• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banerjee

রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
নিবন্ধ

ভাবনায় অন্য মাত্রা যোগ করে ১০০ রজনী অতিক্রান্ত করল 'অন্য ভাবনা'-র 'ভৌতিক'

২০২৪-এ বছরের প্রথম দিনটা শুরু হলো একেবারে ভৌতিক ভাবে। জোড়া নাটকের মুর্ছনায় মেতে উঠলো শহর বর্ধমান। ১লা জানুয়ারি ইংরাজি নববর্ষের প্রথম দিনে যখন একদল মানুষ হুল্লোর করে পিকিনিক-এ ব্যস্ত ঠিক সেই দিন ভরসন্ধ্যায় শহরের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট চত্তরে সংস্কৃতি লোকমঞ্চে অয়োজিত হল এই জোড়া নাটক। নাট্য পিপাসু বর্ধমান-বাসীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি লোকমঞ্চ আক্ষরিক অর্থেই হাউসফুল ছিল।প্রথম নাটকটি ছিল তিমিরবরণ রায় রচিত এবং প্রিয়তোষ রায় নির্দেশিত মনসামঙ্গল কাব্যের আশ্রয় করে জীয়ন কন্যা। যাত্রা দলের নায়েব বা চাঁদসদাগর ও লখিন্দর চরিত্রের অভিনেতা দর্শক মনে দাগ কেটে যায়। হারমোনিয়াম ও বাংলা ঢোলের আবহে মঞ্চে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা যাত্রা-র আমেজ বেশ পাওয়া গেল। এই নাটকের এক অন্যতম আকর্ষন এর গান। বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোক নাটকের সম্পদ মনসামঙ্গল। এদের আছে আলাদা পরিবেশন রীতি, আলাদা আঙ্গিক। যাতে গ্রামীণ মানুষের আশা-আকাঙ্খা আর জীবনের ভাবচিন্তা পরিস্কার বোঝা যায়। ১লা জানুয়ারি ছিল তাঁদের ষষ্ট প্রযোজনা। তাঁদের মঞ্চাভিনয় দেখে কোন সময়েই মনে হয়নি তাঁরা মাত্র ছয়দিন এই নাটকটি মঞ্চস্থ করছেন।তাঁদের জীয়ন কন্যা নাটকটি যে বার্তা বহন করে তা আজকের দিনে খুব-ই প্রাসঙ্গিক। দেশ জুড়ে যখন ধর্ম নিয়ে রাজনিতীর হিড়িক, যখন মানুষকে তাঁর শিক্ষা দিয়ে বিচার না করে, ধর্মের শতাংশের নিরিখে বিবেচনা করা হয়, ঠিক সেই সময়ে এই ধরনের বার্তাবহনকারি নাটকের প্রাসঙ্গিকতা উপলব্ধি করার মত। এক নামকরা চিত্র সমলোচক একবার বলেছিলেন, যে স্লোগান দেওয়ালে লিখে বোঝানো যায় না তাঁর জন্য সিনেমা/নাটক করতে হয়। ঠিক সে রকমই এক বার্তা যুদ্ধ নয় শান্তি চায় বক্তব্য কে ফোটাতে সত্যজিৎ রায় সৃষ্টি করেন হীরক রাজার দেশ। এই নাটকের মাধ্যমে যাঁরা ধর্মের জিগিড় তুলে বিভেদের রাজনীতি করছেন তাঁদের মুখে বেহুলার চরিত্রে মুসলিম মহিলার অভিনয় যেন সজোরে থাপ্পড়।নাট্য সন্ধ্যার দ্বিতীয় উপস্থাপনা ছিল ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক। বর্ধমান-হাওড়া কর্ড লাইনের নবগ্রাম স্টেশনের পাশে শহরতলীর এক ছোট্ট গ্রামের নাট্য দলের শততম দিনের প্রযোজনা দাগ কেটে গেল এদিনের উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। এক গা ছমছম মঞ্চ সজ্জা দেখে প্রথমেই অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছিল হয়ত বা কোনও গায়ে কাঁটা দেওয়া ভুতের কাহিনী নিয়ে আবর্তিত হবে এদিনের নাটক।উপস্থিত দর্শককুলকে ভুল প্রমান করে একাধিক ভ্রান্তিময় বদ্ধমূল ভুল ধারনার গোড়ায় আঘাত করলো তাঁদের এই প্রযোজনা। এক গহন জঙ্গলে মাঝ রাত্রিতে আত্মহননে উদ্যত যুগলকে একটি ভুত যে অবচেতন মনের হদিস দিলেন তা সত্যিই সমাজের সামগ্রিক চেতনা ফেরাবার জন্য যথেষ্ট। নাটকের বেশ কয়েকটি সামজিক বার্তার মধ্যে অন্যতম কোনও কিছু হেলায় পেলে তাঁর মুল্য থাকেনা। নাটকের মাধ্যমে যা মূল বার্তাটি তারা দিতে চেয়েছেন, বাঁচতে গেলে লড়তে হবে, মৃত্যুর অনেক রাস্তা আছে, আত্মহননের অর্থ হেরে যাওয়া।ময়না অন্য ভাবনার ভোতিক নাটকটি রচনা করেন সৌমিত্র বসু, নির্দেশনা স্বরাজ ঘোষের। এই নাটকের মূল চরিত্র ভুতের ভূমিকার অভিনেতা সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা দূরদর্শনে একটি নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেখানে তাঁরা প্রথম স্থান লাভ করেন। গ্রাম থেকে আসা একদল তরুণ ছেলের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে সেই প্রতিযোগিতার বিচারক সৌমিত্র বসু তাঁদের তাঁর লেখা ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য দেন। বছরের প্রথম দিনে তাঁরা তাঁদের শততম রজনী বর্ধমান শহরে মঞ্চস্থ করলেন। সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, ২০১৭ সালে ময়না অন্য ভাবনা সৃষ্টি হয়। অনেকের আমাদের কাছে দাবী ছিল করলে ভালো কিছু কর, নাহলে বন্ধ করে দাও। সেই ভালো করে করার জেদ থেকেই অন্য ভাবনার যাত্রা শুরু। তিনি জানান তাঁদের এই মুহুর্তে চারটি নাটক চলছে, যথাক্রমে প্রতিঘাত, আযান্ত্রিক, কর্মফল ও ভৌতিক। তিনি জানান তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলা সহ রাজধানী শহর দিল্লীতেও ভৌতিক নাটকটি মঞ্চস্থ করেছেন। সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, তাঁদের নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় এই মহুর্তে তা জানাতে তিনি বলেন জানুয়ারী মাসেই তাঁদের এখনও অবধি ১৫টি শো আছে। তিনি জানান, নাটককে ভালোবেসে আমরা নাটক করি। নাটক থেকে কোনও আয় আমরা করিনা। আমদের প্রত্যকেই কিছু না কিছু কাজ করি, সেখান থেকে সময় বার করেই আমাদের নাট্য চর্চা।প্রথম থেকে শেষ অবধি যে টানটান অভিনয় দেখা গেল তাতে এটুকু বোঝা গেল কেন তাঁরা এত দ্রুত শততম রজনী পার করলেন। আশা করাই যায় অতি দ্রুত তাঁরা সহস্র রজনীও অতিক্রম করবেন। নাটকের মূল চরিত্রাভিনেতা ভুত রূপী সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়-র অভিনয়ে দর্শককূল মুগ্ধ হয়ে যায়। সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় একবার বলেছিলেন ভুত কে আমরা ভালোবাসি বলেই ভুতের গল্প পড়ি, আর সেই ভুতের গল্প বই বেস্ট সেলার হয়। আজকের নাটক দেখতে বসে দর্শকদের অভিব্যাক্তি দেখে মনে হচ্ছিল তাঁরা তাঁদের অজান্তে কখন যেন ভূতকে ভালোবেসে আপন করে ফেলেছেন।

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচার

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচার করা হয়েছে শুক্রবার। এই অস্ত্রোপচারের পর তিনি সুস্থই রয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই খবর জানান এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ হাসপাতাল থেকে বের হন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার এসএসকেএমে এসেছিলেন কলকাতার মেয়র ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।রশুক্রবার দুপুরে রুটিন চেকআপের জন্য এসএসকেএমে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক পরীক্ষার সময়ে চিকিৎসকেরা তাঁর ডান কাঁধে পুরনো চোটের জায়গায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বোধ করেন। তার পরেই উডবার্ন ব্লকের ওটিতে মুখ্যমন্ত্রীর ডান কাঁধে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মণিময়। তিনি বলেছেন, রুটিন চেক আপের জন্য এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। চেকআপের সময় তাঁর ডান কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বোধ করেন চিকিৎসকেরা। পুরনো চোটের জায়গাতেই ওই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। উডবার্ন ওটিতে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন চিকিৎসকদের সঙ্গে চা-পান করছেন তিনি।এদিকে শুক্রবার এসএসকেএমে ঢোকার সময়ে মমতা জানান, রুটিন চেক আপের জন্যই এসেছেন। তাঁর শরীর একেবারেই ঠিক আছে। তিনি বলেন, শরীর ঠিক রয়েছে। পা চেকআপ করাতে এসেছি। আমি হাঁটছি। সবই ঠিক রয়েছে। রোজ বিশ হাজার স্টেপ করছি। এমনিতে সময় পাই না। শুধু এক্স-রে করাতে এসেছি। এর পর তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানান। এও জানান, এগুলো বলে মানুষকে বিরক্ত করার কোনও মানে হয় না। এখন সকলে সময়টা উপভোগ করুন।এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে স্পেন এবং দুবাই সফর সেরে এসএসকেএমে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদেশে থাকাকালীন বাঁ পায়ের হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। ব্যস্ত কর্মসূচি থাকায় বিদেশ সফরে পায়ের চিকিৎসা করাতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতায় ফেরার এক দিন পরেই নিজের পায়ের চিকিৎসা করাতে যান তিনি।গত ২৭ জুন জলপাইগুড়ি থেকে আকাশে ওড়ার পরই দুর্যোগের মধ্যে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। বৈকুণ্ঠপুরের জঙ্গলের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মুখে পড়ে ওই হেলিকপ্টারটি। দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানের জরুরি অবতরণ করানো হয় সেবকে, বায়ুসেনার ঘাঁটিতে। সেখানেই কপ্টার থেকে তড়িঘড়ি নামতে গিয়ে কোমরে এবং পায়ে চোট পান মমতা। সেই সময় থেকেই এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। যে কারণে কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হয়েছিল তাঁকে। জুন মাসে যে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি, পরে বিদেশ সফরে সেই পায়েই চোট পেয়েছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছিল। তাঁর পায়ের আঘাতের ভুল চিকিৎসা হয়েছিল এসএসকেএমে, একথা বলেছিলেন স্বয়ং মমতা। যদিও এসএসকেএমের তরফে সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজ্য

কল্যাণের মিমিক্রি নিয়ে চরম কটাক্ষ দিলীপের, জানালেন কেন শহরে শাহ-নাড্ডা

তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট জগদীপ ধনকরের মিমিক্রি নিয়ে ইতিমধ্যে দেশ জুড়ে বিতর্ক হয়েছে। মঙ্গলবার এবিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপির সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, মানুষের বয়সের এবং শিক্ষার সঙ্গে পরিবর্তন আসে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। কার সম্পর্কে কোথায় কি বলছেন। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হয়তো ওনারা হারিয়ে ফেলেছেন। প্রতিনিয়ত এরকম কেন ঘটছে? এটা কারুর জীবন পদ্ধতি হতে পারে। সমাজ কি এটা মেনে নেবে? আমাদের পরের প্রজন্মের কাছে এটা কি কোনো ভালো উদাহরণ?অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা শহরে। নয়া কৌশল? দিলীপ ঘোষ বলেন, দল এই রাজ্যকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে সেটা স্পষ্ট। শীর্ষ নেতা, বিশেষত অমিত শাহ, যার নেতৃত্বে বিজেপি এ রাজ্যে বেড়ে ১৮ হয়েছে। তিনি বারবার রাজ্যে আসেন। সঙ্গে সভাপতি এসেছেন। এই দলের জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। সব সময় টার্গেট একটু বেশি বেঁধে দেন। আগের বার ২২ দিয়েছিলেন। আমরা ১৮ টা করে দেখিয়েছি। আশা আছে বাংলা বিমুখ করবে না। তাই বারবার আসছেন। মাঝে কয়েক বছর লাগাতার অত্যাচারে কর্মীরা মনোবল হারিয়েছেন। সেটা ফেরাতেই তাদের বারবার আসা।অর্জুন সিং দাবি করেছেন ক্ষমতায় আসবে ইন্ডিয়া। প্রধানমন্ত্রী হবেন মমতা। কি বলবেন? দিলীপের কথায়, স্বাভাবিক ব্যাপার। মমতা যাতে খুশি হবে উনি সেটাই বলবেন। যখন বিজেপিতে ছিলেন, তখন বিজেপির হয়ে বলতেন। কিন্তু দেখতে হবে বাস্তব পরিস্থিতি কি? আজ উনি কোথায়? পার্টিতে ওনার কি গুরুত্ব? উনি কি এরকম বলে এবার পার্টির টিকিট পাবেন? পার্টির ভবিষ্যত নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেছে। যতক্ষণ সব ঠিক আছে, আছে। তির আপনার দিকে ঘুরলেই প্রশ্ন ওঠে। ওনার ওখানেই প্রচুর বিরোধী আছে। আমরা তাকে জিতিয়ে সাংসদ করেছি। ওনার নিজের অস্তিত্ব রক্ষা কঠিন হয়ে গেছে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩
দেশ

মমতার পুলিশকে সেরার স্বীকৃতি মোদি সরকারের, দেশের তিন সেরা থানার এক বাংলায়

বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন যখন রাজ্যজুড়ে বিজেপি আন্দোলন করছে ঠিক তখনই মোদি সরকারের তরফে এল পুরস্কার। কেন্দ্রের স্বীকৃতি পেল হুগলির চন্দননগর কমিশনারেটের শ্রীরামপুর থানা। দেশের তিন সেরা থানার অন্যতম শ্রীরামপুর। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য পুলিশকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোশাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই ঘোষণা করতে পেরে গর্বিত যে ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়, আমাদের শ্রীরামপুর থানা-কে (চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট) ২০২৩ সালের জন্য গোটা দেশের সেরা তিনটি থানার মধ্যে একটি হিসাবে নির্বাচিত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি নিজে আমাদের সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে ট্রফি তুলে দেবেন। জাতীয়স্তরে আমাদের অনবদ্য নজিরের জন্য সকল পুলিশ ভাইদের ধন্যবাদ। জয় বাংলা।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি, অন্যান্য বিরোধী দলের নেতৃত্ব যখন পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে বারে বারেই প্রশ্ন তুলছেন, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এমন স্বীকৃতি এল পুলিশমন্ত্রী মমতার ঝুলিতে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে মমতা সরকারকে নিশানা করা হলে পাল্টা এবার শ্রীরামপুর থানার উদাহরণকেই হাতিয়ার করবে তৃণমূল।কয়েক সপ্তাহ আগেই ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি)-র রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছিল। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে, ২০২১ সালে দেশের বড় শহরগুলির মধ্যে সব থেকে নিরাপদ কলকাতা। এর আগে ২০২০ সালেও এই তকমা পেয়েছিল এই তিলোত্তমা। ২০১৮ সালেও দেশের সব থেকে নিরাপদ শহর হওয়ার কৃতিত্ব ছিল কলকাতার-ই। এনসিআরবির রিপোর্ট অনুসারে, কলকাতার প্রতি লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে দেশের বাকি শহরের তুলনায় সব থেকে কম অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এর ভিত্তিতেই সব থেকে নিরাপদ শহরের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে কলকাতার নাম।কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২১-এ কলকাতায় প্রতি লক্ষ মানুষে নথিভুক্ত অপরাধ ১০৩.৪। এই সংখ্যা ২০২০-র তুলনায় কম। সে বছর এই সংখ্যা ছিল ১২৯.৫। ভারতের যে বড় শহরগুলির জনসংখ্যা ২০ লক্ষেরও বেশি, একমাত্র সেই শহরগুলির তথ্যের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট বানায় এনসিআরবি। তবে রাজ্যের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এনসিআরবি রিপোর্ট দেয় বলেই এমন মর্যাদা পেয়েছে কলকাতা। এমন দাবি রাজ্য বিজেপি নেতাদের।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখমন্ত্রীর, তবে আন্দোলন থামছে না

জানুয়ারি মাস থেকে ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। এর ফলে ১৪ লক্ষ সরকারি কর্মী সুবিধা পাবে। বৃহস্পতিবার পার্কস্ট্রিটের এলেন পার্কে বড় দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বড় দিন ও নতুন বছরের এটা খুশির খবর। এর জন্য ২,৪০০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ হবে। সরকারি কর্মী, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অশিক্ষক, পেনশন প্রাপকরা এই ডিএ পাবেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারের ডিএ বাধ্যতামূলক, রাজ্যপর ডিএ তা ঐচ্ছিক।এদিকে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকারি নোটিফিকেশন না করে এমন ঘোষণা ঠিক নয়। সরকারি কর্মীরা ভিক্ষা চায় না। ৪০ শতাংশ বকেয়া রয়েছে ডিএ। ঘোষনা হল ৪ শতাংশের। আমাদের অবস্থান, বিক্ষোভ চলবে। পুরো ডিএ আদায় করে ছাড়বো। এই ঘোষণার পর এখনও কেন্দ্রের সঙ্গে ৩৬ শতাংশ ফারাক রয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
রাজনীতি

ইন্ডিয়া জোটের শোক সভা হবে, বৈঠকের পর গোয়ায় পিন্ড দান হবে, কটাক্ষ শুভেন্দুর

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠককে শোক সভা বলে কটাক্ষ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সন্ধ্যায় বীরভূমের সাঁইথিয়ায় কিষাণ মোর্চার ডাকে প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, মঙ্গলবার শোক সভা হবে। নীরবতা পালন হবে। সেমিফাইনালে হেরেছে। ছত্রিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে হেরেছে। মিটিংয়ের শেষে সবাই যাবে গয়ায় পিণ্ড দিতে।সোমবার বিকেলে সাঁইথিয়ায়র সভায় বক্তব রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, চোর মমতার মন্ত্রী সভার সদস্যরা গোটা রাজ্য জুড়ে কয়েক বছরে লক্ষ লক্ষ কৃষকের ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে ধান চুরি করেছে। গতবছর ২৯ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছিল। এবার ১১ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এক বছরে ১৮ লক্ষ কৃষক ভুত হয়ে গেল? তার মানে গত বছর ১৮ লক্ষ ভুয়ো আকাউন্ট খুলে ভারত সরকারের পাঠানো পাঁচ হাজার কোটি টাকার বড় অংশ লুঠ করেছে এই চোর মন্ত্রী সভা। গোঘাটে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথ অবরোধ করায় এক পুলিশ অফিসার কৃষককে গালি দিয়েছিলেন। কথা দিচ্ছি বিজেপি ক্ষমতায় এলে ওই পুলিশ অফিসারকে ঘাড় ধরে নিয়ে গিয়ে কৃষকের পা ধুইয়ে ঘটি জল খাওয়াব।শুভেন্দু বলেন, আমাকে হারাতে নন্দিগ্রামে গিয়ে হেরে এসেছেন উনি। আপনারা আমার উপর ভরসা রাখুন উনাকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপোকে জেলে পাঠাবই।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া নিয়ে শুভেন্দু কটাক্ষ করে বলেন, মোদি বাবার পা ধরতে দিল্লিতে গিয়েছে গাই-বাছুর। গিয়ে বলবেন মোদীবাবা টাকা দাও। তবে পিসি ভাইপো কোম্পানি দিল্লিতে গিয়ে কোন লাভ করতে পারবে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

অভিষেকের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, সংবাদ মাধ্যমেও হস্তক্ষেপ নয়

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অমৃতা সিনহা যে ধরনের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন, তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর তাঁর মানহানি হচ্ছে বলে অনুযোগ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি সিনহার বেঞ্চ থেকে নিয়োগ মামলা সরানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার ছিল এই আবেদনের শুনানি। এ দিন অভিষেকের সেই আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নির্দেশে জানিয়েছেন, নিয়োগ মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সিনহার এজলাস থেকে সরানো যাবে না। এছাড়া, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়েও কোনও নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়নি।নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তের কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তির খতিয়ান আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। সম্প্রতি মুখবন্ধ খামে ৫ হাজার পৃষ্ঠার রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে ইডি। তার পরই বিচারপতি সিনহা ইডিকে প্রশ্ন করেছিলেন, সম্পত্তির পরিমাণ যদি কম হত, তাহলে কি এত নথি জমা পড়ত? এই সব সম্পত্তির জন্য আয়ের উৎস কী তা কি খতিয়ে দেখা হয়েছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে অধিকাংশ সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর হয়েছ বলেও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। ঘটনাচক্রে ২০১৪ সালেই নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছিল। এ ব্যাপারটা তদন্ত কি করা হয়েছে তাও প্রশ্ন ছিল বিচারপতি সিনহার।আদালতের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জোর চর্চা হয়। এ ব্যাপারে আপত্তি করে অভিষেকের আইনজীবী এ দিন সুপ্রিম কোর্টে একটি পাঁচ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দেন। তিনি বলেন, এই ধরনের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় তাঁর মক্কেলের মানহানি হচ্ছে।বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এদিন জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্ট নিয়োগ মামলায় কোনও নির্দেশ দিলে সুপ্রিম কোর্ট তা বিবেচনা করে দেখতে পারে। কিন্তু বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে কী বলছেন তা শীর্ষ আদালতের কাছে বিবেচ্য নয়। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাতেও হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাবা-মা সহ লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত বর্তমান ও প্রাক্তন ডিরেক্টর তথা অধিকর্তাকে তাঁদের সম্পত্তির হিসাব পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালতে ওই রিপোর্ট বৃহস্পতিবার পেশ হয়েছে। ২০ তারিখ এ ব্যাপারে আবার শুনানি হতে পারে বিচারপতি সিনহার এজলাসে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

দুর্নীতি নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

ভরা মঞ্চ থেকে এবার রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশকে কড়া ভাষায় হুঙ্কার ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের। তাঁর হুঁশিয়ারি কোনও অফিসার দুর্নীতিতে জড়ালে আমি ছেড়ে কথা বলব না। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এভাবেই রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের একাংশকে সতর্কতার পাঠ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।সাম্প্রতিক সময়ে গরু, কয়লা, নিয়োগ, রেশন-সহ একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের। ইতিমধ্যেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেল খাটছেন তাঁদের অনেকেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহারা দিনের পর দিন ধরে জেলে রয়েছেন।কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডির সমন পেয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার ডেকে পাঠিয়ে চোখা চোখা প্রশ্ন করেছে ইডি। শাসকদলের হেভিওয়েট একাধিক নেতা-মন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার স্ক্যানারে থাকায় ফি দিন তৃণমূলকে তুলোধনা করে সোচ্চার বিরোধীরা।তবে এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন আশঙ্কা নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দলের নেতা-মন্ত্রী কিংবা বিধায়ক নন, এবার প্রশাসনের অন্দরেই বিরাট অনিময়ের আঁচ পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ভরা সভায় সেই আশঙ্কার কথাই নিজে মুখে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু জানানোই নয়, অনিয়ম রুখতে কড়া বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।একটা রাজনৈতিক লোক ৫ টাকা চুরি করলেও ১০ বার টিভিতে দেখানো হয়। কিন্তু কোনও অফিসারও যদি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন আমি কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না। দুএকজন বিএলআরও দুষ্টু লোকেদের সাথে মিলে জমি কেনা-বেচায় জড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সোচ্চার হতেই ফের একবার দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বৈঠকের সময় দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের পাওনাগণ্ডা নিয়ে দরবার করবেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

পাহাড়ের সঙ্গে তাঁর ‘রক্তের সম্পর্ক’, কল্পতরু মমতা

কার্শিয়াঙের বাসিন্দা দিক্ষা ছেত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর শুক্রবার সেই কার্শিয়াংয়েই সরকারি সভায় অংশ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড় ও সমতলের এই বন্ধনে তিনি খুব খশি বলেও জানিয়েছেন। এ দিনের সভা থেকে পাহাড়বাসীকে ঢালাও সুবিধাদানের কথা তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রীতিমত কল্পতরু মমতা। একই সঙ্গে পাহাড়বাসীদের উদ্দেশ্যে তাঁর আবেদন, আপনারা পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব নিন। আমি কথা দিচ্ছি, পাহাড়ের উন্নয়নের দায়ি।ভাইপো আবেশের বিয়ের কথা এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গেল সরকারি মঞ্চে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দীক্ষা ছেত্রির সঙ্গে আমার ঘরের ছেলের বিয়ে হল। ওরা দুজনেই ডাক্তার। এখন পাহাড়ের সঙ্গে সমতলের একটা রক্তের সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। এটা ইতিহাস হয়ে গেল। আমি বলতাম পাহাড়ে আমার একটা ঘর চাই, দেখুন ভগবান কীভাবে আমাকে ঘর তৈরি করে দিল। এখানকার সব মানুষই নিজের, প্রত্যেকটা বাড়িই আমার ঘর। আমি চাই আপনারা সকলে শান্ত থাকন, সুস্থ থাকুন।গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ে গেরুয়া বাহিনী দাপট দেখাচ্ছে। যা নিয়ে এ দিন সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, কিছু লোক পাঁচ বছর অন্তর একবার করে জেগে ওঠে, পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করে। অশান্তি হলে শিল্পপতিরা বিনিয়োগ করবে কেন? তাই আমি আপনাদের বলে যাচ্ছি, পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব আপনারা নিন, উন্নয়নের দায়িত্ব আমার। ভোটের সময় অনেকে আসে, অনেক লোভ দেখিয়ে যায়। অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কিচ্ছু করে না। মনে রাখবেন, কথা দিয়ে কথা রাখতে জানি আমরা।এ দিন সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে পাহাড়বাসীর উদ্দেশ্যে ঢালাও সুযোগ সুবিধা দানের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একনজরে সেইসব ঘোষণা-কার্শিয়াঙে ১ হাজার ২০০ জনকে পাট্টা বিলি।পাহাড়ে ২৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব।দার্জিলিং কালিম্পঙে IT সেক্টর হবে।জিটিএ-কে ৭৫ কোটি টাকা দেওয়ার হবে।জিটিএ-র কর্মরা অবসরের পর গ্র্যাচুইটি বাবদ ২০ লাখ টাকা দিতে হবে।জিটিএর রেগুলার এমপ্লয়িদের ২০০৯ সালের পে-রুল, ২০১৯ সালের পে-রুল মোতাবেক বেতন সংশোধন।২০০৩ সাল থেকে রিজিওনাল স্কিল সার্ভিস কমিশন ফর হিলস বন্ধ। তা আবার চালু হবে।দার্জিলিং জেলায় সেকেন্ডারি স্কুলে ৫৯০ শূন্যপদে নিয়োগ।দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলা স্কুল বোর্ডের জন্য অ্যাডহক কমিটি তৈরি করা হবে।জেলা বোর্ডে ১০০০ পদে নিয়োগ।চা সুন্দরী প্রকল্পে তিন লাখ শ্রমিককে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার ঘোষণা।পাহাড়ে তিন লাখ ৩২ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ।তিস্তায় বন্যাদের ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক সাহায্য।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

দিদির বাড়ি দেখে হিংসে করেন সলমন খান, বললেন চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবার হাজির মুম্বাইয়ের সুপারস্টার সলমন খান। ছিলেন না অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানরা। এর আগে তাঁরা প্রতিবারই হাজির থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন সলমন। এবার বললেন সেই অভিজ্ঞতা।এবার চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছেন অনিল কাপুর, শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁরা বক্তব্য রেখে ফেলেছেন। এদিন সলমন বলেন, কালীঘাটে দেখতে গিয়েছিলাম দিদির বাড়ি।এর আগে সাল্লু ভাই তথা ভাইজান এসেছিলেন কলকাতায়। সেদিন আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবনে। পুরনো কথা তুলেই তিনি বললেন, আমি যখন এর আগে আমন্ত্রণ পেলাম তখন একটাই বিষয় মাথায় ঘুরছিল, যে গিয়ে এটাই দেখব দিদির বাড়ি আসলেই এত ছোট কিনা? আমার বাড়ির থেকে ছোট কিনা দেখতে গিয়েছিলাম। আমি আপনার সঙ্গে হিংসা করি দিদি। আমি সত্যিই ভাবিনি যে আপনার বাড়ি আমার থেকে ছোট হবে। এপ্রসঙ্গে অনিল কাপুরের বাংলোর কথাও বললেন।কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বাড়ি এত ছোট যেন ভাবতেই পারেননি তিনি। বেশ অবাক হয়েছিলেন। বললেন, আমি খুব খুশি, যে সত্যি দিদির বাড়ি এত ছোট। এত ক্ষমতায় থেকেও তাঁর বাড়ি যে এত ছোট হবে, অবিশ্বাস্য! আমার হিংসা হয় দিদি। আমার আর বড় বাড়ির ইচ্ছে নেই।উল্লেখ্য, সলমন এই প্রথমবার এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। আর বাংলার মানুষের উন্মাদনা দেখে তিনি আপ্লুত। সলমন খান বললেন, আমরা বাংলার কাছে বাঙালির কাছে ঋণী। এখানের মানুষরা অনেক কিছু দিয়েছেন। আমরা হিন্দি ছবির মানুষ হলেও বাংলার ট্যালেন্টকে কদর করি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
দেশ

এবার আর অভিষেক নয়, সাংসদদের নিয়ে ডিসেম্বরেই দিল্লি অভিযানের ডাক মমতার

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকও উপস্থিতি ছিলেন। রাজ্যের পাওনাগণ্ডা আদায়ে গত অক্টোবরে রাজধানীর বুকে আন্দোলনে নেমেছিলেন তৃণমূল। যার নেতৃত্বে ছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁকে পুলিশের হাতে হেনস্থাও হতে হয়েছে। দুমাসের মধ্যে ফের একবার দিল্লি অভিযানে নামছে জোড়া-ফুল। তবে এবার আর অভিষেক নয়, অভিযানের নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নেতাজী ইন্ডোরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে এই ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমো।আগামী মাসেই দিল্লি চলো-র ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। নেতাজী ইন্ডোরে এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে আমরা দিল্লিতে যাব। সেই সময় সংসদে অধিবেশন চলবে। আমি দলের সব সাংসদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার সময় চাইব। যদি সময় দেন ভাল, নাহলে রাস্তাই আমাদের পথ দেখাবে। যদি আমাদের মারে, মারুক অসুবিধা নেই। সিপিএমের কাছে অনেক মার খেয়েছি। আপনাদের কাছেও না হয় একটু মার খেলাম। মার খেলে শক্তি বাড়ে, চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। এখন থেকে তৈরি হতে হবে।গত ৩ অক্টোবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীরা। অভিষেক তখনই জানিয়েছিলেন, এই আন্দোলনে দিল্লির সরকার বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সেইমতই দিল্লির অভিযানের সময় ঘোষণা করলেন দলনেত্রী। তবে এখনও দিনক্ষণ জানাননি। আগামী দিনে রাজধানীতে কি তোলপাড় হয় সেদিকেই এখন নজর।বকেয়া থেকে ইন্ডিয়া জোট- একাধিক ইস্যুতে এ দিন মোদী সরকারকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ইন্ডিয়া জোট প্রসঙ্গে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেছেন, দিল্লি এবার দখল হবে। আর তিন মাস ওঁদের মেয়াদ। কিন্তু আমাদের ১০০ দিনের কাজ, বাংলা আবাস ও রাস্তার টাকা দিতেই হবে। এটা তোমাদের টাকা নয়, জনগণের টাকা। জনগণের টাকা ফেরত দাও, নইলে বিদায় নাও। এর বাইরে আর কোনও কথা নেই।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

সৌরভকে বড় সম্মান মমতা সরকারের, ঘোষণা বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে

এবার বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার হলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে বক্তব্যের একবারে শেষ পর্যায়ে সৌরভের নাম ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মঞ্চে ডেকে নিন বাংলার আইকনকে। সৌরভের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। নিজের লেখাও তুলে দিয়েছেন সৌরভের হাতে।এর আগে বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার ছিলেন মুম্বাইয়ের স্টার শাহরুখ খান। দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছিল সৌরভকে ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার করার জন্য। এর আগে স্পেনে মুখ্যমন্ত্রীর নানা অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন সৌরভ। সুদূর স্পেন থেকে শালবনিতে ইস্পাত কারখানার কথা ঘোষণা করেছেন। তা নিয়ে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। আজ বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে শিল্পপতি হিসাবেও হাজির ছিলেন সৌরভ।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় জার্সির রং গেরুয়া! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন মমতার

আগামী রবিবারব বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মহাজজ্ঞ। চ্যাম্পিয়ন হতে আর একটি ম্যাচ দূরে ভারতীয় ক্রিকেট দল। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নামবে রোহিতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল। এই অবস্থায় শুক্রবার ভারতীয় দলের জার্সি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পোস্তায় শুক্রবার ব্যবসায়ী সমিতির জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই স্বৈরাচারী মনভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি। সেই প্রসঙ্গেই রং নিয়ে রাজনীতির বিষয়টি তোলেন তিনি। বলেন, এখন তো সব গেরুয়া বানিয়ে দিচ্ছে।এই প্রসঙ্গেই বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সির রঙের বিষয়টি টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমরা আমাদের ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি ভারতীয় ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হবে। ওদেরও গেরুয়া বানিয়ে দিয়েছে। ওরা যে ড্রেস করে প্র্যাকটিস করে, সেটা গেরুয়া করে দিয়েছে। ওরা তো নীল রংয়ের জার্সি পরে ম্যাচ খেলে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন নিয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, উনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, গেরুয়া রং নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজ্যবাসীর মাথা হেঁট করে দিচ্ছেন। এবার তো মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় পতাকায় কেন গেরুয়া রং ব্যবহার হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলবেন।বিশ্বকাপের ম্যাচে এবার ভারতীয় দল চিরাচরিত নীল রঙের জার্সি পড়ে খেলছে। তবে, তাদের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক হয়েছে। কেন হঠাৎ প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ পাল্টানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই দাবি করেছেন, কেন্দ্রের শাসক দলের প্রভাব ও বিসিসিআই সচিব তথা অমিত শাহর পুত্র জয় শাহর অঙ্গুলি হেলনেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজনীতি

নওশাদকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ফলতার কি বললেন তিনি?

লোকসভা ভোট ঘোষণার আগে থেকেই ডায়মন্ড হারবার ঘিরে চড়তে শুরু করেছে উত্তেজনার পারদ। ২০১৪ সাল থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চব্বিশে তাঁকে হারাতে মরিয়া বিরোধী দলগুলো। ইতিমধ্যেই ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। শুক্রবার বিকেলে ফলতা দাঁড়িয়ে সেই কড়া টক্কর তিনি গ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। পাশাপাশি হুঁশিয়ারির সুরেই করে দিয়েছেন বড় অভিষ্যদ্বাণী।এদিকে ইন্ডিয়া জোটে নেই আইএসএফ। তবে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা আসন থেকে লড়াইয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন দিন কয়েক আগেই। সূত্রের খবর, সেকথা ইতিমধ্যেই আইএসএফের বিধানসভা ভোটের জোট সঙ্গী সিপিআইএম নেতৃত্বকে জানিয়েছেন তিনি। আলিমুদ্দিন এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি। তবে, চাইলে নওশাদকে ডায়মন্ড হারবারে কংগ্রেসের সমর্থনে বাধা নেই বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ফলেঅন্যদিকে বিজেপিও এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়াকু প্রার্থী দিতে কোমর বাঁধছে বলে জানা গিয়েছে। তাই ভোটযুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে এবার কাঁটে কি টক্কর দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে ফলতার একটি বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব, বিজেপির ধর্মীয় ভেদাভেদের রাজনীতি, ডায়মন্ড হারবারের তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী নিয়ে মুখ খোলেন।কোনও নাম উচ্চরাণ না করেই অভিষেক বলেছেন, শুনেছি, অনেকেই এখন ডায়মন্ড হারবার থেকে দাঁড়াতে চাইছেন। দাঁড়াতেই পারেন। এটাই তো ভারতীয় গণতন্ত্রের রীতি নীতি, ঐতিহ্য। খুব ভালো। গুজরাটের, উত্তর প্রদেশের নেতারাও ডায়মন্ড থেকে দাঁড়াতে পারেন। ডায়মন্ড হারবারে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। মানুষ একপক্ষকে বেছে নেবে, অন্যদের বর্জন করবে।গতবার এই কেন্দ্র থেকে ৩ লাখ ২১ হাজারের ব্যবধানে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র ফলতা কেন্দ্র থেকেই ব্যবধান ছিল ৪৫ হাজার। সেই টার্গেট এবার ৭০ হাজার করতে হবে। আজকে যে পরিমাণ মানুষ এখানে এসেছেন, রাস্তায় ৫০ হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। এই মানুষরা ভোট দিলেই তো উড়ে যাবে। মানুষই ভো-কাট্টা করে দেবে। টাকা ছড়িয়ে কোনও লাভ হবে না। বড় ফুল টাকা দিলে নেবেন, কিন্তু ভোটটা জোড়াফুলেই দেবেন। ভোটের সময় আগেও সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল সিপিএম। কিন্তু, যাঁরা সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল, তাদের এখন কী অবস্থা সবাই জানে। আমাদের এখানে কাউকে ভাতে মারতে পারবে না কেন্দ্র।

নভেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

এবার আর ৯-১০ ঘন্টা নয়, মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই ইডি দফতর ছাড়লেন অভিষেক

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সূত্রেই এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, কিছু নথি চেয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি, সেটা পাঠিয়ে দিলেও হত, কিন্তু সশীরের আসার কথা বলা হয়েছিল তাই এসেছি। তদন্তে সহযোগিতা করছি। আবার ডাকলে আসব। বিস্তারিত মিডিয়ায় আর কিছু বলছি না। অভিষেক জানান, এদিন প্রায় ৬ হাজার পাতার নথি ইডি আধিকারিকদের কাছে জমা করেছেন তিনি। তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে আমাগী দিনেও সহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এই নথি দেখে যদি মনে করেন তদন্তকারীর আবার ডাকবেন, জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে, তাহলে আবার আসব। শুধু নথি পাঠিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি। তদন্ত এড়াতে কোনওদিন কোনও অজুহাত খুঁজিনি।গত কয়েকমাসে কেন্দ্রীয় একাধিক সংস্থার বারবার তলবের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর আগেও তৃণমূলের শীর্ষ নেতাকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছিল। একটানা ৯-১০ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তৃণমূল নেতাকে। যদিও বারাবর তাঁকে এই তলব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই তোপ দেগেছেন অভিষেক ও তাঁর দলের নেতারা। ইডি-সিবিআইকে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের চাপে রাখতে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।রাজনৈতিকভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পেরে না উঠে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ রাজ্যের শাসকলের। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তাঁকে ফের একবার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। এই মামলায় এর আগে ইডি এবং সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেলিন তৃণমূল নেতা। আজ ফের একবার ওই একই মামলায় হাজিরা তৃণমূলের সেকন্ড ইন কম্যান্ডের।

নভেম্বর ০৯, ২০২৩
রাজ্য

'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?', সিজিওতে পাল্টা প্রশ্ন জ্যোতিপ্রিয়র

জন্মদিনে জনসংযোগ মিটতেই ইডির নোটিস। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বৃহস্পতিবার ফের তলব করেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ইডির হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তাঁকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই বনমন্ত্রীর পাল্টা জিজ্ঞাসা, আমি জানি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?। এরপর আর এ বিষয়ে কোনও কথা শোনা যায়নি তাঁর মুখে। এদিনও তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে জ্যোতিপ্রিয় বলতে থাকেন, আপনাদের একটা কথা বলি শুনুন। আমি সমস্ত ব্যাপারে নির্দোষ, এটা জেনে নিন। ১৩ তারিখ আমাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হবে। সেখানে বুঝতে পারবেন আমি অত্যন্ত ক্লিয়ার।স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতর থেকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । সিজিও থেকে গাড়িতে ওঠার সময়ই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন বনমন্ত্রী। হাসপাতাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়ে দেন শরীরটা খুব খারাপ।রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় রানাঘাট এর রেশন ডিলার জয়িতা পালকে তলব করেছিল ইডি। এদিন তিনি ইডি দফতরে আসেন। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য জানতে চায়। জানা গিয়েছে, এবার আরও রেশন ডিলারদের দিকে নজর দিয়েছে ইডি।ফের আজ, বুধবার ইডি দফতরে এলেন টিটাগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। পৌরনিয়গ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে তলব করেছিল। এর আগে তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি টিটাগর পুরসভাতে তল্লাশি করেছে ইডি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুর ১২.৩৫ নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অর্থনীতির অধ্যাপক নির্মলাদেবীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার নির্মলাদেবীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নোবেলজয়ী প্রফেসর অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। আমি গতকাল তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। অধ্যাপক নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে প্রশিক্ষিত ছিলেন এবং কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সে অর্থনীতির প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রয়াত অধ্যাপক দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আমি নির্মলাদিকে ভালো করে চিনতাম এবং ওনার সঙ্গে আমার অনেক মধুর স্মৃতি আছে। তাঁর মৃত্যু আমাদের জনজীবনের এক বিরাট ক্ষতি। অভিজিৎ, অনিরুদ্ধ, এসথার ডুফলো সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি নির্মলাদির বন্ধু ও ছাত্রদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।শুক্রবার সকালে কলকাতায় এসে পৌঁছন নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুরু থেকেই ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল বলে গতকালই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল, শুক্রবারই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal