• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Adhikari

রাজনীতি

'মিরাট থেকে গোরক্ষপুর পর্যন্ত ওই হিন্দি কেউ বুঝবে না', মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরন্ময় নন্দ উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। হিন্দি বলয়ের বিজেপি শাসিত ওই রাজ্যে প্রচারে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর হিন্দি বলা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে গেলে বিজেপি লাভবান হবে বলেই দাবি করেছেন এই বিজেপি নেতা।মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দি বলা প্রসঙ্গে কি বলেছেন শুভেন্দু?শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে কোনও জায়গায় যেতে পারেন। তাঁকে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বহিরাগত বলবে না। এবং উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বা বিজেপি সরকার তাঁর হেলিকপ্টার নামতে বাধা দেবে না। এটুকু আমি বলতে পারি। মুখ্যমন্ত্রীর যে হিন্দি ভাষণ আমরা শুনি, এই হিন্দি যদি উত্তরপ্রদেশে ভাষণে গিয়ে বলেন, যদি দোভাষী না নিয়ে ওই হিন্দিতে বক্তৃতা করেন, তা উত্তরপ্রদেশে মিরাট থেকে গোরক্ষপুর পর্যন্ত ওই হিন্দি কেউ বুঝবে না দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। ওই হিন্দি ওখানে একদমই চলে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশে বিজেপি বিরোধী প্রধান মুখ বলে মন্তব্য করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরন্ময় নন্দ। শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিটা একজন হিন্দু বিরোধী রাজনৈতিক নেত্রী হিসাবে হিন্দুরা মনে করেন। উত্তরপ্রদেশে গেলে বিজেপির ভোট বাড়বে বৈ কমবে না। মোদ্দা কথা উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

ফের মুখ্যসচিবকে ৭ দিন সময় দিয়ে টুইট হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাই যেতে বাধা-কাণ্ডে আবারও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। আবারও মুখ্য সচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ৭ দিন সময় দিলেন রাজ্যপাল। এরপরও রিপোর্ট না এলে, তা অল ইন্ডিয়া সার্ভিস রুল ভাঙা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।বুধবার সকালে একটি টুইট করেন রাজ্যপাল। তাতে লেখেন, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হল। কেন শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়, তার জবাব দিতে হবে। তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। যদি তা অমান্য হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে শাসকের আইন, আইনের শাসন নয়।Re: LOP @SuvenduWB-Netai Martyrs Day programme.CS @MamataOfficial H.K. Dwivedi @IASassociation to comply directives explain defiance in a week.Such treatment of LOP @WBPolice in spite of judicial order reflects Law of ruler, not rule of law and cannot be countenanced. https://t.co/H5rhS4i0SY pic.twitter.com/q96i6dD6MT Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 19, 2022প্রসঙ্গত, এই ইস্যুতেই গত বুধবারই একটি পোষ্ট করেন রাজ্যপাল। ইস্যু ছিল তলব সত্ত্বেও রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজির রাজভবনে অনুপস্থিতি। তাতে তিনি লিখেছিলেন, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। পরপর তিন দিন তাঁরা সেই তলব এড়িয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজভবনে আসেননি তাঁরা। কার নির্দেশে তাঁরা রাজভবন বয়কট করেছেন, সে প্রশ্ন তুলে দুদিন আগেও একটি টুইট করেছিলেন তিনি। এদিনও করলেন। বিষয়বস্তু একই। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, মুখ্যসচিব ও ডিজির রাজভবনে না আসাটাকে তিনি বয়কট বলেই উল্লেখ করেছেন। রাজ্যপালের কথায়, এটি একটি অমার্জনীয় সাংবিধানিক গাফিলতি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

Gangasagar new Committee: হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটি

গঙ্গাসাগর মেলায় শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে উল্লেখ্য, নতুন নজরদারি কমিটি থেকে বাদ পড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো তিন সদস্যের কমিটি বাতিল করে ২ সদস্যের কমিটি গঠন করল হাইকোর্ট। কমিটির নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। কমিটিতে রয়েছেন লিগ্যাল সার্ভিসেসেস সদস্য সচিব। রাজ্যের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৭ থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতের দেওয়া অন্যান্য যাবতীয় নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। বিধি লঙ্ঘন হলে নজরদারি কমিটি তৎক্ষণাৎ মেলা বাতিলের নির্দেশ দিতে পারবে। তবে মঙ্গলবারের নির্দেশে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, গোটা গঙ্গাসাগর এলাকাটাই এখন নোটিফায়েড এরিয়া অর্থাৎ যেখানে রাজ্যের বিধি কায়েম হতে পারে যে কোনও সময়ই।রাজ্যে করোনা বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এই পরিস্থিতিতে এ বছর গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখা উচিত। এই আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল। এর সঙ্গে আরও পাঁচটি মামলা হয়। সব মামলাগুলি একত্র করে হাইকোর্টে শুনানি হয়েছিল। শুনানির পর তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেখানে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রশ্ন ওঠে, ওই কমিটিতে যে সব সদস্য রয়েছেন, তাঁরা কোভিড নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।শুধু শুভেন্দুর থাকা নয়, আগের কমিটি নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। পুরনো কমিটিতে রাখা হয়েছিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানকে। ওই পদে নিয়োগ এখনও আটকে রয়েছে। প্রশ্ন ওঠে, যে পদে নিয়োগই হয়নি, সেই পদের পদাধিকারী কী করে কমিটিতে থাকেন? এর পরই নতুন কমিটি গড়ার পক্ষে রায় দেয় হাইকোর্ট।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

Dhankhar: নেতাইয়ে শুভেন্দুকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব, ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ চান রাজ্যপাল

শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইতে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। এবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ তলব করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও কী কারণে, কোন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইয়ে ঢোকার আগে আটকানো হল। টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, এই ঘটনা জরুরি অবস্থার কথা মনে করায়।In view of highly disturbing scenario, reminiscent of emergency, in Jan 07 communication @SuvenduWB WB Guv has directed CS @MamataOfficial DGP @WBPolice to brief him,fully updated,with written report, on Jan 10 at 11 am.Serious that LOP was ill treated in spite of HC order. pic.twitter.com/eRFPWq4Ttj Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 8, 2022শুক্রবারই মেদিনীপুরের নেতাইয়ে কর্মসূচি ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে যাওয়ার পথে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা। আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে তাঁর রাস্তা আটকানোর অভিযোগ তোলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপর নেতাইয়ের বদলে ভীমপুরে কর্মসূচি করেন তিনি। নেতাইয়ে যেতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের কাছে অভিযোগপত্র পাঠান।সেই চিঠির পরই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যর কাছে এই সংক্রান্ত লিখিত জবাব চান। আগামী ১০ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে লিখিত আকারে তিনি কৈফিয়ৎ তলব করেন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Suvendu Adhikari: নেতাইয়ের পথে শুভেন্দুর পথ আটকাল পুলিশ

নেতাইয়ের শহিদ স্মরণে যোগ দিতে পারলেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নেতাইয়ে ঢোকার আগে ঝিটকা জঙ্গলের কাছে তাঁকে পুলিশ আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সূত্রের খবর, আজকে নেতাইয়ে কর্মসূচি ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতার কনভয় আটকে দেওয়া হয়। পুলিশের বক্তব্য, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যে কনভয় ছিল তা পুলিশ গন্তব্যস্থলে যেতে দেবে না। একা যদি শুভেন্দু যান তবেই তিনি অনুমতি পাবেন। এদিকে, একা বিরোধী দলনেতা ঘটনাস্থলে যেতে চাননি। তিনি তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন তাঁদের প্রত্যেককে নিয়েই নেতাইয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তার ফলে পুলিশ যেতে দেয়নি বলেই প্রাথমিকভাবে জানতে পারা গিয়েছে।তাই লালগড় ঢোকার মুখে ঝিটকার জঙ্গল থেকে ফিরে এসে ভিমপুরে অস্থায়ী শহিদ বেদী তৈরি করে নেতাইয়ের শহিদদের উদ্দেশে স্মৃতি তর্পন করলেন শুভেন্দু। পাশাপাশি করেন মাল্যদান। এছাড়া নেতাইয়ে যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন তাঁদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে তিনি সিধু-কানুর উদ্দেশেও শ্রদ্ধা জানান। আর এইভাবে তিনি নেতাইয়ে না যেতে পারলেও ভিমপুরে শ্রদ্ধা জানান।পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় শুভেন্দু বলেন, উচ্চ আদালতই আমায় নেতাই যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। আদালতই বলেছে, বাংলার যে কোনও জায়গায় যাওয়ার অধিকার রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। তার জন্য রাজ্যকে নিরাপত্তাও দিতে বলেছে। কিন্তু আপনারা আমাকে নির্দিষ্ট সময় দেননি। যদি কোনও সমস্যা থাকত, আগেই জানাতে পারতেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্যের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত

সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি শুভেন্দু অধিকারীর। খারিজ হয়ে গেল রাজ্য সরকারের আবেদন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার, সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।আগেই রাজ্যের করা লিভ পিটিশনে এই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য ফের এলপিএ করে একই আবেদন জানায়। সেই আবেদনও এবার খারিজ হয়ে গেল।আরও পড়ুনঃ ওমিক্রন সাধারণ সর্দি জ্বর ছাড়া কিছুই নয়! দাবি আমেরিকাবাসী ইজরায়েলি চিকিৎসকেরএকবার লিভ পিটিশনে আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরও কেন এলপিএ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। লিভ পিটিশনের ক্ষেত্রে সব সওয়াল জবাব শুনেই হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখার কথা বলেছিল শীর্ষ আদালত। তাই আর এলপিএ শোনার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন বিচারপতি। ১৩ ডিসেম্বর রাজ্যে করা লিভ পিটিশনের ভিত্তিতে রায় নির্দেশ বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, গত ১৩ ডিসেম্বর এই মামলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে শুভেন্দু অধিকারীরে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণগত সেপ্টেম্বরে শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন দেহরক্ষী মামলা-সহ তিনটি মামলায় স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেখানেও সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর। সেই মামলার প্রায় তিন বছর পর গত জুলাই মাসে তদন্তের দাবি তুলে এফআইআর দায়ের করেন শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষীর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? সেই প্রশ্ন তুলে, সঠিক তদন্তের দাবিতে এফআইআর করেন নিহত দেহরক্ষীর স্ত্রী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Suvendu Adhikari: স্বাধীনতার পর এমন প্রহসন হয়নি! ঘেরাও মুক্ত হয়ে অভিযোগ শুভেন্দুর

কলকাতার পুরভোটকে স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বড় প্রহসনের নির্বাচন বললেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি বলেন, এই নির্বাচনে কলকাতার প্রকৃত ভোটদাতাদের ২০ শতাংশ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।শুভেন্দুর অভিযোগ, রবিবার নির্বিচারে বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট হয়েছে শহরজুড়ে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দাবি, আমরা রাজ্যপালের কাছে পুরো ভোট বাতিল করে পুনর্র্নিবাচনের দাবি জানিয়েছি। রাজভবন থেকে বেরিয়ে পুরভোটে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আমরা সিপিএমের আমলে লড়াই করেছি। ১৯৯০ সালের নির্বাচনকে রিগিং নির্বাচন বলতাম। কিন্তু এ বারের ভোট সবকিছু ছাপিয়ে গিয়েছে। কলকাতা পুরসভার নির্বাচন চলাকালীন শুভেন্দুর সল্টলেকের বাড়ির বাইরে হঠাৎই সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন হওয়ার ঘটনার জেরে বিতর্ক হয়। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়ে পড়েন তিনি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের আক্ষেপ, কলকাতার ভোটে আমাদের বহিরাগত বলা হচ্ছে।বিজেপি বিধায়কদের এমএলএ হস্টেলে আটক প্রসঙ্গ নিয়েও তিনি রাজভবনে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রবিবার ওই এমএলএ হস্টেল থেকেই বিনা বাধায় বেরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক মানস ভুইয়াঁ। ধনখড়কেও নিরাপত্তা রক্ষী বাইরে রেখে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ঢুকতে বাধ্য করানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যপালকেও এরা অপমান করতে ছাড়েনি। বাংলায় ন্যূনতম গণতন্ত্র নেই অভিযোগ করে তাঁর দাবি, এই রাজ্যে উত্তর কোরিয়ার মতো স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চলছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Subhendu Adhikari: সল্টলেকে শুভেন্দুর বাড়ি ঘিরে ফেলল পুলিশ

কলকাতা পুরভোট চলাকালীন সল্টলেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ঘিরে ফেলল বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে কী কারণে পুলিশের এ পদক্ষেপ, রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়। বিজেপি-র দাবি, কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। অন্যদিকে, শাসক দল সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রবিবার সল্টলেকের বাড়িতে ১৬ জন বিধায়ককে নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছিলেন শুভেন্দু। বিকেলে ওই বাড়ির বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী দেখা যায়। বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি (হেড কোয়ার্টার্স)-এর নেতৃত্বে পুলিশকর্মীরা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। তবে কেন হঠাৎ শুভেন্দুর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হল, তা জানা যায়নি।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুনের দাবি, কলকাতায় ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। কেন শুভেন্দুর বাড়ি ঘিরে ফেলা হল? বিজেপি বিধায়কদের শুভেন্দুর বাড়ি থেকে বেরোতে না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BSF-BJP: পদ্ম-মিষ্টি নিয়ে বিএসএফ দপ্তরে ক্ষমা চাইতে গেলেন শুভেন্দু

নিউটাউনে বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে মিষ্টি খাওয়ালেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও বেশ কয়েক জন বিজেপি বিধায়কও।বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে তেঁতে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বুধবারই বিধানসভায় পাশ হয় বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতায় আনা প্রস্তাব। বৃহস্পতিবার বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের মিষ্টি খাইয়ে, হাতে পদ্মফুল তুলে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউটাউনের বিএসএফ ছাউনিতে হাজির হয় বিজেপি-র পরিষদীয় দল। নেতৃত্বে শুভেন্দু। জওয়ানদের সংবর্ধনা জানানোর পর তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা উচিত বিএসএফ দেশের অতন্দ্র প্রহরী। তারা দেশের সীমান্ত রক্ষা করছে বলেই দেশবাসী সুরক্ষিত এবং নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারছেন। ভারত সরকারের ঘোষণা মতো বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল বিধায়করা তাদের কালিমালিপ্ত করেছেন, কদর্য ভাষায় বিধানসভায় আক্রমণ করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই বিএসএফকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।এর আগে বিএসএফ নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে অপর্ণা সেনকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন বিজেপি নেতা অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে বিএসএফ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Nandigram-High Court: ফের পিছল নন্দীগ্রাম মামলা

আজ সোমবার হাইকোর্টে শুনানি ছিল। এর আগেও এই মামলা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবার ফের একবার পিছিয়ে গেল মামলা। এ দিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা চলছে, তাই হাইকোর্টে শুনানি পিছিয়ে দিতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পরই ফের শোনা হবে মামলা। আজ এমনটাই জানানো হয়েছে আদালতের তরফে।অন্যদিকে মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। আগামী ১ ডিসেম্বর এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। তার আগে জমা দিতে হবে বয়ান। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা চলছে বলেই হাইকোর্টে মামলাটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।এই আর্জি শুনে ক্ষুব্ধ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী গোপাল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটি একটি নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা, তাই এই মামলা ফেলে রাখা যায় না। তাঁর বক্তব্য, অগস্টে মামলার শুনানি ছিল। এরপরও যদি শোনা না হয় তাহলে কবে শোনা হবে? এভাবে নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা ফেলে রাখা যায় না। অযথা এই মামলা ফেলে রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিয়ে লিখিত বয়ান কেন জমা দেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এরপরই বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের মামলার শুনানির আগে লিখিত আবেদন দিতে হবে শুভেন্দুর আইনজীবীকে। ২৯ নভেম্বর শুভেন্দু অধিকারীকে লিখিত বয়ান দিতে হবে হাইকোর্টে।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Kunal Ghosh Vs Adhikari's: কুণালের কটূক্তির প্রতিবাদ, মামলা শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দুর

ত্রিপুরার পর এ রাজ্যেও তৃণমূলের মুখপাত্র কুণালের বিরুদ্ধে মামলা। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলেন অধিকারীরা৷ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির উদ্যোগে রাজ্যের শাসকদল শহিদ স্মরণে একটি সভার আয়োজন করে ৷ সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, জয়া দত্ত, অখিল গিরি-সহ এক ঝাঁক রাজ্যের প্রথম সারির নেতা-নেত্রী । অভিযোগ, ওই মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ তাঁর পরিবারের উদ্দেশ্যে কটূক্তি করে মন্তব্য করেন তৃনমূল নেতা কুণাল ঘোষ ৷ তার ভিত্তিতেই কুণালের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছেন শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী৷ তবে মামলার বিষয়টি পাত্তা দিচ্ছেন না কুণাল৷অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ শুভেন্দুদের মীরজাফর, গাদ্দার-সহ একাধিক শব্দবাণে কটূক্তি শানান । তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতার ভাই সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি মহকুমা আদালতে কুণালে বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করলেন । তবে এনিয়ে বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেননি সৌমেন্দু ৷ বলেন, কুণাল ঘোষ কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা করেছি । আর বেশি কিছু বলব না, যা বলার আমার আইনজীবী বলবেন ।বেইমান, অকৃতজ্ঞ, বিভীষণ, মীরজাফর, সুবিধাবাদীকে গদ্দার বলা যাবে না?যাবে। বলেছি। বেশ করেছি।মামলা করেছে?চল্ ভাই কোর্টে দেখা হবে।তৃণমূলের আবেগ বিক্রি করে সব ভোগ করেছো। তারপর সিবিআই থেকে বাঁচতে বেইমানি।এখন বললে গায়ে লাগছে?বেগম.. জেহাদি.. এসব বলে যাবে আর রসগোল্লা খাওয়াব নাকি? Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021কাঁথি আদালতে এসিজেএম বিচারক শিবম মিশ্রের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । কেস ফাইল করাও হয়ে গিয়েছে ।তবে মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টি পাত্তা দিতে চাইছেন না কুণাল ৷ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, আমি এখনও পর্যন্ত কিছু জানি না । তবে আমি গতকাল যা বলেছি, ঠিক বলেছি । ওরা সব পদ তো তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই পেয়েছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

BJP-Suspend: শুভেন্দুকে ‘চোর’ বলে বহিষ্কৃত হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি

নারদা-কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বহিষ্কৃত হলেন হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি সুরজিৎ সাহা। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি হাওড়ায় একটি কমিটি গড়েন শুভেন্দু। তা নিয়েই ক্ষুব্ধ ওই বিজেপি নেতা। বুধবার তা নিয়েই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই সুরজিৎকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।বুধবার সুরজিৎ সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভেন্দুকে নিশানা করে জানিয়ে দেন, যে কমিটি শুভেন্দু গঠন করেছেন তাতে দলীয় নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। ওই কমিটিকে ভারতীয় জনতা তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি বলেও আখ্যা দেন তিনি। বলেন, যাঁরা দলে থাকবেন কি না তা ই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তাঁদের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। নাম প্রস্তাব করছেন শুভেন্দু। বিজেপি-র তৃণমূলীকরণ আমরা মানব না। আমি ২৮ বছর বিজেপি করছি। উনি ছমাস আগে দলে এসে আমাদের শংসাপত্র দেবেন না কি? আমরা ওঁর শংসাপত্র চাইব। নারদাতে ওঁকে যে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে তাতে উনি সৎ কি না, এই প্রশ্নটা জনগণ থেকে দলের কার্যকর্তা সকলের মধ্যে তৈরি হয়েছে। উনি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলবেন এটা জেলা সভাপতি হিসাবে মেনে নেব না।সুরজিতের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়।

নভেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম দিবসে স্মরণযাত্রায় শুভেন্দু, কুণালের সঙ্গে জড়ালেন বাক্যবাণে

২০০৭ সালের ১০ই নভেম্বর, নন্দীগ্রাম ভূমিরক্ষা আন্দোলনে নিহত শহিদদের স্মরণে আজ ১৪তম বর্ষপূর্তির দিনে গোকুলনগর থেকে করপল্লী পর্যন্ত শহিদ পরিবারের সদস্য-সহ হাজারো আবেগ আপ্লুত নন্দীগ্রামের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শহিদ স্মরণ যাত্রায় অংশ গ্রহণের পরে নন্দীগ্রামের শহিদ বেদিতে মাল্যদান ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে শহিদদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় গোকুলনগরে শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলেন নন্দীগ্রামের মানুষের হৃদয়ের সনাতনী জননেতা,তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম দিবস পালন ঘিরে যুযুধান দুই পক্ষ। একদিকে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, তাপস রায়, অখিল গিরিরা। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকালেই নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দুকে বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন কুণাল ঘোষ। বেইমান, অকৃতজ্ঞ, জানোয়ার এবং এক বাপের ব্যাটা- এ রকম একাধিক বিশেষণে বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করেছেন তিনি। তার পাল্টা আবার নন্দীগ্রাম থেকে দিলেন শুভেন্দু। তাঁর কটাক্ষ, মমতা কিছু বললে উত্তর দেব, লেভেল বুঝে কথা বলি। অন্যরা ছোটখাটো কর্মচারী।এদিন ফের রাজ্য পুলিশের সমালোচনা করেন শুভেন্দু। বলেন, এরা আগে সিপিএমকে স্যালুট করত। এখন তৃণমূলকে স্যালুট করছে। আবার যেদি একটু ঘুরিয়ে দেব আমরা না তাই ভরসা রাখুন। এর পর তৃণমূল নেতাদের নিশানা করে শুভেন্দুর মন্তব্য, নন্দীগ্রাম আন্দোলনে আমার কী ভূমিকা ছিল, আপনাদের কী ভূমিকা ছিল, এসব মায়ের কাছে মাসির গল্প করে লাভ নেই। এর পর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেন। তাঁর পর আবার তৃণমূল নেতৃত্বের শহিদ দিবস পালনকে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, আমি খানিকটা পরিষ্কার করেছি। মায়েরা গোবর-টোবর দিয়ে পরিষ্কার করেছেন। কিছু চাকরকে পাঠিয়ে ছিলেন পিসি আর ভাইপো। গোটা কয়েক কর্মচারীকে পাঠিয়েছিলেন কুৎসা, কুৎসা কুৎসা।শুভেন্দুর দাবি, নন্দীগ্রামের আন্দোলন সম্ভব হয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের জন্য। তাঁর কথায়, এরা ঢুকতে পারল কবে? লালকৃষ্ণ আদবানি, সঙ্গে সুষমা স্বরাজ, রাজনাথ সিং, সুরেন্দর সিং আলুওয়ালিয়া এবং আরও অসংখ্য নেতা। সেদিন হেঁড়িয়া দিয়ে এরা অবরোধ তুলতে তুলতে সোনাচূড়া বাজারে পৌঁছেছিল। সেদিন তাদের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে যে তিনজন ছিলেন, তাঁদের মধ্যে আমার পিতৃদেব ছিলেন (শিশির অধিকারী), আমি ছিলাম এবং দীনেশ ত্রিবেদী ছিলেন। এর পর শুভেন্দুর কটাক্ষ, এখন নেপোয় মারে দই না? যখন চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে অনশনের নামে নাটক করছিলেন।তৃণমূলকে নিশানা করে তাঁর আরও মন্তব্য, এদের নেতৃত্ব ২-৪ টাকার। এখানে দাঁড়িয়েছিলেন। হেরেছেন। ঘর চলে গিয়েছেন। উত্তর আপনারাই দিয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এদিন কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ফের গণনা হলে নন্দীগ্রামে ২২ হাজার ভোটে জিতবেন মমতা। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন করে শুভেন্দুকে নন্দীগ্রাম থেকে বিদায় দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এদিকে শুভেন্দুর পাল্টা কটাক্ষ, কোনও সনাতন বুথে নেই ওরা।

নভেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Durgapuja Vandalism: বাংলাদেশের পথেই এগোচ্ছে বাংলা – কেন এমন বললেন দিলীপ-শুভেন্দুরা?

একুশের নির্বাচনের সময় প্রচারে বিজেপি নেতারা বলেছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হয় না। এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি শুধু বাংলাদেশেই নয় বাংলাতেও প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের ঘটনাকে সামনে এনেছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি লিখেছেন যারা বাংলাদেশের দুর্গাপুজোর উপর হামলা নিয়ে খুব চিন্তিত, তারা কি জানেন যে খোদ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের একটি পুজোর দুর্গা প্রতিমা কিছু দুষ্কৃতী এসে ভেঙে দিয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্যের পুলিশ ও তার উচ্চ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তড়িঘড়ি প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করে। তবে কী পশ্চিমবঙ্গ এবার বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে?একই সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীইও। টুইট করে তিনি বলেছেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ সবটা দেখেছে। এখন কোথায় গেল সব বুদ্ধিজীবীরা?

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu attacks Mamata: তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুর

নবান্নকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে ভবানীপুরের প্রার্থী আগামিকালের ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন তৃণমূলে নতুন যোগ দেওয়া গোয়ার নেতাদের সঙ্গে। বুধবার সন্ধেতে এমনই টুইট বাণ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।আজই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা লুইজিনহো ফেলেইরিও। নবাগত নেতাকে দলে স্বাগত জানিয়ে তাঁর সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনাও সারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা-ফেলেইরিও গোটা বৈঠক পর্বটাই চলে নবান্নে বসে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে এই ধরনের দলীয় কর্মসূচি করায় বিরোধীদের আক্রমণের মুখে মমতা।আরও পড়ুনঃ বাঙালির ওপর ভরসা নেই মোদির, ৭ বছর পর বোধদয় বাবুলেরবিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে টুইট করেছেন। টুইটে, নবান্নকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যের সচিবালয়ে বসে ভবানীপুরের প্রার্থী আগামিকালের ভোট নিয়ে আলোচনা করছেন তৃণমূলে নতুন যোগ দেওয়া গোয়ার নেতাদের সঙ্গে। সরাসরি প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘন করছেন মমতা।মুখ্যসচিব কি ওখানে বসে তৃণমূলের প্যাডে নিয়োগপত্র টাইপ করছেন? নির্বাচন কমিশন কি ঘুমিয়ে রয়েছে নাকি?Nabannas being used as TMC Party office. The Bhabanipur candidate is discussing tomorrows poll with Goa TMC appointees at State Secretariat? Regular breach of administrative protocols.Wonder if Chief Secretary is typing appointment letters on TMC letterheads.EC is sleeping? pic.twitter.com/nhv7vthQRp Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 29, 2021উল্লেখ্য, আজ সকালে প্রথমে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো। এরপরই তৃণমূল ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সম্প্রতি ভবানীপুর নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও কলকাতা হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। ভবানীপুরে ভোট না হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে বলে কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। আর সেই নিয়েই সম্প্রতি তীব্র ভর্ৎসনা শুনতে হয় তাঁকে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mukul: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

দলত্যাগী মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে এ বার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবারই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হাইকোর্টে এসে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরসোমবার শুভেন্দু জানান, বিধানসভা ভোটে নদিয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র টিকিটে জেতা মুকুলের দলত্যাগ এবং তৃণমূলে যোগদানের পর প্রায় চার মাস হতে চললেও স্পিকার এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, আদলতের কাছে বিচার চেয়েছি। আইন কার্যকরের আবেদন জানিয়েছি। গোটা ভারতবর্ষে সব বিধানসভায় হয়। গত ১০ বছর ধরে এ দিক-ও দিক ৫০ জনকে করিয়েছে কিন্তু কার্যকর হয়নি। আমরা আদালতের উপর আস্থাশীল। শুভেন্দুর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে, তিন মাসের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিন মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বার বার সময় নেওয়া হচ্ছে বিভিন্নভাবে। তাই আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, হয় এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে বলা হোক মহামান্য স্পিকারকে, নয়তো বিকল্প হিসেবে সরাসরি আদালতের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হোক, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur: বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে পারেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে কেন এই চ্যালেঞ্জ?

ভবানীপুর উপনির্বাচনে পর পর সভা করে চলেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারে কোনও ফাঁক রাখছেন না তিনি। বিজেপিও সমানতালে প্রচার করছে ভবানীপুরে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন ভবানীপুরের জনসভায় ঘোষনা করেছেন প্রিয়াঙ্কাকে জেতালে তিনি তাঁর পদ ছেড়ে দেবেন। একইসঙ্গে তিনি ভবানীপুরে অকাল ভোটের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। শুভেন্দু এদিন প্রশ্ন তুলেছেন কেন ভবানীপুরে নির্বাচন হচ্ছে? এখানকার তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক কি অসুস্থ? নাকি তিনি দল বদলেছেন? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ। তিনি দলবদলও করেননি। নন্দীগ্রামে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ভবানীপুরে ভোট চাপিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা্র জন্য জনগণের পকেট কেটে ৫ কোটি টাকা খরচ হবে নির্বাচনে।ভবানীপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বলেছেন, আমাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাইলে সবাই আমাকে ভোট দিন। বৃষ্টি পড়লে ছাতা মাথায় দিয়ে বা বর্ষাতি পড়েও ভোট দিতে যাবেন। তিনি চেয়ার আঁকড়ে রাখতে চাইছেন বলেও এদিন কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে নিজে যে চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সেকথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।এদিন শুভেন্দু ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে জয়ী করার জন্য আবেদন জানান। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকবো না। তোমরা একটা একটা করে ভোট দাও। আমি শুভেন্দু অধিকারী বলে যাচ্ছি, প্রিয়াঙ্কাকে জেতান। আমি দিল্লির নেতাদের বলবো আমার চেয়ারটা ওকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমার চেয়ারটা রাখতে হবে। এই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্যাক্রিফাইস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: রাজ্যসভায় প্রার্থী দেবে না বিজেপি

আসন্ন রাজ্যসভার ভোটে প্রার্থী দিচ্ছে না বিজেপি। টুইট করে নিজেই সোমবার এমনটা জানিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া আসনে আগামী ৪ অক্টোবর ভোট। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী সুস্মিতা দেব। একদিকে সোমবার যখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন। অন্যদিকে তখন বিজেপির বিধায়ক-বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টুইটারে জানালেন, রাজ্যসভায় আমরা কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেব না। কারণ হিসাবে, শুভেন্দু জানান তাঁদের পাখির চোখ ভবানীপুরের উপনির্বাচন। যদিও ঘাসফুল শিবিরের দাবি, হার নিশ্চিত জানলে কেউ কি আর প্রার্থী দিতে চায়।BJP will not nominate any candidate for Rajyasabha bypoll due in West Bengal. Outcome is predetermined. Our focus is to make sure unelected CM to be unelected once again. Jai Ma Kali. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 20, 2021সোমবার টুইট করে শুভেন্দু লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না বিজেপি। এর ফল মোটামুটি স্পষ্ট। নির্বাচিত নন এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী যাতে নির্বাচিত না হতে পারেন, আমরা সে দিকে মন দিতে চাই। টুইটারে শুভেন্দু আরও লেখেন, বিজেপি রাজ্যসভার জন্য এ রাজ্য থেকে কোনও প্রার্থী দেবে না। ভোটের ফলাফল পূর্ব নির্ধারিত। বরং আমাকের লক্ষ্য এখন একজন হেরে যাওয়া মুখ্যমন্ত্রীকে আবারও হারানো। জয় মা কালী। এদিন মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর সুস্মিতা দেব বলেন, একজন উত্তর পূর্ব ভারতের রাজনীতিককে রাজ্যসভায় জায়গা করে দিয়েছেন মমতাদি। নতুন ইতিহাস হল। আমি মনে করি এর জন্য গোটা উত্তর-পূর্বে একটা আলাদা ইমপ্যাক্ট পড়বে। আমার চেষ্টা থাকবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ত্রিপুরা ও অন্যান্য রাজ্যে আরও শক্তিশালী করা। আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেও আমার একটা নতুন সফর শুরু হল। আশা করছি সবার জন্য ভাল হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal