• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

সিংহ

রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি কর্কটের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২১ কার্তিক ( ৭ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ সামাজিক ও সাংগঠনিক কাজ থেকে দূরে থাকবেন। মিথুন ঃ চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। কর্কট ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। সিংহ ঃ ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য দূরের যাত্রার যোগ প্রবল।কন্যা ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। তুলা ঃ পরধন প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। ধনু ঃ সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে। মকর ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভালো যাবে না। কুম্ভ ঃ যানবাহন চুরি যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। মীন ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাশিফল

পরধন প্রাপ্তি কর্কটের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২০ কার্তিক ( ৬ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ বৈবাহিক জীবনে রহস্যজনক বাধা-বিপত্তি দেখা দিতে পারে। কর্কটঃ পরধন প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল। সিংহ ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। কন্যাঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না।তুলা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর ঃ আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ আয় রোজগার ব্যহত হতে পারে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাশিফল

ইতিবাচক মনোভাব মেষের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৯ কার্তিক ( ৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ আপনার ইতিবাচক মনোভাবও আপনাকে অত্যন্ত সাহায্য করবে। বৃষ ঃ যখন আপনি একাকী বোধ করছেন তখন আপনার পরিবারের সাহায্য নিন। মিথুন ঃ আপনি কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার শক্তি এবং দুর্বলতা জানতে পারবেন। কর্কটঃ আপনি আপনার স্বপ্ন সত্যে পরিণত হতে দেখবেন। সিংহ ঃ আকস্মিক প্রেমঘটিত সাক্ষাৎ আপনার মেজাজ চাঙ্গা করতে তুলবে। কন্যাঃ ভালোবাসার মানুষকে আজ ক্ষমা করতে ভুলবেন না। তুলা ঃ আপনার বাবা মায়ের সাথে খুশি ভাগ করে নিন। বৃশ্চিক ঃ আপনি আপনার দাম্পত্য বন্ধনকে সন্দেহ করতে পারেন। ধনু ঃ আপনার ভ্রমণ এবং অর্থ ব্যয় করার মেজাজ থাকবে। মকর ঃ আপনার বিষণ্ণ জীবন আপনার পত্নীর উত্তেজনা কারণ হতে পারে। কুম্ভ ঃ ব্যবসায়িক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কারও দ্বারা প্রভাবিত হবেন না।মীন ঃ কেউ আপনার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করতে পারে , সতর্ক থাকুন।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাশিফল

পায়ে আঘাতের আশঙ্কা সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৮ কার্তিক ( ৪ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কট ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। কন্যা ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভালো যাবে না। তুলা ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকরঃ অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। কুম্ভ ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে। মীন ঃ বন্ধুর সাহায্যে বকেয়া বিল আদায় করা সম্ভব হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাশিফল

 প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ মেষের , অন্যান্য রাশির কতটা হবে মঙ্গল ?

১৭ কার্তিক ( ৩ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ পেতে পারেন। বৃষ ঃ সাংবাদিক ও প্রকাশকদের নতুন কাজের দায়িত্ব লাভের যোগ। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলা ঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। মকরঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায়ের যোগ প্রবল। কুম্ভ ঃ শরীর কিছুটা ভোগাতে পারে। মীন ঃ সন্তানের পড়াশোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকতে পারেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাশিফল

সৃজনশীল কাজে সম্মান মকরের , সপ্তাহের প্রথম দিন অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ?

১৬ কার্তিক ( ২ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ বেকারদের কাজ কর্মের যোগ প্রবল। বৃষ ঃ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাজে আপনার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। মিথুন ঃ উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ যাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। কর্কটঃ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে কিছু লাভের আশা করা যায়। সিংহ ঃ গোপন শত্রুতার সম্মুখীন হতে পারেন। কন্যাঃ কোনও বন্ধুর সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা। তুলা ঃ গৃহে আত্মীয় স্বজনের আগমনের যোগ প্রবল। বৃশ্চিক ঃ প্রকাশক ও মিডিয়া কর্মীর ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় হতে পারে। মকরঃ সৃজনশীল কাজে সম্মানিত হতে পারেন। কুম্ভ ঃ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। মীন ঃ বড় ভাই বোনের বিবাহের কথাবার্তায় অগ্রগতি হবে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাশিফল

ব্যয় বৃদ্ধি মীনের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

১৫ কার্তিক (১ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় ভালো। মিথুন ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। কর্কটঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। সিংহ ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। কন্যাঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। তুলা ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। বৃশ্চিক ঃ সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে।ধনু ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। মকরঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। কুম্ভ ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মীন ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাশিফল

বিনিয়োগ থেকে অর্থলাভ সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৪ কার্তিক ( ৩১ অক্টোবর) শনিবার মেষ ঃ বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা জোরদার করুন। বৃষ ঃ সর্বক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন আছে। মিথুন ঃ আপনার আধ্যাত্মিক দিকে একটু মন চলে যেতে পারে। কর্কটঃ জনবহুল কোনো জায়গায় বেড়াতে যেতে হতে পারে। সিংহ ঃ পুরনো কোনও বিনিয়োগ থেকে কিছুটা অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। কন্যাঃ কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তুলা ঃ যারা বিবাহের কথা ভাবছেন তারা কয়েক দিন অপেক্ষা করুন। বৃশ্চিক ঃ আজ ব্যবসায় নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। ধনু ঃ দুপরের পর থেকে ব্যয় বৃদ্ধির যোগ। মকরঃ রোমান্টিক সম্পর্কে নতুন ঘটনা ঘটতে পারে। কুম্ভ ঃ জমি ও ভূমি ক্রয় বিক্রয়ে সফল হতে পারেন। মীন ঃ বিদেশ থেকে কোন ভালো সংবাদ পেতে পারেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাশিফল

জনসংযোগ বৃদ্ধি মকরের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৩ কার্তিক ( ৩০ অক্টোবর) শুক্রবার মেষ ঃ আর্থিক উন্নতিতে বন্ধুর সাহায্য পাবেন। বৃষ ঃ বড় ভাই বোনের সাথে সাংসারিক বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেবে। মিথুন ঃ চাকরি সংক্রান্ত কোনও পরীক্ষায় সুফল আশা করতে পারেন। কর্কটঃ ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হতে পারে। সিংহ ঃ দাম্পত্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে সতর্ক থাকবেন। কন্যাঃ সাংসারিক ক্ষেত্রে জীবন সাথীর সাহায্য পেতে পারেন। তুলা ঃ প্রেমের ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্তর কারণে প্রতারিত হওয়ার যোগ প্রবল। বৃশ্চিক ঃ মানসিক শান্তি বজায় থাকবে। ধনু ঃ গোপন শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। মকরঃ জনসংযোগ বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ পেশাগত যোগাযোগ ফলপ্রসূ হতে পারে।মীন ঃ উচ্চশিক্ষার্থীদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাশিফল

ব্যবসায় আয় মীনের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১২ কার্তিক ( ২৯ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ বৈবাহিক জীবনে রহস্যজনক বাধা-বিপত্তি দেখা দিতে পারে। কর্কটঃ পরধন প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল। সিংহ ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। কন্যাঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না।তুলা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর ঃ আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ আয় রোজগার ব্যহত হতে পারে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাশিফল

সতর্ক থাকতে হবে মীনকে , অন্যান্য রাশির কেমন যাবে দিন ?

১১ কার্তিক ( ২৮ অক্টোবর) বুধবার মেষ ঃ আপনার ইতিবাচক মনোভাবও আপনাকে অত্যন্ত সাহায্য করবে। বৃষ ঃ যখন আপনি একাকী বোধ করছেন তখন আপনার পরিবারের সাহায্য নিন। মিথুন ঃ আপনি কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার শক্তি এবং দুর্বলতা জানতে পারবেন। কর্কটঃ আপনি আপনার স্বপ্ন সত্যে পরিণত হতে দেখবেন। সিংহ ঃ আকস্মিক প্রেমঘটিত সাক্ষাৎ আপনার মেজাজ চাঙ্গা করতে তুলবে। কন্যাঃ ভালোবাসার মানুষকে আজ ক্ষমা করতে ভুলবেন না। তুলা ঃ আপনার বাবা মায়ের সাথে খুশি ভাগ করে নিন। বৃশ্চিক ঃ আপনি আপনার দাম্পত্য বন্ধনকে সন্দেহ করতে পারেন। ধনু ঃ আপনার ভ্রমণ এবং অর্থ ব্যয় করার মেজাজ থাকবে। মকর ঃ আপনার বিষণ্ণ জীবন আপনার পত্নীর উত্তেজনা কারণ হতে পারে। কুম্ভ ঃ ব্যবসায়িক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কারও দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। মীন ঃ কেউ আপনার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করতে পারে , সতর্ক থাকুন।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাশিফল

ব্যবসায় ভাল আয় মীনের , মঙ্গলে কি রয়েছে আপনার রাশিতে

১০ কার্তিক ( ২৭ অক্টোবর) মঙ্গলবার মেষ ঃ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় ভাল। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। কর্কটঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। সিংহ ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভাল যাবে না। কন্যা ঃ আজ আপনার টাকা হারিয়ে ফেলতে পারেন। তুলা ঃ মুদ্রণ ও প্রকাশনা ব্যবসায় অহেতুক বাধা-বিপত্তি অব্যাহত থাকবে। বৃশ্চিক ঃ কোনো আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। ধনু ঃ জীবন সাথীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলতে হবে। মকর ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। কুম্ভ ঃ বন্ধুর সাহায্যে বকেয়া বিল আদায় করা সম্ভব হবে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভাল আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাশিফল

ব্যয় বৃদ্ধি কুম্ভের , দশমীর দিন অন্যান্য রাশির কেমন যাবে ?

৯ কার্তিক ( ২৬ অক্টোবর) সোমবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কটঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে। কন্যা ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। তুলা ঃ কোনও আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর ঃ জীবন সাথীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলতে হবে। কুম্ভ ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি বৃষের, মহানবমীর দিন অন্যান্য রাশির কেমন যাবে ?

৮ কার্তিক ( ২৫ অক্টোবর) রবিবার মেষ ঃ চাকরিজীবীদের আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। বৃষ ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কটঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। কন্যা ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। তুলা ঃ কোনো আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। মকর ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মীন ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
রাশিফল

আর্থিক চাপ বৃষের , মহা অষ্টমীতে অন্যান্য রাশিদের কেমন যাবে ?

৭ কার্তিক ( ২৪ অক্টোবর) শনিবার মেষ : আপনার ভদ্র ব্যবহার প্রশংসনীয় হবে। বৃষ ঃ আকস্মিক অপ্রত্যাশিত খরচ আর্থিক চাপ প্রয়োগ করতে পারে। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট: আপনার মন সমৃদ্ধ হবে। সিংহ: অতীতের কঠোর পরিশ্রমগুলি ফল আনায় ইচ্ছাগুলি পূর্ণ হবে। কন্যা: অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা: ভ্রমণ লাভদায়ক হলেও খরচসাপেক্ষ হবে। বৃশ্চিক: আপনার স্ত্রীর স্বাস্হ্য কিছু দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করতে পারে। ধনু: ব্যাক্তিগত এবং গোপন তথ্য ফাঁস করবেন না। মকর: আপনি আপনার রোমান্টিক চিন্তা এবং অতীতের স্বপ্নে নিমগ্ন থাকবেন। কুম্ভ: পরনিন্দা এবং কুৎসা থেকে দূরে থাকুন। মীন: আপনি সবার চাহিদা পূর্ণ করতে সক্ষম হবেন না।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
রাশিফল

পিতার থেকে উপহার লাভ তুলার , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে মহাসপ্তমী ?

৬ কার্তিক ( ২৩ অক্টোবর) শুক্রবার মেষ : বাড়িতে বহু আত্মীয় স্বজনের আগমন হতে পারে। বৃষ ঃ মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন নতুন কাজের যোগাযোগ পেতে পারেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট: জীবনসাথীর পূর্ণ সাহায্য পেতে পারেন। সিংহ: বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা: ব্যবসায়ীরা কিছু ভাল আয়ের সুযোগ পাবেন। তুলা: পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক: ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে। ধনু: আর্থিক সঙ্কটের আশঙ্কা প্রবল। মকর: অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ: গোপন শত্রুতা বৃদ্ধি পাবে। মীন: অভিনয় শিল্পীরা নতুন কাজের সুযোগ পাবেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
রাশিফল

আর্থিক উন্নতি মেষের , অন্যান্য রাশির কেমন যাবে ?

৫ কার্তিক ( ২২ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার মেষঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট: অতীতের কঠোর পরিশ্রমগুলি ফল আনায় ইচ্ছাগুলি পূর্ণ হবে। সিংহ: কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা: আপনি সহজেই সমস্যা এড়াতে পারবেন। তুলা: আজ কর্মক্ষেত্রে একটা চমৎকার দিন । বৃশ্চিক: অসাধারণ কিছু অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। ধনু: ব্যক্তিগত এবং গোপন তথ্য ফাঁস করবেন না। মকর: কর এবং বিমা সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে কিছু নজর দেওয়া প্রয়োজন হবে। কুম্ভ: আজ আপনার স্ত্রী খুব আত্মকেন্দ্রিক কাজ করতে পারেন। মীন: ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি  বৃষের , বুধে অন্যান্য রাশিদের প্রতি ভাগ্য কতটা সহায় ?

৪ কার্তিক ( ২১ অক্টোবর) বুধবার মেষঃ চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। বৃষ ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কট: অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ: বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কন্যা: শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। তুলা: প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। বৃশ্চিক: যানবাহন চুরি যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। ধনু: বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর: অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। কুম্ভ: অন্যমনস্কতার জন্য ছোট খাটো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। মীন: প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
রাশিফল

প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়বে কর্কটের , অন্যান্য রাশির কেমন যাবে ?

৩ কার্তিক ( ২০ অক্টোবর) মঙ্গলবার মেষঃ প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ পেতে পারেন। বৃষ ঃ মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন নতুন কাজের যোগাযোগ পেতে পারেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট: প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ: বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা: বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলা: ধর্মীয় কাজের পক্ষে অনুকূল। বৃশ্চিক: উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু: রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। মকর: অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ: গোপন শত্রুতা বৃদ্ধি পাবে। মীন: সৃজনশীল পেশার সঙ্গে জড়িতদের সময় ভাল যাবে না।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal