• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Miscreant

রাজ্য

তিন কুখ্যাত দুস্কৃতী গ্রেফতার, উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা মুল্যের সরঞ্জাম

তিনি কুখ্যাত দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে লক্ষাধিক টাকা মূলের বোমাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হুগলী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় টানা অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ধরা পড়ে দুস্কৃতিরা। পুলিশ জানিয়েছে ,ধৃতদের নাম পিযুশ হালদার, মৃত্যুঞ্জয় শা ওরফে মনি ও মানু সাঁতরা ওরফে বিজয়। এদের মধ্যে পিযুশ জামালপুর থানার কলুপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।বাকি দুই ধৃতর মধ্যে মত্যুঞ্জয় হুগলী জেলার শ্রীরামপুর এবং মানু হুগলীর গুড়াপ থানা এলাকার বাসিন্দা । বৃহস্পতিবার তিন দুস্কৃতিকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আরো চোরাই সামগ্রী উদ্ধার ও চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গত ২৩ নভেম্বর জৌগ্রামের আমড়ার মোড়ে একটি দোকানের পিছনের দিকে তালা ভেঙে চুরি হয়।তারপরই পুলিশ টেকনোলজি ও সোর্স কাজে লাগিয়ে দুস্কৃতির নাগাল পায়।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

দ্বিতীয় 'বগটুই' হতে যাওয়ার আগে রুখে দিল কাটোয়া থানার পুলিশ- অস্ত্রসস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ৩ দুস্কৃতি

বিরোধী পক্ষের হাত থেকে খাসজমির দখল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল দুস্কৃতি দল। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের শ্রীবাটি গ্রামে গিয়ে বিরোধী পক্ষের উপর হামলা চালানো। আর তেমনটা হলে হয়তো দ্বিতীয় বগটুই এর মত ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি কাটোয়া থানার পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ অস্ত্রসস্ত্র সহ তিন দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে। দুই দুস্কৃতি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুস্কৃতি দলের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পেরে আপাত স্বস্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জামীর আলি মণ্ডল, বজরুল শেখ ওরফে কালো শেখ এবং সইদুল শেখ ওরফে ফুটো। ধৃতদের সকলের বাড়ি শ্রীবাটি গ্রামেই। পুলিশের দাবী ধৃতদের মজুত করা ৪ টি রাইফেল, ২৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। দুস্কৃতিদের এত বিপুল অস্ত্র ভান্ডার দেখে চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় পুলিশ কর্তাদের। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ তিন ধৃতকেই রবিবার পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। আরও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক দুস্কূতিদের নাগাল পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। হেপাজতে নেওয়া দুস্কৃতিদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্রের উৎসের সন্ধান চালাচ্ছে।এছাড়াও দুস্কৃতিরা আর কোথাও অস্ত্র মজুত করে রেখেছে কিনা সেই বিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে ।উদ্ধার হওয়া শকেট বোমা নিস্কৃয় করার জন্য কাটোয়া থানার পুলিশ বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দিয়েছে।কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানান গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, শ্রীবাটি গ্রামের একটি খাস জমি নিয়ে বজরুল শেখ এর সঙ্গে ওই গ্রামেরই অন্য আর একটি গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। বিবাদের কোন নিস্পত্তি হয় নি। তার কারণে বজরুল শেখ তাঁর বিরোধী পক্ষের উপরে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা চুড়ান্থ করে ফেলে। পরিকল্পনা মাফিক হামলার আগে বোমা, বন্দুক সহ অন্য আরো অস্ত্রসস্ত্র আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতে বিরোধী পক্ষের উপর হামলার চালানোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বজরুল নিয়ে ফেলেছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁরা গ্রামের এক জায়গায় অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালানোর জন্য অপেক্ষা করছিল বজরুল শেখ ও তাঁর দলবল। কাটোয়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গিয়ে অভিযান চালানোয় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে ধৃত দুস্কৃতিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কে জানিয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২২
বিদেশ

Bangladesh: কুমিল্লার ঘটনায় শনাক্ত মূল অভিযুক্ত!

বাংলাদেশের ঘটনায় উত্তাল ওপাড় থেকে এপাড় বাংলা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে শনাক্ত করা গিয়েছে বলে দাবি করছে সেদেশের পুলিশ। কুমিল্লার একটি পুজোমণ্ডপে রাতের অন্ধকারে অন্য ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ রেখে যাওয়া লোকটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। বুধবার তিনি বলেন, সিসিটিভি-র ফুটেজ দেখে তাকে চিহ্নিত করার পরে পরিচয়ও মিলেছে। লোকটির নাম ইকবাল হোসেন (৩৫)। বাবার নাম নুর আহমেদ আলম। বাড়ি কুমিল্লা শহরের সুজানগরে।আরও পড়ুনঃ ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্যবাংলাদেশের সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত খবর অনুসারে,পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সিসিটিভি-তে দুষ্কৃতীর ছবি ওঠার পরে পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা তদন্তে নামে। তার পরেই এই অগ্রগতি। ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।সেখানকার পুলিশ ও সরকার প্রথম থেকেই বলে আসছিলেন, পরিকল্পিত চক্রান্ত রয়েছে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অশান্তির পিছনে। গোয়েন্দারা দেখেছেন, আফগানিস্তানে তালিবান দখলদারি কায়েম হওয়ার পরে মাস দুয়েক ধরে ঢাকার পাকিস্তানি দূতাবাস এবং তাদের সহযোগীরা খুবই তৎপর। বুধবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে শাসক দল আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতেই এই হামলা ও হিংসার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কাজে বিরোধী দল বিএনপি-র হাত রয়েছে।আরও পড়ুনঃ কালনা রোডে টোটো ও বালি বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৪, কেন এই দুর্ঘটনা?এদিকে, পুলিশের কাছে ইকবালের পরিবার দাবি করেছে, তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে পরিবারের বাইরে অন্য কোনও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এখনও পর্যন্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পুলিশের মত, কুমিল্লার সুজানগরের এ যুবকই পবিত্র কোরান শরিফ নিয়ে কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্র নানুয়া দীঘিরপাড়ের পূজামণ্ডপে রাখেন। এরপর তা নিয়ে দেশব্যাপী তুলকালাম ঘটে।এ ঘটনার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত উচ্চ পর্যায়ের একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ইকবাল হোসেন স্থানীয় একটি মাজার সংলগ্ন মসজিদ থেকে কোরান শরিফ সংগ্রহ করে মণ্ডপে গিয়ে ঢোকেন। মূলত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেই তাকে শনাক্ত করা হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে আরো কয়েকজন জড়িত বলে ধারণা করছে পুলিশ। এরই মধ্যে তাদের কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Bhatpara: রাতেই ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া! চলল দুষ্কৃতী তাণ্ডব

অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির পরই মঙ্গলবার রাতেই ফের উত্তপ্ত হয় ভাটপাড়া। চলে বেপরোয়া বোমাবাজি, অস্ত্র উঁচিয়ে উন্মত্ত দাপাদাপি, হামলা। পিস্তলের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এক যুবকের। বোমার স্প্লিন্টারে গুরুতর জখম হয় আরেক যুবক। সবমিলিয়ে টানা বৃষ্টির মধ্যেই রাতভর দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলল ভাটপাড়ায়।আরও পড়ুনঃ উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গিস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়ার কলাবাগান তিন নম্বর গেট এলাকা। রাতে অতর্কিতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। পিস্তলের বাঁট দিয়ে অজিত কুমার সিং নামে এক যুবকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিষ্ণুদেব যাদব নামে আরেক ব্যক্তি বোমার ঘায়ে আহত হয়েছেন। দুজনকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত দুজনই জগদ্দল জেজেআই জুটমিলের কর্মী। রাতে দুজনেই কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এই ঘটনায় মহম্মদ সোনু নামে এক জনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ, মহম্মদ সোনুর নেতৃত্বে এক দল আচমকা বোমাবাজি করতে শুরু করে এলাকায়। তারই প্রতিবাদ করায় এই হামলা। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ চালাচ্ছে ভাটপাড়া থানার পুলিশ।উল্লেখ্য, অভিযোগ মঙ্গলবার সকাল নটার সময়ে আচমকাই অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে বোমা ছুড়ে মারে দুষ্কৃতীরা। গত ৮ সেপ্টেম্বরের বোমাবাজির পর এলাকায় নতুন করে আরও ২০টা সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। বাড়ানো হয় পুলিশ পিকেট। সিআইএসএফ জওয়ানদের প্রহরাও রয়েছে। তার মধ্যেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আর এবার মঙ্গলবার রাতভর ভাটপাড়ায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব। সবমিলিয়ে উত্তপ্ত অর্জুন-গড়।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু ভিন রাজ্যের পুলিশের

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হল এক পুলিশ কর্মীর। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার-বাংলা সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার পানতাপারা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিহারের কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাইক চোরের সন্ধানে হানা দেয় এলাকায়। বাংলার পুলিশের সহযোগিতায় পানতাপারা গ্রামে অভিযানে যায় বিহার পুলিশ।সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমার। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিহারের পূর্ণিয়ার আইজি সুরেশ প্রসাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকেরা। হাসপাতালে আসেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচিন মক্কর-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। মৃত পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমারের মৃতদেহ ময়না তদন্তে জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা। বোলেরো গাড়ির চাবি ছিনিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর আসানসোলে ঘটনাটি ঘটে। আসানসোলের ইসলামপুরের বাসিন্দা বছর ৪০-এর মাকসুদ আলম মল্লিক এটিএম-এ টাকা লোড করার এজেন্সিতে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় রিভারসাইডের একটি ব্যাঙ্কের এটিএম-এ একটি গাড়িতে চেপে টাকা লোডিং করতে যান ওই এজেন্সির তিনজন কর্মী। সেই সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই এজেন্সির কর্মীদের উপর গুলি চালিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা ও বোলেরো গাড়ির চাবি নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। গুলি লাগে মাকসুদের বাম হাতের কনুইতে। হীরাপুর থানার পুলিশ আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহত ব্যক্তির অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal