• ২০ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজনীতি

কেন পদত্যাগ? জানালেন রাজীব

রাজভবন থেকে বেরিয়েই পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন সদ্য পদত্যাগী বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন তিনি রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন সে কথাই বলছিলেন সাংবাদিকদের। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি আড়াই বছর আগে যখন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখনই পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে নিরস্ত্র করেন।রাজীব এদিন সাংবাদিকদের জানান, তিনি দুদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেচ দপ্তরে বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি সাংগঠনিক বৈঠকও অংশ নিয়েছিলেন। তৃণমূল ভবনে তাঁর সপ্তাহে দুদিন বসার কথা ছিল। সেখান থেকে এসেই তিনি তৃণমূল ভবনে বসেছিলেন। তৃনমূল ভবনে বসে টিভির ব্রেকিং নিউজ দেখে জানতে পারেন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্য মন্ত্রিসভায় থাকবেন না। তা তিনি জানিয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন তাঁকে মন্ত্রীসভা থেকে সরে যেতে নিষেধ করেন। কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানান রাজীব।তিনি জানান, তিনি বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে চান। কিন্তু কোন প্লাটফর্মে কাজ করবেন তিনি জানেন না। তবে তিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন। এ কথা বলতে গিয়েই অঝোরে কেঁদে ফেলেন হাওড়া ডোমজুড়ের বিধায়ক। আর কোনও প্রশ্নের তিনি জবাব না দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে রাজভবনের গেট থেকে গাড়িতে উঠে যান।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ রাজীবের, বিজেপি যোগের সম্ভাবনা

রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করলেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ইস্তফা পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেছন শুভেন্দু অধিকারী, লক্ষ্মীরতন শুক্লা। হাওড়ার ডোমজুড়ের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কয়েক মাস ধরেই বেসুরো কথাবার্তা বলছিলেন। রাজ্য মন্ত্রিসভার পাঁচ-পাঁচটি বৈঠকে হাজির থাকেননি রাজীব। অথচ হাওড়ার নবান্নতে এই মন্ত্রিসভার বৈঠকগুলো হয়েছে। রাজীবের পদত্যাগপত্রহাওড়ার আর এক বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়ের সঙ্গে তাঁর বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার। দলের নানা বিষয় নিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মাঝে মধ্যে মুখ খুলেছেন। গতকালও বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে বলেছিলেন বিজেপিতে দরজা খোলা রয়েছে। এদিন তিনি দলীয় সংগঠনের বিভিন্ন পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলেই সূত্রের খবর। রাজনৈতিক মহলের মতে, তার বিজেপি যোগের সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল। চলতি মাসের শেষেই রাজ্যে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, সেই সভায় যোগ দিতে পারেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, আগে থেকেই রাজীব ঠিক করে নিয়েছিলেন এই দলে থাকবেন না। তাই তিনি দল ছেড়েছেন। যা বলতেন তা অযুহাত মাত্র।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান-আসানসোল

বর্ধমানের ঘোড়দৌড় চটির জেলা বিজেপি কার্যালয়ে পুরনো এবং নতুন কর্মীদের মধ্যে ইটবৃষ্টি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি গাড়িতেও। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সূত্রের খবর, বর্ধমান সদর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীর অপসারণের দাবিতে সরব বিজেপির একটি গোষ্ঠী। তাঁদের অভিযোগ, বর্ধমান সফরে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উদ্বোধন করা দলীয় কার্যালয়ে অনৈতিক কাজ হচ্ছে। সেই অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিজেপির পুরনো কর্মীরা। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। অভিযোগ, নতুন কর্মীরা ওই দলীয় কার্যালয়ের ছাদ থেকে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইট ছুঁড়তে থাকে। ভেঙে যায় পার্টি অফিসের জানলা। দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জিটি রোডে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। রাস্তার উপরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গাড়িগুলো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। দমকল এসে অগ্নিকাণ্ড সামাল দেয়।উল্লেখ্য, বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ তারা পুরনো কর্মী। রক্ত দিয়েছেন। মার খেয়েছেন। কিন্তু যাদের সাথে লড়াই করে এসেছেন তাদের দলে নেওয়া হচ্ছে। তাদের কথা শোনা হচ্ছে না। দলে স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। তারা বারবার সাংসদ থেকে দলীয় নেতৃত্ব সবাইকে জানিয়েছেন। কোনও ফল হয়নি। তাদের আরও অভিযোগ, আজ দলের অফিস থেকে অফিসিয়াল গ্রুপের লোকেরা তাদের প্রথম আক্রমণ করে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজেপি ততটা সংগঠিত ছিলনা। কিন্তু লোকসভা ভোট থেকে সংগঠন বাড়তে থাকে। লোকসভায় বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রে জয়ী হয় দল। কয়েকদিন আগেই স্বয়ং জেপি নাড্ডার রোড শোয়ে মানুষের ঢল নামে। তারপর এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলকে অবাক করেছে।বিজেপি এই ঘটনার দায় চাপিয়েছ তৃণমূল ও পিকের টিমের উপর। দলের জেলা সহসভাপতি প্রবাল রায়ের অভিযোগ, কোনও বিজেপি কর্মী বা সমর্থক এদিনের ঘটনায় জড়িত না। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সবাই দেখেছে কারা তান্ডব চালিয়েছে। বিজেপির পুরনো ও নতুনদের গন্ডগোল। পুলিশ না থাকলে ঝামেলা বাড়ত।অন্যদিকে, বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল হয় আসানসোলও। এদিন, বিজেপি জেলা কার্যালয়ে বারাবনি ও কুলটি মণ্ডলের কর্মীদের বৈঠক ছিল। উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন ও বাবুল সুপ্রিয়। তাঁদের সামনেই ফামেলায় জড়ান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। গেরুয়া শিবিরের একাংশের অভিযোগ, সম্প্রতি বিজেপি জেলা যুব মোর্চার ঘোষিত কমিটিতে বাদ পড়েছেন অনেকেই। যাঁরা বাদ পড়েছেন তাঁরা পুরনো বিজেপি কর্মী। কিন্তু তৃণমূল থেকে আসা কর্মীদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। ফলে নব্য-পুরাতন বিজেপি যুব মোর্চার মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মাইক হাতে নিয়ে বাবুল ও অরবিন্দ মেনন পরিস্থিতি সামাল দেন।শুরু হয় বৈঠক।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজনীতি

বাংলার রাজনীতিতে নতুন দল ঘোষণা ভাইজানের, বেগ পেতে পারে তৃণমূল

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করলেন। ধর্মনিরপেক্ষতার পথে হাঁটতে নাম রেখেছেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির ভাই পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকির নাম। সভাপতি হয়েছেন শিমল সোরেন। বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এই নতুন দলের এই দুজন কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের নাম পড়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান।এর আগে আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন, মুসলিম, দলিত ও পিছিয়েপড়াদের নিয়ে তিনি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। সেই নতুন দল গঠন করার জন্য তিনি বিভিন্ন সভায় মানুষের কাছে তাঁদের মতামত জানতে চেয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন মিমের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েসি। যদিও আব্বাস তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি নিজেই দল গড়তে চালেছেন। সেই দলের সঙ্গে জোটে আসতে পারেন কিন্তু তিনি এখানে মিমের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন না। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন আব্বাস সিদ্দিকি। সম্প্রতি মিনাখাঁয় একটি অনুষ্ঠানের আগে তাঁর অনুগামীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এবং তাঁদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এসব অত্যাচার বন্ধ করতে চান আব্বাস। এদিন আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়ে দেন, তিনি কিংমেকার হতে চান। কিন্তু তিনি নিজে ভোটে লড়বেন না। আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করবে। এছাড়া ব্রিগেডের জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাইজান। সেই জনসভা থেকেই জেলা নেতৃত্বের দায়িত্ব ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি জানান। তাঁর এই নতুন দল বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে বেগ দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নওসাদ সিদ্দিকি বলেন, আমরা চাই পাঠ্যসূচিতে সংবিধানকে রাখা হোক। এই দাবিতে আমরা কলকাতার পথে নামব। কৃষি বিলের প্রতিবাদ হবে। আব্বাসের বক্তব্য, বিজেপি দেশের পক্ষে ক্ষতিকারক। তবে সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে তিনি সরাসরি কোনও জবাব দেননি। এর আগে আব্বাস উদ্দিনের সংগঠন নিয়ে সিপিএমের একাংশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কংগ্রেসও নেতৃত্ব এখনও সেভাবে এই দল সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেনি। দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে নতুন কোনও জোট হয় কিনা। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ আব্বাসের এই দল নিয়ে উচ্ছ্বাসিত। এর ফলে তৃণমূলের রাজরাজনৈতিক ক্ষতি হবে বলে তাঁদের ধারণা। যদিও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি আব্বাস। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হলে সবাই একজোট লড়তে হবে। তাঁরা ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
দেশ

নন্দীগ্রামে কেন হারবেন মমতা, কী ব্যাখ্যা শুভেন্দুর?

নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে সরাসরি মমতাকেই আক্রমণের নিশানা করেছেন শুভেন্দু। এই প্রথম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে ভাইপো জুড়ে একনাগাড়ে আক্রমণ করে গেলেন তিনি। নন্দীগ্রামে কেন মমতা হারবেন দিলেন সেই ব্যাখ্যাও।রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল বাড়াতে যে টোটকার আশ্রয় নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো সেখানেই আঘাত করতে চাইছেন শুভেন্দু। এ ব্যাপারে সময় নষ্ট করতে রাজ নন তিনি। সোমবার বলেছিলেন ৫০ হাজার ভোটে হারবেন মাননীয়া। এদিনও নন্দীগ্রাম আন্দোলন স্মরণ করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, মমতা অনেক কিছুই জানেন না। মিথ্যা বলছেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। মোদ্দা কথা, তৃণমূল কর্মীদের মনোবলে আঘাত করে বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করাই ছিল শুভেন্দুর উদ্দেশ্য। তবে তৃণমূল নেত্রীর পরাজয় নিয়ে ধর্মীয় মেরুকরণের ওপর জোর দিয়েছেন শুভেন্দু।আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা, দাবি মুকুলেরনন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তারপর থেকে লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। কখনও বলছেন ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারবেন মাননীয়া তা নাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের পাশের খেজুরিতে স্বল্প সময়ের বক্তব্যে টানা নিশানা করে গেলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে।এদিন একদিকে যেমন শুভেন্দু বলেছেন ভোটের পর প্রাক্তন বিধায়ক, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পাশাপাশি নন্দীগ্রামকে কীভাবে অবহেলা করেছেন তাঁর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, তৃণমূলে থেকে এক ধরনের চাপের রাজনীতি করে গিয়েছেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক, এবার বিরোধী দলে থেকে সেই চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন শুভেন্দু। যে কারণে এখন আক্রমণ চলছে একেবারে সরাসরি। মিথ্যাবাদী বলতেও ছাড়ছেন না।আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মমতার পাশে থাকার বার্তা এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারেরএদিন শুভেন্দু সরাসরি ভোটের ধর্মীয় মেরুকরণ করেছেন। সেই মেরুকরণ করে শুভেন্দু দাবি করেছেন, যাঁরা জয়শ্রীরাম বলেন সেই ২ লক্ষ ১৩ হাজার ভোটারের ওপর তাঁর ভরসা রয়েছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৬২ হাজার ভোটারের ওপর ভরসা করে স্বপ্ন দেখছেন। সেখানেও সিঁদ কাটবেন বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।স্কুল পাঠ্যে স্থান পেয়েছে সিঙ্গুরের আন্দোলন। শুভেন্দু বলেন, অষ্টম শ্রেণির বইতে সিঙ্গুরের ইতিহাস স্থান পেয়েছে। সিঙ্গুর আন্দোলনকে ছোট করছি না। ওই বইতে নন্দীগ্রামের একটা লাইনও নেই। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে যে সব পুলিশ আধিকারিক গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বা অত্যাচার করেছেন তাঁদের ভাল পোষ্টিং দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপি ও সিপিএমের সভায় লোক পাঠাবেন তৃণমূলনেত্রী

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী এই অভিযোগ করে আসছেন। বনগাঁর সভাতেও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোস্টার নিয়ে একদল মানুষ তৃণমূল নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে। সোমবার নন্দীগ্রামের সভাতেও যাওয়ার পথে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মঙ্গলবার পুরুলিয়ার জনসভায় বেতন বৃদ্ধির দাবি করতে থাকেন একদল মানুষ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বারেবারে তাঁর সভায় পরিকল্পনা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, প্রতি জায়গায় গিয়ে এরকম বদমায়েশি করে দুএকজন। কেউ পাঠিয়ে দেয়। আপনার বক্তব্য থাকলে কাগজে লিখে দেবেন। মিটিংয়ের মধ্যে ডিস্টার্ব করবেন না। এক লক্ষ লোকের মধ্যে ১০ জন। বসুন। এখানে বললে একটি কাজও করব না। আমাকে চিঠি লিখে দিতে হবে। সভা নষ্ট করার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে?মমতার অভিযোগ, বিজেপি লোক পাঠিয়ে জনসভা ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছে। প্রয়োজনে অ্যাকশন নেওয়া হবে তিনি জানিয়ে দেন। তৃণমূল নেত্রী বলেন, প্রতিদিন আমার মিটিংয়ে বিজেপি শিখিয়ে দিচ্ছেন আর করছেন। এসব আমি বুঝি। আমি এবার থেকে বিজেপির মিটিংয়ে লোক পাঠিয়ে দেব। সিপিএমের মিটিংয়েও লোক পাঠিয়ে দেব। চালাকি বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় পোস্টার, ব্যানার নিয়ে গিয়ে দাবি-দাওয়া জানাতে হাজির হয়ে যাচ্ছেন একদল। সহজেই মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। মমতা বলেন, যদি কারও কোনও দাবি-দাওয়া থাকে তাহলে সেটা চিঠি দিয়ে জানাতে পারেন। কিন্তু এটা কোন পদ্ধতি নয়। এরকম করলে আমি কিছু করব না। যদিও পরে মমতা বলেন, আমি একটু বকাঝকা করেছি কিছু মনে করবেন না। আপনাদের দাবিপত্র নেওয়ার ব্যবস্থা করছি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজনীতি

"নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা", দাবি মুকুলের

বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তাঁর এক সময়ের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা তথা তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন মুকুল রায়। বর্তমানে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দাবি, শেষমেশ নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা। নন্দীগ্রামের মানুষকে ভয় পেয়ে পালিয়ে আসবেন। মুকুল রায়ের বক্তব্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে হেরে যাবেন সেই ভয়েই তিনি সেই আসন ছাড়তে চাইছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন যদি তিনি নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ান তাতেও বিজেপির কোনও অসুবিধে নেই। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য মমতা ভয় পেয়ে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে সরে যেতে চাইছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

"নন্দীগ্রামে হাফ লাখ ভোটে হারবেন মাননীয়া"

সকালে নন্দীগ্রামে চ্যালেঞ্জ। বিকেলে কলকাতায় পাল্টা চ্যালেঞ্জ।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের ঘোষিত তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার পরাজিত করবেন বলে কলকাতার সভা থেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, আমি বা বিজেপির যে কেউ নন্দীগ্রামে প্রার্থী হোক না কেন হাফ লাখ(৫০ হাজার) ভোটে মাননীয়াকে হারবই। তা নাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।ফের কলকাতায় মিছিল করবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, গড়িয়া মোড় থেকে হাজরা মোড় অবধি র্যালি করব। একটা চিঠি থানায় ফেলে আসবেন। পুলিশের অনুমতি নেব না। দক্ষিণ কলকাতার সাংগঠনিক জেলায় ১০ আসনে জয়ী করার আবেদন জানান শুভেন্দু।এদিন বিজেপির মিছিলে ইঁট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এর আগে ডায়মন্ডহারবারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হুঁশিয়ারি, আমাদেরও দুটো করে হাত পা আছে। আমাদের হাত-পা চললে ভাল হবে না। স্বভাব না পাল্টালে চেহারার ভৌগোলিক অবস্থা পাল্টে দেব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেফ সিট খুঁজে বেড়াচ্ছেন। উনি নন্দীগ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আমরা ভবানীপুরটা দেখে নেব।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সেরা বাজি মমতার, তৃণমূলনেত্রীই নন্দীগ্রামে প্রার্থী

২০২১ বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যে মরণ-বাঁচন লড়াই তা নন্দীগ্রামের জনসভায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট। এই বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থী হতে চেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে আমি প্রার্থী হলে কেমন হয়। দলকে আমি বলব এই নন্দীগ্রামে আমার নাম রাখতে। আবেগে ভেসে তিনি এই কথা বলেন বলেও জানিয়ে দেন। শেনা মাত্রই মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দেন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আমাকে ২৯৪ কেন্দ্রে ঘুরতে হবে। আপনারা এই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়াও নন্দীগ্রামে একগুচ্ছ উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদ ও নিখোঁজ পরিবারের হাতে মাসে ১ হাজার টাকা পেনশন দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে নিখোঁজ পরিবারদের ৪ লক্ষ টাকা করে সাহায্য

শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের পর আজ সোমবার প্রথম নন্দীগ্রামের জনসভা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের পাশেই জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই জনসভায় যোগ দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন দশটি নিখোঁজ পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে সহায়তা করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের জনসভা করার কথা ছিল কিন্তু তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেই জনসভা স্বল্প পরিসরে হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতা, দক্ষিণ কলকাতায় শুভেন্দু- চড়ছে উত্তেজনার পারদ

একই দিনে অগ্নিপরীক্ষা। নন্দীগ্রাম ও দক্ষিণ কলকাতায়। নন্দীগ্রামে আজ জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এদিন দক্ষিণ কলকাতায় মিছিল করবেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য রাজনীতি একেবারে জমজমাট। রাজনীতির প্রতি পদক্ষেপে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। এবার দিনে দিনেই পাল্টা চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ মহলের মতে, জনতার আবেগ ও ভিড় প্রমান করবে পাল্লা কার দিকে ভারি।৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে জনসভা করার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই সভা বাতিল করে দল। সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। ১৮ জানুয়ারি মমতার সভা হবে বলে ঘোষণা করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা ১৯ জানুয়ারি খেজুরিতে বিজেপি জনসভা করবে বলে ঘোষণা করেন। শেষমেশ সোমবার দক্ষিণ কলকাতায় মমতার খাসতালুকে মিছিলের কর্মসূচি নেয় বিজেপি। সেই মিছিলে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে নেতৃত্বে থাকবেন শুভেন্দু।নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মূলে কে বা কারা তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক রয়েছে। দাবি-পাল্টা দাবি চলছে। ২০১৬-তে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার তাঁর গড়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করতে ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। সোমবারের জনসভা থেকে কী বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী তার অপেক্ষায় নন্দীগ্রামের মানুষ। অন্যদিকে যে দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল নেতৃত্ব নিয়ে শুভেন্দুর যাবতীয় অভিযোগ, সেখানেই মিছিল করে কলকাতা অভিযান শুরু করছেন তিনি। টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে মিছিল শুরু করে শেষ হবে রাসবিহারী মোড়ে। বামফ্রণ্ট আমলেও দক্ষিণ কলকাতা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়। সেখানেই এবার নিজের শক্তি পরীক্ষা করে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে যুযুধান দুই পক্ষের মহারণ প্রত্যক্ষ করবেন উদগ্রীব জনতা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

বর্ধমানে দুই তৃণমূল বিধায়কের করোনা টীকাকরণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিতর্কে পূর্ব বর্ধমান জেলার দুজন তৃণমূল বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। শনিবার সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের ভ্যাকসিন বা টিকাকরণ প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডল ও প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। এছাড়াও কাটোয়াতে করোনার টিকা নিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে রোগী কল্যান সমিতির নাম করে এভাবে টীকা নেওয়া ঠিক হয়নি। প্রথম সারির যোদ্ধাদের আগে টিকাকরণ করার কথা। অন্যদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও জনপ্রতিনিধিদের টিকাকরণ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ প্রকাশ করেছেন।তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এখনই যাঁদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত হয়নি তাঁরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। আম্ফান এর মতোন এক্ষেত্রেও তালিকায় গন্ডগোল রয়েছে। এদিকে পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রনব রায় জানিয়েছেন, এই বিধায়করা রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য। তাঁরা সরাসরি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। তাই তাঁদের টিকাকরণ করা হয়েছে। বর্ধমান জেলা তৃণমূল এর মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের বক্তব্য, টীকা নিয়ে কোন স্বজনপোষণ করা হয়নি। বিজেপি সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ করে। এই বিধায়করা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এঁরা রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জনপ্রতিনিধিদের টীকাকরণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সর্বপ্রথমে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টীকাকরণ করতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। টিকাকরণের সফটওয়্যারে একটা সমস্যা হয়েছে। তাই নির্দেশ ছিল জরুরি ভিত্তিতে তালিকা অনুযায়ী টীকা দিতে হবে। এটা ঠিক কাজ হয়নি বলেই তাঁরা মনে করেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত অভিনেত্রী সাংসদের, কী কৌশলে বাজিমাত?

ফেসবুকে বিদ্রোহ, তারপর কুণালের দৌত্য, অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক, দিল্লি যাত্রা বাতিল। ২৪ ঘন্টা এভাবেই কাটল বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের। আপাতত তৃণমূলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ দলে থাকার কথা ঘোষনা করলেও কিন্তু একটা রয়েই গেল।তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ, তিনি তার লোকসভা কেন্দ্রে সভা সমাবেশে যোগ দিতে পারছেন না, তাকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মিটিংয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি পর্যন্ত শুনতে হচ্ছে। তাঁর কেন্দ্রের সাধারণ মানুষকে কী কৈফিয়ত দেবেন? এটাই শতাব্দীর মূল প্রশ্ন।সমস্যাগুলো নিয়ে বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সেভাবে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ফেসবুক পোস্ট করে, শনিবার দিল্লি যাবেন বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার কৌশলে আপাতত তিনি সফল। কিন্তু প্রকুত কার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেকথা তিনি প্রকাশ্যে এড়িয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে থাকা লোকজনদের একটা বড় অংশ অন্য পেশা থেকে কেউ রাজনীতিতে এলেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন উনি পলিটিক্যাল নন। একথা হজম করতেই হয়েছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, একাংশ রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত করেছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যে জেলার সভাপতি সারা রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি সাংগঠনিক সভা করেন। দলের সভাপতি দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী অনুব্রত মন্ডলের ওপর কথা বলার ক্ষমতা নেই ওই জেলার দুই মন্ত্রীর। অনুব্রত গড়ের তৃণমূল সাংসদ বোমা ফাটালেন প্রকাশ্যে। দলকে ঢোক গিলতে হল। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ কয়েক ঘন্টার বৈঠকে সমাধান হতে পারে? ছাই চাপা আগুনের কী হাল হয় তা সকলেরই জানা।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক, সাংসদ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। ইতিমধ্যে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাংশ বিজেপিতে যোগ দেবার লাইনে রয়েছেন। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের দর বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এক একজন ১৫ বছর, ১০ বছর বা কেউ ৫ বছর বিধায়ক, সাংসদ থাকার পর ভোটের মুখেই এভাবে ক্ষোভ ব্যক্ত করছেন। তাহলে কী তাঁরা সবাই ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন? আপাতত তৃণমূলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতাব্দীরায়। আমি তৃণমূলেই আছি একথার যে অন্য একটা অর্থও হয় তা নিয়ে কারও কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। তৃণমূল সাংসদ ফুটবলার প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা রাজনীতির লোক নয় বলে অন্যদের ছোট করে নিজেদের বড়াই করেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডলের গড়েই তৃণমূল সাংসদের 'বিদ্রোহ', শোরগোল রাজনীতিতে

ইতিমধ্যে এক সাংসদসহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনেকেই দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে কথা বলছেন। এবার নবতম সংযোজন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সেই জেলার সাংসদ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। বৃহস্পতিবার শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাব ফেসবুক পেজে তাঁর লেখা বয়ানে বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহল। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনীতিতে।কী লিখেছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়--বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-2021 খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। আমি তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়। গত দশ বছরে আমি আমার বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের কাছে বা আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে কাটিয়েছি, আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কাজ করার, এটা শত্রুরাও স্বীকার করে। তাই এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। 2009 সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব। সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন। আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব।যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী 16 জানুয়ারি 2021 শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব। শতাব্দী রায়

জানুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমানে জেপি নাড্ডার ঠাসা কর্মসূচি, নিরাপত্তায় কড়াকড়ি

একদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তাঁর সফর নিয়ে সতর্ক বর্ধমান জেলা পুলিশ-প্রশাসন। এর আগে ডায়মন্ড হারবারে জনসভায় যাওয়ার পথে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছিল। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। নাড্ডার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে চলে দেশজুড়ে। রাজ্যপাল রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। নাড্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইপিএসদের নিয়ে কেন্দ্র -রাজ্য টানাটানি চলে।শনিবারের দিনের বঙ্গ সফরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। বিজেপি কর্মীরাও সতর্ক। বিজেপি সভাপতির বেশিরভাগ যাতায়াত কর্মসূচি রাখা হয়েছে হেলিকপ্টারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে আকাশ পথে তিনি যাতায়াত করবেন বলেই সূত্রের খবর। ফের যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর রেখে তাঁর এদিনের কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে।জেপি নাড্ডা প্রথমে এগারোটা নাগাদ নামবেন অন্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে উড়ে যাবেন কাটোয়ায়। ১১টা ৪০ মিনিটে জগদানন্দপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পুজো দেবেন। ১১টা ৫০ মিনিটে ওই গ্রামেই কৃষক সুরক্ষা সভায় অংশ নেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বাড়ি বাড়ি মুষ্টি ভিক্ষার চাল সংগ্রহ করবেন। জগদানন্দপুরে কৃষকের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সারবেন। সেখান থেকে কপ্টারে উড়ে বর্ধমানে হেলিপ্যাডে নামবেন।বিকেল ৩টা ৫ মিনিট নাগাদ শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবি সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেবেন। দর্শণ ও পুজো সেরে বর্ধমান শহরে রোড শো করবেন। বীরহাটা থেকে শুরু হয়ে কার্জনগেটে রোড শো শেষ হবে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হবেন। ৭ টা নাগাদ ফিরে যাবেন অন্ডাল বিমানবন্দরে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় 'বড় চানক্য' ছিল, এবার রাজনীতির ময়দানে 'ছোট চানক্য'

বাংলায় রাজনীতির চানক্য হিসাবে পরিচিত তৃণমূলের একসময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার আরেক জনের নাম উঠে এল। একজন বড় চানক্য, অন্যজন ছোট চানক্য। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জনসভায় দুই চানক্য-এর কথা বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।এদিন নন্দীগ্রামের স্টেট ব্যাংক সংলগ্ন ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই সভায় বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে বসা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখিয়ে বলেন, এখানে দুজন চাণক্য হাজির আছেন। বড় চাণক্য মুকুল রায়, ছোট চাণক্য শুভেন্দু অধিকারী। এই দুজন এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বানিয়েছেন। এঁরা এখন আমাদের সঙ্গে আছেন। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো পুলিশ আধিকারিক সত্যজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তৃণমূল দলে নিয়েছে, আর এক পুলিশ আধিকারিককে অবসর গ্রহণের পর নিজের অফিসে নিয়োগ করেছেন। এভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে ধোকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এদিকে এদিন তাঁর বক্তব্যে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি নন্দীগ্রামের মাটিতে একাধিকবার এসেছেন। আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন। তিনি চেনেন নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সেভাবে বক্তব্য না রাখলেও তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সভা ডাকা হয়েছিল। ৭ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেস সভার পর জবাব দেব বলে। আমরা জানতে পেরেছি ১৮জানুয়ারি তৃণমূল সভা করবে, তাই ১৯ জানুয়ারি ফের সভা হবে খেজুরিতে। সেখানে ১৮ জানুয়ারি সভার বক্তব্যের জবাব পাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

আজ নন্দীগ্রামে বিজেপির মেগা-সমাবেশ, নতুন কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

আজ, শুক্রবার সকলের নজরে নন্দীগ্রামে বিজেপির সমাবেশ। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন ৮ জানুয়ারি এক লক্ষ লোকের সমাবেশ হবে নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রামে স্টেট ব্যাংকের পাশের ময়দানে এই সভার আয়োজন করেছে বিজেপি। ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভা হবার কথা ছিল। সেই কারণেই ৮ জানুয়ারি পাল্টা জনসভার কথা ঘোষণা করেছিলেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তৃণমূল নেতা অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে তৃণমূলের সভা বাতিল করা হয়েছিল। এদিকে বৃহস্পতিবার শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছে যদি তৃণমূল কংগ্রেস ১৮ জানুয়ারি সভা করে সেক্ষেত্রে আজ নন্দীগ্রামের সভায় ফের নতুন ঘোষণা করবেন। আজকের নন্দীগ্রামের সভায় হাজির থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়, দলের পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল উত্থান হয়েছিল। সেই নন্দীগ্রামকে আঁকড়ে ধরেই রাজনীতির ময়দানে জায়গা পেতে চাইছে বিজেপিও। সেদিন আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী এবার পদ্ম পতাকাতলে থেকে বিজেপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সেই নন্দীগ্রামকেই সামনে রেখেছেন তিনি। দেখার বিষয় এদিনের সমাবেশে কত মানুষ ভিড় করেন এবং শুভেন্দু নতুন কী ঘোষণা করেন?

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজনীতি

অমিত শাহ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, তোপ অভিষেকের

নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সভা-সমাবেশে বক্তব্যে ঝড় বইছে। বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য চলছে। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরে এক জনসভায় বিজেপিকে একহাত নিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ সরাসরি আক্রমণ করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে।অভিষেক এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বহিরাগতদের নিয়ে এসে বাংলার ঐতিহ্য, কৃষ্টি নষ্ট করতে চাইছে। ভোট নেওয়ার সময় বিজেপি আসে। পরিষেবা দেয় তৃণমূল। চোর, ছেঁচড়, চিটিংবাজরা সবাই বিজেপিতে গিয়েছে। বাংলায় নির্বাচন হবে, পরিযায়ী নেতারা এখানে এসে জুড়ে বসবেন। এখানকার সাংসদ সুকান্ত মুজমদার বলেছেন, আমি বহিরাগত। বাংলায় জন্ম, বাংলায় কথা বলি, ব্রাহ্মন সন্তান আমি বহিরাগত? ইন্দোরের কৈলাস বিজয়বর্গীয় বাংলা বলতে পারে না, বাংলা লিখতে পারে না, বাংলা পড়তে পারে না, তিনি দিনাজপুরের বা বাংলার ভূমিপুত্র? চাটুকারিতা আর তল্পিবাহক হয়ে গিয়ে বাংলাকে গুজরাট ও দিল্লির হাতে বন্ধক রাখতে চলেছে।বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে আক্রমণের সময় নাম না করে ভাইপো সম্বোধন করছেন। তোলাবাজ ভাইপো বলছেন সদ্য বিজেপি যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও{ অভিষেক বলেন, কথায় কথায় আমাকে আক্রমণ করছে। বলছে তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। আমার তোলাবাজি কেউ যদি প্রমান করতে পারে, কোনওরকম তোলাবাজির সঙ্গে আমি বিন্দুমাত্র জড়িত তাহলে আমার পিছনে ইডি, সিবিআই করতে হবে না একটা ফাঁসির মঞ্চ করবেন। আমি গিয়ে মৃত্যুবরণ করে নেব।নাম নিয়ে কথা বলার বুকের পাটা নেই। বলে ভাইপো। ভাইপো বললে মামলা করা যায় না।অভিষেক বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, নাম নিয়ে কথা বলতে পারে না। আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত, আমি নাম করে বলছি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা, আমি নাম করে বলছি দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, অমিত শাহ বহিরাগত, বিজেপির দিল্লির নেতারা বহিরাগত। তোমার ক্ষমতা থাকলে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে দেখাও। জেলে ঢোকাও।শুভেন্দু সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলছেন বাংলাটাকে নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দিতে হবে। বিজেপি এলে এসএসসি হবে, টেট হবে, চাকরি হবে যুবকদের। অভিষেক বলেন, বাংলা কী একটা বস্তু। তাহলে চুরি করতে সুবিধা হবে। অভিষেক নাম না করে এদিন তোলাবাজ নিয়ে প্রশ্ন করেন হাজির জনতাকে। তিনি প্রশ্ন করেন, আপনারা টিভির পর্দায় কাকে টাকা নিতে দেখেছেন? একটু জোরে? জবাব আসে, শুভেন্দু অধিকারীকে। একাধিকবার একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে থাতেন। কিন্তু নিজে নাম নেননি মুখে। এদিকে শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা তোপ দেগেছেন বিনয় মিশ্রকে নিয়ে। শুভেন্দুর বক্তব্য, তৃণমূল যুবার সহসভাপতি ছিলেন, তারপর ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। টুইট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুভেন্দুর প্রশ্ন, বিনয় মিশ্রের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক?

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

পটাশপুরে রাতভর বোমাবাজি, টার্গেট বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, অভিযুক্ত তৃণমূল

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর-২ ব্লকের সাউথখন্ড এলাকায় তাজা বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গতকাল রাতভর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি চলে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পটাশপুর থানার পুলিশ। বম্ব স্কোয়াড গিয়ে বোমা নিষ্ক্রিয় করে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বর অভিযোগ, গত ১ জানুয়ারি বিজেপির ২৩৪ এবং ২৩৫ নম্বর বুথের বিজেপি কার্যকর্তারা মিলে বনভোজন করেন। সেখানে বোমাবাজি করে তৃণমূল। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারপরই থেকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে বলে জানান তিনি। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

জানুয়ারি ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

সৌরভ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী

মৃদু হৃদরোগে আক্রান্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার বাড়িতে জিম করার সময় মাথা ঘুরে পড়ে যান সৌরভ। তড়িঘড়ি তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আপাতত সৌরভের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।সৌরভের আরোগ্য কামনায় টুইট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌরভের অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জানা গেছে সৌরভের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় প্রমুখ। প্রয়োজনে সৌরভকে দিল্লির এইমসে নিয়ে চিকিৎসা করা হলে সবরকম সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এদিকে সৌরভের এই অসুস্থতার খবরে বাংলার ক্রীড়াজগতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সৌরভকে জরুরি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে হাসপাতালে। ইতিমধ্যে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আ্যাঞ্জিওগ্রাফি করার জন্য মহারাজকে ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর ইসিজি করা হয়েছে। সেখানেই বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এছাড়া, ইকো কার্ডিওগ্রাম করা হয়েছে। রাজ্য সরকার তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে সবরকম সহযোগিতা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal