• ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ASP

খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারতের ঐতিহাসিক জয়, টানা দ্বিতীয় শিরোপা

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে আর একটি সোনালি অধ্যায় যোগ হল। রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপ জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার কৃতিত্বও অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে এটি ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬ সালে আবার আইসিসি ট্রফি জিতল ভারত। অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল ভারত।পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের মোড়ফাইনালের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনারদের। সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের দিক অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।প্রথম ছয় ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৯২/০, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম সেরা পাওয়ার প্লে স্কোর। শুরুতেই কিউয়ি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ভারত এমন রান তোলে যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত তাদের হাতে চলে আসে।অন্যদিকে, নিউ জ়িল্যান্ড যখন ব্যাট করতে নামে তখন পাওয়ার প্লে-তেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৫২ রানে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা।সমালোচনার জবাব অভিষেকের ব্যাটেপুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল অভিষেক শর্মাকে নিয়ে। মাঝখানে একটি অর্ধশতরান ছাড়া তিনি বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন তাঁকে দলে রাখা হয়েছে।ফাইনালের মতো বড় মঞ্চেই সেই সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি। অধিনায়ক ও পুরো টিম মেনেজমেন্টের ভরসার মূল্য দিলেন অভিষেক। খেলার শুরু থেকেই নির্ভীক ব্যাটিং করে একের পর এক চার-ছক্কায় কিউয়ি বোলারদের চাপে ফেলেন। লকি ফার্গুসনের মতো দ্রুতগতির বোলারকেও অনায়াসে মাঠের বাইরে পাঠান। তাঁর আত্মবিশ্বাসী ইনিংস ভারতের বিশাল রানের ভিত তৈরি করে দেয়।শিবম তান্ডব!মাঝের ওভারে জিমি নিশামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। একই ওভারে সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণ এবং সূর্যকুমার যাদব আউট হওয়ায় কিছুটা চাপে পড়ে দল।কিন্তু শেষদিকে শিবম দুবে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের চিত্র আবার বদলে দেন। শেষ ওভারে নিশামের বলে ২৪ রান তুলে ভারতের স্কোর ২৫০-র গণ্ডি পার করান তিনি। সেই অতিরিক্ত রানই শেষ পর্যন্ত বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়অক্ষর পটেলের বাপু ম্যাজিকভারতের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অক্ষর পটেল। আহমেদাবাদ তাঁর ঘরের মাঠ হওয়ায় দর্শকদের সমর্থনও ছিল প্রবল।ম্যাচের শুরুতেই ফিন অ্যালেনকে আউট করে কিউয়িদের বড় ধাক্কা দেন তিনি। পরের ওভারে গ্লেন ফিলিপসকেও বোল্ড করে দেন দুর্দান্ত স্লাইডার ডেলিভারিতে। এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে নিউ জ়িল্যান্ডকে ছিটকে দেন অক্ষর।দর্শকাসনের সামনে তাঁর উদযাপন বাপু ম্যাজিক হিসাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকে।বুমরাহর বিধ্বংসী স্পেলবড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হল না।চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তাঁর ইয়র্কার ও নিখুঁত লাইন-লেংথে কিউয়ি ব্যাটাররা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই স্পেলই ভারতের জয় নিশ্চিত করে দেয়।ঈশানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংফাইনালে উইকেটকিপিং না করেও আউটফিল্ডে অসাধারণ ফিল্ডিং করলেন ঈশান কিষাণ। ব্যাট হাতে ২৫ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংসের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও নজর কাড়েন তিনি।রাচিন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেল ও টিম সিফার্টের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে ম্যাচে ভারতের আধিপত্য আরও বাড়িয়ে দেন ঈশান।নতুন চোকার্স তকমা?গত দশ বছরে নিউ জ়িল্যান্ড ছয়টি আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে মাত্র একবার২০২১ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজিততে পেরেছে তারা। বাকি পাঁচটি ফাইনালেই পরাজিত হয়েছে।এই ফাইনাল হারার পর আবারও প্রশ্ন উঠছেদক্ষিণ আফ্রিকার মতো কি নিউ জ়িল্যান্ডও চোকার্স তকমা পেতে চলেছে?শেষ কথা:আহমেদাবাদের সেই স্টেডিয়ামেই, যেখানে ২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে হারতে হয়েছিল, সেখানেই এবার ইতিহাস রচনা করল ভারত। টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল তারা।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান—ফাইভ-ফর নিয়ে ইডেনে নতুন অধ্যায় লিখলেন বুমরাহ

যেখানে দলেই থাকেন জসপ্রীত বুমরাহ, সেখানে অধিনায়কের চিন্তা যেন অর্ধেক কমে যায়। আবারও সে কথাই প্রমাণ করে দিলেন ভারতীয় পেস সেনসেশন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইডেনে যেন আগুন ছুড়লেন তিনি। মাত্র ২৭ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে একার হাতে গুছিয়ে দিলেন প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইন-আপকে। ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে টেস্টের প্রথম দিনেই পাঁচ উইকেট নেওয়ার বিরল রেকর্ড গড়লেন বুমরাহ। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে এই কীর্তি করেছিল ডেল স্টেন। এবার ভারতীয় দর্শকরা সাক্ষী হলেন বুমরাহ ম্যাজিকের।ইডেনে শেষবার প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালে, গোলাপি বলের ঐতিহাসিক টেস্টে, ইশান্ত শর্মার হাতে। প্রায় ছয় বছর বাদে বুমরাহও সেই তালিকায় নিজের নাম খোদাই করে দিলেন। তার সঙ্গে গড়ে ফেললেন আরও একাধিক রেকর্ড।২০১৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত টেস্টে সবচেয়ে বেশি বার ওপেনারদের আউট করার রেকর্ড এখন বুমরাহর দখলে। স্টুয়ার্ট ব্রডকে পিছনে ফেলে ১৩ বার প্রতিপক্ষের ওপেনিং ব্যাটারকে ফিরিয়ে দিলেন তিনি। ম্যাচের ১১তম ওভারে রিকলটনকে ফেরান, যিনি তখন মারমুখী মেজাজে ব্যাট করছিলেন। এরপর ১৩তম ওভারে আবার আঘাতপরাস্ত হন মার্করাম। দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৩১ ও ২৩।এতেই শেষ নয়। রিকলটনকে বোল্ড করেই আরেকটি ভারতীয় রেকর্ড ভেঙে ফেললেন বুমরাহ। বোল্ড করে সবচেয়ে বেশি উইকেট তোলার তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন তিনি। ১৫২ জন ব্যাটারকে বোল্ড করে এবার অশ্বিনকে (১৫১) ছাপিয়ে গেলেন। তার ওপরে রয়েছেন কিংবদন্তি কপিল দেব (১৬৭) এবং তালিকার শীর্ষে অনিল কুম্বলে (১৮৬)।ইডেনে বুমরাহ যেন নিজের আলাদা মঞ্চ তৈরি করলেন। একের পর এক নিখুঁত ইয়র্কার, বাউন্সার আর গতি পরিবর্তনের ঝড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং ভেঙে চুরমার। আবারও প্রমাণ হলভারতের টেস্ট দলকে যতক্ষণ বুমরাহ বোলিং আক্রমণের সামনে রয়েছেন, ততক্ষণ যে কোনও প্রতিপক্ষই সতর্ক না হয়ে পারে না।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বুমরার দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট অব্যাহত ভারতের। টি২০ সিরিজ জেতার পর এবার একদিনের সিরিজেও এগিয়ে গেল ১০ ব্যবধানে। জস বাটলারের দলকে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ১০ উইকেটে হারাল ভারত। ভারতের জয়ের নায়ক যশপ্রীত বুমরা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ইংল্যান্ড।আকাশ মেঘলা, বাইশ গজে ঘাস। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করেননি ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। জোরে বোলিংয়ের উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে বল হাতে জ্বলে ওঠেন যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ডকে ধাক্কা দেন বুমরা। নিজের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে তুলে নেন জেসন রয়কে (০)। একবল পরেই তুলে নেন জো রুটকে (০)। দীর্ঘদিন পর সাদাবলের ক্রিকেটে ফেলে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি রুট। পরের ওভারেই বেন স্টোকসকে (০) ফেরান মহম্মদ সামি। ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে জনি বেয়ারস্টোকে (২০ বলে ৭ রান) তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে কোনঠাসা করে দেন বুমরা।অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে লিয়াম লিভিংস্টোনকে (০) তুলে নেন বুমরা। এরপর মইন আলিকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করেন অধিনায়ক জস বাটলার। জুটিতে ওঠে ২৭। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন মইন আলিকে (১৪)। একের পর এক উইকেট হারানোয় পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন বাটলার (৩০)। মহম্মদ সামির বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ধরা পড়েন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ক্রেগ ওভার্টনকেও (৮) তুলে নেন সামি। এইসময় ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ৬৮। এরপর ডেভিড উইলি ও ব্রাইডন কার্সের জুটি ইংল্যান্ডকে ১০০ রান পার করে দেয়। কার্স ২৬ বলে ১৫ রান করে বুমরার বলে আউট হন। ২৬ বলে ২১ রান করে ডেভিড উইলিও বুমরার বলে বোল্ড হন। ২৫.২ ওভারে ১১০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ৭.২ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন বুমরা। ৭ ওভারে ৩১ রান খরচ করে নেন ৩ উইকেট সামি।জয়ের জন্য ১১১ রানের টার্গেটে রোহিত শর্মার দল পৌঁছে যায় কোনও উইকেট না হারিয়েই। অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল ঝকঝকে অর্ধশতরান। ৫৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৫৪ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান। ১৮.৪ ওভারে ১১৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

জুলাই ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জীবনে প্রথম নেতৃত্বে বুমরা, চাপ নিয়ে মাঠে নামছে ভারত

শুক্রবার থেকে এজবাস্টনে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডভারতের অসমাপ্ত সিরিজের পঞ্চম টেস্ট। প্রত্যাশামতোই এই টেস্টে খেলতে পারছেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেবেন যশপ্রীত বুমরা। সহঅধিনায়কের দায়িত্ব সামলাবেন ঋষভ পন্থ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বুমরার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রোহিত শর্মার খেলতে না পারাটা ভারতীয় দলের কাছে নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। চাপ নিয়েই মাঠে নামতে হবে ভারতকে।ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রোহিত শর্মার জন্য অপেক্ষা করতে চেয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রোহিতের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট আবার পজিটিভ আসে। ফলে তাঁর মাঠে নামার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। আগে যে কোনও ধরণের ক্রিকেটে কখনও নেতৃত্ব দেননি বুমরা। এই প্রথম তিনি অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন। কপিলদেবের পর দীর্ঘ ৩৫ বছরে এই প্রথম কোনও জোরে বোলার দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।রোহিত শর্মার পরিবর্ত হিসেবে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে ইংল্যান্ড উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও তাঁকে খেলানো হবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। শুভমান গিলের সঙ্গে কে ওপেন করেন, এখন সেটাই দেখার। প্রস্তুতি ম্যাচে হনুমা বিহারী ও কেএস ভরতকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। চেতেশ্বর পুজারার সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদি হনুমা বিহারী ওপেন করেন, তাহলে তিন নম্বরে পুজারা। চারে বিরাট কোহলি, পাঁচে শ্রেয়স আয়ার, ছয়ে ঋষভ পন্থ। অলরাউন্ডার হিসেবে প্রথম একাদশে শার্দূল ঠাকুরের খেলার সম্ভাবনা বেশি। দুই জোরে বোলার যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি নিশ্চিত। তৃতীয় জোরে বোলারের জায়গার জন্য জোর লড়াই মহম্মদ সিরাজ ও উমেশ যাদবের মধ্যে। একমাত্র স্পিনার হিসেবে রবিচন্দ্রন অশ্বিন না রবীন্দ্র জাদেজা খেলবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও পঞ্চম টেস্টে ভারতের লড়াই সহজ হবে না। কারণ নতুন অধিনায়ক বেন স্টোকস ও কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের অধীনে দারুণ ছন্দে রয়েছে ইংল্যান্ড। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে। ফলে বুমরাদের কাছে কাজ সহজ হবে না।

জুন ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে ফরাসি ওপেন জিতে নিলেন নাদাল

তিনিই যে ক্লে কোর্টের রাজা, আবার প্রমান করে দিলেন রাফায়েল নাদাল। ক্যাসপার রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে জিতে নিলেন কেরিয়ারের ১৪তম ফরাসি ওপেন খেতাব। ফরাসি ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে গেলেন ২২ তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাবে।সাম্প্রতিককালে নরওয়ের ক্যাসপার রুড ক্লে কোর্টে দারুন দাপট দেখাচ্ছেন। অনেকেই ভেবেছিল, ফরাসি ওপেনের ফাইনালে রাফায়েল নাদালকে বেগ দেবেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারলেন না। নাদালের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি রুড। এবারের ফরাসি ওপেনে নাদাল খেলতে নেমেছিলেন পঞ্চম বাছাই হিসেবে। নরওয়ের রুড ছিলেন অষ্টম বাছাই। নরওয়ের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রথম কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেললেন নাদাল-ভক্ত রুড। ৩৬ বছরের নাদাল সবচেয়ে বেশি বয়সের টেনিস তারকা হিসেবে জিতলেন ফরাসি ওপেন খেতাব। ৫০ বছর আগে স্পেনের আন্দ্রে জিমেনো ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন ৩৪ বছর বয়সে। ২০০৫ সালে ১৯ বছর বয়সে নাদাল প্রথমবার ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন। তখন এই রুডের বয়স ছিল মাত্র ৬। রুড মালোর্কায় রাফায়েল নাদালের আকাদেমিতে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। গুরুর বিরুদ্ধে গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেলা তাঁর কাছে স্বপ্নপূরণ বলেও জানান তিনি।প্রথম দুটি সেট নাদাল ৬-৩, ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেটে নাদাল একটা সময় ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ অবধি ৪৮ মিনিটে তিনি ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন প্রথম সেট। ঠাণ্ডা আবহাওয়া, হাওয়াও দিচ্ছিল। দ্বিতীয় সেট চলাকালীন রোদ ওঠে। একটা সময় দ্বিতীয় সেটে রুড ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নাদাল নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে এরপরই টানা পাঁচটি গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে নাদাল মাত্র পাঁচটি আনফোর্সড এরর করেন। তৃতীয় সেটেও অসাধারণ দাপট দেখালেন রাফা। তৃতীয় সেটে রুডকে দাঁড়াতেই দেননি। আগাগোড়া দুরন্ত সার্ভেই বাজিমাত করেন ক্লে কোর্ট কিং রাফা। তৃতীয় সেট নাদাল জিতে নেন ৬-০ ব্যবধানে। এদিন রাফা বনাম রুডের ফাইনাল চলল ২ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ধরে। এই জয়ের ফলে রোলাঁ গারোয় নাদাল জিতলেন ১১২টি ম্যাচ, হেরেছেন মাত্র তিনটিতে। ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ এবং নরওয়ের রাজপুত্র হাকন। পাশাপাশি বসেই তাঁরা দেখলেন ক্লে কোর্টের রাজার শ্রেষ্ঠত্ব।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে এ কী হাল ঋষভদের!‌ বুমরার দাপটে ধসে গেল দিল্লি

আইপিএলের প্লে অফে তিনটি জায়গা নিশ্চিত হয়ে গেছে। বাকি একটা জায়গা। লড়াই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে। প্লে অফের টিকিটের জন্য এই মুহূর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হাতে কিছু নেই। দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছিল তাদের ভাগ্য।১৪ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের পয়েন্ট ১৬। আর ১৩ ম্যাচে দিল্লির পয়েন্ট ১৪। নেট রানরেটে দিল্লি (+০.২৫৫) এগিয়ে রয়েছে বেঙ্গালুরুর (-০.২৫৩) থেকে। সুতরাং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দিল্লি ক্যাপিটালস জিতলেই পেয়ে যাবে প্লে অফের টিকিট। আর ঋষভ পন্থরা হারলে প্লে অফে খেলার সুযোগ এসে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচেও ব্যাটিং বিপর্যয় দিল্লি ক্যাপিটালসের। দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন রভম্যান পাওয়েল ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যেই লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৫৯/৭। টস জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সুস্থ হয়ে ওঠায় দিল্লি এদিন ললিত যাদবের জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরায় পৃথ্বী শকে। মরণবাঁচন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার জন্য ডেভিড ওয়ার্নারের ফর্মে ফেরার দিকে তাকিয়ে ছিল দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু এদিনও ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারলেন ওয়ার্নার। ৬ বলে মাত্র ৫ রান করে তিনি তৃতীয় ওভারে ড্যানিয়েল স্যামসের বলে বুমরার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভারেই মিচেল মার্শকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। এক ওভার পরেই তিনি ফেরান পৃথ্বী শকে। প্রথম একাদশে ফিরে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন পৃথ্বী। কিন্তু বড় রান করতে পারলেন না। ২৩ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। সরফরাজ খানও (৭ বলে ১০) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে দিল্লি। এরপরই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও রভম্যান পাওয়েল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৫। এই জুটিই মান বাঁচায় দিল্লির। ঋষভকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রমনদীপ সিং। ৩৩ বলে তিনি করেন ৩৯। তারপরই আউট হল রভম্যান পাওয়েল। ৩৪ বলে তিনি করেন ৪৩। পাওয়েলের স্টাম্প ছিটকে দেন বুমরা। শেষ পর্যন্ত অক্ষর প্যাটেলের (১০ বলে ১৯) সৌজন্যে ১৫৯/৭ রানে পৌঁছয় দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা।

মে ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফরাসি অভিনেতা গ্যাস্পার উলিয়েল প্রয়াত

স্কি করতে গিয়ে দুর্ঘটনা। সেই দুর্ঘটনাই কেড়ে নিল ফরাসি অভিনেতা গ্যাস্পার উলিয়েলের প্রাণ। মুন নাইট, হ্যানিবাল রাইজিং-এর মতো একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করা গ্যাস্পার মাত্র ৩৭ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। কিন্তু চিকিৎসাতেও সেরে ওঠেননি তিনি। হলিউডের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, স্কি করতে গিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে ধাক্কা লাগে গ্যাস্পারের। সেই ব্যক্তিও তখন স্কি করছিলেন। মারাত্নক চোট লাগে অভিনেতার। তড়িঘড়ি হেলিকপ্টারে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় গ্যাস্পারকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। তাঁর মৃত্যুর তদন্ত শুরু করবে পুলিশ। ইটস অনলি দ্য এন্ড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ছবিতে অভিনয় করে ২০১৭ সালে ফ্রেঞ্চ সিজার পুরস্কার জেতেন গ্যাস্পার উলিয়েন। গ্যাস্পারের আচমকা অকালমৃত্যুতে শোকাহত তাঁর সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্তরাও।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বুমরার দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত

ইংল্যান্ডের মাটিতে টস হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ওভালে চতুর্থ টেস্টেও সেই টসে হার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯১ রানে গুটিয়ে গেলেন বিরাট কোহলিরা। দুদুটি রেকর্ড করার দিনেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ওভাল টেস্টে মেঘলা আবহাওয়া দেখে টস জিতে ফিল্ডিং নিতে দ্বিধা করেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। বিরাট কোহলিরও সেইরকম পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু টস হারায় নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তবে লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সেই আশা পূরণ হয়নি ভারতীয় দলের অধিনায়কের। তাঁর পরিকল্পনা ধাক্কা খায় প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের ব্যর্থতায়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ৩ উইকেট হারানোয় বড় রানের স্বপ্নে সলিলসমাধি ঘটে। চতুর্থ টেস্টে দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোটের জন্য ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ সামিকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামতে হয় ভারতকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও উমেশ যাদব। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে চতুর্থ টেস্টেও প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের স্যাম কারেনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পান ক্রিস ওকস। জস বাটলারের জায়গায় ওলি পোপ। আগের টেস্টের মত ভারতের দুই ওপেনার অবশ্য শুরুতে ফিরে যাননি। ওভালে বেশ সাবলীলভঙ্গীতেই শুরু করেছিলেন। প্রথম ঘণ্টায় শুধু রোহিত শর্মার উইকেটই হারিয়েছিল ভারত। ম্যাচের নবম ওভারের শেষ বলে দলের ২৮ রানের মাথায় ২৭ বলে ১১ করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন রোহিত। জলপানের বিরতির পর ৩৫ বলের ব্যবধানে লোকেশ রাহুল ও চেতেশ্বর পূজারাও আউট হয়ে যান। তিনটি চারের সাহায্যে ৪৪ বলে ১৭ করে অলি রবিনসনের বলে লেগ বিফোর হন রাহুল। ২৮ রানে দুই উইকেট পড়ে ভারতের। এরপর দলের ৩৯ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসন দুর্দান্ত ডেলিভারিতে তুলে নেন চেতেশ্বর পুজারাকে। ৩১ বল খেলে ৪ রান করে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দেন পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের রান ছিল ২৫ ওভারে তিন উইকেটে ৫৪। তিনটি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ১৮ করে অপরাজিত ছিলেন বিরাট কোহলি। ১৯ বলে ২ রান করে ক্রিজে ছিলেন জাদেজা।অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে এদিন ৫ নম্বরে নামানো হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ১৪ রান করে ক্রেগ ওভারটনের বলে মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। অধিনায়ক কোহলিও বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারেননি। ৯৬ বলে ৫০ রান করে অলি রবিনসনের বলে উইকেটেপ পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ধরা পড়েন। ভারতের রান তখন ১০৫/৫। ওভাল টেস্টেও খারাপ ফর্ম কাটিয়ে উঠতে পারলেন না রাহানে (১৪) ও ঋষভ পন্থ। চরিত্র বিরোধী ইনিংস খেলে ৩৩ বলে ৯ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। ১২৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ভারত। এরপর উমেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালান শার্দুল ঠাকুর। জুটিতে ওঠে ৬৩। এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেন শার্দুল। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ৬১.৩ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় কোহলিদের ইনিংস। ৫৫ রানে ৪ উইকেট নেন ক্রিস ওকস। রবিনসন ৩৮ রানে নেন ৩ উইকেট। অ্যান্ডারসন ও ওভারটন নেন ১টি করে উইকেট।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে ররি বার্নসকে (৫) বোল্ড করেন যশপ্রীত বুমরা। একই ওভারের শেষ বলে হাসিব হামিদকে (০) তুলে নেন। তারপর রুখে দাঁড়ান দাওইদ মালান ও অধিনায়ক জো রুট।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bumrah : ইংল্যান্ডকে ভাঙলেন যশপ্রীত বুমরা

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে উঠলেন জো রুট। তাঁর অধিনায়কোচিত ইনিংস দারুণভাবে ম্যাচে ফেরাল ইংল্যান্ডকে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৩০৩। দুরন্ত সেঞ্চুরি অধিনায়ক জো রুটের। ইংল্যান্ডকে ভাঙলেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি নেন ৫ উইকেট। জয়ের জন্য ভারতের সামনে লক্ষ্য ২০৯ রান।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াট্রেন্ট ব্রিজে টসে জিতে ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ভারতীয় দলের দুই জোরে বোলার মহম্মদ সামি ও যশপ্রীত বুমরার দাপটে প্রথম ইনিংসে ১৮৩ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ব্যাট করতে নেমে লোকেশ রাহুলের দুর্দান্ত ৮৪ ও রবীন্দ্র জাদেজার ৫৬ রানের সুবাদে ভারত তোলে ২৭৮। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল বিনা উইকেটে ২৫। ররি বার্নস ১১ ও ডম সিবলে ৯ রানে ক্রিজে ছিলেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন বৃষ্টির জন্য অনেকটা সময় নষ্ট হয়।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াচতুর্থ দিন ব্যাট করতে নেমে প্রথম ঘন্টাতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ১৮ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ররি বার্নস। জ্যাক ক্রাউলেকে (৬) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। তিনিও উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ডম সিবলে ও অধিনায়ক জো রুট। সিবলেকে (২৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যশপ্রীত বুমরা।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারসিবলে ফিরে গেলেও মনসংযোগ হারাননি জো রুট। প্রথমে জনি বেয়ারস্টো (৩০) ও পরে ড্যানিয়েল লরেন্স (২৫), জস বাটলারদের (১৭) সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ১০৯ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন জো রুট। তিনি যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান ২৭৪। শেষদিকে সাম কারেন দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন। তিনি ৪৫ বলে করেন ৩২। ৮৫.৫ ওভারে ৩০৩ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। যশপ্রীত বুমরা ৬৪ রানে ৫ উইকেট নেন।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Guava Seller Police: 'পেয়ারা বিক্রেতা' উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরা

জীবনে একটু সাফল্য পেলেই অনেকের মাথা ঘুরে যায়, মাটিতে পা পড়ে না। সমাজে এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। প্রতিবেশীদের মধ্যে মিলবে, এমন লোকজন মিলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-কাছারী সর্বত্র। কত সহজে মানুষের সঙ্গে মেশা যায়, মানবিক ও ব্যতিক্রমী মানসিকতার পরিচয় দিলেন রাজ্যের এক পুলিশ কর্তা। তাঁর নিরহংকারী মানসিকতার জন্য প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটনাগরিকরা।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেরবিবার ছুটির দিনে বহরমপুরে ভ্যানে করে পেয়ারা বিক্রি করতে দেখা গেল লালবাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। রীতিমতো বাদিকে এক কেজির বাটখারা, ডানদিকে পেয়ারা রেখে দাঁড়িপাল্লায় ওজন মাপছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় সরকার। কী ভাবছেন? পুলিশ কর্তা সত্যি কি পেয়ারা বিক্রি করেছেন? অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পেয়ারা বিক্রি করার ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ভাইরাল হয়ে যায়। সকলেই বাহবা দেন ওই পুলিশ কর্তাকে। প্রশংসার বন্যা বয়ে যায় কমেন্ট বক্সে।ওই পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, এদিন লালবাগের পুলিশ আধিকারিক তন্ময় সরকার বহরমপুরে বাজার করতে গিয়েছিলেন। ভ্যানে পেয়ারা বিক্রি করছিলেন এক বিক্রেতা। তিনি ক্যাজুয়াল ড্রেসে থাকা তন্ময় সরকারকে বলেন, দোকানটা একটু দেখুন। আমি টিফিন করে আসছি। সুযোগ পেয়েই পুলিশ কর্তা হাতে দাঁড়িপাল্লা নিয়ে নেন। একের পর এক খদ্দেরকে পেয়ারা বিক্রি করতে থাকেন রীতিমতো দোকানীর মতো। প্রায় ২০ মিনিট এভাবেই পেয়ারার দোকান সামলে নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরনেটনাগরিকরা এই ছবি দেখে স্যালুট জানিয়েছেন পুলিশ কর্তাকে। বাহবা দিয়েছেন প্রত্যেকে। উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তার এই ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত নেটনাগরিকরা। মনুষ্যত্ব ও নিরহংকারী মানসিকতার জন্য ওই পুলিশ কর্তাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সকলে।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Y‌ashpal Sharma : মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপের নায়ক, শোকস্তব্ধ গোটা দেশ

ভারতীয় ক্রিকেটে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য যশপাল শর্মা। বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। মঙ্গলবার সকালে নিজের বাসভবনেই মারা যান দেশের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। মৃত্যুকালে যশপাল রেখে গেলেন স্ত্রী রেণু শর্মা, দুই মেয়ে পুজা ওপ প্রীতি এবং ছেলে চিরাগকে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়ামহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের১৯৮৩ বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন যশপাল শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিস খেলেছিলেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওটাই ছিল সর্বোচ্চ স্কোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেও ৮৯ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন যশপাল। দেশের হয়ে ৩৭ টি টেস্ট খেলেছিলেন। রান করেন ১৬০৬। সেঞ্চুরি ২টি। ৪২টি একদিনের ম্যাচে রান করেছেন ৮৮৩। যশপাল শর্মার রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে এই ব্যাপারে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। খারাপ ফর্মের জন্য ১৯৮৩৮৪ মরশুমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। পরে আর সেই জায়গা ফিরে পাননি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিখেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর একসময় ম্যাচ রেফারির দায়িত্বও পালন করেছিলেন যশপাল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন যশপাল। তাঁর সময় কালেই কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। প্রকাশ্যে সৌরভের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন যশপাল। সৌরভের হয়ে বিবৃতিও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের নানা কর্মকান্ডের সমালোচনায় মুখর হন। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, গ্রেগ চ্যাপেল যাদের পছন্দ করেন না, তাদের দলে না রাখার জন্য নির্বাচকদের চাপ দিতেন। শারদ পাওয়ার বোর্ড সভাপতি হওয়ার পর নির্বাচকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় যশপাল শর্মাকে। পরে আবার নির্বাচকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। একসময় আম্পায়ারের ভুমিকাতেও দেখা গেছে যশপালকে।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেযশপাল শর্মার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে ক্রীড়ামন্ত্রী, বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ শোকজ্ঞাপন করেছেন। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ টুইটারে লিখেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। দেশকে ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিল। ওর পরিবারকে আমার সমবেদনা জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুর টুইটারে শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, ভারতীয় ক্রিকেটে যশপাল শর্মার অবদান কখনও ভোলা যাবে না। শচীন টুইট করেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ে শর্মাজীর অবদান কখনও ভোলার নয়।

জুলাই ১৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal