• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজ্য

CBI Visit: নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমে

হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য রবিবার পূর্ব বর্ধমানে পা রাখলো সিবিআই দল। চার সদস্যের সিবিআই আধিকারিকের দলটি এদিন দুপুরে পৌছান জেলার জামালপুর থানার আঝাপুর পঞ্চায়েতের নবগ্রামে।সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে জেলার শাসক দলের নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছেন। তেমনি নবগ্রামের নিহত বিজেপি সমর্থকের পরিবার সদস্যরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাত্রা শুরু ভিস্তাডোমের! তিস্তার বুক চিরে, ডুয়ার্সের চা-বাগানের ঘ্রাণ নিয়ে, সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে ঝর্ণায় মন ভিজিয়ে গহন জঙ্গলের পথেবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম। সেই হিংসার ঘটনায় নিহত হন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭)। একই হিংসার ঘটনায় ওই দিন প্রাণ হারাণ নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার কেরে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!সিবিআই আধিকারিকরা এদিন নিহত বিজেপি সমর্থক কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। পরে তাঁরা যান নবগ্রামের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে পুলিশের সাক্ষী করা এলাকার বাসিন্দা মামনি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে সেদিনের ঘটনা নিয়ে জানতে চান। মামনি ক্ষেত্রপাল যদিও সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেও ছিলেন না বলে সিবিআই আধিকারিকদের জানান। একই সঙ্গে মামনিদেবী সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ কেন- কি জন্য তাঁকে সাক্ষী করেছে তার বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না। এনাদের বক্তব্য নথিভুক্ত করার পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফিও করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কড়া পুলিশি পাহারায় এই দু জনের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রাম ছাড়েন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল জানান, তিনি সিবিআই অফিসারদের জানিয়েছেন তাঁর ছেলে আশিষ বিজেপি পার্টি কর। সেই কারণে তৃণমূলের লোকজন তাঁর ছেলেকে ও তাঁদের শত্রু বানিয়ে ফেলে। ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন তৃণমূলের সশস্ত্র দুস্কৃতিরা তাঁর ছেলের বাড়িতে আক্রমণ করে। ছেলেকে না পেয়ে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী কাকলিকে মারধোর শুরু করেদেয়। তারা টাঙ্গি দিয়ে তাঁর পায়ে মারে। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি তাঁকে বাঁচাতে গেলে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকেও আঘাত করে। তার জেরে কাকলি প্রাণ হারায়।মারধরে মারাত্মক জখম হয়ে এখন সাবলিল ভাবে পায়ে হেঁটে চলার শক্তি হারিয়েছেন বলে অনিল ক্ষেত্রপাল জানান।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরঅনিলবাবুর ছোট ছেলে, নবম শ্রেণির ছাত্র দীপঙ্করের সঙ্গেও সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। কাকলিদেবীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন আশিস এখনও ঘরছাড়া হয়ে রয়েছে। তবে আক্ষেপ প্রকাশ করে অনিলবাবু বলেন, আমার সিবিআই কর্তাদের আরও অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু ওনারা আমাদের সব কথা সেই ভাবে শুনতেই চাইলেন না। এদিন নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যদিও যাননি সিবিআই আধিকারিকরা। তা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নিহত তৃণমূল কর্মীদের পরিবার।নিহত বিভাস বাগ ও শাজাহান শেখের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিবিআই তাঁদের বাড়িতে না আসা থেকেই প্রমাণ হয়ে গেল সিবিআই পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে কাজ করছে। সিবিআই কেন তাঁদের কথা শুনবে না সেই প্রশ্ন এদিন তুলেছেন নিহত তৃণমূল কর্মী বিভাস বাগের স্ত্রী ঝর্ণাদেবী।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রজেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সিবিআই বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলেই নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলার সদিচ্ছা দেখায় নি । যদিও জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিবিআই তদন্ত হওয়ায় তৃণমূল অশনি সংকেত দেখছেন। সে জন্যই এই সব মন্তব্য করছেন তৃণমূলের নেতারা।ভোট পরবর্তী হিংসায় জেলার কেতুগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের নিহত বিজেপি কর্মী বলরাম মাজির বাড়িতেও এদিন সন্ধ্যায় যায় ৪ সদস্যের সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। তাঁরা নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। নিহতের মা টুম্পা মাজি কেতুগ্রাম থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সিবিআই আধিকারিকদের কাছে। ছেলের হত্যার সুবিচার চেয়ে টুম্পাদেবী সিবিআই আধিকারিকদের কাছে আর্জিও জানান।

আগস্ট ২৯, ২০২১
কলকাতা

Bratya Basu: আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীর

বদলির প্রতিবাদে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা পাঁচ শিক্ষিকাকে বিজেপি ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এই ঘটনা অনভিপ্রেত বলে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ফেসবুক পোস্ট করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ওই পাঁচ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। তাঁরা সকলেই আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অন্যায়ভাবে বদলির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষিকারা। বদলির অস্বচ্ছতার দাবি তুলে রাস্তায় নামে শিক্ষক ঐক্য মঞ্চ। বিকাশ ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েই সেই বিক্ষোভ। তারপর তাঁরা মুখে কিছু ঢেলে দেন। এরপর মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোতে থাকেন। যে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তাঁদের বিক্ষোভ, সেই ব্রাত্য বসুই তাঁদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যেরশিক্ষামন্ত্রী ফেসবুকে দাবি করেন, বাম সরকারের আমলে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগের অধীনে এসএসকে এবং এমএসকে-র সহায়ক-সহায়িকা, সম্প্রসারক-সম্প্রসারিকরা নামমাত্র সাম্মানিকের বিনিময়ে কাজ করতেন। কাজের নিশ্চয়তা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা বলে কিছু ছিল না। কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার শিক্ষা বিভাগের অধীনে এনে তাঁদের একটি সুসংবদ্ধ রূপ দেয়। সহায়ক-সহায়িকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে মাসিক ১০,৩৪০ টাকা এবং সম্প্রসারক সম্প্রসারিকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে ১৩,৩৯০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও বাৎসরিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট চালু করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, যাঁরা ৬০ বছর বয়সে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন, তাঁদের অবসরের সময়ে প্রত্যেকের জন্য ৩ লক্ষ টাকা এককালীন অবসর-ভাতা চালু করা হয়েছে। এত কিছুর পরও যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা শিক্ষক শিক্ষিকা নন, বিজেপি ক্যাডার।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Lakshi Bhandar: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ’ভিখারি’ বললেন দিলীপ ঘোষ

বাংলা ভাগের কথা অস্বীকার করে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে ফের অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা ভিখারি নয়তো কি? একই সঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ১০ বছরের তৃণমূল সরকার মানুষকে ভিখারি বানিয়ে ৫০০ টাকার জন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতৃত্ব।রাঢ় বঙ্গের কার্যকর্তাদের নিয়ে এদিন বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বর্ধমানের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া , রাজু বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ১০ বছর সরকার চালানোর পর মানুষকে ভিখারি বানিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকার জন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না। ভিড় করার জন্যেই এই সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প করা হচ্ছে। যাঁরা লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন তাঁদের ভিখারি বলছেন কেন? দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, ৫০০ টাকার জন্য যারা লাইনে দাড়াচ্ছেন তাঁরা ভিখারি নয় তো কি? এটাকে কি উন্নয়ন বলে? দেশের কোটি কোটি লোক বাড়িতে বসেই হাজার হাজার টাকা ভাতা-অনুদান পেয়ে যাচ্ছেন। মোদিজি কৃষকদের ৬০০০ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। বাড়িতে বসেই তিন কিস্তিতে কৃষকরা সেই টাকা নিচ্ছেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সবাইকে রাস্তায় দাঁড় করাচ্ছেন? বয়স্ক মানুষেরা চাপা পড়ে মরে যাচ্ছে।এই সব কোথাও শুনেছেন? মোদিজীকে দেখে ওঁরা শিখুক । অশোকনগরের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি নেতারা সব জায়গায় দাদাগিরি করছে। সরকারি যোজনার সুবিধা পেতে এত ভিড় করার কি দরকার আছে। একাউন্টে দিলেই তো পারতো।বাংলা ভাগের প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এদিন ভিন্ন সুর শোনা যায় তাঁর গলায় । দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, বিজেপি কখনই বঙ্গভঙ্গের কথা বলেনি। তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্তানকে ভাগ করে এই বাংলা নিয়ে এসেছে। সেই বাংলা যাতে সোনার বাংলা তৈরি হয় সেই চেষ্টাই তাঁরা করছেন বলে দিলীপ বাবু এদিন জানান।জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে বিহার বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলি যে মত দিয়েছে তার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজের প্রতিটি লোকের নিজের মত বলার অধিকার আছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, সেন্সাস বোর্ড ও সরকার আছে। তাঁরা সবার সঙ্গে কথা বলে সহমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে সিবিআই বিভিন্ন জেলায় যাবে ।এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান কি হবে তা জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,আমাদের ডাকলে আমরা যাবো, সব তথ্য দেব।লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলাদের ভিখারি বলা নিয়ে দিলীপ ঘোষকে বাংলা দ্রোহী বলে আখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু । তিনি আরও বলেন, এইসব খারাপ কথা বলে বাংলার মেয়েদের ও মায়েদের অপমান করছেন দিলীপ ঘোষ।বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মহিলারা ওঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই কু-মন্তব্যের জবাব বাংলার মহিলারা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও দিয়ে দেবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

BJP: বিজেপিকে ভোট, অনাহারে মালদার ৫ হাজার জলবন্দি মানুষ

বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে অভুক্ত থাকতে হচ্ছে মালদার বানভাসি বহু মানুষকে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ফুলহারের জলে প্লাবিত ৮ টি গ্রাম। প্লাবিত ঘর বাড়ি, জমি। জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার পরিবার। অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিতে চলেছেন এই ৮ টি গ্রামের মানুষ। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ টি গ্রাম কাউয়াডোল, উত্তর ও দক্ষিণ ভাকুরিয়া, মিরপাড়া, রশিদপুর, খোপাকাঠি,তাঁতিপাড়া এবং ইসলামপুরে ফুলহার গ্রাম এখনও প্লাবিত।গত পঞ্চায়েত এবং বিধানসভা নির্বাচনে এই সব গ্রামে নামমাত্র ভোট পেয়েছে তৃণমূল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই কারণেই তাঁরা যাবতীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এমনকী, দেওয়া হচ্ছে না ত্রাণও। জুটছে না একটা ত্রিপলও। নেই খাওয়ার, নেই পানীয় জল। কার্যত অনাহারেই দিন কাটাচ্ছেন জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার পরিবার। রাগ-ক্ষোভ জমতে জমতে এবার তা বিক্ষোভের আকার নিয়েছে। গ্রামে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দুর্গতরা। সোমবার সকাল থেকেই গ্রামে গ্রামে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীদুর্গতদের অভিযোগ, বন্যা পরিস্থিতি মালদার বিভিন্ন ব্লকেই। কিন্তু বেছে বেছে ত্রাণ বিলি করা হচ্ছে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি হিসেবে তাঁদের ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমনকী, প্রশাসনও এই বিষয়ে মদত দিচ্ছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, জল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। কিন্তু চিকিৎসা করাতে পারছেন না। কারণ তাঁদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ডও নেই। এমনকী, করোনা ভ্যাকসিন থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় এক মহিলার কথায়, ;আমাদের খাবার জুটছে না। ছোটো ছোটো বাচ্চা নিয়ে থাকি। আমাদের তো কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!এইসব গ্রামগুলোর মানুষের দুর্ভোগের কারণ শুধুমাত্রই কী শাসক দলকে ভোট না দেওয়া? মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য দলের সব স্তরের কর্মীদের এইধরনের ভেদাভেদ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ত্রাণ থেকে যাতে কাউকেই বঞ্চিত না করা হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলেছেন। কিন্তু, নেত্রীর কথা উপেক্ষা করেই চলছে সবকিছু। কার্যত অনাহারে দিন কাটছে জলবন্দি ৫ হাজার পরিবারের।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

BJP murder: দাঁতনে খোলা মাঠে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার

ফের রাজ্যে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। শনিবার সকালে খোলা মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীর দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানা এলাকার ঘটনা। সকালে শ্রীকান্ত পাত্র নামে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় দাঁতন থানার শরশংকা এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ কেউ বা কারা খুন করে দেহ রেখে দিয়ে গিয়েছে শ্রীকান্তের। তবে এই ঘটনা তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহ।আরও পড়ুনঃ আদিমতার উল্লাস-মধ্যযুগীয় বর্বরতা-অস্ত্রের ঝনঝনানি, চুপ! সভ্যতা মুখে কুলুপ এঁটেছেএ দিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় শ্রীকান্তকে পড়ে থাকতে দেখা তাঁর পরিবার। শরশংকা এলাকার সারিকুটা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। কী ভাবে খুন করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বিজেপির এক স্থানীয় নেতার দাবি, শুধুমাত্র বিজেপি করে বলেই এমন পরিণতি হয়েছে শ্রীকান্তের। তাঁকে তৃণমূলকর্মীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অন্যদিকে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। পারিবারিক সমস্যার জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

Bankura BJP: স্বামী-সন্তান ছেড়ে পালিয়ে বিয়ে করলেন চন্দনা বাউড়ি! কী বলছেন বিধায়িকা?

বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ উঠল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে গাড়ির চালককে বিয়ে করেছেন চন্দনা। সেই মর্মে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত গাড়িচালক কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পা কুণ্ডু। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দনা। স্বামী শ্রবণের সঙ্গে পারিবারিক গোলমালকেই রাজনৈতিক উদ্দেশে অন্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলগরিব ঘরের বধূ চন্দনা বাউড়ি বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই খবরের শিরোনামে থেকেছেন। ভোটের প্রচারে বাঁকুড়া এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও চন্দনার কথা আলাদা করে বলেছিলেন। সেই চন্দনা সম্পর্কে পরকীয়ার খবর নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়। বিজেপি-র পক্ষ থেকে অবশ্য এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি দুপুর পর্যন্ত। তবে চন্দনা তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফেসবুক লাইভ করে তাঁদের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানান। সেখানেও তিনি গোটা বিষয়টিকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তবে জেলা বিজেপি-র একাংশের দাবি, কৃষ্ণ গাড়িচালক নন। তিনি শালতোড়া বিধানসভার দলীয় কো-কনভেনর।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেপুলিশ জানিয়েছে, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে চন্দনার বিরুদ্ধে। গাড়িচালক কৃষ্ণর স্ত্রী রুম্পার দাবি, বুধবার রাতে চন্দনা এবং কৃষ্ণা বিয়ে করেছেন। পুলিশের একাংশের দাবি, বিবাহের বিষয়টি নাকি পুলিশের কাছে চন্দনা স্বীকার করেছেন। যদিও চন্দনার দাবি, তিনি একেবারেই তা বলেননি। পুলিশের একাংশের ওই দাবি অসত্য। প্রসঙ্গত, চন্দনা এবং কৃষ্ণ দুজনেই নিজের নিজের জীবনে বিবাহিত। তাঁদের সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ পেয়ে গঙ্গাজলঘাটি থানার পুলিশ চন্দনা ও কৃষ্ণর বিরুদ্ধে ৪৯৮-এ ধারায় বধূ নির্যাতনের মামলা রুজু করেছে।এ ছাড়াও,৫০৬ ধারায় দুজনের বিরুদ্ধেই ভয় দেখানোর অভিযোগও আনা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

Arrest: গ্রেপ্তার শান্তনু ঠাকুর

গ্রেপ্তার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রাজ্যে আজ শহিদ সম্মান যাত্রার প্রথম দিন। সকালেই উত্তরবঙ্গে বিধায়ক-সহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের পর এ বার দক্ষিণে। এবার বিরাটিতেও বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসা পুলিশের। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ানোর পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে। বিজেপির বিশেষ কর্মসূচি শহিদ সম্মান যাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার ও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদের।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারগতকালই কলকাতায় বিজেপির কর্মসূচি থেকে আটক করা হয় দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের। আর আজ রাজ্যে রয়েছে বিজেপির আরও এক কর্মসূচি। সকালে শহিদ সম্মান যাত্রার সেই কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই তৎপর হল পুলিশ। শিলিগুড়িতে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ-সহ ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ দিন সকালে জেলা বিজেপির কার্যালয় থেকে শহিদ সম্মান যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির হাসমি চক।বিস্তারিত আসছে...

আগস্ট ১৭, ২০২১
কলকাতা

BJP Arrest: ধুন্ধুমার ধর্মতলা, গ্রেপ্তার শুভেন্দু-দিলীপ-জয়প্রকাশরা

বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কলকাতায় রানি রাসমনি রোডে। সোমবার বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতারা। অভিযোগ, কর্মসূচি শুরুর আগেই অতি তৎপর হয়ে পড়ে পুলিশ। রানি রাসমণি রোডে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। মহামারি আইনে গ্রেপ্তার করা হয় শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, দেবশ্রী চৌধুরী, সৌমিত্র খাঁ, শীলভদ্র দত্তদের আটক করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও দিবস কর্মসূচি পালন বিজেপির রানি রাসমনি অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভ সমাবেশের পর গান্ধি মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতারা। এরপর মহামারি আইনে গ্রেপ্তার করা হয় বিজেপি নেতারা। আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত? কংগ্রেস ছাড়লেন সুস্মিতা দেবমূলত এ রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি কিংবা একুশের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের কী ছবি তা বাংলার মানুষের কাছে তুলে ধরতেই এই পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। নারী নিগ্রহের ঘটনা থেকে টিকা নিয়ে কারচুপি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের। তা নিয়েই এদিনের ধরণা।রাজ্যজুড়ে বিজেপি একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে গত আটদিন ধরে। ১৬ অগস্ট তার শেষদিন। এদিন কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় বিক্ষোভ, ধরণার আয়োজন করেছে গেরুয়া শিবির। কলকাতায় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়েও তৈরি হয় ধরণা মঞ্চ। সেখানে থাকার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীদের। পাশাপাশি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়ারও কর্মসূচি নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এদিন সেই কর্মসূচির শুরুতেই ঝামেলা জড়িয়ে পড়ে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজ্য

TMC Murder: খড়দহে তৃণমূল নেতা খুনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিজেপি-র ছোড়া গুলিতে এক তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে। শুক্রবার রাতের ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাপানউতর শুরু হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। গভীর রাতে খড়দহে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন। মৃত রণজয় শ্রীবাস্তব ব্যারাকপুর লোকসভায় তৃণমূলের হিন্দি সংগঠনের সম্পাদক। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক ও তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরীর অভিযোগ, খুনের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম রণজয় শ্রীবাস্তব। তিনি গাড়ি নিয়ে খড়দহের বিটি রোড ধরে টাটা গেটের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, তখনই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারপর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি এবং বোমা ছুড়তে শুরু করে। গুরুতর জখম হন রণজয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতএ নিয়েই রাজনৈতিক তরজা বেধেছে তৃণমূল-বিজেপিদুই দলের মধ্যে। তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরী এই ঘটনার পিছনে বিজেপিকে দায়ী করেছেন। আবার উল্টো দিকে বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তারই পাল্টা অর্জুন সিং বলেন, প্রশান্ত চৌধুরীর বয়স হয়ে গিয়েছে। এর জন্য কেসটা ঘোরানোর চেষ্টা করছে। পশ্চিমবাংলায় ১৮২ জনের ওপর বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। কালকেই সোদপুরে জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়েছে। কাজল সিনহার অনুগামীরা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করেনি। এটা পুরোপুরি ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের লড়াই। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, খড়দহের বাগদিপাড়া এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মোট চার রাউন্ড গুলি চলে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

BJP: ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

ঠিক যেন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য। দরজা ভেঙে অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনার জেরে মধ্য কলকাতার বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে তাঁর বাড়ির দরজা ভেঙে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুরো পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুলকালাম অবস্থা বেধে যায়।স্থানীয় সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবস পালন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাতে বিশাল সিং নামে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় একটি ক্লাবের উপরেও হামলা চালানো হয়। এর জেরে সজলের নেতৃত্বে মুচিপাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূল সমর্থকেরাও পাল্টা বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। থানার মধ্যেই দুতরফের বাদানুবাদ হয়। শুক্রবার সকালেও দুদলের সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূলের অভিযোগ, দলের স্থানীয় এক যুবনেতার স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে সজলের সঙ্গীরা। পুলিশ সূত্রের খবর, সজল এবং তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও ইভ টিজিং-এর দুটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ খারিজ করেছেন সজল এবং বিজেপি। আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদশুক্রবার দুপুরে মুচিপাড়া থানার পুলিশকর্মীরা সজলের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন। মুচিপাড়া থানার ওসি জানলা দিয়ে সজলকে বাড়ির বাইরে আসার কথা বললেও তিনি রাজি হননি। উল্টে তিনি পুলিশের উদ্দেশে বলেন, দরজা ভাঙুন। এর পর পুলিশকর্মীরা লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভেঙে ফেলে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় সজলকে। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সজলের বাবা প্রদীপ-সহ পরিবারের সদস্যেরা। একদা কংগ্রেস এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের নেতা প্রদীপ কলকাতা পুরসভার বিরোধী দলনেতা এবং মেয়র পারিষদ পদে ছিলেন। সজলের গ্রেপ্তারির পরে প্রদীপ বলেন, শ্লীলতাহানি করেছে তৃণমূল। মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সজলকে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: ফের মুকুলের মুখে বিজেপি! নতুন কোন ইঙ্গিত দিলেন?

কৃষ্ণনগরে আবারও নির্বাচন হলে তিনিই জিতবেন। তবে তৃণমূলের টিকিটে নয়, বিজেপির টিকিটে লড়লেই জিতবেন। শুক্রবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বললেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বারবার তাঁর মুখে চলে আসছে বিজেপির নাম। এটা কেন, প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মুকুল বলেন, বিজেপির কাছে প্রশ্ন করা হলে, তার হিসাবেই উত্তর পাবে। অন্য রাজনৈতিক দলের কাছে প্রশ্ন করলে, সে জবাব দেবে। আমি বিজেপি দল হিসাবে বলেছি। আমি এখন স্বাভাবিকভাবে পুরোপুরি তৃণমূলে আছি।আরও পড়ুনঃ শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার জামাই এদিন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির দ্বিতীয় দিনের বৈঠক ছিল। বৈঠক শুরু হওয়ার ৩৬ মিনিট পর তিনি পৌঁছন। ১.৩০ নাগাদ তিনি বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কৃষ্ণনগর থেকে দাঁড়ালে জিতবেন কী না প্রশ্ন করা হলে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, আবারও বিপুল ভোটে জিতব। তবে বিজেপির টিকিটে দাঁড়াতে হবে। তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ালে কী হবে, সেটা মানুষ ঠিক করবে।বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, যিনি বঙ্গ রাজনীতিতে পরিচিত চাণক্য নামে। তাঁর এই মন্তব্যের পিছনে গূঢ় কোনও মানে রয়েছে কি না তা খোঁজার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা।। তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেবলই কৌতুক করতেই তাঁর এই উক্তি, নাকি এর পিছনে লুকিয়ে অন্য সমীকরণ, তা বোঝার চেষ্টা করছেন সকলেই।ত্রিপুরা ইস্যুতেও মুকুল এদিন মুখ খোলেন। সেখানে যা হচ্ছে, তা অন্যায়। তৃণমূল সেখানে ভালো ফল করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Pandaveshwar: চরম বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন বিধায়ক, ধুন্ধুমার পান্ডবেশ্বরে

অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁকে কার্যত গালিগালাজ করে হেনস্তা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি। যদিও তৃণমূল এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ। প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড ঘটে যায় পান্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহিতে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরঅসুস্থ বিজেপি কর্মী সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করতে বুধবার খোট্টাডিহি যান জিতেন্দ্র তেওয়ারি। অভিযোগ, তখন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা জিতেন্দ্র তিওয়ারির নাম করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। একইসঙ্গে সোনালী গিরির বাড়ির বাইরে স্লোগান দেয়। সোনালী গিরির বাড়িতে পাথর ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করার পর বেরিয়ে আসার সময় তৃণমূল সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারির।জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, একজন ব্যক্তির খারাপ সময়ে তাঁর খবর নেওয়া কি অপরাধ? একজন নাগরিক হিসেবে আমি যে কোন জায়গায় যেতে পারি। জিতেন্দ্রবাবু জানান, সম্প্রতি সেনালী গিরির টিউমারের অস্ত্রোপচার হয়েছে। আমি সোনালী গিরির বাড়িতে গিয়ে মানবিক ভাবে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিলাম। এটাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা ভুল। এখানে আসা নিয়ে একদিন আগে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, পুলিশের উপস্থিতিতে নিন্দনীয় কাজ করে তৃণমূলের লোকেরা। জিতেন্দ্র তিওয়ারির হুঁশিয়ারি, ভয় দেখিয়ে আমাকে আটকানো যাবে না। আমি যখন খুশি আমার দলের কর্মীদের সাথে দেখা করতে পারি।আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবিরপাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানান, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সোনালী গিরি নামে পাণ্ডবেশ্বরের ওই বিজেপি কর্মী একসময় চাকরি দেওয়ার নাম করে লোকের কাছে টাকা নিয়েছিলেন। আজ এলাকার মানুষজন তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তখন প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মানুষ তাঁর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনেও যোগ নেই।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজনীতি

Manoranjan Bapari: বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবির

ফেসবুক পোস্ট থেকে বিরাম নেই বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর। তাঁর সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার পোস্ট অস্বস্তিতে ফেলছে দলকে। এমনকী জনপ্রিয় স্লোগান খেলা হবে তুলে ধরে সরাসরি তিনি বিঁধেছেন বলাগড়ের দলীয় নেতৃত্বের একাংশকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ দলের কেউ কেউ। রিক্সাচালক সাহিত্যিকের এমন ফেসবুক পোস্ট দেখে মুচকি হাসছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির হাতে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত এবং শয্যাশায়ী তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ কিছুতেই বিধায়কের খেলা হবে মানতে পারছেন না।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবলাগড়ের তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এনেছে। তাঁর আক্রমণের তিরে প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক অসীম মাঝি, হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ককে নির্বোধ বলতেও ছাড়েননি, গদ্দার ও বেইমান তকমা তো রয়েছে! বিধায়ক বলেছেন, যাঁরা ভেবেছিলেন লোকসভা ভোটে ৩৬ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা আসনে আমি হারব, আমি জেতায় তাঁরা সহ্য করতে পারছেন না। তাঁরা ভোটের সময় কাজ করেনি, বরং অন্য প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেছে। আমি দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে গোটা বিষয় জানিয়েছি। বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট দেখে তৃণমূল কর্মীরাও বিভ্রান্ত।জিরাট কলেজের সামনে ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির নীচে অসীম মাঝি ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। জানা গিয়েছে, ওই ফ্লেক্স সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন বিধায়ক। তা সরিয়ে শৌচাগারের কাছে রাখা হয়। তা দেখে দলনেত্রীকে অসম্মানের অভিযোগে অধ্যক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। পরে ফের তা লাগানো হলেও তৃণমূল নেতৃত্বই পরে গিয়ে ফ্লেক্সটা খুলে নেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিধায়ক। যদিও তাঁর প্রচারে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেই সরব হয়েছে দলের একাংশ। সাধারণ কর্মীদের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কীভাবে মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সমর্থনে দিন-রাত খেটেছেন অসীম মাঝি, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে গতকাল ফেসবুক পোস্টে মনোরঞ্জন ব্যাপারী লিখেছিলেন, যারা বন্দুক রিভলবার দেখিয়ে ভোটে জেতে তাদের জনগনের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা থাকে না । তাঁরা মনে করে ওইভাবে বার বার জিতে যাবে। আমি তেমন ভাবে জিতি নি, জিততে চাই না। আমি জিতেছি মা মাটি মানুষের নেত্রী দিদি মমতা ব্যানার্জীর আশীর্বাদ আর আপনাাসায়। একাংশ মনে করছে বিধায়কের এই পোস্ট বিজেপির অভিযোগকে শক্ত করেছে। কারা বন্দুক, রিভলবার নিয়ে ভোটে জয়ী হয় সেই প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ভোটের সময় বন্দুক দেখিয়ে নমিনেশনে বাধাদানের কথা বিধায়ক লিখেছেন ফেসবুকে। যদিও বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে কিছু বলতে রাজি নন শান্তনু এবং প্রাক্তন বিধায়ক অসীম মাঝি। বিরোধীদের কটাক্ষ, বলাগড়ে বহিরাগত বিধায়ক হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তৃণমূল। তাঁর দলে থাকা নিয়েই সংশয়ে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেদলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোচ্চার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ। ভোটের ফলপ্রকাশের পর বাপ্পা ঘোষ, তাঁর ভাই বাপন-সহ জনা পঁচিশ তৃণমূল কর্মীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। বাপ্পার পেটে ছুরি চালানো হয়, বাপনের কাঁধে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। থানায় যে এফআইআর দায়ের হয় তাতে সাত নম্বরে নাম রয়েছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বেচু নায়েকের। বেচুবাবু মনোরঞ্জন ব্যাপারীর বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করছেন! বাপ্পা ঘোষ জানান, তার উপর হামলার পরদিন বিধায়ক বাড়িতে এসেছিলেন। তারপর আর খোঁজ নেননি। সেদিন রাতে বিধায়ককে ফোনে পাইনি। বিধায়কের সঙ্গী শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন ধরে বলেছিলেন, দেখছি। তখন রাত ১১টা। কিন্তু হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপদে তাঁকে ছাড়া কাউকে পাশে পাইনি। তিনিই প্রথমে চুঁচুড়া ও পরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করান, প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা মিটিয়ে প্রাণ রক্ষা করেছেন। নাহলে কী যে হত! বাপ্পার বক্তব্য, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের কয়েকজন আমার পরিবারকে দেখছেন। এখনও আমি অসুস্থ। অথচ আক্ষেপ যে মণ্ডল সভাপতি অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে পুলিশ পর্যন্ত যায়নি। কেন যায়নি সেটা আজ তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে বুঝছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
দেশ

RajyaSabha: রাজ্যসভায় হুইপ জারি বিজেপির

বাদল অধিবেশনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তার আগেই হুইপ জারি করল বিজেপি। আজ ও আগামিকাল অর্থাৎ ১০ ও ১১ অগস্ট বিজেপির রাজ্যসভার সব সাংসদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। কোনও এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে হুইপে। সোমবারই এই সংক্রান্ত তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করা হয়েছে।সোমবার একটি নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজ্যসভার সব বিজেপি সাংসদকে জানানো হচ্ছে, মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তাই মঙ্গলবার ও বুধবার রাজ্যসভার সব বিজেপি সাংসদকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। সরকারকে সমর্থন করার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে সাংসদদের। গত ১৯ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরু হয়। এ বার অধিবেশনের শুরুর দিন থেকেই বিরোধীদের বিক্ষোভে বারবার উত্তাল হয় সংসদের উভয় কক্ষই। পেগাসাস থেকে কৃষি বিল বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয় বিরোধীরা। এমনকী, নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরিচয় করাতে গিয়েও বাধা প্রাপ্ত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৩ অগস্ট সেই অধিবেশন শেষ হয়ে যাচ্ছে। তার আগে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন্দ্র সামনে আনতে চাইছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জটএ দিকে, গতকালই রাজ্যসভায় পেগাসাস নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট। সোমবার সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যে ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও-র সঙ্গে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি কেন্দ্রের। এ দিন রাজ্যসভার অধিবেশনে পেগাসাস প্রসঙ্গ তোলেন সিপিএম সাংসদ ভি শিবদাসন। তিনি জানতে চান, কেন্দ্রের সঙ্গে পেগাসাস প্রস্তুতকারক সংস্থা এনএসও-র কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা। সেই প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট স্পষ্ট জানান, ইজরায়েলি সংস্থার সঙ্গে কোনওরকম আর্থিক লেনদেন হয়নি কেন্দ্রের। এই প্রথমবার কেন্দ্রের তরফ থেকে আড়িপাতার ঘটনায় কোনও স্পষ্ট জবাব দেওয়া হল।

আগস্ট ১০, ২০২১
কলকাতা

Torch Rally: বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালাম

বিজেপির মশাল মিছিল ঘিরে বিকেল গড়াতেই জায়গায় জায়গায় শুরু উত্তেজনা। ৯ অগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী বিজেপির বাংলা বাঁচাও সপ্তাহ উদযাপন কর্মসূচি রয়েছে। প্রথম দিনই ছিল মশাল মিছিল। মুরলীধর সেন লেন, ভবানীপুরে এই মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে। বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে মিছিল বেরোতেই করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এরপরই শুরু হয় গোলমাল। বিজেপি অফিসের সামনে থেকে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।করোনা পরিস্থিতির কারণে মশাল মিছিলে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। বিজেপির দপ্তরের সামনে সে সংক্রান্ত পোস্টারও লাগানো হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। অভিযোগ, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মশাল হাতে পথে নামেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন লেন থেকে মশাল মিছিল এগোতে পারেনি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি পর্যন্ত এই মিছিলের গন্তব্য হলেও শুরুর আগেই তা থেমে যায়। আটদিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচির প্রথম দিনই ধাক্কা বিজেপি কর্মীদের।আরও পড়ুনঃ আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রীপরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপি কর্মীদের সামলাতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন হয়। পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগেনোর চেষ্টা হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় পুলিশের। পরে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বরে মাটিতে বসে পড়ে বিক্ষোভে সোচ্চার হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।এদিকে, পুলিশ মিছিল আটকানোয় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল, পুলিশ দিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এরই পাশাপাশি এদিন বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় ভবানীপুরেও। মশাল মিছিল করতে আগেভাগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিল শুরুর আগেই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ।মিছিল শুরুর চেষ্টা হলেই পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলাতেও এদিন বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্তের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয় ঘোলায়। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় বিজেপি নেতৃত্বের।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Tripura TMC: মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, উত্তপ্ত ত্রিপুরা

মহামারী আইনে শনিবার রাতে তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। দেবাংশু, জয়াদের আজ আদালতে পেশ করবে পুলিশ। এদিকে শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। এবার আজ, রবিবার ফের ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের হুঁশিয়ারি, পারলে আটকান। তৃণমূলের অভিযোগ, শনিবার তাদের যুব কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে ত্রিপুরায়। উল্টে দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের অভিযোগকে নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। আজ আবার উত্তপ্ত হতে পারে ত্রিপুরা।আরও পড়ুনঃ বিপ্লব করতে আজ ত্রিপুরায় যাচ্ছেন অভিষেকত্রিপুরা অভিযান শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেই ত্রিপুরা যাতায়াত শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার এই বাংলা থেকে ত্রিপুরা যাতায়াত করাকে বহিরাগতদের ত্রিপুরা আগমন বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। এরাজ্যে সর্বভারতীয় বিজেপি নেতাদের আসাকে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াএর আগে অভিষেক ত্রিপুরায় যাওয়ার দিন ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। অভিষেকের যাতায়াতের রাস্তায় পথ অবরোধ, তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তো ছিলই। তাছাড়া ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের গাড়িতেও বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ত্রিপুরার গনতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। যদিও বিজেপির বক্তব্য ছিল পুরো ঘটনা সাজানো। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গের তুলনা টেনে এনেছেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টিএদিকে গতকাল ত্রিপুরার আমবাসার রাস্তায় তৃণমূলের যুব নেতৃত্ব দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের ওপর বিজেপি হামলা করেছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল। বোমা, গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে আজ পরশি রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূলের যুবরাজ। ফের রাতেই খবর আসে ১১ জন তৃণমূল যুব নেতাকে গ্রেফতার করেছে মহামারী আইনে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজনীতি

BJP: বিজেপির 'সিলেবাস' থেকে বাদ পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী! কেন?

শুক্রবার বিকালেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে। তখনই বোঝা গিয়েছিল, রাজীব এবার বিজেপিকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। সেই জন্যই তৃণমূলের দরজা তাঁর জন্য খুলুক আর নাই খুলুক, রীতিমত প্রকাশ্যে নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে চূড়ান্ত ঝুঁকি নিয়ে তিনি এসেছিলেন অভিষেকের কার্যালয়ে। রাজীবের এই পদক্ষেপ দেখে বিজেপিও মোটামুটি তাঁর মনের ইচ্ছার আঁচ পেয়ে গিয়েছিল। শনিবার থেকেই তাই বঙ্গ বিজেপিতে রাজীবকে ক্লোজড চ্যাপ্টার হিসাবেই দেখা শুরু হয়ে গেল। আরও পড়ুনঃ ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন, বিপত্তি পূর্বস্থলীর গ্রামেতবে শুধু রাজীব নয়, দলের আরও যে সব নেতা বিজেপিতে থাকবেন না, তৃণমূলে ফিরে যাবেন, এই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন তাঁদেরকেও কার্যত দলে ক্লোজড চ্যাপ্টার করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিজেপির সিলেবাসে নেই। বঙ্গ বিজেপির সিলেবাস থেকে মুছে গিয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। এমনকী, ভবিষ্যতে তিনি যদি ফিরেও আসতে চান বিজেপিতে, তবুও তাঁর ঠাঁই হবে না দলে। আর এখানেই রাজ্য রাজনীতির অনেকেই চিন্তিত। যদি শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব রাজীবের জন্য দলের দরজা না খোলারই সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন তাহলে সন্দেহ নেই তা হবে রাজীবের রাজনৈতিক কেরিয়ারের একদম ফুলস্টপ।এমন জল্পনাও ইতিউতি শোনা যাচ্ছে যে রাজীবকে দলে ফিরিয়ে এনে তাঁকে ত্রিপুরার দায়িত্ব দিতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। বলাই বাহুল্য, গোটা বিষয়টিই রয়েছে জল্পনার স্তরে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

CM letter to PM: ফের একবার মোদিকে চিঠি মমতার, কী বললেন চিঠিতে?

কেন্দ্র পর্যাপ্ত টিকা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মমতা অভিযোগ করেছেন, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যদিকে টিকাকরণের গতি ভাল হলেও চাহিদার তুলনায় বাংলা অনেক কম টিকা পাচ্ছে বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারতবৃহস্পতিবার চিঠিতে মমতা লেখেন, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, কর্নাটকের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি পরিমাণে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যান্য রাজ্য বেশি টিকা পেলে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাংলাকে বঞ্চিত হতে দেখে আমি চুপ করে থাকতে পারব না। মমতা আরও অভিযোগ করেছেন, টিকার জোগানে ঘাটতি নিয়ে বার বার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দিল্লি সফরে গিয়েও টিকার প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিন্তু কোনও জবাব পাননি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে সংক্রমণ বাড়ায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রাজ্যগুলিকে পর্যাপ্ত টিকা না পাঠানোর ফলেই প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, বাংলায় এই মুহূর্তে প্রতি দিন ৪ লক্ষ টিকাকরণ হচ্ছে। রাজ্য প্রতিদিন ১১ লক্ষ টিকা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু সেই তুলনায় অনেক কম টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩ কোটি ৮ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম টিকা পেয়েছেন ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে টিকা সব থেকে কম নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য ১৪ কোটি টিকা প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র মাত্র ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

BJP: ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ

ফের রাজ্যে ঝুলন্ত বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। বীরভূম জেলার খয়রাশোল থানার অন্তর্গত হজরতপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, বিজেপির বুথস্তরের কর্মী ইন্দ্রজিৎ সূত্রধর হজরতপুর পঞ্চায়েতের ৪৬ নম্বর বুথের সভাপতি ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলছিল পরিত্যক্ত বাড়িতে। গলায় ফাঁস দিয়ে ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে খয়রাশোল থানার পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, এগরা বিধানসভার কসবা এগরা অঞ্চলের হরিপুর বুথের বিজেপি কর্মী তপন খাটুয়াকে রাতের অন্ধকারে ডেকে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। গতকাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ তাঁর দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Babul Supriyo: নাড্ডার কথায় মত বদল বাবুলের

থাকবেন না কি ছাড়বেন, এই নিয়ে ২ দিন টানাপড়েন ভালই চলছিল। অবশেষে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হল। রাজনীতি ছাড়লেও সাংসদ পদ ছাড়ছেন না বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংসদ হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করার কথা জানালেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসিনি। তবে এখনই ইস্তফা দিচ্ছি না। বিকল্প আয় না থাকায় বাবুল সাংসদ হিসেবে তাঁর বেতন এবং ভাতা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতসোমবার রাতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর বাড়িতে বাবুলের সঙ্গে বৈঠকে করেন। রাত ৮ নাগাদ বাবুল নিজেই গাড়ি চালিয়ে নড্ডার বাড়িতে পৌঁছন। বিজেপি সূত্রের খবর, বাবুলের মান ভাঙাতেই হয় বৈঠক। বৈঠকের পর অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেন বাবুল। পাশাপাশি সাংসদ হিসেবে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, সাংসদ হিসেবে আমার সাধ্যমত আসানসোলের মানুষের সেবা করে যাব।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালশনিবার বাবুল প্রথমে রাজনীতি ছাড়ছেন ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন অন্য কোনও দলেই তিনি যোগ দিচ্ছেন না। এর পরে তিনি কেন সাংসদ পদ ছাড়ছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে চান, উনি কি ইস্তফা দিয়েছেন, খোঁজ নিন। এর পরে পরেই বাবুল নিজের ফেসবুক পোস্ট এডিট করে জানান, তিনি খুব তাড়াতাড়ি ইস্তফা দেবেন। মন্ত্রী ও সাংসদ হিসেবে পাওয়া দিল্লির বাড়িও ছেড়ে দেবেন। শনিবার রাতেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডার ডাকে দলের সদর দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বাবুল। সূত্রের খবর, তিনি নাড্ডাকে দল সম্পর্কে নিজের ক্ষোভের কথা জানান। বিজেপি সূত্রের খবর, এরপর মন্ত্রিত্ব হারানো বাবুলের ক্ষোভ প্রশমনে রবিবার সক্রিয় হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন অমিত শাহ। নাড্ডা বাবুলকে সোমবার আলোচনার জন্যও ডাকেন। সেই ডাকে সাড়া দেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুএদিকে, বাবুল সাংসদ পদে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষে ফের তাঁর বিরুদ্ধে নাটক করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, পুরোটাই কাঁচা হাতের চিত্রনাট্য। কী ঘটতে চলেছে, তা আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল।

আগস্ট ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal