• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Killed

রাজ্য

সালিশি সভা চলাকালীন গুলি, মৃত ১

দশ বছর আগে পারিবারিক বিবাদের কারণে সালিশি সভা চলাকালীন খুন হয়েছিলেন বাবা । আর ঠিক একই ইস্যুতে আবারও সালিশি সভার মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হতে হল ছেলেকে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মৃতের এক কাকাও। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। কাকা এবং ভাইপোর মধ্যেই পারিবারিক পুরনো বিবাদের এই গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে কালিয়াচক থানার মোজামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর এলাকায়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । যদিও কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাস এখনই পরিষ্কারভাবে এই ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলতে চাননি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, পুরনো পারিবারিক শত্রুতার জেরকে ঘিরে এই গোলমালের ঘটনাটি ঘটেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , মৃত ভাইপোর নাম নওয়াজ শরিফ চৌধুরী (৩০)। জখম কাকার নাম সালাম চৌধুরী (৫০)। মৃতের মাথায় গুলি লেগেছে । জখম সালাম চৌধুরীর কোমরের ডানদিকে গুলি লেগেছে। তার চিকিৎসা চলছে মালদা মেডিক্যাল কলেজে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, পারিবারিক জমির দখলদারি নিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই গোলমাল চলে আসছে কাকা ও ভাইপোর পরিবারের মধ্যে। দশ বছর আগে একইভাবে সালিশি সভা চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছিলেন শরিফ চৌধুরীর বাবা। আর এদিন এই বিবাদের মধ্যেই খুন হলেন ছেলে নওয়াজ শরিফ চৌধুরী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পত্তির দখলকে ঘিরে এদিন নারায়ণপুর এলাকায় কাকা ও ভাইপোর দুই গোষ্ঠীর সালিশি সভা বসেছিল। উভয়পক্ষের মধ্যে হঠাৎ করে গোলমাল বাঁধে। আর সেখানে দুই গোষ্ঠী একে অপরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
দেশ

মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত ১০

ভোররাতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কমপক্ষে ১০ জনের। একটি পিক আপ ভ্যান উল্টে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। ঘটনাটি ঘটেছে ওডিশার কোরাপুট জেলায় কোটপুট থানা এলাকায়। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে তিনি বলেছেন, কোরাপুটের দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারালেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আশা করছি আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পটনায়েকও দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন।স্থানীয় সূত্রের খবর, রবিবার রাতে ছত্তিশগড়ের নাগরনার এলাকা থেকে ওডিশার কোটপুটে যাচ্ছিলেন ওই পিক আপ ভ্যানের যাত্রীরা। রাস্তায় হঠাতই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৯ জনের। আরও অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতালে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পিক আপ ভ্যানটিতে যাত্রী সংখ্যা ছিল অত্যাধিক। যার ফলে দুর্ঘটনাটির ভয়াবহতা অনেক বেশি হয়েছে বলেই দাবি স্থানীয়দের।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

মঙ্গলকোটে রাজনৈতিক হিংসার বলি এক

ফের রাজনৈতিক হিংসার বলি একজন।পূর্ব বর্ধমান জেলায় খুন হলেন তৃণমূলের এক বুথ সভাপতি। জখম হয়েছেন আরও এক তৃণমূল নেতা। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। মঙ্গলবার দুপুরে মঙ্গলকোট থানার নিগন গ্রামে তৃণমূল নেতা সঞ্জিত ঘোষকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তাঁকে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূলের মোকাবিলা করতে না পেরে এইভাবে হিংসার রাজনীতির আশ্রয় নিচ্ছে। যদিও বিজেপির দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই রয়েছে এই খুনের পিছনে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে মোটরবাইকে করে দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সঞ্জিতবাবু। সঙ্গে ছিলেন মঙ্গলকোটের তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ইব্রাহিম শেখ। নিগন গ্রামে তাঁদের বাইক আটকায় বিজেপির লোকজন। তৃণমূলের নিগন অঞ্চল সভাপতি ধ্রুব ভট্টাচার্য বলেন, সোমবার এলাকায় বিজেপির যুব মোর্চা রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ সভা করেছিলেন। সেখানে তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন।তার জেরেই এদিন আমাদের নেতাদের উপর হামলা করা হয়েছে। বিজেপি মানুষ খুনের রাজনীতি শুরু করেছে।যদিও বিজেপির বর্ধমান পূর্ব সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের দাবি, তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দল। নিগন গ্রামে যা ঘটেছে তা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই ঘটেছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

চিৎপুরে গুলি, মৃত ১

পারিবারিক অশান্তির জেরে শুক্রবার ভরসন্ধেয় গুলি চলল খাস কলকাতায়।ঘটনায় চিৎপুরে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, আঞ্জুম আখতার নামে এক গৃহবধূকে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে নানা অশান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। তার বাপের বাড়ি যাওয়াকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়। এদিন চিৎপুরে আলোচনার জন্য বসেছিল দুই পরিবার। সেখানেই দুপক্ষের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। এরপরই তিন রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হন আ়ঞ্জুমের নন্দাই হুসেন নামে এক যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় আরজি কর হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
দেশ

কর্নাটকে ডিনামাইট বিস্ফোরণে মৃত ৮

ডিনামাইট বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কর্নাটকের শিবমোগা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ হওয়া ওই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল, প্রথমে সবাই মনে করেছিলেন ভূমিকম্প হয়েছে। বহু বাড়ি ও রাস্তায় ফাটলও দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের ধাক্কায়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।আজ সকালে একটি টুইট করে তিনি নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা করেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা মৃতদের পরিবারপিছু ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছেন। জানা গিয়েছে, ডিনামাইট বোঝাই একটি লরি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই তাতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে লরিটি কার্যত উড়ে যায়। প্রবল শব্দে ভেঙে পড়ে এলাকার বাড়িজ কাঁচ। বিস্ফোরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই পরেই এলাকায় আসেন শিবামোগার পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট ও অন্য সিনিয়র অফিসাররা। পরে সেখানে আসেন বম্ব স্কোয়াডের কর্মীরাও। আরও বিস্ফোরণের কোনও সম্ভাবনা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতেই তাঁদের নিয়ে আসা হয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
দেশ

পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ জনের মৃত্যু

ভারতে করোনা প্রতিষেধক তৈরির পরীক্ষাগার পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫ জনের। বেশ কয়েকজনকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা হলেও এই ৫ জনকে বাঁচানো যায়নি। বিকেলে পুণের মেয়র মুরলীধর মোহর টুইট করে দুঃসংবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইনস্টটিউটের টার্মিনাল ওয়ানের কাছে আগুন লাগে বলে খবর। বৃহস্পতিবার সেই বাড়িটিরই চতুর্থ ও পঞ্চম তলে আগুন লেগে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁওয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। খবর পেয়েই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। তবে এই আগুন লাগার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল যা নিয়ে, সেই টিকা তৈরি ও মজুত করার জায়গাটি নিরাপদেই আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন পুণের পুলিশ কমিশনার।দমকলকর্মীদের সহায়তায় ইনস্টিটিউটে থাকা সব বিজ্ঞানীকে নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে বের করে আনা হয়। প্রথমে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এসে পৌঁছন সেরামের মঞ্জরীর কারখানার সামনে। তাঁদের সঙ্গে প্রথম থেকেই যোগাযোগ রাখছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। পরে তিনি নিজেই গিয়ে হাজির হন ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, দুপুরে ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনে প্রথমে আগুন লেগে যায়। এখানেই রয়েছে মঞ্জরী প্ল্যান্ট অর্থাৎ বিসিজি ভ্যাকসিন তৈরির পরীক্ষাগার। তবে কোভিশিল্ড যেখানে তৈরি হয়, সেই জায়গা কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি সেরাম কর্তৃপক্ষের। আপাততত কোভিশিল্ড সুরক্ষিতই রয়েছে। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও কোনও ধারণা করতে পারছেন না দমকলকর্মীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ

ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরে বাঙালির উপর গুলি চালিয়ে হত্যা ও আহত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর ৭ জেলার সহযোদ্ধারা একটি প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ করে হলদিয়ায়। মিছিল থেকে আওয়াজ ওঠে যে ত্রিপুরার বাঙালি আর একা নেই, ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সমগ্র বাঙালি জাতি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ত্রিপুরার বাঙালির পাশে আছে, বাঙালি ভাইয়ের খুনীর শাস্তি চাইবে। এই মিছিল মঞ্জুশ্রী মোড় থেকে শুরু করে সমগ্র হলদিয়া শহর কেন্দ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদী স্লোগানে মুখরিত করে দুর্গাচকে সভার মাধ্যমে শেষ হয় বিপুল জন সমাগমের মাঝে। বাংলা তথা ত্রিপুরার বাঙালির মাটিতে বহিরাগত আস্তানা গড়ার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর জোরদার প্রচার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক মাধ্যমে। বাংলা পক্ষর সভা থেকে প্রশ্ন ওঠে, বাঙালিকে খুন করার সময়, ডিটেনশন ক্যাম্পে ভরার সময়, এনআরসি থেকে বাদ দেওয়ার সময় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই ডায়লগ কোথায় যায়? বাংলা পক্ষ দাবি করে যে বিজেপি হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে বাঙালি বিরোধী। আরও পড়ুন ঃ দুজন খারাপ লোকের জন্য পুরো রাজ্যকে বদনাম করা ঠিক নয়ঃ মমতা প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় ব্রু-রিয়াং শরণার্থীদের পুণর্বাসন দেওয়ায় কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা প্রতিবাদ দেখাতে থাকে। সেই আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালালে এক যুবক ্মারা যায়। জানুয়ারি মাসে ত্রিপুরায় ব্রু-রিয়াং শরণার্থীদের পাকাপাকিভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে কেন্দ্র। বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্যাকেজও ঘোষণা করা হয়। তাদের নাম ভোটার তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছে কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা। শুরু হয় আন্দোলন। চার দফা দাবিতে একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় কাঞ্চনপুরের বাঙালিরা। এছাড়াও তারা অসম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

বিস্ফোরণস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে বাধা পুলিশের

সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার তদন্তে নামল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেন, ঘটনাস্থলের ছবি তোলেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন যাননি তাঁরা। এনআইএ এখনও সেখানে যাবে কি না, তা স্থির হয়নি। এ বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়ার বক্তব্য, কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তা স্পষ্ট হলে তবেই নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হবে। অন্যদিকে , শুক্রবার বেলায় সেখানে হাজির হয় কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক। তাঁরা প্রত্যেক মৃতের পরিবারের কাছে যান। দলের তরফে প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আহতদের পরিবারপিছু ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়।কংগ্রেসের তরফে বিজেপি ও রাজ্যপালের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর এদিকে , মালদহের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে বিজেপি প্রতিনিধিদল যেতে বাধা দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে এলাকাটি দ্বিস্তরীয় বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে সেই ব্যারিকেড পেরতে বাধা দিয়েছে পুলিশও। আর তাতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ওখানে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তার কারণ, বিজেপি প্রতিনিধিরা গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলে আসল সত্যটা জানত, তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এখন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃ্ত্বে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরি। বিজেপি প্রতিনিধিরা কারও সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পাড়ারই কয়েকজন যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করেন, এমন অসময়ে কেন এসেছেন তাঁরা? কার সঙ্গেই বা কথা বলবেন? কথা না বলতে পারলে আসল ঘটনা জানবেনই বা কীভাবে? এসব প্রশ্নে জর্জরিত করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে কার্যত এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি এনআইএ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের

কালিয়াচকের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হল ৫ জনের। বিস্ফোরণের ঘটনায় ্পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। সুজাপুরের ঘটনার খবর শুনে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা স্থানীয় নেতা কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি। ইতিমধ্যেই মৃ্তদের পরিবারকে দু লক্ষ এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন , বিস্ফোরণের ঘটনায় নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রশাসনিক কর্তারা।গোটা ঘটনার উপরে নজর রাখা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার ক্ষতিপূরণের চেক পরিবারের হাতে তুলে দিতে মালদা যাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ মালদার কালিয়াচক থানা এলাকার স্কুলপাড়ায় এক প্লাস্টিক কারখানায় ক্রাশার বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যায়। আহতদের উদ্ধা্র করে ভরতি করা হয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, ওই কারখানায় প্লাস্টিক, লোহা ও পেতল পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ হত। স্থানীয় সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে যে, কারখানার ভিতরে কোনও যন্ত্র বিকল হওয়ার ফলেই বিস্ফোরণ ঘটে। ওই প্লাস্টিক কারখানায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ওই কারখানার মালিক।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী

গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম আকাশ প্রসাদ। তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত আকাশ। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার পাল ঘাট রোড এলাকার ঘটনা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী অশোক সাউ ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্রর বাঁট দিয়ে মেরে আকাশকে হত্যা করে ৷ তারপর বোমাবাজি করতে করতে এলাকা ছাড়ে তারা। আরও পড়ুন ঃ বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের দাবি , এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। অন্যদিকে, সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, আকাশ প্রসাদ একজন দুষ্কৃতী ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানতাম। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে জানতাম না। এই ঘটনায় বিজেপি-র কোনও যোগ নেই ৷ একথা আকাশের পরিবারই বলছে ৷ তৃণমূল তাদের গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপি-র উপর চাপানোর চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় বিজেপি কর্মী খুন

এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম বীরেন্দ্র সাউ (৪৪)। স্থানীয়রা জানান, গত ১০ অক্টোবর মিথ্যা বোমাবাজির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পঞ্চমীর দিন বীরেন্দ্র জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল। অভিযোগ , সপ্তমীর দিন রাতে ঠিক বাড়ির উল্টোদিকে বসেছিলেন বীরেন্দ্র সাউ। ঠিক সেই সময় বাবুয়া, মন্নু সাউ-সহ তৃণমূলের পাঁচ-ছয়জন এসে পিস্তলের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটায় বীরেন্দ্রকে। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে কল্যাণী হোমে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। ফের বুকে ব্যথা শুরু হলে শনিবার রাতে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আরও পড়ুন ঃ অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, পিস্তলের বাট দিয়ে চিপ্পাকে মারধোর করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। মাথায় আঘাত লাগায় ওকে কল্যাণীর একটি হোমে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। শনিবার রাতে বুকে ব্যাথা শুরু হলে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পবনের দাবি, বাংলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নিত্যদিন বাংলায় বিজেপি কর্মী খুন হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন উদাসীন।

নভেম্বর ০১, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির

তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহত তিনজন হলেন বিজেপি-র যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ফিদা হোসেন , উমের হাজাম এবং উমের রশিদ বেগ৷ কুলগামের ওয়াই কে পোরা এলাকায় এই তিনজনের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ ঘটনাস্থলে মারা যায় ফিদা হোসেন। বাকি দুই দলীয় কর্মী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায়। টিআরএফ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে৷ আরও পড়ুন ঃ সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার নিন্দা করে টুইটারে লিখেছেন, আমাদের তিনজন তরুণ কার্যকর্তার হত্যার নিন্দা করছি৷ যুব প্রজন্মের উজ্জ্বল প্রতিনিধি হিসেবে জম্মু কাশ্মীরে এঁরা খুব ভাল কাজ করছিল৷ এই শোকের সময়ে আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই৷ তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি৷ পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজ্য

 নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের

নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানাল রাজ্য সরকার । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমতিক্রমে বুধবার রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত , দশমীর বিকেলে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার হাজরা বাড়ির দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ডুমনি নদীতে। এলাকার আরো কয়েকটি দুর্গা প্রতিমাও সেইসময় ছিল নদীতে। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন নদীতে চলছিল শোভাযাত্রা। সেই সময় হঠাৎ করে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে উলটে যায় প্রতিমা ও যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা। একই সঙ্গে পাশের নৌকাটিও উলটে যায়। তাতে থাকা যাত্রীরা সাঁতরে পাড়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন উঠেও পড়েন। সন্ধের পর বোঝা যায় যে ওই নৌকায় থাকা বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। এরপরই খোঁজাখুঁজি শুরু হয় নদীতে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। রাতে উদ্ধার হয় হাজরা পরিবারের ২ সদস্য-সহ ৫ জনের দেহ।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
বিদেশ

ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৬ জনের মৃত্যু আফগানিস্তানে

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। এই বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত ৯০ জন। রবিবার সকাল ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণটি ঘটে আফগানিস্তানের ঘোর প্রদেশের ফিরোজ কোহায়। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উদ্ধারকাজ চলছে। আরও পড়ুনঃ অস্ট্রেলিয়ায় বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের স্বীকৃ্তি , চালু বাংলায় সরকারি ওয়েবসাইট জানা গিয়েছে, যে এলাকায় একাধিক সরকারি অফিস ও আফগান পুলিশের দফতর রয়েছে, সেখানেই বিস্ফোরক বোঝাই বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণের পরই গোটা এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এর দায় স্বীকার করেনি।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal