• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ahmedabad

খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারতের ঐতিহাসিক জয়, টানা দ্বিতীয় শিরোপা

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে আর একটি সোনালি অধ্যায় যোগ হল। রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপ জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার কৃতিত্বও অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে এটি ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬ সালে আবার আইসিসি ট্রফি জিতল ভারত। অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল ভারত।পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের মোড়ফাইনালের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনারদের। সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের দিক অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।প্রথম ছয় ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৯২/০, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম সেরা পাওয়ার প্লে স্কোর। শুরুতেই কিউয়ি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ভারত এমন রান তোলে যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত তাদের হাতে চলে আসে।অন্যদিকে, নিউ জ়িল্যান্ড যখন ব্যাট করতে নামে তখন পাওয়ার প্লে-তেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৫২ রানে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা।সমালোচনার জবাব অভিষেকের ব্যাটেপুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল অভিষেক শর্মাকে নিয়ে। মাঝখানে একটি অর্ধশতরান ছাড়া তিনি বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন তাঁকে দলে রাখা হয়েছে।ফাইনালের মতো বড় মঞ্চেই সেই সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি। অধিনায়ক ও পুরো টিম মেনেজমেন্টের ভরসার মূল্য দিলেন অভিষেক। খেলার শুরু থেকেই নির্ভীক ব্যাটিং করে একের পর এক চার-ছক্কায় কিউয়ি বোলারদের চাপে ফেলেন। লকি ফার্গুসনের মতো দ্রুতগতির বোলারকেও অনায়াসে মাঠের বাইরে পাঠান। তাঁর আত্মবিশ্বাসী ইনিংস ভারতের বিশাল রানের ভিত তৈরি করে দেয়।শিবম তান্ডব!মাঝের ওভারে জিমি নিশামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। একই ওভারে সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণ এবং সূর্যকুমার যাদব আউট হওয়ায় কিছুটা চাপে পড়ে দল।কিন্তু শেষদিকে শিবম দুবে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের চিত্র আবার বদলে দেন। শেষ ওভারে নিশামের বলে ২৪ রান তুলে ভারতের স্কোর ২৫০-র গণ্ডি পার করান তিনি। সেই অতিরিক্ত রানই শেষ পর্যন্ত বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়অক্ষর পটেলের বাপু ম্যাজিকভারতের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অক্ষর পটেল। আহমেদাবাদ তাঁর ঘরের মাঠ হওয়ায় দর্শকদের সমর্থনও ছিল প্রবল।ম্যাচের শুরুতেই ফিন অ্যালেনকে আউট করে কিউয়িদের বড় ধাক্কা দেন তিনি। পরের ওভারে গ্লেন ফিলিপসকেও বোল্ড করে দেন দুর্দান্ত স্লাইডার ডেলিভারিতে। এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে নিউ জ়িল্যান্ডকে ছিটকে দেন অক্ষর।দর্শকাসনের সামনে তাঁর উদযাপন বাপু ম্যাজিক হিসাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকে।বুমরাহর বিধ্বংসী স্পেলবড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হল না।চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তাঁর ইয়র্কার ও নিখুঁত লাইন-লেংথে কিউয়ি ব্যাটাররা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই স্পেলই ভারতের জয় নিশ্চিত করে দেয়।ঈশানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংফাইনালে উইকেটকিপিং না করেও আউটফিল্ডে অসাধারণ ফিল্ডিং করলেন ঈশান কিষাণ। ব্যাট হাতে ২৫ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংসের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও নজর কাড়েন তিনি।রাচিন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেল ও টিম সিফার্টের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে ম্যাচে ভারতের আধিপত্য আরও বাড়িয়ে দেন ঈশান।নতুন চোকার্স তকমা?গত দশ বছরে নিউ জ়িল্যান্ড ছয়টি আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে মাত্র একবার২০২১ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজিততে পেরেছে তারা। বাকি পাঁচটি ফাইনালেই পরাজিত হয়েছে।এই ফাইনাল হারার পর আবারও প্রশ্ন উঠছেদক্ষিণ আফ্রিকার মতো কি নিউ জ়িল্যান্ডও চোকার্স তকমা পেতে চলেছে?শেষ কথা:আহমেদাবাদের সেই স্টেডিয়ামেই, যেখানে ২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে হারতে হয়েছিল, সেখানেই এবার ইতিহাস রচনা করল ভারত। টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল তারা।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের মঞ্চে কি নেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলার? গম্ভীরের দলে বড় বদলের ইঙ্গিত

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলে বড় চমকের ইঙ্গিত। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ লড়াইয়ের আগে দলের প্রথম একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। এমনও হতে পারে, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে জায়গা না-ও পেতে পারেন টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার এবং এক নম্বর বোলার।রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেএ নিউজ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ইতিহাস গড়বে ভারত। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এর নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় দল। কিন্তু তার আগে দলের ভারসাম্য ঠিক করতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।ওপেনিং জুটিতে বড় বদলের সম্ভাবনাবিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। টিটোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ব্যাটার হয়েও তাঁর ব্যাট থেকে বড় রান আসেনি। ফলে ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁকে খেলানো নিয়ে দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট।ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, ফাইনালে ওপেনিং জুটি বদলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইনিংস শুরু করতে পারেন ইশান কিষাণ এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালো ফর্মে থাকায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মাকে। চার নম্বরে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকতে পারেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরের পর ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে রাখা হতে পারে সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।বোলিং বিভাগেও চমকফাইনালের আগে বোলিং বিভাগ নিয়েও চিন্তায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর বোলার বরুণ চক্রবর্তী সেমিফাইনাল সহ আগের বেশ কয়েকটি খেলায় তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁর বলের রহস্য কিছুটা ধরে ফেলেছে নিউজ়িল্যান্ডের ব্যাটাররা বলেই মনে করা হচ্ছে।যদিও তিনি টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, তবুও ফাইনালে তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে সুযোগ দেওয়া হতে পারে কুলদীপ যাদবকে। স্পিন আক্রমণে অক্ষর পটেলের সঙ্গে কুলদীপকে দেখা যেতে পারে।পেস আক্রমণে অবশ্য কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই। ভারতের দুই ভরসা জসপ্রীত বুমরাহ এবং আরশদীপ সিংই ফাইনালে খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ১. ঈশান কিশন২. সঞ্জু স্যামসন৩. তিলক বর্মা৪. সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)৫. হার্দিক পাণ্ড্য৬. শিবম দুবে৭. রিঙ্কু সিংহ৮. অক্ষর পটেল৯. কুলদীপ যাদব১০. জসপ্রীত বুমরাহ১১. অর্শদীপ সিংহফাইনালের আগে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্টব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনা। সেই কারণেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকেও বাইরে বসানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা নাও হতে পারেন গম্ভীরেরা। এখন দেখার, ফাইনালের মঞ্চে এই কৌশল ভারতকে ইতিহাসের পথে নিয়ে যেতে পারে কি না।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় কাণ্ড! নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের টিকিট নিয়ে কালোবাজারি, আটক দুই

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। রবিবার সন্ধ্যায় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে T20 World Cup-এর ফাইনাল। মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দেখতে বিপুল সংখ্যক দর্শক জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এই উত্তেজনার মাঝেই সামনে এসেছে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ। ম্যাচের টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি করার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।আহমেদাবাদ সিটি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রবিবার বড় ম্যাচের আগে অভিযান চালিয়ে ওই দুই অভিযুক্তকে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উসমানপুরা এলাকার গুজরাট বিদ্যাপীঠ বাস স্ট্যান্ডের কাছে ফাঁদ পাতে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেখান থেকেই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ম্যাচের আটটি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, তারা অনলাইনে আগেই টিকিট কিনে পরে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করছিল। দুই হাজার টাকার টিকিট দশ থেকে বারো হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার হওয়া সব টিকিট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।গুজরাট পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগেই আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে টিকিটের কালোবাজারি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ম্যাচের দিন প্রায় তিন হাজার পুলিশকর্মী এবং এক হাজার হোমগার্ড মোতায়েন থাকবে। স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এক ও দুই নম্বর গেটের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সংরক্ষিত এলাকা তৈরি করা হয়েছে যাতে অতিরিক্ত ভিড় বা পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায়।এই ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই টিকিটের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। আর সেই সুযোগেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারিরা বলে মনে করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনালে জিততে পারলে ভারত টানা দ্বিতীয়বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের নজির গড়বে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল হিসেবেও ইতিহাস গড়তে পারে ভারতীয় দল। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখার আশায় এখন থেকেই স্টেডিয়াম চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা কি নাশকতা? পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানি সুইচ বন্ধ করেছিলেন?

আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, তা নিছক দুর্ঘটনা নাও হতে পারে। ইতালির দৈনিক কোরিয়ের ডেলা সেরা এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও ভারতের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ এখনও চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।ইতালির ওই সংবাদপত্র দুটি সূত্রের বক্তব্য তুলে ধরে জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, পাইলটের পদক্ষেপের ফলেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাইলট ইচ্ছা করে জ্বালানি সুইচ কাটঅফ মোডে নিয়ে যান। এর ফলে দুটি ইঞ্জিনেই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিমান দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে পড়ে। ভারতীয় তদন্তকারীদের একটি অংশও এমনটাই মনে করছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে পাইলট-ইন-কমান্ড ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকে প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই এই নিয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে কোরিয়ের ডেলা সেরা। বিমান দুর্ঘটনা রুখতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্যের নিয়মিত মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণের সুপারিশও করা হতে পারে।গত বছরের ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড়ানের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টেও বলা হয়েছে, বিমানটি যখন গতি নিয়ে উপরে উঠছিল, তখনই দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ মোডে চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্টে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে একজন পাইলট অন্যজনকে প্রশ্ন করেন, ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন? উত্তরে অপর পাইলট বলেন, আমি কিছু বন্ধ করিনি। এই কথোপকথন ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য।তবে পাইলটদের সংগঠনের দাবি, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে সব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, জ্বালানি সুইচের সম্ভাব্য ত্রুটি ও অন্যান্য যান্ত্রিক সমস্যার দিকগুলি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। তারা আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: শিশুদের শনাক্ত করতে বড় সমস্যা, এখনও হস্তান্তর ১৫৯ দেহ

সুরাটের নানাবাওয়া পরিবার ৩৬ বছর বয়সী আকিল এবং ৩১ বছর বয়সী স্ত্রী হান্না ভোরাজির নামাজ-এ-জানাজা (জানাজা) সম্পন্ন হয়। বুধবার ভোরে ফোন করে জানায় যে বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় তাদের সাথে মারা যাওয়া তাদের মেয়ে সারার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা চার বছর বয়সী মেয়ের দেহাবশেষ দাবি করতে আহমেদাবাদে ছুটে যান। যাতে তাকে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা যায়।আহমেদাবাদ-লন্ডন AI-171 বিমান দুর্ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, সারার সন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে পুড়ে যাওয়া দেহাবশেষের মধ্যে নাবালকদের শনাক্ত করা কতটা কঠিন। বুধবার পর্যন্ত, ডিএনএ ম্যাচিং এবং শনাক্তকরণের পরে ১৫৯টি মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা ছাড়াও, এই মৃতদেহগুলির মধ্যে কেবল একজন নাবালিকা ছিল ফাতিমা শেঠওয়ালা, যার বয়স ১৮ মাস।বিমান সংস্থার তালিকা অনুসারে, AI-171-এ ১২ বছরের কম বয়সী ১৩টি শিশু ছিল, যার মধ্যে তিনজন এখনও ২ বছর পূর্ণ করেনি। আরও বেশ কয়েকজনের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।এই ধরনের দুর্যোগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা ব্যাখ্যা করে গুজরাটের সরকারি ডেন্টাল কলেজের ফরেনসিক দন্ত বিশেষজ্ঞ ডঃ জয়শঙ্কর পিল্লাই বলেন, শিশুদের শরীরের ভর কম থাকে এবং তাই টিস্যুর ক্ষতি হয় এবং লম্বা হাড় তাপের সংস্পর্শে আসে। তবে দাঁত বেশি শক্তিশালী হওয়ায় তাপ সহ্য করতে পারে।তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটিও জটিল। শিশুদের যে কোনও দাঁত থেকে ডিএনএ বের করা যেতে পারে, কিন্তু আগুন লাগার সময় সামনের দাঁত ব্যবহার করা যায় না কারণ তাপ তাদের নষ্ট করে দেয়। তাই আমরা মোলার থেকে ডিএনএ নিই। ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, আমরা স্থায়ী মোলার পেতে পারি না... তাদের বেশিরভাগই দুধের দাঁত থাকে, এবং কখনও কখনও সেগুলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ খিলানটি খুব ছোট। তাই আমরা চোয়ালে একটি ছেদ তৈরি করি এবং ভিতরে স্থায়ী মোলার তৈরি করার চেষ্টা করি, পিল্লাই বলেন, যার বিভাগের সাথে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ দাঁতের ডিএনএ বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দাঁতের চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য যোগাযোগ করেছিল।একজন ফরেনসিক কর্মকর্তা বলেছেন যে দুর্ঘটনার পরে যে আগুন লেগেছিল তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১৬০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রায় পৌঁছেছিল। সুতরাং, কিছু ব্যক্তির জন্য কেবলমাত্র আংশিক ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যাদের আমরা সন্দেহ করি যে তারা নাবালক, কর্মকর্তা বলেন, আরও বলেন যে আত্মীয়দের সাথে নিঃসন্দেহে নির্ভুলতার সাথে মেলানো কঠিন।আকিলের বাবা আবদুল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনজন ৬ জুন, ঈদুল আযহার একদিন আগে, এক আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন। এটা একটা ছোট ভ্রমণ ছিল। আমরা জানতাম না যে এটাই তাদের শেষ হবে, কাঁদতে কাঁদতে আবদুল্লাহ বলেন, যিনি বিমানে পরিবারকে নামিয়ে দিতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন।ভদোদরায়, আসিফ শেঠওয়ালা তার নাতনি ফাতিমার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। যার দেহাবশেষ বুধবার শনাক্ত করা হয়েছে, যখন তার মা সাদিকার মৃতদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। আসিফ বলেন, ফাতিমা তার লন্ডন-ভিত্তিক ছেলের একমাত্র সন্তান। সাদিকা এবং ফাতিমা আমার ছোট ছেলের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা প্রায় ২০ দিন ধরে এখানে ছিলেন এবং তাদের ফেরার টিকিট অনেক আগেই বুক করা হয়েছিল।ডিএনএ সরবরাহ করার পাশাপাশি, দাঁতের দেহাবশেষ একজন ব্যক্তির আনুমানিক বয়স নির্ধারণেও সাহায্য করে। যা শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র প্রদান করে। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও, বিস্ফোরণ এবং আগুনের ফলে উদ্ধার করা বেশিরভাগ ডিএনএ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।ডঃ পিল্লাই বলেন, ফরেনসিক ওডন্টোলজি বিভাগ এক থেকে ছয় বছর বয়সী বেশ কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীর দাঁতের ডিএনএ সংগ্রহ করেছে অথবা ডেন্টাল চার্টিং করেছে এবং অন্তত কিছু ভুক্তভোগীর বয়স মূল্যায়ন করেছে। এরপর এই বয়সের যাত্রীদের জন্য ফ্লাইট ম্যানিফেস্টের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে, আমরা দ্বিতীয় মোলার বিকশিত হতে দেখেছি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে তারা তিন থেকে ছয় বছর বয়সী। এটি অনুসন্ধানকে সংকুচিত করতে সাহায্য করেছে। তারপর তাদের ডিএনএ নমুনা তাদের আত্মীয়দের সাথে মেলানো যেতে পারে।যারা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভদোদরার ভাহোরা পরিবার। তারা দুর্ঘটনায় তিন সদস্যকে হারিয়েছে। সোমবার ইয়াসমিনের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হলেও, পারভেজ এবং তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে জুভেরিয়ার দেহাবশেষ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ডঃ কেশব কুমার বলেছেন, পরিবারগুলির আশা হারানো উচিত নয়। বিমান দুর্ঘটনাটি প্রায় বোমা বিস্ফোরণের মতো ছিল। যেখানে ৫৪,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলছিল। উৎপন্ন তাপের পরিমাণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ভাগ্যবান হব যদি ভালো নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি একটি দাঁতও পাওয়া যায়, তাহলে ডিএনএ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরেনসিক পরীক্ষা খড়ের গাদায় সূঁচ পাওয়ার মতো। কিন্তু একজন তদন্তকারী হিসেবে, আমি বলতে পারি যে ম্যাচ পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ডিএনএ হাজার হাজার বছর টিকে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে ধ্বংসাবশেষে ডিএনএর আরও চিহ্ন থাকবে। গুজরাট পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে তারা দুর্ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

জুন ১৯, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal