• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Assembly Election

কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বুথে গোলমাল হলেই পুনর্নির্বাচন! বাংলায় বড় বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

বাংলায় বিভিন্ন নির্বাচনে বুথ জ্যাম, ভোট লুঠ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। অনেক সময় বুথের সিসিটিভি বন্ধ করে গন্ডগোলের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপের কথা জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বুথে কোনও ধরনের গন্ডগোল বা অনিয়ম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনও করা হবে।রবিবার রাতে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ দল রাজ্যে পৌঁছয়। সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এরপর মঙ্গলবার দিল্লিতে ফেরার আগে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতেই একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটের সময় অশান্তি বা গন্ডগোল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, এবার প্রতিটি বুথে সিসিটিভি এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। শুধু বুথের ভিতরেই নয়, বুথের বাইরেও নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে।এর আগে অনেক বুথে সিসিটিভি থাকলেও সেখানে গন্ডগোলের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির উপরে চুইনগাম লাগিয়ে বা সেটি বিকল করে বুথ জ্যাম করা হয়েছে।এই ধরনের ঘটনার কথা মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি দেখা যায় কোনও বুথে সিসিটিভি ইচ্ছাকৃতভাবে বিকল করে দেওয়া হয়েছে, তবে সেই বুথে সঙ্গে সঙ্গেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শুধু বুথের ভিতরের দৃশ্য নয়, বুথের বাইরের পরিস্থিতিও নজরে রাখা হবে। যদি বাইরে কোনও ধরনের গোলমালের ছবি ধরা পড়ে, তবে কমিশন থেকে তা পর্যবেক্ষণ করে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের এই কড়া বার্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ রাখতে কমিশন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাংলায় বড় ধাক্কা! রাজ্যপালের পদত্যাগে কি আসছে রাষ্ট্রপতি শাসন? বাড়ছে জল্পনা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আগামী সাত মে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ফলে তার আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। কিন্তু হাতে সময় খুবই কম। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আচমকা রাজ্যপালের পদত্যাগ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, পরিস্থিতি জটিল হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে।বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। সূত্রের খবর, তাঁকে আচমকা দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপরই তিনি পদত্যাগ করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে আর এন রবি-কে। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে মুর্শিদাবাদে বড় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচন করানো উচিত। তাঁর বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বাংলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো কঠিন হতে পারে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে তবেই সবাই নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন।বর্তমানে ভোটার তালিকা যাচাই প্রক্রিয়া নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেলেও এখনও প্রায় ষাট লক্ষ নামের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ছয় লক্ষ পনেরো হাজার ভোটারের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। বাকি চুয়ান্ন লক্ষ নথি যাচাই করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করা হলেও এত কম সময়ে সব নথি যাচাই করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাত মে সরকারের মেয়াদ শেষ হলে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলেও অনেকের মত। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না হয়, তাহলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া আর কোনও পথ থাকবে না বলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে।এর মধ্যেই রাজ্যপাল পরিবর্তনের খবর জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের মতে, এই ধরনের জটিল পরিস্থিতি সামলাতে এমন একজন রাজ্যপাল প্রয়োজন যাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক বোঝাপড়া রয়েছে। সেই কারণেই হয়তো নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।এদিকে শাসক দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করার কথা। নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। রাজ্যপালের পদত্যাগ, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক এবং নির্বাচনের সময়সীমাসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনীতি এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় জয়ের দাবি শাহর, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক ঝড়

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশ ইস্যু আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল। অমিত শাহ বিহারে এক জনসভা থেকে দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে।বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় এবং বিজেপি সরকার গঠন করবে বলে তিনি নিশ্চিত। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অমিত শাহ বারবার একই দাবি করে চলেছেন এবং বাস্তবে তা সফল হয়নি। তাঁর মতে, অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে ধরা আসলে কেন্দ্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর। তাই অনুপ্রবেশ ঠেকানো রাজ্য পুলিশের কাজ নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজ্যগুলিতেও অনুপ্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে, ফলে এই ইস্যুতে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।এদিন শাহ অনুপ্রবেশ রুখতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিহারের সীমাঞ্চল থেকেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কমিটি সীমান্ত এলাকার জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং সরকারি প্রকল্পের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমকে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেন শাহ। তিনি আরও জানান, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই ঘোষণারও সমালোচনা করেছে তৃণমূল। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, ভোটের আগে হঠাৎ কমিটি গঠনের কথা কেন মনে পড়ল। তিনি দাবি করেন, আগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করাই কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলা কোনও অপরাধ নয় এবং ভাষার ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহ করা উচিত নয়। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি: বঙ্গবাসীকে ডাক দিলেন বিজেপি সরকারের জন্য, ‘জয় মা কালী’ স্লোগান নিয়ে রাজনৈতিক ঝড়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠি শুরু করেছেন জয় মা কালী লিখে। তিনি লিখেছেন, সোনার বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত এবং এই অবস্থায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত। চিঠিতে তিনি বাংলার মণীষীদের অবদানও স্মরণ করেছেনস্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র বোস সহ বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।মোদীর চিঠি বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনের সময় জয় শ্রী রাম শব্দবন্ধকে কেন্দ্র করে তাপমাত্রা বেড়েছিল। বাংলার তৃণমূল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বারবার বলেছে, রাজনীতিতে জয় শ্রী রাম গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কর্মীরা জয় মা কালী স্লোগান দিতে শুরু করে। এমনকি লোকসভা মঞ্চেও একাধিক তৃণমূল সাংসদ এই স্লোগান দেন।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলার মানুষ বঞ্চিত এবং তাঁদের যন্ত্রণায় তিনি ভারাক্রান্ত। তিনি বাংলায় সেবা করার সুযোগ চাইছেন। পাশাপাশি চিঠিতে তিনি তোষণের রাজনীতি ও অপশাসনের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কাজের জন্য মানুষকে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং অনুপ্রবেশ রুখে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।চিঠির এই প্রতিটি শব্দবাংলার রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করছে এবং ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশের আগে ঝড় তুলবেন মমতা? বিশ্বজুড়ে প্রচারের হুঁশিয়ারিতে চর্চায় রাজ্য রাজনীতি

কয়েক দিন আগেই এসআইআর সংক্রান্ত ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর বেঞ্চে নিজের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। আর মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এসে ছাব্বিশের ভোটের আগে বড় কোনও ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, প্রয়োজনে তিনি বিষয়টি গোটা বিশ্বে তুলে ধরবেন।এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারবার কোনও একটি গুরুতর বিষয় প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিত দেন মমতা। নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে। কমিশনকে তুঘলকি কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁরা আইন মেনে চলেন এবং চলবেন, তবে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।রাজ্যে এসআইআর নিয়ে একাধিক মৃত্যুর ঘটনাতেও সরব হন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিছু ইআরও-র বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ তুলেছে বলেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, অনেক ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু এতদিন তাঁরা চুপ থেকেছেন। তবে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তিনি আর নীরব থাকবেন না।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান মেনে চলে এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি নির্বাচনের আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শেষ করতে চায়, তা হলে তিনি প্রত্যাঘাত করবেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, আমায় আঘাত করলে আমি প্রত্যাঘাত করব। প্রয়োজনে ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রচার করব। যদিও আমি নিজের দেশকে ভালোবাসি।এ দিন তিনি সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুর নাম না করলেও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, ঠিক কী প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, অনেক কীর্তি ও কেলেঙ্কারির ঘটনা তাঁর জানা আছে। তিনি বলেন, জনগণের উপর প্রতিশোধ নেবেন না। যা করার আমার উপর করুন। শেষে আরও একবার কড়া বার্তা দেন তিনি, আপনারা কেউ ৪২০ ভোল্ট হন, আমি ৪৪০ ভোল্ট।মুখ্যমন্ত্রীর এই ধারাবাহিক হুঁশিয়ারি ছাব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তিনি কোন তথ্য সামনে আনবেন, তা নিয়েই এখন রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

এপ্রিলের পর বদলে যাবে বাংলা? ৫০ শতাংশ ভোটের দাবি অমিত শাহের

বঙ্গ সফরে এসে আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠে বিজেপির কর্মিসভা থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড কোনও দুর্ঘটনা নয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনা তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির ফল।অমিত শাহ বলেন, জলাভূমির উপর বেআইনিভাবে গুদাম তৈরি হয়েছিল। প্রশাসন সব জানত, তবু কেউ কিছু করেনি। শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য তাঁকে জানিয়েছেন, এই গুদাম তৈরির সময় কোনও রকম বাধা দেওয়া হয়নি। শাহ প্রশ্ন তোলেন, যদি ওই গুদামের মালিক অনুপ্রবেশকারী হত, তা হলে কি রাজ্য সরকার একইভাবে চোখ বন্ধ করে থাকত? তাঁর কথায়, তৃণমূল সরকার সব কিছু জানত, তবু আড়াল করতে চেয়েছে।আনন্দপুরে এই অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন শাহ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, মোমো কারখানার মালিক কার সঙ্গে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন এবং কেন এখনও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে অমিত শাহ বলেন, তিনি ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর স্বপ্ন দেখছেন। সেই কারণেই চারদিকে দুর্নীতি দেখেও কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, অথচ মুখ্যমন্ত্রী সব কিছু অস্বীকার করছেন। শাহ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন।শাহ আরও বলেন, তাঁকে চ্যালেঞ্জ দিলে তৃণমূল কখনওই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিযুক্ত নেতাদের টিকিট দিতে অস্বীকার করতে পারবে না। কারণ, তাঁদের নাম বাদ দিলে তাঁরা ভাইপোর নাম বলে দেবেন বলেই তৃণমূল ভয় পায়।মতুয়া ও নমশূদ্র সমাজের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, তাঁদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। বিজেপি তাঁদের পাশে আছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এপ্রিল মাসের পর ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ সম্পূর্ণ হবে। তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক বলেই রাজ্য সরকার জমি দেয়নি। আদালতের নির্দেশের পরও জমি দেওয়া হয়নি।বিগত নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে অমিত শাহ দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপি ৫০ শতাংশ ভোট পাবে। তিনি বলেন, পর্দার আড়ালে অপরাধ লুকোতে চাইলে লুকোন। এপ্রিলের পরে বিজেপি সরকার এলে এক এক করে সব অপরাধীকে খুঁজে বার করা হবে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

কবে ফিরবে ‘জিম লুক’? প্রকাশ্যে তরুণীর প্রশ্নে চমকপ্রদ জবাব অভিষেকের

অনেক আগেই নিজের ওজন কমিয়ে ছিপছিপে চেহারায় ফিরেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো শার্ট পরে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে র্যালি করলে অনেকের চোখেই তিনি যেন সিনেমার নায়কের মতোই। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিজেপির নেতারাও কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁকে হিরো বলেই ফেলেন। তবে রাজনীতির বাইরে তাঁর চলাফেরা, কথা বলার ভঙ্গি এবং স্টাইল ইতিমধ্যেই যুবসমাজের একাংশের মধ্যে আলাদা প্রভাব ফেলেছে।কয়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অভিষেক নিজের কয়েকটি জিম লুকের ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রথমে চিনতেই পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই লুক নিয়ে প্রবল আলোচনা শুরু হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চে একেবারে অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখে পড়তে হল অভিষেককে।হাওড়ার বালিতে এক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেই সময় ভিড়ের মধ্য থেকে এক তরুণী সরাসরি প্রশ্ন করেন, দাদা, আপনি পরের জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন? প্রশ্ন শুনে মুহূর্তের মধ্যেই হাসির রোল ওঠে সভাস্থলে।একটুও না ভেবে অভিষেক মুচকি হেসে উত্তর দেন, ২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে, তারপর হবে। এই কথার মধ্য দিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দেন, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৫০ আসন। রাজনীতির বার্তার সঙ্গে হালকা মেজাজে দেওয়া এই জবাব মুহূর্তে উপস্থিত সকলের মন জিতে নেয়।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠে প্রার্থনার আগে ভোটের টার্গেট, বীরভূমে অভিষেকের হুঙ্কার

বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের লক্ষ্যমাত্রা স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারাপীঠে গিয়ে প্রার্থনা করবেন বলেও জানান তিনি। এ আবার জিতবে বাংলা নামের প্রচার কর্মসূচির অংশ হিসেবেই মঙ্গলবার বীরভূমে যান অভিষেক। সেখানে দলের কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, এবার আসন সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।গত বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমের ১১টি আসনের মধ্যে ১০টিতে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। এদিন অভিষেক বলেন, এবার আর ১০টিতে থেমে থাকলে চলবে না। বীরভূমের মানুষকে সব কটি আসনেই তৃণমূলকে জেতাতে হবে। তাঁর কথায়, এবার লক্ষ্য হবে ১১-০।লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, যে ব্যবধানে তৃণমূলের দুই প্রার্থীকে জিতিয়েছেন, তাতে প্রমাণ হয়ে গেছে, এই পবিত্র মাটিতে বিরোধীদের কোনও জায়গা নেই। অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনেছেন কেষ্টদা তারাপীঠে গিয়ে ২৩০টি আসনের প্রার্থনা করেছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, এবার লক্ষ্য ২৫০ আসন।এদিন দলের কর্মীদের উদ্দেশে বুথভিত্তিক ভোট বাড়ানোর নির্দেশও দেন অভিষেক। তিনি বলেন, যেখানে ৫০টি ভোট পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে ৫১ করতে হবে। যেখানে ১০০ ভোট ছিল, সেখানে ১১০ করতে হবে। আর যেখানে ৩০০ ভোট ছিল, সেখানে ৪০০ ভোট করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপিকে শূন্য করতে হবে এবং বুঝিয়ে দিতে হবে যে পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়ে গেছে।এই সভায় পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয় অভিষেকের। হেলিকপ্টারের সমস্যার কারণে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কাছ থেকে হেলিকপ্টার নিয়ে বীরভূমে আসতে হয় বলে জানা গেছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি, বাংলার সীমান্তে কী বদল আসছে?

২০২৬ সালের এপ্রিল মাসেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট হবে বলে সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার বঙ্গভূমি মঞ্চ থেকে তিনি জানিয়ে দেন, ওই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে জয় পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। একই সঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া বার্তা দেন তিনি। অমিত শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি তিনটি আসন থেকে ৭৭টি আসনে পৌঁছেছে। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ পরিবর্তন এবং সুশাসন চাইছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই এক রাজনৈতিক নেতার এভাবে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এ দিন ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলায় বিজেপির রাজনৈতিক যাত্রাপথের খতিয়ান তুলে ধরেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি পেয়েছিল ১৭ শতাংশ ভোট এবং দুটি আসন। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল ১০ এবং আসন ছিল তিনটি। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে তা বেড়ে হয় ৪১ শতাংশ ভোট এবং ১৮টি আসন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পায় ৩৮ শতাংশ ভোট ও ৭৭টি আসন। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির ভোট শতাংশ ছিল ৩৯ এবং আসন ছিল ১২টি। অমিত শাহের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জিতে বাংলায় সরকার গঠন করবে বিজেপি।ভাষণে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া অবস্থান নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলার সীমান্ত দিয়ে যে অনুপ্রবেশ হচ্ছে, তা শুধু পশ্চিমবঙ্গের সমস্যা নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাঁর বক্তব্য, বাংলায় এমন শক্ত সরকার দরকার যারা অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যাতে কোনও মানুষ তো দূরের কথা, একটি পাখিও অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোতে না পারে।মঙ্গলবার ভাষণের শুরুতেই বাঙালির আবেগের প্রসঙ্গ টানেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এই দিনেই ১৯৪৩ সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু পোর্ট ব্লেয়ারে প্রথম স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে সিন্ডিকেট প্রসঙ্গও তোলেন শাহ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল বিজেপি সরকার গঠন করলে বাংলার গৌরব ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটবে। তিনি বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের বাংলা গড়ে তোলা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
কলকাতা

“এখন যুদ্ধের সময়”—এসআইআর আবহে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলকে চাঙ্গা করলেন অভিষেক

এসআইআর-এর শুনানি শুরুর আগেই তৃণমূলের অন্দরে কার্যত নির্বাচনী সুর বেঁধে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দলের নেতৃত্বের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, এখন পরিস্থিতি যুদ্ধের মতো। বৈঠকে তিনি বারবার যুদ্ধ শব্দটি ব্যবহার করেন এবং বিপক্ষ হিসেবে বিজেপিকেই চিহ্নিত করেন।অভিষেক বলেন, আগে মানুষ ঠিক করত কে সরকার গড়বে, আর এখন সরকার ঠিক করতে চাইছে কারা ভোট দেবেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাথা নত করলে কেবল মায়ের কাছেই নত করব, আর কারও কাছে নয়।২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট আর খুব দূরে নয়। এসআইআর ঘিরে তৈরি হওয়া আবহেই কার্যত ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সেই প্রেক্ষিতেই ২০২১ সালের নির্বাচনের মডেলকেই সামনে আনতে চাইছেন অভিষেক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঠাসা কর্মসূচি, একেবারে বুথ স্তরে গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগএই কৌশলের উপর জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকেই শুরু হচ্ছে তৃণমূলের উন্নয়নের সংলাপ কর্মসূচি। প্রায় ৮০ হাজার বুথে ঘুরে ঘুরে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরবেন দলের কর্মীরা। বুথ স্তরে জনসংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মকর্তাদের বাড়িতে গিয়ে কথাবার্তা বলার মতো কর্মসূচির কথাও উঠে এসেছে বৈঠকে।একদিকে যখন এই কর্মসূচি চলবে, অন্যদিকে সমান্তরালভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলকে চাঙ্গা রাখতে এবং ভোটের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করতেই এই দ্বিমুখী কৌশল বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।বৈঠকে অভিষেক আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীরা হারছে এবং বিজেপি জিতছে। এই পরিস্থিতিতে এক মুহূর্তও শিথিলতা দেখালে বিপক্ষ সুযোগ নেবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, এখন বিশ্রামের সময় নয়, এখন লড়াইয়ের সময়। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই এই কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজনীতি

হুমায়ুন কবীরের নতুন দল ‘জেইপি’, মঞ্চ থেকেই একের পর এক হুঁশিয়ারি, ব্রিগেডে জনসভা জানুয়ারিতে

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা খাগারুপাড়া মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করল হুমায়ুন কবীরের নতুন রাজনৈতিক দল জে ইউ পি (JUP)। দল গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই সভাপতি হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর। সভার মঞ্চ থেকেই আগামী বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে একের পর এক বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করেন তিনি।হুমায়ুন কবীর জানান, জেইউপি দলের হয়ে তিনি বেলডাঙা ও রেজিনগর, এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী হবেন এবং ৩০ হাজার ভোটে দুটি আসনেই জয়লাভ করবেন। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ জেলার আরও ছয়টি বিধানসভা আসনে দলের প্রার্থী ঘোষণা করেন তিনি।সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, আপনি সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা বাংলার মানুষের মাথায় চাপিয়েছেন। এর জবাব ২০২৬ সালে বাংলার মানুষ দেবে।কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ব্রিগেডে সভা করব। ফিরহাদ হাকিম বেশি বাড়াবাড়ি করলে ব্রিগেড থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিয়ে মেয়র অফিস ঘেরাও করা হবে।সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে হুমায়ুন কবীর বলেন, আজ যারা এখানে এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, জেলায় হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেপুটেশন, জেলার বাইরে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে থানার ইট খুলে নেব।তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করেন, মুর্শিদাবাদ থেকে তৃণমূলকে নিশ্চিহ্ন করে দেব।একই সঙ্গে বিজেপিকেও সতর্ক করে তিনি বলেন, বিধানসভা থেকে মুসলিম বিধায়কদের চ্যাদোলা করে বাইরে ফেলবে, এমন স্বপ্ন দেখবেন না। বিরোধী দলনেতাকেও আক্রমণ করে বলেন, ২০০টি আসনে প্রার্থী দিলে ১০০টি আসন জিতব, তার মধ্যে ২০ জন হিন্দু বিধায়ক থাকবেন।মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে, তাহলে আপনার প্রিয় চ্যানেলে বসুন, আমার মুখোমুখি। সেদিন বাংলার মানুষ দেখবে আপনার মিথ্যাচার।সভা শেষে তিনি আগামী দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন৪ জানুয়ারি: ডোমকল জনকল্যাণ মাঠে জনসভা৫ জানুয়ারি: হরিহরপাড়া এলাকার একটি মাঠে জনসভাএদিনের সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বহু কর্মী-সমর্থক জে ইউ পি দলে যোগদান করেন, যা দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ২২, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal