• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভরা বর্ষার সময় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে রয়েছে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি।শুক্রবার আকাশ মেঘলা থাকতেও বর্ষার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ছাড়া প্রবল বর্ষণ হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিল ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টি। যদিও আজ ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস৷ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার দাপট বাড়বে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রির সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৪%, ন্যূনতম ৬২ %।আরও পড়ুনঃ শাপমোচন করতে পারবেন? ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসিবেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনও হতে পারে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বেলার দিকে ঝেঁপে বৃষ্টি আসার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃষ্টিপাতের পুর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। যদিও আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তিকর গরমও বাড়বে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-ওডিশা উপকূল লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত ছিল। যার জেরেই সপ্তাহের শুরু থেকে প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেছিল রাজ্য। রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। রবিবার দক্ষিণ ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্মচাপের প্রভাব রাজ্যে কতটা পড়বে তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ মধ্য ভারত হয়ে পশ্চিম ভারতের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে মৌসুমী অক্ষরেখাটিও ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে নেমে যাবে, এমনটাই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
বিদেশ

Japan-mudslide: জাপানে ভয়াবহ কাদাস্রোতে ভেসে গেল বাড়ি-ঘর, নিঁখোজ ২০

লাগাতার বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ কাদাস্রোত জাপানের আটামি এলাকায় (Mudslide)। হঠাৎ ধেয়ে আসা কাদাস্রোতে ভেসে গিয়েছে সারি সারি বাড়িঘর। শনিবার সকালে জাপানের (Japan) রাজধানী টোকিওর আটামি এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ ১০ জনে বাজিমাত করে শেষ চারে ব্রাজিলঅর্ধনিমজ্জিত আগ্নেয়শিলা দ্বারা গঠিত ভূমির ঢালে অবস্থিত আটামি শহর। এলাকায় একাধিক উষ্ণ প্রস্রবণ রয়েছে। সূত্রের খবর, শনিবার সকালে হঠাৎই কাদামিশ্রিত কালো ঘোলা জলের সঙ্গে আবর্জনা ধেয়ে আসে শহরের দিকে। অসহায় অবস্থায় এদিক ওদিক ছুটতে আরম্ভ করেন স্থানীয়রা। বর্তমানে উদ্ধারকার্য চলছে বলে জানা গিয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার বাহিনীর এক আধিকারিক জানান, এখনও পর্যন্ত ২০ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও বোঝা যাচ্ছে না।প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই জাপানে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। দেশের মধ্য এলাকার নদীগুলি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। উপকূল এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা হাওড়ার

রাত থেকে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হাওড়া শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর জেরে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নিচু এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। পুরনিগম এলাকার অধিকাংশ ওয়ার্ডে জল জমেছে। বুধবার দিনভর দফায় দফায় বৃষ্টির পর সারারাত অতিভারী বৃষ্টি হয়। টানা ভারী বৃষ্টির জেরে হাওড়া শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। হাওড়ার পঞ্চাননতলা, বেলিলিয়াস রোড, বেনারস রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস, টিকিয়াপাড়া, লিলুয়া ভূতবাগান, পেয়ারাবাগান, কোনা, জিটি রোড জলমগ্ন হয়। এছাড়াও বেনারস রোডের কামিনী স্কুল লেন, ঘোষপাড়া, মহীনাথপাড়া, অক্ষয় চ্যাটার্জ্জি লেন, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা, তিনকড়ি নাথ লেন, সীতানাথ বোস লেন-সহ ১০ নং ওয়ার্ড এদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়। নিম্নচাপ ও মৌসুমী বায়ুর জোড়া প্রভাবে মুষলধারের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তা প্রায় ফুট তিনেক জলের তলায় চলে গিয়েছে। এছাড়াও বালিখাল, বালি মিল, অভয়নগর, বসুকাটি, বোসপাড়া বেলুড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জলের তলায় চলে যায়। বি গার্ডেন কোলে মার্কেটের মতো এলাকায় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘুসুড়ির জেএন মুখার্জি রোড-সহ হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে যায়। এদিন ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাসে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তায় জমা জল ঢুকে বিকল হয়ে যায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স।রোগী নামিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুল্যান্সটি বিকল হয় বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার তরফ থেকে পুর প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য ভাস্কর ভট্টাচার্য্য বলেন, সব মিলিয়ে ৪৫ টি পাম্প চালানো হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে চলছে হাওড়া পুরনিগমের ৯টি এবং কেএমডিএ-র ২টি পাম্পিং স্টেশন। সকাল থেকে জোয়ার ছিল। ওই সময় লকগেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বারোটার পর ভাটার সময় লক গেট খোলা হয়েছে। তার আগে জল বার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি মুষলধারে বৃষ্টি আর না হয় তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তাঁর দাবি, যেসব জায়গায় বেশি পরিমাণ জল দাঁড়ায় ওই সকল জায়গায় জলের উচ্চতা অনেকটাই কমেছে। সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় আশা করছেন লক গেট খুলে দেওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি জল অনেকটাই নেমে যাবে। বর্ষায় বিভিন্ন প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেমন নিকাশি নালার পরিষ্কার করার কাজ চলছিল। অনেকটাই কাজ হয়ে গিয়েছে। যেসব পাম্পগুলো খারাপ হয়ে গিয়েছিল সেগুলো ঠিক করা হয়েছে। বাকি যে কাজ আছে সেগুলোর কাজ চলছে। গত বুধবার প্রচণ্ড বৃষ্টি হয়। এর পাশাপাশি সকাল থেকেও সেই বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছিল। যদি এই বৃষ্টি না হতো তাহলে জলের স্তর অনেকটা কমে যেত। উল্লেখ্য, বর্ষার আগে হাওড়া শহরের রাস্তায় জমা জল জমার মতো সমস্যা সমাধানে গত ১৮মে হাওড়া শরৎ সদনে এক বৈঠক হয়। সেখানে কেএমডিএ, সেচ, এইচ আই টি-র ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে স্থায়ী জল সমস্যা সমাধানের জন্য সাতাশটি জায়গাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Monsoon: বৃষ্টিস্নাত বঙ্গ, রাতভর বারিধারায় জলমগ্ন কলকাতা

দিনভর আকাশের মুখভার ছিলই। পূর্বাভাসও ছিল বৃষ্টি (Rain) হওয়ার। তবে ভারী বৃষ্টির দেখা মেলেনি দিনের বেলায়। বুধবার রাতে বদলে গেল পরিস্থিতি। রাত থেকে কলকলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। যার ফলে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। আগামী ২৪ ঘণ্টাও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Alipur Weather Office)। মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা সঙ্গে নিম্নচাপের জোড়া প্রভাবে এই ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও তা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার দিনভর কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। আগামী দু ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশিম মেদিনীপুর-কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়ার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পরের দিকে বৃষ্টি বাড়বে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। ঝাড়খণ্ড থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। এর প্রভাবেই আগামী ৩ দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শহরে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে মোমিনপুর এলাকায়। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৭৯ মিলিমিটার। এরপর বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব নিকাশী পাম্প স্টেশন এবং কালীঘাট এলাকায়। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৬৮ এবং ১৬৩ মিমি। ১৫০ মিমির উপর বৃষ্টি হয়েছে তপসিয়া এবং চেতলা লকগেট নিকাশি পাম্পিং স্টেশন এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের জেরে সকাল থেকেই ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

সোমবারের পর মঙ্গলবারও সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশের মুখভার। ইতিমধ্যেই দু-এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে জেলায় জেলায়। আগামী তিনদিন এমনই থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গেও, জানাল হাওয়া অফিস (Regional Meteorological Centre)।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। অন্যদিকে রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। ঝাড়খণ্ডের নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ওই অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবেই আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। এছাড়া মৌসুমী বায়ু দেশের অধিকাংশ এলাকা প্রবেশ করেছে। যার জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের সব অংশেই আগামী কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত ও ভারি বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ওই রাজ্য ও সংলগ্ন রাজ্যের নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন।বিহারের (Bihar) পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বাঁকুড়া পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়ায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দু-এক পশলা বৃষ্টির হবে বলেই খবর। বৃষ্টি বাড়তে পারে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত সকলেই গৃহবন্দি। অত্যন্ত প্রয়োজনে ঘর থেকে যদি বেরতেই হয়, ছাতা নিতে ভুলবেন না।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: বঙ্গে প্রবেশ বর্ষার, আজ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

উত্তরবঙ্গে প্রবেশের পাঁচদিন পর দক্ষিণবঙ্গে ঢুকল বর্ষা (Monsoon)। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাংশে বর্ষা প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবারের মধ্যে রাজ্যের বাকি অংশে প্রবেশ করবে বর্ষা। সাধারণত জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে বর্ষা। এবার স্বাভাবিক সময়েই প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ক্যানিং, কৃষ্ণনগর, মালদহে এদিন বর্ষা প্রবেশ করেছে। এই জায়গাগুলোর উপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী বায়ুর উত্তরসীমা। মৌসুমী বায়ু প্রবেশের পরই বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে ওই এলাকায়। এর পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অন্যত্রও এদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। তবে অমাবস্যার ভরা কোটালের কারণে সমুদ্রে এবং গঙ্গায় যে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা খুব বেশি হয়নি।শুক্রবার সকালেই উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়েছে। যা শনিবার আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বৃষ্টি বাড়বে বঙ্গে। ক্রমশ ওই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে ওডিশায় ঢুকে যাবে। ফলে ওডিশায় (Odisha) বেশি বৃষ্টি হবে। হতে পারে সাইক্লোনও। এজন্য জগৎসিংপুর, কটক, অঙ্গুল, সম্বলপুরে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি হচ্ছে কেন্দাপাড়াতেও। প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। তবে রবিবার বিকেলের পর কলকাতা-সহ হাওড়া-হুগলিতে বৃষ্টি কমলেও তা বাড়বে রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলোতে। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। সেই সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন ১২, ২০২১
দেশ

মুম্বইয়ের বৃষ্টি: চারতলা বাড়ি ভেঙে মৃত কমপক্ষে ১১

নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্ষা প্রবেশ করেছে মুম্বইয়ে (Mumbai)। আর মরশুমের শুরুতেই প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন বাণিজ্যনগরী। অধিকাংশ রাস্তায় কার্যত বন্ধ যানচলাচল। তার মাঝে বিপত্তি। বুধবার রাতে মালাড এলাকায় একটি চারতলা বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। এখনও পর্যন্ত প্রাণ গিয়েছে ১১ জনের। জখম হয়েছেন ১৮ জন। তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা যথেষ্ট আশঙ্কাজনক। ধ্বংসাবশেষের নিচে এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলছে জোর তল্লাশি।আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: মোদির সঙ্গে ৪৫ মিনিটের বৈঠক, দিল্লিতে হাজির আরও ৩ সাংসদমর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে রাত ১১টা নাগাদ। সেই সময় বাড়ির ভিতরে থাকা প্রায় সকলেই খাওয়াদাওয়া করছিলেন। আচমকাই একটি বিকট শব্দ পান স্থানীয়রা। হুড়মুড়িয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। দেখেন, ধুলোর চাদরে ঢেকে গিয়েছে সর্বত্র। কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁরা বুঝতে পারেন একটি চারতলা বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে (Four-storey building collapsed)। তার জেরে পাশে থাকা একটি বাড়িও ভেঙে গিয়েছে। আরও দুই-তিনটি বাড়ির অবস্থাও বেশ বিপজ্জনক। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় বৃহন্মুম্বই কর্পোরেশনে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থল পৌঁছনোর আগে স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ শুরু করে দেন। রাতভর তল্লাশি চালিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে একে একে ১১ জনের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৮ জন জখম হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা যথেষ্ট আশঙ্কাজনক। আহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। প্রত্যেকেই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী আসলাম শেখ। বিপর্যস্তদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। প্রবল বৃষ্টির ফলে চারতলা বাড়িটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ওই এলাকায় আরও বেশ কয়েকটি বাড়ির অবস্থাও বিশেষ ভাল নয়। যেকোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে অঘটন। তাই ওই বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের অন্যত্র সরানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

জুন ১০, ২০২১
রাজ্য

সোমবার সন্ধের পরই ঝড়ের রূপ নেবে 'যশ'

ধীরে ধীরে শক্তি বাড়ানো শুরু করেছে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ। স্বভাবতই আশঙ্কা বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, সোমবারই ঝড়ের রূপ নেবে বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ। এর পরই গতি বাড়িয়ে ধেয়ে আসবে বাংলা-ওডিশা উপকূল অভিমুখে।আরও পড়ুন: https://janatarkatha.com/state/this-time-sarla-murmu-of-malda-wants-to-return-home--002235২২ মে শনিবারই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। রবিবার সকালে যা গভীর নিম্নচাপের রূপ নিয়েছে। এখন এই নিম্নচাপের অবস্থান বঙ্গোপসাগরের উপর, পারাদ্বীপ থেকে ৫৯০ কিলোমিটার এবং দিঘা থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দূরে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সোমবারই সকালে ঝড়ের রূপ নেবে এই গভীর নিম্নচাপ। এরপর তা উত্তর ও পশ্চিম দিকে এগোবে। এই সময়েই ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে সে। ২৪ মে সন্ধ্যা থেকে রাজ্যের উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বোঝা যাবে। ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। এই বেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।২৫ তারিখ আরও বেশ খানিকটা শক্তি বাড়বে যশের। এদিন উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে বৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরে। উপকূলে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে হাওয়ার গতিবেগ। ২৬ মে সকাল থেকে রাজ্যের উপকূলের জেলায় ৬০-৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে গতিবেগ। দুপুর থেকে শক্তিশালী যশের প্রভাবে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার এমনকী, ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগও হতে পারে। বুধবার পারাদ্বীপ ও সাগরের মধ্যে যশের ল্যান্ডফলের সময় রাজ্যের উপকূলে ১৫৫-১৬৫ কিমি. প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। সতর্কবার্তা আবহাওয়া দপ্তরের।২৬ তারিখ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি হবে। ২৭ তারিখ এই জেলাগুলোর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৭ তারিখ পশ্চিমের প্রতিটি জেলাতেই ঝড়, বৃষ্টি হবে। সবরকম ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। তৈরি রাজ্য সরকারও।

মে ২৩, ২০২১
রাজ্য

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণবঙ্গ, ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দিনভর চলবে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ২ মে ভোটের ফল ঘোষণার দিন হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছিল, চলতি সপ্তাহে বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। ৩ মে থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওডিশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল সেদিন। সতর্কতা জারি করা হয়েছিল বাংলায়। সেই পূর্বাভাস সত্যি করে রবিবার সন্ধেয় ছিঁটেফোঁটা বৃষ্টিতে ভিজেছিল তিলোত্তমা ও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলি। সোমবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ৬২ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায় আলিপুরের উপর দিয়ে। মঙ্গলবার ভোররাতে থেকেই শুরু তুমুল বৃষ্টি। সকালেও পরিস্থিতি একই। অঝোরে বৃষ্টিপাত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়।আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ দিনভর চলবে বৃষ্টি। করোনা পরিস্থিতি এমনিতেই মানুষজন ঘরবন্দি। উল্লেখ্য, হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখী ও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় ঘর থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি নিচে। সোমবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মে ০৪, ২০২১
কলকাতা

বসন্তে অকালবৃষ্টিতে ভিজতে পারে বঙ্গ

রাজ্য থেকে বিদায় নিচ্ছে শীত। ঊর্ধ্বমুথী তাপমাত্রার পারদ। এরই মাঝে রাজ্য ভিজতে পারে বৃষ্টিতে। অকাল বর্ষণ হতে পারে কলকাতাতেও। সপ্তাহের শুরুতেই এমনই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম ও উপকূলের জেলা, উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং হাওড়ার একাংশে। বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতাতেও। শুক্রবার কলকাতা-সহ হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
কলকাতা

অকাল বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসই সত্যি হল। রবিবার প্রায় ভোররাত থেকেই হালকা বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও কোথাও আকাশের মুখ ঢেকেছে মেঘে। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বদল হবে আবহাওয়ার। সকাল দশটার পর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখা মিলতে পারে হালকা রোদেরও।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মধ্যপ্রদেশের দিকে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার ফলেই কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা বৃষ্টিতে ভেজে। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল অর্থাৎ শনিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল কিছুটা কম। ওইদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে ৯৯ শতাংশ জলীয় বাষ্প ছিল। কখনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো কখনও নিম্নচাপের প্রভাবে শুরু থেকে ঠান্ডা ধাক্কা খেয়েছে ঠিকই। তবে গত ১০ বছরে এবার রেকর্ড ঠান্ডার সাক্ষী ফেব্রুয়ারি। শীতলতম মাস বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়েই উপভোগ করেছেন শীতপ্রেমীরা। সোমবার থেকে আবারও রাজ্যে দেখা মিলবে কনকনে শীতের। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও। বুধবার পর্যন্ত জারি থাকবে শীতের কামড়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
কলকাতা

নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা শুক্রবারই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শনিবার বিকেলের পর বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিও হয় কলকাতার একাধিক অঞ্চলে। এদিন সকালের দিকে রোদ ঝলমলে আকাশ থাকলেও বেলা যত বাড়ে ততই বাড়তে থাকে গুমোটভাব এবং অস্বস্তি। দুপুরের পর এবং বিকেলের দিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা হয়ে আসে, ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল , কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই বর্ধমান, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৩৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও পড়ুন ঃ নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য দাম বেড়েছে আলু- পিঁয়াজেরঃ দিলীপ এদিন দুপুরের পর থেকে কলকাতার আকাশও কালো হয়ে আসে। এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরেই ভোরের দিকে হালকা শীত অনুভব হচ্ছিল। রাতেও নামছিল তাপমাত্রা। ফলে দক্ষিণবঙ্গে এখনও শীত না এলেও শীতের অনুভূতি ইতিমধ্যেই অনেকে অনুভব করছেন। ফলে ভোররাতে বা মাঝরাতের দিকে বন্ধ করে দিতে হচ্ছে ফ্যান, এসি। এই নিম্নচাপের বৃষ্টির ফলে আরও বেশ কিছুটা কমবে তাপমাত্রা, শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জের , শুরু বৃষ্টি

ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলায় আকাশের মুখ ছিল ভার। এরপর শুরু হয়ে যায় বৃষ্টি।যার জেরে ব্যহত হয় জনজীবন। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্র ও শনিবার ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে। সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে অশুভ আঁতাত করছেনঃ অধীর জানা গিয়েছে , নিম্নচাপটি আরও শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে গেছে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। কিন্তু স্থলভাগে না ঢুকে সেটি অভিমুখ পরিবর্তন করে আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এবার এটি ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোবে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে তা অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে। বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে রাজ্যে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তার মধ্যেই অবশ্য বর্ষা চলে যাবে বলে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। ভবনের হিসেব বলছে, রাজ্য থেকে বর্ষা ১৪ অক্টোবরের মধ্যে চলে যায়। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি থেকে সাধারণত বর্ষা বিদায় নেয় ১২ অক্টোবর। আরও পড়ুনঃ অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার? প্রশ্ন হাইাকোর্টের তবে এ বছর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বর্ষা বিদায় নিতে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ হয়ে যেতে পারে। তারই প্রভাব দুর্গাপুজোয় পড়তে পারে বলে মত আবহাওয়া দফতরের। তবে পুজোর আগে অর্থাত্ বৃহস্পতিবার থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘলা আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal