• ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Art

রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়নের তরফে নগরায়ন দফতরে বিক্ষোভ

পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়ন এর তরফ থেকে UDMA দফ্তর অভিযান। একাধিক দাবf নিয়ে এই বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দেখায় নগরায়ন দফতরের সামনে। অবিলম্বে পৌর স্বাস্থ্যকর্মীদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে, কর্মরত অবস্থায় কোন কর্মীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা প্রদান, ষাটোর্ধ্ব কোন কর্মী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে অবসরকালীন ভাতা দিয়ে অবসর গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, পৌর স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীর স্বীকৃতি, সরকারি সব ছুটি, পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ইএস আই-র আওতায় আনতে হবে। এই সকল দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের নগরায়ন দফতরের UDMA অভিযান। অভিযানের ডাক দেয় পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়ন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজনীতি

বঙ্গভঙ্গ: আগুন পথে বিজেপি?

১৯৪৭ -এ দেশভাগের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। সেই ক্ষতের অভিঘাতে ঋত্বিক ঘটকের হৃদয় জীর্ণ হয়েছিল কাঁটাতারের অবসাদ তাঁকে আজীবন ঘিরে ছিল। দেশভাগের রক্তাক্ত দলিল বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় ছড়িয়ে রয়েছে। কত সম্পন্ন উঠোন, কাঁচা পাকা গেরস্থালি অকালে ঝরে গিয়েছে। তার তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর। মনুষ্যত্বের অপমান লাঞ্ছিত দীর্ঘশ্বাস আর বেদনা জারিত স্মৃতি আজও ব্যাথা জাগায়। মানবজমিনের এই অধঃপতনে অন্নদাশঙ্করের কলম লিখে ছিল, তেলের শিশি ভাঙলে বলে খুকুর পরে রাগ কর/ তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ কর?....সেদিনের দেশভাগের পরিণতি বাংলার বুকে কাঁটাতার। এক সময় কুমিল্লা থেকে কলকাতার কলা বাগানে একই সূর্যের আলোয় ভোর হতো। আজ কুমিল্লায় ভোর হয় প্রতিবেশী সূর্যের আলোয়। সেই ভাগের বেদনা ফের উঁকি মারছে বাংলায়। সৌজন্যে রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল বিজেপির গলায় বিচ্ছিন্নতা বাদের জিগির। বিভেদ সৃষ্টির রাজনীতি কি আবার রাজ্যকে ভাগ করার পথে পা রাখতে চলেছে? উঠছে প্রশ্ন। সম্প্রতি উত্তর বঙ্গের জন্য পৃথক ব্যবস্থার দাবি করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেই দাবির রেশ ধরে একাধিক দলীয় সাংসদ ও বিধায়ক সরাসরি উত্তর বঙ্গের একাংশে কেন্দ্রীয় শাসনের দাবি তুলেছেন। তাঁদের যুক্তি পশ্চিমবঙ্গের অংশ হিসেবেই তাঁরা কেন্দ্রের উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের শরিক করে বাড়তি কেন্দ্রীয় সাহায্য পেতে চাইছেন। বিচিত্র যুক্তি। একই সঙ্গে তাঁরা বলছেন উত্তর বঙ্গে অনুপ্রবেশ আটকাতেই এই ব্যবস্থা দরকার। অর্থাৎ সেই সাম্প্রদায়িকতার জুজু। হিন্দু ভোট এককাট্টা করার নতুন কৌশল। আর উত্তর বঙ্গ কে এই নতুন কৌশলের পরীক্ষাগার করার জন্যই কি সলতে পাকানো শুরু? এই প্রশ্নও উঠছে। উত্তরবঙ্গের অনুন্নয়নের যে সমস্যার কথা বলা হচ্ছে তা অস্বীকার করা যায় না। সেখানে উন্নয়ন বাড়লে তা সমগ্ৰ রাজ্যেরই কল্যাণ। সেখানে পশ্চাৎপদতার জন্যে কেন্দ্রের বাড়তি সাহায্য চাওয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই। উত্তর বঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্য বেশি। তাই বাড়তি সাহায্যের জন্য তাঁরা উদগ্ৰীব হতেই পারেন। কিন্তু রাজ্যকে ভাগের কথা বলার মধ্যে অশান্তির ফুলকি থেকে যায়। পশ্চিমবঙ্গের সুস্থিতি ও সংহতির স্বার্থে এই বিপজ্জনক পথ এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের গুরুত্ব নিয়ে এ রাজ্যে সরব গেরুয়া শিবির। নিছক দলীয় স্বার্থে সেই গুরুত্ব জলে ভাসালে রাজ্য রাজনীতির ক্ষেত্রে তা শুভ ইঙ্গিত নয়। অন্তত এই বোধটুকু বিরোধী দলের কাছে আশা করা যায়। তবে বাংলা ভাগ নিয়ে শোরগোলে রাজ্য বিজেপির অন্দরেও বিভাজনের কথা শোনা যাচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে খবর, দক্ষিণবঙ্গের বিজেপি নেতারা মনে করছেন দল এই পথে এগোলে, ভবিষ্যতে রাজ্যে বিজেপির দপ্তর খোলার লোক পাওয়া যাবে না। রাজনীতির পরিভাষায় বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের অরগ্যানিক পার্টি নয়। অর্থাৎ এই রাজ্যে বিজেপির ভূমিজ শিকড় নেই। শিকড়ের টান শুধু গাছ নয় মানুষকেও ধরে রাখে। তাই মানুষের তৈরি রাজনৈতিক দলেরও বিকাশে শিকড়ের প্রয়োজন। আর এই শিকড়ের অভাবেই ২০১৯ শেষ লোকসভা নির্বাচনে সাফল্য খুব বেশি ডালপালা মেলতে পারলো না। বাম কংগ্রেসের শূন্যস্থানে প্রধান বিরোধী হয়ে থাকাই যেন তাদের ভবিতব্য।ভারত ভূখণ্ডের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই বঙ্গেও বৈচিত্র্যের বিভিন্নতার সুপত্র সমাবেশ। তাই সাতের দশকে বাংলার কবি অরুণ চক্রবর্তীর চোখে শ্রীরামপুর স্টেশনের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা মহুয়া গাছের বিবর্ণতা জ্বালা ধরায়। কবি লেখেন, লাল পাহাড়ির দেশে যা/ রাঙামাটির দেশে যা/ ইতাক তোকে মানাইছেনা রে/ইক্কেবারে মানাইছেনা রে। হিন্দি বলয়ের মেরুকরণ এই মাটিতেও মানাবে না। ১৯০৫ সাল। তখন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন। ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা ভাগের পরিকল্পনা করেছিলেন কার্জন। ব্রিটিশ শাসকের এই divide and rule নীতিতে প্রতিবাদ ছড়িয়েছিল বঙ্গ। প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। রাখিবন্ধনকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন কবি। সেদিনের স্মৃতি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ঘরোয়া অনুলিখনে রাণীচন্দকে বলেছিলেন। অবন ঠাকুর বলেছিলেন সকালে জগন্নাথ ঘাটে স্নান করে ফেরার পথে রবিকাকা রাস্তার দুপাশে জড়ো হওয়া মানুষের হাতে রাখী পরিয়ে দেন। পাথুরে ঘাটায় আস্তাবলে মুসলমান সহিসদের হাতেও রাখী পরান। সেখানেই শেষ নয়। চিৎপুরে সবচেয়ে বড় মসজিদে গিয়ে মৌলবীসহ অন্যদের হাতেও রাখী পরান কবি। রবিকাকা যখন মসজিদের দিকে এগোচ্ছেন তখন গোলমালের ভয়ে কাকার চোখ এড়িয়ে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ার কথাও বলেছেন অবনীন্দ্রনাথ। তবে সামান্য গোলমাল ও নয় বরং সেদিনের উপলক্ষে লেখা কবির , বাংলার মাটি বাংলার জল/ বাংলার বায়ু বাংলার ফল/ পুন্য হউক পুন্য হউক হে ভগবান -এর আবেশ। তাদের সমবেত কন্ঠে গলি থেকে আকাশ পর্যন্ত ছড়িয়েছিল। লর্ড কার্জনের বাংলা ভাগের পরিকল্পনা রদ হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পাঁচের দশকে আরও একবার বাংলার ভূগোল পাল্টাতে চেয়েছিল শাসক। তৎকালীন কংগ্রেস সরকার বাংলা বিহার সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা করেছিল। এর প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে বামপন্থীরা। কিন্তু তাতে কান দেয়নি শাসকদল। একদিকে পরিকল্পনা এগোতে থাকে অন্যদিকে তীব্র হয় বামেদের আন্দোলন। সেই সময় কলকাতা উত্তর পশ্চিম কেন্দ্রে বাম সমর্থিত নির্দল বিধায়ক বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচন ঘোষণা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় বিরোধীদল নেতা জ্যোতি বসুকে বলেন এই উপনির্বাচনকে আমি গণভোট হিসেবে নিচ্ছি। নির্বাচনে তোমরা জিতলে সংযুক্তিকরণ হবে না, আমরা জিতলে তোমাদের সংযুক্তিকরণ মেনে নিতে হবে। জ্যোতি বসু সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। উপনির্বাচনে বাম সমর্থিত প্রার্থীই জিতেছিলেন। বিধান রায় সংযুক্তিকরণ থেকে পিছিয়ে এসেছিলেন। ইতিহাস বলছে দেশভাগের কূট খেলায় বাঙালি পরাস্ত হলেও বাংলা ভাগ মেনে নেওয়া বাংলার মানুষের ঠিকুজিতে নেই।

আগস্ট ০২, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

ইচ্ছা থাকলে কোনও বাধা আটকাতে পারে না, বাঙালির এই কীর্তিতে আপনারও গর্ব হবে

ত্রিপুরার বাপি দেবনাথ দীর্ঘ দিন ধরে থাকেন কলকাতায়। সাধারণ সিঙ্গল গিয়ার সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলেন অভিষ্ঠ লক্ষ্যে। ২১ মে ২০২৪ কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করেন মাউন্ট এভারেস্টের উদ্দেশে। বাপি ওরফে নীলের যাত্রাপথ ছিল কলকাতা, বেনারস, অযোধ্যা, সানহলি বর্ডার, কাঠমান্ডু, গুরমি, সেলেরি, নামচিবাজার হয়ে এভারেস্টের বেস ক্যাম্প। ১৪ জুলাই ২০০৪, ১০টা ৫৫ মিনিট এভারেস্ট বেস্ট ক্যাম্পে পৌঁছান বাপি।বাপি দেবনাথ বলেন, প্রথম বাঙালি সাইক্লিস্ট হিসাবে আমি এই রেকর্ড করেছি। সাইকেল নিয় কলকাতা থেকে মাউন্ট এভারেস্ট পৌঁছানো। ভারতের তৃতীয় সাইক্লিস্ট, প্রথম বাঙালি। বিশ্বের অষ্টম সাইক্লিস্ট। আমি পুরো সাইকেল জার্নিটা আমার বাবাকে উৎসর্গ করেছিলাম। এখানকার অফিসিয়ালরা জানিয়েছে এটা একটা রেকর্ড। যে রেকর্ড করবো তা জানতাম না। ত্রিপুরা ও পশ্চিমবাংলার বাসিন্দাদের বাসীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন আগরতলার চন্দ্রপুরের এই বাসিন্দা। কাজ করেন সিনেমাটোগ্রাফি ও এডিটিংয়ের। নেশা সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ানো। ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে পৌঁছে গিয়েছেন এভারেস্টের বেস ক্যাম্পেই। বাপি বলেন, বাঙালি হিসাবে এটা আমার বড় প্রাপ্তি। আমাকে সাপোর্ট করার জন্য় প্রত্যেককে ধন্যবাদ। ভারতের জন্য়ও বড় প্রাপ্তি। এটাই বলব অসম্ভব বলে কিছু নেই। শুধু ইচ্ছাশক্তি থাকা চাই। অনেক দুর্গম রাস্তা দিয়ে আসতে হয়েছে। পথে মৃত্যু মুখে পড়তে হয়েছে। তবে আমার লক্ষ্য ছিল এই অভিযান আমাকে যে কোনও মূল্যে সম্পূর্ণ করতে হবে। আগামী দিনে আরও লক্ষ্য রয়েছে। সেগুলি পূরণ করার চেষ্টা করব।

জুলাই ১৮, ২০২৪
রাজ্য

সরকারি জমি দখল করে হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রীর অফিস, ভেঙে গুড়িয়ে দিল পুলিশ

বিধানসভায় খাতায়কলমে বিধায়ক রয়ে গিয়েছেন জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিবও ছিলেন। যদিও তাঁর পদ চলে যাওয়ার পর আর কেউ মহাসচিব পদে বসেননি। এবার সেই প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধায়কের শেষ চিহ্নও মুছে গেল মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। বেহালায় ফুটপাত দখল করে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অফিস বৃহস্পতিবার ভাঙা পড়ল। বেহালার ম্যান্টনে সেই অফিস ভাঙা হয়েছে কার্যত ফুটপাত দখলমুক্ত করতেই।কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নবান্ন থেকে। তার পর থেকেই তৎপর পুলিশ-প্রশাসন। অনেকদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, রাস্তা দখল করে বেহালা পশ্চিমের বিধায়কের কার্যালয় তথা পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই ফুটপাত-রাস্তা দখলমুক্ত করার অভিযানে নেমেছে পুলিশ-প্রশাসন। তার মধ্যেই ভাঙা পড়ল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অফিস।ওই পার্টি অফিসে নিয়মিত বসতেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক। সেখানে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতেন পার্থবাবু। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সেই অফিস নিয়ে বিস্তর অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। ২০২২ সালের ২৩ জুলাই পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে তৃণমূলের অফিসটি। এবার স্মৃতি থেকেও মুছে গেল সেটি।এই ইস্যুতে শাসক-বিরোধী তরজা শুরু হয়েছে। বেহালার সিপিএম নেতা কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায় বলনে, সাধারণ মানুষের অভিযোগে চাপে পড়ে প্রশাসনকে ভাঙতে বাধ্য করেছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র শান্তনু সেনের দাবি, এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন। দল, রং না দেখে ব্যবস্থা নেয়। তৃণমূল কোনও অন্যায়কে সমর্থন করে না। করবেও না{

জুন ২৮, ২০২৪
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিপাকে, পাটুলি, বিষ্ণুপুর, বোলপুরের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির

নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আরও বিপাকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তদন্তের সূত্রে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আরও অনেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কলকাতার পাটুলি, বোলপুর, বিষ্ণুপুর-সহ একাধিক জায়গা থেকে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যে সম্পত্তি তারা বাজেয়াপ্ত করেছে তা সরাসরি পার্থের নামে নয় তবে তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানতে পেরেছে, এই সম্পত্তিগুলি পার্থরই। শুধুমাত্র বোলপুরেই অন্তত পাঁচটি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। যার বাজারমূল্য প্রায় কয়েক কোটি টাকা। জমি ছাড়াও একাধিক সংস্থার কাছ থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। এগুলি পার্থর বলেই মনে করা হচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই সব জমি-সম্পত্তির যোগ রয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে শুরুতে পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে বোলপুরে একটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছিল ইডি। সেই বাড়ির নাম আবার অপা। পরে সেই বাড়ি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এক্ষেত্রে ইডি সূত্রের খবর, কোনও সম্পত্তিই নিজের নামে রাখেননি পার্থ। সব নথিতেই তাঁর কোনও না কোনও ঘনিষ্ঠের নাম রয়েছে।নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে ২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই থেকে তিনি জেলবন্দি। সে সময়ে পার্থের বান্ধবী হিসাবে পরিচিত অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাট থেকে ২২ কোটির বেশি এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ২৭ কোটির বেশি টাকা উদ্ধার হয়। দুই ফ্ল্যাট থেকে বিদেশি মুদ্রা এবং সোনাও উদ্ধার করে ইডি। এই সমস্ত সম্পত্তি এবং সোনাদানা, ফ্ল্যাট-বাড়ি মিলিয়ে কম করে ৬০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। যা আদতে অর্পিতার নামে থাকা পার্থের সম্পত্তি বলেই দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।এবার পাটুলি, বোলপুর, বিষ্ণুপুর থেকে যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ৬০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় মোট ১৩৫ কোটি টাকার নগদ এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

জুন ১৪, ২০২৪
রাজ্য

মমতার নিশানায় ফের কার্তিক মহারাজ, আইনি চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। এদিন আবার বাঁকুড়ার ওন্দার জনসভা থেকে কার্তিক মহারাজের নাম নিয়ে তুলোধনা করলেন তৃণমূলনেত্রী। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। ভরা মঞ্চ থেকে এভাবেই কার্তিক মাহারাজকে এদিনও আক্রমণ তৃণমূল সুপ্রিমোর।আমি একটি লোকের নাম করে বলেছিলাম, তাঁর নাম কার্তিক মহারাজ। তিনি আমাদের এজেন্ট বসতে দেননি। ভোটের দুদিন আগে মুর্শিদাবাদে যে দাঙ্গাটা করিয়েছিলেন তার হোতা ছিলেন উনি। আমি সেই জন্য বলেছিলাম এবং বলে যাব। আগে অধীর করতেন, এখন বিজেপি করেন।মুর্শিদাবাদের যে জায়গায়টায় রেজিনগরে ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করেছিল। সেখানে ওনার আশ্রম। উনি আশ্রম চালান, আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম ওখানে তৃণমূলের এজেন্ট নেই কেন? বলল কার্তিক মহারাজ বলেছেন এখানে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। কিছু লোককে খেপিয়েছে যারা ছানার ব্যবসায়ী। খবর আমিও রাখি। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। লুকিয়ে লুকিয়ে কেন? আমি তাই বলেছি। আমি যেটা বলি সেটা প্রমাণ ছাড়া বলি না। বাংলায় তৃণমূলের এজেন্ট বসবে না, ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করিয়ে দেবে। তাদের আমি ছেড়ে দেব?এদিকে, আইনজীবী মারফত এদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে হুগলির গোঘাটের সভা থেকেও কার্তিক মহারাজকে বেনজির নিশানা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এই আইনি চিঠি।তিনি আইনি পথে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের মোকাবিলা করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। শেষমেশ আইনজীবী মারফত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্দে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তৃণমূলের তরফেও জানানো হয়েছে আইনি পথেই এর মোকাবিলা করবেন তাঁরা।তৃণমূল সুপ্রিমোর মন্তব্য ভারত সেবাশ্রম সংঘের অগণিত ভক্তের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মে ২১, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলায় ভোটপ্রচারে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গল্প শোনালেন অমিত শাহ, বললেন, "দখলে নেব"

বাংলায় একের পর এক জনসভা করছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তুলোধোনা করছেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। এবার শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারে এসে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের কথা বললেন অমিত শাহ। শাহ বলেন, বাংলায় মোদীজির পাঠানো চাল দিদির সিন্ডিকেটের লোকেরা খেয়ে নিচ্ছে। মোদী সরকারের অধীনে কাশ্মীরে নয়, পিওকে-তে স্বাধীনতার স্লোগান উঠছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও ভারতীয় জনতা পার্টির অমিত শাহ বুধবার হুগলিতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে করা উন্নয়নমূলক কাজগুলি তুলে ধরেন। পাশাপাশি কংগ্রেস ও তৃণমূলের কু-শাসনের কথাও তুলে ধরেন। এবং কয়েক বছর ধরে দেশে ঘটে চলা দুর্নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিং, শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কবির শঙ্কর বোস, জেলা সভাপতও মোহন চাঁদ অটক এবং অন্যান্য নেতারা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র বলেন, যে এই নির্বাচন দুটি দলের মধ্যে। একদিকে রয়েছে পরিবারতান্ত্রিক দল, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চান, শরদ পাওয়ার তাঁর মেয়েকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চান, উদ্ধব ঠাকরে তাঁর ছেলেকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চান এবং সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রী করতে চান রাহুল গান্ধীকে । অন্যদিকে, একজন দরিদ্র চা বিক্রেতার পরিবারে জন্মগ্রহণকারী এদেশের মহান নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার এই দেশের লাগাম কার হাতে তুলে দেবেন তা জনগণেরই সিদ্ধান্ত। একদিকে ইন্ডি জোটের দুর্নীতিবাজরা ১২ লাখ টাকার কেলেঙ্কারি করেছে, অন্যদিকে ২৩ বছর মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও ২৫ পয়সারও কোনও অভিযোগ নেই। একদিকে রাহুল গান্ধী আছেন, যিনি গরম বাড়লেই ছুটি কাটাতে বিদেশে চলে যান, আর অন্যদিকে আছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তিনি ২৩ বছর ধরে একটিও ছুটি নেননি এবং জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেন। কবির শঙ্কর বসুকে দেওয়া প্রতিটি ভোটই নরেন্দ্র মোদীকে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী করার দিকে যাবে।শাহ বলেন, এটাই বিজেপির গ্যারান্টি যে কবির শঙ্কর বসুর বিজয়ের পর বাংলায় অনুপ্রবেশকারী তো ছেড়ে দিন, একটি পাখিও ঢুকতে পারবে না। নরেন্দ্র মোদীর তৃতীয়বার বিজয়ের পর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ হবে, মাফিয়া রাজের অবসান হবে এবং কাটমানিও দূর হবে। কংগ্রেস, বাম এবং তৃণমূল কংগ্রেস গত ৭০ বছর ধরে রাম মন্দির নির্মাণকে বাধাগ্রস্ত করে রেখেছিল, কিন্তু নিজের শাসনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আদালতের মাধ্যমে রাম মন্দিরের পথ প্রশস্ত করেছিলেন, ভূমিপুজোও করেছেন এবং ২২ জানুয়ারি ভগবান শ্রী রামের মহিমান্বিত অভিষেক হয়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে মোল্লা-মৌলবীদের নিয়ে সদ্ভাবনা যাত্রা করছিলেন। কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসও তোষণের রাজনীতির কারণে রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান বয়কট করেছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস বলে যে ৩৭০ অনুচ্ছেদ অপসারণ করা উচিত নয়, রক্তের নদী বয়ে যাবে, তবে তাদের বোঝা উচিত যে এটি মোদীজির নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সরকার, সেখানে কোনও রক্তপাত হবে না। নদীর কথা তো ভুলে যাও, পাথর ছুঁড়তেও কারও সাহস নেই এখানে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বানিয়েছেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী বলেছেন, ইন্ডি জোট যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন আমাদের কাশ্মীরে ধর্মঘট হত। এখন মোদীজির প্রভাবে, কাশ্মীরের যে অংশটি ভারতে রয়েছে সেখানে কোনও ধর্মঘট নেই, তবে শুধুমাত্র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ধর্মঘট হয়। আগে ভারতের কাশ্মীরে আজাদীর স্লোগান উঠত, এখন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে স্লোগান উঠছে। আগে পাথর ছোঁড়া হতো ভারতীয় কাশ্মীরে, কিন্তু এখন পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। আমাদের কাশ্মীরে ২ কোটি ১১ লাখ পর্যটক কাশ্মীরে গিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে আটার দাম রেকর্ড গড়েছে। মণিশঙ্কর আইয়ার এবং ফারুক আবদুল্লাহর মতো লোকেরা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে কথা বলবেন না, কারণ পাকিস্তানের কাছে পারমানবিক বোমা আছে বলে দেশকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। এখন আমি বলছি রাহুল বাবা এবং মমতা জি, ভয় পেতে হলে ভয় পান কিন্তু পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের এবং আমরা তা নেব।শ্রী শাহ বলেছেন, মমতাজি বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ এবং জৈন উদ্বাস্তুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতে পছন্দ করেন না, তবে তিনি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের পছন্দ করেন এবং তাদের নাগরিকত্ব দিয়েছেন। আমি মমতাজি এবং তার ভাইপোকে বলতে চাই যে আপনি নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করুন তবে আমরা প্রত্যেক শরণার্থীকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিয়ে থাকব। শ্রী শাহ বলেন, যে সত্যজিৎ রায় একজন খুব বড় চলচ্চিত্র শিল্পী ছিলেন এবং তিনি একটি খুব বিখ্যাত চলচ্চিত্র হীরক রাজার দেশে তৈরি করেছিলেন কিন্তু মমতাজি যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন তিনি ছিলেন না, অন্যথায় হীরক রাজার দেশে এর পরিবর্তে হীরক রাণার দেশে এই নামে একটি চলচ্চিত্র তৈরি হতো। যে বাংলায় সৃষ্টি বন্দে মাতরম সেখানেই হিংসা, দুর্নীতি ও তোষণ, যে বাংলা দিয়েছে জনগণ মন, যে বাংলা স্বাধীনতা আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে, সেই বাংলা থেকে দেশপ্রেমকে ধ্বংস করার কাজ করেছে কমিউনিস্ট ও তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা গরিব, অনগ্রসর ও আদিবাসীদের অধিকার কেড়ে নিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন।

মে ১৫, ২০২৪
কলকাতা

মুক্তিতে স্বস্তি! কেজরিওয়ালের নামে পুজো কালীঘাট মন্দিরে

আজ আম আদমী পার্টি, পশ্চিমবঙ্গের তরফ থেকে আম আদমী পার্টির সুপ্রিমো শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নামে পুজো দেওয়া হল কলকাতার কালীঘাট মন্দিরে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আগামী দিন গুলির রাজনৈতিক সাফল্য কামনা করে এবং দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে আজ এই প্রার্থনা করা হয় দলের তরফে । দলের তরফ থেকে প্রধান মুখপাত্র, অর্ণব মৈত্র জানিয়েছেন, দেশে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে যাতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের লড়াই সফল হয় সেই জন্য আজকের এই পুজো আয়োজন করা হয়েছিল। তার সাথে সমগ্র দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করি আমরা।। মায়ের কাছে আমাদের প্রার্থনা সকলে ভালো থাকুক এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেশের স্বৈরাতন্ত্র কে পরাজিত করে দেশকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর করুন।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

পোষ্টার ঘিরে তোলপাড় বীরভূম, বিতর্ক ছড়াল বিজেপির অন্দরে

বিজেপির পোষ্টার ঘিরে তোলপাড় বীরভূম ফের অস্বস্তিতে বিজেপি। এবার পোষ্টারকে ঘিরে বিতর্ক ছড়াল বিজেপির অন্দরে। যদিও তার নামে ছাপানো ওই পোষ্টারের বিরুদ্ধে থানায় যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন কলোসোনা মণ্ডল। তাঁর দাবি, কিছু ছদ্মবেশী বিজেপি এবং তৃণমূল এসব করেছে।প্রসঙ্গত, রামকৃষ্ণ রায় জেলা সভাপতি থেকে সরে যাওয়ার পরেই কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন সিউড়ির বিজেপি নেতা কালোসোনা মণ্ডল। তবে দেবাশিস ধর প্রার্থী হওয়ার পর তিনি সক্রিয় হয়ে ওঠেন। প্রচারেও দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু আইনি জটিলতায় দেবাশিসবাবুর প্রার্থী পদ বাতিল হওয়ায় বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন দেবতনু ভট্টাচার্য। পরেই অসুস্থ হয়ে পরেন দলের বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সহ। ফলে প্রচারেও খামতি দেখা যায় বিজেপিতে। অভিযোগ আমোদপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভায় দেবাশিস ভট্টাচার্যকে মঞ্চে উঠতে না দেওয়ায় মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। এমনকি দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারেও দেখা যায় না দেবাশিসবাবুকে। অভিযোগ দলের তরফে ডাক না পাওয়ায় সিউড়িতে গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন প্রাক্তন আই পি এস অফিসার দেবাশিস ধর। এই টানাপোড়েনের বৃহস্পতিবার সকালে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানানো কালোসোনা মন্ডলের নামাঙ্কিত পোষ্টার লক্ষ্য করা যায়। দলীয় প্যাডে ছাপানো অক্ষরে লেখা ওই পোষ্টারে কারও সাক্ষর না থাকলেও না রয়েছে কালোসোনা মণ্ডলের। ওই ছাপানো প্যাডই জেরক্স করে জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কালোসোনা মণ্ডল বলেন, দলের বিরুদ্ধে কিছু বলার থাকলে সরাসরি বলব। অভাবে চোরের মতো পোস্টার মারব না। আসলে বিজেপিকে ভয় পেয়েছে তৃণমূল। তাই কিছু ছদ্মবেশী বিজেপি এবং তৃণমূলের প্রচার বিভাগ এসব করছে। যাতে আমাদের বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্য জয়ী হতে না পারে। তবে মনে রাখবেন বিজেপি বীরভূম লোকসভা নির্বাচনে জিতে গিয়েছে। মানুষ আর চোর তৃণমূলকে চায় না। তাই এখন কখন পোষ্টার দিয়ে কখন ভুয়ো ভিডিও করে বিজেপিকে খাটো করার চেষ্টা করছে। আমি এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব। পুলিশ সি সি টিভি দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, এসব বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।

মে ১০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালির প্রসঙ্গ তুলে মমতার সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার

মমতা সরকারের দুর্নীতি, তোলাবাজি ও অপশাসনের কারণে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন থেমে গেছে এবং মমতার অপশাসনের কারণে যে রাজ্যটি প্রথমসারির রাজ্যগুলির মধ্যে গণ্য হয়েছিল তাও আজ পিছিয়ে পড়েছে। রবিবার মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁ ও নদিয়ার রানাঘাটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। এরাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নাড্ডা। তুনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি মা, মাটি এবং মানুষের কথা বলেন, তিনি নিজেই নারীদের উপর অত্যাচার করা শাহজাহান শেখকে রক্ষা করেন এবং তার কর্মীরা দরিদ্রদের জমি অবৈধভাবে দখল করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এমনকি তৃণমূলের চাল চোর নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাধারণ মানুষের জন্য পাঠানো চালও খেয়ে নেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বরাদ্দ বাজেটের হিসাব দেননি, তবুও বিজেপি সরকার রাজ্যের দরিদ্র মানুষের জন্য মাথার ছাদ তৈরি করেছে। কংগ্রেস, টিএমসি এবং সিপিএম সবাই একই থালার এবং এই তিনটি দল দেশকে দুর্বল করতে চায়, বলে মন্তব্য করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।এদিন তাঁর ভাষণে কংগ্রেসকেও এক হাত নেন নাড্ডা। তাঁর বক্তব্য, একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য ধর্মের ভিত্তিতে এসসি, এসটি এবং ওবিসি সংরক্ষণ করে কংগ্রেস তার ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করে।রবিবার বড়ঞাঁ এবং রানাঘাটের জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময়, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দেশবিরোধী মানসিকতাকে সামনে তুলে ধরেন। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য সহ-সভাপতি সঞ্জয় সিং, বহরমপুর লোকসভার প্রার্থী নির্মল কুমার সাহা এবং রানাঘাটের প্রার্থী জগন্নাথ সরকার এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।নাড্ডা বলেন, আজ আমেরিকা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের মতো উন্নত দেশগুলির অর্থনৈতিক অবস্থা নড়বড়ে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একমাত্র ভারতই একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা দশম স্থান থেকে লাফিয়ে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে এবং মোদীজি যদি তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আজ ভারত সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে। আজ আমরা অটোমোবাইল খাতে জাপানকে ছাড়িয়ে তৃতীয় স্থানে দাঁড়িয়েছি। সবচেয়ে সস্তা এবং কার্যকর ওষুধ তৈরিতে ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ভারত বর্তমানে ১৩৮ শতাংশ বৃদ্ধির সাথে বিশ্বের বৃহত্তম রফতানিকারক। পেট্রোকেমিক্যালে ভারতের রফতানি ১০৬ শতাংশ বেড়েছে। আমরা আগে চিন থেকে যে খেলনা আমদানি করতাম সেগুলির ক্ষেত্রে ভারত এখন তৃতীয় স্থানে এসেছে। ১০ বছর আগে, আপনার মোবাইলে লেখা ছিল মেড ইন কোরিয়া, মেড ইন চায়না এবং মেড ইন জাপান, কিন্তু আজ আপনার সমস্ত মোবাইলে লেখা মেড ইন ইন্ডিয়া এবং এটা মোদীর নেতৃত্বে পরিবর্তনশীল ভারত।নাড্ডা পরিসংখ্যান তুলে ধরে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা সরকারকে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া অনুদান ২৬৮ শতাংশ বাড়িয়েছে। স্মার্ট সিটি উদ্যোগের অধীনে কলকাতার উন্নয়নের জন্য ৯৪০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এইমস এবং ১১টি মেডিকেল কলেজ তৈরি করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার ১১ কোটি বাড়িতে জল সংযোগ দিয়েছেন, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ৬১ লক্ষ নতুন জল সংযোগ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে উদ্ধার বিপুল কার্তুজসহ আগ্নেয়াস্ত্র, সিবিআইয়ের তদন্তে এনএসজি

সন্দেশখালিতে এনএসজি-র বম্ব স্কোয়াড। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক। শুক্রবার বেলা বাড়তেই সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহান শেখের এক ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতার আত্মীয়ের বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র ও বোমা মজুত রয়েছে। সেই খবর মিলতেই অভিযানে নামে সিবিআই। তল্লাশিতে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে বলে খবর। উদ্ধার করা হয়েছে ১২০টি নাইন এমএম বুলেট। বিভিন্ন ধরণের ৩৪৮টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র।বাড়িটিতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক জমা রয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআই আধিকারিকদের। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় NSG কম্যান্ডোদের ডাকা হয়। মাইন ডিটেক্টর থেকে রোবোটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডারের তল্লাশি শুরু করে NSG কম্যান্ডোরা।সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মল্লিকপাড়ায় শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ আবু আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই গোয়েন্দারা। তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক। এরপরই গোটা গ্রাম দখলে নেয় NSG কম্যান্ডোরা। ওই এলাকাটি ঘিরে নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অত্যাধুনিক মেশিন, রোবট নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।NSG কম্যান্ডোদের তল্লাশিতে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি পিস্তল, দেশি বোমা, তিনটি বিদেশি রিভালবার, উদ্ধার হয়েছে একটি পুলিশের রিভালবার, মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় বোমা-বারুদ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫০ রাউন্ড কার্তুজ। পাশাপাশি মিলেছে বেশ কিছু নথি। যার সবের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহাজানের।এদিকে এই ঘটনার পরই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে সিমি বা পিএফআইয়ের কোন ফারাক নেই। মমতা ব্যনার্জিকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশ এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত বলেও দাবি করেন বিরোধী দল নেতা।এদিকে শুভেন্দুর পালটা তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে অস্ত্রভান্ডার ছিল নাকি কেউ বদনাম করার জন্য ওখানে রেখে গেছে তা তদন্তসাপেক্ষ। কী পাওয়া গেছে তা আমরা জানি না। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি নেই। তা পুরো বিষয়টাই একটা চিত্রনাট্য ছাড়া এই মুহূর্তে কিছুই মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
কলকাতা

বাংলার অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্যে দাবিপত্র প্রকাশ বাংলা পক্ষ-র

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলা পক্ষর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ দাবিপত্র প্রকাশ করেন বাংলা পক্ষর সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। এই দাবিপত্র প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী ও কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা।বাংলা পক্ষ-র দাবিপত্রে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট, কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষা বাংলায় দেওয়ার সুযোগ, শিক্ষাকে যুগ্ম তালিকা থেকে রাজ্য তালিকায় ফেরত আনা, শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর জেলায় লোকাল ট্রেন পরিষেবা, শিলিগুড়িতে মেট্রো রেল, একাধিক জেলায় গঙ্গাভাঙন রোধ, রাজ্যের প্রাপ্য টাকার দাবি, জলপাইগুড়িতে AIIMS, দুই সন্তান নীতির ভিত্তিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন সহ ২২ টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়েছে।সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন আমরা এই দাবিপত্র নিয়ে বাংলায় ভোটে লড়া সকল রাজনৈতিক দলের কাছে যাবো। রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীরা জয়ী হয়ে লোকসভায় যাতে এই বিষয়গুলি সরব হন, আমরা সেই প্রতিশ্রুতি চাই। প্রত্যেকটি দাবিই বাঙালি জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার প্রয়োজনে দলমতের ঊর্ধে উঠে লোকসভায় সাংসদরা সরব হবেন, এটাই বাংলা পক্ষ আশা করে। কৌশিক মাইতি জানান সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রার্থীর কাছে এই দাবিপত্র পৌঁছে দেবেন সংগঠনের সহযোদ্ধারা।২০২৪ লোকসভা ভোটে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলির কাছে বাংলা পক্ষর দাবি১) ভারত রাষ্ট্রকে রক্ত দিয়ে স্বাধীন করেছে বাঙালি জাতি। বিহার, মারাঠা, কাশ্মীর, গোর্খা, মাদ্রাজ সবার রেজিমেন্ট আছে। বাঙালি রেজিমেন্ট নেই।অবিলম্বে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট গঠন করতে হবে।২) ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশকে যে ১০ হাজার একর জমি দিয়েছে তা ভারতে অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে ফেরত আনতে হবে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশকে দেওয়া পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র এলাকা পুনরায় ভারতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।৩) ইংরেজি ও হিন্দির মত বাংলা ভাষাকেও কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ (দাপ্তরিক ভাষা) ঘোষণা করতে হবে এবং পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সকল কাজ বাংলা ভাষায় হতে হবে।৪) কোন অজুহাতে বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বাংলার প্রাপ্য অর্থ আটকে রাখা চলবেনা।৫) বাংলায় ১টি AIIMS, কিন্তু বিহারে ২টো, অথচ বাংলা কেন্দ্র সরকারকে বিহারের থেকে বেশি ট্যাক্স দেয়। বাংলায় জলপাইগুড়ির দোমোহনিতে রেলের বিস্তীর্ণ জমিতে বা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় AIIMS চাই।৬) যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য NJP কেন্দ্র করে হাওড়া বা শিয়ালদার মত কোচবিহার এবং এদিকে মালদা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক গঠন করতে হবে।৭) শিক্ষা, বন সহ স্বাধীনতার পর থেকে রাজ্য তালিকা থেকে সরানো সব বিষয় পুনরায় রাজ্য তালিকায় ফেরত আনতে হবে। রেসিডুয়াল পাওয়ার ও সাবজেক্টগুলি রাজ্য তালিকাভুক্ত করতে হবে।৮) কলকাতায় মেট্রো আছে। আগ্রা শহরে মেট্রো রেল চালু হয়েছে। আসানসোল ও শিলিগুড়িতে মেট্রো রেল চাই।৯) UPSC সহ সমস্ত কেন্দ্র সরকারি চাকরিতে রাজ্য কোটা থাকতে হবে এবং রাজ্য কোটার পরীক্ষা নিতে হবে রাজ্যের প্রধান ভাষা ও ইংরেজিতে।১০) ভারত-ব্যাপী Delimitation-কে স্থায়ীভাবে বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন করতে হবে।১১) ফিন্যান্স কমিশনের মাধ্যমে রাজ্যের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫১% করতে হবে৷ হিসেব হবে ১৯৭১ জনসংখ্যার ভিত্তিতে।১২) কয়লা খনি, তেলের খনি ও বন্দরের মালিকানায় কেন্দ্রের অংশীদারিত্ব কমিয়ে ৫০% সেই রাজ্যকে দিতে হবে।১৩) DVC-র মালিকানা ৫০% ঝাড়খন্ড সরকার ও ৫০% বাংলার অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাতে চাই।১৪) করোনা সময়কালে বাতিল হওয়া সব লোকাল ট্রেন পুনরায় চালু করতে হবে।১৫) কোন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার সদর বা আঞ্চলিক দপ্তর বাংলা থেকে সরিয়ে অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করা যাবেনা।১৬) কৃষি প্রধান বাংলার কৃষকেরা কেন্দ্রীয় সরকারের সার বরাদ্দ নীতিতে বৈষম্যের শিকার। কেরোসিনের ক্ষেত্রেও তাই। খরা, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলার প্রতি আর্থিক বঞ্চনা করে দিল্লি। এসব অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।১৭) বাঙালিকে বাংলাদেশি দাগানোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।১৮) পশ্চিমবঙ্গে থাকা রাষ্ট্রীয় সড়কগুলিতে টোল ট্যাক্স নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।১৯) স্বাধীনতার পর থেকে বাংলায় একটিও নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি তাই বাংলায় নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চাই, যার ৭৫% আসন পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত হবে।২০) কলকাতা থেকে বিভিন্ন দূরবর্তী জেলা বিশেষত উত্তরের জেলাগুলির সাথে রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।২১) মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান জেলায় গঙ্গা নদী ভাঙনের সমস্যার সমাধান করতে হবে।২২) সারা ভারতে দুই সন্তান নীতির ভিত্তিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন পাশ করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। আইন লঙ্ঘন করলে সব সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার বিধান থাকবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৪
উৎসব

বাংলায় ব্যতিক্রম: রাজ ঐতিহ্যের রীতি মেনে আজ, মঙ্গলবার রঙের উৎসবে মেতেছে বর্ধমান

দোল পূর্ণিমার দিন অর্থাৎ গতকাল, সোমবার সারা বাংলা রঙের উৎসবে মেতেছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থীরা এই উৎসবের আবহে ভোট প্রচারও করেছেন। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল একদা রাজাদের শহর বর্ধমান। ঐতিহ্যের পরম্পরা বজায় রেখে আজ, মঙ্গলবার রঙের উৎসবে মেতেছে বর্ধমান। অবশ্য হাল আমলের দুএকটি হাউসিং কমপ্লেক্সে ও কিছু কলা ও সংস্কৃতি শিক্ষাকেন্দ্র গতকাল সোমবার হোলি বা দোল পূর্ণিমা পালন করেছে। যা বর্ধমানের ঐতিহ্যের সঙ্গে একেবারেই বেমানান।রাঢ়বঙ্গের অন্যতম প্রাচীন নগর বর্ধমানের বাসিন্দারা দোল উৎসব পালন করেন দোল পূর্ণিমার পরের দিন। রাজাদের আমল চলে গেলেও সেই রীতিনীতি মেনেই রঙের উৎসব পালন করে চলেছেন বর্ধমানবাসী। শুধু শহর বর্ধমান নয় সাবেকি রীতি মেনে অম্বিকা কালনা সহ আরও বেশ কয়েক জায়গায় আজ চলছে রঙের উৎসব।কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয় চাঁদ মহতাব এই প্রথা চালু করেন। প্রথম দিন অর্থাৎ দোল পূর্ণিমার দিনটি বর্ধমানের অধিষ্টাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলা দেবীর দোল। এও কথিত আছে বর্ধমানে দোল পূর্ণিমা তিথিটি হল কূল দেবতার দোল উৎসবের দিন। লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দিরে দোল পালন হয়েছে গতকাল। সেদিন শুধুমাত্র দেব-দেবীর রাঙা চরণ আবির ও কুমকুমে চর্চিত হবে। সেই উপলক্ষে রাজবাড়ির অন্দর মহলে দোল খেলা হয়ে থাকে। পরের দিন অনুষ্ঠিত হবে সাধারণের রঙের উৎসব। সেই রীতির আজও চালু রয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৪
দেশ

প্রচারে কলকাঠি নাড়ছে AI

লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। ভোট যুদ্ধের ময়দানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রথী- মহারথী রা একে অপরকে বিদ্ধ করতে তূন থেকে বার করছেন নানান তির। সামাজিক মাধ্যমে যেমন, facebook, Instagram, you tube আর x handle য়ে AI বা artificial intelligence ব্যবহার করে চলছে দলীয় প্রার্থীদের মহিমা প্রচার অথবা বিপক্ষ দলকে নিশানা করে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব প্রচার ভোটে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এবারে নির্বাচনের প্রচার মত এগোবে ততই AI য়ের ব্যাবহার বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এই প্রচারে ভোটার রা কতটা সাড়া দেবেন তা পরে বোঝা যাবে। AI য়ের সাহায্যে প্রচারের ঢেউতে যে শব্দটি ভাসছে তা হলো deep fake । সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে অপদস্থ করতে বা জনমানসে হেয় করতে deep fake য়ের ব্যবহার বেড়েছে। AI ব্যবহার করে করে কোনো একজনের শরীরে সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাক্তির মুখ বসিয়ে দিয়ে সামাজিক ভাবে হেনস্থা করতে সম্পুর্ন মিথ্যা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে রাজনীতির ময়দানে এই deep fake য়ের প্রবেশ ঘটেছে এই নিয়ে রাজনীতিতে তোলপাড় ও হয়েছে। Deep fake তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় বিজেপি, কংগ্রেস, DMK সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম জড়িয়েছে।গত মার্চ মাসে রাহুল গান্ধী কে হাস্যস্পদ করতে deep fake ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। Instagram য়ে ছড়িয়ে পড়ে রাহুল গান্ধীর ছবি এবং সেখানে দেখা যায় রাহুল বলেছেন,আমি কোনো কাজ করি না ।সম্প্রতি বিজেপির বিরুদ্ধে এমন ই আরো একটি অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ হল বিজেপির ছড়িয়ে দেওয়া একটি video clipping য়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব সহ আরো কয়েকজন বিরোধী নেতা নেত্রীদের দেখা যায়। AI ব্যবহার করে সেই video তে বিরোধী নেতা নেত্রীদের মুখে বিশেষ কিছু কথা বসানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক ই ধরনের অভিযোগ ওঠে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। কংগ্রেসের official Instagram য়ে নিশানা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে। Deep fake তৈরি করে চোর শীর্ষক নামের একটি জনপ্রিয় গানের শিল্পী জুস্থের শরীরে জুড়ে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ। AI ব্যবহার করে গানের কথা এক রেখে সঙ্গীত শিল্পীর কণ্ঠস্বরের বদলে প্রধানমন্ত্রীর কন্ঠস্বর বসিয়ে দেওয়া হয়।ওই ফেব্রুয়ারি মাসেই এক অভিনব প্রচার চালায় তামিল নাড়ুর প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল AIADMK । ওই দলের তরফ থেকে প্রচারিত হয় এক অডিও clip। সেই audio বার্তায় শোনা যায় জনগণের কাছে AIADMK নেতা ইপালানিস্বামী কে সমর্থন করার আবেদন জানাচ্ছেন নেতৃ জয়ললিতা। যদিও ২০১৬ সালে এই জননেত্রীর মৃত্যু হয়। গত বছর তেলেঙ্গানা বিধান সভা নির্বাচনের প্রচার কালে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ কংগ্রেসের অফিসিয়াল x handle য়ে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। সেই video তে দেখা যায় , বিরোধী দল BRSয়ের নেতা কে টি রামারাও ভোটার দের কাছে নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন deep fake তৈরি করে এই মিথ্যা বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গত জানুয়ারি মাসে কর্মী সম্মেলন করে তামিল নাড়ুর শাসক দল DMK । সেই সম্মেলনে অতিথি তালিকায় ছিলেন তামিল নাড়ুর political icon এম করুনানিধি। সম্মেলন স্থলে giant screen য়ে ট্রেড মার্ক কালো চশমা পরা সাদা শার্ট পরিহিত গায় হলুদ লাল জড়ানো অতি জনপ্রিয় নেতা এম করুনানিধি কে দেখা গিয়েছিল। তিনি কর্মীদের সামনে তামিল নাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্তালিন ও অন্য নেতাদের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। যদিও এই অতি জনপ্রিয় নেতা ২০১৮ সালে মৃত্যু হয়। প্রচারে AI য়ের ব্যবহার যে ক্রমশ বাড়বে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ভোটার দের মন জয় করতে AI য়ের ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক পরামর্শ দাতা সংস্থা গুলির দরজায় নেতা নেত্রীদের ভিড় বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়। নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দল গুলির কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না তাই নির্দিষ্ট করা থাকে নির্বাচন কমিশনের জারি করা ওই নির্দেশিকায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারে AI ব্যবহারের বিষয়ে ওই আচরণবিধিতে নীরব থেকে গিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রচারে AI য়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে নজর রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি রাখতে কমিশন কে তাঁরা অনুরোধ করেছেন।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

ফের পুরস্কারের টোপ ব্যারাকপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর

ভোটের প্রচারে গিয়ে ফের পুরস্কারের টোপ দিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক। গতকাল নৈহাটিতে তিনি বলেন, যে পঞ্চায়েত আগামী ভোটে বেশি লিড দেবে, সেখানে আবাস যোজনার টাকা ডিসেম্বরের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে। তৃণমূল প্রার্থীর বক্তৃতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। ওয়াকিবহাল মহলের মত, ভোট এলেই বন্যা আসে। প্রতিশ্রুতির বন্যা। সেই প্রতিশ্রুতি যে শুধু ভোটারদের জন্য তা কিন্তু নয়। গিফট আছে দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্যও।ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বলেন, চারটে পঞ্চায়েতের জন্য একটা ঘোষণা আছে। আজকেই সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, এটা আমাদের ঘোষিত নীতি যে পঞ্চায়েত এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতাবে, সেই পঞ্চায়েতের আবাস যোজনার সমস্ত টাকা এই ডিসেম্বরের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়ে দেবেন। যে পঞ্চায়েত এই নির্বাচনে তৃণমূলকে লিড দেবে, তাদের প্রত্যেকের বাড়ির, আবাস যোজনার টাকা ডিসেম্বরের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়ে দেবেন। কালকে আমডাঙায় বলেছিলাম, যে অঞ্চল লিড দেবে, তার প্রাইজ আছে। নির্বাচন কমিশনে নালিশ হল আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন কী প্রাইজ দেবেন। আমি বললাম, অকুণ্ঠ ভালোবাসা। আপনাদের মনে আছে ২০২১ সালের পরে এখানে প্রাইজ হয়েছিল, আমি আর কিছু বলছি না২০২৪-এও প্রাইজ হবে। এর আগেও ভোটের প্রচারে গিয়ে ফের পুরস্কারের টোপ দিয়েছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার নৈহাটিতে এক কর্মিসভায় যোগ দেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর বক্তৃতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সোশাল মিডিয়ায়। এর আগে রবিবার আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমানের সঙ্গে একটি কর্মীসভায় যোগ দেন পার্থ ভৌমিক। সেখানেও লিড দিলে পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেন তাঁরা।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজনীতি

অর্জুন সিং কি বিজেপিতে ফিরছেন? 'তৃণমূল আমাকে বেইজ্জত করেছে', আক্ষেপ সাংসদের

এবার কি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিজেপিতে ফেরা সময়ের অপেক্ষা? মঙ্গলবার ভাটপাড়ায় নিজের অফিস মজদুর ভবনে বসে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য আক্ষেপ করেছেন। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন, মানুষ নরেন্দ্র মোদীর পক্ষেই আছে। অর্জুনের ইঙ্গিত অনুযায়ী ব্যারাকপুরে তিনি বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন।অর্জুন সিং এদিন বলেন, মানুষের আবেগ মোদীজির পক্ষে আছে। ব্যারাকপুর বিজেপির দখলেই থাকবে। তৃণমূলের আমাকে আর প্রয়োজন নেই। আমি তৃণমূলের কাছে আন-ওয়ান্টেড। আমাকে বেইজ্জত করা হল। ব্যারাকপুরে নির্বাচনে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। সবটাই পরিকল্পনা করে ডিপ্রাইভ করা হল। তৃণমূলে যাওয়াটা প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করছি। আমার ছেলে দূরদর্শী। ছেলে বলেছিল আমাকে তৃণমূলে নেওয়া একটা প্ল্যান। সত্যিকারের তৃণমূল কর্মীদের বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্জুন সিংয়ের দফতর থেকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হল।

মার্চ ১২, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা ইডির

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতার ৬টি স্থানে ইডির তল্লাশি অভিযান। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বাড়িতে, একজন পার্শ্ব শিক্ষকের বাড়িতে এবং ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগারওয়ালের বাড়িতে এবং অফিস সহ মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি-র ৬টি দল। শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মিডল ম্যান প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে এদের নাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহেন্দ্র আগরওয়ালের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিল ইডি। মহেন্দ্র আগরওয়ালের মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সাদা করা হতো বলে ইডি সূত্রে খবর। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ন নথি ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই মহেন্দ্র আগারওয়ালের সঙ্গে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ রয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

মার্চ ০৮, ২০২৪
রাজনীতি

ফের তৃণমূলের দুুই মন্ত্রী সন্দেশখালিতে, ড্যামেজ কন্ট্রোলে মরিয়া চেষ্টা

৫১ দিনেও ধরা গেল না সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহানকে। ফুঁসছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। অগ্নিগর্ভ বেড়মজুর, ঝুপখালি অঞ্চল। ডিজি গেলেও কিন্তু ল গ্রামবাসীদের ক্ষোভে প্রলেপ পড়েনি। এলাকায় বিশাল পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি। সন্দেশখালির ঘটনায় শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা গারদে থাকলেও তৃণমূলের অস্বস্তি ক্রমেই যেন ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এদিকে, সন্দেশখালিতে ঢুকতে এদিন ডিওয়াইএফআই নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ বাম কর্মী, সমর্থকদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েছেন এই বাম যুবনেত্রী। ১৪৪ ধারা জারির কারণেই মিনাক্ষীদের ঢুকেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাচনের অভিযোগে সোচ্চার সন্দেশখালি ও সংলগ্ন অঞ্চলের মহিলারা। লাঠি, বাঁশ হাতে তাঁদের চরম বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে। অভিযোগ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা, উত্তম সর্দাররা বহু স্থানীয়র জমি, ভেড়ির অংশ দখল করেছে। এমনকী সেচের খালও তাদের কব্জায়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ খতিয়ে দেখে সেসব ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ক্ষোভের আগুন তাতে কমছে না।শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত সেচের কোন খাল, জমি শাহজাহান বাহিনী দখল করেছে তা দেখতেই দুই মন্ত্রীর সেখানে য়াওয়া বলে সূত্রের খবর। এসবের মধ্যেই শেখ শাহজাহানের কথা উঠতেই দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, আমাদের দল কাউকে রেয়াত করে না, এক্ষেত্রেও করবে না। তৃণমূল অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। ইতিমধ্যেই আমাদের কাছে আড়াইশো অভিযোগ জমা পড়েছে। দেড়শোর কাছাকাছি অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। একশোটি অভিযোগের সমাধান আমরা করেছি। জমি ফেরত দিয়েছি। এখন গ্রাবাসীদের সঙ্গে কথা বলছি। জানছি কার কিসে ক্ষোভ।এদিকে পুলিশকে লুকিয়ে এদিন ঘুরপথে সন্দেশখালিতে ঢোকার চেষ্টা করেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ধৃত প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সন্দেশখালিতে ঢোকার মুখে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। পুলিশ জানায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাঁদের আর যেতে দেওয়া হবে না। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন মিনাক্ষী। পুলিশকে তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ভয় দেখাচ্ছেন? পার্থ ভৌমিক, সুজিত বসুরা কীভাবে সন্দেশখালিতে ঘুরছেন। কীভাবে ধানি জমিতে ভেড়ি হল? এতদিন কেন জমি ফেরৎ দেওয়া হল না? দুয়ারে সরকারে কেন এগুলো হল না? দুই মন্ত্রী হলেন শিবু, শাহজাহান, উত্তমদের দলের লোক। সিপিএম আমলে এরা মাথাচাড়া দেয়নি। তৃণমূলের বারো বছরে এইসব দুষ্কৃতীরা মাথায় উঠেছে। মানুষ অতিষ্ট।সন্দেশখালিতে ব্যাকফুটে তৃণমূল? জানা গিয়েছে, এদিন তৃণমূল নেতা বিনয় সর্দারের বাবা ও ভাইকে দেখেই তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই পুলিশ গিয়ে দুই গ্রামবাসীকে আটক করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

নথি নিয়ে ইডি দপ্তরে হাজির প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ট কলকাতা কাউন্সিলর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজির হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট কলকাতা পৌরসভার ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর ভূমিকা কি ছিল, সম্পত্তির হিসেব ও ব্যাংকের ডিটেলস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।গত বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগকাণ্ডে নাম জড়ায় বাপ্পাদিত্যের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি সংক্রান্ত নথি পাওয়া গিয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের স পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। সেই কারণে নিয়োগ মামলায় পার্থের ভূমিকা সম্পর্কে বাপ্পাদিত্য অনেকটাই জানেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রাথমিকের নিয়োগে পার্থের কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। সেই কারণেই ইডি মনে করছে ব্যাপাদিত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এদিন তলব করা হয়।ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় ব্যাপাদিত্য বলেন, আজকে ইনকাম স্টেটমেন্ট, আই টি রিটার্ন, এসেট ৱ্যাবিলিটি ডিটেলস এই কাগজ গুলো চেয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছি। দেখা যাক কথা বলি। আইটি রিটার্ন রয়েছে ১২ বছরের। যা যা কাগজ চেয়েছে সেই গুলো নিয়ে এসেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সেই কারণে ডাকা হচ্ছে হয়তো। প্রাথমিকের নিয়োগের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সিবিআই যখন বাড়িতে রেড করে যে এডমিট কার্ড পেয়েছে একটাও প্রাথমিকের নয়। সেগুলো আজ জমা করে দেব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় তৃণমূলে, দলবদলের বদলায় জমজমাট বঙ্গ রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় যোগ দিলেন তৃণমূলে। গত ৩১ ডিসেম্বর শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল কমিটির দুই পদাধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। দলবদলুদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। ঘটনার পর ৭২ ঘন্টাও পুরোপুরি কাটেনি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন খোদ নিশীথ প্রামানিকেরই দুই তুতো ভাই।বুধবার বিজেপি ছেড়ে নিশীথ প্রামানিকের দুই তুতো ভাই সুনীল ও জগদীশ বর্মন যোগ দপন রাজ্যের শাসক শিবিরে। তাঁদের হাতে জোড়া ফুলের পতাকা ধরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এরপরই উদয়ন বলেছেন, বিজেপি মানুষের হয়ে কোনও কাজ করে না। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই তুতো ভাই তৃণমূলে যোগ দিলেন।সদ্য তৃণমূলে নাম লেখানো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ভাই সুনীল বর্মন বলেছেন, বিজেপিতে থেকে মানুষের কাজ করতে পারছিলাম না। দলে যোগ্য সম্মানও পাচ্ছিলাম না। তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম। যার প্রেক্ষিতে উদয়ন গুহ বলেন, অন্যের ঘর ভাঙার স্বপ্ন দেখলে এমনই হয়। সুনীল ও জগদীশ বর্মনের বাড়ি দিনহাটার পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে।এই শিবির বদল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ধরণের ঘর ভাঙনের ঘটনাও আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

ম্যাচ খেলেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ! ইরান ফুটবল দলকে ঘিরে আমেরিকার কড়া সিদ্ধান্তে শোরগোল

ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পেল না ইরান ফুটবল দল। বিশ্বকাপ চলাকালীন আমেরিকার মাটিতে ইরানের উপর জারি থাকা বিশেষ বিধিনিষেধ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলতে হবে ইরানকে।জানা গিয়েছে, ম্যাচ খেলার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের ভিসা দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের। খেলা শেষ হওয়ার পর তাঁদের আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্র করার পরও একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল দলটিকে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচকে ঘিরে। জানা যাচ্ছে, ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র সাতাশ মিনিটের মধ্যেই ইরান দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হবে। এরপর পরবর্তী ম্যাচের আগে আবার আমেরিকায় প্রবেশ করবে তারা।এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে নিয়ম কিছুটা শিথিল করার আবেদন জানিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, বারবার যাতায়াত খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সেই আবেদন কার্যত খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।বিশ্বকাপ সংক্রান্ত মার্কিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আপাতত বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।তিনি আরও বলেন, ইরান দলের সব খেলোয়াড় ও কোচ ভিসা পেয়েছেন। তবে কয়েকজনকে ভিসা দেওয়া হয়নি, কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা সকলের নিরাপত্তা বজায় রাখা।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন পরিস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্কও যে এই টুর্নামেন্টে বড় ভূমিকা পালন করছে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাই তার স্পষ্ট প্রমাণ।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর নায়ককে সম্মান, কলকাতায় রাস্তার নাম বদলে চমক

কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার সুরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কলকাতা পৌরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজমাধ্যমে তিনি কলকাতা পৌরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, প্রকৃত নায়কদের সম্মান জানানোর সময় এসেছে।গোপাল মুখোপাধ্যায়, যিনি গোপাল পাঁঠা নামে বেশি পরিচিত, কলকাতার বউবাজারের মলঙ্গা লেন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের পরিবারের একটি পাঁঠার মাংসের দোকান ছিল কলেজ স্ট্রিটে। পেশায় কসাই হওয়ায় তিনি গোপাল পাঁঠা নামেই পরিচিত হয়ে ওঠেন।১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-র পর কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসে যা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং নামে পরিচিত। সেই সময় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। গোপাল পাঁঠাকে ঘিরে প্রচলিত বিভিন্ন বর্ণনায় দাবি করা হয়, তিনি নিজের দলবল নিয়ে আক্রান্ত হিন্দুদের রক্ষায় এগিয়ে এসেছিলেন। এই কারণেই অনেকের কাছে তিনি সাহস ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।গত বছর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এ নিহতদের স্মরণে আয়োজিত একটি পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিলে তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। পরে আলিপুরে গোপাল পাঁঠার একটি মূর্তিরও উন্মোচন করা হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এর সঙ্গে ইতিহাস ও রাজনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ রয়েছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গোপাল পাঁঠার জীবন ও ১৯৪৬ সালের কলকাতার ঘটনাবলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনমানসে কৌতূহল রয়েছে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে যেমন প্রশংসা রয়েছে, তেমনই রয়েছে নানা বিতর্কও। তবে নতুন করে রাস্তার নামকরণের সিদ্ধান্ত তাঁকে আবারও জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এল।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরেই বড় চমক! ইউরোপের বাজার খুলে যাচ্ছে ভারতের জন্য, সস্তা হবে কোন কোন জিনিস?

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এরপর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাস থেকে চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।পীযূষ গোয়েলের দাবি, এই চুক্তি কার্যকর হলে ইউরোপের বিশাল বাজার ভারতের জন্য প্রায় শূন্য শুল্কে খুলে যাবে। এর ফলে ভারতীয় পণ্যের রফতানি আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে। দীর্ঘ আলোচনার পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দুই পক্ষের মধ্যে নীতিগত সমঝোতা হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত চুক্তির সমস্ত শর্ত সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি।তবে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া উচ্চমূল্যের গাড়ির উপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। সেই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো বিলাসবহুল ইউরোপীয় গাড়ির দাম দেশের বাজারে কমতে পারে।শুধু গাড়িই নয়, এই চুক্তির ফলে বিদেশি মদের উপর আমদানি শুল্কও কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেশের বাজারে বিদেশি মদের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সম্ভাব্য বাণিজ্যচুক্তিকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ডিসেম্বরের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের দিকেই নজর রয়েছে শিল্পমহল ও ব্যবসায়ী মহলের।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

মুহূর্তে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কারখানা! বিষাক্ত গ্যাসে একের পর এক শ্রমিক লুটিয়ে পড়লেন

রবিবার তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলায় একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত সাতান্ন জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পেরিয়াপালম এলাকার একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় আচমকাই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করতে শুরু করে। সেই সময় কারখানার ভিতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। প্রথমে তাঁরা একটি তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ অনুভব করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা দেখা দেয়।ক্রমশ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে কারখানার ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসা শুরু করেন।প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, কারখানার একটি পরিমাপক ভাল্ভ থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কী কারণে গ্যাস লিক হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি শ্রমিকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফেভারিটদের মধ্যে প্রথম বড় বার্তা! বিশ্বকাপে নকআউট নিশ্চিত জার্মানির

বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্ম ধরে রাখল জার্মানি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের পর ২-১ গোলে জয় তুলে নেয় জার্মানি।ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরি কোস্ট জার্মানির উপর চাপ তৈরি করে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় জার্মান রক্ষণকে। সেই চাপের ফলও পায় আফ্রিকার দেশটি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফ্র্যাঙ্ক কেসি। পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে যায় জার্মানি।দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমণের গতি বাড়ায় জার্মান ফুটবলাররা। কোচের কৌশল বদলের পর ম্যাচের রংও বদলাতে শুরু করে। ৬০ মিনিটে মাঠে নামেন ডেনিস উভান্ডে। তাঁর নামার পরই জার্মান আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে।ম্যাচের ৬৮ মিনিটে সমতা ফেরান উভান্ডে। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে আবারও গোল করে জার্মানিকে জয় এনে দেন উভান্ডে। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে জার্মানি।এর আগে প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল জার্মানরা। ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন গ্রুপের শীর্ষে। গত দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। তাই এবার এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় উচ্ছ্বাসে মেতেছে গোটা শিবির।অন্যদিকে এখনও নকআউট নিশ্চিত করতে পারেনি কয়েকটি শক্তিশালী দল। পর্তুগাল প্রথম ম্যাচে ড্র করায় চাপে রয়েছে। ব্রাজিল একটি জয় পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর্জেন্টিনাও নকআউটের খুব কাছে। ইতিমধ্যেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

জুন ২১, ২০২৬
রাজ্য

কোথায় সুমিত রায়? খোঁজ না মিলতেই সামনে এল নতুন বিস্ফোরক অভিযোগ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়কে ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর খোঁজ এখনও না মিললেও এবার তাঁর বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানায় নতুন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।অভিযোগ, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি সেই টাকা সুমিত রায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। টাকা দেওয়ার পর কিছু নথিও পান তিনি। এমনকি তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি না পাওয়ায় তিনি থানার দ্বারস্থ হন।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত চলছে। মেদিনীপুরের এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। এরপর তাঁর খোঁজে কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছেছিল পুলিশ। কিন্তু সেখানে তাঁর সন্ধান মেলেনি।তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিরুদ্ধে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে নতুন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, সুমিত রায় সম্পর্কে তিনি আগেও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা থেকেই বদলে গেল ভারতের নৌ-শক্তির ছবি! একসঙ্গে জলে নামল তিন দেশীয় যুদ্ধজাহাজ

ভারতের নৌ-সামর্থ্যে যুক্ত হল আরও তিনটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধজাহাজ। কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকার শ্যামাপ্রসাদ বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ তিনটি ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন। এই তিন জাহাজ হল আইএনএস দুনাগিরি, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস সংশোধক।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা এমন এক ভূমি, যা ভারতকে সমুদ্রপথে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাঁর মতে, দেশের পুনর্জাগরণ ও অগ্রগতিতে বাংলার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন বাংলার মাটিতে এসে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।মোদী বলেন, একটি শক্তিশালী দেশের জন্য শক্তিশালী নৌবাহিনী অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সমুদ্রের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে হয় এবং বিভিন্ন দেশের তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কও সমুদ্রের নীচ দিয়েই বিস্তৃত।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, যে দেশের সমুদ্র শক্তি যত বেশি উন্নত হবে, সেই দেশের অর্থনীতি ও কৌশলগত অবস্থানও তত বেশি শক্তিশালী হবে। ভারত সেই লক্ষ্যেই দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজগুলি আত্মনির্ভর ভারতের বড় সাফল্যের প্রতীক।মোদীর দাবি, ভারত এখন শুধু উৎপাদনকারী দেশ নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী দেশ হিসেবেও উঠে আসবে। তিনি জানান, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার বিপুল আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতেও গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।তাঁর কথায়, আত্মনির্ভরতা থেকেই প্রকৃত শক্তির জন্ম হয়। আগামী দিনে ভারত সমুদ্র শক্তির ক্ষেত্রে আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

বাজেটের আগেই বাংলার জন্য বিরাট ঘোষণা! ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বড় বার্তা মোদীর

রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেট পেশ করার আগেই বাংলার জন্য বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে বাংলার উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।তারকেশ্বরে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই উপলক্ষে পাঠানো পাঁচ পাতার চিঠিতে তিনি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়নের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই তথ্যও জানান।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কেন্দ্র সরকার রাজ্যের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। জল, পরিকাঠামো এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রেলের উন্নয়নের জন্য প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আরও ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে হবে। এর জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো, শিল্পোন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে সহযোগিতা করা এবং পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দূর করে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।চিঠিতে মোদী আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যচাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বন্দরভিত্তিক শিল্প, বস্ত্রশিল্প, পর্যটন এবং ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানকে তিনি বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সম্পদ বলেও উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রীর দাবি, যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে, সেখানে কৃষকদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গও সেই পথেই এগোবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। নতুন সরকার গঠনের পর কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে বলেও তাঁর বিশ্বাস।

জুন ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal