• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ATK Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

A‌TK Mohun Bagan : প্রতিশ্রুতি দিয়েও কেন কলকাতা লিগ খেলল না এটিকে মোহনবাগান?‌

এটিকে মোহনবাগান কর্তারা আইএফএকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তাঁরা কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে দল নামাবে। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে কলকাতা লিগে খেলার কথা ভেবেছিলেন কর্তারা। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁরা আর দল নামাতে চাইছেন না। এর আসল কারণ কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের অনিচ্ছা। ইতিমধ্যেই তিনি ফুটবলারদের পুজো পর্যন্ত ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। দল নিয়ে এটিকে এবং মোহনবাগান কর্তাদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। সবুজমেরুণ কর্তারা চেয়েছিলেন দল কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে খেলুক। কিন্তু কোচ হাবাস ও এটিকে কর্তারা তা চান না। নাসাফের বিরুদ্ধে খেলতে যাওয়ার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস বলেছিলেন, কলকাতা ফুটবল লিগের মতো অপেশাদার প্রতিযোগিতায় খেলতে চান না। নাসাফের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক হারের পর তিনি ফুটবলারদের ছুটিও দিয়ে দেন। কেন কলকাতা লিগে খেলতে চাননি হাবাস? সামনে উঠে আসছে অন্য কারণ। এটিকে মোহনবাগানের একঝাঁক ফুটবলার সাফ কাপের জন্য ভারতীয় শিবিরে ডাক পেয়েছেন। মালদ্বীপে হবে সাফ কাপের প্রস্তুতি শিবির। সাফ কাপের গ্রুপ লিগের খেলা চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। ফাইনালে উঠলে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দলে আটকে থাকতে হবে ফুটবলারদের। কয়েকজন ফুটবলারদের চোট রয়েছে। বিদেশি ফুটবলাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ের বাইরে থেকে কলকাতা লিগে খেলতে রাজি নন। শুধু স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা লিগ খেলতে রাজি হননি আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। যদি কলকাতা লিগে খারাপ ফল হত, তাহলে ফুটবলারদের মনোবলে আঘাত লাগত। তাই কলকাতা লিগে খেলার ঝুঁকি নিতে চাননি বাগান কোচ। এটিকে মোহনবাগান কর্তার ঠিক করেছিলেন পুজোর আগে কলকাতায় কয়েকদিন আইএসএলের প্রস্তুতি সারবেন ফুটবলাররা। যুবভারতীর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুশীলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হাবাস সব ফুটবলারকে ইতিমধ্যেই ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। তাই কলকাতায় অনুশীলনের পরিকল্পনা বাতিল করে গোয়াতেই একেবারে আইএসএলের প্রস্তুতি শিবিরের আয়োজন করছে। ১৮ অক্টোবর গোয়ায় এই প্রস্তুতি শিবির শুরু হবে। কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসসহ সব ফুটবলার একেবারে গোয়াতেই প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেবেন। জাতীয় শিবিরে থাকা ফুটবলাররাও সাফ কাপ খেলে সরাসরি গোয়ার শিবিরে যোগ দেবেন। ফুটবলারদের বাধ্যতামূলক ৮ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। কোয়ারেন্টিন পর্ব চলাকালীন অনুশীলন করবেন ফুটবলাররা। তবে অনুশীলন ছাড়া হোটেল থেকে বার হতে পারবেন না। প্রস্তুতি শিবির চলাকালীন কয়েকটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলারও পরিকল্পনা রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণার

নতুন মরশুম। দলে অনেক পরিবর্তন এসেছে। সেভাবে প্রস্তুতির সুযোগও পায়নি। তা সত্ত্বেও এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে দাপট দেখাচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসিকে ২ গোলে হারানোর পর মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধেও দুরন্ত জয়। পরের পর্বে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে দরকার শুধু ড্র।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যানটানা দুটি ম্যাচে জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরা কিংস মাজিয়াকে প্রথম ম্যাচে হারালেও বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে ড্র করেছে। এই পরিস্থিতিতে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে নক আউটে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে মাজিয়া। বসুন্ধরা পয়েন্ট তালিকায় রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের পরেই, ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে শেষ ম্যাচে ড্র করলেই সবুজমেরুণ পৌঁছে যাবে এএফসি কাপের নক আউটে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরতবে ড্র নয়, শেষ ম্যাচে জয়ের দিকেই তাকিয়ে বাগান শিবির। হাবাস ব্রিগেড যে জয়ের জন্যই ঝাঁপাবে, দলের সেরা ফুটবলার রয় কৃষ্ণার কথাতেই পরিস্কার। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দুটি ম্যাচ হয়ে গেল, আর একটা বাকি। যেভাবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল করে ম্যাচের রং বদলে দিয়েছেন আমাদের দলের সকলে তাতে সত্যিই গর্বিত। এটা মোটেই সহজ ম্যাচ ছিল না। তবে যাঁরা আমাদের সমর্থন করেছেন, আমাদের উপর বিশ্বাস রেখেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। এবার পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি আমরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিরয় কৃষ্ণা আরও বলেন, মেজিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও কখনও চাপে ছিলাম না। কারণ জানি, আমাদের দলে কোয়ালিটি ফুটবলার আছে। জানতাম, আমরা গোলের সুযোগ পাব। প্রথমার্ধে গোলশোধে তাড়াহুড়ো ভাব দেখানোয় সেই লক্ষ্যপূরণ হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ধৈর্য ধরায় গোল ও জয় এসেছে। এটাই আমাদের দলের আসল চরিত্র।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীফুটবলারদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেছেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। তিনি বলেন, মাজিয়া শুরুতে গোল করায় আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। গরম, আর্দ্রতা, শক্ত মাঠের জন্য ফুটবলারদের ঘুরিয়েফিরিয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। হুগো বুমাসকে এই জন্য পরে নামিয়েছিলাম। ফুটবলাররা দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে সেরাটা দেওয়ার জন্য গর্বিত। আমরা ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছি। পরের ম্যাচে ড্র করলেই নকআউটে পৌঁছে যাব। কিন্তু ড্রয়ের মানসিকতা নিয়ে নামব না। গ্রুপের শেষ ম্যাচও জেতার জন্যই ঝাঁপাবে আমার ফুটবলাররা।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান

জাতীয় প্রতিযোগিতায় বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের পরিসংখ্যান বেশ চমকপ্রদ। গত মরশুমে আইএসএলর দুটি ম্যাচেই জিতেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। এই মরশুমেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত। জাতীয় মঞ্চ ছেড়ে সাফল্য এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে। এএফসি কাপের ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই জিতল এটিকে মোহনবাগান। ২০ ব্যবধানে হারাল বেঙ্গালুরু এফসিকে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও সুরজিৎ বোস।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরুর দিকে একটু জড়তা ছিল এটিকে মোহনবাগানের খেলায়। বোঝাপড়া অভাব বেশ স্পষ্ট। এটাই স্বাভাবিক। গত মরশুমের বেশ কয়েকজন ফুটবলার এবছর নেই। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বুমোর এখনও সেভাবে বোঝাপড়া গড়ে ওঠেনি। তার ওপর মরশুমের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ যত গড়িয়েছে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের ফুটবলাররা।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?অন্যদিকে, প্লে অফ ম্যাচ খেলে মূলপর্বে উঠে এসেছে বেঙ্গালুরু এফসি। প্লে অফ ম্যাচে জয়েস রানের গোলে হারিয়েছিল মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে। মোহনবাগানের তুলনায় সুনীল ছেত্রীদের বোঝাপড়া অনেক বেশি ছিল। বেঙ্গালুরু এফসি মাঝে মাঝেই বিপজ্জনকভাবে আক্রমণে উঠে আসছিল। তবে ম্যাকাউ, প্রীতম কোটালরা সজাগ থাকায় সুনীল ছেত্রিরা সুবিধা করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসবুজমেরুণ জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই যথেষ্ট নজরকাড়া ফুটবল খেললেন হুগো বুমো। শুরু থেকেই দাপট ছিল। ২১ মিনিটে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁদিকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন হুগো বুমো। তাঁর শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপার গুরপ্রীত সিং। হুগো বুমো ও রয় কৃষ্ণা মিলে বেঙ্গালুরু রক্ষণে যথেষ্ট চাপ তৈরি করেছিলেন। তার ফলও মেলে প্রথমার্ধে।আরও পড়ুনঃ মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টেরম্যাচের ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। হুগো বুমোর কর্ণারে লাফিয়ে উঠে হেড করেন সুরজিৎ বোস। গোলমুখী সেই বলে বেঙ্গালুরু গোলকিপার গুরপ্রীতের সামনে থেকে ফ্লিক করে জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৪৬ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের ফ্রিকিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে ২০ করেন সুরজিৎ।1️⃣st #AFCCup outing for #ATKMohunBagan 💪2️⃣ Goals on the scoreboard! 🤩3️⃣ Points in the bag! 🙌The #Mariners start the tournament with a convincing display!💚❤️📸 - @AFCCupATKMB 2-0 BFC#ATKMBvBFC #MarinersInAsia #ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #IndianFootball pic.twitter.com/dtH7wI5ISw ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) August 18, 2021৫৩ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসি। ক্লেইটন সিলভার ডানপায়ের জোরালো শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন সবুজমেরুণ গোলকিপার অমরিন্দার সিং। বেঙ্গালুরুর সুনীল ছেত্রি এদিন একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে লিওন অগাস্টিনকে নামান বেঙ্গালুরু কোচ। অন্যদিকে হুগো বুমো ক্লান্ত হয়ে পড়ায় শেষ দিকে তাঁকে তুলে নিয়ে ম্যাচের গতি বাড়ানোর জন্য বিদ্যানন্দ সিংকে নামান হাবাস। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ বাড়ালেও গোল পায়নি বেঙ্গালুরু।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ‌এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?‌

মালদ্বীপ উড়ে যাওয়ার আগে এটিকে মোহনবাগান শিবির জানত না, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কে। রবিবার প্লে অফ ম্যাচে মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে হারিয়ে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ডি গ্রুপে তারা খেলবে এটিকে মোহনবাগান, মেজিয়া স্পোর্টস ও বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে। বুধবার এটিকে মোহনবাগানের গ্রুপ লিগে প্রথম ম্যাচই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও প্রথম ম্যাচ নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের ট্র্যাক রেকর্ড বরাবরই যথেষ্ট ভাল। গত মরশুমেও হাবাসের দল ভাল পারফরমেন্স করেছে। নতুন মরশুমে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট সতর্ক সবুজমেরুণ কোচ হাবাস। অতীত নিয়ে তিনি একেবারেই ভাবতে নারাজ। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করার আগে বিপক্ষকে দারুণ সমীহ করছেন এটিকে মোহনবাগানের হেড কোচ। সে কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এই স্প্যানিশ কোচ।বুধবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে নামার আগে হাবাস বলেন, এবছর বেঙ্গালুরু এফসি বেশ কয়েকজন নতুন বিদেশি ফুটবলার সই করিয়েছে। কোচিং স্টাফও পরিবর্তন করেছে। বেশ কয়েকজন ভাল স্বদেশি ফুটবলারও নিয়েছে। ফলে ওদের শক্তির তারতম্য ঘটেছে। তবে আমরা একে অপরকে চিনি। একসাথে অনেক ম্যাচ খেলেছি। এবার আরওও ভাল লড়াই হবে। হাবাস আরও বলেন, আগে কোথায় জিতেছি, সেকথা মাথায় রাখছি না। অতীত পরিসংখ্যান নিয়ে ভেবে লাভ নেই। এখন প্রতিটা ম্যাচেই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। নতুন মাঠ, নতুন পরিবেশ। সব কিছুর সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। এএফসি কাপ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। সবাই নিজেকে প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হবে। যারা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে, তারাই সাফল্য পাবে। শনিবার মালদ্বীপে পৌঁছে যায় সবুজমেরুন শিবির। রবিবার থেকে কৃত্রিম ঘাসের মাঠে অনুশীলনে নেমে পড়েছেন রয় কৃষ্ণা, ব্র্যাড উইলিয়ামসরা। হোটেল থেকে প্রায় ২০ মিনিট দুরে অনুশীলনের মাঠ। এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের জলপথে অনুশীলনে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে আয়োজকরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Edu Garcia‌‌: স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকে–মোহনবাগান

নাসরীন সুলতানা২০১৯২০ মরশুমের আইএসএলে এটিকের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন এডু গার্সিয়া। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। মাঝে এটিকে ছেড়ে চীনের ক্লাবে যোগ দিলেও গত মরশুমে আবার তুলে নেন এটিকেমোহনবাগানের জার্সি। যদিও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি এই আক্রমণাত্মক স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। তাই এই মরশুমে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারস্পেনের সেগুন্ডা ডিভিশনের জারাগোজা ক্লাব থেকে ২০১৭১৮ মরশুমে আইএসএলের ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দেন গার্সিয়া। একমরশুম বেঙ্গালুরুতে কাটিয়ে চীনের দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ঝেজিয়াং গ্রিনটাউন এফসিতে যোগ দেন। ২০১৮ সালে চাইনিজ লিগে খেলার পর ২০১৯২০ মরশুমে এটিকেতে যোগ দেন। এটিকের হয়ে ২২ ম্যাচে ৯ গোল করেছিলেন গার্সিয়া। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এই স্প্যানিশ আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। ফাইনালে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে গোলও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকআগের মরশুমে দুরন্ত পারফরমেন্সের জন্য গত মরশুমে এডু গার্সিয়ার সঙ্গে ২ বছরের জন্য চুক্তি করেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা। গতমরশুমে কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। ১১ ম্যাচে মাত্র ১টি গোল করেছিলেন। তাঁর পারফরমেন্সে হাবাস খুশি ছিলেন না। তাছাড়া আক্রমণভাগে জনি কাউকোর মতো ফুটবলারকে পেয়ে গেছে এটিকেমোহনবাগান। তাই গার্সিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তারা। যদিও গার্সিয়ার সঙ্গে এখনও ১ বছর চুক্তি আছে এটিকেমোহনবাগানের। গার্সিয়াও রিলিজ নিতে রাজি। এটিকেমোহনবাগান থেকে রিলিজ নিয়ে হায়দরাবাদ এফসিতে যোগ দিচ্ছেন গার্সিয়া। হায়দরাবাদের স্প্যানিশ কোচ মার্কুয়েজও গার্সিয়াকে দলে চান। কয়েকদিনের মধ্যেই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তএদিকে, আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তুলে নিচ্ছেন ডিফেন্ডার আশুতোষ মেহতা। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি আই লিগ জয়ী মোহনবাগান দলের সদস্য ছিলেন। তারপর আইএসএলের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড দলে যোগ দেন। রক্ষণে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে আশুতোষকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। রক্ষণের সব পজিশনে খেলার দক্ষতা রয়েছে আশুতোষের। আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পেয়ে খুশি তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রবিবার মেট্টো চলাচল কোন দিকে কতক্ষণ বন্ধ থাকবে? অসুবিধায় না পড়তে এই খবর আগে পড়ুন

রবিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মেট্রো রেলের এই ঘোষণা জেনে নিন। ওই দিন কয়েকটি স্টেশনের মধ্যে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সুবিধার্থে ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) ব্লু লাইনের গীতাঞ্জলি এবং কবি নজরুল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে যান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে, ওই দিন সকাল ০৯:০০টা থেকে সন্ধ্যা ১৮:৩০টা পর্যন্ত শহীদ ক্ষুদিরাম এবং মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে কোনো মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে না।তবে, ওই দিন অর্থাৎ ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের মধ্যে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। রবিবার ব্লু লাইনের সম্পূর্ণ অংশে, অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা সন্ধ্যা ১৮:৩০টার পর (আনুমানিক) পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

পথচারীর মৃত্যুর পর উত্তপ্ত আউসগ্রামের বড়া চৌমাথা, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির যাত্রীদের উপর হামলা, তান্ডবের অভিযোগ

পথ দুর্ঘটনায় এক চাষির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বড়া চৌমাথা। দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা শনিবার দুপুরে বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তার ভিতরে থাকা তিন পুরুষ যাত্রীকে মারধর এবং এক মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ সামনে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আউশগ্রাম ও ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার বর্ধমান-বোলপুর NH 114 নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বিহার থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল একটি চারচাকা গাড়ি। বড়া চৌমাথা মোড়ের কাছে আচমকাই এক পথচারীকে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় বিনোদ মল্লিক রায় (৩৮)। তিনি বড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় চাষি ছিলেন।ঘটনার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে তাতে ভাঙচুর চালায়। এরপর গাড়ির যাত্রীদের বাইরে বের করে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। গাড়িতে থাকা মহিলা যাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে বড়া চৌমাথা মোড় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে মোট চারজন যাত্রী ছিলেন একজন মহিলা এবং তিনজন পুরুষ। হামলা ও দুর্ঘটনায় তাঁরা আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে সকলকেই বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় মৃত বিনোদ মল্লিক রায়ের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিও আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে বর্ধমান-বোলপুর জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর, যাত্রীদের মারধর এবং মহিলা যাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ হয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর জন্মদিনে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’, বাংলায় মাসভর জনসংযোগে বিজেপি

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর জুড়ে সেবা সংকল্প অভিযান, বুথে বুথে প্রদীপ প্রজ্বলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচারযুব সমাজ ও সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর বিশেষ পরিকল্পনাপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনকে সামনে রেখে বাংলায় কার্যত মাসব্যাপী জনসংযোগ অভিযানে নামতে চলেছে বিজেপি। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মোদীর জন্মদিন। সেই দিন থেকেই সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে রাজ্যজুড়ে চলবে সেবা সংকল্প অভিযান। তবে শুধুমাত্র জন্মদিন উদ্যাপন নয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দলের সংগঠনকে বুথস্তর পর্যন্ত আরও সক্রিয় করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোই বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য বলে দলীয় সূত্রে খবর।এই অভিযানের অন্যতম আকর্ষণ আশীর্বাদ কা দিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি বুথে প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রদীপ প্রজ্বলনের আবেদন জানানো হবে। বিজেপির ব্যাখ্যায়, এই প্রদীপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে দেশবাসীর সম্মিলিত সংকল্পের প্রতীক। মোদীর দীর্ঘায়ু কামনা করেও প্রদীপ জ্বালানোর আবেদন জানানো হবে।প্রাথমিক ভাবে প্রতি বিধানসভা এলাকায় ২৫ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের মাধ্যমে ওই প্রদীপগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।প্রদীপের দাম প্রতি পিস ৪ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। প্রদীপ জ্বালানোর ক্ষেত্রে মোম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫০ হাজার করে প্রদীপ জ্বালানো হলে মোট প্রদীপের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ। অর্থাৎ, এই কর্মসূচিতে প্রদীপ বাবদ মোট খরচ হতে পারে প্রায় ৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। প্রশাসনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিধায়কদের মাধ্যমে প্রদীপ বিতরণ করে নির্দিষ্ট দিনে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে।সুবিধাভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছবে বিজেপিসেবা সংকল্প অভিযান-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির একটি হতে চলেছে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা বুথ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বুথ স্তরের কর্মীরা সেই তালিকা অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ কা দিয়া প্রজ্বলনের আমন্ত্রণ জানাবেন।শুধু সরাসরি যোগাযোগ নয়, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হিন্দিতে একটি বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। পরে সেটিকে বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় ভাষায় রূপান্তর করা হবে। বাংলাতেও সেই ভিডিও প্রচার করা হবে। একইসঙ্গে তৈরি হচ্ছে থিম সং এবং সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র।দলের লক্ষ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মোদী সরকারের সাফল্যের বার্তা সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। অর্থাৎ, জন্মদিনের কর্মসূচিকে ঘিরে একদিকে যেমন আবেগ ও শুভেচ্ছার আবহ তৈরি করা হবে, অন্যদিকে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে দলের রাজনৈতিক যোগাযোগও আরও জোরদার করার চেষ্টা থাকবে।নজরে যুব সমাজ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়এবারের কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং তাঁদের কাছে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর ভাবনা তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি।সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ জনসেবা, তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বিকশিত ভারতের রূপরেখা নিয়ে তথ্য তুলে ধরা হবে। স্কুলস্তরেও থাকছে অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এই কর্মসূচিতে শিক্ষা দফতরকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে দল।এর পাশাপাশি জনসংযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে পথনাটক। কমিউনিটি হল থেকে শুরু করে জনবহুল বিভিন্ন এলাকায় পথনাটকের আয়োজন করা হবে। মোদীর ২৫ বছরের জনসেবা, বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং দেশের পরিবর্তনের দাবিএই বিষয়গুলিই পথনাটকের মূল বক্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে।সেবা সেতু শিবিরে সরকারি পরিষেবার বার্তাশুধু প্রচার নয়, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে সহায়তা করার জন্য বিধানসভা এলাকার ব্লকস্তরেও সেবা সেতু অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে সেবা সেতু নামে শিবির করে যোগ্য নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।যাঁরা এখনও কোনও প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে নথিভুক্ত হননি, তাঁদেরও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে এই শিবিরগুলিকে জনসংযোগের পাশাপাশি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি।পদযাত্রা থেকে স্বাস্থ্য শিবির, থাকছে একাধিক কর্মসূচিসেবা সংকল্প অভিযান-এর তালিকা আরও দীর্ঘ। রাজ্যজুড়ে পদযাত্রা, বাইক র্যালি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তদান শিবিরের মতো একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়েও বিশেষ কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।দলীয় সূত্রের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মোদীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দল ও সরকারকে একইসঙ্গে মাঠে নামিয়ে এত দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি এই প্রথম। ফলে কর্মসূচিকে নিছক জন্মদিন পালন হিসেবে দেখতে নারাজ রাজ্য নেতৃত্ব। বরং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরজুড়ে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য।এই গোটা কর্মসূচির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এই সেবা সংকল্প অভিযান শেষ পর্যন্ত কতটা বড় রাজনৈতিক জনসংযোগ কর্মসূচির চেহারা নেয় এবং বুথস্তরে বিজেপির সংগঠনকে কতটা সক্রিয় করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
দেশ

এক পাশে পুতিন, অন্য পাশে জিনপিং! মাঝখানে মোদী, এক ছবিতেই চমকে দিল ব্রিকস সম্মেলন

দিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। সেই সম্মেলনের মাঝেই এক ফ্রেমে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। ছবিতে দুই রাষ্ট্রনেতার মাঝে দাঁড়িয়ে ছিলেন মোদী। তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।শুক্রবার ভারতে পৌঁছন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার পর শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে আসেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই একসঙ্গে দেখা যায় তিন রাষ্ট্রনেতাকে।সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবিতে দেখা যায়, পুতিন, মোদী এবং জিনপিং হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে একই ছবিতে ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোও।ছবি ভাগ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দিল্লিতে শুরু হল ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬। ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভারত, রাশিয়া এবং চিনের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই মুহূর্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।শনিবার দুপুরে শুরু হয় ব্রিকস সম্মেলনের মূল অধিবেশন। সম্মেলনের শুরুতেই বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলিকে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানো প্রয়োজন।মোদী জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলির নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ দিতে ভারত প্রস্তুত। বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই দেশগুলির মতামতকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।ব্রিকসের মঞ্চ থেকেই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই সংস্কারের বিষয়টি আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়। নিরাপত্তা পরিষদের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আলোচনা করলেই হবে না, সেই আলোচনার সুনির্দিষ্ট ফলাফলও সামনে আসা জরুরি। বিশ্ব ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মত তাঁর।আগামী কুড়ি বছরের কথা মাথায় রেখে একটি সুস্পষ্ট পথনকশা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন মোদী। পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা পড়ার পর ব্রিকসের মঞ্চ থেকে তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
রাজ্য

রোলাহাটুর জঙ্গলে মিলল ২ ইনসাস, ১০৩ রাউন্ড গুলি! আকাশের পুরনো স্কোয়াড ঘিরে তদন্তে বড় মোড়

রোলাহাটু পাহাড়ে দুটি ইনসাস রাইফেল, ১০৩ রাউন্ড গুলি এবং ছটি খালি ম্যাগাজিন উদ্ধারের পর মাওবাদী নেতা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশের পুরনো স্কোয়াডকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে। অস্ত্রগুলি কোথা থেকে এল, কারা ব্যবহার করত এবং নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় সেগুলি কোথায় সরানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাম্প্রতিক ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সারান্ডা জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর চাপ বাড়ার পর আকাশ তাঁর দলবল নিয়ে দলমা এলাকার দিকে সরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছজন মাওবাদী থাকার তথ্য সামনে এসেছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষিত রামপ্রসাদ মার্ডি ওরফে সচিন, ১০ লক্ষ টাকার মীতা ওরফে নয়নতারা, পাঁচ লক্ষ টাকার মঙ্গল মাহাতো, দুলক্ষ টাকার মালতি মুর্মু এবং এক লক্ষ টাকার বুলু ওরফে গৌরী। আকাশের মাথায় এক কোটি টাকা পুরস্কার রয়েছে বলে পুলিশি তথ্য।এর পরেই সেই দলে বড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর বাঁকুড়া জেলা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন রামপ্রসাদ, তাঁর স্ত্রী মীতা এবং বুলু ওরফে গৌরী। রামপ্রসাদ একটি একে-৪৭ রাইফেলও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণের আগে এই তিনজনই আকাশের সঙ্গে দলমা এলাকায় ছিলেন।তাঁদের জেরা করে আকাশের বর্তমান গতিবিধি এবং তাঁর পুরনো স্কোয়াড সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ফলে আগে চিহ্নিত ছজনের মধ্যে আকাশ ছাড়া আরও দুজন মাওবাদী এখন কোথায় রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের পরিচয় নিয়ে সরকারি ভাবে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে আগের তালিকায় থাকা মঙ্গল মাহাতো ও মালতি মুর্মুর নাম তদন্তের পরিধিতে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।পূর্ব সিংভূম পুলিশের প্রকাশ করা পোস্টারে আকাশ-সহ ওই ছজনের ছবি এবং তাঁদের মাথায় ঘোষিত পুরস্কারের তথ্য ছিল। তিনজন আত্মসমর্পণ করার পর সেই পুরনো তালিকাই এখন তদন্তকারীদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।অন্য দিকে, রোলাহাটু পাহাড় থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল এলাকার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সারান্ডা থেকে দলমা এবং সেখান থেকে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের জঙ্গলপথ পর্যন্ত আকাশের দলের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে নজরদারি চলছে।বিশেষ করে পুরুলিয়ার বান্দোয়ান-সংলগ্ন জঙ্গল এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির উপর নজর রয়েছে তদন্তকারীদের। রোলাহাটুর পুরনো ডাম্পে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোনও সময়ে আকাশের স্কোয়াড ব্যবহার করেছিল কি না, অথবা নিরাপত্তাবাহিনীর চাপের সময় অস্ত্রগুলি অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত রোলাহাটু থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি ইনসাস সরাসরি আকাশের অস্ত্র বলে চিহ্নিত করার কোনও প্রমাণ নেই বলেই দাবি বাঁকুড়া জেলা পুলিশের। একই ভাবে, আকাশের সঙ্গে বর্তমানে থাকা বলে সন্দেহ করা দুই সদস্যের নামও পুলিশ প্রকাশ করেনি।ফলে তদন্তের কেন্দ্রে এখন তিনটি বিষয়। রোলাহাটুর অস্ত্রভাণ্ডারের উৎস কোথায়, আত্মসমর্পণকারীদের জেরায় আকাশ সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং সারান্ডা থেকে দলমা হয়ে পুরুলিয়া-বাঁকুড়া সীমান্তের জঙ্গলপথে আকাশের পুরনো নেটওয়ার্কের কোনও যোগাযোগ এখনও সক্রিয় রয়েছে কি না। এই তিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
উৎসব

বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন কেন হয় অরন্ধন? মনসা পুজো, উনুন আর ভিজে ভাতের সঙ্গে জড়িয়ে বাংলার প্রাচীন লোকাচার

অরন্ধন কেন? বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে তার সম্পর্কই বা কী? আর কেনই বা এই দিনটিতে দেবী মনসার আরাধনা করা হয়? বাংলার লোকসংস্কৃতির এই পর্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক প্রাচীন বিশ্বাস, ঋতু পরিবর্তনের স্মৃতি এবং গ্রামবাংলার হেঁসেলের নিজস্ব সংস্কৃতি।বারো মাসে তেরো পার্বণএই প্রবাদ যেন বাঙালির জীবনযাত্রারই প্রতিচ্ছবি। পুজো-পার্বণের সেই দীর্ঘ তালিকায় বিশ্বকর্মা পুজোর ঠিক আগের দিন বাংলার বহু ঘরে পালিত হয় অরন্ধন বা রান্না পুজো। বিশেষ করে রাঢ়বাংলা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও এই লোকাচার যথেষ্ট জনপ্রিয়।অরন্ধনের আক্ষরিক অর্থই হলরান্না না করা। অর্থাৎ যে দিন বিশ্বকর্মা পুজো, সেদিন হেঁসেলে আগুন জ্বালানো হবে না। তার আগের দিনই রান্না করে রাখতে হবে পরের দিনের সমস্ত খাবার। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন থেকেই বহু বাঙালি বাড়িতে শুরু হয়ে যায় রীতিমতো রান্নার উৎসব।বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে অরন্ধনের যোগ কোথায়?বিশ্বকর্মা পুজো মূলত কারিগর, শিল্পী, শ্রমজীবী মানুষ এবং কর্মযন্ত্রের আরাধনার দিন। কলকারখানা থেকে গ্যারাজ, দোকান থেকে বাড়ির সেলাই মেশিনকর্মের সঙ্গে যুক্ত নানা সরঞ্জাম এই দিনে পুজো করা হয়। ফলে বহু জায়গায় বিশ্বাস করা হয়, পুজোর দিনে কর্মযন্ত্রকে যেমন বিশ্রাম দেওয়া হয়, তেমনই বিশ্রাম দেওয়া হবে হেঁসেলকেও।তবে অরন্ধনের সঙ্গে শুধু বিশ্বকর্মা পুজোর সম্পর্ক নেই। এর গভীরে রয়েছে দেবী মনসার লোকবিশ্বাস। বাংলার লোকাচারে মনসা দেবী মূলত সাপ ও সর্পদংশনের ভয় থেকে রক্ষা করার দেবী হিসেবে পূজিত। বর্ষার শেষভাগে গ্রামবাংলায় সাপের আনাগোনা বেড়ে যেত। ভাদ্রের শেষ ও আশ্বিনের শুরুর এই সময়টিকে তাই এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখতেন মানুষ।এই বিশ্বাস থেকেই অরন্ধনের দিনে মনসা দেবীর আরাধনার প্রচলন হয়েছে বলে লোকবিশ্বাস।উনুনই মনসার প্রতীক!অরন্ধনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সবচেয়ে আকর্ষণীয় লোকবিশ্বাসগুলির একটি হল উনুন।বছরের প্রতিটি দিন যে উনুনে পরিবারের জন্য রান্না হয়, অরন্ধনের দিনে সেই উনুনেই আগুন জ্বলে না। বরং বহু পরিবারে উনুন পরিষ্কার করে তার উপর আলপনা দেওয়া হয়। কোথাও মনসা পাতা, শালুক পাতা বা অন্য পবিত্র পাতা দিয়ে সাজিয়ে ঘট বসানো হয়।লোকবিশ্বাসে, সেই উনুনের গর্তকেই দেবী মনসার প্রতীক হিসেবে মানা হয়। তাই সেদিন উনুনে রান্না না করে তারই সামনে দেবীর পুজো করা হয়।অর্থাৎ অরন্ধন শুধু রান্না না করার দিন নয়, বরং যে আগুন ও উনুন সারা বছর সংসারকে ধারণ করে, তাকে এক দিনের জন্য বিশ্রাম ও সম্মান জানানোর লোকাচারও।অরন্ধনের ভোগে কী থাকে?অরন্ধনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্যই তার বহু পদে সাজানো ভোগ ও খাবারের আয়োজন। অঞ্চলভেদে পদ বদলে যায়, পরিবারের রীতিতেও থাকে পার্থক্য। তবে ভাদ্র সংক্রান্তি বা অরন্ধনের দিনে বাংলার ঘরে ঘরে দেখা যায় নানা ধরনের নিরামিষ ও আমিষ পদ।কচুর শাক এই রান্নার অন্যতম পরিচিত পদ। তার সঙ্গে থাকে নানা শাক, বিভিন্ন রকম ভাজা, ডাল, চালতার ডাল, চালতার টক, কুমড়ো ভাজা, নারকেল ভাজা ইত্যাদি।অনেক বাড়িতে থাকে ইলিশ মাছের নানা পদ। কোথাও ইলিশ ভাজা, কোথাও সর্ষে ইলিশ, আবার কোথাও স্থানীয় রীতি অনুযায়ী অন্য মাছের পদও রান্না করা হয়।এর পাশাপাশি থাকতে পারেমুগ ডাল বা মুসুর ডালচালতার ডালকচুর শাকবিভিন্ন শাকভাজাকুমড়ো ভাজানারকেল ভাজাআলু বা অন্যান্য সবজির ভাজাচালতার টকইলিশ মাছ বা অন্যান্য মাছের পদপান্তা বা ভিজে ভাতবিভিন্ন ধরনের বড়া ও স্থানীয় ভাজাভুজিঅঞ্চলভেদে আরও নানা পদ যোগ হয়। কোথাও অরন্ধনের ভোগে থাকে কলাই ডাল, কোথাও কাঁচকলা, আবার কোথাও বিশেষ কোনও পারিবারিক পদ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে।ভিজে ভাতের সঙ্গে কেন এত স্মৃতি?অরন্ধনের খাবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ভিজে ভাত বা পান্তা ভাত। আগের দিন রান্না করা ভাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাওয়ার রীতি বাংলার গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।এর সঙ্গে কচুর শাক, বিভিন্ন ভাজা, ডাল, মাছের পদ কিংবা টকসব মিলিয়ে তৈরি হয় একেবারে অন্যরকম স্বাদের খাবার। আধুনিক রান্নাঘরে যার জায়গা ক্রমশ কমছে, অরন্ধনের দিন সেই পুরনো স্বাদই যেন ফিরে আসে।আগের দিন এত রান্না কেন?অরন্ধনের মূল নিয়মই হলপরের দিন রান্না নয়। তাই আগের দিন সকাল থেকেই বাড়ির মহিলারা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে শুরু করেন রান্নার আয়োজন।একসঙ্গে অনেক পদ রান্না করে রাখা হয়। তারপর মনসা দেবীকে সেই রান্না নিবেদন করা হয়। পুজো শেষ হলে পরিবারের সদস্যরা সেই খাবার প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন।এই কারণেই কোথাও এই উৎসবের নাম রান্না পুজো, কোথাও বুড়ো রান্না, আবার কোথাও আটাশে রান্না বা স্থানীয় অন্য নামে পরিচিত।অরন্ধন আসলে বাংলার হেঁসেলের উৎসবশহুরে জীবনে অরন্ধনের অনেক রীতিই আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্যাসের উনুন, ইন্ডাকশন, মাইক্রোওয়েভের যুগে মাটির উনুনে আলপনা দিয়ে পুজো করার দৃশ্য এখন আগের মতো সর্বত্র দেখা যায় না।তবু বাংলার বহু বাড়িতে আজও অরন্ধন মানেই আত্মীয়-স্বজনের সমাগম, পুরনো দিনের রান্না, মাটির উনুন, মনসা দেবীর পুজো এবং পরের দিন রান্নাঘরে আগুন না জ্বালানোর এক অভিনব রীতি।বিশ্বকর্মা পুজোর কর্মযন্ত্র যখন এক দিনের বিশ্রাম পায়, তখন হেঁসেলের উনুনও যেন সেই বিশ্রামের অংশীদার হয়। আর তারই সামনে দেবী মনসার আরাধনা করে বাঙালি মনে রাখে প্রকৃতি, ঋতু পরিবর্তন, সর্পভয় এবং ঘর-সংসারের মঙ্গলকামনার সেই প্রাচীন লোকবিশ্বাসকে।তাই অরন্ধন শুধুমাত্র রান্না না করার দিন নয়। এটি বাংলার লোকসংস্কৃতি, খাদ্যপরম্পরা, দেবী মনসার আরাধনা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে এক সুতোয় বেঁধে রাখা এক অনন্য উৎসব।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

তেঁতুল শুধু টক নয়, পুষ্টির বড় ভাণ্ডার! শিশু থেকে বয়স্ক, কারা কতটা খাবেন?

তেঁতুলের নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। টক, হালকা মিষ্টি এবং নিজস্ব স্বাদের কারণে ভারতীয় রান্নাঘরে দীর্ঘদিন ধরেই তেঁতুলের বিশেষ জায়গা রয়েছে। ডাল থেকে চাটনি, শরবত থেকে আচার, বিভিন্ন পদে তেঁতুল খাবারের স্বাদ বাড়ায়। তবে শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই ফলের গুরুত্ব রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে খেলে শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সের মানুষের সুষম খাদ্যতালিকায় তেঁতুল রাখা যেতে পারে।তেঁতুলে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, অল্প পরিমাণ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি-গোষ্ঠীর কিছু উপাদান। পাশাপাশি এতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে এবং হজমে সাহায্য করতে পারে। একই কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও কিছুটা উপকার মিলতে পারে। অন্যদিকে, পটাশিয়াম শরীরের স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ হাড়, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতায় প্রয়োজনীয়।আরও পড়ুনঃ এত দিন মুখ বন্ধ, গ্রেফতার হতেই মুখ খুললেন সুমিত? জমি কেলেঙ্কারিতে সামনে আসছে নতুন তথ্যতেঁতুলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতেও সাহায্য করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখে। তবে তেঁতুল কোনও রোগের ওষুধ বা অলৌকিক খাদ্য নয়। এর উপকার পেতে হলে সামগ্রিক সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই এটি খাওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ এক রেজিস্ট্রেশন নম্বর, দুই চিকিৎসক! শিশুমৃত্যুর তদন্তে ভুয়ো ডাক্তারি নথির চাঞ্চল্যকর অভিযোগদুই বছরের বেশি বয়সি শিশুদের অল্প পরিমাণে তেঁতুল দেওয়া যেতে পারে। তেঁতুলের শরবত, টক ডাল, সাম্বর, চাটনি, সালাদ কিংবা তেঁতুল ভাত, বিভিন্নভাবেই এটি খাবারে যোগ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে কারও কারও অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। যাঁদের তীব্র অ্যাসিডিটি বা পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খুব টক খাবার ঘন ঘন খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই তেঁতুলের ক্ষেত্রে মূল কথা, স্বাদ ও পুষ্টি পেতে পরিমিত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোয় আমিষ নিয়ে বাগেশ্বরের মন্তব্য, এবার পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী! বাঙালিদের নিয়ে কী বললেন?

পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর থেকেই এই নিয়ে জোর চর্চা চলছে। তার মধ্যেই শনিবার গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়, আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির অজানা নয়।কয়েক দিন আগে হাওড়ার লিলুয়ায় এসেছিলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত। সেখানেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, অনেকে পেঁয়াজ খান, মদ্যপান করেন, আবার নিজেদের ধার্মিকও বলেন। এমনকি পুজোর সময়ে আমিষ খাওয়া বন্ধ করার আবেদনও জানান তিনি। আমিষ খান এমন মানুষদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাগেশ্বর বাবা। পাখণ্ডী শব্দ ব্যবহার করে তাঁদের ভেকধারী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, একজন মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অন্য কেউ কীভাবে নির্দেশ দিতে পারেন। বিতর্কের মধ্যেই স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন বাগেশ্বর বাবা। তাঁর দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, পুজোয় আমিষ খেতে বারণ করার তিনি কেউ নন। তাঁর আপত্তি বলিপ্রথা নিয়ে। তবে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মণ্ডপে মাছ-মাংস খেতে তিনি বারণ করেছেন বলেও জানান।এই পরিস্থিতিতেই শনিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী লিলুয়ায় এসেছিলেন এবং তাঁকে দেখতে বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, বাঙালি জানে কখন নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়। আবার মাছ দিয়ে প্রসাদ দেওয়ার রীতিও বাঙালির জানা। অর্থাৎ পুজোর সময়ে বাঙালির ধর্মীয় আচারের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের যে নিজস্ব রীতি রয়েছে, সেই দিকটিই তুলে ধরেন তিনি।বাগেশ্বর বাবার আমিষ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পাল বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে সমর্থন করেননি বলেই জানা গিয়েছে। ফলে পুজোর মরসুমে আমিষ ও নিরামিষ খাবার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন ধর্মীয় মত, বাঙালির সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসএই তিনটি বিষয়কে ঘিরেই আরও জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal