• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Alert

রাজ্য

মাঘেও উধাও শীত! ফের বাড়ছে পারদ, কুয়াশায় ঢাকবে বাংলা

কথায় আছে মাঘের শীত বাঘের গায়ে। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রবাদ যেন আর মিলছে না। ফের বদলে গেল বাংলার আবহাওয়া। ধীরে ধীরে মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে শীত। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী তিন দিনের মধ্যেই রাজ্যের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোর কমে যাবে। তার ফলেই শীতের দাপট আর থাকবে না বাংলায়। মাঘ মাস শুরু হলেও দিল্লির ভাগ্যে কড়া শীত জুটলেও বাংলার কপালে শীতের বঞ্চনাই থেকে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, অথচ একই দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রি। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবারের পর শহরের পারদ ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে।শুধু তাই নয়, তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপটও বাড়বে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে বর্তমানে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। এর প্রভাবেই বাংলায় ঠান্ডার কামড় কমবে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কুয়াশার ঘনত্ব বাড়বে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশা দেখা যেতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও সকালের দিকে কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আগামী কয়েক দিনে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও সেখানেও ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নামার সম্ভাবনা কম।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে পূর্বাভাস। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে কুয়াশা ও দূষণের তাণ্ডব, জারি করা হল হলুদ সতর্কতা

দিল্লিতে কুয়াশা ও দূষণের জেরে স্বাভাবিক জীবন আজও ব্যাহত। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতেও আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে। ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর ঘন কুয়াশা দেখা যাবে, তবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে তা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।শুক্রবার সকালেই দিল্লির বাতাসের সামগ্রিক গুণমান সূচক (AQI) ৩৩২-তে পৌঁছেছে, যা নির্দেশ করে রাজধানীর বাতাস প্রায় ভয়াবহ পর্যায়ে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখা গেছে নরেলা ও জাহাঙ্গীরপুরী (৪১৭), নেহরুনগর (৪০২), মুন্ডকা (৩৭৫), জেএলএন স্টেডিয়াম (৩৪০), আইজিআই বিমানবন্দর ও দ্বারকা সেক্টরে (২৪৮)।ধোঁয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা অনেকাংশে কমে গেছে, জনজীবনও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। শিশু ও প্রবীণদের জন্য বাতাস বিশেষভাবে ক্ষতিকারক হয়েছে, অনেকেই চোখজ্বালা ও ক্রমাগত কাশির সমস্যায় ভুগছেন।দূষণ মোকাবিলার জন্য দিল্লিতে সর্বোচ্চ স্তরের নিয়ন্ত্রণবিধি জারি রয়েছে। প্রশাসন জল স্প্রে করে দূষণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। এছাড়া, ক্লাউড সিডিং-এর তিনটি ট্রায়াল ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু দূষণ কমানো সম্ভব হয়নি।শনিবারও দিল্লি ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা। মৌসম ভবন হলুদ সতর্কতা জারি করেছে রবিবার ও সোমবারের জন্য। ভোরের সময় দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণে ট্রেন ও বিমান চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাত্রীদের বিমান ছাড়ার আগে সময় দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

“মিসাইল ফেটেছে মনে হচ্ছিল!”— লালকেল্লা মেট্রো গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শোরগোল

ভরসন্ধ্যায় আচমকা ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের ঠিক বাইরে ঘটে এই বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একাধিক গাড়ি, দোকান ও ঘরে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশেপাশের দেয়াল ফেটে যায়, ভেঙে যায় কাঁচের জানলা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতি মুহূর্তে।স্থানীয় বাসিন্দা রাধর পান্ডে বলেন, আমি তখন ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আচমকাই একটা জোরালো শব্দ শুনলাম। মনে হল, আকাশে যেন আগুনের গোলা ফেটে উঠল। চারদিক থরথর করে কেঁপে উঠল। আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন তিনি।আরও এক প্রত্যক্ষদর্শী মনীশ জানাচ্ছেন, আমার দোকানটা বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। তবুও এমন কাঁপুনি লেগেছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হয়েছে। পুলিশকে একের পর এক আহত মানুষকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখেছি।আরও একজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, শব্দটা এত জোরে হয়েছিল, মনে হচ্ছিল একটা মিসাইল যেন আকাশ থেকে এসে ফেটেছে। সোফায় বসে ছিলাম, গোটা ঘর দুলে উঠল। বাইরে বেরিয়ে দেখি ছয়-সাতটা গাড়ি দাউদাউ করে জ্বলছে।বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। নাশকতার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে ফায়ার টেন্ডার, বোম স্কোয়াড ও ফরেনসিক টিম। গোটা দিল্লি শহরজুড়ে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকায় এমন ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায় ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়রা আতঙ্কে ঘরছাড়া, পুলিশ ঘিরে ফেলেছে গোটা অঞ্চল।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকূটি! ফের তুমুল ঝড়-জলের সতর্কতা জেলায়-জেলায়

IMD জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর-এর মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে, যা বাংলা ও ওড়িশা উপকূলে প্রবল বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝোড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘের সম্ভাবনা বাড়াবে। জেলায়-জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিরও সম্ভাবনা বাড়ছে।ফের এক দফায় সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। IMD-এর আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে, যার ফলে সামনের ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যদিও বর্তমান নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব নেই। তবুও বজ্রপাত-সহ বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী দুই-তিন দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বজ্রসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিশেষ করে কলকাতা, হুগলি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পার্শ্ববর্তী জেলার ক্ষেত্রে ঝড়-জলের সম্ভাবনা বেশি।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। আজ সপ্তাহের প্রথম দিনে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মালদা, দুই দিনাজপুরের পাশাপাশি কোচবিহারেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

অশনির প্রভাব শুরু, সমুদ্র উপকূলে কড়া সতর্কতা, কলকাতায় প্রস্তুত প্রশাসন

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অশনির উত্তর অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলের কাছে আজই এসে পৌঁছাবে বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নামখানা বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসক-সহ রয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা।আবহাওয়া খারাপ থাকবে তেলেঙ্গানা ও হায়দ্রাবাদে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে চলবে টানা বৃষ্টি। বকখালির সমুদ্র সৈকত থেকে পর্যটকদের সরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। ফ্রেজারগঞ্জ থানার পুলিশ টহল দিচ্ছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করে মাইকিং হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে যাতে কেউ না যান তার জন্য বারে বারে রাজ্যের উপকূলে প্রচার চালানো হচ্ছে। নৌকা বেঁধে রাখা হয়েছে অনেক জায়গায়। অশনির জেরে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।অশনির আশঙ্কায় সতর্ক কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের তরফে তৈরি করা হয়েছে ইউনিফায়েড কম্যান্ড সেন্টার। কলকাতায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৫টি দল ও এনডিআরএফের ২টি দল থাকছে। এছাড়া কলকাতা পুরসভা, পূর্ত দফতর, সিইএসসির প্রতিনিধিও থাকছে। পাশাপাশি লালবাজারের তরফে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন। মহানগরের নাগরিকরা অসুবিধায় পড়লে এই ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেই সাহায্য়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে।

মে ১০, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি বঙ্গেও

দিল্লির বেশ কিছু অংশে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন। বুধবারও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরোতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এই তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে পারে বলেও সতর্ক করেছে মৌসম ভবন।আবহবিদরা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে শুষ্ক আবহাওয়ার জেরেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে শুরু হতে চলেছে এই তীব্র তাপপ্রবাহ। মঙ্গলবারও দিল্লির বেশ কিছু অংশে তীব্র তাপপ্রবাহ লক্ষ করা গিয়েছিল। নরেলা, পিতমপুরা এবং স্পোর্টস কমপ্লেক্সে পারদ ছিল ৪১ ডিগ্রির উপরে। ৩ থেকে ৫ এপ্রিল দিল্লিতে আরও একটি তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে বলেও মৌসম ভবন জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, বাতাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪.৫ ডিগ্রি বেশি হলে তবেই তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ৬.৪ ডিগ্রির উপরে হয়, তখন শুরু হয় তীব্র তাপপ্রবাহ।দিল্লির পাশাপাশি চৈত্রের চাঁদিফাটা গরমে নাজেহাল অবস্থা বঙ্গবাসীর। তার সঙ্গে আবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। আগামী ৩১ মার্চ থেকে দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপপ্রবাহ চলবে পশ্চিমের বেশকিছু জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে আরও জানানো হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে আগামী ১৫ দিন বৃষ্টিপাতের তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রাও মোটের উপর একই থাকবে রাজ্য। এ ক্ষেত্রে খুব একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। এদিকে পশ্চিমের চার জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপ প্রবাহের সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এই চার জেলায় তাপমাত্রা চল্লিশের ঘরে পৌঁছে যেতে পারে।

মার্চ ৩০, ২০২২
বিদেশ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন জেলেনস্কি

আলোচনায় কাজ না হলে আরও একটা বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে, দাবি করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। তবে একইসঙ্গে তিনি এ-ও মনে করেন যে, যুদ্ধ যদি থামাতে হয় তবে তা আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভোলোদিমির সম্প্রতি ইউক্রেনে রাশিয়ার অনুপ্রবেশ ঠেকানো নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন। ভোলোদিমির জানিয়েছেন, তিনি আলোচনার মাধ্যমেই ইউক্রেনে রাশিয়ার অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে চান। তবে একই সঙ্গে তাঁর মত, সেই আলোচনা যদি ব্যর্থ হয় তা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে বাধ্য।ভোলোদিমির বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার স্বার্থে প্রয়োজনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেও আপত্তি নেই তাঁর। তবে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের একটি শর্ত আছে। ভোলোদিমির জানিয়েছেন, রাশিয়া যদি মনে করে তাদের মদতপুষ্ট ইউক্রেনের দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকাকে ইউক্রেনের সরকার স্বাধীন বলে ঘোষণা করবে, তবে সেই ইচ্ছে পূরণ হবে না। ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি এই সংক্রান্ত কোনও বোঝাপড়াতেই আসতে চান না।

মার্চ ২১, ২০২২
বিদেশ

৫৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে আরও সংক্রামক নতুন ওমিক্রন, সতর্ক করল হু

১০ সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ওমিক্রনের সন্ধান মেলার পর ঝড়ের গতিতে তা ছড়িয়ে পড়ে বাকি বিশ্বে। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে ডেল্টাকে সরিয়ে ওমিক্রন ডমিনেন্ট ভ্যারিয়েন্ট হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই জানা যাচ্ছে, ওমিক্রনের সেকেন্ড জেনারেশন ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে পরিচিত বিএ.২-এর সংক্রমণ ক্ষমতা ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়েও বেশি। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গে হু জানায়, তাদের রিপোর্টে উঠে এসেছে বিশ্বের অন্তত ৫৭টি দেশে এই রূপের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে।বিজ্ঞানীদের দাবি, আগে যদি কেউ মৃদু উপসর্গ সমেত ওমিক্রন আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তা হলেও যে তিনি নিস্তার পাবেন তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। কারণ, তাঁর শরীরে ভবিষ্যতে সংক্রমণ এড়ানোর মতো যথেষ্ট অ্যান্টিবডি না থাকারই সম্ভাবনা বেশি। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফর্নিয়ার করা এক নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।সাম্প্রতিক সময়ে করা একাধিক সমীক্ষা ও গবেষণার তথ্য বলছে বিএ.২ ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়েও বেশি সংক্রামক। এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার হু-এর বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভান কেরখোভে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিএ.২-এর সম্পর্কে এখনও বিশেষ কিছুই জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এই রূপটি ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়ে সামান্য বেশি সংক্রমণ ক্ষমতা সম্পন্ন। পাশাপাশি তিনি এ-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন, করোনা একটি ভয়ঙ্কর রোগ, মানুষের উচিত এর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

প্রজাতন্ত্র দিবসে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহরজুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড রয়েছে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ রয়েছে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা রয়েছেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।যে যে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের তরফে করা হয়েছে কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গা কড়া নিরাপত্তার মোড়কে। শহরজুড়ে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড ব্যাংকার রয়েছে। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকছে। ১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকছে। মোটরবাইক পেট্রোল টিম রয়েছে ৮ টি। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন রয়েছে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজধানীতে বড়সড় জঙ্গি নাশকতার সতর্কতা, নিশানায় প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর হামলার ষড়যন্ত্র! প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের একাধিক জায়গায় নাশকতার ছক! গোয়েন্দাদের এই গোপন রিপোর্ট ঘিরে দিল্লির নিরাপত্তা তুঙ্গে।সূত্রের খবর, এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান বানচাল করতে চাইছে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো। একাধিক নাশকতার ছক কষছে জঙ্গিরা। ভারতে বড়সড় হামলার ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো। লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হরকত-উল-মুজাহিদি ও হিজবুলের টার্গেট এবার ভারত। এখানেই শেষ নয়, গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে আরও হাঁড়হিম করা তথ্য। তাঁরা জানতে পেরেছেন, জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর উপর প্রাণঘাতী হামলার ছক কষছে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো।গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে থাকা খলিস্তানি গোষ্ঠী ক্যাডার পাঠিয়ে পঞ্জাবে অশান্তির ছক কষছে। শুধু পঞ্জাব নয়, অন্যান্য রাজ্যেও হামলা চালানো হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কাশ্মীরে সিআরপি-র কুইক অ্যাকশন টিম (কিউএটি)-এর ধাঁচে বিশেষ কিউএটি গঠন করছে কেন্দ্র। দিল্লিতে জঙ্গি হানা বা আত্মঘাতী হামলার মোকাবিলাই ওই বিশেষ দল গঠনের মূল উদ্দেশ্য। প্রয়োজনে ভিভিআইপি কিংবা সংসদ ভবনের নিরাপত্তার জন্যও কিউএটি-কে কাজে লাগানো হতে পারে। কাশ্মীর বা মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে যাঁরা সফলভাবে জঙ্গি দমন অভিযান চালিয়েছেন, এমন বাছাই করা ৫০ জন সিআরপি কমান্ডো থাকবেন দিল্লি কিউএটি-তে। তাঁদের কাছে থাকবে দিন ও রাতে অভিযান চালানোর উপযুক্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

রেমডিসিভিরে বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা, নয়া নির্দেশিকায় সতর্কতা কেন্দ্রের

করোনা আবহে ফের একবার একগুচ্ছ নির্দেশিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। করোনা রোগীদের উপর রেমডিসিভির ব্যবহার নিয়ে আগেই নিয়ন্ত্রণের কথা জানানো হয়েছিল। এবার স্টেরয়েড ব্যবহারে লাগাম টানা থেকে রেমডিসিভিরের নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ, কোভিড চিকিৎসায় এক গুচ্ছ বদলের কথা বলা হল কেন্দ্রের কোভিড সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকায়।কোভিড চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে বলে অভিমত কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দলের। উচ্চ মাত্রার স্টেরয়েড প্রয়োজনের তুলনায় বেশি দিন ব্যবহৃত হলে বেড়ে যায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাংগাসে জাতীয় সংক্রমণের আশঙ্কা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর লোকসভায় দেওয়া তথ্য অনুসারে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে মোট ৫১৭৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ব্ল্যাক ফাংগাসে। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এই নয়া নির্দেশ বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলে।উল্লেখ্য গত সপ্তাহেই সাংবাদিক সম্মেলনে কোভিড চিকিৎসায় স্টেরয়েডের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে সতর্কতার বার্তা দিয়েছিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল। এ দিনের নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে মধ্যম ও মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেই ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেওয়া স্টেরয়েডের। স্টেরয়েড ছাড়াও রেমডিসিভিরের ব্যবহার নিয়েও মিলেছে সতর্কতার বার্তা। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে যে রোগীদের অন্তত দশ দিন ধরে কোভিড উপসর্গ রয়েছে এবং অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে কেবল তাঁদের ক্ষেত্রেই ভাবা যেতে পারে এই ওষুধ ব্যবহারের কথা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
বিদেশ

সমুদ্রে ভয়ঙ্কর অগ্নুৎপাত, হাজার বছরে একবার ঘটে এমন বিস্ফোরণ!

প্রকৃতির রুদ্র রোষে কী এবার পড়তে চলেছে পৃথিবী? সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানিরা।শনিবার দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে জলের নীচেই একটি আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু হয়েছে ভয়ানক অগ্নুৎপাত। হঠাৎ করে আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠায় এবং অগ্নুৎপাতের কারণে সুনামির ঢেউ তৈরি হতে শুরু করেছে। এই ঢেউগুলি টোঙ্গা ও জাপানের উত্তর অংশেই আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকার পশ্চিম উপকূল অবধি সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।সমুদ্র গহ্বরের এক আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেল মহাকাশ থেকেও। পরমাণু বিস্ফোরণের মতো ধোঁওয়ার বেলুনের সেই ছবি উপগ্রহের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। যা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এমন বিস্ফোরণ হাজার বছরে একবার ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপে সুনামি আছড়ে পড়েছে। টোঙ্গা নামে ওই দ্বীপটিতে রিখটার স্কেলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পও হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে দ্বীপের বহু বাসিন্দার। সংখ্যাটা কত? তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি টোঙ্গা প্রশাসন।Satellite views of the Hunga Tonga-Hunga Haʻapai volcano eruption in 4K on Youtube: https://t.co/QHQTIpDsUx Wonder of Science (@wonderofscience) January 16, 2022গোটা দ্বীপটিই বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এই ঘটনায়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ঢেকে যায় আকাশ। উপকূলবর্তী এলাকার একটি বড় অংশ জলের নীচে চলে যায়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে গোটা এলাকাই ধোঁওয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। ফলে ইন্টারনেট, টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে আকাশপথে নজরদারিও চালানো যায়নি অনেকক্ষণ। প্রশান্ত মহাসাগরের উপর টোঙ্গা আসলে ১৬৯টি দ্বীপের সমষ্টি একটি দেশ। ওসিয়ানিয়ার অন্তর্ভুক্ত এই দ্বীপরাষ্ট্রের সবচেয়ে কাছের দেশ হল নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন জানিয়েছেন, তাঁরা টোঙ্গা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। কিন্তু সফল হননি।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

Corona: করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্ন

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার রাজ্যের পাঁচ জেলাকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠক করেন।কলকাতা, হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, বীরভূমে আশঙ্কাজনক সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে নবান্নে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।ওইসব জেলায় কোভিড বিধি কঠোরভাবে বলবৎ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য প্রশাসনিক নজরদারি আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনে আরও বেশি করে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চালু করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা ও সব ধরনের কোভিডবিধি মেনে চলার ওপর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা যাবে না বলেও প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে টিকাকরেণ আরও জোর দেওয়ারও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ রাজ্যে বহু সংখ্যক মানুষের এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে তাদের টিকাকরণ শেষ করার জন্য জেলা প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে বলেন। হাসপাতালের বেড বাড়াতে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সেফ হোম তৈরি করতে তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। মানুষ যাতে বাড়িতে থেকেই উপযুক্ত চিকিৎসা পান তার জন্য টেলিমেডিসিন পরিষেবার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বিপুল সংখ্যক করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অটুট রাখতে সংক্রমিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সাত দিনের নিভৃতবাসের শেষে অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা না থাকলে নিয়ম মেনে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Delhi Yellow Alert: ওমিক্রন আতঙ্কে দিল্লিতে জারি হলুদ সতর্কতা

করোনার নয়া রূপ ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দেশজুড়ে। উদ্বেগজনক পরিস্থিতি দিল্লিতে। এই প্রেক্ষিতে করোনা বিধিনিষেধ ফিরল রাজধানীতে। জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। নয়া বিধিনিষেধে রয়েছে, অফিস কাছারি ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে চলবে। প্রেক্ষাগৃহ, জিম সম্পূর্ণ বন্ধ। মলের বিভিন্ন দোকান ও সাধারণ দোকান খোলা যাবে জোড়-বিজোড় হিসেবে। রাত ১০টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু।নয়া নির্দেশিকায় দেখা যাচ্ছে, স্কুল, কলেজ, জিম, প্রেক্ষাগৃহ সম্পূর্ণ বন্ধ, ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে চলবে অফিস। রাত ১০টার মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে রেস্তরাঁ, পানশালা প্রভৃতি। মল বা সাধারণ দোকানপাট খোলা যাবে জোড়-বিজোড় হিসেবে। সকাল ১০টায় দোকান খুলে রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে। প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে নৈশকালীন কার্ফু।সাধারণত টানা দুদিন সংক্রমণের হার ০.৫ শতাংশের উপরে থাকলে হলুদ সতর্কতা জারির পরিস্থিতি তৈরি হয়। দিল্লিতেও গত দুদিন ধরে সংক্রমণের হার ০.৫ শতাংশের উপরে। ফলে রাজধানীতেও জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা।সোমবার দিল্লিতে সংক্রমণের সংখ্যা ছিল গত ছমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সোমবার দিল্লিতে ৩৩১জন নতুন আক্রান্তের সন্ধান মেলে। এর পরই তড়িঘড়ি করোনা বিধিনিষেধ ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করে কেজরিওয়াল সরকার। প্রসঙ্গত, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জনতাকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাজার ঘাটে মাস্ক ছাড়া মানুষের ছবি দেখতে পাচ্ছি। আপনারা যদি মাস্ক না পরেন, তা হলে আমাকে বাজার বন্ধ করার মত কঠিন সিদ্ধান্তই নিতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Bird Flue: কেরলে এবার বার্ড ফ্লু-র থাবা, রাজ্যজুড়ে জারি সতর্কতা

করোনা, জিকার পর এবার বার্ড ফ্লু সংক্রমণও শুরু হয়ে গেল কেরলে। আলাপুজা জেলায় বেশ কিছু পাখির নমুনা পরীক্ষা করে বার্ড ফ্লু ধরা পড়তেই কড়া সতর্কতা জারি করল কেরল সরকার। সম্প্রতিই ওই জেলায় গৃহপালিত পাখির মড়ক দেখা দেওয়ায়, মৃত পাখির নমুনা ভোপালের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হাই সিকিউরিটি অ্যানিমাল ডিজিজে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জানানো হয়েছে, মৃত পাখিদের শরীরে এইচ৫এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা, যা বার্ড ফ্লু নামে পরিচিত, তা ধরা পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত এক সপ্তাহ ধরে আলাপুজা জেলায় বহু হাস ও মুরগির মৃত্যু হতেই উদ্বেগ ছড়ায়। স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেওয়া হলে তারা নমুনা সংগ্রহ করে ভোপালের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠায়। মোট ১৪০ টি নমুনার মধ্যে ২৬টি নমুনাতেই বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের পশু আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকেই সংক্রমিত এলাকায় পাখি নিধনের কাজ শুরু করা হবে। যাতে আরও পাখির মধ্যে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, পশু-পাখি পালকদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে। রাজ্যের পশুপালন মন্ত্রী জে চিঞ্চু রাণী বলেন, সরকারের তরফে জেলা আধিকারিকদের সতর্ক করা হয়েছে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: 'এরকম চিপ কথা বললে আর বলতে দেওয়া হবে', বিধায়কের প্রস্তাব শুনে ধমক মমতার

কর্ণজোড়ায় দুই দিনাজপুরের প্রশাসনিক বৈঠকে পৃথক জেলার দাবি তুলে বিপাকে বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী। ওই প্রস্তাব শুনে রেগে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জন প্রতিনিধিদের বলতে দিলে এই এক সমস্যা। এরকম চিপ কথা বলবেন না।উত্তর দিনাজপুর জেলার কথা বলতে উঠে বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী বলেন, আমাদের এসডিও-বিডিওরা আপনাকে রিপোর্ট দিচ্ছেন ঠিকই তবে আমি আজ অন্য কথা বলতে চাইছি। প্রশাসন কাজ করছে ঠিকঠাক। ওদের আমি বলেছি, কোনও সমস্যা হলে তা আমাকে জানান। সবার সঙ্গেই আমার যোগাযোগ রয়েছে।আবদুল করিম চৌধুরী তাঁর বক্তব্য দীর্ঘ করায় তাঁকে মাঝপথে থামিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যা বলার তা এক সেকেন্ডে, এক মিনিটে বলুন। এত ভাষণ দেওয়ার সময়ে এটা নয়। বিধায়ক ফের বলেন, আপনি বলেছিলেন উন্নত বাংলা গড়ব। আমার ইসলামপুর সাবডিভিশনকে উন্নত করে ইসলামপুর জেলা করে দিন। এটাই আমার দাবি।ওই কথা শুনে রেগে যান মমতা। বলেন, এরকম দাবি মিটিংয়ে করা উচিত নয়। এগুলো হয় না। বসুন। এরকম চিপ কথাবার্তা বলবেন না। তার কারণ হল আপনার এই ছোট জেলা। তার মধ্যে ইসলামপুর সাবডিভিশন আছে। ইসলামপুর পুলিস ডিস্ট্রিক্ট আছে। অফিসার কোথা থেকে পাবেন? একটা জেলা করতে গেলে অনেক কাজ করতে হয়। আপনার কী অসুবিধে আছে? রায়গঞ্জ থেকে ইসলামপুর কতটা? আপনি সুন্দরবন দেখেছেন কতবড়? মুর্শিদাবাদ দেখেছেন কত বড়? বসুন বসুন। এখন জিতে গিয়েছেন। ভলোভাবে কাজ করুন। ওসব হবে না এখন।ক্ষুব্ধ মমতা আরও বলেন, এরকম করলে এমএলএদের আর বলতে দেব না।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Mumbai Rain: প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বইয়ে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু বেড়ে ২২ , জারি রেড অ্যালার্ট

প্রবল বৃষ্টিতে ভিজছে বাণিজ্যনগরী। একটানা বৃষ্টিতে বিপর্যয়ও শুরু হয়েছে মুম্বইয়ে।ইতিমধ্যেই বৃষ্টির কারণে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকা মিলিয়ে কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে। নিখোঁজ এখনও অনেকে। গোটা শহরজুড়েই জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট (Red Alert)।Maharashtra CM Uddhav Thackeray has expressed grief over the deaths in accidents at Chembur Vikhroli due to torrential rains announced that the government would pay Rs 5 lakh each to the heirs of the deceased free treatment would be given to the injured: CMO ANI (@ANI) July 18, 2021শনিবার রাত থেকে এ দিন ভোর পর্যন্ত কার্যত একটানা বৃষ্টিপাত হয়েছে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। আবহাওয়া দপ্তর জারি করেছে রেড অ্যালার্ট। বিনা প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে সাধারণ মানুষদের।শনিবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকায় দুটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে মুম্বই পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। চেম্বুরের ভরত নগর এলাকায় ভেঙে পড়া বাড়ির নীচ থেকে সাত জনের দেহ পাওয়া গিয়েছে। ১৫ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অন্যদিকে বিক্রোলিতে তিন জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আরও দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনও উদ্ধার কাজ চলছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ নাদনঘাট থানার বটবৃক্ষে জড়ো হওয়া পাখির দল পুলিশের মনজয় করে পেল বাসস্থান ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চুনাভাট্টি, সিয়ন, দাদার, গান্ধি মার্কেট, চেম্বুর, কুর্লা এলবিএস রোডের মতো একাধিক জায়গা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, গতকাল রাত আটটা থেকে রাত ২টো অবধি ১৫৬.৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে মুম্বইয়ে। পূর্ব শহরতলিতে ১৪৩.১৪ মিলিমিটার ও পশ্চিম শহরতলিতে ১২৫.৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

জুলাই ১৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal