• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজনীতি

ইউক্রেন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

ইউক্রেন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং তার প্রেক্ষিতে বহু সংখ্যক পড়ুয়া সহ ভারতীয় নাগরিকদের সেখানে আটকে পড়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংকট বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা চিঠিতে সমস্ত রাজনৈতিক মতভেদ দূরে সরিয়ে রেখে কেন্দ্রকে নিঃশর্ত সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে সবরকম ভাবে কেন্দ্রের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি ইউক্রেন সংকট নিয়ে একটি সর্বদল বৈঠক ডাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান।প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব রকম রাজনৈতিক বিরোধিতা ভুলে সব দলকে একসঙ্গে হতে হবে। ভারত যাতে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে থাকতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেছেন, একজন সিনিয়র মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় দলের নেতা হিসেবে তিনি ইউক্রেন পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক নীতির এই পরম্পরার প্রতি তাঁর আস্থা পুনরায় ব্যক্ত করছেন।তিনি লিখেছেন, যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় আমাদের ভূমিকা বরাবরের মতোই থাকুক। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগের পাশেই থাকবে রাজ্য।মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফেরানোর জন্য এখানে সকলের ত্রিবর্ণ পতাকার নীচে দাঁড়াতে হবে।অপারেশন গঙ্গা নাম দিয়ে ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে নেমেছে কেন্দ্র। দফায় দফায় কয়েকশো পড়ুয়া, নাগরিককে ফেরানো হয়েছে। দিল্লি কিংবা মুম্বই বিমানবন্দরে যে সব বাঙালি পড়ুয়াদের ভারত সরকার ফেরাচ্ছে তাঁদের নিখরচায় বিমান বা ট্রেনের টিকিট দিয়ে নিজেদের বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। একথা আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ইউক্রেন ইস্যুতে পড়ুয়াদের দ্রুত ভারতে ফেরাতে চিঠি লিখে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

কোভিডবিধি বহাল থাকল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত

বাড়ানো হল পশ্চিমবঙ্গের কোভিড বিধির মেয়াদ। মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে আলগা করা হল না কোভিড বিধিনিষেধ। বর্তমানে রাজ্যে যে কোভিডবিধি কার্যকর রয়েছে, তা-ই ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সোমবার সন্ধ্যায় নির্দেশিকা জারি করে জানাল নবান্ন।গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নবান্নের জারি করা কোভিড বিধিনিষেধে নৈশ কার্ফুর মেয়াদ এক ঘণ্টা কমানো হয়েছিল। সময়সীমা রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছিল। সোমবার জারি করা নির্দেশিকাতেও ওই একই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। আগের মতোই কেবল জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এই নৈশ কার্ফুর আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। পাশাপাশিই, মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়ম আগের মতোই বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নের নির্দেশ, বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও আগের মতোই কোভিড নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধের মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হল। সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানিয়েছে ডিজিসিএ।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

নোড়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে গৃহবধূকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী ও মামাশ্বশুর

নোড়া দিয়ে মাথায় আঘত করে গৃহবধূকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হল স্বামী ও মামাশ্বশুর। ধৃতদের নাম বিজয় মুদি ও শ্রীকান্ত মুদি। তাঁদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার মাশিলা গ্রামে। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ রবিবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। সেখান থেকে উদ্ধার হওয়ি রক্তমাখা নোড়াটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। সোমবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৮ মার্চ ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বধূর বাবার বড়ির সদস্যরা।পুলিশ জানিয়েছে, গৃহবধূ রেখা মুদির বাবার বাড়ি মাশিলা গ্রামে। তাঁর বাবা সঞ্জিৎ রুইদাস জানিয়েছেন, ভাব ভালবাসা করে তাঁর বড় মেয়ে রেখা বছর আটেক আগে যুবক বিজয়কে বিয়ে করে ।বিজয়ের আদি বাড়ি পুরুলিয়ায় হলেও সে মাশিলা গ্রামে মামার বাড়িতে থাকে। দম্পতির একটি ৬ বছরের ছেলে আছে। সন্দেহ করে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই বিজয় তাঁর স্ত্রী রেখার উপর নির্যাতন শুরু করে। শনিবার রাতে রেখা ঘরে শুয়ে ছিলেন। অভিযোগ সেই সময় বিজয় ও মামাশ্বশুর মিলে তাঁকে মারধর করা শুরু করে। নোড়া দিয়েও রেখার মাথায় সজোরে আঘাত করা হয়। নোড়ার আঘাতে মাথা ফাটে রেখার। খবর পেয়ে বাপেরবাড়ির লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে তাঁকে কলকাতার এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার দিনই রেখার বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ রেখার স্বামী ও মামা শ্বশুর কে গ্রেফতার করে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইমনের বসন্ত উৎসবে বাদাম কাকু, কাঁচা বাদাম গানে মঞ্চ মাতালেন

প্রতি বছরের মতো এই বছরেও লিলুয়ার মীরপাড়ায় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করলেন ইমন চক্রবর্তী। আর এবারের বসন্ত উৎসবের সবথেকে বড় চমক বাদাম কাকু ভুবন বাদ্যকর। তবে তিনি একা নন বাদাম কাকু-র সঙ্গে দেখা গেল বিধায়ক মদন মিত্র কেও।এবারের বসন্ত উৎসব শুরু থেকেই জমজমাট। শনিবারই শিল্পীর মায়ের প্রয়াণবার্ষিকী। সকালে থেকে দুই বিপরীতমুখী আয়োজনে ব্যস্ত তিনি। ইমন বলেছেন এ বছর বসন্ত উৎসব ১৯ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা ছিল। অনুমতি পাইনি। অদ্ভুত ভাবে আজ মায়ের বার্ষিকীর দিন বসন্ত উৎসব হচ্ছে। শরীর, মন কাঁপবে আমার। তবু উৎসব হবে। আশীর্বাদ করো মা। তোমায় উৎসর্গ করলাম আমরা এই উৎসব।বিকেল হতেই অনুষ্ঠান শুরু। মীরপাড়া পার্ক ময়দান দর্শক-শ্রোতার ভিড়ে ছয়লাপ। মঞ্চে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র উঠতেই হাততালির ঝড়। হলুদ পাঞ্জাবি, লাল ধাক্কাপাড় ধুতিতে সজ্জিত কামারহাটির বিধায়ক। তাঁর সঙ্গেই মঞ্চে উপস্থিত বাদাম কাকু। ভুবন বাদ্যকার গানে গানেই জানালেন তাঁর মনের ইচ্ছে, আমার বাদাম কেড়ে নিল বিশ্ববাসীর মন, শিল্পী হতে চাই গো বাবু জানাই যে প্রণাম। বাকিদের মতো ভুবনকেও এদিন রঙিন হলুদ পাঞ্জাবি, জহর কোট আর ট্রাউজারে দেখা গেল।এর পরেই ভুবন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে গেয়ে ওঠেন কাঁচা বাদাম। গানের তালে নেচে ওঠেন ইমন।কলকাতার এক নিশিঠেকে সম্প্রতি অনুষ্ঠান করেন ভুবন। সে দিনও প্রথম সারির রেস্তরাঁয় তাঁকে ঘিরে উৎসাহ ছিল দেখার মতো। গানের পাশাপাশি বাদাম কাকুকে শাসক দলের পুরভোট-প্রচারেও দেখা যাচ্ছে। আর এবার ইমনের বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানেও হিট বাদাম কাকু।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী মেঘনা ও শুভজিৎ

সাত পাকে বাঁধা পরলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেঘনা মুখার্জি। বিয়ে করলেন শুভ্রজিৎ ব্যানার্জি কে। বিয়ের আসর বসেছিল গোলপার্কের ঘোষবাড়িতে। বিশেষ দিনে হাজির হন ছোটপর্দার অনেক তারকা। টলিউডের জনপ্রিয় জুটি নীল-তৃণা থেকে উপস্থিত হন জীবন সাথী ত্রিশূল ধারাবাহিকের অনেকেই। যমুনার ঢাকী খ্যাত অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যও বিয়েবাড়ি আলোকিত করেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিথিদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।জীবন সাথী ধারাবাহিকের সকলে জানালেন, ওদের বিবাহিত জীবন যেন সুখের হয়। খুব আনন্দ করে কাটাক। লাভ ইউ বোথ। গড ব্লেস ইউ বোথ।বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ মেঘনা - শুভ্রজিৎমেঘনার বর্তমান ধারাবাহিক ত্রিশূলের অভিনেত্রীরা জানান, আমরা এতদিন ধরে খুব এক্সাইটেড ছিলাম। মেঘনাকে ও শুভজিৎ কে অনেক অনেক শুভকামনা। খুব ভালো থাকুক ওরা। ওদেরকে দেখেই যেন আমরা ভালো থাকতে পারি।তারকার বিয়ে। তাই এলাহি আয়োজন ছিল। স্টার্টারে গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু করে ছিল দইবড়া, ড্রাই চিলি, ফিস, দইবড়া, বেবিকরণ, কোল্ডড্রিঙ্কস, কফি ছাড়াও আরও আইটেম। ডিনারে ছিল ভেটকি পাতুঋ, পোলাও, মটন কষার মটন সুস্বাদু সব ডিশ। সবমিলিয়ে মেঘনার বিয়ের একটা আলাদাই পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আর এই পরিবেশে সবাই মেঘনার মধুর মিলনের সাক্ষী থাকল।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

আনিসকাণ্ডে এসএফআইয়ের ভবানী ভবন অভিযানে রাসবিহারীতে ধুন্ধুমার, মিছিল শুরুতেই বাধা

ছাত্র নেতা আনিস খানের খুনিদের শাস্তির দাবিতে ও রাজ্য পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ জানাতে ভবানী ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল এসএফআই। শুক্রবার মিছিল শুরুর আগেই থেকে রাসবিহারী এলাকা প্রায় দুর্গে পরিণত করে পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনী পুরো এলাকার দখল নেয়। সাদা পোষাকের পুলিশও ছিল যথেষ্ট সংখ্যক। মিছিলে শুরু হওয়ার আগেই হাজির এসএফআই নেতৃত্বকে প্রিজন ভ্যানে তুলে নেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় আন্দোলনকারীদের। ধুন্ধমার কান্ড ঘটে রাসবিহারী মোড়ে।গ্রেফতার ছাত্রনেতা সৃজন ভট্টাচার্যআলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র আনিস খানকে আমতার সারদা দক্ষিণ খানপাড়ার বাড়িতে গিয়ে পুলিশ খুন করে বলে অভিযোগ তোলে তাঁর বাবা সালেম খান। ইতিমধ্যে ওই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর দিন থেকে আন্দোলন শুরু করে ছাত্র সংগঠনগুলো। এসএফআই ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো পথে নামে আনিসের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এসএফআই। এদিন রাসবিহারীতে রীতিমতো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খন্ডযুদ্ধ বেধে যায়। দেখা যায় এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাটার্যকে চ্যাংদোলা করে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে তুলছে। মিছিল শুরুই করতে দেয়নি পুলিশ। ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা হাজির হতেই তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ।সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, পুলিশ বলেছিল, এক পাও মিছিল করতে দেবে না। আমরা ওই হুমকি ফু্ঁ দিয়ে উড়িয়ে মিছিল করেই ভবানীভবন যাচ্ছিলাম। মাঝপথে পুলিশের আক্রমণ, আহত একাধিক ছাত্র৷ পুরুষ পুলিশ আক্রমণ করেছে ছাত্রীদের৷ আটক করে লালবাজার নিয়ে যাচ্ছে। প্রতীকউরদা ও যুব নেতৃত্ব আমতায় আছে। মিছিল করবে। থামানো যাবে না আক্রমণ করে আমাদের। কাল হাওড়া জেলা গ্রামীণ এসপি ঘেরাও। তার আগে আজ বিকেল থেকে সর্বত্র আরেক দফা রাস্তা অবরোধ৷

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

টলিউড থেকে সোজা বলিউডে সুদীপ্তা, কি বলছেন?

বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী সুদীপ্তা ব্যানার্জী। বর্তমানে উমা ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন তিনি। তবে খুব তাড়াতাড়ি তাঁর জীবনে নতুন মোড় আসতে চলেছে। টলিউড ছেড়ে বলিউডে পা রাখবেন তিনি। সেটাও আবার হিন্দি সিরিয়ালের কাজ। সুদীপ্তা মুম্বই এর জার্নি নিয়ে জানালেন, এটা একটা অন্যরকম এক্সপিরিয়েন্স। এত বছর টেলিভিশন কলকাতায়। ১২ বছর। একটা যুগ কলকাতায়। অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। ওখানেও আমি টেলিভিশন করছি। সেটা একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা। সেটা যখন টেলিকাস্টে আসবে তখন দর্শকরা দেখলেই বুঝতে পারবে। ওখানে কাজটাই অন্য ধরণের, অন্যরকমের হয়। শহর ছেড়ে যাওয়াটা খুব কঠিন, কষ্টকর। আর বাবা-মা কে ছেড়ে যাওয়াটা আরও বেশি কঠিন। দেখা যাক। কলকাতায় কি সুদীপ্তা আর কাজ করবে না? উত্তরে জানালেন, আমার একটা কন্ট্র্যাক্ট আছে ওদের হাউসের সঙ্গে। ওদের দুটো প্রোজেক্টের সঙ্গে কন্ট্র্যাক্ট আছে। এটা দুটো বছরের জন্য। তবে আমি কলকাতায় আসা-যাওয়া করবো। প্রত্যেক মান্থে আসতে পারবো। এটার জন্যই মুম্বই যাওয়া। তবে কলকাতা তো আমার কাজের জায়গা। আমার ভীষণ প্রিয় জায়গা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

দেউচা পাচামির জট কাটাতে একগুচ্ছ প্রকল্পের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত এশিয়ার বৃহত্তম কয়লা খনি প্রকল্প দেউচা পাচামি প্রকল্পে জট কাটাতে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন প্যাকেজ আরও বাড়ালো রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয় এই সংশোধিত প্যাকেজে। উন্নয়ন ও কর্ম সংস্থানের স্বার্থে এই প্রকল্পে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ওই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি ওই প্রকল্পের জন্য জোর করে কোনও জমি অধিগ্রহণ করা হবে না এবং কাউকে বঞ্চিত করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ থাকছেই।পাশাপাশি দীর্ঘদিন প্রস্তাবিত খনি এলাকায় বসবাস করছেন অথচ আইনি স্বীকৃতি নেই এমন পরিবার গুলিকেও ক্ষতিপূরণ প্যাকেজের আওতায় আনা হবে বলে এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থে কিছু খাদান মালিক এবং মানুষ এলাকাবাসীকে ভুল বোঝাচ্ছেন।তিনি বলেন, দেউচা পাঁচামি রাজ্যের একটা বড় প্রকল্প। রাজ্য সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে। প্রায় ১ লক্ষ ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হবে। সেখানে যে পরিমান কয়লা মজুত আছে তাতে আগামি ১০০ বছর রাজ্যে বিদ্যুতের কোনও সমস্যা হবে না। তাঁর অভিযোগ, এত বড় প্রকল্প বানচাল করার চক্রান্ত হচ্ছে। সেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। চলছে নানা অপপ্রচার।স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, কোনও অপপ্রচারে কান দেবেন না। আমরা জোর করে কারও জমি নেব না। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, দেউচা পাঁচামির জন্য যে ধরনের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে তা ভারতের আর কোনও রাজ্যে নেই। ইতিমধ্যেই অনেকে স্বেচ্ছায় জমিও দিয়েছেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে প্যাকেজের বিস্তারিত বিবরণ দেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।মুখ্যসচিব বলেন, জমির দামের চেয়ে দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বাড়ি তৈরির জন্য পাঁচশোর বদলে সাতশো বর্গফুট জমি দেওয়া হবে। যাঁরা বাড়ি নেবেন না তাঁদের বাড়ি তৈরির অর্থ বাড়িয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা থেকে সাত লক্ষ টাকা করা হবে। এ ছাড়া এককালীন দেড় লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। খাদান মালিকদের জন্যও ক্ষতিপূরণের প্যাকেজ দেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যাকাণ্ডে সিট গঠন

ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যু ঘিরে কার্যত তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার পর আড়াই দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোনও অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি। এদিকে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তাতে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিরপক্ষে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই সাংবাদিক বৈঠকে বসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন এবং তাঁর নির্দেশ মতো আমরা একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনও করে নিয়েছি। তিন সদস্যের ওই বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে থাকবেন জ্ঞানবন্ত সিং। এর পাশাপাশি ডিআইজি (সিআইডি অপারেশন) মিরাজ খালিদ এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ধ্রুবজ্যোতি দে।প্রাথমিকভাবে এই তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দলের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। এ ছাড়া তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, এই বিশেষ তদন্তকারী দলের সদস্যরা যদি মনে করেন তদন্তের স্বার্থে আরও কাউকে এই দলে রাখা প্রয়োজন, তাহলে তাঁরা পুলিশ ফোর্সের থেকে তাঁদের পছন্দমতো নাম যোগ করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী যে কথা নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বলেছিলেন, সেই একই কথা আবারও শোনা গেল ডিজির গলায়। বলেন, আমরা চাই ন্যায়বিচার হোক। মুখ্যমন্ত্রীও সেই নির্দেশই দিয়েছেন। আমাদেরকেও সেই মতোই বলা হয়েছে। আমাদের কী করণীয়, তা আমাদের কাছে পুরো পরিষ্কার। যারা দোষী, তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। তাদের অবশ্যই ধরতে হবে এবং তাদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"লতানো গাছ হয়ে বড় হলে হবে না মা", বলেছিলেন জ্যেঠু

আসতে আসতে বাংলা তথা ভারতবর্ষের আকাশটা ক্রমশ তারা শূন্য হয়ে যাচ্ছে। চলে গেলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বংলা গানের সুরলোকে আবার আঘাত। ছয়ের দশক থেকে শুরু করে সাত ও আটের দশকের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকারেরা একে এক করে বিদায় নিচ্ছেন। চলে গেলেন প্রবাদ প্রতিম সুরকার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, জ্যেঠু-র সুরারোপিত আশা ভোঁসলের গাওয়া ও পাখি উড়ে আয়, যদি কানে কানে কিছু বলে বধুয়া, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া এমন একটা ঝড় উঠুক সহ অজস্র গান আজ কানের কাছে ভেসে বেড়াচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরেই জেঠু বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শুনেছি মাঝে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে ফেরেন সুরকার। তারপর......ইদানিং যে খুব যোগাযোগ ছিল তা নয়। তবে আমার ছেলেবেলা থেকে শুরু হওয়া সঙ্গীত জীবনে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য লাভের সুযোগ ঘটে ছিল বেশ কয়েকবার। অভিজিৎ জেঠু বাবার পূর্বপরিচিত হলেও আমার সাথে পরিচয় এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায়। তিনি বিচারক। তারপর অনেক বার দেখা হয়েছে। তখন আমার বয়স ১০বছর হারমোনিয়াম বাজাতে জানলেও অদ্ভুত আব্দার ছিল বাবা বাজিয়ে দেবে। ছেলেমানুষ সুলভ অদ্ভুত বেয়ারা জেদ ও ছিল, বাবাকে বাজাতে না দিলে, বলতাম তানপুরায় গাইব। নেহাত বাচ্চা বলে কতৃপক্ষ তাড়িয়ে দেয়নি।এই রকমই এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতাই জেঠু বলে ছিলেন,বেশ বেশ গাক না সুরের উপর ওর দখলটা দেখি। সেই থেকেই শুরু পরিচয়। হ্যাঁ.... আমি ভুল লিরিক্স, খারাপ কন্ডাক্ট এর পর ও তৃতীয় স্থান পাই। বছর খানেক পর আবার দেখা একটি প্রতিযোগিতায়। তখন ও বাবার সাথে দেখে জেঠু বলেছিলেন বাবার একমাত্র কন্যা একটু আদুরে হয়, তবে লতানো গাছ হয়ে বড় হলে হবে না মা। কথাটা যে কত দামী আজ বুঝি। কত বার কথা হয়েছে ফোনে। ভালো থেকো জেঠু গানে থেকো। পুরোনো ছবি এই দিল্লি-মুম্বাই-পুনা টু কলকাতা ইঁদুর দৌড়ে কে জানে কোথায়। কিছু মানুষের ছবি মনে উজ্জ্বল হয়ে থেকে যায়।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য প্রয়াত মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের। সোমবার নিমতলা মহাশ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় বর্ষীয়ান মন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।প্রয়াত মন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি সাধন পাণ্ডের শেষকৃত্যের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন সাধন পাণ্ডে। যখনই যে কাজের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে অর্পিত হয়েছে, তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে তা পালন করেছেন। তাঁর দেহাবসান হলেও, আমাদের হৃদয়ে তাঁর চিরস্থায়ী অধিষ্ঠান। আজ নিমতলা মহাশ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হল। তাঁর শোকসন্তপ্ত আত্মীয়-পরিজন ও অনুগামীদের গভীর সমবেদনা জানাই। তাঁর প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনওদিনই পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর আদৰ্শ ও উপদেশ আগামীদিনেও আমাদের পথ দেখাবে। তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যা মামলা এবার হাইকোর্টে

ছাত্রনেতা আনিস খান হত্যাকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টেও। রহস্যমৃত্যুর আসল কারণ কী, তা জানতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আরজি জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। দুপুর ২টোয় লিখিত পিটিশন জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের। এদিকে, ঘটনার তদন্তে আমতায় ছাত্রনেতার বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি ডিএনটি সুব্রত ভৌমিক। নিহতের বাবা সালাম খানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী পুলক রায়ের মাধ্যমে আনিসের বাবাকে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন আনিসের পরিজনেরা।সোমবার আনিসের বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি সুব্রত ভৌমিক। আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের চাকরির প্রস্তাব তাঁর বাবাকে দেওয়া হয়। যদিও তিনি আগে বিচার চেয়ে বসেছেন। দুদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত। এই ঘটনায় হয়নি কেউই। উল্লেখ্য, সোমবার আনিসের বাড়িতে ভর্তি পুলিশ। আনিস আগে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তিনি হুমকি পাচ্ছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে কোনও গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

বাংলা রঞ্জি ও কেকেআর দলে বাঙ্গালি খেলানোর দাবীতে গ্রেপ্তার ও লকআপে বাংলা পক্ষ সদস্য-র হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয়

রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে অভাবনীয় ভাবে বরোদাকে পরাজিত করেছে বাংলা ঠিক সেই দিনই ইডেনের সামনে অহিংস প্রতিবাদে অংশগ্রহন করার উদ্দশ্যে যাত্রা শুরু করে বাংলা পক্ষ। তাঁরা ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে ইডেনে সামনে জমায়েত করেছিল। তাঁদের আজকের প্রতিপাদের মূল দাবি, বাংলা যে কোনও শ্রেনির ক্রিকেট সহ রঞ্জি দল ও বিনদনমূলক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে বাঙালি খেলোয়াড়রা বঞ্চিত কেন? ঠিক দাবি নিয়ে বাংলা পক্ষর নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচী রবিবার দুপুর তিনটে থেকে ইডেনের সামনে শুরু হয়।এই প্রতিবাদ কর্মসুচী তে অংশগ্রহণ করেন বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, বাংলা ক্রীড়া পক্ষর প্রধান জয়দীপ দে, অপর শীর্ষ পরিষদ সদস্য সোয়েব আমিন সহ অন্যান্যরা। তাঁরা দাবি তোলেন বাঙ্গালি বলেই কি ঋদ্ধিমান সাহা উপেক্ষিত? শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন। তাঁদের এই নীরব প্রতিবাদের উদ্দশ্যে প্রেস ক্লাব থেকে যাত্রা শুরু হতেই কলকাতা পুলিস তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তুলে লালবাজার সেন্ট্রাল লক আপে নিয়ে আসে।তাঁদের কৌশিক মাইতি জানান গ্রেফতারের করেও বাংলা পক্ষকে থামান জাবেনা। তাঁরা এই প্রতিবাদ কর্মসুচী থেকে সরে আসছেন না। তাঁরা জানান বাঙালি খেলোয়াড়দের স্বার্থে বাংলা পক্ষ লড়ছে, লড়বে। কৌশিক মাইতি আরও জানান, এটাই প্রথম নয়, ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে এর আগেও বাংলা পক্ষ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি) সদর দফতরে স্মারকলিপি দিয়ে এসেছেন। শুধুমাত্র রঞ্জি ট্রফি নই, তাঁদের দাবি ঘরোয়া ক্লাব খেলা গুলোতেও ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি তুলেছিল বাংলা পক্ষ। এবং বাংলা ক্রিকেটের সদর দপ্তর ইডেন গার্ডেন্সের সামনে গিয়ে রীতিমত বিক্ষোভ দেখিয়ে এসেছিল তাঁদের সদস্যরা।কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রধান শহর কলকাতার নাম ভাঙিয়ে দল করেছে মুম্বাইয়ের চিত্রতারকা শাহরুখ খান, সেই দলে বর্তমানে একজনও বাঙ্গালি ক্রিকেটার নেই। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাংলা রঞ্জি দলে প্রায় ৭ থেকে ৮ জন ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার। আমাদের জেলার ক্রিকেটারদের বঞ্চিত করে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা খেলোয়াড় দের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে আমাদের বাংলার ছেলেরা সেইভাবে অন্য রাজ্যে সুযোগ পাচ্ছে না শুধুমাত্র বাঙ্গালি বলে। কৌশিক মাইতি জানান, বাংলা পক্ষের এর আগের আন্দোলনের প্রভাবে সিএবির বয়স ভিত্তিক খেলায় প্রচুর ভুয়ো আধার কার্ড ও জন্মপঞ্জী ধরা পড়েছে।তাঁরা জানাই কলকাতা পুলিশ যাদের আটক করেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, সোহাইব আমিন, হাওড়া বাংলা পক্ষ সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর 24 পরগানা গ্রামীণ বাংলা পক্ষ সম্পাদক দেবাশিস মজুমদার, কাকলি মজুমদার, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সিটিজেন অরুণ সেন এবং অন্যান্য সদস্য যথা, অভিজিৎ কুন্ডু, অভিজিত বার, সুমিত বকুলী ছাড়াও আরও অনেকে। তাঁরা আরও জানাই দেবাশীষ মজুমদারকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয় এবং লকআপে বহিরাগত অপরাধীরা তাঁর হাত ভেঙে দেয়। বাংলা পক্ষ সদস্যদের পরে ব্যক্তিগত জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বাংলা পক্ষ দাবি তোলে কেকেআর যদি বাঙ্গালি ক্রিকেটার দলে না নেই তাঁরা যেনও তাঁদের দল থেকে কলকাতা নামটা মুছে দেয়, আর শাহরুখ খান কে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছে এই আন্দোলন থেকে সরছে না যতদিন না তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফারহান-শিবানীর চার হাত এক হল আজ

আজ শনিবার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করবেন ফারহান আখতার এবং শিবানী ডান্ডেকর। শোনা গিয়েছিল, মহারাষ্ট্রীয় রীতিতে বিয়ে করবেন দুই বলিউড-তারকা। কিন্তু তাঁদের এক বন্ধু জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ অন্য ভাবে বিয়ের কথা ভেবেছেন ফারহান-শিবানী। সেই ব্যক্তি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ওরা খুব সাধারণ ভাবে বিয়ে করতে চায়। তাই নিকাহ বা মহারাষ্ট্রীয় রীতিতে বিয়ে হবে না। কাছের মানুষদের সামনে একে অপরের কাছে শপথ জ্ঞাপন করে বিয়ে করবে ওরা। ইতিমধ্যেই শপথগুলি লেখা হয়ে গিয়েছে দুজনের। বলিউডি বিয়ে মানেই চোখ ধাঁধানো আয়োজন এবং রাজসিক ব্যবস্থাপনা। ফারহান-শিবানীর বিয়েতে প্রথমটি থাকলেও তালিকা থেকে ব্রাত্য দ্বিতীয়টি।কোভিড পরিস্থিতির কারণে ৫০ জন অতিথিকে নিয়ে সারা হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। তাঁদের মধ্যে পরিবার-পরিজন ছাড়াও থাকবেন হৃতিক রোশন, রিয়া চক্রবর্তী, ফারহানের দীর্ঘদিনের সহকর্মী রীতেশ সিদওয়ানির মতো ব্যক্তিত্বরা। অতিথিদের আদর-আপ্যায়নে ত্রুটি রাখছেন না বর-কনে। তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন বিলাসবহুল সব বাংলোয়। সেখানে থাকবে সুইমিং পুল এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজনীতি

জল্পনার অবসান, সর্বভারতীয় সভাপতি পদে অভিষেকেই আস্থা মমতার

সব জল্পনার অবসান। দল পরিচালনায় নিজের পর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই আস্থা রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শুক্রবার পুনরায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরিয়ে এনেছেন মমতা। তবে অভিষেকের পদ অক্ষুন্ন থাকলেও অন্য বেশ কিছু সাংগঠনিক পদে রদবদল করেছেন নেত্রী।গত ১২ ফেব্রুয়ারির পর তৃণমূলের সমস্ত সর্বভারতীয় পদ বিলোপ করা হয়েছিল। ২০ জন সদস্যের নবগঠিত জাতীয় কর্মসমিতির চেয়ারপার্সন হন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। ওই কর্ম সমিতি শুক্রবার বৈঠক করে নতুন পদাধিকারীদের নাম স্থির করেছে। সেখানেই অভিষেক কে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক পদের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়।জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের একথা জানান৷তিনি বলেন,দলের সহ-সভাপতি করা হয়েছে যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। দলের তহবিলের দেখভাল করবেন অরূপ বিশ্বাস। এছাড়াও ঠিক হয়েছে অর্থনৈতিক ও বিদেশনীতির ব্যাপারে তৃণমূলের অবস্থান কী হবে তা দেখবেন অমিত মিত্র এবং যশবন্ত সিনহা। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংগঠনিক কাজ দেখবেন সুস্মিতা দেব, সুবল ভৌমিক ও মুকুল সাংমা।উল্লেখ্য, সংসদের অধিবেশনের সময় রাজ্যসভার মুখপাত্র হিসাবে থাকবেন সুখেন্দু শেখর রায় ও লোকসভার মুখপাত্র হবেন ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দিল্লিতে দৈনিক সাংবাদিক সম্মেলন করতে তিনজনের কাঁধে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যারা দিল্লি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বলে জানা গিয়েছে। সেই তিনজনের মধ্যে রয়েছেন মহুয়া মৈত্র, সুখেন্দু শেখর রায় ও কাকলি ঘোষ দোস্তিদার। দলের কার্যনির্বাহী ও জাতীয় নীতি নির্ধারন কমিটির দায়িত্ব সামলাবেন যশবন্ত সিনহা ও ড. অমিত মিত্র। উত্তর পূর্বে দলের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মুকুল সাংমা, সুবল ভৌমিক ও সুস্মিতা দেবকে। পাশাপাশি হরিয়ানায় তৃণমূলের কনভেনার করা হয়েছে অশোক তানওয়ারকে। উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলের কনভেনার করা হয়েছে রাজীব ত্রিপাঠিকে।গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতি ও সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন ফিরহাদ হাকিম। মূলত যেটা নিয়ে জল্পনা ছিল তার অবসান ঘটিয়েছেন খোদ নেত্রী। সাংসদ অভিষেককেই ফের ফেরানো হয়েছে তাঁর পুরানো পদে। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের মাথায় রেখেই সমস্ত পদ সাজানো হয়েছে বলে শাসক দল সূত্রে খবর।গত শনিবার ২০ জনের যে জাতীয় কর্ম সমিতি গড়া হয়েছে তাতে রয়েছেন সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এছাড়াও রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুখেন্দুশেখর রায়, অনুব্রত মণ্ডল, গৌতম দেব, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বুলুচিক বরাইক, রাজেশ ত্রিপাঠী, অসীমা পাত্র ও মলয় ঘটক।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

সমস্ত ব্যাংকে বাংলায় পরিষেবার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করল বাংলা পক্ষ

রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটা ব্যাংককে সেই রাজ্যের ভাষাতেও পরিষেবা দিতে হবে। অর্থাৎ বাংলার সমস্ত ব্যাংকে বাংলা পরিষেবা দেওয়াই আইন। না দেওয়া বেআইনি। অথচ বাংলায় ব্যবসা করা অধিকাংশ ব্যাংকই বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেয় না। ২০১১-র আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলায় ৮৬% বাঙালি এবং বাঙালিদের মধ্যে ৮২% বাঙালি বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা জানে না। ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র হিন্দি ও ইংরেজিতে পরিষেবা দেয়, সমস্যায় পড়ে সাধারণ বাঙালি। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বাংলায় পরিষেবার দাবিতে গত চার বছরে প্রায় ৮০০ ব্যাংকে ডেপুটেশন দিয়েছে বাংলা পক্ষ।যাতে সমস্ত ব্যাংকে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যায়, সেই দাবিতে আজ ১৭ ই ফেব্রুয়ারী বাংলা পক্ষর তরফে শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনস্বার্থ মামলা দাখিল করল কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির কোর্টে। বাংলা পক্ষর লিগ্যাল টিম এই বিষয়ে কাজ করেছে, নেতৃত্বে হাইকোর্টের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ। আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ, সাগ্নিক ভট্টাচার্য ও পুনম বসু এই মামলা দায়ের করেন। কোর্টে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় ও শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি ও অন্যান্যরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীকে রাজভবনে ‘আমন্ত্রণ’ ধনখড়ের

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতে নয়া মাত্রা। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সময় সুবিধামতো রাজভবনে আসার জন্য চিঠি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বৃহস্পতিবার টুইট করে সে কথা জানিয়েছেন তিনি। নরম সুরেই মুখ্যমন্ত্রীকে চলতি সপ্তাহে নিজের সময় বুঝে রাজভবনে যাওয়ার জন্য বলেছেন তিনি।বিভিন্ন সময়ে এই দুই প্রধানের মধ্যে তরজা আবহ দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে সে কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি বাধ্য হয়ে টুইটারে রাজ্যপালকে ব্লক করে দিয়েছেন। এখানেই থামেনি সে তরজা। সংসদের বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালকে পদ থেকে সরানোর আর্জি নিয়ে তৃণমূল সাংসদরা একাধিকবার সরব হন। এমনকী তাঁরা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি সংসদে স্বতন্ত্র প্রস্তাবও আনেন। এরইমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে রাজভবনে ডাকার বিষয় ঘিরে নতুন করে চাপানউতর শুরু হয়েছে।WB Guv:Impressed upon Honble CM Mamata Banerjee that Dialogue, discussion and deliberation, particularly amongst constitutional functionaries, like the Chief Minister and the Governor, are quintessential to democracy and inseparable part of constitutional governance. 2/2 Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) February 17, 2022রাজ্যপাল টুইটারে লিখেছেন, বিভিন্ন বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে জবাব বা তথ্য চাওয়া হলেও তার কোনও উত্তর তিনি পাননি। চিঠিতে ধনখড় লিখেছেন, রাজ্যের এই ধরনের ভূমিকা সংবিধান কখনওই সমর্থন করে না। সংবিধানের নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী, তাঁর জবাব তলব করার অধিকার রয়েছে।কিছুদিন আগেই মুখ্যসচিব, পুলিশের ডিজিকেও রাজভবনে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল। কিন্তু তাঁরা না আসায় উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন জগদীপ ধনখড়। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীকে রাজভবনে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি। চলতি সপ্তাহেই আসতে বলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাংলা ব্যান্ডের পাশে ব্রডওয়ে হোটেল, প্রতি রবিবার থাকছে চমক

কলকাতার বুকে প্রাচীন ঐতিহ্যশালী হোটেল ব্রডওয়ে হোটেল। ভারতের স্বাধীনতার আগে ১৯৩৭ সালে এই হোটেল তাদের জার্নি শুরু করে। এরকম একটি হেরিটেজ হোটেল কোভিড পরবর্তী সময়ে বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের কঠিন সময়ে তাদের পাশে এসে দাঁড়াল। প্রতি রবিবার কলকাতার বিভিন্ন ব্যান্ডকে পারফর্ম করার সুযোগ করে দিয়েছে ব্রডওয়ে হোটেল।সেরকমই এক রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ত্রিদেব অর্থাৎ গৌরব চ্যাটার্জি, বোধিসত্ত্ব ঘোষ এবং মৈনাক নাগ চৌধুরী তাদের পারফরম্যান্স দিয়ে ব্রডওয়ে হোটেলের সন্ধ্যাটা আরও জমিয়ে দিল। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি এখানে নন্দন বাগচীর পারফরম্যান্স রয়েছে। ব্রডওয়ে হোটেলের কর্ণধার সন্দীপ সেহগাল জানিয়েছেন, কলকাতা যে ১৯৭০-১৯৮০ তে একটা কালচারাল হাব ছিল, মিউজিকের হাব ছিল ওটা আস্তে আস্তে করে শেষ হচ্ছিল।কলকাতার যে মিউজিশিয়ান্স আছে তারা কোনও প্ল্যাটফর্ম পাচ্ছিল না যেখান থেকে ওরা উঠতে পারতো। অন্য অন্য স্টেটে, অন্য অন্য জায়গায় যেতে হত পারফর্ম করার জন্য। তখন আমরা ভাবি যে আমরা যদি এরকম কিছু করতে পারি যার মাধ্যমে লোকাল মিউজিশিয়ান্স রা একটা প্ল্যাটফর্ম পাবে। যে প্ল্যাটফর্ম থেকে উনার মিউজিক উনার ট্যালেন্ট দেখানোর জন্য একটা চান্স পাবে। ওই সময় ব্রডওয়ের থেকে বেটার কোনও জায়গা আমরা ভাবতে পারিনি।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পঞ্চভূতে বিলীন হলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

বুধবার সন্ধ্যায় পঞ্চভূতে বিলীন হলে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর বিদায়ের সঙ্গে পরিসমাপ্তি ঘটল একটি অধ্যায়ের। এর আগে শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার তাঁর দেহ নিয়ে আসা হয় রবীন্দ্রসদনে। সেখানে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পীর দেহে পরিয়ে দেন উত্তরীয়। তিনি ছাড়াও শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজন। রবীন্দ্রসদনে ছিলেন বিশিষ্ট এই শিল্পীর কন্যা সৌমী মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মাতৃস্নেহে তাঁকে কাছে টেনে নেন। শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্রসদন পৌঁছন প্রবীণ বামনেতা বিমান বসু। শ্রদ্ধা নিবেদনপর্ব শেষ হলে শিল্পীর নিথর দেহ কালীঘাটের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। অন্তিম যাত্রায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ যাত্রায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পা মেলান বহু মানুষ। রাস্তার দুধারে শুধু কালো মাথার ভিড়। বিকেল ছটা নাগাদ শিল্পীর দেহ পৌঁছয় কালীঘাটে। সেখানে তাঁকে দেওয়া হয় গান স্যালুট। কালীঘাটে অন্ত্যেষ্টি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কার্যত এদিন তাঁকে দেখা গেল অভিভাবকের ভূমিকায়। শিল্পীর অন্তিম যাত্রার সঙ্গে অনেকেই তুলনা করেন বাঙালির ম্যাটিনি আইডল উত্তম কুমারের শেষ যাত্রা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • 60
  • 61
  • ...
  • 96
  • 97
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal