• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Award

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ায় আকাদেমী পুরস্কার ফেরালেন বাংলার লেখিকা

বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আর তা জানার পরেই প্রতিবাদ স্বরুপ অন্নদাশঙ্কর সম্মামনা ত্যাগ করলেন বর্ধমানের খাগড়াগড় নিবাসী লেখিকা ও গবেষক রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায়।পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমিকে চিঠি পাঠিয়ে লেখিকা তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েও দিয়েছেন ।পাশাপাশি ২০১৯ সালে পাওয়া অন্নদাশঙ্কর সম্মামনা তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। লেখিকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি কবি ও সাহিত্যিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যদিও লেখিকা রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায় তাঁর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।এই বছরই প্রথম বাংলা আকাদেমির নামাঙ্কিত রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার দেওয়া চালু হয়। সমাজের অন্যান ক্ষেত্রে কাজের পাশাপাশি যাঁরা নিরলস সাহিত্য সাধনা করে চলেছেন তাঁদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা আকাদেমি।তারা বাংলার বেশ কাছু পথিতযশা সাহিত্যিকের মতামত নিয়ে কবিতা বিতান কাব্যগ্রন্থের জন্যে প্রথম বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার দেওয়ায় জন্য মনোনিত করেন। সোমবার ২৫ শে বৈশাখ উপলক্ষে রাজ্য সরকার আয়োজিত কবি প্রণাম অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বাংলা আকাদেমি রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার পাওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দবতরের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার বিষটি কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি লেখিকা ও গবেষক রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায়।তিনি ২০০৯ সালে ও ২০১৯ সালে আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন। মুসলিম বিয়ের গান সহ নানা বিষয়ে গবেষণা রয়েছে। অজস্র প্রবন্ধ ও গল্প লেখিকা রত্নাদেবীর ঝুলিতে রয়েছে ৩০ টি পুরস্কার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছেও ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন, যেভাবে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে তার একটা প্রতিবাদ দরকার। পাশাপাশি রত্নাদেবী এও বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লেখাগুলিকে তিনি সাহিত্য পদবাচ্য বলেই মনে করেন না। যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা কীভাবে এই সিদ্ধান্ত নিলেনে তা নিয়েও তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।এরপরেই তিনি জানিয়ে দেন ,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আকাদেমি পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদ জানাতে ২০১৯ সালে পাওয়া আকাডমি পুরস্কারটি তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে লেখিকা রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায় দাবী করেন, সোমবার মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কে আকাদেমি পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি। কারণ এতে পুরস্কারের গরিমা রক্ষিত হয়নি। তিনি মনে করেন, সাহিত্য সাধনার বিষয়। সেই সাহিত্য বিষয়ে কাউকে পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্তের বিষয়টি কোনওভাবেই রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে না।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক পেটের তাগিদে খুন্তি ধরেছেন

তিনি ২৭ বছর ধরে নাটকের সঙ্গে যুক্ত। কাটাকুটি, চিলেকোঠা-র মতো ছবি নির্মাণ করেছেন। চিলেকোঠা ছবিতে অভিনয় করেছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসু, ঋত্বিক চক্রবর্তীর মতো তারকারা। সিডনি চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয় তাঁর এই ছবি। সেই পরিচালক প্রেমাংশু রায়ের জীবন এখন অন্ধকারে ঢাকা। করোনায় সংসার সামলাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁকে। বাধ্য হয়ে নিজের চেনা গণ্ডী থেকে বেরিয়ে ফাস্ট ফুড এর দোকান খুললেন তিনি।বেহালার বাগপোতা রোডের এই ফাস্ট ফুডের দোকানের নাম সূচক ফুড কর্নার। প্রেমাংশুর ৮ বছরের ছেলে সূচকের নামে এই ফাস্ট ফুডের দোকান খুলেছেন তিনি। পয়লা বৈশাখের দিন উদ্বোধন হয়েছে সূচক ফুড কর্ণার। প্রেমাংশু লিখেছেন, বেহালা, সরশুনা, বাগপোতা রোডে, নিউ ভিস্তা অ্যাকাডেমি স্কুলের বিপরীতে তাঁর এই দোকান। জোম্যাটো ও সুইগি থেকে খাবার অর্ডার দেওয়া যাবে এখানে। এর আগে একটি পোস্টে বাংলা নাট্য জগত থেকেও নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রেমাংশু লিখেছিলেন, গত সাতাশ বছরে তিনি এই জগতে কোনও উন্নতি করতে পারেননি।ফাস্ট ফুডের দোকান খুললেও প্রেমাংশু জানিয়েছেন, আগামী দিনে তিনি নাট্য জগতে আবার পা রাখবেন। তাঁর এখন অনেক কিছুর জবাব দেওয়া বাকি। তাই জবাব দেবেন, তবে নিঃশব্দে। প্রেমাংশুর এই নতুন লড়াইয়ের জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে কেন আমন্ত্রণ জেটেনি? কী জানালেন শ্রীলেখা

সোমবার সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে জমকালো ভাবে শুরু হল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২৭তম বছরে পদার্পণ করল। গতবছর করোনা বিধিনিষধের কারণে এই উৎসব বাতিল করা হয়েছিল। তারকা-খচিত ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার তথাকথিত বিশিষ্ট শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, গৌতম ঘোষ এছাড়াও অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরত জাহান, শতাব্দী রায়, অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার, অভিনেত্রী ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সায়নী ঘোষ, সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়-সহ অন্যান্যরা।এবছর বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন সদ্য আসানসোল উপ-নির্বাচনে জয়ী তৃণমূল সাংসদ সস্ত্রীক শত্রুঘ্ন সিনহা। বিগত কয়েকবছর ধরেই কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সুরটা একটা অন্য মাত্রায় বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন বাংলার জামাই ভারতীয় চলচিত্রের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ ছিল এক সুত্রে বাঁধা চলচিত্র ইতিহাসের মালা। চলচিত্র সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞ্যান না থাকা ব্যাক্তিও ভারতীয় চলচিত্রের ইতিহাস অবলীলায় গলধকরণ করে ফেলতে পারতেন। এবছরের অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না, ছিলেন না বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসাডার শাহরুখ খান।মে মাসের প্রথম দিন পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র উৎসব। চল্লিশটি দেশের মোট ১৬৩টি চলচিত্র দেখানো হবে শহরের ১০টি প্রেক্ষাগৃহে। ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ফোকাস কান্ট্রি ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের সাতটি ছবি এবারের উৎসবে দেখানো হবে। এছাড়াও ভারতবর্ষের স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী পূর্তির জন্য কয়েকটি বিশেষ ছবি রাখা হয়েছে।  চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শতবর্ষ উপলক্ষে সম্মান জানানো হচ্ছে দুই কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায় ও চিদানন্দ দাশগুপ্তকে।ভেনিস চলচিত্র উৎসবউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতার খ্যাত / অখ্যাত চিত্র ও টেলিভিশন দুনিয়ার নামী বা উঠতি অভিনেতা অভিনেত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি শ্রীলেখা মিত্র। নব্বইয়ের দশকে যাঁর অভিনয় যাত্রা শুরু, প্রচুর জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়ালে তিনি সাফল্য ও যোগ্যতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। একাধিক পুরস্কারের বিজয়িনী শ্রীলেখা ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে গেছেন। কিন্তু তাঁর প্রাণের শহর মনের শহরে অনুষ্ঠিত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ-ই পেলেন না শ্রীলেখা! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী- লিখেছেন এটা কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? প্রশ্ন অভিনেত্রীর।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব থেকে কোনও ইনভাইট আসেনি। এমনকি একটা ফোন পর্যন্ত না। এটা কি আমার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ান-এর কারণে না অন্য কোনও অজ্ঞাত কারণ আছে? টিএমসি সরকার কি ভিন্ডিক্টটিভ মাইরি! অভিনেত্রী জনতার কথা কে জানিয়েছেন তাঁর বামপন্থী মনোভাবাপন্নতার জন্যই সংগঠকরা প্রতিহিংশাপরায়ণ হয়ে তাঁকে ব্রাত্য করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি সেই ভাবে তোষামোদ করতে পারেন না বলেই তাঁকে কাজ দেওয়া হয় না। শ্রীলেখা জনতার কথা কে আরও বলেন, সমগ্র বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে শিল্পীর কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বা দেখা হয় না। সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত। কিন্তু এই চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চের মানুষজনকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে এটা তৃণমূল সরকারের প্রোগ্রাম।সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কোনও এক গুনাগ্রাহীর প্রশ্নের প্রত্যুত্তরে তিনি লেখেন যে আন্তর্যাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে উঠেছে তাঁর কাছে এই মঞ্চ...। তাঁর এই শ্লেষ থেকে এটুকু বুঝতে অসুবিধা হয় না, তিনি আমন্ত্রণ পেয়ে উপস্থিত হওয়ার থেকে তাঁর কাছে অনেক মূল্যবান তাঁর শিল্পী সত্তার সন্মান। কিছুদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে হেঁটে এসেছেন। যে চলচিত্র উৎসবকে বিশ্বের সেরা তিন চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে একটি ধরা হয়। তিনি নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা সিনেমার জন্য। আর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেই স্বনামধন্য অভিনেত্রীকেই তাঁর নিজের রাজ্যের চলচ্চিত্র উৎসবে নিমন্ত্রণ করা হল না!নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার ছোট বড় মাঝারি বহু তারকার দেখা মিললেও, শ্রীলেখার দেখা মেলেনি। শ্রীলেখা বরাবরই বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে চিত্র জগতের যখন ফুলমেলা চলছিল, কে কোন ফুল হাতে নেবে তাঁর প্রতিযোগিতা চলছিল, তখনও তিনি তাঁর মতাদর্শ আঁকড়ে কাস্তেকেই বেছে নিয়েছিলেন। শ্রীলেখা মিত্র ওই নির্বাচনে সারা বাংলা জুড়ে বাম শিবিরের হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি বরাবরই প্রতিবাদী, শ্রীলেখা টলি-ইন্ড্রাস্ট্রির স্বজনপোষণ ও নানা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও সরব হয়েছেন একাধিকবার। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হয় তো তারই মাশুল গুণতে হল অভিনেত্রীকে!

এপ্রিল ২৬, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল শচীন্দ্রলালের বাড়ি, সেখানেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা শচীন্দ্রলাল সিংয়ের বাড়ি, অরুন্ধতি নগরের বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং রাতে শচীনবাবুর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। মুজিব ও তাঁর সহকারীদের রান্না করে খাওয়াতেন শচীন্দ্রলালে-র ভগিনী হেমাঙ্গিনী সিং। শচীন্দ্রলাল এখনও ত্রিপুরার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছেন। উন্নয়নের কান্ডারী টানা ২৪ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং জন্মসুত্রে ভিন রাজ্যের হলেও, কার্যত তিনি ত্রিপুরার ভূমিপুত্রই। ত্রিপুরার রূপকার বললে অত্য়ুক্তি হবে না।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মুজিবর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধু নামে অধীক পরিচিত। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাও দেশবাসী অবগত রয়েছেন। পাকিস্তান ভেঙে নতুন দেশ গঠন না হলে এখন হয়তো অন্য ইতিহাস লেখা হত। কিন্তু একজনের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করতেই হবে, তিনি হলেন ত্রিপুরার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তথা টানা ২৪ বছর প্রশাসনিক প্রধান শচীন্দ্রলাল সিং। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের এদেশের ঘর ছিল শচীন্দ্রলালবাবুর বাড়ি। সেখানে থেকে যাবতীয় পরকল্পনা রচিত হত। তাছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শচীন্দ্রলাল সিং।স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়ার কারণে শচীন্দ্রলাল সিং ১৭ বছর ব্রিটিশ জেলে কাটিয়েছেন। ভারত সরকার স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভুমিকার জন্য ৯৭ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, অতুল্য ঘোষ, গোপিনাথ বড়দলুই, হরেকৃষ্ণ মহাতাব, প্রফুল্ল্য সেনেদের সাথে শচীন্দ্রলাল সিংও ছিলেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনসান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।শচীন্দ্রলাল সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ত্রিগুনা সেনকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন ত্রিপুরা থেকে। ওনার সঙ্গে ত্রিগুনা সেনের কথা ছিল কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে ওএনজিসি দেবেন। ত্রিগুনা সেনের ঠিকানা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ওই ডিমান্ড ফুলফিল করেছিলেন ত্রিগুনা সেন। শচীন্দ্রলাল সিংয়ের আমলেই রাজ্যে গোবিন্দ বল্লভ হাসপাতাল হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরায় বড় কোনও হাসপাতাল হয়নি। পাওয়ার প্রোজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কী হয়নি তখন পরশি রাজ্যে।বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সব থেকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল সিং। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন জেল থেকে বেরিয়ে শচীন্দ্রলাল সিংকে বাংলাদেশের ঢাকায় নিয়ে যান মুজিবর রহমান। সেখানে রেড কার্পেটে তাঁকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। মুজিবর রহমান শচীনবাবুর জন্য চেয়ার ছেড়ে দেন। তখন শচীনবাবু বলেছিলেন, এটা হয় না, আপনি বসুন। শচীন্দ্রলাল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্য়তম হোতা। মুজিবর রহমানের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। শচীন্দ্রলালবাবুর ছোট ছেলে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বাবার সৌজন্যে তাঁকে সোনার নৌকা দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। একসময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ত্রিপুরা, রাজ্য গঠন করার ক্ষেত্রেও অগ্রনী ভূমিকা ছিল শচীন্দ্রলাল সিংয়ের। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দাবি করেছিলেন রেললাইন চাই, ধর্মনগর অবধি সেই রেললাইন স্থাপিত হয়। ১৯৭৭ এ যখন তিনি সাংসদ হন সে সময় তৎকালীন রেলমন্ত্রী মধু দণ্ডবতকে অনশন করার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ধর্মনগর থেকে আগরতলা রেললাইন করতে হবে। যেদিন সংসদ ভবনের সামনে অনশনে বসার কথা, সেদিন সকালে মধু দন্ডবতে তাঁর দিল্লী বাসভবনে এসে সরকারের অর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন আপাতত কুমারঘাট অবধি রেললাইন দেওয়া হচ্ছে, পড়ে ওটা বর্ধিত করা হবে।শচীন্দ্রলাল সিং খেলার প্রসারের জন্য স্টেডিয়াম করেছিলেন। উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভাদেবী বনমালীপুরে একটি বাড়ি দিয়েছিলেন ত্রিপুরার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শচীনবাবুকে বসবাস করার জন্য। ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল খোঁজ নিয়ে জানলেন ত্রিপুরাতে কোনও মহিলা কলেজ নেই। তিনি মহিলাদের শিক্ষাপ্রসারের জন্য সেই বাড়ি দান করে দেন কলেজ করার জন্য। এখন সেখানে স্থাপিত হয়েছে আগরতলা উইমেন্স কলেজ। শচীনবাবুর প্রধান সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখ্যগয় হলেন তসলাম ফা, ওয়াজেদ আলি, মনসুর আলি, চক্র ফা, বুলু কুকি, কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য। এই কৃষ্ণদাস তাঁর মন্ত্রী সভায় অর্থ মন্ত্রী ছিলেন।২০১২-এর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্র, ঢাকাতে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বাঙালি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা তাঁকে প্রদান করেন।মুজিবর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই থাকতেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী, জহরলাল নেহরুর সময় থেকেই। ১৯৭১ ১লা নভেম্বর সারাদিন বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ও শচীন্দ্রলাল সিংকে নিয়ে। ফিরে এসে আগরতলা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে কথাবার্তা চলাকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আপনি সীমান্ত খুলে দিয়েছেন, অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য করছেন, আপনি তো দেশকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দিরাকে ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল জবাব দেন, আমি যা করছি তা দেশের মঙ্গলের জন্যই করেছি এবং আপনার জন্যই করছি। আমি একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব আপনার নামই করবে, আমার নই। ইতিহাস আপনাকেই স্মরণ করবে। আরও বলেন, আমি আপনার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আপনি আমাকে রাজনীতি শেখাবেন না। একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হজম না করতে পেরে দিল্লী ফিরেই ১লা নভেম্বর ১৯৭১ রাতে ত্রিপুরাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেন ইন্দিরা। ভেঙে দিলেন কংগ্রেসের-ই সংখ্যাগড়িষ্ট সরকার। তবুও দমলেন না দেশ তথা ত্রিপুরার প্রতি দায়বদ্ধ শচীন্দ্রলাল সিং, তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে ফোন করে বলেন Imposition is a great sin। সেই রাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন ত্যাগ করে পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বাসভবনে ফিরে যান। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন দাপুটে ইন্দিরা গান্ধীকে। তখনও তাঁর পাশে ছিলেন ত্রিপুরার আপামর সাধারণ মানুষ। অনবরত সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছেন শচীনবাবুকে। নির্দল প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল।জাতপাতের উর্দ্ধে রাজনীতি করতেন শচীন্দ্রলাল সিং। মানুষকে মানুষ ভাবতেন। সাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন অনায়াসে। এই দেশে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন অমিল। ত্রিপুরার আদিবাসীরা মনে করতে শচীন্দ্রনাথবাবু তাঁদের ঘরের লোক। আদিবাসী সমাজে তাঁর নাম ফাটা ছিলুম তার মানে ছেঁড়া কাপড়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এতটাই আপন ছিলেন তিনি। কাছে টেনে নিয়েছিলেন মনিপুরি, সংখ্যালঘুসহ সকলকেই। কোনও ভেদাভেদ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারেননি। ২০০০ সালে ইহলোক ত্যাগ করলেও ত্রিপুরার মানুষ ভোলেনি শচীন্দ্রলাল সিংকে। এখনও তাঁর জন্মদিনের উৎসবে হাজির হন অগনিত মানুষ।শচীন্দ্রলালবাবুর বড় ছেলে আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। এখন দলের কোর কমিটির সদস্য। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছেও আশিসবাবু কাছের মানুষ, মাটির মানুষ। পাহাড় থেকে সমতল হোক রাত-বিরেতে কেউ বিপদে পড়লেই পাশে থাকেন শচীন্দ্রপুত্র আশিসলাল। তিনিও মহান পিতার মতোই কোনও জাতিগত ভেদাভেদে বিশ্বাস করেন না। তাঁর ভাবনাতেও রয়েছে বাবার মতোই ত্রিপুরার উন্নয়ন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয়ের স্বীকৃতি, নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন শ্রীলেখা মিত্র

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অভিনয় দক্ষতার পরিচয় তিনি বার বার দিয়েছেন। যার পরিনাম স্বরূপ আজও দর্শকদের মনের মণিকোঠায় তিনি। এবার অভিনেত্রী ও তাঁর অগণিত ভক্তদের জন্য রয়েছে একটা বিশেষ সুখবর। আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা। ভালো অভিনয়ের পুরস্কারও পেলেন তিনি। নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন। সুখবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী লিখেছেন, হ্যাঁ ২০২২ নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য সেরা অভিনেতা (মহিলা)-র মনোনয়ন পেয়েছি। মগ্ন শ্রীলেখাগতবছর থেকেই আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর এই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই ছবির প্রিমিয়ার হয়। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা। এবার এই ছবির জন্যই সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পরিচালক হিসাবে অভিষেক হয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর। তাঁর পরিচালিত ছবি এবং ছাদ বেঙ্গালুরু কোলাজ চলচ্চিত্র উৎসব-এ দেখানো হয়। এই খুশির খবরের মধ্যেই আরও একটি খুশির খবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন টলি হার্টথ্রব শ্রীলেখা।

এপ্রিল ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অস্কার মঞ্চে গডফাদারের কলাকুশলীরা

হলিউডের ডলবি থিয়েটারে আয়োজিত ৯৪তম একাডেমি পুরস্কারের মঞ্চে শুধু ২০২১ সালের সেরা চলচ্চিত্রকে সম্মানিত করা হয়নি। এর পাশাপাশি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে গডফাদার ট্রিলজিকেও। গডফাদার মুক্তির ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপনে ছবির পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা, তারকা অভিনেতা আল পাচিনো ও গডফাদার২এর তারকা রবার্ট ডি নিরো হাজির হয়েছিলেন অস্কারের মঞ্চে।৯৪তম অস্কারের মঞ্চে এক এক করে পাওয়া যায় ৮২ বছর বয়সী কপোলা, ৮১ বছর বয়সী আল পাচিনো ও ৭৮ বছর বয়সী ডি নিরো। মঞ্চে কপোলা প্রথমে দর্শক এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানান। তারপর রবার্ট নিরো ও পাচিনোর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞ, তাঁরা এখানে এসেছেন এবং আমি তাঁদের সঙ্গে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করতে পারছি। কপোলা আরও বলেন, ৫০ বছর আগে এ প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছিলাম অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে, যাঁদের বেশির ভাগই কিংবদন্তি। সময়ের অভাবে অনেকের নাম আমি এখানে উল্লেখ করতে পারছি না। কিন্তু আপনারা তাঁদের বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে দুজনের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। গডফাদার উপন্যাসের লেখক মারিও পুজো এবং প্রয়াত প্রযোজক রবার্ট ইভান্স। এই দুজনের সহযোগিতায় এই তিনটি আইকনিক চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। প্রকাশ্যে তাঁদের কখনোই ধন্যবাদ জানানো হয়নি। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন দেখিয়ে এই চলচ্চিত্র নির্মাতা তাঁর বক্তৃতা শেষ করেন।বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কালজয়ী সিনেমা দ্য গডফাদার। মারিও পুজোর উপন্যাস থেকে নির্মিত সিনেমাটি ১৯৭২ সালে অস্কার জেতে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য মার্লন ব্র্যান্ডো সেরা অভিনেতার জন্য অস্কার পেলেও তিনি পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। মারিও পুজো ও ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা সেরা চিত্রনাট্য পরিকল্পক বিভাগে অস্কার লাভ করে। ছবিটি আরও সাতটি বিভাগে অস্কারের মনোনয়ন পেয়েছিল।

মার্চ ২৯, ২০২২
বিদেশ

অস্কারের মঞ্চে উঠে সঞ্চালককে সপাটে চড় উইল স্মিথের!

৯৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারের মঞ্চ কাঁপিয়ে দিল সপাটে একটি চড়! স্ত্রীকে নিয়ে চটুল রসিকতার শাস্তি হিসেবে সোজাসুজি সঞ্চালক কমেডিয়ান ক্রিস রককে চড় মেরেছেন স্মিথ।অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে সঞ্চালক ক্রিস নানা ধরনের রসিকতা করছিলেন। তার মধ্যেই একটি রসিকতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন স্মিথের স্ত্রী জা়ডা পিঙ্কেট। ক্রিস বলেন, জি আই জেন-এর সিক্যুয়েলের অপেক্ষায় রয়েছি আমি। এতে বেজায় চটে যান স্মিথ। নিজের আসন ছেড়ে সটান উঠে দাঁড়িয়ে সোজা উঠে যান মঞ্চে। তার পরেই চড় মারেন ক্রিসকে!VIA JAPANESE TELEVISION: The uncensored exchange between Will Smith and Chris Rock pic.twitter.com/j0Z184ZyXa Timothy Burke (@bubbaprog) March 28, 2022রাগ কমেনি তার পরেও। নিজের আসনে ফিরে ফের চিৎকার করে ওঠেন স্মিথ। বলেন, তোমার (নোংরা) কথা থেকে আমার স্ত্রীকে দূরে রাখো। ২০১৬-তেও সঞ্চালনার সময়ে পিঙ্কেটকে নিয়ে রসিকতা করেছিলেন ক্রিস। এ বারও বোঝাতে যান, রসিকতাই করছিলেন তিনি। তার পরেও চিৎকার করে তাঁকে একই কথাই বলেন স্মিথ।১৯৯৭ সালের ছবি জি আই জেন-এ নায়িকার চরিত্রে অভিনেত্রীর মাথায় চুল কম থাকা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। স্মিথের স্ত্রী জাডার মাথাতেও চুল কম থাকায় সম্ভবত রসিকতা করে তাঁকে জি আই জেন ২-এর নায়িকা হিসেবে ইঙ্গিত করেন ক্রিস। বাস্তবে অ্যালোপেশিয়া নামে একটি রোগে আক্রান্ত উইল স্মিথের ঘরনি। এই রোগের শিকার হলে মাথার চুল পড়ে যায়। অসুস্থতা ,নিয়ে রসিকতা করাতেই মেজাজ হারান উইল স্মিথ।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন আইএসএলে সেরার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা?‌

এবছর আইএসএলের শুরুর দিকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি এটিকে মোহনবাগানকে। ব্যর্থতার জন্য কর্তারা সরিয়ে দিয়েছিলেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। জুয়ান ফেরান্দো দায়িত্ব নিয়েই দলকে সাফল্যের রাস্তায় নিয়ে এসেছিলেন। টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও গড়েছিল এটিকে মোহনবাগান। লিগে টেবিলেন দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে আইএসএলের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণ হয়নি। দুই পর্বের সেমিফাইনাল মিলিয়ে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৩২ ব্যবধানে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। শুধু দলের ব্যর্থতা নয়, এবারের আইএসএল থেকে কোনও পুরস্কার জিততে পারেননি ফুটবলাররাও। কেন আইএসএলের পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা? কোন ফুটবলার কী পুরস্কার পেলেন, একঝলকে দেখে নেওয়া যায়।এবছর ১৮টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন হায়দরাবাদ এফসির তারকা স্ট্রাইকার বার্থোলেমিউ ওগবেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি অগ্রণী ভুমিকা নিয়েছিলেন। তিনি পেয়েছেন গোল্ডেন বুট। গতবছর ১৪ গোল করে গোল্টেন বুট পেয়েছিলেন এফসি গোয়ার স্ট্রাইকার ইগর অ্যাঙ্গুলো। রয় কৃষ্ণাও করেছিলেন ১৪ গোল। তবে তিনি ২৩ ম্যাচ খেলেছিলেন। অ্যাঙ্গুলো খেলেছিলেন ২১ ম্যাচ। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন জামশেদপুর এফসির গ্রেগ স্টুয়ার্ট। এবছর আইএসএলে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছেন স্টুয়ার্ট। ২১ ম্যাচে তিনি করেছেন ১০। গোল করার দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকলেও দলের বেশিরভাগ গোলের পেছনে তিনি অবদান রেখেছিলেন। দুরন্ত ফুটবল খেলে জামশেদপুর এফসিকে লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে সেরা ফুটবলার হওয়ার লড়াইয়ে ছিলেন এটিকে মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো। কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলতে না পারায় তাঁর ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল না।ফাইনালে তিনতিনটি টাইব্রেকার বাঁচিয়ে এবছর হায়দরাবাদ এফসিকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করেছেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। সেমিফাইনালেও এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুরন্ত খেলেছিলেন। তবু গোল্ডেন বুটের পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন কেরালা ব্লাস্টার্সের গোলকিপার প্রভসুখন গিল। গোটা আইপিএল জুড়ে তিনি তিন কাঠির নীচে অপ্রতিরোধ্য ছিলেন।

মার্চ ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস সবচেয়ে দুর্দান্ত অভিনয় শিল্পীদের স্বীকৃতি দিল

জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলা ২০২২ ছিল ধুমধামের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি তারকা-খচিত সন্ধ্যা কারণ কলকাতার ওয়েস্টিন, রাজারহাটে বাংলা সিনেমার চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠত্বের প্রশংসা করেছিল। মহান জাঁক জমক ও আড়ম্বরের মধ্যে উদযাপিত হল , পুরষ্কার অনুষ্ঠানের পঞ্চম সংস্করণটি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে স্বীকৃত নামগুলির জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং শিল্পীদের স্পটলাইট আলোকিত করেছে।রাতের বেলায় সবচেয়ে বেশি উল্লাস ছিল বরুন বাবুর বন্ধু এবং টনিক চলচ্চিত্রের জন্য, যেখানে দুটি সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে বিজয়ী হিসেবে আইকনিক ব্ল্যাক লেডি ভাগাভাগি করতে চলেছে। উভয় সিনেমার কাস্ট তাদের গৌরবের মুহূর্তে তাদের পথ তৈরি করায় মঞ্চটি দেখার মতো ছিল। ৮১ বছর বয়সে, পরাণ বন্দোপাধ্যায় প্রমাণ করেছিলেন যে বয়স একটি সংখ্যা ছাড়া কিছুই নয়, কারণ অভিনেতা টনিকের জন্য প্রধান ভূমিকায় (পুরুষ) সেরা অভিনেতা দাবি করেছিলেন। অভিনেতা বলেন, ছবিটি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পকে অক্সিজেন দিয়েছে। বয়সের মাপকাঠির অন্য প্রান্তে ছিলেন কিশোর এবং শিশু শিল্পী সামিউল আলম যিনি ট্যাংরা ব্লুজ চলচ্চিত্রে তার দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য পার্শ্ব চরিত্রে (পুরুষ) সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন। জয়া আহসান গর্ব ও আনন্দে উদ্ভাসিত ছিলেন কারণ তিনি বিনিসুতয় তার দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য প্রধান চরিত্রে (মহিলা) সেরা অভিনেতার স্বীকৃতি পান। লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় প্রবীণ চলচ্চিত্র অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককে। প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে ১০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, তারকা সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির কাছ থেকে পুরস্কারটি পান। একজন ডাক্তার হিসাবে রোগীদের চিকিত্সা করা থেকে প্রথমবারের মতো অভিনয়ে পরিবর্তন করার পদক্ষেপটি কিঞ্জল নন্দার জন্য একটি ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়েছিল কারণ তিনি হীরালাল ছবিতে তার ভূমিকার জন্য সেরা আত্মপ্রকাশ (পুরুষ) পুরস্কারটি ঘরে তুলেছিলেন। সাক্ষী হওয়ার আরেকটি স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল অর্পিতা চ্যাটার্জি তার ২৩ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পাওয়া। অভিনেত্রী আইকনিক ব্ল্যাক লেডির সাথে তার বড় মুহূর্ত পেয়েছিলেন কারণ তিনি আব্যাক্তোতে তার অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী (সমালোচক) পুরস্কার জিতেছিলেন। যেখানে অর্পিতা তার প্রথম ফিল্মফেয়ার গৌরবের স্বাদ পেয়েছিলেন, বাবা যাদব, ভারতীয় চলচ্চিত্র কোরিওগ্রাফার, এবং বাংলা ও হিন্দি সিনেমার পরিচালক, তার তৃতীয় পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি ম্যাজিক চলচ্চিত্রের রোমান্টিক ট্র্যাক মোন আনমোনের জন্য সেরা কোরিওগ্রাফির পুরস্কার জিতে নেন।

মার্চ ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মহারাষ্ট্রে পুরস্কৃত হল বাংলার স্বল্প দৈর্ঘের ছবি 'স্বপ্ন'

১২০০ টির ও বেশী স্বল্প দৈর্ঘের ছবি নিয়ে আয়োজিত রিল ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (Reel International Film Festival) প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হল বাংলার স্বল্প দৈর্ঘের ছবি স্বপ্ন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সূর্যদীপ। এই রিল ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয় মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে। ছবির পরিচালক জনতার কথাকে জানান, প্রতিযোগিতাটা খুব কঠিন ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার মোট ১২০০ এর বেশি স্বল্প দৈর্ঘ্য ছবি এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করেছিল। ভারত সহ ইংল্যান্ড, জার্মান, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, কানাডা, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও আরও অন্যান্য দেশের বিখ্যাত পরিচালকদের ছবির পাশাপাশি আমার পরিচালিত বাংলা ছবি স্বপ্ন স্পেশল জুড়ি পুরস্কার (Special Jury Award) পাওয়ায় আমি ভীষণ খুশি। ছবি সম্বন্ধে জানাতে গিয়ে তিনি জানান, বর্তমান বিশ্বের বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের প্রধান সমস্যা শিশুশ্রমিক, তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার বক্তব্য নিয়েই আমাদের এই গল্প।স্বপ্ন শর্টফিল্ম সম্মন্ধে বলতে গিয়ে ফিল্মের পরিচালক সূর্যদীপ জনতার কথাকে বলেন, আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাবো গল্পের লেখক বিশ্বজিৎ চৌধুরী কে, এবং সেই সঙ্গে স্বপ্ন শর্ট ফিল্মের সকল কলা কুশলীদের। বিশ্বজিৎ বাবুর গল্পটা আমাকে ভীষণ ভাবে নাড়া দেয়, ভালো গল্প হলে পরিচালনার দায়িত্ব টাও অনেকটা বেড়ে যায়, তাই আমি আমার যোগ্যতা অনুযায়ী চেষ্টা করেছি একটা ভালো ছবি দর্শকদের উপহার দেওয়ার জন্য। বর্তমানে বাংলা ছবির দর্শক সংখ্যা হাতে গুনে বলে দেওয়া যায়, আর শর্টফিল্ম শুনলে তো সেটা হাসির খোরাক হয়ে যায় অনেকের কাছে, তাই মানুষ যাতে আরো বেশি করে বাংলা ছবি দেখে, বাংলা ছবি দেখার আগ্রহ দেখায় তার দায়িত্ব যেমন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট বর্তমান পরিচালকদের, তেমনই আমাদের মতো নবাগত শর্টফিল্ম পরিচালকদের ও সেই দায়িত্বটা সমান ভাবে নিতে হবে, তবেই দর্শক বন্ধুরা বেশি করে বাংলা ছবি দেখার আগ্রহ দেখাবেন।স্বপ্ন তে অভিনয় করছেন একাধিক নতুন মুখ, যাদের মধ্যে অনেকেই ক্যামেরার সামনেও প্রথম বার। এই ছবির প্রধান দুই চরিত্র, দুই শিশু শিল্পী শান্তনু চক্রবর্তী ও বর্ষা পাল, যাদের অভিনয় ইতিমধ্যে বহু মানুষের প্রশংসা পেয়েছে, শুধু তাই নয়, পেয়েছে তিন তিনটি ফেস্টিভ্যাল থেকে শ্রেষ্ট শিশু শিল্পীর পুরস্কার। সূর্যদীপ আরও জানান, আমি ষ্টার কাস্ট এ বিশ্বাসী নই । সুপ্ত প্রতিভা গুলো বের করে আনতে সর্বদা চেষ্টা করি। কাজ টা যথেষ্ট কঠিন হলেও আমি ভরসা রাখি নতুনদের উপর। ছোট এবং নবাগত শিল্পীদের দের নিয়ে কাজ একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, আমি সেটা সর্বদা নিতে প্রস্তুত। আমি মনে করি নতুন শিল্পী উঠে না আসলে প্রথম যে সমস্যাটা হবে সেটা হল, দর্শক দের মধ্যে একই মুখ দেখতে দেখতে একঘেয়েমি ক্লান্তি এসে যাবে, আর যেটা হবে সেটা হল, জেনেরেশন গ্যাপ বা সাপ্লাই চেন বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কোনো পরিচালকের ক্ষমতা থাকে না কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রী কে ষ্টার বানানোর। তাদের চেষ্টা আর প্রতিভাই তাদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেয়। পরিচালকের কাজ তাদেরকে চরিত্রগুলো তে কি কি বৈশিষ্ট আছে, তা সন্মন্ধে একটা পরিষ্কার ধারণা দেওয়া আর টেকনিকালি সঠিক কিছু পদ্ধতি ও কৌশল তাদেরকে শিখিয়ে দেওয়া মাত্র।এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গেছে বেশ কিছু থিয়েটার কর্মীদের, যার মধ্যে অনুপম মুখার্জি ও পুষ্পিতা বক্সী অন্যতম। সূর্যদীপ নিজেও একজন নাট্য জগতের মানুষ তাই নাটকের শিল্পীদের নিয়ে কাজ করতে হয়ত তিনি পছন্দ কড়েছেণ। এই প্রসঙ্গে তিনি জনতার কথাকে বলেন, নাটকের ছেলে মেয়েদের নিয়ে কাজ করলে কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায় কারণ পরিচালক ঠিক কি চাইছে তারা খুব সহজেই বুঝে যায়।স্বপ্ন শর্টফিল্মে চিত্রগ্রহনের দায়িত্বে ছিলেন সৌনক দাস ও সৌরভ সাহা। নতুন অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে সুবীর মুখার্জী, লক্ষী হালদার, সুমন অধিকারী, পিন্টু ঘোষাল, অর্ণব সেন গুপ্ত ও বান্টি হালদারকে অভিনয় করতে দেখা গেছে এই ছবিতে। এখনো পর্যন্ত স্বপ্ন শর্টফিল্মটি পনেরো টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে সর্বমোট নয়টা ফেস্টিভ্যাল থেকে পুরস্কৃত হয়েছে।।

মার্চ ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

ইতিমধ্যে অরূপ সেনগুপ্ত নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। বলিউড থেকে একাধিক স্বপ্ন নিয়ে অরূপ বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। পরিচালনা করতে থাকেন চার এক্কে প্যাঁচ, এ.কে.Ray, Unethical-র মতো শর্টফিল্ম। এর আগেও বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে তার পরিচালিত শর্টফিল্ম আনএথিক্যাল। কিন্তু এবার তামিল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ মনোনীত হয় অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আরোহন প্রোডাকশন এর প্রযোজিত ছবি আনএথিক্যাল এবং জিতে নেন বেস্ট কনসেপ্টচুয়্যাল অ্যাওয়ার্ডস। অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আনএথিক্যাল-এ অভিনয় করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য, পৌলমী দাস, পূজা গাঙ্গুলি এবং সুপর্ণা চ্যাটার্জী। অরূপ সেনগুপ্তের হাত ধরে প্রথম বাংলা সিনেমার জগতে পা রাখতে চলেছে তন্ময়। এই ছবির অ্যাওয়ার্ড নিয়ে জনতার কথা কে অরূপ জানান, এই ছবিটা ২৭ মিনিটের। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি অনুষ্ঠিত হয়েছে অনলাইনে। খুব ভালো লাগছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দর্শক ভোটে সেরা ফারুকীর ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’

বাংলাদেশের জনপ্রিয় পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর জন্য খুশির খবর। ভেসুল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব এশিয়ান সিনেমাসে এবার দর্শকদের ভোটে সেরা সিনেমা নির্বাচিত হল তাঁর নির্মিত ছবি নো ল্যান্ডস ম্যান। এই ছবিটি ইরানের রেজা দরমিশিয়ানের নো চয়েস ছবির সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছে। চলচ্চিত্র উৎসবের সেরা পুরস্কারগুলোর মধ্য অন্যতম দর্শক জরিপ পুরস্কার বা অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড। কারণ, চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমা দেখে সরাসরি দর্শকেরা এই ক্যাটাগরিতে ভোট দিয়ে সেরা ছবি নির্বাচিত করেন। ২৮তম আসর শুরু হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। উৎসবে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। পুরস্কার অর্জন প্রসঙ্গে এই পরিচালক বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নো ল্যান্ডস ম্যান আমার জন্য একটা স্পেশাল ছবি। ফলে সেটা যেকোনো স্বীকৃতি পেলেই আমি কৃতজ্ঞ বোধ করি। আর যখন সেটা ফেস্টিভ্যালের দর্শকদের ভোটে হয়, তখন নিশ্চয়ই অন্য রকম আনন্দ হয়।মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা নওয়াজউদ্দীন সিদ্দিকী। এছাড়া রয়েছেন মেগান মিচেল, তাহসান, এশা চোপড়া, বিক্রম কোচার, হোলি ফ্রেসার সহ আরও অনেকে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার সম্মানিত হবেন ক্যামেরার পিছনের মানুষরাও, আয়োজনে কলাকৃতী অ্যাওয়ার্ড

অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলাকৃতী অ্যাওয়ার্ড ২০২২। যেখানে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পাশাপাশি ক্যামেরার পিছনে থাকা মানুষদের সম্মান জানানো হবে। এরকম একটা সুন্দর ভাবনা যেটা সচরাচর অ্যাওয়ার্ড শো তে দেখা যায় না। এই ভাবনাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে তার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, সুদীপ্তা ব্যানার্জি, প্রীতি বিশ্বাস সহ আরও অনেকে। এই অ্যাওয়ার্ডের মূল উদ্যোক্তা রিঙ্কি জানালেন, কোনও অ্যাওয়ার্ড শো বা ইভেন্ট করতে গেলে আগে স্টাডি করতে হয়। স্টাডি না করলে সেটা করা সম্ভব হয় না। যারা ক্যামেরার পিছনে থাকেন তাদের সংবর্ধিত করলে কাজের উৎসাহটা আরও বেড়ে যাবে। তাই এরকম অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান করার ভাবনা নিয়েছি।টলিউড ও বাংলাদেশ দুটোকে অ্যাটাচ করা হয়েছে। ক্যামেরার পিছনের মানুষদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পেলে কাজের ইচ্ছে শতগুণ বেড়ে যায়। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি মানেই একটা স্পেশাল ফিল করায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বেঙ্গল এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহনলাল রশিদ

থিওফেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধীর পর এবার বেঙ্গল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়ে আবারো মুর্শিদাবাদ জেলা তথা সমগ্র রাজ্যবাসীর মুখ উজ্জ্বল করলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়াবিদ ডক্টর মুস্তাক রশিদ ওরফে মোহনলাল রশিদ। গীতাঞ্জলি আয়োজিত বেঙ্গল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২ অনুষ্ঠানে সকলের প্রিয় অভিনেত্রী উর্মি অর্থাৎ অন্বেষা হাজরার হাত থেকে এই অ্যাওয়ার্ডটি পান মোহনলাল বাবু। বিশেষ ভাবে উল্ল্যেখ তাঁর অসামান্য সমাজসেবা মূলক কর্মকান্ডের জন্য তিনি এই সম্মানে সম্মানিত হন। উক্ত অনুষ্ঠানে বেঙ্গল এক্সিলেন্স লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পান বিখ্যাত অভিনেতা পরান বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ কুনাল সরকার, বাঙালির প্রিয় মিষ্টি রসগোল্লার আবিষ্কারক নবীন চন্দ্র দাসের কীর্তি সহ, শুভময় চট্টোপাধ্যায়, লক্ষী কাশি, অলোক কুমার আঢ্যচ, অজন্তা সরকার, তপন রায়, অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা, কৌশিক হোসেন তাপস সহ বহু গুণী জন কেও সম্মানিত করা হয় এই অনুষ্ঠানে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, Charity begins at home, তার যথার্থ প্রমান মুর্শিদাবাদের মোহনলাল রশিদ। করোনার প্রকোপে যখন চারিদিকে কার্যত ত্রাহি ত্রাহি রব দেখা দিয়েছিল, প্রাণ বাঁচাতে শুরু হলো লকডাউন, তখন নির্দ্বিধায় নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। দিনের পর দিন রান্না করা খাবার পৌঁছে দেন মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রোগী ও আত্মীয়দের জন্য। এভাবেই বহু দিন চলতে থাকে সহস্র মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা। সমাজ সাধারণত যাদের মূল স্রোত থেকে কিছুটা হলেও দূরে সরিয়ে রাখে সেই বৃহন্নলা দের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। অতিমারীর প্রকোপে যখন চারিদিকে অক্সিজেনের হাহাকার, তখন অসুস্থদের প্রাণ বাঁচাতেও উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন তিনি। তাছাড়াও বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে সর্বাঙ্গিক সাহায্য, প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার বিরতন তো কখনো অসহায়দের বস্ত্র ও শীতবস্ত্র বিতরণ এমন অগণিত ভাবে সর্বদা মানুষের পাশে থাকতে দেখা গেছে মোহনলাল বাবুকে। এছাড়াও প্রত্যেক শুক্রবার বহরমপুরে অসহায়দের খাদ্য বিতরণ করা হয় তাঁরই নির্দেশে। শুধু তাই নয়, ক্রীড়া জগতের প্রতিও রয়েছে তাঁর প্রচন্ড টান। প্রাক্তন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে তাঁর। বহুবার তাকে দেখা গেছে খেলার ময়দানে উন্নতি কল্পে পাশে থাকতে। যুব সমাজ কে উৎসাহিত করে ফের তাদের মাঠমুখী করতে যথেষ্ট অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে তাঁকে। মোহনলাল বাবু পিছিয়ে নেই পরিবেশপ্রেমী হিসেবেও। পরিবেশ রক্ষার্থেও বিভিন্ন উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন তিনি। এক কথায় বলতে গেলে তিনি প্রমান করে দিয়েছেন মানুষ মানুষের জন্য। এই জয় শুধু তাঁর একার জয় নয়, এই জয় মানুষের মানবিকতার জয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
দেশ

পদ্ম-সম্মান ফেরালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়! আর কে কে পদ্ম পাচ্ছেন দেখে নিন

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দেওয়া পদ্মসম্মান কি গ্রহণ করবেন বাংলার শেষ কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী? মঙ্গলবার রাত থেকে সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। বুদ্ধদেব নিজেই সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁর পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বুদ্ধদেবের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেউ এক জন ফোন করেছিলেন। তখন সম্মতি দেওয়া হয়। বুদ্ধদেব বিষয়টি তখন জানতেন না। পরে খবর জেনে পত্রপাঠ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন। রাতে তাঁর তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদ্মশ্রী সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ও।#UPDATE | In a statement, former West Bengal CM Buddhadeb Bhattacharjee says he will not accept the Padma Bhushan award https://t.co/YiEYyxTNGH ANI (@ANI) January 25, 2022সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার সন্ধেয় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হল দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত। চারজনকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করল কেন্দ্র। এই তালিকায় নাম রয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রভা আত্রে (কলা)। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন তিনজন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং (সামাজিক অবদান), উত্তরপ্রদেশের রাধেশ্যাম খেমকা (শিক্ষা ও সংস্কৃতি)। পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্যনারায়ণ নাদেলা এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই। একই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালার বাবা সাইরাস পুনাওয়ালা। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদও সম্মানিত হয়েছেন এই সম্মানে। বাংলা থেকে কলাক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটা অ্যান্ড সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণও পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান।Microsoft CEO Satya Nadella, Alphabet CEO Sundar Pichai, SII MD Cyrus Poonawalla to be conferred with Padma BhushanOlympians Neeraj Chopra, Pramod Bhagat Vandana Kataria, and singer Sonu Nigam to be awarded Padma Shri pic.twitter.com/J5K9aX9Qxz ANI (@ANI) January 25, 2022বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় নাম রয়েছে দুজনের। তাঁরা হলেন প্রহ্লাদ রাই আগরওয়াল এবং সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞান)। অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াও পেয়েছেন এই সম্মান।পদ্ম-বিজয়ী

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয়ের স্বীকৃতি, বিশেষ পুরস্কার পেলেন অন্বেষা

দক্ষিণ কলকাতার আইসিসিআর-এ হয়ে গেল বেঙ্গল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের বিশেষ অনুষ্ঠান। পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শিবনাথ দে সরকার, কল্যাণ সেন বরাট, ডক্টর কুণাল সরকারের মধ্যে মোস্ট প্রমিসিং অ্যাক্ট্রেস এই বিশেষ সম্মানে সম্মানিত হলেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা অর্থাৎ এই পথ যদি না শেষ হয় ধারাবাহিকের ঊর্মি। অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে নিয়েছেন ছোটপর্দার এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি লিখেছেন, আওয়ার্ড সব সময় আরো ভালো কাজ করার জন্য অনুপ্রানিত করে। আর আজকের এই Bengal Excelence এর Most Promising Actress এর সন্মান শুধু আমার নয় আমি এতো দিন ধরে এবং এখনও যে সমস্ত ট্যালেন্টেড অভিনেতা অভিনেত্রী, ডিরেক্টর স্যার, ডি ও পি স্যার, গল্পের লেখক, লেখিকা, চ্যানেল, সমস্ত টেকনিশিয়ান দাদা, দিদি যাদের সাথে কাজ করছি তাদের সবার জন্য। কারণ আমরা কেউ ই কাউকে ছাড়া সম্পুর্ণ নই। আশীর্বাদ করুন যাতে চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারি। সব্বাই যাতে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।পুরস্কার পাওয়ার অভিজ্ঞতা জনতার কথার সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, খুব ভালো অনুভূতি। এটা আমার দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাকে বলে দিয়েছে আরও মন দিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরও জানালেন, এই অ্যাওয়ার্ডটা আমার একার নয়। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করছি, যাদের সঙ্গে কাজ করে এসেছি সবার জন্য।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘চার এক্কে প্যাঁচ'-র জন্য জোড়া পুরস্কার পেলেন পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

চালচ্চিত্র রোলিং অ্যাওয়ার্ড-এ জোড়া পুরস্কার পেল পরিচালক অরূপ সেনগুপ্তের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ। গত ২ বছরের বন্দি দশা কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে সিনেমা আবার হলমুখী করাচ্ছে। পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামিল হয়েছে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিও। আর এই প্রতিযোগিতায় বেস্ট কমেডি ফিল্ম এবং বেস্ট এন্থুসিয়াস্টিক ফিল্মমেকার পুরস্কার জিতল অরূপ সেনগুপ্তের স্বল্প দৈঘ্যের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ।এই ছবির পুরো শুটিং এক দিনের শেষ করেছেন পরিচালক ও তার টিম। শুটিং হয়েছে বারুইপুর স্কুল ও যাদবপুরে। এখন বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালের জন্য পাঠানো হয়েছে ছবিটা। সেইসব ফেস্টিভ্যাল থেকে ভালো কিছু ফিডব্যাক পাবেন আশাবাদী অরূপ সেনগুপ্ত।পরিচালক জনতার কথা-কে জানিয়েছেন, আমার ছবিটা ১৭ মিনিট এর। একটি কমেডি শর্টফিল্ম। এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয় করেছেন অসীম রায়চৌধুরী, দেবমাল্য গুপ্ত, ঈশিকা রায়, রাজ্জাক হোসেন, প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবির গল্প লিখেছেন বোধিসত্ব মজুমদার। চিত্রগ্রাহক রতন মন্ডল। সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব সামলেছেন অরিন। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন নিখিল আগরওয়াল। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় পরিচালক হিসাবে ভালো কাজ করার উৎসাহটা আরও বেড়ে গেল।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাংবাদিক থেকে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার বিজেতা পরিচালক মুখোমুখি জনতার কথার

সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী, বহুল প্রচারিত সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিনোদন বিভাগে সাংবাদিকতা করতে করতে সিনেমা বানানোর প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। সেই ভালোবাসার টানেই সাংবাদিকতা ছেড়ে ২০১৭ থেকে এখনও অবধি ছবি নির্মাণেই নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। সম্প্রতি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল তাঁর এলএসসি। এলএসসি দিয়ে শুরু করে, সাংবাদিক থেকে চিত্র পরিচালক হয়ে ওঠার জার্নি ফোন-ইন্টারভিউতে জনতার কথা-র সায়ন্তন সেনের সঙ্গে শেয়ার করলেন সৌম্যদীপ।জনতার কথাঃ আপনার ছবি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল। যেখানে গৌতম ঘোষের মত একজন ফিল্মমেকার উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতিটা কেমন ছিল?সৌম্যদীপঃ যে কোনও ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার পাওয়া ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। ভালোই লাগে। পুরস্কারের থেকে বড় জিনিস হল ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর পরিসরটা তো খুব একটা বেশি নেই। বাংলা ছবির ক্ষেত্রে সেটা খুবই কম। এই ছোট-বড় যে কোনও ফেস্টিভ্যালে এই ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর যে পদ্ধতি থাকে সেটা সবসময়ই খুব ভালো লাগে। গৌতম ঘোষের মতো একজন সিনিয়র পরিচালক যখন এরকম একটা ফেস্টিভ্যালে থাকেন এবং বসে ছবি দেখেন সেটা একটা আলাদা অনুভূতির জায়গা। এঁরা ছোট ছবিকে ছোট পর্যায়ে রাখেন না। এঁদের প্রেসেন্সেটা পরিসরটাকে অনেকটা বড় করে তোলে।পুরস্কার বিতরনজনতার কথাঃ এলএসসি নিয়ে যদি সংক্ষেপে কিছু বলেন...সৌম্যদীপঃ এটার ফুল ফর্ম লাইক, শেয়ার, কমেন্ট (Like, Share, Comment)। সেটাকেই শর্ট করে এলএসসি করা হয়েছে। ইট সাউন্ডস লাইক এলএসডি। এলএসডি যেমন একটা ড্রাগ হয় তেমনই লাইক, শেয়ার, কমেন্টটাও এই জেনারেশনের কিছু মানুষের কাছে খানিকটা ড্রাগের মতোই পৌঁছাচ্ছে। সেটার কি কি খারাপ দিক আছে এবং সেটা কতটা খারাপ হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার সেই জার্নিটা নিয়েই পুরো কাহিনীটা তৈরি করা। আগে কুকুরকে আমরা চেন দিয়ে বেঁধে রাখতাম। এখন ফোনের চার্জারের তারটা আমাদের সুইচবোর্ডের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এই ছবির গোটা কনসেপ্টটাই এটা নিয়ে।জনতার কথাঃ ছোট ছবি মানেই ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম। আপনারটাও নিশ্চয় সেটাই...সৌম্যদীপঃ ছোট ছবি মানেই বেশিরভাগ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি, কিন্তু এটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি না। এলএসসির প্রযোজক সোমনাথ দে। উনি আপাদমস্তক একজন কর্পোরেট মানুষ, দীর্ঘদিন ভারতের বাইরে কাটিয়ে দেশে ফিরে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার উদ্যোগে নিচ্ছিলেন, আই অ্যাম ফরচুনেট যে, ওনার সঙ্গে সেই মুহূর্তে আমার দেখা হয়। এটা তারও প্রথম প্রযোজনা। আর এটা পুরোটাই বানানো হয়েছে হিন্দিতে। বাংলা শর্ট ফিল্ম করলে দর্শক তো পাওয়া যায় না, বিক্রি করারও জায়গা পাওয়া যায় না। কিন্তু হিন্দিতে শর্ট ফিল্ম করাতে কেনার পরিসরটা অনেকটা বড় এবং ডিস্ট্রিবিউশনটাও ভালো হয়। আমি লাকি যে সোমনাথ দে এই ছবি প্রযোজনা করতে রাজি রয়েছেন এবং তাঁর কাছে মনে হয়েছে এটা সমাজের জন্য খুব দরকারি একটা ছবি। প্রযোজক খুব সাপোর্ট করেছেন।জনতার কথাঃ এই ছোট ছবিটা কতক্ষণের এবং কে কে অভিনয় করেছেন?সৌম্যদীপঃ এটা ১৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের। মূল চরিত্রে প্রশান্ত সূত্রধর। এছাড়া রয়েছেন স্বস্তি দাস, মৌমিতা বি বোস।পরিচালক ও প্রযোজক সোমনাথ দেজনতার কথাঃ বাংলাতে বিগত দু-তিন বছরে অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। এই শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উপযোগিতা কতটা রয়েছে বা স্বচ্ছতা কতটা আছে?সৌম্যদীপঃ বাংলায় অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। তার একটা ভালো দিকও আছে। আবার একটা খারাপ দিকও আছে। ভালো দিক হল প্রচুর কন্টেন্ট তৈরি হবে। আবার প্রচুর আবোল-তাবোল কন্টেন্টও তৈরি হবে। গুণগত মানটাও কমে যায়। লকডাউনে আমি এরকম অনেক ছবি দেখেছি যারা কেউ প্রপার ফিল্মমেকার না। ফলে কোয়ালিটি ফল করছে। আর স্বচ্ছতার কথা বললে আমি খুব সহজভাবে বলি সব ফেস্টিভ্যালের খুব স্বচ্ছতা থাকে না। অস্বচ্ছতা বেশিরভাগ ফেস্টিভ্যালেরই আছে, তবে সব ফেস্টিভ্যালেরই যে আছে এমনটাও বলতে পারছি না। শর্টকাট ওয়েতে একটা অ্যাওয়ার্ড হয়তো পাওয়া যেতে পারে কিন্তু তাতে ভালো ছবি হয় না। কোনও ছবি বানানোর পর আমি যদি অ্যাওয়ার্ডের জন্য কাউকে রিকোয়েস্ট করি তার মানে সেই ছবির গুণগত মান ভালো হয়নি বলেই কিন্তু আমি রিকোয়েস্ট করছি। সেরকম একটা ছবি ফেস্টিভ্যালে পাঠানো ঠিক না। তাহলে শিল্পের গুণগত মান পড়বে বলেই আমার ধারনা। অ্যাওয়ার্ড পাওয়াটাই যদি মূল উদ্দেশ্য হয় সেটা খুব একটা ভালো ব্যাপার নয়।জনতার কথাঃ আপনার আপকামিং আর কি কি ছবি আসছে?সৌম্যদীপঃ আমার একটা ফিট অ্যান্ড ফো ছবি হল। যেখানে ক্যাকটাসের সিধু দা এবং সায়নী দত্ত অভিনয় করেছেন। এটা ৩০ মিনিটের একটা শর্ট এবং এটাই আমার শেষ শর্ট ফিল্ম। আমি এখন ফিচার ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজের দিকে মন দিয়েছি।জনতার কথাঃ পেজ থ্রি জার্নালিস্ট থেকে পরিচালনায় আসায় কোনও সুবিধা কি পেয়েছেন?সৌম্যদীপঃ সুবিধা তো পেয়েছি। কন্ট্যাক্ট তৈরি হয়েছে। নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে আমি নাওয়াজ বলে ডাকতে পারি। ওর সঙ্গে একটা ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। আদিল হুসেন, পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব তৈরিই হত না আমি টাইমস-এ চাকরিটা না করলে। সাংবাদিক থেকে ফিল্ম ডিরেক্টর হওয়ায় সাংবাদিক পরিমণ্ডলে থাকা আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।গৌতম ঘোষ ও পরিচালক সৌম্যদীপজনতার কথাঃ শেষ প্রশ্ন, আগামি দিনে কি সাংবাদিকতায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে আপনার?সৌম্যদীপঃ না সেরকম ইচ্ছে নেই। পরিচালনা করছি, বই লিখছি এটাই ঠিক আছে। বইমেলায় আমার নতুন বইও প্রকাশ পাচ্ছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'পরজীবী'-র জন্য সেরা অভিনেত্রী রূপ দে

পরিচালক রজত সাহার ও তাঁর পরজীবী টিমের জন্য খুশির খবর। তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি অভিনেত্রী রূপ দে। রজতের পোস্ট শেয়ার করে রূপ লেখেন,পুরো টিমকে শুভেচ্ছা। পরিচালক রজত দে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমার ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। টিমকে অনেক শুভেচ্ছা।উল্লেখ্য পরজীবী তে রূপ দে ছাড়াও অভিনয় করেছেন পৃথ্বীরাজ চৌধুরী, ফিরোজ শাহ এবং অনিমেষ চক্রবর্তী। অভিনেয়ের পাশাপাশি ক্যামেরার দায়িত্ব ও সামলেছেন অনিমেষ। অন্যদিকে পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবির সম্পাদনার কাজটাও সামলেছেন রজত দে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সমাজসেবার বিশেষ পুরস্কার মোহনলাল রশিদের

মুর্শিদাবাদ জেলা তথা বহরমপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবী মোহনলাল রশিদ সম্মানিত হলেন ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধিতে। বহরমপুরের বাসিন্দা মোহনলাল রশিদ ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধি পাওয়ার পর খুশির হাওয়া মুর্শিদাবাদ জেলা তথা শহর বহরমপুর জুড়ে। জানা যাচ্ছে, তিনি মূলত সমাজ সেবার জন্য এই উপাধি পান। উক্ত অনুষ্ঠানটি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিমারীর উর্ধমুখী সংক্রমণের কারণে গাজিয়াবাদের দ্য মোনার্ক ইন্দিরাপুরম হ্যাবিটাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ ভাবে উল্ল্যেখ, করোনার প্রকোপে সর্বত্র যখন লকডাউন শুরু হয়, সেই সময় তিনি নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন অসহায় মানুষদের দিকে। দিনের পর দিন মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে রোগীর পরিজনদের কাছে পৌঁছে দেন খাদ্য। এছাড়াও প্রত্যেক সপ্তাহের শুক্রবার করে বহরমপুরে অসহায়দের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয় তারই সাহায্যে ও সহযোগিতায়। শুধু তাই নয়, অসুস্থ দের কাছে খাদ্য সহ প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে শুরু করে পরিবেশ রক্ষার্থে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে তাঁকে। কাজেই এই বিশেষ উপাধি অর্জন করে শুধু বহরমপুরই নয়, তিনি গর্বিত করেছেন সমগ্র জেলাবাসীকে।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মধ্যমগ্রামে কল সেন্টারে তল্লাশি, বিপুল সিম-মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ২৫

মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেন ২৫ জন। ধৃতদের মধ্যে ৭ জন যুবক এবং ১৮ জন যুবতী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে ওই কল সেন্টার সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাসিওর মোটিভেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।অভিযানের সময় অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯টি মোবাইল ফোন। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে শতাধিক সিম কার্ড, একাধিক নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ঘিরে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপরই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৭ জন যুবক ও ১৮ জন যুবতী রয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তবে এই কল সেন্টারে ঠিক কী ধরনের কাজ চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনও সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কল সেন্টারের কাজকর্ম এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ব্যবহার সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
দেশ

সাঁঝ আকাশে একফালি চাঁদের গায়ে উজ্জ্বল আলোক বিন্দু! সন্ধ্যার আকাশে এ কী রহস্য!

অমাবস্যার তিন দিনের মাথায় একফালি চাঁদ। তার পাশেই উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে কোচবিহারআকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর গোলার্ধের বহু জায়গা থেকেই দেখা গেল মনোরম এই মহাজাগতিক দৃশ্য। চাঁদের পাশে জ্বলজ্বল করা সেই আলোর বিন্দু আসলে শুক্র গ্রহ।সোমবার সন্ধ্যার আকাশে নজর কেড়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তার ঠিক পাশে উজ্জ্বল আলোর বিন্দু। প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হয়েছে, চাঁদের গায়ে যেন কোনও তারা জ্বলছে। সমাজমাধ্যমেও সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই আলোকবিন্দু কোনও তারা নয়, শুক্র গ্রহ।অমাবস্যার পর সোমবার চাঁদের বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। চাঁদের মাত্র প্রায় ১৪ শতাংশ অংশ আলোকিত ছিল। সেই সরু চাঁদের কাছেই দেখা যায় শুক্রকে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য নজরে এসেছে।শুধু বাংলায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই সোমবার সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও শুক্রের এই কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাওয়ার কথা ছিল। উত্তর গোলার্ধে সূর্য ডোবার পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য সবচেয়ে সহজে নজরে পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকেও চাঁদের পাশে শুক্রকে দেখা যায়।কেন চাঁদের এত কাছে শুক্র?ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজ়িক্সের অধিকর্তা অধ্যাপক সন্দীপ চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, এটি কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। পৃথিবী, সূর্য এবং অধিকাংশ গ্রহ কার্যত একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ সেই সমতলের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ সাধারণত ওই সমতলের প্রায় ৫ ডিগ্রি উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান করে।কখনও কখনও চাঁদ সেই সমতলের কাছাকাছি চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে দেখলে অন্য কোনও গ্রহের কাছাকাছি তাকে দেখা যেতে পারে। সোমবার এমনই এক অবস্থানে ছিল চাঁদ ও শুক্র।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ একই সমতলে হলে অবশ্য এমন দৃশ্য আরও ঘন ঘন দেখা যেত। আবার চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে, তখনই তৈরি হয় সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতি।তাই সোমবারের আকাশের এই দৃশ্য বিরল না হলেও, একফালি চাঁদের পাশে উজ্জ্বল শুক্রের অবস্থান যে দৃষ্টিনন্দন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির রহস্যমৃত্যুর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল কান্ড

ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। চন্দ্রকোনা থানায় চুরির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ২০ বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই যুবক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। তিনি চন্দ্রকোনা থানার অন্তর্গত বগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দিন আগে চুরির অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাটাল মহকুমা আদালত তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।পুলিশের দাবি, রবিবার থানার শৌচাগার থেকে কিছু শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। সেখানে গিয়ে রাহুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর মাদকাসক্তির কথা স্বীকার করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, থানার ভিতরেই রাহুলকে খুন করা হয়েছে। যদিও পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগচন্দ্রকোনার এই ঘটনার আগে গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থানাতেও পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওট।তোলাবাজি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। পরে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মৃতের স্ত্রী জেনি শর্মার অভিযোগ ছিল, তিনি থানার বাইরে চলে যাওয়ার পর লকআপের ভিতরে তাঁর স্বামীকে পুলিশকর্মীরা বেধড়ক মারধর করেন।যদিও পুলিশের দাবি, লকআপের ভিতরে বিরজুকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে কল্যাণীর একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পর পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ১০ আগস্ট মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন। অভিযোগ, বিজপুর রোডের কাছে মমতার কনভয়কে লক্ষ্য করে স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁর গাড়িতে কাদা ও চটি ছোড়ার পাশাপাশি চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়।চন্দ্রকোনার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে ফের পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা, বন্দিদের সুরক্ষা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রাস্তার নাম বদল? কেন তড়িঘড়ি বড় সিদ্ধান্তের পথে বিজেপি সরকার?

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি। রাস্তা, সেতু এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় পাবলিক প্লেসের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামে পরিচিত, এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। দুর্গাপুজোর পর কমিটির প্রথম বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণি নাম পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিদের নামে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে, তাঁদের ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব কমিটির কাছে জমা পড়েছে। কমিটির সুপারিশ রাজ্য বিধানসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।তথাগত রায়ের পক্ষ থেকেও একাধিক নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, লেনিন সরণির নাম করা হতে পারে প্রাক্তন ভারতীয় জনসঙ্ঘ সভাপতি দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে। কার্ল মার্কস সরণির নাম বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অথবা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সঙ্গে দুই কবিরই যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছেন তথাগত রায়। অন্যদিকে, হো চি মিন সরণির নাম বদলেরও প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, লেনিন সরণি একসময় ধর্মতলা স্ট্রিট নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে লেনিনের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে লেনিন সরণি করা হয়। এর পরের বছর সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোডের নাম বদলে করা হয় কার্ল মার্কস সরণি। শুধু বামপন্থী নেতাদের নাম নয়, মুসলিম ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কিছু জায়গার নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বারাসতের কাছে তিতুমিরের নামে থাকা বাসস্ট্যান্ডের নামও বদল করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তনের ফলে শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি মুছে যেতে বা তার চরিত্র বদলে যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে ৯২ হাজার! টেলর-এডকে টপকে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস ভারতীয় তারকার

পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় নজির গড়েছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে তাঁর একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একদিনের একক কনসার্টে এত বড় দর্শকসমাগমের নজির ভারতীয় শিল্পীর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।গত ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঞ্চে ওঠেন দিলজিৎ। তাঁর গান শুনতে সেখানে ভিড় করেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এই কনসার্টের পর আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে দিলজিতের তুলনা শুরু হয়েছে। টেলর সুইফ্ট, এড শিরানের মতো তারকারাও ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শক টেনেছেন। তবে একদিনের একক কনসার্টে দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।দিলজিৎ দোসাঞ্ঝই প্রথম ভারতীয় শিল্পী, যিনি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টানার নজির গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অ্যাডেলের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড তিনি ছাপিয়ে যেতে পারেননি।২০২৪ সালে ওয়েম্বলিতে টেলর সুইফ্টের দ্য এরাস ট্যুর-এর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৯ হাজার করে দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ফলে একদিনের কনসার্টের দর্শকসংখ্যার তুলনায় দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজারের উপস্থিতি টেলরের সেই সংখ্যার থেকেও বেশি।এড শিরানও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন। ২০১৮ সালের ডিভাইড ট্যুর এবং ২০২২ সালের ম্যাথমেটিক্স ট্যুর-সহ তাঁর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৮৪ হাজারের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। সেই তুলনায় দিলজিতের কনসার্টে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি।মাইকেল জ্যাকসনের ওয়েম্বলি রেকর্ডের সঙ্গেও দিলজিতের কনসার্টের তুলনা শুরু হয়েছে। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, ওয়েম্বলিতে সাতটি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ৫ লক্ষ ৪ হাজার মানুষ মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি। সেই পরিসংখ্যানের মধ্যেও একদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ যে বড় নজির তৈরি করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।শুধু দর্শকসংখ্যাই নয়, লন্ডনের কনসার্টে ভক্তদের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছিলেন দিলজিৎ। বিনামূল্যে পাগড়ি বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছিল আলাদা আবহ।এর আগে ২০২৪ সালে দেশজুড়ে দিল-লুমানাটি সফরেও বড় ব্যবসা করেছিলেন দিলজিৎ। সেই সফর থেকে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, তেমনই ভারতের সঙ্গীতশিল্পের অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছিল বলে আলোচনা হয়েছিল।এ বার লন্ডনের ওয়েম্বলিতে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় শিল্পীদের জনপ্রিয়তা এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তাঁর গানের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় ছুটি কোনদিন? ১৭ না ১৮ সেপ্টেম্বর, ধন্দে সরকারি কর্মীরা

বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। আগে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ছুটি থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কিন্তু আগের ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে দুদিনই ছুটি থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চের ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। ওই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতর, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড, কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বা মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।শুধু সরকারি দফতরই নয়, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও ওই দিন বন্ধ থাকবে।কিন্তু গোল বেঁধেছে ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি নিয়ে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বলে জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ সেপ্টেম্বরের ছুটির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও, ১৭ সেপ্টেম্বরের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করা হয়েছেএমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি ১৭ এবং ১৮ সেপ্টেম্বরটানা দুদিনই সরকারি ছুটি থাকছে?অর্থ দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরছে সরকারি কর্মী মহলে। কেউ মনে করছেন, নতুন বিজ্ঞপ্তির অর্থ হল ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি সরিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, যেহেতু ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তাই আগের ছুটিও বহাল রয়েছে।ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে আপাতত ১৭ না ১৮এই প্রশ্নের সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি প্রশ্ন, দুদিনই কি ছুটি? সরকারি কর্মীদের মধ্যে সেই ধোঁয়াশাই এখন সবচেয়ে বেশি।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

২ কোটির ছবি ২৫০ কোটির ব্যবসা! ‘হনুমান অংশ’-এর পর এবার তুলসীদাসকে নিয়ে বড় চমক

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হনুমান অংশ বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে আলোড়ন ফেলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। মারকাটারি অ্যাকশন, রোম্যান্স কিংবা আলফা মেল ধরনের ছবির ভিড়ে আধ্যাত্মিক ছবির এমন সাফল্য নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে সিনেদুনিয়ায়। আর সেই সাফল্যের পরেই নতুন আধ্যাত্মিক ছবির ঘোষণা করলেন পরিচালক বিশাল চতুর্বেদী।এ বার তাঁর ছবির বিষয় মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাসের জীবন। ছবির নাম রামবোলা। গণেশ চতুর্থীর শুভ দিনে ছবিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, মহাকবি তুলসীদাস কী ভাবে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, সেই কাহিনিই তুলে ধরা হবে এই ছবিতে।হনুমান অংশ-এর সাফল্যই যে নতুন ছবির ঘোষণায় বড় অনুপ্রেরণা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নিম করোলি বাবার জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করে তৈরি হনুমান অংশ কম বাজেটে বড় ব্যবসা করেছে বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেই ছবির সাফল্যের পরেই তুলসীদাসের জীবন নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশাল।ছবির ঘোষণা করে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে, গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে বিনম্রতা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকদের সামনে আনা হচ্ছে রামবোলা। গোস্বামী তুলসীদাসের অমর কাহিনিই এই ছবির মূল বিষয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মহাবীর জৈন, বিশাল চতুর্বেদী, অমিত উপাধ্যায় এবং রঘুবেন্দ্র সিংহ। ছবিটি উপস্থাপনা করবে মহাবীর জৈন ফিল্মস।এর আগে থেকেই রণবীর কপূরের রামায়ণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। ছবির নানা প্রচারঝলক ঘিরেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। তার মধ্যেই মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটের হনুমান অংশ-এর প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার দাবি আধ্যাত্মিক ছবিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।এ বার সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে রামবোলা। তুলসীদাসের জীবন, তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং তাঁর অমর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে।ভারতীয় সিনেমায় পুরাণ, ধর্মীয় কাহিনি এবং আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে ছবি নতুন নয়। তবে এই ধরনের ছবি তৈরি করতে গিয়ে নানা ধরনের বিতর্কের আশঙ্কাও থাকে। ফলে অনেক পরিচালক এমন বিষয় থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু হনুমান অংশ-এর সাফল্যের পর সেই পরিস্থিতিতে বদলের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকে। আর সেই আবহেই তুলসীদাসের জীবনকে কেন্দ্র করে রামবোলার ঘোষণা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।এখন প্রশ্ন একটাইহনুমান অংশ-এর মতোই কি দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারবে রামবোলা? তুলসীদাসের জীবন ও তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা বড় পর্দায় কী ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সিনেপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার বাড়ল, তবু কি ‘চোখে ধুলো’ পাকিস্তানের? মাসুদ আজহারকে ঘিরে রহস্য

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা মাসুদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতেই কি এমন পদক্ষেপ করল ইসলামাবাদ?মাসুদ আজহার ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতের তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের নেপথ্যে থাকা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছে।২০২১ সালে পাকিস্তানের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা মাসুদ আজহারকে গ্রেফতারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সঙ্গে ইসলামাবাদের দাবি ছিল, জইশ প্রধান পাকিস্তানে নেই, আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মাসুদ বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশাহ এলাকায় রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য সামনে আসেনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন রেড বুকে মাসুদের নাম রাখা এবং পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো পাকিস্তানের কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রকাশিত নতুন রেড বুক ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনায় অর্থ জোগান, হামলাকারীদের নৌকা ও রসদ সরবরাহের অভিযোগে ১৯ জনের নাম সেখানে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জনের ছবি এবং তাঁদের কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও বাকি দুজনের ক্ষেত্রে শুধু নাম রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব।ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এবং কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপকে শুধু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাস্তব ব্যবস্থা হিসেবে দেখার আগে তার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাসুদ আজহারের অবস্থান নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দাবির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিস্তর ফারাক রয়েছে।এখন প্রশ্ন, এফএটিএফের বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের মাথার দাম ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। পাকিস্তান সত্যিই মাসুদের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করে কি না, নাকি এটি কেবল আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল, তা নিয়েই নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal