• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Murder Case

রাজ্য

ওসির নির্দেশে গিয়েছিলাম, আমরা বলির পাঁঠা, দাবি ধৃত দুই পুলিশকর্মীর

ওসি-র নির্দেশ পেয়েই শুক্রবার রাতে ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জানালেন আনিস-হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে ধৃত দুজন পুলিশকর্মী। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনাটিতে তাঁদেরকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। আসলে আনিস-হত্যার আগুনে জল ঢালা হচ্ছে এই ভাবে।বুধবারই আনিস-হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁরা জানান, শুক্রবার আনিসের বাড়িতে গেলেও আনিসের মৃত্যু কী ভাবে হয়েছে তা তাঁদের জানা নেই। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন সেই রাতে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা? কেউ কি তাঁদের যেতে বলেছিল? জবাবে ধৃত দুই পুলিশকর্মী জানান, তাঁরা ছাত্রনেতার আমতার বাড়িতে গিয়েছিলেন ওসি-র নির্দেশে। এই ওসি আমতা থানার ওসি কি না তা অবশ্য ধৃতরা জানাননি।এখানেই শেষ নয়, সরাসরি ওসি-র বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা। এই বিষয়ে আনিস খানের দাদা সাবির খান বলেন, আমরা এজন্যই প্রথম থেকে বলছিলাম পুলিশ নাটক করছে। এই নাটক আমাদের পছন্দ হচ্ছে না। এ জন্য আমরা পুলিশকে মানি না। পুলিশকে পছন্দ করি না। সিটের উপর ভরসা নেই। আমরা সিবিআই চাইছি। ওসি-কে জিজ্ঞেস করুক। ওসি-কে তুলছে না কেন?

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে এখনই সিবিআই তদন্ত নয়, স্পষ্ট ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

আনিস-হত্যার ঘটনায় নিজে থেকে সিবিআই তদন্তের পথে হাঁটবে না রাজ্য সরকার। হাওড়ার ছাত্রনেতার মৃত্যুর তদন্তে সোমবার যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, তারাই যে ঘটনার তদন্ত করবে, বুধবার তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা জানান, যে দুজন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই সঙ্গে মমতা বলেন, আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। অভিযুক্ত পুলিশকর্মীরা যাতে তদন্তে প্রভাব খাটাতে না পারে, তার জন্যই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত নিরপেক্ষই হবে। আইন আইনের পথে চলবে। আমি তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু পাশাপাশিই সিবিআই তদন্ত নিয়ে রাজ্যের অনীহার কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে, সিবিআই-কে তদন্তভার দিলেই তারা দোষীদের খুঁজে বার করতে পারবে, তেমন নয়।উল্লেখ্য, ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুতে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে রাজ্য সরকার। দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও সিট-এর উপর ভরসা রাখতে পারছেন না আনিসের পরিবারের সদস্যেরা। ছাত্রনেতার মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে তাঁরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ সিবিআইয়ের উপরেই ভরসা রাখছেন। সেই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন বামেরা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তের দাবি রাজ্য সরকার মানবে না। উল্টে এ ব্যাপারে বরং বামেদের এক হাত নিয়েছেন মমতা। নন্দীগ্রাম থেকে শুরু করে বাম জমানায় একের পর এক ঘটনায় যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি সেই প্রসঙ্গ তুলেছেন। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ছবি খারাপ করার চেষ্টাও হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

ছেলে কোনওদিন তৃণমূল করতো না, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন, সোচ্চার আনিসের বাবা সালেম খান

আনিস খান হত্যাকাণ্ডে যখন উত্তাল কলকাতা, সেই সময় একটি ভিডিও বার্তায় আনিসের বাবা সালেম খান স্পষ্ট জানান মুখ্যমন্ত্রী সঠিক কথা বলছেন না। তিনি আবেগের বশে এইসব বলছেন। আনিস কোনওদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিল না। তিনি স্পষ্ট ভাষাতে বলেন, আনিস ছাত্র যুব আন্দোলনের ছেলে, আনিস আইএসএফের ছেলে। আনিস কোনওদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিল না।তিনি স্পষ্ট বলেন, আনিস যদি তৃণমূল কংগ্রেসের ছেলে হতো তাহলে এভাবে তাকে মরতে হতো না। আনিসের উপরে পসকো মামলা হতো না। তিনি বলেন, উলুবেড়িয়াতে যখন একজন ছাত্রীকে স্কুল থেকে কলেজে ভর্তি করতে গেল আনিস। তখন উলুবেড়িয়ার মানিক সরকারের তা ভালো লাগে নি। মানিক সরকারের ছেলে আনিসকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠায়। এরপর আনিসকে মারধর করার জন্য প্রায় দুই হাজার ছেলে বাগনান থানা ঘেরাও করে। মানিক সরকার চক্রান্ত করে একজন নাবালিকাকে দিয়ে আনিসের বিরুদ্ধে পসকো ধারায় মামলা করে।তিনি আরও দাবি করেন, আনিসকে যখন মারধর করে ফেলে রেখে গিয়েছিল তখন কোনও তৃণমূলের নেতা আসেনি সাহায্যের জন্য। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূলের নেতাদের কাছে ঘুরে বেরিয়েছিলাম। কেউ সাহায্য করেনি। আজকে তারা এসে বলছে নবান্নে যেতে হবে। কেন তাদের কথা শুনবো? তিনি আরও বলেন, আজ যখন আনিস নেই, তাঁর মুখ এবার খুলবে। তিনি আর কাউকে ভয় পান না। তিনি আবার দাবি করেন, সিবিআই ছাড়া তার কারও উপরে ভরসা নেই। তিনি তার ছেলের মৃত্যুর তদন্ত সিবিআইকে দিয়েই করাতে চান।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে উত্তাল কলকাতা, শাস্তির দাবিতে পথে আলিয়া-র পড়ুয়ারা, পা মিলিয়েছে যাদবপুরও

আনিস-কাণ্ডের জেরে কলকাতায় ধুন্ধুমার। আনিস মৃত্যু-রহস্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কলকাতার রাজপথ জুড়ে। জায়গায় জায়গায় ছাত্রনেতা আনিসের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাস্তায় নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কিনারা হয়নি আনিস মৃত্যু-রহস্যের। অধরা অভিষুক্তরাও। তাই অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবিতেই রাস্তায় নেমেছেন পড়ুয়ারা।কলেজ স্ট্রিটে গার্ডরেল সরিয়ে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আন্দোলনকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যা ফ নামানো হয়। আনা হয় জলকামান। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আনিস-কাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করে মহাকরণ অভিযানে নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এই মিছিল নবান্নের দিকে যেতে পারে আশঙ্কা করে পার্ক সার্কাসেই পড়ুয়াদের আটকে দেয় পুলিশ। ডোরিনা ক্রসিং-এ পড়ুয়াদের আটকাতে ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড দিয়ে আগে থেকেই তৎপর হয় পুলিশ। কিন্তু তার আগেই পার্ক সার্কাসে পুলিশি প্রতিরোধের মুখে পড়েন পড়ুয়ারা। পথ আটকানোর কারণে পার্ক সার্কাস-এ পৌঁছে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভও দেখান পড়ুয়ারা। মল্লিক বাজার, মৌলালি হয়ে মহাকরণের দিকে যাওয়ার কথা এই মিছিলের। এই মিছিলের ফলে তীব্র যানজটের মুখেও পড়েন নিত্যযাত্রীরা।আনিস খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা বাংলা। অভিযুক্তদের হদিশ পেতে গঠন করা হয়েছে সিট। এরই মাঝে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মহাকরণ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খাস কলকাতা। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বসূচি অনুযায়ী পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট থেকে মিছিল শুরু করে আন্দোলনকারীরা। আনিস কাণ্ডের বিচারের দাবিতে বহু পড়ুয়া সামিল হন অভিযানে। ছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রথমে মৌলালিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। পরবর্তীতে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মৌলালি হয়ে ডোরিনা ক্রসিংয়েরর দিকে আসার কথা ছিল মিছিলটির। সেখানে জলকামান নিয়ে প্রস্তুত ছিল পুলিশ।ডোরিনা ক্রসিং-এর পাশাপাশি এসএন ব্যানার্জি রোডেও ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা ঘিরে রাখে পুলিশ। মিছিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সাউথ-ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ নিজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন।পাশাপাশি আনিস মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরও। মঙ্গলবার এসএফআই-এর ডাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের কাছে আন্দোলনে শামিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। আন্দোলনে নেমে দফায় দফায় তৃণমূল সংগঠনের ছাত্র এবং কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তাল হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যাকাণ্ডে সাসপেন্ড আমতা থানার তিন পুলিশ কর্মী

আনিস মৃত্যুরহস্যের তদন্ত চলাকালীন সাসপেন্ড করা হল আমতা থানার দুই পুলিশ কর্মীকে। পাশাপাশি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এক জন হোমগার্ডকেও। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে এই দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড এবং এক পুলিশ কর্মীকে বসিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল প্রশাসন। সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে এক জন এ এস আই এবং এক জন কনস্টেবল রয়েছেন। এই পুলিশ কর্মীরা হলেন, এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা।জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে এই পুলিশ কর্মীরা এলাকায় টহলদারির দায়িত্বে ছিলেন। নিয়ম মেনে সই করেই নিজেদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়েই তাঁরা টহলে বেরিয়েছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে। তদন্ত চলাকালীন এই পুলিশ কর্মীরা থাকলে তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে। তাই স্বচ্ছ তদন্ত-র স্বার্থেও দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল এবং এক জনকে বসিয়ে দেওয়া হল বলেই জানা যাচ্ছে।জানা গিয়েছে, আনিস খান হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর ঘটনার তদন্তে একটুও গাফিলতি করতে চাইছে না সিট। তাই দায়িত্ব হাতে পেয়ে সোমবার রাত ১০টা নাগাদ আমতা থানায় পৌঁছন মিরাজ খালিদ ও ধ্রুবজ্যোতি দে। তাঁরা প্রায় আড়াইটে পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন, ঘটনার দিন নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। মঙ্গলবার সেখানে যাওয়ার কথা সিটের প্রধান এডিজি, সিআইডি জ্ঞানবন্ত সিংয়ের। তবে এদিন সকালে আমতা থানার ৩ পুলিশ কর্মীকে সাসপেনশনের ঘটনায় পুলিশের প্রতি সন্দেহ আরও দৃঢ় হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ওইদিন রাতে আমতা থানার ডিউটিতে ছিলেন এই তিনজন। তবে কি তাঁরাই আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন? এই প্রশ্নও কিন্তু উঠে আসছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যাকাণ্ডে সিট গঠন

ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যু ঘিরে কার্যত তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার পর আড়াই দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোনও অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি। এদিকে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তাতে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিরপক্ষে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই সাংবাদিক বৈঠকে বসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন এবং তাঁর নির্দেশ মতো আমরা একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনও করে নিয়েছি। তিন সদস্যের ওই বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে থাকবেন জ্ঞানবন্ত সিং। এর পাশাপাশি ডিআইজি (সিআইডি অপারেশন) মিরাজ খালিদ এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ধ্রুবজ্যোতি দে।প্রাথমিকভাবে এই তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দলের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। এ ছাড়া তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, এই বিশেষ তদন্তকারী দলের সদস্যরা যদি মনে করেন তদন্তের স্বার্থে আরও কাউকে এই দলে রাখা প্রয়োজন, তাহলে তাঁরা পুলিশ ফোর্সের থেকে তাঁদের পছন্দমতো নাম যোগ করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী যে কথা নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বলেছিলেন, সেই একই কথা আবারও শোনা গেল ডিজির গলায়। বলেন, আমরা চাই ন্যায়বিচার হোক। মুখ্যমন্ত্রীও সেই নির্দেশই দিয়েছেন। আমাদেরকেও সেই মতোই বলা হয়েছে। আমাদের কী করণীয়, তা আমাদের কাছে পুরো পরিষ্কার। যারা দোষী, তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। তাদের অবশ্যই ধরতে হবে এবং তাদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
দেশ

Sashi Tharoor: সুনন্দা পুষ্কর হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি শশী থারুরের

অবশেষে সুনন্দা পুষ্কর-র মৃত্যু মামলায় অব্যাহতি পেলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। বুধবার দিল্লি আদালত-র তরফে এই মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পরই কংগ্রেস নেতা শশী থারুর আদালতে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। সাড়ে সাত বছর ধরে অকথ্য অত্যাচার থেকে মুক্তি পেলাম। দেশের বিচার ব্যাবস্থার উপর ভরসা ছিল। এ বার আমরা সবাই সুনন্দার জন্য শোকপালন করতে পারব। শশী থারুরের আইনজীবীও এ দিন আদালতে জানান, বিশেষ তদন্তকারী দল বিনা কারণে শশী থারুরকে হেনস্থা করেছেন। কোনও প্রমাণ জমা দিতে না পারায় তাঁকে সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। তদন্তে জানা গিয়েছিল, মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগেই স্বামী শশী থারুরকে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছিলেন সুনন্দা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আমার বেঁচে থাকার আর কোনও ইচ্ছা নেই। শুধু আমার মৃত্যুই চাইছি। যদিও এই মেইলের কোনও জবাব দেননি শশী। এরপরই তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটলের তত্ত্ব সামনে উঠে আসে। আরও পড়ুনঃ নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমিরউল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে উদ্ধার হয় সুনন্দা পুষ্করের দেহ। দিল্লি পুলিশ শশী থারুরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও নৃশংসতার অভিযোগ আনে। তবে এ দিন আদালতের তরফে শশী থারুরের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়। ২০১৪-র ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি অভিজাত হোটেল থেকে উদ্ধার হয় ৫২ বছর বয়সী সুনন্দা পুষ্করের দেহ। ময়নাতদন্তে তাঁর পাকস্থলীতে বিষের উপস্থিতি মেলে। এরপরই অভিযোগের তীর ওঠে কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে। সুনন্দার মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট ভাবে জানতে এফবিআইয়ের কাছে ভিসেরার নমুনা পাঠানো হয়। পাকস্থলী, প্লীহা, যকৃৎ ও মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করে নমাস পরে রিপোর্ট পাঠায় এফবিআই। সেই রিপোর্টে জানানো হয়, নমুনা হিসাবে পাঠানো প্রত্যেকটি দেহাংশেই বিষের উপস্থিতি মিলেছে। সুতরাং বিষক্রিয়ার কারণেই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সুনন্দা পুষ্করের।

আগস্ট ১৮, ২০২১
কলকাতা

Maldah Murder: দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকার

দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মালদহের কালিয়াচকের আট মাইল এলাকার আসিফ মহম্মদ। নিজেদের হেপাজতে নিয়ে অভিযুক্তকে জেরা করছে পুলিশ। তারই মাঝে হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডে এবার লাগল রাজনীতির রং। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিকে,মালদা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আসিফের বাড়ি বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মাইলের দূরেই বাস খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত জিয়াউলের। বর্তমানে সে জেলবন্দি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন দুষলেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপালতিনি বলেন, রাজ্য দিনে দিনে উগ্রপন্থীদের গড় হয়ে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুই করতে পারছে না। তার কারণ ওদের ভোটে ক্ষমতায় তিনি। এ রাজ্যকে আফগান, সিরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও একবার সোনার বাংলা গড়ার ডাকও দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগেও বিজেপি নেতা-নেত্রীদের মুখে একাধিকবার সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান শোনা গিয়েছিল।

জুন ২১, ২০২১
রাজ্য

Maldah Murder: খুনের আগে অপহরণের নাটক, আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার আসিফের দুই বন্ধু

মা, বাবা, বোন, দিদাকে খুনের ঘটনার পরতে পরতে রহস্য। তদন্তে নেমে মালদা হত্যাকাণ্ডে (Maldah murder case) অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদের গতিবিধিই ভাবাচ্ছে পুলিশকে। কেন এত বিপুল পরিমাণ টাকার প্রয়োজন ছিল মাত্র বছর উনিশের আসিফের, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নজরে আসিফের দাদা আরিফও। সূত্রের খবর, তাঁর বয়ানেও মিলেছে অসঙ্গতি।স্থানীয় সূত্রে খবর, স্কুলের গণ্ডি না পেরনো আসিফের টাকার প্রতি অসীম লোভ ছিল। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার বেশ কয়েকবছর আগে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল আসিফ। সেই সময় বাবার সঙ্গে অপহরণের নাটক করে সে। বাবার থেকে আড়াই লক্ষ টাকা হাতিয়ে বাড়ি ফেরে আসিফ। অপহরণের নাটকে তাকে সঙ্গত দেয় বন্ধুবান্ধবরা। এদিন অস্ত্র-সহ সাবির আলি এবং মাফুজ আলম আসিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৫টি সেভেন এম এম পিস্তল, ৮০ রাউন্ড কার্তুজ ও ১০টি ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়েছে। এই কার্যকলাপে সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগ আছে কী না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসিফের বাড়ি থেকে শনিবারই কয়েক লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কেন মাত্র উনিশ বছর বয়সি ছেলের এত টাকার প্রয়োজন ছিল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।চলতি বছরের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাবা, মা, বোন ও দিদাকে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে আসিফ। সুড়ঙ্গপথে গুদামঘরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখানেই চৌবাচ্চায় ফেলে দেওয়া হয় প্রত্যেককে। চাপা দিয়ে দেওয়া হয় বালি, পাথর, সিমেন্ট। শনিবারই চারজনের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেরায় পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার আগেরদিন বাজার থেকে আসিফ নিজেই সেলোটেপ, ঠান্ডা পানীয়, ঘুমের ওষুধ কিনে আনে। আগে থেকে চৌবাচ্চা, সুড়ঙ্গপথ তৈরিও করেছিল সে। সেক্ষেত্রে পরিকল্পনামাফিক যে সে খুন করেছে, তা তদন্তকারীদের কাছে ধীরে ধীরে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, আসিফ থ্রিলার সিনেমা দেখতে ভালবাসত। সিনেমা দেখেই খুনের কৌশল বাছাই করেছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসিফের দাদা আরিফের বয়ানেও যথেষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। পরিজনদের খুনের ঘটনায় তারও যোগসাজশ রয়েছে কিনা, সে বিষয়টির দিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি' র

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে শুক্রবার হাল্লাবোল মিছিল করল বিজেপি। টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুরের চিড়িয়ামোড় পর্যন্ত এদিন এই মিছিল আয়োজন করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, সাংসদ লকেট চট্টো্পাধ্যয়, সাংসদ অর্জুন সিং , বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত সহ আরও অনেকে। কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডিকে দিয়ে এই তদন্ত করলে কো্নওদিনও ্প্রকৃত দোষী ধরা পড়বে না। তাই সিবিআইকে দিয়ে এই তদন্ত করাতে হবে। মণীশের পরিবার ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়ছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আগামীকাল নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র অন্যদিকে , টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে এখনও সিআইডির উপরই ভরসা রাখছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই রিপোর্ট দেখে বিচারপতিরা জানান যে আপাতত রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলুক। পরে এই তদন্তে কোনও ত্রুটি দেখা গেলে সিবিআই তদন্তের কথা ভাবা যাবে। আগামী ১০ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ব্যারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার প্রশাসককে জেরা সিআইডি ’র

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় এবার দুই প্রশাসককে জেরা করল সিআইডি। বৃহস্পতিবার ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরিকে তলব করে সিআইডি। সেই অনুযায়ী তদন্তকারীদের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লা খুনের সময় ঠিক কোথায় ছিলেন তাঁরা সেই সংক্রান্ত খোঁজখবর নেয় সিআইডি। মাত্র ১০ মিনিট জেরা করেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সিআইডি জেরার পর তাঁরা দাবি করেন, বিজেপি নেতা খুনে কোনওভাবেই যুক্ত নই। তবে বিজেপি পরিকল্পনামাফিক কালিমালিপ্ত করতে চাইছে। তাই নাম এফআইআরে রাখা হয়েছে। সে কারণে সিআইডি তলব করেছিল। বৃহস্পতিবার সিআইডির সঙ্গে দেখা করেছি। তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে আবারও সিআইডি তলব করলে দেখা করব। আরও পড়ুনঃ একদিনে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ৩,৬৭৭ জন প্রসঙ্গত, মণীশ শুক্লার বাবার দায়ের করা এফআইআরে নাম রয়েছে প্রশাসক উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরির। সেইমতো এদিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। এদিকে তৃণমূলের দুই প্রশাসককে জেরার পরেও বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরিকে সিআইডির তলব আইওয়াশ ছাড়া কিছুই নয়।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল তিন সদস্যের বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলে ছিলেন বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় , রাজ্যের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার , রাজ্য সম্পাদক সব্যসাচী দত্ত। রবিবার তাঁরা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এই দাবি জানিয়ে চিঠি দেন। রাজ্যপাল তাদের দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, এই খুনের ঘটনার পিছনে রাজ্য সরকারের যে ষড়যন্ত্র রয়েছে , সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃ্ত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান-২০২০ র জন্য নির্দেশিকা জারি রাজ্যের রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে বিজেপির অভিযোগ , সিআইডি যে তদন্ত করছে , সেখানে এই খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রকৃ্ত কারা যুক্ত , তা উঠে আসছে না। এছাড়াও তারা রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেন, দেবেন্দ্রনাথ রায় সহ আমাদের একশজনের বেশি সদস্য শাসকদলের হামলার জেরে খুন হয়েছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, রাজ্যপালের হাতে ক্ষমতা নেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার। আমরা চাই যে তদন্ত হচ্ছে সেটা সঠিক হোক। মণীশ শুক্লার পরিবার যেন বিচার পায়।

অক্টোবর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal