• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP Candidate,

রাজ্য

জন্মের আগেই মাধ্যমিক! নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হলফনামা নিয়ে এবার আদালতে প্রশ্ন

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের নির্বাচনী হলফনামা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর বয়স এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। বুধবার কলকাতা হাই কোর্টে বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মামলা দায়েরের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে হাসিরানি রথের নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হলফনামায় তাঁর বয়স ৬০ বছরের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই নথিতে ১৯৬৫ সালে চৌখালি গঙ্গা পদ্মা মিলন কন্যা বিদ্যাপীঠে দশম শ্রেণিতে পড়ার তথ্য রয়েছে। এই দুই তথ্যের মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য রয়েছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী ঋজু ঘোষাল আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি করেন, হলফনামায় জন্ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এমন তথ্য রয়েছে যা পরস্পরের সঙ্গে মেলে না। তাঁর বক্তব্য, বয়সের হিসাব অনুযায়ী ১৯৬৫ সালের কাছাকাছি হাসিরানি রথের জন্ম হয়ে থাকলে, সেই একই বছরে কীভাবে তিনি দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন বা মাধ্যমিক পাশ করেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।শুধু বয়স এবং পড়াশোনার সাল নয়, সংশ্লিষ্ট স্কুল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কংগ্রেসের দাবি, চৌখালি গঙ্গা পদ্মা মিলন কন্যা বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে এবং সেই সময় সেখানে দশম শ্রেণির পাঠদানের সরকারি অনুমোদন ছিল না। পরবর্তী সময়ে দশম শ্রেণির অনুমোদন পাওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। ফলে ১৯৬৫ সালে ওই স্কুলে দশম শ্রেণির পড়াশোনা কীভাবে সম্ভব হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।এর আগে মঙ্গলবারই প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে হাসিরানি রথের হলফনামার তথ্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, নথিতে থাকা বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছিল।তবে বিজেপি এই অভিযোগ মানতে নারাজ। বিজেপির বক্তব্য, হাসিরানি রথ ১৯৮০ সালে দশম শ্রেণিতে পড়তেন। হলফনামায় যে তথ্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা ছাপার ভুলের কারণে হয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। তাঁর জন্মের শংসাপত্রও প্রকাশ্যে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজেপি, যেখানে জন্মতারিখ ১৯৬৫ সালের ৮ জুন বলে উল্লেখ রয়েছে।হাসিরানি রথের নির্বাচনী দফতরের তরফেও দাবি করা হয়েছে, তিনি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় থেকেই সেই সময়ের ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, তখন পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষা চালু হয়নি এবং ওই স্কুলের দশম শ্রেণির তথ্য পুরনো শিক্ষাব্যবস্থার প্রেক্ষিতে দেখা প্রয়োজন। হলফনামায় দেওয়া তথ্য স্কুল থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।এখন কলকাতা হাই কোর্টে এই বিষয়টি নিয়ে কী শুনানি হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। হাসিরানি রথের হলফনামায় থাকা বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যের মধ্যে সত্যিই কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কি না, নাকি এটি নথিগত বা মুদ্রণগত ভুলতা আদালতের শুনানিতে আরও স্পষ্ট হতে পারে।নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে এই বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। তবে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা কোনও সরকারি তদন্তের ফল সামনে না আসা পর্যন্ত হলফনামার তথ্য নিয়ে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে শেষ মুহূর্তের চমক! প্রয়াত চন্দ্রনাথের মাকেই প্রার্থী করছে বিজেপি?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে হাসি রানি রথের নাম ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসি রানি রথ আজ মনোনয়ন জমা দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই তাঁর নামে পোস্টার পড়েছে। সূত্রের খবর, মনোনয়ন ঘিরে বড় কর্মসূচিরও প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ছেড়ে এসেছেন, সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। ফলে শুরু থেকেই এই কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা ছিল। বিজেপির তরফে একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসি রানি রথের নাম নিয়েই সবচেয়ে বেশি জল্পনা ছিল। সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হতে চলেছে।জানা গিয়েছে, আজ মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নন্দীগ্রাম বিধানসভার জানকীনাথ মন্দিরে পুজো দেবেন হাসি রানি রথ। ইতিমধ্যেই দলের কর্মী-সমর্থকেরা সেখানে জমায়েত হতে শুরু করেছেন। পুজোর পর প্রায় ২০ হাজার কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে মিছিল করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। হলদিয়ার কদমতলা মোড় থেকে জেলা শাসকের দফতর পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।দলের তরফে আস্থা রাখায় খুশি হাসি রানি রথ। তিনি জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন। এর আগে একটি সাক্ষাৎকারেও তিনি জানিয়েছিলেন, দল যদি তাঁকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেয়, তা হলে তিনি সেই দায়িত্ব যথাসাধ্য পালন করবেন।তখন হাসি রানি রথ বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের পরিবারের অভিভাবক। তিনি কোনও গুরুদায়িত্ব দিলে তা মাথা পেতে নেবেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি রাজনীতিতে রয়েছেন। দুবার পঞ্চায়েত সদস্য এবং তিন বার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন।নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরএই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ইতিমধ্যেই কালীঘাট তৃণমূল, ঋতব্রত তৃণমূল, বাম এবং কংগ্রেস নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে।নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন চাকরিহারা শিক্ষিকা সঞ্চিতা প্রধান দে। তাঁকে প্রার্থী করার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রামে লড়তে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় ইতি টেনে নতুন মুখের উপরেই ভরসা করেছে কালীঘাট তৃণমূল। অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক। বামেদের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই-এর শান্তিগোপাল গিরিকে।এই পরিস্থিতিতে বিজেপির তরফে হাসি রানি রথের নাম সামনে আসায় নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের লড়াই আরও জমে উঠেছে। যদিও দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা এখনও রয়েছে। আজকের মনোনয়ন এবং তার আগে বড় মিছিলের দিকে তাই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে চাঞ্চল্য, প্রাণনাশের হুমকি বিজেপি প্রার্থীকে

ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, তার আগেই বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রচারে বেরোনোর সময় তাঁকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনি বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও বিষয়টি জানিয়েছেন।বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই প্রচারে বেরিয়েছিলেন শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা এলাকায় প্রচার শেষে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর কাছে একটি ফোন আসে বলে অভিযোগ। ফোনে এক ব্যক্তি নিজেকে দীপ্তেশ দে বলে পরিচয় দেয়। এরপরই ওই ব্যক্তি অশালীন ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন এবং শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। এরপরই তিনি স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানান এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এবং অবস্থান খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র, যিনি বাদল নামে পরিচিত, এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের এই ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা বসিরহাটে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে নতুন মোড়! বিজেপির প্রার্থী অভয়ার মা, উত্তাল সোশ্যাল মাধ্যম

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। পানিহাটি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হল অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম। বুধবার সন্ধ্যায় দলের তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। মোট ১৯ জনের এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক দেখা যায় পানিহাটি কেন্দ্রে। অভয়ার মাকে প্রার্থী করে আর জি কর ঘটনার আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটে সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।দিল্লির নির্ভয়ার ঘটনার সঙ্গে মিল রেখে আর জি করের নির্যাতিতার নাম দেওয়া হয়েছিল অভয়া। সেই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন তাঁর পরিবার। নির্ভয়ার মায়ের মতো তিনিও রাজনীতির বাইরে থাকেননি। অভয়ার মা এবং বাবা বিজেপিতে যোগ দেন। গত সপ্তাহে পানিহাটির বাড়িতে তিনি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, মেয়ের জন্য সুবিচার পেতে তিনি ভোটে লড়বেন।তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। অন্য দলগুলি তাঁদের বিষয়টি নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সুবিচার পাওয়া যাবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এই মন্তব্যের পরই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই অভিযোগ করেন, মেয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।শুধু বিরোধীদের মধ্যেই নয়, বিজেপির অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল বলে খবর। দলের একাংশের মত ছিল, অভয়ার মা নিজে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, তাঁকে প্রার্থী করলে খুব বেশি রাজনৈতিক লাভ হবে না। কারণ এই ঘটনা শুধু একটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, গোটা রাজ্যের বিষয়।দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে সমস্ত বিতর্কের মাঝেই শেষ পর্যন্ত বিজেপি তাঁকেই প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার প্রকাশিত তালিকায় পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম ঘোষণার পর নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে ইঙ্গিতে সমর্থন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বলেন, বিজেপি প্রার্থীর নাম আগে জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলে ভালই হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা রেরে করে উঠেছেন। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের প্রার্থী হেরে যাবেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন মন্তব্য করেছেন।রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থী হয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধীদের যৌথ প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল। পরে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকেই লড়াইতে মনোনীত করে।আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করে জঙ্গলমহলে প্রচারও শুরু করে দেয় বিজেপি। গেরুয়া শিবির যে আদিবাসীদের জন্য চিন্তাভাবনা করে সেকথা প্রচার হতে থাকে। কিছুটা চাপে পড়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবিরের নেতারা। হুল দিবসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আদিবাসীদের পাশে সবসময় রয়েছে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মু জঙ্গলমহলে আসবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।এদিকে এদিন রথযাত্রার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলেই ভাল হত। এখন বিরোধীরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেটাই মানব। মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আদিবাসী, দলিত সকলেই আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০২, ২০২২
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত মগরাহাটের বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু

ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গণনা কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। সেই থেকেই অসুস্থ ছিলেন। অবশেষে বুধবার ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা ভোট পরবর্তী হিংসার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।আরও পড়ুনঃ হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র সিক্যুয়েল বানাচ্ছেন দেব?২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্র থেকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন মোল্লার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সহ- সভাপতিও ছিলেন মানস সাহা। চলতি বছরের মে মাসের ২ তারিখে ডায়মন্ড হারবার মহাবিদ্যালয়ের ভোট গননা কেন্দ্রে থেকে ফেরার পথে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন মানস সাহা সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক। সেই দিন থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। বুধবার সকালের দিকে আচমকা অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে পরিবারের সদস্যরা ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। সেখানেই বুধবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার পরিজন। পরিবারের সদস্য ও এলাকার বিজেপি নেতাদের দাবি তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণেই মৃত্যু হয়েছে মানস বাবুর। যদিও সে কথা মানতে চাননি গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজনীতি

BJP Candidate: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা

শেষমেশ ভবানীপুর উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। ওই কেন্দ্রে রাজ্য বিজেপি-র যুবনেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করল গেরুয়াশিবির।মমতার বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে একটা দোলাচল সৃষ্টি হয় দলের অন্দরে। বিজেপি-র অনেক বড় নেতাই মুখ ফিরিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যাঁদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তীও ছিলেন। কিন্তু তিনি মমতার বিরুদ্ধে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। ফলে কাকে দাঁড় করানো হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আইনজীবী প্রিয়াঙ্কাকেই প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল বিজেপি। যদিও প্রিয়াঙ্কাকে ওই পদে প্রার্থী করা হতে পারে বলে একটা জল্পনা চলছিল। ঘটনাচক্রে প্রিয়াঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। সেই জল্পনাকে সত্যি করেই নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির।আরও পড়ুনঃ ১৬ বছর বাদে দোষী সাব্যস্ত মূল অভিযুক্ত২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেয়াল। একসময়ে বাবুল সুপ্রিয় আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে এন্টালি থেকে প্রার্থী করা হলেও সেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। হাইকোর্টও তাতে মান্যতা দেয়। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করানো একপ্রকার পুরস্কারস্বরূপই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
কলকাতা

আক্রান্ত কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়

পঞ্চম দফার ভোটে অব্যাহত বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। এ বার আক্রান্ত হলেন কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-র অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রাজুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। এমনকী, বোমাবাজিও করে। এই ঘটনায় রাজু আহত হয়েছেন বলেও গেরুয়া শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে। রাজুর ইঙ্গিত, কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রই এই হামলার পিছনে রয়েছেন। যদিও এ সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শনিবারই নির্বাচন কমিশনের কাছে এই হামলার অভিযোগ করেছেন রাজু।বিজেপি সূত্রের খবর, শনিবার ভোট চলাকালীন বেলঘরিয়া ব্রিজের উপরে রাজুর গাড়িতে ইট মারা হয়। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় রাজুর গাড়ির সামনের দিকের কাচ ভেঙে গিয়েছে। রাজুর ডান হাতে চোট লেগেছে বলেও দাবি বিজেপি-র। ঘটনার পর রাজু বলেন, সকাল থেকে কামারহাটির ভোটে অশান্তি ছড়াচ্ছেন মদন মিত্র। তাঁর দাবি, বহিরাগতদের এনে এলাকায় হামলা করানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

বরানগরে পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলা

বরানগরে বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে বরানগর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সতীন সেন নগর এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলেন পার্নো-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বাইক নিয়ে রোড শো করার সে সময়ই তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালান বলে অভিযোগ।শনিবার পঞ্চম দফায় বরানগরে ভোট হবে। বুধবারই প্রচারের শেষ দিন। পার্নো হামলার ঘটনার পরে বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমাদের প্রচারে হামলা করেছে তৃণমূল।আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে আক্রমণ করা হয়েছে। মহিলাদের মারা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের তৃণমূল হুমকি দিচ্ছে, ২ মের পরে দেখে নেওয়া হবে।ঘটনার প্রতিবাদে বিটি রোড অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বরানগর থানায় বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি-র তরফে।বরানগরে পার্নোর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক তাপস রায় অবশ্য হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভোটে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে গিয়ে বিজেপি নাটক করছে। বরং ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি-র হামলায় আমাদের এক মহিলা নেত্রী আহত হয়েছেন।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

মনোনয়ন দিতে বাধা, কার্যালয়ে আত্মহত্যার হুমকি বিজেপি প্রার্থীর!

শ্লীলতাহানির মামলা চলায় গলসির বিজেপি প্রার্থীকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছিলেন দলের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। জোর করে ভোটের ময়দান থেকে সরানো হলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিলেন তিনি। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। অস্বস্তিতে পড়েছে দল।১৭ মার্চ বিজেপির তরফে পূর্ব বর্ধমানের গলসি বিধানসভা আসনের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় তপন বাগদির। স্বাভাবিকভাবেই এরপর পুরোদমে ভোটপ্রচারে নামেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ ২৬ মার্চ তপন বাগদিকে ডেকে পাঠান পূর্ব বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি ও বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তাঁর নামে শ্লীলতাহানির মামলা থাকায় তপনকে প্রার্থীপদ থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। তাঁর কথায়, বহু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ রয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও চলছে। তাঁরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে। আমি কেন পারব না।এই ঘটনার জেরেই আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তপন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা ঠিক মনে করেছেন বলেই আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্রকে চিঠিও পাঠিয়েছি। ২৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেব। ওই দিন যদি কোনও বাধা দেওয়া হয় বা শেষ পর্যন্ত আমাকে সরে যেতে বাধ্য করা হয় তবে জেলা কার্যালয়ে আত্মহত্যা করব।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজনীতি

প্রচারে 'গো ব্যাক' স্লোগান, ক্ষুব্ধ বাবুল

প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। দীর্ঘক্ষণ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও টুইট করে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাবুল।বৃহস্পতিবার রাতে নিজের এলাকা অর্থাৎ টালিগঞ্জে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। নিজের বিধানসভা এলাকার বহু মানুষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রচারের মাঝে ভবানীপুর এলাকার একটি ধাবায় চা খাওয়ার জন্য গাড়ি দাঁড় করান বাবুল। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলেন। গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।পাশাপাশি চলে তৃণমূলের স্লোগানও। একসময়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে এলাকা ছাড়েন বিজেপি প্রার্থী।শুক্রবার সকালে এই ঘটনার ভিডিও টুইট করেন বাবুল। সেখানেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র কোথায়? পাশাপাশি লেখেন, ২ মে সবকিছু শেষ হবে। খেলা নয়, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এবার উন্নয়ন হবে।

মার্চ ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal