• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Assam

দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

রাত পোহালেই ভোটযুদ্ধ, তিন রাজ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে

ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। বুধবার, ৯ এপ্রিল একসঙ্গে তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে (Assembly election)। অসম, কেরলম ও পুদুচেরিতে ভোট গ্রহণ হবে। ইতিমধ্যেই ইভিএম ও নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কর্মীদের হাতে।তিন জায়গা মিলিয়ে মোট ২৯৬টি আসনে নির্বাচন হবে। কেরলমে ১৪০টি আসনে ভোট হবে। অসমে ১২৬টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মে (Assembly election)।কেরলমে মূল লড়াই সিপিআই(এম)-র নেতৃত্বাধীন এলডিএফ, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে। অন্যদিকে অসমে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সরাসরি লড়াই (Assembly election)। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা রয়েছে। প্রায় আড়াই কোটি ভোটার এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে মোট ২৯৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখানে প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তিন রাজ্যের এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এখন নজর ভোটের ফলের দিকে, কার হাতে যাবে ক্ষমতা তা জানার অপেক্ষায় দেশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
দেশ

অসমে একলা লড়াই! মমতার বড় বাজি, কত আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল?

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসমের বিধানসভা নির্বাচনেও লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে এবার একলা চলো নীতি নিয়েই ভোটে নামছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শুরুতে বেশি আসনে লড়ার কথা ভাবা হলেও শেষ পর্যন্ত ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই দলের তরফে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।তৃণমূল আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, অসমে তারা কোনও বিরোধী জোটে থাকবে না। একক শক্তিতে লড়াই করেই রাজ্যে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চায় দল। সেই লক্ষ্যে এগিয়েই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দফায় মোট ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বরাক উপত্যকায় ৫টি আসনে এবং ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলের দাবি, সব ধরনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।অসমে তৃণমূলের অন্যতম পরিচিত মুখ দুলু আহমেদ চামারিয়া কেন্দ্র থেকে লড়বেন। এছাড়া কোকরাঝাড়, বিলাসিপাড়া, অভয়পুরী, বাজলী, গোরেশ্বর, মঙ্গলদাই, কাটিগড়া এবং সোনাই কেন্দ্রেও প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলবদল করে আসা নেতাদের এড়িয়ে স্থানীয় ও বিদ্রোহী নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও সমস্যা না হয়।তৃণমূলের অভিযোগ, অসমে দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনীতির মধ্যে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে দল। দলের নেত্রী সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, ফল যাই হোক, লক্ষ্য স্থির রেখেই ভোটে লড়াই করবে তৃণমূল এবং বিরোধী হিসেবে শক্ত অবস্থান গড়ার বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।উল্লেখ্য, এ বছর মোট পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অসমে ভোট হবে ৯ এপ্রিল, এক দফাতেই। রাজ্যে মোট ১২৬টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে ২২টি আসনে লড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ৯৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিজেপিও প্রথম দফায় ৮৮টি আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
দেশ

কংগ্রেসে বড় ভাঙন! ১৫ মিনিট কথা বলেও আটকাতে পারলেন না রাহুল, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে ভূপেন?

অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে ধরে রাখা গেল না। কংগ্রেস নেতৃত্বের একাধিক বৈঠক, শীর্ষ নেতাদের অনুরোধ, এমনকি ফোনে প্রায় ১৫ মিনিট কথা বলেন রাহুল গান্ধী। তবু শেষরক্ষা হল না। অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ভূপেন বোরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর কথায়, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাবেন ভূপেন।ভূপেন বোরা অসম কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। তবে ভোটের এক বছর আগে তাঁকে সরিয়ে প্রদেশ সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় গৌরব গগৈ-কে। এই সিদ্ধান্তে তিনি অপমানিত বোধ করেন বলে দলীয় সূত্রের খবর। অভিযোগ, পরে তাঁর অনুগামীদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর জেরেই তিনি সোমবার পদত্যাগ করেন।পদত্যাগের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। গৌরব গগৈ এবং দলের পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্র সিং তাঁর বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। ফোন করেন রাহুল গান্ধীও। একই সময়ে বিরোধী শিবিরের নেতা অখিল গগৈ-ও প্রকাশ্যে জানান, কোনওভাবেই ভূপেনকে বিজেপিতে যেতে দেওয়া হবে না।এই টানাপোড়েনের মধ্যেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, ভূপেন বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁকে স্বাগত জানানো হবে। তাঁর দাবি, ভূপেন কংগ্রেসের শেষ জনপ্রিয় হিন্দু নেতা এবং বিজেপিতে এলে তিনি যোগ্য সম্মান পাবেন। একদিকে কংগ্রেসের অনুরোধ, অন্যদিকে বিজেপির খোলা আমন্ত্রণএই পরিস্থিতিতে দোটানায় পড়েন ভূপেন। পরে শোনা যায়, তিনি নাকি ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করতে পারেন।তবে মঙ্গলবার হিমন্তের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা আরও বাড়ে। বৈঠকের পরই অসমের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ভূপেন বোরা। তিনি আরও বলেন, বিজেপিতে অনেক নেতা আছেন যারা পারিবারিক প্রভাব নয়, নিজের যোগ্যতায় জায়গা করে নিয়েছেন। দলের সভাপতি নীতীন নবীনও নাকি ভূপেনের যোগদানে সায় দিয়েছেন বলে দাবি করেন হিমন্ত।যদিও ভূপেন বোরার তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে হিমন্তের দাবি সত্যি হলে ভোটের আগে অসম কংগ্রেস বড় ধাক্কা খেতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের রাজনীতিতে এই পালাবদল নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
দেশ

ঐতিহাসিক মুহূর্ত! জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান

ঐতিহাসিক নজির গড়ল অসম। বিমানবন্দর নয়, জাতীয় সড়কের উপর জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। অসমের মোরানে এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির পরীক্ষা করা হয়। একদিনের সফরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীর সি-১৩০জে বিমান ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত অংশে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। আকাশে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে তেজস, সুখোই ও রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে এই ধরনের অবতরণ পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামরিক প্রয়োজনের সময় উদ্ধারকাজে এটি বড় ভূমিকা নেবে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরান বাইপাসে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশেষ অবতরণ পথ তৈরি হয়েছে।এই পথ অসামরিক ও সামরিকদুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে অবতরণ করতে পারবে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।অসম সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর তৈরি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি, যা উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট কমবে এবং যাতায়াতের সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এছাড়া গুয়াহাটিতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও সূচনা করবেন তিনি। সফরের শেষে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ঘুম ভেঙে আতঙ্ক! অসম-ত্রিপুরায় পরপর ভূমিকম্পে আতঙ্কে দিশেহারা মানুষ

ভোররাতে আচমকা ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল অসম ও ত্রিপুরা। জোরালো কম্পনে আতঙ্ক ছড়ায় উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ভোর ৪টা ১৭ মিনিট নাগাদ অসমে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.১। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল অসমের মোরিগাঁও জেলা এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে কম্পনের কেন্দ্র ছিল।মধ্য অসমে কম্পনের তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘুম ভেঙে আচমকা প্রবল কাঁপুনি অনুভব করেন তাঁরা। আতঙ্কে অনেকেই ভোররাতে প্রবল ঠান্ডা উপেক্ষা করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, যে কোনও মুহূর্তে বাড়ি ভেঙে পড়তে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোথাও প্রাণহানি বা বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।ভূমিকম্পের উৎসস্থল কোপিলি ফল্ট লাইনের কাছাকাছি বলে জানা গিয়েছে। এই ফল্ট লাইনে আগেও একাধিকবার ভূমিকম্প হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চল ভূমিকম্প প্রবণ হওয়ায় মাঝেমধ্যেই এই ধরনের কম্পন অনুভূত হয়।এর আগে একই রাতে ত্রিপুরাতেও ভূমিকম্প হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ৩টা ৩৩ মিনিট নাগাদ ত্রিপুরার গোমতী জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৩.৯। এর কিছুক্ষণ পরই অসমে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়, যা উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন অংশে অনুভূত হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অসমে ট্রেন-হাতির সংঘর্ষ, লাইনচ্যুত রাজধানী, মৃত অন্তত ৮ হাতি

ভোরের ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। সেই অবস্থাতেই একপাল হাতিকে ধাক্কা মারল রাজধানী এক্সপ্রেস। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয়ে যায় রাজধানী এক্সপ্রেসের পাঁচটি কামরা। ট্রেনের ধাক্কায় অন্তত আটটি হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে ওই রুটে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল।শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ভোরে অসমের যমুনামুখ-কামপুর সেকশনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাটি নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লুমডিং ডিভিশনের আওতায়। জানা গিয়েছে, সাইরং থেকে নয়া দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেস দ্রুত গতিতে আসছিল। সেই সময়ই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে রেললাইন পারাপার করছিল একপাল হাতি। চারদিকে ঘন কুয়াশা থাকায় দূর থেকে কিছুই দেখতে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।গুয়াহাটি থেকে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার দূরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অংশটি হাতির নির্দিষ্ট করিডর নয়। ট্রেনের লোকো পাইলট জানিয়েছেন, সামনে হাতির পাল দেখতে পেয়েই তিনি সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি ব্রেক কষেন। কিন্তু হাতিগুলি আরও এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি।প্রবল ধাক্কার জেরে ট্রেনের ইঞ্জিন ও পাঁচটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। তবে স্বস্তির খবর, এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর আহত বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর যেসব কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল, সেখানকার যাত্রীদের নিরাপদে অন্য কামরায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মোট আটটি হাতি রেললাইন পার হচ্ছিল। তাদের মধ্যে একাধিক হাতির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত একটি রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়। রেল আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, লাইনচ্যুত কামরা এবং হাতিগুলির দেহ ট্র্যাকে ছড়িয়ে থাকায় উদ্ধারকাজে বেশ সময় লাগছে। সেই কারণে অসমের উপরের অংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।যাত্রীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সে জন্য গুয়াহাটি পৌঁছনোর পর রাজধানী এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত কোচ জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে রেল সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বিখ্যাত গায়কের

জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা জুবীন গর্গ আজ স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ দুপুরে, সিঙ্গাপুরে সমুদ্রসৈকতের কাছে পর্যটনকেন্দ্রে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ডাইভিংয়ের নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জলের নিচে শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন। সমুদ্র থেকে গায়ককে উদ্ধার করে সিঙ্গাপুর পুলিশ। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘটেছে দুর্ঘটনা।সংগীতজগতে এক বহুমুখী প্রতিভা ছিলেন জুবীন গর্গ। আসামিয়া, হিন্দি ও বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় তাঁর গান বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। অভিনেতা হিসেবেও তিনি সমানভাবে প্রশংসিত ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ভক্তমহল ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভক্তরা শোকবার্তা জানাচ্ছেন। সংগীত মহলের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জুবীন গর্গের মৃত্যু শুধু উত্তর-পূর্ব ভারতের নয়, গোটা দেশের সংগীতভুবনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

'কীর্তি'-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনি

আসামের কাছাড় জেলায় ডেপুটি কমিশনার কীর্তি জাল্লি-র (আইএএস) সম্প্রতি বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শনের মুহুর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিও এবং ছবিগুলিতে তাঁকে বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকার কাদা, ঘোলা জলের মধ্যে দিয়ে খালি পায়ে হাঁটতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত স্থানীয় মানুষের সাথে হাঁসি মুখে আলাপচারিতা করতে দেখা যায়। এই ছবিগুলি সামাজিক মাধ্যমে প্রথম ২০০৯-ব্যাচের আইএএস অফিসার অবনীশ শরণ শেয়ার করেছিলেন।কীর্তি নিজে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকার কাদা মাটি ওপর দিয়ে খালি পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন। সেই দৃশ্য এই ঘোর দুর্দিনেও হাঁসি ফুটিয়েছে বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর মুখে। ২০১৩ ব্যাচের আইএএস অফিসার কীর্তি জাল্লি। অতি সম্প্রতি আরও এক আইএএস অফিসার সঞ্জীব খিরওয়ার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলেন তাঁর পোষ্য সারমেয়কে স্টেডিয়াম ফাঁকা করে হাঁটানোর জন্য। স্টেডিয়াম-এর ক্রীড়াবিদদের অনুশীলন থামিয়ে বার করে দিয়ে সস্ত্রীক সারমেয় নিয়ে সন্ধ্যাকালীন ভ্রমন করতেন সঞ্জীব খিরওয়ার।দুই উচ্চপদস্থ আমলার দুই মেরুর আচরণ এখন সামাজিক মাধ্যমের প্রধান আলোচ্য বিষয়। একজন পোষ্য সারমেয়কে হাঁটানোর জন্য দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়াম ফাঁকা করে দেন। আর একজন বন্যা বিধ্বস্ত অসমের কাছাড়ে আটপৌড়ে শাড়ি পরে কাদামাখা পায়ে দাঁড়িয়ে কীর্তির অমলিন হাসি, মন জিতে নিয়েছে লাখো মানুষের।কীর্তি জাল্লি-র বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শনপ্রসঙ্গত দিল্লির সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সঞ্জীব খিরওয়ার ও তাঁর আমলা স্ত্রী রিঙ্কু দুগ্গার এই কাহিনি মুহুর্তে সামাজিক মাধ্যমের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই, কোনও কারন না দেখিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সঞ্জীবকে লাদাখ ও স্ত্রী রিঙ্কুকে অরুণাচলে বদলি করা হয়।বন্যাবিদ্ধস্ত কাছাড়, জলে ভাসছে। হাজার হাজার মানুষ অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। পানীয় জল, খাবারের জন্য হাহাকার করছে। তাঁর সাথে বাসস্থান হাড়িয়ে হাহাকার করছেন মানুষজন। কাছাড়ের ডেপুটি কমিশনার কীর্তি এ দৃশ্য দেখার পর ঠান্ডা ঘরে আর বসে থাকতে পারেননি। বেরিয়ে পড়েছেন বন্যা বিদ্ধস্ত মানুষের পাশে থাকার জন্য। সেই ছবিই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সেই ছবির কোনওটিতে দেখা যাচ্ছে নৌকা করে দুর্গতদের কাছে যাচ্ছেন, আবার তাঁকে খালি পায়ে কাদার উপর দিয়ে শাড়ি তুলে স্থানীয় মহিলার হাত ধরে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর ওই সদা হাস্যময় মুখ-ই এলাকার দুর্গত দের প্রেরণা হয়ে উঠেছে। তাঁর মুখের স্মিত হাসির মধ্যে বন্যাবিদ্ধস্ত মানুষজন নিজের আপনজনকে খুঁজে পাচ্ছেন।There are few more pics... Shes a star 🌟 pic.twitter.com/zSVeM1WP05 kzc (@kzc940) May 27, 2022২০১৩ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার এর আগেও শিরনামে এসেছেন। করোনা অতিমারিতে তাঁর বিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে আসার জন্য তাঁকে তাঁর পরিবার থেকে অনুরোধ জানালে তিনি পরিবার এবং বন্ধুদের অবাক করে দিয়ে তাদের বলেছিলেন যে, তিনি তার গুরুত্বপূর্ণ অফিসিয়াল দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে তাঁর বিয়ের জন্য হায়দ্রাবাদে বাড়িতে আসতে পারবেন না। এহেন কীর্তি র কাছে এটাই আসা করা যায়।এখানে উল্লেখ করা দরকার যে ডিসি কাছাড় কাম জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, কীর্তি জাল্লি ভোটার সচেতনতার জন্য বেস্ট ইলেক্টোরাল প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড ২০২১ (জাতীয় পুরস্কার) পেয়েছেন। তিনি ২৫ জানুয়ারী, ২০২২-এ নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর কাছ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেন। এছাড়াও ডেপুটি কমিশনার জাল্লি রাজ্য/কেন্দ্রের স্কিম/কর্মসূচির দক্ষ ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের একটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপ বিভাগের জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। হাইলাকান্দি জেলার ডেপুটি কমিশনার হিসাবে, কীরথী জলি, আইএএস অ্যানিমিয়া-মুক্ত হাইলাকান্দি প্রকল্পটি গ্রহণ করেছিলেন। হাইলাকান্দি জেলা জুড়ে অ্যানিমিয়া প্রকোপ কমাতে অ্যানিমিয়া মুক্ত হাইলাকান্দি প্রকল্পের জন্য অসামান্য প্রচেষ্টার চিহ্ন হিসাবে, রাজ্য সরকার তাকে এই সম্মান প্রদান করবে।আসামের বিধায়ক করিম উদ্দিন বারভুইয়া বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার জন্য তার আগ্রহের কোনো সীমা নেই। তিনি যেভাবে প্রত্যন্ত বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন, ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিয়েছেন এবং মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে পেরেছেন তা অত্যন্ত সম্মানের দাবি রাখে। আর এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, তার মানবতা দেখে আমরা খুব গর্বিত। তিনি বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আমাদের এলাকার নোংরা রাস্তায় হাঁটেন।সেখানকার মানুষজন তাঁকে ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, কীর্তি জাল্লি ম্যাম, কাছাড়ের ডিসি বন্যা দুর্গতদের দ্বারে। এত সরল এবং গ্রাউন্ডেড। আপনি একজন সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। এছাড়া কাছাড়ের সাধারণ মানুষ এলাকার নির্বাচিত নেতাদের অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করার জন্য কীর্তি জাল্লি প্রশংসায় পঞ্চমুখ।Keerthi Jalli IAS, Deputy Commissioner Cachar.🙏 pic.twitter.com/n5CsOoAFMu Awanish Sharan (@AwanishSharan) May 26, 2022আসামের দশটি জেলা বন্যায় বিপর্যস্ত। বন্যায় ত্রিশ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫.৬ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৬২,২৮৯ জনেরও বেশি মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। নগাঁও জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এর পরে কাছাড় এবং মরিগাঁও রয়েছে। আসামের বন্যা পরিস্থিতি এই মুহুর্তে কিছুটা উন্নতি হয়েছে কারণ রাজ্যের নদীগুলির জলস্তর হ্রাস পেয়েছে।

মে ২৮, ২০২২
দেশ

নজরে সংগঠন, আগামিকাল অসম সফরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক

অসম সফরে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামিকাল অসমে যাবেন অভিষেক। সেখানে প্রথমে কামাক্ষা মন্দিরে পুজো দেবেন। পুজো দিয়ে অসম তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হাজির থাকবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। আগামিকাল বুধবার অসমে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক।কংগ্রেস নেতা রিপুন বোরা কয়েকদিন আগেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাঁকে অসম তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। এবার অসমে সংগঠন বিস্তারে ঝাঁপ দিতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। এর আগে ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন ত্রিপুরা যাননি অভিষেক। উত্তরপূর্ব ভারতের অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়ে সংগঠন মজবুত করতে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল। মেঘালয়ে ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল। এখন মেঘালয়ে তৃণমূলই প্রধান বিরোধী দল।

মে ১০, ২০২২
দেশ

টাটাদের সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল অসমে, অনুপমের খোঁচা

অসমে সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করছে টাটা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টাটাদের অসমের প্রকল্প বাংলাতেও হতে পারত বলে মনে করছে প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. অনুপম হাজরা। সিঙ্গুর থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে টাটারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে বলে অনুপম মনে করেন।সিঙ্গুর কাণ্ডের পর এরাজ্য থেকে পুরোপুরি দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে টাটা গোষ্ঠী। নতুন কোনও প্রকল্পের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ দেখা যায়নি। শুধু টাটা নয়, অন্য শিল্পগোষ্ঠীও বাংলায় আসতে অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে রাজ্য সরকার শিল্প সম্মেলন করে আদানিসহ বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীকে এরাজ্যে হাজির করেছে। শিল্প পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সিঙ্গুরের শিল্পে ব্যাঘাত নিয়ে এখনও খোঁচা মারতে ছাড়েন না বিরোধীরা। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে টাটাদের সঙ্গে রাজ্যের ক্যানসার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রকল্পের কথা জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন pic.twitter.com/RDxyvjqKdg Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 28, 2022অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন, শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন{

এপ্রিল ২৯, ২০২২
দেশ

ফের কংগ্রেসে বড় ভাঙন, তৃণমূলে যোগ প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির

কংগ্রেসের ঘরে হানা দিয়েই চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে গোয়ায় একাধিক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে অসমের কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। রবিবার অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রিপুন বোরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। কয়েকদিন আগে রাজ্যসভার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন বিপুন। এদিনই পূর্বাঞ্চলের এই কংগ্রেস নেতা টুইটে কংগ্রেসের সভানেত্রীকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। এই তৃণমূলযোগের ফলে উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের ঘরে ভাঙন অব্যাহত রইল। এর আগে মেঘালয়ের ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।It gives us immense joy to welcome Shri @ripunbora, who joined the @AITCofficial family in the presence of our National General Secretary Shri @abhishekaitc pic.twitter.com/qfJka4PVIq All India Trinamool Congress (@AITCofficial) April 17, 2022উত্তর পূর্ব ভারতে কংগ্রেসের ভাঙন অব্যাহত। এদিন কলকাতায় রিপুন বোরার হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মেঘালয়ের পর এবার কংগ্রেসের ঘর ভেঙে অসমে সংগঠন বিস্তার করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে শনিবারই ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে সনিয়া গান্ধিসহ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের বৈঠক হয়। প্রশান্ত কিশোর আবার তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ।Extending a very warm welcome to Shri @ripunbora, a stalwart and skilled politician, who joined the @AITCofficial family today.We are extremely pleased to have you onboard and look forward to working together for the well-being of our people! pic.twitter.com/Tz0Q691Egd Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 17, 2022অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৩ ও ৪ মে মেঘালয়ে যাবেন। সেখানে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। মেঘালয়ের প্রাক্তন কংগ্রেসী মুখ্য়মন্ত্রীসহ একাধিক নেতা তৃণমূলে ভিড়েছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন দক্ষ রাজনীতিক রিপুন বোরাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
দেশ

উত্তরপূর্বের একাংশ থেকে প্রত্যাহার শুরু আফস্পা আইন, ঘোষণা করলেন শাহ

নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমের একাংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (আর্মড ফোর্সেস স্পেশ্যাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফস্পা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৃহস্পতিবার এ কথা ঘোষণা করেছেন।টুইটারে শাহ লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারত সরকার কয়েক দশক পরে নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমে আফস্পার অধীনে অশান্ত এলাকা কমানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার যে তৎপরতার সঙ্গে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে কাজ করেছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলির কারণে সেখানে এখন শান্তির পরিবেশ রয়েছে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পূর্ব বঞ্চিত ছিল, তবে সেখানে শান্তি, উন্নতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাস্তবায়ণ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই।Thanks to PM @NarendraModi Jis unwavering commitment, our North-Eastern region, which was neglected for decades is now witnessing a new era of peace, prosperity and unprecedented development.I congratulate the people of North East on this momentous occassion. Amit Shah (@AmitShah) March 31, 2022কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের একটি নতুন যুগের সূচনা করবে বলে জানান তিনি। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে জঙ্গি তৎপরতা মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনীর হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে ১৯৫৮ সালে আফস্পা আইন জারি করেছিল কেন্দ্র। উত্তর-পূর্বে এখন গোটা অসম, নাগাল্যান্ড, রাজধানী ইম্ফল বাদে মণিপুরের বাকি এলাকা ও অরুণাচলের তিন জেলায় আফস্পা বলবৎ রয়েছে। গত ডিসেম্বরে নাগাল্যান্ডে জঙ্গি সন্দেহে সেনার গুলিতে স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দার মৃত্যুর পর, নতুন করে উত্তর-পূর্বে ওই বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সে সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আফস্পা প্রয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্র একটি কমিটি গঠন করেছিল। শাহের মন্ত্রক জানিয়েছিল, যে সব এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বা নাশকতার সমস্যা নেই, সেই এলাকাগুলি থেকে পর্যায়ক্রমে আফস্পা তুলে নেওয়া হতে পারে। আপাতত ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়ার সূচনা হল।

মার্চ ৩১, ২০২২
দেশ

অসমের পুরভোটে বিরাট জয় পেল বিজেপি, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

অসমের পুরসভা নির্বাচনে বিরাট জয় হাসিল করল গেরুয়া শিবির। বিরোধী কংগ্রেস ধুয়েমুছে সাফ। অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও দাগ কাটতে পারেনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবারই প্রথম অসমের পুরভোট হয়েছিল ইভিএমে। এর ফলে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যের ভোট গণনার ঠিক আগের দিন বাড়তি আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেল বিজেপি ।অসম নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, যে ৮০টি পুরসভায় দিন দুই আগে নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে ৭৭টিতেই বিজেপি এবং জোটসঙ্গীরা বোর্ড গঠন করতে চলেছে। কংগ্রেস মাত্র একটি পুরসভায় বোর্ড গঠনে এগিয়ে। অসম গণ পরিষদ এগিয়ে মাত্র ২টি পুরসভায়। আসনের নিরিখে ফলাফল আরও চমকপ্রদ। অসমের মোট ৯৭৭ আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছে ৮০৭টি। কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে মাত্র ৭১টি আসন। অন্যান্য এবং নির্দলরাও কংগ্রেসের থেকে বেশি আসন পেয়েছে। তাঁদের দখলে গিয়েছে ৯৯টি আসন।Gratitude to the people of Assam for blessing BJP and our allies in the recently concluded municipal elections. This shows their faith in our Partys development agenda. I applaud our hardworking Karyakartas for their efforts and service among people. @BJP4Assam https://t.co/m4QteI8Ca7 Narendra Modi (@narendramodi) March 9, 2022এই বিরাট সাফল্যে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অসমের জয় নিয়ে টুইট করেছেন। এই বিপুল জনসমর্থনের জন্য অসমবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

মার্চ ০৯, ২০২২
বিবিধ

Viral: মানুষের মত দেখতে দুই পায়ের বাচ্চা জন্ম দিল ছাগল!

অনেকটা যেন মানুষের মতো দেখতে। এমনই একটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছে ছাগল। অসমের কাছাড়ের ঘটনা। এই খবর চাউর হতেই কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন সেখানে। গঙ্গাপুর গ্রামের এমন ঘটনায় হতবাক অনেকেই।জানা গিয়েছে, ওই গ্রামেরই এক বাসিন্দার পোষ্য ছাগল যে বাচ্চা দিয়েছে তার মুখ, চোখ, নাক অবিকল মানুষের মতো। তবে কান ছাগলের মতোই। চারপেয়ে নয়, ছাগলের সেই বাচ্চার আবার দুটি পা। সদ্যোজাত ছাগলের বাচ্চাটিকে দেখতে ওই গ্রামে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারাও। ছাগলের মালিক জানিয়েছেন, সোমবার ছাগলটি এই বাচ্চার জন্ম দেয়। অদ্ভুত দেখতে সেই বাচ্চাকে দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন তিনি। যদিও বাচ্চাটি জন্মের পর বেশিক্ষণ বাঁচেনি। স্থানীয় পশু চিকিৎসকদের মতে, পরিপুষ্ট এবং স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি না পাওয়ায় এমন অদ্ভুত দেখতে হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Nagaland-Amit Shah: ভুল বোঝার কারণেই নাগাল্যান্ডে গুলি চলেছিল, সংসদে বিবৃতি অমিত শাহের

ভুল বোঝাবুঝির কারণেই নাগাল্যান্ডে গুলি চলেছিল বলে লোকসভায় বিবৃতিতে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নাগাল্যান্ডে সেনা এবং অসম রাইফেলসের গুলিতে ১৬ জন গ্রামবাসীর মৃত্যুর ঘটনাকে গভীর দুঃখজনক বলেন তিনি। সেই সঙ্গে সোমবার বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শনিবার রাতে মন জেলার ওটিং গ্রামের কাছে জঙ্গি ভেবে ভুল করে খনি শ্রমিকদের গাড়িতে গুলি চালিয়েছিল সেনা। অভিযানে ছিলেন, সেনার ২১ জন কমান্ডো। তাঁদের গুলিতে গাড়ির আট যাত্রীর ছজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত দুজনকে সেনারাই হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানিয়েছেন তিনি। গুলি চালনার পরই সেনাঘাঁটিতে হামলা হয় বলেও উল্লেখ করেন শাহ।শাহ বলেন, গাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনার পর গ্রামবাসীরা এলাকায় অসম রাইফেলসের শিবিরে চড়াও হলে জওয়ানেরা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান। সেই ঘটনায় আরও সাত জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। এর পর ফের জওয়ান-জনতা সংঘর্ষে স্থানীয় এক গ্রামবাসী নিহত হন। গ্রামবাসীদের হামলায় এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু ঘটেছে বলেও জানান তিনি।শাহ জানান, এক মাসের মধ্যেই রিপোর্ট পেশ করবে বিশেষ তদন্তকারী দল। তিনি বলেন, ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানের জন্য় ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের এক আধিকারিক কোহিমায় গিয়েছেন।প্রসঙ্গত, শনিবার রাতের ওই গুলিচালনার ঘটনায় তদন্তে আগেই পৃথক কমিটি গঠন করেছেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রীও নেইফিউ রিও।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
দেশ

Manipur-Assam Rifles: মণিপুরে জঙ্গিহানায় শহিদ ৭, নিহত স্ত্রী, পুত্র-সহ অসম রাইফেলসের কর্নেল

মণিপুরে জঙ্গি হামলার শিকার অসম রাইফেলস। শনিবার সকালে মায়ানমার সীমান্তবর্তী চূড়াচাঁদপুর জেলায় জঙ্গিহানায় অসম রাইফেলসের এক কমান্ডিং অফিসার-সহ সাত জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ওই অফিসারের স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রের খবর। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই অফিসারের গাড়ির চালক এবং অসম রাইফেলসের দুই কর্মী।ঘটনার পরেই মায়ানমার সীমান্তবর্তী মণিপুরের ওই এলাকায় অভিযানে নেমেছে সেনা এবং অসম রাইফেলস।Strongly condemn the attack on the Assam Rifles convoy in Manipur. I pay homage to those soldiers and family members who have been martyred today. Their sacrifice will never be forgotten. My thoughts are with the bereaved families in this hour of sadness. Narendra Modi (@narendramodi) November 13, 2021সূত্রের খবর, মণিপুরের জঙ্গিগোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মি অফ মণিপুর (পিএলএএম)। হামলার পিছনে মায়ানমারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা নাগা জঙ্গিগোষ্ঠী এনএসসিএন (খাপলাং) গোষ্ঠীরও হাত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রের খবর, নিহত কর্নেল বিপ্লব ত্রিপাঠী অসম রাইফেলসের ৪৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। বেহিয়াং থানার অন্তর্গত সিংঘাটের কাছে সায়লসি এবং সেকেন গ্রামের মধ্যবর্তী জঙ্গল ঘেরা এলাকায় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। কনভয়ের অন্য গাড়ি থেকে জওয়ানেরা পাল্টা গুলি চালালে জঙ্গিরা গা ঢাকা দেয়।The cowardly attack on an Assam Rifles convoy in Churachandpur, Manipur is extremely painful condemnable. The nation has lost 5 brave soldiers including CO 46 AR and two family members.My condolences to the bereaved families. The perpetrators will be brought to justice soon. Rajnath Singh (@rajnathsingh) November 13, 2021জঙ্গিহানার নিন্দা করে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং।Strongly condemn the cowardly attack on a convoy of 46 AR which has reportedly killed few personnel including the CO his family at CCpur today. The State forces Para military are already on their job to track down the militants. The perpetrators will be brought to justice. N.Biren Singh (@NBirenSingh) November 13, 2021জঙ্গিহানায় অসম রাইফেলসের কর্নেল ত্রিপাঠী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি টুইটারে তিনি লিখেছেন, মণিপুরে ৪৬ অসম রাইফেলসের কনভয়ে জঙ্গিদের জঘন্য হামলার তীব্র নিন্দা করছি।I strongly condemn the dastardly attack by militants on a convoy of 46 Assam Rifles in Manipur. It pains me to learn that we have lost five brave soldiers, including the CO his family members.Heartfelt condolences to the bereaved families. The entire nation awaits justice! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 13, 2021

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
দেশ

Assam: অনুপ্রবেশকারী রুখতে পুলিশি অভিযানে রণক্ষেত্র অসম, ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক

সম্প্রতিই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছিলেন, চর অঞ্চলগুলিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার এই অভিযান চলবে। আর সেই অনুপ্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা অসম । সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে অসমের সংখ্যালঘু ছাত্র সংগঠন, জামিয়াত-সহ আরও কয়েকটি সংগঠন মিলিতভাবে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার। আরও পড়ুনঃ অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতারগতকাল এমনই এক বসতি উচ্ছেদে বৃহস্পতিবার অভিযান চালায় পুলিশ। হঠাৎই এলাকার মানুষ উচ্ছেদ অভিযানে আসা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। ১১ জন পুলিশ কর্মী পাথরের আঘাতে আহত হন বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরপর পুলিশের তরফেও গুলি ছোড়া হয়।সেই গুলির আঘাতে ২ জন আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দরং জেলার ঢলপুরের গরুখুঁটিতে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। তখনই এই সংঘর্ষ বাঁধে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় দুই আন্দোলনকারীর। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেলে জখম হন ১১ জন পুলিশ কর্মী। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে, সরকারের নিয়োগ করা একজন ফোটোগ্রাফার সহ বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীরা মিলে এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে মারধর করছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় অসম পুলিশের মারধরের যে ভিডিওটি জাতীয়স্তর অবধি চর্চিত হচ্ছে, সেটি গত ২০ সেপ্টেম্বরের বলে জানা গিয়েছে। ওই ব্যক্তি, যাকে পুলিশ অনুপ্রবেশকারী বলে আখ্যা দিয়েছে, তিনি পুলিশকে উচ্ছেদের কাজে বাধা দিতেই তাঁর বুকে গুলি করা হয় এবং নির্মমভাবে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। সরকারের তরফে যে ফোটোগ্রাফারকে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁকেও ওই ব্যক্তির বুকে লাথি মারতে দেখা যাচ্ছে ওই ভিডিওয়।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal