• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Award

দেশ

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল শচীন্দ্রলালের বাড়ি, সেখানেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা শচীন্দ্রলাল সিংয়ের বাড়ি, অরুন্ধতি নগরের বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং রাতে শচীনবাবুর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। মুজিব ও তাঁর সহকারীদের রান্না করে খাওয়াতেন শচীন্দ্রলালে-র ভগিনী হেমাঙ্গিনী সিং। শচীন্দ্রলাল এখনও ত্রিপুরার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছেন। উন্নয়নের কান্ডারী টানা ২৪ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং জন্মসুত্রে ভিন রাজ্যের হলেও, কার্যত তিনি ত্রিপুরার ভূমিপুত্রই। ত্রিপুরার রূপকার বললে অত্য়ুক্তি হবে না।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মুজিবর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধু নামে অধীক পরিচিত। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাও দেশবাসী অবগত রয়েছেন। পাকিস্তান ভেঙে নতুন দেশ গঠন না হলে এখন হয়তো অন্য ইতিহাস লেখা হত। কিন্তু একজনের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করতেই হবে, তিনি হলেন ত্রিপুরার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তথা টানা ২৪ বছর প্রশাসনিক প্রধান শচীন্দ্রলাল সিং। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের এদেশের ঘর ছিল শচীন্দ্রলালবাবুর বাড়ি। সেখানে থেকে যাবতীয় পরকল্পনা রচিত হত। তাছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শচীন্দ্রলাল সিং।স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়ার কারণে শচীন্দ্রলাল সিং ১৭ বছর ব্রিটিশ জেলে কাটিয়েছেন। ভারত সরকার স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভুমিকার জন্য ৯৭ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, অতুল্য ঘোষ, গোপিনাথ বড়দলুই, হরেকৃষ্ণ মহাতাব, প্রফুল্ল্য সেনেদের সাথে শচীন্দ্রলাল সিংও ছিলেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনসান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।শচীন্দ্রলাল সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ত্রিগুনা সেনকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন ত্রিপুরা থেকে। ওনার সঙ্গে ত্রিগুনা সেনের কথা ছিল কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে ওএনজিসি দেবেন। ত্রিগুনা সেনের ঠিকানা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ওই ডিমান্ড ফুলফিল করেছিলেন ত্রিগুনা সেন। শচীন্দ্রলাল সিংয়ের আমলেই রাজ্যে গোবিন্দ বল্লভ হাসপাতাল হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরায় বড় কোনও হাসপাতাল হয়নি। পাওয়ার প্রোজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কী হয়নি তখন পরশি রাজ্যে।বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সব থেকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল সিং। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন জেল থেকে বেরিয়ে শচীন্দ্রলাল সিংকে বাংলাদেশের ঢাকায় নিয়ে যান মুজিবর রহমান। সেখানে রেড কার্পেটে তাঁকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। মুজিবর রহমান শচীনবাবুর জন্য চেয়ার ছেড়ে দেন। তখন শচীনবাবু বলেছিলেন, এটা হয় না, আপনি বসুন। শচীন্দ্রলাল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্য়তম হোতা। মুজিবর রহমানের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। শচীন্দ্রলালবাবুর ছোট ছেলে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বাবার সৌজন্যে তাঁকে সোনার নৌকা দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। একসময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ত্রিপুরা, রাজ্য গঠন করার ক্ষেত্রেও অগ্রনী ভূমিকা ছিল শচীন্দ্রলাল সিংয়ের। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দাবি করেছিলেন রেললাইন চাই, ধর্মনগর অবধি সেই রেললাইন স্থাপিত হয়। ১৯৭৭ এ যখন তিনি সাংসদ হন সে সময় তৎকালীন রেলমন্ত্রী মধু দণ্ডবতকে অনশন করার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ধর্মনগর থেকে আগরতলা রেললাইন করতে হবে। যেদিন সংসদ ভবনের সামনে অনশনে বসার কথা, সেদিন সকালে মধু দন্ডবতে তাঁর দিল্লী বাসভবনে এসে সরকারের অর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন আপাতত কুমারঘাট অবধি রেললাইন দেওয়া হচ্ছে, পড়ে ওটা বর্ধিত করা হবে।শচীন্দ্রলাল সিং খেলার প্রসারের জন্য স্টেডিয়াম করেছিলেন। উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভাদেবী বনমালীপুরে একটি বাড়ি দিয়েছিলেন ত্রিপুরার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শচীনবাবুকে বসবাস করার জন্য। ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল খোঁজ নিয়ে জানলেন ত্রিপুরাতে কোনও মহিলা কলেজ নেই। তিনি মহিলাদের শিক্ষাপ্রসারের জন্য সেই বাড়ি দান করে দেন কলেজ করার জন্য। এখন সেখানে স্থাপিত হয়েছে আগরতলা উইমেন্স কলেজ। শচীনবাবুর প্রধান সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখ্যগয় হলেন তসলাম ফা, ওয়াজেদ আলি, মনসুর আলি, চক্র ফা, বুলু কুকি, কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য। এই কৃষ্ণদাস তাঁর মন্ত্রী সভায় অর্থ মন্ত্রী ছিলেন।২০১২-এর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্র, ঢাকাতে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বাঙালি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা তাঁকে প্রদান করেন।মুজিবর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই থাকতেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী, জহরলাল নেহরুর সময় থেকেই। ১৯৭১ ১লা নভেম্বর সারাদিন বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ও শচীন্দ্রলাল সিংকে নিয়ে। ফিরে এসে আগরতলা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে কথাবার্তা চলাকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আপনি সীমান্ত খুলে দিয়েছেন, অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য করছেন, আপনি তো দেশকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দিরাকে ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল জবাব দেন, আমি যা করছি তা দেশের মঙ্গলের জন্যই করেছি এবং আপনার জন্যই করছি। আমি একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব আপনার নামই করবে, আমার নই। ইতিহাস আপনাকেই স্মরণ করবে। আরও বলেন, আমি আপনার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আপনি আমাকে রাজনীতি শেখাবেন না। একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হজম না করতে পেরে দিল্লী ফিরেই ১লা নভেম্বর ১৯৭১ রাতে ত্রিপুরাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেন ইন্দিরা। ভেঙে দিলেন কংগ্রেসের-ই সংখ্যাগড়িষ্ট সরকার। তবুও দমলেন না দেশ তথা ত্রিপুরার প্রতি দায়বদ্ধ শচীন্দ্রলাল সিং, তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে ফোন করে বলেন Imposition is a great sin। সেই রাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন ত্যাগ করে পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বাসভবনে ফিরে যান। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন দাপুটে ইন্দিরা গান্ধীকে। তখনও তাঁর পাশে ছিলেন ত্রিপুরার আপামর সাধারণ মানুষ। অনবরত সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছেন শচীনবাবুকে। নির্দল প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল।জাতপাতের উর্দ্ধে রাজনীতি করতেন শচীন্দ্রলাল সিং। মানুষকে মানুষ ভাবতেন। সাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন অনায়াসে। এই দেশে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন অমিল। ত্রিপুরার আদিবাসীরা মনে করতে শচীন্দ্রনাথবাবু তাঁদের ঘরের লোক। আদিবাসী সমাজে তাঁর নাম ফাটা ছিলুম তার মানে ছেঁড়া কাপড়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এতটাই আপন ছিলেন তিনি। কাছে টেনে নিয়েছিলেন মনিপুরি, সংখ্যালঘুসহ সকলকেই। কোনও ভেদাভেদ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারেননি। ২০০০ সালে ইহলোক ত্যাগ করলেও ত্রিপুরার মানুষ ভোলেনি শচীন্দ্রলাল সিংকে। এখনও তাঁর জন্মদিনের উৎসবে হাজির হন অগনিত মানুষ।শচীন্দ্রলালবাবুর বড় ছেলে আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। এখন দলের কোর কমিটির সদস্য। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছেও আশিসবাবু কাছের মানুষ, মাটির মানুষ। পাহাড় থেকে সমতল হোক রাত-বিরেতে কেউ বিপদে পড়লেই পাশে থাকেন শচীন্দ্রপুত্র আশিসলাল। তিনিও মহান পিতার মতোই কোনও জাতিগত ভেদাভেদে বিশ্বাস করেন না। তাঁর ভাবনাতেও রয়েছে বাবার মতোই ত্রিপুরার উন্নয়ন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয়ের স্বীকৃতি, নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন শ্রীলেখা মিত্র

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অভিনয় দক্ষতার পরিচয় তিনি বার বার দিয়েছেন। যার পরিনাম স্বরূপ আজও দর্শকদের মনের মণিকোঠায় তিনি। এবার অভিনেত্রী ও তাঁর অগণিত ভক্তদের জন্য রয়েছে একটা বিশেষ সুখবর। আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা। ভালো অভিনয়ের পুরস্কারও পেলেন তিনি। নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন। সুখবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী লিখেছেন, হ্যাঁ ২০২২ নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য সেরা অভিনেতা (মহিলা)-র মনোনয়ন পেয়েছি। মগ্ন শ্রীলেখাগতবছর থেকেই আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর এই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই ছবির প্রিমিয়ার হয়। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা। এবার এই ছবির জন্যই সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পরিচালক হিসাবে অভিষেক হয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর। তাঁর পরিচালিত ছবি এবং ছাদ বেঙ্গালুরু কোলাজ চলচ্চিত্র উৎসব-এ দেখানো হয়। এই খুশির খবরের মধ্যেই আরও একটি খুশির খবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন টলি হার্টথ্রব শ্রীলেখা।

এপ্রিল ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অস্কার মঞ্চে গডফাদারের কলাকুশলীরা

হলিউডের ডলবি থিয়েটারে আয়োজিত ৯৪তম একাডেমি পুরস্কারের মঞ্চে শুধু ২০২১ সালের সেরা চলচ্চিত্রকে সম্মানিত করা হয়নি। এর পাশাপাশি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে গডফাদার ট্রিলজিকেও। গডফাদার মুক্তির ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপনে ছবির পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা, তারকা অভিনেতা আল পাচিনো ও গডফাদার২এর তারকা রবার্ট ডি নিরো হাজির হয়েছিলেন অস্কারের মঞ্চে।৯৪তম অস্কারের মঞ্চে এক এক করে পাওয়া যায় ৮২ বছর বয়সী কপোলা, ৮১ বছর বয়সী আল পাচিনো ও ৭৮ বছর বয়সী ডি নিরো। মঞ্চে কপোলা প্রথমে দর্শক এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানান। তারপর রবার্ট নিরো ও পাচিনোর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞ, তাঁরা এখানে এসেছেন এবং আমি তাঁদের সঙ্গে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করতে পারছি। কপোলা আরও বলেন, ৫০ বছর আগে এ প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছিলাম অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে, যাঁদের বেশির ভাগই কিংবদন্তি। সময়ের অভাবে অনেকের নাম আমি এখানে উল্লেখ করতে পারছি না। কিন্তু আপনারা তাঁদের বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে দুজনের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। গডফাদার উপন্যাসের লেখক মারিও পুজো এবং প্রয়াত প্রযোজক রবার্ট ইভান্স। এই দুজনের সহযোগিতায় এই তিনটি আইকনিক চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। প্রকাশ্যে তাঁদের কখনোই ধন্যবাদ জানানো হয়নি। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন দেখিয়ে এই চলচ্চিত্র নির্মাতা তাঁর বক্তৃতা শেষ করেন।বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কালজয়ী সিনেমা দ্য গডফাদার। মারিও পুজোর উপন্যাস থেকে নির্মিত সিনেমাটি ১৯৭২ সালে অস্কার জেতে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য মার্লন ব্র্যান্ডো সেরা অভিনেতার জন্য অস্কার পেলেও তিনি পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। মারিও পুজো ও ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা সেরা চিত্রনাট্য পরিকল্পক বিভাগে অস্কার লাভ করে। ছবিটি আরও সাতটি বিভাগে অস্কারের মনোনয়ন পেয়েছিল।

মার্চ ২৯, ২০২২
বিদেশ

অস্কারের মঞ্চে উঠে সঞ্চালককে সপাটে চড় উইল স্মিথের!

৯৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারের মঞ্চ কাঁপিয়ে দিল সপাটে একটি চড়! স্ত্রীকে নিয়ে চটুল রসিকতার শাস্তি হিসেবে সোজাসুজি সঞ্চালক কমেডিয়ান ক্রিস রককে চড় মেরেছেন স্মিথ।অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে সঞ্চালক ক্রিস নানা ধরনের রসিকতা করছিলেন। তার মধ্যেই একটি রসিকতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন স্মিথের স্ত্রী জা়ডা পিঙ্কেট। ক্রিস বলেন, জি আই জেন-এর সিক্যুয়েলের অপেক্ষায় রয়েছি আমি। এতে বেজায় চটে যান স্মিথ। নিজের আসন ছেড়ে সটান উঠে দাঁড়িয়ে সোজা উঠে যান মঞ্চে। তার পরেই চড় মারেন ক্রিসকে!VIA JAPANESE TELEVISION: The uncensored exchange between Will Smith and Chris Rock pic.twitter.com/j0Z184ZyXa Timothy Burke (@bubbaprog) March 28, 2022রাগ কমেনি তার পরেও। নিজের আসনে ফিরে ফের চিৎকার করে ওঠেন স্মিথ। বলেন, তোমার (নোংরা) কথা থেকে আমার স্ত্রীকে দূরে রাখো। ২০১৬-তেও সঞ্চালনার সময়ে পিঙ্কেটকে নিয়ে রসিকতা করেছিলেন ক্রিস। এ বারও বোঝাতে যান, রসিকতাই করছিলেন তিনি। তার পরেও চিৎকার করে তাঁকে একই কথাই বলেন স্মিথ।১৯৯৭ সালের ছবি জি আই জেন-এ নায়িকার চরিত্রে অভিনেত্রীর মাথায় চুল কম থাকা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। স্মিথের স্ত্রী জাডার মাথাতেও চুল কম থাকায় সম্ভবত রসিকতা করে তাঁকে জি আই জেন ২-এর নায়িকা হিসেবে ইঙ্গিত করেন ক্রিস। বাস্তবে অ্যালোপেশিয়া নামে একটি রোগে আক্রান্ত উইল স্মিথের ঘরনি। এই রোগের শিকার হলে মাথার চুল পড়ে যায়। অসুস্থতা ,নিয়ে রসিকতা করাতেই মেজাজ হারান উইল স্মিথ।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন আইএসএলে সেরার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা?‌

এবছর আইএসএলের শুরুর দিকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি এটিকে মোহনবাগানকে। ব্যর্থতার জন্য কর্তারা সরিয়ে দিয়েছিলেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। জুয়ান ফেরান্দো দায়িত্ব নিয়েই দলকে সাফল্যের রাস্তায় নিয়ে এসেছিলেন। টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও গড়েছিল এটিকে মোহনবাগান। লিগে টেবিলেন দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে আইএসএলের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণ হয়নি। দুই পর্বের সেমিফাইনাল মিলিয়ে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৩২ ব্যবধানে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। শুধু দলের ব্যর্থতা নয়, এবারের আইএসএল থেকে কোনও পুরস্কার জিততে পারেননি ফুটবলাররাও। কেন আইএসএলের পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা? কোন ফুটবলার কী পুরস্কার পেলেন, একঝলকে দেখে নেওয়া যায়।এবছর ১৮টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন হায়দরাবাদ এফসির তারকা স্ট্রাইকার বার্থোলেমিউ ওগবেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি অগ্রণী ভুমিকা নিয়েছিলেন। তিনি পেয়েছেন গোল্ডেন বুট। গতবছর ১৪ গোল করে গোল্টেন বুট পেয়েছিলেন এফসি গোয়ার স্ট্রাইকার ইগর অ্যাঙ্গুলো। রয় কৃষ্ণাও করেছিলেন ১৪ গোল। তবে তিনি ২৩ ম্যাচ খেলেছিলেন। অ্যাঙ্গুলো খেলেছিলেন ২১ ম্যাচ। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন জামশেদপুর এফসির গ্রেগ স্টুয়ার্ট। এবছর আইএসএলে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছেন স্টুয়ার্ট। ২১ ম্যাচে তিনি করেছেন ১০। গোল করার দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকলেও দলের বেশিরভাগ গোলের পেছনে তিনি অবদান রেখেছিলেন। দুরন্ত ফুটবল খেলে জামশেদপুর এফসিকে লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে সেরা ফুটবলার হওয়ার লড়াইয়ে ছিলেন এটিকে মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো। কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলতে না পারায় তাঁর ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল না।ফাইনালে তিনতিনটি টাইব্রেকার বাঁচিয়ে এবছর হায়দরাবাদ এফসিকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করেছেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। সেমিফাইনালেও এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুরন্ত খেলেছিলেন। তবু গোল্ডেন বুটের পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন কেরালা ব্লাস্টার্সের গোলকিপার প্রভসুখন গিল। গোটা আইপিএল জুড়ে তিনি তিন কাঠির নীচে অপ্রতিরোধ্য ছিলেন।

মার্চ ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস সবচেয়ে দুর্দান্ত অভিনয় শিল্পীদের স্বীকৃতি দিল

জয় ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলা ২০২২ ছিল ধুমধামের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি তারকা-খচিত সন্ধ্যা কারণ কলকাতার ওয়েস্টিন, রাজারহাটে বাংলা সিনেমার চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠত্বের প্রশংসা করেছিল। মহান জাঁক জমক ও আড়ম্বরের মধ্যে উদযাপিত হল , পুরষ্কার অনুষ্ঠানের পঞ্চম সংস্করণটি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে স্বীকৃত নামগুলির জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং শিল্পীদের স্পটলাইট আলোকিত করেছে।রাতের বেলায় সবচেয়ে বেশি উল্লাস ছিল বরুন বাবুর বন্ধু এবং টনিক চলচ্চিত্রের জন্য, যেখানে দুটি সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে বিজয়ী হিসেবে আইকনিক ব্ল্যাক লেডি ভাগাভাগি করতে চলেছে। উভয় সিনেমার কাস্ট তাদের গৌরবের মুহূর্তে তাদের পথ তৈরি করায় মঞ্চটি দেখার মতো ছিল। ৮১ বছর বয়সে, পরাণ বন্দোপাধ্যায় প্রমাণ করেছিলেন যে বয়স একটি সংখ্যা ছাড়া কিছুই নয়, কারণ অভিনেতা টনিকের জন্য প্রধান ভূমিকায় (পুরুষ) সেরা অভিনেতা দাবি করেছিলেন। অভিনেতা বলেন, ছবিটি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পকে অক্সিজেন দিয়েছে। বয়সের মাপকাঠির অন্য প্রান্তে ছিলেন কিশোর এবং শিশু শিল্পী সামিউল আলম যিনি ট্যাংরা ব্লুজ চলচ্চিত্রে তার দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য পার্শ্ব চরিত্রে (পুরুষ) সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন। জয়া আহসান গর্ব ও আনন্দে উদ্ভাসিত ছিলেন কারণ তিনি বিনিসুতয় তার দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য প্রধান চরিত্রে (মহিলা) সেরা অভিনেতার স্বীকৃতি পান। লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় প্রবীণ চলচ্চিত্র অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককে। প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে ১০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, তারকা সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির কাছ থেকে পুরস্কারটি পান। একজন ডাক্তার হিসাবে রোগীদের চিকিত্সা করা থেকে প্রথমবারের মতো অভিনয়ে পরিবর্তন করার পদক্ষেপটি কিঞ্জল নন্দার জন্য একটি ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়েছিল কারণ তিনি হীরালাল ছবিতে তার ভূমিকার জন্য সেরা আত্মপ্রকাশ (পুরুষ) পুরস্কারটি ঘরে তুলেছিলেন। সাক্ষী হওয়ার আরেকটি স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল অর্পিতা চ্যাটার্জি তার ২৩ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পাওয়া। অভিনেত্রী আইকনিক ব্ল্যাক লেডির সাথে তার বড় মুহূর্ত পেয়েছিলেন কারণ তিনি আব্যাক্তোতে তার অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী (সমালোচক) পুরস্কার জিতেছিলেন। যেখানে অর্পিতা তার প্রথম ফিল্মফেয়ার গৌরবের স্বাদ পেয়েছিলেন, বাবা যাদব, ভারতীয় চলচ্চিত্র কোরিওগ্রাফার, এবং বাংলা ও হিন্দি সিনেমার পরিচালক, তার তৃতীয় পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি ম্যাজিক চলচ্চিত্রের রোমান্টিক ট্র্যাক মোন আনমোনের জন্য সেরা কোরিওগ্রাফির পুরস্কার জিতে নেন।

মার্চ ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মহারাষ্ট্রে পুরস্কৃত হল বাংলার স্বল্প দৈর্ঘের ছবি 'স্বপ্ন'

১২০০ টির ও বেশী স্বল্প দৈর্ঘের ছবি নিয়ে আয়োজিত রিল ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (Reel International Film Festival) প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হল বাংলার স্বল্প দৈর্ঘের ছবি স্বপ্ন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সূর্যদীপ। এই রিল ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয় মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে। ছবির পরিচালক জনতার কথাকে জানান, প্রতিযোগিতাটা খুব কঠিন ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার মোট ১২০০ এর বেশি স্বল্প দৈর্ঘ্য ছবি এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করেছিল। ভারত সহ ইংল্যান্ড, জার্মান, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, কানাডা, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও আরও অন্যান্য দেশের বিখ্যাত পরিচালকদের ছবির পাশাপাশি আমার পরিচালিত বাংলা ছবি স্বপ্ন স্পেশল জুড়ি পুরস্কার (Special Jury Award) পাওয়ায় আমি ভীষণ খুশি। ছবি সম্বন্ধে জানাতে গিয়ে তিনি জানান, বর্তমান বিশ্বের বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের প্রধান সমস্যা শিশুশ্রমিক, তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার বক্তব্য নিয়েই আমাদের এই গল্প।স্বপ্ন শর্টফিল্ম সম্মন্ধে বলতে গিয়ে ফিল্মের পরিচালক সূর্যদীপ জনতার কথাকে বলেন, আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাবো গল্পের লেখক বিশ্বজিৎ চৌধুরী কে, এবং সেই সঙ্গে স্বপ্ন শর্ট ফিল্মের সকল কলা কুশলীদের। বিশ্বজিৎ বাবুর গল্পটা আমাকে ভীষণ ভাবে নাড়া দেয়, ভালো গল্প হলে পরিচালনার দায়িত্ব টাও অনেকটা বেড়ে যায়, তাই আমি আমার যোগ্যতা অনুযায়ী চেষ্টা করেছি একটা ভালো ছবি দর্শকদের উপহার দেওয়ার জন্য। বর্তমানে বাংলা ছবির দর্শক সংখ্যা হাতে গুনে বলে দেওয়া যায়, আর শর্টফিল্ম শুনলে তো সেটা হাসির খোরাক হয়ে যায় অনেকের কাছে, তাই মানুষ যাতে আরো বেশি করে বাংলা ছবি দেখে, বাংলা ছবি দেখার আগ্রহ দেখায় তার দায়িত্ব যেমন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট বর্তমান পরিচালকদের, তেমনই আমাদের মতো নবাগত শর্টফিল্ম পরিচালকদের ও সেই দায়িত্বটা সমান ভাবে নিতে হবে, তবেই দর্শক বন্ধুরা বেশি করে বাংলা ছবি দেখার আগ্রহ দেখাবেন।স্বপ্ন তে অভিনয় করছেন একাধিক নতুন মুখ, যাদের মধ্যে অনেকেই ক্যামেরার সামনেও প্রথম বার। এই ছবির প্রধান দুই চরিত্র, দুই শিশু শিল্পী শান্তনু চক্রবর্তী ও বর্ষা পাল, যাদের অভিনয় ইতিমধ্যে বহু মানুষের প্রশংসা পেয়েছে, শুধু তাই নয়, পেয়েছে তিন তিনটি ফেস্টিভ্যাল থেকে শ্রেষ্ট শিশু শিল্পীর পুরস্কার। সূর্যদীপ আরও জানান, আমি ষ্টার কাস্ট এ বিশ্বাসী নই । সুপ্ত প্রতিভা গুলো বের করে আনতে সর্বদা চেষ্টা করি। কাজ টা যথেষ্ট কঠিন হলেও আমি ভরসা রাখি নতুনদের উপর। ছোট এবং নবাগত শিল্পীদের দের নিয়ে কাজ একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, আমি সেটা সর্বদা নিতে প্রস্তুত। আমি মনে করি নতুন শিল্পী উঠে না আসলে প্রথম যে সমস্যাটা হবে সেটা হল, দর্শক দের মধ্যে একই মুখ দেখতে দেখতে একঘেয়েমি ক্লান্তি এসে যাবে, আর যেটা হবে সেটা হল, জেনেরেশন গ্যাপ বা সাপ্লাই চেন বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কোনো পরিচালকের ক্ষমতা থাকে না কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রী কে ষ্টার বানানোর। তাদের চেষ্টা আর প্রতিভাই তাদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেয়। পরিচালকের কাজ তাদেরকে চরিত্রগুলো তে কি কি বৈশিষ্ট আছে, তা সন্মন্ধে একটা পরিষ্কার ধারণা দেওয়া আর টেকনিকালি সঠিক কিছু পদ্ধতি ও কৌশল তাদেরকে শিখিয়ে দেওয়া মাত্র।এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গেছে বেশ কিছু থিয়েটার কর্মীদের, যার মধ্যে অনুপম মুখার্জি ও পুষ্পিতা বক্সী অন্যতম। সূর্যদীপ নিজেও একজন নাট্য জগতের মানুষ তাই নাটকের শিল্পীদের নিয়ে কাজ করতে হয়ত তিনি পছন্দ কড়েছেণ। এই প্রসঙ্গে তিনি জনতার কথাকে বলেন, নাটকের ছেলে মেয়েদের নিয়ে কাজ করলে কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায় কারণ পরিচালক ঠিক কি চাইছে তারা খুব সহজেই বুঝে যায়।স্বপ্ন শর্টফিল্মে চিত্রগ্রহনের দায়িত্বে ছিলেন সৌনক দাস ও সৌরভ সাহা। নতুন অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে সুবীর মুখার্জী, লক্ষী হালদার, সুমন অধিকারী, পিন্টু ঘোষাল, অর্ণব সেন গুপ্ত ও বান্টি হালদারকে অভিনয় করতে দেখা গেছে এই ছবিতে। এখনো পর্যন্ত স্বপ্ন শর্টফিল্মটি পনেরো টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে সর্বমোট নয়টা ফেস্টিভ্যাল থেকে পুরস্কৃত হয়েছে।।

মার্চ ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

ইতিমধ্যে অরূপ সেনগুপ্ত নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। বলিউড থেকে একাধিক স্বপ্ন নিয়ে অরূপ বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। পরিচালনা করতে থাকেন চার এক্কে প্যাঁচ, এ.কে.Ray, Unethical-র মতো শর্টফিল্ম। এর আগেও বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে তার পরিচালিত শর্টফিল্ম আনএথিক্যাল। কিন্তু এবার তামিল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ মনোনীত হয় অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আরোহন প্রোডাকশন এর প্রযোজিত ছবি আনএথিক্যাল এবং জিতে নেন বেস্ট কনসেপ্টচুয়্যাল অ্যাওয়ার্ডস। অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আনএথিক্যাল-এ অভিনয় করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য, পৌলমী দাস, পূজা গাঙ্গুলি এবং সুপর্ণা চ্যাটার্জী। অরূপ সেনগুপ্তের হাত ধরে প্রথম বাংলা সিনেমার জগতে পা রাখতে চলেছে তন্ময়। এই ছবির অ্যাওয়ার্ড নিয়ে জনতার কথা কে অরূপ জানান, এই ছবিটা ২৭ মিনিটের। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি অনুষ্ঠিত হয়েছে অনলাইনে। খুব ভালো লাগছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দর্শক ভোটে সেরা ফারুকীর ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’

বাংলাদেশের জনপ্রিয় পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর জন্য খুশির খবর। ভেসুল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব এশিয়ান সিনেমাসে এবার দর্শকদের ভোটে সেরা সিনেমা নির্বাচিত হল তাঁর নির্মিত ছবি নো ল্যান্ডস ম্যান। এই ছবিটি ইরানের রেজা দরমিশিয়ানের নো চয়েস ছবির সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছে। চলচ্চিত্র উৎসবের সেরা পুরস্কারগুলোর মধ্য অন্যতম দর্শক জরিপ পুরস্কার বা অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড। কারণ, চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমা দেখে সরাসরি দর্শকেরা এই ক্যাটাগরিতে ভোট দিয়ে সেরা ছবি নির্বাচিত করেন। ২৮তম আসর শুরু হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। উৎসবে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। পুরস্কার অর্জন প্রসঙ্গে এই পরিচালক বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নো ল্যান্ডস ম্যান আমার জন্য একটা স্পেশাল ছবি। ফলে সেটা যেকোনো স্বীকৃতি পেলেই আমি কৃতজ্ঞ বোধ করি। আর যখন সেটা ফেস্টিভ্যালের দর্শকদের ভোটে হয়, তখন নিশ্চয়ই অন্য রকম আনন্দ হয়।মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা নওয়াজউদ্দীন সিদ্দিকী। এছাড়া রয়েছেন মেগান মিচেল, তাহসান, এশা চোপড়া, বিক্রম কোচার, হোলি ফ্রেসার সহ আরও অনেকে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার সম্মানিত হবেন ক্যামেরার পিছনের মানুষরাও, আয়োজনে কলাকৃতী অ্যাওয়ার্ড

অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলাকৃতী অ্যাওয়ার্ড ২০২২। যেখানে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পাশাপাশি ক্যামেরার পিছনে থাকা মানুষদের সম্মান জানানো হবে। এরকম একটা সুন্দর ভাবনা যেটা সচরাচর অ্যাওয়ার্ড শো তে দেখা যায় না। এই ভাবনাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে তার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, সুদীপ্তা ব্যানার্জি, প্রীতি বিশ্বাস সহ আরও অনেকে। এই অ্যাওয়ার্ডের মূল উদ্যোক্তা রিঙ্কি জানালেন, কোনও অ্যাওয়ার্ড শো বা ইভেন্ট করতে গেলে আগে স্টাডি করতে হয়। স্টাডি না করলে সেটা করা সম্ভব হয় না। যারা ক্যামেরার পিছনে থাকেন তাদের সংবর্ধিত করলে কাজের উৎসাহটা আরও বেড়ে যাবে। তাই এরকম অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান করার ভাবনা নিয়েছি।টলিউড ও বাংলাদেশ দুটোকে অ্যাটাচ করা হয়েছে। ক্যামেরার পিছনের মানুষদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পেলে কাজের ইচ্ছে শতগুণ বেড়ে যায়। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি মানেই একটা স্পেশাল ফিল করায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বেঙ্গল এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহনলাল রশিদ

থিওফেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধীর পর এবার বেঙ্গল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়ে আবারো মুর্শিদাবাদ জেলা তথা সমগ্র রাজ্যবাসীর মুখ উজ্জ্বল করলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়াবিদ ডক্টর মুস্তাক রশিদ ওরফে মোহনলাল রশিদ। গীতাঞ্জলি আয়োজিত বেঙ্গল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২ অনুষ্ঠানে সকলের প্রিয় অভিনেত্রী উর্মি অর্থাৎ অন্বেষা হাজরার হাত থেকে এই অ্যাওয়ার্ডটি পান মোহনলাল বাবু। বিশেষ ভাবে উল্ল্যেখ তাঁর অসামান্য সমাজসেবা মূলক কর্মকান্ডের জন্য তিনি এই সম্মানে সম্মানিত হন। উক্ত অনুষ্ঠানে বেঙ্গল এক্সিলেন্স লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পান বিখ্যাত অভিনেতা পরান বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ কুনাল সরকার, বাঙালির প্রিয় মিষ্টি রসগোল্লার আবিষ্কারক নবীন চন্দ্র দাসের কীর্তি সহ, শুভময় চট্টোপাধ্যায়, লক্ষী কাশি, অলোক কুমার আঢ্যচ, অজন্তা সরকার, তপন রায়, অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা, কৌশিক হোসেন তাপস সহ বহু গুণী জন কেও সম্মানিত করা হয় এই অনুষ্ঠানে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, Charity begins at home, তার যথার্থ প্রমান মুর্শিদাবাদের মোহনলাল রশিদ। করোনার প্রকোপে যখন চারিদিকে কার্যত ত্রাহি ত্রাহি রব দেখা দিয়েছিল, প্রাণ বাঁচাতে শুরু হলো লকডাউন, তখন নির্দ্বিধায় নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। দিনের পর দিন রান্না করা খাবার পৌঁছে দেন মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রোগী ও আত্মীয়দের জন্য। এভাবেই বহু দিন চলতে থাকে সহস্র মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা। সমাজ সাধারণত যাদের মূল স্রোত থেকে কিছুটা হলেও দূরে সরিয়ে রাখে সেই বৃহন্নলা দের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। অতিমারীর প্রকোপে যখন চারিদিকে অক্সিজেনের হাহাকার, তখন অসুস্থদের প্রাণ বাঁচাতেও উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন তিনি। তাছাড়াও বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নতিকল্পে সর্বাঙ্গিক সাহায্য, প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার বিরতন তো কখনো অসহায়দের বস্ত্র ও শীতবস্ত্র বিতরণ এমন অগণিত ভাবে সর্বদা মানুষের পাশে থাকতে দেখা গেছে মোহনলাল বাবুকে। এছাড়াও প্রত্যেক শুক্রবার বহরমপুরে অসহায়দের খাদ্য বিতরণ করা হয় তাঁরই নির্দেশে। শুধু তাই নয়, ক্রীড়া জগতের প্রতিও রয়েছে তাঁর প্রচন্ড টান। প্রাক্তন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে তাঁর। বহুবার তাকে দেখা গেছে খেলার ময়দানে উন্নতি কল্পে পাশে থাকতে। যুব সমাজ কে উৎসাহিত করে ফের তাদের মাঠমুখী করতে যথেষ্ট অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে তাঁকে। মোহনলাল বাবু পিছিয়ে নেই পরিবেশপ্রেমী হিসেবেও। পরিবেশ রক্ষার্থেও বিভিন্ন উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন তিনি। এক কথায় বলতে গেলে তিনি প্রমান করে দিয়েছেন মানুষ মানুষের জন্য। এই জয় শুধু তাঁর একার জয় নয়, এই জয় মানুষের মানবিকতার জয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
দেশ

পদ্ম-সম্মান ফেরালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়! আর কে কে পদ্ম পাচ্ছেন দেখে নিন

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দেওয়া পদ্মসম্মান কি গ্রহণ করবেন বাংলার শেষ কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী? মঙ্গলবার রাত থেকে সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। বুদ্ধদেব নিজেই সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁর পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বুদ্ধদেবের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেউ এক জন ফোন করেছিলেন। তখন সম্মতি দেওয়া হয়। বুদ্ধদেব বিষয়টি তখন জানতেন না। পরে খবর জেনে পত্রপাঠ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন। রাতে তাঁর তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদ্মশ্রী সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ও।#UPDATE | In a statement, former West Bengal CM Buddhadeb Bhattacharjee says he will not accept the Padma Bhushan award https://t.co/YiEYyxTNGH ANI (@ANI) January 25, 2022সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার সন্ধেয় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হল দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত। চারজনকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করল কেন্দ্র। এই তালিকায় নাম রয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রভা আত্রে (কলা)। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন তিনজন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং (সামাজিক অবদান), উত্তরপ্রদেশের রাধেশ্যাম খেমকা (শিক্ষা ও সংস্কৃতি)। পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্যনারায়ণ নাদেলা এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই। একই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালার বাবা সাইরাস পুনাওয়ালা। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদও সম্মানিত হয়েছেন এই সম্মানে। বাংলা থেকে কলাক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটা অ্যান্ড সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণও পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান।Microsoft CEO Satya Nadella, Alphabet CEO Sundar Pichai, SII MD Cyrus Poonawalla to be conferred with Padma BhushanOlympians Neeraj Chopra, Pramod Bhagat Vandana Kataria, and singer Sonu Nigam to be awarded Padma Shri pic.twitter.com/J5K9aX9Qxz ANI (@ANI) January 25, 2022বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় নাম রয়েছে দুজনের। তাঁরা হলেন প্রহ্লাদ রাই আগরওয়াল এবং সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞান)। অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াও পেয়েছেন এই সম্মান।পদ্ম-বিজয়ী

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয়ের স্বীকৃতি, বিশেষ পুরস্কার পেলেন অন্বেষা

দক্ষিণ কলকাতার আইসিসিআর-এ হয়ে গেল বেঙ্গল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের বিশেষ অনুষ্ঠান। পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শিবনাথ দে সরকার, কল্যাণ সেন বরাট, ডক্টর কুণাল সরকারের মধ্যে মোস্ট প্রমিসিং অ্যাক্ট্রেস এই বিশেষ সম্মানে সম্মানিত হলেন অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা অর্থাৎ এই পথ যদি না শেষ হয় ধারাবাহিকের ঊর্মি। অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে নিয়েছেন ছোটপর্দার এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি লিখেছেন, আওয়ার্ড সব সময় আরো ভালো কাজ করার জন্য অনুপ্রানিত করে। আর আজকের এই Bengal Excelence এর Most Promising Actress এর সন্মান শুধু আমার নয় আমি এতো দিন ধরে এবং এখনও যে সমস্ত ট্যালেন্টেড অভিনেতা অভিনেত্রী, ডিরেক্টর স্যার, ডি ও পি স্যার, গল্পের লেখক, লেখিকা, চ্যানেল, সমস্ত টেকনিশিয়ান দাদা, দিদি যাদের সাথে কাজ করছি তাদের সবার জন্য। কারণ আমরা কেউ ই কাউকে ছাড়া সম্পুর্ণ নই। আশীর্বাদ করুন যাতে চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারি। সব্বাই যাতে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।পুরস্কার পাওয়ার অভিজ্ঞতা জনতার কথার সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, খুব ভালো অনুভূতি। এটা আমার দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাকে বলে দিয়েছে আরও মন দিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরও জানালেন, এই অ্যাওয়ার্ডটা আমার একার নয়। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করছি, যাদের সঙ্গে কাজ করে এসেছি সবার জন্য।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘চার এক্কে প্যাঁচ'-র জন্য জোড়া পুরস্কার পেলেন পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

চালচ্চিত্র রোলিং অ্যাওয়ার্ড-এ জোড়া পুরস্কার পেল পরিচালক অরূপ সেনগুপ্তের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ। গত ২ বছরের বন্দি দশা কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে সিনেমা আবার হলমুখী করাচ্ছে। পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামিল হয়েছে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিও। আর এই প্রতিযোগিতায় বেস্ট কমেডি ফিল্ম এবং বেস্ট এন্থুসিয়াস্টিক ফিল্মমেকার পুরস্কার জিতল অরূপ সেনগুপ্তের স্বল্প দৈঘ্যের ছবি চার এক্কে প্যাঁচ।এই ছবির পুরো শুটিং এক দিনের শেষ করেছেন পরিচালক ও তার টিম। শুটিং হয়েছে বারুইপুর স্কুল ও যাদবপুরে। এখন বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালের জন্য পাঠানো হয়েছে ছবিটা। সেইসব ফেস্টিভ্যাল থেকে ভালো কিছু ফিডব্যাক পাবেন আশাবাদী অরূপ সেনগুপ্ত।পরিচালক জনতার কথা-কে জানিয়েছেন, আমার ছবিটা ১৭ মিনিট এর। একটি কমেডি শর্টফিল্ম। এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয় করেছেন অসীম রায়চৌধুরী, দেবমাল্য গুপ্ত, ঈশিকা রায়, রাজ্জাক হোসেন, প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবির গল্প লিখেছেন বোধিসত্ব মজুমদার। চিত্রগ্রাহক রতন মন্ডল। সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব সামলেছেন অরিন। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন নিখিল আগরওয়াল। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় পরিচালক হিসাবে ভালো কাজ করার উৎসাহটা আরও বেড়ে গেল।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাংবাদিক থেকে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার বিজেতা পরিচালক মুখোমুখি জনতার কথার

সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী, বহুল প্রচারিত সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিনোদন বিভাগে সাংবাদিকতা করতে করতে সিনেমা বানানোর প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। সেই ভালোবাসার টানেই সাংবাদিকতা ছেড়ে ২০১৭ থেকে এখনও অবধি ছবি নির্মাণেই নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। সম্প্রতি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল তাঁর এলএসসি। এলএসসি দিয়ে শুরু করে, সাংবাদিক থেকে চিত্র পরিচালক হয়ে ওঠার জার্নি ফোন-ইন্টারভিউতে জনতার কথা-র সায়ন্তন সেনের সঙ্গে শেয়ার করলেন সৌম্যদীপ।জনতার কথাঃ আপনার ছবি গোল্ডেন মিরর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির পুরস্কার জিতে নিল। যেখানে গৌতম ঘোষের মত একজন ফিল্মমেকার উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতিটা কেমন ছিল?সৌম্যদীপঃ যে কোনও ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার পাওয়া ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। ভালোই লাগে। পুরস্কারের থেকে বড় জিনিস হল ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর পরিসরটা তো খুব একটা বেশি নেই। বাংলা ছবির ক্ষেত্রে সেটা খুবই কম। এই ছোট-বড় যে কোনও ফেস্টিভ্যালে এই ছোট ছবি দেখা এবং দেখানোর যে পদ্ধতি থাকে সেটা সবসময়ই খুব ভালো লাগে। গৌতম ঘোষের মতো একজন সিনিয়র পরিচালক যখন এরকম একটা ফেস্টিভ্যালে থাকেন এবং বসে ছবি দেখেন সেটা একটা আলাদা অনুভূতির জায়গা। এঁরা ছোট ছবিকে ছোট পর্যায়ে রাখেন না। এঁদের প্রেসেন্সেটা পরিসরটাকে অনেকটা বড় করে তোলে।পুরস্কার বিতরনজনতার কথাঃ এলএসসি নিয়ে যদি সংক্ষেপে কিছু বলেন...সৌম্যদীপঃ এটার ফুল ফর্ম লাইক, শেয়ার, কমেন্ট (Like, Share, Comment)। সেটাকেই শর্ট করে এলএসসি করা হয়েছে। ইট সাউন্ডস লাইক এলএসডি। এলএসডি যেমন একটা ড্রাগ হয় তেমনই লাইক, শেয়ার, কমেন্টটাও এই জেনারেশনের কিছু মানুষের কাছে খানিকটা ড্রাগের মতোই পৌঁছাচ্ছে। সেটার কি কি খারাপ দিক আছে এবং সেটা কতটা খারাপ হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার সেই জার্নিটা নিয়েই পুরো কাহিনীটা তৈরি করা। আগে কুকুরকে আমরা চেন দিয়ে বেঁধে রাখতাম। এখন ফোনের চার্জারের তারটা আমাদের সুইচবোর্ডের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এই ছবির গোটা কনসেপ্টটাই এটা নিয়ে।জনতার কথাঃ ছোট ছবি মানেই ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম। আপনারটাও নিশ্চয় সেটাই...সৌম্যদীপঃ ছোট ছবি মানেই বেশিরভাগ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি, কিন্তু এটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি না। এলএসসির প্রযোজক সোমনাথ দে। উনি আপাদমস্তক একজন কর্পোরেট মানুষ, দীর্ঘদিন ভারতের বাইরে কাটিয়ে দেশে ফিরে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার উদ্যোগে নিচ্ছিলেন, আই অ্যাম ফরচুনেট যে, ওনার সঙ্গে সেই মুহূর্তে আমার দেখা হয়। এটা তারও প্রথম প্রযোজনা। আর এটা পুরোটাই বানানো হয়েছে হিন্দিতে। বাংলা শর্ট ফিল্ম করলে দর্শক তো পাওয়া যায় না, বিক্রি করারও জায়গা পাওয়া যায় না। কিন্তু হিন্দিতে শর্ট ফিল্ম করাতে কেনার পরিসরটা অনেকটা বড় এবং ডিস্ট্রিবিউশনটাও ভালো হয়। আমি লাকি যে সোমনাথ দে এই ছবি প্রযোজনা করতে রাজি রয়েছেন এবং তাঁর কাছে মনে হয়েছে এটা সমাজের জন্য খুব দরকারি একটা ছবি। প্রযোজক খুব সাপোর্ট করেছেন।জনতার কথাঃ এই ছোট ছবিটা কতক্ষণের এবং কে কে অভিনয় করেছেন?সৌম্যদীপঃ এটা ১৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের। মূল চরিত্রে প্রশান্ত সূত্রধর। এছাড়া রয়েছেন স্বস্তি দাস, মৌমিতা বি বোস।পরিচালক ও প্রযোজক সোমনাথ দেজনতার কথাঃ বাংলাতে বিগত দু-তিন বছরে অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। এই শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উপযোগিতা কতটা রয়েছে বা স্বচ্ছতা কতটা আছে?সৌম্যদীপঃ বাংলায় অনেক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। তার একটা ভালো দিকও আছে। আবার একটা খারাপ দিকও আছে। ভালো দিক হল প্রচুর কন্টেন্ট তৈরি হবে। আবার প্রচুর আবোল-তাবোল কন্টেন্টও তৈরি হবে। গুণগত মানটাও কমে যায়। লকডাউনে আমি এরকম অনেক ছবি দেখেছি যারা কেউ প্রপার ফিল্মমেকার না। ফলে কোয়ালিটি ফল করছে। আর স্বচ্ছতার কথা বললে আমি খুব সহজভাবে বলি সব ফেস্টিভ্যালের খুব স্বচ্ছতা থাকে না। অস্বচ্ছতা বেশিরভাগ ফেস্টিভ্যালেরই আছে, তবে সব ফেস্টিভ্যালেরই যে আছে এমনটাও বলতে পারছি না। শর্টকাট ওয়েতে একটা অ্যাওয়ার্ড হয়তো পাওয়া যেতে পারে কিন্তু তাতে ভালো ছবি হয় না। কোনও ছবি বানানোর পর আমি যদি অ্যাওয়ার্ডের জন্য কাউকে রিকোয়েস্ট করি তার মানে সেই ছবির গুণগত মান ভালো হয়নি বলেই কিন্তু আমি রিকোয়েস্ট করছি। সেরকম একটা ছবি ফেস্টিভ্যালে পাঠানো ঠিক না। তাহলে শিল্পের গুণগত মান পড়বে বলেই আমার ধারনা। অ্যাওয়ার্ড পাওয়াটাই যদি মূল উদ্দেশ্য হয় সেটা খুব একটা ভালো ব্যাপার নয়।জনতার কথাঃ আপনার আপকামিং আর কি কি ছবি আসছে?সৌম্যদীপঃ আমার একটা ফিট অ্যান্ড ফো ছবি হল। যেখানে ক্যাকটাসের সিধু দা এবং সায়নী দত্ত অভিনয় করেছেন। এটা ৩০ মিনিটের একটা শর্ট এবং এটাই আমার শেষ শর্ট ফিল্ম। আমি এখন ফিচার ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজের দিকে মন দিয়েছি।জনতার কথাঃ পেজ থ্রি জার্নালিস্ট থেকে পরিচালনায় আসায় কোনও সুবিধা কি পেয়েছেন?সৌম্যদীপঃ সুবিধা তো পেয়েছি। কন্ট্যাক্ট তৈরি হয়েছে। নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে আমি নাওয়াজ বলে ডাকতে পারি। ওর সঙ্গে একটা ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। আদিল হুসেন, পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব তৈরিই হত না আমি টাইমস-এ চাকরিটা না করলে। সাংবাদিক থেকে ফিল্ম ডিরেক্টর হওয়ায় সাংবাদিক পরিমণ্ডলে থাকা আমার সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।গৌতম ঘোষ ও পরিচালক সৌম্যদীপজনতার কথাঃ শেষ প্রশ্ন, আগামি দিনে কি সাংবাদিকতায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে আপনার?সৌম্যদীপঃ না সেরকম ইচ্ছে নেই। পরিচালনা করছি, বই লিখছি এটাই ঠিক আছে। বইমেলায় আমার নতুন বইও প্রকাশ পাচ্ছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'পরজীবী'-র জন্য সেরা অভিনেত্রী রূপ দে

পরিচালক রজত সাহার ও তাঁর পরজীবী টিমের জন্য খুশির খবর। তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি অভিনেত্রী রূপ দে। রজতের পোস্ট শেয়ার করে রূপ লেখেন,পুরো টিমকে শুভেচ্ছা। পরিচালক রজত দে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমার ছবি পরজীবী ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল কাল্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিল। টিমকে অনেক শুভেচ্ছা।উল্লেখ্য পরজীবী তে রূপ দে ছাড়াও অভিনয় করেছেন পৃথ্বীরাজ চৌধুরী, ফিরোজ শাহ এবং অনিমেষ চক্রবর্তী। অভিনেয়ের পাশাপাশি ক্যামেরার দায়িত্ব ও সামলেছেন অনিমেষ। অন্যদিকে পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবির সম্পাদনার কাজটাও সামলেছেন রজত দে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সমাজসেবার বিশেষ পুরস্কার মোহনলাল রশিদের

মুর্শিদাবাদ জেলা তথা বহরমপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবী মোহনলাল রশিদ সম্মানিত হলেন ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধিতে। বহরমপুরের বাসিন্দা মোহনলাল রশিদ ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধি পাওয়ার পর খুশির হাওয়া মুর্শিদাবাদ জেলা তথা শহর বহরমপুর জুড়ে। জানা যাচ্ছে, তিনি মূলত সমাজ সেবার জন্য এই উপাধি পান। উক্ত অনুষ্ঠানটি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিমারীর উর্ধমুখী সংক্রমণের কারণে গাজিয়াবাদের দ্য মোনার্ক ইন্দিরাপুরম হ্যাবিটাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ ভাবে উল্ল্যেখ, করোনার প্রকোপে সর্বত্র যখন লকডাউন শুরু হয়, সেই সময় তিনি নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন অসহায় মানুষদের দিকে। দিনের পর দিন মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে রোগীর পরিজনদের কাছে পৌঁছে দেন খাদ্য। এছাড়াও প্রত্যেক সপ্তাহের শুক্রবার করে বহরমপুরে অসহায়দের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয় তারই সাহায্যে ও সহযোগিতায়। শুধু তাই নয়, অসুস্থ দের কাছে খাদ্য সহ প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে শুরু করে পরিবেশ রক্ষার্থে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে তাঁকে। কাজেই এই বিশেষ উপাধি অর্জন করে শুধু বহরমপুরই নয়, তিনি গর্বিত করেছেন সমগ্র জেলাবাসীকে।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Iman Chakraborty : করোনায় আক্রান্ত জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা, দরজায় খিল দিলেন গায়িকা

করোনায় আক্রান্ত হলেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন তিনি। তাঁর গানের কথাকে তুলে ধরে ইমন লিখেছেন, আমার দরজায় খিল। কোভিড পজিটিভ হলাম। বুধবার থেকে হাল্কা জ্বরে ভুগছিলেন ইমন। সঙ্গে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথাও ছিল। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য করোনা পরীক্ষা করান তিনি। পরে জ্বর কমে গিয়ে প্রায় সুস্থ হয়ে ওঠেন ইমন। তবে তার পরেও তাঁর করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। করোনা আক্রান্ত ইমনের স্বামী নীলাঞ্জন ঘোষও।বিগত কয়েকদিনে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

Modi: ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

অতিমারি পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহায্যকে সম্মান জানাতেই ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল নরেন্দ্র মোদিকে। শুক্রবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কথা জানান।এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খেরলো সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত যেভাবে চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে ভুটানকে সাহায্য করেছিল, সেই সাহায্যের ধন্যবাদ জানাতেই এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে।Bhutan confers the countrys highest civilian award - Ngadag Pel gi Khorlo upon Prime Minister Narendra Modi. pic.twitter.com/MDFpOAN8i3 ANI (@ANI) December 17, 2021ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে সেরিং নিজেই টুইট করে লেখেন, মোদিজির অসাধারণত্বকে সম্মান জানাতে ভুটানের সর্বোচ্চ সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খোরলো ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অত্যন্ত খুশি।ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও ফেসবুক পোস্টেও লেখা হয়, বছরের পর বছর ধরে, বিশেষ করে করোনা অতিমারির সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি যেভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাকেই তুলে ধরেছেন মহামান্য রাজা। যথাযোগ্য ব্যক্তিকেই সম্মান দেওয়া হচ্ছে! ভুটানের সমস্ত মানুষের পক্ষ থেকে অনেক অভিনন্দন। বিগত সমস্ত আলাপচারিতাতেই একজন অসাধারণ, আধ্যাত্মিক মানুষ হিসাবে আপনাকে মনে হয়েছে। সশরীরে এই সম্মান উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।আজ ভুটানের জাতীয় দিবস। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে দেশের সমস্ত মানুষকে অভিবাদন জানান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: 'সুব্রত দা'কে মিস করছেন শোকবিহ্বল মমতা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হন মমতা। আজ বিশ্ববাংলা শারদসম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে বারবার তাই সুব্রত দার কথাই মনে পড়ল মমতার। শুধু নেতা কিংবা মন্ত্রীই নন, শহরের অন্যতম বড় পুজো একডালিয়া এভারগ্রিনের উদ্যোক্তাও ছিলেন তিনি। তাই এ দিনের অনুষ্ঠানে শহরের পুজো উদ্যোক্তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন, আজ সুব্রত দা-কে সবথেকে বেশি মিস করছি।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই অনুষ্ঠানে আর কেউ আসুক না আসুক সুব্রত দা সবসময় আসতেন। সুব্রত দার মৃত্যুর খবর শুনে আমার প্রথমেই মনে হয়েছে, এবার এভারগ্রিন কার হাতে। চিরকাল যিনি এভারগ্রিন, তিনি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।এদিন স্মৃতি হাতড়ে মমতা বলেন, আমার সঙ্গে পুজোর ১৫ দিন আগে থেকে ঝগড়া হত। বলতেন, কবে সময় দিবি, আর বলতেন স্তোত্রটা একবার বলে দিস। আমি জিজ্ঞেস করতাম সুব্রত দা থিম করেন না কেন? বলতেন, আমি সাবেকি পুজো করি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সবাই জানি জন্মালে মৃত্যু হবেই। কিন্তু সুব্রত দার যাওয়ার বয়স হয়নি, সময়ও হয়নি। ভাল থাকতে থাকতে হঠাৎ করেই চলে গেলেন। আমরা তাই মেনে নিতে পারছি না।আজ বিধানসভায় তাঁর স্মৃতিচারণাতেও যোগ দিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal