• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

App

কলকাতা

সিইও অফিসে আন্দোলনের পরেই বড় পদক্ষেপ! গ্রুপছাড়া বিএলও অধিকার মঞ্চের নেত্রী

একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে বিএলও-দের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সিইও-র সঙ্গে বিএলও প্রতিনিধি দলের অন্যতম মুখও ছিলেন তিনি। সেই বিএলও অধিকার মঞ্চের নেত্রী সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায়কেই আচমকা বিএলও-দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬ নম্বর বুথের ওই বিএলও।সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, কোনও আগাম নোটিস বা কারণ না জানিয়েই তাঁকে গ্রুপ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বিষয়টি জানতে ফোন করলে প্রথমে এআরও ও ইআরও কেউই ফোন ধরেননি। পরে যোগাযোগ করা হলে তাঁকে বলা হয়, নিয়ম না মানার কারণেই তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। সেদিন বিএলও অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ ও ধরনা দেওয়া হয়। সেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায়। বিক্ষোভের পরে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দিব্যেন্দু দাস একটি বার্তা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। সেই বার্তাই তিনি পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিএলও-দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শেয়ার করেন। অভিযোগ, তার পরেই সোমবার তাঁকে আচমকা গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া হয়।এর পর তিনি নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে যুক্ত একাধিক আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাদ দেওয়ার নির্দিষ্ট কারণ জানতে পারেননি। পরে সদর মহকুমাশাসক তথা ইআরও-র সঙ্গে যোগাযোগ করলে অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে তাঁর ফোন ধরা হয়নি। পরে ফোন করে জানানো হয়, তিনি নিয়ম ভেঙেছেন বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যেখানে নির্বাচন কমিশন তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছে, সেখানে জেলার আধিকারিকরা নানা ভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। অনেক বিএলও আতঙ্কে রয়েছেন এবং হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সেই ভয় কাটাতেই তিনি ওই বার্তাটি গ্রুপে শেয়ার করেছিলেন। সেটাকেই নিয়ম ভঙ্গ বলে দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর।তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণেই কি তাঁকে ইচ্ছাকৃত ভাবে গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্নও উঠছে। বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, একদিকে সিইও দফতর থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও, অন্যদিকে জেলার আধিকারিকরা বিএলও-দের উপর মানসিক চাপ বাড়াচ্ছেন। এই পরিস্থিতির জেরেই আগেও একাধিক বিএলও চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও অভিযোগ, সম্প্রতি একটি অ্যাপে রিভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেওয়া হলেও সারাদিন কোনও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়নি। পরে সন্ধ্যার পর বলা হয়, নো অ্যাকশন রিকোয়ার্ড করে দিতে। ভবিষ্যতে কোনও সমস্যা হলে তার দায় পুরোপুরি বিএলও-দের উপর চাপানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বিএলও-দের স্বার্থে আন্দোলন করায়ই তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও-র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

ভুয়ো নাম ঢোকানোর অভিযোগের পরই কি কমিশনের ইউ-টার্ন? বদলে গেল পুরো সিস্টেম

৯৯ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়ে গিয়েছে। তবুও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠে চলেছে। এক দিকে সোমবার বিএলও-দের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। অন্য দিকে বিজেপি ও বিরোধীদের অভিযোগ, ব্লক লেভেল অফিসারদের উপর চাপ দিয়ে ভুয়ো নাম ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার থেকেই বিএলও অ্যাপে আনা হল বড় বদল।এখন পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহ করার পর বিএলও-রা সেই তথ্য অ্যাপে এন্ট্রি করতেন। কিন্তু একবার এন্ট্রি হয়ে গেলে আর সংশোধনের কোনও সুযোগ ছিল না। মঙ্গলবার থেকে সেই নিয়ম বদলে যাচ্ছে। এবার অ্যাপে যুক্ত করা হল এডিট অপশন। অর্থাৎ কোনও ভুল হলে এবার বিএলও-রা নিজেরা সংশোধন করতে পারবেন, পাশাপাশি ইআরও-রাও সেই তথ্য এডিট করতে পারবেন।সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের আসার পরেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগের চাপেই কি এই বদল? সেই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ বিরোধীদের দাবি ছিল, জোর করে ভুয়ো নাম এন্ট্রি করানো হচ্ছে বিএলও-দের দিয়ে।সোমবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজে সিইও দফতরে গিয়ে এই অভিযোগ জানান। তিনি বলেন, বিএলও-দের থেকে ওটিপি নিয়ে আইপ্যাক-এর লোকেরা বেআইনিভাবে নাম ঢোকাচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বেই বিজেপির প্রতিনিধিরা সেদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে ডেপুটেশন দেন।এই অভিযোগের পরই নির্বাচন কমিশন বিএলও অ্যাপে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নতুন ব্যবস্থায় ভুল ধরার পাশাপাশি সংশোধনের সুযোগ থাকায় এবার নাম এন্ট্রি নিয়ে স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই বন্ধ ছিল, ফের পেনশনের আবেদন জগদীপ ধনখড়ের

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় দক্ষিণ দিল্লির ছাত্তরপুর এনক্লেভে ব্যক্তিগত আবাসনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি, তিনি আবারও রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য (এমএলএ) হিসেবে পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ৭৪ বছর বয়সী ধনখড়কে সংসদ ভবন চত্বর সংলগ্ন চার্চ রোডে অবস্থিত উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন খালি করতে হবে। গত ২১ জুলাই তিনি স্বাস্থ্যজনিত কারণে পদত্যাগ করেন।ধনখড় গত বছরের এপ্রিলে উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনে ওঠেন। সরকারি আবাসন মেলানো পর্যন্ত তিনি ছাত্তরপুর এনক্লেভেই থাকবেন বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের টাইপ-৮ বাংলো বরাদ্দ করা হয়। এর দায়িত্বে থাকে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের এস্টেটস দফতর। যদিও সূত্রের খবর, দফতরের আধিকারিকেরা ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেও নতুন আবাসন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।ধনখড়ের দফতর ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাসস্থানের আবেদন জমা দিয়েছে। সাধারণত বিকল্প বাংলো প্রস্তাব দেওয়ার পর নির্বাচন ও সিপিডব্লিউডি-র সংস্কারকাজ মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়ায় অন্তত তিন মাস সময় লাগে। তাই এর মধ্যেই তিনি আপাতত ব্যক্তিগত আবাসনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একই সঙ্গে ধনখড় রাজস্থান বিধানসভার সচিবালয়ে বিধায়ক পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি কিশনগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এমএলএ ছিলেন। তখন থেকে তিনি বিধায়ক পেনশন পেতেন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়। ২০২২ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।সূত্রের খবর, ধনখড়ের আবেদন ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, একবারের বিধায়ক পেনশন মাসে ৩৫,০০০ টাকা। বয়স ও মেয়াদের ভিত্তিতে তা বাড়ে। ৭০ বছরের বেশি হলে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি মেলে। ফলে ধনখড়ের ক্ষেত্রে মাসিক পেনশন দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪২,০০০ টাকা।এছাড়া, তিনি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রায় ২ লক্ষ টাকা মাসিক পেনশন এবং প্রাক্তন সাংসদ (১৯৮৯-১৯৯১, ঝুঝনু) হিসেবে আরও প্রায় ৪৫,০০০ টাকা মাসিক পেনশন পাবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব ED-র, কারণ জানলে তাজ্জব হবেন!

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব করেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ইডির কলকাতার সিএজিও কমপ্লেক্সের দফতরে অঙ্কুশ হাজরাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও অঙ্কুশ বা তাঁর প্রতিনিধি কারও তরফেই ইডির সমন প্রসঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আগেও নানা ঘটনায় টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।গত বছর থেকে, বলিউড এবং দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকাদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম রয়েছে রানা দত্তুগুথি, বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda), প্রকাশ রাজ (Prakash Raj), হরভজন সিং, উর্বশী রাউতেলা এবং সুরেশ রৈনার মতো তারকাদের।এবার অঙ্কুশ হাজরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। জানা গেছে যে নিষিদ্ধ অনলাইন বেটিং অ্যাপ প্ল্যাটফর্মের প্রচারের বিষয়ে ইডির চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিনেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে, বাঙালি অভিনেতাকেও ইডি অফিসে হাজির হতে হবে।সূত্র জানিয়েছে, যে বেটিং কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। যেহেতু জনপ্রিয় তারকারা এই বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহারে প্রভাবিত হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
ব্যবসা

এই ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট আছে? বদলে গেছে নিয়ম, না জানলে মুশকিলে পড়বেন

স্বাধীনতা দিবস থেকে দেশের এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একটি পরিষেবায় বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। গতকাল অর্থাৎ থেকে সেই নিয়ম পাল্টে গেছে।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। আপনি যদি SBI- এর গ্রাহক হন তবে এই খবর জেনে নেওযয়া অত্যন্ত জরুরি।গতকাল অর্থাৎ ১৫ আগস্ট থেকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস বা IMPS-এ বদল এনেছে। খুচরো গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই এই নিয়ম পাল্টেছে। তবে আপনি যদি স্টেট ব্যাংকের কর্পোরেট গ্রাহক হন তবে এই নিয়ম আপনার জন্য বলবৎ হবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে। অনলাইনে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য আই এম পি এস পরিষেবা ব্যবহার করে থাকেন গ্রাহকরা। এক্ষেত্রে নতুন নিয়মে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আপনাকে কোন চার্জ দিতে হবে না। তবে ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২ টাকা চার্জ দিতে হবে। ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। ২ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ১০ টাকা। এই ফি-র সঙ্গেই যুক্ত হবে জিএসটির খরচ। এস বি আই-এর কোন শাখা থেকে টাকা পাঠাতে চাইলে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোন চার্জ লাগবে না। তবে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ২ টাকা। তেমনি ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লেনদেনে দিতে হবে ৪ টাকা। ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। তেমনি ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ১২ টাকা, দুই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২০ টাকা দিতে হবে। এর সঙ্গেই ফের যুক্ত হবে GST- এর খরচ।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
রাজ্য

১৫ বছরের নাবালিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে, গ্রেফতার অভিযুক্ত

মাঠে একা পেয়ে বছর ১৫ এর এক কিশোরীকে যৌনহেনস্থা করার অভিযোগ উঠল তার প্রতিবেশি এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরপগনার গাইঘাটা থানা এলাকায়। রাতে ওই নাবালিকার পরিবার গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরিবার সূত্রে জানাগিয়েছে, ওই কিশোরীর বাবা মা রোগে আক্রমণ হয়ে পাঁচ বছর আগে মারা গিয়েছেন। বর্তমানে সে তার জেঠুর কাছে থাকে। এদিন বাড়ির কিছুটা দূরে মাঠের মধ্যে একটি পল্টির ফার্মে কাজ করতে গিয়েছিল। অভিযোগ সেই সময় অভিযুক্ত তাকে একা পেয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে জোর করে পল্টির ফার্মে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিশোরীর হাতে থাকা কাচি দিয়ে অভিযুক্ত মাথায় বাড়ি মেরে পালিয়ে যায়। বাড়ি গিয়ে বিষয়টি জানায় পরিবারের কাছে। পরবর্তীতে সোমবার রাতে গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, এই প্রথম না। এর আগেও একাধিকবার অভিযুক্ত কিশোরীকে উত্তপ্ত করেছে। কু-প্রস্তাব দিয়েছে। অভিযুক্তের আইনগত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ পেয়ে রাতেই যুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি কিশোরীর শারিরীক পরিক্ষা করানো হয়েছে।

জুলাই ০৪, ২০২৫
রাজ্য

এবার নিয়োগের দাবিতে বিরাট বিক্ষোভ টেট উত্তীর্ণদের, গাড়ি আটকালেন পর্ষদ সভাপতির

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে অফিসে ঢুকতে বাধা ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি। বুধবার দুপুর থেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের অফিসের সামনে ইন্টারভিউ এর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে 2022 উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। রাস্তার উপরে বসে তারা তাদের বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বিক্ষোভ চলাকালী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল গাড়ি করে অফিসে আসেন। বিধান নগর পুলিশের পক্ষ থেকে থাকে সার্ভিস রোড দিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। গৌতম পালের গাড়ি যখন পশ্চিমবঙ্গ অফিসের সামনে এসে পৌঁছায়, তখন কয়েকজন আন্দোলনকারী তার গাড়ির সামনে এসে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করে। পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সভাপতি গৌতম পালকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের অফিসে প্রবেশ করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি আন্দোলনকারীদের। এক মহিলা আন্দোলনকারীর দাবি তাকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন মহিলা পুলিশ এগিয়ে আসেনি।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
রাজ্য

স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বিশ্বভারতীতে, পড়াশুনা ও কেরিয়ার কেমন ছিল প্রবীর কুমার ঘোষের?

বিশ্বভারতীর নতুন উপাচার্য পদে বসলেন কৃষি বিজ্ঞানী অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ। বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিসে সাংবাদিক উপাচার্য বলেন, আচার্য এবং শিক্ষা মন্ত্রক যে আমাকে গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করব। প্রথমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংটা কি ভাবে এগিয়ে নিয়ে আসা যায় সেটা দেখতে হবে। তাছাড়া এখানে এগ্রিকালচার নিয়ে খুব ভালো কাজ হচ্ছে। রবীন্দ্র ভাবনায় তা এগিয়ে চলেছে। শুরুতে ৬ টি গ্ৰাম দত্তক নেওয়া হয়। এখন সেটি ৬৫তে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, ১৫ মাস পর স্থায়ী উপাচার্য পেল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন স্থায়ী উপাচার্জ কৃষি বিজ্ঞানী প্রবীর কুমার ঘোষের দিকে তাকিয়ে শান্তিনিকেতন। গত বছরের অগাস্ট থেকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন অধ্যাপক বিনয় কুমার সরেন। প্রবীর কুমার ঘোষ তাঁরই স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। পাঁচ বছরের জন্য বিশ্বভারতীর উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন তিনি। প্রবীর কুমার ঘোষ ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বভারতীর ছাত্র ছিলেন। ৪ দশক পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি উপাচার্য পদে ফিরছেন। ৬৩ বছর বয়সের প্রবীর কুমার ঘোষের জন্ম মুর্শিদাবাদের কুমারপুরে। ভগীরথপুর হাইস্কুল এবং ডোমকল বিটি হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন। পরবর্তীকালে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং তারপর উত্তরাখণ্ডের পন্তনগরের জিবি পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি ছত্তিশগড়ের রায়পুরে আইসিএআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটিক স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের ডিরেক্টর পদে ছিলেন। তার আগে ভোপালের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সয়েল সায়েন্সেস এবং কানপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ডালস রিসার্চ-এ কাজ করেছেন।

মার্চ ২০, ২০২৫
রাজ্য

নবান্নে অপেক্ষা করে চলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের মেইলে অপমানিত জুনিয়র চিকিৎসকরা

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিবের পক্ষে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে একটি মেল পাঠানো হয় সন্ধে ৬টা১০মিনিট নাগাদ। নবান্নে এসে সরকারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দল এসে দেখা করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নবান্নে হাজির ছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের এই মেলকে ভালো ভাবে নেননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা এই মেলকে অপমানজনক বলে মনে করছেন। তাই মেইলের জবাব দেবে না বলেও তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে। সরকারের তরফে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করার জন্য অপেক্ষা করে বেরিয়ে গিয়েছেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭টা নাগাদ নবান্ন ছেড়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। এদিন তাঁরা ওই ভবনের সামনে অবস্থান করছে। মুখ্যমন্ত্রী যে ওই বৈঠকে থাকবেন তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না, বলছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানিয়ে দেন, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা বা আন্দোলন, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি নিয়ে যা বলার তিনিই বলবেন। বৈঠক শেষে তৎপরতা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, তারপরেই স্বাস্থ্যসচিবের ইমেল থেকে মেল পাঠানো হয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কাছে।জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, যাঁর পদত্যাগ দাবি করছি তিনি মেইল করছেন। এটা অত্যন্ত অপমানজনক। মেলের জবাব দেওয়ার কোন প্রশ্ন নেই, বলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বৈঠকের জন্য নবান্নে অপেক্ষা করেছিলেন। আমাদের সে কথা বলা হয়নি। মেইলে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। ইমেলে লেখা হয়েছে, রেসপেক্টেড স্যার। জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেছেন, মনে রাখবেন, এই আন্দোলনে শুধু স্যারেরা নেই, ম্যাডামেরাও রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজত, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি

আরজি কর কাণ্ডে গ্রেফতার সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। একই সঙ্গে সঞ্জয় রায়েরও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমোদন মিলেছে বলে সূত্রের খবর।পাশাপাশি এদিন আরজি কর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।আরজি করে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের। শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করে সিবিআই।গোটা আদালত চত্বর সিআইএসএফ-এর জওয়ানরা ঘিরে রেখেছিলেন। নিরাপত্তায় ছিল কলকাতা পুলিশও। সঞ্জয়কে সিজিও থেকে বের করার সময় একাধিক প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। তবে কোনও প্রশ্নেরই জবাব দেয়নি সঞ্জয়।এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে গতকালই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনকে শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যায় সিবিআই। তাদেরও পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। সত্য উদঘাটনে এবার সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হবে। এই ৬ জনের মধ্যে রয়েছে একজন সিভিক ভলান্টিয়ারও। এর সঙ্গে সঞ্জয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে সিবিআই সূত্রের খবর। ৬ জনের মধ্যে রয়েছেন চার জন চিকিৎসক।

আগস্ট ২৩, ২০২৪
রাজ্য

হলুদ ফাইল নিয়ে সিবিআই দফতরে সন্দীপ ঘোষ, জিজ্ঞাসাবাদ লাগাতার সপ্তম দিনে

টানা সপ্তম দিন। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এদিনও হাজির হয়েছেন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে। এদিন তাঁকে হাতে একটি হলুদ রঙের কাগজের ফাইল নিয়ে সিবিআই দফতরে ঢুকতে দেখা গিয়েছে। তবে গাড়ি থেকে নেমে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনও জবাব দেননি সন্দীপ ঘোষ। এর আগে টানা ৬ দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নয়, পাশাপাশি একাধিক জুনিয়র ডাক্তার, পুলিশ অফিসারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। এদিকে এদিন সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দেবে সিবিআই। অন্যদিকে আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনার রিপোর্ট দেবে রাজ্য সরকার। এখনও পর্যন্ত আরজি করের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় গ্রেফতার হয়েছে। তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস খুনের ঘটনায় সঞ্জয়ের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলেই তাঁর পরিবারের সদস্যরাও অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২২, ২০২৪
রাজ্য

ব্যবহৃত গ্লাভস-সরঞ্জাম পড়শী দেশে পাচার? সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ! FIR, সিট গঠন

আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ খুন নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি বাংলা জুড়ে। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে সিবিআই। মঙ্গলবারও ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সন্দীপ ঘোষ। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশ FIR দায়ের করেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের জামানায় ওঠা অভিযোগের তদন্তে সিট গঠন করেছে নবান্ন। রাজ্যের এই পদক্ষেপে এবার আশার আলো দেখছেন আরজি করের তৎকালীন ডেপুটি সুপার এবং বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সন্দীপ ঘোষ আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন টানা কয়েক বছর ধরে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার আলির। সংবাদমাধ্যমের সামনে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছেন বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে আখতার আলি বলেন, আমিও ওর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলাম। ছাত্রদের ফেল করোনা থেকে শুরু করে টেন্ডারে ২০ পার্সেন্ট কমিশন খাওয়া, পছন্দের সাপ্লায়ার-ভেন্ডারদের টেন্ডার দিত। সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে দিয়ে দিত। আমি এর আগে আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখাকে জানিয়েছিলাম। পরে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে নালিশ জানাই। ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই আমি আমার প্রথম অভিযোগ জমা করি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে চিকিৎসক আখতার আলি আরও বলেন, হাসপাতালের ব্যবহার করা রাবার গ্লাভস থেকে শুরু করে অন্যান্য সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার করা হতো। এই চক্রে আরও কয়েকজন আছে। একসময় অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি হয়। সেই তদন্ত কমিটিতে আমিও ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে আমাকে বদলি করে দেওয়া হল। এরপর ওই কমিটিও ভেঙে দেওয়া হল।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের দিকে আঙুল উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। তাকে পাঁচবার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তারই ভিত্তিতে একটি সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। কলকাতা পুলিশের তরফেও সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে FIR।

আগস্ট ২০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন

প্রকাশ্যে এলো আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গলা টিপে, নাক-মুখ চিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। নিহতের মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্নের প্রমাণ মিলেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নিহত চিকিৎসকের ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল এবং শুধু তাই নয়, শরীরের আরও বিভিন্ন অংশেও রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। নিহত চিকিৎসকের যৌন হেনস্থার প্রমাণ মিলেছে ওই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতা চিকিৎসকের শরীরের বাইরে অংশে ১৬টি এবং শরীরের অভ্যন্তরে ৮টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে, আঘাতগুলো অ্যান্টি মর্টেম অর্থাৎ মৃত্যুর আগেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই মৃত্যুর ধরন হল খুন। তবে বারবার অভিযোগ উঠেছে, নির্যাতিতার হাড় ভেঙে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সেই অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্যাতিতার শরীরে হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ পাওয়া যায়নি। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই পড়ুয়া চিকিৎসক খুন হন। তার পর থেকেই ন্যায় বিচার-এর দাবিতে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্য এমনকী ভিনদেশ থেকেও নির্যাতিতার হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি উঠেছে। প্রথমে তরুণী চিকিৎসক খুনের মামলার তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছে সিবিআই। তারই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা হাতে নিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
রাজ্য

রাতে মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর রাজ্য সরকারের, চালু হচ্ছে বিশেষ অ্যাপ

আরজি কর কাণ্ডের পর অবশেষে টনক নড়ল রাজ্য সরকারের। মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে। বিশেষ এই কর্মসূচীর নাম দেওয়া হয়েছে রাত্তিরের সাথী। এর সঙ্গে মহিলাদের নাইট শিফটের সুরক্ষায় বিশেষ অ্যাপ চালু করার ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। রাতের সাথী নামে অ্যাপের মাধ্যমে মহিলাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলেই দাবি সরকারের। পাশাপাশি হাসপাতালগুলিকে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আজকের এই বৈঠকে।আরজি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিপ্তে আজই ভার্চুয়ালি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বৈঠকে হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রাতের নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দোপাধ্যায়।তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাতের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাক কলেজে মহিলাদের জন্য আলাদা রেস্ট রুম, টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে। মহিলা বান্ধব সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারের তরফে বাড়তি নজর দেওয়া হবে। সেফ জোন, সিসিটিভি মনিটারিংয়ের মাধ্যমে চলবে ২৪ ঘন্টার বিশেষ নজরদারি চলবে। মোবাইল অ্যাপ রাতের সাথী সকল কর্মরত মহিলাদের ডাউলোড করতে হবে যেটা স্থানীয় থানার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে হেল্প লাইনে ফোন করেও অভিযোগ জানাতে পারবেন মহিলারা।যৌন নির্যাতন রুখতে আরও কড়া রাজ্য সরকার। এই সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজে বিশেষ কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক। যারা এখনও তা করেননি তাদের অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও সরকারের জারি করা প্রোটোকল মেনে চলতে হবে।রাতে মহিলারা যাতে টিমের সঙ্গে কাজের সুযোগ পান তার জন্যও সরকারের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গে রাতের পুলিশি পেট্রলিং বাড়ানো প্রতি ফ্লোরে, পানীয় জলের সুব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রত্যেক হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজগুলিকে কর্মীদের সচিত্র পরিচয় পত্র গলায় ঝুলিয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে। ১২ ঘন্টার বেশি কোন পরিস্থিতিতে মহিলা ডাক্তারদের ডিউটি যাতে না দেওয়া হয় তার জন্য হাসপাতালগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে মহিলাদের রাতের ডিউটি না দেওয়ায় জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে সমানুপাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
শিক্ষা

SC-2016 নিয়োগ, যোগ্যদের চাকরি বহাল রাখতে, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষের দাবি

সল্টলেকের আচার্য সদনে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার এর কাছে ডেপুটেশন জমা দেন।(১) যোগ্য অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথকীকরণ (সেগ্রিগেশন) এবং যোগ্যদের চাকরি বাঁচানোর জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তা অবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে।(২) আগামী ১৬ই জুলাই, ২০২৪ তারিখ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে মাইগ্রেশন লিস্ট মহামান্য সুপ্রিমকোর্টে জমা দিতে হবে।(৩) মহামান্য সুপ্রিমকোর্টর নির্দেশ অনুযায়ী, ইতিমধ্যে চিহ্নিত অযোগ্যদের থেকে যে মুচলেকা নেওয়ার কথা ছিল তা এখনো পর্যন্ত কেনো কার্যকর হলো না?অতিদ্রুত উক্ত নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।(৪) যে সকল পোস্টের (বিশেষত: XI-XII) শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীনের OMR এখনও পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি, অভিদ্রুত তা প্রকাশ করতে হবে।(৫) সকল যোগ্য ও বৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরি সুনিশ্চিত করতে কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা সহ লিস্ট প্রকাশ করতে হবে।(৬) যোগ্য ও বৈধ টিচারদের মধ্যে কতজন ইন-সার্ভিস (IN-SERVICE) টিচার ২০১৬ পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত হযেছেন ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নিয়মানুযায়ী কন্টিনিউশপন (Continuation) পেয়েছেন তাদের নাম ও পোস্ট সহ সুস্পষ্ট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। এইরকম বহু সংখ্যক শিক্ষক- শিক্ষিকা সুপ্রিম কোর্টে SLP ও করেছেন।(৭) কর্মরত বহু সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী এমন আছেন যারা রেকমেন্ডেশন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে স্কুলে গিয়ে দেখেন সেখানে ভ্যাকেন্সি প্রবলেম রয়েদে ও যোগ দিতে পারেন না। পুনরায় আবেদন করেন এবং নতুন রেকমেন্ডেশন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার নিয়ে নতুন স্কুলে যোগদান করেন। এই সমস্যার জন্য স্কুলে যোগদানের ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছে। এবিষয়ে অতিরিক্ত এপয়েন্টমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তথ্য সহ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট দিতে হবে।(৮) Rank জাম্প, ফাঁকা OMR, প্যানেল উত্তীর্ণ, প্যানেল বর্হিভূত, CBI লিস্টে নাম থাকা যে সকল অবৈধ ও অযোগ্য কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের লিস্ট অবিলম্বে প্রকাশ করে তাদের চাকরি বাতিল করে সেই স্নানে যথাযথ ও স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করতে হবে।(৯) সিবিআই রিপোর্ট, বাগ কমিটি রিপোর্ট ও SSC রিপোর্ট অনুযায়ী Rank Jumping, Out of Panel, OMR Manipulation, Excess Appointment এর ক্ষেত্রে কোথাও যাদের নাম নেই সেই List প্রকাশ করা হোক।(১০) যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মেডিকেল টেস্ট ও VR মাধ্যমে Service Confirmation প্রক্রিয়া নিয়ে কোন Adverse Report নেই। এই বিষয়টিকে সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরতে হবে। সর্বপরি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই ভয়ংকর দুর্নীতি যা পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে তার সাথে যুক্তসকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের পদক্ষেপ নিতে হবে।

জুলাই ০৫, ২০২৪
রাজনীতি

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ভোটের লড়াই থেকে সরে আসার আহ্বান তৃণমূল নেতার, কেন এই অনুরোধ?

এবার সরাসরি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী হিসেবে কুণাল ঘোষ। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। এক্স হ্যান্ডলে প্রাক্তন বিচারপতিকে এই অনুরোধ জানিয়ে রবিবার সকালে এই পোস্টটি করেছেন তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।কুণালের বার্তা, শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ। আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত। ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে। বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত। অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না। তমলুকে তৃণমূল জিতবে। দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে। যে আপনাকে তমলুক নিয়ে যাচ্ছে, সেও আপনাকে হারাবে। তার দলে অন্য বড় নাম সে সহ্য করতে পারে না, বাড়তে দেবে না। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। শুভানুধ্যায়ী হিসেবে ভাবতে বললাম।শ্রী অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়,পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ।আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত।ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে।বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত।অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না।তমলুকে @AITCofficial জিতবে।দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে।যে আপনাকে তমলুক Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 17, 2024উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁর তমুলক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তমলুক থেকেই তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তরুণ তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। সিপিএম ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিকে, ইতিমধ্যেই তমলুকে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে এক দফায় আলোচনা সেরে এসেছেন অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে আগাগোড়া ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।বিজেপি এরাজ্যে প্রথম পর্বে ২০ টি কেন্দ্রে তাঁদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বাকি কেন্দ্রগুলিতে সম্ভবত শীঘ্রই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেবে গেরুয়া দল। তবে তার আগে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির প্রতি এমন বার্তা দিয়ে কুণাল ঘোষের এমন পোস্ট রাজ্য রাজনীতিতে নয়া মাত্রা যোগ করেছে।

মার্চ ১৭, ২০২৪
রাজ্য

প্রতিবন্ধী ঐক্য মঞ্চের বিক্ষোভ, স্মারকলিপি মন্ত্রীকে

পশ্চিমবঙ্গ প্রতিবন্ধী ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে সল্টলেকের করুণাময়ীর সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ডেপুটেশন কর্মসূচি পালিত হয়। মানবিক ভাতার পরিমাণ মাসিক ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০০ টাকা করার দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনে শশী পাঁজাকে ডেপুটেশন দেন প্রতিনিধি দল। পশ্চিমবঙ্গ প্রতিবন্ধী ঐক্যমঞ্চ আরো দাবি-* অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা এবং বিভিন্ন আবাস যোজনায় প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্তি।*প্রতিবন্ধীদের জন্য ১০০ দিনের কাজ এবং জব কার্ড প্রদান।* প্রতিবন্ধীদের উপযুক্ত শৌচাগার নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ।*প্রতিবন্ধীদের বিনামূল্যে মাসে ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ও বছরে ৬টি রান্নার গ্যাস প্রদান।*সমস্ত বাসে দুইটি আসন সংরক্ষণ সহ বিনা ভাড়ায় যাতায়াতের অধিকার।

মার্চ ০১, ২০২৪
রাজ্য

নথি নিয়ে ইডি দপ্তরে হাজির প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ট কলকাতা কাউন্সিলর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজির হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট কলকাতা পৌরসভার ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর ভূমিকা কি ছিল, সম্পত্তির হিসেব ও ব্যাংকের ডিটেলস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।গত বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগকাণ্ডে নাম জড়ায় বাপ্পাদিত্যের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি সংক্রান্ত নথি পাওয়া গিয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের স পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। সেই কারণে নিয়োগ মামলায় পার্থের ভূমিকা সম্পর্কে বাপ্পাদিত্য অনেকটাই জানেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রাথমিকের নিয়োগে পার্থের কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। সেই কারণেই ইডি মনে করছে ব্যাপাদিত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এদিন তলব করা হয়।ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় ব্যাপাদিত্য বলেন, আজকে ইনকাম স্টেটমেন্ট, আই টি রিটার্ন, এসেট ৱ্যাবিলিটি ডিটেলস এই কাগজ গুলো চেয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছি। দেখা যাক কথা বলি। আইটি রিটার্ন রয়েছে ১২ বছরের। যা যা কাগজ চেয়েছে সেই গুলো নিয়ে এসেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সেই কারণে ডাকা হচ্ছে হয়তো। প্রাথমিকের নিয়োগের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সিবিআই যখন বাড়িতে রেড করে যে এডমিট কার্ড পেয়েছে একটাও প্রাথমিকের নয়। সেগুলো আজ জমা করে দেব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর থেকে বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে আবারও নড়াচড়া শুরু করেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলপর প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর ও কলকাতা পুরসভার তৃণমূলের মুখ্যসচেতক বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এদিন সকালে কলকাতার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যায় সিবিআই। এদিন একইসঙ্গে তল্লাশি চলে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও। এছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদের ডোমকলে তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়ি ও কোচবিহারেও একাধিক ঠিকানায় হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই অভিযান চলে। শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে খবর। বৃহস্পতিবার তা্র বাড়িতে পৌঁছনোর পর বেশ কিছুক্ষণ বাইরেই অপেক্ষা করতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। বাড়ির ভিতর থেকে কেউ দরজা না খোলায় বাধ্য হয়ে প্রায় কুড়ি মিনিট বাড়ির বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে সিবিআই অফিসারদের। প্রায় কুড়ি মিনিট পর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত নিজে এসে দরজা খুলে দেন। তিনিই সিবিআই আধিকারিকদের বাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়েছেন।এরই পাশাপাশি আজ সকালে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও সিবিআই হানা দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যায় তদন্ত সংস্থা। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। দেবরাজ তৃণমূলের দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি। শহর কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকা ছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায় ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নেমেছে সিবিআই। ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

জন্মের পর ছেলের দু'টি হাত নেই দেখে জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন মা! সেই ছেলে এখন পা দিয়ে ট্রাক্টর চালান

দুটি হাত নেই, তাই দুপা দিয়ে ট্র্যাক্টর চালিয়ে বেঁচে থাকার রসদ জোগাড় করছেন আইটিআই পাস করা বিশেষ ভাবে সক্ষম যুবক। জন্ম দেবার পর ছেলের দুটি হাত নেই দেখে জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন মা। তখন কেউ কেউ যুক্তি দিয়েছিল দুহাত না থাকা ছেলেকে শৈশবেই প্রাণে মেরে দিতে। কিন্তু না ,মা বাবা সহ পরিবারের কেউ সেই যুক্তি মেনে নেন নি। উল্টে তাঁরা সবাই দুহাত না থাকা ছেলে সুজিতকে পরম স্নেহে লালন পালন করেন ও বড় করে তোলেন। আজ ৩৭ বছর বয়সে পৌঁছে যাওয়া আইটিআই পাশ করা যুবক সুজিত দাঁ এখন তাঁর দুই পা দিয়ে ট্র্যাক্টর চালিয়ে নিজের অন্নের সংস্থান করছেন। অন্য সব প্রতিবন্ধীদের কাছেও সুজিত প্রেরণা হয়ে উঠেছেন।সুজিত কোন শহর বা মফস্বল এলাকার বাসিন্দা নন। পূর্ব বর্ধমানের রায়নার প্রত্যন্ত উচালন গ্রামে সুজিত দাঁয়ের বাড়ি। তাঁদের যৌথ পরিবার। ছোট বয়সেই সুজিত তাঁর বাবা স্বপন দাঁকে হারান। বাড়িতে বিধবা মা পুতুলদেবী সহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও রয়েছেন। সুজিত জানিয়েছে, হার না মেনে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার প্রেরণাটা ছোট বয়সে তাঁকে যে ব্যক্তি যুগিয়েছেন তিনি হলেন গ্রামের মাষ্টার মশাই শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য। পায়ে পেনসিল গুঁজে দিয়ে হাতে করে পা ধরে ওই মাষ্টার মশাই তাঁকে লেখা পড়া শিখিয়েছেন। তার পর থেকে পায়ে করে লিখেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পাশাপাশি আইটিআই (ITI) সার্ভে ডিপ্লোমা কোর্সও সম্পূর্ণ করেছেন। সুজিত দাঁ এও জানান, তিনি আইটিআই পাশ করার পর ডিভিসির চাকরির পরীক্ষায় বসে পাশও করেন। প্যানেলে তাঁর নামও উঠেছিল। কিন্তু ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর সব কোথায় কি হয়ে যায় তার কিছুই তিনি জানতে পারেন নি।এর পর আর বসে না থেকে এক পরিচিত চালকের সাহায্য নিয়ে তিন দুই পা দিয়েই ট্র্যাক্টর চালানো শেখেন। সুজিত জানান,ট্র্যাক্টর চালিয়েই তিনি প্রথম উপার্জন করা শুরু করেন।এখন ট্র্যাক্টর চালানোর পাশাপাশি ধানের ব্যবসাও করেন। সম্প্রতি খুড়তুতো ভাইয়ের সঙ্গে পার্টনারশিপে স্পেয়ার পার্টসের ব্যবসাও শুরু করেছেন বলে সুজিত জানান।কিন্তু দোকানে ব্যবসার খাতা সারা,খরিদ্দারকে মালপত্র দেওয়া এসব কাজ করেন কিভাবে? উত্তরে সুজিত জানান, এই সবকিছু তিনি পায়ে করেই করেন। আর অ্যানন্ড্রয়েড ফোন পায়ে ধরে নিয়েই তিনি অন্যের সঙ্গে কথা বলেন। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক এইসবও তিনি পায়ে করেই করেন। খাওয়া দাওয়া করতে সমস্যা হয় না? এর উত্তরে সুজিত জানান, বাড়িতে থাকলে মা খাইয়ে দেন। বাইরে থাকলে চামচ পায়ের আঙুল দিয়ে ধরে নিয়ে খাবার তুলে খান।প্রতিবন্ধী সুজিত দাবি করেন,পা দিয়ে তাঁকে সবকিছু করতে হয় বলে তাঁর কোন আক্ষেপ নেই। বরং নিজেকে নিয়ে তিনি গর্ববোধ করেন। কারণ হাত না থাকলেও শুধমাত্র দুপা দিয়েও যে জগৎতের সবকিছুকে জয় করা যায়, সেটা তিনি করে দেখাতে পরেছেন। এত কিছুর পরেও সুজিত দাঁয়ের আক্ষেপ,সরকার বা প্রশাসন কেউ তাঁর পাশে দাঁড়ালো না। কোথাও একটা স্থায়ী চাকরি পেলে তাঁর অনেক উপকার হত বলে সুজিত জানিয়েছেন।মা পুতুলদেবী বলেন,ছেলেকে জন্ম দেবার পর যখন দেখি আমার ছেলের দুটি হাতই নেই তখন আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফেরার পর শুধুই দেখেছি। অনেক ব্যঙ্গ বিদ্রুপ আমায় সহ্য করতে হয়েছে। পরিবারের সবাই পাশে ছিল বলে ছেলে সুজিত সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। পায়ে করে লেখাপড়া শিখে ছেলে স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা যখন দেয় ওই মাসেই আমার স্বামী মারা যান। পুতুলদেবী গর্বের সঙ্গে বলেন, নিজের প্রচেষ্টায় ও ঈশ্বরের কৃপায় আজ আমার ছেলে সুজিত শুধু নিজেই সাবলম্বী হয়নি, অন্য প্রতিবন্ধীদেরও জীবন সংগ্রামের দিশা দেখাচ্ছে।সুজিতের ছোট কাকু তুলসি দাঁ বলেন,দুহাত না থাকা অবস্থায় ভাইপো সুজিত জন্মানোর পর অনেকেই ওকে প্রাণে মেরে দেবার যুক্তি দিয়েছিল। কিন্তু বাড়ির প্রথম সন্তানের জীবন কেড়ে নেওয়ার যুক্তি তাঁরা কেউ মানেন নি। আজ ভাইপো তাঁর দুটি পাকে সম্বল করেই সাবলম্বী হয়েছে। সাধারণ মানুষ দুহাতে করে যা যা করে তার ৯০ শতাংশ সুজিত পায়ে করেই করে। তুলসি বাবু জানান,সরকার বা প্রশাসন কোথাও একটা স্থায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দিলে ভাইপো সুজিতের খুবই উপাকার হত।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal