• ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

কলকাতা

ভোটার তালিকায় বড় ছাড়! নথি না থাকলেও মিলবে ভোটাধিকার, কারা পেলেন সুবিধা?

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনে বড় ছাড় দিল নির্বাচন কমিশন। এবার নথি দেখালেও চলবে, না দেখালেও কোনও সমস্যা নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, জনজাতি, যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের জন্য এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।কমিশনের মতে, যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে নথি জোগাড় করা অনেক সময় অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকেই গ্রামাঞ্চল বা ভিনরাজ্য থেকে শহরে আসেন এবং সামাজিক নানা কারণে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে না। ফলে জন্ম শংসাপত্র বা ঠিকানার প্রমাণ সংগ্রহ করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। আবার অনেকে পারিবারিক বা সামাজিক চাপে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। সেই সময় প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে আনা সম্ভব হয় না। অনেকেই নিজের পেশা গোপন রাখেন বলেও নথি জমা দিতে ভয় পান।একই ধরনের সমস্যার কথা তুলে ধরে আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন রূপান্তরকামীরাও। তাঁরা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেন। রূপান্তরকামী সংগঠনের এক প্রতিনিধি জানান, তাঁদের মধ্যে অনেকেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। কারও নাম পুরনো ভোটার তালিকায় থাকলেও অনেকের নাম নেই। তাঁদের ক্ষেত্রে গুরু মা-র নাম ব্যবহার করার অনুমতির দাবি জানানো হয়েছিল।ইতিমধ্যেই রাজ্যে ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় শুনানি চলছে। এই পরিস্থিতিতে যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের দাবিতে সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে নথি দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। রূপান্তরকামীদের ক্ষেত্রে গুরু মা-দের পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদেরও নথি ছাড়াই শুনানিতে হাজির হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য স্থানীয় স্তরে ইআরও-দের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নথি না থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্য করার জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে।ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে মানবিক ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

অমিত শাহের বার্তা পেয়েই অ্যাকশনে দিলীপ ঘোষ, জানুয়ারিতেই জনসভায় ফিরছেন তিনি

এদিন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে পুরোপুরি কাজে লাগানোর কথা বলেছেন। তিনি বলেন, দলের নির্দেশ মতোই তিনি কাজ করবেন। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, সম্প্রতি দলে একাধিক নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে, যেগুলোর বিষয়ে আগে তিনি অবগত ছিলেন না। সেই বিষয়গুলোই তিনি বিস্তারিতভাবে জেনে নিয়েছেন।শুধু দলীয় দফতরে বৈঠকেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না দিলীপ ঘোষ। খুব শীঘ্রই তাঁকে জনসভাতেও দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ জানান, জানুয়ারি মাসেই দুর্গাপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের একটি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভাতেই তিনি উপস্থিত থাকবেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে, সত্যিই কি তিনি আবার মাঠে নেমে সক্রিয় রাজনীতি করবেন, উত্তরে দিলীপ বলেন, দল যেভাবে দায়িত্ব দেবে, সেভাবেই তিনি কাজ করবেন। এমনকি ভোটে লড়তে বলা হলে তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান।দলের অন্দরে আদি ও নব্য নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি এড়িয়ে যান দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, নতুন নেতারা দলে এলে তাঁদের অনেক বিষয় নতুন করে বুঝিয়ে দিতে হয়। ভোটের আগে এমনটা প্রায়ই দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নব্য নেতারা তাঁকে বুঝতে পারছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, দল বুঝলেই যথেষ্ট। আর কে তাঁকে বুঝল বা বুঝল না, তা নিয়ে তিনি ভাবেন না। কাউকে বোঝানো তাঁর দায়িত্ব নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।বিজেপির ভবিষ্যৎ লড়াইয়ের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহু বছর ধরে আন্দোলন ও লড়াই চালিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। বিজেপিও এবার ভিন্ন কৌশলে লড়াইয়ে নামবে বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির কোনও সভা বা কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষকে দেখা যায়নি। দলীয় বহু অনুষ্ঠানেও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছিল না। সেই দিলীপ ঘোষই এবার সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হলেন এবং জানালেন, খুব শীঘ্রই তাঁকে জনসভাতেও দেখা যাবে। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই বাংলাকে বড় উপহার! হাওড়া থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার

বন্দে ভারত ট্রেনের জনপ্রিয়তা দেশজুড়ে চোখে পড়ার মতো। ইতিমধ্যেই বাংলা একাধিক বন্দে ভারত ট্রেন পেয়েছে। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরও বড় উপহার পেতে চলেছে রাজ্য। দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হতে চলেছে বাংলায়। এই ট্রেন হাওড়া স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে।বন্দে ভারত একটি সেমি হাই স্পিড ট্রেন। সাধারণ ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেন অনেক দ্রুত চলে। এবার সেই যাত্রা আরও আরামদায়ক হতে চলেছে। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে শুয়ে শুয়েই যাত্রা করতে পারবেন যাত্রীরা। দীর্ঘ পথের যাত্রায় এতে যাত্রীদের স্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছে রেল।বছরের প্রথম দিনেই সাংবাদিক বৈঠকে এই নতুন ট্রেনের কথা ঘোষণা করেন রেলমন্ত্রী। জানুয়ারি মাসেই কলকাতা থেকে গুয়াহাটি রুটের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হাওড়া স্টেশন থেকেই এই ট্রেন ছাড়বে। ঠিক কবে থেকে নিয়মিত পরিষেবা শুরু হবে, তা আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই জানানো হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তবে সূত্রের খবর, ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই ট্রেনটি চালু হয়ে যেতে পারে। ১৮ বা ১৯ জানুয়ারি উদ্বোধনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।রেলমন্ত্রী জানান, কলকাতা থেকে গুয়াহাটি বিমানে যেতে গেলে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। সেই তুলনায় বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হলে অনেক কম খরচে যাতায়াত করা যাবে। এই ট্রেনের থার্ড এসির ভাড়া হবে প্রায় ২৩০০ টাকা, সেকেন্ড এসির ভাড়া ৩০০০ টাকা এবং ফার্স্ট ক্লাসের ভাড়া ৩৬০০ টাকা। মধ্যবিত্ত যাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই এই ভাড়া ঠিক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।সম্প্রতি দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ওয়াটার টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সেই পরীক্ষার ভিডিও নিজেই শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেল সূত্রে খবর, এই ট্রেন ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে ছুটতে সক্ষম হবে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষীর ভাণ্ডার বন্ধের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল? সরাসরি জবাব অমিত শাহের, তীব্র রাজনৈতিক তরজা

রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে চলমান কোনও সরকারি প্রকল্প বন্ধ হবে না। স্পষ্ট ভাষায় এই আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, বর্তমানে রাজ্য সরকারের যে সমস্ত প্রকল্প চলছে, বিজেপি সরকার গঠন করলেও তার একটিও বন্ধ করা হবে না। বরং তার পাশাপাশি নতুন নতুন প্রকল্পও চালু করা হবে বলে দাবি করেন তিনি।অমিত শাহ বলেন, প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে বলে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়াচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির ট্র্যাক রেকর্ড গোটা দেশই জানে। যেখানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে, সেখানে আগের সরকারের চালু করা প্রকল্প বন্ধ করা হয়নি। পাশাপাশি বিজেপির ইস্তাহারে যে সব প্রকল্পের কথা বলা হয়, সেগুলিও বাস্তবায়িত করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। বিজেপির বক্তব্যের পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেস কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, কেন্দ্র কেন বাংলার জন্য বরাদ্দ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে, তার জবাব বিজেপিকে দিতে হবে। তাঁর দাবি, এই টাকা বিজেপির নয়, সাধারণ মানুষের করের টাকা। জিএসটি থেকে রাজ্যের প্রাপ্য অর্থ নেওয়া হলেও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা অন্যায়ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।জয়প্রকাশ মজুমদার আরও বলেন, হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেও বিজেপি তা মানতে চায় না। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সংবিধানকে সম্মান করে না এবং নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিজেপি আবার হারবে বলেও দাবি করেন তিনি।অমিত শাহের আশ্বাস এবং তৃণমূলের পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
কলকাতা

আজই কি বদল মুখ্যসচিব? ৩১ ডিসেম্বরেই শেষ মনোজ পন্থের মেয়াদ, জল্পনা তুঙ্গে

রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যসচিব কে হতে চলেছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমান মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। তিনি আগে ছমাসের এক্সটেনশনে ছিলেন। ভোটের আগে তাঁর মেয়াদ আরও ছমাস বাড়ানোর জন্য রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রের ডিওপিটি-তে আবেদন পাঠানো হয়েছিল। তবে সেই আবেদনের কোনও উত্তর এখনও পাওয়া গিয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের কেউই মুখ খুলতে চাইছেন না।এই পরিস্থিতিতে নানা নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রশাসনিক মহলে। সূত্রের খবর, যদি মনোজ পন্থের মেয়াদ আর না বাড়ানো হয়, তা হলে মুখ্যসচিব পদের দৌড়ে রয়েছেন নন্দিনী চক্রবর্তী, বরুণ রায়, অত্রি ভট্টাচার্য এবং প্রভাত মিশ্রের মতো অভিজ্ঞ আমলারা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্র কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার দিকেই তাকিয়ে রাজ্য প্রশাসন।প্রসঙ্গত, এর আগে মনোজ পন্থের মুখ্যসচিব হিসেবে থাকার কথা ছিল চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত। কিন্তু কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ ও কর্মিবর্গ দফতর থেকে ছাড়পত্র মিলায় তাঁর মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। ডিওপিটি-র তরফে মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছিল, রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতেই এই এক্সটেনশন দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩১ অগস্ট ভগবতী প্রসাদ গোপালিকার জায়গায় মুখ্যসচিবের দায়িত্ব নেন মনোজ পন্থ। গোপালিকার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্যও রাজ্য সরকার কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছিল, কিন্তু সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি কেন্দ্র। তারপরই মুখ্যসচিবের দায়িত্ব পান মনোজ পন্থ। এবার তাঁর ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
কলকাতা

অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি, বাংলার সীমান্তে কী বদল আসছে?

২০২৬ সালের এপ্রিল মাসেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট হবে বলে সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার বঙ্গভূমি মঞ্চ থেকে তিনি জানিয়ে দেন, ওই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে জয় পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। একই সঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া বার্তা দেন তিনি। অমিত শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি তিনটি আসন থেকে ৭৭টি আসনে পৌঁছেছে। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ পরিবর্তন এবং সুশাসন চাইছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই এক রাজনৈতিক নেতার এভাবে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এ দিন ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলায় বিজেপির রাজনৈতিক যাত্রাপথের খতিয়ান তুলে ধরেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি পেয়েছিল ১৭ শতাংশ ভোট এবং দুটি আসন। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল ১০ এবং আসন ছিল তিনটি। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে তা বেড়ে হয় ৪১ শতাংশ ভোট এবং ১৮টি আসন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পায় ৩৮ শতাংশ ভোট ও ৭৭টি আসন। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল ৩৯ এবং আসন ছিল ১২টি। অমিত শাহের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জিতে বাংলায় সরকার গঠন করবে বিজেপি।ভাষণে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া অবস্থান নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলার সীমান্ত দিয়ে যে অনুপ্রবেশ হচ্ছে, তা শুধু পশ্চিমবঙ্গের সমস্যা নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাঁর বক্তব্য, বাংলায় এমন শক্ত সরকার দরকার যারা অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যাতে কোনও মানুষ তো দূরের কথা, একটি পাখিও অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোতে না পারে।মঙ্গলবার ভাষণের শুরুতেই বাঙালির আবেগের প্রসঙ্গ টানেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এই দিনেই ১৯৪৩ সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু পোর্ট ব্লেয়ারে প্রথম স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে সিন্ডিকেট প্রসঙ্গও তোলেন শাহ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল বিজেপি সরকার গঠন করলে বাংলার গৌরব ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটবে। তিনি বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের বাংলা গড়ে তোলা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতায় এক ধাক্কায় নামল পারদ! ডিসেম্বরে ফের ‘কোল্ডেস্ট ডে’, কাঁপছে শহর

ডিসেম্বরের শেষে কলকাতা যেন সত্যিই পেল স্যান্টার উপহার। একবার নয়, বারবার কোল্ডেস্ট ডে-র নজির গড়ল শহর। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই অনেকটা নেমে গেল তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মাপকাঠিতে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বড়দিনের দিন থেকেই যার আভাস মিলছিল, এ দিন তা পুরোপুরি টের পেল শহরবাসী। শুধু কলকাতাই নয়, গোটা রাজ্যের নানা জায়গায় বইছে কনকনে উত্তুরে হাওয়া। শীতের দাপটে সকাল-সন্ধে কার্যত জমে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারও সারা দিন জুড়েই থাকবে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা। তবে এখন যে হিমেল উত্তুরে হাওয়া বইছে, তার গতি ধীরে ধীরে কমতে পারে। নতুন বছরের শুরুতেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব বাড়ছে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা। এর জেরে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমলে তাপমাত্রা আরও নামার গতি কিছুটা থামতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।শহর থেকে জেলা, বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্তত ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কুয়াশা কাটার কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যের বিভিন্ন অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ থেকে ৯৯৯ মিটারের মধ্যে। এর ফলে সকালের দিকে রাস্তাঘাটে চলাচলে সমস্যা বাড়তে পারে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।দক্ষিণবঙ্গে যখন শীত জাঁকিয়ে বসেছে, তখন উত্তরবঙ্গেও কড়া ঠান্ডার দাপট স্পষ্ট। গত এক মাস ধরে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৫ ডিগ্রির আশপাশে। কখনও কখনও তা বেড়ে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছলেও শীতের প্রকোপ কমছে না। ওই সব এলাকায় কুয়াশার দাপটও বেড়েছে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৫০ থেকে ১৯৯ মিটারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে শীত আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

হাড়কাঁপানো হাওয়া, ঘন কুয়াশা আর বরফের আশঙ্কা, বাংলায় শীতের চূড়ান্ত রূপ

বছরের প্রায় শেষ লগ্নে পৌঁছে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে গিয়েছে। উত্তরের দিক থেকে আসা ঝোড়ো ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের দাপট আরও বেড়েছে।সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম। শনিবার ছিল চলতি মরশুমের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন। সেদিন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১২ ডিগ্রির ঘরে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। তবে বছরের শুরুতে ধীরে ধীরে পারদ ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। নতুন বছরে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৪ থেকে ২৫ ডিগ্রির মধ্যে।এই মুহূর্তে কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ থেকে ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে।পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলি যেমন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কলকাতার তুলনায় তিন থেকে চার ডিগ্রি কম তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ওই জেলাগুলিতে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।এদিকে ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কুয়াশার দাপট। আগামী দুদিন দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। বছরের শেষ এবং বছরের শুরুতে কুয়াশা আরও ঘন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দৃশ্যমানতা কমে ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও কঠিন। দার্জিলিঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। সেখানে কুয়াশার প্রভাব অত্যন্ত বেশি। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে ১৯৯ থেকে ৫০ মিটারে নেমে এসেছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শুরুতে দার্জিলিঙ ও কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নতুন বছরের শুরুতে শীতের দাপট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলে শুনানির প্রয়োজন নেই, স্বীকার কমিশনের ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’

এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) প্রক্রিয়ায় বড়সড় বিভ্রান্তির কথা স্বীকার করল নির্বাচন কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চলতি এসআইআরের শুনানির নোটিস পেলে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের আর শুনানিতে হাজির হতে হবে নাএমনই নির্দেশ জানিয়ে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকদের চিঠি পাঠিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর।কমিশন স্পষ্ট করেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের ক্ষেত্রে নো ম্যাপিং দেখালেও সেটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত সমস্যার ফল। কম্পিউটার সিস্টেম বা মোবাইল অ্যাপে তথ্য সঠিকভাবে প্রতিফলিত না হওয়াতেই এই গরমিল তৈরি হয়েছে, যার দায় কোনওভাবেই ভোটারের নয়।সম্প্রতি বহু ভোটার অভিযোগ করেন, ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এবং এবারের এসআইআরে বিএলও-র দেওয়া এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও তাঁদের শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অভিযোগ করেন, ভুল ম্যাপিংয়ের কারণে ভোটারদের নাম বাদ পড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কমিশন জানাল, এমন ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হবে না, এমনকি নোটিস পাঠানোও উচিত নয়। যদি ভুলবশত নোটিস পৌঁছে যায়, তবে ভোটারদের শুনানিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁদের শুধু পুরনো ভোটার তালিকার তথ্য দিলেই চলবে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) ২০০২ সালের ভোটার তালিকার কাগজ দেখে সেই তথ্য যাচাই করবেন।শুধু ডিইও নয়, প্রয়োজনে ইআরও বা এইআরও-রাও এই যাচাই প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকবেন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় নথি অনলাইনে আপলোড করেই বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হবে। প্রয়োজনে বিএলও ভোটারের বাড়িতে গিয়ে ছবি তুলতে পারেন, যা পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে।কমিশন আরও জানিয়েছে, শুধুমাত্র অভিযোগ থাকলে বা প্রকৃত তথ্যগত গরমিল ধরা পড়লেই সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হবে। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপে শুনানির প্রক্রিয়া শুরু হলেও, ২০০২ সালের তালিকাভুক্ত ভোটারদের ক্ষেত্রে এই ত্রুটিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হল।সব মিলিয়ে, এসআইআর নিয়ে চলা বিতর্কের মধ্যেই কমিশনের এই স্বীকারোক্তি রাজ্যের ভোটারদের বড়সড় স্বস্তি দিচ্ছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

বছরের শেষের দিনে তীব্র শীত, কলকাতা ও পশ্চিম জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নেমে ৮-১২ ডিগ্রি

বছরের শেষের দিনগুলোতে রাজ্যে কড়া শীতের আমেজ বিরাজ করছে। কলকাতার তাপমাত্রা লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। পশ্চিম জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই পরিস্থিতি আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার প্রভাব রয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। বড়দিনের পর থেকেই রাজ্যে শীতের থাবা স্পষ্ট। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭-১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে, উপকূলীয় জেলাগুলিতে ১১-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।২৫ ডিসেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি। এরপর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। আজ শনিবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি, গতকালের দিনের সর্বোচ্চ ছিল ২১.২ ডিগ্রি। মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গজুড়ে ঘন কুয়াশার জন্য আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ ও আগামীকাল রবিবার পার্বত্য এলাকা সহ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটারের নিচে নামতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে দৃশ্যমানতা থাকবে।কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ ও সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৯-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কলকাতা

“এখন যুদ্ধের সময়”—এসআইআর আবহে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলকে চাঙ্গা করলেন অভিষেক

এসআইআর-এর শুনানি শুরুর আগেই তৃণমূলের অন্দরে কার্যত নির্বাচনী সুর বেঁধে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দলের নেতৃত্বের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, এখন পরিস্থিতি যুদ্ধের মতো। বৈঠকে তিনি বারবার যুদ্ধ শব্দটি ব্যবহার করেন এবং বিপক্ষ হিসেবে বিজেপিকেই চিহ্নিত করেন।অভিষেক বলেন, আগে মানুষ ঠিক করত কে সরকার গড়বে, আর এখন সরকার ঠিক করতে চাইছে কারা ভোট দেবেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাথা নত করলে কেবল মায়ের কাছেই নত করব, আর কারও কাছে নয়।২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট আর খুব দূরে নয়। এসআইআর ঘিরে তৈরি হওয়া আবহেই কার্যত ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সেই প্রেক্ষিতেই ২০২১ সালের নির্বাচনের মডেলকেই সামনে আনতে চাইছেন অভিষেক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঠাসা কর্মসূচি, একেবারে বুথ স্তরে গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগএই কৌশলের উপর জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকেই শুরু হচ্ছে তৃণমূলের উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচি। প্রায় ৮০ হাজার বুথে ঘুরে ঘুরে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরবেন দলের কর্মীরা। বুথ স্তরে জনসংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মকর্তাদের বাড়িতে গিয়ে কথাবার্তা বলার মতো কর্মসূচির কথাও উঠে এসেছে বৈঠকে।একদিকে যখন এই কর্মসূচি চলবে, অন্যদিকে সমান্তরালভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলকে চাঙ্গা রাখতে এবং ভোটের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করতেই এই দ্বিমুখী কৌশল বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।বৈঠকে অভিষেক আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীরা হারছে এবং বিজেপি জিতছে। এই পরিস্থিতিতে এক মুহূর্তও শিথিলতা দেখালে বিপক্ষ সুযোগ নেবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, এখন বিশ্রামের সময় নয়, এখন লড়াইয়ের সময়। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই এই কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বড় পদক্ষেপ, সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুনানি

রাত পোহালেই শুরু হতে চলেছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ। শনিবার সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুরু হবে শুনানি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধাপে প্রায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূলত যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নো ম্যাপিং হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের কাছেই নোটিস পাঠানো হয়েছে।শুনানির সময় ভোটারদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হবে। জমা দেওয়া নথি দেখে সন্তুষ্ট না হলে সেগুলি আরও ভালো করে খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় আটটি করে জায়গায় শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একাধিক স্কুল ও সরকারি অফিসে এই শুনানি হবে।শুনানির দায়িত্বে থাকবেন ইআরও এবং এইআরও পদমর্যাদার আধিকারিকরা। একটি ভেন্যুতে এক দিনে সর্বাধিক ১৫০ জন ভোটারের শুনানি নেওয়া হবে। কলকাতায় বেলতলা গার্লস স্কুল, আলিপুর মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুলে শুনানি হবে। এছাড়াও লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, লরেটো ডে স্কুল, মর্ডান হাইস্কুল ফর গার্লস, মৌলনা আজাদ মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল, ভবানিপুর গার্লস হাইস্কুল এবং হরিমোহন ঘোষ কলেজে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও একইভাবে শুনানি চলবে। তবে কোনও পৌরসভা বা পঞ্চায়েত অফিসে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়নি।শুনানিতে হাজির হওয়ার সময় ভোটাররা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারবেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার দেওয়া পরিচয়পত্রও গ্রহণযোগ্য। এছাড়া পেনশন পেমেন্ট কার্ড, ১৯৮৭ সালের আগে ইস্যু হওয়া পরিচয়পত্র বা শংসাপত্র, জন্মের সার্টিফিকেট, ভারতের পাসপোর্ট, মাধ্যমিক স্তরের সার্টিফিকেট, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত নথি, রাজ্যের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্রও দেখানো যেতে পারে। যেখানে এনআরসি চালু হয়েছে, সেখানকার শংসাপত্রও গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি রাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি ফ্যামিলি রেজিস্টার, সরকারি জমির নথি বা বাড়ির দলিলও দেখানো যেতে পারে।নির্দিষ্ট দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে চিন্তার কারণ নেই। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপযুক্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য কারণ দেখাতে পারলে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

লাইভ মঞ্চে লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত, ওসির ভূমিকা নিয়েও তদন্ত

লাইভ পারফরম্যান্স চলাকালীন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক মহল। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে একটি বেসরকারি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করতে গিয়ে এই ঘটনার মুখে পড়েন তিনি। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার নাম তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায় ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুল প্রাঙ্গণে। অভিযোগ অনুযায়ী, লগ্নজিতা চক্রবর্তী যখন জাগো মা গানটি পরিবেশন করছিলেন, তখন অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা ও ওই স্কুলের মালিক মেহবুব মল্লিক আচমকাই মঞ্চে উঠে আসেন। শিল্পীর অভিযোগ, তিনি গালিগালাজ করেন এবং চিৎকার করে বলেন, অনেক হয়েছে জাগো মা, এবার কিছু সেকুলার গান গাও। পাশাপাশি মারধরের হুমকি ও শারীরিকভাবে আক্রমণের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ।পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অনুষ্ঠান কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে লগ্নজিতা চক্রবর্তী ভগবানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, প্রথমে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর মামলা রুজু হয় এবং অভিযুক্ত মেহবুব মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভগবানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আরও এক পুলিশকর্মীর ভূমিকা নিয়েও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের গাফিলতির প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তীব্র হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা অভিযোগ করেন, একজন শিল্পী কি গান গাইবেন, সেটাও শাসক দলের লোক ঠিক করে দিচ্ছে। এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি আরও দাবি করেন, পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।লাইভ মঞ্চে একজন শিল্পীর গান বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা এই প্রশ্ন এখন আর শুধু ব্যক্তিগত অভিযোগে সীমাবদ্ধ নয়। সাংস্কৃতিক পরিসরে মতপ্রকাশের অধিকার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব সব মিলিয়ে এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

শোভনদেবকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে চাওয়ায় ফের আলোচনায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

কখনও তৃণমূলের মন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম আবার কখনও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য....। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির আয়োজিত রক্তদান শিবিরেও ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি প্রণাম জানানোর প্রসঙ্গ তুলতেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক।মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কে শুনে আসছেন, কিন্তু কখনও কাছ থেকে সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। সেই আবেগ থেকেই তিনি প্রকাশ্যে মন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতে চান বলে জানান। বক্তব্য থামিয়ে তিনি এগিয়ে যেতেই মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘুরে যায়।উপাচার্যের সৌজন্যমূলক উদ্যোগের জবাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই এগিয়ে এসে তাঁর হাত ধরে ফেলেন। মন্ত্রী বলেন, তাঁর পরিবারে বহু শিক্ষক রয়েছেনস্ত্রী, পুত্রবধূ থেকে শুরু করে প্রয়াত বাবাও শিক্ষক ছিলেন। সেই কারণে তিনি শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাশীল। পায়ে হাত না দিয়ে হাতজোড় করেই প্রণাম জানানো যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর কথাতেই উপাচার্য হাতজোড় করে প্রণাম করেন এবং শোভনদেবও একইভাবে সৌজন্য প্রদর্শন করেন।তবে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথ। এক অনুষ্ঠানে ক্রিকেট আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। সেই সময় সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর জীবনে মা, স্ত্রী ও কন্যার ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও তাঁর কার্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্মে ধর্মের উল্লেখ, সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্য, রাজ্য সরকারের মনোনীত রেজিস্ট্রারকে অপসারণ, শাসকদলের বিধায়কের প্রশংসা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গণেশ পুজোর আয়োজনপ্রতিটি বিষয়ই কমবেশি বিতর্ক তৈরি করেছে।সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের এই প্রণাম-প্রসঙ্গ নতুন করে উপাচার্যের ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিতর্কের তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যোগ হলো বলেই মনে করছেন অনেকে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার পৌরপতি পরেশ চন্দ্র সরকার সহ তৃণমূলের বিশেষ পদাধিকারিকেরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

৫৮ লক্ষ ভোটার বাদ! প্রকাশ্যে বাংলার খসড়া তালিকা, দেখে নিন আপনার নাম আছে তো?

প্রকাশিত হল বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের খসড়া তালিকা। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে নাম বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার নাগাদ এই খসড়া প্রকাশ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই, সকাল সোয়া ৯টার মধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হয়।খসড়া তালিকা এবং নাম বাদের তালিকাদুটিই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। অনেকটা ২০০২ সালের ভোটার তালিকার মতোই এবারও নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গেলেই জানা যাবে কার নাম রয়েছে, আর কার নাম বাদ পড়েছে।নাম বাদের তালিকা দেখতে হলে ভোটারদের যেতে হবে ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR ওয়েবসাইটে। সেখানে ঢুকলেই তিনটি আলাদা অপশন দেখা যাবে। প্রথমটি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ, দ্বিতীয়টি বিধানসভা ভিত্তিক নাম বাদের তালিকা এবং তৃতীয়টি বিএলও ও বিএলএ সংক্রান্ত তথ্য।যাঁরা এপিক নম্বর দিয়ে খোঁজ করতে চান, তাঁদের ভোটার কার্ডে থাকা নম্বরটি দিতে হবে। যদি নাম বাদ না গিয়ে থাকে, তাহলে সার্চের পর কোনও তথ্য দেখা যাবে না। তবে নাম বাদ পড়ে থাকলে সেই তথ্য স্ক্রিনে উঠে আসবে।বিধানসভা ভিত্তিক তালিকা দেখতে হলে প্রথমে নিজের জেলা এবং তারপর বিধানসভা কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলির তালিকা দেখা যাবে। সেখানে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলেই জানা যাবে কোন ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে এবং কী কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খসড়া তালিকা থেকে আপাতত প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২ জন। নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ভুয়ো ভোটার হিসেবে বাদ পড়েছেন ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন। এছাড়া অন্যান্য কারণে বাদ গিয়েছে আরও প্রায় ৫৭ হাজার নাম।এছাড়াও ভোটাররা চাইলে নির্বাচন কমিশনের আরেকটি ওয়েবসাইট voters.eci.gov.in-এ গিয়েও নিজেদের নাম যাচাই করতে পারবেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হওয়া হল না মুখ্যমন্ত্রীর! সম্মতি মিলল না রাষ্ট্রপতির

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিলে সম্মতি দিলেন না রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে রাজ্য-সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য বা চ্যান্সেলর পদে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার যে প্রস্তাব ছিল, তা কার্যকর হল না রাষ্ট্রপতির অনুমোদন না পাওয়ায়।রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ এপ্রিল ২০২৪ পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন (সংশোধনী) বিল ২০২২ রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত রেখেছিলেন রাজ্যপাল। ওই বিলে রাজ্যের সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাব ছিল। একই দিনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধনী) বিল ২০২২-ও রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়। সেই বিলে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আমির-ই-জামিয়া বা চ্যান্সেলর পদে রাজ্যপালের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। তবে দুই ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রপতি ওই সংশোধনী বিলে সই করেননি।বর্তমানে রাজ্যের সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মূল আইনে স্পষ্ট ভাবে বলা রয়েছে, রাজ্যপাল তাঁর পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হবেন। সেই আইনি অবস্থান মাথায় রেখেই রাষ্ট্রপতি এই দুই সংশোধনী বিলে সম্মতি দেননি বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়েই চ্যান্সেলর পদে আপাতত কোনও বদল হচ্ছে না।প্রসঙ্গত, নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য পদে রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিধানসভায় বিল পাশও হয়। পরে তৎকালীন রাজ্যপাল সেই বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। তবে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির অনুমোদন না মেলায় সেই আইন কার্যকর হল না।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

কাঁপুনি ধরাচ্ছে শীত! কলকাতা থেকে দার্জিলিঙে তাপমাত্রা নামছে আরও

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পৌঁছতেই দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ স্পষ্ট। সকাল ও রাতের দিকে ঠান্ডা হাওয়ায় কাঁপছে শহর থেকে জেলা। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে শীত আরও তীব্র আকার নিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন রাজ্য জুড়েই একই রকম আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাপমাত্রা আরও সামান্য নামতে পারে।ডিসেম্বরের শুরু থেকেই বাংলায় শীতের উপস্থিতি টের পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মাসের তৃতীয় সপ্তাহেও এই শীতের আমেজ অটুট থাকবে। আগামী সাত দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত বড় কোনও তাপমাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। কলকাতার আকাশ বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার থাকবে। সকালে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে, তবে বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশপাশে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।শনিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৮ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.২ ডিগ্রি কম। আপাতত রাজ্যে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট আরও বেশি। শৈলশহর দার্জিলিঙে তাপমাত্রা নেমেছে ৪ ডিগ্রির ঘরে। উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলায় ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের নিচের জেলাগুলি যেমন মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি! ওড়িশায় বর্ধমানের চার যুবককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেনস্তা

ওড়িশায় ফুলগাছের চারা বিক্রি করতে গিয়ে অপমান ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর চার যুবক। অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে তাঁদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কে পরিবারগুলি।পাণ্ডবপাড়ার বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন শেখ, বাপন শেখ, সাগর শেখ ও শাহজাহান শেখ নিয়মিত ভিনরাজ্যে গিয়ে ফুলগাছের চারা বিক্রি করেন। এ বার ওড়িশার খুরদা রোডে পৌঁছতেই বিপত্তি। স্থানীয় কিছু লোক বাংলায় কথা বলতে শুনেই তাঁদের বাংলাদেশি বলে দাবি করে। চারজনের কাছেই বৈধ পরিচয়পত্র থাকলেও তাতে কর্ণপাত হয়নি। অভিযোগ, তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব, এমন হুমকিও দেওয়া হয়।সাহাবুদ্দিনের ভাই সিরু শেখ বলেন, পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানকার বিজেপি-সমর্থক কয়েকজন চেপে ধরে দাদাদের নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। প্রচণ্ড হেনস্তা করা হয়।এই খবর পূর্বস্থলী পৌঁছতেই তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় স্থানীয় থানার মাধ্যমে খুরদা রোড থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই যুবকদের মুক্তি মেলে। বিধায়ক বলেন, বাঙালি দেখলেই বিজেপির নেতৃত্বে হেনস্তা করা হচ্ছে। যোগাযোগ করে ওদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে।ঘটনার পর ভিনরাজ্যে যেতে ভয় পাচ্ছেন এখানকার চারা বিক্রেতারা। নার্সারি মালিকদের বক্তব্য, ওড়িশায় ফুলের চারা ভালো বিক্রি হয়। কিন্তু এ ঘটনার পর কেউ আর যেতে রাজি নন। ফুলচাষি হেকমত আলি খাঁ বলেন, বাংলা বললেই অপমান। তাই বিজেপি-শাসিত রাজ্যে যেতে ভয় লাগছে। এতে আমাদের বড় সমস্যা তৈরি হচ্ছে।যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, অভিযোগ সত্যি কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, এমন ঘটনা সম্পর্কে কোনও তথ্য তাঁদের কাছে নেই।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

শীত হানা দিল! কলকাতায় পারদ নামল ১৪-তে, উত্তরবঙ্গে টেক্কা কোচবিহারের—কুয়াশায় ঢাকছে গোটা বাংলা

বছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শীত যেন আরও জাঁকিয়ে বসছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগে থেকেই জানিয়েছিল, সপ্তাহের শেষদিকে তাপমাত্রা কমবে গোটা বাংলায়। শুক্রবার সেই পূর্বাভাস মিলল হুবহু। কলকাতায় সকালে জমাট ঠান্ডা অনুভূত হলো, আর পারদ নেমে এল ১৪.৮ ডিগ্রিতে।আজ শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরেই ঘুরপাক খাবে। দমদমেও নেমেছে ১৪ ডিগ্রি। শ্রীনিকেতন ও বহরমপুরে তাপমাত্রা নামছে ১১ ডিগ্রির কাছে। উত্তরের জেলাগুলিতে ঠান্ডা আরও কড়াকালিম্পং যেখানে ৯.৫ ডিগ্রি, সেখানে তাকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে কোচবিহার, পারদ নেমেছে ৯.২ ডিগ্রিতে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আপাতত ৪-৫ দিন রাজ্যে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। উত্তর ভারত থেকে আসা ঠান্ডা হাওয়া প্রবল হওয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে। আগামী সাত দিনে তাপমাত্রা খুব বেশি বদলাবে না, সর্বোচ্চ ওঠানামা ১ ডিগ্রি।কলকাতায় আজ আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকালবেলায় হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যাবে, পরে সূর্য উঠতেই মিলিয়ে যাবে। সারাদিন শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকবে, বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকাল-সন্ধ্যায় বাড়তি শীত অনুভূত হবে। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৮ ডিগ্রি, আর সর্বোচ্চ ২৫.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৪৩ থেকে ৯৩ শতাংশ।দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে থাকতে পারে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে কুয়াশার ঘনঘটা বেশি থাকবে। উপকূলের জেলাগুলিতেও সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দৃশ্যমানতা কিছু জায়গায় কমবে ঠিকই, তবে ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। পুরো সপ্তাহই উত্তুরে হাওয়ার দাপটে শীত থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে শীত আরও কড়া। চারটি জেলায় ঘন কুয়াশার চাদর নামতে পারে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ মিটারে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের ও উপকূলবর্তী কিছু জেলাতেও হালকা-মাঝারি কুয়াশা থাকবে পরপর কয়েকদিন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—ভোটার তালিকায় নাম চান রাজ্যপাল, আলোড়ন রাজ্যে

রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বাংলার ভোটার হতে শেষ মুহূর্তে আবেদন করলেন। বৃহস্পতিবার এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিনেই লোকভবনে গিয়ে বিএলও এবং সুপারভাইজারদের হাতে আবেদনপত্র তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, তিনি বাংলার দত্তক সন্তান হতে চান। রবীন্দ্রনাথের বাংলায়, নেতাজির আদর্শে বড় হওয়া বাংলার সঙ্গে মানসিক ভাবে যুক্ত থাকতে চান তিনি। নিজে বোস পদবীর মানুষএই বাংলার ভোটার হওয়ার ইচ্ছা তাঁর অনেক দিনের।চৌরঙ্গী বিধানসভার ১৬২-র ৩৮ নম্বর পার্টের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নাম তোলা হবে। আজ সকালে ওই এলাকার বিএলও গৌরাঙ্গ মালাকার রাজ্যপালের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও ফর্ম নেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুপারভাইজার অশোক তিওয়ারি ও জয়ন্ত ঘোষ। গৌরাঙ্গবাবু জানান, আগেই তাঁরা ফর্ম দিয়ে গিয়েছিলেন। এবার রাজ্যপাল নিজে নতুন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছেন।রাজ্যপাল হয়ে বাংলায় এসে আনন্দ বোস বারবারই জানিয়েছেন, বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর গভীর টান আছে। বাংলা শেখার চেষ্টা করেছেন, সরস্বতী পুজোয় রাজভবনে হাতে খড়িও নিয়েছেন। তাঁর দায়িত্বের শুরুতে রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল, রাজভবন ও রাজ্যের সম্পর্ক হয়তো স্বাভাবিক থাকবে। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং সেই সম্পর্কে ভাঙন দেখা দেয়।প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি কেরলের ভোটার হওয়ায় বাংলার ভোটার হতে চান না। কিন্তু পরে মত বদলে তিনি আগ্রহ দেখান। নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যপাল চাইলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভোটার হতে পারেন। শুধু লোকভবন থেকে নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি গেলেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যোগ হয়। সাধারণ নাগরিকের মতো যাচাইপ্রক্রিয়াও নেই।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 60
  • 61
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদেশি প্রতিযোগীদের টেক্কা দিয়ে সাফল্য, আন্তর্জাতিক ক্যারাটে মঞ্চে গুসকরার জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ফের উজ্জ্বল হল পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার নাম। কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দশম আন্তর্জাতিক ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য পেল গুসকরার একটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিদেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে একসঙ্গে ৩১টি পদক জয় করেছেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১৬ জন প্রতিযোগী।গত ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গুসকরার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা মোট ৩১টি ইভেন্টে অংশ নেন। তাঁদের ঝুলিতে এসেছে ৫টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ১৮টি ব্রোঞ্জ পদক। এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে গুসকরা জুড়ে।স্বর্ণপদক জয়ীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রেয়াঙ্ক মুর্মু, অন্যরা সাউ, সৌরদীপ অধিকারী এবং অরণ্যা দত্ত। তাঁদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাকি প্রতিযোগীরাও বিভিন্ন ইভেন্টে সাফল্য অর্জন করে গুসকরার ক্রীড়াক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা-সহ সাতটিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। ফলে এমন একটি প্রতিযোগিতার মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই সাফল্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জেলার ক্রীড়ামহলের সঙ্গে যুক্তরা।প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্ণধার তথা প্রধান প্রশিক্ষক সেনসাই পার্থ সারথী পাল বলেন, গুসকরা থেকে এই প্রথম এত সংখ্যক প্রতিযোগী আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করল। তাঁর মতে, ক্যারাটেকে শুধুমাত্র পদক জয়ের খেলা হিসেবে দেখলে চলবে না। শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো, আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো, শৃঙ্খলাবোধ তৈরি, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলাই এই খেলার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।অভিভাবকরা যদি সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সন্তানদের ক্যারাটে প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করেন, তাহলে আগামী দিনে আরও বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, গুসকরার এই সাফল্য কোনও একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাফল্য নয়। এটি গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলার গর্ব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স আগামী দিনে জেলার ক্যারাটে চর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের মেলে ধরার ক্ষেত্রে এই সাফল্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘মেসি’ হয়ে ওঠার নেপথ্যের মানুষ আর নেই, প্রয়াত জর্জ মেসি

৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন লিওনেল মেসির বাবা জর্জ মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মেসির পরিবারের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলেজর্জ মেসি শুধু লিওনেল মেসির বাবা ছিলেন না, ছেলের দীর্ঘদিনের এজেন্ট ও পরামর্শদাতাও ছিলেন। মেসির ফুটবলজীবনের শুরু থেকে তাঁর পাশে ছিলেন জর্জ। ছেলের প্রতিভার উপর আস্থা রেখে ছোটবেলা থেকেই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।রোজারিওতেই ছোটবেলায় ফুটবলের হাতেখড়ি হয়েছিল মেসির। নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে খেলার সময় তাঁর প্রতিভা নজর কাড়ে। শারীরিক বৃদ্ধির জন্য হরমোনের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল মেসির। সেই পরিস্থিতিতে ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে জর্জই তাঁকে নিয়ে স্পেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বার্সেলোনায় মেসির ফুটবলজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।ছেলের সঙ্গে বার্সেলোনায় থেকেছেন জর্জ। মেসির পেশাদার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সাঁ জাঁ এবং ইন্টার মায়ামিমেসির ক্লাবজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাবার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।শুধু ফুটবল নয়, মেসির ব্যক্তিগত জীবনেও বাবার প্রভাব ছিল গভীর। কঠিন সময়েও জর্জ ছেলের পাশে থেকেছেন। তাই মেসির জীবনে জর্জ ছিলেন একইসঙ্গে বাবা, অভিভাবক, পরামর্শদাতা এবং দীর্ঘদিনের পেশাদার প্রতিনিধি।চলতি বছর বিশ্বকাপের সময় থেকেই জর্জের অসুস্থতার খবর সামনে আসতে শুরু করেছিল। মেসিও একসময় জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে তিনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। পরে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষ হল জর্জ মেসির।মেসির ফুটবলজীবনের উত্থানের সঙ্গে জর্জের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ছেলের প্রতিভায় বিশ্বাস রেখে যে মানুষটি তাঁর পথচলার শুরু থেকে পাশে ছিলেন, তাঁর প্রয়াণে মেসির জীবনে তৈরি হল এক গভীর শূন্যতা। ফুটবল দুনিয়াতেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
ভ্রমণ

সিকিমের অফবিট সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে জুলুক থেকে জোংগু, ঘুরে এলে মন চাইবে বারবার

ব্যস্ত শহরের কোলাহল, কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি আর প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপ থেকে কিছুদিনের জন্য মুক্তি পেতে আমরা কয়েকজন বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম ভারতের উত্তর-পূর্বের ছোট্ট অথচ অপরূপ সুন্দর রাজ্য সিকিমের উদ্দেশ্যে। পাহাড়, মেঘ, ঝরনা আর সবুজ প্রকৃতির টানে বহুদিন ধরেই সিকিম আমাদের স্বপ্নের গন্তব্য ছিল।শিলিগুড়ি থেকে গাড়িতে চড়ে যখন সিকিমের পথে যাত্রা শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম এক অন্য জগতে প্রবেশ করতে চলেছি। তিস্তা নদী আমাদের পথসঙ্গী হয়ে বয়ে চলছিল। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা, দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়ের সারি আর নদীর কলকল শব্দ যেন মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিল।গ্যাংটক পৌঁছে আমরা প্রথমেই শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং শৃঙ্খলা দেখে মুগ্ধ হলাম। তবে আমাদের আসল লক্ষ্য ছিল সিকিমের কিছু অফবিট বা কম পরিচিত স্থান ঘুরে দেখা। তাই পরদিন সকালে আমরা রওনা দিলাম জুলুকের উদ্দেশ্যে। পূর্ব সিকিমের এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি পর্যটকদের কাছে এখনও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত। পথে বিখ্যাত জিগজ্যাগ রোডের ৩২টি বাঁক দেখে আমরা অভিভূত হয়ে গেলাম। পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচের রাস্তা দেখতে যেন বিশাল কোনো শিল্পকর্মের মতো লাগছিল।জুলুকের ঠান্ডা আবহাওয়া আর নিস্তব্ধ পরিবেশ আমাদের মন জয় করে নিল। রাতের আকাশে অসংখ্য তারার মেলা দেখে মনে হচ্ছিল যেন স্বর্গের খুব কাছাকাছি এসে গেছি। শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে এই অভিজ্ঞতা সত্যিই ছিল অসাধারণ।পরের দিন আমরা গেলাম থাম্বি ভিউ পয়েন্টে। ভোরবেলায় সূর্যের প্রথম আলো যখন কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফঢাকা শৃঙ্গে পড়ল, তখন সেই দৃশ্য ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। সোনালি আলোয় ঝলমল করা পর্বতশ্রেণি আমাদের চোখে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে রইল।এরপর আমরা উত্তর সিকিমের এক সুন্দর অফবিট গ্রাম জোংগুতে পৌঁছালাম। এটি লেপচা সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত এলাকা। এখানকার মানুষজন অত্যন্ত আন্তরিক এবং অতিথিপরায়ণ। তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাপন এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করল। ছোট ছোট কাঠের বাড়ি, পাহাড়ি ঝরনা এবং সবুজ বনভূমির মধ্যে কয়েকটি দিন কাটিয়ে মনে হলো প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক অপূর্ব সহাবস্থান প্রত্যক্ষ করছি।জোংগু থেকে ফেরার পথে আমরা কয়েকটি অজানা ঝরনা এবং ছোট পাহাড়ি গ্রামে থামলাম। প্রতিটি স্থান যেন প্রকৃতির নিজস্ব হাতে সাজানো একেকটি চিত্রপট। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও ঝরনার শব্দ, আবার কোথাও শুধুই নীরবতাসব মিলিয়ে সিকিমের প্রকৃতি যেন হৃদয়কে নতুন করে বাঁচতে শেখায়।ভ্রমণের শেষ দিনে আমরা বুঝতে পারলাম, সিকিম শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়; এটি এক অনুভূতির নাম। এখানে পাহাড় শুধু চোখকে নয়, মনকেও ছুঁয়ে যায়। প্রকৃতির এত কাছে এসে জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোর মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।ফেরার পথে গাড়ির জানালা দিয়ে শেষবারের মতো পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, সিকিম যেন নীরবে বলছেআবার এসো। আমরাও মনে মনে প্রতিশ্রুতি দিলাম, এই অফবিট সৌন্দর্যের রাজ্যে আবার ফিরে আসব। কারণ সিকিমের মায়া একবার যার মনে জায়গা করে নেয়, তাকে বারবার টেনে নিয়ে যায় তার সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর মেঘের দেশে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘রাজনীতিটাই জটিলতা’, শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে বড় বার্তা দুই সাংসদের

এনডিএ-তে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শনিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপিআইয়ের দুই সাংসদ আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে তাঁদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন তাঁরা। আবু তাহের জানান, এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে তাঁরা যাবেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতিটাই জটিলতা। প্রতিদিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলছি।এনসিপিআইয়ের মোট ২০ জন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তিন সাংসদের নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁদের বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।এই তিন সাংসদ এখনও পর্যন্ত এনডিএ-র বিভিন্ন বৈঠক থেকে দূরে থেকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়। তার পরেই শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়।পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন দুই সাংসদ। বৈঠকে তাঁদের রাজ্য এবং নিজ নিজ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেন দুই সাংসদ।বৈঠকের পর আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান জানান, তাঁদের উত্থাপিত সমস্যাগুলি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এনডিএ-র সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা পুরোপুরি থামেনি।বিশেষ করে তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই আবু তাহেরের এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে যাব না মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি এবং তার পরেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎদুই ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে রাজনৈতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে পুলিশের অভিযান, দত্তপুকুর থেকে পাকড়াও নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক

নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে তোলা হবে।২০২৪ সালের উপনির্বাচনে নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন সনৎ দে। তবে তার আগে থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং জমি দখলের অভিযোগ ছিল বলে জানা যায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। এরপর সনৎ দে-র বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে দত্তপুকুরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে গত জুন মাসে জনরোষের মুখেও পড়েছিলেন সনৎ দে। নৈহাটির বিজয়নগরে নিজের বাড়ির কাছে দলীয় কার্যালয় খোলার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ সামনে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা সেই অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখছেন। সব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।শুক্রবার গভীর রাতে গ্রেফতারের পর শনিবার সনৎ দে-কে বারাকপুর আদালতে পেশ করার কথা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে পুলিশ কী তথ্য পায় এবং আদালতে কী অবস্থান জানায়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal