• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bangla Pokkho

কলকাতা

Bangla Pokkho: সিনেমা হলের প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে স্বাক্ষর বিশিষ্ঠ শিল্পী-পরিচালকদের

বাংলা সিনেমা বাংলা তথা বিশ্বের গর্ব। বাংলায় একের পর এক কালজয়ী সিনেমা তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম বাংলা সিনেমা। কিন্তু দুঃখের কথা হল অধিকাংশ বাঙালি পরিচালকরা জানান, বাংলা সিনেমা হল পাচ্ছে না। যে বাংলার চিত্র জগতের প্রবাদপ্রতিম সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক, উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সুচিত্রা সেন এর মতো তারা-রা সারা ভারত বর্ষের আকাশকে আলোকিত করে ছিলো সেই বাংলা সিনেমাকে বাংলার সিনেমা হলে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না! জায়গা পেলেও প্রাইম টাইমে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বলিউডি সিনেমার কাছে বাংলা সিনেমার পেরে ওঠা সম্ভব নয়। তাই বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি নিয়ম ও সাহায্য খুবই প্রয়োজন।দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রের মত রাজ্যগুলোতে এ-বেপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়। নানা রাজ্যে প্রাইম টাইমে সেই রাজ্যের সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক। বাংলাতেও একই নিয়ম কার্যকর করার দাবি করা হয়েছে। নিজের মাটিতেই কেন বঞ্চিত হবেন অভিনেতা-অভিনেত্রী- পরিচালক ও কলাকুশলীরা?বাংলার সমস্ত সিনেমা হলে প্রতিদিন প্রাইম টাইমে ৫০ শতাংশ স্লটে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করা হোক এমনই আবেদন করজোড়ে বাংলা পক্ষ-র তরফে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।বাংলার সব সিনেমা হলে প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করতে হবে- এই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা বাংলা পক্ষ-র চিঠিতে সই করলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক অরিন্দম শীল, অরিন্দম ভট্টাচার্য, শৈবাল মিত্র, জেনি দীপায়ন, অমিতাভ ভট্টাচার্য, সৌম্য সেনগুপ্ত এবং অভিনেতা রজতাভ দত্ত, স্বনামধন্য পরিচালক গৌতম ঘোষও। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য, অয়ন চক্রবর্তীও সই করেছেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে জানানো হয় আরও অনেক বিশিষ্ট মানুষ এই চিঠিতে সই করবেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বাংলা পক্ষর আন্দোলনে বড় সাফল্য, পোস্ট অফিসে পাওয়া যাবে বাংলা ভাষায় পরিষেবা

বাংলা পক্ষ-র পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। এখন থেকে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানিগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানিগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে বাংলা পক্ষ-র লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশের দাবিতে ও বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষ উত্তর ২৪ পরগনা শিল্পাঞ্চল শাখার পথসভা

বর্তমান ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটা রাজ্যই তাদের রাজ্যের ভূমিপুত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে সমস্ত কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের পথে হাঁটছে। কর্নাটক, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, এমনকি গুজরাতেও ভূমিপুত্র সংরক্ষণের আইন পাশ হয়েছে বা আইন পাশের ঘোষণা হয়েছে। সমস্ত পরিসংখ্যান বলে বাংলায় কাজ আছে, বাঙালি-সহ ভূমিপুত্রদের কাজ নেই।পাশাপাশি, বিজেপি সাংসদ জন বার্লা, বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা, সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি বিধায়ক গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা-সহ একাধিক নেতা বারবার বাংলা ভাগের পক্ষে সওয়াল করেছেন ও ক্রমাগত উস্কানি দিয়েছেন। তাই অন্যান্য রাজ্যের মতো বাংলাতেও অবিলম্বে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশের দাবিতে এবং বাংলা ভাগের ঘৃণ্য চক্রান্তের বিরুদ্ধে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ যে লড়াই লড়ছে তারই অংশ হিসেবে বাংলা পক্ষ উত্তর ২৪ পরগণা শিল্পাঞ্চল শাখার উদ্যোগে ২৬শে ডিসেম্বর, ২০২১( রবিবার )বেলা ২-৩০ টেয় সোদপুর স্টেশনের ১ নং প্ল্যাটফর্মের দিকে সংহতি ক্লাবের সামনে থেকে শুরু করে আগরপাড়া ঘোষপাড়া মোড় পর্যন্ত একটি মিছিল ও মিছিল শেষে এক পথসভার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।এই সভায় বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদের অন্যতম সদস্য ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, মনন মণ্ডল-সহ বিভিন্ন জেলা সংগঠনের সম্পাদক ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।উক্ত সভায় বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলার সব চাকরিতে বাঙালী-সহ ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকার আছে। কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক সভায় বাংলার কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু শুধু মুখের কথায় কাজ হবে না, বাংলা পক্ষ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই থামাবে না। তিনি আরো বলেন, অন্যান্য রাজ্যের মত বাংলার সব সরকারি চাকরিতে অবিলম্বে বাংলা ভাষার লিখিত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদের অন্যতম সদস্য মনন মণ্ডল বলেন, বাংলা ভাগের সমস্ত চক্রান্তের বিরুদ্ধে বাঙালীকে একজোট করে এই চক্রান্ত ব্যর্থ করবে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, উত্তর ২৪ পরগণা শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে ভূমিপুত্র কে কাজে নেওয়া হয় না, বাইরের রাজ্য থেকে কর্মী নিয়ে আসা হয়। তাই ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন চালু না হওয়া পর্যন্ত বাংলা পক্ষ উত্তর ২৪ পরগণা শিল্পাঞ্চল লড়াই চালিয়ে যাবে। আগামীতে আরো বড় কর্মসূচির পরিকল্পনা আছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বঞ্চিত ভূমিপূত্রদের অধিকারের দাবিতে বাংলা পক্ষর হাওড়া জেলার সাংগঠনিক সমাবেশে

রবিবার হাওড়ার সালকিয়া সুইমিং পুলের ক্লাবে হাওড়া জেলা বাংলা পক্ষর জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাঝি, অমিত সেন, মনন মণ্ডল, এবং সোয়েব আমিন। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা হুগলির সম্পাদক দর্পণ ঘোষ ও উঃ ২৪ পরগণা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় উপস্থিত ছিলেন। হাওড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলা পক্ষর কয়েকশো সহযোদ্ধা সমর্থকরা উপস্থিত হয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগেরসমাবেশে যে যে বিষয়ে আলোচনা হয় তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল, অন্য রাজ্য থেকে এসে হাওড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাঙালিদের বেদখল করে এলাকা দখল করছে বহিরাগতরা, হাওড়ার বিভিন্ন কারখানায় ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওডিশা এসে লোক এসে কাজ দেওয়া হচ্ছে, হাওড়া পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার পদগুলো বহিরাগতরা দখল করছে, পুরসভার চাকরি টেন্ডার, ঠিকাকাজ, হকারিস্পট, অটোলাইল, টোটোলাইন বহিরাগতরা দখল করছে ইত্যাদি।হাওড়া জেলায় হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির তীব্র নিন্দা জানান অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। হাওড়ার বিভিন্ন স্কুলে আমিষ খেতে না দেওয়ার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন কৌশিক মাইতি। আগামী দিনে বাংলা পক্ষ হাওড়া জেলা স্থানীয় জমি, চাকরি, বাজার, ব্যাবসা, হকারিস্পট-সহ অর্থ উপার্জনের সব ক্ষেত্র বাঙালির হাতে ফেরানোর জন্য লড়াই করবে। আসন্ন পুরভোটে সব কাউন্সিলর যাতে বাঙালি হয় সেই দাবিতে আন্দোলন করবে হাওড়ার সহযোদ্ধারা।আরও পড়ুনঃ প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিনহাওড়ার জেলা সম্পাদক জয়দীপ দে জানান, বাংলা পক্ষর মূল দাবিগুলোর মধ্যে বেসরকারি চাকরিতে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন ও সরকারি চাকরিতে বাংলা ভাষার বাধ্যতামূলক পেপার করার দাবিতে আন্দোলন, জনমত গঠন করার পাশাপাশি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দাবিপত্র পেশ করবে হাওড়া জেলা সংগঠন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে বাংলা পক্ষর সভা কোলাঘাটে

এতদিন বাংলায় হিন্দু-মুসলিম, তপসিলি জাতি-উপজাতি-সহ জাতপাতের ভোট ব্যাংক নিয়ে লড়াই চলছে। এবার বাংলার ভূমিপুত্রদের সংরক্ষণের দাবিতে কোলাঘাটে জনসভা করলো পূর্ব মেদিনীপুর বাংলা পক্ষ। এরাজ্যের ভূমিপুত্রদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই আন্দোলন করছে বাংলা পক্ষ।এই মুহূর্তে ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ভূমিপুত্রদের সংরক্ষণের আইন জারি হয়েছে। এবার বাংলাতেও তা চালু হোক দাবি বাংলা পক্ষের। শনিবার কোলাঘাটে হলদিয়া মোড়ে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে সংগঠনের তরফে বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক ডক্টর গর্গ চ্যাটার্জি বলেন, কংগ্রেস শাসিত রাজস্থান, কংগ্রেস-শিবসেনা শাসিত মহারাষ্ট্র, বিজেপি জোট শাসিত হরিয়ানা, বিজেপি শাসিত গুজরাত, ওয়াই এসআর কংগ্রেস শাসিত অন্ধ্রপ্রদেশ, তাছাড়া তেলঙ্গানা, কর্নাটক-সহ প্রায় প্রতিটি রাজ্য চাকরি ক্ষেত্রে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ করেছে। কোথাও ৭৫ শতাংশ। কোথাও ৮০ থেক ৮৫ শতাংশ। সরকারি বা বেসরকারি দুই ক্ষেত্রেই।কিন্তু কারা বাংলার ভূমিপুত্র? ১৫-২০ বছর যাঁরা বাংলায় আছে তাঁরাই ভূমিপুত্র। সেক্ষেত্রে সাঁওতাল, কোচ, নেপালি এমনকী বিহারী, মারোয়াড়ীরাও ভূমিপুত্র। তাঁদের সমস্ত কিছুতেই অধিকার আছে। এবং কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, বাংলাপ ক্ষের দাবি, বাঙালির মাইগ্রেশন ৪.৮ শতাংশ। অথচ বাংলায় কমপক্ষে ৩০ শতাংশের ওপর অবাঙালী চাকরি করে। কোনো কোনো শিল্পাঞ্চলে ৭০-৮০% বহিরাগত। এই পরিস্থিতিতে বাংলা পক্ষের দাবি, সরকারি ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দাকে চাকরি দিতে হবে। বিভিন্ন বেসরকারি ঠিকা কাজ, টেন্ডার, ক্যাবের লাইসেন্স ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ ভূমিপুত্রদের সংরক্ষণ করতে হবে।কোলাঘাটে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য ডক্টর অরিন্দম বিশ্বাস, সোয়েব আমিন, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, অমিত সেন ও আরো নেতৃবর্গ। জেলা সম্পাদক সুতনু পণ্ডিত এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, আগামী দিন এই ভূমিপুত্র সংরক্ষণ নিয়ে জোরদার আন্দোলন পূর্ব মেদিনীপুর জেলাজুড়ে চলবে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ তিনি স্থানীয়দের চাকরির কথা বলেছেন। তিনি যা মুখে বলেছেন, আমরা তা আইন হিসাবে চাই। কর্মসূচীর দায়িত্বে ছিলেন কোলাঘাটের সহযোদ্ধা বাপি গুড়ে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বাংলায় ভূমিপুত্রদের অগ্রাধীকারের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত জানায় বাংলা পক্ষ

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলায় যে কর্মসংস্থান হচ্ছে, তাতে অগ্রাধিকার পাবে বাংলায় যার ঠিকানা এবং যে বাংলা ভাষা বলতে পারে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এটা বেসরকারি কর্মসংস্থানের প্রেক্ষিতে যেমন সত্য তেমনি সকল রাজ্য সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও সত্যি। এই মর্মে মুখ্যসচিবকে কমিশন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি ঘোষণা করেছেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাংলার কোন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে বাংলার ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের প্রশ্নে প্রকাশ্যে নৈতিক শিলমোহর এলো। ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলা পক্ষ বাংলায় সকল বেসরকারি কাজে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ এবং রাজ্য সরকারি কাজে বাংলা ভাষার পরীক্ষা দিয়ে ১০০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের ব্যবস্থা চালু করতে অবিলম্বে আইন প্রণয়ন করার দাবি জানায়।গত ৪ বছর ধরে বাংলা পক্ষ বাংলার প্রতিটি জেলায় সভা, মিটিং, লিফলেট, সাংবাদিক সম্মেলন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, স্মারকলিপি প্রদান, সামাজিক মাধ্যমে প্রচার এবং ১৭ শে জানুয়ারি ২০২১ কলকাতার ধর্মতলায় হাজার হাজার বাঙালির মহাসমাবেশ করেছে বাংলায় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে। এর ফলে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আজ বাংলায় বাঙালি জাতির তথা সকল ভূমিপুত্রর গণদাবিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলার সরকারের দায়িত্ব বাংলায় বাঙালি-সহ বাংলার সকল মানুষের গণদাবিকে বাংলায় আইনে রূপান্তরিত করা।বাংলায় কাজ আছে, বাঙালির কাজ নেই। যেহেতু বাঙালির কাজ নেই, বাঙালি ভাবে বাংলায় কাজ নেই। এর কারণ বাংলার সকল শিল্পাঞ্চলে পুঁজি, ব্যবসা, টেন্ডার বহিরাগতদের দখলে এবং এই মালিকানা থেকে শুরু করে কর্মচারী, শ্রমিক, ঠিকাদার সবক্ষেত্রে তারা বহিরাগত স্বজাতীয়দের নেয়। বঞ্চিত হয় বাংলা ও বাঙালি। হাওড়ার প্রশাসনিক মিটিং এ পাঁচলার বিধায়ক গুলশন মল্লিকের বক্তব্যে উঠে এসেছে, কিভাবে হাওড়ার কারখানাগুলোতে বিহার, ওডিশার লোকজনের কর্মসংস্থান হচ্ছে ৯৯ শতাংশ এবং বাঙালির ১ শতাংশ। বাংলায় বর্তমানে যে বিপুল সংখ্যক শিল্প এবং কর্মসংস্থান রয়েছে সেখানে কাজ পাওয়া বাঙালির শতাংশ নগণ্য এবং প্রায় সকল ক্ষেত্রে ভূমিপুত্রদের সচেতনভাবে বঞ্চিত করে বহিরাগতদের ডেকে এনে কাজ দেওয়া হয়।এটা আসানসোল শিল্পাঞ্চল, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল, খড়্গপুর শিল্পাঞ্চল, হলদিয়া শিল্পাঞ্চল, হাওড়া শিল্পাঞ্চল, ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল, বৃহত্তর কলকাতা, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ইসলামপুর সকল ক্ষেত্রে সত্য। এবং ভূমিপুত্র সংরক্ষণ না হলে বাংলায় আগামীতে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে যে তাজপুর বন্দর, যে দেউচা পাচামি কয়লাখনি কে কেন্দ্র করে, যে অশোকনগরের তেলের খনিকে কেন্দ্র করে, যে হাওড়ায়-উত্তর ২৪ পরগনায়-নদিয়ায় লজিস্টিকস হাব গুলিকে কেন্দ্র করে সেখানেও বাঙালি তথা অন্য ভূমিপুত্রর কোন জায়গা থাকবেনা। অবস্থা হবে লিলুয়া, ভাটপাড়া, টিকিয়াপাড়া, শিলিগুড়ি, বানারহাট, জয়গাঁ, রানীগঞ্জ, কুলটি, রাজাবাজার, বড়বাজার, পানাগড়, ধুলাগড়, টিটাগড়, খিদিরপুর, দুর্গাপুরের মতই। বাংলার ভূমিপুত্ররা এই সব এলাকায় কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং এলাকার পর এলাকা বহিরাগত অনুপ্রবেশের ফলে জনবিন্যাস বদলে গিয়ে সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির ফলে আইন শৃঙ্খলা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।বেসরকারি কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশ হয়েছে বা মুখ্যমন্ত্রী দ্বারা ঘোষণা হওয়া রাজ্যের তালিকায় রয়েছে মহারাষ্ট্র, গুজরাত, হরিয়ানা, রাজস্থান, পঞ্জাব, ঝাড়খনণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, গোয়া, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ইত্যাদি। বাংলা ছাড়া ভারতের অন্য সব রাজ্যে রাজ্য সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সেই রাজ্যের প্রধান ভাষার পেপার মূল পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক। ভারতে সর্বত্র যে নিয়ম চালু সেই একই নিয়ম পশ্চিমবঙ্গে চাই। বাংলার মাটিতে সব বেসরকারি ও সরকারি কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন চাই। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ সত্ত্বেও কর্ম সংস্থানে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলেও বাংলা পক্ষ-র তরফ দাবি করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালুর দাবিতে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালুর দাবিতে বাংলা পক্ষর ডেপুটেশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয। রবিবার বাংলা পক্ষ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা শাখার পক্ষ থেকে শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালু করা ও চক্রধরপুর লোকালের গড়বেতা স্টপেজ পুনরায় চালুর দাবিতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হল স্টেশন মাস্টারের হাতে। দুটি নতুন ট্রেনের দাবি- সহ বাংলা ভাষার ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিসমূহ-ও ছিল স্মারকলিপিতে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সুমিত দে, দসর জানা, জামাল খানের মতো জেলার সহযোদ্ধারা। এই স্মারকলিপির সাথে ৩৫ জন সাধারণ মানুষের স্বাক্ষরও তুলে দেওয়া হয় স্টেশন মাস্টারের হাতে। এই দাবি না মানা হলে স্থানীয় মানুষ নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে জানায় সহযোদ্ধারা। আগামী দিনে জেলার অন্যান্য স্টেশন থেকেও এক-ই দাবিতে আন্দোলনে নামবে বাংলা পক্ষ, এমনটাই জানায় বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধা সুমিত দে। সাম্প্রতিক কালে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হয়ে যাওয়ায় এলাকার মানুষ খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছে। চাকরিজীবি, ব্যবসায়ী ও ছাত্রছাত্রীদের নানান কাজে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রচণ্ড সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।। এই সমস্যার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। একই ভাবে বিভিন্ন স্টেশনে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ার ফলে স্থানীয় মানুষের যথেষ্ট অসুবিধা হচ্ছে। আমরা এই সমস্যাগুলির সমাধানে নিম্নোক্ত দাবিগুলি জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।১. শিরোমণি ও হাটিয়া প্যাসেঞ্জার পুনরায় চালু করতে হবে।২. বিগত দশকের দাবি মেনে গড়বেতা পর্যন্ত দুটি নতুন লোকাল ট্রেন চালু করতে হবে অথবা হাওড়া-মেদিনীপুর লোকালের যে-কোনো দুটি ট্রেন গড়বেতা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করতে হবে।৩. চক্রধরপুর লোকালের গড়বেতায় স্টপেজ পুনরায় চালু করতে হবে।৪. মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলির ভাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া করা যাবে না।৫. রূপসী বাংলা ট্রেনের রুট বর্ধমান হয়ে পরিবর্তন করা যাবে না।৬. গড়বেতা রেল স্টেশনকে পুনরায় আগের মতো কার্যক্ষম করে তুলতে হবে৷৭. ইদানিং গড়বেটা স্টেশনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা বন্ধ করতে হবে এবং বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও মর্যাদা দিতে হবে।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Protest: অপসংস্কৃতির বিরোধিতায় বাংলা পক্ষ-র প্রতিবাদ প্রদর্শন

বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে বাঙালি জাতির সংস্কৃতি নষ্ট করার বিরুদ্ধে এবার পথে নামতে চলেছে ভারতের বাঙালি জাতির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ।সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জি বাংলা চ্যানেলের বেশ কিছু বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে ক্রমাগতভাবে হিন্দি গান জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পর্বে। এছাড়া তাদের আরও অভিযোগ, বাংলা ও বাঙালি জাতির ইতিহাস বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে করুণাময়ী রানি রাসমণি নামক ধারাবাহিকে। সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই পথ যদি না শেষ হয় নামক ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে করবা চৌত নামক প্রথা নাকি বাঙালি সমাজে প্রচলিত। এছাড়াও বাঙালি বৌ অবাঙালি বর এবং রাখিবন্ধন নামক ধারাবাহিকও এই তালিকায় আছে।বাংলা পক্ষ আরো জানিয়েছে যে জনপ্রিয় ক্রিকেটার পরিচালিত দাদাগিরি নামক অনুষ্ঠান, ডান্স বাংলা ডান্স এবং সারেগামাপা নামক অনুষ্ঠানেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে হিন্দি গান বাজানো ও প্রচার চালানো হয়। সংগঠনের তরফ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলা শাখার সম্পাদক পিন্টু রায় সরাসরি বলেছেন, আমরা কখনোই হিন্দি গান বা হিন্দিভাষী কলাকুশলীদের বিরোধী নই আমরা কেবল বাঙালি সংস্কৃতির ওপর হিন্দি সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার চ্যানেল গুলির যে প্রবণতা তার বিরোধী।তিনি এও বলেন আমাদের জেলার অন্তর্গত রাজারহাটের ডিআরআর স্টুডিওতে এই সমস্ত ধারাবাহিক ও অনুষ্ঠান গুলির শুটিং হয় তাই ওখানে গিয়ে ডেপুটেশন প্রদান ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে রবিবার ২১শে নভেম্বর সকাল ১১ টায়।

নভেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Bangla Pokkho: বাংলা ধারাবাহিকে বাঙালি সংস্কৃতি নষ্ট করার প্রতিবাদে পথে নামছে বাংলা পক্ষ

জি বাংলা-সহ নানা বাংলা চ্যানেলের বেশ কিছু বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে ক্রমাগত ভাবে হিন্দি গান জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পর্বে। এছাড়া আরো অভিযোগ বাংলা ও বাঙালি জাতির ইতিহাস বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে করুণাময়ী রানী রাসমণি নামক ধারাবাহিকে। এই পথ যদি না শেষ হয় নামক ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে করবা চৌথ নামক প্রথা নাকি বাঙালি সমাজে প্রচলিত। এছাড়াও বাঙালি বৌ, অবাঙালি বর- এই কম্বিনেশন দেখানো হচ্ছে সর্বত্র, উল্টোটা নয় এবং রাখিবন্ধন নামক ধারাবাহিকও এই তালিকায় আছে।এছাড়া জনপ্রিয় ক্রিকেটার পরিচালিত দাদাগিরি নামক অনুষ্ঠান, ডান্স বাংলা ডান্স এবং সারেগামাপা নামক অনুষ্ঠানেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে হিন্দি গান বাজানো ও প্রচার চালানো হয়।সংগঠনের তরফ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলা শাখার সম্পাদক পিন্টু রায় সরাসরি বলেছেন, আমরা কখনোই হিন্দি গান বা হিন্দি ভাষি কলাকুশলীদের বিরোধী নই। আমরা কেবল বাঙালি সংস্কৃতির ওপর হিন্দি সংস্কৃতি (নিম্ন রুচির উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতি) চাপিয়ে দেওয়ার চ্যানেল গুলির যে প্রবণতা তার বিরোধী।তিনি এও বলেন, আমাদের জেলার অন্তর্গত রাজারহাটের ডিআরআর স্টুডিও তে এই সমস্ত ধারাবাহিক ও অনুষ্ঠান গুলির শুটিং হয় তাই ওখানে গিয়ে আমরা ডেপুটেশন প্রদান ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবো আগামী রবিবার ২১শে নভেম্বর সকাল ১১ টায়।তিনি আরও বলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ গর্গ চট্টোপাধ্যায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন এবং উপস্থিত থাকবে বাঙালি সুশীল সমাজ ও দর্শকদের সমর্থন।

নভেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বাংলা পক্ষের গুটখাবিরোধী বাইক মিছিল কামালগাজীতে

সারা রাজ্যে গুটখা বিক্রি বন্ধ করবার রাজ্য সরকারি সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে এবং এই সিদ্ধান্তের কঠোর প্রয়োগের দাবিতে রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা বাংলা পক্ষের উদ্যোগে বিকেল ৩টের সময়ে কামালগাজী মোড় থেকে একটি বাইকমিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি কামালগাজী মোড় থেকে শুরু হয়ে, শীতলা মন্দির, ব্রহ্মপুর, রানিয়া, ৩০ ফুট, নতুনহাট, কালীবাজার হয়ে আবার কামালগাজীতে ফিরে এসে উড স্কোয়ার মলের সামনে একটি পথসভা করা হয়। এই কর্মসূচিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সহযোদ্ধারা হাজির হন। এছাড়াও প্রতিবেশী জেলার সহযোদ্ধারা তথা বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। এই বাইক মিছিল রানিয়া তিরিশ ফুট অঞ্চলে পৌঁছালে এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। মিছিল থেকে মুহুর্মুহু স্লোগান ওঠে গুটখা হাটাও, বাংলা বাঁচাও। বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক ডঃ গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গুটখা থাকতে দিলে আলসার, বাড়তে দিলে ক্যান্সার। অবিলম্বে বাংলার জীবনের প্রতিটি অঙ্গ থেকে গুটখাকে চিরতরে দূর করতে হবেই। সভায় বক্তব্য রাখেন হুগলী বাংলা পক্ষের সম্পাদক দর্পন ঘোষ, দলের শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সহ সম্পাদক মহঃ হুমায়ুন মোল্লা প্রমুখ। পথসভার শেষে গুটখার প্যাকেট পুড়িয়ে এবং স্লোগানের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Protest: বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদে বাংলা পক্ষের প্রতিবাদ কর্মসূচি

বাংলা পক্ষ ভারতের বাঙালির অধিকার আদায়ের জাতীয় সংগঠন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সদ্য ঘটা সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে বরানগর বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত টবিনরোড অঞ্চলে এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। সংগঠনের প্রধান বক্তা গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বাংলাদেশে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফেনী-সহ নানা জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দু বাঙালিদের দুর্গাপুজোয় সাম্প্রদায়িক গুন্ডা আক্রমণকে ধিক্কার! বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারা বাংলাদেশ সরকারকে ধিক্কার! জামাত-এ-ইসলামি ও পাকিস্তান চেতনার বাহক সকল বাঙালি-বিরোধী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করো!আরও পড়ুনঃ ছেলেকে দেখতে জেলে ছুটলেন শাহরুখঅন্যদিকে, বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, ভারতের হিন্দি বলয়জুড়ে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে দুর্গাপুজোয় আক্রমণ ও খুনকে ধিক্কার! পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর এলাকায় বহিরাগত বিএসএফ জওয়ান দ্বারা দুর্গাপুজোয় গুলি চালানোকে ধিক্কার ! সংগঠনের ওপর শীর্ষ পরিষদ সদস্য অমিত সেন বলেন, আব্বাস সিদ্দিকী, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি-সহ ধর্মীয় হিংসার সকল উস্কানীদাতাকে গ্রেপ্তার করতে হবে !বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিতে চাওয়া পশ্চিমবঙ্গ-বিরোধীদের ধিক্কার! তিস্তা চুক্তি ধ্বংস করো! পশ্চিমবঙ্গের ১০০০০ একর জমি বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকার ধিক্কার! ওই জমি ফেরত চাই! বাংলাদেশে ২০১৪-র পর ধর্মীয় নির্যাতনের বলি হয়ে ভারতে আসা বাঙালিকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বানানো সিএএ আইন বাতিল করো!বাংলাদেশ থেকে নিপীড়িত হয়ে ভারতে আসা বাঙালিদের ডিটেনশন ক্যাম্পে ঢোকানো বন্ধ করো! কার স্বার্থে ভারত-বাংলাদেশ বর্ডার সম্পূর্ণ সিল করছেনা বিএসএফ, অমিত শা জবাব দাও! বার বার সংখ্যালঘুর উপর আক্রমণ সত্ত্বেও বাংলাদেশকে কোটি কোটি ডলার দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকারকে ধিক্কার!

অক্টোবর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal