• ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Die

কলকাতা

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হল আরও এক পুলিশকর্মীর। মৃতের নাম কমলকৃষ্ণ বল। তিনি কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। কয়েকদিন আগেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। মঙ্গলবার তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত তাঁর সহকর্মীরাও। আরও পড়ুন ঃ ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের কলকাতা পুলিশের তরফে সবরকমভাবে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লালবাজার সূত্রে খবর , এনিয়ে কোভিড সংক্রমণে কলকাতা পুলিশের ১৮ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

ফের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃতের নাম মানব মুখোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। করোনা যুদ্ধে একেবারে সামনের সারি থেকে লড়ছিলেন তিনি। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভরতি হন হাসপাতালে। সোমবার তিনি মারা যান। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড় এই নিয়ে করোনায় প্রাণ হারালেন কলকাতা পুলিশের ৯ জন সদস্য। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় পাঁচ হাজার জন। তাঁদের মধ্যে অবশ্য অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মানববাবুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

গান স্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় কিংবদন্তী অভিনেতা  সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে

কিংবদন্তী অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে গান স্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানো হল। রবিবার সন্ধ্যে ৬ টা ৪৫ মিনিটে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে গান স্যালুট দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল শেষকৃত্য। সন্ধে ৭টা নাগাদ পঞ্চভূতে বিলীন হলেন কিংবদন্তী শিল্পী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। গান স্যালুটের সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে পৌলমী বসু। এদিন অভিনেতার মৃত্যুর পর তার কন্যা পৌ্লমী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দুপুর দুটো নাগাদ তাঁর মরদেহ গলফগ্রীনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনরা। বেশ কিছুক্ষণ তাঁর মৃতদেহ সেখানে রাখার পর সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়কে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরা। সেখান থেকে সাড়ে তিনটে নাগাদ দু ঘণ্টার জন্য অভিনেতার মরদেহ রবীন্দ্র সদনে নিয়ে আসা হয়। প্রিয় অভিনেতাকে শেষবারের মতো চোখের দেখা দেখতে রবীন্দ্র সদন চত্বরে ভিড় উপচে পড়ে। সেখানে তাকে বহু মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে বিদায় জানাতে সেখানে সিনেমা জগতের কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রবীন্দ্র সদন থেকে বেরয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মরদেহ শায়িত শববাহী গাড়ি। গন্তব্য কেওড়াতলা মহাশ্মশান। আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন টলিউড শিল্পী- পরিচালকদের কিংবদন্তী শিল্পীর শেষযাত্রায় পা মেলালেন অগণিত ভক্ত, অনুরাগীরা। শেষযাত্রায় মানুষের ঢল। জয়ধ্বনি দিতে দিতে এগিয়ে চলেছেন সবাই। তাঁর শেষযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন শাসক দলের নেতানেত্রীদের পাশাপাশি বিজেপি , বাম ও কংগ্রেসের নেতারাও। পদযাত্রায় পা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, রুক্মিণী মৈত্র ও রাজ চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তীও। গান গাইলেন ইন্দ্রনীল সেন, অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরই লেখা কবিতা পাঠ করলেন কৌশিক সেন। সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন টলিউড শিল্পী- পরিচালকদের

প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যু্তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্র জগতে। অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় জানান, বহুদিনের সম্পর্ক ছিল। একসঙ্গে কাজ করেছি প্রচুর। তাঁর কথায়, ওনার মৃত্যু কখনই হবে না। ও বেঁচে থাকবে। সৌমিত্রের প্রয়াণে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় জানান, আমার কাছে মানুষ সৌমিত্র অত্যন্ত সহজ সরল একজন মানুষ। ওঁর মৃত্যুটা মেনে নিয়ে পারছি না।বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী বলেন, আমরা প্রায় একই সঙ্গে কাজ শুরু করেছি। এত সুন্দর ওঁর ব্যবহার। একসঙ্গে থিয়েটার করেছি। শুধুই সুখস্মৃতির ভিড়। আরও পড়ুন ঃ সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের সত্যজিতের ফেলুদার স্মৃতিচারণায় সন্দীপ রায় জানান, ষাট বছরের বেশি সময় ধরে চিনি। পরিবারের একজনকে হারালাম আজ। শর্মিলা ঠাকুর জানান, উনি শুধু অভিনয়ে নন, একাধারে আরও অন্যান্য ক্ষেত্রেও ছাপ রেখে গেছেন তিনি। আক্ষেপ থেকে গেল, কেন যে ওঁর আবৃত্তিগুলো রেকর্ড করলাম না। অপর্ণা সেন বলেন , উনি আমার প্রথম ছবির প্রথম নায়ক। প্রথমে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে কাকা বলে ডাকতাম। পরে নাম ধরে ডাকলেও সেই শ্রদ্ধাটা ছিল। জুটি হিসেবে আমরা কখনও সফল ছিলাম কি না জানি না। তবে উনি একবার ঠাট্টা করে বলেছিলেন, তুই পরিচালক হলি আমাদের জুটিটা ভেঙে গেল। সৌমিত্রের মৃত্যুতে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন প্রসেনজিৎ। হয়ে পড়েছেন আবেগপ্রবণ। বাড়ি থেকে বেরোতে চাইছেন না। কথাও বলতে চাইছেন না। তবু তারই মধ্যে সৌমিত্রের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে তিনি পিতৃপ্রতিম এক ব্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতীয় ছবি ও নাটকে তাঁর অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।বিসিসিআই-র সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টুইটারে লিখেছেন, আপনি প্রচুর কাজ করেছেন। শান্তিতে থাকুন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের

অভিনেতা সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি টুইটে লিখেছেন , সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিসে অপু ট্রিলজি এবং অন্যান্য সিনেমায় তাঁর স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য সৌমিএ চট্টোপাধ্যায়কে আজীবন স্মরণ করা হবে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার সঙ্গে, সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগত আরও একজন কিংবদন্তি নায়ককে হারাল। সত্যজিৎ রায়ের মাস্টারপিসে অপু ট্রিলজি এবং অন্যান্য স্মরণীয় অভিনয়ের জন্য তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে। অভিনয়ের নৈপুণ্যে তিনি ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মভূষণ এবং লেজিয়ান ডিহ্নেউর সহ একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরষ্কার এনে দিয়েছে। তাঁর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সমবেদনা রইল। চলচ্চিএ জগৎ এবং বিশ্বজুড়ে তাঁর অগনিত ভক্তদের জন্য রইল আমার সমবেদনা। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটে নরেন্দ্র মোদি লেখেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগত, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কাজের মধ্যে বাঙালির চেতনা , ভাবাবেগ ও নৈতিকতার প্রতিফলন পাওয়া যায়। তাঁর প্রয়াণে আমি শোকাহত। সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার ও অনুরাগীদের সমবেদনা জানাই। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে টুইট বার্তায় শোকজ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন টুইটারে তিনি লেখেন, কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়জির মৃত্যুর খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বাংলা চলচ্চিত্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সৌমিত্র দার মৃত্যু ভারতীয় রুপালি পর্দার অপূরণীয় ক্ষতি। আরও এক রত্নকে হারাল দেশবাসী। আমার সমবেদনা এবং প্রার্থনা তাঁর পরিবার এবং অগণিত অনুগামীদের সঙ্গে রয়েছে। ওম শান্তি শান্তি শান্তি। আরও পড়ুন ঃ বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখেঃ পৌলমী বসু কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট বার্তায় শোক জ্ঞাপন করে লিখেছেন, দাদাসাহেব ফালকে পুরষ্কারপ্রাপ্ত শ্রী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবরে দুঃখিত। তিনি বহু বছর ধরে গোটা জাতির কাছে শ্রদ্ধার পাএ ছিলেন। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং ভক্তদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। শোকজ্ঞাপন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটে লেখেন, ফেলুদা আর নেই। বিদায় জানালেন অপু। বিদায় সৌমিত্র (দা) চট্টোপাধ্যায়। তিনি জীবন্ত কিংবদন্তী ছিলেন। আন্তর্জাতিক, ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্র একজন বিরাট ব্যক্তিত্বকে হারাল। আমরা তাঁর অভাব গভীরভাবে অনুভব করব। বাংলার চলচ্চিত্র জগৎ অনাথ হয়ে গেল। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র টুইট করে শোক প্রকাশ করেছেন। এদিন তিনি বলেন, উদয়ন পণ্ডিত অপরাজেয়। ৮৫ তে এসে ৪০ দিনের লড়াই থামেনি। তিনি অপরাজিত। তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন, তাঁর অমর সৃষ্টিতে, স্মৃতিতে, অসংখ্য মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং তাঁর পরিবার,পরিজন ও অনুরাগীদের আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন। এদিন টুইটে তিনি বলেন, আপনি সকলের হৃদয়ে মন জুড়ে থাকবেন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখেঃ পৌলমী বসু

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসতেই বেলা ১টা নাগাদ বেলভিউ হাসপাতালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি বসুর সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল চত্বরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কন্যা পৌলমী বসু। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কান্না ধরা গলায় পৌলমী জানালেন, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ২টো নাগাদ বেরিয়ে গলফ্গ্রীনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে মার কাছে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। এরপর টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর ৩টের পর রবীন্দ্র সদনে যাব। সেখানে ২ ঘণ্টা রাখা হবে তাঁকে। এরপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে হবে শেষ কৃত্য। যে সম্মান ওঁর প্রাপ্য ছিল, তার থেকেও বেশি সম্মান দিয়েছেন বাবাকে। এত আপনজনের মতো ভালবাসা দেওয়ার জন্য আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। বেলভিউ নার্সিংহোমের প্রতিও কৃতজ্ঞ। অরিন্দম কর থেকে শুরু করে প্রত্যেককে অসংখ্য ধন্যবাদ যেভাবে ওনারা চেষ্টা করেছেন।তাঁর মতো চিকিৎসক আরও প্রয়োজন। বাবা চিরকাল আমাদের মধ্যে থেকে যাবেন। বাবাকে আমরা সেলিব্রেট করব হাসিমুখে। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু সত্যিই বেদনাদায়ক। চলচ্চিত্র জগৎ থেকে শুরু করে নাট্যজগৎ অনেক ক্ষেত্রেই ওঁর অগাধ বিচরণ ছিল। রবীন্দ্র সদন থেকে মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর সন্ধে ৬টা থেকে ৬:৩০-এর মধ্যে গান স্যালুট দিয়ে তাঁকে সম্মান জানানো হবে। উনি পার্থিবভাবে হয়তো চলে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। সৌমিত্রদার শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারবেন না। আপনি যেখানেই থাকুন ভাল থাকুন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর শোকবার্তায় লেখেন , বাংলার তথা ভারতের চলচ্চিত্র জগতের কিংবদন্তী নায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাংলার সকল মানুষের হয়ে আমি আমাদের গভীর মর্মবেদনা প্রকাশ করছি। যে প্রতিভাবান মানুষদের জন্য বিশ্বের দরবারে আমরা প্রতিনিধিত্ব পেয়েছি, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য ছিলেন। জগৎবরেণ্য চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায়ের চোদ্দটি ছবি সহ তিনি দুশতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলি হল অপুর সংসার, চারুলতা, অভিযান, অরণ্যের দিনরাত্রি, অশনি সংকেত, সোনার কেল্লা, জয় বাবা ফেলুনাথ, হীরক রাজার দেশে, ঘরে বাইরে, গণশত্রু, গণদেবতা, ঝিন্দের বন্দী, তিন ভুবনের পারে, ক্ষুধিত পাষাণ, কোনি ইত্যাদি। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় একাধারে ছিলেন প্রবাদপ্রতিম চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা, পাশাপাশি অসামান্য বাচিক শিল্পী, কবি, লেখক, নাট্যকার এবং নাট্যনির্দেশক। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ২০১২ সালে সারা জীবনের অবদানের জন্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, ২০১৫ সালে টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড (হল অফ ফেম) ও ২০১৭ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি তাঁর অসামান্য অভিনয়ের জন্য পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ড, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি টেগোর রত্ন অ্যাওয়ার্ড সহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। ফ্রান্স সরকার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ২০১৮ সালে তাঁদের সর্বোচ্চ সম্মান- লিজিয়ন দ্য অনার- এ ভূষিত করে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার বিশেষ শ্রদ্ধা ও প্রীতির সম্পর্ক ছিল। আমাদের আমন্ত্রণে তিনি বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করতে নজরুল মঞ্চে যেমন আমাদের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন, আবার পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকেছেন। তাঁর সসম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ, আন্তরিক ব্যবহারে তিনি সকল সময়ে আমাদের চিত্ত স্পর্শ করেছেন। তাঁর মৃত্যু বাংলার জনজীবনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করল। আমি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার-পরিজন ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি ।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা  সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

চলে গেলেন বর্ষীয়ান টলিউড অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। রবিবার বেলা ১২টা বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তাঁর মৃত্যু্ সংবাদে চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীপাবলির দিনই চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন যে চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মাল্টি অর্গান ফেলিওরের পরই সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। পূর্ণ মাত্রায় অক্সিজেন দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা একেবারে কমে গিয়েছিল। রক্তচাপও কমছে শরীরে। কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হার্ট কাজ করছে না। আরও পড়ুন ঃ লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ডায়ালিসিস ও প্লাজমাফেরাসিসেও ফল মিলছে না। অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেল প্রায় ৫-এর নীচে। ফলে পরিস্থিতি যে জটিলের থেকেও ভয়ঙ্কর পর্যায় পৌঁছেছিল, তা ডাক্তাররা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সেদিন থেকেই তাঁর আরোগ্য কামনায় রত ছিল সারা বাংলা তথা গোটা দেশ। তাঁদের প্রার্থনার জোর যে ফেলুদাকে এই পরিস্থিতি থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবেই, তাতে আশাবাদী ছিলেন সৌমিত্র-অনুরাগীরা। কিন্তু তা আর হল না। চলে গেলেন ফেলুদা ।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড়

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক মহিলার। রাস্তা পারাপারের সময় সিগন্যাল ভেঙে আসা গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের নাম গৌরি দত্ত। তিনি দত্তাবাদের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের দিক থেকে একটি সাদা রঙের গাড়ি আসছিল। ইএম বাইপাসের কাদাপাড়া মোড়ের কাছে সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে আসে গাড়িটি। সেই সময় রাস্তা পার হচ্ছিলেন এক মহিলা। দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসা ওই গাড়িটি মহিলাকে সজোরে ধাক্কা মারে। মহিলাকে গাড়ির চাকায় জড়িয়ে বেশ কিছুটা রাস্তা টেনে হিঁচড়ে নিয়েও যায় গাড়িটি। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় মহিলার। গাড়িটিকে আটকে রাখে স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়ির চালক এবং আরোহীকে মারধরও করা হয়। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে ফুলবাগান থানার পুলিশ পৌছলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভও দেখাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যবাসীকে কালীপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এরপর উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া স্থানীয় বিধায়ক পরেশ পালও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁদের হস্তক্ষেপে প্রায় ঘণ্টাদুয়েক পর অবরোধ উঠে যায়। ওই গাড়ির চালক এবং আরোহীকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়াও মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য এনআরএস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল , গুলিতে প্রাণ হারালেন তৃণমূল কর্মী

তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে গুলিতে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের অন্ডালে। মৃতের নাম ধরম লুনিয়া। সে দুর্গাপুরের অন্ডালের খাসকাজোরার বাসিন্দা। এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার রাতে দলের কয়েকজনের সঙ্গে মদের আসরে বসেছিলেন ধরম। কয়লার লিফটিংয়ের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে তা নিয়ে বিদ্যুত লুনিয়া নামে এক যুবকের সঙ্গে বচসা বাঁধে ধরমের। আরও পড়ুন ঃ পরিবারের স্বার্থ না দেখে সকলকে নিয়ে চলুনঃ শুভেন্দু বচসা থেকে শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। অভিযোগ, ধরমকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিদ্যুত। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ওই তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। আরও ২ জন আহত হন। এরপর ঘটনাস্থলে পৌছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় তারা। ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের

এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল একই পরিবারের তিনজনের। এই দুর্ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর এলাকা। মৃতরা হলেন , সন্ধ্যা বাউরি (৩০), রিঙ্কু বাউরি (১৪) ও রাহুল বাউরি(১২)। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন স্বামী স্বামী প্রশান্ত বাউরি। জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বর্ধমান জামালপুর থানার কুলির মুইদিপুর গ্রামে বালি বোঝাই লরি উলটে যায় দামোদরের বাঁধের রাস্তার ধারে থাকা একটি বাড়ির উপরে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। শুরু করে উদ্ধারকাজ। বাড়ির মধ্যেই প্রশান্ত বাউরির ছেলে ও মেয়ে চাপা পড়ে মারা যায়। হাসপাতালে মারা যান সন্ধ্যা বাউরি। স্থানীয়দের অভিযোগ, চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিল। গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ফলে এই বিপত্তি ঘটেছে। আরও পড়ুন ঃ শীর্ষ নেতার ফোনেই জেলা কমিটি ঘোষণা বন্ধ করে পালালেন কল্যাণ? নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। এছাড়া ওই এলাকা দিয়ে বালিবোঝাই লরি চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। নচেৎ পুলিশের হাতে কোনওভাবেই দেহ তুলে দেওয়া হবে না। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ তাদের বোঝাতে গেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে সেই জনরোষ বালিখাদানে গিয়েও পড়ে। উত্তেজিত মানুষজন ওই এলাকার বালিখাদানে চড়াও হয়। সেখানের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিসকে লাঠিচার্জ করতে হয় । কিছু সময় পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে কোন রকমে বিক্ষুব্ধ মানুষজনকে সরিয়ে দিয়ে মৃত ও জখমদের উদ্ধার করে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর। নিজের বাড়িতেই বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মারা গেলেন তিনি। জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে কেষ্টপুর সমর সরণিতে জয়ন্ত শাস্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগে। সেই সময় ঘরেই ছিলেন তিনি। প্রতিবেশীরা আগুন দেখতে পেয়ে দমকল ও কেষ্টপুর থানায় খবর দেয়। জয়ন্তবাবুর বাড়ির দরজায় ধাক্কা বা তাঁকে ডাকাডাকিতেও কাজ হয়নি। আরও পড়ুনঃ বিরাজমান শুভেন্দু, নেই অভিষেক! খোদ কলকাতায় ব্যানার ঘিরে চাঞ্চল্য কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন দমকল কর্মীরা। বেডরুম থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় জ্যোতিষীকে। বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃত সাব ইন্সপেক্টরের নাম সঞ্জয় সিং। তিনি কলকাতা আর্মড পুলিশের তৃ্তীয় ব্যাটেলিয়নে কর্মরত ছিলেন। একেবারে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে তিনি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছিলেন ৷ সম্প্রতি হাসপাতালে ভরতি হন তিনি। সেখানে তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আরও পড়ুন ঃ আগুন লেগে ভস্মীভূত এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিলেও পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকায় তাঁকে আইসিইউতে ভরতি করা হয়। বুধবার ভোররাতে তাঁর মৃত্যু হয়। সঞ্জয়বাবুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন নগরপাল অনুজ শর্মা ৷

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩

বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৩ পথচারীর। মৃতদের নাম দিলওয়ার শেখ (৬০) , কিতাবুদ্দিন শেখ (৫০) , মনিরুল শেখ (৩৫)। এরা তিনজনেই মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা । জানা গিয়েছে, সোমবার ভোরে স্থানীয় মসজিদে নমাজ পড়ার পর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ফিরছিলেন তারা । সেই সময় রেজিনগর এলাকায় বহরমপুরগামী একটি ট্রাক ধাক্কা দেয় তাঁদের। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ৩ জনই। স্থানীয়দের নজরে পড়তেই তাঁরাই আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসকরা প্রথমেই ২ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আহত তৃ্তীয় ব্যক্তির প্রাণ ফেরানো্র লড়াই চলছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সেও মারা যান। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত তিন লক্ষের কাছাকাছি এই ঘটনার জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের কথায়, ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ট্রাক চালক। সেই কারণেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি গাছে ধাক্কা দেয় ট্রাকটি। এরপর ধাক্কা দেয় ওই তিনজনকে। পুলিশ জানিয়েছে , চালক ও ঘাতক গাড়ির হদিশ পেলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
দেশ

দেশে লাখের গণ্ডি পেরল করোনায় মৃতের সংখ্যা

ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ পার করল।আমেরিকা এবং ব্রাজিলের পর বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে এই মহামারীর কবলে পড়ে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হল ভারতে।গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ১০৬৯ জনের।শুক্রবার রাতে ১ লক্ষ ছাড়িয়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা।ফলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৮৪২ জন। অর্থাৎ বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে ১ লক্ষের বেশি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে ঢুকে গেল ভারত।এদিকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে ৬৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৪৫ জন। আক্রান্তের থেকেও গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যাটা উদ্বেগজনক।অন্যদিকে,সুস্থতার সংখ্যা ৫৪,১৫,১৯৭।শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একদিকে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮১,৪৮৪ জন। শনিবার পর্যন্ত দেশ জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৬৪,৬৪,০১২।দক্ষিণের দুই রাজ্যে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। হু-হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। কর্নাটকে একদিনে ১০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কেরালাতেও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিতের সংখ্যা ৮ হাজারেরও বেশি। দক্ষিণের এই দুই রাজ্যে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রকও।গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে নতুন করে ৮ হাজার ১৩৫ জন নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের।সবমিলিয়ে কেরলে এখনও পর্যন্ত করোনা অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৭২ হাজার ৩৩৯টি।সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দক্ষিণের আরও এক রাজ্য কর্নাটকেও। গত ২৪ ঘণ্টায় সেই রাজ্যে নতুন করে ১০ হাজারের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে সেরাজ্যে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১৩০ জনের।এছাড়াও তামিলনাড়ুতে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ।স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তামিলনাড়ুতে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬০২। একইভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশেও। সেরাজ্যেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। তেলেঙ্গনায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ছাড়িয়েছে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
রাজ্য

অন্ডালে প্রবল বর্ষণে পাঁচিল চাপা পড়ে মৃত্যু কিশোরীর

প্রবল বর্ষণে পাঁচিল চাপা পড়ে মৃত্যু হলো এক কিশোরীর। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে অন্ডালের খাঁন্দরা গ্রামের বক্সী পাড়ায়। মৃত কিশোরীর নাম সৌমী মজুমদার, বয়স ১৪। রাত্রি দুটো নাগাদ ভারী বৃষ্টির কারণে পাশের একটি জীর্ণ দেওয়াল ছাদের অ্যাজবেসটসের উপর ভেঙে পড়ে। ঘুমন্ত অবস্থায় দেওয়াল চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সৌমীর। ঘটনায় আহত হন সোমনাথ মজুমদার ও তাঁর স্ত্রী শঙ্কিতা মজুমদার। উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তাঁদের নিয়ে আসা হয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

রাহুলকে ডেকেও সাড়া মেলেনি! বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ অনশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুধু রাহুল গান্ধী নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই কারণেই এখন সব রাজনৈতিক নেতার উপর থেকে তাঁর আস্থা উঠে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনম।নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে টানা ছাব্বিশ দিন অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে অনশন ভাঙতে। সেই উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সোনমের কথায়, তাঁর স্ত্রীর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙান। কিন্তু তা হয়নি।অনশন শেষ হওয়ার সময়ের ঘটনাও সামনে এনেছেন সোনম। তাঁর দাবি, তিনি চেয়েছিলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণার পরেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। আগেভাগেই ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে হতাশ হন।সোনম ওয়াংচুক বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হতাশাজনক। তাঁর কথায়, এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতার উপরই আর ভরসা করতে পারেন না।মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ উঠেছিল, তা-ও খারিজ করেছেন সোনম। তাঁর বক্তব্য, যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত, তাহলে ছাব্বিশ দিন অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং ছাত্রদের স্বার্থেই তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাঁর দাবি, গোটা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র জনস্বার্থ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার লড়াই থামছেই না! ফের সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, এবার কী রায়?

বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্ট, আবার হাইকোর্ট কোথাও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি না মেলায় এবার ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে নতুন করে আবেদন করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।এর আগে বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, দেশের মধ্যে চিকিৎসার সুযোগ থাকলে আগে সেই পথই অনুসরণ করতে হবে। আদালত বিশেষভাবে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের পরামর্শ দেয়। সেই বোর্ড যদি মনে করে বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন, তবেই বিদেশ যাওয়ার অনুমতির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবী জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের সব নির্দেশ মেনেছেন। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ না করে জানায়, বিষয়টি প্রথমে হাইকোর্টেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একই সঙ্গে হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।পরবর্তী শুনানিতে হাইকোর্ট আবারও জানায়, এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অভিষেকের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, তাঁর মক্কেল এসএসকেএমে চিকিৎসা করাতে আগ্রহী নন এবং বিদেশেই চিকিৎসা করাতে চান। এরপর হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেয়।হাইকোর্টে স্বস্তি না মেলায় এবার আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

“রাজনীতি করবেন, আর ডিমকে ভয় পাবেন?” সুপ্রিম কোর্টে মহুয়াকে তীব্র কটাক্ষ, তারপর যা হল...

সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। একটি ফেসবুক পোস্ট সংক্রান্ত মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। পরে মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী নিজেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ আদালতে জানান, আগেরবার হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর মক্কেলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি তাঁর দিকে ডিমও ছোড়া হয়েছিল। সেই কারণেই জেরার জন্য ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চাওয়া হয়।এই আবেদন শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র সাংসদ হওয়ার কারণেই কি এমন সুবিধা চাওয়া হচ্ছে? পরে ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, রাজনীতি করতে এলে ডিমকে ভয় পেলে চলবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন, তাই জনজীবনে থাকা ব্যক্তিদের সমালোচনা বা প্রতিবাদের মুখোমুখি হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।শুনানির সময় আদালত মহুয়ার আবেদন গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে। এরপর তাঁর আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন আর বিবেচনা করা হয়নি।উল্লেখ্য, এই একই মামলায় আগে কলকাতা হাই কোর্ট মহুয়া মৈত্রকে গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল। তবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৪ আগস্ট তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশের পরই ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

রক্ত সংগ্রহে ভয়ঙ্কর অনিয়মের অভিযোগ! আদালতের নজরে এগারো ব্লাড ব্যাঙ্ক, বাড়ল চাপ

রাজ্যে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার পৌঁছে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির আয়োজনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয় একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চান, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ আগস্ট।রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল জানায়, বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে আকস্মিক পরিদর্শনে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সেই কারণেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোট এগারোটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে বাইরে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে সরকারি নিয়ম মেনে নিজেদের হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে রক্ত সংগ্রহ করা যাবে।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের মধ্যে রক্ত বা রক্তের উপাদান অন্য কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে পাঠানোর আগে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলকে জানাতে হবে। আর অন্য রাজ্যে পাঠাতে হলে জাতীয় ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের অনুমতি বাধ্যতামূলক।তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে রক্ত ও রক্তের উপাদান অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, গত ছয় মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ইউনিট লোহিত রক্তকণিকা বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দপ্তর কড়া পদক্ষেপ করে। এখন আদালতের নির্দেশের পর তদন্তের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে আর ফিরছে না পুরনো নিয়ম! আদালতে এসএসসির বক্তব্যে জোর চর্চা

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে এসএলএসটি নিয়োগ মামলার শুনানিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতের নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন নিয়ম মেনেই হবে। আগামী ২১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারেই কঠোর। তাই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। সেই কারণেই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন বিধি অনুসারে করা হবে।এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের সম্পূর্ণ প্যানেল আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। এরপর নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ২০১৬ সালের, তাই সেই সময়ের নিয়ম মেনেই নিয়োগ হওয়া উচিত। তবে সরকার ও এসএসসি আদালতে জানায়, নতুন নিয়োগ বর্তমান নিয়ম অনুসারেই হবে।শুনানিতে সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। পরে নতুন নিয়মে তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। আদালত জানায়, বর্তমান সংরক্ষণ নীতিও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মানতে হবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে সমন্বয় করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।এখন নজর আগামী ২১ আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জেলে সুজিত, এবার গ্রেফতার ঘনিষ্ঠ! গেস্ট হাউসে অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সল্টলেকের সুকান্তনগরের একটি গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে। তাঁর সঙ্গে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করানো হচ্ছিল। যদিও সায়ন দে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরেই ওই গেস্ট হাউসে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল। একাধিকবার থানায় অভিযোগ জানানো হলেও আগে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তনের পর বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন মহিলা ও নাবালিকাকে উদ্ধার করে। পরে তাঁদের বয়ান নেওয়া হয়। তদন্তের ভিত্তিতে সায়ন দে এবং অনির্বাণ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে।এই ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আগে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।অন্যদিকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে সায়ন দে দাবি করেন, ওই গেস্ট হাউস তাঁর কি না, সেটাই জানতে পুলিশ তাঁকে নিয়ে এসেছে। তাঁর কথায়, কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এই ঘটনাকে ঘিরে সল্টলেকে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ করা হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কুণাল ঘোষকে বড় ধাক্কা! কণ্ঠরোধ মামলায় যা বলল হাইকোর্ট, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে করা কুণাল ঘোষের মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই জানাতে হবে।কুণাল ঘোষের অভিযোগ ছিল, বিধানসভার অধিবেশনে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর নাম বক্তাদের তালিকা থেকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।মামলার শুনানিতে কুণাল ঘোষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিষয়টি বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আনা হোক। তাঁর দাবি, বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য কুণাল ঘোষের নাম পাঠানো হচ্ছে না। আদালতের হস্তক্ষেপে অন্তত তাঁর বক্তব্য রাখার সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।এর জবাবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন, আদালত কীভাবে স্পিকারকে নির্দেশ দিতে পারে যে কোন বিধায়ক কখন বক্তব্য রাখবেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিধানসভার কার্যপ্রণালীর বিষয়টি মূলত স্পিকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।বিধানসভার পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিপুল সংখ্যক বিধায়কের মধ্যে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট সময়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও দাবি করেন, কুণাল ঘোষ অতীতেও বিধানসভায় বক্তব্য রেখেছেন। তাই তাঁর অভিযোগের ভিত্তি নেই।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কুণাল ঘোষের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানায়, যদি সত্যিই তাঁর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই উত্থাপন করতে হবে। এই বিষয়ে আদালতের আর কোনও করণীয় নেই।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে মিঠুন! অস্ত্রোপচারের খবর ছড়াতেই ছুটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানালেন বড় আপডেট

জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে কলকাতার বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রী অভিনেতার সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।গত কয়েক বছরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও বয়সের তোয়াক্কা না করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করেছেন। প্রচারের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রচার থামাননি।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবার অভিনেতার হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকেও তাঁর শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানেন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার সম্পদ। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও বাংলার মানুষের কাছে মিঠুনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আরও জানান, ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে অভিনেতা সুস্থ আছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সমাজমাধ্যমেও সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal