• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengali Movie

রাজ্য

শতাব্দীকে বিজেপি পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের

আগে বলেছিলেন ফালতু খবর পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের অসভ্যতা দেখতে পেলেন বিদায়ী সাংসদ, বীরভূম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। ক্ষোভের মুখে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। অনুব্রতহীন এই নির্বাচনে চড়া রোদে প্রচারে বেরিয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বিদায়ী সাংসদ।এর আগে অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট বৈতরণী পার করেছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল এবং হুঙ্কারে চওড়া হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কিন্তু এবার অনুব্রতহীন ভোটে একাই পরিশ্রম করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। ফলে ক্ষোভের মুখে পড়ে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন শতাব্দী রায়। সোমবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের আঙুল উঁচিয়ে বলেছিলেন ফালতু খবর করছেন। এবার রামপুরহাট বিধানসভার রামপুর পঞ্চায়েতের বাটের বাঁধ গ্রামে। এদিন দুপুরে গ্রামে ঢুকলে বিজেপির পতাকা নিয়ে শতাব্দীকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরিস্কার জানিয়ে দেন অনুন্নয়নের কারণেই বিজেপির পতাকা ধরেছেন। গ্রামের বাসিন্দা শেখ মইনুল বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল করতাম। কিন্তু ১৫ বছরে আমাদের গ্রামের জন্য শতাব্দী রায় কোন উন্নয়ন করেনি। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই আমরা উনাকে বিজেপির পতাকা দেখিয়ে গ্রামে সম্বর্ধনা জানালাম। আর এখানকার যিনি বিজেপি নেতা রয়েছেন সেই রাজেশ মণ্ডল শুধু ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করে চলেছেন।শেখ সাবের আলি বলেন, আমরা তৃণমূল করে কোন উন্নয়ন পায়নি। শুধু লাথি খেয়েছি। আর একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছি। সেই মামলা আজ আমাদের চালাতে হচ্ছে। গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। আমরা মসজিদের সামনে একটা বাতিস্তম্ভ এবং জলের ব্যবস্থা করার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শতাব্দী রায় বলেন, মজার বিষয় হল যারা বিজেপির পতাকা ধরেছিল তাদের অধিকাংশ বাচ্চা। যারা বিজেপি, তৃণমূল বানানটাও লিখতে পারবে না। আলোর যে অভিযোগ করছে সেটা আমার কাছে জানায়নি। জানালে অবশই আলোর ব্যবস্থা করে দিতাম। আর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা ধরাটা অনেকটা প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে অন্য মেয়ের সঙ্গে ঘুরে জেলাসি ফিল করানোর মতো। তবে তাতে খুব একটা কাজ করবে না। স্থানীয় নেতারা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, এপ্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, সবাই সম্মান আশা করে। আমার আসার আগে নেতারা কেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসেনি সেটা বলতে পারব না। যদি না বসে সেটা নেতাদেরভুল হয়েছে।বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন, উন্নয়নের কারণেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্গ করে উন্নয়নের কথা বলেছেন। গ্রামে গ্রামে শুধুই অনুন্নয়নের ছবি। এক কথায় রাজনীতিটা সিনেমা নয়। এখানে পার্ট টাইম জব করলে মানুষের উন্নয়ন করা যায় না। তাই আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছে। আমরাও অনুন্নয়নের তালিকা তৈরি করছি। জিতলে ওই সমস্ত এলাকা ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করব।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দী রায়ের সভাতে তৃণমূল কর্মী-রাই সরব পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে, মিডিয়াকে তোপ বিদায়ী সাংসদের

এবার পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে শতাব্দী রায়ের সভাতেই সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী। ঘটনাটি বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খড়বোনা গ্রামে। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় শতাব্দী রায়ের নির্বাচনী কর্মীসভা ছিল। মঞ্চ থেকে শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের কাছ থেকে বুথের ভোটের হিসেব নিচ্ছিলেন সেই সময় রদিপুর গ্রামের গোপাল মণ্ডল কর্মী শতাব্দী রায়কে বলেন, কলে যে জল পাওয়া যাচ্ছে, সেই জল খাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীর এই অভিযোগ ঢাকা দেওয়ায় জন্য ওই এলাকার জহরুল সেখ নামে এক তৃণমূল নেতা বলতে শুরু করেন পরিশ্রুত পানীয় জলের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ট্রেন্ডার ও হয়েছে কিন্তু ওয়ার্কঅর্ডার না পাওয়ায় কাজ শুরু হচ্ছে না। কর্মীদের এই সরব হওয়ার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের ওপরেই তোপ দাগলেন শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, এটাই মিডিয়া দেখাবে। দশটা কাজের মধ্যে নটা ভালো বললে মিডিয়া সেটা দেখাবে না। একটা খারাপ বললেই সেটাই দেখাবে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজ্য

"টাকা দাও, ভোট নাও", প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কে

টাকার বিনিময়ে ভোট। নেতারা টাকা পাচ্ছে তাই তাঁরাও টাকা চাইছে। বলছেন বীরভূমের মহম্মদ বাজারের মহিলা ভোটাররা।টাকা না দিলে ভোট দেব না। প্রচারে বেরিয়ে গ্রামের প্রবীণ মহিলাদের কাছে এমনই কথা শুনতে হল বীরভূম লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। সেই সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দারা না পাওয়ার ক্ষোভ উগরে দেন প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে। শনিবার বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালান তৃণমূলের শতাব্দী রায়।এদিন বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে লাউতোর গ্রামে। সেখানে তিনবারের প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দেন গ্রামবাসীরা। এরই মধ্যে কয়েকজন মহিলা শতাব্দীকে বলেন টাকা না পেলে ভোট দেব না। কনেজা বিবি বলেন, ভোট দিতে হলে টাকা দিতে হবে। নেতারা ভোটে জিতে নিজেদের পকেট ভরছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। ঘর পায়নি। কোন সাহায্য পায়নি। গ্রামের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার ভোট নিতে গেলে টাকা দিতে হবে।এই প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেন, উনি কত বড় ভোটার জানি না। উনি ভারতের কত গণতন্ত্র বোঝেন, জানি না। এপ্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। তবে যারা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন সেটা পঞ্চায়েতের কাছে জানতে চাইব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

'অন্তঃসত্ত্বা' এবং 'জবা'-র পর ঋকের নতুন ছবি 'ক্লাউন'

আসতে চলেছে নতুন বাংলা ছবি ক্লাউন। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক ঋক চ্যাটার্জী। অন্তঃসত্ত্বা এবং জবার পর এটি ঋকের তৃতীয় পরিচালনা। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন ওম সাহানি,দেবলীনা কুমার ও ইন্দ্রনীল চৌধুরী। ছবির অন্য একটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন বি.ডি.মুখোপাধ্যায়। এটি হতে চলেছে একটি ক্রাইম থ্রিলার। তবে ছবিতে পরতে পরতে রয়েছে রহস্য। যা দর্শকদের মনে কৌতূহল তৈরি করবে। এছাড়া ও ছবিটি তৈরি হয়েছে সামাজিক প্রেক্ষাপটে। ন্যায়, প্রতিবাদ, প্রতিরোধই সুষ্ঠু সমাজ গঠনের প্রধান মাপকাঠি। প্রতিটি মানুষের দুটি দিক আছে। আলো এবং ছায়া। প্রত্যেকেই চায় তাদের জীবনে কেবল আলো থাকুক। তাই তারা তাদের প্রতি নিত্যদিনের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না। একদিন অত্যাচারে তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে তাদের ছায়া বেরিয়ে আসে। আর আমাদের গল্পটা এমনই একটা ছায়ার গল্প।একটি সাধারণ ছেলে, যার জীবনে সর্বদা অন্যায় হয়েছে। তার সামনেই তার বোনকে ধর্ষণ করা হয়। মায়ের সাথে অবিচার করা হয়েছে। আজ তার একমাত্র পরিচয় একজন বাস্টার্ড। যখন তার পিঠ দেয়ালের সাথে থাকে, তার কালো দিকটি তার থেকে বেরিয়ে আসে। জোকার... এই জোকার শুধু তার বিচারই করেনি, সমাজে তার নিজের মত করে প্রতিবাদের ঝড় তোলে, যা প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠে। সমাজ পরিবর্তনের প্রবণতা। কিন্তু পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই সময় ও আইনের নিয়ম অনুযায়ী একদিন জোকার শেষ হয়। কিন্তু জোকার কি সত্যিই শেষ?তা জানতে হলে আরও কয়েকটি দিন অপেক্ষা করতেই হবে। ছবিটি মুক্তি পাবে সিনেরিও ফিল্মসের ব্যানারে ড: ইন্দ্রনীল চৌধুরীর প্রযোজনাতে।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

৬ মে বড়পর্দায় আসছে মিমি চক্রবর্তীর 'মিনি'

আগামীকাল সরস্বতী পুজো। অর্থাৎ বাঙালিদের ভ্যালেন্টাইন্স ডে। এই বিশেষ দিনের আগে ভক্তদের খুশির খবর শোনালেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। স্মল টক আইডিয়াস, সম্পূর্ণা লাহিড়ী ও ও রাহুল ভাঞ্জার প্রযোজিত এবং মৈনাক ভৌমিকের পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি মিনি-র মুক্তির তারিখ ঘোষিত হল। এই ছবির ডাবিং ও পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও শেষ হয়েছে। এই ছবি মুক্তি পেতে চলেছে এই বছর ৬ মে। মুখ্য চরিত্রে মিমি চক্রবর্তী ছাড়াও অভিনয় করছেন শিশুশিল্পী অয়ন্না চ্যাটার্জি। অয়ন্নার এটা প্রথম ছবি। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিঠু চক্রবর্তী, সপ্তর্ষি মৌলিক ও কমলিকা ব্যানার্জি। অয়ন্না ও তার পিসির গল্প মিনি তে তুলে ধরছেন পরিচালক। এই ছবির মধ্যে দিয়েই প্রযোজক হিসাবে আত্মপ্রকাশ হচ্ছে সম্পূর্ণা লাহিড়ীর।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Tonic : 'টনিক' নিয়ে তারকাদের মতামত

আজ বড়দিন। টলিউড সুপারস্টার দেবের জন্মদিন। তার জন্মদিনের আগের দিন অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেল ইচ্ছেপূরণের গল্প টনিক। টনিক নিয়ে কোন তারকা কি বললেন শুনে নিন।রুক্মিনী মৈত্রঃ আমার টনিক দেখার পর মনে হয়েছে দেবের সঙ্গে যদি শ্রেষ্ঠ কারোও জুটি হয় সেটা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌমিলী বিশ্বাসঃ নতুন বছরের একটা বড় উপহার আমাদের সকলের কাছে। অনেকদিন পর বাংলা সিনেমায় মন খুলে হাসলাম। খুব ভালো লাগলো এবং অসাধারণ অভিনয় দেখলাম পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, শকুন্তলা বড়ুয়া প্রত্যেকেরই।রাজা চন্দঃ প্রথম কথা আমার একটা এক্সপেক্টেশন ছিল। সেটা ছাপিয়ে গেল টনিক। অভিজিতের জন্য শুভেচ্ছা। দেবের এই পারফরম্যান্স। পরাণদা অসাধারণ। আমার মনে হয় সমস্ত বাঙালির ছুটে এসে টনিক দেখা উচিৎ।ঈশা সাহাঃ ভালো লেগেছে যেরকম এক্সপেক্টেশন নিয়ে এসেছিলাম সেটা পূরণ হল। পরাণ দা-দেবের যে বন্ডিংটা দেখতে পেয়েছি সেটা ভীষণ ভালো। বেশ কিছু মজার মুহূর্ত দেখেছি। সব মিলিয়ে মজার ছবি, খুব পজিটিভ ছবি। আমি সিওর সবার খুব ভালো লাগবে।বাবুল সুপ্রিয়ঃ এক্সিলেন্ট অভিনয় দুজনের। তার মধ্যে স্ট্রং সোসাইটির জন্য মেসেজ আছে। বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসা এবং এজ ইস জাস্ট আ নাম্বার। যতটা তারা চায় ততটাই আতদের দেওয়া যেতে পারে এই স্ট্রং মেসেজটা খুব সুন্দর করে দেওয়া হইয়েছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Paran Bandopadhyay : কোন ‘টনিক’ ৮১ বছরের যুবক অভিনেতা সাইকেল চালালেন ?

৮১ বছর বয়স তাঁর। কিন্তু টনিক এ যেভাবে তিনি অভিনয় করেছেন তা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। অনেকেই অবাক হয়েছেন ৮১ বছর বয়সে তিনি কিভাবে রিভার র্যা ফটিং করলেন। সেই পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবার সাইকেল চালালেন। তাও আবার ৫০ বছর পর। সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করে দেব। ক্যাপশনে লিখেছেন ক্যাপশনে লিখেছেন কাকা রাইডিং সাইকেল অলমোস্ট আফটার ফিফটি ইয়ার্স। টনিক নাম তো সুনা হোগা।সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা ভিডিওতে কত দিন পর কাকা পরাণ সাইকেল চালিয়েছেন জিজ্ঞাসা করেন। পরাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, তা ১৯৬৭-এর আগে, ষাটের দশকে সাইকেল চালিয়েছি। ৬৫-৬৬ সালে চালিয়েছি। তারপর এই চালালাম। এরপরই পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সাইকেলের চাকায় যে পাম্প থাকে। পাম্প ছাড়া তো চলে না। দেবকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেন, পাশে দেব থাকলেই চাকার সাইকেল চলে। দেব সেইটা।অতনু রায়চৌধুরি ও প্রণব কুমার গুহর বেঙ্গল টকিজের প্রযোজনায় এবং দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ প্রযোজনায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে টনিক। দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শকুন্তলা বড়ুয়া- তিন জনকে নিয়েই গল্পটা এগিয়েছে। এছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের সেরা ছবি।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shmaik : অভিনয়ে হাতেখড়ি হচ্ছে পরিচালক 'শমীক' এর

এতদিন সিনেমা থেকে মিউজিক ভিডিও সবেতেই দক্ষ হাতে পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন শমীক রায় চৌধুরী। এবার অভিনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ হতে চলেছে তার। পরিচালক অমর্ত্য সিনহার ছবি অসম্পূর্ণ তে অভিনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছেন শমীক। এটি একটি মনস্ত্বাত্তিক থ্রিলার ছবি। এক বিবাহ দম্পতি ও তার পাঁচ বছরের কন্যাসন্তান কে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে পুরো গল্পটা। ছবির গল্পে রয়েছে বিভিন্ন স্তর তাই সেভাবেই অভিনেতা-অভিনেত্রী নির্বাচন করেছেন পরিচালক। শমীকের বিপরীতে এই ছবিতে রয়েছেন শ্রেয়া ভট্টাচার্য। যিনি সম্প্রতি কনফিউজড পিকচারস-এর ওয়েব সিরিজ টাইম আপ এ অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি অসম্পূর্ণর সংলাপ লিখেছেন শমীক। ছবির কাহিনি ও চিত্রনাট্যের দায়িত্ব সামলেছেন পরিচালক নিজেই।এই ছবিতে মিউজিকের দায়িত্বে রয়েছেন তমাল কান্তি হালদার। ছবির চিত্রগ্রাহক প্রসেনজিত কোলে। সম্পাদনা করছেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anurag ‘অনুরাগ’ নিয়ে আসছেন শান্তনু সিনহা

পরিচালক শান্তনু সিনহার তৃতীয় ছবি অনুরাগ। ৩৫ মিনিটের এই ছবিটির পোস্টার ও ট্রেলার লঞ্চ হয়ে গেল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক শান্তনু সিনহা, অভিনেতা দেবদূত ঘোষ, আনন্দ শঙ্কর চৌধুরী এবং অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য্য।এই ছবির মূল বক্তব্য ভালবাসা থাকে চিরদিন। ছবির শুটিং হয়েছে বর্ধমানের মানগড় এলাকায়।টুডে সাইন প্রাইভেট লিমিটেড প্রযোজিত সাইন প্রোডাকশনের ছবি অনুরাগ নিয়ে অভিনেতা দেবদূত ঘোষ জানালেন, পরিচালক শান্তনু আমার বহুদিনের পরিচিত। আমরা হুইলচেয়ার নামে একটি ছবি শুরু করারপরিকল্পনা করেছিলাম। যে ছবিতে মূল অভিনেতা হিসেবে থাকার কথা ছিল কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু অনেক কারণে সেই ছবি হয়নি। পরবর্তীকালে শান্তনু এই ছোট ছবির গল্পটা শোনায়, আমি গল্পটা শুনেই রাজি হয়ে যায়। ছবিতে আমার চরিত্রটা দারুন ইন্টারেস্টিং এবং চ্যালেঞ্জিং। প্রথমত পুরো ছবিটাই আউটডোরে একটা আন এক্সপোজড পিকটোরিয়াল গ্রাম বাংলার ব্যাকড্রপে শুটিং হয়েছে। এবং আমার চরিত্রটা এক রাতে পাল্টাতে পাল্টাতে শেষ পরিনতি কি হয় সেই গল্পই শোনাবে। ছবির গল্প চিত্রনাট্য, সংলাপ পরিচালকের নিজের। সঙ্গীত রাজ নারায়ন দেবের। ব্যবহৃত হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর। পরিচালক শান্তনু সিনহা জানালেন, ছবিটি প্রথমে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে পাঠানো হবে এবং তারপর ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sinduk Rahasya : ভিন্নধারার ছবি সিন্দুক রহস্য

জয়ন্ত পালের ছবি সিন্দুক রহস্যের পোস্টার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার ইন্দিরা সিনেমা হলে। পোস্টার লঞ্চ করলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক রাজা সেন ও তমাল রায়চৌধুরী। এরপর এই প্রোজেক্টের সঙ্গে গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক থেকে শুরু করে বাকিরা তাদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।সিন্দুক রহস্য নিয়ে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে সকলের মধ্যে। এই ছবির মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন মাসুম ও টিনা। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তমাল রায় চৌধুরী, দেবাশীষ গাঙ্গুলী ও রাজু মজুমদার সহ আরো অভিনেতা। সকলের পরিচিত মুখ অরিত্র দত্ত বণিক সিন্দুক রহস্য ছবিতে সম্পাদকের ভূমিকা পালন করেছেন।নবাগত অভিনেতা ও নবাগতা অভিনেত্রী কে এখানে দর্শকরা দেখতে পাবেন। ফলে নতুন একটা জুটি পেতে চলেছে টলিউড। এই ছবির মুক্তির দিন এখনও ঠিক হয়নি। তবে জানা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে এই ছবিটি।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

'Torulotar Bhoot' : মুক্তি পেল 'তরুলতার ভূত'

গ্রিন মোশন পিকচারস এর প্রযোজনায় মুক্তি পেল পরিচালক দেব রায়ের ছবি তরুলতার ভূত। ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক দেব রায়, অভিনেতা রাহুল দেব বোস, সুমিত সমাদ্দার, অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়, দীপান্বিতা হাজারি সহ আরও অনেকে। করোনা পরস্থিতির মধ্যেও তরুলতার ভূত দেখতে বেশ ভালোই ভিড় হয়েছিল।এই ছবি নিয়ে পরিচালক দেব রায় জানালেন,একটা মিস্ট্রি ফিলিং হচ্ছে। নার্ভাসও লাগছে। আবার আনন্দও হচ্ছে। আমি যে রসটা পৌঁছে দিতে চেয়েছি সেই রসটা পৌঁছাক। ছবিটা মানুষ মন দিয়ে দেখুক সেটা চাইব। অভিনেত্রী দীপান্বিতা হাজারি জানালেন,এটা অন্যরকম একটা ছবি। একেবারেই অন্যধারার ছবি। সিনেমার স্টোরিলাইন ভীষণ স্ট্রং। পরিচালক দেব রায়ের প্রথম কাজ। আপনাদের ভালো লাগবে। এই ছবিতে অনেক নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অভিনয় করছে। তারাও খুব এক্সাইটেড প্রিমিয়ারে দেখেই বোঝা গেল।তরুলতার ভূত মানেই এইটা ভূতুরে ব্যাপার তো রয়েছেই। তবে কতটা ভূতুরে ব্যাপার রয়েছে, দর্শকরা কেমনভাবে ছবিটা নেবে সব দেখার জন্য হলে গিয়ে তরুলতার ভূত দেখতে হবে। তাহলেই গল্পের আসল রসটা পাওয়া যাবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shahida : প্রথম পুরস্কার শাহিদার, উচ্ছ্বসিত মা

ছেলে বা মেয়ে যদি জীবনে ভালো কিছু করে একজন মায়ের গর্বিত হওয়ারই দিন। সেরকমই আজ খুশির দিন এক মায়ের। তিনি হলেন অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী।তাঁর মেয়ে সেরা শিশু অভিনেতার সম্মানে ভূষিত হল। অভিনেতা হিসেবে শাহিদা নীরার প্রথম পুরস্কারে উচ্ছ্বসিত মা সুদীপ্তা। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই সুখবরটা শেয়ার করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপোপরিচালক সুমন ঘোষের পরিচালনায় বাংলা ছবি সার্চিং ফর হ্যাপিনেস-এ শাহিদা এবং সুদীপ্তা একসঙ্গে অভিনয় করে। মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায় সুদীপ্তা-কন্যাকে। সম্প্রতি এই সিনেমায় অভিনয়ের কারণে ওয়াশিংটন ডিসি সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভালে সেরা শিশু অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করে ছোট্ট শাহিদা।সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, একপ্রকার নিজের অজান্তেই ছবির শুটিং করে ফেলেছিল শাহিদা। ছবির কোনও চিত্রনাট্য লেখেননি পরিচালক। ছোটবেলার এক স্মরনীয় স্মৃতিকে নিয়েই সিনেমা বানিয়েছেন। গোটা ছবিটা শুট হয়েছে গো প্রো ক্যামেরায়। সুদীপ্তা আরও জানান, মাত্র ছয় বছর বয়সে অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর পথচলা শুরু। সেখানে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সে অভিনয় করেই পুরস্কার জিতে নেবে, এটা অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত তাঁদের পরিবারের জন্য। আর জীবনের যা কিছু প্রথম, সকলই তো প্রিয়। ফলে শাহিদাও ভীষণ আনন্দিত, তাও প্রকাশ করেছেন সুদীপ্তা।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Binisutoy: 'বিনিসুতোয়'-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণা

সদ্য মুক্তি পেয়েছে অতনু ঘোষের পরিচালিত ছবি বিনিসুতোয়। এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্পণা চৌধুরী। এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।চরিত্র নিয়ে তিনি জানিয়েছেন,আমি জয়া ম্যামের অফিস এমপ্লয়ির চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটি খুব বড় না হলেও বেশ ভালো একটি চরিত্র। অতনু ঘোষের প্রসঙ্গ তুলতেই বললেন, ভীষণ ভালো একটা এক্সপিরিয়েন্স। স্যার খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেন জিনিসটা। স্যারের সাথে কাজ করে মনেই হয়নি তিনি এত বড়ো একজন ডিরেক্টর।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?তিনি আরও জানান, কোনো চরিত্র গঠনে সমস্যা হলে স্যার বারবার দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। ধৈর্য্য হারাননি কখনো। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি আমার প্রথম বাংলা ফিচার ফিল্ম থেকে। উনি খুব কুললি সবকিছু হ্যান্ডেল করেন। আমি ব্লেসড যে স্যারের সাথে ডেবিউ করতে পেরেছি।অর্পণা আরও জানান অতনু ঘোষের সঙ্গে নতুন ছবিতে অভিনয় করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। তাঁর কথায় অতনুদা তাঁকে নতুন ছবিতে নতুন ক্যারেক্টার দেবেন যেটার জন্য মুখিয়ে আছেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

MImi Chakraborty : নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমির

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক অরিন্দম শীল। তার নতুন সিনেমা আসছে। বেশ কিছু বড় কাস্টও রয়েছে এই ছবিতে।বৃষ্টিভেজা সকাল। মেকআপহীন লুক। শপিং মলে হাজির মিমি চক্রবর্তী। পরনে হলুদ কুর্তি আর সাদা চুড়িদার। এমন লুকে মিমিকে খুব বেশি দেখা যায় না, কিন্তু এমনই অবতারে মঙ্গলবার অরিন্দম শীলের নতুন ছবি খেলা যখন-এর শ্যুটিং শুরু করবেন মিমি। শ্যুটিং ফ্লোরে মুখোমুখি হলেন মিমি ও সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। মিমি জানিয়েছেন, এই চরিত্রের জন্য (উর্মি।) তাঁর গালে হাল্কা কাটা দাগ আর চোখের নীচে কালির রং মেকআপ আর্টিস্ট তৈরি করে দিয়েছে, বাকি কোনও মেক-আপের ঝামেলা নেই। গত সপ্তাহেই ছবির শুভ মহরত সুসম্পন্ন হয়েছিল, আর এদিন থেকে পুরোদমে শ্যুটিং শুরু হল। দীর্ঘদিন নানান জটিলতার জেরে আটকে অরিন্দম শীলের এই ড্রিম প্রোজেক্ট। এদিন ইনস্টাগ্রামে শ্যুটিংয়ের ফাঁকের একটি ছবি পোস্ট করে মিমি লেখেন, অনিন্দম শীল এই ছবির জন্য আড়াই বছর অপেক্ষা করেছেন. অবশেষে এটা শুরু হল, আপনাদের সকলের অনেক ভালোবাসা আর আর্শীবাদ চাই।আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারতসুস্মিতাকে এর আগে দর্শকরা প্রেম টেম সিনেমায় অভিনয় করতে দেখেছেন। মিমি-অর্জুন-সুস্মিতা ছাড়াও খেলা যখন-এ থাকবেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, করণ হরিহরণ এবং আরজে জিনিয়া। আগামী ডিসেম্বরে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : মুক্তি পেল হরোর স্টোরিস

সিনেমা হল খুলে গেছে। আর হল খোলার পরেই প্রথম যে বাংলা সিনেমা মুক্তি পেল সেটা হরোর স্টোরিস। অ্যাক্রোপলিস মলে এই ছবির প্রিমিয়ারও হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, অভিনেত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা। এছাড়া এই বিশেষ দিনে হাজির হয়েছিলেন টলিউডের পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রীরা। প্রিমিয়ারে হাজির হয়ে যান পরিচিত ইউটিউবার স্যান্ডি সাহা।আরও পড়ুনঃ ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসকে বিশেষভাবে স্মরণ করতে নতুন উদ্যোগপরিচালক এই ছবি নিয়ে কতটা এক্সাইটেড সেটা জনতার কথাকে রিলিজ হওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন,হরোর স্টোরিস রিলিজ নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। সকাল থেকে শো রয়েছে। এতদিন দিন লকডাউনের পর ছবি খুলছে, হল খুলছে, আমাদের সিনেমা প্রথম রিলিজ। তাই টেনশনও হচ্ছে। আমার মনে হয় মানুষ দেখবে বাংলা ছবি। সিনেমা তো হলে দেখতেই ভালো লাগে। সেই এক্সাইটমেন্ট ছবি মুক্তির পরেও পাওয়া গেল। হরোর স্টোরিসের একটা পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লেখা,দারুণ অনুভূতি।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিমুক্তির পর এখনও পর্যন্ত এই ছবি দর্শকদের থেকে ভালো ফিডব্যাকই পেয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি মানুষ হরোর স্টোরিসের ভৌতিকতার স্বাদ নিতে আসবে বলে আশাবাদী ইউনিটের সকলেই।

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীম

সুপ্রতীম সাহা অভিনীত ছবি হরোর স্টোরিস মুক্তি পাচ্ছে আজ। এই ছবিতে রাজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথা-র সঙ্গে কথা বললেন তিনি।জনতার কথা ঃ হরোর স্টোরিস কি তোমার প্রথম ফিচার ফিল্ম?সুপ্রতীম ঃ হরোর স্টোরিস আমার প্রথম ফিচার ফিল্ম নয়। ২০১৮ সালে আমার প্রথম ছবি মুক্তি গুডনাইট সিটি মুক্তি পায়। যেখানে হিরোর ছোটবেলা করেছিলাম। এরপর জি অরিজিনালস এ লিড করি। গুপি গাইন বলে একটি ছবি এসেছিল। সেখানে ভিলেনের চরিত্রে ছিলাম। তারপর অনেককটাই রিলিস হবে। হরোর স্টোরিস টা আগে রিলিস হয়ে গেল। ব্রাদার বলে সঞ্জয় বর্ধনের একটি ছবিতে লিড করেছি। হটস্টারে মালিনী বলে একটি ছবি রিলিস করেছে। জনতার কথা ঃ হরোর স্টোরিস-এ অভিনয় করতে গিয়ে কতটা ভয় পেয়েছো? সুপ্রতীম ঃ ভয়ের একদমই কিছু ছিল না। আমাদের খুব ফ্রি ফ্লোয়িং একটা কাজ। এই ছবিতে আমার পার্টটা খুব কালারফুল। আমার ও অলিভিয়ার খুব কালারফুল একটা গল্প। সেই অর্থে ভয়ের কিছু নেই। তবে তুমি যদি ছবির মাঝখানের দিকে যাও তাহলে একটু আস্তে আস্তে মানুষের মাইন্ড কতটা ইভিল হতে পারে সেই জায়গাতে একটা ভয়ের এসেন্স থাকতে পারে। বাকিটা তো দর্শক বলতে পারবে। জনতার কথা ঃ লকডাউনের পর প্রথম হল রিলিস বাংলা ছবি হতে চলেছে হরোর স্টোরিস। সেটা কেমন লাগছে?সুপ্রতীম ঃ একটা টেনশন তো আছেই। লকডাউনের প্রথম বাংলা সিনেমা রিলিজ করছে। দর্শকরা মুখিয়ে তো আছেই। ইন্ডাস্ট্রির মানুষরাও মুখিয়ে আছেন। এন্ড অফ দ্য তো আমরা একটা ল্যাঙ্গুয়েজ বা রিজিয়ন কে রিপ্রেজেন্ট করছি। সবাই খুব আশাবাদী। সো একটা ভাল প্রেশার রয়েছে। জনতার কথা ঃ দর্শকদের কি বলবে? সুপ্রতীম ঃ আপনারা ডেফিনেটলি আসুন। যত হল রয়েছে সবাই কোভিড প্রটোকল খুব ভালোভাবে মেনে চলছে। তাই কোনও রিস্ক ফ্যাক্টর কিছু নেই। আপনারা আসুন। ছবিটা দেখবেন। আপনারা আমাদের যে দেড় ঘন্টা দেবেন সেই সময়টা খুব সুন্দরভাবে ইউজ হবে। আমার মনে হয় সেটা।

আগস্ট ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : মুক্তি পাচ্ছে হরোর স্টোরিস, টেনশনে পরিচালক

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সিনেমা হল খুলেছে। হল খোলায় সিনেপ্রেমীদের মনে আলাদা আনন্দ কাজ করছে। আর হল খোলার পর প্রথম বাংলা ছবি মুক্তি পেতে চলেছে হরোর স্টোরিস। সায়ন বসু চৌধুরীর পরিচালনায়, মুকেশ পান্ডের প্রযোজনায় এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অলিভিয়া সরকার, রূপসা মুখোপাধ্যায়, মৈনাক ব্যানার্জি, সুপ্রতীম সাহা, প্রিয়াঙ্কা ব্যানার্জি প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমমুক্তির আগে বেশ কিছুটা টেনশনে রয়েছেন পরিচালক। জনতার কথা থেকে তাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করা হয় আজ কিছুক্ষণ পর থেকেই হলে ছবিটা দেখতে পাবেন দর্শকরা। কতটা এক্সাইটেড? পরিচালক জানালেন,হরোর স্টোরিস রিলিজ নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। সকাল থেকে শো রয়েছে। এতদিন দিন লকডাউনের পর ছবি খুলছে, হল খুলছে, আমাদের সিনেমা প্রথম রিলিজ। তাই টেনশনও হচ্ছে। আমার মনে হয় মানুষ দেখবে বাংলা ছবি। সিনেমা তো হলে দেখতেই ভালো লাগে। এই ছবি প্রসঙ্গে তিনি আরও জানালেন,এই ছবিটা ভালো লাগুক, খারাপ লাগুক তারা যেন আমাদের জানায়। একটু অন্যধরণের ছবি আমরা বানানোর চেষ্টা করেছি। ভূতের যে ধরণের ছবি আমরা দেখে অভ্যস্ত ঠিক সেরকম নয় এটা। আশা করি ভালো লাগবে। ছবি নিয়ে সারাদিনই ভাবছি। ঠিকঠাকভাবে যেন সব হয়ে যায়। মানুষ যেন দেখে ছবিটা। খুবই টেনশনে এবং খুবই এক্সাইটেড।

আগস্ট ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

'Radio' : শুটিং শেষ হল 'রেডিও'-র

পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের সিনেমা রেডিও। অভিনয় করছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার, ঈশান মজুমদার, সুমনা দাস সহ আরও অনেকে। এই সিনেমারই শুটিং শেষ হয়ে গেল। শেষ দিনে শুটিং ফ্লোরে সকলের মধ্যেই একটা আলাদা রোমাঞ্চ ছিল।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক জানালেন সিনেমার নাম যেহেতু রেডিও এখানে গানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ের গান এখানে পাওয়া যাবে। এই বছরের শেষে এই ছবিটি হলে মুক্তি পাবে জানিয়েছেন। তবে ওটিটি প্লাটফর্মেও দর্শকরা রেডিও দেখতে পাবেন।আরও পড়ুনঃ দদ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূরঅভিনেত্রী সুমনা দাস জানালেন দর্শকরা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি চরিত্রে তাকে দেখতে পাবে। রেস্ট ইন প্রেমে তিনি যে চরিত্রে ছিলেন তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। যে জায়গা থেকে দর্শকরা তাকে দেখেছেন সেই জায়গা থেকে ডিফারেন্ট। তবে চরিত্র নিয়ে সেরকম কিছু খোলসা করলেন না তিনি। শুধু বললেন হলে গিয়েই তার চরিত্রের ব্যাপারে পুরোটা জানতে পারবে। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার জানালেন এই ছবিটি তার অভিনয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে। ঈশান মজুমদার জানিয়েছেন শিলাদিত্য মৌলিকের সঙ্গে তার এটা প্রথম কাজ। তাই ভালো কিছুর অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rudranil Ghosh : নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীল

অভিনয় থেকে দীর্ঘদিনের বিরতিতে ছিলেন। সেই বিরতি কাটিয়ে আবার নিজের জায়গায় দেখা যাবে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ কে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার ক্যামেরার সামনে ফিরছেন রুদ্রনীল ঘোষ। করোনা পরিস্থিতি এবং বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী - সব মিলিয়েই পর্দা থেকে দূরে ছিলেন অভিনেতা। তবে তিনি ফিরছেন তার পরবর্তী ছবি আকাডেমি অফ ফাইন আর্টস নিয়ে। ছবির জন্যে নতুন লুক তৈরি করেছেন অভিনেতা। এটি একটি ক্রাইম থ্রিলার। সেপ্টেম্বরে যার শুটিং শুরু হওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টসোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন লুকের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লিখেছেন,নতুন সিনেমার জন্য তৈরি হচ্ছি। নতুন লুকের সেই ছবি একটু অন্য ধরণের। অনেকেই তার নতুন লুক দেখে অবাক হয়েছে। অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চউধুরি কমেন্ট করে লিখেছেন,উফফ।আরও পড়ুনঃ চাকদার নিখোঁজ মহিলা উদ্ধার টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে অভিনয়ে ফিরলেও রাজনীতি তার জায়গাতেই রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেতা। অভিনয় থেকে দীর্ঘদিনের বিরতির পর রুদ্রনীলের আকাডেমি অফ ফাইন আর্টসদর্শকদের মনে কতটা জায়গা করে নিতে পারে সেটাই এখন দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Radio : 'রেডিও'-র শুটিং শুরু হল, মুখ্য চরিত্রে প্রিয়াঙ্কা সরকার

পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের নতুন ছবি রেডিও। যেখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। এই ছবিতে একজন মানুষের সঙ্গে একটি রেডিওর সম্পর্ক কে তুলে ধরা হবে। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের কাছেও এই ছবিটি খুব স্পেশ্যাল। এই ছবিতে বাকী চরিত্র কারা রয়েছেন সেটা এতদিন সাসপেন্সে ছিল। এবার সেই সাসপেন্সটা আর সাসপেন্স থাকল না। বাকী চরিত্রগুলোর নামও ঘোষণা করে দিলেন পরিচালক। এই ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন ঈশান মজুমদার, ধানি বোস, সুমনা চ্যাটার্জী, মোমো, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গীত পরিচালনা করবেন সৌম্য ঋত। নাম ঘোষণার পরেই শুটিং-ও শুরু হয়ে গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও পোস্ট করেছেন অভিনেতা ঈশান মজুমদার।

জুলাই ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal