• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Announces

দেশ

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
দেশ

Big Breaking: অবশেষে জয় হল কৃষকদের, তিন বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা করলেন মোদি

শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করছে কেন্দ্র। গত প্রায় এক বছর ধরে ওই আইন নিয়ে আন্দোলন করছিলেন কৃষকরা। শুক্রবার জাতীর উদ্দেশে ভাষণে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।যে কৃষি আইন বলবৎ করা নিয়ে অনড় ছিল কেন্দ্র, সেই অবস্থান থেকে সরে এল তারা। আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে মোদির আক্ষেপ, আমাদের উদ্দেশ্য সৎ ছিল। কিন্তু কৃষি আইনের সুফলের কথা কিছু কৃষককে আমরা বোঝাতে পারিনি।আন্দোলনের পথ ছেড়ে কৃষকদের আবার চাষের ক্ষেতে ফিরতেও আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আসুন, সব আবার নতুন করে শুরু করা যাক। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, এখন কাউকে দোষারোপের সময় নয়।গুরু নানকের জন্মদিবসে মোদির এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে অবস্থানকারী কৃষকদের বড় অংশই পঞ্জাব এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তাঁদের শিখ এবং জাঠ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক। আগামী বছরের গোড়াতেই ওই পঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: স্কলারশিপ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আর ৭৫ শতাংশ নয়, এবার থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর পেলেই ছাত্র-ছাত্রীরা পাবেন বিবেকানন্দ স্কলারশিপ। আজ রাজ্যের কৃতি পড়ুয়াদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে ছাত্রদের উৎসাহ দিতে প্রত্যেক কৃতি ছাত্র ও ছাত্রীকে দেওয়া হল ল্যাপটপ ও একগুচ্ছ বই। ছাত্ররাই যে রাজ্যের ভবিষ্যৎ এদিন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে সে কথাই বার বার শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। একইসঙ্গে উঠলো স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রসঙ্গও।এদিন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রতিটি জেলার উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ স্থানাধিকারী ছাত্র-ছাত্রীরা। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, জয়েন্ট এন্ট্রান্স ও মাদ্রাসা বোর্ডের কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের এদিন পরীক্ষায় নজিরবিহীন সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী । সেই সঙ্গে সকলকে আগামী দিনে আরও ভালো ফল করে পড়াশোনায় রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করার জন্য উৎসাহিত করেন মমতা।আরও পড়ুনঃ প্রো কবাডি লিগে বেঙ্গল ওয়ারিয়র্স দলে বাঙালি নেই!ছাত্র-ছাত্রীদের মুখ্যমন্ত্রী জানান এবার থেকে বিবেকানন্দ স্কলারশিপের আওতায় বৃত্তি পাবেন আরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী। এছাড়াও সংখ্যালঘুদের জন্য থাকছে ঐক্যশ্রী। তপসিলি জাতি উপজাতির ছাত্র ছাত্রীদের জন্য থাকছে শিক্ষাশ্রী। মেদিনীপুর, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদীয়া এক এক করে সব জেলার ছাত্রদের সঙ্গেই এদিন কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, পড়ুয়ারাই রাজ্যের গর্ব। আরও নতুন দিশা দেখাক ছাত্ররা। মনে করিয়ে দেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করা হয়েছে পড়ুয়াদের সুবিধার্থে। এই ধরণের সরকারি সুবিধা যেন ভোগ করতে পারেন ছাত্র ছাত্রীরা।মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম ১০ তম স্থান পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বরাবরই সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও সেই সংবর্ধনার রীতি বজায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন জেলার কৃতি ছাত্র ছাত্রীরা জেলাশাসকের অফিস ও এসডিও অফিসে হাজির ছিলেন। এদিন তাঁদের ভার্চুয়ালি সংবর্ধনা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

CM Panagarh: রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতার

ইয়েস বেঙ্গল ক্যান। রাজ্যের লক্ষ্য এখন শিল্প। পানাগড় শিল্পতালুকে একটি পলিফিল্ম কারখানার শিলান্যাস করতে এসে এমনটাই বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পের একাধিক সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। সামাজিক প্রকল্পের পর এবার কর্মসংস্থানে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। একাধারে একাধিক শিল্পতালুকে বিনিয়োগ তো অন্যদিকে শিল্পবান্ধব নয়া নীতির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার পানাগড় শিল্পতালুকে ৪০০ কোটির পলিফিল্মের কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, বাংলায় বিনিয়োগ করুন। আমাদের সরকার শিল্পের পাশে আছে। এ রাজ্য শিল্পে এক নম্বর হবেই। এবার শিল্পই টার্গেট আমাদের।রাজ্যের একাধিক শিল্পতালুক ছাড়া সরকারের লক্ষ্য এখন বীরভূমের দেউচা-পাঁচামি কয়লা খনির কাজ শুরু করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেউচা-পাঁচামি এখান থেকে এক ঘণ্টার রাস্তা। দুনিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা খনি এখানেই তৈরি হবে। ১৫ হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে এখানে। এটি তৈরি হয়ে গেলে আগামী একশো বছরে রাজ্যে বিদ্যুতের অভাব হবে না। এতে শিল্পের সুবিধে হবে। ওই খনি তৈরির জন্য যে রিহ্যাবিটিটেশন কাজ তা আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে জমিদাতাদের চাকরি হবে, ঘর হবে, স্কুল হবে, সবকিছুই হবে জমিদাতাদের।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তেররাজ্যে শিল্প সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডানকুনি থেকে অমৃতসর পর্যন্ত ফ্রেট করিডর তৈরি হচ্ছে। এছাড়া পানাগড় থেকে রঘুনাথপুর পর্যন্ত যে শিল্পতালুক হবে তার নাম দিয়েছি জঙ্গলমহল সুন্দরী। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের ওই শিল্পতালুকে বিনিয়োগ হবে ৭২ হাজার কোটি টাকা। অধিকাংশ জায়গায় জমি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সরকার শিল্পের পাশে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, আমরা ২টি নতুন পলিসি ঘোষণা করছি রাজ্যে শিল্পের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য। একটি হল ইথানল প্রোডাকশন প্রমোশন পলিসি ও অন্যটি হল ডেটা সেন্টার পলিসি। দেশের মধ্যে আইটি সেক্টরের গন্তব্য এখন বাংলা। ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য রাজ্য সরকার সব ধরনের সাহায্য করবে। ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে চার হাজার কর্মসংস্থান হবে। কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরকে আগামি দুবছরে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হিসাবে তৈরি করা হবে বলে ঘোষণা করেন মমতা। পাশাপাশি তিনি বলেন, বালুরঘাট ও কোচবিহার বিমানবন্দর প্রায় তৈরি। এছাড়া ৩০টি হেলিকপ্টার স্টেশন তৈরি হচ্ছে। অশোকনগরে আইওসি তেল প্রকল্প করছে রাজ্য সরকারের সঙ্গে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Bank Timing: বড় ঘোষণা: বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে পূর্ণ সময় খোলা থাকবে ব্যাংক

বিধিনিষেধ উঠল। এবার ব্যাংক খোলা থাকবে তার স্বাভাবিক সময়সীমা মেনেই। পানাগড়ে এক পলিফিল্ম কারখানার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশপাশি, নবান্নর তরফের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জানিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে এবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত চলবে ব্যাংকের কাজকর্ম।আরও পড়ুনঃ নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকেপানাগড়ে এদিন এক অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিপুল সাড়া মিলেছে। একদিন দেড় কোটি মানুষ ওই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হচ্ছে ব্যাংকের মাধ্যমে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকাও দেওয়া হবে ব্যাংকের মাধ্যমে। তাই ব্যাংকের কাজের সময়সীমা আগের মতে করে দেওয়া হল। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে গত ১৬ মে রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ব্যাংকের কাজকর্ম সকাল ১০টা থেকে ২টোর মধ্যে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি শনিবার ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। মমতার নির্দেশে এবার সেই নিয়মে বদল আসতে চলেছে। সকাল ১০টায় ব্যাংকের কাজ শুরু হয়ে তা শেষ হবে বিকেল চারটেয়। বৃহস্পতিবার থেকে চালু হচ্ছে এই নিয়ম।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

Provident Fund: বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের

প্রভিডেন্ট ফান্ডের পুরো টাকাই দেবে কেন্দ্র। কোভিডে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য এ বার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার জানিয়েছেন, কর্ম-হারা কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা এ বার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত দুভাগে এই টাকা দেওয়া হয়। একটি অংশ দেয় সেই সংস্থা যেখানে কোনও কর্মী কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন। দ্বিতীয় অংশটি ওই কর্মীর বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। উভয় ভাগের টাকাই কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই দেওয়া হবে বলে এ দিন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কর্মচারী, এবং সংস্থা; উভয় পক্ষের পিএফ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।If in a district, more than 25,000 migrant workers working in the informal sector return to their native place will get benefits from 16 Central schemes for employment. In 2020, we increased the MGNREGA budget from Rs 60,000 cr to around Rs 1 lakh cr due to COVID:Finance Minister pic.twitter.com/9azlNN24D4 ANI (@ANI) August 21, 2021অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্যও এ দিন বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, করোনার কারণে যদি কোনও জেলায় কমপক্ষে ২৫ হাজার শ্রমিক অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, তবে তাঁদের সুবিধার জন্য এবং রোজগার বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে মোট ১৬ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে। যার লাভ তাঁরা নিতে পারেন। অতিমারির কারণে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ দিনমজুর এবং পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন, তাই সেই মানুষগুলির কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনরেগার বাজেট ৬০ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা করেছে কেন্দ্র। এমনটাও জানান অর্থমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২১
শিক্ষা

TET-SSC: প্রতিবছর রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ, কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী? জানুন

এক টেট পরীক্ষার জট ছাড়াতে সময় লেগেছে পাক্কা পাঁচটি বছর। ২০১৬ সালের উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের সেই প্রক্রিয়া অবশেষে আদালতের হস্তক্ষেপে সম্প্রতি শেষ হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। এরই মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘোষণা, এখন থেকে প্রতিবছরই শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘোষণা রাজ্যের শিক্ষক পদপ্রার্থীদের জন্য নতুন আশা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে শিক্ষক নিয়োগের বিভিন্ন পরীক্ষা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতাই চাকরিপ্রার্থী শিক্ষকদের মনে এই ঘোষণার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে বাড়ছে মেট্রো, জেনে নিন সময়সূচিশিক্ষামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। তার জেরে ইতিমধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন ইন্টারভিউ নেওয়ার বিষয় নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে। শুক্রবারের কলকাতার হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিরই মধ্যে এখন থেকে রাজ্য সরকার প্রতিবছর প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শনিবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, শূন্যপদের ভিত্তিতে প্রতিবছর টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাসম্ভব স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করা হবে । এদিকে কমিশনের তরফেও আলাদা সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়, আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অচলাবস্থা কেটেছে। সফল প্রার্থীদের প্রথমে ইন্টারভিউ এবং তারপরে সেই ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করে নিয়োগ করা হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘিরে কোনও অসন্তোষ থাকলে প্রার্থীরা কমিশনের দপ্তরে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলেও কমিশনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। একাধিকবার আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া। শুধু তাই নয় উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ নিয়েও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হবে। পুজোর আগেই প্রাথমিকের টেটের ফল প্রকাশ করা হবে বলেও খবর। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য এমনটাই জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় সুপ্রিমকোর্ট সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও রাজ্য সরকারকে প্রাথমিকের টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট নেওয়া নিয়ে নির্দেশ দিয়েছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী শনিবারের ঘোষণাকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy: মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যান

শুক্রবার মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটা ঘোষণা হতেই বিধানসভায় হট্টগোল শুরু করে বিজেপি। তার পর বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের বিধায়করা। আরও পড়ুনঃ বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো বর্ধমানের গ্রামসাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিরোধী দলের তরফে পিএসি চেয়ারম্যান হন। সেই ঐতিহ্যকে ভাঙলেন অধ্যক্ষ মহোদয়। ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও সদস্য বা সদস্যা মুকুল রায়ের নাম প্রস্তাব করেনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর উপস্থিতিতে গলায় উত্তরীয় পড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অডিয়ো-ভিডিয়ো সবাই দেখেছেন। আমাদের অশোক লাহিড়ীর নাম পাঠিয়েছিলেন মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা। সেটা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কারণ সরকার চায় খরচ আমরা করব, হিসাব আমরা দেখব। এই সরকার ২০১৭ সাল থেকে ক্যাগের অডিট করেনি। ২০১২-১৩ সাল থেকে জিটিএ-র অডিট করেনি। খেলা-মেলায় টাকা খরচে বিরোধীরা বাধা না হতে পারে তাই এই সিদ্ধান্ত। অশোক লাহিড়ীর মতো ভোটে জিতে আসা সম্মানীয় অর্থনীতিবিদ ভুল গুলি যাতে ধরতে না পারেন, তাই মুকুল রায়কে মনোনীত করল।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
দেশ

টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্র

করোনার টিকাকরণ (Corona vaccine) নিয়ে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। পাশাপাশি, আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিনামূ্ল্যে রেশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। 21 जून से 18 वर्ष से ऊपर के सभी नागरिकों के लिए भारत सरकार राज्यों को मुफ्त वैक्सीन मुहैया कराएगी।किसी भी राज्य सरकार को वैक्सीन पर कुछ भी खर्च नहीं करना होगा। pic.twitter.com/VKK3oddw80 Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021সোমবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এবার থেকে দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। এই প্রক্রিয়া আগামী ২১ জুন যোগ দিবস থেকে শুরু হবে। এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জানিয়েছেন, এ বছর ১৬ জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত টিকাকরণ মূলত কেন্দ্রের হাতেই ছিল। দেশ বিনামূল্যে টিকাকরণের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু তারপর অনেক রাজ্য টিকাকরণের ভার নিজেদের হাতে চাইছিল। স্বাস্থ্য যেহেতু মূলত রাজ্যের ব্যাপার, তাই ভারত সরকার রাজ্যগুলির উপর টিকাকরণের (Vaccination) ভার ছেড়েছিল। ভারত সরকার গাইডলাইন তৈরি করেছিল, যাতে রাজ্য সরকারগুলি নিজেদের মতো ব্যবস্থা করতে পারে। ১মে থেকে রাজ্য সরকারগুলিকে ২৫ শতাংশ করে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। মে মাসের দু সপ্তাহের মধ্যেই অনেক রাজ্য সরকার বুঝতে পারে, আগের ব্যবস্থাই ভাল ছিল। অনেক রাজ্য সরকারের টিকা দানে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সমস্যা মেটাতেই কেন্দ্র আগের মতো সব নাগরিকের টিকাকরণের দায়িত্ব নিল। ১৮ বছরের উপরের সব নাগরিককে টিকাকরণের আওতায় আনা হল। তবে, কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে, বেসরকারি হাসপাতাল ভ্যাকসিনের দামের উপর সর্বোচ্চ দেড়শো টাকা সার্ভিস ট্যাক্স নিতে পারবে। এটা দেখাশোনার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।प्रधानमंत्री गरीब कल्याण अन्न योजना को अब दीपावली तक आगे बढ़ाया जाएगा। महामारी के इस समय में सरकार गरीब की हर जरूरत के साथ उसका साथी बनकर खड़ी है।यानि नवंबर तक 80 करोड़ से अधिक देशवासियों को हर महीने तय मात्रा में मुफ्त अनाज उपलब्ध होगा। pic.twitter.com/Ospx5R80FT Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021

জুন ০৭, ২০২১
রাজ্য

৬ মে থেকে রাজ্যে বন্ধ সব লোকাল ট্রেন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকে বন্ধ লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। পরিবর্তন করা হল বাজার খোলা রাখার সময়েও। পরিবর্তন হচ্ছে ব্যাংক খোলার সময়ও। বুধবার শপথ গ্রহণের পরই রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী। শপথগ্রহণের পরই জানিয়ে দিয়েছিলেন, আপাতত করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। সে কথা মাথায় রেখেই এদিন একাধিক নতুন নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনই লকডাউনের পথে হাঁটলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করলেন: কাল থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। বিমানযাত্রা ও দূরপাল্লার বাসযাত্রায় আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। বিমানযাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। তবে রাজ্যে আসার পর ব়্যাপিড টেস্টে করোনা আক্রান্তের হদিশ পেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর ব্যবস্থা করবে বিমানবন্দর। বাজার খোলার সময় পরিবর্তন করা হল। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১০টা, এবং বিকেল ৫টা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে বউবাজারের সোনার দোকান খোলা রাখার সময়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোনার দোকান দুপুর ১২টা থেকে ৩ পর্যন্ত খোলা থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীর হাজিরা চালু। বেসরকারি অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর। কলকারখানা, নির্মাণ ক্ষেত্রে হাজিরা ৫০ শতাংশ করা হল। গ্রামে থাকা ২ লক্ষ ৭৫ হাজার কোয়াক চিকিৎসককে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। যাতে তাঁরা কোভিড চিকিৎসা করতে পারেন। বন্ধই থাকছে রেস্তরাঁ, শপিং মল, জিম, সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার, স্পা, পাব, বার। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক সমস্ত জমায়েত নিষিদ্ধ। বিয়েবাড়িতে সর্বাধিক ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহণকর্মী, সংবাদকর্মী ও হকারদের অগ্রাধিকার। প্রথম ডোজের চেয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ায় গুরুত্ব বেশি। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহ থাকলে মৃতের ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে। যার রিপোর্ট দু-তিনঘণ্টার মধ্যে মিলবে। ফলে মর্গে দেহ জমা থাকবে না। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় জোর দেওয়া হবে। অর্থ সাহায্যের জন্য রাজ্যে দুটি ফান্ড চালু করা হল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে অক্সিজেন, টিকা বন্টন নিয়ে স্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে ৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণেরও দাবি জানিয়েছেন । ১০ হাজার রেমডেসেভির এবং তার বিকল্প হিসেবে টোসিজুমাব-এর হাজারটি ভায়াল চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মমতা।

মে ০৫, ২০২১
দেশ

রাজধানীতে লকডাউন বাড়ল আরও এক সপ্তাহ

সংক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই, তাই আরও এক সপ্তাহ বাড়ল দিল্লির লকডাউন। আজ এক ভিডিও বার্তায় একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।সব দিক পর্যালোচনা করেই লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।দিল্লিতে ক্রমশ বাড়ছে করোনা। সেই সঙ্গে অক্সিজেন ও হাসপাতালে শয্যা সংকটও চলছে। এই পরিস্থিতিতে আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে দিল্লি সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছিল। রবিবার দুপুরে সেই জল্পনাকে সত্যি করেই লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লির জন্য দৈনিক অক্সিজেন সরবরাহ ৪৮০ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ৪৯০ মেট্রিক টন করেছে।দিল্লিতে প্রতিদিন ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। শনিবার দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালের তরফে জানা যায়, সেখানে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে।দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭ জনের, যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির তরফেও জানানো হয় যে তাঁরা আরও দীর্ঘ লকডাউন চান।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

করোনা আবহে বাতিল মেডিক্যালে স্নাতক নিট পরীক্ষা

দেশজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে করোনা অতিমারি। ভেঙে পড়েছে একাধিক রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এমতাবস্থায় সংক্রমণ যেন আরও দ্রুত না ছড়াতে পারে তাই মহারাষ্ট্র প্রশাসন দ্বাদশ ও দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করেছে। বারবার দাবি ওঠার পর সিবিএস দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ বার আপাতত বাতিল হয়ে গেল স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা অর্থাৎ নিট-পিজি ২০২১।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন টুইট করে জানিয়েছেন, নিট পরীক্ষা আপাতত বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। টুইটে তিনি লিখেছেন, দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরিস্থিতিতে ভারত সরকার নিট-পিজি ২০২১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৮ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। পরিবর্তিত সূচি পরে জানানো হবে। তরুণ মেডিক্যাল পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সিবিএসই পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, যে চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করেন, তাঁদের খাতায়-পেনে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করায় হাজারো মানুষকে বিপদে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হওয়া ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনেও নিট বাতিলের সওয়াল করেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদন শুনবে আগামিকাল। তবে তার আগেই হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, এই পরীক্ষা বাতিলের কথা।

এপ্রিল ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal