• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Birthday

নিবন্ধ

গুরু–শিষ্যের মধুর বন্ধন ও যুবশক্তির আহ্বান, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুবদিবসের প্রাসঙ্গিকতা

ভারতীয় আধ্যাত্মিক ও মননচর্চার ইতিহাসে যে কয়েকটি সম্পর্ক যুগ যুগ ধরে মানবসভ্যতাকে পথ দেখিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ও স্বামী বিবেকানন্দের (তৎকালীন নরেন্দ্রনাথ দত্ত) মধুর গুরুশিষ্য সম্পর্ক। এই সম্পর্ক কেবল আধ্যাত্মিক সাধনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তা মানবকল্যাণ, যুবসমাজের জাগরণ ও জাতিগঠনের এক শক্তিশালী ভিত্তি নির্মাণ করেছিল।সংশয়ী নরেন্দ্র থেকে অগ্নিপুরুষ বিবেকানন্দউনিশ শতকের কলকাতায় পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত, যুক্তিবাদী ও সংশয়ী যুবক নরেন্দ্রনাথ দত্ত ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরে তাঁর আগমন এবং সেখানেই সাক্ষাৎ শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে। নরেন্দ্রনাথের সরাসরি প্রশ্ন আপনি কি ঈশ্বরকে দেখেছেন?এর উত্তরে রামকৃষ্ণদেবের সহজ অথচ দৃঢ় ঘোষণা হ্যাঁ, যেমন তোকে দেখছি, তার থেকেও স্পষ্টভাবেএই একটি কথাই নরেন্দ্রনাথের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ভালোবাসা, শাসন ও বিশ্বাসের অনন্য মেলবন্ধনরামকৃষ্ণদেব নরেন্দ্রনাথের মধ্যে ভবিষ্যতের এক মহান নেতার সম্ভাবনা দেখেছিলেন। কখনও স্নেহে, কখনও কঠোর শাসনে, আবার কখনও নিঃশর্ত বিশ্বাসে তিনি নরেন্দ্রনাথকে গড়ে তুলেছিলেন। নরেন্দ্রনাথও ধীরে ধীরে তাঁর সমস্ত অহং, সংশয় ও ব্যক্তিগত বেদনা গুরুদেবের চরণে সমর্পণ করেন। এই সম্পর্ক ছিল গভীর মানবিকতা ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণযেখানে গুরু শিষ্যকে ঈশ্বরচিন্তায় উদ্বুদ্ধ করেছেন, আবার শিষ্য গুরুর আদর্শকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছেন।রামকৃষ্ণের আদর্শ, বিবেকানন্দের বিশ্বজয়১৮৮৬ সালে রামকৃষ্ণদেবের মহাপ্রয়াণের পর সন্ন্যাস গ্রহণ করে নরেন্দ্রনাথ হলেন স্বামী বিবেকানন্দ। গুরুর বাণীকে পাথেয় করে তিনি ভারতবর্ষের পথে পথে ঘুরে দরিদ্র, নিপীড়িত মানুষের দুঃখ দেখেন এবং উপলব্ধি করেন জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। এই ভাবনাই তাঁকে শিকাগো ধর্মসভায় ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের মুখপাত্র করে তোলে এবং বিশ্বকে নতুন করে ভারতের পরিচয় দেয়।যুবদিবস ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রাসঙ্গিকতাস্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন, ১২ জানুয়ারি, আজ পালিত হয় জাতীয় যুবদিবস হিসেবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তাঁর অদম্য বিশ্বাস আমাকে একশো উদ্যমী যুবক দাও, আমি ভারত গড়ে দেব। যুবসমাজের প্রতি তাঁর আহ্বান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। চরিত্রগঠন, আত্মবিশ্বাস, শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তাএই গুণগুলির মধ্য দিয়েই তিনি যুবকদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের পথে আহ্বান জানিয়েছিলেন।বর্তমান সময়ে যখন হতাশা, মূল্যবোধের অবক্ষয় ও দিশাহীনতা যুবসমাজের একাংশকে গ্রাস করছে, তখন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ নতুন করে পথ দেখায়। তাঁর শিক্ষা বলেনিজেকে বিশ্বাস করো, দেশের জন্য ভাবো, মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করো।রামকৃষ্ণদেব ও স্বামী বিবেকানন্দের সম্পর্ক কেবল একটি গুরুশিষ্যের কাহিনি নয়; এটি এক আদর্শ উত্তরাধিকারের গল্প, যেখানে আধ্যাত্মিক সাধনা সমাজসংস্কারের রূপ নিয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুবদিবস পালন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়যুবশক্তিই জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। সেই শক্তিকে সঠিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে পারলেই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী, মানবিক ও আত্মনির্ভর ভারত।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

রঙ্গোলিতে রঙের জাদু! অভিষেকের জন্মদিনে বিশ্বরেকর্ডের পথে তৃণমূল

আজ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। আর এই দিনটিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে যেন উৎসবের আবহ। কিন্তু এবারের জন্মদিনে যুব তৃণমূলের আয়োজন এমন এক অনন্য নজির গড়েছে, যা সরাসরি বিশ্বরেকর্ডের দৌড়ে।জানা গেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছে ২০ হাজার স্কোয়ার ফিটের এক বিশাল থ্রিডি রঙ্গোলি। রঙে-তুলিতে তৈরি এই রঙ্গোলিটি যেন এক শিল্পমহাকাব্য যেখানে ফুটে উঠেছে অভিষেকের হাসিমুখ, দলের প্রতীক এবং তৃণমূলের অগ্রযাত্রার বার্তা। এই রঙ্গোলি এতটাই বিশাল যে, আকাশ থেকে তাকালেও পুরোটা একসঙ্গে দেখা যায় না।এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় রঙ্গোলি তৈরি হয়েছিল মধ্যপ্রদেশে যার আয়তন ছিল ১৮ হাজার স্কোয়ার ফিট। সেই রেকর্ড এবার ভেঙে দিয়েছে যুব তৃণমূলের এই ২০ হাজার স্কোয়ার ফিটের সৃষ্টিকর্ম। ইতিমধ্যেই এই রঙ্গোলির সমস্ত তথ্য পাঠানো হয়েছে লিমকা বুক অব রেকর্ডস এবং গোল্ডেন বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর কাছে। স্বীকৃতির অপেক্ষায় এখন পুরো যুব তৃণমূল।প্রতি বছরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো হয়। শহর-শহরতলি থেকে জেলা, প্রত্যেক জায়গায় দিনভর চলে নানা সামাজিক কর্মসূচি কোথাও কেক কাটা, কোথাও বিশেষ পুজো, কোথাও রক্তদান শিবির। এবারও তার অন্যথা হয়নি। হাজার হাজার অনুরাগী ও কর্মী কলকাতায় এসে জড়ো হয়েছেন প্রিয় অভিষেকদা-কে শুভেচ্ছা জানাতে।দলের এক নেতা বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের প্রেরণা। তাঁর জন্মদিন মানে আমাদের কাছে উদযাপনের দিন, আশার দিন।রঙ্গোলির ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের দাবি, এই সৃষ্টিই এবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেবে। কেউ লিখেছেন এই রঙেই মিশে আছে তৃণমূলের লড়াই, অভিষেকের হাসি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

খেলার ফাঁকে দিদার হাতের খিচুড়ি-পাঁপড়! বেহালা ফ্রেন্ডসের অনুষ্ঠানে সৌরভের অজানা অধ্যায়

খিচুড়ি-পাঁপড় থেকে ফাইভ স্টারের খাবার। বাংলার ক্রিকেটের উত্তরণকে এভাবেই তুলে ধরলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এক অজানা গল্পের মধ্যে দিয়ে। আলিপুরের ধনধান্য অডিটোরিয়ামে, বেহালা ফ্রেন্ডসের ৮৫ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে।সৌরভ বলেন, কলকাতায় রিকশ দেখা যায় ব্রহ্ম সমাজ রোডে। আমার দাদুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বেহালা ফ্রেন্ডসের কর্তাদের সঙ্গে। ছোটবেলায় গরমের ছুটিতে মামার বাড়ি যেতাম। দেখতাম আমার দিদা নিজের হাতে বড়িশা স্পোর্টিং আর বেহালা ফ্রেন্ডসের ক্রিকেটারদের জন্য রান্না করে পাঠাতেন। আমি যখন বড়িশায় খেলি তখনও দিদা রিকশ করে ডেচকিতে খিচুড়ি, পাঁপড় পাঠাতেন। আর এখন দেখি ইডেনে সিক্স বালিগঞ্জ প্লেস, বিজলি গ্রিলের খাবার ক্রিকেটারদের জন্য।বেহালা ফ্রেন্ডসের শীর্ষকর্তা তথা সিএবির অবজারভার কমিটির চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত কুমার মল্লিকের প্রশংসা করে সৌরভ বলেন, বেহালা মানেই ফ্রেন্ডস! শ্রীমন্তদা আমার পাড়ার মানুষ, আমরা ভালো বন্ধু। ওঁর জন্যেই আজ এই ক্লাব এই জায়গায় পৌঁছেছে। দ্বিতীয় ডিভিশন চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলেছে। আরও এগিয়ে চলুক।সৌরভের জন্মদিন ছিল মঙ্গলবার। তবে বুধবারেও এই অনুষ্ঠানে সৌরভকে জন্মদিনের কেক কাটতে হলো। শ্রীমন্ত কুমার মল্লিক মহারাজকে কেক খাওয়ালেন, তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন সৌরভ। এদিন ক্রিকেটারদের সংবর্ধিত করল বেহালা ফ্রেন্ডস। ছিল মনোময় ভট্টাচার্যের মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, বিধায়ক দেবাশিস কুমার, সিএবির ট্যুর ও ফিক্সচার ও টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান সঞ্জয় দাস, আম্পায়ার কমিটির চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সিএবির প্রাক্তন ও বর্তমান একাধিক পদাধিকারী।

জুলাই ০৯, ২০২৫
রাজ্য

ঈশ্বরচন্দ্রর দেখানো পথে বাল্য বিবাহ রোধে শপথ নিল মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ির স্কুল

বাল্য বিবাহ সামাজিক অভিশাপ। এই সামাজিক অভিশাপ দূর করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছেন বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগার। মঙ্গলবার তাঁর ২০৪ তম জন্মজয়ন্তীতে তাঁরাই দেখানো পথে ফের একবার বাল্য বিবাহ রুখতে শপথ নিল স্কুলের পড়ুয়ারা। অভিনব এই অনুষ্ঠানটি হয়ে গেল বীরভূমের রামপুরহাট থানার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামের কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ে।কেন্দ্র থাকে রাজ্য সরকার বাল্য বিবাহ রোধে লাগাতার প্রচার করে চলেছে। বাল্য বিবাহের খবর পেলে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিন্তু যে বয়সের মেয়েদের এই প্রবনতা দেখা দিচ্ছে সেই বয়সের মেয়েদেরই এবার বাল্য বিবাহ না করার শপথ গ্রহণ করালেন কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মণ্ডল। সেই সঙ্গে বাড়ি ফিরে বাল্যবিবাহ রোধে তাদের পথে নামার পরামর্শও দেওয়া হলশুরুটা হয়েছিল গতবছর থেকে। গ্রাম্য এলাকায় কম বয়সী-ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। সেইসব দেখে বাল্য বিবাহ রুখতে উদ্যোগ গ্রহন করেন কুসুম্বা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মণ্ডল। গতবছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রথম বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে স্কুলের পড়ুয়াদের শপথবাক্য পাঠ করার আবেদন জানান। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে স্কুলের পড়ুয়া থেকে সহকর্মীরা।মঙ্গলবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৪ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কুসুম্বা হাইস্কুলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগরের একটি আবক্ষ মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয় স্কুলের বাইরে। এদিন সেই মূর্তির উন্মোচন করেন রামপুরহাট বিধায়ক, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পরেই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে স্কুলের পড়ুয়াদের শপথ গ্রহন করালেন প্রধান শিক্ষক সন্দীপ মণ্ডল। অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি শপথ বাক্য পাঠ করান। তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে শপথ নিলেন স্কুলের ছাত্র ও ছাত্রীরা। একই অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের পাশাপাশি স্কুলের ছাত্রদের মাদক দ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকারও শপথ বাক্য পাঠ করালেন বীরভূম জেলা স্কুল পরিদর্শক চন্দ্রশেখর জাউলিয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মাধ্যমিক শিক্ষার অ্যাডহক কমিটির সদস্য প্রীতম হালদার, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক নিখিল কুমার সিনহা, এ আই অফ স্কুল গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।সন্দীপবাবু বলেন, গ্রাম বাংলায় অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা ভাঙতেই আমাদের এই পদক্ষেপ। শুধু শপথবাক্য পাঠ করাই নয়, নিয়মিত ছাত্রীদের বিষয়ে খোঁজ খবর করি আমরা। সেই সঙ্গে সারা রাজ্যে বাল্য বিবাহ রোধের বার্তা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ।এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন জেলা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক চন্দ্রশেখর জাউলিয়া। তিনি বলেন, মাধ্যমিক স্তর থেকে এই বার্তা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পৌঁছে দিতে পারলে বাল্য বিবাহ অনেকাংশে কমবে। কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় ভালো উদ্যোগ নিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
নিবন্ধ

রবিবাসরীয় সাহিত্য বাসরে জমজমাট সাহিত্য চর্চা বর্ধমানে

আজ রবিবার, সপ্তাহান্তের এই ছুটির দিনে বর্ধমানের সাহিত্য প্রেমী মানুষজন মিলিত হয়েছিলেন কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকার জন্মদিন পালনে। ২০১৫ র ২৪ শে সেপ্টেম্বর কবি অতনু নন্দী কয়েকজন কবি, সাহিত্যিক-কে নিয়ে তৈরী করেন এক সাহিত্য প্রতিষ্ঠান। নাম দেন কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকা। গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে হাঁটতে কৈশোর ছাড়িয়ে কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকা আজ কবিতা কুটির সাহিত্য পরিবার হয়ে যৌবনে পদার্পন করেছে। মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে শুরু করে বর্তমানে কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকার সদস্য সংখ্যা ১১০০০!আর এই সেপ্টেম্বর মাসেই শুরু হলো আরও একটি প্রতিষ্ঠানের পথ চলা অরিত্র প্রকাশনী। অরিত্র প্রকাশনী হলো সেই প্লাটফর্ম যেখানে এসে লেখক ও প্রকাশক আত্মীয় হয়ে ওঠেন। আজ বর্ধমানের নান্দুরে কবি মৃত্যুঞ্জয় সরকারের বাসভবন আভোগ এ এক সাহিত্য বাসরের আয়োজন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত নাট্য ব্যাক্তিত্ব ও বর্ধমান ড্রামা কলেজের অধ্যক্ষ শ্রী ললিত কোনার, নাট্য ব্যক্তিত্ব শ্রী রমাপতি হাজারা, বাচিক শিল্পী শ্রীমতি শতরূপা দাস চৌধুরী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকার পরিচালক শ্রী কিঙ্কর বেজ, ইদ্রানী কুন্ডু, সুনন্দা মালাকার ও সাহিত্যিক শ্রী ধনঞ্জয় হাজরা ও হাপিজ মোল্লা সহ আরও অনেকে।আজ প্রাক শারদীয়ার বর্ষণ মুখর দিনে বর্ধমান শহরের অদূরে এক মনোরম পরিবেশে কবিতা পাঠ, শ্রুতি নাটক, সাহিত্য চর্চা সহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক মনোগ্রাহী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকল অতিথি বৃন্দ, কবি, সাহিত্যিকদের কবিতা কুটির সাহিত্য পরিবার ও অরিত্র প্রকাশনীর পক্ষ থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক শ্রী অতনু নন্দী সকলকে অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজ্য

জন্মদিনের পার্টিতে বান্ধবীকে হোটেলে নিয়ে রাতভর যৌন নিগ্রহ, অভিযুক্ত চার বন্ধু সহ ম্যানেজার শ্রীঘরে

বার্থডে পার্টিতে বান্ধবীকে শ্লীলতাহানি। অভিযোগ বন্ধু ও তার তিন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এই ৪ জনকে গ্রেফতার করল চুঁচুড়া থানার পুলিশ। একইসঙ্গে এলাকার এক নামী হোটেলের ম্যানেজারকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত পাঁচজনের বিরুদ্ধেই পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।বুধবার সন্ধ্যায় চুঁচুড়ার কাপাসডাঙ্গার বাসিন্দা যুবক দেবপ্রিয় বিশ্বাস তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে খাওয়ানোর নাম করে চুঁচুড়ারই বাসিন্দা এক স্কুলপড়ুয়া বান্ধবীর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছিল। এরপর ওই বান্ধবীকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় চুঁচুড়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি হোটেলে। সেখানে তখন তার তিন বন্ধু আগে থেকেই হাজির ছিল। ওই হোটেলেই রাতভোর ওই চার বন্ধু ওই নাবালিকাকে যৌননিগ্রহ করে বলে অভিযোগ।গভীর রাত অবধি মেয়ে বাড়ি না-ফেরায় চিন্তিত হয়ে নাবালিকার অভিভাবকরা চুঁচুড়া থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পরদিন ভোরে চুঁচুড়া শহরের বহু পরিচিত একটি হোটেল থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্কুলপড়ুয়া নাবালিকা পুলিশকে জানায়, তাঁর পূর্বপরিচিত বলেই দেবপ্রিয়র জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিল। কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে এইভাবে অসভ্যতা করা হবে, সেটা সে ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি।ওই নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালেই দেবপ্রিয় বিশ্বাস-সহ তার তিন বন্ধু সৌম্যদীপ পাত্র, দেবরাজ দাস এবং নিবারণ বালাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের চুঁচুড়া আদালতের বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। নাবালিকার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। যে হোটেলে যৌননির্যাতন করা হয়েছিল, সেই হোটেলের ম্যানেজার গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকেও গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধেও পকসো আইন লাগু হয়েছে। হোটেলের ঘর ভাড়া নিয়ে কোনও নিয়ম মানেনি ম্যানেজার।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩
নিবন্ধ

হৃদয়ছোঁয়া প্রীতি বার্তার সুগন্ধী বাতাস

অনেক শহর গ্রাম ছাড়িয়ে অনেক দূর সে গ্রাম, কেউ জানো কি তার নাম? সে গ্রামের আজব খবর কানে আসে;সেখানে মানুষ নাকি মানুষ পেলেই ভালোবাসে এমন আজব এক গ্রামেই ঢুকে পড়েছিলাম বছর দশেক আগে; রবাহুত অনভ্যস্ত পায়ে থমকে, থেমে দ্বিধান্বিত চোখে এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে। সে এক ভুবনভরা গ্রাম বিশ্বজোড়া ফাঁদ পাতা তার কেমনে দিই ফাঁকি!সেই ফেসবুক-গ্রামে এলোমেলো ঘুরতে ঘুরতে খুঁজে পেলাম কত গ্রামছাড়া রাঙামাটির পথ পায়ে পায়ে সন্ধ্যার ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরে আসার কত শহুরে সড়ক কত স্থিতপ্রজ্ঞ জীবন রসিকের সুললিত কলম কত বরাননা-র মায়াবী মন-উদ্ভাস এত আলো এত আকাশ যা আগে বোধ হয় কখনও দেখি নি, চোখেও পড়ে নি! আমার ফেসবুকীয় বান্ধবসমাজ কখনো ট্রোলিং শব্দটি জানতে দেন নি আমায়, বরং ভালোবাসা-সমাদর-প্রেরণার জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন বরাবর!সেই প্রীতি ও শুভেচ্ছার বাঁধভাঙা ঢেউ প্রতি বছর সুনামি হয়ে আছড়ে পড়ে আজ, এই আঠাশে আগস্টের ভাদ্রবাসরে। এডিলেড থেকে এডিনবরা, আটলান্টা থেকে আগরতলা ছুঁয়ে অনুরণিত হয় মনহারানো খুশির গুঞ্জন ভালো আছি , ভালো থেকো / আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো!প্রতিবার ভাবি, ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাবো এই আশীর্বাদ-শুভকামনার প্রাপ্তি স্বীকার করে। শুরুও করে দিই সকাল থেকেই; কিন্তু ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-মেসেঞ্জার মিলে হাজারখানেক বার্তার অমিত প্রাচুর্য রণে ভঙ্গ দিতে বাধ্য করে অচিরেই। বুক ভরে নিই হৃদয়ছোঁয়া প্রীতি বার্তার সুগন্ধী বাতাস; মনে ভাবি এই সর্বপ্লাবী ভালবাসাই আগলে রাখবে চিরকাল, সব দুর্দৈব-দুঃখ-দীনতা থেকে।জানি, এ ভুল! ফাগুনের ফুল ঝরে যাবে; একদিন পথের মতো হারিয়ে যাব আমিও, নদীর মতো আর আসবো না ফিরে। এ পায়ের চিহ্ন আর পড়বে না পৃথিবীর পথে। সেদিনও ফুল্লকুসুমিত হবে তরুশাখা দুঃসাহসের ডানা মেলে দূরে দূরে উড়ে যাবে চঞ্চল পাখিরা ভাদ্রের নীলাকাশে ভাসবে সাদা মেঘের ভেলা ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলবে অনাগত দিনসেই আগামীর স্বপ্ন বুকে নিয়ে পেরিয়ে যাই আরো এক আঠাশে আগস্ট বন্ধুদের শুভেচ্ছা-ভালোবাসা শারদ শিশিরের মতো মৃদু মোলায়েম মায়ায় অভিসিঞ্চিত করে রাখে সেই উজ্জ্বল দিন!ভালো থেকো বন্ধুরা কাছে.. দূরে.. যে যেখানে আছো। আমার মনোজগৎ প্রসারিত করো আরো, তোমাদের স্মৃতি-সত্ত্বা-ভবিষ্যতের মায়াজাল বুনে। প্রৌঢ়ত্ব পীড়াদায়ক না হয় যেন, ক্ষুদ্রতা যেন স্পর্শ না করে হৃদয়-চেতন-মননকে!কাছে থাকো। ভয় করছে। মনে হচ্ছেএ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়। ছুঁয়ে থাকো।শ্মশানে যেমন থাকেন দেহ ছুঁয়ে একান্তস্বজন। এই হাত, এই নাও হাত।এই হাত ছুঁয়ে থাকো, যতক্ষণকাছাকাছি আছো, অস্পৃষ্ট রেখো না।ভয় করে, মনে হয়, এ মূহূর্ত বুঝি সত্য নয়।যেমন অসত্য ছিল দীর্ঘ গতকাল।যেমন অসত্য হবে অনন্ত আগামী।পাণিগ্রহণ (নবনীতা দেবসেন )।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বাংলা পক্ষের উদ্যোগে বাংলা জুড়ে পালিত হল বাঙালীর 'শিক্ষক দিবস'

আমাদের সকলেরই জানা ডঃ সর্বপল্লীরাধাকৃষ্ণনের জন্মদিন কেই সারা ভারতে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর জাগরণের জন্য সদা লড়াই করে চলা বাংলা পক্ষ আজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন কে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করার ডাক দিয়েছিল। তাদের দাবী, বাঙালি জাতির শিক্ষক বিদ্যাসাগরের জন্মদিন ২৬ এ সেপ্টেম্বরই হল বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস। সেই কারনেই বাংলা পক্ষের উদ্যোগে আজ সারা বাংলা জুড়ে প্রত্যেক জেলায় বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস পালন করল বাংলা পক্ষ। এই উদ্যোগ তারা শুরু করে ৫ বছর আগে, ২০১৭ র ২৬ এ সেপ্টেম্বর প্রথমবার বাংলা পক্ষ শিক্ষক দিবস পালন শুরু করে। তাদের দাবী, আজ বাংলার অনেক স্কুলেই শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। তারা মনে করে, প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে বাংলা পক্ষর দাবি, আবেদনে সাড়া দিচ্ছে বাঙালি। আমরা গর্বিত জাতির মহাপুরুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সম্মান জানাতে পেরে।আজকে শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়িতে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে বাংলা পক্ষের সমর্থকেরা, নদীয়া বাংলা পক্ষের তরফে এক অঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়, কলকাতার যোধপুর পার্কে সূর্যসেন হলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, দক্ষিণ দিনাজপুরে খাঁপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দুর্গাপুরে সুরেন্দ্রচন্দ্র মর্ডান স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কিশোর ভারতী বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হুগলীতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান সহ বাংলার নানা প্রান্তে মহা সমারোহে বাঙালীর শিক্ষক দিবস পালিত হয়। উল্লেখযোগ্য, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা শাখার পক্ষ থেকে বিদ্যাসাগরের জন্মভিটা বীরসিংহে গিয়ে শিক্ষক দিবস পালন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বাস স্ট্যান্ডে শিক্ষক দিবসের মিছিল ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, আমরা ২৩ টি সাংগঠনিক জেলায় একজন করে মহান শিক্ষক কে (যিনি শিক্ষার প্রসারে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন) বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মাননা য় ভূষিত করতে পেরে আমরা গর্বিত।তিনি আরও বলেন, আমরা আশা রাখি আগামীতে বাংলার প্রতিটা স্কুলে, কলেজে ২৬ এ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস হিসাবে পালিত হবে। আমরা আশাবাদী, বাংলা সরকারও আমাদের আবেদন মেনে ২৬ এ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেবেন। তাঁরা সমাজের বিভিন্ন অংশের যে সমস্ত বিশিষ্টর ব্যক্তি বাংলা পক্ষর এই দাবির সপক্ষে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সকলকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের আশা, আগামী বছর সরকারি ভাবে ২৬ এ সেপ্টেম্বর দিনটিকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস হয়ে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

ডিজে'র সর্টসার্কিটে নাতির জন্মদিনে মৃত্যু দাদু-ঠাকুমা সহ তিন জনের

যমজ নাতি-নাতনির জন্মদিন ছিলো। এলাহি আয়োজন। ডিজে বাজছিলো চটুল গান। শুরু হয়েছে নাচ। ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের গাফিলতির জন্যে মৃত্যু হলো ৩ জনের। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মৃত্যু হল ঠাকুরদা-ঠাকুমা সহ তিনজনের। রবিবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ইটাহার থানার তিলনা সংলগ্ন মোহনবাড়ি গ্রামে। পরিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে মৃতদের নাম বাবলু মুর্মু (৩৫), যুবরাজ মার্ডি (৫৫) ও হোপময়ি সোরেন (৪২)। যুবরাজ ও হোপময়ি সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। অপরজন আত্মীয় । ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মৃত দম্পতির ছেলে গোপাল মুর্মু (২৭)। রায়গঞ্জ থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।এলাকার বাসিন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গোপাল মুর্মুর যমজ ছেলে-মেয়ে তুষার ও নিবেদিতার জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষ্যে বাড়িতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিজে সাউন্ড সিস্টেম বাজানোর জন্য বাড়ির সামনের বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। সন্ধায় ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টির কারণে তার ছিঁড়ে যায়। যারফলে গোটা বাড়িতে শর্ট-সার্কিট হয়ে যায়। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন চারজন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক বাবলু মুর্মু যুবরাজ মার্ডি ও হোপময়ি সোরেন কে মৃত ঘোষণা করেন। গোপাল মুর্মু চিকিৎসাধীন। ঘটনার জেরে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম।এলাকায় অন্ধকার।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ডাবল ডাউন-এ জন্মদিনে দেদার হুল্লোড়, সঙ্গে গান

দু বছর করোনার জন্য জীবন যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল। এখন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস মিলেছে। সকলে করোনার চোখরাঙানি থেকে বেরিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন উপভোগ করছেন। প্রিয় মানুষের সঙ্গে, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি লাইভ ও কাটাচ্ছেন।এমনই এক পানশালা মধ্য কলকাতার শরৎ বোস রোডে। নাম ডাবল ডাউন। মিন্টো পার্কের উল্টোদিকে শরৎ বোস রোডে কয়েক পা এগোলেই আইডিয়াল প্লাজা।দুজনে নিভৃতে বা দল বেঁধে জীবন উপভোগ করতে আসা যায় ডাবল ডাউন লাউঞ্জে। যেমন সুস্বাদু খাদ্যের সম্ভার, তেমন বিশ্বের সেরা সুরার আয়োজন। উপরন্তু লাইভ মিউজিকের ব্যবস্থা। গায়কের সুমধুর কণ্ঠের গানে মেতে তৃপ্তির পেয়ালায় একটি চুমুক যেন স্বর্গীয় অনুভূতি। এখানে গানের চর্চা থাকলে বারের ব্যান্ডে গলাও মেলানোও যাবে। শহরের অনেক সেলিব্রেটির পছন্দের স্থান ডাবল ডাউন।এখানেই শহরের দুই বিশেষ অতিথি লুনা চট্টোপাধ্যায় এবং সুরজিৎ চক্রবর্তীর জন্মদিন পালিত হল। উপস্থিত ছিলেন সকলের প্রিয় ফুডকা। ফুডকার উপস্থিতি পরিবেশটা আরো রঙিন করে তোলে।এর পাশাপাশি ছিল লাইভ মিউজিক। হিন্দি গানে দর্শকদের মুগ্ধ করে লাইভ মিউজিকের সঙ্গে পারফর্ম করা মিউজিশিয়ানরা। দর্শকদের অনুরোধের গানও গাইলেন তারা। পাশাপাশি ছিল কেকে কে শ্রদ্ধা জানিয়ে গানের আয়োজন।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিচালকের জন্মদিনে স্মৃতিমেদুর বন্ধু নীল

আজ পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন অভিনেতা-পরিচালককে। তাঁর জন্মদিনের দিন মুক্তি পাচ্ছে শিবপ্রসাদ মুখার্জি ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ছবি বেলাশুরু। ফলে একটা বাড়তি উন্মাদনা তো রয়েছেই।শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু সুজন নীল মুখার্জি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে পুরনো স্মৃতিতে ফিরে গেছেন নীল। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দুটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে নীল লিখেছেন, শুভ জন্মদিন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়...বন্ধুত্বের হয় না পদবী (১৯৯৪-???) নতুন ছবির জন্য অনেক শুভেচ্ছা। দুটি ছবির মধ্যে একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে ১৯৯৬ সালে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত স্বপ্ন নিয়ে সিরিয়ালে দুজনের অভিনয়ের একটা দৃশ্য। আরেকটি ছবি শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের হামি সিনেমার শুটিংয়ে পরিচালকের সঙ্গে সেলফি।এদিকে উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউসের সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে পরিচালকের জন্মদিনে লাইভ করে কেক কাটার ভিডিও দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। কমেন্ট বক্সে অনেকেই পরিচালককে হার্দিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মে ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে খুশির খবর শোনালেন কৌশানি

মঙ্গলবার ছিল টলিউডের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৩০ বছরে পা দিলেন তিনি। ভক্তদের সঙ্গে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৌশানির কাছের মানুষ, মনের মানুষ বনি সেনগুপ্ত। জন্মদিনে খুশির খবরও দিলেন অভিনেত্রী।বনি ও কৌশানি প্রযোজনা সংস্থা খুলে ফেললেন। প্রযোজনা সংস্থার নাম বি কে এন্টারটেইনমেন্ট। প্রকাশ্যে এসেছে এই প্রযোজনা সংস্থার লোগো ও। কৌশানি জানিয়েছেন বি কে এন্টারটেইনমেন্ট ছবি নির্মাণ করবে হল রিলিজের জন্য। যে কজন মানুষই হলে গিয়ে তাদের ছবি দেখুক না কেন সেটুকুই তার সবচেয়ে বড় সাফল্যতা। বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন এই প্রোডাকশন হাউসের শুরুর কাজে বনি ও কৌশানি দুজনেই অভিনয় করবেন। তবে নতুনদের নিয়েও ভালো কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমা দিয়েই বি কে এন্টারটেইনমেন্ট এর জার্নি শুরু হচ্ছে। তবে আগামী দিনে ওয়েব সিরিজ বানানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বনি ও কৌশানির নতুন জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে খুশির খবর শোনালেন কৌশানি

মঙ্গলবার ছিল টলিউডের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৩০ বছরে পা দিলেন তিনি। ভক্তদের সঙ্গে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৌশানির কাছের মানুষ, মনের মানুষ বনি সেনগুপ্ত। জন্মদিনে খুশির খবরও দিলেন অভিনেত্রী।বনি ও কৌশানি প্রযোজনা সংস্থা খুলে ফেললেন। প্রযোজনা সংস্থার নাম বি কে এন্টারটেইনমেন্ট। প্রকাশ্যে এসেছে এই প্রযোজনা সংস্থার লোগো ও। কৌশানি জানিয়েছেন বি কে এন্টারটেইনমেন্ট ছবি নির্মাণ করবে হল রিলিজের জন্য। যে কজন মানুষই হলে গিয়ে তাদের ছবি দেখুক না কেন সেটুকুই তার সবচেয়ে বড় সাফল্যতা। বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন এই প্রোডাকশন হাউসের শুরুর কাজে বনি ও কৌশানি দুজনেই অভিনয় করবেন। তবে নতুনদের নিয়েও ভালো কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমা দিয়েই বি কে এন্টারটেইনমেন্ট এর জার্নি শুরু হচ্ছে। তবে আগামী দিনে ওয়েব সিরিজ বানানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বনি ও কৌশানির নতুন জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে পালিত বিশ্বকবির ১৬১ তম জন্মজয়ন্তী

সোমবার সারা রাজ্যে মহা সমারোহে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মদিন পালিত হল। কবিগুরু বাংলা ও বাঙালির আবেগ। মানুষের সুখ দুঃখ হতাশা সহ যেকোনও অনুভূতিতেই তাঁর গান আমাদের প্রেরণা। আমাদের চলার পথের পাথেয়। তাঁর কবিতা / গানের ছন্দে ছন্দে বেঁচে থাকার অপার অনুপ্রেরণা। কবির কথায়ঃ- আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে ক্যাথিড্রাল রো তে কবি প্রনামের আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নাট্যকার ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কবি জয় গোস্বামী, সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, আবুল বাসার, কবি সুবোধ সরকার, গায়ক ইন্দ্রনীল সেন সহ অন্যান্য বিশিষ্ঠ জনেরা। বাংলার জেলায় জেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে রবীন্দ্রজয়ন্তী-র আয়োজন করা হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলার এক বেসরকারি স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এবছর একটু ব্যাতিক্রমী ভাবে রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন পালন করল। প্রতিবছর এই বিদ্যালয় সহ রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়েই প্রাতঃকালীন কবি প্রনামের আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রচন্ড দাবদাহের জন্য সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী অকাল গৃষ্মের ছুটি পরে যাওয়াতে তাঁরা কবি প্রনাম আয়োজন করেন সুর্যাস্তের পর।কবি বরণ অনুষ্ঠানসংস্থার প্রানপুরুষ তথা সভাপতি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, দাবদাহের জন্য, রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় হটাৎ করে গরমের ছুটি পড়ে যাওয়াতে আমরা প্রথমে খুব স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ হয়ে পড়ি কচি-কাঁচাদের কথা ভেবে। বিগত দু-বছর তাঁরা করোনার চোখরাঙ্গানীতে গৃহবন্দি ছিল। তাই আমরা বিদ্যালয়ের সকলে বসে ঠিক করি, সুর্যাস্তের পর যদি আমরা অনুষ্ঠানটা করি তাহলে বাচ্চাদের আর গরমে কোনও সমস্যা হবে না।তিনি জনতার কথা কে আরও জানান, ছাত্রদের-ই জন্য বিদ্যালয়, তারা সেখানে উপস্থিত না থাকতে পারলে এ আনন্দে-র কোনও মুল্যই থাকে না। বিদ্যালয় তাঁদের পদধ্বনির অপেক্ষায় থাকে। আজকের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে জ্ঞিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, কোনও একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের কথা বলবো না। ছাত্রদের সকলের অনুষ্ঠান-ই ছিলো মনমুগ্ধকর। কবি প্রনাম আদপে গঙ্গা জলেই গঙ্গা পূজা, কবির কথাতেই বলিঃ-শিশু হবার ভরসা আবারজাগুক আমার প্রাণে,লাগুক হাওয়া নির্ভাবনার পালে,ভবিষ্যতের মুখোশখানাখসাব একটানে,দেখব তারেই বর্তমানের কালে।নৃত্য, সঙ্গীত ও নটকে সাজানো বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান ছিলো জমজমাট। এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তী-তে তাদের থিম ছিল তবু মনে রেখো...। বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে ছাত্রছাত্রী দের নিয়ে বিশ্বকবির অমর সৃষ্টি ডাকঘর নাটক অবলম্বনে একটি ছোট্ট উপস্থাপনা মন ছুঁয়ে যায়। অমলের ঘর থেকে বাইরে আসার আকুল আর্তি মন ছুঁয়ে যায় উপস্থিত দর্শকদের। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুমন নাগ জনতার কথা কে জানান, ডাকঘর নাটকে কবিগুরুর সৃষ্ট এক অমর চরিত্র অমল। অসুস্থ অমলের গৃহবন্দী দশা-য় যে মনকষ্টে ভুগেছে, তা বিশ্ববাসী বিগত দুই বছরে মরমে মরমে বুঝতে পেরেছে। তিনি এক যুগোত্তীর্ণ কবি সাহিত্যিক, সর্বকালে তাঁর রচনা প্রাসঙ্গিক, তিনি শতবর্ষ পুর্বে লিখে গেছেনঃ- আজি হতে শতবর্ষ পরেকে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানিকৌতূহলভরে--আজি হতে শতবর্ষ পরে।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রবিঠাকুরের ১৬১ তম জন্মদিন পালন, নন্দন চত্ত্বরে বিশেষ আয়োজন

আজ ২৫ শে বৈশাখ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মদিন। সারা দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে কবিগুরুর জন্মদিন। রবীন্দ্রনাথ মানে বাঙালির কাছে আবেগ। তাই বাঙালির কাছে ২৫ শের তাৎপর্য অন্যদের তুলনায় বাঙালিদের কাছে একটু বেশিই। সাধারণ মানুষ থেকে তারকা সবাই এই বিশেষ দিনটাকে নিজেদের মতো করে উদযাপন করছে। চলুন দেখে নিই কোন তারকা কিভাবে এই বিশেষ দিনটি সেলিব্রেট করলেন। অভিনেত্রী মৌলী দত্ত নববধূর সাজে কয়েকটি ফটোশুটের সাজে ছবি পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, তুমি রবে নিরবে, হৃদয়ে মম। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী রবিঠাকুরের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, কবিপ্রণাম। সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি অনুষ্ঠান করার কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, বর্ষণমন্দ্রিত। এইভাবে বিভিন্ন তারকারা যেমন নিজের মতো করে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন করেছেন তেমনি এদিন কলকাতার রবীন্দ্রসদন প্রাঙ্গনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া কবিগুরুর ছবি দিয়ে খুব সুন্দরভাবে নন্দন চত্ত্বরটা সাজানো হয়েছে। বাঙালির আবেগের দিনে তাই যেন পুরো পরিবেশটা রবিমুখর হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'মেয়েদের জন্মদিনে চালের পায়েস খাওয়া যাবে না' জন্মদিনে কি বলতে চাইলেন লোপামুদ্রা?

৮ ফেব্রুয়ারি ছিল সঙ্গীতশিল্পী লোপামুদ্রা মিত্রর জন্মদিন। এই জন্মদিন তিনি শান্তিনিকেতনে উদযাপন করলেন। সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। সেই ভিডিওতে ছোটবেলার স্মৃতি থেকে শুরু করে ৫৫ তম জন্মদিন উদযাপনের আনন্দ তাঁর প্রিয় মানুষ থেকে শুরু করে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে লোপামুদ্রা বলেন তাঁর বাড়িতে নিয়ম ছিল মেয়েদের চালের পায়েস খাওয়া যাবে না। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুড়ি অতিথি নিবাসে তিনি এই বিশেষ দিনটি কাটান। তিনি অত্যন্ত অবেগপ্রবন হয়ে পড়েন সেখানকার আতিথেয়তায়, এবং বলেন এটা তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি। সেখানে তাঁকে একেবারে অন্ধকারে রেখে সোনাঝুড়ি অতিথি নিবাসের পক্ষ থেকে তাঁর জন্মদিন একটা সারপ্রাইস দেন চিতুদি। লোপামুদ্রা জানান তাঁর জন্মদিনে চিতুদি চালের পায়েস, পালং শাক, ডাল, পোস্ত, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, খাসির মাংস, ইলিশ মাছ ভাজা ও পাঁপড় বানিয়েছিল জন্মদিনের মেনুতে। তিনি আরও বলেন যে, এরকম আনন্দ তিনি জীবনে বহুদিন পাননি বলেও উল্লেখ করেন।তবে এই ছোট্ট ভিডিওতে নিজের অজান্তেই একটা নীরব প্রতিবাদ বা আক্ষেপও করে বসেছেন। মেয়েদের জন্মদিনে চালের পায়েস খাওয়া যাবে না। এটা যতটা না সংস্কার তাঁর চেয়েও অনেক বেশী পুরুষ-মহিলা ভেদাভেদ। সেই প্রচলন আজও প্রবাহমান। তিনি তাঁর এই বিশেষ দিনে চালের পায়েস খেয়ে নীরবে একটা শ্লেষ ছুঁড়ে দিলেন তথাকথিত পুরুষ শাসিত সমাজের দিকে।ভিডিওর নীচে কমেন্ট বক্সে অনেক কমেন্ট ও আসে। লাজবন্তী রায় লেখেন, শুভ জন্মদিন লোপাদি। খুব ভালো কাটুক তোমার আগামীদিন গুলো। এছাড়া ভারত ও বাংলাদেশ থেকে আরও অনেকের শুভেচ্ছা এই বিশেষ দিনে পেয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অপরাজিতা'র অপু সুস্মিতা'র মধ্যরাতে জন্মদিন পালন

অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকে অপুর চরিত্রে অভিনয় করে যিনি সকলের প্রিয় হয়ে উঠেছেন সেই অভিনেত্রী সুস্মিতা দে অর্থাৎ অপরাজিতা অপুর অপুর জন্মদিন। জন্মদিনের দিন মাঝরাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্থডে সেলিব্রেশনের একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন বার্থডে গার্ল। ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে বাবা, মা ও কাছের মানুষদের সঙ্গে রয়েছেন সুস্মিতা। ব্যাকগ্রাউন্ডে হ্যাপি বার্থডে লেখা। ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে অপু লিখেছেন,মাঝরাতের এই সারপ্রাইজের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি খুবই খুশি।অপুর পোস্টে শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। অভিনেত্রী মৌলী দত্ত, সৌমী ব্যানার্জি, মডেল শালিনী মজুমদার তাঁর পোস্টে ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া এদিন ইন্সটাগ্রামে জন্মদিন উদযাপনের একটি রিলস ও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

নেতাজির স্মরণে রাজ্যে পৃথক যোজনা কমিশন গঠনের ঘোষণা মমতার

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চিন্তাধারাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় যোজনা কমিশনেরর আদলে রাজ্যে পৃথক যোজনা কমিশন গড়ে তোলা হবে। রবিবার নেতাজি জয়ন্তীতে ময়দানে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, নেতাজি যোজনা কমিশনের পরিকল্পনা করেছিলেন। মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে যোজনা কমিশন তুলে দিয়ে নীতি আয়োগ তৈরি করেছে। এই সিদ্ধান্ত লজ্জার । একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আজ ঘোষণা করেছেন, রাজ্যে নেতাজির নামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে। তাঁর নামে বাঁকুড়াতে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। এনসিসির কায়দায় স্কুল-কলেজে তৈরি হবে জয় হিন্দ বাহিনী। মুখ্যমন্ত্রী জানান,আপাতত করোনা পরিস্থিতির জন্য এই বাহিনী গড়ার কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে।শুধু তাই নয়, নেতাজির স্মৃতিতে আলাদা সংগ্রহশালা করার কথা তিনি ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন এবং স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ কর্মসূচি দিচ্ছে। আলিপুর সেন্ট্রাল জেল ঋষি অরবিন্দ যে সেলে দীর্ঘদিন বন্দী ছিলেন, সেখানেও বিশেষ মিউজিয়াম তৈরি করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছে, স্বাধীনতা সংক্রান্ত, নেতাজির জীবন নিয়ে যা যা নথিপত্র রাজ্য সরকারের কাছে ছিল তা সমস্তই প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। সেই সমস্ত তথ্য ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে ২৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং ১৫ থেকে ২১ আগস্ট রাজ্যের সমস্ত স্বাধীনতা সংগ্রামীর মূর্তি ফুল এবং আলো দিয়ে সাজানো হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলার যে সমস্ত এলাকা স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, সেখানে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে। শোনানো হবে সেই ইতিহাস। পাশাপাশি, তাম্রলিপ্ত সরকার গঠনের দিনও উদযাপিত হবে তমলুকে। প্রকাশিত হবে বিশেষ পুস্তিকা। যেখানে স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িত নারীদের নিয়ে তৈরি হবে বিশেষ পুস্তিকা। তৎকালীন সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও বই প্রকাশ করা হবে।এদিন দুপুর ঠিক ১২ টা বেজে ১৫ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী শঙ্খ বাজিয়ে নেতাজির জন্ম মুহূর্তে তাকে শ্রদ্ধা জানান। বেজে ওঠে সাইরেন। মঞ্চে নেতাজির গান গাইতে শোনা যায় নেতাজি পরিবারের সদস্য সুগত বসু ও সুমন্ত্র বসুকে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি নেতাজির পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমর জওয়ান জ্যোতি নিভিয়ে দেওয়া এবং ইন্ডিয়া গেটে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন।শুধুমাত্র মূর্তি বসিয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানানো যায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। নাম না করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন যাঁরা ধর্মের নামে দেশ ভাগ করতে চাইছেন, তাঁদের উচিত নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ পড়ে দেখা। ভাগাভাগি করে, দেশভাগ করে জাতীয়তাবাদ দেখানো যায় না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন তিনি চান,গান্ধীজি কাকে বেশি ভালবাসতেন, তা নিয়ে বিতর্ক হোক। স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হোক দেশপ্রেমের ইতিহাস। একটা অমর জ্যোতি নিভিয়ে দিয়ে, শুধু নেতাজির মূর্তি বসিয়ে সুভাষচন্দ্রকে শ্রদ্ধা জানানো যায় না।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
নিবন্ধ

উপেক্ষিত কবি-নাট্যকার-সুরকার-গীতিকার দিলীপ কুমার রায়

একবার এক গ্রন্থাগারিক দাদা কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,আপনাদের গ্রন্থাগারে দিলীপকুমার রায়ের কী কী বই আছে? তিনি জানতে চেয়েছিলেন, অভিনেতা দিলীপ রায় এর কথা বলছ? তার উত্তরে বলি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গুণী পুত্রের কথা। তিনি বিস্মিয় প্রকাশ করেন, জানতাম না তো!আমিও যে আগে থেকে তাঁর কথা অনেক কিছু জানতাম,তা নয়। কিন্তু যত তাঁকে জেনেছি তত বিস্ময়ে ডুবে গেছি। ক্রমে তাঁর লেখা, তাঁর গান সর্বপরি তাঁর প্রতি একটা টান যেটা পরে ভাললাগা থেকে ভালবাসায় পরিণত হয়েছে।তাঁর জন্ম ২২ জানুয়ারি ১৮৯৭। আজ থেকে ঠিক ১২৫ বছর আগে। এর ঠিক একদিন পরে জন্ম গ্রহন করেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, এঁরা ছিলেন আবাল্য অন্তরঙ্গ বন্ধু। বাবা প্রখ্যাত কবি-নাট্যকার-সুরকার-গীতিকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। মা সুরবালা দেবী। মাত্র ছ বছর বয়সে মাকে হারান। বাবা গত হন ষোলো বছর বয়সে।তিনি কৈশোর থেকেই ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। ম্যাট্রিকুলেশনে একুশতম স্থানাধিকার করেন। তারপর প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অঙ্কে প্রথম শ্রেণীর অনার্সসহ উত্তীর্ণ হয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যান অঙ্কে ট্রাইপস হওয়ার জন্য। ট্রাইপস-এর সঙ্গে সঙ্গে চলে পাশ্চাত্য সংগীতের অধ্যয়ন। জার্মানি আর ইতালি যান গানে আরো পারদর্শী হতে। দেশে ফিরে তালিম নেন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে, আব্দুল করিম খাঁ, ফৈয়জ খাঁ, হাফিজ আলি খাঁ, পন্ডিত ভাতখণ্ডে প্রমুখের কাছে। বাংলা, হিন্দি, ইংরাজি, ফরাসি ও জার্মান ভাষায় কৃতি ছিলেন। আর দক্ষ ছিলেন দেবভাষায়।ছিলেন রবীন্দ্রনাথ, অতুলপ্রসাদ, গান্ধীজি স্নেহধন্য। রোমাঁ রোলাঁ, বার্ট্রান্ড রাসেল, হেরমেন হেস প্রমুখ বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যধন্য। শ্রীঅরবিন্দের দীক্ষিত শিষ্য।দিলীপিকুমার ছিলেন, সুগায়ায়ক, গীত রচয়িতা এবং সুরকার। ভাবলে কষ্ট হয় যে এই এই সুরসুধাকরের বহুপ্ৰসবী সংগীত প্রতিভার কথা, তাঁর সহস্রাধিক গান আজ বাঙালি সংগীত সংসারে উপেক্ষিত। সাদ-ভ্রাম্যমান সন্ন্যাসব্রতধারী রচনা করেছেন অগণিত নাটক, কাব্য, রম্যলেখা, ভ্রমণকাহিনী, অনুবাদ সাহিত্য এবং স্মৃতিচারণ।সেইসব রত্ন ভান্ডার ও সমকালীন আন্তর্জাতিক মনীষীদের সঙ্গে দ্বিরালাপমূলক বই আর পত্র সম্ভার নিয়ে খন্ডে খন্ডে প্রকাশিত হচ্ছে বিচিত্র ও বর্ণময় রচনাবলী।তিনি তিরিশ বছর বয়সে শ্রীঅরবিন্দের কাছে দীক্ষা নিয়ে পন্ডিচেরী আশ্রমে যোগ দেন। শ্রীঅরবিন্দের মহাপ্রয়াণের পর পন্ডিচেরী আশ্রম ত্যাগ করে পুনায় গড়ে তোলেন শ্রীহরিকৃষ্ণ মন্দির।দেওয়ান কার্তিকেয়চন্দ্র রায়ের পৌত্র, কবি ও সংগীতকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সুযোগ্য সন্তান বহুমুখী প্রতিভা, মনন ও মেধাসম্পন্ন চিন্তক, সাধক ও বৈরাগ্যপন্থী, অনন্য গায়ক ও সুরকার, সাহিত্যিক ও ভ্রামণিকের প্রয়াণ হয় ৬ জানুয়ারি ১৯৮০ ।এই বিস্মৃতপ্রায় মহান কে তাঁর ১২৫ তম জন্মদিনে আমার প্রণাম জানাই তাঁরই লেখা দিয়ে...জ্ঞানের অগাধ সিন্ধুতলে যাঁর চিত্ত মীন সমসঞ্চরে সহজে নিত্য; জেনেছে যে প্রাণে প্রিয়তমশুধু তাঁরে - যাঁর দিব্য আলোয় নিখিল বিশ্ব আলো,ধন মান প্রতিষ্ঠার নহে যে প্রত্যাশী; বেসে ভালোঅনন্দময়ের সদানন্দ যে-বিবেকী; নিতি চায়যে সাগ্রহে যোগী যতি ধ্যানী মুনি ঋষির চরণেহতে নত নিরন্তর সরল বিনম্র পিপাসায়;পার্থিব বিলাস,অল্প সুখ ছাড়ি ভূমার বরনেযে-উদাসী অপার্থিব স্পর্শমণি আশে- সঁপি তাঁরশ্রীকরে স্মৃতিচারণ অন্তরের চির জিজ্ঞাসার।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে স্ত্রী কে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা আয়ুষ্মান খুরানার

৩৯-এ পা দিলেন লেখিকা-পরিচালক তাহিরা কশ্যপ। বিশেষ দিনে স্ত্রী কে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানালেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা। ইনস্টাগ্রামে নিজেদের একগুচ্ছ নানান রং ও মেজাজের পুরোনো ছবির মন্তাজ দিয়ে সাজানো একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন আয়ুষ্মান। ভিডিয়োর ব্যাকগ্র্যাউন্ডে বাজছে বড়ে আচ্ছে লগতে হ্যায় গানটি।ক্যাপশনে স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়ে আয়ুষ্মান ফাঁস করেন ২০০১ সালের কোনও এক শীতের দিনে শুখনা লেকের ঘাটের সিঁড়িতে বসে তাহিরের জন্য এই গানটি লিখেছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও জানান যে তাহিরার জন্য লেখা এটিই ছিল তাঁর প্রথম গান। তাহিরার জন্য আয়ুষ্মানের এই ভালোবাসায় মুগ্ধ নেটিজেনরা। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে দুজনকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তারা। শুধু নেটিজেনরাই নন, বলিউড তারকারাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টিসকা চোপড়া রয়েছেন এই তালিকায়। বার্থডে গার্ল কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন আয়ুষ্মান ও তাহিরা তাঁকে কাছে নয়নসুখ এর থেকে কম কিছু নয়। মিকা সিং কমেন্টে লিখেছেন, হ্যাপি বার্থডে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

গোড়ালি জলে শুটিং, তবু মৃত্যু! রাহুল কাণ্ডে নতুন রহস্য, মুখ খুললেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়

একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসছে। শুটিং চলাকালীন আকস্মিক দুর্ঘটনায় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু এখনও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। তালসারির সমুদ্র সৈকতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বয়ান সামনে আসছে। এর মধ্যেই লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নতুন করে রহস্য বাড়িয়েছে।তিনি জানিয়েছেন, যে দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল, তাতে গভীর জলে যাওয়ার কোনও প্রয়োজনই ছিল না। শুধু গোড়ালি পর্যন্ত জলে হাঁটার একটি দৃশ্য ছিল। সেই জায়গা থেকে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কেন রাহুল সমুদ্রের দিকে আরও এগিয়ে গেলেন।একই কথা বলেছেন ধারাবাহিকের কার্যনির্বাহী প্রযোজক শান্তনু নন্দীও। তিনি যদিও দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবে ইউনিটের কাছ থেকে যা জেনেছেন, তা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, মূল শুটিং প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। শুধু একটি ড্রোনে তোলা দৃশ্য বাকি ছিল। সেই দৃশ্যও খুব অল্প জলে হওয়ার কথা ছিল।তিনি জানান, শুটিংয়ের সময় রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রী একটু একটু করে সামনে এগোচ্ছিলেন। ইউনিটের তরফ থেকে তাঁদের বারবার বলা হচ্ছিল, আর এগোতে না। ঠিক সেই সময় হঠাৎ একটি বড় ঢেউ এসে পড়ে। ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই জলে পড়ে যান।এরপরই ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে দ্রুত টেনে তোলা হলেও রাহুল কিছুটা বেশি দূরে চলে গিয়েছিলেন। পরে নিরাপত্তা নৌকায় থাকা কয়েকজন জলে নেমে দড়ির সাহায্যে তাঁকে উদ্ধার করেন।তাঁর কথায়, পাড়ে তোলার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শরীর থেকে জল বের করার চেষ্টা করা হয় এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় পর্যন্ত নাকি রাহুলের জ্ঞান ছিল এবং তিনি কথা বলছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।এই সব ভিন্ন ভিন্ন বয়ান মিলিয়ে পুরো ঘটনাকে ঘিরে ধোঁয়াশা আরও ঘন হচ্ছে। এখন সকলের একটাই প্রশ্ন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

জল থেকে তোলার পরও কি বেঁচে ছিলেন রাহুল? প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে নতুন চাঞ্চল্য

রবিবার ওড়িশার তালসারিতে শুটিং চলাকালীন কীভাবে জলে ডুবে মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। দুর্ঘটনার পর তাঁকে জল থেকে তোলার সময় তাঁর শরীরে প্রাণ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সামনে এল এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, যা নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।অভিনেতার গাড়িচালক বাবলু দাস, যিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তিনি জানিয়েছেন সেই দিনের কথা। তিনি বলেন, রবিবার ভোর থেকেই তালসারির সমুদ্র সৈকতে ধারাবাহিকের শুটিং শুরু হয়েছিল। বিকেলের দিকে যখন দুর্ঘটনা ঘটে, তখন শুটিং প্রায় শেষের পথে। তাঁর কথায়, সেটাই ছিল শেষ দৃশ্যের শুটিং।বাবলুর দাবি, জল থেকে তোলার পর রাহুলকে সমুদ্রের ধারে আনা হয় এবং তাঁর শরীরে ঢুকে যাওয়া জল বের করার চেষ্টা করা হয়। কিছুটা জল বেরিয়েও আসে। সেই সময় নাকি তাঁর শ্বাস চলছিল বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।তিনি আরও জানান, শুটিংয়ের প্রোডাকশন ইউনিটের সদস্যরাই দ্রুত জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রীকে উদ্ধার করেন। তবে কেন শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো গেল না, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে একাধিক তত্ত্ব সামনে আসছে। প্রত্যক্ষদর্শীর এই বয়ান নতুন করে সেই ধোঁয়াশা আরও বাড়িয়ে দিল। এখন সকলেই জানতে চাইছেন, ঠিক কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই বড় ধাক্কা! ইডির জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার

ভোটের প্রচারের মধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করতে গিয়েই তাঁর নাম সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত শনিবার বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই নথিতেই দেবাশিস কুমারের নাম উঠে আসে বলে সূত্রের খবর।এরপরই তাঁকে তলব করা হয়। আজ দুপুরে সল্টলেকে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে, ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর কীভাবে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বেঙ্গল এনার্জি সংস্থা একাধিক জায়গায় বিতর্কিত জমি কিনেছিল। পরে সেই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মামলার তদন্তে নাম উঠে আসায় দেবাশিস কুমারের সঙ্গে ওই সংস্থার কর্তাদের সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য লেনদেন নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে রাহুলের দেব! কী জানালেন প্রিয়াঙ্কা

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিনেতা রাহুলের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। তারপরই তাঁর দেহ নিয়ে রওনা দেন গাড়িচালক, ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যান্য সহকর্মীরা। শেষবারের মতো তাঁকে তাঁর কলকাতার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনাজল পাওয়া গিয়েছে। শুধু ফুসফুস নয়, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি এবং পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চিকিৎসকদের অনুমান, খুব অল্প সময় নয়, বরং বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচে থাকলে এই ধরনের অবস্থা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন অভিনেতা। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ইচ্ছে, বাড়ি থেকে সরাসরি কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোক রাহুলের দেহ। সেই কারণে ভোলা বসু ভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, হয়তো সরাসরি মহাশ্মশানেই নিয়ে যাওয়া হবে।সমাজমাধ্যমে রাহুলের বন্ধু এবং নাট্যপরিচালক জয়রাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দেহ নিয়ে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে, তবে তা নিয়েও এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহ? পাশকুড়া থেকেই কড়া বার্তা মমতার—‘এভাবে বিরোধিতা মেনে নেওয়া হবে না’

প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একাধিক জায়গায় ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে সামাল দিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশকুড়ায় এক সভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, টিকিট না পেয়ে বিরোধিতা করা একেবারেই ঠিক নয়।মমতা বলেন, অনেক জায়গায় আগের প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর কথায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন দরকার। নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। মহিলাদের সুযোগ দিতে হবে, সংখ্যালঘুদেরও জায়গা দিতে হবে। কেউ যদি ভাবেন, সবসময় একাই থাকবেন, তা ভুল। দল সবার জন্য, সবাইকে নিয়েই চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, যারা ভাল কাজ করবেন, তারাই সুযোগ পাবেন। কিন্তু কাজ না করলে দলকে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। তাই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।সংখ্যালঘু প্রার্থী নিয়ে কিছু জায়গায় যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়েও কথা বলেন মমতা। তিনি জানান, কোনও ভেদাভেদ নেই। কোনও প্রার্থীকে শুধু ধর্ম দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, কেউ যেন না ভাবে কোনও প্রার্থী শুধুমাত্র মুসলমান বলেই তাঁকে আলাদা করে দেখা হবে। তাঁর কথায়, তিনি যদি দলের নেতা হন, তবে তাঁর কাছে সব ধর্মের মানুষ সমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনওদিন কি মুসলমানরা তাঁকে ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে বলে প্রশ্ন তুলেছে? যদি না তুলে থাকে, তাহলে সংখ্যালঘু প্রার্থী হলে হিন্দুরা মুখ ফিরিয়ে নেবেন কেন? এতে তাঁরই অসম্মান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি আসনই তাঁর কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দলের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। গত সতেরোই মার্চ তালিকা ঘোষণার পর এই ক্ষোভ সামনে আসে। এবার প্রায় চুয়াত্তর জন বর্তমান বিধায়ককে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেক জায়গায় তাঁদের অনুগামীরা প্রতিবাদে নেমেছেন। কোথাও কোথাও নতুন মুখ বা তরুণ প্রার্থী দেওয়ায় পুরনো নেতারা অসন্তুষ্ট। আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্য এলাকা থেকে প্রার্থী দেওয়ায় বহিরাগত অভিযোগ উঠছে।এর আগেও একই ছবি দেখা গেছে মুর্শিদাবাদের নওদায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার আগে বিক্ষোভ শুরু হয়। ব্লক সভাপতিকে প্রার্থী না করায় তাঁর সমর্থকেরা ক্ষোভ দেখান। চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে সভামঞ্চ থেকেই বিক্ষোভকারীদের কড়া সতর্কবার্তা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করে দলকে চাপে ফেলতে চান, তাহলে দল তা মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, এই বিষয়ে তাঁর কড়া নজর রয়েছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট, সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

ফুলে ঢাকা দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল বিজয়গড়! শেষবারের মতো ‘বাবিন’কে দেখে স্তব্ধ পাড়া

গোটা বিজয়গড় এখন শোকে স্তব্ধ। চারদিকে শুধু কান্নার শব্দ। কেউই যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাঁদের প্রিয় বাবিন আর নেই। এমন দৃশ্য যে দেখতে হবে, তা কোনওদিন কল্পনাও করেননি পাড়ার মানুষ। গত রাত থেকেই ভারী হয়ে ছিল পরিবেশ। আজ সেই নীরবতা ভেঙে চারদিকে শুধুই শোক আর আর্তনাদ।আজ সকালে রাহুলের নিথর দেহ ফিরল তাঁর নিজের বাড়িতে। ফুল দিয়ে সাজানো শববাহী গাড়িতে করে নিজের পাড়ায় ফিরে এলেন তিনি। জীবনের মঞ্চে যিনি নায়ক ছিলেন, তিনি আজ নীরব হয়ে শুয়ে রইলেন সবার সামনে।সকাল থেকেই রাহুলের বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুরাগীরা। একে একে পৌঁছে যান তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী এবং টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, উষসী চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মৈত্র, চৈতী ঘোষাল, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রুকমা রায়ের মতো অনেকেই এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকলের চোখে জল, মুখে একটাই কথাএভাবে বিদায় জানাতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি।রবিবার আচমকা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকে ডুবে যায় টলিউড। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে সবার সামনে তিনি জলে তলিয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সবাই।ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এখনও সরকারি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, তাঁর ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে নোনাজল ঢুকে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বালিও ঢুকে যায় শরীরে। এর ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীরা উত্তর খুঁজছেন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল। শোকের মধ্যেই এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে সবার মনে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

তালসারির শান্ত সমুদ্রে কীভাবে ডুবে মৃত্যু রাহুলের? অনুমতি ছাড়াই শুটিং, উঠছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন

রবিবার, ২৯ মার্চ ওড়িশার তালসারি সমুদ্র সৈকতে শুটিং চলাকালীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুলের। একটি ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়েই এই বিপর্যয় ঘটে। সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।জানা গিয়েছে, ভোলে বাবা পার করবে ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল তালসারিতে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই শুটিংয়ের জন্য আগে থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি সমুদ্রে নেমে শুটিং করারও কোনও অনুমোদন ছিল না। পুলিশের দাবি, প্রোডাকশন টিম এই বিষয়ে প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি।পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনাটি বিকেল প্রায় পাঁচটা তিরিশ মিনিট নাগাদ ঘটে। শুটিং চলাকালীন রাহুল ও তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র হাঁটু সমান জলে নাচছিলেন। হঠাৎই তারা একটি গভীর গর্তে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে দিঘার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু রাহুলকে বাঁচানো যায়নি।এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। ইউনিটের দাবি, খুব অল্প জলে শুটিং হচ্ছিল। কিন্তু সেই অবস্থায় কীভাবে এমন বিপদ হল, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, তালসারি সৈকতে চোরাবালির মতো বিপজ্জনক অংশ রয়েছে। অনেকের অনুমান, সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা জানিয়েছেন, তিনিও জলে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কোনওভাবে তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, রাহুল ভেসে যান। কেন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা গেল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।ঘটনাকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনাও সামনে এসেছে। শুটিংয়ের ম্যানেজার দাবি করেছেন, কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরিচালক জানিয়েছেন, তখনও কিছু দৃশ্যের শুটিং বাকি ছিল। এই পরিস্থিতিতে রাহুল কীভাবে সমুদ্রে এগিয়ে গেলেন, তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত বড় শুটিং ইউনিট থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। লাইফগার্ড বা জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে সমুদ্রের ধারে শুটিং চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।আজ তমলুক মেডিক্যাল কলেজে রাহুলের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর তাঁর দেহ কলকাতায় আনা হবে। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ এবং পুরো বিষয়টি ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal