• ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ২৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhishek Banerjee

কলকাতা

‘২০৩১ সালে সুদ-সহ হিসেব নেব’ মন্তব্যেই বড় বিপদ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন মামলা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন করে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর একটি প্রকাশ্য মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।জানা গিয়েছে, রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে করা তাঁর বক্তব্যকে ঘিরেই এই মামলা করা হয়েছে। সেই বক্তব্যের ভিডিওও তদন্তের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সম্প্রতি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয়ে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ওই ভবনের সমস্ত বৈধ নথি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।সেই সময় অভিষেক বলেন, প্রতিটি কাজেরই প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তিনি বেঁচে থাকলে দুই হাজার একত্রিশ সালে সুদ-সহ সব ফিরিয়ে দেবেন। এই মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে ব্যাখ্যা করে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এর আগেও বিভিন্ন মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা ও বালি পাচার সংক্রান্ত অভিযোগ, সই জালিয়াতি-সহ একাধিক বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিভিন্ন মামলায় তাঁকে তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হতে হয়েছে। এবার সেই তালিকায় আরও একটি নতুন মামলা যুক্ত হল।

জুলাই ২৪, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্যের আইনজীবী অনুপস্থিত, থমকে গেল অভিষেকের মামলার শুনানি! এরপর কী বলল হাইকোর্ট?

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে রাজ্যের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি শুরু করা যায়নি।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলা ১২টার সময় মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনও আইনজীবী হাজির না হওয়ায় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী জানান, রাজ্যের বক্তব্য ছাড়া শুনানি সম্ভব নয়। পরে রাজ্যের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে এজলাসে উপস্থিত হন এবং সওয়ালের জন্য আরও সময় চান।বিচারপতি রাজ্যকে ফের নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারকেও মামলার কপি দিতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, জেলাশাসকের কাছ থেকে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে দুপুর দেড়টায়।অভিযোগ, আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিস বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল। শনিবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুলডোজার চালিয়ে অফিসের একাংশ ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি শাবল দিয়ে ডিজি লকারও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। রবিবারও বুলডোজার পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছে যায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে যান অভিষেকের আইনজীবী।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, এর পিছনে বিজেপি নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। শনিবার তিনি বলেন, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচার করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত।আমতলা পার্টি অফিস ভাঙাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকে, যেখানে রাজ্যের জবাবের পর মামলার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণ হতে পারে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

‘একজন ফিরলেই এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ’! বিদ্রোহীদের প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

তৃণমূল ছেড়ে অন্য শিবিরে যাওয়া নেতাদের উদ্দেশে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, যদি তাঁর জন্যই কেউ তৃণমূল ছেড়ে থাকেন, তাহলে সেই নেতা ফিরে এলেই তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক নেতা, বিধায়ক এবং সাংসদ দল ছেড়ে অন্য শিবিরে যোগ দেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, দলের পরাজয়ের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী। কেউ আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ অভিযোগ করেন, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভিষেকের একচ্ছত্র প্রভাবই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।এই সমস্ত অভিযোগের জবাব দিতে গিয়েই শনিবার অভিষেক বলেন, যাঁদের সমস্যা তাঁর সঙ্গে, তাঁরা ফিরে আসুন। তিনি এক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ করবেন। তাঁর দাবি, যদি পরাজয়ের দায় তাঁর হয়, তাহলে অতীতে দলের জয়ের কৃতিত্বও তাঁরই হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, মানুষ সব দেখছেন এবং সব বোঝেন।এখানেই থামেননি অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, যাঁরা দল ছেড়েছেন, তাঁদের অনেকেই বিশেষ সমঝোতার ভিত্তিতে অন্য শিবিরে গিয়েছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে আক্রমণ করলেই তদন্তকারী সংস্থার চাপ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে এমন আশ্বাস দিয়েই অনেককে দলবদল করানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিদ্রোহী নেতাদের উদ্দেশে অভিষেকের পদত্যাগের শর্তে ছুড়ে দেওয়া এই চ্যালেঞ্জ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু করেছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পার্টি অফিস ভাঙতেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘সুদ সমেত ফিরিয়ে দেব’, হুঁশিয়ারিতে তোলপাড় রাজনীতি

আমতলায় একটি তৃণমূল পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সংশ্লিষ্ট পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে দখল করা জমির উপর তৈরি হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে নোটিস পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ে কেউ হাজির না হওয়ায় শনিবার বুলডোজার দিয়ে ওই কার্যালয় ভেঙে ফেলা হয়।ঘটনার পর মুখ খুলেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রত্যেক কাজেরই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে তাঁদের সরকার ক্ষমতায় এলে একই আইনের আওতায় সমস্ত ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, যদি তিনি সুস্থ ও জীবিত থাকেন, তাহলে আইন মেনেই সবকিছুর উত্তর দেবেন।অভিষেকের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে বিজেপির নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তাঁর দাবি, যাঁরা রাজনৈতিকভাবে তাঁর বিরোধিতা করেছেন, তাঁদেরই প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিয়ে গিয়ে পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাস্থলে কোনও কিছু ইচ্ছাকৃতভাবে রেখে দেওয়া হলে তার দায় কার হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে।তৃণমূল সাংসদ আরও জানান, এই ঘটনার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবে তাঁর দল। তাঁর অভিযোগ, মুখ ঢেকে কিছু লোক পার্টি অফিস ভাঙচুরে অংশ নিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।অন্যদিকে, প্রশাসনের দাবি, জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি প্রক্রিয়া মেনে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এখন এই ইস্যু আদালত এবং রাজনৈতিক ময়দানে কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অভিষেকের! সই জাল মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে বদলে গেল সমীকরণ

বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। হাইকোর্ট আরও এক মাসের জন্য তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তদন্ত চললেও আপাতত গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী তেইশ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যাড ব্যবহার করে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগ বিধানসভার স্পিকারের সচিবালয়ে জমা পড়ে। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার দায়িত্ব যায় সিআইডির হাতে। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, তদন্ত চললেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। এবার সেই অন্তর্বর্তী সুরক্ষার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল আদালত।এর আগে এই মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিআইডি। প্রথম দিকে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেও পরে ভবানীভবনে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তদন্তকারীরা অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করেন। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চললেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।হাইকোর্টের এই নতুন নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তদন্ত চলবে, অন্যদিকে আপাতত আইনি সুরক্ষা বহাল থাকায় সই জাল মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

‘জেলে থেকেও দল ভাঙিনি’! এবার কেন শিবির বদল? মুখ খুলে চাঞ্চল্যকর দাবি মদনের

বিধানসভায় গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। যোগদানের কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমের অবস্থায় লিখলেন সরি। সেই বার্তা যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশেই, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার থেকেও বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য। তিনি দাবি করেছেন, তদন্তকারী সংস্থার চেয়ে দলের এক শীর্ষ নেতাকেই তিনি বেশি ভয় পেতেন।মঙ্গলবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের পরিবারের সদস্যদের সমন পাঠানো হয়। তার পরের দিনই তিনি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন। যোগদানের পর তিনি জানান, দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর কথায়, বাবার দেওয়া নাম, পড়াশোনা এবং বিধায়কের পদ ছাড়া আর কিছুই তিনি নিজের কাছে রাখেননি।এরপরই তিনি একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। মদনের দাবি, তদন্তকারী সংস্থার ভয় নয়, দলের এক শীর্ষ নেতার আচরণই তাঁকে সবসময় আতঙ্কে রাখত। তাঁর বক্তব্য, তদন্তকারী সংস্থা অন্তত জিজ্ঞাসাবাদ করে, কিন্তু দলের ভিতরে কখন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আগে থেকে বোঝা যেত না। সেই কারণেই তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে দাবি করেন।একই সঙ্গে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ থাকলে তা সামনে আনারও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি দাবি করেন, কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই।এদিকে মদনের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছেন দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবি, পরিবারের সদস্যদের সমন আসার পরই এই অবস্থান বদল হয়েছে। তাই গোটা ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক চিত্রনাট্যের অংশ বলেই মনে করছেন। অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বদলে সম্মিলিত নেতৃত্বের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করতেই মদন মিত্র তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত শিবিরে গিয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত! অভিষেককে ঘিরে যা বললেন, তাতেই তোলপাড় রাজনীতি

বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার মামলায় দীর্ঘ সময় জেলে থাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর সেই পরিস্থিতির জন্য দায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় মন্তব্য করেছেন তিনি।গোলপার্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে প্রথমবার উপস্থিত হয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বীরভূম থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব আসত। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, কয়লা সংক্রান্ত বিষয়েও প্রতিদিন বড় অঙ্কের অর্থ দিতে হতো। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ প্রকাশ করেননি।সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর আর একটি মন্তব্য ঘিরে। অনুব্রতর দাবি, আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না এবং দল কার্যত শেষ হয়ে যাবে। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এক সময় বীরভূমে তৃণমূলের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন জেলায় দলের সংগঠন শক্তিশালী ছিল। গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরও জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি জেলা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। শেষ লোকসভা নির্বাচনেও বীরভূমের দুই আসনে তৃণমূলের সাফল্যের পিছনে তাঁর সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে দলীয় মহলে আলোচনা হয়েছিল।পরে অবশ্য জেলার সংগঠনে পরিবর্তন আনে তৃণমূল। একক নেতৃত্বের বদলে কোর কমিটি গঠন করা হয়। অনুব্রত মণ্ডল সেই কমিটির সদস্য থাকলেও আগের মতো পূর্ণ দায়িত্ব তাঁর হাতে ছিল না। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই সময় থেকেই তাঁর অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।ছাব্বিশ সালের নির্বাচনের পর দলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পর প্রথমদিকে অনুব্রত জানিয়েছিলেন, তিনি দলকে ভালোবেসে কাজ করে যাবেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর অবস্থান বদলে যায়। পরে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গত এগারো জুলাই তাঁকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার সেই শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বাড়ল চাপ! অভিষেকের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা, সামনে এল বড় অভিযোগ

সেবাশ্রয় কর্মসূচিকে ঘিরে বিতর্ক আরও গভীর হল। ডায়মন্ড হারবার থানার পর এবার বিষ্ণুপুর থানাতেও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সেবাশ্রয় কর্মসূচি নিয়ে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ, এই কর্মসূচির আড়ালে কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ডায়মন্ড হারবারে পরিচালিত সেবাশ্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছিল না। এই অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দফতর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করেছে। নবান্ন থেকেও বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমতি বা প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া কীভাবে এই পরিষেবা দীর্ঘদিন ধরে চলেছে, তা নিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।নতুন মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়, ঘনিষ্ঠ সহযোগী অয়ন ঘোষ দস্তিদার, জাহাঙ্গির খান, শামিম আহমেদ, গৌতম অধিকারী, মেহবাবুর গায়েন, নবকুমার বেতাল, দিলীপ মণ্ডল এবং বাবন গাজির নামও রয়েছে। এছাড়া যাঁরা ওই কর্মসূচিতে চিকিৎসক, পরীক্ষাগারের কর্মী, প্রযুক্তিবিদ, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে।পুলিশ একাধিক আইনে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা অভিযোগের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছেন। বিশেষ করে অনুমোদন ছাড়া স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিচালনা, আর্থিক লেনদেন এবং প্রশাসনিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, দুই হাজার পঁচিশ সালের জানুয়ারিতে প্রথম ডায়মন্ড হারবারে সেবাশ্রয় কর্মসূচির সূচনা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই মাস ধরে লোকসভা কেন্দ্রজুড়ে এই কর্মসূচি চলেছিল। পরে একই বছরের ডিসেম্বর মাসে ডায়মন্ড হারবারের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও সেবাশ্রয় শিবিরের আয়োজন করা হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই কর্মসূচি ঘিরেও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বড় ধাক্কা! কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাই কোর্ট, সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিতে রাজি হননি। শুধু তাই নয়, মামলাটি থেকে নিজেও সরে দাঁড়ান তিনি। ফলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত এই মামলায় অভিষেকের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল।ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্যকে ঘিরে। সেই বক্তব্যে তিনি ডিজে বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে সিআইডি অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সেই নমুনা সংগ্রহের দিন নির্ধারিত ছিল।এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা করার অনুমতি দিলেও নির্ধারিত দিনে শুনানি হয়নি। পরে দ্রুত শুনানির জন্য মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে।শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল স্বীকার করছেন যে বক্তব্যে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর তাঁরই। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এর জবাবে বিচারপতি জানতে চান, যদি কণ্ঠস্বর নিজের বলেই স্বীকার করা হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থাকে নমুনা দিতে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, তদন্তকারী সংস্থা কীভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, তা আদালত নির্ধারণ করতে পারে না।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি মামলা ইতিমধ্যেই অন্য একটি এজলাসে বিচারাধীন রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি ঠিক করবেন, কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে আরও বলেন, আগে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে পারে। তবে সেই যুক্তিতে সাড়া দেয়নি আদালত। মঙ্গলবারের শুনানিতে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না পাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অবস্থান আরও চাপে পড়ল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

কাকভোরে তল্লাশি, তারপর আদালতের বড় সিদ্ধান্ত! বাড়ল সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য

যে সুমিত রায়কে খুঁজতে পুলিশ ভোরবেলা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল, সেই সুমিত রায়কে কোনও স্বস্তি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। জমি দুর্নীতি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে তাঁকে ঘিরে আইনি চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, তদন্ত চলাকালীন সুমিত রায়ের মোবাইলের শেষ অবস্থান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আশপাশে পাওয়া গিয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সুমিত রায়ের কোনও খোঁজ মেলেনি।বৃহস্পতিবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সোমবার মামলার সমস্ত তথ্য হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে।মামলার সূত্রপাত এক ব্যক্তির অভিযোগ থেকে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে জমি দেওয়া হয়নি। তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, জাল দলিল তৈরি করে একাধিক মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে।শুনানির সময় বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেন, এটি কোনও একক ঘটনা নয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৩০০টি প্লটকে ঘিরে এই মামলার যোগ রয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তি এতে জড়িত থাকতে পারেন।মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণেই সুমিত রায়কে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলে ব্যাঙ্কের নথি খতিয়ে দেখা হোক। অন্যদিকে সরকারি পক্ষের আইনজীবী জানান, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে এবং অভিযুক্তের বাড়ি থেকে জাল দলিলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি।উল্লেখ্য, এই মামলায় এর আগেই প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুমিত রায়ের নাম সামনে আসে। অভিযোগ, দুজন মিলে জমি সংক্রান্ত প্রতারণার মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

“কণ্ঠস্বর আমারই” স্বীকার অভিষেকের, তবু নমুনা কেন চাইছে তদন্তকারী সংস্থা?

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যে অডিয়ো নিয়ে তদন্ত চলছে, সেই কণ্ঠস্বর যে তাঁরই, তা তিনি কখনও অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে এই সংক্রান্ত আবেদন করার অনুমতি দেয় আদালত। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, আগামী সোমবার মামলার শুনানি হবে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায় সিআইডি। এর আগে বিধাননগর আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, আগামী ৩০ জুন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী নোটিস দিতে বুধবার রাতে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ৪ তারিখ ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সামাজিক মাধ্যমের লিঙ্ক, ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই মামলার কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে।এদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপ বাড়ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছটার মধ্যে তাঁকে ভাবনীভবনে সিআইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে। ফলে একই দিনে দুই পৃথক মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নিট বিতর্কে রাতারাতি বড় সিদ্ধান্ত! এক ধাক্কায় বদলে যাচ্ছে পরীক্ষা ব্যবস্থা, সরানো হল বহু আধিকারিক

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের আবহে জাতীয় স্তরের পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আগামী এক মাসের মধ্যে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির প্রশাসনিক কাঠামো, পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মের কোনও সুযোগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, সংস্থার সাতচল্লিশ জন আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। যদিও এই দাবির বিষয়ে সরকারি স্তরে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির ভূমিকাও নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং পরীক্ষা পরিচালনার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে বর্তমান ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।দেশের বিভিন্ন জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা এই সংস্থার কাজকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনেরও পরিকল্পনা হয়েছে। প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে।নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদ তীব্র হয়েছে। দিল্লিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনে বহু পড়ুয়া, অভিভাবক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই দ্রুত সংস্কারের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্র।এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের খসড়াও অনুমোদন করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সংঘবদ্ধভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দশ কোটি টাকা জরিমানার বিধান আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষায় অনিয়মে সাহায্যকারী ব্যক্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের বিরুদ্ধেও কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে নির্দোষ পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনওভাবেই আইনের অপব্যবহারের শিকার না হন, সেই বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এদিকে আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে অনড় রয়েছেন। ফলে আগামী দিনে কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

নিট আন্দোলনে বড় চমক! দিল্লির যন্তর মন্তরে যোগ দিচ্ছেন মমতা, তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলনের আবহে এবার দিল্লির যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবার তিনি আন্দোলনস্থলে উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এর আগে একুশে জুলাইয়ের সভা থেকেই আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। প্রয়োজনে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পরই তাঁর এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও সমর্থন জানিয়েছে। এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরাও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেছেন। এবার সেই আন্দোলনে সরাসরি যোগ দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এতদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানালেও এবার দলনেত্রীর সরাসরি উপস্থিতি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপি বিরোধী ইস্যুগুলিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, দিল্লি সফরে তিনি বিরোধী শিবিরের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিজেপির তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। আবার বিরোধী রাজনৈতিক মহলের অন্য অংশ থেকেও মমতার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ফলে নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে দিল্লির আন্দোলন এখন আরও বেশি রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক শেষ, তবু অনড় অবস্থান! এক সিদ্ধান্তেই আটকে গোটা আলোচনা

কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠক শেষ হলেও সমাধানের কোনও পথ এখনও তৈরি হয়নি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় রয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকের পর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই দাবি থেকে তাঁরা এক ইঞ্চিও সরবেন না। আগামীকাল দুপুর দুটোয় আবার কেন্দ্র ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে বৈঠক হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন, সরকার যদি সত্যিই এই আন্দোলনের সমাধান করতে চায়, তাহলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করাতেই হবে। এই দাবির থেকে কম কোনও প্রস্তাবে তাঁরা রাজি নন বলেও তিনি জানান।আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠকে কেন্দ্র কয়েকটি বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রশ্নে কেন্দ্র চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে।এদিকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘ অনশন প্রত্যাহার করেছেন। তবে সেই প্রসঙ্গ তুলে আন্দোলন থামানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন অভিজিৎ দিপকে। তাঁর বক্তব্য, এই আন্দোলন আর কোনও এক ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি দেশের যুবসমাজের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তাই একমাত্র পদত্যাগের সিদ্ধান্তই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।সংগঠনের জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রানকার দাবি, সরকার আন্দোলনকারীদের দুটি দাবিতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। নিট পরীক্ষাকে ঘিরে আত্মহত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি এখনও ঝুলে রয়েছে। সেই কারণেই আগামীকালের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় বড় মোড়! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস, শেষমেশ যা বললেন নিজেই

পরপর দুদিনের উত্তেজনার পর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করার অভিযোগ তুলে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস এনেছেন পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। স্পিকার রথীন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, সেই নোটিস গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও কুণাল ঘোষ স্পষ্ট দাবি করেছেন, তিনি স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করতে চাননি। যদি তাঁর আচরণে এমন কোনও ধারণা তৈরি হয়ে থাকে, তার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন।গত দুদিন ধরে বিধানসভার ভিতরে শাসক দলের দুই শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। বুধবার নিজের নাম থাকা সত্ত্বেও বক্তব্য রাখার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান কুণাল ঘোষ। সেই সময় বিধানসভায় ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। পরে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয় এবং মার্শাল ডেকে সভাকক্ষ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।বৃহস্পতিবারও সেই ঘটনার রেশ বজায় থাকে। অধিবেশন শুরু হওয়ার পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আগের দিনের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে চাইলে স্পিকার বলেন, আগের দিনের ঘটনা অত্যন্ত কলঙ্কজনক। এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন কুণাল ঘোষের শিবিরের বিধায়কেরা। এরপর শুক্রবার পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনেন।জবাবে কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি কখনও স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করেননি। তিনি একজন নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে নিজের বক্তব্য রাখার সুযোগ চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, দলের তরফে নাম পাঠানো হলেও তাঁকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সেই কারণেই তিনি প্রতীকী প্রতিবাদ করেছিলেন। তবে স্পিকারের প্রতি কোনও অসম্মান দেখানোর উদ্দেশ্য ছিল না বলেই তিনি জানান।স্পিকার রথীন্দ্র ঘোষ নোটিস গ্রহণ করার পাশাপাশি দুই পক্ষকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ২৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

শাহরুখ কি সত্যিই পড়ুয়াদের পাশে? ভাইরাল পোস্ট ঘিরে সামনে এল চমকে দেওয়া সত্য!

নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। যন্তর মন্তরে টানা আন্দোলন করছেন বহু পড়ুয়া। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের প্রতিবাদ চলবে। এই আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু মানুষ। চলচ্চিত্র জগতের একাধিক তারকাও নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন।এই পরিস্থিতিতেই সমাজমাধ্যমে শাহরুখ খানের নামে একটি পোস্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, তিনি পড়ুয়াদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।তবে পরে জানা যায়, ভাইরাল হওয়া পোস্টটি শাহরুখ খানের সরকারি সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়নি। অন্য এক ব্যবহারকারীর তৈরি একটি স্ক্রিনশটকে অনেকেই সত্যি বলে প্রচার করতে শুরু করেন। শাহরুখের সরকারি প্রোফাইলে এমন কোনও পোস্টের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।ভাইরাল হওয়া বার্তায় পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ ছিল। কিন্তু সেই বার্তার সত্যতা মেলেনি।ঘটনার পর শাহরুখের অনুরাগীদের একাংশ ভুয়ো পোস্ট ছড়ানোর তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁদের দাবি, কোনও তারকার নামে ভুয়ো বার্তা ছড়ানো বিভ্রান্তি তৈরি করে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে শাহরুখ খান প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। ফলে ভাইরাল পোস্টটি যে ভুয়ো, সেটিই এখন স্পষ্ট।

জুলাই ২৪, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় ঝড়! রাতারাতি সরানো হল শিক্ষা সচিব, কড়া বার্তা কেন্দ্রের

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা দফতরে বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন করল। শিক্ষা সচিবের পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত যোশীকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নরেশ গাঙ্গোয়ারকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কেন্দ্রের তরফে এই বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারিতে উচ্চশিক্ষা দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিনীত যোশী। এবার তাঁকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন টি কে অনিল কুমার। এর আগে তিনি গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব ছিলেন।বিনীত যোশী দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার অধিকারী। তিনি মণিপুরের মুখ্যসচিব ছিলেন। পাশাপাশি জাতীয় পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সংস্থার প্রথম মহাপরিচালকের দায়িত্বও সামলেছেন। শিক্ষা মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ডেও গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।নতুন শিক্ষা সচিব নরেশ গাঙ্গোয়ার পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক আধিকারিক। এর আগে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরের সচিব ছিলেন। শিক্ষা প্রশাসনেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজস্থানের স্কুলশিক্ষা দফতরেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।নিট প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানীতে লাগাতার বিক্ষোভ হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শিক্ষা দফতরে এই বড় পরিবর্তন ঘটল। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই একের পর এক পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

দুই ছেলের পর এবার ইডি দপ্তরে মদন মিত্রের স্ত্রী! তদন্তে কি মিলবে বড় সূত্র?

নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার ইডি দপ্তরে হাজির হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র। শুক্রবার সকালে ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্রকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন। সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি ইডি দপ্তরে প্রবেশ করেন।কয়েক দিন আগে মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে তলব করেছিল ইডি। সেই অনুযায়ী বুধবার ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র এবং বৃহস্পতিবার বড় ছেলে স্বরূপ মিত্র তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দেন। দুজনকেই দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বৃহস্পতিবারই স্বরূপ জানিয়েছিলেন, শুক্রবার তাঁর মা ইডির ডাকে হাজিরা দেবেন। সেই অনুযায়ী অর্চনা মিত্র এদিন তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হন।ইডি সূত্রের দাবি, টিটাগড় পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে একশো পঁচিশ জনের চাকরি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই মদন মিত্রের নাম উঠে আসে। এরপর তাঁর বাড়ি, অফিস-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এবং তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, নিয়োগের বিনিময়ে কোনও বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না। সেই কারণেই ব্যাঙ্কের নথি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মদন মিত্রের পরিবারের কাছে চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার অর্চনা মিত্রের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আগামী ঊনত্রিশ জুলাই মদন মিত্রকেও আবার ইডি দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২৬
কলকাতা

‘২০৩১ সালে সুদ-সহ হিসেব নেব’ মন্তব্যেই বড় বিপদ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন মামলা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন করে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর একটি প্রকাশ্য মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।জানা গিয়েছে, রাজীব সরকার নামে এক ব্যক্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে করা তাঁর বক্তব্যকে ঘিরেই এই মামলা করা হয়েছে। সেই বক্তব্যের ভিডিওও তদন্তের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সম্প্রতি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয়ে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ওই ভবনের সমস্ত বৈধ নথি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।সেই সময় অভিষেক বলেন, প্রতিটি কাজেরই প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তিনি বেঁচে থাকলে দুই হাজার একত্রিশ সালে সুদ-সহ সব ফিরিয়ে দেবেন। এই মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে ব্যাখ্যা করে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এর আগেও বিভিন্ন মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা ও বালি পাচার সংক্রান্ত অভিযোগ, সই জালিয়াতি-সহ একাধিক বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিভিন্ন মামলায় তাঁকে তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হতে হয়েছে। এবার সেই তালিকায় আরও একটি নতুন মামলা যুক্ত হল।

জুলাই ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal