• ৯ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

বিনোদুনিয়া

নতুন সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে অঙ্কিতা

বন্ধু অভিনেতা প্রান্তিকের সঙ্গে বিয়ের খবরে পরিবার থেকে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। ব্যক্তিগত জীবনে নতুন ইনিংস শুরু করার পর এবার কাজের জগতেও নতুন ইনিংস শুরু করলেন অঙ্কিতা। কালার্স বাংলার নতুন সিরিয়াল ইন্দ্রাণী তে ফিরছেন অঙ্কিতা। প্রকাশ্যে এসেছে ইন্দ্রাণীর প্রথম প্রোমো। এই সিরিয়ালে এক নামী হাসপাতালের প্রশাসকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন অঙ্কিতা। তাঁর চরিত্রের নাম ইন্দ্রাণী রায়। একজন পেশাগত সফল নারীর ভাঙাচোরা জীবনের গল্প বলবে ইন্দ্রাণী। দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে গেলেও টিনএজার মেয়ে, শ্বশুর শাশুড়ির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের কাজ নিয়ে ডুবে থাকে ইন্দ্রাণী। কিন্তু একদিন হাসপাতালের এক ডাক্তারের ভালো লেগে যায় তার থেকে বয়সে বড় ইন্দ্রাণীকে। সঙ্গে কোন খাতে বইবে অসমবয়সী সম্পর্কের সমীকরণ।সিরিয়ালের স্লট এখনও জানানো না হলেও দর্শকমহল এই নতুন ধরনের গল্প নিয়ে বেশ উত্তেজিত। টেলিভিশনে মুখ্য চরিত্রে বেশ কয়েকদিন বাদে ফিরলেও সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে চুটিয়ে কাজ করেছেন ও করে চলেছেন অঙ্কিতা। একসময় ইষ্টিকুটুম ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে এবার আবার নতুন রূপে পেতে চলেছেন দর্শকরা।

জুন ১২, ২০২২
রাজ্য

রাতের কলকাতায় রোদ্দুর, পরিতাপের কোনও ছাপ নেই চোখে-মুখে

ইউটিউবার রোদ্দুর রায়কে কলকাতায় নিয়ে আসা হল। এদিন রাতে দিল্লি থেকে কলকাতার বিমানে নিয়ে আসা হয়। তাঁকে গতকাল কলকাতার গুন্ডা দমন শাখার পুলিশ গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, আগামীকাল ব্যাঙ্কশাল আদালতে তাঁকে তোলা হবে। তবে রাতে দমদম এয়ারপোর্টে নামার পরও তাঁকে উচ্ছ্বস করতে দেখা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য রোদ্দুর রায়ের বিরুদ্ধে কলকাতার একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপরই কলকাতা পুলিশ তৎপর হয়। শেষমেশ কলকাতার গুন্ডাদমন শাখা গোয়া থেকে রোদ্দুরকে গ্রেফতার করে। এদিন ট্রানজিট রিমান্ডে রোদ্দুর অর্থাৎ অনির্বাণ রায়কে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। এর আগে বিকৃত গলায় রবীন্দ্র সঙ্গীত গেয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন রোদ্দুর রায়। তাছাড়া নানা সামাজিক ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি সোশাল মিডিয়ায় নিজের কায়দায় মতবাদ তুলে ধরেন। পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর কলেজে পড়াশুনা রোদ্দুরের। সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত মুখ রোদ্দুর। শেষমেষ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের পর আর রেহাই মিলল না তাঁর।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফের একসঙ্গে প্রসেনজিৎ-রচনা ব্যানার্জি, সৌজন্যে জি বাংলা

একসঙ্গে ৩৫টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একাধিক হিট ছবি। টলিউডের একসময়ের হিট জুটি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও রচনা ব্যানার্জি আবার ফিরছেন একসঙ্গে। ফেসবুক লাইভে এমনটা ঘোষণাও করেছেন দুজনে।নতুন কোনও শো-তে ফের জুটি বাঁধছেন তাঁরা? না কি অন্য কিছু? লাইভ থেকে জানা গেছে, ১৪ জুন জি বাংলার দিদি নম্বর ১-এ অংশ নিচ্ছেন প্রসেনজিৎ। সঙ্গে থাকবে আয় খুকু আয়-এর টিম। সোমবার লাইভ আড্ডায় তাই পাশাপাশি টলিউডের ইন্ডাস্ট্রি আর দিদি নম্বর ১। ৩৫টি ছবির নায়ককে বহু দিন পরে পাশে পেয়ে উচ্ছ্বসিত রচনা। লাল শাড়িতে প্রতিদিনের মতোই নজর কাড়লেন সঞ্চালিকা। অন্যদিকে আয় খুকু আয় এর নির্মল মণ্ডল সুপুরুষ কালো শার্ট, ধূসর ট্রাউজার, ওয়েস্ট কোটে মাতিয়ে দিলেন। এখন শুধু টেলিকাস্টের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

জুন ০৮, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন খগেন মুর্মু! বিষ্ফোরক দাবি বিজেপি সাংসদের

কিছু দিন আগেও ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করে এসেছে, দরজা খুললেই দলে দলে বিজেপির লোকজন ঢুকে যাবে। এবার তৃণমূলের প্রস্তাব নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরের সাংসদের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছেন। বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি করেছেন, ২০১৯-এর ১০ মার্চ মুর্শিদাবাদের এক মহিলা তৃণমূল বিধায়ক তাঁকে দলবদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দলবদল করলে কী ফায়দা পাবেন তা-ও জানিয়েছিলেন ওই বিধায়ক। খগেনের দাবি, তখন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল যোগ দিলে পূর্ণ মন্ত্রী হবেন। সঙ্গে অনুগামী ১০ জনের সরকারি চাকরি মিলবে। এর পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য পাবেন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি খগেনের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন। খগেন মুর্মুর দাবি, তৃণমূল ২০১১ সাল থেকে আমার পেছনে লেগেছে। আমি বারে বারে একই কথা বলেছি তৃণমূলে যাওয়ার আমার মনের কোনও ইচ্ছা নেই। তৃণমূল কংগ্রেসকে আমি পার্টি মনে করি না। তৃণমূল কংগ্রেস মানে একটা ক্লাব বলা যায়। তবে ক্লাবের মধ্যে যে শৃঙ্খলা আছে, তা তৃণমূলে নেই। সুতরাং তৃণমূলে কংগ্রেসে যাওয়ার কথা কোনও দিনই আমি বলিনি। ভাবিওনি। তৃণমূলে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই আমার। আমি এক সময় বামফ্রন্টে ছিলাম, সিপিএম করতাম। নীতিগত কারণে অমিল হওয়ায় আমি দল পরিবর্তন করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত কিছু মতামতের কারণে আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বারে বারে প্রস্তাব এসেছে দলবদল করার জন্য। আমি প্রতিটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। ২০১৯-এর ১০মার্চ কলকাতায় এমএলএ হস্টেলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের এত দুর্দিন আসেনি যে বিজেপির মত একটি সাম্প্রদায়িক দল, মানুষ-মারা দলের সাংসদ বা কর্মীকে প্রস্তাব দিয়ে দলে নিতে হবে। এমনিতে ওরা সারিবদ্ধ ও দলবদ্ধ ভাবে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দিদির অনুমোদনের অপেক্ষায়। দিদি যদি আজ অনুমোদন দেন তাহলে বিজেপি পার্টিটা আর এখানে থাকবে না। তাদের কোনও জনপ্রতিনিধিও থাকবে না।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার ভুবন বাদ্যকরের সঙ্গে নাচবেন টলি অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি

কাঁচা বাদাম গানের সৌজন্যে অচেনা ভুবন বাদ্যকর এখন তারকা। কত মানুষ যে কাঁচা বাদাম গানের ইনস্টাগ্রাম রিলস করেছেন গুণে শেষ করা যাবে না। তিনি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছেন যে নতুন বাড়িও বানাচ্ছেন। সেই ভুবন বাদ্যকরকে নিয়ে এবার গান বানাচ্ছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কেশব দে। টাইমস মিউজিক বাংলা থেকে মুক্তি পাচ্ছে কেশব দে ও ভুবন বাদ্যকরের এই গান। আগামী ২৭ মে দুপুর ৩টের সময় টাইমস মিউজিক বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে গানটি মুক্তি পাবে।এই মিউজিক ভিডিওতে ভুবন বাদ্যকর অর্থাৎ বাদাম কাকু-র নতুন বউ টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি। অভিনেত্রী পায়েল এই প্রোজেক্টটি নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেশব দে ও ভুবন বাদ্যকরের সঙ্গে ছবি ও শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।অন্যদিকে কেশব দে তার সোশ্যাল মিডিয়ার পেজেও এই সুখবরটা শেয়ার করেছেন। এখন সবাই মিউজিক ভিডিওটি রিলিজের অপেক্ষায় রয়েছেন।

মে ২৫, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে জাল নোটের কারবারীর ডেরাতে বাংলাদেশের বই উদ্ধার, এনআইএ তদন্তের দাবী বিজেপির

সাত বছর আগে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ঘটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই জেএমবি জঙ্গী নিহত হওয়ার পরেই মিলেছিল বাংলাদেশ যোগ। সেই খাগড়াগড়ে যে জালনোট তৈরির কারখানা চলছিল তার পিছনেও কি বাংলাদেশ যোগ রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে জাল নোট কাণ্ডে ধৃতদের নেওয়া খাগড়াগড়ের ভাড়া বাড়িতে শনিবার রাত থেকে রবিবার সারাটা দিন অনুসন্ধান চালিয়ে যায় এসটিএফ। উত্তর এখনও স্পষ্ট না হলেও ধৃতদের ভাড়া নেওয়া বাড়ি থেকে বাংলাদেশের একটি বই উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশ যোগের জল্পনা জোরালো হয়েছে। তা জানার পরেই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবীতে স্বোচ্চার হয়েছে বিজেপি। তবে এসটিএফের অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত কি উঠে আসে সেদিকেই এখন তাকিয়ে বর্ধমানবাসী।বর্ধমানের খাগড়াগড়ের নাম প্রথম খবরের শিরোনামে আসে ২০১৪ তে। ওই বছরের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ড। সে বিস্ফোরণে নিহত হন দুই জেএমবি জঙ্গী শাকিল গাজী ও করিম শেখ। জখম হন আরো একজন। ঘটনা নিয়ে এনআইএ তদন্তে নামার পরেই প্রকাশ্যে আসে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গী জামাতুল মুজাহিদীনের (জেএমবি) সদস্য। খাগড়াগড়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখান থেকেই তারা জেহাদি কাজকর্ম চালাচ্ছিল। এনআইএ-র তদন্তে এই তথ্য উঠে আসায় দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার পর সাত বছর কাটতে না কাটতে এবার জাল নোটের কারবারের পর্দা ফাঁস ঘিরে এখন সরগরম খাগড়াগড়।বর্ধমান থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খাগড়াগড়ের পূর্ব মাঠপাড়ার সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেয়। তাঁর বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকা ব্যক্তিদের ঘরেই মেলে জাল (নকল) নোট তৈরির কারখানার। উদ্ধার হয় জাল নোট ছাপার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম, জাল ১২ হাজার ৫০০ টাকার নোট, নোট তৈরীর ডাইস, পাউডার ও কেমিক্যাল। জাল নোট তৈরির কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিনই ওই বাড়ি থেকে পুলিশ গোপাল সিং, বিপুল সরকার ও দীপঙ্কর চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে।বাংলাদেশী বই উদ্ধারধৃতদের মধ্যে দীপঙ্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাসিন্দা হলেও বাকী দুই ধৃত গোপাল সিং এবং বিপুল সরকার বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পারে। পরদিন ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। জাল নোটের কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার জন্যে পুলিশ হেপাজতে নেওয়া ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। ঘটনা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে সিআইডি আসরে নামে। পরে শনিবার রাত থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স অর্থাৎ এসটিএফ। একের পর এক অপরাধ মূলক কাজে খাগড়াগড়ের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট খাগড়াগড়ের স্থায়ী বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ভাড়াটিয়াদের জন্যেই বদনাম হচ্ছে খাগড়াগড়বাসীর। এবার থেকে ভাড়াটিয়াদের ব্যাপারে সমস্ত খাগড়াগড়বাসী যাতে সতর্ক হয় সেই ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় ভাবনাচিন্তা করছে করছে এলাকার বাসিন্দারা।এরই মধ্যে জেলা বিজেপি নেতারা আবার খাগড়াগড়ে জাল নোট তৈরির কারখানা চলার বিষয়টি নিয়ে এনআইএ তদন্তের দাবী তুলে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র নামে বর্ধমানের এক বিজেপি নেতা সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেছেন জাল নোটের কারবারী গোপাল সিং বর্ধমানের তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ট। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বর্ধমান শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি খো খো খেলার মঞ্চে থাকা চেয়ারে বসে রয়েছেন বর্ধমানের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতারা। আর ওইসব নেতাদের পাশেই একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। তাঁকেই জালনোটের কারবারী চক্রের মূল পাণ্ডা গোপাল সিং বলে দাবী করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস, বিডিএর ভাইস চেয়ারম্যান আইনুল হক ও জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন যুবসভাপতি রাসবিহারী হালদারের পাশে আছে ধৃত গোপাল সিং ভাইরাল হওয়া এই ছবি নিয়েই এখন সরগরম বর্ধমানের রাজনৈতিক মহল।জেলা বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র দাবী করেছেন,খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডেও তৃণমূলের যোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই খাগড়াগড়ে ফের জাল নোটের কারবারের হদিশ উদ্ধারের পর থেকেই একই ভাবে তৃণমূলের যোগ থাকার আশংকা তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে জাল নোটের কারবারের মূল চক্রী গোপাল সিং এর দাঁড়িয়ে থাকায় ছবি সেই আশঙ্কাকেই সত্যি করে তুলেছে। পাশাপাশি তিনি এনআইএ কে দিয়েই খাগড়াগড়ের জাল নোট কারবারের তদন্ত করানোর দাবী তুলেছেন।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, এখন সবই তৃণমূল। সুতরাং খেলার মাঠে আমাদের পাশে কে দাঁড়িয়ে থাকবে তা জানার কথা নয়। মিথ্যা অভিযোগ করাই বিজেপির কাজ। পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি বের হবে তৃণমূলের বদনাম করতে বিজেপি নেতারা এইসব করছে। তা নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি সামনে আসবে বলে প্রসেনজিৎ বাবু জানিয়েছেন।বদনামের ভাগিদার হল খাগড়াগড়। এইসব নিয়ে এলাকাবাষীয় যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন। ধৃতদের কড়া শাস্তির দাবী করেছেন খাগড়াগড়ের আদি বাসিন্দারা। ধৃত গোপাল সিং এর বাড়ির পরিচারিকা জানান, পুলিশ এসে বাড়ি থেকে দুটি সাদা কাগজ ভর্তি ব্যাগ নিয়ে গেছে।

মে ২৩, ২০২২
রাজনীতি

নিজের ঘরে ফিরলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং

জল্পনা-কল্পনার অবসান হল। শেষমেশ বিজেপি ছাড়লেন অর্জুন সিং। যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপিতে থেকে বিদ্রোহ করছিলেন অর্জুন সিং। তৃণমূলে যোগ দিয়ে অর্জুন বলেন, নিজের ঘরে ফিরে এসেছি। ভুল বোঝাবুঝিতে দল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলাম। রবিবার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন অর্জুন সিং।সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন কীনা এই প্রশ্নে অর্জুন সিং বলেন, দুজন তৃণমূল সাংসদ বিজেপিতে গিয়েছেন। তাঁরা পদত্যাগ করলেই আমি পদত্যাগ করব। অর্জুনের দাবি, সংগঠন শুধু ফেসবুকের মধ্যে থাকলে হয় না। রাজনীতি করা আটকে দিচ্ছিল। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেকের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। নিজের ঘরে নিজে ফিরে এসেছি। বঙ্গ বিজেপি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণিত ঘরে বসে রাজনীতি করা যায় না বাংলায়।পাটশিল্প নিয়ে প্রথমে বিদ্রোহ শুরু করেছিলেন বিজেপি সাংসদ। অর্জুন সিং তারপর সাংগঠনিক বিদ্রোহ শুরু করেন। দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী ও সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও বৈঠক করেন। কিন্তু এসবে যে কোনও কাজ হবে না তা তৃণমূলে যোগ দিয়ে স্পষ্ট করলেন অর্জুন। এর আগে পুরভোটে বিজেপি প্রার্থী হতে অস্বীকার করেন অর্জুনের ভাইপো সৌরভ সিং। উল্টে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন অর্জুনের ডানহাত সৌরভ। এতে অর্জুন আরও স্পষ্ট করেন তিনিও তৃণমূলে পা বাড়াচ্ছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন অর্জুন সিং। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পাট শিল্পের দাবি বাহানা ছাড়া কিছুই না।

মে ২২, ২০২২
রাজ্য

বরাক উপত‍্যকার একাদশ অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে 'বাংলা পক্ষ'

মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

'গ্যাচাং ফু, এক সেকেন্ডে কেটে দেব,' কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নতুন স্লোগান ঘোষণা করলেন মেদিনীপুরের কর্মীসভায়। এই কর্মীসভার মাধ্যমেই জেলায় জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন তিনি বলেন, আমি নই আমরা। এই স্লোগানটা চলবে তৃণমূল কংগ্রেসে। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করলে দিল্লি পার পাবে না। দিল্লি বাংলার মুঠোয় আসবে। জেলা পরিষদের সদস্য যদি মনে করেন আমি আমার মতো করে নিলাম। গ্যাচাং ফু হবে। এক সেকেন্ডে কেটে দেব।সংগঠন ধরে রাখতে যে মানুষের পাশে থাকতে হবে মমতা সেই বার্তাই দেন এদিনের সভায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করবে দরকারে তাঁদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব। যাঁরা মানুষের কাজ না করে নিজের কাজ করবে তাদের আমি বলব দয়া করে ঘরে বসে যান। অনেক করেছেন। এর থেকে বেশি আমরা চাই না।এদিনের সভায় তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দেন, এবার থেকে তিনি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করবেন সেখানে বুথ কর্মীদের নিয়ে সভাও করবেন। মমতা বলেন, আমি এবার থেকে ঠিক করেছি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে যাব। সেই সেই জেলায় আমি আমার বুথ কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হব। তার কারণ, তাঁরাই আমাদের দলের সম্পদ। মঞ্চে বসে থাকে কজন। হাতে গোনা কজন। নীচে বসে থাকে কতজন, লক্ষ লক্ষ লক্ষ কোটি। যাঁরা মঞ্চে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী না যাঁরা নীচে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী! এবং এটা মেনে চলতে পারলে তৃণমূল কংগ্রেস একদিন সারা বিশ্ব জয় করবে ভারতবর্ষ জয় করবে।দলের নেতাদেরও এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, আমি নেতা তৈরি হলাম কোথা থেকে? নেতা কী গাছ থেকে পড়ে? না। নেতা কাজের মধ্যে থেকে তৈরি হয়। মনে রাখবেন যাঁরা কুকর্ম করে মানুষ তাঁদের চিহ্নত করে মানুষ। মানুষ তাঁদের ঘৃনা করে, মানুষ তাদের ভালবাসে না। মানুষ যদি ভাল না বাসে আমি কেন ভালবাসব? আমি খুব রাফ এন্ড টাফ।

মে ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার সার্কাস গ্রীষ্মকালে, সৌজন্যে "সার্কাসের ঘোড়া"

পরিচালক রাজেশ দত্ত এবং ইপ্সিতা রায়ের পরিচালনায় মুক্তি পেতে চলেছে সার্কাসের ঘোড়া। শীতকালের সার্কাস অনেকেই দেখেছেন কিন্তু গরমকালে বোধহয় সার্কাস দেখার সুযোগ হয়নি। তাই আসতে চলেছে গরমকালে সিনেমা হলে সার্কাসের ঘোড়া।ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, লিলি চক্রবর্তী, ইন্দ্রাণী হালদার, সাহেব চট্টোপাধ্যায়, দেবলীনা কুমার, গৌরব চট্টোপাধ্যায়, দেবাশিস ঘোষ, সুমিত সমাদ্দার দেবপ্রসাদ হালদার, অনন্যা সেনগুপ্ত সহ অন্যান্যরা।এই সিনেমার প্রথম লুক প্রকাশিত হতে চলেছে এবার। ছবিতে দেখা যাবে এক্স আর্মি অফিসার মানিকবাবু তার স্ত্রী, তার ছেলে এবং মানিকবাবু নাতিক। মানিকবাবু চরিত্রে অভিনয় করছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায় নানান ধাঁচের এই লুক দেখে দর্শকরা সত্যিই অবাক হবেন। সিনেমাটি বাস্তবের ওপর ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে যদি বলি বাস্তবের সার্কাস তবে কি খুব ভুল হবে? বুঝতে গেলে সিনেমাটি কে দেখতে হবে। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে শ্রায়ামিত ফিলমস প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার দেবাশিস ঘোষ।

মে ১৫, ২০২২
রাজ্য

টাওয়ার বসানোর নামে বড়সড় প্রতারণাচক্র পুলিশের জালে, বর্ধমানে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা

টাওয়ার বসানোর বড়সড় প্রতারণচক্রের পান্ডাকে গ্রেফতার করেছে পূর্ব বর্ধমান সাইবার থানা। একইসঙ্গে ওই ঘটনায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে অভিযোগকারীর হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।মাঝে-মধ্যেই মোবাইলের টাওয়ার বসানো নিয়ে কোনও কোনও না চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর সেই ফাঁদে পা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার শিকার হয় সাধারণ মানুষ। তখন আর হা-হুতাশ করা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। এবার পরিত্রাতার ভূমিকায় পুলিশ। এবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের তৎপরতায় সাইবার ক্রাইম থানার প্রচেষ্টায় উদ্ধার হয়েছে প্রতারণার পুরো ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৬২০ টাকা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান উল্লাসের বাসিন্দা ডঃ দেবব্রত ব্যানার্জীর কাছে তাঁর হাসপাতালের ছাদে রিলায়েন্স জিও ইনফোকম টাওয়ার বসানোর প্রস্তাব আসে। একইসঙ্গে মোটা অংকের রিটার্নের প্রলোভন দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন চার্জ, ফিজ, ফিক্সড ডিপোজিট-এর নাম করে ২০ লক্ষের ওপর টাকা ওনার কাছ থেকে নেওয়া হয়। উনি পরে প্রতরণার শিকার হন বুঝতে পেরে গত গতবছর ৮ নভেম্বর এই বিষয়ে ডঃ দেবব্রত ব্যানার্জী পূর্ব বর্ধমান সাইবার থানায় কেস করেন। সাইবার থানা ঘটনার তদন্তে নেমে গতকাল এই কেসের আসামিকে গ্রেফতার করে। প্রতারিত হওয়া পুরো ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৬২০ টাকা উদ্ধার করে অভিযোগকারীকে ফিরিয়ে দেয়।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হতে পারে। এদিন কলকাতার টাউনহলে এক সভায় এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাশাপাশি, আমলারাই যে সরকারের আসল মুখ সেকথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বলেন, ২৩টা থেকে ৪৬টা জেলা হতে পারে। বিহারে প্রায় ৫০-৬০টা জেলা রয়েছে। তার জন্য অফিসার দরকার। পরিকাঠামো দরকার। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আরও ডব্লুবিসিএস ও আইএএস প্রয়োজন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আমাদের সরকার এসেই আইএএস ও বিসিএস অফিসারদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। আরও বাড়ানো দরকার রয়েছে।২০১১-তে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং নতুন জেলা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যে একাধিক পুলিশ কমিশনারেট ও পুলিশ জেলা রয়েছে। জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রশাসনিক কাজে আরও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্যের আমলাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোভিডে তাঁদের লড়াই ভুলবার নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোভিডে আমরা চার জন দক্ষ অল্পবয়সী বিসিএস অফিসারকে হারিয়েছি। সরকারি প্রকল্প রূপায়নে আমলাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমলাদের তিনি বলেছেন, আপনারাই সরকারের আসল মুখ।

মে ১২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের বকেয়া দাবি করে ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

ফের রাজ্যের বকেয়া পাওনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্র গত ডিসেম্বর মাস থেকে অর্থ দিচ্ছে না বলে এদিন দুপুরেই টাউনহলে এক সভায় অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের টাকা না মেলায় অগ্নিমূল্য বাজারদরে তাঁদের কী হাল হচ্ছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।১০০ দিনের কাজে রাজ্যের ভাল ফল সত্বেও কেন টাকা পাচ্ছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, গত চার মাস ধরে মনরেগা প্রকল্পের ৬৫০০ কোটি টাকা এখনও পায়নি রাজ্য। এর ফলে নিদারুন সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। এই অর্থ দ্রুত রাজ্যের কোষাগারে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা হয়েছে।পাশাপাশি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাংলা বঞ্চিত বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, সারা দেশে আবাস যোজনা প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ৩২ লক্ষ বাড়ি বানানো হয়েছে। সেখানে প্রথমেই রয়েছে বাংলা। তা সত্বেও এই প্রকল্পে বাংলার জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। মমতার দাবি, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না মেলায় বাংলার উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা।কেন্দ্রের কাছে ৯৭হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল, ওই টাকা কেন্দ্র দিয়ে দিলে আপাতত পেট্রপন্যের ওপর কর নেবে না রাজ্য সরকার। তারপর এবার ১০০দিনের বকেয়া মেটাতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মমতা।

মে ১২, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ায় আকাদেমী পুরস্কার ফেরালেন বাংলার লেখিকা

বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আর তা জানার পরেই প্রতিবাদ স্বরুপ অন্নদাশঙ্কর সম্মামনা ত্যাগ করলেন বর্ধমানের খাগড়াগড় নিবাসী লেখিকা ও গবেষক রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায়।পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমিকে চিঠি পাঠিয়ে লেখিকা তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েও দিয়েছেন ।পাশাপাশি ২০১৯ সালে পাওয়া অন্নদাশঙ্কর সম্মামনা তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। লেখিকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি কবি ও সাহিত্যিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যদিও লেখিকা রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায় তাঁর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।এই বছরই প্রথম বাংলা আকাদেমির নামাঙ্কিত রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার দেওয়া চালু হয়। সমাজের অন্যান ক্ষেত্রে কাজের পাশাপাশি যাঁরা নিরলস সাহিত্য সাধনা করে চলেছেন তাঁদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা আকাদেমি।তারা বাংলার বেশ কাছু পথিতযশা সাহিত্যিকের মতামত নিয়ে কবিতা বিতান কাব্যগ্রন্থের জন্যে প্রথম বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার দেওয়ায় জন্য মনোনিত করেন। সোমবার ২৫ শে বৈশাখ উপলক্ষে রাজ্য সরকার আয়োজিত কবি প্রণাম অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বাংলা আকাদেমি রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার পাওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দবতরের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার বিষটি কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি লেখিকা ও গবেষক রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায়।তিনি ২০০৯ সালে ও ২০১৯ সালে আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন। মুসলিম বিয়ের গান সহ নানা বিষয়ে গবেষণা রয়েছে। অজস্র প্রবন্ধ ও গল্প লেখিকা রত্নাদেবীর ঝুলিতে রয়েছে ৩০ টি পুরস্কার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছেও ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন, যেভাবে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে তার একটা প্রতিবাদ দরকার। পাশাপাশি রত্নাদেবী এও বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লেখাগুলিকে তিনি সাহিত্য পদবাচ্য বলেই মনে করেন না। যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা কীভাবে এই সিদ্ধান্ত নিলেনে তা নিয়েও তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।এরপরেই তিনি জানিয়ে দেন ,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আকাদেমি পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদ জানাতে ২০১৯ সালে পাওয়া আকাডমি পুরস্কারটি তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে লেখিকা রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায় দাবী করেন, সোমবার মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কে আকাদেমি পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি। কারণ এতে পুরস্কারের গরিমা রক্ষিত হয়নি। তিনি মনে করেন, সাহিত্য সাধনার বিষয়। সেই সাহিত্য বিষয়ে কাউকে পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্তের বিষয়টি কোনওভাবেই রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে না।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এএফসি কাপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে এই ক্লাবটি

এবছর এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, ধিবেহী প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং গতবছর আই লিগ চ্যাম্পিয়ন দল মাজিয়া। ১৮ মে থেকে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হবে গ্রুপ ডির ম্যাচ। এই গ্রুপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। ২১ মে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলবে বসুন্ধরা।গত মাসেই এএফসি কাপের প্লে অফে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। কিন্তু এএফসি কাপের মূলপর্বে গ্রুপ ডির ম্যাচে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে এবার লড়াইটা সহজ হবে না। এবছর বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে অস্কার ব্রুজোনের ফুটবলাররা। এএফসি কাপের মূলপর্ব আপাতত তাদের পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যে আবাসিক শিবির করে আধুনিক পরিকাঠামোর সুবিধা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি সারছে বসুন্ধরা কিংস।এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা কিংসের যে দল খেলেছিল, সেই দলে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছে। এএফসি কাপের জন্য গতমাসে বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েল ফেরেইরা ও জাম্বিয়ার স্ট্রাইকার নুহা মারোং। এছাড়া কদিন আগেই বসুন্ধরা কিংস সই করিয়েছে ম্যাথু চিনোডোকে। বাংলাদেশ লিগে প্রথম পর্বে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল করেছিলেন এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার। হাঁটুর চোটের জন্য মাঝে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। চোট সারিয়ে ফিরলেও ধানমন্ডি তাঁকে আর দলে রাখেনি। এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন।ইতিমধ্যেই বসুন্ধরার হয়ে দারুণ পারফর্ম করছেন ব্রাজিলীয় উইঙ্গার রবসন রবিনহো ও ইরানীয় ডিফেন্ডার খালেদ শাফিয়েই। চলতি বাংলাদেশ লিগে ১১টি গোল করেছেন বসুন্ধরা কিংস অধিনায়ক রবিনহো। এছাড়া গোলের মধ্যে রয়েছে নয়া মারোং ও মিগুয়েলও। মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলে তিনটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল। তবে বসুন্ধরার কাছে স্বস্তির খবর হল এলিটা কিংসলেকে পাওয়া। তিনি বাংলাদেশী হয়েই মাঠে নামতে পারবেন। নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত এলিটা গত বছর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। গতবছরের মার্চে নাগরিকত্ব পেলেও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার জন্য ফিফা ও এএফসি থেকে ছাড়পত্র মিলছিল না কিংসলের। অবশেষে মিলেছে ছাড়পত্র। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন্স (এএফসি) থেকে জানানো হয়েছে, বসুন্ধরা কিংসের হয়ে এএফসি কাপে খেলতে পারবেন তিনি। এরইমধ্যে এএফসি কাপের জন্য এলিটা কিংসলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে বসুন্ধরা কিংস।

মে ১০, ২০২২
দেশ

নজরে সংগঠন, আগামিকাল অসম সফরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক

অসম সফরে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামিকাল অসমে যাবেন অভিষেক। সেখানে প্রথমে কামাক্ষা মন্দিরে পুজো দেবেন। পুজো দিয়ে অসম তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হাজির থাকবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। আগামিকাল বুধবার অসমে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক।কংগ্রেস নেতা রিপুন বোরা কয়েকদিন আগেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাঁকে অসম তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। এবার অসমে সংগঠন বিস্তারে ঝাঁপ দিতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। এর আগে ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন ত্রিপুরা যাননি অভিষেক। উত্তরপূর্ব ভারতের অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়ে সংগঠন মজবুত করতে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল। মেঘালয়ে ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল। এখন মেঘালয়ে তৃণমূলই প্রধান বিরোধী দল।

মে ১০, ২০২২
দেশ

কয়লা পাচারকাণ্ডে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জামিন যোগ্য গ্রেফতারি পরোয়না

জামিন যোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে এই পরোয়না জারি করেছে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে একাধিকবার রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ করা হলেও হাজির হচ্ছেন না। ২০ অগাস্টের মধ্যে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইডি সূত্রে খবর, বারংবার নোটিশ করা সত্বেও হাজির হচ্ছিলেন না অভিষেক পত্নী। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।এদিকে আদালতে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সওয়ালে জানান, তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছেন, তবে এখনও শুনানি হয়নি। পাল্টা ইডির তরফে বলা হয়, আবেদন করা হয়েছে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়নি। রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী ও ইডির তরফে সওয়াল জবাবের পর অভিষেকপন্ত্রীর নামে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়ার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলা পক্ষ

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, এর প্রতিবাদে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রেলের চাকরির পরীক্ষাকেন্দ্র বাংলার বাইরে নির্ধারণ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং এই সমস্যা দূর করার দাবি করে ইউনিয়ন রেল মন্ত্রীকে বাংলা পক্ষ-এর তরফে একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হলো। এই প্রতিবাদ পত্রে রেলের পরীক্ষায় বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র জনিত সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে রাজ্যের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার ফলে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের উক্ত রাজ্যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনের আগেই সেখানে হোটেল বা মেস ব্যবস্থা করে চলে যেতে হত। সেক্ষেত্রে তাদের থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। কর্ম পার্থীদের বেশীর ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর্থিক পরিকাঠামোই বসবাস করেন। কেউ কেউ টিউশন করে দিন গুজরান করেন, দূর দূরান্তে যাতায়াতের ফলে তাঁদের সময় ও মুল্য দুটোয় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কর্ম প্রার্থীদের তাদের পরিবারের কোন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে অন্য রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়। মহিলা কর্ম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই তাদের অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে তবেই ভিন রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্র যেতে বাধ্য হন। এর ফলে যেমন পরিবারের উপর আর্থিক বোঝা চাপে তেমন ভাবেই অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেন না।বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, তাই রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।জয় বাংলা pic.twitter.com/tSkGULWvMG বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) May 6, 2022তাছাড়া দূর পাল্লার রেলযাত্রার জন্য কমপক্ষে তৃতীয় শ্রেনী-র শয়ন যানের (স্লিপার ক্লাস) রিজার্ভেশন না করতে পারলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে ওঠে। এত কম সময়ের মধ্যে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন এককথায় অবাস্তব। তাই অনেকেই পরীক্ষা দিতে যেতে পারেন না। যদিও তৎকালে ব্যবস্থায় টিকিট কাটার চেষ্টা করা হয় তাঁর মূল্যও সেই বেকার ছেলে-মেয়েদের কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু মাত্র তপশীলি ও উপ-জাতিদের জন্য রেলের তরফ থেকে টিকিটের মুল্য পাওয়া যায়। সাধরণ ক্যাটাগরি প্রাথীরা রেল কর্ত্তিপক্ষর কাছ থেকে যাতায়াত বাবদ কোনওরকম সাহায্য পান না। বর্ধমান শহরের এক চাকরি পার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে দেশের একদম দক্ষিণের রাজ্যের তিরুচেরাপল্লী তে। হাওড়া থেকে রেল যাত্রা শুরু করলে যেখানে পৌঁছতে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথ ও টিকিটের মুল্যের কথা ভেবে তিনি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, বারানসি, গোরক্ষপুর সহ দূরদূরান্তের বিভিন্ন যায়গায় বাংলার ছেলে মেয়েদের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে রাধাবল্লব পাল, চাকরীর পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য থাকেন বর্ধমান শহরে। তিন বছর আগের আবেদন করা রেলের গ্রুপ-বি (অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার) চাকরির পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে ওড়িশা রাজ্যের ভুবনেশ্বর শহরে। টিউশনের পয়সায় রেলের টিকিট কেটে আগের দিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের আসে পাশের হোটলে রাত কাটাতে হবে। কানপাতলে বাংলার ঘরে ঘরে এরকম বহু উদাহরণ পাওয়া যাবে।এছাড়াও বিগত দিনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় দেখা গেছে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের ভিন রাজ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নানা ভাবে শারীরিক হেনস্থা এবং আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন।ইতিমধ্যেই কর্ম প্রার্থীদের তরফে রেল দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই দাবি মানা না হলে আগামী দিনে বাংলা পক্ষ সংগঠনের তরফে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার

বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। মনোতোষ চাকলাদার ও দিলীপ ওঁরাও কে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক বসে। সেখানেই বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ মে তাঁদের কাছে নিয়োগপত্র পৌঁছে যাবে।সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে টাইব্রেকারে কেরালার কাছে হারে বাংলা। যদিও গোটা টুর্নামেন্টে প্রশংসনীয় ফুটবল উপহার দিয়েছে বাংলা দল। অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার, ফারদিন আলি মোল্লা, দিলীপ ওরাওঁরা নজর কাড়েন। মনোতোষ ও দিলীপের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমেও সেই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়।রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানান, মনোতোষ ও দিলীপের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যম থেকে তাঁদের বিষয়ে অবগত হন। এরপর তিনি মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নিজের কোটা থেকে এই দুই ফুটবলারকে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। দিলীপের বাবা পুরসভার সাফাইকর্মী এবং মা অন্যের বাড়়িতে রান্না করেন। মনোতোষও খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছে। সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনাল ও ফাইনালে গোল করেন দিলীপ ওরাওঁ। তাঁর বাড়ি নাগেরবাজারের কাজিপাড়ায়। এখনও বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। মনোতোষের বাড়ি চুঁচুড়ায়, বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। মনোতোষের মা পরিচারিকার কাজ করেন। সন্তোষ ট্রফি চলাকালীন ঝড়ে তাঁদের বাড়ির চাল উড়ে যায়। এমনকী একটা সময় অবধি মনোতোষকে খেলার জুতো অবধি কিনে দিতে পারেনি পরিবার। মনোতোষ এবারের সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর অপেক্ষায় রয়েছেন আইএসএলে ডাক পাওয়ার। এই পরিস্থিতিতে দুই ফুটবল প্রতিভার আগামীর চলার পথ মসৃণ করে দিতে পারে রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষণা করা সরকারি চাকরি। বাংলার ফুটবল মহল মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে বাংলার ফুটবলেও জোয়ার আসবে। ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিলে এ রাজ্যে যে তার স্বীকৃতি মেলে রাজ্য সরকারের নয়া ঘোষণাতে সেটাও স্পষ্ট।

মে ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • ...
  • 93
  • 94
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal