• ২০ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গের সকল বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথের “বাংলার মাটি বাংলার জল”

রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকায় এবার প্রতিদিন বিদ্যালয়ের প্রার্থনায় বাজবে ঐক্যের সুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি বাংলার মাটি বাংলার জল।পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানিয়েছে, রাজ্যের সব সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি বাংলার জল। সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের সকল সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে এখন থেকে প্রতিদিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি বাংলার মাটি বাংলার জল। শিক্ষা দপ্তরের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই গানটি বিদ্যালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হলো।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে এই গানটি রচনা করেছিলেন। গানটি বাংলার মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতির ঐক্যের প্রতীক। রাজ্য সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেশপ্রেম, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হবে।শিক্ষা দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে কবিগুরু রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে-এর পাশাপাশি প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত বাংলার মাটি বাংলার জল গীত হলে তা রাজ্যের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যের এক শক্তিশালী অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি pic.twitter.com/OjWD68ddjD Bratya Basu (@basu_bratya) November 6, 2025পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু সামাজিক মাধ্যমে জানান, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি কর্তৃক রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জনমনগণ অধিনায়ক জয় হের প্রতি বিদ্যালয়ে নিয়মিত গাওয়ার পাশাপাশি, এই রাজ্যসঙ্গীত গীত হলে, তা সমগ্র রাজ্যের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যর বিশেষ অনুঘটক হিসেবে সর্বদা সজাগ ও সক্রিয় থাকবে বলে আমরা দৃঢ়বিশ্বাসী।তৃণমূল ঘনিষ্ট শিক্ষাবিদদের ধারণা, এই গান কেবল একটি সংগীত নয়, এটি বাংলার আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বিদ্যালয়ে প্রতিদিন এই গান গাওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গর্ব ও ঐক্যের চেতনা জাগ্রত হবে।শিক্ষক সমাজ এবং সাংস্কৃতিক মহলের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এই উদ্যোগ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল। আজও এই গানের প্রতিটি শব্দ বাংলার মানুষকে ঐক্য, ভালোবাসা ও মানবতার বার্তা দেয়।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বিরাট বিপাকে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, হাইকোর্টের দ্বারস্থ মিঠুন, দায়ের ১০০ কোটির মানহানির মামলা

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানি মামলা দায়ের করলেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এই খবর সামনে আসতেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছে রাজ্যে রাজনীতিতে।বিরাট বিপাকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ! প্রবীণ অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী কলকাতা হাই কোর্টে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, কুণাল ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। উল্লেখ্য এর আগে মিঠুন চক্রবর্তী কুণাল ঘোষকে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তিনি হাই কোর্টে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা দায়ের করেছেন।অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর অভিযোগ, কুণাল ঘোষ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অভিনেতা ও তার পরিবারকে নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন। মিঠুনের অভিযোগ অনুসারে, রাজনৈতিক বিদ্বেষ থেকেই কুণাল তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। মিঠুনের দাবি, কুণাল ঘোষের মন্তব্যে তাঁর সামাজিক মর্যাদা, সম্মান এবং পেশাগত ক্ষতি হয়েছে। নতুন ছবি ও বিজ্ঞাপনের কাজ ব্যাহত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মিঠুন জানিয়েছেন, তিনি রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ, পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার জয়ী। এই ধরণের মন্তব্যর কারণে তাঁর সম্মান এবং সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, কুণাল ঘোষ তার পুত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার মতো ভুয়ো গুজব ছড়িয়েছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। পিটিশনে বলা হয়েছে, কুণাল ঘোষের মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যমূলক, যার ফলে অভিনেতা ও তার পরিবারের মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মিঠুন চক্রবর্তী হাইকোর্টে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবির পাশাপাশি কুণাল ঘোষকে এমন মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। মামলা দায়েরের সময় কোর্ট ফি হিসাবে মিঠুন চক্রবর্তী ৫০ হাজার টাকা জমা করেছেন।কোর্ট এখনও মামলার শুনানির তারিখ ঘোষণা করেনি। তবে সূত্রের খবর, মামলাটি আগামী সপ্তাহে আদালতে উঠতে পারে।এদিকে, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছেন, আমি এখনও কোনো নোটিশ পাইনি। তবে শুনেছি, তিনি ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন। আমিও তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি এবং শিগগিরই নোটিশ পাঠাব। তিনি আরও বলেন, একজন ব্যক্তি যে বারবার রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করেছেন, তিনি আমার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন। যৌবনে তিনি নকশাল, তারপর শিবসেনা, পরে তৃণমূল সাংসদ এবং এখন বিজেপি করছেন। পাঁচ বারের দলবদলুর আবার কিসের মানহানি? আমি চাই মামলাগুলি সিবিআই তদন্ত করুক। চার-পাঁচটি চিটফান্ডের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত ছিলেন মিঠুনদা, সেটা আদালতেই বলব। কোর্টে দেখা হবে।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

মুকুলের দলবদল, ৬৪ পৃষ্ঠার তথ্যপ্রমাণ অধ্যক্ষকে পাঠিয়েছেন শুভেন্দু

বিধানসভার পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান হলেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে তিনি প্রকাশ্যে দলনেত্রীর উপস্থিতিতে দলবদল করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিজেপির দাবি, পিএসি কমিটির যে ৬ জনের সদস্যের নামের তালিকা পাঠানো হয়েছিল তাতে মুকুল রায়ের নাম ছিল না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর হুঙ্কার, চেয়ারম্যান হয়েও সদস্যপদ টিকিয়ে রাখতে পারবেন না মুকুল রায়।মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে এদিনও হুঙ্কার ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা বলেন, ইতিমধ্যে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে আমি ৬৪ পৃষ্ঠা তথ্যপ্রমাণ সমৃদ্ধ অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করেছি। আগামী ১৬ তারিখ ২টোর সময় তিনি শুনানিতে ডেকেছেন। আমি আমার তথ্যপ্রমাণের সমর্থণে অধ্যক্ষের শুনানিতে থাকব। এটাও আমরা জানি, বিগত দিনে একজন বিধায়কের বিরুদ্ধে বামফ্রণ্ট পরিষদীয় দল অভিযোগ করেছিল। ২৩ বার হেয়ারিং হয়েছে, শুনানি শেষ হয়নি। ১৬ তারিখটা আসছে তারপর যেখানে গেলে বিচার হবে সেই বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপির পরিষদীয় দল। আমার স্থির বিশ্বাস, যে মুকুল রায়কে চেয়ারম্যান করেছে তাঁর সদস্যপদ রাখতে পারবে না তৃণমূল কংগ্রেস।এদিকে এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ভোটাভুটি হলেও মুকুল রায় পিএসির চেয়ারম্যান হবে। যদিও একথাও বলেছিলেন মুকুল রায় তো বিজেপির সদস্য। কেন তিনি বিজেপি ছাড়লেন? সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল ভবনে মুকুল রায় বলেছিলেন, পরে লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেবেন। এর আগে বহু বিধায়ক দলবদল করলেও বিধায়ক পদে থেকে গিয়েছেন। এবার যে তা হবে না সেই চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, মুকুল রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। দল ছাড়ার সব প্রমাণ আছে।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যপালকে সরাতে রাষ্ট্রপতির দরবারে তৃণমূল

রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে মমতা সরকারের বিবাদ পৌঁছে গেল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের দরবারে। তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে জাগদীপ ধনকড়কে রাজ্যপাল পদ থেকে প্রত্যাহার করে নিক রাষ্ট্রপতি। তৃণমূল লিখিতভাবে এই আবেদন করেছে রাষ্ট্রপতির কাছে। জানিয়েছেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। সংবিধানের ১৫৬ (১) ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সম্মতি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের অভিযোগ, সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টকে অগ্রাহ্য করা এবং নানাভাবে রাজ্য সরকারকে অসুবিধায় ফেলা যেন রাজ্যপালের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অযথা রাজ্য মন্ত্রিসভার সমালোচনা করা, রাজ্য পুলিশকে বিষোদগার করা, নানাভাবে রাজ্য সরকারকে পর্যুদস্ত করছেন রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকড়। এমনটাই অভিযোগ তৃণমূলের। তৃণমূল চায় এই অবস্থার অবসান হোক। রাজভবন বিজেপির দফতরে পরিনত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও করেছেন রাজ্যপাল। বলেছেন সুখেন্দুবাবু। তাঁর বক্তব্য, গত ৭৫ বছরে এমন রাজ্যপাল দেখিনি। উল্লেখ্য, জাগদীপ ধনকড় এখানে রাজ্যপালের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে চরম সংঘাত শুরু হয়। প্রতিটি বিষয় নিয়েই রাজ্যের সঙ্গে বিরোধ বাধে। কোনও ঘটনা না পছন্দ হলেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদ করেছেন রাজ্যপাল। গত এক বছরে প্রায় নিত্যদিন রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত ঘটেছে। শেষমেষ তৃণমূল কংগ্রেস রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হল রাজ্যপালকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড়

এবার কৃষকদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে অভিযোগ করেন, এ রাজ্যের কৃষকরা প্রত্যেকে কেন্দ্রের দেওয়া ১২০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন না। এভাবে ক্ষতি হয়েছে মোট ৮৪০০ কোটি টাকার। প্রশাসনিক উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী। এদিন আরও একটি টুইটে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে বিঁধেছেন। নাম উল্লেখ করেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং রিনা মিত্রের। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারে আমলে পুলিশ নিয়ম ভাঙছে। তারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় প্রসঙ্গত, এরাজ্যে রাজভবন ও নবান্নের সংঘাত এখন নিত্যদিনের বিষয়। রাজ্যপালের সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এখানকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিয়ে। তাদের গাফিলতিতে রাজ্যে বহু অপরাধ খুব সহজেই সংগঠিত হতে পারছে বলে অভিযোগ ধনকড়ের। এদিনও একাধিক টুইটে নিজের সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব ধনকড়

যেভাবে রাজ্যে সরকারি আমলাদের সম্পত্তি বাড়ছে এবং তাঁরা দুর্নীতিতে জড়াচ্ছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এবার আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে টুইটে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সোমবার তিনি এই প্রসঙ্গে লেখেন, দুর্নীতি নামক শিল্পকে রুখতে না পারার যে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সেটাই এখন শহরের আলোচ্য বিষয়। সেটাই সরকারের মুখ পোড়াচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির দ্বিতীয় টুইটে গরুপাচার ও কয়লাকাণ্ড নিয়ে সোচ্চার হন রাজ্যপাল। লেখেন, তদন্তের মধ্যে দিয়ে উর্দিধারীদের মেগা দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করা দরকার। তাঁদের অসত্ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তির খোঁজ করতে হবে। দুর্নীতির আঁতুরঘর ভেঙে গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্র বলে কটাক্ষ করেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড়

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ফের রাজ্য সরকার ও পুলিশ -প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হলেন জগদীপ ধনকড়। মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যপাল লেখেন , একদিকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হচ্ছে শাসকদলের সাংসদকে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে রাজ্যের পুলিশ। রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনা রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কর্তব্যচ্যুতি। সাংসদকে বাধা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর উল্লেখ্য , শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে শাসক দলের বিধায়ক - সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সেখানে প্রবেশ করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন রাজ্যপালের টুইট।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

২০২১ নির্বাচনে বাংলায় কৈলাসেই ভরসা কেন্দ্রীয় বিজেপির

কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে ফের রাজ্যের দায়িত্ব দিল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাকে পুনরায় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হিসেবে বেছে নেওয়া হল। তাঁর নামে এদিন অনুমোদন দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজয়বর্গীয়র সহযোগী করা হয়েছে অরবিন্দ মেনন এবং বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যকে। এছাড়াও অরবিন্দ মেনন ও শিবপ্রকাশ যেমন সহকারী পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে আছেন , ঠিক তেমনই থাকবেন। পাশাপাশি, অনুপম হাজরাকে বিহারের এবং বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকারকে ঝাড়খণ্ডের সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিকিমের দায়িত্ব বর্তেছে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর। আরও পড়ুন ঃ আমাকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেইঃ শুভেন্দু এর আগে জল্পনা ছিল, কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে অন্য কাউকে নিয়ে আসা হবে। শুক্রবার বিকেলে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় পর্যবেক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

আমফানের  ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের

আমফান ঝড়ের জেরে ্পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতিপূরণ বাবদ আরও এক দফা সাহায্য ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে এক উচ্চস্তরীয় বৈঠক শেষে দুর্যোগ মোকাবিলায় মোট ৬ রাজ্যকে সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এর মধ্যেই বাংলাই সবচেয়ে বড় অঙ্কের সাহায্য পাচ্ছে। প্রায় ২ হাজার ৭০৭ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই রাজ্যের জন্য। ওড়িশাকে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। এছাড়া সাইক্লোন নিসর্গের হানায় ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্রকে প্রায় ২৬৮ কোটি, বন্যা মোকাবিলায় কর্ণাটককে প্রায় ৫৭৭ কোটি, মধ্যপ্রদেশকে প্রায় ৬১১ কোটি এবং সিকিমকে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫ প্রসঙ্গত , গত মে মাসের ২০ তারিখ আমফান নামক এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন এলাকা। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, মেদিনীপুর-সহ বেশ কয়েকটি জেলা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের আরজি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়। মমতার আরজিতে রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি হেলিকপ্টারে চেপে বিভিন্ন এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন। তখন প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটির প্যাকেজ ঘোষণা করেন মোদি। কিন্তু রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল , যা ক্ষতি হয়েছে , সেই তুলনায় ১ হাজার কোটি টাকা অর্থ কিছুই নয়। কারণ, আমফানে রাজ্যে ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়ার ্পর সেই টাকা নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ , যারা আমফানের জেরে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত , তারা কোনও ্টাকা পায়নি। তৃণমূলের একাংশের নেতা-কর্মীরা সেই টাকা পেয়েছেন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল

পুলিশ নিয়মমাফিক রাজ্যপালকে গার্ড অব অনার দেয়নি। এবার তা নিয়ে রাজ্য সরকার তথা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এ প্রসঙ্গে একটি টুইটও করেন তিনি। রাজ্য পুলিশ রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। আরও পড়ুন ঃ দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু বৃহস্পতিবার প্রথমে পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী। এছাড়াও বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও ছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে। তারপর সেখান থেকে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। কোচবিহার রাজবাড়িও ঘুরে দেখার পর সার্কিট হাউসে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। এরপর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যু্তে ক্ষোভ উগড়ে দেন। উপাচার্যরা তার সঙ্গে দেখা না করায় তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন এবং রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে। এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল রেল-রাজ্যের বৈঠকে। বুধবার থেকেই রা্জ্যে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। প্রথমদিনই অফিস টাইমে অনেক স্টেশনেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে ট্রেনগুলিতে। দ্বিতীয় দিনও তার অন্যথা হয়নি। সকলেই কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা করছে। এবার সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায় কীভাবে? তা নিয়েই বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে ফের বৈঠকে বসে রেল ও রাজ্য। গত রবিবার রাতেই পূর্ব-রেল ঘোষণা করেছিল, হাওড়া, শিয়ালদা ডিভিশন মিলিয়ে মোট ৬১৫টি লোকাল ট্রেন চলবে। কিন্তু বুধবার ৬৯৬টি লোকাল ট্রেন চলেছে বলে দাবি করে রেল। আরও পড়ুনঃ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ রাজ্যেঃ মমতা এদিন ভবানীভবনের বৈঠক থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অফিস টাইমেই সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। ওইসময় ১০০ শতাংশ ট্রেন চালানোতে সহমত হয়েছে রেল। এখন যা ৭৫ শতাংশ চলছে। রেলের আধিকারিকরা জানান, আগে যেখানে ৩০ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাত্রা করত, এখন তার এক-তৃতীয়াংশ যাত্রী যাতায়াত করছেন। অর্থাৎ ১০ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করছেন। এক একটি ট্রেনে আগে যেখানে প্রায় ২ হাজার ২০০ যাত্রী উঠতেন, এখন সেখানে মাত্র এক হাজার ২০০ যাত্রী উঠছেন। কিছু কিছু স্টেশনে দেখা গিয়েছে, সাধারণ যাত্রী কোভিড-বিধির তোয়াক্কা করছেন না। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয় এদিন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল

করোনাজনিত কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। সেই থেকে ৮ মাস গড়ায়নি লোকাল ট্রেনের চাকা। মাঝে রেলকর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন চললেও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কাছে অধরাই থেকে গিয়েছিল লোকাল ট্রেন। অবশেষে রাজ্য-রেল বৈঠকের পর বুধবার সকালে প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর বাংলায় চালু হল লোকাল ট্রেন পরিষেবা। বুধবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। বঁনগা স্টেশনেও ভিড় ছিল ভালই। কয়েকটি স্টেশনে কিছুটা হলেও ভিড় দেখা গিয়েছে। আবার কয়েকটি স্টেশনে একদমই ভিড় ছিল না। নিয়ম মেনে প্রত্যেক যাত্রীই পালন করেছে কোভিডবিধি। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে প্রতি স্টেশনেই রয়েছে আরপিএফ, জিআরপি। ঘিরে দেওয়া হয়েছে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ। যাতে কোনও ভাবে জমায়েত হতে না পারে। কিন্তু এদিন যারা ট্রেনে যাতায়াত করেছেন , সকলকে অনেকক্ষণ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট রেলসুত্রে খবর, প্রতিদিন রাজ্যে ৬৯৬টি ট্রেন চলবে। শিয়ালদা ডিভিশনে চলবে ৪১৩টি ট্রেন, শিয়ালদা উত্তর ও মেইন শাখায় চলবে ২৭০টি ট্রেন, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলবে ১৪৩টি ট্রেন, হাওড়া স্টেশনে ২০২টি ট্রেন, বাকি ৮১টি ট্রেন চলবে খড়গপুর ডিভিশনে। যাত্রীদের দাবি , আরও বেশি সংখ্যায় ট্রেন চালানো হলে সকলে কোভিড বিধি মেনে যাতায়াত করতে পারে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন, বার্তা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করে সোমবার একাধিক টুইট করেন । একটি টুইটে তিনি লেখেন , সংবিধানের বাইরে গিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা এবার সেসব বাতিল করুন। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ক্ষমতার অলিন্দে বেআইনি অনুপ্রবেশ চলবে না। রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন। আরও পড়ুন ঃ ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি আরেকটি টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। এর জন্য তিনি ১৯৬৮ সালের এআইএস কন্ডাক্ট রুলস-এর কথা মনে করিয়ে দেন । আর তা মানা না হলে যে ফল ভালো হবে না তাও জানান রাজ্যপাল। রাজ্যপালের মতে, তাঁর বার বার সংবিধান মেনে চলার পরামর্শ কিছুটা প্রশাসনের উপর প্রভাব ফেলেছে । তবে এখনও অনেকে তা মানছেন না ৷ এরপরই তিনি বলেন, যতই উপরে উঠে যান, আইন সবার ঊর্ধ্বে। প্রসঙ্গত , এর আগেও একাধিকবার টুইট করে রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ধনকড়। দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ্পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্টও করেছেন তিনি। এবার তার এই টুইটের জেরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের যে অবনতি হবে , তা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন

টানা আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে ঘুরতে চলেছে লোকাল ট্রেনের চাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রেল এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী বুধবার থেকে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে প্রতিদিন ৩৬২ টি লোকাল ট্রেন চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সব স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। এর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ও রাজ্য সরকার। আগের মতো কাউন্টার থেকে টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা যাবে। তবে মাস্ক বাধ্যতামূলক। কোভিড বিধি মেনে ট্রেন চালানো হবে। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট কোন গেট দিয়ে যাত্রীরা স্টেশনে ঢুকবেন এবং কোন গেট দিয়ে বের হবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর জন্য আরপিএফ-জিআরপি একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি স্টেশনে থাকবে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। রাজ্যের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ ও খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। প্রথমে বৈঠকে ঠিক হয়, গ্যালোপিং ট্রেন প্রথম ধাপে চালু হবে। কিন্তু, পরবর্তীকালে ঠিক হয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে গ্যালোপিং নয়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বৈঠকে ডাকলেন রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ, উত্তরবঙ্গ কৃষি, রায়গঞ্জ, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে দেখা করবেন। বৃহস্পতিবার টুইট করে বৈঠকের কথা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে আরও লেখেন , আগামী ৯ নভেম্বর দার্জিলিংয়ের রাজভবনে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। উপাচার্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে আসার কথাও লেখেন। ৮ নভেম্বরের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিতির কথাও জানাতে হবে বলেও আরেকটি টুইটে উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ এর আগে তিনি একাধিকবার রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইলেও তখন তারা হাজির হননি। এবার উপাচার্যরা তাঁর ডাকে সাড়া দেন কিনা , সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

অফিস টাইমে রেলকে ২০০ ট্রেন চালানোর প্রস্তাব রাজ্যের

অফিস টাইমে হাও়ড়া-শিয়ালদা মিলিয়ে মোট ২০০টি লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য রেলকে প্রস্তাব দিল রাজ্য সরকার। এই প্রস্তাবে রেল কর্তারা সম্মতি দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে কি পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চালানো হবে তার চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করতে আগামীকাল নবান্নে ফের বৈঠকে বসছে রেল ও রাজ্য। তার আগেই ট্রেন চলাচলের প্রক্রিয়া স্থির করতে এ দিন উভয় পক্ষের বৈঠক হয়। অন্য সময়ে কটা ট্রেন চলতে পারে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে রেল। যাত্রীদের মানতে হবে কোভিড বিধি। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর বন্ধ রাখার আরজি রাজ্য সরকারের রাজ্যে লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে বুধবার নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ এবং খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। জানা গিয়েছে, তাদের হাতে আরপিএফ সংখ্যা কত তা রেলের তরফে রাজ্যকে জানানো হয়েছে। এছাড়াও হাওড়া ও শিয়ালদহের কোন রুট দিয়ে রোজ কত যাত্রী কলকাতামুখী হন তারও গড় সংখ্যা জানানো হয়েছে। এই দুটি বিবেচনা করেই নিউ নর্মালে লোকাল ট্রেন সংখ্যা চূড়ান্ত হবে। স্থির হবে বিভিন্ন রুটের কোন স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। জানা গিয়েছে, গ্যালপিং ট্রেনের সংখ্যা বাড়বে। উল্লেখ্য , গত মার্চে করোনা মহামারির জেরে লকডাউন শুরু হওয়া থেকে বন্ধ ছিল কলকাতা ও শহরতলির লোকাল ট্রেন পরিষেবা। কিন্তু আনলক প্রক্রিয়ায় লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে কয়েকদিন আগেই বিভিন্ন স্টেশনে রেল অবরোধ এবং যাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয় পথ অবরোধও। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে রেল কর্তাদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মঙ্গলবার রাজ্যে লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য আবেদন জানিয়ে রেল কে চিঠিও দেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যে অনুভূত হবে শীত

শীঘ্রই শীতের আমেজ অনুভব করবেন বাঙালি। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অনেকদিন ধরেই ভোরে এবং রাতে হালকা শিরশিরানি ভাব থাকলেও শীতের দেখা মিলছিল না। জানা গিয়েছে , বুধবার থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে নামবে তাপমাত্রার পারদ। আরও পড়ুন ঃ একাধিক আমলা ও জেলাশাসকের বদলির নির্দেশ নবান্নের বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রার পারদ নামবে উত্তরবঙ্গে্র বিভিন্ন জেলাগুলিতে। চলতি সপ্তাহের শেষ থেকে রাতের দিকে তাপমাত্রার পারদ ২০ ডিগ্রির নীচে নামতে পারে। কিন্তু বেলায় কোনও ঠান্ডা অনুভূত হবে না।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পালিত বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচি

নদীয়া জেলায় বিজেপি কার্যকর্তা বিজয় শীলকে হত্যার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এদিন যাদবপুরে থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে এসে বিজেপি সম্পাদিকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার কানে তুলো গুঁজে আছেন। প্রতিদিন কেন বিজেপি কর্মীকে কেন খুন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী জবাব দিচ্ছেন না। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছে বিরোধী রাজনীতি কি অপরাধ। আমরা বিচার চাই। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে মিশ্র প্রভাব কল্যাণীতে অন্যদিকে বিধাননগরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে। তার নেতৃত্বে থানার গেটের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এদিন সল্টলেকের বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তির সামনে থেকে মিছিল করে বিধান নগর উত্তর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ডোমজুড়ের নিশ্চিন্দা থানা ঘেরাও করে ৩ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি কর্মীরা। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কার্যকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে পুরুলিয়া টাউন থানা ও রঘুনাথগঞ্জ থানা ঘেরাও করে বিজেপি কর্মীরা। মালদা থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যদিকে , এদিন কিংকর মাঝিকে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং যুবনেতা প্রেমাংশু রানা সহ আটজন নিরপরাধ বিজেপি কর্মীর মুক্তির দাবিতে রাজাপুর থানাতে প্রতিনিধিমূলক ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির তরফ থেকে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal