• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

দেশ

টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্র

করোনার টিকাকরণ (Corona vaccine) নিয়ে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। পাশাপাশি, আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিনামূ্ল্যে রেশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। 21 जून से 18 वर्ष से ऊपर के सभी नागरिकों के लिए भारत सरकार राज्यों को मुफ्त वैक्सीन मुहैया कराएगी।किसी भी राज्य सरकार को वैक्सीन पर कुछ भी खर्च नहीं करना होगा। pic.twitter.com/VKK3oddw80 Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021সোমবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এবার থেকে দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। এই প্রক্রিয়া আগামী ২১ জুন যোগ দিবস থেকে শুরু হবে। এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) জানিয়েছেন, এ বছর ১৬ জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত টিকাকরণ মূলত কেন্দ্রের হাতেই ছিল। দেশ বিনামূল্যে টিকাকরণের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু তারপর অনেক রাজ্য টিকাকরণের ভার নিজেদের হাতে চাইছিল। স্বাস্থ্য যেহেতু মূলত রাজ্যের ব্যাপার, তাই ভারত সরকার রাজ্যগুলির উপর টিকাকরণের (Vaccination) ভার ছেড়েছিল। ভারত সরকার গাইডলাইন তৈরি করেছিল, যাতে রাজ্য সরকারগুলি নিজেদের মতো ব্যবস্থা করতে পারে। ১মে থেকে রাজ্য সরকারগুলিকে ২৫ শতাংশ করে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। মে মাসের দু সপ্তাহের মধ্যেই অনেক রাজ্য সরকার বুঝতে পারে, আগের ব্যবস্থাই ভাল ছিল। অনেক রাজ্য সরকারের টিকা দানে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সমস্যা মেটাতেই কেন্দ্র আগের মতো সব নাগরিকের টিকাকরণের দায়িত্ব নিল। ১৮ বছরের উপরের সব নাগরিককে টিকাকরণের আওতায় আনা হল। তবে, কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে, বেসরকারি হাসপাতাল ভ্যাকসিনের দামের উপর সর্বোচ্চ দেড়শো টাকা সার্ভিস ট্যাক্স নিতে পারবে। এটা দেখাশোনার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।प्रधानमंत्री गरीब कल्याण अन्न योजना को अब दीपावली तक आगे बढ़ाया जाएगा। महामारी के इस समय में सरकार गरीब की हर जरूरत के साथ उसका साथी बनकर खड़ी है।यानि नवंबर तक 80 करोड़ से अधिक देशवासियों को हर महीने तय मात्रा में मुफ्त अनाज उपलब्ध होगा। pic.twitter.com/Ospx5R80FT Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021

জুন ০৭, ২০২১
বিদেশ

ট্রেন দুর্ঘটনা : পাকিস্তানে দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৩০

ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধু প্রদেশে। দুটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল অন্তত ৩০ জন যাত্রীর। আহত আরও ৫০ জন। এছাড়া দুর্ঘটনার জেরে লাইনচ্যুত হয়েছে দুটি ট্রেনের একাধিক কামরা। এর ফলে ওই এলাকায় স্তব্ধ রেল পরিষেবা। ইতিমধ্যে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটির খবর পেয়ে টুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (PM Imran Khan)।পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি জেলার অন্তর্গত রেতি ও দাহরকি স্টেশনের মধ্যবর্তী জায়গায় মিল্লত ও স্যার সইদ এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ। ওই সময় দুটি ট্রেন মিলিয়ে প্রায় ১১০০ জন যাত্রী ছিলেন। রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগে থেকেই লাইনচ্যুত হয়েছিল মিল্লত এক্সপ্রেস। সেই সময়ই করাচি থেকে সারগোধাগামী স্যার সইদ এক্সপ্রেস সোজা এসে ধাক্কা মারে মিল্লতকে। এখনও দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরাগুলির মধ্যে অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যু খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্যের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ঘোটকি, ধারকি, ওবারো এবং মীরপুর মাথেলো এলাকার সমস্ত হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই রুটে সমস্ত ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। বগিগুলিকে কাটতে ভারী কাটার আনা হচ্ছে। এছাড়া পাঠানো হয়েছে রিলিফ ট্রেনও।ইতিমধ্যে এই ঘটনায় টুইটে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। তিনি লেখেন, আজ সকালে ঘোটকিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এবং নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করতে ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। রেল নিরাপত্তার গাফিলতি থাকলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।

জুন ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

দীর্ঘ অবসরের পড় আবার জুটি বাঁধতে চলেছেন রাম গোপাল ভার্মা এবং অমিতাভ বচ্চন

প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক রাম গোপাল ভার্মা ও শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের মেলামেশা এবং বন্ধুত্ব কয়েক দশকের। আরজিভি (রাম গোপাল ভার্মা-র সংস্থা) চলচ্চিত্র জগতে তাদের যাত্রা শুরু করার পর থেকেই তাদের বন্ধুত্ব একটা মাত্রা পায় যা এখন অটুট। তারা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের একসাথে জুটি বেঁধেছিলেন যার মধ্যে উল্লেখ্য সরকার, সরকার রাজ, রান,নিঃশব্দ। সেই সিনেমাগুলির মধ্যে কিছু সিনেমা চূড়ান্ত সাফল্যে পায়, কিছু সিনেমা মুখ থুবরে পড়ে। শনা যাচ্ছে দীর্ঘ চার বছর পর ওই জুটি আবার একত্রিত হচ্ছেন।সুত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে , রাম গোপাল ভার্মা এখন একটি স্ক্রিপ্ট লিখেছেন যা তিনি গত কয়েক বছর ধরে তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি এখনই মুম্বই থেকে গোয়ায় বসবাস করেছেন এবং তিনি ওই সিনেমাটির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য অমিতাভ বচ্চনকে অনুরোধ করেছিলেন, এবং শাহেনশা কেবল স্ক্রিপ্ট টি শুধু পছন্দই করেননি বরং এটিতে অভিনয় করার অনুমতিও দিয়ে দিয়েছেন। আরজিভি বর্তমানে দাউদ ইব্রাহিমের জীবনের উপর ভিত্তি করে তাঁর ওয়েব সিরিজ ডি কোম্পানি জন্য প্রচন্ড ব্যস্ত রয়েছেন, সিরিজের পরবর্তী কিস্তি শেষ করার পরেই এই ছবিটির কাজ শুরু করবেন। প্রথম অংশটি শুট হয়ে গেছে বাকিটা লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলি উঠে গেলে শুট করা হবে। আশা করা যায় বচ্চন সাহেবের ছবির শুটিং শুরু হতে হতে বছর গড়িয়ে যাবে।

জুন ০৬, ২০২১
রাজনীতি

ফেসবুক লাইভ নিয়ে মদনকে ভর্ৎসনা মমতার

দলের সাংগঠনিক বৈঠকে ফেসবুক লাইভ নিয়ে দলনেত্রীর কাছে একপ্রকার ধমক খেতে হল কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে । তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদনকে সাফ জানিয়ে দিলেন, এভাবে সামাজিক মাধ্যমে যখন তখন সব কথা বলা যায় না। যদিও মিটিং শেষে মদনবাবু বললেন, দলনেত্রী তাঁকে ফেসবুক লাইভগুলি আরও সুন্দরভাবে করতে বলেছেন।গতরাতে ফেসবুক লাইভে এসে মদন মিত্র প্রকাশ্যেই বলে বসেন, কামারহাটির পুর প্রশাসকের দায়িত্ব আমাকে দায়িত্ব দিয়ে দেখুন। তিন মাসে সব বদলে দেব। কলকাতা শহরের চেয়েও উন্নত করবেন কামারহাটিকে। যা তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়। আজ দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ না করলেও মদন মিত্রকে মমতা তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল নেত্রী মদনকে স্পষ্ট সাবধান করে দিয়েছেন, এভাবে যাতে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কিছু না বলেন। যদিও, বৈঠক শেষে মদনের প্রতিক্রিয়া, দলনেত্রী আমাকে বলেছেন, তোমায় সবাই ভালবাসে। তুমি তোমার ফেসবুকগুলো আরও সাজিয়ে-গুছিয়ে সুন্দর ভাবে করবে। যাতে আমাদের সুবিধা হয়। সাংগঠনিক বৈঠকে বড় কোনও পদ পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁর বক্তব্য, সুন্দর কমিটি হয়েছে। বেস্ট টিম ইন দ্য হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়ান ডেমোক্রেসি। এদিন ফের একবার ফেসবুক লাইভে এসে নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে অভিমানও প্রকাশ করেন তিনি।

জুন ০৫, ২০২১
কলকাতা

পড়ুয়া ও শিক্ষকদের বিনামূল্যে করোনা টিকা দেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

অতিমারির জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনলাইনেই চলছে লেখাপড়া। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নতুন করে অনিশ্চয়তার ফাঁদে পড়েছে। কবে পড়ুয়াদের জন্য খুলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা, তা বলা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে এই মারণ ভাইরাসের দাপট রুখতে পড়ুয়াদের জন্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, পড়ুয়া, গবেষক-সহ ৪৫ বছরের নিচে সমস্ত শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং আধিকারিকদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ দ্রুত শুরু হবে।সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কলকাতাই প্রথম পড়ুয়াদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় এখবর নিশ্চিত করে জানান, যত দ্রুত সম্ভব, পড়ুয়া, গবেষক থেকে ৪৫ বছরের কমবয়সি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত সকলকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৫-এর ঊর্ধ্বে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের টিকাকরণের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যপূরণ সফলভাবেই পূরণ করা গিয়েছে। এবার পড়ুয়াদের করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষাই উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পড়ুয়ারা।

জুন ০৫, ২০২১
দেশ

রুশ টিকা স্পুটনিক ভি তৈরির অনুমতি পেল সেরাম

করোনার সংক্রমণ রুখতে দেশবাসীর দ্রুত টিকাকরণই লক্ষ্য কেন্দ্রের। আর সেই কারণেই ভ্যাকসিনের চাহিদা পূরণ করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের পাশাপাশি অন্যান্য ভ্যাকসিন ব্যবহার করে দ্রুত টিকাকরণ অভিযানে সাফল্যই এখন পাখির চোখ। আর সেই লক্ষ্যেই এবার রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক ভি তৈরির অনুমতি দেওয়া হল সেরাম ইনস্টিটিউটকে ।সেরামের মুখপাত্র জানান, আমরা স্পুটনিক ভি তৈরি প্রাথমিক অনুমতি পেয়েছি। তবে টিকা উৎপাদনে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে। ততদিন কোভিশিল্ড এবং কোভোভ্যাক্স তৈরিতেই আমরা মনোনিবেষ করব। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলারের দেওয়া এই সবুজ সংকেতের অর্থ আদর পুনাওয়ালার পুণের ইনস্টিটিউটে রুশ টিকার পরীক্ষা, বিশ্লেষণ হবে। তারপরই উৎপাদনের কাজ শুরু করা যাবে। কিন্তু সেরাম এই টিকা বিক্রি করতে পারবে না।এদিকে, ভ্যাকসিন সংক্রান্ত কঠোর পলিসি বদলের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেরাম সিইও পুনাওয়ালা । আসলে ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুনাওয়ালার আশা, এতে ভারত এবং অন্যান্য দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন তরান্বিত হবে।

জুন ০৫, ২০২১
রাজ্য

‘প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়তে হবে না, সংবিধানটুকু মেনে চলুন’

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক এই মুহূ্র্তে রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয়। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাখ্যা করেছেনু শুক্রবারের বৈঠকে ঠিক কী কী ঘটেছিল। তার ঠিক পরেই পালটা একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী , যশ বৈঠকে যাঁর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু স্পষ্ট অভিযোগ করলেন, সংবিধান মানছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আচরণ অতীব দুঃখজনক, লজ্জাজনক। প্রাক্তন দলনেত্রীর প্রতি তাঁর পরামর্শ, সংবিধান মেনে চলুন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বসে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই অভিযোগ তোলেন, তাঁকে বদনাম এবং অপমান করার জন্য দিল্লির বিজেপি নেতারা টুইটারে এই বৈঠক নিয়ে নানা তথ্য ছড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও একপেশে খবর দিচ্ছ। কিন্তু আসল বিষয়টা কী, তা জনসমক্ষে আনতেই তাঁর এই সাংবাদিক বৈঠক। মমতা আরও বলেন, রাজ্যর প্রয়োজনে, রাজ্যবাসীর প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়েও পড়তে পারি। কিন্তু এভাবে অপমান করবেন না। এই কথার জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়ার দরকার নেই, আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন, তাহলেই হবে।বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর একান্ত আলোচনায় কেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে ডাকা হল কেন? প্রশ্ন তুলে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগে বারংবার তাঁকে বিদ্ধ করা হচ্ছিল। তা নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জোরদার প্রশ্ন তুলে দেন, গুজরাত কিংবা ওডিশা দুর্যোগ পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে বৈঠকের সময় সেখানকার বিরোধী দলনেতাদের কেন ডাকা হয় না আর বাংলায় এসে কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হয়? এর জবাবে শুভেন্দুর দাবি, উনি ঠিকমতো জানেন না। ওডিশার যশ বৈঠকে সেখানকার বিরোধী দলনেতাকেও ডাকা হয়েছিল। উনি কোভিড পজিটিভ হওয়ায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি।প্রাক্তন মন্ত্রীর আরও দাবি, শুক্রবার কলাইকুণ্ডার বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও। আসলে ক্ষতির বিষয়টি জানতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকেই ডেকেছিলেন। এতে রাজনীতির কিছু ছিল না। বরং মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবের আচরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চরম অবমাননাকর বলে দাবি নন্দীগ্রামে বিধায়কের।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে জিএসটি প্রত্যাহার

এক মহামারির সংকটে জেরবরা দেশবাসী। তারউপর দোসর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণের মতো আরেক মহামারি। দুয়ের চোখরাঙানিতে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপরও চাপ বাড়ছে। এই অবস্থায় তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রের জিএসটি পরিষদ। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধের উপর জিএসটি বা পণ্য ও পরিষেবা কর প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। শুক্রবার দিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এতে স্বস্তিতে চিকিৎসক, রোগী সকলেই।কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর ২৮ তারিখ, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে এই প্রথম জিএসটি পরিষদের বৈঠক হল ভারচুয়ালি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা। তাতে মহামারি সংকট মোকাবিলা সংক্রান্ত আলোচনায় ঠিক হয়, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ অ্যামফোটেরিসিন বি-কে জিএসটি তালিকার বাইরে রাখা হোক। অর্থাৎ এই অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ থেকে পণ্য ও পরিষেবা কর তুলে নেওয়া হচ্ছে। যার জেরে ওষুধের দাম আরও কমে সকলের জন্য তা সহজলভ্য হবে। এতে রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকদেরও সুবিধা হবে।এছাড়াও বৈঠকে করোনা ভ্যাকসিন এবং এই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের উপর থেকে কর তুলে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে জিএসটি কাউন্সিলে। তবে তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিশেষত ভ্যাকসিনের উপর থেকে জিএসটি প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন রাজ্যের তরফে। এছাড়া অক্সিজেন, রেমডেসিভিরের মতো ওষুধও জিএসটি তালিকার বাইরে রাখার পক্ষে সওয়াল করেছেন অনেকে। এখনও তা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, জিএসটি কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠক ৮ জুন। ওই দিন গুরুত্বপূ্র্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। পুরোপুরি কর প্রত্যাহার না হলেও, এসব প্রয়োজনীয় ওষুধের উপর করের হার কমানো হতে পারে বলে সম্ভাবনা। তা হলে করোনা চিকিৎসার ব্যয়ভার আরও খানিকটা কমবে বলে আশা সকলের। এখন ৮ জুনের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত জানান নির্মলা, সেদিকে তাকিয়ে সব মহল।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

রাজ্যের মুখ্যসচিবকে আচমকাই ডেকে নিল কেন্দ্র!

করোনা ও ঘূর্ণিঝড় যশের জোড়া বিপর্য়য়ের সঙ্গে লড়ছে রাজ্য। তারই মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে ডেকে নিল কেন্দ্র।তিনদিনের মধ্যে তাঁকে দিল্লিতে গিয়ে নতুন পদে যোগ দিতে বলা হয়েছে। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে দিনকয়েক আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিব পদে আলাপনের মেয়াদ বাড়িয়েছিল কেন্দ্র । এবার মমতা ঘনিষ্ঠ আমলা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য থেকে সরিয়ে দিল্লিতে তুলে নিয়ে যাওয়ায় বিস্মিত আমলা মহল। তাও এখনও এমন একটা সময় যেখানে কোভিড ও ঘূর্ণিঝড় উত্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের একাধিক কমিটি ও টাস্ক ফোর্সের মাথায় রয়েছেন মুখ্যসচিব। ১৯৮৭ সালের ব্যাচের আইএএস আলাপন মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম আস্থাভাজন আমলা। দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে একাধিকবার বিভিন্ন সমস্যা থেকে সরকারকে বের করে এনেছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হিসেবে গত বছর অক্টোবর মাসের ১ তারিখে দায়িত্ব নিয়েছিলেন আলাপন। তার আগে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব ছিলেন তিনি।মে মাসে আলাপনের ৬০ বছর বয়স হয়েছে। সেকারণে চলতি মাসেই চাকরি থেকে অবসর নেওয়া কথা ছিল তাঁর। তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ১৩ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে আবেদন জানান, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় আলাপনের মতো দক্ষ আমলা প্রয়োজন রাজ্যের।মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে এরপর আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। আপাতত ৩ মাসের জন্য তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাসেই চাকরি থেকে অবসর নেওয়া কথা ছিল তাঁর।দক্ষ প্রশাসক আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন মমতা। ওইদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, আমাদের মুখ্যসচিবের মেয়াদ ৩ মাস বাড়ানো হয়েছে। আম্ফান ও কোভিডের সময় কাজ করেছেন তিনি। তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। সুতরাং, মুখ্যসচিবের মেয়াদ বৃদ্ধিতে আমরা খুশি।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

ভারতে ১২ ঊর্ধ্বদের জন্য তৈরি ফাইজারের টিকা, চাই ছাড়পত্র

ভারতের বাজারে ছাড়পত্র পেতে চাইছে ফাইজারের টিকা। কোভিড ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক এই সংস্থার দাবি, তাঁদের তৈরি টিকা ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্যই কার্যকরী। এমনকী, করোনার অতি সংক্রামক B.1.617 ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রুখতেও সক্ষম এই টিকা, এমনটাই দাবি মার্কিনি এই সংস্থার। তাই ভারতের বাজারে ছাড়পত্র পেতে সরকারের সঙ্গে আলাপ আলোচনা শুরু করেছে তাঁরা।করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় নাজেহাল ভারতবাসী। লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। বাড়ছে মৃত্যুও। চিন্তা বাড়িয়েছে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়তে থাকা সংক্রমণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যে রাজ্যেজারি হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। গণটিকাকরণের উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু অপর্যাপ্ত ভ্যাকসিন থাকায় টিকাকরণও সম্পূর্ণ হচ্ছে না। যার জেরে চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের বাজারে টিকা আনতে চাইছে ফাইজার। তাঁদের দাবি, কিশোরদের মধ্যেও সংক্রমণ রুখতে সক্ষম এই টিকা। তাঁরা সরকারকে জানিয়েছে, এই টিকা সংরক্ষণেরও বিশেষ ঝক্কি নেই। ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক মাসের জন্য সংরক্ষিত থাকতে পারে ফাইজারের কোভিড ভ্যাকসিন।তবে ভারতে এখনও পর্যন্ত ফাইজারের টিকার কোনও ট্রায়াল হয়নি। ফলে এ দেশে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পাওয়া বেশ মুশকিল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, টিকা উৎপাদক মার্কিনি সংস্থার দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-সহ ৪৪ টি সংস্থা তাঁদের টিকাকে ছাড়পত্র দিয়েছে। সেই শংসাপত্রের উপর ভরসা করেই ভারতে এই টিকাকে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাঁরা। তবে স্থানীয় কমিটির যাচাই ছাড়া সে পছে হাঁটতে রাজি নয় কেন্দ্র। এ নিয়েই দফায়-দফায় আলোচনা চলছে। আলোচনা চালাচ্ছেন খোদ ফাইজারের চেয়ারম্যান তথা সিইও অ্যালবার্ট বউরলা। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়পত্র দিলে জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে পাঁচ কোটি ডোজ সরবরাহ করতে সক্ষম ফাইজার।উল্লেখ্য, দিল্লির কেজরি সরকার ফাইজারের থেকে সরাসরি টিকা কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের প্রস্তাব খারিজ করে দেয় সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ফাইজারের দাবি, তারা সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারকে টিকা দিতে চায়।

মে ২৭, ২০২১
কলকাতা

নিউ বারাকপুরে গেঞ্জি কারখানায় অগ্নিকাণ্ড

ঘূর্ণিঝড়ের বিপর্যয় কাটতে না কাটতেই নয়া আতঙ্ক। এবার অগ্নিকাণ্ডে নাজেহাল নিউ বারাকপুরবাসী। বৃহস্পতিবার ভোররাতে এলাকার একটি গেঞ্জি কারখানা এবং ওষুধের দোকানে আগুন লেগে যায়। ঘটনাস্থলে দমকলের দশটি ইঞ্জিন। চলছে আগুন নেভানোর কাজ। তখনও ভাল করে ঘুম ভাঙেনি এলাকাবাসীর। বৃহস্পতিবার ভোররাতে আচমকাই ওই গেঞ্জি কারখানা এবং ওষুধের দোকান থেকে কালো ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয়রা। চমকে ওঠেন তাঁরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। গেঞ্জি কারখানা এবং ওষুধের দোকানে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই গেঞ্জি কারখানা এবং ওষুধের দোকান আগুনের গ্রাসে চলে যায়। খবর দেওয়া হয় দমকলে। তবে দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর আগেই আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান স্থানীয়রা। কিছুক্ষণের মধ্যে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। তবে এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত রাজ্যের ১ কোটি মানুষ, শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রীঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে দমকল কর্মীদের কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে ওই কারখানা কিংবা ওষুধের দোকানে আদৌ কেউ আটকে রয়েছেন কিনা, খতিয়ে দেখে তাঁদের উদ্ধার করাই প্রথম কাজ দমকলের। স্থানীয়দের দাবি, ওই গেঞ্জি কারখানায় রাতে বেশ কয়েকজনের থাকার কথা ছিল। অগ্নিকাণ্ডে তাঁরা আটকে পড়েছেন বলেই সন্দেহ করা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এনে কারখানার ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন দমকল কর্মীরা। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

এবার 'ঘরে ফিরতে' চান মালদহের সরলা মুর্মু

সোনালি গুহর পর এবার সরলা মুর্মু । দলত্যাগ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানালেন মালদহের নেত্রী। যদিও দলের তরফে জানানো হয়েছে, সরলা মুর্মুর কোনও আবেদন পাওয়া যায়নি এখনও। তবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরলাদেবী জানিয়েছেন, তিনি ভুল বুঝতে পেরেছেন। ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই কাজ করতে চান। ভোটের ফলপ্রকাশের পর দলবদলকারীদের যে স্বাগত জানিয়েছিলেন দিদি, তাতে সাড়া দিয়েই আবেদন জানিয়েছেন তিনি, এমনই দাবি মালদহ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি তথা বর্তমান সদস্য সরলা মুর্মুর।একুশের বিধানসভা ভোটের আগে দলবদলের গতানুগতিক কাহিনিতে খানিক ব্যতিক্রম সরলা মুর্মু। তাঁকে মালদহের হবিবপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। কিন্তু সেই আসন পছন্দ হয়নি সরলাদেবীর। চেয়েছিলেন পুরাতন মালদহ থেকে লড়তে। কিন্তু সংরক্ষণ কাঁটায় তা সম্ভব হয়নি। তাতে অভিমান করেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তাতে পছন্দমতো আসন পাওয়া দূরঅস্ত, প্রার্থীই হতে পারেননি সরলা মুর্মু। ফলে গেরুয়া শিবিরে গিয়েও প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে ছিলেন মালদহের এই নেত্রী। ভোটের ফলপ্রকাশের পরও কার্যত কিছু করার ছিল না তাঁর।এই অবস্থায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই দলবদলকারীদের ফেরানো নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ওরা ফিরলে ফিরবে, ওয়েলকাম। অসুবিধা কী? এ কথা শুনেই মনটা ফের ঘাসফুলের দিকে ফিরছিল সরলাদেবীর। তবে এতদিন প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। শনিবার মমতার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা, আরেক দলবদলকারী নেত্রী সোনালি গুহ দীর্ঘ টুইটে নিজের ভুল স্বীকার করে তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন। তাতেই সম্ভবত অনুপ্রেরণা পান সরলা মুর্মু। তিনিও ঘনিষ্ঠ মহলে এবং সাংবাদিকদের জানান, বিজেপি আর পছন্দ নয়। এবার তৃণমূলে ফিরে দিদির সৈনিক হয়ে কাজ করতে চান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে চলতে চান। এই মর্মে তিনি আবেদনও জানিয়েছেন।

মে ২৩, ২০২১
রাজ্য

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নয়া গাইডলাইন জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

করোনার সংক্রমণের মাঝেই গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের দাপট। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রবেশ করেছে এই কালো ছত্রাক। এই সংক্রমণে কলকাতার শম্ভুনাথ হাসপাতালে প্রাণও হারিয়েছেন ৩২ বছরের যুবতী। আর এবার এই সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। বঙ্গবাসীকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জারি করা হল নতুন গাইডলাইন।জানানো হয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্কের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকা কিংবা নির্মাণস্থলে বেশি ধুলোবালি রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। আবার বাগানে বা মাটি নিয়ে কাজ করলে, জুতো, লম্বা ঝুলের ট্রাউজার, ফুলহাতা শার্ট এবং গ্লাভস পরা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ও ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরেই কালো ছত্রাক বেশি করে হানা দিচ্ছে। তাই তাঁদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার দিকে নজর রাখতে হবে। স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অতিমারি আবহেই দেশের একাধিক রাজ্যে কালো ছত্রাকের হানায় বেড়েছে উদ্বেগ। প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি বলে ঘোষণা করেছিল রাজস্থান সরকার। পরে একই পথে হাঁটে তেলঙ্গানাও। তারপরই দেখা যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও রাজ্যগুলিকে এই সংক্রমণকে মহামারির আওতায় ফেলারই নির্দেশিকা দেয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শুক্রবার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে মারা গিয়েছেন হরিদেবপুরের শম্পা চক্রবর্তী (৩২)। রাজ্যে এই প্রথমবার কেউ এই সংক্রমণে প্রাণ হারালেন। যা করোনা আবহে নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যবাসীর।

মে ২২, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন এনএসজি প্রধান

২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার সময় দেশকে রক্ষা করতে সামনে থেকে লড়াই করেছিলেন তিনি। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-এর প্রাক্তন প্রধান, সেনা অফিসার জেকে দত্ত হৃদরোগে প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর করোনা সংক্রান্ত জটিলতাও ছিল বলে পরিবার সূত্রে খবর। তিনি এনএসজি-র শীর্ষ পদে ছিলেন ২০০৬-০৯ সাল পর্যন্ত। এ ছাড়াও তিনি সিবিআই-এর যুগ্ম অধিকর্তার ভার সামলেছেন।বুধবার দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মুম্বইয়ে হামলার সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। উদ্ধার কাজেও দিনরাত পরিশ্রম করেন। তাঁর সহকর্মী বেঙ্গল ক্যাডারের অপর এক অফিসার জুলফিকার হাসান, এডেজি (সিআরপিএফ) জানিয়েছেন, জেকে দত্ত এমন একজন সেনা আধিকারিক ছিলেন, যিনি সর্বদা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতেন। ১৯৭১ সালের আইপিএস জেকে দত্ত ছিলেন বেঙ্গল ব্যাচের ক্যাডেট। সিবিআই-এর বিভিন্ন পদে থাকা ছাড়াও তিনি ছিলেন সিআইএসএফ-এর বিভিন্ন পদেও। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের দায়িত্বভার সামলেছেন তিনি। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর করেছিলেন তিনি। পুলিশ মেডেল গ্যালান্ট্রি পুরষ্কার, রাষ্ট্রপতির পুলিশ মেডেল পেয়েছিলেন।

মে ২০, ২০২১
রাজ্য

বর্ষীয়ান-অশীতিপর-বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভ্যাকসিন নিতে অভিনব প্রস্তাব

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে রাজ্যে জারি বিধিনিষেধ। কার্যত লকডাউনে যান চলাচল বন্ধ থাকায় করোনা ভ্যাকসিন নিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বহু মানুষকে। তার ওপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতার কারণে হতাশ হয়েই ফিরতে হচ্ছে অনেককে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার বর্ষীয়ান ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকরা। এই পরিস্থিতিতে বর্ষীয়ান, অশীতিপর, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের সুরাহার কথা ভেবে হুগলির জেলাশাসকের কাছে অভিনব প্রস্তাব পাঠালেন জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়।হুগলি জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, সকল বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, কর্মাধ্যক্ষ ও পুরসভার চেয়ারম্যানরা। এই জেলাতেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কী কী কাজ করা উচিত তা এদিন আলোচিত হয়।জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি জেলাশাসককে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। প্রথমটি, অশীতিপর ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে। সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আমাদের কাছেও রয়েছে। হুগলি জেলায় এমন নাগরিকের সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ হাজারের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে অনেকে টিকা পেয়েছেন। কেউ হয়তো দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন। ফলে যেখানে হকার, পরিবহণকর্মী, সাংবাদিক-সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখানে যে প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা এখনও টিকা পাননি তাঁদের বিষয়টিকেও আরও বেশি গুরুত্ব দিলে ভালো হয়। কেন না, তাঁদের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর সমস্যা যেমন থাকে, তেমনই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। এই অবস্থায় আশা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তাঁদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা হলে অনেকটাই সুরাহা হবে। তাতে দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তাতেও ভুগতে হবে না প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের।শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রোগী বা পরিজনদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পাচ্ছি, করোনা সংকটকালে জেলার অনেক নার্সিংহোম অক্সিজেন, বেড, ওষুধ ইত্যাদি নিয়ে কয়েক গুণ বেশি বিল করছে। এটাও জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করতে হবে। ন্যায্যমূল্যে যাতে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পান সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য মনিটরিং টিম থাকলেও ভালো হয়। এ ধরনের ঘটনা বন্ধে প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপও করতে হবে। পাশাপাশি, সামনেই বর্ষা আসছে। তাই ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্যও আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলেও প্রস্তাব দেওয়া হয় এদিনের বৈঠকে।তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, গত বছর মার্চে লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের কর্মীরা লাগাতার মানুষের পাশে থেকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে নীরবে কাজ করে চলেছেন। লকডাউন ও আম্ফানের পর সমস্যায় পড়া হাজারো পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পরও অক্সিজেন থেকে শুরু করে বেড জোগাড়ের কাজ করছেন আমাদের দলের কর্মীরা। বলাগড়েই পাঁচশোর উপর এমন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। হুগলি জেলায় এমন কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলস কাজ করে চলেছেন। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খোলা হয়েছে। কেউ বিপদে পড়লেই দল-মত নির্বিশেষে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন আমাদের কর্মীরাও।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
দেশ

আগামী ৩ মাসেও টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়: সেরাম

করোনা রুখতে দেশজুড়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকাটি। কিন্তু পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় বহু রাজ্যে টিকাদান প্রক্রিয়া ঝিমিয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে এক বিবৃতি জারি করে সেরাম ইন্সটিটিউট সাফ জানিয়েছে যে আগামী ৩ মাসেও দেশবাসীর টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়।মঙ্গলবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মানুষ এটা বুঝতে চাইছে না যে আমরা বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশের মধ্যে একটি। এত বিশাল সংখ্যক মানুষের জন্য ২ থেকে ৩ মাসে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়ায় অনেকগুলি ধাপ থাকে। গোটা বিশ্বে সবাইকে টিকা দিতে অন্তত ২ থেকে ৩ বছর লাগবে। বিবৃতিতে সেরাম আরও জানিয়েছে যে, ভারতবাসীর স্বার্থে আঘাত দিয়ে কখনওই ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হয়নি। দেশে টিকাদান প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পূর্ণ করতে আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সমস্ত রকমের চেষ্টা করছে সেরাম। সবাই একসঙ্গে মিলে কাজ করলে এই মহামারিকে পরাস্ত করা যাবে। টিকা উৎপাদন ও সরবরাহে সেরাম বিশ্বে তৃতীয়। কোভ্যাক্স প্রকল্পের অংশ হওয়ায় বিশ্বে কিছু টিকা অন্য দেশগুলির কাছে রপ্তানি করতে হয়। বলে রাখা ভাল, দেশে করোনা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে বিদেশি টিকা রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বলে লাগাতার তোপ দাগছে বিরোধী দলগুলি। এদিন সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিল সেরাম।উল্লেখ্য, দেশে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাদান শুরু হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে কার্যত ঝিমিয়ে পড়েছে গোটা প্রক্রিয়া। ফলে আঙুল উঠেছে সেরাম ও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, আরও একটি করোনার টিকা বাজারে আনার কথা আগেই জানিয়েছিল সেরাম ইনস্টিটিউট। তবে জুন নয়, আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে আসতে চলেছে সেই ভ্যাকসিনটি বলে খবর। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে কোভোভ্যাক্স নামে ওই করোনা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও। টুইট করে এই খবর জানিয়েছিলেন সেরাম কর্তা আদর পুনাওয়ালা।

মে ১৮, ২০২১
দেশ

১৫ দিনে বিনামূল্যে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন পাবে রাজ্যগুলি

দেশজুড়ে ভ্যাকসিনের সংকট। বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। কেন্দ্রের ভ্যাকসিন বণ্টন নীতিই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে, বারবার বলছেন রাহুল গান্ধি। রাজ্যগুলিও কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, আগামী ১৫ দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে কেন্দ্র। তাও আবার বিনামূল্যে।প্রসঙ্গত, দেশজুড়ে এখন বিভিন্ন পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। কিন্তু, ভ্যাকসিনের জোগানের সমস্যার জন্য এখনও অনেক রাজ্যেই ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। আবার অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেলেও দ্বিতীয় ডোজ পাননি। কেন্দ্রের তরফে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, এখন থেকে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকার ডোজ নিতে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পরে। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, জোগানের অভাবেই কৌশলে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ পিছিয়ে দিতে চাইছে সরকার। তবে, সে বিতর্ক উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় শুক্রবার সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। আর এদিনই ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ মের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে কেন্দ্র। এর মধ্যে কোভিশিল্ড থাকছে ১৬২.৫ লক্ষ ডোজ এবং কোভ্যাকসিন থাকছে ২৯.৪৯ লক্ষ। কেন্দ্রের দেওয়া এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলি ব্যবহার করতে পারবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিকদের টিকাকরণের জন্য।প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন। আগামী ১৫ দিনে আরও ২ কোটির বেশি মানুষ ভ্যাকসিন কেন্দ্রের আশা খুব শীঘ্রই ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদনের হার অনেকটা বেড়ে যাবে। সরকারের দাবি, আগামী অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ ভারতে তৈরি হয়ে যাবে। যার অর্থ এবছরের শেষদিক পর্যন্তই পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কেন্দ্র।

মে ১৪, ২০২১
রাশিফল

কেমন কাটবে আপনার শনিবার? জানতে পড়ুন

কেমন কাটবে আজকের দিন ? (১৫ মে, ৩১ বৈশাখ, শনিবার) জানুনমেষ / ARIES : কাজের ক্ষেত্রে অনিহা দেখা দিতে পারে।বৃষ / TAURUS : কোনও জায়গায় পড়ে গিয়ে আঘাত পেতে পারেন আপনি। মিথুন / GEMINI : অকারণে ঝগড়া-বিবাদ দেখা দিতে পারে। কর্কট / CANCER : কোনও জিনিস চাইছিলেন, এমন দ্রব্যাদি লাভ হতে পারে। সিংহ / LEO : আজকের দিনে আপনার পরিশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে। কন্যা / VIRGO : আর্থিক দিক দিয়ে আজকের দিন বেশ শুভ।তুলা / LIBRA : কোনও অভিষ্টসিদ্ধি হতে পারে আজকের দিনে।বৃশ্চিক / SCORPIO : যে কোনও জায়গায় কাজ করতে গেলে তাতে উন্নতি লাভ হবে।ধনু / SAGITTARIUS : কোনও কারণে মানসিক অশান্তি দেখা দিতে পারে।মকর / CAPRICORN : কারুর কাছে ঋণ হতে পারে আজ। কুম্ভ / AQUARIUS : মিথ্যা অপবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।মীন / PISCES : ভুগতে থাকা রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন আজ।

মে ১৫, ২০২১
রাশিফল

কেমন কাটবে আপনার শুক্রবার? জানতে পড়ুন

কেমন কাটবে আজকের দিন ? (১৪ মে, ৩০ বৈশাখ, শুক্রবার) জানুনমেষ / ARIES : অযথা কোনও কারণে ব্যয় হয়ে যেতে পারে আজ।বৃষ / TAURUS : যে কাজেই যান না কেন আজ সফলতা আসবেই।মিথুন / GEMINI : কারুর কাছ থেকে গঞ্জনা শুনতে হতে পারে। কর্কট / CANCER : অনেক দিন ধরে ভুগতে থাকা রোগ-ব্যধি থেকে মুক্তি পেতে পারেন আজ।সিংহ / LEO : আজকের দিনটি ধনাগমের জন্য বেশ শুভ।কন্যা / VIRGO : অযথা কোনও কারণে চিন্তার উদ্রেক হতে পারে। তুলা / LIBRA : অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।বৃশ্চিক / SCORPIO : পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। সাবধানে চলাফেরা করুন।ধনু / SAGITTARIUS : গান-বাজনার দিকে মন যেতে পারে।মকর / CAPRICORN : ভালো মানুষের সান্নিধে এসে মনে শান্তি আসতে পারে।কুম্ভ / AQUARIUS : আজ ভালো বন্ধু লাভ হতে পারে।মীন / PISCES : রোগভোগ থাকলে তা থেকে আরোগ্যলাভ করতে পারেন।

মে ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • ...
  • 70
  • 71
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal