• ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

খেলার দুনিয়া

Sourav Birthday: জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, ‘‌দিদি’‌কে ‘‌দাদা’‌র দুর্দান্ত উপহার

নাসরীন সুলতানাবুধবার রাত ১২ টা বাজার পর থেকেই ভরে যাচ্ছিল মোবাইলের ইনবক্স। একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা। প্রিয়জনদের। যাদের কাছে মোবাইল নম্বর নেই, টুইটারই ভরসা। শুভেচ্ছার বন্যায় তিনি যে ভেসে যাবেন, সেটা জানা কথাই। যতই হোক জন্মদিন। তার ওপর নামটা সৌরভ গাঙ্গুলি। সারা বিশ্বে ভক্তর সংখ্যা তো কম নেই। তাই অন্য মাত্রা পেল মহারাজের জন্মদিন। বিকেলে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে সৌরভের বাড়িতে হাজির রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হুগো বৌমৌসকে তুলে নিয়ে আবার মুম্বইয়ের ঘর ভাঙল এটিকেমোহনবাগানঅন্যান্য বছরের থেকে এবারের জন্মদিনটা সম্পূর্ণ আলাদা। পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে কোভিড ১৯। মহা ধুমধাম, বিশাল আয়োজন, তেমন কোনও ব্যাপার নেই। একেবারেই ঘরোয়া। বুধবার ঘড়ির কাঁটা ১২টা স্পর্শ করতেই হাজির বড় কেক। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে রাতেই কেক কাটেন সৌরভ। এরমধ্যেই স্ত্রী ডোনার কাছ থেকে দামী ব্র্যান্ড নিউ এমআই আল্ট্রা ১১ মোবাইল উপহার পান সৌরভ। ১২জিবি+ ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়ান্ট বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এই মোবাইলের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা।আরও পড়ুনঃ ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডবৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বাড়িতে ভক্তদের ভিড়। কেক, ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির অনেকেই। সৌরভ গাঙ্গুলি ফ্যান ক্লাবের সদস্যরাও কেক, পুস্পস্তবক নিয়ে হাজির। সুদূর চন্ডীগড় থেকে এসেছিলেন কয়েকজন ভক্ত, জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে। খাদ্য রসিক বলে পরিচিত ছিলেন সৌরভ। কিন্তু সাম্প্রতিক অসুস্থতার জন্য খাদ্যতলিকা থেকে অনেককিছুই বাদ গেছে। মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। মাছের বিভিন্ন পদ দিয়ে হল জন্মদিনের সেলিব্রেশন। সৌরভের জন্মদিনে অন্যমাত্রা এনে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বিকেলে তিনি সৌরভের বাড়িতে হাজির হন। মহারাজের হাতে পুস্পস্তবক তুলে দেন মমতা ব্যানার্জি। দিদিকে সিল্কের শাড়ি ও মিষ্টি উপহার দেন সৌরভ। জন্মদিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেন মহারাজ।আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি|My beloved Dadi. Happy birthday. Wishing you a healthy and happy year ahead. pic.twitter.com/wX9WlPZpPU Sachin Tendulkar (@sachin_rt) July 8, 2021ভক্তদের পাশাপাশি এদিন মহারাজের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন সতীর্থরা। শচীন তেন্ডুলকার যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তেমনই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, হরভজন সিং, সুরেশ রায়না, ওয়াসিম জাফররা। সবথেকে চমকপ্রদ টুইট শচীনের। বাংলায় টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি। বীরেন্দ্র শেহবগ টুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, দাদার চিন্তাভাবনার সঙ্গে কয়েকজনের মিল রয়েছে। দাদা তোমার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। হরভজন সিং লিখেছেন, আমার ক্যাপ্টেনকে শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আমি সবসময় তোমাকে ভালবাসি।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

Nandigram Case: মমতাকে জরিমানা করে নন্দীগ্রাম মামলা থেকে সরলেন কৌশিক চন্দ

নন্দীগ্রাম মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তিনি নিজেই বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ সেই রায় ঘোষণা করলেন। সেই সঙ্গে মামলাকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানাও করল কলকাতা হাইকোর্ট।বিচারব্যবস্থাকে কলুষিত করার জন্যই জরিমানা করা হয়েছে। ওই জরিমানার অর্থ জমা দিতে হবে রাজ্য বার কাউন্সিলে, যা পরবর্তীকালে কোভিড চিকিৎসায় ব্যবহৃত হবে। এ বার এই মামলা কোন বেঞ্চে যাবে, মাস্টার অব রোস্টার হিসেবে তা ঠিক করবেন হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় সেঞ্চুরি হাঁকাল পেট্রলমামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি চন্দ স্পষ্ট জানান, তাঁর বিরুদ্ধে মামলাকারীর পক্ষ থেকে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার জন্য তিনি সরছেন না। বরং, বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার কারণেই তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তাই মামলাটি ছেড়ে দেওয়া উচিত এই অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সাধারণ মানুষের উপর ছাড়া যায় না। এটা বিচারপতি ঠিক করবেন। কারও কোনও রাজনৈতিক পছন্দ থাকতে পারে না, এটা এ দেশে প্রায় অসম্ভব। বিচারপতিরাও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন। তাঁরাও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। তাছাড়া বিচারপতির নিয়োগ সংক্রান্ত সিক্রেট রিপোর্ট জনসমক্ষে আনাটা কি ঠিক? একজন মুখ্যমন্ত্রী গোপনীয়তা বজায় রাখারও শপথ নেন।মামলার রায় ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সুফিয়ান বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রীকে এই ভাবে জরিমানা করা লজ্জাজনক ঘটনা। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি। মমতাকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানার বিরুদ্ধে সরব হয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ তথা জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন টুইটে লেখেন, আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে সত্যি কথা বলার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে হয়। আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করি যেখানে মিথ্যে প্রচারের জন্য কোনও দাম দিতে হয় না। প্রসঙ্গটা ধরা গেল? মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায় ।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজনীতি

CM letter to PM: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মোদিকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার। আগামী ১০ ও ১১ জুলাই রাজ্যজুড়ে জ্বালানি তেলের মৃল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে তৃণমূল কংগ্রেস। তার আগেই আজ পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেভাবে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়েছে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর জন্য কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত।আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান, তৃণমূলেই যোগ দিলেন প্রণবপুত্র অভিজিৎমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, পেট্রোলের দাম কোনও কোনও রাজ্যে একশো টাকা ছুঁয়েছে। গত ৪ মে থেকে কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত ডিজেলের দাম ৮ বার বাড়িয়েছে। এর মধ্যে জুনেই দাম বেড়েছে ৬ বার। এর ফলে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কারণ জ্বালানির মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের উপরে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রীকে(Narendra Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০২০ সালের মে মাসের তুলনায় এবছর মে মাসে খুচরো পণ্যের দামের সূচক বেড়েছে ১২.৯৪ শতাংশ। ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে ৩০.৮ শতাংশ, ডিমের দাম বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, ফলমূলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। এর পেছনে প্রত্যক্ষভাবে দায়ি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট থেকে সরকারের কর আদায় বেড়েছে ৩৭০ শতাংশ। এর পেছনে রয়েছে ওইসব পণ্যের উপরে কেন্দ্রের লাগাতার শুল্ক বৃদ্ধি। এরকম এক পরিস্থিতিতে রাজ্যসরকার পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে শুল্কে কিছুটা ছাড়া দিয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রে সেস বাড়িয়েই চলেছে। আমার অনুরোধ, মানুষের উপর চাপ কমানোর জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে কর কম করুক কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

বিধানসভায় কৌশলী তৃণমূল, কড়া নির্দেশ বিধায়কদের

এবারের বিধানসভায় এক ঝাঁক নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁদের পাঠ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সমস্ত বিধায়ক এদিন হাজির ছিলেন। দলীয় বিধায়কদের নানা ভাবে সতর্ক করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে দল। এবার এককভাবে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুই সাংসদ পদত্যাগ করায় বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৫-এ। কিন্তু এবার বিধানসভায় বাম-কংগ্রেসের কোনও বিধায়ক নেই। লড়াই সরাসরি। রাজ্যপালের বাজেট ভাষণের দিন বিজেপির ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ বুঝিয়ে দিয়েছে কোমর বেধে নামবেন শুভেন্দু অধিকারীরা। তাই বিশেষ কৌশল নিতে চলেছে তৃণমূল। জুঝতে গেলে পড়াশুনা দরকার তাও এদিন বিধায়কদের অবগত করেছে তৃণমূল।দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন বিধায়করা লাইব্রেরী ব্যবহার করুক, জানুক। তাঁরা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুক। বুঝতে অসুবিধা হলে নেতৃত্বরা তাঁদের বুঝিয়ে দেবে। বিজেেপি বিধায়করা অধিবেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও দলীয় বিধায়কদের সংযত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে নেতৃত্ব। কোনওভাবেই না জেনে বিধানসভায় কিছু বলা যাবে না। জেনে নিতে হবে। নির্দেশ দলের।এদিনের বৈঠকে বিধানসভায় সময়মত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে দলীয় নেতৃত্বে। পার্থবাবু বলেন, শেষ সময় পর্যন্ত থাকতে হবে। বিধানসভায় প্রতিদিন হাজির হতে হবে। পরিষদীয় বৈঠকে হাজির ছিলেন শোনদেব চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, নির্মল ঘোষ। বৈঠকে ছিলেন না মদন মিত্র। মুকুল রায় খাতায়কলমে বিজেপির বিধায়ক। তিনিও হাজির ছিলেন না পরিষদীয় সভায়।ভূয়ো ভ্যাকসিনের নায়ক ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের ছবি প্রকাশ পেতেই বিড়ম্বনা বেড়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে নামতে হয়েছে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ওই ছবিকে হাতিয়ার করে ক্রমাগত তোপ দাগছে গেরুয়া শিবির। এবার সামাজিক কর্মসূচিতে বিধায়কদের যাওয়া নিয়ে কড়া বার্তা দিল দল। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, কোন অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে আয়োজক সংস্থা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। কারা আসবেন সেখানে সেই তালিকা দেখে নিতে হবে। তারপর তাঁরা সেই অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhijit Mukherjee: জল্পনার অবসান, তৃণমূলেই যোগ দিলেন প্রণবপুত্র অভিজিৎ

শেষমেশ প্রণবপুত্র তৃণমূলেই যোগ দিলেন। কয়েক দিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটল। সোমবার তৃণমূল ভবনে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন জঙ্গিপুরের প্রাক্তন সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট মেনে নিতে পারেননি তিনি। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য একমাত্র মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল কংগ্রেস পারে বিজেপিকে রুখতে। তা বিধানসভার নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে। এদিন অভিজিতের যোগদানপর্বে হাজির ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস সেভাবে লড়াই করতে পারছে না। সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে চলেছে বিজেপি। তৃণমূলই পারে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে। রাজ্যে উন্নয়ন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার দেশের পরিবর্তন আনবেন। তাছাড়া কংগ্রেস তাঁকে কোনও কাজে লাগায়নি বলেও মন্তব্য করেন প্রাক্তন সাংসদ।এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অভিজিৎ। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল। এদিন অভিজিতের হাতে পতাকা তুলে দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhijit Mukherjee: আজই তৃণমূলে প্রণব-পুত্র?

জল্পনা চলছিল অনেক দিন ধরেই।এবার মনে হয় তা সত্যি হতে চলেছে। সোমবারই হয়তো তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। বিকেল ৪টের সময় তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এই বৈঠকেই হয়তো অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করতে পারেন।আরও পড়ুনঃ গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতিরকয়েকদিন ধরেই জঙ্গিপুরের প্রাক্তন সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। গত ৯ জুন প্রণব-পুত্র অভিজিৎ তাঁর জঙ্গিপুরের বাসভবনে তৃণমূলের জেলা সভাপতি, জঙ্গিপুরের সাংসদ-সহ একাধিক নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপরই জেলাজুড়ে জল্পনা ছড়ায়, তা হলে কি প্রণবপুত্রও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে উদ্যত। বুধবারের সেই বৈঠকে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান, তৃণমূল জেলা সভাপতি আবু তাহের, বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস, দুই মন্ত্রী আখরুজ্জামান ও সাবিনা ইয়াসমিন-সহ জেলার আরও একাধিক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরঅভিজিৎ একটি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, এই মুহূর্তে তিনি তৃণমূলে যাচ্ছেন না। এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। তবে কংগ্রেসের এই নেতা বিষয়টি যতই বিভ্রান্তি বলে উড়িয়ে দিন না কেন, জেলার রাজনৈতিক মহলে জল্পনা থেকেই যায়। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Srabanti Tathagata: বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তীর ইলেকশন এজেন্টকে নিয়ে প্রশ্ন তথাগতর

এবার বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্ট সোহেল দত্তকে প্রশ্ন তুললেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়। বর্ষীয়াণ এই বিজেপি নেতা এর আগেও একাধিক টুইট করে দলকে সতর্ক করেছেন। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।রাজ্য কার্যকরি কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে হাজির ছিলেন তথাগত রায়। রাজ্যে বিজেপির পরাজয়ের কারণ নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বার্তা দিয়েছেন। চিঠি পাঠিয়ে শলা-পরামর্শও দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে। এবার শ্রাবন্তীর চিফ ইলেক এজেন্টের রাজনৈতিক সত্ত্বা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা।টুইটে কি ছবি পোস্ট করেছে তথাগত রায়?Is this true? pic.twitter.com/AhuS5LNhQw Tathagata Roy (@tathagata2) July 4, 2021রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সীকে নিজের হাতে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন সোহেল।কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছবি রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে।রাজ্যের আরেক মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন, পাশে দাঁড়িয়ে এই অভিনেতা।তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ সুভাশিস চক্রবর্তীকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে প্রকাশ্য মঞ্চে। অবশ্যই মুখে হাসি লেগে রয়েছে।এনআরসি ও সিএএ বিরোধী মিছিলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সোহেল।এই পাঁচটি ছবি পোস্ট করে তথাগত রায় প্রশ্ন তুলেছেন, এটা কি সত্য?টুইটে তথাগত লিখেছেন, এটি হচ্ছে সোহেল দত্ত বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্ট। বাকিটা আপনারা বিচার করুন। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার এই পোস্ট ঘিরেই বিতর্ক দানা বেধেছে। উল্লখযোগ্য বিষয় বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!নির্বাচনপর্ব মিটবার কিছু দিন পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় দল ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির একাংশ দল ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে চাইছেন বলেও তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন। এদিকে তৃণমূলের কালচারাট ইউনিটের রাজ্য সভাপতি রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দলে যে কেউ ফিরতে পারেন, স্বাগত। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, বিজেপি খতিয়ে না দেখেই বিভিন্ন লোককে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিল নির্বাচনে। সেই প্রশ্ন উঠছে দলের মধ্য থেকেও।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

TMC-Tushar Mehta: বিজেপির 'সিক্রেট জেনারেল' তুষার, অভিষেকের টুইট তোপ

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল। তুষার মেহতার অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার কথাও তৃণমূল শিবিরের। এরইমধ্যে সোমবার টুইট করে সলিসিটর জেনারেলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তুষারকে বিজেপির সিক্রেট জেনারেল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলেরটুইটে অভিষেক লেখেন, ৭২ ঘণ্টা পরেও নিজের মন্তব্যের সমর্থনে ২০ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে পারেননি তুষার মেহতা। মিস্টার এসজি, এই দুর্বল রক্ষণ নিয়ে আপনি বিজেপি-র সিক্রেট জেনারেল হিসাবে কাজ করতে পারবেন, ভারতের সলিসিটর জেনারেল হিসাবে নয়। এর আগে রবিবার দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনও রবিবার সকালে টুইট করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান সলিসিটর জেনারেলকে।Even after 72 hours, Mr Tushar Mehta, Honble SG of India, has failed to release the 20 mins of CCTV footage of his OWN HOUSE to corroborate his OWN STATEMENT.Mr SG, with such weak defence you can continue serving as @BJP4Indias SECRET GENERAL, not INDIAS SOLICITOR GENERAL. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 5, 2021বৃহস্পতিবার তুষারের দিল্লির বাড়িতে শুভেন্দু গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। শনিবার তৃণমূল দলীয় ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে এই ঘটনার জন্য সলিসিটার জেনারেলের অপসারণ দাবি করে। সেই সময়ও তুষারের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন অভিষেক। যদিও তুষার জানিয়েছেন, শুভেন্দু তাঁর বাড়িতে এলেও সাক্ষাৎ হয়নি। একই দাবি করেছেন শুভেন্দুরও। যদিও তা মানতে নারাজ তৃণমূল।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

BJP MLA: সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

রাজ্যে ফের আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক। রবিবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিফায়ক দিবাকর ঘরামি। জানি গিয়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দিবাকরবাবুর গাড়ির উপর লাঠি নিয়ে হামলা করে। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় রক্ষা পান বিজেপি বিধায়ক। যদিও দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। জখম সকলকেই সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। যথারিতি এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধেবেলা মানিকবাজারের কাষ্ঠসাঙা গ্রামের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সোনামুখীর (Sonamukhi) বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। তিনি সেখানে কথাবার্তা বলার পর ফেরার পথে মানিকবাজারের কাছে দুষ্কৃতী হামলার মুখে পড়েন।চলে গো ব্যাক স্লোগান।দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে অনেকের মাথা ফেটে যায়, কেউ বা হাতে-পায়ে চোট পেয়েছেন। ঘটনার পরও রাতভর সেখানে উত্তেজনা জারি ছিল। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে একাধিকবার। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার কথা টুইট করে তীব্র নিন্দা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একজন বিধায়কও অবিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলরাজে নিরাপদ নন।Sonamukhi MLA Dibakar Gharami attacked by TMC goons today at Manikbajar Panchayat area.7 BJP party members accompanying him were seriously injured alongside others had to be referred to Bankura Medical College.An MLA is not even safe in the Non-MLA CMs jungle raj. Horrific pic.twitter.com/Q8UpJqVeTP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 4, 2021উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার, ঘরছাড়া হওয়ার খবর আসছে রাজ্যজুড়ে। এই নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে দরবারও করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে এসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

Cancer Hospital: রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

টাটা মেমোরিয়ালের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুটি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও রাজ্যের অধিকাংশ ক্যানসার আক্রান্ত মুম্বাই যান চিকিৎসা করাতে। তাতে একদিকে যেমন টাকা-পয়সার খরচ বেড়ে যায়, অন্যদিকে সঙ্গে থাকার লোকজনের ঝক্কিও থাকে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনএদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ মুম্বাই যান ক্যানসারের চিকিৎসা করতে। এরপর এই রাজ্যেই উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে। টাটা মেমোরিয়াল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে দুটো ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র করবে এখানে। তার মধ্যে একটা এসএসকেএমে অন্যটি উত্তরবঙ্গে তৈরি করা হবে। এর ফলে আর বাইরের রাজ্যে যেতে হবে না ক্যানসার আক্রান্তদের।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিএদিকে এদিনে বৈঠকে ফের ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রদানে রাজ্য দেশের মধ্যে সেরা কাজ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যে রাজ্যে ২.১৭ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। কেন্দ্রের কাছ থেকে মোট ১.৯৯ কোটি টিকা পেয়েছি। তার মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ দিয়েছি। রাজ্যে ৫৯ কোটি টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি থেকে ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কিনেছে। মমতার প্রশ্ন, অন্যরা তিন কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমি কেন এক কোটি কম পাব? ফের টিকার দাবি জানিয়ে আজই রাজ্য চিঠি দেবে কেন্দ্রকে।

জুন ৩০, ২০২১
নিবন্ধ

ভগবানের সুরের ভাঁজে হৃদয় ভিজছে সকলের

তাঁর বেহালার সুরে মুগ্ধ পথচলতি মানুষ। ফুটপাথে বসে অশক্ত হাতের বাজানো একের পর এক সুরের মূর্ছনায় মোহিত হয়ে একটু হলেও দাঁড়িয়ে পড়েন অনেকেই। রুক্ষ পাকা চুল, পাকা দাঁড়ির ভবঘুরে ভগবান মালি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই ধীরে ধীরে উঠে আসতে শুরু করে ভগবানের কাহিনি।ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছে বেহালায় হাতেখড়ি ভগবানবাবুর। তারপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ছে। কিন্তু বেহালার সুর তাকে ছেড়ে যায়নি। তাই এই বিপদের সময়ে সেই বেহালার সুরকে আঁকড়ে ধরেই জীবনযুদ্ধে লড়ে চলেছেন তিনি। মূলত উত্তর কলকাতার রাস্তাতেই বেহালা বাজান ভগবান বাবু। মালদার বাসিন্দা হলেও কলকাতায় মেয়ে-জামাই রয়েছে। নাতনি হয়েছে খবর পেয়েই কলকাতায় আসা। আর তারপরেই লকডাউনে আটকে পড়া। এই পরিস্থিতিতে কাজ হারিয়েছে জামাই। তাই ছোট নাতনির মুখ চেয়ে রাস্তায় রাস্তায় বেহালা বাজিয়েই সারাদিন যা উপার্জন করেন, তাই দিয়েও মেয়ের সংসার চলে। কিন্তু ভিন রাজ্যে এই বৃদ্ধ দম্পতি একটু মাথা গোঁজার জায়গাটুকুও পায়নি। রাস্তার পাশেই রাত কাটান। সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃদ্ধ বেহালাবাদককে দেখে তাঁর সঙ্গে আলাপ করতে আসেন তৃণমূল বিধায়ক তথা পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তাঁকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী শশী পাঁজার সঙ্গে দেখা করে ভগবান বাবুর পরিবারকে একটি থাকার জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। যেমন কথা তেমন কাজও হয়। মাথার উপর ছাদ পান ভগবান মালির পরিবার।আরও পড়ুনঃ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল বিধায়কগত সপ্তাহে কলকাতা পুলিশের কমিউনিটি পুলিশিং উইং ও রক্ষক ফাউন্ডেশন নামক একটি স্বেচ্ছেসেবী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে সংবর্ধিত করা হয় এই প্রতিভাবান বেহালাবাদককে। আজ লালবাজারে একটি অনুষ্ঠানে মাননীয় নগরপাল সৌমেন মিত্র তাঁকে সংবর্ধিত করেন এবং একটি নতুন বেহালা উপহার দেন। উপহার পেয়ে আপ্লুত ভগবান মালি শুকনো ধন্যবাদ জানাননি। উপহার পাওয়া নতুন বেহালায় সুরের ভাঁজে সকলের হৃদয় ভিজিয়ে দিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে দেবাঞ্জনকে জঙ্গিদের থেকেও ভয়ঙ্কর বললেন মুখ্যমন্ত্রী

কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccine Case) ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে জঙ্গির থেকেও ভয়ংকর বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রথমবার ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি নিয়ে বিজেপির খোঁচারও জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রাপ্তদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষজ্ঞ কমিটি খেয়াল রাখছে বলেও জানান তিনি।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, এত বড় সাহস। এত ঔদ্ধত্য হয় কী করে? সাধারণ মানুষ, সহজ সরল মানুষদের অনেকে চিটফান্ডের নামেও বোকা বানায়। কিছু মানুষ দেখতে সুন্দর, সেজে গুজে থাকে। প্রতারণা করে। তাদের আমি মানুষ বলে মনে করিনা। অমানুষ বলেও মনে করিনা। এদের সমাজে থাকার কোনও যৌক্তিকতা নেই। মানুষের জীবন নিয়ে যারা খেলে তারা জঙ্গিদের থেকেও ভয়ংকর। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যারা সাহায্য করেছে সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল ভ্যাকসিন-কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের (Debanjan Deb) সঙ্গে রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP)। তা নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে নেয়। বিমানে দূর থেকে বসেও ছবি তুলে নেয়। ছবি দেখিয়ে কিছু হবে না। ফটোশপ করে কোনও লাভ নেই। ছবি তুলে কাজে লাগায় প্রতারকরা। এরা ঠগবাজ মনে রাখতে হবে। এছাড়া কোন এলাকায় কে কী ব্যবসা চালাচ্ছে সেদিকে পুলিশ এবং পুর কর্তৃপক্ষকে নজর রাখার কথাও বলেছেন তিনি। যাঁরা কসবায় ভুয়ো টিকা নিয়েছেন তাঁদের স্বাস্থ্যের দিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটি নজর রাখছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

CM-Dhankhar: অতীত টেনে রাজ্যপালকে পালটা দুর্নীতিগ্রস্ত বললেন মমতা

উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে দুর্নীতির আখড়া বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। ক্যাগ (CAG) অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বলেন, উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক। আর ক্যাগ (CAG) দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, ক্যাগ (CAG) অডিট প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ কবীর সুমনএদিন অতীত টেনে এনে রাজ্যপালকে বিদ্ধ করার পাশাপাশি ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাস

রাজ্যে ফের করোনার বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় আরও বেড়েছে। সোমবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলবে সরকারি ও বেসরকারি বাস। এখনই পুরোপুরি করোনাবিধি প্রত্যাহার হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন বিধিনিষেধ চালু হবে।কী কী ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী** রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না। আগের নিয়ম বহাল থাকছে।** সরকারি ও বেসরকারি বাস চালু করা হচ্ছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস রাস্তায় নামত পারবে।** কলকাতা, জেলা ও রাজ্যের মধ্যে বাস চলাচল করবে।** অটো, টোটোসহ যাত্রীবাহন চলবে করোনা বিধিন মেনে ।** সেলুন ও বিউটি পার্লার চালু রাখা যাবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ৫০ শতাংশ কাষ্টমার থাকতে পারবে সেখানে। ভ্যাকসিন নিতে হবে কাস্টমার ও কর্মীদের। প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে।** সবজি ও মাছের বাজার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের থেকে ১ ঘণ্টা বেড়েছে এক্ষেত্রে।** এছাড়া বাকি দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।** জিম খোলা থাকবে ৫০ শতাংশ হাজিয়ায়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।** ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে দুপুর ২টো পর্যন্ত।** ট্রেন চালু করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতি হয়নি।** বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজির থাকতে পারবে।** যারা মহামারি আইন মানছে না তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।** রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান খোলা থাকবে ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত।** বেসরকারি বা কর্পোরেট সেক্টরে এখন থেকে ৫০ শতাংশ হাজিরা থেকে কাজ করতে পারবে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ। কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে সংস্থাকে।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

'বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র'-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি 'বাংলা পক্ষ'র

সম্প্রতি, বাংলা ভাগ করা নিয়ে দুই বিজেপি সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আর গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদের মন্তব্যে বেশ অস্বস্তিতেও পড়ে যায় বঙ্গ বিজেপি। যদিও ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে সবপক্ষ সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীর মতো শীর্ষস্থানীয় নেতারা। কিন্তু, দলের উত্তরবঙ্গ শাখার অন্দরে একটি চাপানউতোর রয়েই গিয়েছে। এবার বিজেপি সাংসদদের বাংলা ভাগের দাবি নিয়ে সরব হয়েছে বাংলা পক্ষ নামক একটি সংগঠন। বঙ্গভঙ্গের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।আরও পড়ুনঃ ফিরে এলাম দূরে গিয়ে...... পঞ্চমবাঙালির শত্রু, হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি বাংলা ভাগ করতে চায়। তাদের দুই সাংসদ জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ বাংলা ভাগের দাবি তুলেছে। বাংলা ও বাঙালিকে বিপদে ফেলতে চায় বিজেপি। বাংলা পক্ষ ভারতের তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে। বাংলা পক্ষ-র দাবি, তারা বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়ছে। সংগঠনের তরফে ইতিমধ্যেই নানা জেলায় এই দুই বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। রবিবার বাংলা পক্ষ-র হাওড়া জেলা সংগঠনের পক্ষ থেকে সালকিয়ায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হল। জেলা সম্পাদক জয়দীপ দের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হয় এলাকায়। তাদের দাবি, কোনওভাবেই বাংলা ভাগ হতে দেবে না বাঙালি। বাঙালির রক্তে ভারত স্বাধীন হয়েছে। এবার বঙ্গভঙ্গ আটকাতে বাংলা পক্ষর সৈনিকরা রক্ত দিতে প্রস্তুত। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আমিন, মিঠুন মণ্ডল, প্রীতম দত্ত-সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

জুন ২৭, ২০২১
ব্যবসা

Bank's Profit: করোনা অতিমারিতেও ব্যাংকের রেকর্ড লাভ

২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাংকিং বিভাগ করোনা অতিমারিতেও রেকর্ড লাভ করেছে। যখন দেশের বাকি সমস্ত সংস্থা এই অতিমারিতে অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। ওই অর্থবর্ষে বাঙ্কিং বিভাগ ১,০২,২৫২ কোটি টাকা লাভ করেছে, যা গত অর্থবর্ষের ১৮,০০০ কোটি টাকার মোট লোকসানের তুলনায় বেশ ভাল বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।মোট মুনাফার ৫০% এসেছে প্রধান দুইটি ব্যাংক এইচডিএফসি এবং স্টেট বাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে। এইচডিএফসি বাঙ্ক ৩১,১১৬ কোটি টাকা যা প্রায় মোট লাভের ৩০% এবং গত অর্থবর্ষের তুলনায় ১৮% বেশী। দেশের সর্ববৃহৎ ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ২০,৪১০ কোটি টাকা লাভের কথা ঘোষণা করেছে, যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ২০% বেশী। তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে আইসিআইসিআই ব্যাংক, তারা ১৬,১৯২ টাকা লাভ করে, যা আগের অর্থবর্ষের প্রায় দ্বিগুন। সরকারি ব্যাংকগুলি (পিএসবি) ঋণদানের ক্ষেত্রে ধীরগতির নীতি অবলম্বন করায় বেসরকারী ব্যাংকগুলিরও বাজারের শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাসবচেয়ে বড় ব্যাপার বেসরকারি ব্যাংকগুলি গত পাঁচ বছরে এই প্রথম সম্মিলিত ভাবে নিট লাভ করেছে। সারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের মধ্যে মাত্র দুটি ব্যাংক যথাক্রমে পাঞ্জাব ও সিন্ধ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া-তে এই বছরে নিট লোকসান হয়েছে।বেসরকারী ক্ষেত্রে ইয়েস ব্যাংক ৩,৪৬২ কোটি টাকার নিট লোকসান করে লাল তালিকাভুক্ত হয়েছে। তারা বিগত বছরের মত একই ধারা অব্যহত রেখেছে। লাল তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণ, তারা বিগত বছরের ন্যায় কম লোকসান করেছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিসারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের এই সাফল্যের মুল কারন, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ব্যাংকগুলিকে বাধ্য করেছিল সর্বোচ্চ ১০টি আনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার ঋণের টাকা উদ্ধার করার জন্য। তারপর তারা পরবর্তী ৪০টি অনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার থেকে ঋণের টাকা উদ্ধার করে তাদের দেউলিয়ার ঘোষণা থেকে নিরস্ত করে।রেটিং এজেন্সি আইসিআরএ রিপোর্ট অনুসারে, চলতি বছরের লাভের মুল কারণ হল সরকারি ব্যাংকের বন্ড-এ ব্যাপক বিনিয়োগ। রেটিং এজেন্সিটি আরও জানিয়েছে, এসবিআই ছাড়া বন্ড বিক্রয় থেকে লাভ অন্যান্য সমস্ত সরকারি ব্যাংকের কর-পূর্বের মুনাফা বেড়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরসুদের হার কমে গেলে সরকারী বন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সুদের হার কম রাখার জন্য আরবিআইয়ের আগ্রাসী পদক্ষেপে সুদের আয় হ্রাস পেয়েছে তবে ট্রেজারি আয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর লাভ দিয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরটি দশটি সরকারী ব্যাংকের একত্রীকরণ করে চারটি ব্যাংকে পরিণত করার জন্য বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য।ব্যাংকগুলির ব্যালান্স শিটগুলিতে মহামারির প্রভাব এখনও সেইভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার কারণ ঋণগ্রহীতাদের ঋণখেলাপি অনেকাংশেই আটকানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আরবিআই ব্যাংকগুলিকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ঋণগ্রহীতাদের আরও এক বছর সময় দিয়ে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে। বৃহত্তর কর্পোরেট অ্যাকাউন্টগুলির ওপর যাতে এর প্রভাব কোন ভাবেই না পড়ে সেই দিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলি আতিমারির কারণে ঋণখেলাপি হয়ে ভবিষ্যতে লোকসানের প্রত্যাশা করছেনা না।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

কসবার ভুয়ো টিকা কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccination Case) দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ। আপাতদৃষ্টিতে মেধাবী পড়ুয়া দেবাঞ্জন কীভাবে প্রতারক হয়ে উঠল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আর্থিক তছরুপের জেরে ধৃতের বিরুদ্ধে নিউ মার্কেট থানায় একটি পৃথক এফআইআর (FIR) হয়েছে। এছাড়া মুচিপাড়া থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association)। এদিকে, দেবাঞ্জনের এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। রামলীলা পার্কের বাসিন্দা শান্তনু মান্না নামে ওই ব্যক্তি নিজেকে দেবাঞ্জনের অফিসের ম্যানেজার বলে দাবি করত। দেবাঞ্জনের তালতলার গুদামেও চলছে জোর তল্লাশি। সূত্রের খবর, সেখান থেকে বেশ কয়েকটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপিরইতিমধ্যেই তাকে বেশ কয়েকবার দফায় দফায় জেরা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাতেই জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার নামে বেআইনিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলেছিল দেবাঞ্জন। তদন্তে এই বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসার পরই নিউ মার্কেট থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একটি পৃথক FIR দায়ের হয়েছে। করোনা কালে স্যানিটাইজারের ব্যবসা শুরু করে দেবাঞ্জন। বাগড়ি মার্কেট থেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই কিটও কিনেছিল সে। এমনকী, সমাজসেবামূলক কাজও শুরু করেছিল দেবাঞ্জন। সে সময় বিনামূল্যে স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিলি করে সে। তবে কীভাবে দেবাঞ্জন টিকাকরণ নিয়ে জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। মিসিং লিংকের সন্ধানে তদন্তকারীরা।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

Narad-Supreme Court: মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশ

নারদ মামলায় (Narada case) কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি করল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের দায়ের করা হলফনামা গ্রহণ করতে হবে হাইকোর্টকে (Calcutta HC)। এই মর্মে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৯ জুন, মামলার পরবর্তী শুনানির দিনই তা গ্রহণ করতে হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটককে নতুন করে হলফনামা জমা দিতে হবে। তা রেকর্ডও করতে হবে। এমনই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে নারদ মামলায় আপাতত স্বস্তিতে রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ-কাণ্ডে কারগিল থেকে ধৃত ৪ পড়ুয়ামুখ্যমন্ত্রীদের জবাবি হলফনামা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। সময়ের মধ্যে হলফনামা পেশ করা হয়নি, এই যুক্তিতে তাঁদের হলফনামা উচ্চ আদালত তা খারিজ করে। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২১ তারিখ নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে মঙ্গলবারের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও, শুরুতেই নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। তৈরি হয় নতুন বেঞ্চ। বিচারপতি বিনীত শরণ ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর নতুন বেঞ্চ তৈরি করে শুনানি হয়। এরপর শুক্রবার নারদ মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, কলকাতা হাইকোর্টকে এই হলফনামা গ্রহণ করতে হবে। নতুন করে হলফনামা পেশ করতে হবে এবং তার রেকর্ড রাখতে হবে।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

Student Credit Card: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড

কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প। আগামী ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযাননির্বাচনের আগে ইস্তেহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সেখানে বলা হয়েছিল, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই প্রকল্পে পড়াশোনার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে এই প্রকল্প। তিনি জানিয়েছেন, দশম শ্রেণি থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাএদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়াদের ঋণ দেওয়ার যে প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। আজকের দিনটি পড়ুয়াদের। রাজ্যে দশম শ্রেণিতে প্রতিবছর কম-বেশি ১০ লক্ষ পড়ুয়া থাকে, দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকে সাড়ে ৯ লক্ষ। দশম থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর-সহ যাবতীয় পড়াশোনার জন্য রাজ্যের তরফে এবার পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। যা ক্রেডিট হবে তা ফেরত দেওয়ার জন্য চাকরি পাওয়ার পর ১৫ বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা।

জুন ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 68
  • 69
  • 70
  • 71
  • 72
  • 73
  • 74
  • ...
  • 90
  • 91
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal