণ অপমানিত বোধ করেছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। সেই অভিমানের জেরেই এবার সত্যি খবরটিও গোপন রাখার পথ বেছে নেন তাঁরা।যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে এই দাবি নিশ্চিত করা হয়নি, কিন্তু বলিউড মহলে কানাঘুষো চলছেমিডিয়ার অতিরিক্ত নজরদারি, গুজব ও ভুল তথ্যর কারণেই নাকি ধর্মেন্দ্রর শেষযাত্রা এত চুপিসারে করা হয়েছে।ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বহু পুরনো সদস্যের বক্তব্য, ভারতীয় ছবির ইতিহাসে ধর্মেন্দ্রর মতো মেগাস্টার বিরল। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দেওয়া শুধু দুঃখজনক নয়, অসম্মান-ও বটে। কিন্তু পরিবার যখন নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন বিতর্ক থামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন অনেকে।তবে বলিউডের একটা প্রশ্নই এখন সবচেয়ে জোরালোএত বড় তারকার বিদায় কি সত্যিই এমন নীরব হওয়া উচিত ছিল?

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

লড়াই শেষ! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র: ৯০-এ থেমে গেল ছয় দশকের কিংবদন্তি যাত্রা

বার্ধক্যজনিত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন অভিনয়জগতের হ্যাণ্ডসাম হিরো। নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। অমিতাভ, আমির, জীতেন্দ্র-সহ চলচ্চিত্র দুনিয়ার তারকারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন।হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সোনালি অধ্যায়ের অন্যতম স্তম্ভ ধর্মেন্দ্র প্রয়াত। সোমবার নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই তারকা। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েক দফায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, তৈরি হয়েছিল উদ্বেগের আবহ। পরে কিছুটা উন্নতির পর বাড়ি ফিরলেও শেষ পর্যন্ত আর ফেরানো গেল না প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করা এই কিংবদন্তিকে।পরিবারের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও না এলেও, প্রযোজকপরিচালক এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সূত্রে খবর মিলেছে অভিনেতার প্রয়াণের। সোমবারই পবনহংস শ্মশানে সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য। শেষযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়ভক্ত, প্রতিবেশী, ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীসবাই যোগ দেন প্রিয় তারকার শেষ দর্শনে।শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান, জীতেন্দ্র-সহ অসংখ্য তারকা। শোকবার্তা লিখে কর্ণ জোহর বলেন, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমা আজ এক মহান শিল্পীকে হারাল।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছিল। ভেন্টিলেশনে থাকার খবরও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরে ধর্মেন্দ্রপুত্র সানি দেওলের সহকারী এবং স্ত্রী হেমা মালিনী সেই তথ্য খণ্ডন করেন। কিছুদিন আগে মৃত্যু-গুজব রটে তাঁর প্রথম স্ত্রীর কান্নার একটি ভিডিও ছড়ানোর পর পরিবারের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।অভিনেতার শেষ কর্মজীবনেও ছিল ব্যস্ততা। মাত্র ২৪ নভেম্বর প্রকাশ্যে আসে তাঁর অভিনীত ইক্কিস ছবিতে তাঁর চরিত্রের ঝলক। জন্মদিনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই এমন খবর শোকস্তব্ধ করেছে অনুরাগীদের। আগামী ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি চলছিল পরিবারেকিন্তু তার আগেই ইন্ডাস্ট্রি হারাল ধর্ম পাজি-কে।প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শোলে, চুপকে চুপকে, সীতা অউর গীতা, ধর্মবীর, মেরা গাঁও মেরা দেশ-এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবেন ধর্মেন্দ্র। আজ তাঁর প্রয়াণে শোকাহত গোটা দেশআরও এক অধ্যায় শেষ হল ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র! বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন হি-ম্যান নামে পরিচিত এই মহাতারকা। যদিও পরিবার প্রথমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি, দুপুর থেকেই মুম্বইয়ের জুহুর বাড়ির বাইরে অস্বাভাবিক নড়াচড়ায় জোরালো হয় আশঙ্কা। দুপুরের পর তাঁর বাড়ি থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স বেরিয়ে যায়, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সানি দেওল, ঈশা দেওল ও হেমা মালিনীকে দেখা যায় পাওয়ান হান্স শ্মশানে পৌঁছতে। এরপর অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেককে দেখা যায় সাদা পোশাকে ভিলে পার্লের শ্মশানের সামনে। আমির খান পৌঁছন ধর্মেন্দ্রের বাসভবনে।কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ধর্মেন্দ্র। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাড়িতে এনে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছিলেন। এক সময় শারীরিক অবস্থার খানিক উন্নতি হলেও শেষপর্যন্ত অসুস্থতাকে জয় করতে পারলেন না তিনি।মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে কিংবদন্তির প্রয়াণের খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ঢেউ তোলা শোকবার্তা, চলচ্চিত্র জগত শোকস্তব্ধ। পরিচালক করণ জোহর, যাঁর ছবিতে রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি-তে সর্বশেষ অভিনয় করেছিলেন ধর্মেন্দ্র, ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা লিখে জানান, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমার প্রকৃত কিংবদন্তি, অপরূপ ব্যক্তিত্ব, সবচেয়ে বড় কথাঅত্যন্ত ভালো মানুষ। আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যে শূন্যতা তৈরি হল, তা কোনওদিন পূরণ হবে না।ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক সোনালি অধ্যায় রচনা করে গেলেন ধর্মেন্দ্র। ছয় দশকের টানা সাফল্য, তিনশোরও বেশি ছবি, আর কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়জয়সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন বলিউডের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর রেখে যাওয়া পরিবারে রয়েছেন দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও হেমা মালিনী এবং সন্তানসানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা, অজিতা, ঈশা দেওল ও আহানা দেওল।এ মুহূর্তে চলছে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান। চলচ্চিত্র দুনিয়ার বন্ধু, সহকর্মী, পরিবারের সদস্য এবং অগণিত শুভানুধ্যায়ী ভিড় জমিয়েছেন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। মুম্বইয়ের বাতাসে যেন ভেসে বেড়াচ্ছে একটি কথাইএভাবেই কি সত্যিই শেষ হয়ে গেল ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রদের একটির অধ্যায়?

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

অবশেষে স্বস্তি! হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বলিউডের হি-ম্যান ধর্মেন্দ্র

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থাকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উদ্বেগ ছড়িয়েছিল ভক্তদের মনে। কখনও শ্বাসকষ্ট, কখনও জল্পনা সব মিলিয়ে আতঙ্কের আবহ। অবশেষে বুধবার সকালে মিলল স্বস্তির খবর। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন ৮৯ বছরের এই কিংবদন্তি অভিনেতা।মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে গত ৩১ অক্টোবর ভর্তি করা হয়েছিল ধর্মেন্দ্রকে। শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বুধবার সকালে হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ একটি অ্যাম্বুল্যান্স অভিনেতার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। তখনই চর্চা শুরু হয় ধর্মেন্দ্র কি সত্যিই ছাড়া পাচ্ছেন? কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানান, হ্যাঁ, আজ সকালেই ধর্মেন্দ্রজিকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে তাঁর চিকিৎসা চলবে বাড়িতেই।ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসার প্রতি তিনি ভালোভাবে সাড়া দিচ্ছেন। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।তবে গত দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল এক বিভ্রান্তিকর খবর দাবি করা হয়েছিল, প্রয়াত হয়েছেন ধর্মেন্দ্র। মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় সেই ভুয়ো খবর। পরিবার থেকে শুরু করে বলিউড মহল পর্যন্ত নিন্দায় মুখর হয়। কন্যা এষা দেওল ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইনস্টাগ্রামে লেখেন, আমার বাবা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। দয়া করে ভুয়ো খবর না ছড়িয়ে পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন।ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী, অভিনেত্রী হেমা মালিনীও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, এই ধরনের মিথ্যে খবর ছড়ানো মানে এক অসুস্থ মানুষের প্রতি নির্মমতা। বরং তাঁর দীর্ঘায়ুর জন্য প্রার্থনা করুন। একই সুরে সানি দেওলের টিমও অনুরোধ জানায়, ধর্মেন্দ্রজি ভালো আছেন, সবাই তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করুন।প্রায় ১০ দিন হাসপাতালে কাটানোর পর অবশেষে নিজের ঘরে ফিরলেন বলিউডের হি-ম্যান। ভক্তদের মুখে এখন একটাই প্রার্থনা ধর্মেন্দ্রজি, তাড়াতাড়ি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে পর্দায় ফিরে আসুন।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী ও মডেল 'কাঁটা লাগা গার্ল'-এর অকাল মৃত্যু, শোকের ছায়া শিল্পী মহলে

মাত্র ৪২ বছরে মৃত্য়ু হল মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী মডেলের। শেফালি জারিওয়ালা শুক্রবার মুম্বাইয়ে মারা গেছেন। জানা গিয়েছে, তার স্বামী পরাগ ত্যাগী এবং আরও তিনজন তাকে বেলভিউ মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। ডাক্তাররা পরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।মুম্বাই পুলিশের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আন্ধেরি এলাকায় নিজের বাসভবনে মেডেলের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। মুম্বাই পুলিশ রাত ১টায় এই খবর পেয়েছে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।শেফালি জারিওয়ালা ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকের হিট কাঁটা লাগা গানের মিউজিক ভিডিওতে তার অভিনয়ের জন্য সর্বাধিক পরিচিতি পান। এমনকি এই গানটি তাকে কাঁটা লাগা গার্ল উপাধিও এনে দেয়। এরপর তিনি সলমান খানের মুঝসে শাদি কারোগিতে অভিনয় করেন। পরে, তিনি সলমানের সঞ্চালনায় রিয়েলিটি শো, বিগ বস ১৩-তেও অংশ নেন। ২০০৪ সালে, শেফালি মিট ব্রাদার্স খ্যাত সঙ্গীতশিল্পী হরমিত সিংয়ের সাথে বিয়ে করেন। কিন্তু ২০০৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। ২০১৫ সালে, তিনি অভিনেতা পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।সেলিব্রিটিরা শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। আমি গভীরভাবে মর্মাহত, শোকাহত। আমাদের প্রিয় তারকা এবং আমার প্রিয় বন্ধু @শেফালিজারিওয়ালা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। তোমার অনুগ্রহ, হাসি এবং চেতনার জন্য তোমাকে সর্বদা স্মরণ করব। ওম শান্তি,। গায়ক মিকা সিং X-তে তার শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। রাজীব আদাতিয়া, কাম্যা পাঞ্জাবি, আলি গনি সহ আরও সেলিব্রিটিরা অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠি লিখেছেন, এটা অবিশ্বাস্য। আমরা পরিবারের জন্য মর্মাহত এবং দুঃখিত। আমার বন্ধু শেফালি জারিওয়ালা আর নেই শুনে একেবারে হতবাক হয়ে গেলাম। শেষবার আমি তার সঙ্গে একটি পার্টিতে দেখা করেছিলাম। জীবন এত ছোট। সে আমার সাথে #BiggBoss13 তে ছিল।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

"কেশরী: চ্যাপ্টার ২" তে ক্ষুদিরাম বসু সহ বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান, প্রতিবাদে গর্জে উঠল বাংলা পক্ষ

সম্প্রতি কেশরী: চ্যাপ্টার ২ নামের এক বলিউডি হিন্দি সিনেমায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র সংগ্রামের উজ্জ্বল ইতিহাস তথা বীর বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পরিচয় ও ভূমিকা বিকৃত করে এক মনগড়া মিথ্যা ইতিহাস তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে। সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে যে ক্ষুদিরাম সিং ও বারীন্দ্র কুমার নামক দুই বিপ্লবী বৃটিশ পুলিশকর্তা কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যার চেষ্টা করে ও তাদের বোমা তৈরীর প্রশিক্ষণ দেয় কৃপাণ সিং! যার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। প্রকৃত পক্ষে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ঘটনা কিংসফোর্ড হত্যার প্রচেষ্টা ও পরবর্তীতে মানিকতলা বোমা মামলার ঘটনার কথা সম্পূর্ণ বিকৃত ভাবে এই সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে।সশস্ত্র সংগ্রামের লক্ষ্যে কলকাতার মানিকতলার যুগান্তর গুপ্ত সমিতিতেই অরবিন্দ ঘোষের নেতৃত্বে বোমা তৈরীর কর্মশালা গড়ে ওঠে, ইউরোপ থেকে বোমা তৈরী শিখে এসে এখানে বোমা তৈরী করে বিপ্লবীদের সরবরাহ করতেন হেমচন্দ্র কানুনগো, যিনি বলিউডের দৌলতে হয়েছেন কৃপাণ সিং। এই গুপ্ত সমিতির পক্ষেই ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী কিংসফোর্ডকে বোমা নিক্ষেপ করে হত্যার চেষ্টা করেন। মেদিনীপুরের বীর বাঙালি কিশোর ক্ষুদিরাম বসুর পদবী সিনেমায় হয়েছে সিং অন্যদিকে প্রফুল্ল চাকীর নামই মুছে গেছে, শোনা গেছে জনৈক বারিন্দর কুমারের নাম, যেকোন ইতিহাস সচেতন ব্যক্তিই বলতে পারবেন এই নাম আসলে মানিকতলা বোমা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ও পরবর্তীতে আন্দামানে দ্বীপান্তরিত বারীন্দ্র ঘোষের, যিনি সম্পর্কে অরবিন্দ ঘোষের ভাই। এই মানিকতলা বোমা মামলায় বিপ্লবীদের পক্ষে কোর্টে আইনি লড়াই করেন আরেক মহান বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। এই গৌরবজনক অধ্যায় সম্পূর্ণ ভাবে বিকৃত করা হয়েছে, যা বাঙালি জাতি তথা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি চূড়ান্ত অবমাননা।এই বিকৃতির বিরুদ্ধে বাঙালির ক্ষোভের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থেকে সংস্কৃতি জগতের নানান ব্যক্তিত্ব এই ইতিহাস তথা মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম বিকৃতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ভারতীয় বাঙলির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষও সরব হয়েছে, আজ তারা পথে নেমে প্রতিবাদ করল কলকাতার বাংলা একাডেমী সংলগ্ন রানুছায়া মঞ্চে। এই প্রতিবাদ সভায় বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, কেশরী ২ সিমেমার মূখ্য অভিনেতা অক্ষয় কুমার, তিনি কাদের স্বার্থে বিকৃত ইতিহাস প্রচার করে সিনেমা তৈরি করেন এটা আমাদের সকলের জানা৷ বিজেপি ও বলিউডের উদ্দেশ্য বাঙালির গৌরবজনক বীরত্বের ইতিহাস মুছে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যেই বারবার এই ধরনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে। বলিউড এর আগেও অভয় ২ সিরিজে বীর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুকে ক্রিমিনাল, জঙ্গি হিসাবে দেখিয়েছিল। বাংলা পক্ষ তখন Zee5 কে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিল এবং সল্টলেকে Zee5 এর অফিসে বিক্ষোভ করেছিল। পরবর্তীতে Zee5 ক্ষমা চেয়ে সেই অংশ বাদ দিতে বাধ্য হয়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় বলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত কেশরী ২ সিনেমার নির্মাতারা ক্ষমা না চায়, বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে। ক্ষমা চেয়ে এই দৃশ্য বাদ দিতে হবে। বাঙালি বিদ্বেষীদের কিভাবে ক্ষমা চাওয়াতে হয় সেটা বাংলা পক্ষ ভালো ভাবে জানে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য সৌম্যকান্তি ঘোড়ই বলেন, ক্ষুদিরাম বসুকে অপমান মানে বাঙালিকে অপমান। প্রফুল্ল চাকীকে অপমান মানে বাঙালিকে অপমান৷ বীর বিপ্লবী বারীন ঘোষদের অপমানের বিরুদ্ধে এই লড়াই চলবে। অক্ষয় কুমারকে ক্ষমা চাইতেই হবে।এছাড়াও আজকের প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক কুশনাভ মন্ডল, শিল্পী পক্ষর অধিকর্তা প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। এর আগে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় এই সিনেমা নিয়ে একই ইস্যুতে এফআইআর হয়েছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বাঙালি বীর বিপ্লবীদের ইতিহাস বিকৃতি করার জন্য।

জুন ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কেশরী চ্যাপ্টার টু, ইতিহাস বিকৃত করার ভয়ঙ্কর অভিযোগ

ইতিহাসের একটি পরিচিত অধ্যায় ইংরেজ শাসনের সময় বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বোস ও প্রফুল্ল চাকী কুখ্যাত ইংরেজ জাজকে বধ করার চেষ্টা করেছিল। এর ভিত্তিতে ক্ষুদিরাম বোসের ফাঁসি হয়েছিল এবং প্রফুল্ল চাকীও পুলিশের হাতে যাতে ধরা না পড়ে তার জন্য নিজের প্রাণ নিজের হাতে নিয়েছিল। বিধাননগর দক্ষিণ থানাতে অভিযোগ এসেছে যে একটি সিনেমা ইদানিংকালে লাইভ স্ট্রিমিং হচ্ছে সিনেমাটির নাম হচ্ছে কেশরী চ্যাপ্টার টু। সেই সিনেমাটি জিও হটস্টারে দেখানো হচ্ছে লাইভ স্ট্রিমিং এর মাধ্যমে সেখানে একটা দৃশ্যে দেখানো হয়েছে যে ক্ষুদিরাম বোসের নামকে ক্ষুদিরাম সিং বলা হয়েছে এবং প্রফুল্ল চাকির সেখানে কোন উল্লেখ নেই।বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী অরবিন্দ ঘোষের ছোট ভাই বিরেন্দ্র কুমার ঘোষ তিনি ও বিপ্লবী ছিলেন উনার নামটাকে বারিন্দ্রা কুমার বলে বলা হচ্ছে। শুধুমাত্র ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে বিকৃত করা হয়নি, বরঞ্চ স্বাধীনতা সংগ্রামী যারা আছেন তাদের নামটাকে বিকৃত করে তাদের গরিমাটাকে কিছুটা হলেও ম্লান করার চেষ্টা হয়েছে এবং করা হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে একটা কেস করা হয়েছে। এটাও দেখানো হয়েছে খুদিরাম বোস এবং বারিন্দ্র ঘোষ ওনারা অমৃতসরের ছাত্র ছিলেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগটা করা হয়েছে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধান নগর দক্ষিণ থানাতে একটি কেস রুজ করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতেই ছুরি দিয়ে কোপানো হল সাইফ আলি খানকে, হাসপাতালে ভর্তি: পুলিশ

মুম্বাইয়ের বাড়িতে অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতা সাইফ আলি খান। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।ঘটনাটি ঘটে রাত ২টার দিকে বান্দ্রার সাইফ আলি খানের ১১ তলার ফ্ল্যাটে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তি ঢুকে পড়ে। অভিনেতা অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে চেষ্টা করলেও অনুপ্রবেশকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে।গত রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার পরিচারিকার সাথে তর্ক করে। অভিনেতা যখন হস্তক্ষেপ করে লোকটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তখন সে সাইফ আলি খানের উপর হামলা করে তাকে আহত করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় বাড়ি সইফের। এই বাড়িতেই থাকেন অভিনেতার স্ত্রী তথা বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী করিনা কপূর। সুত্রের খবর, দুষ্কৃতী যখন সেই বাড়িতে প্রবেশ করে সেই সময় অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।জানা গেছে বান্দ্রা থানার পুলিশ সইফ আলি খানের ওপর এই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন সুত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সইফ আলি খান আপাতত লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সইফ-কে ছুরি দিয়ে-ই কোপানো হয়েছে না কি হামলাকারীদের সাথে ধস্তাধস্তির জন্য তিনি আহত হয়েছেন, এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও প্রমান মেলেনি। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। বান্দ্রা থানার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।বিস্তারিত আসছে......

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

বক্ষ জুড়ে চলে বেড়াচ্ছে জীবন্ত মাছ! ফ্যাশনের নিত্যনতুন আঙ্গিকে উরফি

গড়পড়তা ফ্যাশনের কনসেপ্ট থেকে বেরিয়ে এসে তিনি তাঁর এক নিজস্ব জগৎ তৈরি করে ফেলেছেন ফ্যাশান দুনিয়ায়, যেখানে নিয়ম ভাঙ্গাটাই নিয়ম। ছকে বাঁধা ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তাঁকে কখনই টানে না। তিনি কখনও বাচ্চাদের খেলার গাড়ি দিয়ে বক্ষবন্ধনী করেন তো কখনও বেতের লাঠি দিয়ে গাউন আবার কখনও লাল অ্যাডেশিভ টেপ জড়িয়ে লজ্জা নিবাড়ন। নিত্যনতুন ভাবনা তাঁর মাথায় কিলবিল করে। তাঁর সাজপোশাক দেখার আগে কারোর মাথাতেই আশার কথা নয় এটাকে পোশাক ভাবা যেতে পারে। এহেন ফ্যাশান আইটেম গ্ল্যামার কুইনের হলেন উরফি যাভেদ।তাঁর পরনে কখনো চিরুনি দিয়ে তৈরি পোশাক তো কখনও আবার বস্ত্রহীন শরীরের লজ্জা ঢাকেন বেলি ফুলের মালা দিয়ে। ছকভাঙ্গা ফ্যাশানের অভিনব কায়দার পোশাকেই উরফিকে দেখতে অভ্যস্ত দর্শক। তাঁর অভিনব পোশাক নিত্যদিন বলিউডের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁর পোশাকে অভিনবত্ব আনতে গিয়ে তিনি বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। নানারকম হুমকিতে জর্জরিত তাঁর জীবন। কিন্ত উরফি যেনো অন্য ধাতুতে গড়া। ছোটখাটো চেহারা দেখে তাঁর অবমূল্যায়ন কারীদের তিনি বারবার ভুল প্রমান করেছেন।সমোলচনায় বিদ্ধ উরফি থেমে না থেকে, উল্টে ফ্যাশান নিয়ে তাঁর নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার উৎসাহ আরও কয়েকগুণ বেড়িয়ে দিয়েছেন। এমন সব জিনিস দিয়ে তিনি পোশাক বানিয়ে পরেছেন যা এর আগে কারুর কলপনাতেই আসেনি। ঘাসের ফ্লোর কার্পেট দিয়ে বানানো গাউন তো কখনো শুধুমাত্র পুঁথির মালা দিয়ে ঢেকেছেন বক্ষজুগল, আবার কখনো উন্মুক্ত বক্ষ ঢেকেছেন এক্স-রে প্লেট দিয়ে। কখনও সেই সমস্ত পোশাক প্রশংসা কুড়িয়েছে তো আবার কখনও তাঁর উগ্ধট পোশাকের কারণে জুটেছে কটুক্তি। এবার তিনি আর এক নতুন রূপে ধরা দিলেন।উরফির সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তাঁর এক নতুন অবতার। যা দেখে স্তম্ভিত নেটিজ়েনরা। উন্মুক্ত বক্ষদেশে কোনও অন্তর্বাস নেই,তার জায়গায় একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের প্যাকেটের জলে কিছু জীবন্ত মাছ চলে বেড়াচ্ছে। জীবন্ত মাছভর্তি প্লাস্টিকের থলি দিয়েই ব্রালেট বানিয়ে ফেলেছেন উরফি। গোলাপি জিন্স পরিহিত উরফির এহেন ইন্সটা ভিডিও মুহুর্তে ভাইরাল। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে উরফির উন্মুক্ত বক্ষদেশে জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কমলা রঙের ছোট ছোট গোল্ড ফিশ। বুকে দুটি প্লাস্টিকের প্যাকেট ঝুলিয়ে ক্যামেরার সামনে নানা কায়দার পোজ দিতে ব্যস্ত মছলি জল কি রানী উরফি। গোলাপি অধরঞ্জনীতে অধর রাঙ্গিয়ে, স্কুল গার্লের মত চুলে দুটি বিনুনি করে, হালকা মেকআপে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন উরফি। তাঁর ছিমছাম সাজ নজর কেড়েছে নেট অনুগামীদের।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শীঘ্রই মুম্বই পাড়ি দিচ্ছেন চিত্রগ্রাহক অভি সেনগুপ্ত

কলকাতা শহরে মডেলিং ফটোগ্রাফি ওয়ার্ল্ডের চেনা নাম অভি সেনগুপ্ত। তার ক্যামেরাতে ধরা পরেছে টলিউডের নামকরা তারকা দের অপরুপ বহু ছবি। তার ক্যামেরার জাদুতে ছবির রুপ অন্য মাত্রা নেয়। সম্প্রতি অভিনেতা সৌরভ দাস ও দর্শনা বনিক এর একটি প্রজেক্টের লুক সেট করেছেন তিনি। খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে সেই ছবি।নানান ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে অভি সেনগুপ্ত ও তার টিম কে। প্রচন্ড প্রফেশনাল এই টিম বলতে পারেন কলকাতা শহরে বেশ সুনামের সাথে কাজ করেন।শাড়ীর ব্র্যান্ডের নানান শ্যুটে অনন্য ক্রিয়েটিভির ছোঁয়া এনেছেন এই তারকা ফটোগ্রাফার। কলকাতা শহরের বাইরে মুম্বাই শহরে বেশ কিছু প্রজেক্টের কথা চলছে তার সাথে। বলাইবাহুল্য অভি সেনগুপ্তের তোলা প্রতিটি ছবিতে থাকে অনন্য ক্রিয়েটিভি।

মে ২৯, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শুটিঙের ফাঁকে নিয়ম ভেঙে কলকাতার কি কি খাবার চেখে দেখলেন বলি নায়িকা অনুষ্কা?

মুম্বাইয়ানা হিন্দি ছবির বর্তমান প্রজন্মের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম অনুষ্কা শর্মা। তর্কাতীত ভাবেই বলিউডি নায়িকাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই আলোকিত করে থাকেন তিনি। ছায়াছবির জগতে নায়ক-নায়িকাদের শরীর সচেতনতা অনেকটা আরব্য রজনীর গল্পের মত। কেউ ২০ বছর ভাত খাননি তো কেউ আবার তেল মশালা বিহীন খাবার খেয়ে ৩০ বছর বেঁচে আছেন। বয়সকে একটা টাইম ফ্রেমর মধ্যে ধরে আখাটায় চ্যালেঞ্জ।এঁরা কেউই ডায়েটিশিয়ানের কথার অবাধ্য হননা। অনুষ্কা-ও যে শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন তা বলা বাহুল্য। বিরাট ঘরনি বিগত বছর ধরেই ঝুলন গোস্বামী বায়োপিক চাকদা এক্সপ্রেস নির্মানের বেশ কয়েকবার কোলকাতায় আসা যাওয়া করছেন। এর আগেও তিনি কোলকাতার সিগনেচার খাবার খেয়েছেন, অনুষ্কা আগেও জানিয়েছেন কলকাতায় এলে লোভনীয় বাঙালি খাবার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন না একেবারেই। সেই প্রমান এবারো দিলেন। শুধু খেলেনই না সামাজিক মাধ্যমে তার আনন্দটাও ভাগ করে নিলেন পর্দার ঝুলন।ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিকের শুটিঙে কোলকাতা এসেছিলেন ১৭ অক্টোবর। রুপালি পর্দায় ঝুলন গোস্বামীকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন এই বলিউডি লাস্যময়ী নায়িকা। ১৮ অক্টোবর তাঁকে ভারতীয় জার্সী পড়ে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে চাকদা এক্সপ্রেসর শুটিঙে দেখা যায়। ছবির শুটিংয়ের চাপের মধ্যেও কলকাতার খাবারের আনন্দ উপভোগ করতে ভুল করেননি। তিনি সে আনন্দ যে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, তার ঝলক-ই ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেছেন পর্দার ঝুলন। সিটি অফ জয়ে এসে তিনি কী কী খেয়েছেন, তারই এক ঝলক ভক্তদের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন রব নে বানা দি জোড়ি নায়িকা।অনুষ্কা খাবের তালিকায় ছিল উত্তর কলকাতার বিখ্যাত পুঁটিরামের কচুরি, গিরীশ দের মালাই রোল, প্যারামাউন্টের চার রকমের সরবত, মিঠাইয়ের বেকড রসগোল্লা, হরিশ মুখার্জীর গুরুদুয়ারার পাশে বলবন্ত সিংহের কেশর চা সাথে গরম শিঙাড়া, ধর্মতলার আলিয়ার ফিরনি।শুটিংয়ের মাঝে কলকাতার বহুল পরিচিত দোকানগুলির সুস্বাদু খাবারের স্বাদ যে তিনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, সেই কথাই অনুষ্কা জানিয়েছেন। চিত্র বিনোদন জগতের প্রতিটি শিল্পী-ই ঘড়ির কাঁটা ধরে বিধিনিষেধ মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। নিয়মমাফিক শরীরচর্চা। কিন্তু কলকাতায় এসে নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যে সমস্ত লোভনীয় খাবার চেখে দেখেছেন টা সত্যি অবাক হওয়ার মত। এর সাথে তিনি ধর্মীয় পীঠস্থান বেলুড় মঠ ও কালীঘাট মন্দিরের নামও তাঁর পস্টে উল্লেখ করেছেন। অনুষ্কা কথা পড়ে নেটিজেনেদের ধারনা শুটিংয়ের মাঝে ওই দুই জায়গাতেও হয়ত ঘুরে এসেছেন তিনি।কলকাতার লোভনীয় খাবারের তালিকা লিখে ইনস্টাগ্রামে যে পোস্ট অনুষ্কা করেছেন অনুষ্কা, তাতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার শুটিং পর্ব আপাতত শেষ হয়েছে। এখন ছবির মুক্তির অপেক্ষায় আপামর বাঙালি সহ সিনেমা প্রেমী ভারতবাসী।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুজো কার্নিভাল-২০২২ বর্ধমানে উদ্বোধনে বলিউডি অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে, উপচে পড়া ভিড়

মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দুর্গাপুজোর শেষে বিসর্জনের কার্নিভাল শুরু জেলায় জেলায়। চারদিনের জমজমাট পুজোর শেষে রাজ্য জুড়ে আবার উৎসবে মেতেছে আবাল-বৃদ্ধা-বনিতা। পুর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরেও চলছে কার্নিভাল। এই কার্নিভালের উদ্ধোধন করেন বলিউডের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে। ফিতে কেটে তিনি কার্নিভালের শোভাযাত্রার সূচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভারাপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, প্রধান উদ্যোক্তা বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি দেবু টুডু, অতিরিক্ত জেলাশাসক সুপ্রিয় অধিকারী, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার এছাড়াও জেলার অন্য বিধায়করা, প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক, জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষরাও ছিলেন। কার্নিভালে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিচ্ছেদের গুঞ্জন ওড়ালেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা

শেরশাহ ছবির হাত ধরেই তাঁদের প্রেম শুরু। কিন্তু কয়েক মাস আগে জল্পনা উঠেছিল তাদের প্রেম নিয়ে। দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদের খবরও প্রকাশ্যে এসেছিল। কিন্তু সব জল্পনা দূরে সরে গেল। পরিচালক করণ জোহরের সৌজন্যে এক হচ্ছেন কিয়ারা আডবানী ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তাঁর জন্মদিনের পার্টিতেই বিচ্ছেদ ভুলে একে অপরের কাছে এসেছিলেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। এবার জনসমক্ষেও ধরা দিলেন তাঁরা। ২৪ জুন বড়পর্দায় মুক্তি পাবে কিয়ারা ও বরুণ ধাওয়ান অভিনীত যুগ যুগ জিও। সেই ছবির প্রদর্শনীতে গিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। একসঙ্গে ছবি পোস্ট না করলেও, ভক্তদের সঙ্গে তাঁদের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্পর্কের কথা এখনও সর্বসমক্ষে স্বীকার করেননি তারকা জুটি। তাই বিচ্ছেদ এবং সম্পর্কে ফিরে আসার কথাও গোপন রেখেছেন। কিন্তু গোপন কথাটি শেষপর্যন্ত গোপন আর থাকল না। ছবির প্রদর্শনীতে দেখা গেছে করণ জোহরকেও। কিন্তু তারকা জুটির ছবি ভাইরাল হতেই ভক্তদের প্রশ্ন, কবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তাঁরা? আগামী ছবির কাজে দুজনেই ব্যস্ত। তার মাঝেই নাকি একসঙ্গে অবসর কাটাতে দেখা যায় তাঁদের। শোনা যাচ্ছে, শুটিং শেষে বিদেশে লম্বা ছুটি কাটাতে যাবেন দুজনে। এরপরই নাকি বিয়ের ঘোষণা করবেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। তার অপেক্ষাতেই রয়েছেন ভক্তরা।

জুন ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় বিউটি পেজেন্টে বলি তারকা আরবাজ খান

বিউটি পেজেন্টের ফাইনালে হাজির থাকতে কলকাতায় বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক আরবাজ খান।আরবাজ খান, বাঙালি মেগাস্টার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কলম্বাস ডিজিপ্লেক্স-এর উদ্যোগে জিও কিং অ্যান্ড কুইন মিস্টার/মিসেস এবং মিসেস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সিজন-২-এর মেগা ফাইনাল ইভেন্ট আয়োজিত হল।সংস্থার মুখপাত্র সুকন্যা গুপ্তা বলেন, এই পেজেন্ট সমস্ত আইকনিক পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য ব্যক্তিত্ব, প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস এবং বুদ্ধিমত্তার উপর তাদের স্বতন্ত্রতা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দিতে চেয়েছে। আমরা পুরুষ ও মহিলাদের জন্য অনেক সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছি। আমরা বিশ্বাস করি যে আপনি যদি কোনও কিছুতে খুব উৎসাহী হন তবে কোনও কিছুই আপনাকে উচ্চতায় পৌঁছাতে এবং নতুন মাইলফলক স্থাপন করতে বাধা দিতে পারে না। বয়স একটি সংখ্যামাত্র। আপনার প্রচেষ্টা এবং আপনার লক্ষ্যের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাই গুরুত্বপূর্ণ।মুম্বইয়ের পূজা ব্যাস জিও কুইন মিসেস বিজয়ী হয়েছেন৷ মাস্কাটের নীলম সিং এবং দিল্লির রবিন্দর কৌর যৌথভাবে প্রথম রানার আপ হন। দ্বিতীয় রানার আপ হন বেঙ্গালুরুর শালিনী পারুপুদি এবং দুবাইয়ের মিসেস নেহা সিং গুপ্তা। এঁরা জিওকুইন ইন্টারন্যাশনাল মিসেস গ্লোবাল কুইনের মুকুট লাভ করেন।

মে ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আরবাজের পর এবার সোহেল খানের বিবাহবিচ্ছেদ

বলিউড ভাইজান সলমন খানের বাড়িতে আবারও একটি বিবাহ বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে এল। ২৪ বছরের দাম্পত্যজীবনের ইতি টানছেন সলমন খানের ভাই সোহেল খান। শুক্রবার মুম্বইয়ের পারিবারিক আদালতে স্ত্রী সীমা খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ চেয়ে আবেদন করেছেন সোহেল খান। আদালত সূত্রে এই খবর প্রকাশ করলেও এই প্রসঙ্গে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি।সূত্রটি জানিয়েছে, আজ সোহেল ও সীমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুজনেই একে অপরের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন। সোহেল এবং সীমা ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন এবং তাদের দুই সন্তান রয়েছে। প্রথমজনের নাম নির্বান খান এবং অন্যজন ইয়োহান। ২০১৭ সালে খবর রটেছিল, এই দম্পতি বিবাহবিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছেন।১৯৯৭ সালে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র অজার-এ একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ওই চলচ্চিত্রে তার ভাই সলমন খান এবং সঞ্জয় কাপুর অভিনয় করেছিলেন। এরপর ১৯৯৮ সালের ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র প্যায়ার কিয়া তো ডারনা ক্যা তে সালমান খান এবং আরবাজ খান দুই ভাইকে সাথে নিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন সোহেল। পরের বছর হ্যালো ব্রাদার (১৯৯৯) পরিচালনা করেন। ২০০২ সালে তিনি লেখা, প্রযোজনা, নির্দেশনা দেওয়া এবং বক্স অফিসে গড় আয়ের মে দিল তুঝকো দিয়া চলচ্চিত্রে সর্বপ্রথম অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, কিন্তু কোনওটাই বাণিজ্যিকভাবে সফলতা পায়নি। সোহেল খান ২০০৫ সালের ব্যাবসাফল চলচ্চিত্র ম্যায়নে প্যায়ার কিউ কিয়া? তে অভিনয়ের মাধ্যমে পুনরায় অভিনয়ে ফিরে আসেন। ওই চলচ্চিত্র প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তার ভাই সালমান খান এবং ক্যাটরিনা কাইফ। এর আগে সলমনের ছোট ভাই আরবাজ খানের সঙ্গে মালাইকার বিচ্ছেদ হয়। এবার সোহেলের বিবাহবিচ্ছেদ হল। তিন ভাইয়ের মধ্যে সলমন খান এখনও অবিবাহিত।

মে ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নেশাগ্রস্ত শেহনাজ বার বার টাল খেয়ে সালমানের গায়ে ঢলে পড়ছেন, সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড নায়িকা

ঈদের পার্টি সেরে বেরোনোর পথে সালমানকে প্রায় বগল-দাবা করে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন শেহনাজ। একটি বারের জন্যেও সলমনের হাত ছাড়েননি তিনি। কারনে অকারণে বারংবার জড়িয়ে ধরছেন সাল্লুমিয়া-কে। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করতে দেখা যায়। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে।সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এই ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে ট্রোল্ড হতে শুরু করেন শেহনাজ। তাঁকে সমর্থন করতে ময়দানে নেমে পড়েন তাঁর ভক্তকুল। তির্যক মন্তব্যকারিদের সাথে সমর্থন কারিদের বিভিন্ন বাদানুনাদে জমে ওঠে। ইনস্টাগ্রামে তাঁদের ফ্যান/ফলোয়াররা দুই দলে ভাগ হয়ে লড়াই চালাতে থাকেন।ঠিক কী ঘটেছিল ইদের পার্টিতে?পার্টি থেকে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শেহনাজ গিল। তখন তাঁর সাথে সলমন খানও ছিলেন। শেহনাজকে বলতে শোনা যায়, সেই নাকি সলমনকে দরজা পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। শেহনাজ সলমনকে বলেন, আমায় গাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে এসো। সলমনও তাঁর আবদার রেখে স্মিত হেঁসে শেহনাজের পাশে দাঁড়িয়ে নানা পোজে ছবি তোলেন। সেই মুহুর্তেএকটি বারের জন্যেও শেহনাজ ভাইজানের হাত ছাড়েননি। বারবার নানা আছিলায় সালমানকে আলিঙ্গন করছিলেন। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করেতে দেখা যায়। শেষে সাল্লু-মিয়াঁ মিষ্টি হেসে বাই বলেন সিদ্ধার্থের প্রাক্তন প্রেমিকা। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে তাঁর গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে! গাড়ির কাছে এসে সালমানের গাল টিপে আদর করে শেহনাজ তাঁর নিজের গাড়িতে উঠে পড়েন। সালমন ও শেহনাজের দিকে তাকিয়ে সম্মতি সুচক স্মিত হাসি উপহার দেন।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অমিতাভ বচ্চনকেও একসময় অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল, জানুন সেই যন্ত্রণার কাহিনী

অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর পরিবার অর্থাৎ বচ্চন পরিবারকে নিয়ে আলোচনা কম হয় না। বচ্চন পরিবারের আভিজাত্য নিয়ে চর্চা হয় নিয়মিত। কিন্তু তাদেরই একসময় অনেক অর্থকষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে অভিষেক বচ্চন নিজে সেই যন্ত্রণার কথা শোনালেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক জানান, তিনি তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন তখন হঠাৎই জানতে পারেন বাড়ির আর্থিক অবস্থা শোচনীয়। দুবেলা খাবার জোটাতে নাজেহাল হতে হচ্ছে তাঁর বাবাকে। সেই পরিস্থিতিতে অভিষেকের পড়াশোনা করার ইচ্ছাটাই চলে যায় বিগ বি-কে বলেন, বাবা, আমি চলে আসছি। তোমার পাশে থাকতে চাই। তুমি নিজেকে একা মনে কোরো না, আমি আছি।অমিতাভ আপত্তি করলেও বাবার পাশে দাঁড়াতে দেশে ফিরে আসেন অভিষেক। অর্থনৈতিকভাবে বাবাকে সাহায্য না করতে পারলেও মানসিকভাবে তাঁর পাশে দাঁড়ান।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার শিকার অভিনেত্রী রিমি সেন, অভিযোগ দায়ের করলেন পুলিশ স্টেশনে

আর্থিক প্রতারণার সম্মুখীন হলেন বলিউড অভিনেত্রী রিমি সেন। বিনিয়োগের নামে প্রতারণার শিকার জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক রাজা সেনের মেয়ে এই অভিনেত্রী। মুম্বইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন রিমি। এএনআই সূত্র মারফৎ জানা গেছে, এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চার কোটির বেশি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন। রিমির অভিযোগ, নতুন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করার জন্য ওই ব্যবসায়ীকে টাকা দিয়েছিলেন। পরিবর্তে ভালো রিটার্নের আশ্বাসও দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু বর্তমানে আর্থিক প্রতারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম রৌনক যতীন ব্যাস। রিমি তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন, বছর তিনেক আগে মুম্বইয়ের এক জিমে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। এরপরই বন্ধুত্ব। অভিনেত্রীর দাবি, তিনি ওই ব্যবসায়ীর নতুন ব্যবসায় ৪.১৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। পরিবর্তে অভিনেত্রীকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ রিটার্নের আশ্বাস দেন ওই ব্যবসায়ী।অভিযোগ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রৌনকের কাছ থেকে কোন টাকা ফেরত পাননি তিনি। একাধিকবার তাকে কল করলেও অভিনেত্রীর ফোনকল উপেক্ষা করতে থাকেন ওই ব্যবসায়ী। এরপরই ফোন বন্ধ আসে। বেশ কিছুদিন পেরিয়ে যেতেই অভিনেত্রী বুঝতে পারেন, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী কোনও নতুন ব্যবসা শুরু করেননি। পাশাপাশি তিনি বিনিয়োগ করা টাকাও ফেরত পাননি।এরপরই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান হাঙ্গামা খ্যাত এই অভিনেত্রী। মুম্বইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে ওই ব্যবসায়ীর নামে এফআইআর দায়ের করেন রিমি। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ এবং ৪০৯ ধারায় মামলা হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের সন্ধান চলানো হচ্ছে। গোটা বিষয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিলেতে ফের ‘দাদাগিরি’! ব্যাট হাতে মাঠে সৌরভ, সঙ্গী ব্রায়ান লারা—বাকিংহাম প্যালেসে বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচ

কলকাতা: ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। ফের ব্যাট হাতে ক্রিকেটের বাইশ গজে দেখা যেতে চলেছে মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক নয়, একটি বিশেষ চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নিতে চলেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। আর সেই ম্যাচের মঞ্চও যে কোনও সাধারণ ক্রিকেট মাঠ নয়লন্ডনের ঐতিহাসিক বাকিংহাম প্যালেস।জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর আগেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের ব্যাট হাতে দেখা যেতে পারে সৌরভকে। এই বিশেষ ম্যাচে তাঁর সঙ্গে মাঠে নামার কথা রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার ব্রায়ান লারারও। ফলে দুই ক্রিকেট কিংবদন্তিকে একই ম্যাচে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনায় ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলে তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ।প্রিন্স অব ওয়েলস প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিনের আমন্ত্রণেই এই বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নিতে লন্ডনে যাচ্ছেন সৌরভ। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ক্রিকেটের মাধ্যমে একটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বার্তা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ম্যাচে খেলার জন্য সৌরভের সম্মতি পাওয়ার পরই প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের কমিউনিকেশন সেক্রেটারি লি থম্পসন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সৌরভের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় অনুষ্ঠানের গুরুত্বও আরও বেড়েছে।তবে ম্যাচটি ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে, সৌরভ ও লারা ছাড়াও আর কোন কোন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারকে মাঠে দেখা যাবে, কিংবা ম্যাচের ফরম্যাটই বা কী হবেএই মুহূর্তে তার কোনওটাই চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়নি। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ক্রিকেটজীবনে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তাঁর একাধিক স্মরণীয় অধ্যায় তৈরি হয়েছে। এবার সেই বিলেতেই ফের ব্যাট হাতে তাঁকে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নস্টালজিয়ায় ভাসছেন তাঁর অনুরাগীরা।আর প্রতিপক্ষ বা সতীর্থদের তালিকায় যদি ব্রায়ান লারার মতো কিংবদন্তির নাম থাকে, তাহলে সেই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যে আরও কয়েক গুণ বাড়বে, তা বলাই যায়। এখন শুধু অপেক্ষা আগামী সপ্তাহের ঘোষণারকবে, কীভাবে এবং কার কার সঙ্গে ফের ক্রিকেটের মঞ্চে দেখা যাবে দাদাকে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
বিদেশ

একদিকে বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে আকাশপথের জট! রূপপুরের ইউরেনিয়াম নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের?

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়েছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার পরে ফের শুরু হয়েছে এই জ্বালানি সরবরাহ। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় পৌঁছনোর কথা। এরপর কড়া নিরাপত্তায় ইউরেনিয়াম পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা ছিল একটি বিশেষ কার্গো বিমানের। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় সেই যাত্রা পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশের এক মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ে বিমানটি আসতে পারেনি। পরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিমান চলাচলের অনুমতি এবং রুট সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।জটিলতা কাটার পরে রাশিয়া বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি পাঠানোর ব্যবস্থা করে। রুশ পরমাণু সংস্থা রসাটম জানিয়েছে, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একাধিক বিশেষ কার্গো বিমানে ধাপে ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছবে।বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট নয়টি চালানে রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছনোর কথা। এর মধ্যে সাতটি চালান দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এবং দুটি চালান প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার হবে। রসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। দুই ইউনিট মিলিয়ে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট। রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি এই প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি ধাপে ধাপে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।পাকিস্তানের আকাশসীমা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিয়ে বাংলাদেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বিমান চলাচল সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। শেষ পর্যন্ত জট কাটিয়ে রাশিয়া থেকে রূপপুরের জন্য জ্বালানি পাঠানো শুরু হওয়ায় প্রকল্পের পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

গান্ধী জয়ন্তীতেই বিরাটিতে তাণ্ডব! বামেদের মঞ্চ ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আক্রান্ত দীপ্সিতা—কাঠগড়ায় বিজেপি

গান্ধী জয়ন্তীর দিন বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বণিক মোড়ে সিপিএমের সভা চলাকালীন মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় ব্যানার ও ফ্লেক্স। এমনকি গান্ধীর ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েক জন বাম কর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। এক কর্মীর চোখেও গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই এই হামলা চালিয়েছে। তাঁদের দাবি, সভা চলাকালীন আচমকা কয়েক জন সেখানে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। মঞ্চ, চেয়ার ও অন্যান্য সামগ্রী ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট ও চেয়ার ছোড়ার অভিযোগও তুলেছে সিপিএম।শুক্রবার বিরাটির বণিক মোড়ে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বামেদের সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অশান্তি শুরু হয়। সভাস্থলে ভাঙচুরের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।সিপিএমের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই ভাঙচুর চললেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাম কর্মীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতিও তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এই ঘটনার পর সরব হন সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধর। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে সভায় গণ্ডগোল করা হয়েছে এবং বাম কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলা কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। এক কর্মীর চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দীপ্সিতা বলেন, মঞ্চ ভেঙে দিলেও ওই জায়গাতেই ফের সভা হবে।তবে সিপিএমের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নন। তাঁর দাবি, সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ফলে বিরাটির এই ঘটনায় হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।গান্ধী জয়ন্তীর দিনে বিরাটির বণিক মোড়ে বামেদের সভা ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন তদন্তের দিকেই নজর। মঞ্চ ভাঙচুর, কর্মীদের আহত হওয়ার অভিযোগ এবং পুলিশের ভূমিকাসব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

"২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি! রিপোর্ট রয়েছে!" নন্দীগ্রাম থেকে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় পায়ে চোট নিয়ে হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ভাঙা পায়ে খেলা হবে স্লোগান। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকেই মমতার সেই চোট নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দুর দাবি, ২০২১ সালের ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচার হয়নি। তাঁর কথায়, সামান্য চোট লেগেছিল। পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে তিনি প্রচার করেছিলেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছে এই দাবির সমর্থনে নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেই নথি প্রকাশ করার চ্যালেঞ্জও দিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরুলিয়া বাজারের সভা থেকেই ২০২১ সালের সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, গাড়ির দরজা একটি লোহার বিমে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসে মমতার পায়ে লাগে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই চোট পেয়েছিলেন মমতা। তবে পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।শুভেন্দু আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের নথিতে মমতার পায়ে ফ্র্যাকচার না থাকার কথা লেখা রয়েছে। সেই নথি তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজন হলে চ্যালেঞ্জের মুখে সেই কাগজ দেখিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।তবে এই বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্যকে তাঁর রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০২১ সালের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে সে সময় নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে এসেছিল। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া রিপোর্টেও ওই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ার কথা উঠে এসেছিল।এ দিনের সভায় নিজের বিধায়ক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছিলেন তিনি। পরে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন।শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরের আসন তিনি ছাড়েননি, কারণ সেখানে মমতা ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন বলে তাঁর দাবি। নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর পরেই দুর্নীতি প্রসঙ্গেও ফের আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সুমিত রায়-সহ কয়েক জনের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম করেননি তিনি। ফলে বড় চোর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই সভা থেকে ২০২১ সালের পায়ের চোট এবং দুর্নীতিদুই পুরনো প্রসঙ্গ সামনে এনে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে তাই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে আটক অতিশী-সৌরভরা, মুম্বইয়ে শাবানা আজমি! জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কী হচ্ছে দেশজুড়ে?

দিল্লি ও মুম্বইদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরে একই দিনে জোরালো বিক্ষোভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ একাধিক সংগঠন। দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে পাঁচশোর বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা জেল ভরো আন্দোলনেও জড়ো হন বহু মানুষ।দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এই কর্মসূচিতে আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী, সৌরভ ভরদ্বাজ এবং সঞ্জয় সিং-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা অংশ নেন। তাঁদেরও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিক্ষোভের আগে নয়াদিল্লি এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। অনুমতি ছাড়া জমায়েত, মিছিল ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ। যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথেও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল।অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে জেল ভরো আন্দোলন হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং তালিকায় পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অভিজিৎ দীপকের দাবি, আন্দোলন থামবে না যতক্ষণ না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে। তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার চ্যালেঞ্জ জানান। পুলিশ অবশ্য শিবাজি পার্কে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে।এই আন্দোলনে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি। পরে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ এবং গায়ক বিশাল দাদলানিকেও মুম্বইয়ের কর্মসূচিতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মুম্বইয়ের আন্দোলন আরও নজর কেড়েছে।দিল্লি ও মুম্বইয়ের এই দুই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এক দিকে দিল্লিতে পুলিশের ধরপাকড়, অন্য দিকে মুম্বইয়ে জেল ভরো আন্দোলনএকই দিনে দুই শহরের এই ছবি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

নাম নিলেন না শুভেন্দু, তবু ‘বড় চোর’ নিয়ে কেন এত জল্পনা? নন্দীগ্রাম থেকে বড় বার্তা

বড় চোরও জেলে যাবে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রচারসভা থেকে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। সুমিত রায়ের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তোলার পরই বড় চোর নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুমিত রায়-সহ সব চোর জেলে গিয়েছে। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, বড় চোর কবে যাবে? তাঁর দাবি, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যের সময় তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নেননি। ফলে কাকে ইঙ্গিত করে তিনি এই কথা বলেছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।নন্দীগ্রামের এই প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, দলটির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই কেন্দ্রেই জয় পাওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে ফের উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।শুভেন্দুর বড় চোর মন্তব্যের পর বিরোধী শিবির থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই ধরনের মন্তব্যকে নির্বাচনী বক্তব্য বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত।অন্য দিকে কুণাল ঘোষও শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মদন মিত্র আবার পাল্টা মন্তব্য করে বলেছেন, শুভেন্দু কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেছেন, তা সামনে আসতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে করা মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ছে।তবে বড় চোর বলতে শুভেন্দু অধিকারী ঠিক কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা তিনি প্রকাশ্যে জানাননি। ফলে নন্দীগ্রামের প্রচারসভা থেকে তাঁর এই মন্তব্য আপাতত জল্পনার বিষয় হয়েই থাকছে। উপনির্বাচনের আগে এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বক্সায় আজ বাঘিনির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! কখন ছাড়া হবে, সামনে এল পুরো আয়োজন

অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুক্রবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হবে বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা তিন বছরের বাঘিনীকে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তাকে বিশেষ এনক্লোজার থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।বাঘিনীকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বক্সায়। জঙ্গলের নির্দিষ্ট এলাকায় তাকে ছাড়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। বক্সায় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। সেখানে জায়ান্ট পর্দায় বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।তবে মুক্তির আগে বাঘিনীকে নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। রেডিয়ো কলার নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে ফের ঘুমপাড়ানি ওষুধ দিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর রেডিয়ো কলার ঠিক করে দেওয়া হয়। বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বাঘিনী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও জানিয়েছেন, শুক্রবার বাঘিনীকে কোনও রকম চাপ দেওয়া হবে না। এনক্লোজারের দরজা খুলে রাখা হবে। নিজের ইচ্ছেমতো সে জঙ্গলে বেরিয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে নতুন পরিবেশের সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাঘিনী।বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে বাঘিনীটিকে বিশেষ ব্যবস্থায় বক্সায় আনা হয়েছে। বাঘের সংখ্যা বাড়ানো এবং বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী আবাস গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাঘিনীটির গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার উপর রেডিয়ো কলারের মাধ্যমে নজর রাখা হবে।বৃহস্পতিবারই বক্সায় পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে বন্যপ্রাণ পর্যটনেরও প্রসার ঘটতে পারে। সুন্দরবনের পাশাপাশি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পেও বাঘকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও-সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে মন্ত্রী ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হবে বড় অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই জায়ান্ট পর্দায় দেখা যাবে বক্সার জঙ্গলে বাঘিনীকে মুক্ত করার মুহূর্ত।বহু বছর পর বক্সার জঙ্গলে বাঘ ফেরানোর এই উদ্যোগকে ঘিরে তাই উত্তরবঙ্গে উৎসাহ তুঙ্গে। বিহার থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বক্সায় পৌঁছনোর পর আজ সেই বাঘিনী প্রথম বার নিজের নতুন জঙ্গলে পা রাখবে। এখন নজর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের দিকেই।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পারভিনের চার বছরের অপেক্ষার অবসান! চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সোনা

তিরন্দাজির পর বক্সিং রিংয়েও ভারতের জয়জয়কার। এশিয়ান গেমসে একের পর এক সোনা আসছে ভারতীয় বক্সারদের হাত ধরে। শুক্রবার সকালে লভলিনা বরগোহাঁই সোনা জেতার পর এ বার সেই তালিকায় যোগ হল পারভিন হুডার নাম। চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মহিলাদের ৬৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন তিনি।পারভিনের এই জয় আরও বিশেষ। একই এশিয়ান গেমসে প্রথম বার ভারতের দুই মহিলা বক্সার সোনা জিতলেন। লভলিনার পর পারভিনও সোনার পদক জেতায় ভারতীয় বক্সিংয়ে তৈরি হল নতুন নজির।তবে পারভিনের এই সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। কয়েক বছর আগে এশিয়ান গেমসেই পদক জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ডোপ পরীক্ষার ফলের কারণে সেই পদক কেড়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর তাঁর কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে। প্যারিস অলিম্পিকেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি তিনি।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে তৈরি করেছেন পারভিন। প্রচারের আড়ালে থেকে কঠোর অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়েও সব কিছু তাঁর পক্ষে যায়নি। কমনওয়েলথ গেমসে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে।তবে সেই সব হতাশা পিছনে ফেলে শুক্রবার বক্সিং রিংয়ে নামেন পারভিন। শুরু থেকেই চিনা প্রতিপক্ষ চেন নিয়েন চিনের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জিতে সোনা নিশ্চিত করেন ভারতীয় বক্সার।পারভিনের এই সোনা তাই শুধু একটি পদক নয়, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কঠিন প্রত্যাবর্তনেরও ফল। যে প্রতিযোগিতায় এক সময় পদক জিতেও তা হারাতে হয়েছিল তাঁকে, সেই মঞ্চেই আবার সোনার পদক গলায় তুলে নিজের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন পারভিন।এশিয়ান গেমসের ত্রয়োদশ দিনে ভারতীয় দলও একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে। লভলিনা এবং পারভিনের সোনার পর বক্সিংয়ে ভারতের দাপট আরও স্পষ্ট হল।

অক্টোবর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal