• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Amma

রাজ্য

Durga Puja: সম্প্রীতির অনন্য নজির, মন্ডপে মন্ডপে ঠাঁই পায় নূর মহম্মদের প্রতিমা

সম্প্রীতির এ এক অনন্য নজির। মুসলিম কারিগড়ের তৈরি দুর্গা মূর্তি পুজিত হচ্ছে মন্ডপে মন্ডপে। নিজ সম্প্রদায় থেকে বাধা এলেও তাকে পাত্তা দেননি। বরং সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে তাঁদের বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। অন্য়দিকে মূর্তি গড়ার কাজ করেছেন একাত্ম হয়ে। কয়েক দশক ধরেই এই মৃৎ শিল্পীর কদর রয়েছে জেলাজুড়ে।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর মহম্মদ চৌধুরী। প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ে পড়ার সময় থেকেই মূর্তি গড়ায় হাতেখড়ি। খেলার ছলে ছোট্ট নূর পুরনো কাঠামোয় বানিয়েছিল প্রতিমা। নূর মহম্মদ বলেন, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম। তখন বিভিন্ন প্যান্ডেলে পুজো হতো। প্রতিমা দেখতে যেতাম। সেই দেখতে দেখতে মনের ইচ্ছা জাগলো যে প্রতিমা বানাবো। পুরনো কাঠামো তুলে এনে খেলার ছলে প্রতিমা বানিয়ে ফেললাম। তারপর শিল্পী রাধাকৃষ্ণ সামন্তের সঙ্গে যোগোযোগ হয়। ওনার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিমা গড়া শুরু করি। এখন বিভিন্ন ক্লাব, বিভিন্ন গ্রামের পুজোর প্রতিমা গড়ার কাজ করছি।স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে তাঁকে সঙ্গত দেনভিন ধর্মের হওয়ায় কোনও দিক থেকে বাধা আসেনি? বছর পঞ্চান্নর নূর মহম্মদের কথায়, বাধা যে একেবারে আসেনি তা নয়। আমাদের ধর্মের মৌলানারা একটু আধটু বাধা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের বোঝালাম, নজরুল ইসলাম যদি মুসলিম হয়ে শ্যামাসঙ্গীত গাইতে পারেন, ভক্তিমুলক কৃষ্ণের গান গাইতে পারেন, তাহলে আমি কেন মূর্তি বানাতে পারব না। বাংলাদেশের গোলাম রসুল বাউল শিল্পী। অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। না বুঝলে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে বাড়িতে কোনও সমস্যা নেই। বাড়ি থেকে বাবা-মা খুব সমর্থন করেছেন। এখন তো বাড়ির সবাই এর পিছনে কাজ করছে। দরকারে কাদা লেপে দিচ্ছে। এই মৃৎ শিল্পী জানান, এবার মোট ৮টা প্রতিমা তৈরি করছেন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুকয়েক দশক ধরে নূর মহম্মদের প্রতিমা পুজিত হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের মন্ডপে মন্ডপে। তাঁর স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে যোগ্য সঙ্গত দেন। তিনি বলেন, বাড়ির কাজ আছে, লোকজনের রান্না আছে, তার বাইরে সময় পেলে কাজ করি। আমি সাপোর্ট না করলে কে করবে? আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই কাজ করে সংসার চালাই আমাদের ভাল লাগবে না? আমার বাবা জেনেই এই পরিবারে বিয়ে দিয়েছেন। প্রতিমা বানায় বলে অনেকে বাবাকে মেয়ে দিতে বারন করেছিল। কথা না শোনায় বাবাকে একঘরেও করেছিল।প্রতিমা তৈরি করলেও নিজ ধর্মের প্রতি অবহেলা করেন না নূর মহম্মদ। নিয়ম করে নামাজ পড়েন। মসজিদেও যান। ধর্মীয় ভেদাভেদ নয়, মানুষ মানুষকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিক, এটাই চান নূর মহম্মদ।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammad Siraj : আবার আক্রমণের শিকার?‌ এবার জবাব দিলেন মহম্মদ সিরাজ

অস্ট্রেলিয়া সফরে তাঁর উদ্দেশ্যে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য উড়ে আসায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল ক্রিকেটবিশ্ব। ইংল্যান্ড সফরে আবার আক্রমণের শিকার মহম্মদ সিরাজ। তবে এবার বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যর শিকার হতে হয়নি। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টের প্রথম দিন গ্যালারি থেকে তাঁর উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে মারা হল বল। তবে চুপ করে থাকেননি মহম্মদ সিরাজ। সেই দর্শককে পাল্টা জবাবও দেন। গ্যালারিতে বসে থাকা ওই দর্শকের দিকে তাকিয়ে আঙুল তুলে ইশারায় কিছু দেখান সিরাজ। এই ভিডিও যথেষ্ট ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের সময় তৃতীয় সেশনে বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করছিলেন মহম্মদ সিরাজ। সেইই সময় গ্যালারি থেকে এক দর্শক সিরাজকে উদ্দেশ্য করে বল ছোঁড়েন। ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার প্রথমে লক্ষ্য করেননি। বল ছোঁড়ার ঘটনাটা চোখে পড়েছিল উইকেটকিপার ঋষভ পন্থের। তিনি বিষয়টা অধিনায়ক কোহলিকে জানান। এরপর কোহলি মহম্মদ সিরাজকে নির্দেশ দেন, বল বাইরে ফেলে দেওয়ার জন্য। অধিনায়কের নির্দেশ মতো সিরাজ বল বাইরে ফেলেন। সেই সময় বাউন্ডারি লাইনের কাছে গিয়ে গ্যালারির দিকে ডান হাতের একটা আঙুল তুলে দেখান সিরাজ। এরপর বাঁহাত দিয়ে শূন্য দেখান যিনি বল ছুঁড়েছিলেন, সেই দর্শককে উদ্দেশ্য করে। ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার হয়তো বোঝাতে চেয়েছিলেন, সিরিজে ভারত ১০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে বিষয়টি প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ঋষভ পন্থ। বিষয়টিকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক আখ্যাও দিয়েছেন। আন্তজার্তিক ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর কাটিয়ে ফেলা মহম্মদ সিরাজ এই ব্যাপারে বেশ খানিকটা অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে কীভাবে যোগ্য জবাব দিতে হয়, তা তিনি রপ্ত করে ফেলেছেন। লিডসে গ্যালারির দিকে তাঁর ইশারা করাই প্রমাণ। তবে সিরাজের দিকে বল ছোঁড়ার ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে ম্যাচ রেফারির কাছে অভিযোগ জানানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohammad Siraj : বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ

ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের লড়াইয়ের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতবর্ষ শাসন করছিল, বাংলার নবাব সিরাজউদদৌল্লাকে সহজে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেননি। তিনিই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সিরাজউদদৌল্লাকে বাগে আনতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হেরে বশত্যা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলার নবাব।আরও পড়ুনঃ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসিবাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে বশে নিয়ে এলেও লর্ডসে অবশ্য মহম্মদ সিরাজকে বাগে নিয়ে আসতে পারেনি ইংরেজরা। লর্ডস যুদ্ধে বরং সিরাজেরই দাপট। কেন দাপট থাকবে না? এই যুদ্ধে মীর্জাফরের মতো তো কেউ ছিলেন না মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে। বরং পাশে পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মার মতো সতীর্থদের। যাঁদের ভুমিকা ছিল মীর মদনের মতোই। ভারতের লর্ডস অভিযানের সাফল্যের পেছনে মহম্মদ সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে মহম্মদ সিরাজের ধাক্কাতেই শুরুতে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরপর দুবলে ডম সিবলে ও হাসিব হামিদকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিল। রুট ও বেয়ারস্টোর ১২১ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সিরাজই। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ৯৪ রানে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে ওঠেন সিরাজ ৩২ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি গড়ে উঠছিল। এই জুটি ভাঙতে না পারলে ভারতের জয় কঠিন হয়ে যেত। মঈন ও বাটলার, দুজনকেই তুলে নেন সিরাজ। সুতরাং লর্ডস জয়ে সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। নবাব সিরাজউদদৌল্লা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে গেলেও বাইশ গজের অন্য যু্দ্ধে এই প্রজন্মের সিরাজের কাছে পরাভূত ইংরেজরা।আরও পড়ুনঃ ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু...রু...ফু...রু..শব্দ, শুরু কলকাতা লিগলর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় মহম্মদ সিরাজ যে ফাস্ট বোলিংটা করেন, তাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। কীভাবে এই হায়দরাবাদি জোরে বোলার উঠে এসেছেন, দেখে নেওয়া যাক। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় টেস্ট দলে জায়গা পাকা করতে পারছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাননি হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার। তবে ইংল্যান্ডে সফরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পান সিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারকে লর্ডসে আরও একটা সুযোগ দেন কোহলি। যা হাতছাড়া করতে চাননি সিরাজ। মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। যিনি হায়দরাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮১টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৪৫টি উইকেট নেওয়া সিরাজকে চিনতে ভুল করেননি নির্বাচক। তবে বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর চলতি সিরিজে অন্তত সিরাজের জায়গা টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পাকা বলে ধরে নেওয়া যায়। সিরিজ জুড়ে ফর্মের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী দিনেও যে তিনি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য হতে চলেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২০১৭ সালে ভারতীয় দলে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। যদিও টি২০ এবং ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭ উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দলের জার্সিতে একটি ওয়ান ডে ও তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলে মোট তিনটি উইকেট নিয়েছেন হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার।

আগস্ট ১৭, ২০২১
দেশ

Terrorists: স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি

স্বাধীনতা দিবসে বড়সড় হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। তার ২৪ ঘণ্টা আগে চার জইশ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে সেই ছক ভেস্তে দিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পেয়েছিল বিপুল পরমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক জমা করছে জঙ্গিরা। সেই খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তখন অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক-সহ চার জইশ জঙ্গিকে পাকড়াও করে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিরা ড্রোনের মাধ্যমে কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে অস্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল। স্বাধীনতার আগে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা ছিল। সূত্রের খবর, মোটরসাইকেলে আইইডি ব্যবহার করে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের। জম্মুর সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পরই গোটা জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে ড্রোনের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ এবং সেনা। বেশ কয়েকটি ড্রোনকে গুলি করে নামানোও হয়। সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তলাগোয়া এলাকা থেকে বিস্ফোরক-সহ ড্রোনকে গুলি করে নামায় সেনা। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মুন্তাজির মঞ্জুর জেরার মুখে জানিয়েছে, পাকিস্তানের জইশ কমান্ডার মুনাজির শাহিদ তাদের নির্দেশ দিয়েছিল অমৃতসরের কাছে পাক ড্রোন থেকে ফেলে যাওয়া অস্ত্রগুলি সংগ্রহ করে নিতে। এছাড়াও তার উপরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পানিপথের তেল শোধনাগার ও অযোধ্যার রাম জন্মভূমি অঞ্চলে রেইকি করে ভিডিও পাকিস্তানে পাঠানোর জন্য। তবে তেল শোধনাগার এলাকার ভিডিও পাঠাতে পারলেও অযোধ্যায় যাওয়ার আগেই ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবারই বদগাওঁ জেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়। এর কয়েক দিন আগে পুলওয়ামায় সেনার সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয় জইশ-ই-মহম্মদের কুখ্যাত জঙ্গি মহম্মদ ইসমাইল আলভি ওরফে লম্বু।

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Debi Samman : দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুট

প্রতি বছরের মতো পায়েল পাল প্রোডাকশনের আয়োজনে দক্ষিণ কলকাতার এক স্টুডিওতে হয়ে গেল দেবীসম্মান ক্যালেন্ডার শুট। মূলত দেবী অর্থাৎ সমাজের মা, মা কোনো জাত পাত স্ত্রী পুরুষ কোনো বাধা মানে না। তাই সমাজের প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষদের একইভাবে জায়গা দিতে রূপান্তরকামী এবং যৌন কর্মীদের জন্য এই এই স্মারক সম্মাননা। এই শুটের মুখ্য ভূমিকায় উপস্থিত ছিলেন সুপার মডেল মাধবীলতা, অমৃতা মিত্র, অভিনেতা জয় ব্যানার্জি, মডেল পারমিতা এবং রূপান্তরকামী আইনজীবী সায়ন্তনী ঘোষ।আরও পড়ুনঃ শুটিং শেষ হল রেডিও-রমাধবীলতা এদিন জানালেন, এর আগে এরকম কাজ করিনি। নববর্ষের ক্যালেন্ডার শুট করেছি। কিন্তু এরকম একটা ক্যালেন্ডারের পার্ট হতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। জয় ব্যানার্জি জানালেন,কনসেপ্ট টা খুব ভালো। পুজোসংখ্যার ফটোশুট এর আগে করিনি। এরকম একটা ফটোশুটের পার্ট হতে পেরে আমি নিজেকে লাকি মনে করছি। পারমিতা ব্যানার্জি এই দেবীসম্মান ক্যালেন্ডার শুট প্রসঙ্গে জানালেন,দেবীসম্মান সিজন ২ এর ক্যালেন্ডার শুটে আসতে পেরে আমার খুবই আনন্দ হয়েছে। আমি আজ এখানে গেস্ট মডেল হিসাবে এসেছি। খুবই ভালো লাগছে। এরকম শুট আরও হওয়া উচিৎ। কারণ পুরোটাই মহিলাদের নিয়ে হচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammad Azharuddin : ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন ওয়ার্কিং গ্রুপে মহম্মদ আজহারউদ্দিন

নাসরীন সুলতানাঘরোয়া ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে নতুন ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেই ওয়ার্কিং গ্রুপে জায়গা পেয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন ও অভিষেক ডালমিয়া। দিন পনের আগেও নিজের ক্রিকেট সংস্থায় কোনঠাসা ছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। প্রেসিডেন্টের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিল বিরোধী গোষ্ঠীর কর্তারা। অম্বুডসম্যানের হস্তক্ষেপে আবার নিজের জায়গা ফিরে পান আজহার। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দিলেন প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতএই ওয়ার্কিং গ্রুপের বড় দায়িত্ব ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি কীভাবে মেটানো যায় তা দেখা। রনজি ক্রিকেটাররা প্রতি মরশুমে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আয় করেন। গত মরশুমে রনজি বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটাররা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। কীভাবে ক্রিকেটারদের ক্ষতি পূরণ করা যায় তা ওয়ার্কিং গ্রুপ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহর সঙ্গে আলোচনা করবে। আজহারউদ্দিন, অভিষেক ডালমিয়া ছাড়াও এই ওয়ার্কিং গ্রুপে রয়েছেন দিল্লির রোহন জেটলি, সৌরাষ্ট্রর জয়দেব শাহ, উত্তরপ্রদেশের যুধবীর সিং, কর্ণাটকের সন্তোষ মেনন, আসামের দেবজিৎ সাইকিয়া।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরকরোনার জন্য গত মরশুমে সব ঘরোয়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পারেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এবছর বয়সভিত্তিকসহ সব প্রতিযোগিতা আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেপ্টেম্বরে মহিলা ক্রিকেট দিয়ে শুরু হবে মরশুম। করোনা পরিস্থিতিতে জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করে কীভাবে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করা হবে, সে ব্যাপারে নীতি নির্ধারণ করবে ওয়ার্কিং গ্রুপ। এই কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত বোর্ডকে জানাবে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানএছাড়া আরও কিছু দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে ওয়ার্কিং গ্রুপকে। উত্তরপূর্ব ভারতের ক্রিকেটের উন্নতির বিষয়টিও দেখাশোনা করবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। ওয়ার্কিং গ্রুপের অন্যতম সদস্য জয়দেব শাহ মনে করেন, গত বছর রনজি বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটারদের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা পুশিয়ে দেওয়া দরকার। এই ব্যাপারে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহর সঙ্গে পরামর্শ করে এগোবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। বয়সভিত্তিক সব ক্রিকেটারদেরো আর্থিক সাহায্য করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah murder): হ্যাকিংয়ে পাকা অপরাধী হয়ে উঠেছিল আসিফ

কালিয়াচক-কাণ্ডে ধৃত মহম্মদ আসিফ নিজেই যেন মূর্তিমান রহস্য! বছর উনিশের ওই তরুণ সম্পর্কে পুলিশ যত জানতে পারছে ততই যেন জড়িয়ে যাচ্ছে একের পর এক রহস্যের জাল।কালিয়াচকের আনন্দ রাজনগর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছিল আসিফ। বর্তমানে একটি বেসরকারি স্কুলে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সে। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই আসিফের কম্পিউটার নিয়ে নাড়াচাড়া করার অভ্যাস ছিল বলে প্রতিবেশীদের বক্তব্য। তাঁরা এ-ও জানাচ্ছেন, অল্প বয়সেই কম্পিউটারে দারুণ দক্ষতা অর্জন করেছিল সে। আসিফের এক প্রতিবেশী বলছেন, মাস চারেক ধরে আসিফের পরিবারের কাউকে দেখতে পাওয়া যেত না। গ্রামে সকলের জানতেন, ওঁরা অন্য কোথাও চলে গিয়েছেন। পাড়ার লোক তো গতকাল জানতে পারলেন এ সব। ছেলেটাকে এর আগে সাইবার অপরাধের অভিযোগে পুলিশ ধরেছিল। ও ঘরেই থাকত। গ্রামে কারও সঙ্গে মিশত না। এমনকী, অনলাইনে খাবার এনে খেত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে গত ১০ মার্চ সাইবার ক্রাইম বিভাগ আসিফের কম্পিউটার, মোবাইল এবং ল্যাপটপ পরীক্ষা করে। তারা বুঝতে পারে, আসিফ হ্যাকিংয়ে অত্যন্ত দক্ষ। তাতেই প্রথম সন্দেহ হয় পুলিশের। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় তখনকার মতো ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আসিফ কোথা থেকে হ্যাকিং সম্পর্কে এত কিছু শিখল, কোথা থেকে প্রশিক্ষণ পেল এ সব প্রশ্ন ভাবাতে থাকে পুলিশকে। আসিফের এক আত্মীয় বলছেন, ওর হাবভাব মনোরোগীদের মতো হয়ে গিয়েছিল। ও মাধ্যমিকের পর থেকেই কোডিং নিয়েই মেতেছিল। অ্যাপ তৈরির চেষ্টা করছিল। বাবা ভেবেছিল ছেলের ভবিষ্যৎ ভাল হবে। এর আগেও ওকে পুলিশ ধরেছিল।

জুন ১৯, ২০২১
দেশ

কিষাণ সম্মান নিধির প্রথম কিস্তির টাকা পেলেন রাজ্যের ৭ লক্ষের বেশি কৃষক

রাজ্যের কৃষকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।দীর্ঘ প্রতিক্ষার ও টালবাহানার শেষে রাজ্যের কৃষকরা বুধবার প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। রাজ্যের বিধানসবা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ভোটের পরেই রাজ্যের কৃষকেরা ওই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। ভোটে বিজেপির জয় হয়নি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেননি মোদি।তাই এদিন এরাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রকল্পের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।রাজ্য সরকার প্রকল্পে সামিল না হওয়ায় যারা এতদিন ওই প্রকল্পের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সারাদেশে প্রায় ৯ কোটি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। যার মধ্যে এরাজ্যে সাত লক্ষর বেশি কৃষক সুবিধা পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। রাজ্য সরকারের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী আগামী দিনে আরো বেশি সংখ্যক কৃষককে এই যোজনার আওতায় আনা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই এই প্রকল্পের সুযোগ বাংলার কৃষকদের কাছে পৌঁছল বলে দাবি করেছে রাজ্য সরকার। তাঁর প্রচেষ্টা এবং হস্তক্ষেপেই রাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষক কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে এদিন এবিষয়ে টুইট করা হয়। যেখানে দাবি করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে। রাজ্য সরকার আগামী দিনেও কৃষকদের স্বার্থে লড়াই করে যাবে । যদিও প্রধানমন্ত্রীর কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান অনুষ্ঠানে রাজ্যকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।২০১৮ সালে প্রথম চালু হয়েছিল পিএম-কিষাণ প্রকল্পটি। দেশের কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছিল মোদি সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা প্রতি বছর ৬০০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পান। ৪ মাস বাদে বাদে ২০০০ টাকা করে করে তিনটি কিস্তিতে এই অর্থ প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পটি মূলত গরিব কৃষকদের জন্যই করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা কৃষক পরিবারগুলির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

জইশের নিশানায় অজিত ডোভাল, জারি কড়া সতর্কতা

পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নিশানায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হওয়া জইশ-ই-মহম্মদের এক জঙ্গিকে জেরা করার পরই সামনে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।গত ৬ ফেব্রুয়ারি হিদায়তউল্লা মল্লিক নামের ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয় জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে। তার কাছ থেকে অজিত ডোভালের অফিসের রেকি করার ভিডিওটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছে সে। জেরার মুখে নিজের কীর্তির কথা সবিস্তারে জানিয়েছে ধৃত জঙ্গি। ২০১৯ সালের ২৪ মে শ্রীনগর থেকে বিমানে নয়াদিল্লিতে আসে হিদায়ত। কেবল ভিডিও তোলাই নয়, পাশাপাশি সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখে সে। পরে তার তোলা ভিডিওটি সে হোয়াটসঅ্যাপে পাকিস্তানে পাঠিয়েও দেয়। নিজের পাক প্রভুকে ডক্টর বলে উল্লেখ করেছে ধৃত। পাকিস্তান থেকে কারা নির্দেশ দিত, সে সম্পর্কেও বহু তথ্য ফাঁস করেছে সে। দশটি ফোন নম্বর ছাড়াও তাদের নাম, সাংকেতিক নামও জানিয়েছে হিদায়ত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
দেশ

দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি

জইশ-ই-মহম্মদের দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। ধৃতদের নাম আবদুল লতিফ মীর ও মহম্মদ আশরাফ। বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর। দুজনই জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। একজনের বাড়ি কুপওয়ারা, অন্যজনের বারামুল্লায়। সূত্রের খবর, রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জইশের। পাশাপাশি, একাধিক ভিভিআইপি-ও ছিল তাঁদের নিশানায়। গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে অভিযান চালায় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার সেলের ডিসিপি সঞ্জীব যাদব জানান, সরাই কালে খান অঞ্চলের মিলেনিয়াম পার্কে জঙ্গিদের জন্য ফাঁদ পাতে পুলিশ। রাত ১০টা নাগাদ জালে ধরা পড়ে দুই জইশ জঙ্গি। দুজনের কাছ থেকে পিস্তল ও তাজা গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান অনুষ্ঠানে ভারচুয়ালি উপস্থিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রতিবছরই রাজ্য সরকারের তরফে আয়োজন করা হয় বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান অনুষ্ঠান। সেখানে গোটা বাংলার নির্বাচিত বেশ কিছু পুজো কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার। করোনার কারণে মঙ্গলবার ভারচুয়ালি ওই পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন প্রথমে কলকাতা বাদে ২২ টি জেলার মোট ২৭১ টি পুজো কমিটির হাতে তুলে পুরস্কার দেন সেখানকার জেলাশাসকরা। সেরা পুজোগুলিকে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকা, সেরা মণ্ডপ ৩০ হাজার টাকা, এবং সেরা কোভিড সচেতন পুজোগুলিকে ২০ হাজার টাকা। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির চার নেতার বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের জেলার পর কলকাতার সেরা পুরস্কার প্রাপক ক্লাবগুলির নাম ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠান থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের নন্দীগ্রাম দিবসের শুভেচ্ছাও জানান তিনি। আন্দোলনের দিনগুলির কথা স্মরণ করে বলেন, শিশির দা-সহ যাঁরা নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেককে শুভেচ্ছা।

নভেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

বাইক বুক করে চালকের হাতে হেনস্থার শিকার বাঙালি যুবক

র্যাপিডো নামক একটি কোম্পানিতে বাইক বুক করে হেনস্থার শিকার হলেন বিন মহম্মদ নামে এক ব্যক্তি। তিনি বালুরঘাটের বাসিন্দা। মহাষ্টমীর দিন তিনি ওই সংস্থা থেকে বাইক বুক করেছিলেন। পুরো ঘটনায় অভিযোগের তির সংস্থার চালক আদর্শ কুমারের বিরুদ্ধে। বিন মহম্মদের কাছে এসে ওই চালক হিন্দিতে জানতে চাইল কোথায় যাবো ? তারপর জানতে চাইল কত ভাড়া দেখাচ্ছে ? তারপর চালক বলল, সে যাবে না। কারণ জানতে চাইলে সে বলল আমি এত কম ভাড়াতে যাই না। বিন মহম্মদ ওই চালককে বলল , আপনি আপনার কোম্পানিকে বলুন আমাকে বললে হবে। তখন সে বলল আপনি রাইডটা বাতিল করুন। উনি বললেন , আমি কেন করব আপনার অসুবিধা আপনি করুন। আরও পড়ুনঃ অষ্টমীর সন্ধ্যায় বুদ্ধদেবের বাড়ি গেলেন সস্ত্রীক ধনকড় তখন আদর্শ কুমার বিন মহম্মদকে রাইডটি বাতিল করার জন্য চাপ দিতে থাকে। নাহলে বিন মহম্মদকে কোনওভাবেই সে ছাড়বে না। কিছুক্ষন পরে আদর্শ কুমার যাত্রীকে বলে, ভাড়া বেশি দিলে তবেই যাবে তখন পাশের একটি অটোস্ট্যান্ডে এক চালকের কাছে গিয়ে বিন মহম্মদ বলেন, দাদা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি বিপদে পড়েছি। আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে র্যাপিডো সংস্থার চালক। বিস্তারিত শোনার পর অটোচালক বিন মহম্মদকে সাহায্য করে। তার কিছুক্ষন পরেই ওই সংস্থার অফিস থেকে ইন্টারনেট কল আসে বিন মহম্মদের কাছে। বিন মহম্মদ তাদের ঘটনাটি বিস্তারিত জানিয়ে বলল, কলকাতা পুলিশে এই বিষয়ে অভিযোগ করবেন। তার কিছুক্ষণ পরেই ওই সংস্থার চালক ফোন করে গালাগালি ও হুমকি দিতে থাকে বিন মহম্মদকে। সমস্ত কথা ওই চালক হিন্দিতে বলেছে। বিন মহম্মদ হিন্দি বলেননি। আদর্শ কুমারকে বাংলা বলতে বললে সে তখন বিন মহম্মদকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। তখন বিন মহম্মদ পুরো বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে বাংলা পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। অবশ্য যাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার জন্য অভিযুক্ত চালককে সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও সংস্থার তরফ থেকে বিন মহম্মদের কাছে ইমেল পাঠিয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়েছে। এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে , ভবিষ্যতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর হবে না।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
কলকাতা

বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান-২০২০ র জন্য নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

কলকাতা পুরনিগম সহ বিধাননগর পুরনিগম , বরানগর ও দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় সেরা প্রতিমা , সেরা মণ্ডপ, সেরা ভাবনা , সেরা আলোকসজ্জা , সেরা কোভিড সচেতন পুজো সহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান-২০২০ প্রদান করা হবে। এসব জায়গার পুজোগুলির জন্য সমাজের সম্মানীয় ব্যক্তিরা শারদ সম্মান কোন পুজো পাবে, তা বাছাই করবেন। কলকাতা ছাড়া বাকি ২২ টি জেলায় যে বিষয়গুলির উপর ভিত্তি করে শারদ সম্মান প্রদান করা হবে , সেগুলি হল সেরা প্রতিমা , সেরা মণ্ডপ, সেরা কোভিড সচেতন পুজো। পাশাপাশি রাজ্যের বাইরে ও বিদেশের পুজোগুলির ক্ষেত্রে আবেদনপত্র নেওয়া হবে অনলাইনে। ১০ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর এই আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।

অক্টোবর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal