• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Son

দেশ

রাজ্যে প্রবল বিরোধিতা, ব্যাঙ্গালুরুতে এক মঞ্চে সোনিয়া-মমতা

২৬টি বিজেপি বিরোধী দলের মহাজোট বৈঠক শুরু হচ্ছে কিছুক্ষণ পরেই। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্গালুরুতে হাজির হয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী, সাংসদ রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান ডিকে শিবকুমার।বিহারের পর কর্ণাটক, দ্বিতীয়বার বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বৈঠকে বসছে কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএমরা। এবার বৈঠকে থাকছে ২৬ বিরোধী দলের নেতৃত্ব। সোমবার বিকেলে বিরোধী দলগুলির সৌজন্য-বৈঠকও হয়। বৈঠক শেষে বিরোধী নেতানেত্রীদের নৈশভোজের আমন্ত্রণে সনিয়া গান্ধী। সনিয়ার ডাকা নৈশভোজে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ওব্রায়েন। কংগ্রেস, মোদি সরকারের অর্ডিন্যান্সের বিরোধিতার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে আপ-ও। পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের প্রথম বৈঠকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার বার্তাই দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীতীশ কুমাররা। এবারের মেগা বৈঠকের শেষে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর জাতীয় রাজনীতিতে। অবশ্য বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিরোধীরা। এদিকে, বাংলায় প্রবল সংঘাত থাকলেও বেঙ্গালুরুর বৈঠকে মমতা-অভিষেক সঙ্গে সনিয়া-রাহুলের এক মঞ্চে বসে আলোচনা ঘিরে প্রবল কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপি শিবির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বৈঠকের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। বারে বারে এই ধরনের বৈঠক করে বিজেপি বিরোধীরা। যারা যুক্ত হয়েছেন, তারা পরিবারকে বাঁচাতে চাইছে। সারদা মামলায় প্রত্যক্ষভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিভাবে কতটা জড়িয়ে ছিলেন সেই সম্পর্কিত যাবতীয় নথি আমি আগামী দু-একদিনের মধ্যে সিবিআই এর ডাইরেক্টর এর কাছে পেশ করব। রাজনীতি বড়ই অদ্ভুত। কে কখন কার দিকে, কে কার প্রকৃত মিত্র, আর কে শত্রু, তা সহজে বুঝে ওঠা দায় ? কিন্তু প্রশ্ন হল, দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে বন্ধুত্ব রক্ষা কি আদৌ সম্ভব?

জুলাই ১৮, ২০২৩
রাজ্য

গুনধর জামাইবাবাজির কান কাটল শাশুড়ি, থানায় অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য

সালটা ১৯৯৭,আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে লাস ভেগাসে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্সিং ম্যাচ চলাকালীন, বক্সিং রিংয়ের ত্রাস মাইক টাইসন তাঁর প্রবল প্রতিপক্ষ ইভান্ডার হলিফিল্ডের কান কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছিলেন। সেই আপরাধে টাইসনকে বাউটের অযোগ্য ঘোষণা করা হয় এবং তাঁর বক্সিং লাইসেন্স কারে নেওয়া হয়। পরে অবস্য তিনি আবার রিংয়ে ফিরে আসেন।এবার টাইসন নন, স্বয়ং শাশুড়ি বাবাজীবন হলিফিল্ডের কান কামড়ে ছিঁড়ে নিলেন! মদ্যপান করে শ্বশুর বাড়িতে এসে চেঁচামেচি করাই কাল হল জামাই বাবাজির। অভিযোগ জামাইয়ের কান কেটে নিয়েছেন শাশুড়ি। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার ইংরেজবাজারের নিমাসরাইতে।শ্বশুরবাড়িতে জামাই এসেছেন মদ্যপান করে। সেখানে গিয়েই স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়াও করতে শুরু করে জামাই। সেই পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে গুণধর জামাইকে বটি দিয়ে কান কাটার অভিযোগ ওঠে শাশুড়ির বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার থানার নিমাসরাই এলাকায়। আহতকে ভর্তি করানো হয় মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। আক্রান্ত জামাইয়ের বাম কানে গুরুতর আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। জখম জামাইবাবাজি শাশুড়ি নিতলা চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।পুলিশ জানা গিয়েছে, আক্রান্ত জামাইয়ের নাম সুনীল চৌধুরী (৩৬)। অভিযুক্ত শাশুড়ির নাম নিতলা চৌধুরী। আক্রান্ত জামাই সুনীল চৌধুরীর সঙ্গে বিয়ে হয় নিতলা চৌধুরীর মেয়ে দুর্গা চৌধুরীর। দুর্গা চৌধুরী পরিবারের চার মেয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই মদ্যপ অবস্থায় গুণধর জামাই তার স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করছিল বলে অভিযোগ। এনিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পরিবারের মধ্যে গন্ডগোল বেঁধেই রয়েছে। এদিন সকালে সুনীল চৌধুরী মদ্যপ অবস্থায় এসে স্ত্রীকে গালিগালাজ করে। মেয়েকে গালিগালাজ করতে দেখেই জামাইয়ের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে শাশুড়ি। শুরু হয় লাঠি দিয়ে মারধোর। অভিযোগ এরপর বটি নিয়ে জামাইয়ের বাম কানে আঘাত করে শাশুড়ি। বাম কানের কিছুটা অংশ কেটে যায় জামাইয়ের। স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। এবিষয়ে অভিযুক্ত শাশুড়ির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহত জামাই। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৭, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এই বিশ্বখ্যাত প্রবাদপ্রতীম শিল্পী কে? বিস্তারিত জেনে নিন

বেশ কিছুদিন আগে থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ফেসবুক বা ফেসবুক টাইম লাইনে অশীতিপর এক বৃদ্ধার সংগীত পরিবেশন কে ট্রোলড হতে দেখা গিয়েছে বারংবার। তিনি কে? কি ভাষায় তিনি গান গাইছেন ? অথবা গানের অর্থই বা কি এর তথ্যানুসন্ধান কেউ করেনি। আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানের বিচারে এই মহান শিল্পীকে নিয়ে শুধু নানান মন্তব্য ও স্ববোধের বিচারে হাসাহাসি চলেছে। কিন্তু প্রকৃত সংগীত পিপাসুদের কানে এই শিল্পীর পরিবেশিত গানটি শুনে কেমন যেন একটা ভালোলাগা অনুভূত হয়। জানা গিয়েছে, গানটি সোয়াহিলি ভাষার একটি বিখ্যাত গান। আর এই অশীতিপর বৃদ্ধা শিল্পীটি আর কেউ নন আফ্রিকা মহাদেশের তানজানিয়ার মহান সংগ্রামী শিল্পী বিকিডুডু। যাঁর পোশাকি নাম ফাতুমা বিনতি বারাকা। এই সোয়াহিলি আরব প্রভাবিত সংগীতের স্টাইল তারাবোর কিংবদন্তী পারফর্মার তিনি। তাঁকে তারাব ও ইউনেয়াগো সংস্কৃতির রানীও বলা হয়। এটি মূলত তানজানিয়া এবং কেনিয়ার কিছু অঞ্চলের সংস্কৃতি। অনুমান করা হয় বিকিডুডের জন্ম ১৯১০সালে তানজানিয়া জাঞ্জিবার দ্বীপের একটি ছোট্ট গ্রামে, গ্রামটির নাম মাফাগিমিরিঙ্গ। তাঁর বাবা ছিলেন ওই দ্বীপেরই একজন নারকেল বিক্রেতা। বিকিডুডে তাঁর মাত্র ১০ বছর বয়সেই আফ্রিকান রক্ষণশীল সমাজের নিয়ম ভাঙতে শুরু করেন। তিনি সমাজ ও প্রথার বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। নিজে ব্যক্তিগত বিপ্লবের মাধ্যমে আফ্রিকান সংগীতএবং নারী জাগরণের পথ তৈরি করে গেছেন। বিশ্ব সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন ওমেক্স এওয়ার্ড। এই পুরস্কারপ্রাপ্তির আগে পর্যন্ত বিকিডুডে অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালেই ছিলেন। ২০০৫ সালে প্রাপ্ত এই পুরস্কারে তিনি বিশ্ববাসীর নজরে আসেন এবং বিশ্ববাসীর মন জয় করেন। ব্রিটিশ নির্মাতা এন্ডি জোন্স শিল্পীর জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রথম তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন Shot Bi kidudu প্রবল লিঙ্গ বৈষম্যে জাঞ্জিবার সমাজে তিনি ছিলেন অকুতোভয়। তাঁর সারল্য জেদ আর অনমনীয় মনোভাবের মধ্যে দিয়ে পদদলিত করেন এই সমাজের জরা ও পশ্চাদপদ প্রথাকে। একক ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জাঞ্জিবার প্রথার অমলিন সংস্কৃতিকে উন্মুক্ত করেন বিশ্ববাসীর সামনে। নিঃসন্তান প্রথাবিরোধী স্বাধীনচেতা এই শিল্পীর জীবনটাই ছিল বিতর্কিত। তথাকথিত একটা পর্দানশীন সমাজের বাইরে বেরিয়ে আসা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি প্রকাশ্যে ধূমপান করতেন, আবিশ্ব ঘুরে বেড়াবেন এই স্বপ্ন ছিল তার। নিজের সমস্ত উপার্জিত অর্থ তিনি অকাতরে দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে নিজে নিঃস্ব থাকতেন। হাঁপানি রোগ নিরাময়ে একজন ভেষজ বিশেষজ্ঞ হিসেবে এই শিল্পী পরিচিত ছিলেন। এই প্রবাদপ্রতীম শিল্পী জাঞ্জিবার তরুণ ও দুঃস্থ শিল্পীদের সংগীত শেখানো ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করতেন। আফ্রিকার লোকসংগীত এর প্রচার ও প্রসারে তার ভূমিকা ছিল অবিসংবাদিত। ১৯৮০ সালে স্বৈরাচারী নাইজেরিয়ান সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল তার কন্ঠ। তানজানিয়ার জাঞ্জিবার সমাজের তিনি ছিলেন জাতীয় ধন। দীর্ঘ ১০৩ বছরের জীবন পথ অতিক্রম করে মহান এই মানবতাবাদী শিল্পী ২০১৩ সালের ১৭ই এপ্রিল জাঞ্জিবার দ্বীপে নিজ গ্রামে লোকান্তরিত হন। গত ১৭ এপ্রিল ছিল তার মৃত্যুর দশম বৎসর।

মে ০৬, ২০২৩
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কটু মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে কটু মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এবারে গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত। আজ সকাল থেকে মন্ত্রী অখিল গিরির ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবি জানিয়ে নিজের গান গেয়ে বেড়ান স্বপন। তার কথায়; রাষ্ট্রপতি একজন সম্মানজনক মানুষ। তাকে অসম্মান দেশকে অসম্মান। তাই আর থাকতে না পেরে পথে নেমেছেন তিনি।যে কোন মহিলার অসম্মানে তিনি সরব হয়ে থাকেন।স্বপন দত্ত একজন লোকশিল্পী। বিভিন্ন ফর্মে তিনি নানা শিল্পের সাথে যুক্ত। পেয়েছেন অনেক সম্মান। রাষ্ট্রপতি ও মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেকের প্রশংসা পেয়েছেন। এর আগেও নানা বিষয়ে গান বেঁধেছেন স্বপন।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

খেটেখাওয়া জামাইবাবু-শ্যালক এক টিকিটেই কোটিপতি

দুজনের ভাগ্য জুড়ে এক টিকিটের সিরিজেই ১ কোটি! মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের জামাইবাবু-শ্যালক ১৫ টাকা করে ভাগে টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছেন। এও যেন এক নজির। এক সিরিজের টিকিট কেটেছেন দুজন মিলে। তাই পুরস্কারের টাকাও দুভাগ করে নেবে তাঁরা।মালদার চাঁচোলের হরিশ্চন্দ্রপুরে পিপলা গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু সাহা এবং কৃষ্ণ দাস। এরা সম্পর্কে জামাইবাবু-শ্যালক। এঁরা দুজনেই পানের দোকান চালান। কোনওরকমে দিনযাপন চলে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। এবার এঁদের দুজনের সংসারে আলোর রোশনাই দেখা যাবে। কোটিপতি হতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছেন শ্যালক-জামাইবাবু। তাঁরা পুরস্কারের অর্থ মূল্য দুজন সমান ভাগে ভাগ করে নেবেন। তাঁদের এই সিদ্ধান্তে বেশ খুশি পরিবারে সদস্যরাও। পুরস্কার পড়েছে শুনে টিকিট নিয়েই তাঁরা ছোটেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
নিবন্ধ

এলো রে এলো পুজো এলো, ঢ্যামকুড়াকুড় ... মা-আ-আ-তলো রে-এ-এ ভুবন...

সকাল দশটা। স্কুটার নিয়ে ছুটছি কর্মস্থলে। ভাঙাচোরা রাস্তা... কানফাটানো হর্ন... সর্বব্যাপী ধোঁয়া-ধুলো... অসহিষ্ণু টোটো... দিগ্বিদিকজ্ঞানশূণ্য পথচারী... মাইকে ঢ্যামকুড়াকুড় ... মা-আ-আ-তলো রে-এ-এ ভুবন...বৃষ্টি এখন এই আছি এই নেই আমি যেন পাখি মেলি পাখনা! আজ সকাল থেকে চারদিক আলোঝলমল। এক আকাশ নরম শরতের রোদ ঝাঁপিয়ে পড়েছে বর্ধমান শহরের ওপর; মিঠে আদর মাখিয়ে দিচ্ছে আমার কাঁধে.. পিঠে .. কমতে থাকা চুলের ফাঁকে!চারদিকে ফ্লেক্স-ফেস্টুন-ফাটা হোর্ডিংয়ে পুজোর সোচ্চার ঘোষণা। মণ্ডপে মণ্ডপে বাঁশ-শালবল্লার কঙ্কাল দ্রুত ঢাকা পরছে ত্রিপল-পলিথিন-প্লাইউডের ঘেরাটোপে। তাদের পর্দাঢাকা অন্দরমহলে শেষ কদিনের রহস্যময় তৎপরতা। কিছু কুচোকাঁচার হুটোপাটি তার আশেপাশে।বিকেলের দিকে মাঝেমাঝেই দেখি বিচিত্র সব শোভাযাত্রা--- ফর্সা ধুতিগেঞ্জি পরা ঢাকী... রণপা চড়ে টলমলিয়ে হাঁটতে থাকা তালঢ্যাঙা মানুষ, গা থেকে তাদের লুটিয়ে পড়ছে বড় শোরুম বা শপিংমলের নামাঙ্কিত লম্বা আঙরাখা... পিছুপিছু রঙবেরঙের প্ল্যাকার্ড বাগিয়ে ধরে সারিবদ্ধ পদযাত্রীরা। খবরকাগজের পাতায়ও লোভনীয় সব শারদীয়া অফার--- পাতাজোড়া বিজ্ঞাপনে সুশোভিতা সুন্দরীদের পণ্যবাহী আহ্বান!কেমন হুট করে যেন পুজো এসে গেল এবার! টুপটাপ করে বিনা সোরগোলে বেরিয়ে গেল একটার পর একটা পুজোবার্ষিকী ... দেখতে দেখতে মণ্ডপ গজিয়ে উঠলো এখানে সেখানে ... ঢাউস ঢাউস পোশাকের মল-গুলোতে সম্বৎসরের ভিড় শুধু যেন বেড়ে গেল একটুখানি... সমস্ত ট্রেনের টিকিট প্রত্যাশীদের চোখের সামনে লম্বা লম্বা ওয়েটিং লিস্ট ঝুলে গেল কোন অলক্ষ্যে।নাকি বুড়ো হয়ে যাচ্ছি আমিই! চোখ মেলে দেখছি না সোনা সোনা আকাশ আর সবুজ সবুজ মাটির দিকে! নতুন রঙের ছোঁয়ায় হৃদয় মাতছে না আর, আলোর জোয়ারে খুশীর বাঁধ ভাঙতেও গেছে ভুলে !বিকেলে কর্তাগিন্নী তাই বেরিয়ে পড়লাম। লড়ঝড়ে স্কুটারটা নিয়ে টলমল করতে করতে বাঁধ পেরিয়ে নেমে এলাম দামোদর-এর ধারে। আদিগন্ত দুধসাদা কাশফুলের চাদরে গা ঢেকে দুলছে দু পাড়। পাশে শেষবর্ষার ভরা স্রোত বয়ে চলেছে আপন বেগে। একমানুষ উঁচু কাশবন... ভিজে বালি... দুতিনটে উল্টানো নৌকা... জলের ওপাড়ে বাতাসে ভাসছে ইনি-মিনি-টাপা-টিনি-টানা-টুনি-টাসা...আকাশে শেষ বিকেলের রঙের খেলা... সন্ধ্যে নেমে আসছে উড়ন্ত চিলের ডানায় রোদের গন্ধ মুছে দিয়ে... ছোটো ছোটো কালচে পাখিগুলো লাফিয়ে লাফিয়ে উড়ছে কাশফুলের মাথায় মাথায়... কৌতুহলী চোখে আমাদের মাপতে মাপতে চলে গেল দুতিনটে প্যাংলা ছেলে।আজ রাত পেরোলেই মহালয়ার ভোর; অখিল বিমানে বেজে উঠবে তাঁর জয়গান। আগমনী আলো আকাশ জুড়ে প্রাণের প্রদীপ জ্বালিয়ে আবাহন করবে দূর্গা দূর্গতিনাশিনীর। বাঙালীর ঘরে ঘরে স্নেহময়ী মা উমা হয়ে বিরাজ করবেন সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী মহামায়া।এ দ্যুলোক মধুময় হোক, মধুময় হোক পৃথিবীর ধুলি।সবাই সুস্থ থাকুক, আনন্দে থাকুক। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক।ডঃ সুজন সরকার,বর্ধমান।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা, বাবার লকার ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা ও গয়না চুরি করে ছেলে পুলিশের জালে

বাবার লকার ভেঙ্গে লক্ষাধিক টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর ছেলে ঈশানের। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার পুলিশ শিলিগুড়ির এক ফ্ল্যাট থেকে প্রচুর টাকা, গয়নাসহ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত ঈশানকে। এদিন বংশীহারী থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে ও গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয় তাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ঈশান কারজাইয়ের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর পৌর এলাকার বড়াইলে। বুনিয়াদপুরে প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীর পুত্র। ধৃতের নামেই বাবার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম। ধৃতের বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই তার ছেলে ঈশান কারজাই(২০) বাড়ির লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের লোক অনেক খোঁজাখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে ২৩ জুলাই ঈশানের বাবা আবু তাহের বংশীহারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে বংশিহারী থানার পুলিশ। এএসআই বিপ্লব দাসের নেতৃত্বে মোবাইল লোকেশন ধরে শিলিগুড়িতে পৌঁছে যায় তাঁরা।জানা গেছে ১৯ জুলাই থেকে ২৫ শে জুলাই পর্যন্ত সে শিলিগুড়ির বিভিন্ন হোটেলে রাত্রিযাপন করে। ২৬ শে জুলাই শিলিগুড়ি রবীন্দ্রসরণির রাজা রামমোহন রায় রোডে বিবেকানন্দ পল্লী এলাকায় ঈশান একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। মোবাইল টাওয়ার ধরে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফ্ল্যাটটিতে পৌঁছায় এএসআই বিপ্লব দাস সহ অন্যান্যরা। হাতেনাতে ফ্ল্যাটটি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় সাত লক্ষ টাকা। একটি সোনার আংটি ও একজোড়া কানের দুল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে এই পরিবার দিল্লিতে থাকতেন। হঠাৎ করে কয়েক বছর আগে বুনিয়াদপুরের বেশ কয়েকটি বাড়িসহ হার্ডওয়ার দোকান দিয়ে জাকিয়ে বসেছেন এই ব্যবসায়ী। দিল্লিতে এখনও যাওয়া আসা আছে। গত এক বছর আগে ঈশান কারজাই দিল্লি থেকে বুনিয়াদপুরে চলে আসে। মালদহ-তেও নাকি কিছুদিন ছিল ঈশান। কয়েকদিন আগে ঈশান বুনিয়াদপুর, হরিরামপুর ও গঙ্গারামপুরে মোমোর স্টল বসিয়েছিল। মালদা, অসম ও শিলিগুড়ি থেকে সাত জন নেপালি ছেলেদের বাড়িতে রেখে মোমো বানিয়ে তাদের দিয়ে সেই স্টলগুলি পরিচালনা করতো বুনিয়াদপুর থেকে। ভালোই চলছিল সেই মোমোর দোকানগুলি। কোনও অজ্ঞাত কারণে কয়েক সপ্তাহের পর সেই মমোর স্টলগুলি বন্ধ হয়ে যায়।বংশীহারী থানার আইসি মনোজিত সরকার বলেন, বাড়ি থেকে লকার ভেঙ্গে ৯ লক্ষ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়েছিল ঈশান কারজাই। বাবা আবু তাহের রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার শিলিগুড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকা, সোনার গয়না সহ ঈশানকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে তাকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

না ফেরার গান

না ফেরার গানটি হল জিপসি গান ডিজেলেম ডিজেলেমের একটি রূপান্তর। গানটি মূলত ১৯৪৯ সালে সার্বিয়ান জিপসি সঙ্গীতশিল্পী জারকো জোভানোভিক লিখেছিলেন যিনি তিনটি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বেঁচে গিয়েছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ব্ল্যাক লিজিয়ন (হিটলারের সেনাবাহিনী) দ্বারা নিহত হয়েছিল। জার্মান অধিকৃত ইউরোপে ৬ মিলিয়ন ইহুদি ছাড়াও ৫০,০০০-১৫০,০০০ জিপসিকে নাৎসিরা হত্যা করেছিল। কেউ কেউ বলছেন আসল অঙ্ক দেড় লাখ। ১৯৭১ সালে, আন্তর্জাতিক রোমানি কংগ্রেস, লন্ডনে গানটি রোমানি সঙ্গীত হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে।ভারত ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘৃণার রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কবি ও সুরকার সান্তনু রায় এই ফ্যাসিবাদ-বিরোধী গানটি তৈরি করেছেন। বাংলা সংস্করণে জিপসিদের বিচরণ লালসা এবং সেই অসহায় দরিদ্র মানুষের আর্তনাদও রয়েছে যারা বেঁচে থাকার জন্য এক ভূখণ্ড থেকে অন্য অঞ্চলে চলে যায়।গানটি ইউডি এন্টারটেইনমেন্ট প্রকাশ করেছে এবং সমস্ত নেতৃস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে উপলব্ধ। মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশিত হবে ইউটিউব চ্যানেল সান্তনু রায়-দুপুরের নীলে।

জুন ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'ম্যাহেসুস' মিউজিক অ্যালবাম, মাধুর্য ছড়ালেন 'মধুরা'

নিতিন জৈন পরিচালিত মিউজিক ভিডিও ম্যাহেসুস গানটি মুক্তি পেল এনভি প্রোডাকশনের ব্যানারে। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করতে দেখা যাবে বসুন্ধরা পণ্ডিতা ও করণ সারোহা কে। শিশুশিল্পী হিসাবে রয়েছেন কবীর পাহনা এবং অ্যামারাইরা সুদ।এই মিউজিক অ্যালবাম-এ কন্ঠ দিয়েছেন রাজ বর্মন ও মধুরা ভট্টাচার্য। এই প্রজন্মের বাঙ্গালি কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মধুরা। সঙ্গীতের সুত্রে দীর্ঘ সময় মুম্বাই-য়ে কাটিয়েছেন। আর বাংলা টেলিভিশিন ও সিনেমার জগতে অতি পরিচিত মুখ তিনি।ম্যাহেসুস গানটা নিয়ে জনতার কথা কে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, খুব সুন্দর একটা ৯০ দশকের ফিল আছে গানটার মধ্যে। পুরুষ কন্ঠটা রাজ বর্মনের। ও প্রথমে গানটার ব্যাপারে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। যারা মিউজিক করেন, তারা সবাই দিল্লি, মুম্বই দুই জায়গার ব্যস্ততম মানুষ। এই মিউজিক ভিডিওটার মাধ্যমে একটা গল্প খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। যাঁরা অভিনয় করেছেন তারাও খুব-ই ভালো অভিনয় করেছেন। পুরো ব্যাপারটা খুব ভালো ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ লক্ষের ও বেশি মানুষ গানটা শুনেছেন। এটাও একটা বিশেষ ভালোলাগা।কেকে-র অকাল প্রয়াণের পর যখন মুম্বাই ও কলকাতার সঙ্গীতশিল্পী দের মধ্যেআমরা-ওরা ধারনা-র অদৃশ্য প্রাচীর তৈরি হচ্ছে ঠিক সেই সময় মধুরা-র ম্যাহেসুস যেন সেই ক্ষতে প্রলেপ। অনেক আগেই তিনি সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে সামনে এসেছেন। আমাদের আশা ম্যাহেসুস তাঁকে প্রচারের আলোয় আরও সামনে এনে দেবে।

জুন ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

খুব শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে যোগাযোগ এর নতুন গান

সম্মান রায়ের পরিচালনায় যোগাযোগ ছবিটি প্রথমে শর্ট ফিল্ম হিসাবে বানানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি নির্মাণের ভাবনা নেন পরিচালক। খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। তার আগে শীঘ্রই দর্শকদের কাছে পৌঁছে যাবে যোগাযোগ এর নতুন গান। গানটির নাম মায়া। পরিচালক সম্মান রায় জনতার কথা-কে জানিয়েছেন, ছবিটি মুক্তি পেতে এখন একটু দেরি আছে।তার আগে জুনের প্রথম সপ্তাহে মায়া নামে দ্বিতীয় গানটি মুক্তি পাচ্ছে। গানটির গীতিকার আমি। সুরকার আদর দাস। গানটি গেয়েছেন জয়তি চক্রবর্তীর ছাত্রী অহনা ঘোষ। যোগাযোগ এ গানটি অদ্রিতাকে রেখেই করা হয়েছে।উল্লেখ্য এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক পুরকাইত, অদ্রিতা দে, সোহম গুহ পট্টদার, অন্বেষা মৈত্র, ইন্দ্রাশিস ঘোষ প্রমুখ। এদের মধ্যে ঋত্বিক পুরকাইত সম্প্রতি অপরাজিত তে অভিনয় করে খুব জনপ্রিয় হয়েছেন।

মে ২৪, ২০২২
রাজ্য

অবলুপ্ত প্রায় প্রাণী ও পতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলে

প্রকৃতির অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্যে সর্বাগ্রে দরকার প্রাণী ও উদ্ভিদকুলের সঙ্গে মানুষের বন্ধন। কিন্তু নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের জন্যে অবলুপ্তি ঘটেছে সেই বন্ধনের। তার কারণে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদ। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে কয়েক বছর ধরে এক অনবদ্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞান নিয়ে পড়ুশানা করা বাঙালি ছাত্র তরুণ পাল। তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখছেন বিলুপ্ত হতেবসা বভিন্ন প্রাণী ও পতঙ্গের মৃত দেহ। আর এই কাজেরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পেয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের নানা পুরস্কার ও মানপত্র। যা নিয়ে গর্বিত ছাত্র তরুণের পরিবার পরিজন ও এলাকাবাসী।দার্জিলিং হিল ইউনিভার্সিটি থেকে গণিত বষয়ে এম-এসসি পাঠরত ছাত্র তরুণ পালের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামে। তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল পেশায় ভাগ চাষি। মা ঝর্ণাদেবী সাধারণ গৃহবধূ।বোন মনীষা পাল পড়াশুনা করছে স্নাতক স্তরে। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা কালেই বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়তে শুরু করে ছাত্র তরুণের। সেই সময় থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে হাই স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা কালে তরুণ জানতে পারেন শুধু ডাইনোসর, নয়, আরো অনেক প্রাণী ও পতঙ্গ এই পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষকদের কাছথেকে ও বই পড়ে এও জানতে পারেন, এই বিলুপ্তির কারণ মূলত নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ড। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঠরত কাল থেকেই ছাত্র তরুণ পাল বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন। এর কারণ প্রসঙ্গে তরুণের বক্তব্য, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পরেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁর সংরক্ষণে থাকা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ গুলি দেখে তাদের বিষয়ে জানতে পারবে।তরুণ পাল জানান, নগরায়নের জাঁতাকলে পড়ে গ্রামে গঞ্জেও বনাঞ্চল কমছে। এছাড়াও দূষণ যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে প্লাস্টিক ও কিটনাসকের ব্যবহার। এইসবের কারণে বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গ অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তা অনুধাবন করেই তিনি প্রথম সংরক্ষণ করেন একটি মৃত খরগোশের দেহ। এই কাজটি করার জন্যে তিনি স্কুল জীবনে ল্যাবরেটরিতে ছুরি, কাঁচির ব্যবহার বিষয়ে যে শিক্ষা পেয়েছিলেন সেটাকেই কাজে লাগান।তরুণ পাল বলেন, প্রথমে ছুরি ও কাঁচির সাহায্যে মৃত খরগোসের দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ি ও অন্যান অংশ কেটে বের করে দেন। তারপর নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরি ফরমালিন মেশানো লবন সিক্ত জলে ওই খরগোশের দেহ ৭-৮ ঘন্টা চুবিয়ে রাখার পর সেটিকে শুকিয়ে নেন। এরপর খরগোশের ওই গোটা দেহাংশ অক্সিজেন বিহীন কাঁচের জারে ভরে শিল করে দেন। ৫-৬ বছর হয়ে গেল ওই কাঁচের জারেই অক্ষত রয়েছে খরগোশের দেহাংশ। কোন পচনও ধরে নি। একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ফিতাকৃমি, বেঙাচি, সাপের বাচ্চা, বেজি, গিরগিটি,তেঁতুলে বিছা, মথ, রাত পাখি, ইঁদুরের ভ্রুণ এবং শিবলিঙ্গ ফুল সংরক্ষণ করে বাড়িতে রেখেছেন বলে ছাত্র তরুণ পাল জানিয়েছেন।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থকে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলেঅভিনব ভাবনার এই কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ভাগ চাষীর ছেলে তরুন পাল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থেকেও নানা পুরস্কার এবং মানপত্র পেয়েছেন। হোপ ইন্টারন্যাশানাল, ইন্ডিয়ান,স্টেট ও স্টার বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এর স্বীকৃতি পত্র ও পুরস্কার তরুণ পালের ঘরে তো সাজানো রয়েইছে। এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড রেকর্ড, ডিসকভার ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট রেকর্ড, ইন্ডিয়াস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সহ ১৭ টি সংস্থার স্বীকৃতি ও পুরস্কার ইতিমধ্যেই ছাত্র তরুণ লাভ করেছেন।ছেলের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে গর্বিত তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল ও মা ঝর্ণাদেবী। নিত্যানন্দ বাবু বলেন,ছেলে মরা প্রাণী ও পতঙ্গ নিয়ে আসলে কি করতে ছাইছে তার কিছুই প্রথমে তিনি বুঝতে পারিনি। পরে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি আমার ছেলে তরুণের ভাবনার গভীরতা অনেক। এই টুকু বুঝেছি, একটা দিন হয়তো এমন আসবে যখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া অনেক প্রাণী ও পতঙ্গের বিষয়ে জানতে আমার বাড়িতেই আসবে। মা ঝর্ণাদেবী বলেন, আমার ছেলে তরুণ শুধু মাত্র বিলুপ্ত হতে বসা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ সংরক্ষণ করে রাখার কাজের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখে নি। বাবা ও মায়েরা তাঁদের শিশুকে কিভাবে মানুষ করলে ও শিক্ষা দিলে ওই শিশুর মধ্যে সু-ভাবনা চিন্তা সম্পন্ন মানসিকতা গড়ে উঠবে এবং বড় হয়ে সে সকলের জন্য ভাববে এই বিষয়টি নিয়ে তরুণ গবেষণা মূলক একটি বইও লিখছে। পাশাপাশি অবহেলিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনের ভালোর জন্যে কিছু কাজ করার ব্যাপারেও উদ্যোগ নিচ্ছে ছেলে তরুণ। মানব কল্যাণমূলক কাজে ছেলের সাথী হতে চান বলে ঝর্ণাদেবী জানিয়েছেন। খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত কুমার বাগদি বলেন, তরুণ পালের ভবনা চিন্তা ও কর্মকাণ্ড এক কথায় অনবদ্য। উনি গোটা খণ্ডঘোষ বাসীকে গর্বিত করেছেন। যে কোন প্রয়োজনে উনার পাশে আমরা থাকবো।

মে ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পী মেয়ের অনুরোধে, গানের খাতা-র ধুলো ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় সঙ্গীতশিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য

রাতের চোখে ঘুম যে নামে, চাঁদের পাশে মেঘ যে থামে, আমার পাশে নেই তো তুমি মা, তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা...... হ্যাঁ, ঠিক-ই ধরেছেন, মা ও মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে স্টার জলসা-র জনপ্রিয় সিরিয়াল মা-এর টাইটেল সঙ্গীতের কথাই বলছি। এই মুহুর্তে বাংলা সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তম মধুরা ভট্টাচার্যর যেন তাঁর শিল্পী সত্ত্বার পাশে মায়ের উপস্থিতি না পেলে, তাঁর অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিলো।মেয়েদের বড় করে তুলতে গিয়েই সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের খাতা কবেই আলমারী তে তুলে রেখেছিলেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক সন্তানদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আজ মধুরা সফল একজন সঙ্গীত শিল্পী ও বড় কন্যা সুমিত্রা একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। মঞ্চের পাটাতন শক্ত হতেই মেয়ে মধুরা টেনে ধরলেন মা শম্পা ভট্টাচার্য-র হাত। এবার আর উপেক্ষা করতে পারলেন না মা।শম্পা ভট্টাচার্য-র সঙ্গীত শিক্ষা শুরু খুব ছোটো বয়সে। তাঁর ঠাকুমা শান্তিময়ী দেবী সেই সময়ের একজন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার বই লিখেছিলেন। তদকালীন সময়ে তিনি এক বিদুষী মহিলা ছিলেন। শম্পার বাবা সাধনানন্দ মিশ্র রবীন্দ্রসঙ্গীত ও পুরাতনী গানে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ছোটো বয়স থেকেই শম্পা বাড়িতে এক সুন্দর সাংগীতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও ইতিহাসে মাস্টার্স করেন। তিনি যেকোনও ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি এবং রজনীকান্তর গানের ধারায় আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। এছাড়াও তিনি পুরাতনী গানেও খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ তার বাবা এবং ঠাকুমার কাছ থেকে সেই গান তিনি শিখেছিলেন। তিনি একটি আদ্যন্ত সঙ্গীতীক পরিবারের বংশধর। ১৯৮৬ তে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি-র ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানের একজন বি-হাই (B-High) শিল্পী, এবং শম্পা ১৯৮১ থেকে কলকাতা দূরদর্শনের সাথে যুক্ত।শম্পা কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জায়গা যেমন, রবীন্দ্র সদন, মধুসূদন মঞ্চ, শিশির মঞ্চ, গিরিশ মঞ্চ, মহাজাতি সদন, অহীন্দ্র মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, শরৎ সদন-এ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় মেলা তে তাঁর মধুর কন্ঠের মুর্ছনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শম্পা বিষ্ণুপুর ঘরনার প্রবাদপ্রতিম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত তারাপদ চক্রবর্তী-র পিঠস্থান বিষ্ণুপুর মেলা এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।মেয়ে মধুরা সাথে মা শম্পাশম্পা ভট্টাচার্য নীহার রঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি সুকুমার মিত্র, বিমান মুখোপাধ্যায়, মীরা দত্ত রায়-র কাছ থেকে নজরুল গীতি এবং বাংলা আধুনিক গান শেখেন। শম্পা অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্ত গীতি শিক্ষা লাভ করেন নীলা মজুমদার কাছে।তাঁর রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষা লাভ প্রবাদ প্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র-র কাছে এবং তিনি শ্রীমতি সুমিত্রা সেনের কাছ থেকেও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন যখন তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতের ছাত্রী ছিলেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের আরও দুই মহিরূহ শ্রীমতী কণিকা বন্দোপাধ্যায় ও শ্রীমতি নীলিমা সেন-র কাছে রবীন্দ্রসংগীত শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য সমন্ধে জনতার কথা কে কন্যা বিশিষ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা বলেন, মা বাবা সমন্ধে কি আর বলবো, আমি আজ যা কিছু, যেটুকু হতে পেরেছি সমস্তটাই মা এবং বাবার জন্য। আমার সঙ্গীত জীবনের প্রথম গুরু আমার মা। আমার খুব মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম, মা রেওয়াজ করতে বসলেই আমার বসার যায়গা ছিল মায়ের হারমোনিয়াম ও তবলা। সেগুলি কে চেয়ার ভেবে বসে পড়তাম। কেননা ওই দুটো যন্ত্র-ই আমার বসার উচ্চতায় থাকতো। আজ বুঝতে পারি মাকে কতটা বিরক্ত করতাম! আমার গানের হাতে খড়ি মায়ের কাছেই। তাঁর কাছেই আমার প্রথাগত শিক্ষা শুরু। এখনও যেকোনো ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গান যেমন, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি যাঁর গানই হোক তোলার প্রয়োজন হলেই মায়ের স্মরনাপন্ন হতে হয়। আর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তিনি চলমান গীতবিতান, যে গানই বলি সেটা তাঁর তোলা আছে। কি করে যে এত রবীন্দ্রসঙ্গীত জানেন আমি জানি না। আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা নিজেদের গান গাইতে গেলেই খাতা বা ট্যাব ছাড়া গাইতে ভরসা পাই না। তিনি কি করে এত রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা-সুর একেবারে নোটেশন মিলিয়ে অবলীলায় গাইতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে। হয়ত তখনকার দিনের শিক্ষা পদ্ধতিটাও সেরকমই ছিল, তাই তিনি পারেন।মেয়ে মধুরার উৎসাহে শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য আবার জনসমক্ষে। বেতার ও দুরদর্শন ক্ষ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের ডালি সাজিয়ে উপস্থিত সামাজিক মাধ্যমে। মধুরার উদ্যোগে তাঁর নতুন ফেসবুক পেজ গানে গানে শম্পা ভট্টাচার্য তে উঁকি দিলেই শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া মেজাজে সেই উদাত্ত কণ্ঠের অতুল প্রসাদী, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদী চিত্ত দুয়ার খুলিবি কবে মা - চিত্ত-কুটীরবাসিনী মন ছুঁইয়ে যায়, নেটনাগরিক দের প্রসংশায় বোঝা যায় যে সঠিকভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারলে এই প্রজন্ম-ও ভালো গান শুনতে প্রস্তুত। কুটির বাসিনী শম্পা-র চিত্ত দুয়ার খুলতে মেয়ে মধুরা সত্যিই সফল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তসমের থিম সং-এ গাইলেন রূপঙ্কর

ফ্যাশন ডিজাইনার প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের তসম ফ্যাশন স্টুডিওর জন্য থিমসং গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়কের গাওয়া থিম সং দিন বদলের স্বপ্ন চাই, নতুন কিছু করতে চাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উদ্বোধন করলেন প্রবীণ অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। থিমসং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে, সুচেতনা দে, তমোজ্যোতি মুখোপাধ্যায়, মডেল ও অভিনেত্রী সুচরিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই থিম সং-এর কথা ও সুর অভিজিৎ পাল ও তাঁর টিমের। এই থিম সং প্রসঙ্গে প্রমিত মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানালেন, প্রতিটি কোম্পানির একটা নিজস্ব থিম সং থাকে। সেই চিন্তা থেকেই একটা থিম সং রিলিজ করা হল। নিজের ভাবনা থেকেই পুরো থিম সংটা করা। থিম সংটা শুধু শোনার জন্য নয়, দেখার জন্যও আমরা ভিডিও হিসাবে বার করেছি যাতে গানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ড্রেসটাকেও ডিসপ্লে করাতে পারি। এই থিম সং-এর মাধ্যমে আমরা হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছেও পৌঁছে যেতে পারবো।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাংলার প্রথম ভিএফএক্স গানে দেবতনু-সুভস্মিতা জুটি

অভিষেক চৌধুরির ছবি টিকিল্যান্ডের গান ডিলাক্স মামনি মুক্তি পেল। হিল্লোল আচার্যর লিরিক্স ও কম্পোজিশনে এই মিউজিক ভিডিওতে গান গেয়েছেন কাজল চ্যাটার্জি ও হিল্লোল আচার্য। বাংলার প্রথম ভিএফএক্স মিউজিক নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে। টাইমস মিউজিক বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে এই গানটি মুক্তি পাওয়ার পর ইতিমধ্যে ৩ লক্ষ ২১ হাজারের বেশি মানুষের কাছে গানটি পৌঁছে গেছে। ডিলাক্স মাননি নিয়ে দেবতনু জনতার কথা কে জানালেন, আমি কিছু বলবো না। অডিয়েন্স বলবে। নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি সব সময়। মানুষের ভালো লেগেছে এটাই আমার পাওনা। নতুন কিছু বারবার ট্রাই করে যাবো যেন বাংলার কন্টেন্ট কে একদিন ওয়ার্ল্ডে রিপ্রেসেন্ট করতে পারি। এটাই আমার স্বপ্ন। বাংলার প্রথম ভিএফএক্স গান শুটিং প্রসঙ্গে জানালেন, মজা পেয়েছি। একটু বেশি টেকনিক্যালি অভিনয় করতে হয় গ্রিন স্ক্রিনে। সেটা নাচের ক্ষেত্রে আরো বেশি কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু করতে পেরেছি। চ্যালেঞ্জ নিজে না নিলে চ্যালেঞ্জিং কিছু তো করা যায় না। তাই চ্যালেঞ্জ নিলাম। এবার অডিয়েন্স বাকি কথা বলবে। বাংলার প্রথম ভিএফএক্স মিউজিকে সুভস্মিতার তার কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিলেন জনতার কথা-র সঙ্গে। সুভস্মিতা জানালেন, আমার কাছে একটা বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা ছিল। সত্যি কথা বলতে আমি একজন নৃত্যশিল্পী নই। জয় দা, আমাদের কোরিওগ্রাফার একমাত্র ব্যক্তি যিনি আমাকে সমস্ত আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিলেন। হিল্লোল দা তার জাদুকরী কণ্ঠ আমাদের উপহার দিয়েছেন। ডিলাক্স মামনি আমি এবং দেবতনু আমাদের সেরাটা দিয়ে করার চেষ্টা করেছি।

মার্চ ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

লতা মঙ্গেশকরের স্মরণে বিশেষ কভার প্রকাশ

কিন্নরকণ্ঠী লতা মঙ্গেশকারের মৃত্যুর খবরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ তথা উপমহাদেশ। অন্তবিহীন... বড়ো শূন্য শূন্য দিন। ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে সুরেলা কণ্ঠ থেমে যাওয়ার দুঃখ ভোলার নয় কখনোই। তবে এটাও ঠিক তিনি যেন মৃত্যুহীন প্রাণ। চির অমর হয়ে থাকবে তাঁর সব গান। অন্তরকে নাড়িয়ে দিয়ে যাওয়া লতা মঙ্গেশকরের গান আরো কয়েক প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে। এই কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর স্মরণে এক অনন্য প্রয়াস নিয়েছে শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স - সর্বোত্তম- কাল, আজ ও পরশু। ২১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার জিপিওর রটন্ডায়ে এই অনুষ্ঠানের আসর বসেছিল। লতা মঙ্গেশকরের স্মৃতিতে ইন্ডিয়া পোস্ট এক বিশেষ প্রচ্ছদ প্রকাশ করলো, যা শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স- এর সর্বোত্তম সম্মান - এর অংশ বলা যায়। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স এর উদ্যোগে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রকাশ করল এক স্পেশাল কভার সঙ্গীত সাম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর-এর স্মরণে।উপস্থিত ছিলেন চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল জে. চারুকেশী,পোস্ট মাস্টার জেনারেল নীরজ কুমার, সংস্থার দুই কর্ণধার অর্পিতা সাহা,রূপক সাহা, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ, সঙ্গীত শিল্পী অন্তরা চৌধুরী,লতা গবেষক স্নেহাশিস চ্যাটার্জি প্রমুখ।জে চারুকেশী এই উদ্যোগে খুশি হয়ে জানান, লতা মঙ্গেশকরের মতো একজন কিংবদন্তির ওপরে এমন কভার প্রকাশ করতে পারাটা আমার কাছে ভীষণ আনন্দের। অন্যদিকে, শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স- এর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান নীরাজ কুমার। গৌতম ঘোষের বক্তব্য, এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উদ্যোগে সামিল হয়েছি। তবে লতা মঙ্গেশকরের ওপরে এই বিশেষ প্রচ্ছদ সত্যিই অনবদ্য ব্যাপার।বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক প্রয়াত সলিল চৌধুরীর মেয়ে অন্তরা চৌধুরী আবেগঘন হয়ে জানান, বাবার সুর করা অসংখ্য গানে লতা মঙ্গেশকর গেয়েছেন। ওঁনার সঙ্গে আমার অসংখ্য স্মৃতি এখনো উজ্জ্বল। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর এই উদ্যোগে আমি উচ্ছ্বসিত।প্রতিষ্ঠান অধিকর্তা অর্পিতা সাহা জানান, আমাদের সংস্থা গুণের কদর করে। বিভিন্ন সময় নানা রকম উদ্যোগ নিয়ে আমরা তা আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করি।সংস্থার আরেক অধিকর্তা রূপক সাহার কথায়, পণ্ডিত বিরজু মহারাজ, ড. এল সুব্রহ্মণ্যম ও উস্তাদ আমজাদ আলী খানের মতো কিংবদন্তিদের আমরা সর্বোত্তম সম্মানে ভূষিত করেছি। আজ লতা মঙ্গেশকরের মতো এক অধ্যায়ের ওপর বিশেষ প্রচ্ছদ প্রকাশ করতে পেরে আমরা ধন্য। সত্যি তিনি সর্বোত্তম- কাল,আজ ও আগামীতেও।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘জনতার কথা’-র মুখোমুখি অভিনেত্রী ‘নন্দিনী সোনালী’

অভিনেত্রী নন্দিনী সোনালী। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। রমাপ্রসাদ বণিকের কাছে তাঁর থিয়েটারের প্রশিক্ষণ হয়। বর্তমানে তিনি শর্ট ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজে কাজ করছেন। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র মুখোমুখি হলেন নন্দিনী। জনতার কথাঃ তোমার থিয়েটারের জার্নিটা কিভাবে শুরু হয়? নন্দিনীঃ বেসিক্যালি আমি মফঃস্বলের মেয়ে। থিয়েটারের জার্নি যদি বলা হয় পাড়ার নাটক। সেখান থেকে রমা স্যারের কাছে আসি একটা ওয়ার্কশপের জন্য। এরকম পরপর দুটো ওয়ার্কশপ করি। তারপরে স্যার যখন আমাকে প্রোডাকশনের জন্য ডাকেন আমি বলি প্রোডাকশন করবো। তারপর স্যার মারা যান। তাঁর সঙ্গে কোনও প্রোডাকশন করা হয়ে ওঠেনি।এরপর আমার বাবা মারা যান। আমি চার বছর থিয়েটারের সঙ্গে ছিলাম না। তারপরে আমি আবার থিয়েটারে ব্যাক করি।জনতার কথাঃ শর্ট ফিল্ম, ওয়েব সিরিজের কাজ কবে থেকে শুরু হয়?নন্দিনীঃ ২০১৭-র ১লা বৈশাখ আমার কাছে একটা হটাত কল আসে। একটা মিউজিক ভিডিও হবে। সেটার জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে। আমি যাই দেখা করতে। সেটা কিউ এর একটা মিউজিক ভিডিও ছিল। সেদিন রাত্রিবেলা শুট। আমি যাই। হোল নাইট আমরা শুট করি। সেই থেকে আমার ক্যামেরার সামনে কাজ করা শুরু।জনতার কথাঃ কিউ এর তারানাথ তান্ত্রিক-এ কাজ করেছো। সেটা হইচই-তে দেখানো হয়েছে। সেই এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?নন্দিনীঃ তারানাথ তান্ত্রিক-এর জার্নিটা ভীষণ অদ্ভুত। আমার কাছে যখন প্রথম কল আসে তখন আমি নর্থ বেঙ্গলে একটা শুটে ছিলাম। কিউ ফোন করে বলে একটা অডিশনের জন্য আমাকে আসতে হবে। আমি বললাম আমি তো কলকাতায় নেই নর্থ বেঙ্গল। কিউ তারপরে আর কিছু বলেনি। আমি আর কলকাতায় ফিরতে পারিনি আমার শুট ছিল বলে। হটাত করে কিউ আমায় ফোন করে বলে যে একটা ছোট চরিত্র আছে করে দে। আমি বললাম ওকে, ঠিক আছে। সেই থেকে আমার তারানাথ তান্ত্রিক এর জার্নি। আমাদের শুট হয় ডানকুনি তে। ভোরবেলায় কল টাইম। যেখানে শুট হয় সেটা রাজবাড়ি গোছের কিন্তু রাজবাড়ি নয়। সেটা আমাদের ইউনিটেরই কারোর বাড়ি ছিল। সেটাও একটা অদ্ভুত এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ তোমার কারেন্ট প্রোজেক্ট রেড ক্যানভ্যাস। সেখানে তাজু দার সঙ্গে কাজ করেছো। তাজুদার ব্যাপারে তো সবাই জানে উনি কতটা ভালো মানুষ। তাছাড়া এখানে রুক্মা রয়েছে। অলিভয়া রয়েছে। রণজয় আছে। এছাড়া আরও অনেকে আছে। রেড ক্যানভ্যাসের জার্নিটা নিয়ে সংক্ষেপে কিছু বলো।নন্দিনীঃ তাজুদার সঙ্গে আমি লাস্ট ইয়ার একটা ফিল্মে কাজ করি। সেটা এডিট চলছে। সেটাই আমার তাজুদার সঙ্গে প্রথম কাজ। তারপর এই ডিসেম্বরে তাজুদা হটাত আমাকে ফোন করে বলে আমি একটা ওয়েব করছি। সেটায় একটা চরিত্র আছে তোকে করতে হবে। আমি বলললাম ওকে। যেহেতু আমার চুল ছোট আর আমার চরিত্রের জন্য চুলটা বড় থাকলে বেশ ভালো হত। এরকম একটা ব্যাপার। তখন তাজুদা বলে তুই চুল কাটবি না। তারপরেই আমার পুরুলিয়ার একটা প্রোজেক্ট ছিল। ডকু ফিচার। ট্রাইবাল ডকু ফিচারের ওপর। সেটা করতে যাই। সেখানে চুলগুলো ছোট ছোট বিনুনি করা। যখন আমি ফিরবো আমি জানি তার পরের দিন থেকেই এই ওয়েবের শুট। যখন ফিরি চুলটা খোলা, নরম্যাল একটা চুলে ফেরত আনা, তারপর একটা বড় চুল আড অন করা সব মিলিয়ে দারুণ এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ বাকিদের নিয়ে কি বলবে?নন্দিনীঃ আমার কখনও মনে হয়নি আমি স্টার কাস্টদের সঙ্গে কাজ করছি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দে আর স্টার। দে আর আওয়ার ইউনিট। সেই ফিলটাই কেউ আমাকে করায়নি। খুব ভালোভাবে কটা দিন গেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি কাজ আসছে?নন্দিনীঃ একটা ফিচার এর এডিটিং এর কাজ চলছে। একটা শর্ট ফিল্ম এর এডিটিং চলছে। আমার একটা সাইলেন্ট শর্ট ফিল্ম হোয়াইট নয়েস এর রেজাল্ট বেরোনোর কথা আছে। বিদেশে বেস্ট আকট্রেসের নমিনেশনে আছে। তাছাড়া একটা সিনেমার কথা চলছে। ওয়েবের কথা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘যোগাযোগ’ এর প্রথম গান ব্যাকুলতা

সম্মান রায়ের পরিচালনায় যোগাযোগ। এই ছবিটি প্রথমে শর্ট ফিল্ম হিসাবে বানানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেওপরে ফিচার ফিল্ম করার প্ল্যান করেন পরিচালক। এই ছবিতে স্বাধীনভাবে বানানো ছবির গান ব্যাকুলতা। ব্যাকুলতা কেন? আমাদের জীবনে নানান পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে ব্যাকুলতা তৈরি হয়। কিন্তু সকল ব্যাকুলতাকে হয়ত ছাড়িয়ে যায় প্রেমের ব্যাকুলতা। নতুন প্রেমের হাতছানির ব্যাকুলতা, ভালোবাসার মানুষকে চেয়েও কাছে না পাওয়ার ব্যাকুলতা, প্রেম ভেঙে যাওয়ার পরের ব্যাকুলতা। এই সকল আবেগের কথাই বলা হয়েছে এই ব্যাকুলতা গানটিতে। গানটির কথা লিখেছেন দেবস্মিতা কর্মকার, যিনি পেশায় একজন ডিজাইনে স্নাতকোত্তর ধারী। গানের সুর আদর দাসের। আদর বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি গানের সুর করেন। সাহানা বাজপেয়ীর গলায় ইতিমধ্যেই তার একটি আধুনিক গান বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ব্যাকুলতা ছাড়াও আরো একটি গান ছবিতে আছে আদরের সুরে এবং ছবির আবহ সঙ্গীত ও তাঁরই করা। ব্যাকুলতায় কন্ঠ দিয়েছেন অমৃতা এবং ছবির পরিচালক সম্মান নিজেই। অমৃতা কলকাতার সঙ্গীত মহলের পরিচিত কন্ঠ, যদিও তিনি এখন পড়াশোনার জন্য দেশের বাইরে আছেন। সম্মানের এটি দ্বিতীয় গান। এর আগে উচাটন মন বলে একটি নজরুল গীতি তাঁর কণ্ঠে মুক্তি পেয়েছিল। মিউজিক ভিডিও সমেত ব্যাকুলতা গানটি আপনারা দেখতে পাবেন সিনেমা আঁতেল বলে একটি ইউটিউব চ্যানেলে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার বন্ধন উদযাপন করলেন সিধু থেকে গাবু

জর্জ টেলিগ্রাফ গ্রুপের আলামিব মেডিয়ারট ল্যাবের উদ্যোগে ভালোবাসা উদযাপন করতে লাভ কার্নিভাল ২০২২ এর আয়োজন করল তারা। তাদের এই উদ্যোগে সামিল হন তারকারাও। তারকাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অভীক দত্ত, গৌরব চ্যাটার্জি, সিদ্ধার্থ রায় প্রমুখ। তারকাদের উপস্থিতি ভালোবাসার দিনটিকে আরো রঙিন করে তুলেছিল। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জর্জ টেলিগ্রাফ গ্রুপের এমডি সুব্রত দ্ত্ত জানান, আলামিব মেডিয়ার্টের বিশেষ ভাবনা এই ভালোবাসার কার্নিভাল। যদি তোমার ভালোবাসার মানে সঠিক থাকে তাহলে প্রত্যেকটা দিন ই ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আলামিব কে ধন্যবাদ জানাতে চাই এত ভালো ইভেন্টের আয়োজন করার জন্য। আশা করছি প্রতি বছর যেন এই ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

লখিমপুর-কাণ্ডে জামিন পেল মূল অভিযুক্ত মন্ত্রিপুত্র আশিস!

জামিন পেলেন লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনায় ধৃত আশিস মিশ্র। বৃহস্পতিবার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির ছেলে আশিসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। গত ৯ অক্টোবর আশিসকে গ্রেপ্তার করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তার কয়েক দিন পরেই উদ্ধার করা হয় তাঁর বন্দুক। লখিমপুর-কাণ্ডের তদন্তে ঢিলেমির জন্য গত ২০ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তুলোধনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) আদালতে পেশ করা রিপোর্টে জানায়, লখিমপুরের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। ওই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার বিদ্যারাম দিবাকর তাঁর রিপোর্টে বলেছেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সিট-এর পেশ করা চার্জশিটে আশিস এবং তাঁর ড্রাইভার-সহ তিন জনকে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত করা হয়। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভোটপর্বের মাঝে প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ নেতা টেনির ছেলের জামিন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।গত বছরের ৩ অক্টোবর লখিমপুর খেরিতে আশিসের গাড়ির তলায় চাপা পড়ে কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভকারী চার কৃষক এবং এক মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরবর্তী হিংসায় আরও চার জনের প্রাণ যায়। যদিও অজয়ের দাবি, ঘটনার সময় ওই গাড়িতে ছিলেন না আশিস। ওই ঘটনায় আশিস এবং তাঁর সঙ্গী অঙ্কিতের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

’পাড়ায় শিক্ষালয়ের’ প্রাঙ্গন মাতাচ্ছে বর্ধমানের চতুর্থ শ্রেণীর খুদে পড়ুয়া

করোনা অতিমারীর প্রভাব শিথিল হতেই খুদে পড়ুয়াদের স্বার্থে রাজ্য সরকারের নির্দেশে শুরু হয়েছে পাড়ায় শিক্ষালয়। সেই শিক্ষালয় নিয়েই গান রপ্ত করে গেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে খুদে ছাত্র অভিষেক সানা। পূর্ব বর্ধমানের বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র অভিষেকের গাওয়া গান পাড়ায় শিক্ষালয় কর্মসূচীকে মাধুর্য দিয়েছে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের কর্তারা। তাঁদের মতে, অভিষেকের গাওয়া গান খুদে পড়ুয়াদের পাড়ার শিক্ষালয় মুখী হতে উৎসাহ যোগাচ্ছে। করোনা অতিমারীর বাড়বাড়ন্তে তৈরি হয়েছিল আতঙ্ক।তার কারণে প্রায় দুবছর ধরে এই রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে স্কুলমুখী আর হতে না পেরে খুদে পড়ুয়াদের দিন কাটছিল ঘরে বন্দি থেকেই । শুধু তাই নয়, করোনা স্কুল গুলি থেকে কেড়ে নিয়েছিল পড়ুয়াদের কোলাহলও। বাজেনি স্কুলের ক্লাস শুরুর ঘন্টা। ক্লাসের চেয়ার, টেবিল সবেতেই পড়ে গিয়েছিল ধুলোর আস্তরণ । চলতি সময়ে সংক্রমণ শিথিল হতেই এই রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্র সংগঠনগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে জোরদার আন্দোলনে নামে। পড়ুয়াদের অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে সরব হন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। এরপরেই রাজ্য সরকার স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ফের খুলে যায় এই রাজ্যের সমস্ত স্কুলের সদর দরজা। পড়ুয়া কোলহলে ফের ভরে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গন। শুধুমাত্র প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণীর খুদে পড়ুয়াদের জন্য সরকার ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়। ক্লাসরুমে পড়াশুনার বদলে খুদে পড়ুয়াদের জন্য পাড়ায় শিক্ষালয় কর্মসূচি নেয় রাজ্য সরকার। রাজ্যের অন্যান্য স্কুলের পড়ুয়াদের মতই বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালের পড়ুয়ারাও সরকারের পাড়ায় শিক্ষালয় খোলার সিদ্ধান্তের কথা জেনে খুশিতে ভরে ওঠে। আর সেই খুশিতেই নিজের সংগীত গুরু মঙ্গল কালিন্দির লেখা ও সুর দেওয়া গান রপ্ত করে ফেলে বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিষেক সানা। ওই গান গেয়েই এখন অভিষেক পাড়ায় শিক্ষালয়ের আসরও মাতাচ্ছে। পাড়ায় শিক্ষালয় নিয়ে খুদে ছাত্র অভিষেকের গাওয়া গান মুগ্ধ করেছে বর্ধমান সদর ২ ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদারকেও। তিনি বলেন, করোনা অতিমারীর কারণে পড়ুয়ারা দীর্ঘদিন স্কুলমুখী হতে পারেনি। বাচ্চারা অনেকদিন স্কুলচ্যুত ছিল। তাদের কথা বিবেচনা করে সরকার পাড়ায় শিক্ষালয় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। বড়শুল নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনুপম সাধু বলেন, প্রায় দুবছর বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। মুক্ত প্রাঙ্গনের পাড়ায় শিক্ষালয়ে এখন আবার ফিরে এসেছে খুদে পড়ুয়াদের কোলাহল। সেখানে শিশুদের পাঠদান করতে পেরে আমরা শিক্ষকরাও খুশি। তারই মধ্যে সেখানে উপরি পাওনা হিসাবে মিলছে পাড়ার শিক্ষালয় কর্মসূচী নিয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র অভিষেক সানার গান।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal